«

»

Sep ১০

অনুবাদ ও সংক্ষীপ্ত আলোচনা। সুরা আল ইমরান,মাদানী আয়াত সংখ্যা-২০০

(রুকু-১, আয়াত-১-৯)প্রবিত্র কোরানের ৩য় সুরা, আল ইমরান। মক্কী মাদানী গ্রুপের প্রথম জোড়ার দ্বিতীয় সুরা। এ সরায় ২০টি রুকু ও ২০০টি আয়াত রয়েছে। জোড়া হওয়ার শর্ত অনুযায়ী, সুরা বাক্বারার সাথে এ সুরার অনেকাংশে মিল রয়েছে। দুটি সুরাই একই ‘হরফে মোকাত্তায়াত’ আলিফ লাম মীম দ্বারা আরম্ভ হয়েছে। দুটি সুরাই শেষ হয়েছে বিখ্যাত দোওয়ার আয়াতের মাধ্যমে। রসুল সঃ এ সুরা দুটির নাম দিয়েছেন, ‘আজজাহরাওয়াইন’ অতিশয় প্রকাশ মান সুরা দ্বয়। দুইটি সুরায়ই দুই উম্মতের আলোচনা আছে বিধায় এদের, ‘সুরাতুল উমমাতাইন’

ও বলা হয়।

 

সুরা বাকারায় ইহুদীগনের আলোচনা বেশী, আর নাসারাদের আলোচনা কম হয়েছে।

সুরা আল ইমরানে, নাসারাদের আলোচনা বেশী, ইহুদীগনের আলোচনা কম করা হয়েছে।

দুটি সুরাতেই এমন কিছু সাদৃশ্য পূর্ন আয়াত রয়েছে,যেখানে অতি সাবধান নাহলে হাফেজ গনের লাইনচ্যুতির সম্ভাবনা প্রচুর। সুরা বাক্বারার অধিকাংশ আয়াত,বদর যুদ্ধের আগে,প্রথম হিজরীতে নাজিল হয়েছে। সুরা আল ইমরানের অধিকাংশ আয়াত, ওহোদ যুদ্ধের পরে,তৃতীয় হিজরীতে নাজিল হয়।সুরা বাক্বারায় যেমন ভাগ উপভাগ আছে, তেমনই এ সুরাতেও আছে। সুরা বাক্বারায় উপভাগ গুলি রুকু হিসাবে আছে, এসুরায় তা আয়াত হিসাবে আছে। এ সুরায় ২০টি রুকু ও ২০০টি আয়াত আছে। বিষয় বস্তুর প্রেক্ষিতে প্রথমে দুই ভাগ (১০+১০ রুকু)।প্রথমাংশে ১০১ আয়াত ও দ্বিতীয়াংশে ৯৯ আয়াত। প্রথমাংশের ৩টি উপভাগ আছে, তা যথাক্রমে, ৩২+৩১+৩৮ আয়াত।

 

   সুরা বাক্বারার প্রথমাংশের প্রথম উপভাগ, ৪ রুকুতে যেমন ইহুদীদের কথা বলা হয়েছে, ঠিক তেমনই এসুরার প্রথমাংশের প্রথম উপভাগ, ৩২ আয়াতে নাসারাদের কথা বলা হয়েছে।সুরা বাক্বারার মত এখানেও কিছু মৌলিক কথা বলা হয়েছে যা পুনরালোচনাই বলা যায়। দুই সুরার এখানেও সাদৃশ্য রয়েছে।

 

দ্বিতীয় উপভাগের ৩১ আয়াত যা, নাজিল হয় নবম হিজরীতে, তা এখানে শামিল করা হয়েছে। মদীনার দক্ষিনে নজরান নামে নাসারাদের একটা বসতি ছিল, সেখানকার পাদ্রী বিশিষ্ট, অভিজ্ঞ লোকজন সহ ৭০ জন রসুল সঃ এর কাছে তাঁর দাওয়াতের বিষয় বস্তু নিয়ে আলোচনা করতে আসে। তারা কয়েকদিন মদীনায় অবস্থান করে,ও রসুল সঃএর সাথে আলোচনা করে। তারা রসুলের সঃ কথা অস্বীকার করেনি, ইমানও আনেনি। তখন রসুল সঃ তাদের ‘মুবাহেলায়’ আহবান জানান।( আয়াত ৬১) তারা সে চ্যলেঞ্জ গ্রহন নাকরেই ভদ্রতা বজায় রেখেই ফেরত চলে যায়। এই অংশে তাদের বর্ণনা আছে।(মুবাহেলা হচ্ছে, পক্ষ বিপক্ষ উভয় দলই প্রকাশ্যে আল্লার অভিসম্পাত প্রার্থনা করবে, যদি সে মিথ্যা বলে থাকে)।

 

তৃতীয়াংশের ৩৮ আয়াতে দ্বীনে মোহাম্মদী সঃ এর উপর ইমান আনার তাকিদ দেওয়া হয়েছে।

 

দ্বিতীয় ভাগের ১০ রুকুর, প্রথম দুই রুকুতে রয়েছে, ‘তামহিদী কালাম’ বা প্রারম্ভিক কথা, যা শুরা বাক্বারার ১৯ রুকুতে রয়েছে। পরের ছয় রুকুতে রয়েছে ওহোদের যুদ্ধের কথা। বাকী শেষ দুই রুকুতে ইমানের চাহিদা বা ইমানের দর্শন বিষয়ে আলোচনা।

      

 

 

            সুরা আল ইমরান;-আয়াত;১-৯.

 

                بِسْمِ اللّهِ الرَّحْمـَنِ الرَّحِيمِ

      অর্থাৎ;-শুরু করছি আল্লাহর নামে, যিনি পরম করুনা ময়, অতিশয় দয়ালু।

১/الم

   অর্থাৎ;-‘হরফে মোকাত্তায়াত’ যার আলোচনা সুরা বাক্বারার শুরুতে করা হয়েছে।

২/اللّهُ لا إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ

   অর্থাৎ;-আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি চিরঞ্জীব, সব কিছুর ধারক।

আল্লাহর অনেক নামের মধ্যে একটি নামকে ‘ইসমে আজম’ বলা হয়, যার অসিলায় করা দোওয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে। রসুল সঃ এর নিকট নামটির ব্যাপারে জানতে চাইলে, তিনি খুঁজে নিতে বলে ছিলেন, যা পবিত্র কোরানের মাত্র তিনটি সুরায় আছে। অনুসন্ধানে পাওয়া যায়, সে নামটি ‘আল হাইয়ুল কাইয়ূমম’ যা সুরা বাক্বারায় আয়াতুল কুরসীতে, এখানে সুরা আল ইমরানে ও সুরা তাহা’য় পাওয়া যাবে।

 

৩/نَزَّلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ بِالْحَقِّ مُصَدِّقاً لِّمَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَأَنزَلَ التَّوْرَاةَ وَالإِنجِيلَ

   অর্থাৎ;-তিনি আপনার প্রতি কিতাব নাজিল করেছেন সত্যতার সাথে, যা সত্যায়ন করে পূর্ববর্তী কিতাব সমূহের।

পবিত্র কোরানে তওরাত ও ইঞ্জীলের ব্যাপারে বলা হয়েছে, ‘ফিহে হুদাও ওয়া নূর’-তাতে রয়েছে হেদায়েত ও নূর। ঠিক তেমনই তওরাত ও ইঞ্জীলে কোরানের ভবিষ্যত বাণী রয়েছে, যাকে ‘মোসাদ্দেকা’ বলা হয়েছে।

৪/مِن قَبْلُ هُدًى لِّلنَّاسِ وَأَنزَلَ الْفُرْقَانَ إِنَّ الَّذِينَ كَفَرُواْ بِآيَاتِ اللّهِ لَهُمْ عَذَابٌ شَدِيدٌ وَاللّهُ عَزِيزٌ ذُو انتِقَامٍ

   অর্থাৎ;-ইতিপূর্বে তিনি মানুষের হেদায়েতের জন্য ‘ফুরকান’ (সত্য ও মিথ্যার পার্থক্য কারী) নাজিল করেছেন, নিশ্চয় যারা আল্লাহর আয়াত সমুহকে অস্বীকার করে তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি, আল্লাহ পরাক্রমশালী, দণ্ডদাতা।

 

 

যার দ্বারা সত্য ও মিথ্যাকে পার্থক্য করা যায় তাকেই ফুরকান বলে। তওরাত, ইঞ্জীল, কোরান সহ সব আসমানী কিতাই ফুরকান। এক জায়গায় বদরের যুদ্ধকেও ‘ইয়াওমুল ফুরকান’ বা ফুরকানের দিন বলা হয়েছে। আল্লাহ যেমন গফুরুর রাহীম তেমনই আজিজুন জুন ইন্তেকাম। একদিকে যেমন দয়ার সাগর অন্য দিকে প্রতিশোধ বা শাস্তি দিতেও অত্যন্ত কঠোর।

৫/إِنَّ اللّهَ لاَ يَخْفَىَ عَلَيْهِ شَيْءٌ فِي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاء

   অর্থাৎ;- আল্লাহর নিকট আসমান জমিনের কোন বিষয়ই গোপন নেই।

৬/هُوَ الَّذِي يُصَوِّرُكُمْ فِي الأَرْحَامِ كَيْفَ يَشَاء لاَ إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

   অর্থাৎ;-তিনিই আল্লাহ যিনি তোমাদের আকৃতি গঠন করেন, মায়ের গর্ভে, যেমন তিনি ইচ্ছা করেন, তিনি ছাড়া আর কোন উপাস্য নেই, তিনি প্রবল পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

মাতৃ গর্ভে সন্তানের গঠন, প্রকৃতি,লিঙ্গ তিনই নির্ধারণ করেন। এ বিষয়ে কারোরই কোন করনীয় নেই। ইচ্ছা মত এ সবের পরিবর্তন করা কারো দ্বারা সম্ভব নয়।

 

৭/هُوَ الَّذِيَ أَنزَلَ عَلَيْكَ الْكِتَابَ مِنْهُ آيَاتٌ مُّحْكَمَاتٌ هُنَّ أُمُّ الْكِتَابِ وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ فَأَمَّا الَّذِينَ في قُلُوبِهِمْ زَيْغٌ فَيَتَّبِعُونَ مَا تَشَابَهَ مِنْهُ ابْتِغَاء الْفِتْنَةِ وَابْتِغَاء تَأْوِيلِهِ وَمَا يَعْلَمُ تَأْوِيلَهُ إِلاَّ اللّهُ وَالرَّاسِخُونَ فِي الْعِلْمِ يَقُولُونَ آمَنَّا بِهِ كُلٌّ مِّنْ عِندِ رَبِّنَا وَمَا يَذَّكَّرُ إِلاَّ أُوْلُواْ الألْبَابِ

  অর্থাৎ;-তিনিই আপনার প্রতি কিতাব নাজিল করেছেন, তাতে কিছু আয়াত রয়েছে সুস্পষ্ট, সে গুলোই কিতাবের আসল অংশ, আর অন্যগুলো রূপক, সুতরাং যাদের অন্তরে কূটিলতা রয়েছে, কেবল তারাই ফেতনা সৃষ্টি ও অপব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে যা রূপক তা অনুসরণ করে, আর সেগুলোর ব্যাখ্যা আল্লাহ ব্যাতিত কেউ জানেনা, আর যারা জ্ঞানে সুগভীর তারা বলেন, আমরা এর প্রতি ইমান এনেছি, এসবই আমাদের রবের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে, আর জ্ঞানবানরা ছাড়া কেউ উপদেশ গ্রহন করেনা।

 

শুরুতেই কোরানের পরিচিতি পর্বে বলা হয়েছে, পবিত্র কোরানের আয়াত গুলির মধ্যে যেগুলি শরিয়তের হুকুম আহকাম,নিয়ম নীতি সম্পর্কে ঘোষনা দেয় সেগুলি স্পষ্ট। তাকে ‘মোহকামাত’ বলে, আর যেগুলো মানুষের বোধশক্তির বাইরে, সেগুলোকে ‘মোতাশাবেহাত’ বলে। যেমন; আল্লার কুরসী, সাত আসমান, রূহের জগত, ফেরেশ্তা, কবরের জীবন ইত্যাদি। এগুলো আজও মানুষের জ্ঞানের বাইরে। আসমানী কিতাব ও নবী রসুল গনের মাধ্যমে যে টুকু আয়ত্বে এসেছে, মানুষের জ্ঞান সেই গণ্ডির মধ্যেই সীমাবদধ রয়েছে। তবে আল্লাহর ইচ্ছায় বিজ্ঞানের নব নব আবিষ্কারের কল্যানে কিছু অজানা তথ্য মানুষের আয়ত্বে এসেছে।

 

অযথা তর্ক, কলহ সৃষ্টি ও কোরানের অপব্যাখ্যার উদ্দেশ্যে কূটিল লোকেরা রূপক আয়াত গুলোকেই বিভিন্ন ব্যাখ্যার মাধ্যমে পবিত্র কোরানকে হেয় করার প্রয়াস পায়।অপর দিকে প্রকৃত জ্ঞানীগন বিনা বাক্য ব্যায়ে কোরানের উপদেশ গ্রহন করে থাকে।

 

৮/رَبَّنَا لاَ تُزِغْ قُلُوبَنَا بَعْدَ إِذْ هَدَيْتَنَا وَهَبْ لَنَا مِن لَّدُنكَ رَحْمَةً إِنَّكَ أَنتَ الْوَهَّابُ

   অর্থাৎ;-হে আমাদের পালনকর্তা, সরল পথ প্রদর্শণের পর তুমি আমাদের অন্তরকে সত্য লঙ্ঘনে প্রবৃত্ত কোরনা এবং তোমার নিকট হতে আমাদিগকে অনুগ্রহ দান কর, তুমিই সব কিছুর দাতা।

৯/رَبَّنَا إِنَّكَ جَامِعُ النَّاسِ لِيَوْمٍ لاَّ رَيْبَ فِيهِ إِنَّ اللّهَ لاَ يُخْلِفُ الْمِيعَادَ

   অর্থাৎ;-হে আমাদের পালনকর্তা, তুমি মানুষকে একদিন অবশ্যই একত্রিত করবে, এতে কোনই সন্দেহ নেই, নিশ্চয়ই আল্লাহ তার ওয়াদার অন্যথা করেননা।

 

উপরের আয়াত দুটোই দোয়ার আয়াত।অন্য দিকে এ গুলো সেই জ্ঞানবান দেরই উক্তি, যারা আল্লাহর স্পষ্ট নিদর্শন দেখেই আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাস করে, যাদের কথা আমরা সুরা বাক্বারার ১৬৪ নং, আয়াতুল বির এ পড়ে এসেছি ।সর্ব বিষয়ে আল্লাহর অনুগ্রহ প্রার্থনা করাই তাদের মূল লক্ষ্য।    —-x—-

  

৭ comments

Skip to comment form

  1. 5
    শামিম আহমেদ

    খুব ভাল লাগল। এমন লেখা আরো চাই।

  2. 4
    ফুয়াদ দীনহীন

    Assalamualaiqum, How are you Samad Bhai ?

    1. 4.1
      আবদুস সামাদ

      @ফুয়াদ দীনহীন:

      Oa Alaikumus Salam, Alhamdulillah I am good, Fuad Bhai.Please be reguler in Shodalap.Thanks

  3. 3
    এন্টাইভণ্ড

    ভালো লাগছে।

    ভালো কথা: @এডমিন
    رَبَّنَا لاَ تُزِغْ…..(৮ নং আয়াত)

    এই আয়াতটা এইখানে তুঝিগ শব্টা দেখাচ্ছে তাঝিগ, অথচ আমি যখন কপি করে এইখানে আর আমার মেইলে পেস্ট করে দেখলাম, তখন দেখলাম শব্দটা লেখক তুঝিগ-ই দিয়েছেন। কিন্তু মূল পোস্টে পড়ার সময় দেখাচ্ছে তাঝিগ…। একটু দেখেন।
    একই সমস্যা ৯ নং আয়াতে لاَ يُخْلِفُ الْمِيعَادَ
    য়াখলিফাল মিআদ দেখাচ্ছে

    এবং আরো ভালো করে খেয়াল করে দেথলাম, উপরের আয়াতগুলোতেও এই সমস্যাটা খুব প্রকট হয়েছে (هُوَ : ৬/৭)

    الْوَهَّابُ…, جَامِعُ …সহ আরো অনেকগুলো শব্দে কিন্তু পেশটা খুব স্পষ্টভাবেই দেখাচ্ছে। একটু দেখেন।

    1. 3.1
      আবদুস সামাদ

      @এন্টাইভণ্ড:

      ফিরে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।অসুবিধা গুলো এডমিন হয়তো ঠিক করতে পারবেন। আমার এতে কিছু করার সাধ্য নেই। মন্তব্যের জন্যও ধন্যবাদ।

  4. 2
    আবদুস সামাদ

    শাহবাজ ভাই সব কিছুর জন্য ধন্যবাদ। কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল টাইপের সময় হয়ে যায়। তবুও ভবিষ্যতে আরও সাবধান হব আশাকরি। আল ইমরান'ই হবে, যেমন আল বাক্বারা, আল আনআম, প্রভৃতি। পরবর্তীতে ইমরানের ব্যাপারে আরও বলার আশা রাখি। সুরা মরিয়মে আরও বর্ণনা আছে। দোওয়া অব্যাহত রাখবেন। ইনশাআল্লাহ আমিও এগিয়ে যাবো।

  5. 1
    শাহবাজ নজরুল

    সামাদ ভাই,
    দ্বিতীয় সুরা শুরু করার জন্যে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আল্লাহ আপনাকে কাজটা ভালোভাবে শেষ করার সামর্থ্য দিন, আমিন।
    আলে-ইমরান সুরার সূচণা/ভূমিকা ভালো হয়েছে। সংক্ষেপে আলে-ইমরান বা ইমরানের পরিবার সম্পর্কে কিছুটা কী বলা যেত? আর উচ্চারণ তো মনে হয় আলে-ইমরান হবে, একটু দেখে নিয়েন।কিছু ভুল বানান,এসুরায় -> এই সুরায়,
    আল্লার-> আল্লাহর
    আল হাইয়ুল কাইয়ূমম -> আল হাইয়ুল কাইয়ূমকিতাই ফুরকান -> কিতাবই ফুরকান
    --শাহবাজ  

Leave a Reply

Your email address will not be published.