«

»

Jan ০১

“কেহ নাহি সঙ্গী হবে”

আজ যারা নেই কালকে ছিল,
বলতে পার কোথায় গেল?
যে দিন তারা প্রথম এলো
সঙ্গে করে কি আনিল?
আবার যেদিন চলে গেল
সঙ্গে কিবা নিয়ে গেল?

প্রথম যেদিন এল ধরায়,
কান্নাশুধু ছিল সহায়।
ওটাই ছিল মুখের ভাষা,
চাওয়া পাওয়া সকল আশা।
কেউবা পেল বালা খানা,
সোনার খাটে তার বিছানা
বেবী ফুড আর আঙ্গুর আপেল,
খেল কম আর ফেললো অঢেল।।
মায়ের আদর সোহাগ কেড়ে,
দিনে দিনে উঠল বেড়ে।
ভার্সিটি আর স্কুল কলেজ
সাঁতার দিয়ে আনলো নলেজ।
সফল হবার পদক পেল,
আরাম আয়েশ ভোগ করিল।

কেউবা আবার পথের পাশে,
কাটায় জীবন অনায়াসে।
পায় যদি খায় নইলে উপোষ,
জানেনা সে তার কিবা দোষ।
আরাম আয়েশ কারে বলে,
জানলো না সে কোন কালে।
পেটের ক্ষুধা মেটাবারে,
কেউবা গেল অন্ধকারে।
কেউ বা টানে রিকসা গাড়ি
কেউবা করে দিন মজুরী
শীত গ্র্রীষ্ম মাথার পরে,
এরই মাঝে বসত করে।

ঘনিয়ে এল যাবার বেলা,
সাঙ্গ হল ভবের খেলা।
প্রান পাখিটা গেল উড়ে,
মাটির দেহ রইল পড়ে।
ধন দৌলত বালাখানা,
সঙ্গী কারই কেউ হলনা।
++++++++++++++

৯ comments

Skip to comment form

  1. 6
    আবদুস সামাদ

    আমার মন্তব্যটা সবার শেষে কমেন্ট আকারে দিতে চেয়ে ছিলাম। কিন্তু ভূল বশতঃ Replyতে চলে গেছে। আমি দুঃখীত।

  2. 5
    সাদাত

    এটা কোন সমস্যা নয়। কেননা এখানে পার্থিব ব্যক্তি/বস্তুর কথা বলা হচ্ছে, ফলে ঈমান/আমল যে সঙ্গী হবে সেই কথা এখানে উহ্য আছে বলে ধরে নিতে হবে।

    1. 5.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      @সাদাত:
       
      দেখু সম্মানিত লেখক কি বলেন। 

  3. 4
    ফুয়াদ দীনহীন

     
    ধর্মীয় কোন দৃষ্টিকোন থেকে সমস্যা? মুসলমানরা যদি কোরআন ও হাদিসের নির্দেশানুযায়ী আত্মীয়স্বজন, এতিম, মিসকীন, ভিক্ষুক(ভিক্ষুকের পূর্নবাসন), পাড়াপ্রতিবেশী, অধিনস্থ কর্মচারী সবার প্রতি দায়িত্ব পালন করতো তাহলে কি মনে করেন সারি সারি বিলাসবহুল অট্টালিকার পাশাপাশি ফুটপাতে পলিথিনের নীচে, খোলা আকাশের নীচে পশুর মতো দুই সমান্তরাল জীবন প্রক্রিয়া অত্যন্ত গা সওয়া, স্বাভাবিকভাবে গ্রহন করার মতো অবস্থা সৃষ্টি হতো? রাষ্ট্র যদি সঠিকভাবে যাকাত আদায় করে সুষ্ঠুভাবে যাদের প্রয়োজন তাঁদের জন্য পরিকল্পনা করে ব্যায় করতো তাহলে কি অবস্থার পরিবর্তন হয়ে যেতোনা? বাংলাদেশ নামে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কিন্তু মানুষ সঠিকভাবে ইসলাম ধর্মের নিয়মকানুন মেনে চলেনা দেখেই মানুষে মানুষে এত ব্যাবধান;-কিংশুক
     

    Agreed, but problem is in the name because your good work will stay with you.    “কেহ নাহি সঙ্গী হবে”
    -May be I am wrong, may be not
     

  4. 3
    কিংশুক

    @ ফুয়াদ দীনহীন, তবে ধর্মিয় দৃষ্টীকোন থেকে একটু সমস্যা আছে।

    ধর্মীয় কোন দৃষ্টিকোন থেকে সমস্যা? মুসলমানরা যদি কোরআন ও হাদিসের নির্দেশানুযায়ী আত্মীয়স্বজন, এতিম, মিসকীন, ভিক্ষুক(ভিক্ষুকের পূর্নবাসন), পাড়াপ্রতিবেশী, অধিনস্থ কর্মচারী সবার প্রতি দায়িত্ব পালন করতো তাহলে কি মনে করেন সারি সারি বিলাসবহুল অট্টালিকার পাশাপাশি ফুটপাতে পলিথিনের নীচে, খোলা আকাশের নীচে পশুর মতো দুই সমান্তরাল জীবন প্রক্রিয়া অত্যন্ত গা সওয়া, স্বাভাবিকভাবে গ্রহন করার মতো অবস্থা সৃষ্টি হতো? রাষ্ট্র যদি সঠিকভাবে যাকাত আদায় করে সুষ্ঠুভাবে যাদের প্রয়োজন তাঁদের জন্য পরিকল্পনা করে ব্যায় করতো তাহলে কি অবস্থার পরিবর্তন হয়ে যেতোনা? বাংলাদেশ নামে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ কিন্তু মানুষ সঠিকভাবে ইসলাম ধর্মের নিয়মকানুন মেনে চলেনা দেখেই মানুষে মানুষে এত ব্যাবধান; এসব কারনে বোধহয় ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকেও কবিতার বক্তব্যে কোনপ্রকার সমস্যা নেই।

  5. 2
    ফুয়াদ দীনহীন

    কবিতার অর্থ সুন্দর, তবে ধর্মিয় দৃষ্টীকোন থেকে একটু সমস্যা আছে।

  6. 1
    সাদাত

    আব্দুস সামাদ ভাই,
    কথাগুলো সুন্দর করে গুছিয়ে লিখেছেন। তবে আপনি যেহেতু ছন্দ মিলিয়ে লেখেন, ছন্দের মিলটা আরেক ঘরে এগিয়ে আনলে ভালো হয়। 
    যেমন, ‘বালাখানা’ -> খ + আ-কার + ন + আ-কার
     আর ‘কেউ হলনা’ বা ‘কেউ হলোনা’ -> ল + ও-কার + ন + আ-কার
    এখানে ন এর আগে একটা আ-কারযুক্ত কোন শব্দ ব্যবহার করা হলে বেশি শ্রুতিমধুর হতো।

    1. 1.1
      আবদুস সামাদ

      প্রথমেই সকলকে স্বাগত ও ধন্যবাদ জানাই। কবিতাটা হঠাৎ করেই লেখা শিরনামটা আরও হঠাৎ করে দেওয়া। কেহ এর জায়গায় কিছু দিলে ভাল হত।
      কিংশুক ভাই যা ব্যাখ্যা দিয়েছেন, ওই কথাগুলো উপসংহারে দেবার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু মেলাতে পারিনি, তাই এখানেই শেষ করতে হয়েছে। ধর্মীয় ব্যাপারটাই আমার লক্ষ্য। পরের অ সংযোজীত লাইন গুলো দিচ্ছি। তাহলে মনে হয় বুঝতে সহজ হবে।-
      “সবার তরে যা যা লাগে,/মানুষ আসার আগে ভাগে,/দুনিয়াটারে সাজিয়ে ছিলেন।/তার পরেতে মানুষ দিলেন।/মানুষ হল জীবের সেরা,/মাথায় তাদের বুদ্ধি ভরা,/তার পরে ও নবী এলেন./ নিয়ম নীতি শিখিয়ে গেলেন।
      শেষ করতে পারিনি আর এ লাইন গুলো আমার মনোঃপুত হয়নি তাই যোগ করিনি। আমি ধর্মের দিকটাই আলোচনায় রাখার চেষ্টা করি। আসলেই আমরা সঠিক ভাবে ধর্ম মেনে চললে,এ ইবৈষম্য থাকার কথা নয়। যদি মানতাম যে আমাকে একা খালিহাতেই যেতে হবে। তাহলে সত্যই বৈষম্য থাকার কথা নয়। দীন মজুর যেমন কিছুই সম্পদ নিয়ে গেলনা, তেমনি সফলকাম ব্যাক্তিও কোন সম্পদ সাথে নিতে পারলোনা। সোনা ব্লগে একজন বলেছেন,’সত্যই সাথে কিছু কেউ আনেওনা আবার নেয়ওনা’। আমি বলেছি, মানুষ কান্না সাথে করে আনে, কিন্ত যাবার সময় ও টুকুও নিকট আত্মীয়দের দিয়ে যায়। ইমান আমলতো যাবার আগেই চলে যায়। সঙ্গে যায়না।
      প্রথম কমেন্টে সাদাত ভাইয়ের পরামর্শ আমি ঠিক বুঝলামনা। সময় হলে আর একটু খোলাসা করবেন। পরামর্শকে সর্বদা স্বাগত জানাই।

      1. 1.1.1
        সাদাত

        নিচের দুটো লাইন দেখুন-
        আরাম আয়েশ কারে বলে,
        জানলো না সে কোন কালে।
         
        'বলে' এর সাথে 'কালে' ছন্দটা ঠিক মিললো না।
        বলে, চলে, ফলে, ছলে, জলে, ফলে, গলে এগুলো এক ছন্দ।
        আবার,
        কালে, হালে, গালে, চালে, জালে, পালে, ফালে, ডালে এগুলো অন্য এক ছন্দ।
         

Leave a Reply

Your email address will not be published.