«

»

Feb ১৪

পোস্ট প্রকাশ বিষয়ক অভিযোগ ভাণ্ডার

এখানে মন্তব্যের ঘরে পোস্ট প্রকাশ সম্পর্কে আপনার অভিযোগগুলি করুন। সম্ভব হলে এডমিন/এডিটর-এর সাথে এ বিষয়ে যে ই-মেইল বিনিময় হয়েছে সেগুলিও দিয়ে দিন।  ধন্যবাদ।

১২ comments

Skip to comment form

  1. 10

    সম্পাদক মহোদয়,আমি একটি লেখা পাঠালাম আপনাদের নিয়ম মেনেই!আশা করছি লেখাটি প্রকাশিত হবে ইনশাআল্লাহ!

  2. 9
    sami23

    সম্পাদক সাহেব জিয়া সাহেবের "রাজাকার বাহিনী"পোস্টে আমার কমেন্ট গুলা কেনও সেন্দুকের ভিতর তালা মেরে রেখে দেওয়া(রিমুভ) হলো তার কোন যুক্তিযুক্ত কারন এখন আমি খোঁজে পাইনি।নাকি জিয়া সাহেবের পোস্টে আমার মন্তব্য করা হাসিনার সংবিধানে নিষিদ্ধ আছে নাকি সদালাপে নীতি মালা বহির্ভূত আমি কোন মন্তব্য করেছি তাও এখনো জানার সুযোগ হলো না।তাহলে ধরে নেবো বিশেষ দলের লোকের জন্য সদালাপেও জিহ্বা কর্তনের মতো ঘটনা হয়! আর জিয়া সাহেব যদি পোস্টে ভিন্নমতাল্মবি  মত সহ্য করতে পারেন তাহলে একটা ডিসক্লেমার দিয়ে দিতে পারতেন যে,অমুক অমুক আমার পোস্টে মন্তব্য করতে পারবেন।নাকি সদালাপে জিয়া সাহেবের জন্য বিশেষ প্রায়োরিটি ব্যবস্থা আছে সদালাপে?

  3. 8
    dr jahid hasan

    salam,

    Ami ekti lekha diyecilam. Publish hobe kina jante chai.

    Dr jahid

  4. 7
    মোঃ মোস্তফা কামাল

    ২০০৩ সালে প্রথম জানি সদালাপ নামক একটি বাংলা ওয়েব পোর্টাল আছে। এই জিয়া সাহেবকে দেখেই ২০০৪ সাল হতে এখানে লেখা দেওয়া শুরু করি। আমি উনাকে সদালাপেতো বটেই সামুতেও বর্তমানে ব্যাক্তি আক্রমণ করি না। উপরন্ত এটিমের স্থপতি দুইজন উনাকে যে ভাবে নোংরা কথা বলে তারপরেও তাদের সাথে জিয়া সাহেবের খুবই ভাল খাতির। কিন্তু আমাকে কমেন্ট করতে দিবেন না। ওকে নো প্রবলেম। উনি ফাকা মাঠে গোল দিতে থাকুক। আমি এখানে কেন সামুতেও জিয়া সাহেবকে কোনদিনও ব্লক করিনি। বরং বলছি যত খুশী কমেন্ট কইরেন। কিন্তু সবারই বিবেক ও সৎ সাহস নেই যে আমার সাথে তথ্য ও যুক্তির ভিত্তিতে আলাপ করবে। আমি মনে করি আমি যথেষ্ঠ জানি না বরং অন্যদের সাথে ভদ্র ও শোভন ভাবে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে আরো জানতে ও শিখতে চাই। কারো ভদ্র ভাবে কমেন্টের জন্য আমার এখানে দুয়ার সর্বদা খোলা। কারণ আমি ফাকা মাঠে গোল দিতে চাই না।
    এর আগে মুনিম ভাইয়ের পোষ্টে, হাদিসের রেফারেন্স না থাকাতে আপনি বললেন "মোঃ মোস্তফা কামালের পুরানো অভ্যাস" কথাটা অনেকটা কটাক্ষ পূর্ণ। এটা একটু হাল্কা ভাবেও বলা যেত। আমি স্বীকার করি উক্ত হাদিসের রেফারেন্স আমারা জানা নাই তবে এটা বিটিভি বহুবার দেখেছি। তখন বিটিভিতে এভাবে রেফারেন্স দিত না। আর সুদ সমন্ধে ঐটা মাসালা হবে। আমি এটা ইসলামিক টিভি সহ বিভিন্ন সময়ে মসজিদে শুনেছি। আমি চ্যালেঞ্জ করতে পারি যে এগুলো কোনটাই আমার নিজের বানানো নয়। আর মুনিম ভাইয়ের ঐ পোষ্টে পরে আমি সর্বশেষ একটা কমেন্ট করলেও আপনি তা পোষ্ট করেননি। এখনও হাদিস তথা ধর্মীয় বিষয় না হলেও আপনি ইচ্ছামতন মন্তব্য এডিট করে দিচ্ছেন, তাতে আমি আসামীর কাঠগড়াতেই থাকলাম।
    আমি বিএনপির সমর্থক এই বিষয়ে কোন রাখ ঢাক নাই। আমি নিরপেক্ষ বা সুশীল নই। যা লেখি সেটা সোজা সাপ্টা বলি। আপনে আমাকে সরাসরি লেখতে দিবেন কি না দিবেন সেটা আপনার মর্জি। আমি আর এই নিয়ে বেশী কিছু বলব না। লেখা পাঠালে যদি মনে করেন পোষ্ট করবেন তো দেখব নতু্বা দয়া করে মেইলে না করে দিয়েন যে সম্ভব নয়, এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আর অনুরোধ করব না। এখন সামু, বর্ণমালা সহ ফেসবুকে বহু লেখার সুযোগ আছে। সদালাপে ব্লগ সিষ্টেম চালু হলে আমি কখনই সদালাপের নিয়ম ভেঙে কোন মন্তব্য করিনি। কেউ আমার পোষ্টে তার মন্তব্যের জবাবে বা আমি অন্য কারো পোষ্টে গিয়ে কাউকে অশ্রদ্ধা করে কমেন্ট করিনি। অন্য ব্লগেও আগে কখনওই কাউকে খারাপ কথা বা ব্যাক্তি আক্রমণ করিনি। 
    সদালাপকে ভালবাসি বলেই এখানে আসি। নেট জগতে ভিন্নমতে হতে শুরু করলেও সদালাপেই বেশী লিখেছি। এ ছাড়াও আপনিও আমাকে ব্যাক্তিগত ভাবে উপকার করেছেন যা আমি এখনও ঋণী। লেখা ও ব্যাক্তিগত ভাবে সদালাপের কাছে চির কৃতজ্ঞ।

  5. 6
    সদালাপ কর্তৃপক্ষ

    আপনি পোষ্ট দিতে পারবেন না, এমন তো নয়। কিন্তু আপনার পূর্ব কার্যকলাপের জন্য পোষ্টটি সম্পাদকের ডেস্ক হয়ে যাবে। সদালাপে আপনি নিশ্চিত থাকেন ভদ্র ভাবে তথ্য ও যুক্তির মাধ্যমে আলাপ-আলোচনা করতে পারবেন। স্বীকার করছি, আগের চেয়ে আপনি অনেক সংযত। কিন্তু আমাকে বলুন, যে আপনাকে বার বার বলছে তার পোষ্টে কমেন্ট না করতে, ঠিক সেখানেই আপনাকে সবচেয়ে বেশী কমেন্ট করতে হবে কেন? সদালাপে আপনার করা সবগুলি কমেন্ট গুনে দেখুন এবং সম্ভব হলে জানান এর কত পার্সেন্ট কমেন্ট আপনি শুধু জিয়াউদ্দিন সাহেবের পোষ্টে করেছেন। আপনি আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন, সদালাপে কাউকে এভাবে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার মানে কি? এটি সুবিধা দেওয়া নয়, ব্লগের সার্বিক পরিবেশ বজায় রাখতে একটি সুচিন্তিত সিদ্ধান্ত। তবু যদি আপনার মনে হয়, এটি পার্সিয়ালিটি, তাহলে জিয়াউদ্দিন সাহেবও যাতে করে কোনসময় আপনার পোষ্টে কমেন্ট না করতে পারেন, সে ব্যবস্থা করে দেবো। লেটস নট ফরগেট, আপনার লেখা-লিখি নতুন নয় এবং আপনার মতাদর্শের সাথে আমরা পরিচিত। 

    1. 6.1
      সাদাত

      @এডমিন মহোদয়,
      অনেক ব্লগেই অপছন্দের ব্লগারকে ব্লক করার সুবিধা আছে। সদালাপেও এই সুবিধা থাকলে আর কোন কথা থাকতো না। এখন যেহেতু এই সুবিধা চালুই করেছেন, সুবিধাটি সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিলেই ভালো হয়।

  6. 5
    মোঃ মোস্তফা কামাল

    আমি জিয়া সাহেবের পোষ্টে কোন নোংরা কথা যেমন বলিনি তেমনি উনাকে ব্যাক্তিগত আক্রমণও করিনি। স্রেফ লেখার উপর কথা বলছি। তবুও তিনি আমাকে জামাতী দালাল এই সমস্ত কথা বলছে।
    তাইলে এডমিন সাহেব, সদালাপে কি কেউ ভদ্র ভাবে তথ্য ও যুক্তির মাধ্যমে আলাপ-আলোচনা করতে পারবে না? সদালাপে কাউকে এভাবে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার মানে কি? সদালাপতো সামাজিক ব্লগ, এখানে কারো খুশী মত ফাকা মাঠে গোল দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে কেন? বাংলাদেশের সব নাগরিকের সমান অধিকার যে সে কোন দল করবে না বা করবে। কাউকে ঐ বুশ জুনিয়রের ষ্টাইলে বাধ্য করা নয়। এটা আপনার স্বৈরাচারী মনোভাব। একেতো আমাকে কোন পোষ্ট করতে দেন না দ্বিতীয়ত জিয়া সাহেবের পোষ্টে মন্তব্য বন্ধ করে দিলেন। সত্যিই পৃথিবীটা বড়ই অদ্ভুত!

  7. 4
    সদালাপ কর্তৃপক্ষ

    ইলাহ অর্থ মাবুদ নয় বরং ইলাহ অর্থ আদেশ দাতা

    ইলাহ অর্থ আদেশ দাতা, যে আদেশ মানুষের ব্যাক্তিগত জীবনের আদেশ ও রাজনৈতিক জীবনের আদেশ উভয় আদেশ মান্য করলেই সে মুসলিম, নচেত

    শুধু ব্যাক্তিগত আদেশ মানলাম আর জাতীয় আদেশ মানলাম বিধর্মীদের সেটা ইসলাম নয়, সেটা শের্ক,

    যে শের্ক আল্লাহ কখনোই মাফ করবেন না।

    ইটালিক করা অংশের রেফারেন্স/দলীল দিন।

    লক্ষ্য করুন, আপনার কাছে দু'টি মৌলিক বিষয়ে রেফারেন্স চাওয়া হয়েছে। সরাসরি   এইগুলির উপযুক্ত রেফারেন্স প্রদান করতে না পারলে কেন আপনার ভবিষ্যৎ মন্তব্যগুলি কঠোর স্ক্রুটিনির মধ্যে দিয়ে যাবেনা, কারণ দর্শাতে পারেন।

    নাজিবুল্লাহ সাহেবের মন্তব্য বা লিঙ্কে কোথায় এই প্রশ্নগুলির সরাসরি জবাব দেওয়া হয়েছে? কষ্ট করে দেখিয়ে দিন কোথাও লেখা আছে ইলাহ অর্থ মাবুদ নয় বরং ইলাহ অর্থ আদেশ দাতা

    আপনাকে একটা প্রশ্ন করিঃ যার হয়ে আপনি বলছেন, তার মন্তব্যটি কি আপনি পুরোপুরি পড়েছেন, লিঙ্কের অর্থাৎ ১১২ পৃষ্ঠার একটি বইয়ের  ইলাহ অংশটি সহ?

    1. 4.1
      vonder jomdut

      একদিকে নজিবুল্লাহ ভাইকে কারন দর্শানোর নোটিশ দিচ্ছেন, অপরদিকে তিনি যে জবাব দিচ্ছেন তা প্রকাশ করতেছেন না, এটাকি মুনাফিকী হচ্ছে না ? তিনি যে জবাব দিয়েছেন আমি পুনরায় তা পেশ করলাম।
       
      আপনি না বুঝে থাকলেও আশা করি অনেকেই আমার মন্তব্য থেকেই উত্তর পেয়ে গেছেন। তারপরেও আপনার চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেবার জন্য কিছু অংশ পুনরায় বোল্ট করে দিতে বাধ্য হলাম।

      অতসব এবাদত সত্ত্বেও, আল্লাহর অস্তিত্বে ও একত্বে বিশ্বাস (ঈমান) থাকা সত্ত্বেও, কাবাকে আল্লাহর ঘর বোলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও, কাবার দিকে মুখ কোরে সালাহ (নামায) কায়েম করা সত্ত্বেও, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দীন দরিদ্রের জন্য দান-খয়রাত (যাকাতের মত) করা সত্ত্বেও, প্রতি বছর কাবা কেন্দ্রিক হজ্ব করা সত্ত্বেও, রমাদান মাসে সওম (রোযা) করা সত্ত্বেও, এমন কি প্রত্যেকে খাত্না করা সত্ত্বেও ঐ আরবরা মোশরেক ছিলো, কারণ তাদের মধ্যে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’ ছিলো না। তাদের সার্বভৌম, এলাহ ছিলো কাবা ঘরের অভিভাবক, কোরায়েশরা। তাদের দীন ছিলো কোরায়েশরা যে সিদ্ধান্ত দেবে তা পালন করা। আজ যেমন এই জাতির এলাহ হোল দাজ্জাল (Dajjal)। এবং দীন হোল মানবরচিত জীবন-ব্যবস্থা, তন্ত্র, মন্ত্র, বাদ, ক্র্যাসি ইত্যাদি।
      বর্ত্তমানের মোসলেম বোলে পরিচিত এই জনসংখ্যা ঐ মোশরেক আরবদের মতই আল্লাহর অস্তিত্বে, একত্বে বিশ্বাসী, সালাহ (নামায) কায়েম করে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান-খয়রাত (যাকাহ) করে, বছরে একবার হজ্ব করে, কাবা তওয়াফ করে, রমাদান মাসে সওম (রোযা) রাখে এবং খাত্না করে কিন্তু ঐ আরবদের মতই এ জনসংখ্যা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ত্যাগ কোরে দাজ্জালের অর্থাৎ মানুষের সার্বভৌমত্বকে গ্রহণ কোরে মানুষের সিদ্ধান্ত পালন কোরছে তাদের জাতীয় জীবনে। এই পথভ্রষ্টতার সাংঘাতিক ভুলের একমাত্র কারণ হোচ্ছে কলেমার, ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’র এলাহ শব্দেরর্থ অকে বদলিয়ে মা’বুদ অর্থাৎ উপাস্য করা। অর্থাৎ আল্লাহ একমাত্র ‘আদেশদাতা, সার্বভৌম’ থেকে বদলিয়ে একমাত্র ‘উপাস্যে’ পরিণত করা যা আরবের মোশরেকরা কোরেছিলো এবং তা কোরে তাদের সমস্ত এবাদত সত্ত্বেও মোশরেক হোয়ে গিয়েছিলো। এবং এ জন্যই আল্লাহ তাঁর রসুলকে পাঠিয়েছিলেন তাঁর সার্বভৌমত্বকে আবার প্রতিষ্ঠা কোরতে বংএ তাই তাঁর রসুল এসে সাফা পাহাড়ে দাঁড়িয়ে মক্কার সমস্ত মানুষকে ডেকে এনে প্রথমেই বোলেছিলেন- বল (বিশ্বাস কর) ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’। ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’র অর্থ যদি আল্লাহ ছাড়া মা’বুদ অর্থাৎ উপাস্য হয় তবে রসুলাল্লাহর ঐ ডাক অর্থহীন কারণ ঐ মোশরেকরা নামায পোড়ে, আল্লাহর রাস্তায় খরচ কোরে, হজ্ব কোরে ও রমাদানের রোযা রেখে আল্লাহর উপাসক হোয়েই ছিলো, তাদের আবার আল্লাহকে উপাস্য মা’বুদ বোলে বিশ্বাস করার জন্য ডাক দেবার প্রয়োজন কি? আরবের এ মোশরেকরা কি নামায, দান-খয়রাত, হজ্ব, রোযা এগুলি ঐ দেবদেবীর উদ্দেশ্যে কোরতো? অবশ্যই নয়- তারা আল্লাহর এবাদত হিসাবে কোরতো। মোশরেকরা কি উদ্দেশ্যে দেব-দেবীর পূজা কোরতো তা আল্লাহ নিজে তাঁর কোরানে পরিষ্কার বোলে দিয়েছেন (কোরান- সুরা যুমার, আয়াত ৩; সুরা ইউনুস, আয়াত ১৮)।
      তাহোলে দেখা যাচ্ছে যে আদম (আঃ) থেকে শুরু কোরে আল্লাহর শেষ রসুল পর্যন্ত যত নবী-রসুল পৃথিবীতে এসেছেন এবং শেষ রসুল সাফায় উঠে সমবেত মানুষকে যে ডাক দিলেন সেটা ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ, আল্লাহ ছাড়া আর কোন আদেশদাতা নেই’, ‘লা মা’বুদ এল্লা আল্লাহ’ অর্থাৎ ‘আল্লাহ ছাড়া উপাস্য নেই’ নয়। আদম (আঃ) থেকে মোহাম্মদ (দঃ) পর্যন্ত কোন নবী অন্য কোন কলেমা নিয়ে আসেন নাই। আল্লাহর শেষ কেতাব কোরানে একটিবারের জন্যও লা মা’বুদ এল্লা আল্লাহ নেই। আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন মা’বুদ নেই এটা অতি সত্য কিন্তু সেটা কলেমা নয়, এ দীনের ভিত্তি নয়, এ কলেমা পাঠ কোরে অন্য দীনের কোন মানুষ এই দীনে প্রবেশ কোরতে পারবে না। এ দীনে প্রবেশ কোরতে হোলে তাকে যে কালেমটা অবশ্যই মুখে উচ্চারণ কোরতে হবে, অন্তরে বিশ্বাস কোরতে হবে এবং কাজে পরিণত কোরতে হবে সেটা হোচ্ছে ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’, আল্লাহ ছাড়া আর কোন আদেশদাতা নেই। হুকুমদাতা, আদেশদাতা আদেশ কোরলে তবে তো এবাদত, আদেশ কোরেছেন বোলেই তো এবাদত করা হয়, আদেশ না কোরলে তো এবাদত কোরতে হোত না, সুতরাং আদেশ আগে, আদেশ পালন অর্থাৎ এবাদত পরে (বল, ‘আমি আদিষ্ট হোয়েছি আল্লাহর আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত, অকপট হোয়ে তাঁর এবাদত কোরতে।’ (কোরান- সুরা যুমার, আয়াত ১১)); এলাহ আগে, মা’বুদ পরে । এলাহ এবং মা’বুদ দু’টি আল্লাদা শব্দ, ভিন্ন অর্থ।
      দীনুল হকের, এসলামের কলেমার অনুবাদের এবং সেই ভুল অনুবাদকে বিশ্বাস করার ফল কি হোয়েছে? ফল এই হোয়েছে যে মোসলেম বোলে পরিচিত এই জনসংখ্যাটি আল্লাহর এবাদত করার জন্য পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ সুদৃশ্য, জাক-জমকপূর্ণ মসজিদ তৈরী কোরে সালাহ (নামায) পড়ছে, যাকাহ দিচ্ছে, হজ্ব কোরছে, রোযা রাখছে, এবং এছাড়াও বহু রকম নফল এবাদতও কোরছে, ব্যক্তি জীবনে আল্লাহর নির্দিষ্ট কিছু আদেশও পালন কোরছে। কিন্তু জাতীয় জীবনের ব্যাপারে আল্লাহ যে আদেশ নিষেধ কোরেছেন তা মানছেনা, পালনও কোরছে না, প্রত্যাখ্যান কোরছে অর্থাৎ আল্লাহকে এলাহ বোলে মানছে না, মা’বুদ বোলে মানছে।

      আর আমার লিঙ্ক এ দেয়া বই তথা কোরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা এর ২০ থেকে ৩২ পৃষ্ঠায় প্রমাণ করা হয়েছে যে, ইলাহ অর্থ  আদেশ দাতা, আইন দাতা, শাসন কর্তা, সর্বময় কর্তৃত্বের অধীকারী ইত্যাদি। না বুঝলে দয়া করে ভাল মত পড়ৃন।

  8. 3
    vonder jomdut

    নাজিবুল্লাহ ভাইকে ব্লগে লিখতে না দেয়ার তিব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমরা পাঠকরা সবার মতামতই জানতে চাই। নজিবুল্লাহ ভাই, ইলাহা এর তাৎপর্য লিখে মন্ততব্য করেছিলেন, কিন্তু তার মন্তব্য প্রকাশ করা হয়নি, অথচ এডমিন সাহেব তার উপর মিথ্যা অপবাদ দিলেন। সদালাপের কাছে এ হীন কুরুচিপূর্ণ কর্ম কাম্য নয়। নজিবুল্লাহ ভাই আমাকে তার মন্তব্যটি পুনরায় দিয়েছেন, আমি তার পক্ষ্য হয়ে ইলাহ সম্পর্কিত তার মন্তব্যটি পাঠকগণের সম্মুখে পেশ করলাম।
     
    তখনকার ঐ আরবরা আল্লাহর অস্তিত্ব ও একত্বে তেমনি বিশ্বাস কোরতো যেমন আজ আমরা কোরি; তিনি যে স্রষ্টা, প্রতিপালক, সব কিছুর নিয়ামক, তিনি যে সর্বশক্তিমান এ সব কিছুই তারা বিশ্বাস কোরতো (কোরান- সুরা যুখরুফ, আয়াত ৯; সুরা আন্কাবুত, আয়াত ৬১ ও ৬৩; সুরা লোকমান, আয়াত ২৫)। তারা এবরাহীমকে (আঃ) আল্লাহর নবী বোলে বিশ্বাস কোরতো; নিজেদের মিল্লাতে এবরাহীম বোলে বিশ্বাস কোরতো; এবরাহীম (আঃ) দ্বারা পুনর্নির্মিত কাবাকে আল্লাহর ঘর বোলে বিশ্বাস কোরতো; কাবার দিকে মুখ কোরে এবরাহীমের (আঃ) শেখানো পদ্ধতিতে সালাহ (নামায) কায়েম কোরতো; কাবাকে কেন্দ্র কোরে বছরে একবার হজ্ব কোরতো; কাবা তওয়াফ (পরিক্রমা) কোরতো; সেখানে যেয়ে আল্লাহর রাস্তায় পশু কোরবানী কোরতো; বছরে একমাস, রমাদান মাসে সওম (রোযা) পালন কোরতো; এমন কি প্রত্যেকে এবরাহীমের (আঃ) শেখানো খাত্না কোরতো। তারা প্রতি কাজে আল্লাহর নাম নিতো, দলিল ইত্যাদি লিখতে, বিয়ে-শাদীর কাবিন লিখতে তারা প্রথমেই ওপরে আল্লাহর নাম লিখে আরম্ভ কোরতো। আমরা যেমন এখন লেখি বেসমেল্লাহের রহমান আর রহিম, তারা লেখতো বেসমেকা আল্লাহুম্মা; একই অর্থ। তাহোলে যাদের মধ্যে আল্লাহর রসুল তওহীদ অর্থাৎ আল্লাহর সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য আসলেন তাদের সাথে বর্ত্তমানের মোসলেম বোলে পরিচিত এই জনসংখ্যার তফাৎ কোথায়? যদি বলেন যে তারা মুর্ত্তিপূজা কোরতো তবে তার জবাব হোচ্ছে এই যে ঐ মোশরেক আরবরা ঐ মুর্ত্তিগুলোকে আল্লাহ বোলে বিশ্বাস কোরতো না, তাদের স্রষ্টা বোলেও বিশ্বাস কোরতো না, তাদের প্রভু (রব) বোলেও বিশ্বাস কোরতো না। একটু আগেই কোরানের যে আয়াতগুলির উদ্ধৃতি দিয়েছি যেগুলোয় আল্লাহ তাঁর রসুলকে বোলছেন তাদের প্রশ্ন কোরতে, মোশরেকদের জবাব থেকেই, যে জবাবগুলি আল্লাহ স্বয়ং দিচ্ছেন মোশরেকদের পক্ষ থেকে তা থেকেই পরিষ্কার হোয়ে যায়। তাহোলে আরবদের কাছে ঐ মুর্ত্তিগুলি কী ছিলো? তাদের কাছে ঐ মুর্ত্তিগুলি আল্লাহ ছিলো না, তারা বিশ্বাস কোরতো ওগুলি আল্লাহর নিকটবর্ত্তী, ঘনিষ্ঠ এবং প্রিয়জন। তারা ওগুলির পূজা কোরতো দু’টো কারণে- এক) যেহেতু ওগুলো আল্লাহর ঘনিষ্ঠ সেহেতু তারা পূজারীদের পক্ষ হোয়ে কোন ব্যাপারে আল্লাহর কাছে সুপারিশ কোরলে আল্লাহ তা মঞ্জুর কোরবেন। যেমন রোগ-শোক থেকে মুক্তি, ব্যবসা-বাণিজ্যে সাফল্য, কোন বিপদ থেকে উদ্ধার ইত্যাদি। এ কথার প্রমাণ এই যে, স্বয়ং আল্লাহ বোলছেন- তারা আল্লাহ ব্যতীত যার এবাদত করে তা তাদের ক্ষতিও কোরতে পারে না, উপকারও কোরতে পারে না।  তারা বলে, ‘এইগুলি আল্লাহর নিকট আমাদের সুপারিশকারী’ (কোরান- সুরা ইউনুস, আয়াত ১৮)। দুই) তারা বিশ্বাস কোরতো যে যেহেতু ঐ মুর্ত্তিগুলি, ঐ দেব-দেবীগুলি আল্লাহর ঘনিষ্ঠ ও প্রিয় কাজেই তাদের পূজা কোরে তাদের সন্তুষ্ট কোরতে পারলে তারা পূজারীদের আল্লাহর সান্নিধ্য (কুরবিয়াহ্) এনে দেবে। এ ব্যাপারেও আল্লাহ বোলেছেন- যারা আল্লাহর পরিবর্ত্তে অন্যকে অভিভাবকরূপে গ্রহণ করে তারা বলে, ‘আমরা তো এদের পূজা এ জন্যই কোরি যে, এরা আমাদেরকে আল্লাহর সান্নিধ্যে এনে দিবে’(কোরান- সুরা যুমার, আয়াত ৩)। দেখা যাচ্ছে- আরব মোশরেকদের মুর্ত্তিপূজার পেছনে দু’টো উদ্দেশ্য ছিলো, একটি দুনিয়াদারী, অন্যটি আখেরাত। ঐ মুর্ত্তিগুলিকে আরবের মোশরেকরা কখনই আল্লাহর স্থানে বসায় নাই।
    তাহোলে প্রশ্ন হোচ্ছে- আজ মোসলেম বোলে পরিচিত এই জনসংখ্যাটি (কোন উম্মাহ নয়) যে দীনটাকে পালন কোরে নিজেদের মো’মেন, মোসলেম ও উম্মতে মোহাম্মদী বোলে বিশ্বাস করে এবং মৃত্যুর পর জান্নাতে অর্থাৎ বেহেশতে যাবার আশা করে ঐ জনসংখ্যাটি এবং আরবের ঐ মোশরেকদের জাতিটি যার মধ্যে তাদের হেদায়াহর জন্য আল্লাহ তাঁর রসুল প্রেরণ কোরলেন এ দু’টোর মধ্যে প্রভেদ কোথায়? কথাটা আরও পরিষ্কার কোরছি। বর্ত্তমানের এই দীন পাঁচটি রোকনের (স্তম্ভ) ওপর দাঁড়িয়ে আছে, এ কথায় কোন সন্দেহ আছে কি? অবশ্যই নয়; এবং সেগুলি হোলো- ১) কলেমা, ২) সালাহ (নামায), ৩) যাকাহ, ৪) হজ্ব, ৫) সওম (রোযা)। যারা এগুলির ওপর বিশ্বাস স্থাপন কোরে ওগুলি পালন করেন তাদের বলা হয় মো’মেন, মোসলেম ও উম্মতে মোহাম্মদী। এখন দেখা যাক তদানিন্তন আরবদের সাথে অমিল কোথায়।
     
    ১) কলেমা। বর্ত্তমানের এই মোসলেম বোলে পরিচিত জনসংখ্যা বিশ্বাস করে আল্লাহ এক, তিনি উপাস্য, তিনি স্রষ্টা, তিনি রক্ষাকর্ত্তা, তিনি রব অর্থাৎ ভরণ-পোষণকারী, তিনি সর্বশক্তিমান, তিনি পরম দয়ালু, পরম ক্ষমাশীল ইত্যাদি আরও অনেক কিছু। ঐ সময়ের আরবরাও ঠিক এই কথাই বিশ্বাস কোরতো। কোরানে আল্লাহ নিজে এ কথার সাক্ষ্য দিচ্ছেন (কোরান- সুরা যুখরুফ, আয়াত ৯; সুরা আন্কাবুত, আয়াত ৬১ ও ৬৩; সুরা লোকমান, আয়াত ২৫)।
     
    ২) সালাহ (নামায)। মোসলেম বোলে পরিচিত বর্ত্তমানের এই জনসংখ্যার মত ঐ মোশরেক আরবরাও আল্লাহর ঘর কাবার দিকে মুখ কোরে সালাহ কায়েম কোরতো এ কথা ইতিহাস। আল্লাহর রসুলের ক্রীতদাস, পরে মুক্ত ও তাঁর সন্তান হিসাবে গৃহীত যায়েদকে (রাঃ) খুঁজতে খুঁজতে তার বাপ-চাচারা যখন শুনতে পেলেন যে যায়েদ (রাঃ) মক্কায় মোহাম্মদ (দঃ) নামের একজন লোকের কাছে আছে যিনি আল্লাহর নবী হবার দাবী কোরছেন। এ খবর শুনে তারা উত্তর আরব থেকে মক্কায় এসে লোকজনকে জিজ্ঞাসা কোরলেন- আমরা মোহাম্মদ (দঃ) নামের একজন লোককে খুঁজছি, তাঁকে কোথায় পাওয়া যাবে। লোকজন বললো- নামাযের সময় কাবায় যাবেন, দেখবেন একজন লোক অন্য সব নামাযী থেকে বিচ্ছিন্ন, আলাদা হোয়ে একা নামায পড়ছেন, তিনিই আপনারা যাকে খুঁজছেন তিনি, মোহাম্মদ (দঃ); অর্থাৎ মক্কার মোশরেকরা কাবার দিকে মুখ কোরে জামাতে সালাহ (নামায) কায়েম কোরতো। অবশ্য ঐ সালাহ আল্লাহর নবী এবরাহীমের (আঃ) শেখানো পদ্ধতির ছিলো, শেষ রসুলাল্লাহর পদ্ধতিতে ছিলো না। বর্ত্তমানের সালাতের এই নিয়ম পদ্ধতি পরে এসেছে।
     
    ৩) যাকাহ। যে উদ্দেশ্যে যাকাহ দেওয়া অর্থাৎ নিজের উপার্জিত অর্থ থেকে সমাজের অন্য দুঃস্থ, গরিব বা অন্যের প্রয়োজন পূর্ণ কোরতে সাহায্য দেয়া সে অর্থে ঐ মোশরেকরাও তাদের উপার্জিত সম্পদ থেকে বহু দান-খয়রাত কোরতো, এটাও ইতিহাস। তাদের মধ্যে হাতেম তাঈ’র মত আরো অনেক দানশীল ছিলো। আল্লাহ তাঁর শেষ রসুলের মাধ্যমে সেই অনিয়মিত, ইচ্ছাকৃত দানকে একটা শৃংখলার (Discipline) মধ্যে এনে এটাকে শতকরা আড়াই (২ ১/২) ভাগে নিবন্ধন কোরেছেন।
     
    ৪) হজ্ব। এ কথা ইতিহাস যে তদানিন্তন মোশরেক আরবরা বছরে একবার কাবাকে কেন্দ্র কোরে হজ্ব পালন কোরতো। তাদের ঐ হজ্বের সময়, মাস, তারিখ, নিয়ম কানুন প্রায় বর্ত্তমানের হজ্বের মতই ছিলো।
     
    ৫) সওম (রোযা)। তখনকার মোশরেকরাও বর্ত্তমানের দীনের মতই রমাদান মাসেই একমাস সওম (রোযা) পালন কোরতো। ঐ মোশরেক আরবদের সাথে তাহোলে বর্ত্তমানের মোসলেম বোলে পরিচিত এই জনসংখ্যার তফাৎ কী এবং কোথায়? ঐ আরবদের মধ্যে যদি রসুল পাঠানোর প্রয়োজন হোয়ে থাকে তবে এখনকার এই জনসংখ্যার অবস্থা কী?
    উত্তর হোচ্ছে- অতসব এবাদত সত্ত্বেও, আল্লাহর অস্তিত্বে ও একত্বে বিশ্বাস (ঈমান) থাকা সত্ত্বেও, কাবাকে আল্লাহর ঘর বোলে বিশ্বাস করা সত্ত্বেও, কাবার দিকে মুখ কোরে সালাহ (নামায) কায়েম করা সত্ত্বেও, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দীন দরিদ্রের জন্য দান-খয়রাত (যাকাতের মত) করা সত্ত্বেও, প্রতি বছর কাবা কেন্দ্রিক হজ্ব করা সত্ত্বেও, রমাদান মাসে সওম (রোযা) করা সত্ত্বেও, এমন কি প্রত্যেকে খাত্না করা সত্ত্বেও ঐ আরবরা মোশরেক ছিলো, কারণ তাদের মধ্যে আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’ ছিলো না। তাদের সার্বভৌম, এলাহ ছিলো কাবা ঘরের অভিভাবক, কোরায়েশরা। তাদের দীন ছিলো কোরায়েশরা যে সিদ্ধান্ত দেবে তা পালন করা। আজ যেমন এই জাতির এলাহ হোল দাজ্জাল (Dajjal)। এবং দীন হোল মানবরচিত জীবন-ব্যবস্থা, তন্ত্র, মন্ত্র, বাদ, ক্র্যাসি ইত্যাদি।
    বর্ত্তমানের মোসলেম বোলে পরিচিত এই জনসংখ্যা ঐ মোশরেক আরবদের মতই আল্লাহর অস্তিত্বে, একত্বে বিশ্বাসী, সালাহ (নামায) কায়েম করে, আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য দান-খয়রাত (যাকাহ) করে, বছরে একবার হজ্ব করে, কাবা তওয়াফ করে, রমাদান মাসে সওম (রোযা) রাখে এবং খাত্না করে কিন্তু ঐ আরবদের মতই এ জনসংখ্যা আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ত্যাগ কোরে দাজ্জালের অর্থাৎ মানুষের সার্বভৌমত্বকে গ্রহণ কোরে মানুষের সিদ্ধান্ত পালন কোরছে তাদের জাতীয় জীবনে। এই পথভ্রষ্টতার সাংঘাতিক ভুলের একমাত্র কারণ হোচ্ছে কলেমার, ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’র এলাহ শব্দের অর্থকে বদলিয়ে মা’বুদ অর্থাৎ উপাস্য করা। অর্থাৎ আল্লাহ একমাত্র ‘আদেশদাতা, সার্বভৌম’ থেকে বদলিয়ে একমাত্র ‘উপাস্যে’ পরিণত করা যা আরবের মোশরেকরা কোরেছিলো এবং তা কোরে তাদের সমস্ত এবাদত সত্ত্বেও মোশরেক হোয়ে গিয়েছিলো। এবং এ জন্যই আল্লাহ তাঁর রসুলকে পাঠিয়েছিলেন তাঁর সার্বভৌমত্বকে আবার প্রতিষ্ঠা কোরতে এবং তাই তাঁর রসুল এসে সাফা পাহাড়ে দাঁড়িয়ে মক্কার সমস্ত মানুষকে ডেকে এনে প্রথমেই বোলেছিলেন- বল (বিশ্বাস কর) ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’। ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’র অর্থ যদি আল্লাহ ছাড়া মা’বুদ অর্থাৎ উপাস্য হয় তবে রসুলাল্লাহর ঐ ডাক অর্থহীন কারণ ঐ মোশরেকরা নামায পোড়ে, আল্লাহর রাস্তায় খরচ কোরে, হজ্ব কোরে ও রমাদানের রোযা রেখে আল্লাহর উপাসক হোয়েই ছিলো, তাদের আবার আল্লাহকে উপাস্য মা’বুদ বোলে বিশ্বাস করার জন্য ডাক দেবার প্রয়োজন কি? আরবের এ মোশরেকরা কি নামায, দান-খয়রাত, হজ্ব, রোযা এগুলি ঐ দেবদেবীর উদ্দেশ্যে কোরতো? অবশ্যই নয়- তারা আল্লাহর এবাদত হিসাবে কোরতো। মোশরেকরা কি উদ্দেশ্যে দেব-দেবীর পূজা কোরতো তা আল্লাহ নিজে তাঁর কোরানে পরিষ্কার বোলে দিয়েছেন (কোরান- সুরা যুমার, আয়াত ৩; সুরা ইউনুস, আয়াত ১৮)।
    তাহোলে দেখা যাচ্ছে যে আদম (আঃ) থেকে শুরু কোরে আল্লাহর শেষ রসুল পর্যন্ত যত নবী-রসুল পৃথিবীতে এসেছেন এবং শেষ রসুল সাফায় উঠে সমবেত মানুষকে যে ডাক দিলেন সেটা ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ, আল্লাহ ছাড়া আর কোন আদেশদাতা নেই’, ‘লা মা’বুদ এল্লা আল্লাহ’ অর্থাৎ ‘আল্লাহ ছাড়া উপাস্য নেই’ নয়। আদম (আঃ) থেকে মোহাম্মদ (দঃ) পর্যন্ত কোন নবী অন্য কোন কলেমা নিয়ে আসেন নাই। আল্লাহর শেষ কেতাব কোরানে একটিবারের জন্যও লা মা’বুদ এল্লা আল্লাহ নেই। আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন মা’বুদ নেই এটা অতি সত্য কিন্তু সেটা কলেমা নয়, এ দীনের ভিত্তি নয়, এ কলেমা পাঠ কোরে অন্য দীনের কোন মানুষ এই দীনে প্রবেশ কোরতে পারবে না। এ দীনে প্রবেশ কোরতে হোলে তাকে যে কালেমটা অবশ্যই মুখে উচ্চারণ কোরতে হবে, অন্তরে বিশ্বাস কোরতে হবে এবং কাজে পরিণত কোরতে হবে সেটা হোচ্ছে ‘লা এলাহা এল্লা আল্লাহ’, আল্লাহ ছাড়া আর কোন আদেশদাতা নেই। হুকুমদাতা, আদেশদাতা আদেশ কোরলে তবে তো এবাদত, আদেশ কোরেছেন বোলেই তো এবাদত করা হয়, আদেশ না কোরলে তো এবাদত কোরতে হোত না, সুতরাং আদেশ আগে, আদেশ পালন অর্থাৎ এবাদত পরে (বল, ‘আমি আদিষ্ট হোয়েছি আল্লাহর আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত, অকপট হোয়ে তাঁর এবাদত কোরতে।’ (কোরান- সুরা যুমার, আয়াত ১১)); এলাহ আগে, মা’বুদ পরে । এলাহ এবং মা’বুদ দু’টি আল্লাদা শব্দ, ভিন্ন অর্থ।
    দীনুল হকের, এসলামের কলেমার অনুবাদের এবং সেই ভুল অনুবাদকে বিশ্বাস করার ফল কি হোয়েছে? ফল এই হোয়েছে যে মোসলেম বোলে পরিচিত এই জনসংখ্যাটি আল্লাহর এবাদত করার জন্য পৃথিবীতে লক্ষ লক্ষ সুদৃশ্য, জাক-জমকপূর্ণ মসজিদ তৈরী কোরে সালাহ (নামায) পড়ছে, যাকাহ দিচ্ছে, হজ্ব কোরছে, রোযা রাখছে, এবং এছাড়াও বহু রকম নফল এবাদতও কোরছে, ব্যক্তি জীবনে আল্লাহর নির্দিষ্ট কিছু আদেশও পালন কোরছে। কিন্তু জাতীয় জীবনের ব্যাপারে আল্লাহ যে আদেশ নিষেধ কোরেছেন তা মানছেনা, পালনও কোরছে না, প্রত্যাখ্যান কোরছে অর্থাৎ আল্লাহকে এলাহ বোলে মানছে না, মা’বুদ বোলে মানছে। জাতীয় জীবনের ব্যাপারে এ জনসংখ্যা জুডিও-খৃষ্টান যান্ত্রিক জড়বাদী সভ্যতার আনুগত্য কোরছে অর্থাৎ দাজ্জালের অনুগত হোয়ে গেছে, দাজ্জাল (Dajjal)ও তাই চায়। এ কাজ কোরে তারা এ দীনের ভিত্তি, কলেমা থেকেও বের হোয়ে গেছে। আল্লাহর শেষ নবী এসে আল্লাহর যে সার্বভৌমত্বকে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠা কোরে গিয়েছিলেন সেই সার্বভৌমত্ব মানুষ আবার বিসর্জন দিয়ে মানুষের, দাজ্জালের সার্বভৌমত্ব গ্রহণ কোরেছে, দাজ্জালের পায়ে সাজদায় প্রণত হোয়েছে।
    তার উম্মাহ যে এই কাজটি কোরবে তা আল্লাহর রসুল জানতেন, আল্লাহ তাঁকে জানিয়েছিলেন- তাই তিনি ভবিষ্যদ্বাণী কোরে গেছেন- তোমরা তোমাদের পূর্ববর্ত্তীদের অনুসরণ অনুকরণ কোরবে, এমন কি তারা যদি সরীসৃপের গর্ত্তে প্রবেশ করে তবে তোমরা তাও কোরবে। নবীকে প্রশ্ন করা হোল- হে আল্লাহর রসুল! (যাদের অনুসরণ করা হবে) তারা কি ইহুদী ও খৃষ্টান? তিনি জবাব দিলেন- আর কারা (হাদীস- আবু সাঈদ (রাঃ) থেকে- বোখারী, মোসলেম ও মেশকাত)? তাহোলে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে যে তিনি ও মাহ্দীর (আঃ) মধ্যবর্ত্তী বর্ত্তমানের এই জনসংখ্যা সম্বন্ধে কেন বোলেছেন যে তারা তাঁর কেউ নয়, তিনিও তাদের কেউ নন। আনাস (রাঃ) থেকে তিরমিযি ও জাফর (রাঃ) এ থেকে রাযিনের এই সহিহ হাদীস থেকে আমরা নিশ্চিত সুসংবাদ পাচ্ছি যে তিনি থেকে মাহ্দী (আঃ) পর্যন্ত মোসলেম নামধারী জনসংখ্যাটি প্রকৃতপক্ষে (De Facto) মোশরেক ও কাফেরে পর্য্যবসিত হোলেও তাঁর উম্মাহ ধ্বংস হবে না; আবার এনশাল্লাহ এই বিভ্রান্ত জনসংখ্যার মানুষ থেকে এমন মানুষ জন্মাবে যারা এমনভাবে রসুলাল্লাহর নিজের হাতের গড়া উম্মাহর মো’মেন, মোসলেম ও উম্মতে মোহাম্মদীর মত হবে যে তাঁর নিজের পক্ষেই বলা মুশকিল হবে যে তারাই ভালো নাকি ঐ শেষের এরা ভালো।
     
    ইলাহা এর অর্থ ও তাৎপর্য জানার জন্যে নিম্নের পুস্তকের ইলাহ অংশ পড়ুন।
    https://docs.google.com/file/d/0BwMZMMz8qXo8ZWIyYjZlNWQtODEzNy00YmJiLThjNTEtNjY1NGM1OWEwZjhj/edit?sort=name&layout=list&pid=0BwMZMMz8qXo8ZmQ5Y2Q4MTktNjk0Yi00OGVlLThmYTAtNmEyNTU1YTQ2MmYw&cindex=26&pli=1
     

  9. 2
    Najibullah

    আমার পোষ্ট টি কি প্রকাশ করা হবে ? না হলে কেন নয়, জানতে পারি কি ?

  10. 1
    Najibullah

    Dear Admin,
    আমি এর আগে কয়েকবার একাউন্ট খুলেছিলাম, কিন্তু একাউন্ট ব্যাবহার করতে পারিনি, তাই আমি আমার আসল নাম দিয়ে পুনরয় একাউন্ট খুলতে ব্যার্থ হয়ে পরিশেষে najib131985@yahoo.com ইমেইল থেকে Najib ইউজার নেম দিয়ে আইডি খুলেছি। দয়া করে আমার ইউজার নেমটি পরিবর্তন করে বাংলা নাম "নজিবুল্লাহ" রাখার জন্য ব্যাবস্থা করে দিবেন। নিচে আমার প্রথম পোষ্ট আপনার সদয় বিবেচনার জন্য আপনাকে পাঠালাম। যাতে আমি সরাসরি ব্লগ লিখতে পারি পরবর্তিতে। ধন্যবাদ।
    আল-কুরআনের ইন্টারভিউ (১ম পর্ব-পরিচিতি)
    সালামুন আলাইকা : আপনার প্রতি আল্লাহ পাকের করুণা বর্ষিত হোক।১
    কুরআন : আপনার উপরও আল্লাহর করুণা ধারা বর্ষিত হোক।২

    ১. আপনার পরিচয় ?
    কুরআন : আমি মহান আল্লাহর প্রেরিত পবিত্র গ্রন্থ৩, আর কুরআন নামেই অভিহিত হই৪।

    ২. কুরআন ব্যতিরেকে আপনার আরো কি কি নাম আছে ?
    কুরআন : অনেক নাম রয়েছে। যেমন:- রহমত৫, হিকমত৬, হুদা৭(হেদায়েত), ফুরকান৮(সত্য মিথ্যা পার্থক্যকারী), মুবীন৯(সুস্পষ্ট), কারীম১০(সম্মানিত বুযর্গ), কালাম১১(বানী), বুরহান১২(দলীল প্রমান), নূর১৩(জ্যোতি), শাফা১৪(প্রতিশেধক), মাওইযাত১৫(নসিহত-উপদেশ), যিকর১৬, মুবারক১৭, আলী১৮(সমূচ্চ মর্যদা), হাকীম১৯(প্রজ্ঞাময়), মুহাইমিন২০(তত্ত্বাবধায়ক-নেগা
    হবান), মুসাদ্দিক২১(সত্যায়নকারী), হাবলুল্লাহ২২(আল্লাহর রজ্জু), যিকর২৩(স্মারক), কাইয়্যিম২৪(নিরেট সত্য কথা), কওলে ফসল২৫(পরীক্ষিত বানী), আহসানুল হাদীস২৬(উৎকৃষ্টতমবানী), মাসানী২৭(বারংবার আবৃত্তিযোগ্য), মুতাশাবাহ২৮(সাদৃশ্যমূলক বা সামঞ্জস্যমূলকবানী), তানযীল২৯(অবতারিত), রুহ৩০(আত্মা), ওহী৩১(প্রত্যাদেশ), আরবী৩২, বাসায়ির৩৩(পরম জ্ঞানের নিরীক্ষিত প্রমাণিক দলীল), বয়ান৩৪(বর্ণনা), ইলম৩৫(বিদ্যা), হক্ক৩৬(সত্য), হাদী৩৭(পথ প্রদর্শক), আজব৩৮(বিষ্ময়কর), তাযকিয়াহ৩৯(স্মরনিকা), উরওয়াতুল উসকা৪০(মজবুত রশি), সিদক৪১(সত্য), আমর৪২(নির্দেশ), বুশরা৪৩(সুসংবাদ), আযীয৪৪(দূর্লভ), বালাগ৪৫(পয়গাম), কাসাস৪৬(বর্ণনা), আযীম৪৭, বাশীর৪৮(সুসংবাদদাতা), নাযীর৪৯(সতর্ককারী), মাজীদ৫০(সম্মানিত), হুকম৫১(মীমাংসা)।

    ৩. আপনি কার রচিত গ্রন্থ ?
    কুরআন : আমার রচয়িতা স্বয়ং মহান আল্লাহ পাক৫২, কেননা আমি তারই অমীয়বানী৫৩।

    ৪. এই ধুলির ধরণীতে আপনায় কে প্রেরণ করেছেন ?
    কুরআন : ধূলির ধরণীতে আমায় মহান প্রভু আল্লাহ তা'য়ালা অবতীর্ণ করেছেন৫৪।

    ৫. আপনার বহনকারী মাধ্যম কে ছিলেন ?
    কুরআন : ফিরিশতাকুল শিরমনি জীব্রাঈল (আ.) আল্লাহর নির্দেশে আমায় পৃথিবীতে বহন করে এনেছেন৫৫।

    ৬. আপনি কোন মহা মানব ব্যাক্তির নিকট তাশরীফ এনেছিলেন ?
    কুরআন : আমি বিশ্ব নেতা মহা মানব নবীকুল শিরমনি হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (স.) এর নিকট এসেছি। তার মহিমান্বিত পূণ্যতম আত্মার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছি৫৬।

    ৭. জীব্রাঈল (আ.) আল্লাহর তরফ হতে হুবহু কি আপনাকে নাযিল করেছেন ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, জীব্রাঈল (আ.) হুবহু প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে অবতীর্ণ করেছেন৫৭। এজন্যই তিনি আমীন (বিশ্বস্ততা) খেতাবে বিভুষিত; রুহল কুদস (পবিত্রাত্মার অধিকারী)। আল্লাহ তায়ালার হুকুমের অত্যন্ত অনুগত৫৮।

    ৮. আপনি কখন অবতীর্ণ হয়েছেন ?
    কুরআন : আমার অবতরণ রমযান মাসের এমন এক মহিমান্বিত রজনীতে হয়েছে যার নাম 'লাইলাতুল ক্বদর' বা মহিমান্বিত রজনী৫৯।

    ৯. আপনার পৃথিবীতে অবতরণ কি একই সময় একইসাথে ঘটেছিল ?
    কুরআন : জী না; পৃথিবীতে আমার অবতরণ একই সময় বা একই সাথে সম্পন্ন হয়নি, বরং প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে অল্প অল্প করে অবতীর্ণ হয়েছিল৬০।

    ১০. আপনি অল্প অল্প কেন অবতীর্ণ হলেন ? একই সংগে কেন অবতরণ করা হয়নি ?
    কুরআন : যেহেতু বিশ্ব নেতা হযরত মুহাম্মদ (স.) এর নেতৃত্বে একটি আদর্শ ইসলামী সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আমি প্রেরিত হয়েছি, সেহেতু হযরত (স.) ও মুসলমানের ক্রমাগত সমস্যার প্রয়োজনীয় সমাধান করে চাহিদা অনুযায়ী এবং তাদের হৃদয়ের প্রশান্তির নিমিত্ত অল্প অল্প করে আমায় অবতীর্ণ করা হয়েছে৬১।

    ১১. পরিশেষে আপনাকে কে একত্রিত করে গ্রন্থাবদ্ধ করে এবং কিভাবে করা হল ?
    কুরআন : আমায় গ্রন্থাবদ্ধ, বিণ্যাস ও সংকলনের ব্যবস্থাপনা স্বয়ং আল্লাহ তায়ালাই সম্পাদন করেছেন৬২।

    ১২. আপনি কোথায় নাযিল হয়েছিলেন ?
    কুরআন : পবিত্র মক্কা নগরীতে আমার অবতরণ আরম্ভ হয়৬৩।

    ১৩. এটাকি সম্ভব ছিল না যে আপনাকে কোন পর্বতের উপর নাযিল করা হত আর মানব আপনা হতে হেদায়েত গ্রহণ করত ?
    কুরআন : এরকম হওয়াটা অসম্ভব ছিল। কেননা আমাকে যদি কোন বিরাট পর্বতের উপরে অবতীর্ণ করা হত, তবে 'জালালে ইলাহী' (আল্লাহর নূরের তেজস্ক্রিয়ায়) তা ফেটে টুকরো টুকরো হয়ে যেত, আর বিনষ্ট হয়ে যেতাম৬৪। আর যদি একথা ধরে নেয়া হয় যে সে পর্বত নিরাপদ থাকত; তবে তারপর ব্যাপারটি এমন হত যে, আমার বিধানাবলীর ব্যাখ্যাও বাস্তবায়ন হত না, যার পরিনামে আমি এক অথর্ব গ্রন্থে পরিণত হতাম-আমা হতে কেউ পথের দিশা পেতনা। মহানবী (স.) এর প্রতি আমাকে অবতরণ এবং তার জিম্মায় আমার ব্যাখ্যা ও বাস্তবায়নের দায়িত্ব অর্পিত হওয়ার মৌল লক্ষ্য হচ্ছে মুসলিম উম্মাহ তথা বিশ্বমানবতার মধ্যে চিন্তা, বিশ্বাস ও কর্মের সমন্বয় সাধন৬৫।

    ১৪. আপনার ভাষা কি ?
    কুরআন : আমার ভাষা বিশুদ্ধ শ্রুতি মধুর, প্রাঞ্জল আরবী ভাষা৬৬।

    ১৫. আপনাকে আরবী ভাষায় কেন অবতীর্ণ করা হল ?
    কুরআন : যেহেতু মহান আল্লাহর প্রত্যেক গ্রন্থ সেই ভাষায়েই অবতীর্ণ হয়ে থাকে যে ভাষায় স্বয়ং তার প্রেরিত রাসূল ও তার জাতির ভাষা হয়ে থাকে, যাতে করে সকল মানুষ তার মর্মবানী সহজে হৃদয়ঙ্গম করতে পারে। আমাকে যে মহান রাসূলের (স.) এর তার জাতির প্রতি অবতীর্ণ করেছেন তাদের ভাষা ছিল আরবী। সেহেতু আমাকেও বিশুদ্ধতম আরবী ভাষায় অবতীর্ণ করা হয়েছে৬৭।

    ১৬. আপনার সম্বোধিত ব্যাক্তি কোন লোক ?
    কুরআন : আমার সর্বপ্রথম সম্বোধিত ব্যক্তি হলেন আমার বাহক মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)৬৮, তার পর তার সম্প্রদায় আরব জাতি আমার সম্বোধিত ব্যাক্তিবর্গ৬৯। অত:পর কিয়ামত পর্যন্ত সকল যুগের সকল দেশের সকল বিশ্ব মানবই আমার সম্বোধিত ব্যাক্তিবর্গ৭০।
    তাদের মধ্যে অন্তর্ভূক্ত রয়েছে পৌত্তলিক(হিন্দু)৭১, অগ্নিপুজক৭২, নক্ষত্র পুজারী৭৩, আহলে কিতাব৭৪ তথা ইহুদী৭৫ ও খৃষ্টান জাতি৭৬।

    ১৭. তবে কি আপনি একখানি বিশ্বজনীন গ্রন্থ ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, আমার হেদায়েত সমগ্র বিশ্ব মানবতার জন্যই৭৭।

    ১৮. আপনার বিষয়বস্ত কি ?
    কুরআন : আমার বিষযবস্তু হচ্ছে "মানব"৭৮।

    ১৯. আপনার উদ্দেশ্য ও কেন্দ্রিয় লক্ষ্য কি ?
    কুরআন : মানুষকে পথ ভ্রষ্টতা থেকে বাচান এবং হেদায়েত, মুক্তি ও কল্যাণের পথে তুলে নিয়ে আসা৭৯।

    ২০. আপনার কোন বানী বা বক্তব্যের মধ্যে কি কোন সন্দেহ সংশয়ের অবকাশ রয়েছে ?
    কুরআন : আমার কোন বানী বা বক্তব্যের মধ্যে বিন্দুমাত্র সন্দেহ সংশয়ের অবকাশই নেই। আমার প্রতিটি কথা, বাণী, বক্তব্য ধ্রুবসত্য, অত্যন্ত বিশ্বাসযোগ্য, অপরিবর্তনীয়, অটল-অনড়৮০।

    ২১. আপনার সত্যতার প্রমাণিকতা বলবেন কি ?
    কুরআন : আমার সত্যতার কতিপয় অকাট্য প্রমাণ হচ্ছে:
    ১. আমার প্রতিটি বক্তব্য-ভাষণ যথার্থতার উপর ভিত্তিশীল৮১।
    ২. আমার বক্তব্যসমূহে কোন বৈপরীত্য নেই৮২।
    ৩. আমার মত এরুপ অনুপম কোন কথা বা বানী নেই৮৩।
    ৩. আমার মধ্যে সামান্যতম বা অনু পরিমানও বিয়োজন সংযোজন করা যাবে না৮৪।

    ২২. আপনার পূর্বেও কি আল্লাহ তায়ালা পৃথিবীতে কোন গ্রন্থ প্রেরণ করেছেন ?
    কুরআন : হ্যাঁ, আমার পূবেও বিশ্বপ্রতিপালক আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কতিপয় গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছেন৮৫। যেমন: হযরত মুসা (আ.) এর প্রতি তাওরাত৮৬, হযরত দাউদ (আ.) এর প্রতি যাবুর৮৭, হযরত ইসা (আ.) এর প্রতি ইঞ্জিল৮৮ অবতীর্ণ করা হয়েছে। এতদ্ব্যতীত আরো কতিপয় নবীদের প্রতি সহীফা (পুস্তিকা)ও অবতীর্ণ করা হয়েছে৮৯।

    ২৩. আপনার প্রতি ঈমান রাখা কি জরুরী ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, আমার প্রতি পরিপূর্ণ ঈমান রাখা অত্যন্ত জরুরী৯০। আমার কোন অংশকেও অস্বীকার করা সম্পূর্ণটা অস্বীকারের শামিল৯১।

    ২৪. আপনার শুভাগমনের ব্যাপারে পূর্বাহেৃ কি কোন ভবিষ্যদ্বানী ছিল ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, নবীকুল মধ্যমনি হযরত ইব্রাহীম (আ.) স্বীয় এক প্রার্থনায় আমার শুভাগমনের প্রতি সুস্পষ্ট ইঙ্গিত করেছেন৯২।

    ২৫. আপনার পরেওকি কোন আসমানী কিতাব অবতীর্ণ হবে ?
    কুরআন : জী না, আমার আগমনের পরে এমন আর কোন আসমানী কিতাব অবতীর্ণ হবে না, হওয়ার কোন প্রয়োজনও নেই। আমাকে সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর প্রতি নাযিল করা হয়েছে এ কারনেই আমি সর্বশেষ আসমানী কিতাব৯৩।

    ২৬. আপনার সর্বযুগে সর্বাবস্থায় সংরক্ষিত থাকার ব্যাপারে এমন কি প্রমাণ রয়েছে ?
    কুরআন : স্বয়ং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মহাপ্রলয় দিবস পর্যন্ত আমাকে সংরক্ষণের জন্য যিম্মাদারী গ্রহণ করেছেন৯৪। আমি সর্বযুগে জীবিত মানুষের হৃদয়-কন্দরে সংরক্ষিত থাকব৯৫। তেমনি ভাবে আমি সর্বযুগে মৌখিক এবং লিপিবদ্ধ উভয় আকারেই অবিকল মওজুদ থাকব৯৬।

    ২৭. আপনার ভিতর নবী করীম (স.) এর বাড়ানো বা কমানোর কি কোন ইখতিয়ার ছিল ?
    কুরআন : কখনও না। এ ব্যাপারে তার কোনই ইখতিয়ার ছিলনা৯৭।

    ২৮. আপনি কি মানব জীবনের সকল দিকেরই হেদায়েত দিতে সক্ষম ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ৯৮।

    ২৯. আপনার দাওয়াত কি ?
    কুরআন : আমার মৌল দাওয়াত এটাই যে, মানুষ স্বীয় স্রষ্টার পছন্দনীয় ও মনোনীত একমাত্র জীবন ব্যাবস্থা আল-ইসলামকে ধর্ম হিসেবে গ্রহণ করে নিবে৯৯। স্বীয় প্রতিপালকের বিধানাবীর আনুগত্য করবে১০০। যাবতীয় ব্যবহারিক জীবনে ও সমস্ত ব্যাপারে বিশ্ব নেতা মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.) এর অনুসরণ করবে১০১। আর পারলৌকিক জীবনের পরম সফলতার জন্য ঈমান ও আমলে সালিহ বা সুকৃতি অবলম্বন করবে১০২।

    ৩০. আপনি কি মানব সমস্যাবলীর সমস্ত খুটিনাটি বিষয়েরও বর্ণনা উপস্থাপন করেছেন ?
     
    কুরআন : জী না, আমি কেবলমাত্র মানব জীবনের মৌল বিষয়াবলীর বিস্তারিত আলোকপাত করেছি১০৩। মানব সমস্যাবলীর খুটিনাটি ও শাখা প্রশাখার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ এবং ব্যবহারিক জীবনে বাস্তব প্রয়োগের সকল কার্যাবলী আমার বাহক মহানবী (স.) এরই যিম্মাদারী ছিল১০৪।

    ৩১. আপনি কি একখানি দূর্বোধ্য গ্রন্থ না সহজ বোধ্য ?
    কুরআন : হেদায়েত ও পথ প্রদর্শনের ক্ষেত্রে নির্মিত মহান আল্লাহ পাক আমাকে অত্যন্ত সহজবোধ্য হিসেবে পেশ করেছেন১০৫। তবে যেহেতু আমাতে উচ্চতম ইলম ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের সন্নিবেশ ঘটেছে সে জন্য আমাকে সম্যক রুপে অনুধাবন করতে গভীর চিন্তা ও গবেষণা আবশ্যক১০৬।

    ৩২. আপনার বর্ণনা ধারার আংগিক সৌষ্ঠব কোন পর্যায়ের ?
    কুরআন : আমার বর্ণনা ধারার আংগিক সৌষ্ঠব অনন্য, অত্যন্ত সুস্পষ্ট, স্বচ্ছন্দ প্রকৃতির১০৭, স্বাভাবিকতায় ভরপুর ও মর্মস্পর্শী১০৮। আমার মধ্যে কোন প্রকারের জটিলতা, সন্দেহ, বিশৃঙখলা বা দ্ব্যর্থবোধকতার অবকাশ নেই১০৯। আমি একই বক্তব্য ও প্রতিপাদ্য বিষয়কে বোধগম্য করানোর জন্য বিভিন্ন পন্থায় ও ধারায় বর্ণনা করেছি যেন তা অনুধাবনের ক্ষেত্রে কোন রকমের জটিলতার লেশ মাত্র না থাকে১১০।

    ৩৩. আপনার দলীল প্রমাণ উপস্থাপনার পদ্ধতি কি?
    কুরআন : আমার বক্তব্যের দলীল প্রমাণ ও নিদর্শনাবলী একেবারেই স্বাভাবিক প্রকৃতির। যার ভিত্তি হচ্ছে-সম্বোধিত ব্যাক্তির পারিপর্শ্বিক পরিচিত ও স্বীকৃত বিষয়াবলী১১১। তাছাড়া আমি মানবকে স্বীয় আভ্যন্তরীণ বিষয়াবলী এবং বহির্জগতের সৃষ্টিরাজি ও তাদের উত্থান-পতনের ক্ষেত্রে চিন্তা ভাবনা ও গবেষণার আহবান জানাই যেন সে তার ব্যাক্তি সত্তা ও বিশ্ব প্রকৃতির রহস্য অনুধাবন করতে পারে এবং তা থেকেই শিক্ষা গ্রহণ করে সঠিক কর্মপন্থা অবলম্বন করতে পারে১১২।

    ৩৪. আপনার বিণ্যাস কি রপ ?
    কুরআন : আমি অনেকগুলো সূরার সমষ্টি১১৩।

    ৩৫. আপনার আয়াতগুলো কত প্রকারের ?
    কুরআন : আমার আয়াতগুলো দু প্রকারের। যেমন: মুহকাম (সুস্পষ্ট) ও মুতাশাবিহাত (অস্পষ্ট)১১৪।

    ৩৬. তাসমিয়া অর্থাৎ "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম"ও কি আপনার একটি আয়াত ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ,  "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" আমার একটি আয়াতের অংশ বিশেষ১১৫।

    ৩৭. আপনি কি কিছু সংখ্যক আয়াতকে বারবার উচ্চারণ করেছেন ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, আমি কতিপয় আয়তে কারীমাকে বারবার উচ্চারণ করেছি। যেমন : ১. অতএব হে মানুষ! তোমরা তোমাদের কোন্ কোন্ নিয়ামত (অনুগ্রহ) সমূহ ও অত্যাশ্চর্য কুদরাতকে অসত্য মনে করবে ?১১৬ ২. আমি এই কুরআনকে উপদেশ গ্রহণের জন্য সহজ করে দিয়েছি, এর থেকে উপদেশ গ্রহণে কেউ প্রস্তুত আছে কি ?১১৭ ৩. সেই দিন মিথ্যা প্রতিপন্নকারী অবিশ্বাসীদের চুড়ান্ত ধ্বংস ও বিপর্যয় হবে১১৮। ইত্যাদি ইত্যাদি বেশ কিছু আয়াত আমি বারংবার উচ্চারণ করেছি।

    ৩৮. আপনার কতিপয় ব্যাপক সম্বোধিত আয়াত বলবেন কি ?

    কুরআন : তাহলে অত্যন্ত মনোনিবেশ সহকারে শুনুন :
    ১. আর সফল হবে সেই সকল লোক যারা আল্লাহ ও রাসূলের হুকুম পালন করে, আল্লাহকে ভয় করে এবং তার নাফরমানী হতে দূরে থাকে১১৯।
    ২. আল্লাহ তায়ালা সুবিচার-ইনসাফ, অনুগ্রহ ও আত্মীয় স্বজনকে দানের নির্দেশ দিতেছেন এবং অন্যায়, পাপাচার ও নির্লজ্জতা ও যুলুম অত্যাচার করতে নিষেধ করেন। তিনি তোমাদেরকে নসিহত করতেছেন যেন তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পার১২০।
    ৩. হে ঈমানদারগণ! ধৈর্য অবলম্বন কর, বাতিলপন্থিদের মোকাবেলায় দৃঢ়তা ও অনমনীয়তা প্রদর্শন কর, সত্যের খিদমতের জন্য সর্বক্ষণ প্রস্তুত থাক এবং আল্লাহকে ভয় করতে থাক, আশা আছে যে তোমরা কল্যাণ লাভ করতে পারবে১২১।

    ৩৯. আপনি কি এমন কিছু শব্দমালা ব্যাবহার করেছেন যা পৃথক পৃথক বর্ণরুপে পঠিত হয়ে থাকে ?

    কুরআন : জী হ্যাঁ, আমি এমন কিছু শব্দমালা ব্যাবহার করেছি যাকে "বিচ্ছিন্ন বর্ণমালা" নামে অভিহিত করা হয়, এগুলো সূরা সমূহের প্রারম্ভেই উল্লেখিত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে :
    আলিফ-লাম-মীম১২২, আলিফ-লাম-মীম-ছোয়াদ১২৩, আলিফ -লাম-রা১২৪, ত্ব-হা১২৫, ত্ব-সীন১২৬, ত্ব-সীন-মীম১২৭, হা-মীম১২৮, হা-মীম-আইন-সীন-ক্বফ১২৯, ক্বফ১৩০, নূন১৩১, ছোয়াদ১৩২, ইয়া-সীন১৩৩, ক্বাফ-হা-ইয়া-আইন-ছোয়াদ১৩৪।

    ৪০. আপনার তিলাওয়াতের সময় কি কখনও সিজদাহ করা জরুরী ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, আমার ১৪ টি জায়গা এমন রয়েছে যা তিলাওয়াত করার সময় সিজদাহ করা ওয়াজিব১৩৫।

    ৪১. আপনিকি কখনো আপনার ভষণে শপথ করেছেন ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, যেমন : কালের শপথ১৩৬, সূর্যের শপথ১৩৭, রাতের শপথ১৩৮ ইত্যাদি।

    ৪২. আপনি কি উপমা ব্যাবহার করেছেন ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, আমার বক্তব্যকে সম্যকরুপে বিশ্লেষণ, ব্যাখ্যা ও সুস্পষ্টভাবে বোধগম্য করার নিমিত্বে অনেক উপমা-অলংকার ব্যাবহার করেছি। যেমন : "যে সব লোক আল্লাহকে ছেড়ে অন্যকে পৃষ্ঠপোষক বানিয়ে নিয়েছে তাদের উপমা মাকড়সার মত। সে নিজের জন্য একটা ঘর বানায়। আর সব ঘরের মধ্যে অধিক দূর্বল হচ্ছে মাকড়সার ঘর। হায়, এই লোকেরা যদি তা জানত।১৩৯" এই দৃষ্টান্তে পৌত্তলিক মুশরিক খোদাদ্রোহীদের কারসাজী ও কর্মকান্ডকে মাকড়সার জালের সাথে উপমা দেয়া হয়েছে। যেমনি ভাবে মকড়সার জাল ক্ষণভংগুর ও দূবর্ল হয়ে থাকে তেমনি ভাবে তাদের কর্মকান্ড ও ষড়যন্ত্র দূর্বল ও ক্ষণস্থায়ী হয়ে থাকে।

    ৪৩. আপনি কি কোন রুপকধর্মী বর্ণনা উপস্থাপন করেছেন ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, আমি অনেক রুপকধর্মী বর্ণনার অবতারণা করেছি। উদাহরণ স্বরূপ যেমন : "এরা বধির, বোবা, অন্ধ সুতরাং এরা এখন আর প্রত্যাবর্তন করবে না।১৪০" ইত্যাদি আয়াত।

    ৪৪. আপনি কি কোন ভাবিষ্যতবানী করেছেন ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, আমি কতিপয় ভবিষ্যতবানী করেছি যা সমস্তই সত্য প্রমাণিত হয়েছে১৪১। আমার একটি ভবিষ্যতবানী নিম্নরুপ :
    আর এই লোকেরা এটাও করতে চায় যে, তোমাকে এই যমীন থেকে উপড়িয়ে ফেলবে আর তোমাকে এখান থেকে বহিষ্কার করবে। কিন্তু তারা যদি এরুপ করে, তা হলে তোমার পরে এরা নিজেরা এখানে খুব বেশী দিন টিকতে পারবে না১৪২।"

    ৪৫. আপনি কি ইলম ও জ্ঞান-বজ্ঞানের মর্যাদাকে স্বীকৃতি দিয়ে থাকেন ?
    কুরআন : জী হ্যাঁ, আমার নিকট ইলম ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের মর্যাদা স্বীকৃত১৪৩।

    ৪৬. আপনার তিলাওয়াতের আদব বর্ণনা করবেন কি ?

    কুরআন : আমার তিলাওয়াতের কতিপয় জরুরী আদব হলো :
    ১. পাক পবিত্র হওয়া১৪৪
    ২. প্রারম্ভে 'তা-উযু' পড়া১৪৫
    ৩. অতপর বিসমিল্লাহ পড়া১৪৬
    ৪. আস্তে আস্তে ধীর স্থির ভাবে সুললিত কন্ঠে বিশুদ্ধ করে তিলাওয়াত করা১৪৭
    ৫. তিলাওয়াতে তাড়াহুড়া না করা১৪৮
    ৬. বিনয় ও নম্রতার সাথে তিলাওয়াত করা১৪৯
    ৭. চিন্তা ও গবেষণা করা১৫০
    ৮. আমার তিলাওয়াত অত্যন্ত মনোযোগ ও গভীর মনোনিবেশ সহকারে ৯. নীরবতার সাথে শ্রবণ করা১৫১
    ১০. আয়াতে সিজদা পঠনের সময় সিজদা করা১৫২।

    ৪৭. আপনার ফজিলত বা মর্যাদা কিরুপ ?
    কুরআন : ১. আমি মহান আল্লাহর বানী১৫৩
    ২. আমার মত কোন কালাম বা বানী নেই, আমি অনুপম ও সুধাময় অমীয়বানী১৫৪।
    ৩. আমার কাজ হচ্ছে বিশ্বমানবতাকে পথ ভ্রষ্টতার তমসা থেকে হিদায়েতের জ্যোতির্ময় পথে নিয়ে আসা১৫৫।
    ৪. আমি অন্তরের প্রশান্তি এবং মানসিক চিন্তা-বিশ্বাসকে মজবুতী প্রদান করে থাকি১৫৬।
    ৫. আমি মানবাত্মার যাবতীয় রোগের নিরাময়১৫৭।
    ৬. আমি ঈমানদারদের জন্য সুসংবাদদাতা১৫৮।
    ৭. আমার প্রভাব সর্বজন স্বীকৃত ও পরীক্ষিত‌১৫৯।
    ৮. আমার তিলাওয়াও এক মহান ইবাদত১৬০।

    ৪৮. আপনার বিরুদ্ধবাদীরা আপনার সম্পর্কে কি কি সমালোচনা করেছেন ?

    কুরআন : আমার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধবাদীরা যে সকল সমালোচনা করেচেন তন্মধ্যে কতিপয় হচ্ছে :
    ১. আম মহানবী (স.) এর মনগড়া জিনিস এবং আমাকে আল্লাহ তায়ালা নাযিল করেন নি১৬১।
    ২. যদি একথা মেনে নেয়া হয়ে যে, আমি আল্লাহর তরফ থেকেই প্রেরিত তবু এ প্রশ্ন থেকে যায় যে আমাকে কেন একই সময় অবতীর্ণ করা হয়নি ? অল্প অল্প করে কেন অবতীর্ণ করা হলো ১৬২?
    ৩. নবী করীম (স.) একজন অনারব ব্যক্তির সহযোগিতায় আমাকে বিণ্যাস ও সজ্জিত করেছেন১৬৩ (হযরত সালমান ফারসী রা.)
    ৪. আমকে আরবের শ্রেষ্ঠ দুজন ব্যাক্তির প্রতি নাযিল করা উচিত ছিল: যারা দুটি প্রসিদ্ধ শহর মক্কা ও তায়িফের সরদার ছিল। কিন্তু তা করা হলো না কেন১৬৪ ?
    ৫. আমার স্থলে অন্য কোন (সহজ প্রকারের) কুরআন নাযিল করা উচিত ছিল যা তাদের নিকট গ্রহণযোগ্য হত১৬৫।
    ৬. আমাকে তাদের চাহিদা ও প্রয়োজন মত পরিবর্তন করে নেয়া যাবে না কেন ১৬৬?
    ৭. আমাকে কবির কবিতা ও কাব্য বলা হয়েছে১৬৭।
    ৮. আমাকে প্রাচীন কালের লোকদের সনদ বিহীন কাহিনী বা রুপকথা বলে অভিহিত করা হয়েছে১৬৮।
    ৯. আমাকে স্বকপোলকল্পিত, আজে বাজে, স্বাপ্নিক ও বাজে প্রলাপ বলে অভিহিত করেছিল১৬৯।
    ১০. আমাকে যাদু বলে অভিহিত করা হয়েছে১৭০।

    ৪৯. আপনার বিরোধতা কেন করা হয়েছে ?

    কুরআন : বিভিন্ন লোকের তরফ হতে আমার বিরোধিতা করা হয়েছে। তাদের যে বিরোধিতার কতিপয় কারণ ছিল নিম্নরূপ :
    ১. প্রবৃত্তির তাড়নার অনুসরণ১৭১।
    ২. দারিদ্রতা ও খারাপ অবস্থার আশংকা১৭২।
    ৩. যুলুম ও সীমালংঘনের কুপ্রবণতা১৭৩।
    ৪. বাপ দাদার অন্ধ অণুকরণ১৭৪।
    ৫. পারস্পরিক ধর্মীয় গোঁড়ামী বা কুসংস্কার ও নিজেদের মনের বর্বরতামূলক আত্ম-গর্ব ও বিদ্বেষ১৭৫।
    ৬. দুষ্কৃতিমূলক মন-মানসিকতা১৭৬।
    ৭. বিরোধিতা ও হটকারিতার মনোভাব১৭৭।

    (দলীল/রেফারেন্স) :

    (১)মারইয়াম-৪৭ (২)ওয়াক্বিয়া-৯১ (৩)বাক্বারাহ-২, আন-আম-৯২, হিজর-১, নামল:১ (৪)আন-আম-১৯,ইউনুস৩৭-,ইউসূফ৩-,বনী ইসরাঈল৯-(৫)আন-আম১৫৭-,আ’রাফ-৫২,২০৩, ইউনুস৫৭-, ইউসূফ-১১১, নাহল-৬৪,৮৯(৬)বনী ইসরাঈল-৩৯,আহযাব-৩৪(৭)বাক্বারাহ-২,৯৭,১৮৫, ইমরান-১৩৮, মায়েদাহ-৪৬, আন-আম-১৫৭, কাসাস-৪৩ (৮)বাক্বারাহ-১৮৫, ইমরান-৪,   ফুরকান-১ (৯)মায়েদাহ-১৫, ইউসূফ-১, হিজর-১, শো’আরা-২, নামল-১ (১০)ওয়াক্বিয়া-৭৭ (১১)তাওবাহ-৬, ফাতহ-১৫ (১২)নিসা-১৭৪. (১৩)নিসা-১৭৪, মায়েদাহ-১৫, আ’রাফ-১৫৭, শো’আরা-৫২, তাগাবুন-৮. (১৪)ইউনুস-৫৭, বনী ইসরাঈল-৮২, হা-মীম সেজদাহ-৩. (১৫)ইমরান-১৩৮, মায়েদাহ-৪৬, ইউনুস-৫৭, হুদ-১২০, নূর-৩৪.  (১৬)হিজর-৯, নাহল-৪৪, আম্বিয়া-৫০, ইউসূফ-১০৪, ত্বালাক্ব-১০. (১৭)আন-আম-৯২, ১৫৫, আম্বিয়া-৫০, ছোয়াদ-২৯. (১৮)সাবা-২৩, যুখরুফ-৪, (১৯)ইমরান-৫৮, ইউনুস-১, লোকমান-২, যুখরুফ-৪.  (২০)মায়েদাহ-৪৮. (২১)বাক্বারাহ-৪১, ৮৯, ৯৭, আন-আম-৯২, ইমরান-৩, ইয়াসীন-২, আহক্বাফ-১২, ৩০. (২২)ইমরান-১০৩.    (২৩)আ’রাফ-২. (২৪)কাহফ-২. (২৫)তারিক্ব-১৩. (২৬)যুমার-২৩. (২৭)হিজর-৮৭, যুমার-২৩. (২৮)যুমার-২৩. (২৯)শুরা-১৯২,  ইয়াসীন-৫,  ওয়াক্বিয়া-৮০. (৩০)শুরা-৫২. (৩১)আম্বিয়া-৪৫, আহযাব-২. (৩২)ইউসূফ-২, রা’দ-৩৭, ত্বোয়া-হা-১১৩, যুমার-৮, যুখরুফ-৩. (৩৩)আন-আম-১০৪, আ’রাফ-২০৩, কাসাস-৪৩, জাসিয়া-২০. (৩৪)ইমরান-১৩৮, (৩৫)বাক্বারাহ-১২০, ইমরান-৬১. (৩৬)বাক্বারাহ-২৬, ৯১, মায়েদাহ-৮৪, আন-আম-৬৬, আনফাল-৬, কাসাস-৫৩. (৩৭)বনী ইসরাঈল-৯, আহক্বাফ-৩০, জিন-২.          (৩৮)জিন-১. (৩৯)হাক্বক্বাহ-৪৮, মুদ্দাসসির-৪৯, ৫৪, দাহর-২৯, মুযযামমিল-১৯, ত্বোয়া-হা-৩. (৪০)বাক্বারাহ-২৫৬. (৪১)যুমার-৩২.    (৪২)ত্বালাক্ব-৫.  (৪৩)বাক্বারাহ-৯৭,  নাহল-৮৯, নামল-২, আহক্বাফ-১২. (৪৪)হা-মীম সেজদাহ-৪১. (৪৫)ইব্রাহীম-৫২, আম্বিয়া-১০৬.         (৪৬)ইমরান-৬২. (৪৭)হিজর-৮৭. (৪৮)হা-মীম সেজদাহ-৪. (৪৯)হা-মীম সেজদাহ-৪, ফুরকান-১, নাজম-৫৬. (৫০)ছফ-১, বুরূজ-২১. (৫১)রা’দ-৩১. (৫২)বাক্বারাহ-৮৯, হুদ-১, জাসিয়া-২, সেজদাহ-২. (৫৩)তাওবাহ-৬, যুমার-২৩, ফাতহ-১৫. (৫৪)ওয়াক্বিয়া-৮, শো’আরা-১৭, বাক্বারাহ-১৭৬, নিসা-১১৩, কাহফ-১. (৫৫)বাক্বারাহ-৯৭, নাহল-১০২, শো’আরা-১৯৩. (৫৬)মুহাম্মদ-২,  বাক্বারাহ-৯৭, ইমরান-৩, আ’রাফ-২, নাহল-৪৪. ৫৭)নাহল-১০২, বনী ইসরাঈল-১০৫, হুদ-১৪. (৫৮)শো’আরা-১৯৩, তাকভীর-১৯-২১. (৫৯)বাক্বারাহ-১৮৫, দোখান-৩, কদর-১. (৬০)ফুরকান-৩২, বনী ইসরাঈল-১০৬, দাহর-২৩, নাহল-১০, ১০২. (৬১)ফুরকান-৩২, নাহল-১০১, বনী ইসরাঈল-৩. (৬২)ক্বেয়ামাহ-১৭-১৯, ফুরকান-৩২. (৬৩)আন-আম-৯২, শো’আরা-৭, বালাদ-১, ২. (৬৪)হাশর-২১. (৬৫)নাহল-৪৪, ৬৪, আহযাব-২১, ইমরান-১৬৪, জুমআ-২. (৬৬)ইউসূফ-৩, রা’দ-৩৭, নাহল-১০৩,      শো’আরা-১৯৫,  আহক্বাফ-১২. (৬৭)ইব্রাহীম৪-৪, মারইয়াম-৯৭, দোখান-৫৮, আহক্বাফ-১২, নাহল-১০৩. (৬৮)আন-আম-৬, ইউনুস-১০৯, আহযাব-২. (৬৯)যুখরুফ-৪৪, ইমরান-২০, ইউসূফ-২, যুমার-২৮, হা-মীম সেজদাহ-৩. (৭০)ইউসূফ-১০৪, ফুরকান-৮৭, কলম-৫২, তাকভীর-২৭. (৭১)আন-আম-১০৬, তাওবাহ-৩৩, বাক্বারাহ-১০৫, বাইয়্যিনাহ-১. (৭২)হাজ্জ্ব-১৭. (৭৩)বাক্বারাহ-৬২, মায়েদাহ-৬৯, হাজ্জ্ব-১৭. (৭৪)ইমরান-৬৪, ৭১, ৯৯, নিসা-৪৭, মায়েদাহ-১৫. (৭৫)বাক্বারাহ-৬২, হাজ্জ্ব-১৭, জুমআ-৬. (৭৬)বাক্বারাহ-৬২, মায়েদাহ-১৮, ৬৯, তাওবাহ-৩০, হাজ্জ্ব-১৭. (৭৭)ইউসূফ-১০৪, ফুরকান -১, ছোয়াদ-৮, কলম-৫২, তাকভীর-২৭. (৭৮)ইনফিতার-৬, ইনশিক্বাক্ব-৬, আছর-২, দাহর-১. (৭৯)আছর-১-৪, ইব্রাহীম-১, হাদীদ-৯, ত্বালাক্ব-১১, বাক্বারাহ-২৫৭. (৮০)হাক্বক্বাহ-৫১, ওয়াক্বিয়া-৯৫, ইমরান-৬০, আহযাব-৪. (৮১)আন-আম-৫, ইউনুস-১০৮, বাক্বারাহ-৯১, মায়েদাহ-৮৪, রা’দ-১. (৮২)নিসা-৮২, (৮৩)বাক্বারাহ-২৩, ইউনুস-৩৮, হুদ-১৩. (৮৪)হা-মীম সেজদাহ-৪১,  হিজর-৯. (৮৫)বাক্বারাহ-২৮৫, ইমরান-১৮৪, তাহরীম-১২, ফাতির-২৫. (৮৬)আন-আম-৯১, ১৫৫, হুদ-১১০, বনী ইসরাঈল-২, মু’মিনূন-৪৯, ফুরকান-৫. (৮৭)নিসা-১৬৩, বনী ইসরাঈল-৫৫. (৮৮)ইমরান-৩, মায়েদাহ-৪৬, আ’রাফ-১৫৭, তাওবাহ-১১১, হাদীদ-২৭. (৮৯)আ’লা-১৮, ১৯, ত্বোয়া-হা-১৩৩, নাজম-৩৬. (৯০)বাক্বারাহ-৪১, ৯১, নিসা-৪৭, তাগাবুন-৮. (৯১)ইমরান-১১৯, বাক্বারাহ-৮৫, ২০৮,   তাওবাহ-৮৬. (৯২)বাক্বারাহ-১২৯, ইমরান-১৬৪. (৯৩)আহযাব-৪০. (৯৪)হিজর-৯. (৯৫)আনকাবুত-৪৯. (৯৬) ক্বেয়ামাহ-১৭, আন-আম-৯২, আহক্বাফ-১২, ছোয়াদ-৮৭, কলম-৫২. (৯৭)ইউনুস-১৫, হাক্বক্বাহ-৪৪, ৪৭. (৯৮)বাক্বারাহ-২০৮, ইমরান-১৯, ৮৫, বনী ইসরাঈল-৯, যারিয়াত-৫৬. (৯৯)ইমরান-১৯, ২০, ৮৫, মায়েদাহ-৩, আন-আম-১২৫, হাজ্জ্ব-৩৪, বাক্বারাহ-২০৮. (১০০)ইমরান-১৩২, নিসা-৫৯, মায়েদাহ-৯২, আনফাল-৪৬, তাগাবুন-১২. (১০১)ইমরান-৩১, আ’রাফ-১৫৮, নিসা-৫৯, আনফাল-৪৬, মুহাম্মদ-৩৩. (১০২)বাক্বারাহ-৬২, ৮২, মায়েদাহ-৬, হুদ-২৩, ইব্রাহীম-২৩, আছর-৩. (১০৩)আন-আম-১৫, হুদ-১. (১০৪)নাহল-৪৪, ইমরান-১৩২, নিসা-৫৯, আহযাব-২১. (১০৫)ক্বামার-১৭, ২২, ৩২, ৪০. মারইয়াম-৯৭, দোখান-৫৮. (১০৬)নিসা-৮২, মুহাম্মদ-২৪, ইয়াসীন-২৯. (১০৭) মায়েদাহ-১৫, ইউসূফ-১, হিজর-১, নাহল-১০৩, শো’আরা-২. (১০৮)মায়েদাহ-৯২, ৯৯, ইব্রাহীম-৯২, নাহল-৩৫, ৮২, নূর-৫৪, আনকাবুত-১৮. (১০৯কাহফ-১, যুমার-২৮. (১১০)বনী ইসরাঈল-৪১, ৮৯, কাহফ-৫৪, ত্বোয়া-১১৩, ১১১, হা-আহক্বাফ-২৭, ফুরকান-৫. (১১১)ইউনুস-৩১, মু’মিনূন-৮৫, ৮৭, ৮৯. (১১২) হা-মীম সেজদাহ-৫৩, ৫৪, যারিয়াত-২০-২৩, বাক্বারাহ-১৬৪, ইমরান-১৯০, ১৯১, আ’রাফ-১৯১. (১১৩)হুদ-১৩, বাক্বারাহ-২৩, তাওবাহ-৬৪, ৮৬, ১২৪, ১২৭, ইউনুস-৩৮, নূর-১. (১১৪)ইমরান-৭. (১১৫)নামল-৩০. (১১৬)আর-রহমান-১৩. (১১৭)ফজর-১৭. (১১৮)মুরসালাত-১৫. (১১৯) নূর-৫৩. (১২০)নাহল-৯০. (১২১)ইমরান-২০০. (১২২)বাক্বারাহ-১, ইমরান-১, আনকাবুত-১, রূম-১, লোকমান-১, সেজদাহ-১. (১২৩) আ’রাফ-১. (১২৪) ইউনুস-৭১, হুদ-১, ইউসূফ-১, ইব্রাহীম-১, রা’দ-১, হিজর-১. (১২৫) ত্বোয়া-হা-১. (১২৬)নামল-১. (১২৭)শুরা-১. কাসাস-১. (১২৮)মু’মিন-১. হা-মীম সেজদাহ-১. যুখরুফ-১, দোখান-১, জাসিয়া-১, আহক্বাফ-১. (১২৯)শুরা-১, ২. (১৩০) ক্বাফ-১. (১৩১)কলম-১. (১৩২)ছোয়াদ-১. (১৩৩)ইয়াসীন-১. (১৩৪)মারইয়াম-১. (১৩৫)বনী ইসরাঈল-১০৭, মারইয়াম-৫৮, সেজদাহ-১৫, আ’রাফ-২০৬, রা’দ-১৫. (১৩৬) আছর-১. (১৩৭) শামস-১. (১৩৮)লায়ল-১. (১৩৯)আনকাবুত-৪১. (১৪০) বাক্বারাহ-১৮. (১৪১)বনী ইসরাঈল-৭৬, মায়েদাহ-৬৭, বাক্বারাহ-২৩, ২৪, ইমরান-১২, ১৫১, ক্বামার-৪৫. (১৪২)বনী ইসরাঈল-৭৬. (১৪৩) যুমার-৯, রা’দ-১৬, মুজাদালাহ-১১, কাহফ-১১৪, হুজরাত-১৩. (১৪৪)ওয়াক্বিয়া-৭৯, (১৪৫)নাহল-৯৮. (১৪৬)আলাক-১. (১৪৭) মুযযামমিল-৪. (১৪৮)ক্বেয়ামাহ-১৬, ত্বোয়া-হা-১১৪. (১৪৯)বনী ইসরাঈল-১০৯. (১৫০)নিসা-৮২, ছোয়াদ-২৯. (১৫১)আ’রাফ-২০৪. (১৫২) মারইয়াম-৫৮, বনী ইসরাঈল-১০৭, সেজদাহ-১৫. (১৫৩) তাওবাহ-৬, ফাতহ-১৫, ইউনুস-৩৭. (১৫৪) বনী ইসরাঈল-৮৮, ইউনুস-৩৮, বাক্বারাহ-২৩, ২৪, হুদ-১৩, ১৪. (১৫৫)ইব্রাহীম-১, বনী ইসরাঈল-৯. (১৫৬)নাহল-১০২, (১৫৭)ইউনুস-৫৭, বনী ইসরাঈল-৮২, হা-মীম সেজদাহ-৪৪. (১৫৮)বাক্বারাহ-৯৭, নাহল-৮৯, ১০২, নামল-২, আহক্বাফ-১২. (১৫৯)যুমার-২৩, বনী ইসরাঈল-১০৭, ১০৯, হাশর-২১. (১৬০)ফাতির-২৫, বাক্বারাহ-১২১, আহযাব-৩৪. (১৬১)ইউনুস-৩৮, হুদ-১৩, আম্বিয়া-৫, ফুরকান-৪, সেজদাহ-৩. (১৬২) ফুরকান-৩২, বনী ইসরাঈল-১০৬, তাওবাহ-৮৬, ১২৪, ১২৭, মুহাম্মদ-২০. (১৬৩) নাহল-১০৩,  ফুরকান-৪. (১৬৪) যুখরুফ-৩১.  (১৬৫)ইউনুস-১৫. (১৬৬)ইউনুস-১০. (১৬৭)ইয়াসীন-৬৯, আম্বিয়া-৫, হাক্বক্বাহ-৪১, তূর-৩০. (১৬৮)আন-আম-২৫, আনফাল-৩১, নাহল-২৪, ফুরকান-৫, মুতাফফিফীন-১৩. (১৬৯)আম্বিয়া-৫. (১৭০)সাবা-৪৩, যুখরুফ-২০, আম্বিয়া-৩, আহক্বাফ-১৭, মুদ্দাসসির-২৪. (১৭১)ক্বামার-৩.  (১৭২)কাসাস-৫৭. (১৭৩)আনকাবুত-৪১. (১৭৪)বাক্বারাহ-১৭০, মায়েদাহ-১০৪. (১৭৫) ছোয়াদ-১, ২, ফাতহ-২৬. (১৭৬)মুতাফফিফীন-১২. (১৭৭) বাক্বারাহ-৮৯, আনকাবুত-৪৭
     

Leave a Reply

Your email address will not be published.