«

»

Apr ২৮

সদালাপের দ্বিতীয় ই-বুক প্রস্তাবনা

কোরান ও বিজ্ঞান নিয়ে লেখালেখি অনেকদিনের। অনেক প্রথিতযশা লেখক যেমন ডঃ মরিস বুকাইলি, কোরান ও বিজ্ঞানকে সমন্বয় করে লিখেছেন তেমনি অনেক বিদ্বেষী নাস্তিক কোরান ও বিজ্ঞানের সংঘাত নিয়ে আলোকপাত করেছেন। তারা অন্যান্য ধর্মের সাথে ইসলামকে এক করে, ইন জেনারেল ধর্মকে বিজ্ঞানের অগ্রগতির জন্যে বাধা হিসেবে এজিউম করে, বিভিন্ন আয়াতের অনুবাদের সিলেক্টিভ ব্যাখ্যা দিয়ে, বিজ্ঞানের প্রচলিত নীতিগুলোর বিপরীতে দাঁড় করিয়ে ধর্মকে বাতিল করার চেষ্টা করে থাকেন। পক্ষান্তরে, ওভারজিলাস কিছু মুসলিমদের বিজ্ঞানের কোন একটা বিষয় কোরানে আছে বলে আবেগপূর্ণ হৈ চৈ করা যুক্তিগুলিতে বড় রকম ক্রটি থাকে, ফলে বিতর্ক দীর্ঘায়িত হয়ে ডিজেনারেট করে। সদালাপে এ বিষয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এখানেই আমরা দেখেছি- আবু সাঈদ মাহফুজ কোরানকে বিজ্ঞানের সাথে সাজুস্যপূর্ণ মনে করেছেন। আব্দুর রহমান আবিদ, শাহবাজ নজরুল মনে করছেন- কোরান বিজ্ঞানের বই নয়, হেদায়েতের গ্রন্থ, তবে এখানে বিজ্ঞানের অনেক ইঙ্গিত আছে। এন্টাই ভন্ড মনে করেন, কোরান খুব সম্ভবত বিজ্ঞান শেখাবে না। কোরানে খুব সম্ভবত পরীক্ষালব্ধ বিজ্ঞানকে কন্ট্রাডিক্টও করবেনা। এস এম রায়হান দেখিয়ে দিচ্ছেন কোরানে এমন কিছু নেই যা বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক। সাদাত মনে করেন বিজ্ঞান ধ্রুব কিছু না। এটা ক্রমাগত নির্ভুলতার দিকে অগ্রসর হয়। কাজেই কোরানকে বিজ্ঞানময় বলা হলে আসলে আল্লাহর জ্ঞানকেও পরিবর্তনশীল গণ্য করা হয়। আল্লাহর জ্ঞান পরিবর্তনশীল নয়। কাজেই আল-কুরআনকে বিজ্ঞানময় না বলে প্রজ্ঞাময় বলাই সঠিক। আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন মনে করেন কোরানের দিকনির্দেশনাগুলো মানুষকে ভাবার জন্যে উৎসাহিত করবে আর বিজ্ঞানের শুরু সেইখানেই, তাই কোরানের সাথে বিজ্ঞানের সংঘাতের কোন সুযোগ নেই – বরঞ্চ বিজ্ঞানই কোরানের পরিপূরক জ্ঞান হিসাবে মানুষকে স্রষ্টার স্বরূপ উপলব্ধি করতে সাহায্য করতে থাকবে। এছাড়া আরো অনেক সম্মানিত লেখক ও পাঠক মন্তব্যকারী কোরানের সাথে বিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে মূল্যবান মতামত দিয়েছেন।

সদালাপে অনেক লেখকদের বিজ্ঞানের ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে, তদুপরি ইসলাম বিদ্বেষীদের চিন্তাধারা ও কাজ-কর্মের গতি প্রকৃতি সম্পর্কে এঁরা ওয়াকিবহাল। সদালাপের লেখক-পাঠকদের এই দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা বিবেচনা করে, আল-কোরান ও বিজ্ঞান দু’টি ভিন্ন ভিন্ন জিনিসকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকতা প্রসারের নিমিত্তে কোমলমতি অসতর্ক মুসলিমদের কষ্ট দেওয়া ও বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দেওয়ার মনে হয় সময় এসেছে।

আমরা আল-কোরান ও বর্তমান বিজ্ঞান বিষয়ে একটি ই-বুক, পরবর্তীতে যেটি হার্ডকপি হিসেবে প্রকাশিত হবে, তৈরিতে আগ্রহী। এবিষয়ে আলোচনার জন্য সদালাপের লেখক-পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীদের মতামত ও পরামর্শের জন্য বিনীত আবেদন করছি। বিশেষতঃ কী কী টপিক বইটিতে অন্তর্ভূক্ত হবে ও কে বা কারা সেই বিষয়টি নিয়ে লিখবেন বা পূর্বের লেখা সাবজেক্ট ম্যাটারের সাথে স্ট্রিমলাইন করবেন এ ব্যাপারে আলোকপাত করলে ভাল হয়। পুরো ব্যাপারটি একটি বড় কাজ…ম্যাগনাম ওপাস…আমাদের সকলের সহযোগিতা ছাড়া এটি শুরু হবার নয়। এ কাজটি সফল হবে কিনা বা এর ইম্প্যাক্ট কী হবে সেটি আমাদের হাতে নয়, আমাদের কাজ শুধু সিন্সিয়ারলি চেষ্টা নেওয়া। যা মনে আসে, হাতের কাছে যা তথ্য আছে, অথবা সময় করে চিন্তা করে, সার্চ করে যা মনে আসে…অনুগ্রহ করে মন্তব্যে লিখুন।

২২ comments

Skip to comment form

  1. 12
    এফ জেড করিম

    মোডারেটর এর দৃষ্টি আকর্ষন করছি -- এ বিষয়ে তাঁর মতামত প্রত্যাশা করছি ।

  2. 11
    আব্দুর রহমান আবিদ

    আমান ভাই,

    উদ্যোগটা নিঃসন্দেহে ভাল। আমিও জিয়া ভাইয়ের সাথে কিছুটা সহমত যে, শর্ত জুড়ে দিয়ে লেখকদের চিন্তাকে সীমাবদ্ধ করা উচিত নয় যতক্ষণ পর্যন্ত একজন লেখক সদালাপের নীতিমালার ভেতর অবস্থান করেন।

    আপনার মনে আছে কিনা জানিনা। আজ থেকে প্রায় একযুগ আগে কুদ্দুস খানের ভিন্নমত ওয়েবসাইটে অভিজিত রায় কর্তৃক লিখিত 'বিজ্ঞানময় কিতাব' নামে একটা প্রবন্ধ প্রকাশিত হলে আমি 'কোরান ও বিজ্ঞান' নামে পাল্টা একটা লেখা দিয়েছিলাম সেসময় যেটা পরবর্তীকালে সদালাপেও একসময় প্রকাশিত হয়েছিল।

    বছর দুয়েক আগে 'ইসলাম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক ও মুসলিমবিশ্ব' নামে আমার লিখিত একটা বই প্রকাশনার প্রাক্কালে আমি আমার পুরোনো সেই লেখাটাকে কিছুটা পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করি এবং লেখাটার নতুন শিরোনাম দিই- 'কোরান ও বিজ্ঞান: দ্বন্দ্ব নাকি সমন্বয়?'

    আশা করি, ই-বুকের জন্যে লেখাটা আপনার কাছে পাঠাতে পারবো ইনশাআল্লাহ। ধন্যবাদ।

  3. 10
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    অবশেষে সম্পাদকের দফতরের হ্যারিকেনটা জ্বলে উঠলো। আলো দেখেই ভাল লাগে -- সাহস পাই -- শক্তি পাই। 

    অবশ্যই একটা ভাল উদ্যোগ এবং একটা ওভারডিও উদ্যোগ্ বটে :)। 

    সাফল্য কামনা করছি ই-বুকের। 

    একটা কথা সাহস করে বলেই ফেলি -- কোন শর্ত দিয়ে লেখকদের চিন্তাকে সীমাবদ্ধ করাটা ঠিক না। সবাই স্বাধীনভাবে লিখবেন এবং ভুল ত্রুটিগুলো বিশেষ করে কোন রেফারেন্স ছাড়া লেখা এবং রেফারেন্স ভুল হলে তার বিষয়ে কিছু নীতিমালা করা যেতে পারে। কিন্তু কোন শর্তারোপ করা ঠিক হবে না। 

    আমি যেমন নিজেকে ছাত্র হিসাবেই বিবেচনা করি এবং যা জানি তা অকপটে বলার চেষ্টা করি। যার ফলে প্রায়ই আশেপাশের মানুষদের বিরক্ত করি। আমার মতো দুই পাতা বাংলা কোরান পড়া মানুষের জন্যে এই ধরনের লেখা কঠিন কাজ বটে -- তবে সাহস করে যা বুঝি তা বাংলায় টাইপ করতে সমস্যা নেই। সেই বিবেচনায় অবশ্যই একটা সক্রিয় সমর্থন এবং সহযোগীতার প্রতিশ্রুতি থাকলো। 

     

    আল্লাহ আমাদের সফল করুন। 

  4. 9
    সরোয়ার

    বেশ ভাল উদ্যোগ। শাহবাজ ভাইয়ের সাথে সহমত।

    1. 9.1
      এফ জেড করিম

      আমিও একমত।

       

      Quran is not a book of science , it is a book of signs. সাইন -- মানে নিদর্শনকারী চিহ্ন । আর আয়াতের আভিধানিক একটি অর্থও নিদর্শন।

  5. 8
    শাহবাজ নজরুল

    ভালো উদ্যোগ।  ই-বুকের একটা সামগ্রিক আদল  এমন হতে পারে -- 

    ১. কোরান যে আসলে বিজ্ঞানের গ্রন্থ নয় তা পরিষ্কার করে অন্তত একটা লেখা। এখানে আসা কমেন্টগুলো কিংবা মূল লেখাটিতেও এই বিষয়টি এসেছে। তবে আল্লাহ সুবহানা তায়ালার কাছ থেকে এসেছে বলে এই গ্রন্থে কোনো রকম ভ্রম নেই -- সেটাও পরিষ্কার করতে হবে। 

    ২. এরপরে বৈজ্ঞানিক ইঙ্গিতবাহী কিছু আয়াত যা কোরানে পাওয়া যায় তা নিয়ে কিছু লেখা থাকতে পারে।

    ৩. কোরানে বৈজ্ঞানিক ভ্রম আছে বলে 'বদ্ধমনা' দের প্রচারণার জবাব দিয়ে কিছু লেখা থাকতে পারে। এখানে সার্বিক প্রত্যুত্তর দেবার প্রয়াস করা সমচীন নয়। কিছু স্যাম্পল জবাব দিলেই চলবে।

    ৪. কোরানে বৈজ্ঞানিক ইঙ্গিতবাহী কিছু আয়াত নিয়ে লেখা আসতে পারে -- যা নিয়ে হয়ত এখনো তেমন গবেষণা হয়নি -- কিন্তু গবেষনার সুযোগ আছে।

    ধন্যবাদ।

    1. 8.1
      এফ জেড করিম

      আপনার কথার সাথে আমি পুরোপুরি একমত।তবে -- " এখানে সার্বিক প্রত্যুত্তর দেবার প্রয়াস করা সমচীন নয়। কিছু স্যাম্পল জবাব দিলেই চলবে। " -- এই কথাটা একটু মনে ধরে নি।

       

      একজন মানুষ যদি যুক্তিবাদী হতে চায় , তাহলে -- তাকে পুরপুরি জবাব পেতেই হবে।নাস্তিকদের জন্যে কোন রুম রাখা চলবে না।চেপে ধরতে হবে -- পুরোপুরিই। যদি না ধরতে পারি তাহলে সেটা আমাদের চূড়ান্ত ব্যর্থতা।

       

      আল্লাহর বাণী অব্যর্থ।তবে , আমরা সেই অব্যর্থকে উপস্থাপন করতে ব্যর্থ।এটা লজ্জাকর। আপনি আমি স্বীকার করি আর না করি -- বাস্তবে -- যেকোন ব্লগের চেয়ে মুক্তমনা ব্লগ বেশি সংঘটিত।

       

      আর সবশেষে , আপনার চমৎকার প্রস্তাবনার জন্যে -- অসংখ্য ধন্যবাদ।

  6. 7
    এফ জেড করিম

    আকাঙ্ক্ষিত সেই প্রস্তাবটি অবশেষে দেবার জন্যে -- সদালাপ এডিটরকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

    আমার কয়েকটি প্রস্তাবনা উল্লেখ করলাম --

    ১। এটা যেমন সত্য তাড়াহুড়া করা যাবে না , আবার তেমনই সত্য মাসের পর মাস দীর্ঘায়িত করা উচিত নয়।

     

    ২। প্রথমেই টপিক ঠিক করতে হবে।সুনির্দিষ্ট টপিক।আপনার প্রস্তাবনায় এটা উল্লেখ করতে হবে "সব বিজ্ঞান নিয়ে আলোচনা হবে নাকি , আলোচনার সাথে নাস্তিকদের প্রশ্নগুলির জবাব দিতে হবে।"

     

    আমি এখানে , যে প্রস্তাবনা রাখতে চাই -- বাংলায় প্রচুর বই আছে কোরআন এবং বিজ্ঞান নিয়ে।কিন্তু যেটার অভাব সেটা হল -- নাস্তিকদের করা কাউন্টার প্রশ্নের জবাব।আমি নাস্তিকদের জবাবগুলি ক্যাটাগরিতে সাজিয়ে কয়েক খণ্ডে জবাব দিতে আগ্রহী।সাধারণত , ১২০/ ১৫০ পৃষ্ঠার বইয়ে কখনই সব প্রশ্নের জবাব দেয়া সম্ভব নয়।যদি , বই  সেরকম মাপেরই হয় -- তাহলে আমি এর পক্ষপাতী হওয়া সমীচীন মনে করিনা। তবে , এটাও মানি যে -- সদালাপের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমার মতে --  কয়েক খণ্ডে নাস্তিকদের বিজ্ঞানের সাথে তথাকথিত কনফ্লিক্টেড সম্পর্কিত সকল প্রশ্নগুলির জবাব দেয়া।তবে , তার আগে সংক্ষেপে বিজ্ঞান সম্পর্কিত আয়াতগুলির ব্যাখ্যা দেয়া।

     

    ৩।আমার মতে -- প্রথমেই দরকার প্রশ্নগুলি ডিফাইন করা।

    ৪।এরপর , একে একে এডিটর পোস্ট প্রদানের মাধ্যমে আমন্ত্রণ জানাবেন -- এ বিষয়ে লেখা জমা দিতে।যেমন ,  সদালাপ এডিটর ক্রমান্বয়ে -- গুরুত্বসম্পন্ন অভিযোগ নিয়ে আমন্ত্রণ জানাবেন , কমেন্টে লেখা দিতে।যেমন --

    সদালাপ এডিটর --

    সহীহ বুখারী ভলিউম ৪ , অধ্যায় ৫৪ , হাদিস নং ৪২১[1]

    হাদিসটি আবু যর (রা:) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা সূর্য অস্ত যাবার সময় রসূল(সা:) আমাকে বললেন, “তুমি কি জান সূর্য কোথায় গমন করে? আমি বললাম, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেন, এটা যায়  আরশের নিচে পৌঁছে সিজদা করে এবং পুনরায় উদিত হওয়ার (অর্থাৎ উঠবার জন্য) অনুমতি চায় এবং তাকে অনুমতি দেয়া হয়। এবং অচিরেই যখন সে প্রায় সেজদা নত হবে কিন্তু তা গৃহীত হবে না এবং নিজস্ব পথে যাত্রা করার অনুমতি চাইবে; কিন্তু আর অনুমতি মিলবে না, (বরং) তাকে নির্দেশ দেয়া হবে, সেই পথেই ফিরে যেতে -- যে পথে সে এসেছে। এবং তখন সে পশ্চিম দিকে উদিত হবে। এটাই হলও আল্লাহ-তায়ালার এই বাণীর মর্ম: আর সূর্য তার গন্তব্য পথে বিচরণ করে। এটিই মহাশক্তিশালী সর্বজ্ঞাতার নির্ধারিত বিধান।  (৩৬:৩৮)

     

    [1] Sahih Bukhari Volume 004, Book 054, Hadith Number 421.

    Sahih Bukhari Book 54. Beginning Of Creation

    Narrated By Abu Dhar: The Prophet asked me at sunset, "Do you know where the sun goes (at the time of sunset)?" I replied, "Allah and His Apostle know better." He said, "It goes (i.e. travels) till it prostrates Itself underneath the Throne and takes the permission to rise again, and it is permitted and then (a time will come when) it will be about to prostrate itself but its prostration will not be accepted, and it will ask permission to go on its course but it will not be permitted, but it will be ordered to return whence it has come and so it will rise in the west. And that is the interpretation of the Statement of Allah: "And the sun runs its fixed course for a term (decreed). That is The Decree of (Allah) The Exalted in Might, The All-Knowing." (36.38)  

     

    এই হাদিসটি নিয়ে নাস্তিকরা ইসলামকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে চায়।আপনাদের কাছে -- এ বিষয়ে -- লেখা আহবান করছি।

    ৫ -- সবাই কমেন্টে তাঁদের লেখা দিবে।যারা দিতে পারবে না , তাঁরা যৌক্তিকভাবে লেখার মানোন্নয়নে পরামর্শ দেবে।আর যারা কমেন্টে লেখা দিবে -- তাঁদের লেখা থেকে এডিটর কিংবা কোন সিনিয়র ব্লগার কিংবা বিজ্ঞান বিষয়ক এক্সপার্ট লেখক পর্যালোচনা করে -- এডিটরের তত্ত্বাবধানে ফাইনাল লেখা তৈরি করে।সেটাকে চূড়ান্ত ঘোষণা করে -- আরেকটি পোস্ট দিবে এডিটর।সেখানে , যদি কোণ সূক্ষ্ম পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় -- তাহলে আবারো সেই পোস্ট এডিট করা যেতে পারে।তবে , যাই হোক একসময়ে ফাইনাল ঘোষণা দিয়ে -- সেই বিষয়ক লেখা স্থগিত করে -- সদালাপ এডিটর -- ২য় বিষয়ে প্রস্তাবনা আনবেন।লেখা আহবান করবেন।আবার আগের মতই -- চক্রকারা লেখা চলতে থাকবে।এভাবে -- ১৫-২০ টা লেখা শেষ হলে -- সেটাকে সদালাপ এডিটর "কোরআন এবং বিজ্ঞান -- ১ম খণ্ড" অথবা অন্য যেকোন শিরোনামে ইবুক আকারে ব্লগে দিতে পারেন।এরপর , প্রয়োজনে -- ২য় খণ্ডের কাজ শুরু করা যেতে পারে।

    [ এক্ষেত্রে , আরো একটি নিয়ম মেনে চলা যায় -- যেহেতু ব্লগাররা সবসময় ব্লগে সময় দিতে পারেন না , কোন কোন প্রতিভাবান ব্লগারকে দীর্ঘবিরতিতেও দেখা যায় -- তাই , ফাইনাল পোস্টটি আদতে ফাইনাল বলা হলেও -- তখনো কমেন্টের সুযোগ রাখা যেতে পারে।এক্ষেত্রে , কোন যৌক্তিক লেখা যোগ কিংবা অযৌক্তিক লেখা বিয়োগ করে -- পোস্টটি আবারো এডিট করতে পারেন -- এডিটর ]

    এভাবেই চক্রাকারে চলতে পারে -- ইবুক নির্মানের কাজ।আমি বিশ্বাস করি -- লাও জুর সেই বাণী -- " হাজার মাইলের যাত্রাও , ছোট্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে শুরু হয়।" -- তাই , এডিটরকে অনুরোধ জানাতে চাই -- প্রথমেই এই পোস্টেই প্রথম ১০-১৫ টি নাস্তিকদের বিজ্ঞান সম্পর্কিত সমালোচনা প্রশ্ন আকারে কমেন্টে উপস্থাপন করা যাক -- যেটি নিয়ে প্রথম লেখালেখির কাজ শুরু করা যায়। 

     

     

    —————--

    শেষ কথা , আমি এই ব্লগে সিনিয়র নই।তবুও , আমার একান্ত ব্যক্তিগত কিছু মতামত তুলে ধরলাম।এটার কোন বিষয়ে -- ভুল ত্রুটি হলে -- ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে , দয়া করে ভুল শুধরে দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো।সবাইকে ধন্যবাদ।

     

    1. 7.1
      হাবশী গোলাম

      এফ জেড করিম ভাই,

      আমার মনে হয়, সব হাদীস দিয়ে কোরানের আয়াতকে যাচাই করা যাবে না। কারন মুহাম্মদ (সা) এর সব কথাই যে আল্লাহর ওহী, তেমনটি কিন্তু নয়।  কোরান -- আল্লাহ্‌র বানী,  আর হাদীস মুহাম্মদ (সা) এর বানী। তাছাড়া,  প্রায় ২০০ থেকে ৩০০ বছর পড়ে সংগৃহীত হাদীস যে আমাদের কাছে সঠিকভাবে পৌছেচে তারই বা কি নিশ্চয়তা আছে।

      তাছাড়া সহীহ হাদীস নিয়ে ইসলামী স্কলারদের মধ্যেই অনেক মতভেদ আছে। ইমাম বুখারী (র) প্রায় ৬০০০০০ হাদীস সংগ্রহ করেছিলেন,  তার মধ্যে মাত্র ৭৫০০ এর মত হাদীস তিনি লিপিবদ্ধ করেছেন। তিনি নিজেই ৯৯% হাদীসকে শুদ্ধ মনে করেন নি।

      আমি কিন্তু কোরান অনলি নই। হাদীস অস্মিকারকারীও নই। কিন্তু আমার মনে হয়, সব হাদীস যেহেতু আল্লাহর ওহী নয়, কাজেই হাদীস অনেক সময়ই অবৈজ্ঞানিক হতে পারে। সেটি দোষের কিছু নয়। কারন মুহাম্মদ (সা) বৈজ্ঞানিক ছিলেন না। তাছাড়া কোরানের বানী আর হাদীসের মধ্যে সুস্পষ্টভাবে পার্থক্য আছে।

      আপনি যে হাদীসটি দিয়েছেন, সেটি বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক নয়। কিন্তু তাতে কোন সমস্যা নেই। কারন--

      ১/ সব হাদীস আল্লাহ্‌র ওহী নয়

      ২/ সব হাদীস যে আমাদের কাছে সম্পুর্ন সঠিকভাবে পৌছেচে তার কোন নিশ্চয়তা নেই

      ৩/ আমরা একটি হাদীসও মুহাম্মদ (সা) থেকে সরাসরি  পাইনি, বরং অনেকের বর্ননার ক্রমধারায় আমাদের কাছে পৌছেচে

      তাই হাদীসে অবৈজ্ঞানিক কথা থাকা বিচিত্র কিছু নয়। সব হাদীস বৈজ্ঞানিক,  এমনটি প্রমাণ করা যাবে না। তার প্রয়োজনও কিন্তু নেই। 

      সবচেয়ে অবিকৃত আর পরিশুদ্ধ হচ্ছে কোরানের বানী। তাই আমরা কোরানের আয়াতগুলো নিয়ে আলোচনা আর গবেষণা করতে পারি। 

      1. 7.1.1
        এফ জেড করিম

        ভাই , কথাটার সাথে একমত হতে পারিনাই।সহিহ হাদিস সমূহ যদি অবিকৃত থাকে -- তাহলে -- সেটার মধ্যেও নিশ্চিতভাবে কোন ভুল থাকবে না।হ্যাঁ , আপনার কথাতেও যুক্তি আছে -- তবে এটা সহিহ হাদিসই আমার মনে হয়। 

         

        এই হাদিসের বিস্তারিত ব্যাখ্যা নিয়ে আমার ইবুকের -- একটা অধ্যায় রয়েছে --

        http://www.pdf-archive.com/2014/04/30/abu-dhar-er-surjo-hadith-pdf-by-fz-karim/ -- দয়া করে এটা পড়ে দেখতে পারেন।সবশেষে হাদিসটি আমার কাছ যৌক্তিকই মনে হয়েছে।কারণগুলি , উপরের ইবুকে তুলে ধরেছি।সদালাপ এডিটর যদি এ বিষয়ে লেখা আহবান করেন -- তাহলে , আমি এই লেখাটিই জমা দেবো।তবে , দুঃখের ব্যাপার -- এখনো লেখাটি কোন ব্লগে দিতে পারি নাই।তবে , লেখাটি লিখেই আমি অভিজিৎ রায়ের ইনবক্সে সেন্ড করি।তার কোন রেসপন্স পাইনাই।নাস্তিক ফেইসবুকগ্রুপ গুলিতেও রেসপন্স পাই নাই।হাতে সময়ের অভাবে ব্লগে দেয়া হয়ে উঠছে না , তবে শীঘ্রই দেবো। 🙁

         

        আরো , বিস্তারিতভাবে বিষয়বস্তু -- http://www.pdf-archive.com/2014/02/21/quran-earth-and-science-by-fz-karim2/ -- এখানে শেষ অধ্যায়ে উল্লেখ করেছি। ১৭০ পৃষ্ঠা থেকে ১৯৪ পৃষ্ঠা।

    2. 7.2
      মাহফুজ

      এফ জেড করিম ভাই,

      সালাম,

      উল্লেখিত হাদিছটি সম্পর্কে বেশ আগেই কিছু বলার চেষ্টা করেছি।

      অনুগ্রহ করে এখানে দেখবেন- হাদিছে বর্ণীত সূর্যের গতিপথের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ

      এখানে মন্তব্য দিলে খুশি হব।

      আর ই-বুকের এই শুভ উদ্দোগ ফলপ্রসু হোক- দোয়া রইল।

      ধন্যবাদ

      1. 7.2.1
        এফ জেড করিম

        @মাহফুজ ভাই ,

        আমি লেখা শুরু করার সময় আপনার লেখাটি দেখি।আপনার লেখাটাও অনেক সুন্দর হয়েছে।লেখাটি থেকে আমিও হেল্প পেয়েছি 🙂

        ধন্যবাদ।

  7. 6
    ফাতমী

    ভাল উদ্যোগ, লেখাটা স্টিকি করেন।

  8. 5
    মীযান হারুন

    একটি ভালো উদ্যোগ। কিন্তু আজ কুরআনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ (কিংবা জোর করে সামঞ্জস্যপূর্ণ করা) কিছু বিষয় যদি কিছুদিন পরে বিজ্ঞানের মাপকাঠিতে ভুল প্রমাণিত হয়, তখন আপনারা কী করবেন? অনেকেই কুরআনকে বিজ্ঞানময় কিংবা অলৌকিক প্রমাণ করার জন্য এমন অনেক তত্ত্ব পেশ করেছেন যা (বিজ্ঞান কিংবা দর্শনের) শক্তিশালী  ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়। ফলে বর্তমানে তা হীতে বিপরীত হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমাদের কিছু করার আগে মনে হয় ব্যাপারটি নিয়ে আরও গভীরভাবে ভাবা উচিত। 

    সীমাহীন অস্থিরতা আর দোদুল্যমনা ছাড়া এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে এবিষয়য়ে আমি কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারিনি। কেউ পারলে আমাকে হেল্প করার অনুরোধ রইলো। 

    1. 5.1
      হাবশী গোলাম

      @ মীযান হারুন

      সীমাহীন অস্থিরতা আর দোদুল্যমনা ছাড়া এখন পর্যন্ত ব্যক্তিগতভাবে এবিষয়য়ে আমি কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারিনি। কেউ পারলে আমাকে হেল্প করার অনুরোধ রইলো। 

      হারুন ভাই কোরানের উপর বিশ্বাসের মাপকাঠি বিজ্ঞান কখনই হতে পারে না। অর্থাৎ কেউ যদি বলে বিজ্ঞানের সাথে মিলে গেলে আমি কোরানকে মানি , নচেত মানি না, তবে সম্ভবত কোরান তার জন্য পথপ্রদর্শক নয়। 

      কারন কোরান নিজেই বিজ্ঞানকে অস্বীকার করেছে। 

      কোরান বলেছে-- মরিয়ম (আ) এর গর্ভে ঈসা (আ) জন্মেছে কোন পিতা ছাড়াই। অথচ সর্বকালের সবযুগের মানুষ জানে পিতা ছাড়া সন্তান জন্মান সম্ভব নয়।

      কোরান বলেছে-- মুসা (আ) এর লাঠি আল্লাহর আদেশে সাপে পরিণত হয়েছে। এখানেও কোরান বিজ্ঞানকে অস্বীকার করেছে।

      ———

      আল্লাহ বিজ্ঞানের অধীন নন। বিজ্ঞান বস্তুকে প্রাণ দিতে পারে না, কিন্তু আল্লাহ সেটি পারেন।

      বিজ্ঞান প্রাণকে মৃত্যুর হাত থেকে বাচাতে পারে না , আল্লাহ সেটি পারেন।

      আল্লাহ শূন্য থেকে মহাবিশ্ব সৃষ্টি করতে পারেন, কিন্তু বিজ্ঞান সেটি পারে না।

      আল্লাহ মৃত বীজ থেকে জীবিত গাছ বের করতে পারেন, কিন্তু বিজ্ঞান সেটি পারে না।

      মায়ের গর্ভে বাড়ন্ত শিশুকে আল্লাহ প্রতিপালন করেন, বিজ্ঞান সেটি পারে না।

      মায়ের কোলের সদ্যজাত শিশুর জন্য আল্লাহ স্তন্যের ব্যবস্থা করতে পারেন , বিজ্ঞান সেটি পারে না।

      এই মহাবিশ্ব , গ্রহ , নক্ষত্র সৃষ্টির সময় বিজ্ঞানীরা ছিলেন অনুপস্থিত। মাতৃ জরায়ূতে আমার আপনার সৃষ্টির সময়ও বিজ্ঞান ছিল অনুপস্থিত। আমাদের মৃত্যুর সময়ও বিজ্ঞান থাকবে অনুপস্থিত। 

      কাজেই এহেন নখদন্তহীন বিজ্ঞান দিয়ে আল্লাহর কিতাবকে আমরা যাচাই করি কি করে???

      1. 5.1.1
        মীযান হারুন

        আমারও তাই মনে হচ্ছে। তাই বিজ্ঞ লেখক ভাইদের ব্যাপারে কী বলার মাথায় আসছে না। উদাহরণত, সেদিন মুক্তমনা ব্লগে দেখলাম ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত ‘সায়েন্টিফিক ইন্ডিকেশন্স ইন দ্যা হোলি কুরআন’ গ্রন্থের তুমুল সমালোচনা। অনেক ক্ষেত্রেে সেটা যথাযথও মনে হয়েছে। তাহলে এধরনের উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত কী ফলাফল বয়ে নিয়ে এলো? 

        আচ্ছা,  ভ্রান্ত ও অবাস্তব অথচ বর্তমান বিজ্ঞানীদের কাছে স্বীকৃত কোনো বিষয়কে যদি আমরা কুরআনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার চেষ্টা করি (আর সেক্ষেত্রে সফল হই), এরপর একশ’ বছর পর যদি সেটার প্রকৃত বাস্তবতা বেরিয়ে আসে (আর তখন নিশ্চয়ই সেটা কুরআনের বর্তমান ব্যাখ্যার বিপরীত হবে) তখন কুরআনের ব্যাপারে আমরা কী বলবো? 

        তাহলে আমরা বিজ্ঞানের প্রশ্নে কুরআনকে কীভাবে নিবো? উভয়ের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধানের চেষ্টা চালাবো? আর সেটা না করে বসে বসে কুরআনের বিভিন্ন আয়াত নিয়ে নাস্তিকদের তামাশা-ও বা দেখবো কী করে?

        সত্যি কইতাছি, আমি বুঝবার পারতাছি না। সুপরামর্শের অনুরোধ রইলো। তুলনামূলক ধর্মতত্ত্ব বিষয়টি নিয়ে নাড়াচাড়া করলেও বিজ্ঞানের বিষয়ে একেবারে ব-কলম আমি। বিষয়টি মনের রাখলে ভালো হবে। 

        1. 5.1.1.1
          হাবশী গোলাম

          উদাহরণত, সেদিন মুক্তমনা ব্লগে দেখলাম ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত ‘সায়েন্টিফিক ইন্ডিকেশন্স ইন দ্যা হোলি কুরআন’ গ্রন্থের তুমুল সমালোচনা। অনেক ক্ষেত্রেে সেটা যথাযথও মনে হয়েছে।

          মুক্তমনাদের আলোচনা যথাযথ মনে হলেও, তাদের কথাই যে সঠিক তার প্রমাণ কি?

          ওরা আদৌ ইসলাম, কোরান ইত্যাদির উপর বিন্দুমাত্র বিশ্বাস রাখে না। ওরা কথার মারপ্যাচে দিনকে রাত আর রাতকে দিনে পরিণত করতে পারে। ওদের কাজই হচ্ছে মানুষকে কনফিউসড করে দেয়া।

          দেখুন একজন ঈমানদার মানুষের জন্য কোরানের বিশ্বাসের ভিত্তি কখোনই যুক্তি ও বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতে হতে পারে না। 

          ইসলাম শব্দটির অর্থই হচ্ছে আত্নসমর্পন আর বিশ্বাস। ধরুন কোরানের সবকিছুই যদি বিজ্ঞান আর যুক্তি দিয়ে ব্যাক্ষ্যা করা যায় , তাহলে সেক্ষেত্রে কোরানের উপর আর ঈমান আনা হল না। বরং যেহেতু বিজ্ঞান আর যুক্তির সাথে কোরান মিলে গেল , তাই আমি কোরানকে মেনে নিলাম-- ব্যাপারটা অনেকটাই এরকমই হল।

          দেখুন আল্লাহ কোরানে কি বলছেন—

          এ সেই কিতাব যাতে কোনই সন্দেহ নেই। পথ প্রদর্শনকারী পরহেযগারদের জন্য, যারা অদেখা বিষয়ের উপর বিশ্বাস স্থাপন করে এবং নামায প্রতিষ্ঠা করে। আর আমি তাদেরকে যে রুযী দান করেছি তা থেকে ব্যয় করে এবং যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে সেসব বিষয়ের উপর যা কিছু তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে এবং সেসব বিষয়ের উপর যা তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে। আর আখেরাতকে যারা নিশ্চিত বলে বিশ্বাস করে। [সুরা বাকারা]

          আল্লাহর পক্ষ থেকে এরকম ঘোষণার পর আর কোন প্রমাণ পত্রের প্রয়োজন পড়ে না।

          তবে একটি চ্যালেঞ্জ আমি দিতে পারি বিজ্ঞানে সম্পুর্নভাবে প্রতিষ্ঠিত কোন তত্তের বিপরীত কোন বাণি কোরানে নেই।

          কোরানের এক একটি শব্দের ভিন্ন ভিন্ন অর্থ আছে।  কোরানের আয়াতের অনুবাদ যারা করেছেন, তারা বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর সাথে খুব বেশী ওয়াকিবহাল নন। তাই দেখা যায় কিছু কিছু আয়াতের সঠিক শব্দের প্রয়োগ আয়াতটির ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করছে।

          তাই কেঊ যদি বলে কোরানে পৃথিবীকে সমতল বলা হয়েছে , সেটি আমি কিছুতেই মানতে রাজী নই।

           

        2. মীযান হারুন

          আমি সম্পূর্ণ একমত। আর তাই বলছি, এ ধরনের কাজ আমাদের জন্য আসলে ঠিক কতটুকু উপকারী হবে? 

  9. 4
    sotto

    প্রস্তাবটা ভালই। তবে এর জন্য একটা মানদ্ণ্ড ঠিক করে সবেমিলে সমঝতায় আসতে পারলেই বাকিটা সম্ভব হবে, ইনশাল্লাহ-

    এখানে আমন্ত্রণ- কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কি কুকুর খান না!!??

  10. 3
    হাবশী গোলাম

    বিজ্ঞান সবসমই একটা চেঞ্জিং কনসেপ্ট। বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে আজকের অনেক ভ্রান্ত মতবাদ হয়ত কালকেই প্রমাণিত সত্যে পরিণত হবে। আবার আজকের অনেক সত্য হয়ত কিছুদিন পড়েই ভুল প্রমাণিত হবে। তাই এরকম চেঞ্জিং কনসেপ্ট দিয়ে কোরানকে সম্পুর্ন যাচাই করা যায় না। 

    বিজ্ঞানের হাত-পা সবসমই বাধা থাকে। কারন যতক্ষন একটা থিওরী পুর্নাঙ্গভাবে প্রমাণিত না হয় ততক্ষন বিজ্ঞান তাকে স্বীকৃতি দিতে পারে না। বিজ্ঞান যেকোন ঘটনার পেছনের কার্যকারন খুজে থাকে। 

    আমি মনে করি না কোরান বিজ্ঞানময়। কারন আল্লাহ বিজ্ঞানের অধিন নন। তাঁর অনেক কাজই প্রচলিত বিজ্ঞানের বাইরে আর সম্পুর্নভাবে ব্যাক্ষার অতীত। এবং এটাই স্বাভাবিক। কারন যিনি বিশ্ব-বহ্মান্ডের একক স্রষ্ঠা , মহাবুদ্ধিমান তাঁকে ও তাঁর কার্যকলাপকে আমরা কিভাবে বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাক্ষ্যা করতে পারব?

    আমরা যখন কোরান পড়ি তখন দেখতে পাই এতে বলা আছে-- মুসা (আ) এর লাঠি সাপে পরিণত হয়েছিল।ঈসা(আ) কোন পিতা ছাড়াই মরিয়ম (আ) এর গর্ভে জন্মেছিলেন। মুহাম্মদ (সা) একরাতেই বায়তুল আকসা আর আল্লাহর আরশ পরিভ্রমন করেছেন।

    —- এসব ঘটনা বিজ্ঞানের কোন থিওরী দিয়ে প্রমাণ করা যায় না। আর আল্লাহও বিজ্ঞানের অধীন নন।

    এই কোরানেই কিন্তু আবার সম্প্রসারনশীল মহাবিশ্ব ,প্রাণের উৎস পানি, নিখুত এম্ব্রায়লজী  ইত্যাদি আলোচিত হয়েছে যা আধূনিক বিজ্ঞানের সাথে সম্পুর্ন মিলে যায়।

    — তাই কোরান একই সাথে বিজ্ঞান আর বিশ্বাসের সমন্বয়। 

    ই-বুকের ধারনাকে স্বাগত যানাই। কিন্তু তাড়াহুড়া নয় বরং আগাতে হবে ধীরে আর চিন্তা -ভাবনা করে।

     

  11. 2
    রাসেল ইউসুফী

    আলহামদুলিল্লাহ, আলহামদুলিল্রাহ! অনেক অনেক ভালো উদ্যোগ। সফলতার জন্য দোয়া করছি। 

  12. 1
    এস. এম. রায়হান

    ভালো একটি উদ্যোগ। দেখা যাক কে কী বলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.