«

»

May ২৯

সদালাপে গোলযোগ সম্ভাবনা

কয়েকটি বিষয়ে সুস্পষ্ট অবস্থান নির্ণয়ে কথা ও কাজের মধ্যে গরমিলের পরিপ্রেক্ষিতে সদালাপে গোলযোগ সম্ভাবনা দিন দিন প্রবল হচ্ছে। বিষয়গুলি সামারাইজ করে উল্লেখ করছি-

সূচনালগ্ন থেকেই সদালাপ ইসলাম-বিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে সত্য কথা জানানোর চেষ্টা করে চলেছে। সূক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির কিছু মেধাবী রাইটারদের (এবং পাঠকদের) সমাবেশে নিয়মতান্ত্রিক কলম-যুদ্ধই সদালাপের প্রাইমারি স্ট্রেন্থ।

রাইটারদের মধ্যে আসম জিয়াউদ্দিন ও এম আহমেদ দুজনেই প্রলিফিক ও শক্তিশালী লেখক। সদালাপ সহ অন্যান্য প্লাটফর্মেও ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তারা সহযোদ্ধা হিসেবে এফেক্টিভ প্রতিবাদ-প্রতিরোধ করেছেন। সদালাপে লেখকদের অর্ডার অফ প্রিসিডেন্স বোঝাতে সেনাবাহিনীর র‍্যাঙ্কের ন্যায় ক্যাটাগরি ব্যবহার করি। ক্যাপ্টেন থেকে শুরু করে, মেজর, অতঃপর – কর্ণেল ক্যাটাগরিগুলি লেখা প্রকাশ, মন্তব্য এডিট-এপ্রুভ, এরূপ বিষয়গুলিতে ক্রমান্বয় উচ্চতর সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন। আসম জিয়াউদ্দিন এবং এম আহমেদ দুজনেই একই ক্যাটাগরির অন্তর্ভূক্তঃ কর্ণেল।

আসম জিয়াউদ্দিন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান। যেকোন জুলুমের বিরুদ্ধে প্রতিকার চাওয়ার অধিকারের প্রতি সদালাপ শ্রদ্ধাশীল- সদালাপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের সাথে এটি সঙ্গতিপূর্ণ।এম আহমেদ ও বলছেন না যে অপরাধীর বিচার তিনি চান না। তিনি বলতে চাইছেন, বিচার প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক প্রভাবমূক্ত হোক। বিচার প্রক্রিয়া তো রাজনৈতিক প্রভাবমূক্তই হওয়ার কথা। স্বাধীন বিচার প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত জাস্টিসের সুফলও হয় দীর্ঘস্থায়ী। তাই এই চাওয়াতেও ন্যায্যতা রয়েছে।

রাজীব (থাবাবাবা)নামে একজন ইসলাম বিদ্বেষী বিচার-বহির্ভূতভাবে আততায়ীর হাতে নিহত হলে, অনেক মিডিয়ায়, যাদের অনেকেই আবার থাবাবাবার কুরুচিপূর্ণ লেখাগুলির সাথে পরচিত ছিল না, তাকে শহীদ হিসেবে উল্লেখ করার প্রয়াস পায়। মুসলিমদের কাছে শহীদ শব্দটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। আসম জিয়াউদ্দিন বললেন যে তিনি  থাবাবাবাকে চিনতেন এবং শাহবাগে উপস্থিত থাকলে থাবা-বাবার জানাযা পড়তেন না। সদালাপে থাবা-বাবার প্রতি সম্মানিত ‘শহীদ’ বিশেষণ ব্যবহারে রেস্ট্রিকশন আসলে তিনি আর কখনো সেটি ব্যবহার করেন নি। একজন নোন ইসলাম-বিদ্বেষী, যার কুরুচীপূর্ণ লেখাগুলি পড়তে গেলে শিরোনামেই থমকে যেতে হয়, তার প্রতি আসম জিয়াউদ্দিনের, যিনি একযুগের অধিককাল যাবৎ ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে ইণ্টেলেকচুয়াল পারসুইট জারী রেখেছেন, ‘শহীদ’ শব্দটির ব্যবহার (যদিও ইসলামিক অর্থে তিনি সেটি ব্যবহার করেন নি) সদালাপের অনেক লেখক-পাঠক সহজভাবে নিতে পারেননি। তাঁরা একটি ধাক্কা মত খেয়েছেন। ফারাবী নামে একজন সম্পূর্ণ এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে জানাযা পড়ানো ইমামকে হত্যার হুমকি দিয়েছিল। আল কোরানের মাহাত্ম্য  বর্ণনা করে লেখা লিখলে তার অপরাধ লঘু হয় না বা আমরা তাকে সহ-কলমযোদ্ধা করতে পারি না, করিনি। তেমনি থাবাবাবা, স্রষ্টা সম্পর্কে ডিসরেস্পেক্টফুল কথা লিখে, প্রফেটকে নিয়ে কুৎসিত মকারি করার সাথে সাথে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাইলেও- তাকে সম্মান করতে পারি না। সদালাপের লেখক শামস কে কোট করে বলি-“ইটস এ ম্যাটার অব প্রায়োরিটি”। তবে এবিষয়টি নিয়ে আসম জিয়াউদ্দিনকে সদালাপে যে পরিমান হারপিং করা হয়েছে, হচ্ছে- প্রতিনিয়ত সেগুলি দেখা বেদনাদায়ক।

এরপর ব্লগের ইসলাম বিদ্বেষী লেখাগুলি প্রধানতঃ একটি মেইনষ্ট্রিম মিডিয়া প্রকাশ করলো। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে বোধগম্য কারণে হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে ব্যাপক প্রতিবাদ হলো- অনেকগুলি প্রাণ গেল। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় সদালাপ নির্ভয়ে জালিমের বিরুদ্ধে ও মজলুমের পক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান নেয়।     

মজলুম সবসময় মজলুম থাকে না। সময়ের প্রবাহে সে জালিমের রোল নিতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভয়ঙ্কর অত্যাচার-অবিচার-নৃশংসতার শিকার যে ইহুদিরা বাধ্য হয়ে বাস্তুভিটা ছেড়ে প্যালেস্টাইনে এসে বসতি গড়লো- সেই ইসরাইলই দীর্ঘদিনযাবৎ সময়-সুযোগ হলেই প্যালেস্টাইনিদের বাস্তুভিটা থেকে উৎখাত করে। যুদ্ধাপরাধীরা বিচারে সাজা পাওয়ার পর সেটি নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করে বিচারপ্রার্থীরা যাতে কোনভাবেই জুলুম করে না ফেলি সচেতনভাবেই সে চেষ্টা আমাদের মধ্যে থাকে।

আসম জিয়াউদ্দিন ও এম আহমদের মধ্যে ইন্টেলেকচুয়াল ডিস্কোর্স ডিজেনারেট করছে। একজন হাইড্রজেন- নিজে জ্বলেন; আরেকজন অক্সিজেন- নিজে জ্বলেন না, জ্বলতে সাহায্য করেন। একসাথে হলে তাঁদের পানি হওয়ার কথা। সে সম্ভাবনা আপাততঃ দেখা যাচ্ছে না। শাহবাজ নজরুল সালাম জানিয়ে শান্তির অনুরোধ করেছেন। আমার পক্ষ থেকেও একই অনুরোধ জানাচ্ছি- সেই সাথে সম্পাদকের উপর সদালাপের লেখক-পাঠকদের অর্পিত ক্ষমতাবলে এখন থেকে জুন ২৮, ২০১৬ (১ মাস) পর্যন্ত নিম্নলিখিত বিধিনিষেধ আরোপ করছিঃ

১। আসম জিয়াউদ্দিন, এম আহমেদ কে কোন লেখায় জামাতি বা যুদ্ধাপরাধীর বিচার চায় না সরাসরি বা এরূপ ইঙ্গিত করে কিছু লিখতে পারবেন না।

২। এম আহমেদ, আসম জিয়াউদ্দিনকে সন্ত্রাসী, মূর্খ, চ্যাতনা-ব্যবসায়ী ভন্ডযুদ্ধ ইত্যাদি বলবেন না।

৩। একে অপরের ব্লগে মন্তব্য করা থেকে উপরিল্লিখিত এক মাসের সাময়িক বিরতি নেবেন।

আমাদের বাম হাতটা কাটলেও ব্যথা লাগে, ডান হাতটা কাটলেও ব্যথা লাগে।

সবাইকে অনেক ধন্যবাদ।

বিনীত-

সম্পাদক, সদালাপ

৩৩ comments

Skip to comment form

  1. 19
    সরোয়ার

    সদালাপ তার আদর্শ এবং নীতিতে অটুল থাকুক, এটিই আমি কামনা করি। 

    সদালাপের সম্পাদক সাহেব খুব ধীরস্থির মানুষ, খুব চিন্তা-ভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেন। যতদূর জানি তিনি সদালাপের স্বকীয়তা ধরে রাখতে সক্ষম হবেন। আল্লাহ উনার সাথে থাকবেন। 

     

  2. 18
    আহমেদ শরীফ

    এরপর ব্লগের ইসলাম বিদ্বেষী লেখাগুলি প্রধানতঃ একটি মেইনষ্ট্রিম মিডিয়া প্রকাশ করলো। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে বোধগম্য কারণে হেফাজতে ইসলামের ব্যানারে ব্যাপক প্রতিবাদ হলো- অনেকগুলি প্রাণ গেল। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় সদালাপ নির্ভয়ে জালিমের বিরুদ্ধে ও মজলুমের পক্ষে সুদৃঢ় অবস্থান নেয়।     

    মজলুম সবসময় মজলুম থাকে না। সময়ের প্রবাহে সে জালিমের রোল নিতে পারে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ভয়ঙ্কর অত্যাচার-অবিচার-নৃশংসতার শিকার যে ইহুদিরা বাধ্য হয়ে বাস্তুভিটা ছেড়ে প্যালেস্টাইনে এসে বসতি গড়লো- সেই ইসরাইলই দীর্ঘদিনযাবৎ সময়-সুযোগ হলেই প্যালেস্টাইনিদের বাস্তুভিটা থেকে উৎখাত করে। যুদ্ধাপরাধীরা বিচারে সাজা পাওয়ার পর সেটি নিয়ে উল্লাস প্রকাশ করে বিচারপ্রার্থীরা যাতে কোনভাবেই জুলুম করে না ফেলি সচেতনভাবেই সে চেষ্টা আমাদের মধ্যে থাকে।

     

    সদালাপের অবস্থান সুস্পষ্টভাবে ব্যক্ত হওয়ায় আশ্বস্ত হলাম।

    ইসলামের পক্ষে যে বা যারা থাকবে তাদের কাছে মুসলিম পরিচয়টাই আত্মপরিচয় হিসেবে বড় হওয়া উচিত। অন্যান্য পরিচয়ও থাকবে বৈকি। তবে মুসলিম আত্মপরিচয়ের উপলব্ধিটাকে সর্বাগ্রে রাখতে হবে একজন 'ঈমানদার' হিসেবে _ এবং সেটা রাখতে না পারলে বিষয়টা ইসলামিক শরীয়াহর দৃষ্টিকোণ থেকে 'নিফাক্ব' এর পর্যায়ে পড়ে যাবে এটাও বুঝতে হবে। সেক্ষেত্রে ঈমান ও নিফাক্বের মাঝে সংঘাত অনিবার্য।

    আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনাকে বিষয়গত ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ রাখতে আগ্রহী _ ব্যক্তিগত পর্যায়ে নয়। অনলাইনে ব্যক্তিগত আক্রমণ-সংঘাত অবান্তর যা আলোচনার মূল বিষয়বস্তুকেই হালকা করে দেয়। যে কারণে আমি সেসব এড়িয়ে চলাই পছন্দ করি। তাত্বিক আলোচনায় প্রতিপক্ষকে ধরাশায়ী করায় যে আনন্দ আছে ব্যক্তিগত আক্রমণে সে আনন্দ নেই বরং তাতে আলোচনার পরিবেশ অন্যরকম হয়ে যাওয়ায় উভয়পক্ষেরই ইমেজ নষ্ট হয়। যৌক্তিক বিতর্ক-আলোচনার আনন্দ অনেক বেশি সে তুলনায়।

    তো যখন দেখি যে বিষয়টি নির্দিষ্ট কারো মাথায় ধরছে না বা কোনভাবেই ধরবে বলে মনে হচ্ছে না কিংবা ধরার মত অবস্থাও ব্যক্তিবিশেষের নেই _ তখন ঠান্ডা মাথায় আমি ক্ষ্যান্ত দেয়াই পছন্দ করি। অনলাইন জ্ঞানগর্ভ আলোচনা-যৌক্তিক বিতর্কের জায়গা। অযথা হুজ্জতের নয়। অন্ততঃ ভদ্রলোকদের জন্য।

  3. 17
    আব্দুস সামাদ

    সদালাপের সম্পাদক মণ্ডলিকে এমন একটা সিদ্ধান্ত বিস্তারিত ভাবে জানাবার জন্য অসংখ ধন্যবাদ।

  4. 16
    আবু সাইফ

    আসসালামু আলাইকুম……………….. 

    সস্পাদকীয় বক্তব্য, বিজ্ঞজনের মন্তব্য ও জবাবগুলো থেকে অনেক কিছু জানা ও বুঝা গেল!  

    সবাইকে ধন্যবাদ

  5. 15
    শাহবাজ নজরুল

    জিয়া ভাই/ মুনিম ভাই,

    সালাম। আপনাদের দু'জনের আলাপচারিতা সব সময়ই উপভোগ করেছি। বিশেষত আলাপ আলোচনা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, যে কিছু কিছু বিষয়ে আপনাদের ভালো দ্বিমত আছে। তারপরেও আপনাদের ভাষার মধ্যে সব সময়ই পারস্পরিক সৌহার্দ বোধ দেখেছি। এখন কেন যেন মনে হচ্ছে সেই পারস্পরিক সৌহার্দ বোধ ক্ষয়ে আসছে। একদিক থেকে ভাষায় আক্রমনের মাত্র বেড়ে গেলে ওপর দিক থেকেও তা বাড়বে। সব কিছু খেয়াল রেখে আমরা চাই এখানে সৌহার্দপূর্ণ আলাপ আলোচনা হোক। আমরা দেখেছি ছাগু হরণ কালে আপনারা কিভাবে একসাথে থেকে আমু'তে যুদ্ধ করেছেন। সেই দিন গুলোকে স্মরণে রাখুন, ইনশাল্লাহ। গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমেই 'সদালাপ' সমৃদ্ধ হোক। আশা করি আপনারা দু'জনই কিছুটা Tone Down করে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করবেন। 

    ধন্যবাদ।   

    1. 15.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      রামাদান মোবারক। 

      মুনিমভাই আমার প্রিয় মানুষ -- ্‌চিন্তা করবেন না। ধন্যবাদ। 

    2. 15.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      শাহবাজ ভাই, যে যুদ্ধ অন্য ব্লগে এবং সদালাপেও করে যাচ্ছি সেটা অবশ্যই স্মরণ আছে। আমরা ভুলে গেলেও সদালাপ তা স্মরণ করিয়ে দিতে পারে।

       সদালাপেই আমাদের সেই স্মারক রয়েছে, “সদালাপ ইসলাম ও মুসলিমদের সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেয়ার চেষ্টা করে। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে ইসলাম নিয়ে ভুল ধারণা নিরসনের জন্য সদালাপ নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে ও যাবে।”

       কিন্তু আমরা যদি উল্লেখিত উদ্দেশ্য সম্বলিত যুদ্ধ বাদ দিয়ে অন্য কোন যুদ্ধ শুরু করে দেই, তবেই সমস্যা দেখা দেবে।

       এই দেখুন না,  আপনারা তো কতবার পড়তে পারছেন আমি নাকি জামাতি, আমার মধ্যে জামাতের স্বর পাওয়া যাচ্ছে, আমি নাকি বিচারের ব্যাপারে … এই, সেই, ইত্যাদি।  অথচ আমার মরহুম আব্বাও জামাত করেনি, আমার চৌদ্দ গোষ্ঠীর মধ্যে জামাত নেই। এমন কি মুসলিমলীগও নেই। শুধু পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্তির প্রশ্নে গণভোটে পাকিস্তানের পক্ষের একজন সক্রিয় কর্মী ছিলেন, মরহুম মাওলানা সাব্বির আহমদ উসমানী রঃ সাথে কাজ করে গেছেন। আজ থাক এই ইতিহাস।

      আপনারা নিশ্চয় পড়েছেন এই জামাতি ট্যাগ, বিচারের বিরোধিতার অভিযোগে শুধু একা আক্রান্ত নই এমন সমস্যার শিকার আরও অনেক এই সদালাপে। এমনটি তো হওয়ার কথা ছিল না। আপনি আমার লেখাগুলো সদালাপের উদ্দেশ্যের সাথে মিলিয়ে দেখুন। দেখবেন, আমি তো আগের উদ্দেশ্যেই আছি। কেউ যদি নিয়মের ব্যতিক্রম ২/১ বার করে তবে তা মানা যায় কিন্তু ব্যতিক্রম যদি কারো জন্মযুদ্ধ হয়ে পড়ে তবে এই সমস্যার সমাধান দেবেন কীভাবে?

      কত লোকের কত যুদ্ধ। সকলের যুদ্ধ যদি ‘জন্মের’ সাথে মিশিয়ে এখানে দাখিল করে দেন এবং আপনার কামান আমার বুকে নিশানা করে হাঁকডাক দিতে থাকেন, তখন তো সমস্যা হবে।

      হ্যাঁ, আমাদের উদ্দেশ্য পথে আমাদেরকে অবশ্যই সৌহার্দপূর্ণ হতেই হবে যদি তা ইসলামের জন্য হয়। কিন্তু এই উদ্দেশ্যের পিছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য “প্রবলভাবে” মিশ্রিত হয়ে পড়লে সমস্যার সরানো মুস্কিল হবে। ভিন্ন ধরনের উদ্দেশ্যের সংমিশ্রণে গণ্ডগোল সৃষ্টি হয়।

      আমি বলব আমরা যদি সদালাপের উদ্দেশ্যের দিকে খেয়াল রাখি এবং প্রত্যেকেই নিজেদের আচরণের প্রতি লক্ষ্য রাখি তবে সমস্যা অমনিই থাকবে না। ধর্মীয় হোক অথবা রাজনৈতিক, আমি চাই না এই দেশের কোনো এক গোষ্ঠী আরেক গোষ্ঠীকে মেরে ফেলুক, অথবা সেই ভাষায় কথা বলুক। এটা সদালাপের উদ্দেশ্যেও নেই। আমি ভাই তর্ক বিতর্ক অমনিতেই চাই না। শান্তি চাই, সৌহার্দের পথে থাকতে চাই। কি দরকার গায়ে পড়ে কারো সাথে যুদ্ধ করার? আপনি একজন  অত্যন্ত প্রজ্ঞাবান  ব্যক্তিত্ব আপনি জানেন আল্লাহর সৃষ্টিতে সব কিছু অস্থায়ী, তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া দরকার স্থায়ী নিবাসের পাথেয় যোগাড়ের ।

      জিয়াভাইকে আমি অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখি। আমাদের মধ্যে দর্শন গত যত ব্যবধান থাকেনা কেন তাকে অসম্মান করার চিন্তা আমার মনে নেই । আমার মনে পড়ে সে সময়ের কথা যখন আমি আমার ব্লগে একাকী ইসলামের পক্ষে কথা বলতে শুরু করি, তখন এক এক করে, দেশ বিদেশ ভাই, ফুয়াদ ভাই, তামিম ভাই, রায়হান ভাই, সাদাত ভাই, সরওয়ার ভাই, শামস ভাই মহিভাই, এম আহমদ ভাই এবং আপনি সহ আরো কয়েকজন আমরা একটি শক্ত প্রতিরোধ মঞ্চ গড়ে তুলি। সেই চরম উত্তপ্ত সময়ে আল্লাহর মেহেরবানীতে আমরা জিয়াভাইকে আমাদের মাঝে পেয়েছিলাম। সে কথা ভুলার নয়। সে সময় উনার ব্যাকআপ আমাদেরকে অনেক সাহস শক্তি যুগিয়েছিলও। শুধু তাই নয় আমি যখন ভার্চুয়াল এট্যাকের পর এট্যাকে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম তখন তিনি তার এত দিনের সহযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে আমার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। সে কথাও আমি ভুলতে পারিনা।

      রামাদান মোবারক।  ভাল থাকুন। সুস্থ থাকুন।

      1. 15.2.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        মুনিম ভাই -- 

        আমি আর আপনি মনে হয় সদালাপের সবচেয়ে সিনিওয়। আমরা আপোষে ঝগড়া করবো -- কিন্তু তা কখনই ব্যক্তিগত পর্যায়ে যাবে না। কারন আলটিমেটলি আমি আপনাকে পছন্দ করি। 

        ভাল থাকেন। রমাদান কারিম। 

         

        1. 15.2.1.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          রামাদান করিম জিয়া ভাই।

  6. 14
    মুনিম সিদ্দিকী

    জিয়া ভাই,  আপনার বক্তব্য থেকে প্রতীয়মান হচ্ছে আপনি নিজকে একজন মহাপণ্ডিত এবং নির্ভুল লোক ভাবেন, যেন কেবল আপনিই শুদ্ধটা বুঝেন আর দুনিয়াতে কেউ শুদ্ধ অশুদ্ধ বুঝেনা। আমার সম্মান আমি অবশ্যই রক্ষা করে যাচ্ছি , এবং সব সময় রক্ষা করে যাবো ইনশাল্লাহ –আমাকে  কিছুই ‘স্মরণ’ করিয়ে দিতে হবে না। আপনি একজন মুসলিম হিসাবে আপনার এই জ্ঞান আছে যে মান সম্মানের মালিক  একমাত্র আল্লাহ। আমাকে কে চিনত আর কে চিনত না সেটা এভাবে বলার দরকার ছিলোনা । বরং আপনাকে কে চিনে এবং ‘কিভাবে’ চিনে সেটা নিয়েই চিন্তা করুন। অধিকন্তু ইসলাম কোথায় মিশাবো অথবা মিশাবো না, সেই সবক অন্তত আপনার কাছ থেকে নেবো না। কেন আপনি বার বার অপ্রাসঙ্গিকতা টানেন আমি বুঝতে পারি না। এই প্রথম থেকে  এডমিনের এই ব্লগে দেখুন  আপনি কি কি বলে যাচ্ছেন।
    আপনি এম_আহমদ ভাইয়ের শবে বরাত ব্লগে অপ্রাসঙ্গিকতা টানায় উদ্ভূত প্রেক্ষিতে সম্পাদক সাহেব সমাধানমূলক কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। আপনি আপনি জানালেন বিচার মেনে নিয়েছেন কিন্তু বিচার মেনে দীর্ঘ এক কাব্যিক বয়ান দান করলেন, এবং এতে আমাকেও অযথা উগ্রশ্রেণীর লোকদের তুলনা দিয়ে, নেতিবাচক দৃষ্টিতে টেনে এনে, আমার ব্যাপারে অসত্য কথা সকলের সামনে তোলে ধরলেন।

    আসলে জিয়াভাই আপনি সমাধানে তৃপ্ত লোক নন, কেবল সমস্যা বাড়াতেই জানেন। আজকে দেখলাম আপনি পুনরায় এসে বলছেন, “সম্পাদকের পক্ষপাতিত্বের গন্ধ পাচ্ছেন (মন্তব্য ৯.১)!” তাহলে সদালাপে আর নিরপেক্ষতার কোন গন্ধ রইল না!

    আপনি আমাকে অযথা টেনে না আনলে সম্পাদকীয় এই ব্লগে কি আমার এত কথা বলার দরকার ছিল? আবার আমাকে এই টেনে আনারও একটা বিরূপ কারণ দিচ্ছেন। সদালাপে নাকি ‘এতো বড় একটা সভা হচ্ছিল’ তাই টেনে এনেছেন! কেননা, আমি নাকি ‘অশ্বত্থ-বৃক্ষ’ –এসব আপনি কি বলছেন?

    সব জাগার মত আপনার বারোমাসী সঙ্গীতের মত  এই সম্পাদকীয় ব্লগেও শুরু হয়ে গেছে আপনার "বিচার"। আপনি আপনার দুশমনদের মৃত্যু চান –এটাই আপনার  জীবনের একমাত্র “বিচার”। আমাদেরকেও সালাহ উদ্দীন কাদির সহ সকল ব্যক্তির বিচার আপনার দৃষ্টিতে দেখা হবে, তা না হলে না শুরু হবে ব্যঙ্গাত্মক আক্রমণ। আপনার অপদার্থ কথাবার্তাকে কেউ সমোচিতভাবে উত্তর দিলে আপনি কান্না শুরু করেন। আপনার সেই মহান ব্যক্তি সত্তা, যা মারামারির রাজনীতিতে জড়িত, সেই সত্তা নাকি আক্রান্ত হয়ে যায়। এখন এমন সমস্যার সমাধান কিভাবে হবে?

    যে সব বিহারীরা আমাদের সাথে যুদ্ধে জড়িত হয়নি, যারা নিরীহ নিরপরাধ ছিলো সেই সব বিহারীদের প্রাণের, তাদের নারীদের ইজ্জতের তাদের অবুঝ শিশুদের প্রাণের কোন মূল্য নেই?  আমার বিবেক বিবেচনায় আমি যদি কোন  সালাউদ্দীন/­বিহারীদের নিয়ে কথা বলাতে আপনার মনোজ্বালার শুরু হবে কেন? কেন তাতে ব্যঙ্গপূর্ব ভাষা ব্যবহার করবেন ?  আপনি একজন মুসলিম অথচ আপনার জানা নেই মৃত মুসলিম সম্পর্কে কি ভাবে কথা বলতে হয়। আমার মত প্রকাশ আপনার দৃষ্টিতে তা ‘প্যাথেটিক’, কিন্তু আমার মনে হচ্ছে আপনার মাথাটাই  হয়ত প্যাথেটিক। জিয়া ভাই, একটু চিন্তা করুন।  আমি কোন জাঁদরেল ব্লগার নই। আমার নিয়তেও কোন জিলাপির প্যাঁচ নেই। সোজা সরল দৃষ্টিতে ঘটমান ঘটনার বিচার বিবেচনা করি। এখানে ব্লগ পলিটিক্স খুঁজতে যাবেন না।
    ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।

    1. 14.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      মুনিম ভাই --

      মজলুমের স্যাটায়ারটাই বুঝলেন না। কি আর বলি। আমার কমেন্টের পর একটা (!) চিহ্ন ছিলো। মজলুম স্যাটায়ার করেছে আমি সেখানে মজা করলাম। আর আপনি সেই বিষয়ে সেনসিটিভ হয়ে উঠলেন। ্‌এম আহামদের পোষ্টে আমি কোন মন্তব্যটা করেছি যা অপ্রাংসগিক -- সেইটা বোধ হয় আপনি জানে না। সেখানেও গিয়ে একটা মন্তব্য করেছে -- যা পুরোই অদ্ভুদ। যাই হোক -- দীর্ঘদিন আপনার লেখার সাথে পরিচিত -- সেই দিকে কথা না বাড়াই। 

      এখানেও দেখুন -- আপনিই এসে বিহারীদের বিচার চাইলেন -- হঠাৎ আকাশ থেকে এই কমেন্ট আসেনি -- ইউ ডিপলী বিলিভড ইট। কিন্তু আপনাকে যদি বলি বিহারীদের উপর বাংলাদেশীরা কখন কোথায় অকারনে আক্রমন করেছে -- তা বলতে পারেন না। শুধু মা্ত্র পাকশীতেই ২৫ মার্চের পরে শত শত বাঙালী রেলওয়ে কর্মচারীকে জবাই করে হত্যা করেছে বিহারীরা -- যার প্রচার আপনি চাইলে দেখাতে পারি। তাই বলি -- বিতর্ক তৈরী জন্যে কৃত্রিম মানবতা দেখাতে গিয়ে নিজেকে লজ্জিত না করাই ভাল। 

      আপনি সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর মতো একটা নটরিয়াস কনভিক্টেট ক্রিমিন্যালকে ইসলাম রক্ষার সৈনিক হিসাবে প্রচার করেন -- ভাই ইসলাম হয়তো কম বুঝি -- কিন্তু সাকা চৌধুরী যা করতো তা যে ইসলাম না সেইটা বুঝার মতো জ্ঞান নিশ্চয় আল্লাহ আমাদের দিয়েছে। সদালাপের সম্পাদকের মহানুভবতায় সুযোগে আপনি এমন কথাও বলার সুযোগ নিয়েছেন যা বাংলাদেশের জন্যে চরম অপমান জনক। 

      যখন যুদ্ধাপরাধীর বিচার শুরু হলো -- আপনি একবারও বাংলাদেশের মজলুমের পক্ষে একটাও কথা বলেননি -- সেখানে বিহারীদের জণ্যে বিচার দাবী করলেন । মানে যত ভাবেই সম্ভব বিচারের বিষয়টাকে বিতর্কিত করা আপনার চেষ্টা দেখেছি। আপনি মুক্তিযুদ্ধাদেরও বিচার দাবী করেছেন -- এইটা আপনার মানবিকতার নামে চলমান বিচার বিষয়ে আপনার নেতিবাচক দৃষ্টিভংগীর প্রচারনা। 

      এখানে আমাকে আপনি নানান বিষয়ে কথা বলেছেন -- ভাইরে, আমার কি সেই সাহস আছে আপনাকে কোন বিষয়ে জ্ঞান দেই -- শুধুমাত্র হালকা একটু আলাপচারিতা ছাড়া কি করতে পারি। আপনি যেভাবে মুক্তিযুদ্ধে নিহত এবং ক্ষতিগ্রস্থদের বিরুদ্ধে কৌশলে অপপ্রচার কথা বলেন -- আপনার বাংলাদেশী হিসাবে লজ্জিত হওয়া উচিত। বস্তুত বাংলাদেশে বসবাস করাই আপনার জন্যে শোভনীয় নয় -- কারন যে দেশের জন্মে জন্যে নিহত এবং ক্ষতিগ্রস্থদের ঋণের প্রতি আপনার কোন ভ্রুক্ষেপ নেই। 

      পুরোনো কথা আমি টেনে আনি না মুনিম ভাই, আমি যদি সদালাপে আপনার আগমন এবং নানান কর্মকান্ড নিয়ে কথা বলি তা হবে বিব্রতকর। যেহেতু একজন শুভানধ্যায়ী হিসাবে আমি আপনার ভাল চাই -- তাই সদালাপে আপনার জন্যে একটা সন্মানজনক অবস্থান তৈরী চেষ্টা করেছি এবং আপনাকে নানান পরামর্শ দিয়েছি -- সেইটাও আপনি আজ ক্যাশ করলেন। 

      ভাল থাকেন। 

  7. 13
    শামস

    ধন্যবাদ লেখাটির জন্য। 

    দুইপক্ষের গোলাগুলির মধ্যে কে থাকতে চায়, কিন্তু সম্পাদককে থাকতে হয়, গুলি খাওয়া অবশ্যম্ভাবী হলেও। গুলি খাবার সম্ভাবনা থেকেই যায়, সেটা জেনেইতো সম্পাদক হওয়া। সবাই এ ব্যাপারটার দিকে খেয়াল রেখে উনার অবস্থানের প্রতি একটু করুণা করতে পারেন 🙂 

    মজলুমের সাথে থাকার সাথে সাথে ন্যায়ের পক্ষেও সদালাপ থাকুক। জালিম আর মজলুমের অবস্থান আপেক্ষিক। ন্যায়ের পক্ষে থাকা মানে ন্যায়ের যে ইউনিভারসেল মানদন্ড আছে সেটার সাথে থাকা। একটা অন্যায় আরেকটা অন্যায় দ্বারা প্রতিস্থাপিত হতে পারে না। অন্যায়কারীর অন্যায় কাজ তার প্রতিপক্ষের ন্যায়-অন্যায়কে সংজ্ঞায়িত করতে পারে না। কোন হুমকি-ধ্মকি এতে প্রভাব বিস্তার করতে পারে না।

    সদালাপ সুস্থভাবে এগিয়ে যাক, এই কামনায়।

     

  8. 12
    এস. এম. রায়হান

    বিগত কিছুদিন ধরে প্রচণ্ড ব্যস্ততার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি। এর মধ্যে এতো কিছু দেখা হয়ে ওঠেনি। পোস্ট'টার জন্য সদালাপ কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ।

  9. 11
    এম_আহমদ

    এম আহমেদ ও বলছেন না যে অপরাধীর বিচার তিনি চান না। তিনি বলতে চাইছেন, বিচার প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক প্রভাবমূক্ত হোক। বিচার প্রক্রিয়া তো রাজনৈতিক প্রভাবমূক্তই হওয়ার কথা। স্বাধীন বিচার প্রক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠিত জাস্টিসের সুফলও হয় দীর্ঘস্থায়ী। তাই এই চাওয়াতেও ন্যায্যতা রয়েছে।

    অনেক ধন্যবাদ। এই কথাটি এভাবে বলতে পেরেছেন এজন্য যে আপনি নিরপেক্ষভাবে এ বিষয়ে আমার বিভিন্ন মন্তব্য দেখে আসছেন এবং বিশেষ করে দেশে বিদেশের বিশেষজ্ঞ মহলের informed অভিমত দেখে আসছেন, উল্লেখযোগ্যভাবে সাবেক বিচারক (জাতিসংঘ যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত রুয়ান্ডা ট্রাইব্যুনাল) জাস্টিস টি এইচ খান সাহেবসহ দেশের প্রমিন্যান্ট অনেক বিচারপতি, ইন্টারন্যাশনাল বার এসোসিয়েশনের ওয়ার ক্রাইম কমিটি, হিউম্যান রাইটস গ্রুপ, এমনেষ্টি ইন্টারন্যাশনাল, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইউনও এবং আরও সংস্থাদের অভিমত যাদের সকলের মহৎ উদ্দেশ্যে একটিই, আর সেটি এখানে যেন রাজনৈতিক অপরাধ ও আবেগ উসকিয়ে আরেকটি রাজনৈতিক কাণ্ড সিদ্ধ না হয়ে যায়, এবং এমন বিচারে প্রসেসগত নিরপেক্ষতা যেন সমুজ্জ্বল হয়, কেননা এটি অন্যান্য ১০টি বিচারের মত আরেকটি বিচার নয়।

    অতঃপর যে বিষয়টি নিষ্পন্ন করতে intervene করেছেন, যেটি নিয়ম মোতাবেক অত্যন্ত appropriate  হয়েছে, এবং সেটির পর, এব্যাপারে কোনো কথা বাড়ানো সঠিক মনে করি না। একটি ময়দানে ১০ জনের ১০ কথা থাকুক কিন্তু কর্তৃপক্ষের কথা কী সেটাই জরুরি।

    আবারও ধন্যবাদ। ভাল থাকুন। সদালাপও সুস্থ থাকুক।

  10. 10
    মজলুম

    সদালাপে ইসলাম বিরোধিদের অপপ্রচারের বিরুদ্বে লিখায় ভরপুর। এসব লিখা দিয়ে কয়েকটা বই প্রকাশ করা সম্ভব। চাইলে আগামী বই মেলায় বই প্রকাশ করা যায়। তার উপর এই সাইট মনে হয় গত সাত বছরেও আপডেট করা হয় নি। সেই পুরানা ব্যানার দিয়া সব সময় ঝুলায়া রাখে। ওয়েবসাইট টা রেসপনসিব ও নয়। মানে মোবাইল দিয়ে ভিসিট করলে মনে হয় পিসি দিয়ে ভিসিট করছি। শুধু টুইটার বুটস্ট্রাপ প্লাগিন ইনস্টল  দিয়ে রিসপনসিব ওয়েবসাইট বানানো সম্ভব।  একটা সুন্দর ফন্ট ইউজ করা দরকার।  ঈদে, চাঁদে ব্যানারটা পরিবর্তন করা দরকার। সদালাপে আসলে মনে হয় সেই মান্ধাতা আমলের কোন সাইটে আসছি।  একটু সুন্দর করে নিতে বেশী কিছু করতে হয় না এখন। তার উপর সাইট টা অনেক স্লো। এটাকে ক্লাউডফ্লার ওয়েবসাইটে বিনা মুল্যে/ফ্রী ভার্সনে অনেক ফাস্ট করা যায়। 

  11. 9
    মজলুম

    সদালাপ সম্পাদক মজলুমের পক্ষে আছে দেখে ভালো লাগলো। 

    1. 9.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      সম্পাদকের পক্ষপাতিত্বের গন্ধ পাচ্ছি! 

  12. 8
    মাহফুজ

    ২/ //সদালাপে কিছু মন্তব্যকারি আছেন যারা বিভিন্ন পোস্টে কমেন্ট করেন। প্রায়ই প্রতিটি/বেশির ভাগ/অনেক কমেন্টের শেষেই "এখান আমন্ত্রণ", "ওখানে নিমন্ত্রণ" টাইপের লিংক। অথবা কমেন্টের কোন কোন যায়গায় উনার নিজের ব্লগ/সাইটের লিংক। এটাকে আমার কাছে স্প্যামিং বা বিজ্ঞাপন টাইপের কমেন্ট মনে হয়। আমি এই ধরণের কমেন্ট ডিলিট করে দিই। আপনার কাছে বিষয়টি গুরুত্ব পেলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।//

    ৩/ //একই অধিকার বলে আমি চাই আমার কোন পোস্টে ডা. মাহফুজ শান্ত (মাহফুজ) ভাই কমেন্ট না করুন।//

    ………………………………………………….

    হাঁ, আমি আমার কমেন্টের সাথে প্রায়শই সেই মন্তব্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে লিংক দেই। মন্তব্যের মাধ্যমে অনেক সময় সব কথা বলা সম্ভব হয়ে ওঠে না। তাই এই কাজটি আমি করে থাকি। কারণ আমরা যারা লিখি ও মন্তব্য করি, তারা নিশ্চয় কেউই প্রচার বিমুখ নন। মতের গড়মিলের কারণে কারো দৃষ্টিতে প্রচারের এই পন্থাকে স্প্যামিং বা বিজ্ঞাপন টাইপের মনে হলেও, প্রয়োজনে অনেকেই এমনটি করে থাকেন। সাদাত ভাই কিংবা অন্য কারো সাথে আমার মতের অমিল থাকতেই পারে। কিন্তু তাই বলে কারো মন্তব্যকে ইগনোর করা, মুছে দেয়া, ব্লক করা কি ঠিক? এটি নিশ্চয় ভুল বোঝাবুঝির কিংবা মত পার্থক্য নিরশনের সঠিক পথ নয়। আমি অন্তত কখনই এমন দৈন্য ও অবিবেচক সিদ্ধান্তকে সমর্থন করব না, যতক্ষণ পর্যন্ত না কারো মন্তব্য কুরিচিপূর্ণ, অহেতুক মাত্রা ছাড়া গালমন্দ এবং স্রষ্টা ও তাঁর রাসূলগণের জন্য অসম্যানজনক বলে বিবেচিত হচ্ছে। আর মতের অমিল হলেই কারো মন্তব্যই মুছে দেয়ার পক্ষে আমি নই। কারণ এরফলে পরস্পরের মধ্যে ভাব বিনিময়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়। এরূপ সংকির্ণ মানসিকতা একজন প্রকৃত বিশ্বাসী এবং বিশেষ করে যারা ইসলামের কথা বলেন তাদের ক্ষেত্রে শোভা পায়না। তাই সমালোচনাকে ভয় পেয়ে মন্তব্য মুছে দেয়া নয়, বরং যথাযথ জবাব দেয়ার মাধ্যমে ভাব বিনিময় জারি রাখাই একজন বিচক্ষণ লেখকের পরিচয় বহন করে।

    আশাকরি সদালাপ কর্তৃপক্ষ আমার কিংবা অন্য করো ব্যক্তিগত অভিমতকে প্রাধান্য না দিয়ে সঠিক ও বিচক্ষণ সিদ্ধান্তই গ্রহণ করবেন। তবে ব্যক্তিগতভাবে যদি কেউ আমার মন্তব্য ব্লক করে বা মুছে দেন, সেক্ষেত্রে আমার কিছু বলার নেই।

    ধন্যবাদ-

  13. 7
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    এক কথায় অসাধারন। সদালাপের সম্পাদককেই এই কথা বলায় মানায়। অনেক ধন্যবাদ সহমর্মিতা প্রকাশের জন্যে। আর যা আমার জন্যে বিধান তা মাথায় তুলে নিলাম -- কারন আমিতো বিচারের কথাই বলি -- বিচারককেই মানি। 

    তারপরও অনেক কথা বলতে চাই -- কিন্তু বলা ঠিক হবে না এই পর্যায়ে -- হয়তো ভবিষ্যৎতে বলবো। ্‌আপাতত এইটা রবি ঠাকুরের কবিতাই না হয় পড়া যাক (গীতবিতান থেকে): 

    ওলো সই, ওলো সই,
    আমার     ইচ্ছা করে তোদের মতন মনের কথা কই।
    ছড়িয়ে দিয়ে পা দুখানি কোণে বসে কানাকানি,
        কভু হেসে কভু কেঁদে চেয়ে বসে রই॥
             ওলো সই, ওলো সই,
    তোদের আছে মনের কথা, আমার আছে কই।
    আমি    কী বলিব, কার কথা, কোন্ সুখ, কোন্ ব্যথা-
        নাই কথা, তবু সাধ শত কথা কই॥
        ওলো সই, ওলো সই,
    তোদের    এত কী বলিবার আছে ভেবে অবাক হই।
    আমি    একা বসি সন্ধ্যা হলে  আপনি ভাসি নয়নজলে,
        কারণ কেহ শুধাইলে নীরব হয়ে রই॥

    (নিশ্চয় রবি ঠাকুর সম্পাদক মহোদয়েরও প্রিয়)

    একটা কথা না বললেই নয় -- ২০০৩ সাল থেকে অনলাইনে লেখালেখি করি -- এর মধ্যে ভিন্নমত, মুক্তমনা, সদালাপ, সামহোয়ার ইন, সচলায়তন ইত্যাদি বাংলা অনলাইনে প্রধানতম সকল ব্লগেই অল্প বিস্তার লেখেছে -- অভিজ্ঞতা সব জায়গায় একই -- অনেকটা বাংলাদেশের ট্রাকের পেট্রোল ট্যাংকের লেখার মতো "জন্ম থেকে জ্বলছি" -- ভিন্নমতের বিপ্লব পাল  থেকে শুরু করে সর্বশেষ সদালাপের বিশিষ্ট লেখক -- গালি আমার কন্ঠ মনির হার। কি আর করা। আমি জানি আমার সীমাবন্ধতার কথা -- আমি পলিটিক্যালি কারেক্ট হতে পারি না -- আর নীতি-আদর্শের বিষয়ে কখনই নমনীয় হতে পারি না। যদি পারতাম তবে হয়তো সুশান্তের লন্ডনের বাসায় দাওয়াত খেয়ে চমৎকার ছবি ফেইসবুকে দিতাম অথবা আরিজোয়ানায় আইজুদ্দিনের মেহমানদারীতে আমেরিকান ভ্রমন করতাম। যাই হোক -- গালি আমার কাছে খুবই স্বাভাবিক। 

     

    তবে পরিচ্ছন্ন ফোরামের জন্যে গালি অনেকটা বিকৃত ছবির মতো -- চোখে লাগে -- তাই বরাবরই গালির বিরুদ্ধে -- সব সময় চেষ্টা করি গালি থেকে দুরে থাকতে -- কিন্তু অদ্ভুদ ভাবে গালি আমার পিছন ছাড়ে না। তবে আমি জানি গালি এড়িয়ে কিভাবে চলা যায় -- এই বিষয়ে আপাতত আলোচনা বাদ থাকলো। 

    একটা কথা দ্ব্যর্থহীন ভাবে বলতে চাই -- আমি ব্যক্তিগত ভাবে সদালাপের কারো উপর রাগ রাখি না -- সবাই আমার কাছে দ্বীনি ভাই। এবার দেশে গিয়ে মুনিম ভাইকে ফোন দিয়েছিলাম -- কিন্তু ্উনি আমাকে মৌলভিবাজারে নেন নাই। ব্যক্তিগত জীবনে আমার বন্ধ সবাই পাঁড় নাস্তিক থেকে উগ্র ধার্মিক -- আলজেরিয়ান থেকে পাকিস্তানী সবাই। 

    তবে একটা বিষয় পরিষ্কার করা দরকার। তর্কের খাতিরে অনেক সময় অনেক কথা বলি -- তাকে যদি কেউ কোন ভাবে আহত হয়ে থাকেন -- তার জন্যে আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত এবং ক্ষমা প্রার্থী। ব্লগের ভাষা যেন কোন ভাবেই ব্যক্তি জিয়াউদ্দিনের মূল্যায়নে প্রভাব না পড়ে -- এই অনুরোধ রইল সবার প্রতি। তা ছাড়াও সাম্প্রতিক যে অনভিপ্রেত শব্দাবলীয় প্রয়োগ হয়েছে তাতে সদালাপের পাঠক-লেখকের জন্যে যে অসস্থির তৈরী হয়েছে তার যতটুকু আমার দায় আমি তা মাথা পেতে নিচ্ছি। অনেক সময় সত্য কথা বলার কারনে অপ্রীতিকর পরিবেশ তৈরী হয় -- তার জন্যে যে অসুবিধা হয় -- তার দায় আমি অবশ্যই নেবো এবং নিচ্ছি। 

    শেষ কথাটা হলো -- কিছু বিষয় আছে যার সাথে সমঝোতা চলে না -- তা ভুলাও যায় না। আমার কিছু বিশ্বাস এবং দায় আছে -- তার জন্যে আমাকে হয়তো বাকী জীবন যুদ্ধ করেই যেতে হবে -- যদি এই যুদ্ধটা না করতাম তবে হয়তো আজ আমি সদালাপে বসে লেখতাম না। আমার দায় এবং আদর্শিক যুদ্ধের জন্যে যদি সদালাপের ক্ষতির আশংকা থাকে -- তবে সদালাপ সম্পাদক প্রিয়ভাজনেষুর যে কোন আদেশ মেনে নেবো এবং সদালাপ ত্যাগ করে ভিন্ন বসতি খুঁজবো। সদালাপের কোন ক্ষতি হোক আমি তা চাইবো না এইটা নিম্চয় সবাই বিশ্বাস করেন। আর যদি ভিন্ন চিত্র দেখি -- মানে সদালাপকে বাঁশেরকেল্লা থেকে আলাদা করতে দেখতে ব্যর্থ হই -- তবে স্বয়ংক্রিয় ভাবে সদালাপ আমার জন্যে নিষিদ্ধ এলাকা হয়ে যাবে। আশা করি সেই পর্যন্ত যেতে হবে না -- সবার শুভ বুদ্ধির সন্মিলনের সদালাপ তার জন্মের বৈশিষ্ট্য নিয়েই উদ্ভাসিত হবে। 

    শেষে প্রিয় সম্পাদক ও পাঠকদের আমার আরেকটা অসম্ভব প্রিয় কবিতা উপহার দিতে চাই -- 

     

    Stopping by Woods on a Snowy Evening
    BY ROBERT FROST
    Whose woods these are I think I know.   
    His house is in the village though;   
    He will not see me stopping here   
    To watch his woods fill up with snow.   

    My little horse must think it queer   
    To stop without a farmhouse near   
    Between the woods and frozen lake   
    The darkest evening of the year.   

    He gives his harness bells a shake   
    To ask if there is some mistake.   
    The only other sound’s the sweep   
    Of easy wind and downy flake.   

    The woods are lovely, dark and deep,   
    But I have promises to keep,   
    And miles to go before I sleep,   
    And miles to go before I sleep.

     

    সবাইকে শুভেচ্ছা। 

    1. 7.1
      ফাতমী

      আসসালামুয়ালাইকুম,

      জিয়া ভাই,

      কবে আরেকবার দেশে যাবেন? গেলে আমাদের হবিগঞ্জে যাবার দাওয়াত রইল, ইনশা-আল্লাহ।

       

       

       

      1. 7.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        ইনশাল্লাহ, হবিগঞ্জ আমার প্রিয় জায়গা। খোয়াই নদীর অনেক স্মৃতি এখনও সচেতজ। বিশেষ করে আগে খোয়াই নদীর পাড় ভেংগে বন্যা হতো -- সেই ঘটনাগুলো এখনও মনে পড়ে। 

    2. 7.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      একটা কথা দ্ব্যর্থহীন ভাবে বলতে চাই – আমি ব্যক্তিগত ভাবে সদালাপের কারো উপর রাগ রাখি না – সবাই আমার কাছে দ্বীনি ভাই। এবার দেশে গিয়ে মুনিম ভাইকে ফোন দিয়েছিলাম – কিন্তু ্উনি আমাকে মৌলভিবাজারে নেন নাই। ব্যক্তিগত জীবনে আমার বন্ধ সবাই পাঁড় নাস্তিক থেকে উগ্র ধার্মিক – আলজেরিয়ান থেকে পাকিস্তানী সবাই।

      সাল্মম জিয়াভাই, এখানে আমাকে এখানে হেচকা টানে নিয়ে আসলেন কেন? আমাকে দিয়ে কিসের উপমা সাবিত করতে চাচ্ছেন? এই সদালাপে আমিই সব চেয়ে উগ্রবাদী? চুপা রাজাকার? রগ কাটাপার্টি? চাপাতি পার্টি? অসহিষ্ণু? হঠকারী? ধর্মান্ধ? কোনটির প্রতিভূ হিসাবে আমাকে এখানে উপস্থাপন করলেন?

      এবার দেশে গিয়ে মুনিম ভাইকে ফোন দিয়েছিলাম – কিন্তু ্উনি আমাকে মৌলভিবাজারে নেন নাই।

      আপনি আমার স্বভাব আমার এবাদত বিরুদ্ধ কথা উল্লেখ করেছেন। আমার বিশ্বাস আপনি আপনার ইয়ান্দাজ হারিয়ে ফেলেছেন।

      প্রকৃত সত্য হলো আপনার সাথে এবার নয় আগের বার যখন এসেছিলেন তখন আমি যোগাযোগ করেছিলাম। সেবার ফোনে আলাপ হয়েছিলো। আমন্ত্রণ জানিয়ে ছিলাম। আপনি আফসুস জানিয়ে বলছিলেন, আপনার হাতে সময় নেই, এখন কানাডায় ফিরে যাবার সময় এসেগেছে। ওয়াদা দিয়েছিলেন আবার আসলে আমার দাওয়াত রক্ষা করবেন।

      এবার এসে আপনিই আমার সাথে যোগাযোগ করে জানিয়েছিলেন, যে মাত্র কয়েকদিন হচ্ছে আপনি দেশে এসেছেন। আমাকে বলেছিলেন, আমি চাইলে আপনার সাথে এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারি। সে সময় আমি আর একজন ফ্রেন্ড আপ্যায়নে ব্যস্ত ছিলাম তাই ফোনে আলোচনা বেশী করতে পারিনি। তবে দুইদিন পরে আপনার সাথে যোগাযোগ করি। আপনি কোনদিন আমার গ্রামের বাড়িতে যেতে পারবেন জানতে চাই? আপনি আমাকে বললেন জানাবেন। অপেক্ষা করেও যখন আপনি জানালেন না তখন আমি আবার আপনার সাথে ফোনে যোগাযোগ করি। তখন আপনি জানালেন যে, আপনারা ১০ না ১২ ভাই বোন, কাজেই প্রতি জনের বাড়িতে যদি দুইদিন করে মেহমানদারী করেন ২৪/২০ দিন লেগে যাচ্ছে। কাজেই এবারও আমার বাড়িতে যাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা।

      আমি তখন স্পষ্ট বুঝতে পারছি যে কৌশলে আপনি আমাকে এভয়েড করে যাচ্ছেন। কারণ আপনার সাথে আমার ফটোসেশন হলে তা নিয়ে আপনার দলের মানুষের কাছে আপনি বিব্রত বোধ করবেন।

      এরজন্য আমি আর আপনাকে অনুরোধ করিনি।

      আমি মুনিম সিদ্দিকী কোন ভার্চুয়াল ব্যক্তি নই। আমার হাতাপাতা সব খুলা আম। এই ফুয়াদ ভাই ও একবার দেশে এসে আমার বড়িতে আসার কথাদিয়েছিলেন কিন্তু তিনিও শেষ মুহুর্ত্যে আসেননি। উনার না আসার কারণ বুঝেছিলাম নেহাত সময় ম্যানেজ করতে পারেননি।

      আমার বাড়িতে প্রতি বছর বহু ভার্চুয়াল বন্ধুরা আসছেন। এই রমজান ঈদেও এক গ্রুপ আমেরিকা থেকে আসছেন। আগে ভাগে জানিয়ে দিয়েছেন যাতে আমি অন্য অতিথিদের আমন্ত্রণ না করি।

      জিয়াভাই ভালো করে শুনুন আমি কোন দল করিনা। আমার পায়ে কোন শৃংখল নেই। আমি আমার বিবেক দ্বারা যা ভাল মনে করি তাই বলি।

      আমি আপনাকে সব সময় শ্রদ্ধা করি। আমি কোন গালাগালি পছন্দ করিনা। এবং গালী হজম করতে পারিনা, সব সময় মনে হয় আমার দ্বারা কেউ আহত হয়নি তো।

      আমিও জুলুমের বিচারের পক্ষে, তবে তাতে রাজনীতি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার উদ্দেশ্য থাকতে পারবেনা। মজলুম শুধু আমি নই আমার দুশমন ও যদি মজলুম হয় সেও যেন সেইম ন্যায় বিচার পায় সেটি দেখতে চাই।

      একাত্তরে আপনি শুধু মজলুম ছিলেন না অবাংগালী হাজার হাজার মানুষ ও মজলুম ছিলো।  বিচারের দেবতা নাকি অন্ধ কিন্তু আমি তো কোন অন্ধ দেবতা দেখতে পাচ্ছিনা। বরং এক চোখবিশিষ্ট দেবতা দেখতে পাচ্ছি।

      আমি যেসত্য দেখতে পাচ্ছি আপনি যে কোন কারণে তা এখন দেখতে পাচ্ছেন না। তবে আপনার ভিতর যেহেতু ঈমান আছে সেহেতু একদিন না একদিন সে সত্য দেখতে পারবেন বলে বিশ্বাস করি।

      ধন্যবাদ।

       

       
       

      1. 7.2.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        মুনিম ভাই, রাগ করলেন নাকি! 

        সদালাপে এতো বড় একটা সভা হচ্ছে আর আপনার মতো একজন অসত্থ বৃক্ষ সেখানে থাকবে না -- এইটা কেমনে হয়। তাই আপনাকে একটা স্মরন করলাম আরকি। আর আপনি না আসলে আমরা কিভাবে জানতাম যে দেশের মানুষের উপর গনহত্যাকারী সালাউ্দ্দিন কাদের চৌধুরীর একজন ভক্ত কত বড় একজন মানবতাবাদী -- যার হৃদয় নিরন্তর বিহারীদের জন্যে কাঁদে -- বিচারে দেখলেই বিহারীদের জন্যে বিচার দাবী করে। মুনিম ভাই -- আপনার জবাব নাই। আপনি বাংলাদেশের একটা সম্পদ। 

        1. 7.2.1.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          জিয়াভাই, আমি আপনার সদালাপে যেচে আসিনি, আপনি এই জিয়াউদ্দিন ই কানাডা থেকে ফোন করে বলেছিলেন সদালাপে যোগ দিতে, শুধু আপনি নন সরওয়ার ভাই, ফুয়াদ ভাইও আমাকে সদালাপে যোগ দিতে অনুরোধ করেছিলেন। 

          এর মধ্যে যখন আমার লেখা ব্লগ ফুয়াদ ভাই সদালাপে এডিটর চয়েজে রেখেছেন দেখে আমি মনে করি সদালাকপ সম্পাদক আমাকে সম্মানিত করেছেন, তাই আমি এসেছিলাম।

          আপনার এই কমেন্ট দ্বারা আপনি আমাকে অপমানিত করেছেন মনে হচ্ছে। আপনি এখন আপনার মনের জ্বাল আমার উপর দিয়ে মিটিয়ে নিলেন। 

          আর অবাক হলাম, এই সদালাপের সহযোগী ব্লগার কেউ সামান্যতম প্রতিবাদ জানালেন না! 

          সদালাপের সম্পাদক সাহেব এই বিষয়ে চুপ! এখানে লেখির এই ভাবে বুঝি পুরষ্কার দেয়া হলো?

           

        2. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          মুনিম ভাই -- ভুল বুঝলেন। আমি আপনাকে অপমান করতে যাবো কেন? আপনার অবস্থানটা পরিষ্কার করলাম। আপনি প্রতিদিন হাজার হাজার বিচার প্রার্থীদের বিষয়ে অবজ্ঞা করে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে একজন ইসলামের রক্ষক বলে প্রচার করেন -- সেইটা কতটা প্যাথেটিক তা কি ভাবেন না। সদালাপে আপনি একজন সন্মানিত লেখক -- এবং সেই সন্মান রক্ষার দায়িত্বও আপনার। আমি তো আপনার বিরুদ্ধে অতিরিক্ত কিছু বলিনি। চলমান বিচারের বিষয়ে আপনি কি কখনও একটা ইতিবাচক কথা বলেছেন? মনে হয় না -- এমন কি বিচারকে বিতর্কিত করার মতো অনেক কথাই বলেছেন। সেই কথাটাই বললাম। 

          অবশ্যই আপনাকে আমি সদালাপে লেখার অনুরোধ করেছি -- সেই প্রেক্ষাপটটা ছিলো তখন অনুরোধ করার মতোই। আপনিও সদালাপে সন্মানও পেয়েছে -- ইবনে বতুতা নাম নিয়ে লিখলে হয়তো আজকের মুনিম সিদ্দিকীকে কেউ চিনতো না। 

          অবশ্যই লিখবেন -- আপনার অনেক লেখা সদালাপের সম্পদ -- সেই দিকেই ফোকাস রাখুন -- ইসলাম রক্ষার বিষয়টা ্‌আল্লাহর উপরই থাক -- সাকা চৌধুরীর মতো একটা কুৎসিত মানুষের সাথে ইসলামকে মিশানো ঠিক না। সেই দিকগুলো লক্ষ্য রাখা উচিত বলেই মনে করে। 

          ভাল থাকবেন। 

  14. 6
    শাহবাজ নজরুল

    ধীরে ধীরে নিম্নচাপ থেকে ঘুর্নিঝড়ে পরিবর্তিত হবার সম্ভবনার আগেই সদালাপ কতৃপক্ষ এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করাতে ভালো হলো। 'সদালাপ' বাকি ৮-১০ তা একরৈখিক  ব্লগ থেকে আলাদা। প্রায় প্রতিটি ব্লগে পার্টি লাইনের বাইরে লেখা দেয়া যায়না। 'সদালাপে' সেটা না হোক। সম্পাদক'কে ধন্যবাদ। 

  15. 5
    সাদাত

    যাক বুঝা গেল সাদালাপের একটি কর্তৃপক্ষ আছে। এইখানে সুযোগ পেয়ে কয়টা কথা বলিঃ

    ১. অনেক সময় অনেকে অনুরোধ করেন, অনেকদিন ধরে সদালাপে লেখা পাঠিয়েছি, লেখাটা ছাপছে না। একটু দেখবেন? আমি বলি এটা সম্পাদক সাহেবের এখতিয়ার, আমার কিছু করার নেই। আমার মনে হয় যাদের লেখা ছাপানো সম্ভব না মানসম্পন্ন না হবার কারণে বা অন্য কোন কারণে তাদের যদি ফিরতি মেইলে জানিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় তাহলে তাদেরকে আর অপেক্ষার প্রহর গুনতে হয় না।

    ২. সদালাপে কিছু মন্তব্যকারি আছেন যারা বিভিন্ন পোস্টে কমেন্ট করেন। প্রায়ই প্রতিটি/বেশির ভাগ/অনেক কমেন্টের শেষেই "এখান আমন্ত্রণ", "ওখানে নিমন্ত্রণ" টাইপের লিংক। অথবা কমেন্টের কোন কোন যায়গায় উনার নিজের ব্লগ/সাইটের লিংক। এটাকে আমার কাছে স্প্যামিং বা বিজ্ঞাপন টাইপের কমেন্ট মনে হয়। আমি এই ধরণের কমেন্ট ডিলিট করে দিই। আপনার কাছে বিষয়টি গুরুত্ব পেলে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

    ৩. এক সময় মোস্তফা কামাল ওরফে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ সাহেবকে জিয়া ভাইয়ের পোস্টে কমেন্ট করা হতে বিরত রাখা হয়েছিল জিয়া ভাইয়ের অনুরোধে। একই অধিকার বলে আমি চাই আমার কোন পোস্টে ডা. মাহফুজ শান্ত (মাহফুজ) ভাই কমেন্ট না করুন। কারণ উনার সাথে আমার মৌলিক বিষয়ে মতপার্থক্য আছে। কাজেই উনার সাথে কোন বিতর্ক করতে হলে ঐসব মৌলিক বিষয়েই বিতর্ক করতে হবে। সব বিষয়ে বিতর্ক করে কোন লাভ নাই। আর বর্তমানে আমার হাতে "উনার সাথে" "সব" বিষয়ে তর্ক বিতর্ক করার এত সময়ও নেই।

  16. 4
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    সদালাপ কতৃপক্ষ-কে ধন্যবাদ।

    আমাদের একে অপরের সাথে মতের অমিল হওয়া স্বাভাবিক কিন্তু মতের সাথে মিল না হলে কাউ-কে ব্যক্তি আক্রমন করা ঠিক নয়। গ্রুপের সকল পাঠক ও লেখক-দের মধ্যে ভাতৃত্ত্ব বন্ধন এবং সম্মানবোধ সুন্দর থাকুক, ইহাই কাম্য। আমাদের সকলেরই লক্ষ্য এক।

    আল্লাহ্‌ আমাদের সকল-কে "সিরাতুল মুস্তাকিম"-র রাখুন। আমিন।

    1. 4.1
      মোঃ তাজুল ইসলাম

      আমাদের নবী(স)-কে রাসুল হিসেবে সর্বপ্রথম স্বীকৃত দেন তার স্ত্রী খোদেজা। একজন ব্যক্তি-কে চারিত্রিক সার্টিফাই করার জন্য তার স্ত্রী-ই যথেষ্ট। কোন ব্যক্তি যদি নীজের স্ত্রী-র কাছে শান্তি না পায়, সে দুনিয়ার কোথাও শান্তি পাবে না। ব্যক্তি আক্রমন করা যাদের স্বভাব, তারা তাদের স্ত্রীদের সাথে ভাল আচরণ করেন না। তাদের অন্তর দয়ালু হয় না। একজন মুসলমানের মন-মানসিকতা এই রকম নয়।

      সকল-কে ধন্যবাদ।

  17. 3
    মুনিম সিদ্দিকী

    আল্লাহ যেন আমাদের মাঝে ইসলামী ভাতৃত্ববোধ জাগ্রত করে দিন। ব্যক্তি এবং স্থানীয় বিষয় নিয়ে ইগো থেকে মুক্ত রাখেন। আমিন।

  18. 2
    shahriar

    "Jajak-allahu Kahirun", for nice article.

  19. 1
    ফাতমী

    আসসালামুয়ালাইকুম,

    আশা করি, সদালাপ মহান আল্লাহর গোলামী করে, এবং আল্লাহ পাক এবং তাঁর রাসূলের পথেই থাকবে। সত্যের পথে থাকাই আল্লাহ পাকের পথে থাকা। আশা করি, সদালাপ মজলুমের পক্ষে থাকবে সব সময়, কারণ এটাই ইসলামের পথ।

     

    ইসলামের পথে কথা বললে কিছু কটূকথা হজম করতে হবে। এটা এম আহমদ এবং আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন ভাই উভয়কেই বুঝতে হবে। এ ধরনের কটূ কথা অনেক দিক থেকেই আসতে পারে। অতএব, এতে বিচলিত হবার কিছু নেই।  

     

    প্রিয় সদালাপের পাঠক, লেখক ও সম্পাদক,

    সদালাপের লিখাগুলির গুরুত্ব বিবেচনা করে, এগুলো প্রিন্ট মিডিয়ায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা এখনকার প্রয়োজনীয়তা। যারা এ ব্যাপারে দক্ষ বা কোন পত্রিকা, প্রকাশক এ ব্যাপারে সহয়তায় আসতে পারেন।  সবাইকে ধন্যবাদ।

    1. 1.1
      শাহবাজ নজরুল

      ইসলামের পথে কথা বললে কিছু কটূকথা হজম করতে হবে। এটা এম আহমদ এবং আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন ভাই উভয়কেই বুঝতে হবে। এ ধরনের কটূ কথা অনেক দিক থেকেই আসতে পারে। অতএব, এতে বিচলিত হবার কিছু নেই। 

      ভালো বলেছেন ফুয়াদ, সহমত প্রকাশ করলাম। 

      সদালাপের লিখাগুলির গুরুত্ব বিবেচনা করে, এগুলো প্রিন্ট মিডিয়ায় নিয়ে আসার চেষ্টা করা এখনকার প্রয়োজনীয়তা। যারা এ ব্যাপারে দক্ষ বা কোন পত্রিকা, প্রকাশক এ ব্যাপারে সহয়তায় আসতে পারেন।  সবাইকে ধন্যবাদ।

      ফুয়াদের সাথে সহমত। এ ব্যাপারে সম্পাদককে প্রো-এক্টিভ ভুমিকা নিতে অনুরোধ জানাচ্ছি। ঈদ-সংখ্যা আবার বের করা যায় কিনা -- তাও ভেবে দেখা যেতে পারে। 

       

Leave a Reply

Your email address will not be published.