«

»

Feb ২১

রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’ এবং কিছু অপ্রিয় সত্যকথন

১. বিচার-বহির্ভূত যে কোন হত্যাকাণ্ডই নিন্দনীয়

বিচার-বহির্ভূতভাবে রাজীব ওরফে থাবা বাবাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই, এবং দোষী ব্যক্তিকে অবিলম্বে বিচারের আওতায় নিয়ে আসার দাবী জানাই।

 

২. তদন্তের আগে কাউকে দায়ী করা দায়িত্বহীনতার পরিচয়

বিচার বিভাগীয় তদন্ত ছাড়াই কাউকে রাজীবের হত্যার জন্য দায়ী সাব্যস্ত করাকে দায়িত্বজ্ঞানহীনতা বলে মনে করি, “এটা স্পষ্ট ভাবে একটা ঠান্ডা মাথার খুন – মারার জন্য টার্গেট হিসাবে “থাবার” চেয়ে আদর্শ কেউ ছিল না”– তদন্তের আগেই এই ধরণের শিরোনামে পোস্ট দেওয়া আমরা সঠিক মনে করি না। [যদিও এই ধরণের অনুমান করার যথেষ্ট সুযোগ থাকতে পারে, কিন্তু অনুমান আর বাস্তবতা সব সময় এক হয় না।]

 

৩. ধিক্কার জানাই: ইসলামী বোধ নিয়ে এক রকমের খেলা!

রাজীবকে কেন্দ্র করে কেউ কেউ শাহবাগে আন্দোলনকারিদের সবাইকে নাস্তিক/ইসলামবিদ্বেষী আখ্যা দেবার চেষ্টা করছে। শিবির কর্মীরা শাহবাগে আন্দোলনকারিদের ওপর কালিমা লেপন করে ফেকবুকে ভূয়া ছবি বা এডিট করে অশ্লীলতা জুড়ে দেওয়া ছবি প্রচার করছে। এটা সুস্পষ্টভাবে ইসলামের অনুভূতির অপব্যবহারের অনৈসলামিক অপকৌশল। এই ধরণের ঘৃণ্য অপকর্মকে ধিক্কার জানাবার ভাষা আমাদের নাই। জালিয়াতি, অপবাদ আর মিথ্যাচার করে যারা মানুষের ইসলামী বোধ নিয়ে খেলা করে, আমরা তাদের সাথে নেই। তাদের স্বার্থান্বেষী নাস্তিক্যবিরোধি আন্দোলনের সাথে আমরা একাত্ম নই। আমরা আগে থেকেই নাস্তিক্যবাদ ও ইসলাম-বিদ্বেষের বিপক্ষে কলম চালিয়ে যাচ্ছিলাম, আমাদের সে যাত্রা অব্যাহত থাকবে ইনশাআল্লাহ।

 

৪. ধিক্কার জানাই: ইসলামী বোধ নিয়ে আরেক রকমের খেলা!

রাজীব একজন চিহ্নিত ইসলাম-বিদ্বেষী, ইসলামকে অবমাননাকারি নাস্তিক হওয়া সত্ত্বেও যারা তার জানাযার আয়োজন করেছেন, ইসলামের অপব্যাখ্যা করে রাজীবের জানাযায় অংশ নেবার জন্য মানুষকে প্ররোচিত করেছেন, আমরা তাদেরকেও ধর্মব্যবসায়ি গণ্য করি এবং তাদের এই অনৈতিক কার্যকলাপের তীব্র নিন্দা জানাই। ধর্মের ব্যবসা সবাই করে, কম আর বেশি। আসলে ধর্ম বড়ই মধুর!

 

৫. সত্য লুকাবার বিষয় নয়

অনেকেই এখন রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’কে সাধু বানাতে চাচ্ছেন। অনেকক্ষেত্রে চলছে থাবার লেখাসমূহ মুছে ফেলার নীরব প্রক্রিয়া। থাবার লেখাগুলো নিষিদ্ধ, অখাদ্য, অরুচিকর ধরণের বলেই কিন্তু মুছে ফেলা হচ্ছে না, বরং থাবার অপকর্মকে চাপা দেওয়াই এখানে মূখ্য উদ্দেশ্য। কেননা এই লেখাগুলো এতদিন কিন্তু সদর্পে সগর্বে মাথা উঁচু করেই সেখানে বিরাজ করছিল। তবে প্রমাণ কিন্তু কিছু না কিছু রয়েই যাচ্ছে। এক  ফেসবুকেই থাবার অপকর্মের অগণিত প্রমাণ রয়ে গেছে (, , , ; নুরানী চাপা শরীফ 004, 005, 006, 007, 008, 009, 010, 011, 012, 013, 014, 015016, 017, 018)। “ধর্মকারী”, “আমার ব্লগ" সহ অনেক জায়গাতেই রাজীবের ইসলাম-বিদ্বেষী লেখাগুলো এখনও বিরাজ করছে, অথচ কেউ কেউ ‘নূরানীচাপা ব্লগ’ রাজীব বা ‘থাবা বাবা’র নয় এই অথর্ব যুক্তি দিয়ে রাজীবের অপকর্মকে ঢাকার চেষ্টা করছেন, জামাতীদের অপপ্রচার বলে চালাবার চেষ্টা করছেন; এটা একটা জঘন্য মিথ্যাচার। কেননা ‘নূরানিচাপা ব্লগ’ যে-ই বানাক না কেন লেখাগুলো যে ‘থাবা’র এটা দিবালোকের মতো স্পষ্ট।

 

৬. সত্য প্রচারে বিচলিত হবার কিছু নাই

থাবাকে কেন্দ্র করে অনলাইনের ইসলাম-বিদ্বেষীদের চেহারাটা মানুষের সামনে খুলে গেছে। যারা এই কাজটা করেছেন তারা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে করলেও বাস্তবতাই প্রকাশ পেয়েছে, মিথ্যাচার নয়। বিষয়টা যখন সামনে এসেই গেছে, আর সদালাপও বহুদিন থেকে এইসব ইসলাম-বিদ্বেষীদের মুখোশ খুলে দিয়ে এসেছে, কাজেই অনলাইনে এইসব গার্বেজের প্রচার বন্ধের দাবি যখন এসেই পড়েছে তখন আমরা সদালাপের লেখক-পাঠকগণ নিজস্ব ভিন্ন অবস্হান হতে এই একই দাবি জানাতে চাই। মানুষ এতদিন জানতো না, ধর্মকারীতে কী হয়, মুক্তমনায় কী হয়; এখন জানছে, এই জানাতে গিয়ে যদি তাদের কদর্য লেখনীর কিয়দংশ প্রকাশ করা হয়, সেটাকে অশ্লীলতা প্রচারের সাথে এক করে দেখার সুযোগ নেই। জনগণ এখানে বিচারকের আসনে আর বিচারকের সামনে আসল ঘটনা তুলে ধরতেই হবে। ধামাচাপা দেবার বা লুকোচুরি করার কোন সুযোগ নাই। কেউ কেউ বলছেন, থাবা মরে গেছে তার লেখা নিয়ে আর এত টানাটানি কেন? এদেশে অনেক মৃত ব্যক্তিদের নিয়েই কিন্তু বাকবিতণ্ডা হয়, তখন কিন্তু এই কথা শোনা যায় না। থাবা মরে গেলেও “ধর্মকারী”, “আমারব্লগ” সহ অনেক সাইটেই থাবার লেখা রয়ে গেছে, রয়ে গেছে থাবার মতো কুৎসিত মানসিকতার আরো অনেক "মুক্তমনা" ব্লগার। থাবা'কে ফোকাস করে এদের অপতৎপরতা থামাতে হবে। থাবার লেখা প্রচার করে ইসলামের অবমাননা হচ্ছে বলেও কেউ কেউ যুক্তি দেখাচ্ছেন। জনগণ কিন্তু বোকা নয়। কোনটা অবমাননা আর কোনটা অবমাননা বন্ধ করার পদ্ধতি, এটা তারা বোঝে।

 

৭. প্রত্যেক ক্রিয়ারই প্রতিক্রিয়া আছে!

৭.১

প্রত্যেক ক্রিয়ার একটা সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। মুসলিম অধ্যুষিত দেশে রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবা’-র মতো  রুচিবিকৃত, কুলাঙ্গারকে যদি হিরো বানাবার চেষ্টা করা হয়, তাকে “শহীদ” উপাধি প্রদান করা হয়, ‘জাতীয় বীর’ বলে অভিহিত করা হয়; তখন পরিণতি যা হবার তাই হয়েছে। জামায়াত দেশের আলেমসমাজকে ‘শাহবাগের গণজাগরণ নাস্তিকদের আন্দোলন’ – এই কথা গিলাতে খুব ভালো ভাবেই সমর্থ হয়েছে। রুচিবিকৃত, কুলাঙ্গার ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিককে হিরো বানাবার এইসব আত্মঘাতী কার্যক্রম অব্যাহত রেখে ‘জামায়াতের ফাঁদে পা দিয়েন না’ জাতীয় নসিহত করে লাভ নাই। নাস্তিক্যবিরোধী যে ভিন্ন জাগরণের উত্থান এখন দেখা যাচ্ছে, সেটার পেছনে জামায়াতের ভূমিকা যতটুকু, ‘থাবা বাবা’-কে নিয়ে লাফালাফি করা অতি উৎসাহীদের ভূমিকা তার চেয়ে অনেক গুন বেশি।

৭.২

রাজীবকে নিয়ে মাতামাতিটা যতই হবে, বিপরীত প্রতিক্রিয়ার মাত্রা ততই বেশি হবে। ইসলামপ্রিয় জনতার একটা বড় অংশ নিভৃতেই প্রত্যাহার করে নেবেন শাহবাগের গণজাগরণের প্রতি তাদের অকুণ্ঠ সমর্থন। কারণ ইন্টারনেট এবং ফেসবুকে বিচরণকারি মুসলিমদের অন্তরে 'থাবা বাবা'দের জন্য জমে আছে একরাশ ঘৃণা। বস্তুত ঘৃণার যে চাষাবাদ থাবা করে গেছে তাতে ঘৃণা ছাড়া আর কিছু তার প্রাপ্য নাই। তাকে যদি বলা হয় ‘জাতীয় বীর’ তবে আমরা তাকে বলবো ‘জাতীয় কুলাঙ্গার’; তাকে যদি বলা হয় ‘মুক্তিযুদ্ধের শহীদ’ তবে আমরা তাকে বলবো ‘ইসলামের রাজাকার’। (TIT FOR TAT)

রাজীবকে সত্যিকারের শহীদ বলা ইসলামের অবমাননা, আর তাকে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বলা মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের অবমাননা।

 

৭.৩

“যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিশ্চিত করা হোক, বিচার নস্যাতের পাঁয়তারা বন্ধ করা হোক, আঁতাতের রাস্তা রূদ্ধ করা হোক” – এটাই হওয়ার কথা শাহবাগ গণজাগরণের মূল উদ্দেশ্য। কাজেই “জামায়াত-শিবিরের” রাজনীতির সাথে সাথে “ধর্মীয় রাজনীতি” বন্ধের আওয়াজ যারা তুলছেন, দয়া করে তাদের মুখ এখনই বন্ধ করুন। সময় পেরিয়ে গেলে করার কিছুই থাকবে না।

কেউ কেউ ধর্মীয় রাজনীতি বন্ধের এজেণ্ডা চালিয়ে যাবেন, স্পিকারের কাছে দেওয়া স্মারকলিপিতে কৌশলে সেটা ঢুকিয়ে দেবেন, তখন আপনারা চোখ বন্ধ করে না দেখার ভান করবেন; আর সেটার প্রতিবাদ করলে আন্দোলনে ফাটল ধরার ভয়ে ইশারায় চুপ করিয়ে দেবেন এটা তো হবে না।

 

আমরা ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিপক্ষে। অন্যায় যে-ই করুক, আমরা নি:সংকোচে নির্ভয়ে তার প্রতিবাদ করবোই।

 

নোট: লেখাটি আমার নিজস্ব হলেও লেখাটিতে ‘আমরা’ এবং ‘আমাদের’ অর্থাৎ বহুবচন ব্যবহার করেছি। কারণ আমার বিশ্বাস যে কথাগুলো আমি বললাম সেটা আমার একার কথা নয়, বরং আরো অনেকেরই মনের কথা।

_______________________________________________

প্রাসঙ্গিক পোস্ট: কৌতুকময় নির্লজ্জ মিথ্যাচার: ‘নূরানী চাপা সমগ্র’ রাজীবের নয়!

_______________________________________________

পড়তে পারেন: কিছু প্রশ্ন ও সমালোচনার প্রত্যুত্তর

১৬২ comments

Skip to comment form

  1. 64
    ফাতমী

    অনন্য একটি লেখা। যারা এখনও সঠিক তথ্য জানেন না, তারা লেখাটি পড়ে নিলেই জানতে পারবেন, এবং তাতকালীন তথাকথিত ব্লগ জগতে কি ঘটত, এর ঐতিহাসিক প্রমাণ পত্র এই লেখা। সব সময় রইল, সাদাত ভাইয়ের জন্য লাল গোলাপ।

  2. 63
    fb.com/loveboysayem

    ভাই খুব সুন্দর লিখছেন।।। মাশা আল্লাহ।।

  3. 62
    এম_আহমদ

    এই লেখাটি প্রথমে যে অবয়বে প্রকাশ করা হয়েছিল তা কি ব্যাপক আকারে পরিবর্তন করা হয়েছে এবং আগে যেসব রেফারেন্সিং ছিল সেগুলো কি সরিয়ে নেয়া হয়েছে?

    1. 62.1
      সাদাত

      না, তবে এ ধরণের আরেকটি পোস্ট আছে, পোস্টের নিচে লিংক দেওয়া আছে; সেটার সাথে গুলিয়ে ফেলছেন না তো! এই পোস্টের অনেক রেফারেন্স (লিংক) BTRC মুছে দিয়েছে। অবশ্যই সেটা থাবাকে বাঁচাতে শাসকগোষ্ঠীর নির্দেশে। ফলে অনেক লিংক আর কাজ করবে না। কিন্তু পরের পোস্টটিতে পর্যাপ্ত প্রমাণমূলক স্ক্রীণশট রেখে দেওয়া হয়েছে।

      1. 62.1.1
        এম_আহমদ

        @সাদাত: হ্যাঁ, ঠিকই বলেছেন। আমি 'কৌতুকময় নির্লজ্জ মিথ্যাচার: ‘নূরানী চাপা সমগ্র’ রাজীবের নয়!' লেখাটিই খুঁজছিলাম।

  4. 61
    Tanvir Zawad

    নবীজী (স:)-এর অবমাননার শাস্তি মৃত্যুদন্ড। এটা শাসক কার্যকর করবেন। কিন্তু কেউ ব্যক্তিগতভাবে এটা কার্যকর করলে এজন্য তার শাস্তি হবে না।

  5. 60
    mahabub

    যারা হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাহুআলিহিসাল্লাম কে গালি দেয় তাদের ধ্বংস আসবেই। আল্লাহ তাদের ধ্বংস করবেন। যারা হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাহুআলিহিসাল্লাম কে গালি দেয় তাদের আল্লাহ সহ্য করেন না। একজন মুসলিমের কুরান ও হাদিস মেনে চলা উচিত। আর তসলিমা নাসরিন কি করছেন?

    ভুল টাইপিং এর জন্য দুখিত।

  6. 59
    মাহাবুব

     যারা হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাহুলিসাল্লাম কে গালি দেয় তাদের ধ্বংস আসবেই। আল্লাহ তাদের ধ্বংস করবেন। যারা হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাহুলিসাল্লাম কে গালি দেয় তাদের আল্লাহ সহ্য করেন না। একজন মুসলিমের কুরান ও হাদিস মেনে চলা উচিত। আর তসলিমা নাসরিন কি করছেন? 

  7. 58
    অমিত

    ব্লগ জিনিষটাই এখন ভন্ডামী হয়ে গেছে। তথাকতিত "সবার উন্মুক্ত প্পলাটফরম " খ্যাত সামহোয়্যার ইন ব্লগে যেতাম। এখন আর তেমন ব্লগে যাওয়া হয় না।  সেখানে দু -- একটা পোষ্ট ও দিয়েছি। কিন্তু উপরোক্ত বিষইয়ে লিখে ব্যান হয়ে গেলাম।  সামুতে লিখেন এমন কোন ব্লগার গেলে দেখতে পারেন আমার কোন অপকর্ম আছে কিন। কিন্তু ব্লকড  প্রায় ৩ মাস। 
     
    http://www.somewhereinblog.net/blog/amit_07
     
    এই পোষ্ট টা একই বিষয়ে বলে এখানে উল্লেখ করলাম। আর আমার ব্লগে কোন পরিচিত নেই যে এটা প্রকাশ করব।  তাই এখানে কেউ প্রচারনা মনে করবেন না। লেখক ও পাঠক দের নিকট ক্ষমা প্রার্থী যদি কেউ তা মনে করেন। 
     এই লেখা নিয়ে কার ও অভিযোগ থাকলে এখানে amit_07@live.com জানাতে পারেন।
     

    1. 58.1
      এনামুল মামুন১৩০৫

      অমিত ভাই, সামুতে আমারো একঈ অবস্থা।

  8. 57
    rayhan al _islam

    razib o onnanno islam birodhi nastik blogerder proti chorom ghrina. sahabage ja cholche ta kono muslim deshe cholte pare na. sahabagider proti proshno, tara ki shudhui bangali na ki tara bangali muslim. tader proti amar ahoban tara allahor pothe chole abong jeno namaj pore ar islam biddeshiderke sahabag theke bitarito kore.

  9. 56
    FARID

    STILL I AM NOT CONVINCED—————ABOUT  NAJASHI————-
    --BUT I RESPECT YOUR BELIEF--
    —-I AM NOT INTERESTED TO WRITE ON THIS TOPIC————-NOW--
    AT THE MOMENT——--I SUPPORT TRIAL OF WAR CRIMINALS———--ONLY.
    THANKS.

  10. 55
    FARID

     I AM A SUPPORTER OF LIBERATION WAR--I WAS ASSOCIATED WITH THE LIBERATION WAR --I WAS NEVER AL SUPPORTER AND NOT EVEN NOW—
    --I HAVE NEVER HEARD ABOUT --RAJIB --AFTER HIS BRUTAL KILLING I CAME TO KNOW ABOUT THIS BOY AND READ — [  HIS  ] FEW ARTICLES--[ THANKS TO THE PROPAGANDA OF BNP // JAMAT PEOPLE AND THEIR PROPAGANDA MACHINE  ]—--I DO NOT ENDORSE THOSE VIEW POINTS-- . BUT WHY AFTER HIS DEATH THESE ALLEGATIONS AGAINST HIM —WHEN HE CAN NOT DEFEND ——--
    RAJIB WAS  // IS IDENTIFIED AS NASTIC BY SOME QUARTER—-WHO HAS GIVEN THEM THE POWER TO DECIDE OR GIVE VEDICT—-ABOUT ASTIK AND NASTIK ?
    RAJIB HAS BECOME A HERO AFTER HIS DEATH -- -- [  FORTUNATELY I WAS IN BANGLADESH AT THAT TIME AND ATTENDED HIS NAMAZ--E --JANAJA  ]—-THAT IS DUE TO THE ACTIONS OF THOS-FANATIC'" ASTICS ''—WHO ARE SUPPORTER OF KILLING WITHOUT TRIAL.
    IF YOU FAIL TO FIGHT WITH PEN --YOU ARE MORALLY DEAD—I THINK—THOSE WHO KILLED RAJIB--ARE FORCES OF DARK // EVIL —AND WILL BE TRIED IN THE COURT OF ALLAH [SOBHAN U TALA ]
    IF RAJIB DID ANY WRONG —-ALLAH [S U T ] COULD PUNISH HIM—THOSE WHO KILLED HIM WILL GET PROPER REWARD --ON THE DAY OF —REAL JUDGEMENT—
    I PRAY FOR THE DEPARTED SOUL OF RAJIB —AND PRAY TO ALLAH FOR HIM.————-
    AMEEN——-
    FARID,
    TX.USA.
     

    1. 55.1
      সাদাত

      @FARID:

      --I HAVE NEVER HEARD ABOUT --RAJIB --AFTER HIS BRUTAL KILLING I CAME TO KNOW ABOUT THIS BOY AND READ — [ HIS ] FEW ARTICLES--[ THANKS TO THE PROPAGANDA OF BNP // JAMAT PEOPLE AND THEIR PROPAGANDA MACHINE ]—--I DO NOT ENDORSE THOSE VIEW POINTS-- . BUT WHY AFTER HIS DEATH THESE ALLEGATIONS AGAINST HIM —WHEN HE CAN NOT DEFEND ——--

      আপনি না জানতেই পারেন। কেউ কোন কিছু না জানলেই কোন কিছু মিথ্যা হয়ে যায় না। রাজীবের মারা যাবার পর তার বিরূদ্ধে এসব কথা উঠছে এটা ভুল কথা। আমরা তো অনেক আগে থেকেই তার এসব কুৎসিত লেখার সাথে পরিচিত। এই সদালাপেই গত বছর রাজীব ওরফে ‘থাবা বাবার’ নাগরিক ব্লগের একটি লেখার ওপর প্রতিবাদ এসেছিল। এখানে দেখুন:
      http://www.shodalap.org/abdullahbd2008/15410
      রাজীব মারা যাবার পরপর নাগরিক ব্লগ ঐ পোস্টটি সরিয়ে ফেলে, নূরানী চাপা সিরিজসহ আরো অনেক কুৎসিত লেখার রচয়িতা রাজীব, নিচের পোস্টে বিস্তারিত প্রমাণসহ বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে:
      http://www.shodalap.org/bngsadat/18328
      মুক্ত মন দিয়ে পোস্টটি পড়ে সিদ্ধান্ত নিন কোনটা প্রোপাগাণ্ডা। কোন বিষয়ে জ্ঞান না থাকলে চুপ থাকুন, অথবা জানার চেষ্টা করুন।
      রাজীব মারা যাবার পর এসব কেন বলা হচ্ছে?
      কারণ মুসলিমদের জন্য কোন মৃত অমুসলিমের জন্য মাগফিরাতের দুআ করা নিষেধ, কাজেই আমরা যারা জানি তারা জেনে শুনে মুসলিমদের একজন ঘৃণ্য ইসলাম-বিদ্বেষীর জন্য মাগফিরাতের দুআ করতে দেখে (যেমন এই কমেন্টের শেষে আপনিও করেছেন) চুপ থাকতে পারি না। সত্য জানানো দায়িত্ব মনে করি। এখন মানা না মানা যার যার ইচ্ছা।

      RAJIB WAS // IS IDENTIFIED AS NASTIC BY SOME QUARTER—-WHO HAS GIVEN THEM THE POWER TO DECIDE OR GIVE VEDICT—-ABOUT ASTIK AND NASTIK ?

      স্বঘোষিত নাস্তিককে নাস্তিক না বলে অন্য কোন কিছু বলাটাই অসঙ্গত, অযৌক্তিক।

      RAJIB HAS BECOME A HERO AFTER HIS DEATH — -- [ FORTUNATELY I WAS IN BANGLADESH AT THAT TIME AND ATTENDED HIS NAMAZ--E --JANAJA ]—-THAT IS DUE TO THE ACTIONS OF THOS-FANATIC'” ASTICS ”—WHO ARE SUPPORTER OF KILLING WITHOUT TRIAL.
      IF YOU FAIL TO FIGHT WITH PEN --YOU ARE MORALLY DEAD—I THINK—THOSE WHO KILLED RAJIB--ARE FORCES OF DARK // EVIL —AND WILL BE TRIED IN THE COURT OF ALLAH [SOBHAN U TALA ]
      IF RAJIB DID ANY WRONG —-ALLAH [S U T ] COULD PUNISH HIM—THOSE WHO KILLED HIM WILL GET PROPER REWARD --ON THE DAY OF —REAL JUDGEMENT—

      রাজীব আপনার কাছে হিরো হতে পারে, আমার কাছে কুলাঙ্গার।
      পোস্টেই উল্লেখ করেছি আইন-বহির্ভূত কোন হত্যাকাণ্ডকেই আমরা সমর্থন করি না,
      আর কলমের উত্তর আমরা কলম দিয়ে দিতে জানি বলেই বাংলা ব্লগে নাস্তিকরা আজ কোণঠাসা। আপনি কলমের লড়াই যে কতটুকু করেছেন সেটা বুঝতে পারছি আপনার কমেন্ট দেখে, কারণ ‘থাবা বাবা’র মতো একটা কট্টর ইসলাম-বিদ্বেষীর নাম আপনি আগে শুনেনই নাই!!!! যদি নাস্তিক ইসলামবিদ্বেষীর বিরূদ্ধে কিছুটা কলমও চালাতেন তাহলে নতুন করে থাবাকে আপনার কাছে পরিচয় করিয়ে দিত হতো না।
      রাজীব হিরো ছিল না, হিরো হয় নাই; তাকে হিরো বানাতে গিয়ে অনেকেই এখন জিরোতে চলে গেছেন।

      I PRAY FOR THE DEPARTED SOUL OF RAJIB —AND PRAY TO ALLAH FOR HIM.————-

      কুরআনের সুস্পষ্ট নির্দেশ লংঘন করে কার কাছে আপনি দুআ করছেন আপনিই জানেন! সেটা আপনার ইচ্ছা।

      তুমি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা কর আর না কর। যদি তুমি তাদের জন্য সত্তর বারও ক্ষমাপ্রার্থনা কর, তথাপি কখনোই তাদেরকে আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। তা এজন্য যে, তারা আল্লাহকে এবং তাঁর রসূলকে অস্বীকার করেছে। বস্তুতঃ আল্লাহ না-ফারমানদেরকে পথ দেখান না। [৯:৮০]
      আর তাদের মধ্য থেকে কারো মৃত্যু হলে তার উপর কখনও নামায পড়বেন না এবং তার কবরে দাঁড়াবেন না। তারা তো আল্লাহর প্রতি অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করেছে এবং রসূলের প্রতিও। বস্তুতঃ তারা না ফরমান অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেছে। [৯:৮৪]

      1. 55.1.1
        FARID

         1. KILLERS CONFESSED————THEY KILLED RAJIB --TO SAFEGUARD ISLAM———-WHICH ISLAM THEY FOLLOW ? IS IT DIFFERENT THAN YOURS ?
         2.PROPHET [PBUH ] PRAYED FOR NAJASHI — WHAT ABOUT THAT——-???
         3.I AM NOT A KULANGAR——SO STANDING IN FRONT OF MIRROR [ BLOG ]--I DO NOT FIND ANY KULANGAR ——--
         4. RAJIB, EVEN IF HE WAS A NASTIC—ALLAH DID NOT STOPPED THE SUPPLY OF HIS FOODS--BUT SOME OF US KILLED HIM IN THE NAME OF ALLAH AND ISLAM--
         

        1. 55.1.1.1
          সাদাত

          [নিজ ভাষার প্রতি একটু দরদী হোন। বাংলা পোস্টে বাংলায় মন্তব্য করুন। না পারলে শিখে নিন। খুবই সোজা।]
          ১. তারা কোন্ ইসলাম অনুসরণ করে সেটা তাদের কাছ থেকে জানুন। 
          ২. মুসলিম নাজাশীর জানাযা পড়তে কোন সমস্যা তো থাকার কথা নয়।
          ৩. আপনাকে কেউ কুলাঙ্গার বলে নাই।
          ৪. যদি নয়, অবশ্যই সে ছিল নাস্তিক+ইসলাম-বিদ্বেষী+ইসলাম, আল্লাহ এবং নবী রাসূলকে নিয়ে কুৎসিত মিথ্যাচারের রচয়িতা। আগেই বলেছি আইন-বহির্ভূতভাবে যে কোন হত্যাকাণ্ডকে আমরা সমর্থন করি না।

        2. FARID

          1. THIS COMPUTER OF MINE IS NEW--I HAVE NOT YET INSTALLED --BiANGLA  FONT———THANKS FOR THE SUGGESTION--TO WRITE IN BANGLA AND I WILL DO THAT--
          2. NAJASHI A MUSLIM ???????   PROPHET IDENTIFIED HIM  AS A FRIEND // PIOUS  PERSON ONLY———NAJASHI WAS BURIED IN ACCORDANCE WITH CHRISTIAN RITUALS AND UNDER THE SUPERVISION OF CHRISTIAN MONKS--IN A CHRISTIAN LAND--FROM 400 AD TO 1975 ALL KINGS OF ETHYOPIA WERE CHRISTIAN —-SO FAR MY KNOWLEDGE GOES— IF I AM WRONG I WILL BE GLAD TO RECTIFY MY—-SELF--
          3 .IT IS WIDELY CIRCULATED — THERE ARE 72 FERKAS IN OUR RELIGION — ISLAM — MY GUARDIANS TOLD ME — WE ARE MUSLIMS OF --SUFI --SECT — AND — PRESENT DAY SALAFEES DO NOT RECGNISE US AS  [ TRUE ] MUSLIMS —--DO YOU RECOGNISE ME AS A MUSLIM ????????
          4. I BELIEVE -- KILLERS OF RAJIB —-ARE MUSLIM AND THEY WERE MISGUIDED BOYS—HAVING NO IDEAS ABOUT LIVING IN PLURALISTIC SOCIETY —-- I AM SURE THEY WILL GET JUSTICE FROM ALLAH  [ S U T ] —

        3. সাদাত

          @FARID,
          54.1.1.1.1 এ Reply অপশন না থাকায় এখানে উত্তর দিচ্ছি। 
          ১. ধন্যবাদ
          ২. জ্বী, নাজাশী ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন, তাই তিনি মুসলিম ছিলেন। নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে দওয়াত দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছিলেন, যার উত্তরে তিনি বলেছিলেন:
          "In the Name of Allâh, the Most Beneficent, the Most Merciful.
          From Negus Ashama to Muhammad, the Messenger of Allâh. Peace be upon you, O Messenger of Allâh! and mercy and blessing from Allâh beside Whom there is no god. I have received your letter in which you have mentioned about Jesus and by the Lord of heaven and earth, Jesus is not more than what you say. We fully acknowledge that with which you have been sent to us and we have entertained your cousin and his companions. I bear witness that you are the Messenger of Allâh, true and confirming (those who have gone before you), I pledge to you through your cousin and surrender myself through him to the Lord of the worlds."[Za'd Al-Ma'ad 3/61]
          বিস্তারিত এখানে দেখুন:
          http://www.muftisays.com/qa/question/3672/al-najashi-ethiopian-king.html
          ৩.আপনাকে মুসলিম না মনে করার তো কোন কারণ দেখি না।
          ৪. রাজীবকে বিচার-বহির্ভূতভাবে হত্যা করাকে আমি বা এখানকার কেউকে সমর্থন করে না।আশা করি এই বিষয়টা আমাকে আর বলতে হবে না। (এর আগেও কয়েকবার বলেছি)

          আপনার কাছে অনুরোধ, এই পোস্টটা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একবার ভালো করে পড়ুন।

  11. 54
    এস. এম. রায়হান

    রাজীব হত্যার ব্যাপারে প্রথম আলোর খবর এখানে পেস্ট করে দিলাম।
     
    নর্থ সাউথের ৫ ছাত্র গ্রেপ্তার, হত্যার কথা স্বীকার
     
    ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দার হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচজন ছাত্রকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তাঁরা হলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র ফয়সাল বিন নাঈম ওরফে দীপ (২২) ও মাকসুদুল হাসান ওরফে অনিক (২৩), ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের এহসান রেজা ওরফে রুম্মন (২৩), নাঈম সিকদার ওরফে ইরাদ (১৯) ও নাফিস ইমতিয়াজ (২২)।
     
    ডিবির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পাঁচজনই এই হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁরা গতকাল শনিবার ডিবি কার্যালয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে এই প্রতিবেদককে বলেন, ছাত্রশিবিরের সাবেক এক নেতা ‘বড় ভাইয়ের’ নির্দেশে তাঁরা রাজীবকে খুন করেছেন। ওই বড় ভাইও একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
     
    গ্রেপ্তারের ঘটনা জানার পর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই পাঁচজনের ছাত্রত্ব স্থগিত করে। আজ রোববার তাঁদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে প্রতিষ্ঠানটির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
     
    ডিবির সূত্র জানায়, ডিবির অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মশিউর রহমান ও জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলামের নেত্বত্বে ডিবির একাধিক দল গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। এর মধ্যে প্রথমে এহসান রেজাকে তাঁর কাকরাইলের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে ফয়সাল বিন নাঈমকে তাঁর খিলগাঁওয়ের বাসা থেকে, নাফিস ইমতিয়াজকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বাসা থেকে, নাঈম সিকদারকে পান্থপথ এলাকা থেকে ও মাকসুদুল হাসানকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে ধরা হয়।
     
    পাঁচজনকে গতকাল রাজীব হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে ডিবি পুলিশ। আদালত তাঁদের প্রত্যেকের সাত দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
     
    যেভাবে খুনে জড়ান: আদালতে নেওয়ার পথে গতকাল গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজন পুলিশের উপস্থিতিতে এ প্রতিবেদককে বলেন, রাজীবকে খুনের দেড় মাস আগে কথিত ওই বড় ভাইয়ের কাছে শুনে তাঁরা ‘থাবা বাবার’ ব্লগ পড়েন। তাতে ধর্মকে অবমাননামূলক লেখা দেখে তাঁরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং লেখককে খুন করাটা তাঁদের ‘ইমানি দায়িত্ব’ বলে মনে করেন। এরপর শিবিরের সাবেক নেতা ওই বড় ভাইয়ের নেতৃত্বে তাঁরা বৈঠক করে রাজীবকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। তাঁরা রাজীবের তথ্য সংগ্রহ করেন। তাঁরা নিয়মিতভাবে ফেসবুকে রাজীবকে পর্যবেক্ষণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে শাহবাগের আন্দোলন শুরু হওয়ার পর তাঁরা রাজীবের ফেসবুকের স্ট্যাটাস থেকে জানতে পারেন রাজীব শাহবাগে যাবেন। এরপর এহসান রেজা গত ৯ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ যান এবং ব্লগার রাজীবকে শনাক্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি ফেসবুক বন্ধুদের সূত্র ধরে পরের দিন আবার শাহবাগে গিয়ে রাজীবকে শনাক্ত করেন।
     
    এহসান রেজা প্রথম আলোকে বলেন, তিনি শাহবাগ থেকে রাজীবকে পর পর তিন দিন অনুসরণ করেন এবং পল্লবীর পলাশনগরে রাজীবের বাসা চেনেন। এরপর কয়েক দিন ধরে তাঁরা রাজীবের গতিবিধি ও এলাকার পরিবেশ-পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও আক্রমণের পরিকল্পনা করেন। এরপর ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ও মাকসুদুল হাসান (অনিক) সকাল থেকে রাজীবের বাসার কাছে টানা বসে ছিলেন। তাঁদের কাছে তথ্য ছিল, ওই দিন রাজীব শহবাগে যাবেন না।
     
    এহসান রেজা বলেন, ‘রাত নয়টার দিকে দেখি রাজীব তাঁর বান্ধবীকে নিয়ে বাইশটেকির দিকে যাচ্ছে। মোবাইল ফোনে এই খবর ফয়সালকে দিই। ফয়সাল এরপর নাঈম সিকদার ও নাফিসসহ আরও দুজনকে নিয়ে রাজীবদের বাসার আশপাশে এসে অবস্থান নেয়।’

    ফয়সাল বলেন, রাত সাড়ে নয়টার দিকে রাজীব বাসায় ফিরছিলেন। বাসার কাছে পৌঁছামাত্র তিনি প্রথমে পেছন থেকে চাপাতি দিয়ে রাজীবকে আঘাত করেন। রাজীব ঘুরে গেলে কোপটি তাঁর গলায় লাগে এবং তিনি পাশের দেয়ালের ওপর পড়েন। এরপর তিনি ও অনিক এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। রাজীব একপর্যায়ে লুটিয়ে পড়লে তাঁরা সবাই দৌড়ে চলে যান। যাওয়ার পথে একটি চাপাতি রাস্তার মোড়ের পানের দোকানের সামনে এবং আরেকটি চাপাতি ও চারটি ছুরি শেরেবাংলা নগর বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের রাস্তার পাশের ড্রেনের মধ্যে ফেলে যান।
     
    গ্রেপ্তার হওয়ার অনিক বলেন, তিনি নিজে হামলায় ব্যবহূত চাপাতি ও ছুরি বাড্ডার নতুন বাজার থেকে কিনেছেন। তিনি বলেন, রাজীবকে মারার সময় নাঈমের একটি কোপ তাঁর পায়ে লাগে। এতে তাঁর জুতা কেটে আঙুলে লাগে। খুনের পর তিনি রেজার সঙ্গে কাকরাইলে এসে জুতা জোড়া খুলে জাতীয় চলচ্চিত্র প্রকাশনা অধিদপ্তরের পুকুরপাড়ে ফেলে যান।
     
    গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনই দাবি করেন, তাঁরা কোনো দলের সঙ্গে জড়িত নন। তাঁরা ব্লগার রাজীবকে খুন করে ‘ইমানি দায়িত্ব’ পালন করেছেন। এ নিয়ে তাঁদের মধ্যে কোনো অনুশোচনা নেই। তবে এঁদের মধ্যে অন্তত দুজন হিযবুত তাহ্রীরের সঙ্গে যুক্ত বলে তাঁদের পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে।
     
    খুনিদের ‘ইনটেল’ ও এক্সিকিউশন’ গ্রুপ: ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে গতকাল ডিবির যুগ্ম কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম এ ঘটনায় সংবাদ ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন, তাঁরা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নামাজকক্ষে নামাজ পড়তে গিয়ে পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত ও ঘনিষ্ঠ হন। সেই সূত্রে তাঁরা বিভিন্ন বিষয় ও ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য নিয়ে আলোচনা করতেন।
     
    মনিরুল ইসলাম বলেন, রাজীব হত্যার পরিকল্পনাকারী ও প্রধান হোতা একসময় ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ‘থাবা বাবা’ নামধারী ব্লগারকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা করেন। আর এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজীবকে খুন করা হয়।
     
    যুগ্ম কমিশনার (ডিবি) বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া পাঁচজনের দেওয়া তথ্যানুযায়ী, রাজীবকে হত্যার পরিকল্পনার পর তাঁরা ‘ইনটেল গ্রুপ’ (গোয়েন্দা দল) গঠন করেন। এই দলের কাজ ছিল তথ্য সংগ্রহ করা, গতিবিধি পর্যবেক্ষণ। আর রাজীবকে হত্যার জন্য গঠন করে ‘এক্সিকিউশন গ্রুপ’। ইনটেল গ্রুপের সদস্যরা হলেন এহসান রেজা, মাকসুদুল হাসান, নাঈম সিকদারসহ আরও দুজন। আর এক্সিকিউশন গ্রুপের সদস্যরা হলেন ফয়সাল বিন নাঈম ও মাকসুদুল হাসান (অনিক)। খুনের কয়েক দিন আগে ইনটেল গ্রুপের সদস্যরা ‘রেকি’ করতে গিয়ে রাজীবদের বাসার সামনে ক্রিকেট খেলেন। একটি বল ইচ্ছাকৃত তাঁরা রাজীবদের বাসায় ছুড়ে মারেন। বল আনার নামে বাসার ভেতরের অবস্থান দেখেন। তখন রাজীবের খালাতো ভাই বলটি তাঁদের হাতে তুলে দেন।
     
    পরে যোগাযোগ করা হলে রাজীবের স্বজনেরা প্রথম আলোকে বলেছেন, ঘটনার কয়েক দিন আগে বাসার সামনে কয়েক যুবক ক্রিকেট খেলেছিলেন। তাঁদের বল বাসার ভেতর গিয়ে পড়া ও ফেরত দেওয়ার কথা ঠিক আছে। তবে তখন তাঁরা ওই যুবকদের সন্দেহ করেননি।
     
    http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-03-03/news/333441

  12. 53
    এস. এম. রায়হান

    কিছু মিডিয়া ও ব্লগারের মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা
     
    কোনো ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী আক্রান্ত কিংবা নিহত হওয়ার পর কিছু মিডিয়া ও ব্লগার মিথ্যা প্রপাগাণ্ডা চালানো শুরু করে এই বলে যে, সে জামাত-শিবির ও রাজাকারদের বিরুদ্ধে লেখালেখি করত। আসিফ মহিউদ্দীন ওরফে মগাচীপ আক্রান্ত হওয়ার পর এই প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো হয়েছিল। রাজীব ওরফে থাবা বাবা নিহত হওয়ার পরও একই প্রপাগাণ্ডা ছড়ানো হচ্ছে। অথচ আমরা সবাই জানি তারা মূলত ইসলামের নবী, কোরআন, ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়াত।

  13. 52
    এস. এম. রায়হান

    @সাদাত,

    বলা যায় না কখন আবার থাবার ফেসবুকের লেখাগুলো মুছে দিয়ে বা অ্যাকাউন্টাই গায়েব করে দিয়ে বলে থাবা ফেসবুকে কিচ্ছু লিখে নাই, ফেসবুকে তার কোনো অ্যাকাউন্টই নাই!!!!

    শুরু হয়ে গেছে মনে হয়! ইতোমধ্যে নাগু ব্লগ থেকে থাবা'র সব পোস্ট মুছে ফেলা হয়েছে। এদিকে টুইটার অ্যাকাউন্টেও একই অবস্থা দেখা যাচ্ছে! আগে নেওয়া স্ক্রীনশট অনুযায়ী সেখানে থাবা বাবা ধর্মকারী ব্লগের অনেক পোস্ট শেয়ার করেছে। আগে নেওয়া স্ক্রীনশট নিচে দেওয়া হলো-

    এবার সম্প্রতি নেওয়া স্ক্রীনশট দেখুন-

    1. 52.1
      এস. এম. রায়হান

      প্রমাণস্বরূপ ধর্মকারী ব্লগে থাবা বাবা'র কিছু পোস্টের স্ক্রীনশট নিচে রেখে দেওয়া হলো।

      স্ক্রীনশট-১
      স্ক্রীনশট-২
      স্ক্রীনশট-৩
      স্ক্রীনশট-৪
      স্ক্রীনশট-৫

      আমু ব্লগের একটি পোস্টেরও স্ক্রীনশট রাখা হলো।

  14. 51
    shamim

    আপনারা কোন মানষিকতা লালন করেন ?আমি প্রথম কিছু লিখলাম তাই  যা লিখলাম তাই প্রকাশ করুন।

    1. 51.1
      নির্ভীক আস্তিক

      আপনার ভালবাসার আবেদন উপরে ৪৯ নম্বর মন্তব্যে এসেছে। তাৎক্ষনিক মন্তব্য প্রকাশের অধিকার সবাইকে দেয়া হয় না। একটু নিয়মিত হতে হবে। আপনার মানসিকতা যা আছে তাঁর চাইতে আরেকটু উপরে গিয়ে  সভ্য আর সুশীল আচরন প্রয়োগের মাধ্যমে ভালবাসা আদান প্রদান করতে হবে। তারপর………

  15. 50
    md.shamim hossain

    আমাদের মানব সমাজে ভালবাসা কমে গেছে।আসুন আমরা সবাই সবাইকে পবিত্র ভালবাস উপহার দেই।

  16. 49
    Azash

    Eita nia eto bitorker ki ache. ei blog site er kotha ami joto tuku jani Rajib nije boila gesilo. ei linkta dekhen-

    http://m.facebook.com/thaba.baba/posts/341786779231910?refid=17

    Ekhon ei sob bitorko rekhe amader sobar uchit judhdho oporadhider bicharta jeno somponno hoi tar jonno sahajjo kora.

    1. 49.1
      সাদাত

      @Azash:
      এটা তো দিবালোকের মতো পরিষ্কার একটা বিষয়, বিতর্কের কোন অবকাশ এখানে নেই। অথচ এই বিষয় নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে, মিথ্যাচার করা হচ্ছে। যারা বিতর্ক সৃষ্টি করছে, মিথ্যাচার করছে তাদের বিরত হতে বলুন। বিতর্ক এমনিতেই বন্ধ হয়ে যাবে। যুদ্ধাপরাধের বিচার চলছে, বিচারের দাবি অব্যাহত রয়েছ, সেগুলো চলুক। কিন্তু এর সমান্তরালে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করা বন্ধ রাখতে হবে কোন যুক্তিতে?একটা ন্যায়ভিত্তিক আন্দোলনের জন্য মিথ্যাচার, প্রতারণা, কন্ঠরোধ কখনোই অপরিহার্য হয়ে উঠতে পারে না।

  17. 48
    mahfuz

    আমার একটাই দাবি এইসব ভন্ড স্বঘোসিত 'মুক্তমনা ' দের "মুত্রমনা" ডাকা হোক

    1. 48.1
      সাদাত

      @mahfuz:
      মুক্তমনাদের যা ডাকার ডাকেন, তবে রাজীবকে যদি কিছু উপাধি দিতেই হয়, তবে সেটা হবে “বঙ্গ কুলাঙ্গার”।

  18. 47
    কিংশুক

    টেকনিক্যাল প্রশ্নের জবাব কার কাছে পাবেন? আজকে তো গণজাগরন মঞ্চের প্রধান ডা: ইমরান দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বয়ান করলেন,

    “৭১ সালে জামায়াত শিবির যেমন ধর্মের নামে মিথ্যারোপ করেছিলো তেমনি ভাবে এখন তারা ও মাহমুদুর রহমান রাজিবের নামে ভূয়া একাউন্ট খুলে ইসলামের, হযরত মোহাম্মদ(সা:) এর নামে মিথ্যা বানোয়াট ধর্মোদ্রোহী লেখা ছেপে বাংলাদেশের জনগণকে উস্কে দিচেছ।জামায়াতে ইসলামি, মাহমুদুর রহমান গং রাই ধর্মোদ্রোহী। মাহমুদুর রহমানকে গ্রেফতার করতেই হবে।”

    ৭১ এ বুজলাম জামায়াতে ইসলামি মিথ্যা বলেছিলো কিন্তু এখন আপনারা কি সত্যটা বলছেন!এভাবে, বেশী দিন মিথ্যার স্টিম রোলার চালালে ভবিষ্যতে তারা সবাই ফালতু, নাস্তিক এজেন্ডাধারী হিসাবে এক সময় ধরা খাবেই। আলেম সমাজ ও অন্যদেরকে প্রাগৈতিহাসিক বুদ্ধিহীন ভাবলে নিজেদের  খোড়া গর্তে নিজেরাই পড়বে। তারা কি ইসলাম নিয়ে খেলছে, আল্লাহর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে? নাস্তিকরা আল্লাহকে শক্তিহীন, কাল্পনিক ভাবলেও এই খেলায় তারা কোনদিনও জয়ী হবেনা।

    1. 47.1
      কায়সার আহমদ

      এ লেখায় মন্তব্যের লাইনে দেখা যাচ্ছে যে আপনার প্রানান্তকর চেষ্টা করে যাচ্ছেন রাজীব একজন ইসলাম বিদ্বেষী ও মহানবীর নামে নানারকম অশ্লীল মন্তব্য করেছিল। অথচ একই সাথে আপনারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারও চান।কিন্তু একটা জিনিস আপনাদের জ্ঞাতার্থে বলি, যদি রাজিব ইসলাম বিদ্বেষী হয়েও থাকে , সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যপার, সে নিশ্চয়ই সচেতন ছিল যে ইসলাম বিদ্বেষী হওয়ার পরে শাহবাগে গিয়ে যুদ্ধাপরাধির বিচার চাইলে তার জীবন বিপন্ন হতে পারে, তার পরেও সেই ইসলাম বিদ্বেষী কিন্তু জীবনের ঝুকি নিয়ে দেশের একটা সবচাইতে বড় দায় মেটানোর আন্দোলনে ছিল। আপনাদেরকে কিন্তু কোন দিন দেখা যায় নি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য কোন রকম আন্দোলন বা জনমত গড়ে তুলতে। আপনারা যারা বাংলাদেশে থাকেন তারা আদৌ শাহবাগে গিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন কি না সেটাও বোঝা যায় না। ব্যক্তিগত ভাবে রাজিব ইসলাম বিদ্বেষী হয়েও জীবনের ঝুকি নিয়ে একটা মহান দ্বায়ীত্ব পালন করছিল, এর জন্য কি সে ধণ্যবাদ প্রাপ্য নয়? রাজিবের মত হাজার হাজার ইসলামি বিদ্বেষী এই বাংলাদেশেই আছে বর্তমানে ইন্টারনেট- এর কল্যানে। সেটা কি আপনারা অস্বীকার করতে পারেন ? তথ্য প্রবাহের এ অবাধ যুগে আপনারা ধর্ম প্রচার করতে পারেন- সেটা যেমন আপনার অধিকার , যারা নাস্তিক তারাও তেমনি নাস্তিকতা প্রচার করবে সেটা তাদের অধিকার। কাউকেই থামানোর কোন উপায় এখন আর কারও হাতে নেই। সুতরাং যেটা সত্য সেটাই একদিন টিকবে , মিথ্যা অপসৃত হবে। তাই নয় কি ?
       
      এখন আপনাদের বক্তব্য ডা: ইমরান মিথ্যা কথা বলছে। দেখুন , রাজিবের বিষয় নিয়ে জামাত ও তার দোশরেরা কিন্তু একটা হরতাল সহ সারা দেশে ব্যপকভাবে ধ্বংসাত্বক কাজ করেছিল । তারা ইন্টারনেটে বসে সেটা করে নি , সরাসরি মাঠে নেমে সেটা করেছিল। আপনারা কি কেউ গেছিলেন মাঠে তাদেরকে ঠেকাতে ? এখন এত বড় একটা গণদাবী বাস্তবায়নের জন্য যে আন্দোলন গড়ে  উঠেছে, তা বানচাল করতে কোথাকার এক নাস্তিক রাজিবকে ব্যবহার করছে জামাত শিবির গং। আসল বিষয়টা কি হওয়া উচিত ? সেই গণদাবীর ভিত্তিতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যাতে সুষ্ঠুভাবে হয় সেটাতে সমর্থন করা নাকি , রাজিব কোথায় ইসলামের বিরুদ্ধে কি লিখেছিল সেটার পিছনে লেগে আন্দোলনটাকে ভেস্তে দেয়া? আমার তো মনে হয় আপনারা কৌশলে আন্দোলনটা যাতে ভেস্তে যায় সেটাই করতে চাচ্ছেন ফালতু এক রাজিবের নাড়ি নক্ষত্র বের করতে । যদি প্রকৃতই যুদ্ধাপরাধীর বিচার চান তাহলে এসব ছাড়ুন ।
      যুদ্ধাপরাধীর বিচার দাবী করছে যেমন কাফের নাস্তিকরা , তেমনি ধার্মিকরাও। এখন কোন এক কাফির বা নাস্কিক এ আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিল বলে গোটা আন্দোলনটা তো আর ভেস্তে যেতে পারে না , না কি ?

    2. 47.2
      সাদাত

      @কিংশুক:
      ব্লগার ইমরানের এই বয়ানটা কোথাও লিখিত বা ভিডিও আকারে পাওয়া যাবে?

      1. 47.2.1
        কিংশুক

        @ সাদাত ভাই, টিভিতে লাইভ দেখেছি, বিভিন্ন টিভির খবরে দেখেছি। বাংলাদেশী বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের সাইটে গিয়ে দেখেন ভিডিও পাওয়া যায় কিনা।
        @ কায়সার আহমেদ, তাহলে জামায়াতের মানবতাবিরোধী কর্মকান্ডের বিচার/রাজাকারের ফাসিঁর দাবী নিয়েই কথা বলা উচিত ছিলো। রাজিব এর জানাজা, রাজিব শহীদ এত কিছুর দরকার ছিলো কি? আপনারা যারা মুসলিম নন, নবীজি(সা:)এর কোন গুরুত্ব যাদের কাছে নেই তারাই রাজিব এর জানাজা, তাকে শহীদের মর্যাদা দেয়া এগুলো জনসমর্থণ, জনগণের আবেগ স্পর্শ করার সাধারন সংস্কৃতি হিসেবে দেখতে পারেন। এখন রাজিবকে মুসলিম সাজিয়ে বাকী সব জামায়াতিদের অপকর্ম হিসাবে দেখানোর জন্য আলেমগণের নামে মিথ্যারোপ, গুলি চালিয়ে হলেও ব্যপারটা ধামাচাপা দেয়া আপনাদের নিকট কোন অন্যায় ব্যপারনা বরং পরিস্থিতির দাবী, বৃহত্তর স্বার্থের জন্য মূল্যহীন বিষয়, মূল্যহীন মানুষকে পরাজিত করে  দেয়া অত্যন্ত  যৌক্তিক ব্যপার মনে হচ্ছে। আপনাদের কাছে সে নাস্তিক/আস্তিক, নবীজির শত্রু/মিত্র যাই হোক এগুলো কোন মাথাব্যথার বিষয় না। এগুলোর বাস্তব কোন মূল্য এখন আপনাদের কাছে নেই।কিন্তু এই পোষ্টের লেখক সম্মানিত সাদাত ভাই একজন মুসলমান হিসাবে ঈমাণের তাগিদ হতে লেখাটা দিয়েছেন।আমরা যারা নিজেদেরকে মুসলমান মনে করি, নবীজি(সা:) সারা সৃষ্টির জন্য রহমত-সকল মানুষের জন্য উত্তম আদর্শ হিসেবে বিশ্বাস করি, নবীজি(সা:) এর প্রদর্শিত, নির্দেশিত পথ ব্যতীত পরকালে নাজাত সম্ভব নয় বলে বিশ্বাস করি, তাঁর সাফায়েত ব্যতীত বেহেশত লাভ অসম্ভব মনে করি, যারা দুনিয়ার সকল সম্পদের বিনিময়েও পরকালে চিরজীবনের জন্য দোযখবাসী হওয়াকে ভয়ের ব্যপার মনে করি তাদের মনোভাব আপনি বুজতে পারবেন না। হযরত  মোহাম্মদ(সা:) এর এত বড় শত্রুকে অন্যায়ভাবে শহীদি মর্যাদা(যে শাহাদাত অর্জণ একজন মুসলমানের জন্য  শ্রেষ্ঠ অর্জণ) দেয়া হলে আমরা জেনে শুনে যদি এর প্রতিবাদ না করি তাহলে শেষ বিচারের দিন জবাব দেয়ার ভয় আমাদের আছে। এজন্যই আমরা এই মিথ্যার প্রতিবাদ করছি। আর আলেমগণ মুসলিম দেশে ইসলামের, রাসূল(সা:) এর বিরুদ্ধে এত জঘন্য কথাবার্তা যার লেখে, বলতে পারে তাদের বিরুদ্ধে সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিহত করা ঈমানি দায়িত্ব হিসাবে দেখেন। আপনাদের মতো ইসলামের, রাসূল(সা:) এর বিষয়ে আমি যা ইচ্ছা তা বলবো, এগুলো আমার মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা-এরকম ভাবে চিন্তা করার কোন অধিকার মুসলিম দেশের আলেমগণের নাই। এসব কথা আপনার কাছে অবিশ্বাস্য,কৌতুককর, মধ্যযুগীয় মানসিকতার মনে হতে পারে কিন্তু দুনিয়ার কোটি মানুষ এখনও এরকম। এজন্য আপনার প্যানপ্যানানি শোনার কোন আগ্রহ আমার নাই।
         

  19. 46
    এস. এম. রায়হান

    নাগু ব্লগে থাবা'র এক মুরিদ বলেছে,

    তার মূল বিষয় ছিল, ছাগু ফাইট। [সূত্র]

    ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী কেউ জনগণের কাছে ধরা খেলেই সে 'ছাগু ফাইটার' কিংবা বর্ণমনাদের গুরু মগাচিৎ রায়ের ভাষায় 'মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী' হয়ে যায়!

  20. 45
    সাদাত

    বলা যায় না কখন আবার থাবার ফেসবুকের লেখাগুলো মুছে দিয়ে বা অ্যাকাউন্টাই গায়েব করে দিয়ে বলে থাবা ফেসবুকে কিচ্ছু লিখে নাই, ফেসবুকে তার কোনো অ্যাকাউন্টই নাই!!!! কমেন্ট সহ একটা স্ক্রীনশট নিয়ে রাখলাম।

    1. 45.1
      সাদাত

      সবার নিচের কমেন্টটা ‘দাঁড়িপাল্লা ধমাধম’এর। এ তো বেঁচেই আছে,আর থাবার চেয়ে সে কোন অংশে কম কুরুচির নাস্তিক নয়। সেও কি অস্বীকার করবে যে নূরানী চাপা থাবা বাবার নয়?

      1. 45.1.1
        নির্ভীক আস্তিক

        আমি উপরের মন্তব্যটি করেছি কেউ কেউ দাবি করছেন বা কথা চালাচালি করছেন Facebook এর প্রফাইলো হ্যাক হয়েছে -- এর উপর ভিত্তি  করে। Infact সেটি আমি ২-৩ দিন আগেই বিভিন্ন ব্লগের মন্তব্যে পড়েছি। তখন Avoid করেছিলাম তবে এখন সাদাত ভাইয়ের মন্তব্যগুলোর সংযোজন গুলো দেখে মনে হল এই কথাগুলো জুরে দেয়া দরকার।

    2. 45.2
      নির্ভীক আস্তিক

      এই লিঙ্কে গিয়ে একটু দেখুন। http://www.scamadviser.com/is-nuranichapa.wordpress.com-safe.html
      সেখানে থাবার ব্লগ ওয়ালের একটি ছবি সহ একটি Info আছে left side এ- Last refreshed : Thu, 01 Jan 12:00 am
      Number times viewed :0। এবং Currently not Accessible.

      ধরে নিলাম না হয় থাবার ব্লগ হেক হইছিল। আমি এটাও ধরে নিলাম থাবার ফেসবুক account হ্যাক হইছিল এবং সে হ্যাক হওয়ার জন্য তাঁর কোন পেয়ারে জামাত-শিবির দোস্তের কাছে তাঁর ফেসবুক এর Access Info দিয়ে রাখছিল। আবার এটাও ধরে নিলাম তাঁর PC টা জামাত শিবিররা রাইতে বিরাতে  তাঁর কাছ থেকে ধার পাইত। এই সুযগে তারা Keyboeard এর key Tracker Software সান্দাইয়া দিছে।

      এইবার কথা হইল গিয়া Facebook তাঁর ব্যবহার কারীদের জন্য যে Database use করেন তা Core Mysql database এর enhancement এবং যথেষ্ট Powerful আর Secured with Higher Scability. আর Blob টাইপের Data রাখার জন্য externally CDN  এবং internally NFS এর Custom solution ব্যবহার করা হয়- এটি 2011 এ আমি Check করেছিলাম। এখন আরো Secured হয়েছে। 

      যেকোন ক্ষেত্রে Database এ নতুন Data রাখতে  Insertion operation এর বেলায় তাঁর দিন তারিখ ঠিক রাখার জণ্য সাথে যে Time stamp data type এর Attribute ব্যবহার করা হয় সেটি সবক্ষেত্রে DEFAULT Timestamp দিয়ে set করা থাকে অথবা অন্যান্য Programming language যেমন- JSP(JAVA), PHP, ASP এদের Default function রয়েছে  যেটি Insertion এর সময় ব্যবহার করা হয়। কোন Hacker বা Cracker এর  Database Server  এর Timestamp পরিবর্তন করার ক্ষমতা থাকার কথা নয় সে যতই Powerful Programmer হোক না কেন!!! তবে Data Read করে চুরি করার সুযোগ থাকতে পারে কিন্তু তাও বেশ অসম্ভবের কাছাকাছি ।  তবে System যদি খুউউউউউউউউউউউউউউউউউব নিম্ন মানের Developer দিয়ে বানানো হয় তাহলে য়তোবা লে তে পারে ।

      এখন প্রশ্ন হল ২০১৩ তে এসে কারো একাউন্ট হ্যাক করে সেখানে স্ট্যাটাস অথবা পোস্ট দিয়ে সেগুলোর Date Time(Timestamp) ২০১২ এ পিছিয়ে নিয়ে যাওয়া হল কিভাবে ? একটা হতে পারে শিবিরের কর্মকর্তাদের কেউ facebook এর Administration এ আছেন যিনি নিজে পোস্ট করে পরে আবার তাঁর Timestamp পিছিয়ে দেন। আর একটা হতে পারে, আলাদিনের চ্যারাক আর তাঁর দৈত্যের কারসাজি।

      সুশান্ত প্রকৌশলী মানুষ । জিয়াভাই BUET এর প্রকৌশলী মানুষ। বুয়েটের একদম একদম একদম First Orde programmer ডেকে এনে আমাকে দেখিয়ে দেয়া হোক -- কিভাবে আমার নিজের একাউন্ট থেকে Status পোস্ট করে তাঁর date-time ১ বছর পেছাতে পারি।

       

      1. 45.2.1
        সাদাত

        @নির্ভীক আস্তিক:
        এত কঠিন করে বললে আম জনতা কিছুই বুঝবে না। সহজ কথাটা হচ্ছে: ধরে নিলাম বঙ্গ কুলাঙ্গার থাবা বাবার ফেসবুক অ্যাকউন্টটও হ্যাক হয়েছে এবং অবিশ্বাস্য অতিপ্রাকৃত উপায়ে ডেটটাও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ফেসবুকের ঐসব পোস্টে এখনও শত শত ফেকবুক ইউজারের কমেন্ট আছে। এই কমেন্টগুলো কি শত শত অ্যাকউন্ট হ্যাক করে করা হয়েছে?? তাও ব্যাকডেটে?

        1. 45.2.1.1
          নির্ভীক আস্তিক

          হি,  হি!  ঠিকই বলেছেন।  প্রকৌশলীদের উদ্দেশ্য করে বলেছিলাম তো !
           

  21. 44
    সাদাত

    মানুষের অজ্ঞতাকে পুঁজি করে বিডি নিউজের মিথ্যাচারসমৃদ্ধ প্রতিবেদন-
    ************************************************************************
    নিহত রাজীব হায়দারের ছদ্ম নামে ‘প্রচার করা’ ওয়ার্ডপ্রেসের ব্লগটি তার নিজের নয়। ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বশেষ তথ্য ঘেটে তা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    শাহবাগ আন্দোলনের কর্মী রাজীব গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাতে মিরপুরের পলাশনগরে খুন হন।

    রাজীব খুন হওয়ার পর ব্লগ ও ফেইসবুকে তার সম্পর্কে প্রচার চালানো হয়, তিনি ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে লিখতেন।

    নূরানীচাপা ডট ওয়ার্ডপ্রেস ডটকম (nuranichapa.wordpress.com) নামে একটি ব্যক্তিগত ব্লগকে রাজীবের ছদ্ম নাম ‘থাবা বাবার’ বলে উপস্থাপন করা হয়েছে এসব পোস্টে। ‘থাবা বাবা’ নামে রাজীব বিভিন্ন ব্লগে লিখতেন।

    ব্যক্তিগত ওই ব্লগ ঘেটে দেখা গেছে, ওই ব্লগে মোট পোস্ট ছিল ১৯টি, যেগুলো লেখা হয়েছে ২০১২ সালের ১৮ জুন থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত।

    সবকটি লেখাই ছিল ইসলাম ধর্মকে আঘাত করে লেখা।

    সর্বপ্রথম রাজীবের নামে ‘নূরানী চাপা সমগ্রের’ লিংক প্রকাশ করে পাকিস্তানের একটি ওয়েবসাইটে। defence.pk/forums/bangladesh-defence/235241-blogger-thaba-baba-murdered.html এই লিংকে প্রকাশিত খবরে রাজীবের খুনের খবরের পাশাপাশি তাকে ‘নূরানী চাপা সমগ্রের’ লেখক হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

    ওই পোস্টটি প্রকাশ করা হয়েছিল রাজীব হত্যার দুই ঘণ্টার মধ্যে।

    অনলাইন নিয়ে কাজ করেন এমন প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, বিতর্কিত লেখাগুলো সম্ভবত রাজীব হায়দারের নয়।

    আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট পর্যবেক্ষণ প্রতিষ্ঠান কোয়ান্টকাস্টের (quantcast.com) দেয়া তথ্যেও এমনই প্রমাণ মেলে।

    এতে দেখা যায়, ‘নূরানী চাপা নামের সাইটটিতে প্রথম ভিজিট হয় গত ১৫ ফেব্রুয়ারি রাজীব হত্যাকাণ্ডের দিন এবং লিংক ছড়িয়ে দেয়ার ফলে ওই দিন মোট ভিজিটর সংখ্যা দাঁড়ায় ৬০ হাজারের বেশি।

    অথচ ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে সাইটটিতে কেউ ভিজিট করেছেন এমন তথ্য নেই কোয়ান্টকাস্টে।

    অনলাইন ট্রাফিক ও পর্যবেক্ষণ সাইট অ্যালেক্সায়ও (alexa.com) ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে এই সাইটিতে ভিজিট করার তথ্য নেই। তবে গত ১০দিনে বাংলাদেশে এই সাইটের (nuranichapa.wordpress.com) ট্রাফিক সিরিয়াল ১৩৭, যদিও ব্লগটি এখন বন্ধ রয়েছে।

    এ বিষয়ে আমারব্লগ ডটকমের অন্যতম অ্যাডমিন সুশান্ত দাস গুপ্তের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “ওয়ার্ডপ্রেসে থাবা বাবার নামে যে নূরানী চাপা সমগ্র লেখা হয়েছে একটু ভালো করে দেখলে দেখবেন- ২০১২ সালের ১৮ জুন ৩টি, ২১ জুন ১টি, ২৪ জুনের ১টি লেখা রয়েছে। ২৬ জুনে মোট ৯টি লেখা পোস্ট করা হয়েছে, যা একজন ব্লগারের পক্ষে কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

    “এরপর জুলাই মাসে সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। ২৬ অগাস্টে ৪টি এবং ২ অক্টোবর ১টি। ২ অক্টোবরের লেখাটিই ছিল সর্বশেষ। এই লেখাগুলো রাজিবের অন্য কোনো ব্লগেও আসেনি। কেউ মন্তব্যও করেনি। এটা কীভাবে সম্ভব?”

    প্রকৌশলী সুশান্ত অ্যালেক্সা এবং কোয়ান্টকাস্টের তথ্য তুলে ধরার পাশাপাশি বলেন, “ব্লগটি ১ বছর আগের দেখানো হলেও ওয়েব আর্কাইভে (web.archive.org/web/*/http://nuranichapa.wordpress.com) এর কোন হদিস নেই।”

    ব্লগার ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরাও বলছেন, ‘নূরানী চাপা সমগ্র’ ব্লগ রাজীবের খুনের পর খোলা হয়েছে। ষড়যন্ত্রমূলকভাবে জামায়াত-শিবির এই অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও কয়েকজন ব্লগার অভিযোগ করেন।

    ইতোমধ্যে ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে ১২টি ব্লগ ও ফেইসবুক পেইজ বন্ধ করে দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে বিশেষ টিম (বিডি-সিএসআইআরটি)।

    এর মধ্যে রয়েছে জামায়াত শিবিরের কর্মীদের পরিচালিত সোনার বাংলা ব্লগ এবং বাঁশের কেল্লা নামে ফেইসবুক পেইজ।

    সূত্র: http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article595435.bdnews
    ***********************************************************************
    "nuranichapa.wordpress.com"  রাজীবের হোক বা না হোক, নুরানী চাপার লেখাগুলো যে রাজীবের সেটা বিডিনিউজ না জানলেও সুশান্তের অজানা থাকার কথা নয়। কিন্তু মিথ্যাচারের নোংরা রাজনীতির লোভ তিনি সামলাতে পারলেন না। (কেউ কেউ অবশ্য এগুলো দেখতে চান না, উনারা চোখ বন্ধ করে রাখেন।) 
     
    স্বগর্বে ফেসবুকে সুশান্তের প্রচার:
    সুশান্ত ফেসবুক স্ট্যাটাস
     
    মজার বিষয় হচ্ছে বিডিনিউজ সুশান্তের বরাত দিচ্ছে, আর সুশান্ত দিচ্ছে বিডিনিউজের বরাত। মজাই মজা। যত ইচ্ছা মিথ্যাচার করো, কোন অসুবিধা নাই, সব এখন জায়েজ। কিন্তু মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করা যাবে না, বিচারের ক্ষতি হবে, জামাত সুযোগ নেবে!!!

    1. 44.1
      এস. এম. রায়হান

      প্রথমত,

      "nuranichapa.wordpress.com" রাজীবের হোক বা না হোক, নুরানী চাপার লেখাগুলো যে রাজীবের সেটা বিডিনিউজ না জানলেও সুশান্তের অজানা থাকার কথা নয়।

       ভাষা দেখেই তো অনুমান করা যায় সেগুলো রাজীবের নিজের লেখা।
       
      দ্বিতীয়ত, যে সুশান্ত দিনের আলোয় এতবড় মিথ্যাচার করেছে তার পরিচালিত ব্লগেই তো ইসলামের নবীকে হেয় করে থাবা'র একটি পোস্ট এখনো শোভা পাচ্ছে। ক্যামনে কী!
       
      তৃতীয়ত, থাবা নিকে নাগরিক ব্লগে ইসলামের নবীকে চরমভাবে হেয় করা একটি লেখা নিয়ে সদালাপে অনেক আগেই একজন একটি পোস্ট দিয়েছিল। উল্লেখ্য যে, নাগরিক ব্লগে থাবা'র লেখাগুলো ইতোমধ্যে মুছে ফেলা হয়েছে।
       
      চতুর্থত, nuranichapa.wordpress.com ব্লগটি রাজীবের না হলে সেটি কার তৈরী করা ব্লগ তার পক্ষে কি কোনো প্রমাণ দেয়া হয়েছে? না! এটা তো হতেই পারে যে, রাজীব তার লেখাগুলো নিজস্ব একটি ব্লগে সঙ্কলন করে রাখতে চেয়েছিল যাতে করে লেখাগুলো হারিয়ে না যায় (এই কাজ আরো কেউ কেউ করেছে বলে মনে পড়ে, আমি নিজেও এরকম চিন্তা অনেক আগে থেকেই করছি কিন্তু সময় ও ইচ্ছার অভাবে হয়ে ওঠেনি)। এজন্যই একই দিনে একাধিক লেখা সেখানে পোস্ট করা হয়েছে। এই ধরণের নিজস্ব ব্লগ অন্যত্র প্রচার করা না হলে সহসা কেউ জানতে পারে না বিধায় ভিজিটর বা মন্তব্য না থাকাটাই স্বাভাবিক।

      1. 44.1.1
        শামস

        তৃতীয়ত, থাবা নিকে নাগরিক ব্লগে ইসলামের নবীকে চরমভাবে হেয় করা একটি লেখা নিয়ে সদালাপে অনেক আগেই একজন একটি পোস্ট দিয়েছিল। উল্লেখ্য যে, নাগরিক ব্লগে থাবা'র লেখাগুলো ইতোমধ্যে মুছে ফেলা হয়েছে।

         
        গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট! সদালাপের এই লেখাটা আগেই দেখেছিলাম, মনে করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ। 
         
        ফেসবুকে এই বিকৃতরুচির থাবাবাবার পোস্ট যখন দেখতাম তখন খারাপই লাগত। ফেসবুকে তার সাথে একই রুচির কিছু দলবল প্রায় সবসময়ই থাকত, যাদের এখনো দেখা যায়। বিদ্বেষটাকে আপাতত ঢেকে রাখছে! থাবাবাবাকে যেভাবে ধুয়ে পাকসাফ করা হচ্ছে, তাদেরকেও হবে এই আশায় শীঘ্রই তাদের বিকৃতরূপ দেখানো শুরু করবেন।  তাদের জেল-জুলুমেরও ভয় নেই।  একটা অসুস্থ লোকের সাথে তার পোস্টে গিয়ে প্রতিবাদ করাটা অর্থহীন মনে হওয়ায় কেবল দেখে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না। এখন যেমন এই থাবাবাবা নামক মানসিক বিকলাঙ্গের দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের শহীদ হওয়া দেখছি!
         

      2. 44.1.2
        শামস

        নাগরিক ব্লগ থাবার পোস্ট মুছে দেয়া হল কেন? এই ব্লগ এর মালিক কে?

    2. 44.2
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      https://www.facebook.com/thaba.baba/posts/341786779231910

    3. 44.3
      পথিক

      মজার বিষয় হচ্ছে বিডিনিউজ সুশান্তের বরাত দিচ্ছে, আর সুশান্ত দিচ্ছে বিডিনিউজের বরাত। মজাই মজা।


      বিডিনিউজের এই প্রতিবেদকও সুশান্ত নিজে কি না, কে জানে!

      1. 44.3.1
        শামস

        বিডিনিউজের এই প্রতিবেদকও সুশান্ত নিজে কি না, কে জানে!

        নিজে না হলেও হয়তো তার আপন ভাই, নয়তো খালাত ভাই, নিদেনপক্ষে আদর্শের ভাই!

    4. 44.4
      মুনিম সিদ্দিকী

      যে সব মানুষ আখেরাতের হিসাব নিকাশ সম্পর্কে বিশ্বাস রাখেন না, সেই সব দুনিয়া লোভী দুনিয়াতেই তাদের স্বার্থ টিকিয়ে রাখার প্রচেষ্টার রাজনীতিতে গোয়েবলসীয় কায়দায় সত্যকে মিথ্যা, মিথ্যাকে সত্য বলে বার বার প্রচার চালিয়ে যায়। এইটি নাস্তিক্যবাদীদের একটি দর্শন। একটি অস্ত্র। এইটি তাদের ধর্ম। এইটি তাদের বিশ্বাস। এই ধরণের কাজকে তাঁরা অনৈতিক বা অন্যায় বলে মনে করেনা। আর এই ধরণের কাজের জন্য তাদের বিবেকও দংশিত হয়না।

      যদি কোন মানুষের কলবে আল্লাহর প্রতি ঈমান তাঁর রাসুল সাঃ এর নাবুয়াতের প্রতি বিশ্বাস এক কনা পরিমাণ থাকে সেই মানুষটি দুনিয়ার অন্য কোন কিছুর সাথে যত মিথ্যাচার করেনা কেন, আল্লাহ ও আল্লাহর রাসুল সাঃ শানে কেউ অমর্যাদা এমন মিথ্যাচার সে কখনো করতে পারেবা। কেউ করলে সেখানে সে প্রতিবাদ জানাবে এই মিথ্যাচারের জবাব দেয়া তাঁর কাছে ঈমানী কর্তব্য বলে মনে করবে।
       
      বাংলাব্লগ জগতে দীর্ঘদিন থেকে আছেন তাঁরা জানেন, বাংলা ইসলামী বিদ্বেষী ব্লগের সূতিকাঘর মুক্তমনা, ধর্মকারী, হালে নবযুগ, আমু, সামু ইত্যাদি ব্লগে আল্লাহ, ইসলাম, মুহাম্মদ সাঃ আল কোরআন এবং আমাদের সাহাবায়ে কেরামগণ, উলামায়ে কেরামগণের নামে কি জগণ্যভাবে তাঁরা লেখনির মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে এসেছে এবং আমাদের শতশত যুবক তরুণদেরকে তাঁরা বিভ্রান্ত করে চলছে।

      বর্তমান রাজীব বিষয়ক জটিলতা নিয়ে তাঁরা যে ধারায় অপপ্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে তাতে তাঁরা যে ইসলাম বিদ্বেষী তা খুব সহজে প্রমাণিত হয়ে পড়ছে। যেহেতু তাঁরা নাস্তিক তাই তাঁরা আল্লাহর শক্তি সম্পর্কে জ্ঞান রাখেনা। কারণ তাঁরা জানেনা যে আল্লাহ হচ্ছেন এই বিশ্বভ্রমান্ডের বড় কৌশলী। দুনিয়ার কোন শক্তির কৌশল তাঁর কৌশলের কাছে কিছুই নয়।

      আমার দুঃখ! দীর্ঘদিন থেকে এই বাংলা ব্লগ জগতে দলের উর্ধে উঠে আমরা ইসলাম বিদ্বেষীদের বিরুদ্ধে কাধে কাধ লাগিয়ে লড়াই করে এসেছি। আমাদের সাথী আমাদের মুজাহিদ ভাই যারা প্রগতিশীল রাজনীতি করেন, বা আওয়ামী ঘরানার রাজনীতিকে সমর্থন করেন তাদের মধ্যে কি এমন একজন নাই যিনি আজ বুক ফুলিয়ে সত্য সাক্ষ্য দিতে এগিয়ে আসবেন। বলবেন- রাজীব ইসলাম বিদ্বেষী ছিল, সে তাঁর লেখা দিয়ে আল্লাহ, ইসলাম, কোরআন, মুহাম্মদ সাঃকে অপমান করে লিখত। আজ যারা সেই রাজীবকে নিরীহ ব্লগার বলে প্রচারণায় নেমেছেন তাঁরা মিথ্যা প্রচার করছেন!

      1. 44.4.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

         আমাদের সাথী আমাদের মুজাহিদ ভাই যারা প্রগতিশীল রাজনীতি করেন, বা আওয়ামী ঘরানার রাজনীতিকে সমর্থন করেন তাদের মধ্যে কি এমন একজন নাই যিনি আজ বুক ফুলিয়ে সত্য সাক্ষ্য দিতে এগিয়ে আসবেন। বলবেন- রাজীব ইসলাম বিদ্বেষী ছিল, সে তাঁর লেখা দিয়ে আল্লাহ, ইসলাম, কোরআন, মুহাম্মদ সাঃকে অপমান করে লিখত। আজ যারা সেই রাজীবকে নিরীহ ব্লগার বলে প্রচারণায় নেমেছেন তাঁরা মিথ্যা প্রচার করছেন!  

        -- চমৎকার আহ্বান, কিন্তু আপনার নিজের উপরে এতো কম আস্থা কেন? প্রগতিশীল/ আওয়ামীলীগের স্বাক্ষী লাগবে কেন? 
         
         

    5. 44.5
      শামস

        মজার বিষয় হচ্ছে বিডিনিউজ সুশান্তের বরাত দিচ্ছে, আর সুশান্ত দিচ্ছে বিডিনিউজের বরাত।

       
      আসলেই মজা!!!! 
      এই চরিত্রগুলার সাথে পত্রিকাগুলোকে চিনে রাখা দরকার। যাতে ভবিষ্যতে কোন খবরের সুত্র এসব পত্রিকা থেকে আসলে দু'তিনবার চেক করার ব্যাপারটা মাথায় থাকে।

  22. 43
    এস. এম. রায়হান

    পুলিশ জানিয়েছে, একটি চক্র ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে বিভিন্ন অপপ্রচার চালিয়ে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। এ চক্রের সঙ্গে ফারাবির কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    সূত্র: http://www.prothom-alo.com/detail/date/2013-02-25/news/332035

    হায়! হায়! মিথ্যুকের দল বলে কী!!!

  23. 42
    সদালাপ কর্তৃপক্ষ

    আপনার প্রথম লেখাটি editor.shodalap.org@gmail.com এই ইমেইলে পাঠিয়ে দিন। একটি লেখায়, পারলে একটি বিষয় এড্রেস করবেন, ফোকাসড থাকবেন, কনজেকচার এভয়েড করবেন, কোন কিছু ক্লেইম করলে উপযুক্ত রেফারেন্স দেবেন। লেখা পাঠান- উই টেক ইট ফ্রম দেয়ার।

    আপনার কথায় সদালাপের সম্মানিত লেখকদের সম্পর্কে ধৃষ্টতাপূর্ণ মন্তব্য লক্ষ্য করছি। একটি বই ডাউনলোড করেই আপনি লেখকদেরকে ন্যাংটা করতে চাইছেন, বইটি পড়া শেষ হলে তবে কি করবেন? এছাড়া এখানে সকলকে ইসলামও শেখাতে চাইছেন। এব্যাপারে আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতা বা আগের লেখার কোন নমূনা কি আছে, নাকি সদালাপেই প্রথম মুসলিমদের ইসলাম শেখানোর চেষ্টা হবে? এ প্রশ্নগুলির উত্তর প্রথম লেখাটির সাথে ইমেইলে সংযুক্ত করবেন।

    অপ্রাসঙ্গিক বিধায়, এই পোষ্টে আপনার, ও অন্যান্য লেখকদের আপনার মন্তব্যের ব্যাপারে প্রতিমন্তব্য/আলোচনা স্থগিত হচ্ছে।  ধন্যবাদ- সম্পাদক, সদালাপ। 

  24. 41

    একটা বিষয় বুঝলাম না। সেটা হলো আপনারা আসলে কি বলতে চাইছেন।
    বর্তমানে দেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে আন্দোলন চলছে যেটা অনেক আগেই হয়ে যাওয়ার কথা ছিল , কিন্তু নানা কারনে হয় নি। তাই দেশের কাছে আমরা দায়বদ্ধ হয়ে আছি। এখন সেই দায় মুক্ত হওয়ার মোক্ষম সুযোগ পাওয়া গেছে। এখানে কে নাস্তিক , কে কাফির , কে মুরতাদ এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর তো কোন কারন দেখি না। একজন আস্তিক যেমন তার দেশকে ভালবাসে তেমনি ভালবাসে একজন নাস্তিক। আগের বিচার আচার শেষ হোক, তার পর কাফির নাস্তিক নিয়ে না হয় আলোচনা করা যাবে। এখনই এ সব বিষয় নিয়ে কথা বলার সোজা অর্থ বিচার কাজে যে কোন ভাবে গ্যঞ্জাম বাধান।

    1. 41.1
      সাদাত

      এখানে কাফির নাস্তিক নিয়ে কোন আলোচনা হচ্ছে না। সমালোচনা করা হয়েছে মিথ্যাচার আর ভণ্ডামির। ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য সত্য গোপন, মিথ্যাচার আর ভন্ডামির কোন দরকার নাই। 

  25. 40
    সাদাত

    মৃত হবার সুবাদে কোন মুসলিমকে কিন্তু তার কুকীর্তির জন্য ছেড়ে দেওয়া হয় না, কিন্তু একজন ঘৃণ্য ইসলামবিদ্বেষী কুকুরকে ছেড়ে দিতে হবে! 

    কোন রাজাকার যদি  ৯০ এর আন্দোলনে মারা যেত তাহলে  কি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের কেউ তাকে সহযোদ্ধা ভাবতো, কোনপ্রকার সম্মানজনক উপাধিতে ভূষিত  করতো? কস্মিনকালেও  না। কিন্তু নবী(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে নিয়ে এত জঘন্য অরুচিকর অখাদ্য রচয়িতা যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে শরিক হয়ে কোনভাবে মারা যায় (কারণ যাই হোক), তাকে সহযোদ্ধা ভাবতে, তাকে সম্মানজনক উপাধিতে (যে উপাধিই হোক) ভূষিত করতে একজন মুসলিমের রুচিতে বাধে না। ঐ অখাদ্য লেখা কোথাও প্রকাশ হলে ইসলাম অবমাননায় দু:খে কলিজা ফেটে যায়, কিন্তু লেখাগুলোর রচয়িতার জন্য সম্মান কামনা করতে ইমলামি আত্মসম্মানে এতটুকু আটকায় না!
     
    একটা কুকুরের জানাযা পড়ানো হয়েছে, কী আর এমন হয়েছে?  এটা তো আল্লাহর দেওয়া সম্মান!
    হয়তো দেখা যাবে  এখন থেকে প্রতি বছর এই দিনে মসজিদে মসজিদে তার জন্য দুআর আয়োজন করানো হবে, কারণ সেটাও হয়ত তার পাওনা!
     
     
    আমার বলার কিছু নাই। আমি বাকরুদ্ধ!

    1. 40.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      এখন আমাদের ন্যায় অন্যায় আচার বিচারের সব মাপকাঠি হচ্ছে -- “আপনি কি আওয়ামীলীগের পক্ষের?” তাহলে আপনি যে অপরাধ করেন না কেন আপনার পার পাওয়ার কোন অসুবিধা নাই।

      মানুষ কত স্ববিরোধিতাই না দেখাচ্ছে! জিন্নাহ মৃত; জিন্নাহ ৭১ সালে কোন বাংগালীকে হত্যা ধর্ষণ করার জন্য নির্দেশ দেন নি। কিন্তু  তাকেও কেউ মৃত বলে ছাড় দিচ্ছেন না। আর জিয়া একজন বাংগালী , মুক্তি যোদ্ধা এবং মুসলিম কিন্তু তাকেও ২৪ ঘন্টা গালী দেয়া যায়। এতে মুসলমানিত্বে কোন দোষ হয়না। হয়ে যায় থাবা বাবা নামক এক ইসলাম-বিদ্বেষী নাস্তিকের বেলায়!!!!!
       

  26. 39
    শাহবাজ নজরুল

    link
    সেলিম বলেন,

    মিথ্যা তথ্য রাজীবের ব্লগে দিয়ে তা নিয়ে আমার দেশ ও নয়া দিগন্ত সংবাদ প্রকাশ করছে দাবি করে এই পত্রিকা দুটির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান তিনি।

    ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে রাজীবের ব্লগে ধর্মবিদ্বেষী কিছু ছিল না। রাজীবকে হত্যার পর জামায়াত-শিবির তার ব্লগে ঢুকে অপপ্রচার চালিয়েছে। ধর্মীয় অনুভূতিকে আঘাত এনে দেশবাসীকে উস্কানি দিয়েছে। রামুর ঘটনায়ও তারা একই কাণ্ড করেছে।

    আগে জানতাম কেবল জামাতে মিথ্যা বলে -- এখন দেখি মিথ্যার দৌড় চলতেছে … কে কার চাইতে বেশি মিথ্যা বলতে পারে তার প্রতিযোগিতা …
    এ দেশের ভবিষ্যত খুউউউউউউব উজ্জ্বল …

    1. 39.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      রাজনীতিবিদরা কখনও সত্য কথা বলেছে? 

      1. 39.1.1
        শাহবাজ নজরুল

        তাহলে কে সত্য বলে? অমি পিয়াল না জেবতিক না সুশান্ত না আইজু? ছোটো ব্লগের গন্ডিতে তো উনারা কখনো মিথ্যা বলেন নাই। তাহলে যখন সারা দেশ চালানোর অনাহুত ক্ষমতা তারা পেয়ে গেলেন -- তখন কি তারা শেখ সেলিম হয়ে গেলেন??? আর যদি শেখ সেলিমই হয়ে যান তাহলে উনাদের কাছ থেকে বিরাট কিছু আশা করেন কিভাবে?

        1. 39.1.1.1
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          আমি রায়হানের কমেন্টের জবাবে বলেছিলাম -- এখন যুদ্ধ চলছে -- দুইপক্ষই সত্যমিথ্যার ধার ধারবে না। সুতরাং এইটা এখন আপনার উপর নির্ভর করে আপনি কোনটাকে গ্রহন করবেন -- কোনটাকে বর্জন করবেন -- অথবা একটা সতর্ক অবস্থানে থাকবেন। 
           
          কথাটা আপনিও বলেছেন এখন গোবয়েবলসীয় কর্মকান্ড চলছে -- সুতরাং মনে হয় জাজ করা কঠিন হবে কে সত্য বলছে।
           
          আমি ব্যক্তিগত ভাবে সাইট ইস্যুগুলো দ্বারা প্রভাবিত না হওয়ার পক্ষে। মুল ইস্যু হলো ৪২ বছরের পুরানো হিসাবটা মিলানো -- একটা বিচার -- কতিপয় ব্যক্তি এবং সংগঠনের -- সেই কাজ শেষ হলো হিসাব কিতাব মিলানোর সময় পাওয়া যাবে। 

        2. শাহবাজ নজরুল

          "And do not mix the truth with falsehood
          or conceal the truth while you know [it]." [Quran 2:42]

        3. মুনিম সিদ্দিকী

          আমি ব্যক্তিগত ভাবে সাইট ইস্যুগুলো দ্বারা প্রভাবিত না হওয়ার পক্ষে। মুল ইস্যু হলো ৪২ বছরের পুরানো হিসাবটা মিলানো — একটা বিচার — কতিপয় ব্যক্তি এবং সংগঠনের — সেই কাজ শেষ হলো হিসাব কিতাব মিলানোর সময় পাওয়া যাবে।

           
          আচ্ছা জিয়াভাই এই বিচার হতে কেন ৪২ বছর লাগল? আমার তো জানা নেই যুদ্ধাপরাধীদের বিচার না করার জন্য সংসদে কোন ইন্ডেমনিটি বিল জিয়া বা খালেদা পাশ ্করেছিল!  যদি দেশে আইনের কোন প্রতিবন্ধকতা ছিলনা তাহলে কি কারণে এত দিন আপনারা ঘুমিয়ে ছিলেন?
          যারা মুক্তিযোদ্ধের শোল এজেন্ট বলে দাবিদার তাদেরও তো এই বিচার না করার বিচার হওয়া উচিত নয় কি?
          যতদিন পাকিস্তানী মূল অপরাধীদের বিচার না হবে ততদিন কোন হিসাব কিতাব মিলবেনা। আর যারা মূলদের রেখে শযোগীদের বিচার করে হিসাব নিকাশ শেষ করার দায়িত্ব পালন করবেন বলে যারা বলে বেড়ান তাঁরা সত্যকে উপলব্ধি করতে পারছেন না বলে মনে হচ্ছে।

        4. 39.1.1.2
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

           অমি পিয়াল না জেবতিক না সুশান্ত না আইজু?

           
          এই বিষয়েও কি বলবো -- আপনিও ওদের চেনেন -আমিও চিনি! গত দুইদিনে দেখলাম জেবতিক সাহেব উনার ফেবু বন্ধ রেখেছিলেন -- আশা করি ধারনা করতে পারি কি কারনে। আর আমি যতটুকু দেখেছি অমি নিজে কখনই নাস্তিকদের দেখতে পারতো না। নাস্তিকতার বিরুদ্ধে কিছু লেখাও দেখেছি আমু প্রথম দিকে। আর আইজুদ্দিন দুই দিকেই সমান। আয়েশা (রাঃ) নিয়ে দারুন বিতর্ক করেছে রসুল (সঃ) এর পক্ষে আবার বিপক্ষে উল্টাপল্টা বলেছে। সুতরাং এই বিষয়ে আর কি বলবো। 
          আমি আবারো বলি -- একটা মৃত মানুষকে ঘিরে যে ফেতনা তৈরী হয়েছে তার থেকে আপাতত দুরে থাকি। তার মানে এই না যে আমি যুদ্ধ থেকে সরে যাচ্ছি। ধন্যবাদ। 

  27. 38
    সাদাত

    মিথ্যাচারের প্রমাণ:
    অনির্ধারিত আলোচনায় বক্তব্য দিতে দাঁড়িয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ব্লগার রাজীব হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে ওই বিচারককে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানান।

    তিনি বলেন, “ওই বিচারপতি এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। হত্যার নায়ক হিসেবে এ বিচারপতি কাজ করেছে। তাকে ইন্টারোগেশনের আওতায় আনা হোক।”

    “এই বিচারপতি রাজনৈতিক দলের কর্মী হয়ে কাজ করেছেন, তাহলে জনগণ বিচার পাবে কী করে? জঘন্য এ ঘটনা একাত্তরের জামায়াত-শিবিরের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। জামায়াতের পক্ষ নিয়ে তাহলে তিনি আদালতে বসে আছেন?”

    “বিচারপতি হয়ে মুরতাদ আখ্যা দেন কী করে? রাজীবকে মুরতাদ আখ্যা দেয়ার ওই বিচারপতি কে? হুমায়ূন আজাদকে মুরতাদ বলে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। রাজীবকেও মুরতাদ বলছেন এই বিচারক,” বলেন সেলিম।

    তিনি বলেন, রাজীবের মৃত্যুর পর তার ব্লগ হ্যাক করে অপপ্রচারের উদ্দেশ্য গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলন নস্যাৎ করা।

    বিচারপতি মিজানুর সংবিধান লঙ্ঘন করেছেন দাবি করে এই আইন প্রণেতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠনের দাবি জানান।

    আবদুল মান্নান বলেন, “রাজনৈতিক পক্ষ নিয়ে বিচার বিভাগকে ব্যবহার করে ওই বিচারপতি ক্ষমার অযোগ্য কাজ করেছেন।”

    আলোচনার শেষ পর্বে আইনমন্ত্রী দৈনিক ইনকিলাব, দৈনিক আমার দেশ ও দৈনিক নয়াদিগন্তের নাম উল্লেখ করে বলেন, “পত্রিকার রুলও আমরা জনি। এ সংবাদটি নিজেরাই তৈরি করে এভাবে দিয়েছে। যাতে বিতর্ক তৈরি হয়।”
     
    সূত্র: 
    সেই বিচারকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: আইনমন্ত্রী

    সংসদ প্রতিবেদক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

    Published: 2013-02-19 12:16:03.0 Updated: 2013-02-19 17:30:28.0

    1. 38.1
      সাদাত

       
      বিষয়টি উত্থাপন করে মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ব্লগার রাজীব হায়দারকে জড়িয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়ে কিছু অসত্য ও কুরুচিপূর্ণ সংবাদ ছাপানো হয়েছে। সেই সব সংবাদ সুপ্রিমকোর্টের কাগজ, প্রিন্টার ও খাম ব্যবহার করে প্রধান বিচারপতিসহ বিচারকদের কাছে বিলি করেছেন বিচারপতি মিজানুর রহমান ভূঁঞা। তিনি নিজেই উদ্যোগী হয়ে ওই সংবাদটি ফটোকপি করে পিয়ন ও জমাদারদের দিয়ে বিলি করিয়েছেন। চুন্নু বলেন, আমার দেশ, ইনকিলাব সংগ্রামসহ ইন্টারনেটে রাজীবের নামে জামায়াত-শিবিরের আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র চলছে। তার নামে আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কেও মিথ্যাচার, অসত্য কথা পোস্ট করা হয়েছে। আমি মনে করি, এটা একটা ষড়যন্ত্র এবং এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে তিনি জড়িত। আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, বিষয়টা অবিলম্বে সুপ্রিম জুডিশিয়ালের কাছে নেওয়া হোক।

      শেখ ফজলুল করিম সেলিম বলেন, বিচারপতি যদি তার দায়িত্ব কর্তব্য ভুলে কোনো রাজনৈতিক দলের হয়ে কাজ করেন তাহলে জনগণ কী বিচার পাবে। গণজাগরণের ব্লগার কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাকে (রাজীবকে) মুরতাদ বলে প্রচারিত সংবাদের কপি বিতরণ করেন বিচারপতি। সংবিধান লঙ্ঘন করে আইন নিয়ম ভঙ্গ করে যে গর্হিত কাজ করেছেন তা তদন্তে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করতে হবে। উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ বলেন, বিচারক ওইসব পত্রিকা বিতরণ করে রাজপথের হকারের মতো কাজ করেছেন। তিনি জাতির বিবেকের ওপর আঘাত হেনেছেন। এটা একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের প্রতি ধৃষ্টতা। অ্যাডভোকেট ফজলে রাবি্ব মিয়া বলেন, এটি আমাদের বিচার বিভাগের জন্য কলঙ্কজনক ও গর্হিত বিষয়। একজন সিটিং বিচারপতি গণজাগরণের শহীদকে নিয়ে জামায়াত শিবিরের সৃষ্টি কিছু কুরুচিপূর্ণ ও অসত্য তথ্য প্রচার করেছেন। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। জবাবে আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার শফিক আহমেদ বলেন, একজন বিচারপতি হয়ে যে কাজ করেছেন তা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এই কাজ ও তার আচরণকে অসদাচারণমূলক বলা যায়। এই পরিপ্রেক্ষিতে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির তার ক্ষমতাবলে প্রধান বিচারপতিকে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল গঠন করার জন্য বলতে পারেন।
      সূত্র: http://www.bd-pratidin.com/?view=details&type=single&pub_no=1008&cat_id=1&menu_id=1&news_type_id=1&index=10&archiev=yes&arch_date=20-02-2013

      1. 38.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        সাদাত,
         
        সংসদের পুরো কার্যবিবরনীটাই দেখেছি। রাজনৈতিক নেতারা সব সময় নিজেদের পক্ষের নিহত ব্যক্তিদের "শহীদ" হিসাবে চিহ্নিত করে। যেমন শহীদ জিয়াউর রহমান -- শহীদ গোবিন্দ চন্দ্র দেব শহীদ আসাদ বা শহীদ মতিউল এবং শহীদ কাদের ( এরা ছিলো কমিউনিস্ট)। 
         
        পরিষ্কার কথা হলো এই শহীদ ইসলামের পরিভাষার শহীদ না -- এইটা কালচারাল শহীদ। এই সোজা বিষয়টা নিয়ে বিতর্কের কোন কারন দেখছি না। বিশেষ করে রাজনৈতিক নেতারা তো আর মুফতি না -- এরা ধর্ম বিষয়ক কোন ঘোষনা দেন না। 
         
        সংসদে যা আলোচনা হয়েছে সবটুকু পলিটিক্যাল। -- এর ধর্মীয় মূল্য কতটুকু। 
         
        আমার প্রশ্নটা ছিলো সংসদে কেউ কি রাজিবকে "নাস্তিক না" কথাটা বলেছে। ( মুনিন ভাই প্রবল জোসে ব্লগিং করছেন -- উনি উনাকে সংযত করার জন্যেই প্রশ্নটা করেছিলাম। কারন গতকাল দেখেছি উনি কোরান আলোচনার করার বিষয়ে শর্ত দিয়ে একটা আউটলাইন দিয়েছেন -- খটকা লেগেছে -- যা কোরানে নেই -- যা হাদিসে নেই -- তা বলা কতটুকু ঠিক। কোরআন পড়ার জন্যে এবং তা আলোচনা জন্যে কোন বিশেষ ধরনের শর্ত আছে আমি জানতাম না)। 

      2. 38.1.2
        শামস

        থাবাবাবা ওরফে রাজিব জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে লেখত সেটা ঠিক, আবার মুহ্ম্মদ (সা:), ইসলামকে নিযে কুরুচিপুর্ন লেখা লিখত সেটাও ঠিক!
        এই রাজনৈতিক নেতারা নাস্তিক বলেন নাই সেটা ঠিক, তবে মিথ্যা কথা বলছেন সেটাও ঠিক!
         

        1. 38.1.2.1
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          তবে মিথ্যা কথা বলছেন সেটাও ঠিক

           
          -- কারা মিথ্যা বলেছে, রাজনৈতিক নেতারা, থাবা মারা যাওয়ার পর যে সাইটটি চালু হয়েছে তা নিয়ে সন্দেহ করার মতো যথেষ্ঠ কারন আছে, সেইটাই হয়তো বলতে চেয়েছে। সবার পক্ষে ট্যাকনিক্যাল টার্মগুলো বলা সম্ভব নয়। আমি উপরে দেখিয়েছি -- থাবা নাস্তিক ছিলো তা জানতো মাত্র কয়েকশ মানুষ, একটা বিশেষ ওয়েব সাইটের কথা প্রচার করার পর তা জানতে পারে কয়েক হাজার আর আমার দেশের সুবাদে সারা দেশের মানুষ। এখ্ন স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠলো -- থাবার মরার পর সাইটটা চালু হলো তা কি থাবার লেখা -- এই বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া কঠিন। শিবিরে মিথ্যাচারের নমুনা দেখে যে কেহই ধারনা করতে পারে শিবির এই কাজ করেছে। 
           
          কয়েকটা ঘটনার পরম্পরার কারনেই বিষয়টা জটিল হয়ে উঠেছে
           
          ১) থাবার কিছু কুরুচীপূর্ন লেখা ছিলো কয়েকটা ব্লগে।আগে 
          ২) থাবা মৃত্যুর কয়েকদিন আগে সোনারবাংলাদেশ ব্লগ থাবার উপর একটা পোস্ট দেয় -- যেখানে থাবাকে একটা নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি হিসাবে বর্ননা করে তা ইসলাম বিদ্বেষ নিয়ে প্রচুর কথা বলা হয়।
           
          ৩) থাবা যেদিন মারা গেলো -- সেইদিনই সোনারবাংলাদেশ প্রথম থাবার সংক্রান্ত পোস্টটা সরিয়ে ফেলে -- পরে পুরো সাইটকে ডাউন করে। যদি্ সরকার বলছে তারা সাইটটি ব্লক করেছে -- কিন্তু সরকারের ঘোষনার অন্তত ২৪ ঘন্টা আগেই সাইটি হ্যাক করার কথা বলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
          ৪) ্এর পরই শিবিরে মিডিয়া সেন্টার বাঁশেরকেল্লা থেকে নুরানীচাপার কথা প্রচার করা হয়। এই সাইটের কথা আগে জানা ছিলো না। 
           
          ৫) পরদিন বাংলাদেশ থেকে মাত্র সাড়ে তিন হাজার হিট হয়
          -৬)  এর পর দিন নয়া দিগন্ত আর আমার দেশ এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট করে। যা পুরো বাংলাদেশে ছড়িয়ে যায়
          ৭) শিবিবের কর্মীরা পত্রিকার লিংক ছড়িয়ে দেয় এবং ফটোকপি করে তা ছড়ায়।
          ৮) সাধারনের মাঝে একটা ধারনা তৈরী হয় যে ব্লগার মানেই নাস্তিক এবং শাহবাগে নাস্তিকরা ইসলামের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে।
           
          ৯) কোন ঠাসা শিবির -- জামাত আবার রাস্তায় নামার সুযোগ পেয়ে যায়।
          ১০) গত সপ্তাহে এই ১২ দলের সাহায্যে জামাত পণ্টনে একটা সমাবেশ করতে চেষ্টা করেছিলো -- সাঈদী মুক্তি মঞ্চ নামে। কিন্তু পুলিশের তৎপরতায় তা ভেস্তে যায়। পরে তারা ২ দিন পর সমাবেশের ঘোষনা দিলেও সমাবেশ করেনি -- কারন জনগনের কাছ থেকে কোন সাড়া পাবার সুযোগ ছিলো না। তার সমাবেশ করতে না দিলে ৭২ ঘন্টার হরতালে কথা ঘোষনা করে রেখেছিলো -- কিন্তু তা কার্যকর হয়নি।
          ১১)  নাস্তিকতার কার্ড লেখে জামাত-শিবির তাদের কর্মসূচীটাই হাক্কানী আলেমদের এক অংশে উপর চাপিয়ে দিয়েছে। এখন খেলা দুই দল -- শাহবাগের ব্লগার বনাম ১২ ইসলামী সমমনা দল। 
          এ্ই হিসাবটা খুবই পরিষ্কার। এখানে বলে রাখা দরকার রাজিব শাহবাগে নাস্তিকতা প্রচার করতে আসেনি বা শাহবাগের দাবীতে নাস্তিকতা বিষয়টি ছিলো না। তেমনি শাহবাগের থেকে উঠা ৬ দফার একটা ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধের বিষয়টি সরকারের অবস্থানের কারনে অর্থহীন হয়ে গেছে। 
          সুতরাং  এখন আমাদের চয়েজ -৪২ বছরের পুরোনো একটা হিসাব শেষ করা -- নাকি নাস্তিকদের পিছনে দৌড়ানোর নামে জামাত-শিবিরকে একটু ব্রিদিং স্পেস দেওয়া। 
           
          ধন্যবাদ। 

        2. শামস

           
          থাবাবাবার নাস্তিকতা না তার অসুস্থ মানসিকতার কূরুচিপূর্ণ ইসলাম বিদ্বেষটা মূখ্য্!
           

          নাকি নাস্তিকদের পিছনে দৌড়ানোর নামে জামাত-শিবিরকে একটু ব্রিদিং স্পেস দেওয়া। 

           
          এখনও আমুতে তার পোস্ট ঝুলছে আর মন্তব্যে আছে জনপ্রিয়তার নমুনা! মানসিকভাবে অসুস্থ থাবাবাবারা এতদিন ধরে ব্রিদিং স্পেসটা পেল কিভাবে? জামাত এখন ব্রিদিং স্পেস পেযে যায, কিন্তু থাবাবাবার কূকর্ম অস্বীকার করার মধ্য থেকে জামাত যে অক্সিজেন পাচ্ছে সেদিকে খেয়াল নেই!  
           
           

        3. নীরব সাক্ষী

          থাবা নাস্তিক ছিলো তা জানতো মাত্র কয়েকশ মানুষ,

          কথা ঠিক না। তার ওয়েবসাইট যদিও কয়েকশ মানুষ জেনে থাকে কিন্তু  তার ফেসবুকে ফলোয়ারের সংখ্যা ছিল ৬,৪০০! সে নুরানী চাপা শুরু করেছিল  গতবছর জুলাই (২০১২)  মাস থেকে যা এখন এই পোষ্টে উপরের ছবিতে জ্বলজ্বল করছে!

  28. 37
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    মুনিম ভাই 
     

    টিভির প্রতিবেদন থেকে এভাবে না বললেও এইটিভি ওয়ালারা আইন মন্ত্রী, জাতীয় সংসদের সদস্য বৃন্ধের অনেকেই ক্যামেরার সামনে দাবী করছেন যে, রাজিব গুড বয় সে নাস্তিক নয়। 

    -- ্এই ধরনের কথা কেউ বলেছে? আপনি নিশ্চিত যে জাতীয় সংসদের সদস্য বৃন্দের অনেকেই বলেছে -- রাজীব নাস্তিক ছিলো না। বৃন্দ মান একাধিক সদস্য বলেছেন -- আপনি কি নাম বলতে পারেন -- কমপক্ষে দুই জনের নাম -- যারা সংসদে দাড়িয়ে বলেছে "রাজিব নাস্তিক নয়" -- তাহলে সংসদের কার্যবিবরনী থেকে যাচা্‌ই করতে চাই। আমার মনে হয় আপনি ভুল করছেন। দয়া করে অতিরিক্ত আবেগ নিয়ন্ত্রন করুন। 
     

    1. 37.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      জিয়া ভাই আমি ভুল দেখিনি। এবং ভুল শুনি নি।  দিন ক্ষণ সময় তো বলে দিতে পারবনা।  আর যারা বলেছেন তাঁরা একজন সংসদ সদস্য যার নাম আমি জানিনা তবে তিনি রাগত ভাবেই সংসদে অভিব্যক্ত প্রকাশ করেছেন- এই ভাবে আমাদের ২য় মুক্তিযুদ্ধের ১ম শহীদ— এর নামে মিথ্যাচার চালিয়ে অপমান করা হচ্ছে। আইন মন্ত্রি তিনিও রাজীবের নাম উল্লেখ করে বলেছেন। তোফায়েল আহমদও একই অভিযোগ করেছেন। আমি হয়ত দিন ক্ষণ দেখিয়ে প্রমাণ দেখাতে পারবনা। কিন্তু সত্য একদিন প্রকাশ পাবেই তাঁর আপন শক্তিতে। ইনশাল্লাহ!

      1. 37.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        এই ভাবে আমাদের ২য় মুক্তিযুদ্ধের ১ম শহীদ-

        আপনার আগের কমেন্টে এই বাক্য ছিলো না- ্আপনি বলেছিলেন -- 
         

        রাজিব গুড বয় সে নাস্তিক নয়।

         
        -- রাজিব নাস্তিক নয় এই কথাটা সংসদে কেউ বলেছে কিনা, অনাবশ্যক নিজেদেরকে ফেতনা মধ্যে কেন জড়াচ্ছি -- সে তো তার আমল নিয়ে যায়গা মতো চলে গেছে -- আমাদের এই আলোচনায় তার আমলের কোন হেরফের হবে না -- শুধুই আমরা নিজেদের আমলনামায় কিছু ব্লক ষ্পট তৈরী করছি। 

  29. 36
    নীরব সাক্ষী

    খুব কষ্ট হয় যখন দেখি রাজীব থাবা বাবা'র কৃতকর্মকে  আরিফ জেবতিক মত  নামকরা ব্লগার অস্বীকার করছে নির্দিধায়।   আজকেও দেখলাম ৭১ টিভিতে। মিথ্যাচার দিয়ে সত্যকে ঢেকে রাখা যায়  না। আরো অবাক হলাম আরিফ জেবতিক নীজেকে প্র্যাক্টিসিং মুসলিম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছেন। তিনি নাকি মসজিদ কমিটির সদস্য! এ ডেভেলপমেন্ট হতাশার মধোও আশ ব্যাঞ্জক। আল্লাহ তাকে হেদায়ত দান করুন। এখন প্রশ্ন হচ্ছে তিনি একদিকে নীজেকে প্র্যাক্টিসিং মুসলিম হিসেবে দাবী করছেন, অন্যদিকে দিকে নির্দিধায় মিথ্যা বলছেন!  হায় আল্লাহ, মানুষ কীভাবে এত নির্লজ্জ হয়? বলে রাখা ভাল, আরিফ জেবতিককে স্বনামে ইসলাম বিদ্বেষী মন্তব্য করতে কখনো দেখিনি।  

    1. 36.1
      নির্ভীক আস্তিক

      উপরে জিয়াভাই বলেছেন-

      আমি মোটামুটি ১৬টা চ্যানেল দেখার সুযোগ পাই। কিন্তু কোথাও শুনিনি রাজীব নাস্তিক ছিলো না বলে কেউ দাবী করছে। জেবতিক আর অমি নিজেদের মুসলমান হিসাবে প্রচার করছে টিভিতে।

      জেবতিক ভাই যে রাজীবের কু-কৃতকর্ম  অস্বীকার করেছে সেগুলোর রেফারেন্স দেয়া যাবে কি? ৭১ টিভিচ্যালেনে কয়টার খবরে দেখেছেন ? কোন Video device দিয়ে সংগ্রহ করে ভিডিও টি দিলে ভাল হয়। এতে করে উনারা দাবি করতে পারবেননা যে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দেয়া হচ্ছে।  উনি বোধহয় পূর্বেও অনেক জায়গায় নিজেকে মুসলমান হিসেবে বলেছেন। সেক্ষেত্রে ধরে নিতে পারি উনি সত্যিই বলেছেন। যদিও কিছু কিছু ক্ষেত্রে উনাকে মুসলমানদের উপহাস করতে দেখেছি হয়তোবা তিনি তা নিজ-সম্প্রদায়ের সমালোচনা করার খাতিরে সমীচীন দেখেছেন । আবার অনেক ক্ষেত্রে মনে হয়েছে উনি জনপ্রিয়তা ধরে রাখতে আস্তিক নাস্তিক সবার সাথে তাল মিলিয়েছেন। তবে আপনি একটি (!) ব্যবহার করেছেন তাতে আরো কিছু লুকিয়ে আছে। দয়া করে তাঁর সম্পর্কে আরেকটু খুলে বলুন দেখি। 

      1. 36.1.1
        নীরব সাক্ষী

        জেবতিক ভাই যে রাজীবের কু-কৃতকর্ম  অস্বীকার করেছে সেগুলোর রেফারেন্স দেয়া যাবে কি? ৭১ টিভিচ্যালেনে কয়টার খবরে দেখেছেন ? কোন Video device দিয়ে সংগ্রহ করে ভিডিও টি দিলে ভাল হয়।

        গতকাল সন্ধ্যায় ( ৮ টার দিকে) অনুষ্ঠানে আমি দেখেছি। ভিডিও করার চিন্তা মাথায় আসেনি। তাছাড়া এগুলো দিয়ে লাভ কি? সবসময় সবকিছুর প্রমাণ দরকার পরে না। টিভিতে অনেকেই তাকে শহীদ ও নির্দোষ দাবী করছে।  দেশের সিনিয়র  পাওয়াফুল মহিলা মন্ত্রীও (প্রধান মন্ত্রী নয়) থাবাকে 'বাবা' হিসেবেও উল্লেখ করে আহজারি করেছেন!  জিয়া ভাই যদি না দেখার ভান করেন তাহলে বলার কিছু নাই।

    2. 36.2
      সাদাত

      পারলে এই ধরণের খবরের ভিডিও আপলোড করে দেন। টিভিতে এমন প্রচার হচ্ছে অনেকের কাছেই শুনেছি। কিন্তু নিজের যেহেতু টিভি দেখার অভ্যাস নাই, তাই জোর গলায় কিছু বলতেও পারছি না। জিয়া ভাই তো ১৬টি চ্যানেলেও এমন কোন খবর খুঁজে পাচ্ছেন না!

      1. 36.2.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        টিভির প্রতিবেদন থেকে এভাবে না বললেও এইটিভি ওয়ালারা আইন মন্ত্রী, জাতীয় সংসদের সদস্য বৃন্ধের অনেকেই ক্যামেরার সামনে দাবী করছেন যে, রাজিব গুড বয় সে নাস্তিক নয়। শুধু জামাত রাজাকার নিজেরা লিখে তাঁর নামে রটনা রটাচ্ছে শধু মাত্র শাহবাগ আন্দোলনকে ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে। এখন যদি জিয়া ভাই বলেন যে না তা সত্য নয়। মুনিম মিথ্যা বলছে তাহলে বলার কিছু নাই। কারণ টিভি লাইভ থেকে ভিডিও রেকর্ড করার কোন উপায় আমার কাছে নেই।

        1. 36.2.1.1
          নির্ভীক আস্তিক

          @মুনিম ভাই, জিয়াভাইয়ের এই মন্তব্যে

          আমি মোটামুটি ১৬টা চ্যানেল দেখার সুযোগ পাই। কিন্তু কোথাও শুনিনি রাজীব নাস্তিক ছিলো না বলে কেউ দাবী করছে। জেবতিক আর অমি নিজেদের মুসলমান হিসাবে প্রচার করছে টিভিতে।

          এখানে কেউ বলতে উনি বোধহয় ব্লগারদের কথাই বলেছেন। যাহোক, জিয়াভাইয়ের clarification এর অপেক্ষায় রইলাম। 

  30. 35
    মুনাদিল ফাহাদ

    থাবা বাবা বা আরো অনেকে ইসলাম, মহানবী (সা:) নিয়ে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করছে, এটা হয়তো সত্যি। কিন্তু তারা এটা কেন করছে এটা জেনে তাদের ভুল ভাঙ্গানোর কোনো চেষ্টা কি আমরা করেছি? ইসলাম, মহানবী (সা:) নিয়ে এদের বিদ্বেষের জন্য ধর্মের নামে বিভিন্ন তথাকথিত ইসলামী সংগঠনের সন্ত্রাসী তৎপরতা, ধর্মের নামে হত্যা, ধর্মের ভূল ব্যাখ্যা এগোলোকি দায়ী নয়।? মনে রাখতে হবে যারা নাস্তিক এটাও তাদের বিশ্বাসেরই অঙ্গ। কাজেই তাদেরকে যতক্ষন না পযর্ন্ত আমরা ধর্মীয় বিষয়াদি, যা নিয়ে তাদের আপত্তি আছে, যু্ক্তির সাথে তুলে ধরতে পারি ততক্ষণ তাদের (নাস্তিকদের) অবস্থানকে আমরা কটুক্তি করতে পারি না। আমার ধারণা অনেক মুসলিম মৌলানাও ধর্মীয় বিষয়াদি যুক্তির সাথে উপস্থাপন করতে পারেন না। ইসলামের সত্যিকার শিক্ষাকে তুলে ধরতে হলে আমাদের আরো গবেষনার প্রয়োজন আছে।

    1. 35.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      ভাই মুনাদিল ফাহাদ, সালাম এবং সদালাপে স্বাগতম! আমার মনে হচ্ছে আপনি ব্লগীং জগতে  নতুন তাই বাংলা ব্লগে নাস্তিক নয় এন্টি ইসলামিষ্টদের অবস্থান জানেন না। এই সদালাপের সৃষ্টি হয়েছিল এই সব এন্টি ইসলামিষ্টদেরকে অভিযোগের জবাব দিতে। আপনি সদালাপের সব গুলো লেখা পড়ে যান,। তাহলে বুঝতে পারবেন আমরা এক একটি লেখা কত কষ্ট করে কত যৌক্তিক ভাবে তোলে ধরেছি। কিন্তু যাদের জন্ম হয়েছে আল্লাহ, রাসুল সাঃ ইসলাম কোরআন, এবং মুসলিমদেরকে গালী দেয়ার মিথ্যা অপপ্রচার করে যুব সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করার তাঁরা কোন দিন কোন যুক্তির পথে যাবেনা।
      অবস্থা এমন হয়েছে যে আজ যদি শেখ হাসিনাও ইসলামের পক্ষ নিয়ে যান তাহলে সাথে সাথে তিনিও রাজাকার হয়ে যাবেন।  এই সব এন্টিইসলামিষ্টরা চায় এই দেশ থেকে ইসলামের নাম নিশানা মিটিয়ে ফেলতে। তা যে করেই হোক ছলে বলে আর কৌশলে। এন্টি ইসলামিস্টরা কৌশল তো অনেক আগ থেকে করে আসছিল। তারপর ছল এখন তাদের পায়ের নিচে মাটি পেয়ে যাওয়ায় তাঁরা বলও করতে শুরু করে দিয়েছেন।
      কাজেই আবেগ দিয়ে কাজ হবে না। আপনার কেবলা এখনি ঠিক করে নিতে হবে। ধন্যবাদ।

    2. 35.2
      এস. এম. রায়হান

      থাবা বাবা বা আরো অনেকে ইসলাম, মহানবী (সা:) নিয়ে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করছে, এটা হয়তো সত্যি।

      আপনি কি ব্লগ জগতে নতুন?

      কিন্তু তারা এটা কেন করছে এটা জেনে তাদের ভুল ভাঙ্গানোর কোনো চেষ্টা কি আমরা করেছি?

      ভালো কথা। আপনি নিজে কী কী চেষ্টা করেছেন তার পক্ষে কিছু প্রমাণ দিলে ভালো হতো। আপনার থেকে আমরাও শিখতে পারতাম।

      কাজেই তাদেরকে যতক্ষন না পযর্ন্ত আমরা ধর্মীয় বিষয়াদি, যা নিয়ে তাদের আপত্তি আছে, যু্ক্তির সাথে তুলে ধরতে পারি ততক্ষণ তাদের (নাস্তিকদের) অবস্থানকে আমরা কটুক্তি করতে পারি না।

      আচ্ছা, ইসলাম বিষয়ে নাস্তিকদের কী কী আপত্তি আছে তার একটি লিস্ট এখানে দেন। আশা করি এড়িয়ে যাবেন না।

    3. 35.3
      নির্ভীক আস্তিক

      থাবা বাবা বা আরো অনেকে ইসলাম, মহানবী (সা:) নিয়ে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করছে, এটা হয়তো সত্যি

      হয়তো সত্যি-- বলে সম্ভাবনার যে আখড়াটি বানালেন তাঁর আগে মুখের ঠোঁট বাঁকা করেছিলেন তো ? যা কিছু চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন তাতে আবার হয়তো টি আসল কেন ?

      কিন্তু তারা এটা কেন করছে এটা জেনে তাদের ভুল ভাঙ্গানোর কোনো চেষ্টা কি আমরা করেছি?

      প্রশংসার পরিধি অসীম কিন্তু সমালোচনার পরিধি যতটুকু পর্যন্ত দোষ ততটুকু পর্যন্তই। এর বাহিরে গেলে সেটি প্রচার নয় অপপ্রচার। তারা কি কখনো বলেছে তারা জানতে চায় ? বা তারা যা জানে তা ঠিক কি বেঠিক ? তারা দলিল দস্তগত অনুযায়ী দাবি করে । এরপর যখন তাদেরকে আরো Authentic দলিল দেখানো হয় অথবা তারা যে অই দলিল নিয়েই মিথ্যাচার করছেন সেটা চোক্ষে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হয় তখন মুখে ফোঁড়া বানিয়ে আদো আদো করে বলে "বুঝি নাই । নাই তো নাই-ই। আপনি যে দলিল দেখিয়েছেন তাই মানতে হইব। আমার দলিলে নাই।"
      যে সদালাপে এসে আপনি এই কথা বলছেন সেটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে (জুন ০৬, ২০০৩)। এখন ২০১৩। প্রায় প্রতিমাসেই সদালাপের লেখক ইসলামের বিভিন্ন মতবাদ, দর্শন, এবং অভিযোগ গুলোর ব্যাখ্যা দিয়ে এসেছেন। তারাও এটাও বলেছেন গঠনমূলক সমালোচনা করতে। বিদ্বেষ মূলক অপপ্রচার বন্ধ করেতে।  ধর্মকারী  ওয়েবসাইট আজ নতুন নয়। ৩-৪ বছর থেকে চলছে।  মুক্তমনা সদালাপের থেকেও কিছু পুরোনো । মুক্তমনার অনেক লেখকরা এবং হর্তা কর্তা তো বটেই (যাদের নামে চাক্ষুস অপপ্রচার আর মুসলিম Name কেলেঙ্কারি করে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ এবং প্রমান রয়েছে)  আমারব্লগেরো অনেক জনপ্রিয় লেখক। তারা সচলায়তনেও যান । সেখানে নাস্তিকতার দর্শন নিয়ে মাঝেমধ্যে লেখেন আর ধর্ম I mean ইসলামের অতি অন্ধ বিশ্বাসীদের বিভিন্ন  প্রচার নিয়ে স্যাটায়ার বানালে সেখানে একজন আরেকজনের পিঠ চাপড়ে দিয়ে সবাই মিলে উপভোগ করেন। তারা ধর্মে বিশ্বাসীদের ধর্মান্ধ বলেই মনে করেন তবে ১-২সপ্তাহ ধরে তাদের লেখায় আমূল পরিবর্তন এসেছে । এখন তারা শুধু জামাত-শিবিরদের ধর্মান্ধ মনে করেন বাকিরা সভ্যসাচী মুসলিম। তাছাড়া রাজীবের মত ব্লগারদের তারা নাস্তিকতায় ইমানদার প্রগতিশীল বান্দা মনে করেন এটা এসকল ব্লগের অনেক ব্লগারদের স্বীকারোক্তি ।
      সেখানকার অনেক লোকজন এই ১০ বছরে সদালাপের লেখা পড়েছেন। সদালাপের অনেক লেখা অনেক কুখ্যাত নাস্তিকরা নিজেরা পড়েন সেটা তাদের নিজেদেরই স্বীকারোক্তি । কিন্তু তারা সদালাপে এসে এখানে  Confront করেননা।  তারা তাদের বান্ধবদের এই কথাগুলো প্রচার করেন না কেন ? তারা তাদের বেহায়াপানা আর নাস্তিকতার অংশ হিসেবে দুষ্ট-বৃত্তিকে অনুৎসাহী করেন না কেন ? আপনি বিগত ৩ বছরে নাস্তিকদের লেখা এরকম ৩টি ব্লগ পোষ্টের Reference দিন যেখানে বিশাল ফিরিস্তি দিয়ে মুসলমানদের  বালখিল্যতার জন্য ধর্মান্ধ ছাগু বানিয়ে দেয়া হয়েছে তাঁর সাথে সমপূরক রেখে প্রগতিশীল এসকল ঈমানদার নাস্তিকদেরকে কুকর্ম কে দায়ি করে নাস্তিকতায় অন্ধ অসভ্যতার রাজপথে প্রগতিশীল পাঠা ডাকা হয়েছে।   

      ইসলাম, মহানবী (সা:) নিয়ে এদের বিদ্বেষের জন্য ধর্মের নামে বিভিন্ন তথাকথিত ইসলামী সংগঠনের সন্ত্রাসী তৎপরতা, ধর্মের নামে হত্যা, ধর্মের ভূল ব্যাখ্যা এগোলোকি দায়ী নয়।?

      ইসলামী সংগঠনের তৎপরতা দায়ী, হুম । ধর্মের নামে হত্যা দায়ী, হুম । ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দায়ী, হুম । কিন্তু এরপরেও যখন অপরাপর মুসলমানরা সভ্যসাচী আচরন করেন, ধর্মের নামে হত্যা করার নিন্দা জানান, ধর্মের সঠিক ব্যাখ্যা দিয়ে দলিল সহকারে সেগুলো উপস্থাপন করেন তখন তারা এই যুক্তি দেন "কারটা সঠিক ধরব? আপনারটা নাকি তাদের টা ?" তখন কি করবেন ? যদি আমার ব্যাখ্যা যেকোন অন্যায় আচরণের বিরুদ্ধে যায় এবং আমার ব্যাখ্যারো যথেষ্ট Authentication থেকে থাকে তাহলে তাদের এই না মেনে নেয়াটাকি তাদের  গোঁয়ার্তুমি নয় ? তাদের বিদ্বেষপরায়ণ মনোভাবের জন্য অন্তরে পয়দা হওয়া জন্তুর হাকডাক নয় কি?

      মনে রাখতে হবে যারা নাস্তিক এটাও তাদের বিশ্বাসেরই অঙ্গ।

      সমস্যা তো সেখানেই। নাস্তিকতা কি এমন যে এতে বিশ্বাস টিকিয়ে রাখতে হলে অন্য ধর্ম সম্পর্কে বিদ্বেষী মনোভাব সাথে নিয়ে ঘুরতেই হবে ? ধরে নিচ্ছি আপনি ভাল শিক্ষিত মুসলিম। ভারত উপমহাদেশে মুসলমানদের উপর অত্যাচারের খবরতো আমরা এখনো জানি। সেগুলো এখনো আছে, চলছে। না জেনে থাকলে একটু পরে নিন, সদালাপের Index এ আছে। এবার বুকে হাত দিয়ে বলুনতো হিন্দুদের ধর্ম সম্পর্কে আপনি জানেন কিন্তু তাদের কোন Avatar কে নিয়ে কুৎসা গেতে অথবা বিদ্বেষ পোষন করতে আপনার কখনো আগ্রহ হয়েছিল কিনা ?  বুদ্ধদেব সিদ্ধার্থের কথাও চিনতা করে দেখুন, বৌদ্ধদের সম্পর্কেও কি আপনার মনোভাব একই ছিল? বহু পুরোনো নাস্তিকতার দর্শন যেমন -- চার্বাক দর্শন, Theophrastus redivivus, clandestine manuscripts(মোট বই ৩৭০ এর চেয়েও বেশি কিন্তু অনুসারী ৫০ জন) , Samkhyakarika philosophy অথবা Madhaba Acharya এর লেখা Sarvadarshansamgraha এর বইগুল পড়ে নাস্তিকতার Prcatice করতে সমস্যা কোথায় ? যুগ যুগ ধরে মানুষ এগুলর প্রতি অনুৎসাহী কেন ? মুক্তমনার Panel এ চার্বাক দর্শন আর ইসলাম এই দুটোই ছিল, কিন্তু চার্বাক দর্শন এর মুক্তমনার Reader মাত্র ২০০ জন কিন্তু ইসলামের Reader ২০০০ জন, তাদের majority reader ই আসলে মুক্তমনা। তারা সেখানে গিয়ে নাস্তিকতায় ইবাদত করেন, মুক্তমনার ব্যানারে চোখ বুলিয়ে প্রশান্তি নেন, আত্নার অমৃত শান্তি লাভ করেন।  রায়হান ভাই এর এ বিষয়ে একটি পোষ্ট আছে দয়াকরে পড়ে দেখুন।

      কাজেই তাদেরকে যতক্ষন না পযর্ন্ত আমরা ধর্মীয় বিষয়াদি, যা নিয়ে তাদের আপত্তি আছে, যু্ক্তির সাথে তুলে ধরতে পারি ততক্ষণ তাদের (নাস্তিকদের) অবস্থানকে আমরা কটুক্তি করতে পারি না।আমার ধারণা অনেক মুসলিম মৌলানাও ধর্মীয় বিষয়াদি যুক্তির সাথে উপস্থাপন করতে পারেন না। ইসলামের সত্যিকার শিক্ষাকে তুলে ধরতে হলে আমাদের আরো গবেষনার প্রয়োজন আছে।

      তালগাছ চাওয়া এবং তাল পাকলে সেটা তারই- এমন লোককে আপনি কি যুক্তি দেবেন সেটা বুঝিয়ে বলুন। By the way আপনি কি এর আগে সদালাপের পোষ্ট পড়েছেন? সেখানে যে তাদের অনেক অপযুক্তি ও অপপ্রচারের বিপক্ষে দলিল সহ উস্থাপন করা হয়েছে সেগুল একটু পরখ করে দেখুন ।  আপনি কি এটাও জানেন ইসলামের সাথে মিশে যাওয়া অনেক অহেতুক Practice এর বিরুদ্ধেও সদালাপে নিয়মিত লেখা হয় । যেমন মিলাদ-কিয়াম, বহু বিবাহ, হিল্লা বিয়ে, পুরুষদের পর্দা নিয়ে এবং নারীদের প্রতি নেতিবাচক ধারনার বিরুদ্ধে ইত্যাদি ।  অনেক মাওলানা পারেননা, কিন্তু অনেক মাওলানা পারেন ও। বাংলাদেশের উচু মানের বিদ্যাপিঠ থেকে পাশ করা ছাত্রছাত্রীদের মধ্যেই খারাপ ভালর পার্থক্যটি যেভাবে করতে হয়্‌ মাওলানা মোহাদ্দেসদের ক্ষেত্রেও একি দৃষ্টিকোন থেকে চিন্তা করুন ।
       

  31. 34
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    আমি মোটামুটি ১৬টা চ্যানেল দেখার সুযোগ পাই। কিন্তু কোথাও শুনিনি রাজীব নাস্তিক ছিলো না বলে কেউ দাবী করছে। জেবতিক আর অমি নিজেদের মুসলমান হিসাবে প্রচার করছে টিভিতে। আর আইজুর কথাতো বললামই -- নোট ছেড়েছে মুসলমান হিসাবে। ওদের তো আপনিও চেনেন আর আমিও চিনি। 
     
    থাবা মুক্তমনার লেখক ছিলো না -- কিন্তু মরার পর থাবার লাশের দাবী নিয়ে মুক্তমনাও দাঁড়িয়ে গেছে। ওরাতো মুলত ভণ্ডের দল।

  32. 33
    সাদাত

    মিথ্যার ওপর ভিত্তি করে সত্য কখনোই দাঁড়াতে পারে না

    এভাবেই মিথ্যাচার করা হয়েছে রাজীবকে হিরো বানাতে-

    এক.

    রাজীব ধর্মভীরু ছিল কিন্তু ধর্মের নামে ব্যবসা অপছন্দ করত

    গাফফার খান চৌধুরী ॥ আমার পুরো পরিবার নামাজী। আমি ও আমার স্ত্রী পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করি। ছেলেরা হয়ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করে না। কিন্তু এমন কোন দিন নেই যে, আমার ছেলেরা সারাদিনে এক ওয়াক্ত নামাজও আদায় করেনি। এমন দিন আমার চোখে অন্তত পড়েনি। আমার ছেলে রাজীবকে ছোটবেলায় পবিত্র কোরান শিক্ষা দিয়েছি। সে ইসলামের বিরুদ্ধে বা ধর্মের বিরুদ্ধে কোনদিন একটি কথাও বলেনি। লেখা তো দূরের কথা। রাজীব একজন সাচ্চা মুসলমান। সে ধর্মের নামে ব্যবসাকে খুবই অপছন্দ করত। রাজীব অত্যন্ত প্রগতিশীল ও ধর্মভীরু ছেলে ছিল। মৃত্যুর পর রাজীবকে কাফের, ইহুদী বা নাস্তিক হিসেবে প্রচার করার বিষয়টি গভীর ষড়যন্ত্র। আমি মুক্তিযোদ্ধা। রাজীব মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের মানুষ। তাই পরিকল্পিতভাবে রাজীবের ইমেইল আইডি হ্যাক করে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে রাজীবের হত্যাকারী জামায়াত-শিবির।
    ………………………….
    রাজীবকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, এ ধরনের হত্যাকাণ্ড জামায়াত-শিবির করে থাকে। রাজীবকে জামায়াত-শিবিরই হত্যা করেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। হত্যার পর রাজীব সম্পর্কে মানুষের মনে নেতিবাচক ধারণার জন্ম দিতে হত্যাকারী জামায়াত-শিবির রাজীবের ইমেইল হ্যাক করে তাঁর ব্লগের মাধ্যমে এসব অপপ্রচার চালাচ্ছে।

    সূত্র: http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&dd=2013-02-20&ni=126228

    দুই.

    শেখ সেলিম বলেন, একটি দুটি পত্রিকা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির জন্য রাজীব সম্পর্কে তার মৃত্যুর পর অপপ্রচার চালাচ্ছে। তারা নিজেরাই রাজীবের নামে লেখা তৈরি করে প্রচার চালাচ্ছে।

    আব্দুল মান্নান বলেন, স্বাধীনতার চেতনা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার জন্য শাহবাগে গনজাগরণ তৈরি হয়েছে। সেই তরুণদের একজন শহীদ রাজীবের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। রাজীব নবীজীর বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক লেখা প্রকাশ করেছেন বলে অপপ্রচার করা হয়েছে। যে ধরনের কথা প্রচার করা হচ্ছে তাতে যেকোন মুসলিম মনে আঘাত পাবেন।

    আইনমন্ত্রী বলেন, … ইনকিলাব ও আমার দেশ পত্রিকা রাজীবের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের কাজটি করেছে। এই সংবাদটি তারা মিলে তৈরি করে প্রকাশ করেছে। ছড়িয়েছে। যাতে রাজীবকে নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা যায়। রাজীব এ ধরনের কাজ করেনি, করতে পারে না। আমি এর বিরুদ্ধে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নেবো।

    সূত্র: ব্লগার রাজীব হত্যা ইস্যু: বিচারকের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি এমপিদের , সংসদ রিপোর্টার, মানবজমিন

    1. 33.1
      কিংশুক

      মিথ্যা প্রতিষ্ঠার চেষ্টার ফল শুভ হয় না। আপনি যাদের কথা উল্লেখ করলেন তাঁরা ছাড়াও মাহবুব উল আলম হানিফ সাহেবও বলেছেন, ‘কোন মুসলমানের সন্তান ইসলাম, নবী (সা:) কে নিয়ে এধরনের কথা বলতে পারেনা’। তিনি বিশ্বাস করেন না। সবাই মনে হচ্ছে, বোকার স্বর্গে বাস করছেন। নাস্তিকদের দেখা যাচ্ছে, কোন নৈতিকতা নেই, মনের জোর নেই। তারা সবাইকে মিথ্যা বোজাচ্ছে। তারা যদি মনে করে নাস্তিক হওয়া অপরাধ নয় তাহলে এত লুকোচুরির দরকার কি? মনে হচ্ছে, নাস্তিকতা চৌর্যবৃত্তি’র মতো অপরাধ। ধরা পড়ে যাবার ভয়ে কসম কেটে অস্বীকার করা হচেছ। তারা রাজিব কে মুসলমান, শহীদ সাজাবেনই। তারাই তাদের বন্ধুকে মুসলমান বলে সবাইকে ধোকা দিচ্ছে। সরকারের উচিত তাদের ধোকায় পড়ে আলেম সমাজের বিরুদ্ধে মিথ্যারোপ না করা। সরকার দেশের আলেম সমাজকে ক্ষেপিয়ে দিলে লাভ হবে তৃতীয় কোন পক্ষের।

    2. 33.2
      শাহবাজ নজরুল

      এর পাশাপাশি চলছে নানা ধরনের গোয়েবলসীয় খেলা। দেশের টিভিগুলো দেখতে পারছিনা বিদেশে থাকায় -- তবে শুনলাম সব টিভিতেই নাকি রাজীব ওরফে থাবাবাবা'কে ধর্মভীরু মুসলমান বানিয়ে কথা বলা হচ্ছে। অমি, জেবতিক, আইজু, সুশান্তের প্রতি প্রশ্ন -- আপনারা কেন মুনাফেকি করছেন? সরাসরি স্বীকার করেন না কেন রাজীব কে ছিল? নাকি এই পর্যায়ে এসে সত্য কথা বলার সাহস নাই??? যেভাবেই হোক ব্লগের ক্ষুদ্র গন্ডী থেকে বের হয়ে প্রায় সারা বাংলাদেশের দায়িত্ব হঠাত করে আপনাদের হাতে চলে আসে। হয়তো আশা করেননি যে কেবল "রাজাকারের ফাঁসি চাই" -- এই সামান্য কথার প্রতি দল, মত নির্বিশেষে কি পরিমান সমর্থন দেশবাসীর আছে!!! এখন আপনারা এই মুভমেন্টের নেতৃস্থানে চলে এসেছেন। ব্লগের ছোট্ট প্রকোষ্ঠে আর আপনারা চাইলেও থাকতে পারবেননা।  "রাজাকারের ফাঁসি চাই" -- এই শক্তিশালী মন্ত্র নিয়ে এগিয়ে যান -- সারা দেশবাসি আপনাদের সাথে আছে -- আমরা সবাই জানালাম অকুন্ঠ সমর্থন। তবে সারা দেশের নেতৃত্বে থেকে দয়া করে "সত্যির উপরে দাঁড়ান।" আপনাদের সবাই জানেন থাবা কে -- সবাই। তাহলে কেন এই প্রকট মিথ্যার সাথে -- "রাজাকারের ফাঁসি চাই" এর মতো পবিত্র দাবী মেশাচ্ছেন? সত্য কথা স্বীকার করার মতো মেরুদন্ড কী নেই আপনাদের? মেরুদন্ডহীন নেতৃত্ব কেঊ দেখতে চায়না -- আর অর্ধেক সত্য থেকে সফলতাও পাবেন না। এখনো সময় আছে -- থাবা আর থাবার দোসরদের (ধান্দাবাজ ইসলাম বিদ্বেষী মুক্তমনারা) থেকে নিজেদের আলাদা করুন। থাবা আর মুক্তমনাদের ছুঁড়ে ফেলুন আস্তাকুড়ে। আর সত্যের উপরে দাঁড়িয়ে দেশকে নেতৃত্ব দিন।
       
       

  33. 32
    M J

    I'm sorry, but is atheism a crime?

    1. 32.1
      সাদাত

      @M J
      নাস্তিকতা আর ইসলাম বা ধর্মবিদ্বেষ এক বিষয় না। নাস্তিক নাস্তিকের মতো থাকুক আমাদের তাতে কী? কিন্তু সমস্যা হয় সেসব নাস্তিকদের নিয়ে যারা ধর্ম বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়; আবার সুযোগ মতো ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে।

      একজন নাস্তিকের জানাযা পড়ানো কি তার নাস্তিক্যবোধের প্রতি চরম অপমান নয়। সেই কাজটিই হয়েছেএকদল নাস্তিকের সহযোগিতায় ও অংশগ্রহণে। এরা কি নাস্তিক, নাকি ধর্ম ব্যবসায়ী?

      1. 32.1.1
        নির্ভীক আস্তিক

        সাদাত ভাই,

        নাস্তিক নাস্তিকের মতো থাকুক আমাদের তাতে কী? কিন্তু সমস্যা হয় সেসব নাস্তিকদের নিয়ে যারা ধর্ম বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়; আবার সুযোগ মতো ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে।

        যেসকল নাস্তিকরা ধর্ম বিদ্বেষ আর ধর্ম ব্যবসা করে , তাদের দিয়েই হিসেব চুকাতে হবে কেন ? আমাদের উগ্র মুসলমানদের কর্মকান্ডের দায়ভার যদি আমাদের উপর সাধারনভাবে বর্তায় আর আমরা স্বপ্রনোদিত হয়ে সেগুলোর সমালোচনা করি, আক্ষেপ করি, নিন্দা জানাই আর শাস্তির দাবি করি,  একইভাবে প্রগতিশীল সুশীল নাস্তিকদের সাধারন মুসলিমদের ছাগুকরনের পাশাপাশি অন্যান্য কু-কর্মের সমালোচনা অন্যান্য জ্ঞানী নাস্তিকরা করেন না কেন ? তারা সেগুলোর নিন্দা করেন না কেন ? এখনপর্যন্ত তাদের লিখিত সরব আওয়াজ শুনতে পাইনি- "উহারা অসভ্যতার রাজপথের প্রগতিশীল পাঠা, উহাদের কাজগুলো নিন্দনীয়।" হিসেবটা কেবল ব্যাক্তি থেকে ব্যাক্তি নয়, গোষ্ঠি থেকে গোষ্ঠীরও ।

        সমস্যা হল, নাস্তিকতার  Theory of Rationalism (excluding basement of vision!) যেখানে তারা সামাজিক শব্দের সীমা থেকে বেরিয়ে স্বতন্ত্র অবস্থানে থাকতে বিশ্বাসী, মুসলমানদের মত ভ্রাতৃত্ববোধ তাদের মধ্যে নেই যার বলে তারা নিজস্ব গোষ্ঠীর সমালোচনা করতে পারে । তারা এইটুকু আমাদের মুসলমানদের কাছ থেকে ধার নিয়ে একটু কৃতজ্ঞতা স্বীকার করার কথা বললেই পরে শরীরের তাপমাত্রা বেরে যাবে সহস্রগুন ।

    2. 32.2
      শামস

      আস্তিকদের ঈশ্বর আছে। নাস্তিকরা ঈশ্বরে বিশ্বাস না করলেও আস্তিকদের ঈশ্বরকে মারতে চায়, নয়তো তারা তাদের অবস্থানের (ঈশ্বরে অবিশ্বাস এর ) কোন তাৎপর্য খুজে পায় না। শুধু ঈশ্বর না, আস্তিকরা যাদের ঈশ্বরের প্রতিনিধি বলে বিশ্বাস করে তাদের প্রতিও বিদ্বেষ পোষণ, কুৎসা রটনা ইত্যাদি করে। পরগাছারা মূল গাছ থেকে পুষ্টি নিয়ে নিজেদের সেভাবে বাঁচিয়ে রাখে। নিজের সীমানার মধ্যে বিকৃত রুচির প্রতিযোগিতা তারা তারা করুক, নিজেদের খেলার উপকরণ নিয়ে, কিন্তু তারা যদি আমাদের সীমানায় এসে আমাদের উপকরণ নিয়ে খেলতে চায় সেটা অপরাধ। বাংলা ব্লগে নাস্তিকরা সেই সীমার বাইরের কাজটা করে চলছে।
       

  34. 31
    মোঃ মোস্তফা কামাল

    গতকালকের সাধারণ মুসল্লীদের ক্ষুদ্ধ হওয়ার ঘটনার বিরুদ্ধে কোলকাতার দৈনিক আনন্দবাজারের ঢালাও দোষারোপ;
    মৌলবাদী তাণ্ডব, প্রতিরোধের ডাকে বিস্ফোরক বাংলাদেশ
    http://www.anandabazar.com/23bdesh1.html
    যদি লিংক না কাজ করে তবে তার স্ক্রীণ শট:
    http://www.mediafire.com/view/?z8dag0aekeda04u
    কোন যুদ্ধাপরাধীর বিচার ও জামাত নিষিদ্ধের দাবীর বিরুদ্ধে বাকী ইসলামী দল কিছুই বলেনি। কিন্তু বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ ও কিছু মুখ চেনা উগ্র-নাস্তিকদের শহীদ বানানোতে কোন দোষ পায়নি কোলকাতার এই দৈনিকটি। ইসলামের বিরুদ্ধে কোন কিছু হলেই আনন্দবাজার পরম আনন্দের সাথে তাকে বাহাবা দেয়। কিন্তু ৯০% মুসলমানের বাংলাদেশীরা প্রতিবাদ করলেই হয়ে যায় মৌলবাদী। আনন্দবাজার আবারও প্রমাণ করল যে তারা ইসলাম বিদ্বেষী ও ভন্ড!

  35. 30
    shamima

    যুদ্ধাপরাধীদের দাবীর সাথে মুক্তমনা নাস্তিকদের বা রাজীবের ইসলাম বিদ্বেষীতার কী সম্পর্ক এর উত্তর আপনাদের কাছে নাই। আপনারা বিচার চান (তবে—-কিন্তু শর্ত দিয়ে) অর্থাৎ আজকের মতো একটা দিনের অথবা সাধারণ মানুষকে উসকায়ে দিয়ে এমন একটা পরিস্থিতির পর। যে পথে জামাতিরা উষ্কানি দিয়ে মানুষকে রাস্থায় নামালো, ভাংচুর করলো আপনারা তাদের সহযোগী হলেন।
     
    এবার কিছু প্রশ্নের উত্তর দিবেন কি? আপনাদের পোষা কুকুরেরা আমার পতাকা পদদলিত করলো , শহিদ মিনার ভাঙ্গলো কেন আর এর সাথে রাজিবের ইসলাম বিদ্বেষ বা মুক্তমনার নাস্তিকতার (যা আপনার এই লেখার মূল প্রতিপাদ্য) সম্পর্কটা কী? আমার পতাকা আর শহিদ মিনারের অপরাধটা কী?    

    1. 30.1
      নির্ভীক আস্তিক

      যুদ্ধাপরাধীদের দাবীর সাথে মুক্তমনা নাস্তিকদের বা রাজীবের ইসলাম বিদ্বেষীতার কী সম্পর্ক এর উত্তর আপনাদের কাছে নাই

      এই প্রশ্ন করাটাই অবাঞ্ছিত কারন এই গণজাগরণ আন্দোলনে যুদ্ধাপারাধের শাস্তির সাথে ধর্ম রাজনীতির সংমিশ্রন ঘটিয়েছেন এই ইসলাম বিদ্বেষী হিরু পার্টিরাই।

      আপনারা বিচার চান (তবে—-কিন্তু শর্ত দিয়ে) অর্থাৎ আজকের মতো একটা দিনের অথবা সাধারণ মানুষকে উসকায়ে দিয়ে এমন একটা পরিস্থিতির পর।

      এবার আপনি একটু কনতো দেকিনি- যতক্ষন পর্যন্ত এটি সাধারন গনমানুষের আন্দোলন তখন পর্যন্ত এর দাবি যুদ্ধপারধীর বিচার এবং তাদের নেতৃত্বাধীন দলগুলোকে নিষিদ্ধ করা- এর মাঝে সীমাবদ্ধ থাকার কথা। এর বেশি নয় কমও নয়। কিন্তু এতে এটা সেটা করার পাশাপাশি ধর্ম ভিত্তিক রাজনীতি বন্ধ করার দাবিটি ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছে কি স্বার্থে এবং কাদের ইন্ধনে ? আজকের মত একটি দিনে ইন্ধন দিয়াছে !! বড্ড ভুল হয়েছে । এই ইন্ধন দু'তিন দিন আগে  নাস্তিক মুক্তমনা প্রগতিশীল দের সাথে সাথে করা উচিৎ ছিল যারা নাস্তিকতার ত্যানা দিয়ে চোখবেধে রাজীবের মত সুশীল প্রগতিশীল হত্যার দায়ভার অতি Generalized করে ধর্মান্ধ মুসলমানদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন ।  রাজীবের হত্যা অনুচিত এবং নীতিবিহিন সে দাবি করা হয়েছিল তাকে হত্যার দিনই ব্লগে ফেসবুকে শাহবাগ আন্দোলনের সমর্থক মুসলমানদের মাধ্যমেই যাদের অধিকাংশরাই বলেছেন -- "আমরা রাজিবের মত লোকজনদের ঘৃণা করি কিন্তু তাকে এহেন ভাবে হত্যাকরাকে নীতিবিহিন মনে করি ও নিন্দা জানাই।" প্রমান আছে, লাগবা বাজি ?
       

      এবার কিছু প্রশ্নের উত্তর দিবেন কি?
       

      দিচ্ছি দেখুনতো ভাললাগে কিনা ! আপনার এই Trolling টাইপের ব্যবহার আর ভাল লাগছেনা।
       

      আপনাদের পোষা কুকুরেরা আমার পতাকা পদদলিত করলো , শহিদ মিনার ভাঙ্গলো কেন আর এর সাথে রাজিবের ইসলাম বিদ্বেষ বা মুক্তমনার নাস্তিকতার (যা আপনার এই লেখার মূল প্রতিপাদ্য) সম্পর্কটা কী? আমার পতাকা আর শহিদ মিনারের অপরাধটা কী?  

      আমাদের পোষা কুকুর আপনার ব্যক্তিগত পতাকা পরা পেল কোথায় ? আমাদের অসকল কুকুরটুকুর পালার মত সময় নেই সেটা দিবালোকে  স্পষ্ট ।  আর রাতের বেলায় পালি কিনা মহিলা(সন্দেহ আছে) মানুষ হয়ে সেটা দেখার জন্য আপনার এত সুড়সুড়ি !  ধরে নিচ্ছি আপনি মেদী কুকুর নন (আবার হতেও পারেন) ।  কিন্তু  এভাবে "মূল লেখার প্রতিপাদ্যের সাথে আপনার পতাকা আর শহিদ মিনারের" সম্পর্কটি না টেনে  ঘাষ খাওয়া অন্যান্য চতুষ্পদ জন্তুর মত আচরনের ইস্তফা দিন ।

       

      1. 30.1.1
        মোঃ মোস্তফা কামাল

        Well said নির্ভীক আস্তিক brother!

    2. 30.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      যদিও এই লেখার সাথে আপনার কথিও অভিযোগের কোন সম্পর্ক নেই। তারপরও আমি আমার বক্তব্য উপস্থাপন করছি-
      যে পতাকার জন্য লাখ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছিল, যে পতাকার জন্য লাখ লাখ মা-বোন ইজ্জত হারা হয়েছিলেন। যে পতাকার জন্য কোটি কোটি মানুষ অত্যাচার অবিচার সহ্য করতে হয়েছিল। সেই কষ্টার্জিত পতকাকে স্বাধীন দেশে কেউ অপমান করবে তা   কোন মতে মেনে নেয়া যেতে পারেনা। যে বা যারা এই দেশদ্রোহী অমার্জনীয় অপরাধ করেছে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া যেতে পারেনা শহীদ মিনারের ফুল ছেড়া কিংবা পতাকা অপমানের মত যারা এই ঘৃণ্য অপরাধ করেছে তাঁরা প্রচার মিডিয়ার সামনে করেছে কাজেই কারা করেছে  তাদের শনাক্ত করতে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বেগ পাওয়ার কথা নয়। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই জানা যাবে তাঁরা কারা!  তবে যারাই হোক তাদের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা সরকারের এখনই নেয়া উচিত। এই নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয়।
      উচিত নয় দুই/একজন দেশদ্রোহীর অপকর্মের দ্যায় ভার লাখ লাখ রাসুল সাঃ প্রিয় মানুষের উপর চাপিয়ে দেয়া।

      1. 30.2.1
        নির্ভীক আস্তিক

        @মুনিম ভাই, উনার মন্তব্য দেয়ার ধরন দেখে আমার কাছে মনে হয়নি উনি সভ্য কথা শুনার লোক। উনাকে বার বার স্পষ্ট ভাবে যা বলা হচ্ছে, উনি  Trolling Joker দের মত বার বার সেটা Repell করছেন ।  বাংলাদেশের পতাকা আর তাঁর প্রতিকী শহিদ মিনারের পরিবর্তে" যখন "আমার পতাকা আর শহীদ মিনারে" বলছিল তখন আর মনে হয়নি তিনি বাংলাদেশের জাতীয় মানসিকতার মূলভিত্তির উপর দাড়িয়ে থাকার মত ব্যক্তিত্ত যেখানে "আমার পতাকা ও শহিদ মিনার নয় বরং আমাদের পতাকা আর শহিদ মিনার" বলা উচিৎ ছিল । 

  36. 29
    মোঃ মোস্তফা কামাল

    এখানে একজনের কথায় মনে হয় যে আবুল হোসেনের মত মন্ত্রীরা চুরি করবে কিন্তু তাকে চোর বলা যাবে না। বরং হাসিনা তাকে দেশপ্রেমিক উপাধি দিবে। ঠিক তেমনি পুলিশ প্রশাসনের প্রত্যক্ষ মদদে শাহবাগে মোনাফেক ও উগ্র-নাস্তিক নেতারা ৭১এর অপরাধের পাশাপাশি মূক্তমনার থিউরি বাংলাদেশে বাস্তবায়ন করতে চায়। এখানেই তাদের আসল উদ্দেশ্য। হাসিন চাইলেই ২০০৯ সালেই যথাযথ উদ্যোগ নিয়ে এই মানবতা বিরোধী বিচারের কাজ শুরু করে এতদিন প্রায় শেষও হয়ে যেত। কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভাবেই এটা নিয়ে সময়মত কাজ করা হয়নি। এখন চুরি-বাটপারি, র্দূনীতি-লুটপাট ও ভারতের তাবেদারী করে হাসিনার পায়ের তলায় মাটি নাই। তাই শাহবাগের সমাবেশে বেছে বেছে মোনাফেক ও উগ্র নাস্তিকদের বেছে নেওয়া হয়েছে। এর পিছনে হাসিনার কুবুদ্ধি আছে। আলীগ কি এতই রাজনৈতিক দেউলিয়া যে বেছে বেছে এদেরই নিতে হবে? জেনে শুনে তোফায়েল, আইনমন্ত্রী শফিক রাজীব হায়দারকে শহীদ বলছে…আসলে এর পিছনে নোংরা রাজনৈতিক মতলব আছে। শাহবাগের ঘটনায় প্রমাণিত হয় হাসিনাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ও ধর্ম নিয়ে নোংরা-কুৎসিত রাজনীতি করে।

  37. 28
    এস. এম. রায়হান

    @পাঠক,
     
    এই 'shamima' যে একজন অত্যন্ত নোংরা মানসিকতার ভণ্ড পুরুষ তাতে কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না।
     
    @অ্যাডমিন/লেখক,
     
    এই ভণ্ডের মন্তব্যগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ করছি। অন্যথায় পাঠকরা ভুল মেসেজ পেতে পারে।

    @ এস. এম. রায়হানঃ Please provide some references indicating 1) (s)he is a cross dresser, (2) (s)he has precedence in doing so elsewhere before we reach a decision about his/her. Sincerely, Editor, Shodalap.

    1. 28.1
      এস. এম. রায়হান

      @Editor,
       
      প্রথমত, সদালাপে শামীমা ফেরদৌস নামে একজন লেখিকা আছেন। উপরের মন্তব্যকারী সুকৌশলে 'shamima' নিকে সদালাপের লেখকদের সম্পর্কে মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন।
       
      দ্বিতীয়ত, 'shamima' নিকে এর আগে সদালাপ-সহ বাংলা ব্লগের কোথাও কেউ মুসলিম বিরোধী লেখালেখি বা মন্তব্য করেনি।
       
      তৃতীয়ত, তার মন্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে সে একজন মুক্তমনা অথচ সেই ব্লগেও 'shamima' নিকে কোনো লেখা বা মন্তব্য নাই!
       
      অতএব, শুধুমাত্র সদালাপে মন্তব্য করার জন্য এই নিক নেয়া হয়েছে এবং এই নিকের আড়ালে আছে পরিচিত কেউ। সম্পূর্ণ নতুন কেউ হঠাৎ করে সদালাপে এসে মুক্তমনা ব্লগকে ডিফেন্ড করে সদালাপের লেখকদের সম্পর্কে এমন মিথ্যা ও বানোয়াট কথাবার্তা বলতে পারে না, এটা একেবারেই অস্বাভাবিক। আর নারী নিক নেয়া হয়েছে যাতে করে সবাই তাকে সম্মান করে, নিদেনপক্ষে আজেবাজে কিছু বলতে না পারে।
       
      উপরের পয়েন্টগুলো থেকে আমি দাবি করছি যে 'shamima' নিকের আড়ালে আছে একজন পুরুষ, এবং পুরানপাপী। সে নারী নিকে না লিখলে আমি এড়িয়ে যেতাম। কিছু ভণ্ড ব্লগে ব্লগে বেশ কিছু নারী নিক খুলে ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ও প্রপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছে। 'মেজভাবী' সম্পর্কে ইতোমধ্যে আমরা অবগত। এজন্য ব্যাপারটাকে আমি সিরিয়াসলি নিচ্ছি যাতে করে পাঠকরা সতর্ক হতে পারে।

  38. 27
    সাদাত

    হিরো আর ভিলেনের পার্থক্য:

    হিরো আর ভিলেন, দুইজনই খুব প্রচারিত হয়। তবুও দুইজনেই হিরো নয়, আবার দুইজনেই ভিলেন নয়। হিরো হিরোই, ভিলেন ভিলেনই।

    রাজীবের লেখা প্রচার হওয়ায় সে হিরো হচ্ছে না ভিলেন হচ্ছে বাচ্চা ছেলেরও এটা না বুঝবার কথা নয়।

    1. 27.1
      ভানু ভাস্কর

      হিরো হওয়া আমরা জানি অসম্ভব (কিন্তু হিরো বানাবার প্রচেষ্টা দেখে হাসি পায়, দুঃখও পাই)। আর ভিলেনও অনেক ব্যক্তিত্ববান হয় (বাংলা সিনেমার কথা যদি বাদ দেই তবে)।
      ও একটা আস্ত কুলাঙ্গার।

  39. 26
    shamima

    মুক্তমনা জামাতিদের ও তাদের পত্রিকা নয়া দিগন্ত, আমার দেশ আর সংগ্রামের ফটো কারসাজি, প্রোপাগান্ডা মিথ্যাচার প্রকাশ করে দিয়েছে তাতেই আপনাদের যত ক্ষোভ-রাগ। ছবি ও তথ্য  যে ঐ সকল পত্রিকা থেকে নেয়া। তাদের সম্মন্ধে একটা কথাও বলেন নি। আপনারা মেনে নিচ্ছেন যে, ঐ সকল ফটো-তথ্য সত্য। সুতরাং যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দাবী নয় নাস্তিকদের বিচার চাই। কিন্তু আপনাদের সেই আশার গুড়ে বালি। দেশের আলেম উলামাগন আপনাদের এই ফাঁদে পা দিবেন না, যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবী থেকে মুসলমানদের দৃষ্টি ডাইভার্ট করতে পারবেন না, কারণ সরকার ইতিমধ্যে ধর্ম নিয়ে কুৎসা রটনা, ধর্মবিদ্বেষী লেখার উপর ইনজাংসন জারী করে দিয়েছে। তাদেরও বিচার হবে শাস্তি হবে, প্রয়োজনে ব্লগ বন্ধ করে দেয়া হবে, কিন্তু যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবী থেকে সরে এসে নয়, যা আপনারা (একজন বাদে) একান্ত মনেই চাইছেন।  

    1. 26.1
      শাহবাজ নজরুল

      সদালাপের সবাই যুদ্ধ-অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি চায় -- আমাদের সবাই রাজাকারদের কাজের ঘৃনা করি -- এটা বোঝার মত ঘিলু কি আপনার নাই? নাকি আপনি চাবি দেয়া পুতুল?

    2. 26.2
      নির্ভীক আস্তিক

      মুক্তমনা জামাতিদের ও তাদের পত্রিকা নয়া দিগন্ত, আমার দেশ আর সংগ্রামের ফটো কারসাজি, প্রোপাগান্ডা মিথ্যাচার প্রকাশ করে দিয়েছে তাতেই আপনাদের যত ক্ষোভ-রাগ। ছবি ও তথ্য  যে ঐ সকল পত্রিকা থেকে নেয়া। তাদের সম্মন্ধে একটা কথাও বলেন নি। আপনারা মেনে নিচ্ছেন যে, ঐ সকল ফটো-তথ্য সত্য। সুতরাং যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি দাবী নয় নাস্তিকদের বিচার চাই।

      মহা মুশকিল দেখছি।  পোষ্টের লেখক সহ এখানে সদালাপের অধিকাংশ লেখক যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির ব্যাপারে সুস্পষ্টভাবে, লখিতভাবে নিজেদের অবস্থান ব্যক্ত করেছেন । তারা এটাও বলেছেন ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক প্রগতিশীল-মুক্তমনা  আর ইসলাম ব্যবসায়ি জামাত-শিবিরদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই । ধিক্কার,  ঘৃণা আর বর্জনের গান তাদের দুদলের প্রতিই ।  অধিকাংশ নাস্তিক মুক্তমনারা নাস্তিকতার নোংরা ত্যানা দিয়ে চোখ বেঁধে মুসলমানদের ডাকপারে ধর্মান্ধ  বলে, আর জামাত-শিবিররা ডাক পারে মুনাফিক বলে । ৭১ এর দেশীয় খুনি গোলাম আযম নিযামি নেতৃত্ব দেন বলে জামাত-শিবিররা যেমন নিন্দনীয়, চিহ্নিত ইসলাম বিদ্বেষীদের নির্লজ্জ প্রচারনা আর Name-কেলেঙ্কারি করা ব্যক্তিবর্গদের  নেতৃত্বে চালিত মুক্তমনারাও(যদিও অন্যান্য ব্লগের অনেক নাস্তিকরা একই পথের অনুসারী ) তেমনি নিন্দনীয় ।  দু-দুলই দেশমাতৃকার সকল মূল্যবোধের সহবস্থানের প্রতি আবেদনকে ধর্ষণ করেছে সমান ভাবে ।

      সদালাপের ব্লগার আহমেদ শরিফ আর আবু সাঈদ জিয়াদ্দিন গেল মাসেই জামাত-শিবিরদের ছবি বিকৃতি ও অন্যান্য আনুসাঙ্গিক  কর্মকাণ্ড নিয়ে ধারাবাহিক মন্তব্য ও পোষ্ট দেন । সেগুলো দয়াকরে পরেনিন ।  আর তাই আপনার লিঙ্ক করা পোষ্টটিকে আমাদের কাছে তেমন ঊল্লেখযোগ্যতো মনে হয়নি বরং উল্টো পোষ্টদাতা ও মুক্তমনারা যে  সময়বুঝে সন্যাসী সাজতে চাচ্ছেন সেটাই চোখে লেগেছে।  থাবাবাবা সহ অন্যান্য মুক্তমনারা নাস্তিকতা চর্চা করার জন্য  যত্রতত্র ভাবে ঠোটের আগায় দুর্গন্ধময় ভাষা নিয়ে ঘোরেন  তারজন্য জামাত শিবিরদের প্রচারের দারস্ত হতে হবে না । তাদের নিজেদের তৈরি নর্দমাগুলোর দিকে এগিয়ে গেলে নাকের ছিদ্র  সতঃস্ফুরত ভাবে ছোট হয়ে আসে।
       
      স্ত্রীলিঙ্গ কি আসলেই আপনার সাথে যায়? যদি নাও হয়, আপত্তি নেই । নীচের মন্তব্যটি চেখে দেখুন, চামড়ায় লাগাতে পারেন কিনা ।
      "মক্তমনা শামীমার মত গাঙ্গের পারে কুটনা মহিলাদের বাকচিত শুনলে বড় ভয় হয়। চুলোর ফুটোয় কাঠের লারকি চেপে  তারা এপাশের কথা ওপাশে নেয়, মাটিতে গোবর লেপার সাথে সাথে নানান রঙের গপ্প বানায়, বহু ইনিয়ে বিনিয়ে রকমারি ভং ধরে, একজনের  মুখের কথা কিঞ্চিৎ বিকৃতি করে  অপরের কানে ঢালে, দুষ্ট-বৃত্তির সাথে তাদের  নিত্যদিনের বসবাস। বেলাশেষে তাদের জন্য যে উপাধি অবশিষ্ট থাকে তা হল চোগলখোর। "— একথাগুলোর কিছু অংশ ধারকরা আর কিছু অংশ আমার নিজের।
       

  40. 25
    Azash

    মুক্তমনারে তো আর নতুন কইরা চিনতে হইব না, তাদের ভণ্ডামী সদালাপের লেখকরা অনেকবার উন্মোচন করেছেন। মুক্তমনারা কিন্তু এতো বোকা না, তারা ঠিকই ঝোপ বুঝে কোপ মারে। তারা হইল গিয়া কুখ্যাত জামাত-শিবিরের অপর পিঠ। এক কথা আপনারা কেউ কইলেন না, আপনারা কেউ ধরতে পারছেন কিনা জানিনা!!!! তারা আমাদের সবার সম্মানিত মাতা শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নাম ভাঙ্গায়া খাইতেছে।

  41. 24
    সরোয়ার

    মুক্তমনাদের ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষের নমুনা দেখুন যা এই পোষ্ট থেকে নেয়া হয়েছে। এটি করা হয়েছিল- ডিসেম্বর 12, 2011 at 8:24 পূর্বাহ্ন 
    ————
    চরম ইসলাম বিদ্বেষী মুক্তমনা আবুল কাশেমের (মুক্তমনা সাইটের অন্যতম লেখক)  বিশ্ববিখ্যাত ইসলাম বিদ্বেষী রবার্ট স্পেন্সার, স্টিভেন এমারসন প্রমুখদের সাথে অনেক আগে থেকে যোগাযোগ আছে! ইসলাম বিদ্বেষকে তিনি পেশা হিসেবে গ্রহণ করেছেন। আবুল কাশেমসহ অন্যরা পরামর্শ করেছে কিভাবে পশ্চিমা বিশ্বকে ইসলাম মুক্ত (Islamization) করা যায়। আবুল কাশেম সেই সিম্পোজিয়ামের এক্সপার্টের ভূমিকা পালন করেছে (কেননা সে ‘Apostates Speak Out and Beyond Jihad: Critical Views From Inside Islam’ নামক বইয়ের লেখক)! পশ্চিমা বিশ্বকে ইসলামমুক্ত করতে সে আট দফা কৌশল উত্থাপন করেছে। 

    মুক্তমনা আবুল কাশেমের দাবীর মধ্যে ছিল-

    ১। মুসলিমদেরকে নন-মুসলিম (পশ্চিমা দেশগুলোতে) দেশে প্রবেশ করতে চুক্তিপত্রে এই মর্মে স্বাক্ষর দিতে হবে যে তারা মুসলিম ভ্রাতৃত্বে (pan-Islamism) বিশ্বাস করে না। এই চুক্তি যারা ভংগ করবে তাদের নাগরিত্ব কেড়ে নেয়া হবে এবং সাথে সাথে ইসলামিক ‘প্যারাডাইসে’ ফেরত পাঠাতে হবে।

    ২। বিধর্মীরা যাতে ইসলাম ধর্মে কনভার্ট হতে না পারে সেজন্য প্রয়োজনে আইন করে তা প্রতিহত করতে হবে!

    ৩। মসজিদ বানানো বন্ধ করতে হবে। বিদ্বেষী আবুল কাশেম মসজিদ প্রতিষ্ঠা রোধ করতে বেশ্যাখানা, সিনেমা হল, মদখানা, পর্ণ ইন্ড্রাস্টির উদাহরণ তুলে ধরেছে! তার ভাষায়-

    Please note that controlling mosques is not the same as banning them. It is similar to controlling pubs, cinema houses, brothels, and adult entertainment centres.

    তার এসব পয়েন্টে বিশ্ব ‘নন্দিত’ ইসলাম বিদ্বেষীরাও দ্বি-মত প্রকাশ করেন! সেই বৈঠকে আল-কায়েদা বিশেষজ্ঞ ডঃ রোহান গুনারত্নেও উপস্থিত ছিলেন। উনার মতে মুসলিমদের একটি ক্ষুদ্র অংশ চরমপন্থার সাথে জড়িত। কিন্তু এই যুক্তি বাংগালী মুক্তমনা মানতে পারেনি। রেগে-মেগে একাকার অবস্থা! আবুল কাশেমের মতে গুনারত্ন হচ্ছে naïve! “Dr. Gunaratna is too simplistic in his thought” মুক্তমনা কাশেম তাকে স্মরণ করিয়ে দেন যে আসল সমস্যা হচ্ছে কোরান, হাদিস, মুহাম্মদ (সা) নিয়ে! তার ভাষ্য হচ্ছে-

    Dr. Gunaratna is very naïve. He forgets that Islamist terrorism is the direct result of the stipulations of the Koran, Sunna, and Sharia. If he would read the exegeses of the Koran by eminent scholars of Islam, such as ibn Abbas, Jalalyn, ibn Kathir, Tabari, Maulana Maududi, Hilali and Khan, he would have found that none of them differ from the doctrinal bases of al-Qaeda. The reality is: the Koran firmly backs up the terror, murder, loot and barbarism of the jihadists.

    Unfortunately, there is only Islam—the Islam preached, practiced and enforced by Muhammad. The entire ummah is bound by Islamic law to emulate Muhammad in complete.

    বিস্তারিত-
    Symposium: Confronting Islamization of the West

  42. 23
    ভানু ভাস্কর

    বেকার মস্তিস্ক শয়তানের কারখানা।
    কুলাঙ্গারটাকে শহীদের মর্যাদা দেওয়ার কথা ভেবে আঁৎকে উঠতে হয়। ৭১ এর যোদ্ধারা ইসলামের বিপক্ষে লড়েনি, যুদ্ধ করেছিল পাকিস্তানের অন্যায়-অবিচারের বিপক্ষে, শোষনের বিপক্ষে, আর এ বদমায়েশটা তার লেখায় ইসলাম ধর্মকে নিয়ে যাচ্ছেতাই করেছে। ওহ! এরাই তবে মুক্তমনা!

    জামাত-শিবির গোঁড়া, I strongly dislike them. এই মুক্তমনারা শিবিরের মতই গোঁড়া।

    থাবি খাবি বাবা ওরফে থাবা বাবাকে নিয়ে আলোচনা-ই বাদ দেয়া উচিৎ। লাগাতার আলোচনার কোন যোগ্য-ই ও নয়। হাসি পাচ্ছে টেলিভিশন খুললে- থাবার নামে অন্ধ শ্লোগানে।

  43. 22
    সাদাত

    নোট:  এই পোস্ট কোন বিশেষ পোস্ট বা কমেন্টকে কেন্ত্র করে নয়, বরং অনেকগুলো ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে এসেছে।
     

  44. 21
    কিংশুক

    @shamima,

    আমরা আপনার মতো ‘মুক্তমণা’র নিকট মাথা বিক্রি করে দেয়া বাটপাড় নই। আপনারা তো মুক্তমণার নিকট মাথা বিক্রি করে দেয়া সম্প্রদায়। মণারা যা খাওয়াই তাই তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলে খেয়ে নেন। আমরা নিজেরা যাচাই না করে কারো কথায় প্রভাবিত হয়ে কিছু বলছিনা। সদালাপ সম্পূর্ন অরাজনৈতিক (বড়জোর ১০% ব্লগার কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষের) ব্লগ। এখানকার বেশীর ভাগ ব্লগার রাজণীতি সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলেন। এখানকার ৯০% সদস্য জামায়াতের পক্ষে কোনদিন কিছু বলে নাই, লেখাতো দুরে থাক। এবং বেশীর ভাগ সদস্য দেশের নোংরা রাজনীতিকেই অপছন্দ করে। বরঞ্চ আপনারা নোংরা রাজনীতি, ষড়যন্ত্রের প্লট বানাতে ওস্তাদ ব্যক্তিবর্গ। এখানকার প্রধান সদস্যগণ এসব বিষয়ে অনেক আগে থেকেই অবগত। আপনারা ব্লগগুলোতে ইসলামের বিরুদ্ধে নিজের মণগড়া থিয়োরী প্রতিষ্ঠার জন্য ‘পিলান কি মুতাবেক’ চলবেন আর তথ্য প্রমান দিয়ে কোন কথা বল্লেও সব জামায়াতি ছাগুদের ষড়যন্ত্র বলে দলবদ্ধ আক্রমন করবেন এইসব এখানকার সবাই অনেক আগেই দেখে এসেছে। জামায়াতের বিরুদ্ধে কথা বলে তারপরও যদি আপনাদের ইসলাম বিষয়ে ফালতু কোন কথা/লেখার জবাব দেয়া হয় তাতেও আপনাদের নিকট ছাগু মনে হয়, যতক্ষন না মুক্তমণা ভাইরাসের নিকট আত্মসমর্পণ করে জ্বি হুজুর, জ্বি হুজুর বলা হয় ততক্ষন পর্যন্ত জামায়াতিই মনে হয়। মুক্তমণা সার্টিফিকেট আমরা কখনও চাই নাই, ঐসব বহুরুপীদের — ছালের সার্টিফিকেট এর কানাকড়ি মূল্য আমাদের কাছে নাই। কার প্রিয়(!) ইমানদারদের ইসলাম চর্চা কেমন তা আপনে কিভাবে বুজলেন! নাকি ইমানদার কথাটাই আপনার কাছে ঘৃণার বস্তু! সূক্ষ ষড়যন্ত্র, স্থূল ষড়যন্ত্র- এগুলো নোংরা রাজনীতির ভাষা। দয়া করে এসব নোংরা রাজনীতি যারা ষড়যন্ত্রের রাজনীতির সাথে জড়িত তাদের সাথে গিয়ে করুন। আলু পোড়া সব সময় ভাগ্যে জোটেনা। আলু পোড়া খেতে গিয়ে মাঝেমধ্যে গণধোলাই খাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

  45. 20
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    যে দুইটা কারনে আমি থাবা বিষয়ে সদালাপের আলোচনার পক্ষ ছিলাম না -- তা হলো থাবা মৃত এবং মৃত মানুষের কারো ক্ষতি করা ক্ষমতা নাই। তার হিসাব পৌছে গেছে আল্লার কাছে। তার বিষয়ে আলোচনা করা অর্থহীন।

    দ্বিতীয়ত যে কারনটা মাথায় ছিলো -- তা হলো এই আলোচনায় এমন কিছু বিষয় মানুষের মুখে উঠে আসে যা উচ্চারন করাও রুচীবিরুদ্ধ।  কিন্তু ইসলামের রক্ষার নামে অনেকেই তা অবলীলায় ছাপিয়ে দিচ্ছে। যা মুলত নাস্তিক/ধর্মবিদ্বেষীদের সহায়তা করছে। 
     
    বলে রাখা ভাল -- একজন মুমিন যখন একটা বিষয়ে স্বাক্ষ্য দেয় -- অন্য মুমিনের জন্যে তাই যথেষ্ঠ হয়। কোন প্রমান উপস্থাপনের জন্যে রসুল (সঃ) সম্পর্কিত কুৎসিত কিছু বাক্য সন্মলিত ছবির আপলোট করার দরকার নেই। আর থাবা যে একজন ইসলাম বিদ্বেষী ছিলো তা কেউই কি অস্বীকার করেছে? তবে সবচেয়ে আলোচিত নুরানীচাপা সাইটের বিষয়ে কিছু সন্দেহ থেকেই যায় -- যখন তার ট্রাফিক প্যার্টনগুলো লক্ষ্য করা যায়।

    যেমন দেখা যাচ্ছে থাবা মারা গেলো ১৪ তারিখে -- সেই পর্যণ্ত সেই সাইটের ট্রাফিক ছিলো শূন্য। অর্থাৎ সেই সাইটে কোন কনটেন্ট ছিলো কিনা সন্দেহ করা যায়। কিন্তু পরের দিন সাইটে হিট হয় ৫৭ হাজারের উপরে তার পরের দিন হিট হয় ৯৫ হাজারের কাছাকাছি। থাবা এবং তারদলবল রসুল (সঃ) সম্পর্কে সারাজীবনে কুৎসা করে যত মানুষের কাছে তাদের কথা পৌছাতে পারেনি -- শিবিরের নেটওয়ার্ক একদিনেই ফেইসবুকে লিংক দিয়ে তা করে দিয়েছে। অন্যদিকে নয়া দিগন্ত আর আমারদেশ প্রিন্ট করে তা আমজনতার ঘরে ঘরে পৌছে দিয়ে দিয়েছে। শয়তানের এই সাফল্যে আমাদের অবদান নিশ্চয়ই অনেকটুকু।

    অন্যদিকে আমাদের মুল লক্ষ্য যদি হয় নাস্তিকতার বিরুদ্ধে যুদ্ধ -- সেই যুদ্ধে আমাদের কৌশল কি হবে -- তা নিশ্চয় সবার কাছে পরিষ্কার। ধৈর্য্য ধরা হলো তার মধ্যে প্রথম।

    যাই হোক -- এই বিষয়ে আমার পছন্দের একটা ভিডিও দিচ্ছি -- আশা করি আমাদের মেমোরি রিফ্রেশ করতে সাহায্য করবে।

    আল্লাহ আমাদের সহায় হোন।

    1. 20.1
      সাদাত

      @আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:

      আর থাবা যে একজন ইসলাম বিদ্বেষী ছিলো তা কেউই কি অস্বীকার করেছে?

      33 নম্বর কমেন্ট দ্রষ্টব্য।

  46. 19
    shamima

    যারা আপনাদের জ্ঞানচক্ষু খুলে দিল সেই জামাতিদের সত্যবাদীতার, তাদের ইমানের পরিচয় খুঁজবেন না? আপনাদের এই প্রচারণা যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবীকে ধামাচাপা দেয়ার এক সুক্ষ প্রতারণা।    
     
    দেখুন আপনাদের প্রীয় ইমানদারদের ইসলামচর্চা-

    1. 19.1
      সাদাত

      লেখাটা না পড়েই কমেন্ট করেছেন নাকি? এই লেখায় যে শিবিরের অপকর্মের নিন্দা করা হয়েছে- সেইটা দেখেন নাই। এই লেখার কোন অংশ জামাতীদের থেকে ধার করা হয়েছে যে তাদের দ্বারা জ্ঞানচক্ষু খোলার প্রশ্ন আসছে। আসল কথা তো সেটা না। মুক্তমনাদের মুখোশ খুলে যাওয়ায় তাদের মাথা ঠিক নেই। এখন যে করেই হোক, মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়েই হোক, আর ধর্ম ব্যবসা করেই হোক বাঁচার পথ তো তাদের করতেই হবে। যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবীকে ধামাচাপা দেওয়ার কোন প্রশ্ন তো আসেই না, বরং ন্যায় প্রতিষ্ঠির এই দাবীর সাথে উড়ে এসে জুড়ে বসা ঘৃণ্য স্বার্থান্বেষী ইসলামবিদ্বেষী মুক্তমনাগুলোকেই লাত্থি দিয়ে বের করে দেবার কথাই এই লেখাতে বলা হয়েছে। এই কুলাঙ্গারগুলোর একটাও যে কোন আন্দোলনের সর্বনাশ ঘটাবার জন্য যথেষ্ট।

    2. 19.2
      এস. এম. রায়হান

      আপনি নিঃসন্দেহে আমগো 'মেজভাবী' ওরফে মগাচিৎ রায়ের পানি পড়া খাওয়া [পুরুষ] মুরিদ, নাকি ভুল বললাম? পুরুষ হয়ে নারী সাজতে লজ্জা করে না?

      1. 19.2.1
        সরোয়ার

         মূক্তমনাদের ইসলাম বিদ্বেষ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যেতে পারে-  
        কার্ডিওলজি জার্নাল প্রসংগে ‘মুক্তমনা’র  মিথ্যাচার
         
         
         

    3. 19.3
      এস. এম. রায়হান

      যারা আপনাদের জ্ঞানচক্ষু খুলে দিল সেই জামাতিদের সত্যবাদীতার, তাদের ইমানের পরিচয় খুঁজবেন না? আপনাদের এই প্রচারণা যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তির দাবীকে ধামাচাপা দেয়ার এক সুক্ষ প্রতারণা।

      দেখুন আপনাদের প্রীয় ইমানদারদের ইসলামচর্চা-

      সদালাপে এসে, এরকম একটি পোস্টে, উপরের মন্তব্য করতে হলে যে নিজেকে মুসলিম বিদ্বেষী বর্ণমনা [পুরুষ] হতে হবে -- এই অতি সাধারণ যুক্তিবোধ কি মন্তব্যটা লিখার সময় মাথায় ছিল না? নাকি 'মেজভাবী' ওরফে মগাচিৎ রায়ের ছড়িয়ে দেয়া 'মুক্তমনা' নামের ডেডলী ভাইরাস পুরো মস্কিষ্কই খেয়ে ফেলেছে?

      1. 19.3.1
        সাদাত

        মুক্তমনাদের বাজার খারাপ। সদালাপে আসিয়া কৌশলে নিজেদের বিজ্ঞাপণ করিতে হইতেছে!!

  47. 18
    Akash

    I strongly dislike those people who use religion to justify things which actually they do not understand. If religion is strong then it will servive if anti-religion is strong then we will see no religion in future. We need to wait and see. No-one can destroy or establish religion. There will be natural process which will determine which will stay and which will go. No killing or unrest, stay every one in peace!

  48. 17
    সরোয়ার

    সদালাপ যে একটি সতন্ত্র ফোরাম এই লিখাটিই হচ্ছে তার প্রমাণ। যারা অনলাইনে ব্লগিং করেন তারা ইসলাম বিদ্বেষীদের সম্পর্কে ভাল মত অবগত। লেখককে ধন্যবাদ। 

  49. 16
    শামস

    আমার বিশ্বাস ছিল এটাই সদালাপের অবস্থান।
    সবকিছুই বলে দিয়েছেন। ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।
     

  50. 15
    এস. এম. রায়হান

    ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষীমনাদের বাংলা গড ফাদার স্রেফ ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষকে যে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চা' হিসেবে চালিয়ে দিয়ে ভেড়ার পালের কাছে পরিবেশন করছে -- তার কী হবে। নিজ ব্লগের বিরুদ্ধে অভিযোগকে ডিফেন্ড করতে যেয়ে সুকৌশলে থাবা বাবা'কে দিয়ে শুরু করা হয়েছে। এর পর একে একে বাংলাদেশের সকল নাস্তিককে সুকৌশলে থাবা বাবা ও উগ্র কম্যুনিস্ট মগাচীপের পর্যায়ে নামিয়ে দিয়ে, সবাইকে নিরীহ গোছের 'মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী মুক্তমনা' হিসেবে দেখিয়ে, নিজ ব্লগকে 'মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী ব্লগ' হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছে। সে কি দুনিয়ার সকল ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষীর দায়িত্ব নিয়েছে? ব্যাপারটা পরিষ্কার হওয়া দরকার।

    1. 15.1
      এস. এম. রায়হান

      পুনশ্চ: রাজীব ওরফে থাবা বাবা ধর্মকারী ব্লগ থেকে শুরু করে আমু, সামু, নাগু, ফেসবুক, ও টুইটার সহ অনেক জায়গাতেই লিখেছে কিন্তু মনা ব্লগে তার কোনো লেখা নাই। তার মানে সে মনা ব্লগকে কোনো কারণে অপছন্দ করত নিশ্চয়। অথচ কোনো এক জাতীয় পত্রিকায় মনা ব্লগের বিরুদ্ধে অভিযোগকে স্বাভাবিকভাবেই খণ্ডন করতে না পেরে মনা ব্লগের গড ফাদার থাবা বাবা'র লাশ দিয়ে মায়াকান্না শুরু করে, পাঠকদের সহানুভূতি আদায়ের জন্য নিজের তৈরী একটি হিট লিস্ট দিয়ে [পত্রিকায় ইতোমধ্যে যে হিট লিস্ট প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে ডঃ জাফর ইকবাল বা তার কোনো নাম নাই], তার সাথে আরো অনেক কিছুকে জড়িয়ে মগাখিচুড়ি পাকিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছে যে তার নিরীহ গোছের 'মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারী' ব্লগের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার আর ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

      1. 15.1.1
        কিংশুক

        @রায়হান ভাই, শুধু অভিজিত হুজুরই না ভৃত্যসম মুরিদ আ: মাহমুদ, আক্কাছ মোল্লারাও মায়াকান্না শুরু করেছে। অভিজিত হুজুর, আক্কাছ মোল্লারা মুসলমানদের কোন পুষ্পোদ্যানে নিয়ে যেতে চায় তা তাদের জবানিতে আমরা অনেক আগেই জেনে গেছি। এখন ভাব দেখে মনে হচ্ছে, রাজিব এর প্রসংগ না আসলে শাহবাগ এর আন্দোলন যেন তেনাদের ইসলাম-শুন্য পৃথিবী মিশন সফল করে ফেলেছিলো। যত বাগড়া মোচলমানরাই দেয়, তেনারা সব ফুলের মতো পবিত্র স্বভাবের সত্যবাদি, কোমল হৃদয়ের মানুষ।

      2. 15.1.2
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        মুক্তমানা হলো সুবিধাবাদী শ্রেনীর মানুষ। এরা এখন থাবার লাশের ভাগ চায়। একদিকে জামাতি অন্যদিকে মুক্তমনা -- দুই দল লাশের ব্যবসায় নেমেছে। 
         

  51. 14
    শিশির

    থাবার হত্যাকান্ডের দায়ভার সরকারের উপর ও কি বর্তায় না? বিচারবহির্ভুত হত্যা ,গুম ,দলীয় কর্মীদের দ্বারা প্রকাশ্যে খুন ,সর্বোপরি আইনের সুশাসন নিশ্চিত করতে না পারাও দায়ী। অপরাধী যেই হোক না কেন ,শাস্তির ব্যাপারে নির্ভাবনাই তাদের খুনের পরিকল্পনায় কোনরূপ নিরুতসাহিত করতে পারেনি।

  52. 13
    MOHAMMED YASIN

    BHAI AMAR KOTHA HOLO MUNAFEKDER SHOB SHOMOY DARA JAI NA EKBAR JEHETU DORA PORECHE ODERKE BINA CHALLENGE E CHERE DEWA JABE NA. TADER KE DEKHATE HOBE MUSALMANDER IMANI SOKTIR KACHE SARA DUNIAR TAGUTI SOKTI KICHUI NA. 90% MUSALMANER DESHE তাদের SOFOLOTAR DEKUR GILTE DEWA JAI NA. TADER SOKOL SOROJONTRO EKHONI NASHAT KORA UCHIT.

  53. 12
    মোঃ ইউশা

    জামাত কি দুষ করেছে তাদেরে উপর এত নির্জাতন। তাদের নেতাদের ফাসি দিতে হবে। জামাত কে নিষিদ্ধ করতে হবে। এটা কি সরকারের বাড়াবাড়ি নয়। আমরা নতুন প্রজম্ন হয়ে কেন দেশকে সামনে নেওয়ার জন্য কোন আন্দোলন করি না।

    1. 12.1
      নির্ভীক আস্তিক

      আপনার মন্তব্য পড়ে চোখে পানি এসে পড়ল। তাইতো! কি করেছে এই জামাতের নেতারা ! তারাতো শুধু পাকিস্তানের সেবা করেছে । তাদের হাত পা টিপে দিয়েছে । তাদের সাথে গলা জুরাজুরি করে ঈদ পালন করেছে নিমকহারাম মুসলমান আর মালাউন হিন্দু নর-নারিদের রক্তের স্রোতের উপর দাড়িয়ে দাঁতের খিল লাগিয়ে। বেশ করেছে ! নারে ভাইডি ?  স্বামী ও সন্তানের জীবন ভিক্ষা চাইতে আসা এক নারীর অনুরোধ রেখে তাকে অন্তত রক্তাক্ত কাপড় গুলোতো ফেরত দিয়েছে ! সাচ্চা মুসলমান ছাড়া কেউ কি এত মায়া মহব্বত দেখাতো ? হায় ! হায়! মানুষ চোখ থাকতেও অন্ধ । কেউ কিছু বুঝে না । 

      রাগে দুঃখে অন্তরটা ফাইটা যাইতেছে, সিস্টোল ডায়োস্টল এখন আর কথা হুনবার চায়না। একদিকে চোখ ছলাছলাইয়া যমুনার পানি উতলাইয়া পড়বার চাইতেছে, আরেকদিকে আবেগের টানাপোড়েনে প্রকৃতি ভিষন চাপ দিয়াছে বাপু,  বুড়িগঙ্গার নোংরা পানি মাইল/বেগে ছুটবার চায় । যাইগা সবকিছু পরিস্কার করে আসি ।

       

    2. 12.2
      নির্ভীক আস্তিক

      by the way, পোস্টটি আবার একটু ভাল ভাবে পড়ুন এবং পোস্টের বিষয়বস্তুর পরিধির মধ্যে আলোচনা সীমিত রাখুন ।

    3. 12.3
      সাদাত

      একেবারে অপ্রাসঙ্গিক কমেন্ট।
      যা হোক, চাওয়া হচ্ছে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, অথচ আপনি সেটাকে জামাতের নেতাদের দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। তার মানে, আপনি নিজেই জামাত নেতা এবং যুদ্ধাপরাধিদের সমার্থক মনে করেন।

  54. 11
    এস. এম. রায়হান

    এক কথায় প্রতিক্রিয়া জানাতে হলে বলতে হয়-
     
    আপনার এই লেখা ধর্মব্যবসায়ী উভয় গ্রুপের বাংগী ফাটিয়ে দিয়েছে!
     
    এই মুহূর্তে বেশ ব্যস্ত। পরে আবার আসার চেষ্টা করব।

  55. 10
    amal sen

    শাহবাগীরা সরকারের আনুকুল্যে বিপ্লব করার চেষ্টা করছেন।মিডিয়াতে সেটা এমন ভাবে এসেছে যেন সত্যিকারের এক বিপ্লব ঘটতে যাচ্ছে ! বিপ্লব করতে রক্ত লাগে রক্ত।লাগে অত্যাচারীর বুলেটের সামনে দাড়ানোর দুরন্ত সাহস।হায় বিপ্লব ! হায় বিপ্লবী !

    1. 10.1
      Afzol

      ঠিকই বলছেন। এটাকে বিপ্লব বললে বিপ্লব লজ্জিত হবে।

    2. 10.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      শাহবাগের গনজাগরণের বিপক্ষে এই লেখা নয়। এই লেখা এন্টি ইসলামিষ্টদের নিয়ে  প্রচার প্রচারনার বিরুদ্ধে। কাজেই শাহবাগের জাগরণের বিপক্ষে কথা তোলে আমাদের এই পোস্টের বক্তব্যকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে নিতে চেষ্টা করবেন না।

    3. 10.3
      সাদাত

      পোস্ট না পড়েই কমেন্ট করলেন নাকি!
      আলু পোড়া খাবার সুযোগ এখানে নাই।

  56. 9
    Gazi Zulfikar Mahmud

    আমি মনে করি এই নাস্তিকদের বিষয়গুলো যখন শুরু হয়েছিল তখনি বন্ধ করা উচিৎ ছিল। কখনো কনকিছু শুধু লেখনি দিয়ে সম্পূর্ণ সমাধান করা সম্ভব নয়। জারা ব্লগার তার যদি অনেক আগেই এগুল মানুষের সম্মুখে প্রছার করে ব্জছারের দাবী তুলতেন তাহলে দিনে দিনে নাস্তিকদের এত বিস্তার ঘটতো না।
    শাহবাগে ব্লগাররা কেন নামলেন? আর নামার রেজাল্টআতো এখন সবার জানা। ব্লগে বসে বসে যদি তাদের আর তিন জনম শেষ করে দিতেন তাহলেও এত মানুষ এর সাপোর্ট অর্জন করা সম্ভব ছিল না। দুঃখজনক যে আমাদের তাদের (নাস্তিকদের) কাছে শিখতে হচ্ছে।
    আল্লাহ (SWT) আমাদের হেফাজত করুন।

  57. 8
    ইমরান হাসান

     তাকে যদি বলা হয় ‘জাতীয় বীর’ তবে আমরা তাকে বলবো ‘জাতীয় কুলাঙ্গার’; তাকে যদি বলা হয় ‘মুক্তিযুদ্ধের শহীদ’ তবে আমরা তাকে বলবো ‘ইসলামের রাজাকার’। (TIT FOR TAT)
    রাজীবকে সত্যিকারের শহীদ বলা ইসলামের অবমাননা, আর তাকে মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বলা মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের অবমাননা।

    একেবারে ১০০% সত্যি কথা। একজন ইসলাম থেকে ১৮০ ডিগ্রী বিপরীতে থাকা থাবা বাবা-কে যখন মিডিয়া হিরো বানাতে যায় তখন এমনিতেই মিডিয়া আর আন্দোলন এর প্রতি মানুষের চরম ঘৃণা জন্মে যায়।
     
    আমি নিজে অনলাইনে বিভিন্ন সময়ে থাবা বাবা’র সাথে তর্কযুদ্ধে লিপ্ত হয়েছি। কোন একজন ব্যক্তি যে এতটা নির্লজ্জ-বেহায়া আর কুলাঙ্গার হতে পারে সেটা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না।

    তাকে কোনকিছু বললে পারে সে বলত "এগুল স্যাটায়ার" যেন  আমরা কেউই সহিহ স্যাটায়ার এর সংজ্ঞা জানি না।
     
    লেখার জন্য 

    1. 8.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      বীর কেউ কাউকে বানায় না। টাইম এন্ড স্পেস মানুষকে বীর বানায়। থাবা গনজাগরনের মঞ্চে সক্রিয় ছিলো -- যারা থাবার মৃতদেহটাকে সন্মান দিয়েছে -- তারা তাকে নাস্তিক হিসাবে সন্মান দেয়নি বা নাস্তিকতাকে বিবেচনায় আনেনি ( শুধুমাত্র মুক্তমনারা ছাড়া) -- মুসলমানের ঘরে জন্ম নেওয়া আরো দশটা মানুষের মতোই তাকে বিবেচনা করা হয়েছে -- যেমনটা বাংলাদেশে করা খুবই স্বাভাবিক। আমি সেদিন সকালে নামাজ শেষ করে টিভি খুলেই দেখি জানাজা হচ্ছে -- আমি নিজেকে সামলাতে পারিনি -- চোখ দিয়ে পানি এসে গিয়েছিলো -- লাখের উপরে মানুষ এক সাথে আল্লাহু আকবর উচ্চারন করছে -- আমি স্বপ্ন দেখতোও ভয় পাই্ আমার জানাজায় এতো মানুষ হবে আর আমার নামে দোয়া করবে। আমি জেলাস হয়েছি -- লজ্জিত হয়েছি -- কারন সন্মান আসে আল্লাহ কাছ থেকেই -- একটা ধর্মবিদ্ধেষী -- ্‌আল্লাহ রসুলের নামে কুৎসা করার পরও আল্লাহ তাকে এতোটা সন্মানিত করলেন। যারা জানাজা পড়েছে তাদের মাঝে হয়তো সামান্য মানুষই জানতো এই লাশটা নাস্তিকের। 
       
      একটা কথা স্মরন রাখবেন -- নিজের রাগ বা অনুরাগের বশবর্তী হয়ে কারো বিষয়ে চুড়ান্ত ঘোষনা দেওয়া ঠিক না। আল্লাহ মানুষকে দুনিয়া এবং আখেরাতে প্রতিদান দেবেন তাদের কর্মের জন্যে। রাজীব যা করেছে তা সরাসরি আল্লাহর সাথে করেছে -- তার হিসাবে আল্লাহ কাছেই আছে। জানামতে রাজীব দুনিয়ায় মানুষের  সাথে কোন কিছু করেনি যার জন্যে সে আমার কাছ থেকে ক্ষমা চাইতে হবে। রাজীব নাস্তিক হয়েও একটা ন্যয় বিচারে পক্ষে লড়াই করেছে -- সেইটাই কি কম গুরুত্বপূর্ন। 
      সেই্ জন্যেই বলেছিলাম -- দয়া করে মৃতমানুষের নামে কথা না বলি। সে এবং তার হিসাবে আল্লাহ কাছে চলে গেছে। আমাদের উচিত আমাদের কর্মপদ্ধতির জন্যে কোরআন আর সুন্নাহর কাছে ফিরে যাওয়া। নিজের নফসকে নিয়ন্ত্রন করা। 
      যদি এই বিষয়ে কোরাআন আর সুন্নাহ ভিত্তিক কোন উপদেশ দেন -- মাথা পেতে নেবো। ধন্যবাদ। 

  58. 7
    মুনিম সিদ্দিকী

    ধন্যবাদ সাদাত ভাই আপনি আমার হৃদয়ে জমে থাকা ব্যথাগুলো খুব সুন্দর ভাবে তোলে এনেছেন। এই পোস্টের মাধ্যমে আমাদের অবস্থান পরিস্কার করা হয়েছে। আশাকরি বিবেকবান মানুষ তা অনুবাধন করতে পারবেন। আমি আশাকরি সরকারও এই পোস্ট থেকে অরাজনৈতিক সাধারণ মুসলিমদের মনের প্রতিক্রিয়া অনুধাবন করে সে মত ব্যবস্থা গ্রহণ করে বর্তমান সংকটাপন্ন অবস্থা অতিক্রম করতে জাতিকে নেতৃত্ব দিবেন।  আল্লাহু আকবার!

  59. 6
    নীরব সাক্ষী

    থাবাবাবা'র ফেসবুক একাউন্ট থেকে দেখা যায়- 

    তার (থাবা) ফেসবুক স্টাটাসের অনুসারী (ফলোয়ার) সংখ্যা ৬০০০ +  
    এই পোষ্টে প্রকাশিত একটি ফেসবুকে স্টাটাসটি লাইক করেছেন ৩৫ এবং ১৪ জন শেয়ার দিয়েছেন!

     
    এত প্রমাণ থাকার পরও তার লেখাগুলো নাকি 'জামাতিদের ষড়যন্ত্র'।  
    এত বড় মিথ্যাকে ঢেকে রাখা হলে সমাজ আরো পশ্চাতমুখী হবে। সরকারের উচিত থাবাদের মত  ধর্ম বিদ্বেষী মুক্তমনাদের রোধ করা।  

    1. 6.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      থাবার লেখাগুলো জামাতি ষড়যন্ত্র না -- তবে থাবার লেখাগুলো পত্রিকায় ছাপানো জামাতী ষড়যন্ত্র। ইন্টারনেটে সবাই নিজের মতো করে লিখতে পারে -- তা নিয়ণ্ত্রন করা কঠিন এবং করার সুযোগ্ও কম। কিন্তু পত্রিকা মালিকের নিয়ন্ত্রনে থাকে -- সেখানে যা ছাপানো হয় তার একটা উদ্দেশ্য থাকে -- থাবার লেখা পড়ার মতো পাঠক বাংলাদেশে হয়তো ছিলোই না -অথবা একটা নগন্য সংখ্যার লোক ছিলো। আমারদেশ আর নয়া দিগন্ত এই লেখাগুলোকে ছাপিয়ে প্রচার করেছে যাতে শাহবাগের আন্দোলন থেকে মানুষের দৃষ্টি অন্যদিকে যায়। এবং তারা এক কথা সফলও হয়েছে। সদালাপে আমরা রাস্তায় আল্লাহু আকবর বলে মানুষ পোড়ানো বা কাবার ঈমামদের নামে মিথ্যাচার করার নিউজগুলো তেমন গুরুত্ব না দিলেও এই নিউজের গুরুত্ব দিচ্ছি এবং থাবার লেখা প্রচার করছি ( উপরের ছবি দ্রষ্টব্য)। 
       
      থাবার লেখা নিয়ে, তাকে কেন জানাযা দেওয়া হলো, তাকে কেন মুক্তিযুদ্ধে বীর বলা হলো, তাকে কেন শহীদ বলা হলো এই নিয়ে বিতর্কে আমাদের যতটা উৎসাহ দেখাচ্ছি -- ৩০ লক্ষ মানুষের হত্যার সাথে জড়িত ইসলামের নামে রাজনীতি করে ইসলামকে বিতর্কিত করার বিষয়ে আমাদের আলোচনা কিন্তু ততটা গুরুত্ব পায়নি।
       
      প্রশ্ন হলো -- থাবাকে কে হীরো বানাচ্ছে -- নাস্তিকরা বছরের পর বছর চেষ্টা করেও যে লেখাগুলো মানুষের মাঝে প্রচার করতে পারে নি -- মাত্র একদিনে শিবিরের নেটওয়ার্ক তা করে দিয়েছে -- আমরাও তার পিছনে দৌড়াচ্ছি। মাত্র এক দিনে থাবার কথিত নুরানীচাপায় হিট হয়েছে বিশাল। লক্ষ্য করুন -- থাবার মৃত্যুর দিন -- ১৪ তারিখে হিট ছিলো জিরো, ১৫ তারিখে প্রায় ২০ হাজার আর ১৬ তারিখে ২৮ হাজার। রসুল (সঃ) এর প্রসংগে এই কুৎসা প্রচারে আমাদের যে অবদান -- তার দায় কিন্তু আমাদেরই নিতে হবে। 
       
      ধন্যবাদ। 

      1. 6.1.1
        FARID

        YES——-I DO AGREE—--RAZAKARS MADE RAJIB --A HERO—-

  60. 5
    নীরব সাক্ষী

    অত্যন্ত নিরপেক্ষ ধর্মী তথ্যের সমাবেশ হয়েছে এই লেখাটিতে। বিভিন্ন ব্লগে এবং পত্রিকায় ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে- নুরানীচাপা থাবা'র মৃত্যুর পর বানানো হয়েছে।

    কিন্তু তার ফেসবুকে দেখা যাচ্ছে নুরানী চাপা নামক অত্যন্ত অশ্লীল ও নোংরা অপ-প্রচার শুরু হয়েছে ১০ জুলাই, ২০১২ তারিখে। 

     তাকে নিরপরাধ দেখিয়ে  দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ্বের প্রথম শহীদ ঘোষণা দেয়া হলো। যারা একাজটি করে তারা থাবাবাব লেখার সংগে বেশ ভালভাবে পরিচিত। তাই শাহবাজ সাহেবের মত বলতে চাই-

     মিথ্যার বেসাতির উপরে ভরসা করে যে দালান বানানোর চেষ্টা হচ্ছে তা কোনোমতে বানানো গেলেও ভেঙ্গে পড়বে। মিথ্যার উপর সত্যি দাঁড়াতে পারেনা।

    লেখক ও সম্পাদকের সাথে সহমত পোষণ করে বলতে চাই-  

    আমরা ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিপক্ষে। অন্যায় যেই করুক, আমরা নি:সংকোচে নির্ভয়ে তার প্রতিবাদ করবোই।

  61. 4
    হাফিজ

    সাদাত এর বক্তব্যের সাথে সহমত। লেখা খুবই সুন্দর হয়েছে।
     

  62. 3
    করতোয়া

    থাবা'র কোন পোষ্ট আমি কখনও ইচ্ছা করেই পড়তে যাইনি। কারন আমি আল্লাহ'র সেই আদেশ
    মান্য করে চলার চেষ্টা করি "যারা আল্লাহ ও রসুলকে নিয়ে বিতর্ক করে সেখানে আমি বসি না"। আপনার এই পোষ্টে কিছু নমুনা দেখলাম। আর আগে আমার বৌ থাবার কিছু পোষ্ট সম্পর্কে ধারনা দিয়েছিল। আপনার বিশ্লেষন আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। আজ সকালে আমুতে আমি এক ডাক্তারের পোষ্টে মন্তব্য করেছি অনেকটা এ ধরনেরই বিশ্লষন করে।
     
    আরো বিশ্লেষন আশা করছি। ধন্যবাদ।

    1. 3.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      থাবা বা ঐ ধরনের লেখকদের লেখা পড়ার চেয়ে অন্যকাজ করা যথেষ্ঠ যৌক্তিক। সমস্যা হলো থাবারা আমাদের যত বড় সমস্যা -- তার চেয়ে বড়  সমস্যা যারা থাবার লাশ নিয়ে বানিজ্য করছে -- একদিকে মুক্তমনারা অন্যদিকে জামাতিরা। আমরা মাঝে পড়েছি -- এতে আমাদের জন্যে কঠিন একটা পরীক্ষা সৃষ্টি হয়েছে। 

  63. 2
    সদালাপ কর্তৃপক্ষ

    অত্যন্ত ব্যালেন্সড, সংযত ও সার্বিক পর্যবেক্ষণ। সাদাত সাহবকে ধন্যবাদ।

    আমরা ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিপক্ষে। অন্যায় যেই করুক, আমরা নি:সংকোচে নির্ভয়ে তার প্রতিবাদ করবোই।

    সদালাপ এই অধিকারের প্রতি অঙ্গিকারবদ্ধ।

  64. 1
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    অধিকাংশ বিষয়ে একমত। তবে কিছু বিষয় আছে যা আলোচনার সুযোগ রাখে। কিন্তু বর্তমান পরিবেশে আলোচনা না করারই পক্ষে। 
     
    আমার মনে হয় -- যে পোস্ট নিয়ে আপনি কথা বলেছেন -- তা সিদ্ধান্তমুলক নয়, আলোচনার সুবিধার্থে কিছু উপসর্গের ভিত্তিতে একটা নির্দেশনা দিয়ে মুল বক্তব্যটা এনেছেন লেখক -- যার সাথে দ্বিমত পোষন করার সুযোগ নেই। 
     
    একটা কথা তো আমরা বুঝি -- থাবারা ছিলো, আছে থাকবে। এখন আমাদের উপর নির্ভর করে কিভাবে থাবাদের বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করবো। অধিকাংশ মানুষের কাছে থাবা ছিলো একটা অন্ধকারের প্রানী। সে কতটাই ইসলামের ক্ষতি করতে পারতো, জানি না। তবে এখন নয়া দিগন্ত, আমার দেশ আর সংগ্রামের কৌশলে থাবা একটা বিশাল থাবা হয়ে আমাদের ইমান পরীক্ষার জন্যে এগিয়ে এসেছে। আমরা কি এখন সকল কিছুর উর্দ্ধে উঠে থাবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করবো -- নাকি বাংলাদেশের বর্তমান যে মুল ইস্যু তাকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। 
     
    এখানে আমাদের সত্যই ভাবা উচিত -- অবশ্যই কোরান আর সুন্নাহ র আলোকে -- মৃত থাবার নাম লেখা ব্যানার নিয়ে মসজিদ থেকে মিছিল বের করবো -- নাকি ৪০ বছর ধরে জমে থাকা একটা জুলুমের বিচারকে স্বাভাবিক ভাবে চলতে দেবো। 
     
    যদি বাংলাদেশে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত হয়েই থাকে তবে তার নিশান কার হাতে থাকবে তা কিন্তু নিশ্চিত না। আমরা যারা কিছু কিছু জানি -- আমাদের হয়তো ধারনা হয়ে যাচ্ছে আমাদের উপরই দায়িত্ব পড়ে যাচ্ছে ইসলামের সৈনিক হয়ে সমাজকে নিয়ন্ত্রন করা। কে কোথায় জানাজা পড়ালো -- সেইটার জবাব কে দেবে?  এর আগেই হুমায়ুন আযাদের জানাজা হয়েছে, শামসুর রাহমানের জানাযা হয়েছে -- তখন কিন্তু আমরা এই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখিনি। 
     
    তাই বলতে চাচ্ছি -- খুব সতর্কতার সাথে লক্ষ্য রাখতে হবে -- আমরা কি নিজেদের বিবেচনায় চলছি -- নাকি কেউ আমাদের চালাচ্ছে? এখানে আমি দ্ব্যর্থহীন ভাবে বলতে চাই -- আজ যারা সারা দেশে মসজিদ থেকে মিছিল বের করার ঘোষনা দিয়েছে -- উনারা কেউই থাবার লেখা পড়তেন না যদিনা জামাতি পত্রিকাগুলো সেগুলো ছাপাতো -- অর্থাৎ ইসলামের পক্ষে উচ্চকন্ঠের মুখপাত্ররাই ইসলামের নামে নোংরা ঘেটে এনে জনসমুখে উপস্থাপন করার ফলে সাধারনের ধর্মী অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে এবং সবাই এখন একটা গনহত্যার মতো ইস্যুকে বাদ দিয়ে ব্লগারদের বিচার চাইছেন। 
     
    আমার অনুরোধ -- নাস্তিক/ধর্মবিদ্ধেষীদের বিরুদ্ধে আমাদের যে যুদ্ধটা চলমান আছে -- তা চলবে। একটা মৃত মানুষকে ঘিরে ধরে হৈ চৈ করার চেয়ে ধের্য্য ধরে এগুনোই ভাল মনে করছি। 
     
    শেষ কথাটা হলো -- খুবই দুঃখের সাথে বলতে হচ্ছে -- আমাদের আলেম সমাজ খুব সরল প্রকৃতি বলেই ধূর্ত ধর্মব্যবসায়ী রাজনীতিবিদদের ফাঁদে পা দিয়েছে বহুবার এবং এবারও দিলো মনে হচ্ছে।
     
    ধন্যবাদ।

    1. 1.1
      শাহবাজ নজরুল

      একটা কথা তো আমরা বুঝি — থাবারা ছিলো, আছে থাকবে। এখন আমাদের উপর নির্ভর করে কিভাবে থাবাদের বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করবো। অধিকাংশ মানুষের কাছে থাবা ছিলো একটা অন্ধকারের প্রানী। সে কতটাই ইসলামের ক্ষতি করতে পারতো, জানি না। তবে এখন নয়া দিগন্ত, আমার দেশ আর সংগ্রামের কৌশলে থাবা একটা বিশাল থাবা হয়ে আমাদের ইমান পরীক্ষার জন্যে এগিয়ে এসেছে।

      থাবা’রা বড় হয়ে উঠাতে নয়া দিগন্ত, আমার দেশ আর সংগ্রামের কৌশলই মূল ও একমাত্র কারণ নয় – আসল কারণ হচ্ছে – থাবা’কে “দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের নায়ক” বানানোর অপচেষ্টায়। নয়া দিগন্ত, আমার দেশ আর সংগ্রামের কৌশল হচ্ছে ওদের নিজেদের বেঁচে থাকার শেষ চেষ্টা সহ মূল এ্যকশনের রিএ্যকশন মাত্র। একটা সত্য ঢেকে পুরো উলটা কথাকে সত্য বলে চালানো তো জামাতের কাজ বলে জানতাম। এটা কেন আমাদের জাগরনী মঞ্চের লোকজন করলেন? জামাত সারা জীবনই কূটচালের রাজনীতি খেলেছে – এটাতেই ওরা পারদর্শী। ওরা এখন আছে বাঁচা/মরার সংগ্রামে – এই সময়ে শেষ খড়কুটো ধরে ওরা শেষ অস্ত্র ব্যবহার করবেই। এটা সবাই জানেন ও বোঝেন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ওদের চালে ধরা খেয়ে শাহবাগের জাগরনী মঞ্চ থেকে শুরু করে আমু, সামু, মামু সব ব্লগেই এই ধারণা দেয়া শুরু করা হলো যে – থাবা ইসলাম বিদ্বেষী নয় – ওগুলো জামাতের বানানো গল্প। একে তো জামাতীরা আছে survival mode এ – তার উপর এমন অপরিকল্পিত ভাবে ছেলের হাতে মোয়া তুলে দিলে তার ষোল আনা তো তারা তুলে নেবেই। আর মাঝখানে লক্ষ/কোটি সাধারণ মানুষ হবে দ্বিধান্বিত। ‘জাগরনী মঞ্চ’ থেকে কেন এমন ভুল সিদ্ধান্ত নেয়া হলো??? ওখানে কি কেউ ছিলেন না যে এই ব্যপারগুলো বুঝতে পেরেছে? বুঝতে পেরে কেন তারা আবেগের বশবর্তী হয়ে জামাতের কাটা ফাঁদে পা দিলো? ঐ যে বললেন -- থাবা ছিলো একটা অন্ধকারের প্রানী – ওকে যদি অন্ধকারেই রেখে দেয়া হতো – ওকে যদি “দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের প্রথম শহীদ” না বানানো হতো, ওকে নিয়ে জানাযা পড়ানোর নাটক যদি না করা হতো তাহলে নয়া দিগন্ত, আমার দেশ আর সংগ্রাম এই সুযোগটা নিতে পারতোনা। এমনকি এখনো অনেকেই প্রমাণ করতে চেষ্টা করছেন থাবা’বাবা ছিলেন অকুতোভয় সংগ্রামী চরিত্র – তিনি ইসলামের বিরূদ্ধে কিছুই লিখেন নাই –সবই বানানো খেলা। গিয়ে দেখুন আমুতে এখনো ব্যনার ঝুলছে থাবা’র। ব্যানারে আছে শোকের ফিতা – শোকের খন্ড কবিতা। আন্দোলন সঠিক পথে আগাতে হলে যা সত্যি তা নিয়েই এগুতে হবে। থাবা’র দেখানো পথকে আস্তাকুড়ে ছুড়ে ফেলতে হবে। আর থাবা’র সঙ্গীদের (সুযোগ সন্ধানী আসিফ মহিউদ্দিন ও ইসলাম বিদ্বেষী মুক্তমনাদের) এই আন্দোলন থেকে আলাদা করতে হবে। সত্য আর মিথ্যা মিলিয়ে শরবত বানালে তা মিথ্যার মতোই তিতা হবে।

      আমরা কি এখন সকল কিছুর উর্দ্ধে উঠে থাবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করবো — নাকি বাংলাদেশের বর্তমান যে মুল ইস্যু তাকে এগিয়ে নিয়ে যাবো।

      এটাকে বলে false dichotomy যেখানে exhaustive set of choices ভোটার/পাঠককে দেয়া হচ্ছেনা, কিংবা যে দুটো অপশন দেয়া হচ্ছে তার দুটোই ভুল। এই বচনে দুটো চয়েস যে আপনি দিলেন অর্থাৎ “সকল কিছুর উর্দ্ধে উঠে থাবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করবো” নাকি “বাংলাদেশের বর্তমান যে মুল ইস্যু তাকে এগিয়ে নিয়ে যাবো” তা exhaustive set of choices না। এখানে আরেকটি অপশন থাকা দরকার ছিলো যা হচ্ছে

      থাবাদের মতো ইসলাম-বিদ্বেষীদের বিরূদ্ধে কলম-যুদ্ধ চালিয়ে যাবার পাশাপাশি থাবা’র ব্যপারে পুরো সত্য স্বীকার করে নিয়ে সত্যের উপর দাঁড়িয়ে সামনে এগুবো ও ৭১ এর যুদ্ধের বাকী অংশ শেষ করবো।

      এই তৃতীয় অপশনই হচ্ছে এই আন্দোলনকে বাঁচানোর একমাত্র পথ। মিথ্যার বেসাতির উপরে ভরসা করে যে দালান বানানোর চেষ্টা হচ্ছে তা কোনোমতে বানানো গেলেও ভেঙ্গে পড়বে। মিথ্যার উপর সত্য দাঁড়াতে পারেনা।

      1. 1.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        আপনার পয়েন্টগুলো ধরতে পারছি -- কিন্তু যে কথাটা বুঝতে পারছি না তা হলো আপনার অভিযোগগুলো কি শাহবাগের লোকজনের উপরে নাকি আমার বিরুদ্ধে, যদি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ হয়ে থাকে -- আপাতত আমি সেগুলোর দিকে যাচ্ছি না। নিশ্চিত ভাবে বুঝতে পারছি যে -- আমরা শয়তানের বিশেষ কর্মকান্ডে একটা বিরোধে জড়াতে যাচ্ছি -- কারন আপনি আমার ব্যবহূত কয়েকটা শব্দকে লক্ষ্য করে আপনার বিতর্কটা তৈরী করছেন। যদিও আমি ব্যাখ্যা দিয়েছি -- হয়তো তা পর্যাপ্ত হয়নি। ভবিষ্যতে যদি সুযোগ পাই -- হয়তো এই বিষয়ে কথা বলবো। 
         
        যথাযথ সন্মান রেখেই বলছি -- দয়া করে রেগে যাবেন না। পুরো বিষয়টা নিয়ে ভাবুন। যদি আমি কোথাও ভুল করে থাকি তা একান্তই আমার অসতর্কতা -- আমি তা মেনে নেবো। আপাতত এইটুকুই। ধন্যবাদ। 

      2. 1.1.2
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        শাহবাজ
         
        আপনার অনুমতি না নিয়েই আপনার কমেন্টটা ফেইসবুকে দিলাম। আপনার নাম দেইনি। আশা করি অনুমোদন পাবো। যদি সমস্যা হয় তাহলে ডিলিট করে দেবো। ধন্যবাদ। 
         
        https://www.facebook.com/abu.ziauddin/posts/10151334083006559?notif_t=like
         

        1. 1.1.2.1
          শাহবাজ নজরুল

          আমি এটা ইতোমধ্যেই দেখছি। আমি ফেবুতে আপনাকে ফলো করি। আপনার প্রতি আমার সব-সময় অগাধ শ্রদ্ধা। কিন্তু যখন দেখলাম আপনি কোনো কারণে পুরো চিত্র দেখতে পারছেননা তাই একটু বেশি ঝাঁঝ দিয়ে হয়ত লিখেছি। মাফ করবেন কষ্ট পেলে। আমি জানিনা বোঝাতে পেরেছি কিনা আমি কি বলতে চাইছি। আমি যে কথাটা মুলত আনতে চেয়েছি তা হচ্ছে,

           
          আজকে ১৮ কোটি পাকিস্তানি এক-স্বরেও যদি বলে ভারত ষড়যন্ত্র করে পাকিস্তান ভেঙ্গে দিয়েছে তা যেমন সত্যি নয় -- তেমনি ভাবেই আজ বাংলাদেশের তাবত মিডিয়াও যদি একস্বরে বলে যে রাজিব ইসলাম-বিদ্বেষী নর্দমার কিট নয় তবে তাও সত্যি নয়।

           
          কেন যেন পাকিস্তানের উপমা দিলে আমরা সবই বুঝি -- কিন্তু পরক্ষনেই পাকিস্তানিদের মত একই স্বরে বলি,
           

          রাজীব ইসলাম-প্রেমী অকুতোভয় সংগ্রামী চরিত্র -- অন্যথা যারা বলে তারা ষড়যন্ত্র করছে।

          আমার আক্ষেপ সত্যের উপরে আমরা দাড়াতে পারছি না। সত্য গণতান্ত্রিক সংখ্যা-গরিষ্ঠতা নয় -- সত্য সত্যই।
           

        2. আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          সমস্যা নাই। আমি জানি আমরা কারা এবং কি চাই। কিন্তু আমি আমার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা থেকে যে বিষয়টার আশংকা করেছিলাম তাই ঘটলো। বাংলাদেশেই কতবার ইসলামকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল হয়েছে তার হিসাব নেই। মাহমুদুর রহমান তার পাশে ফরহাদ মযহার আর বদরুদ্দিন উমরকে সাথে নিয়ে এই খেলা খেলছে। তার সরলমনা আলেম আর তাদের অনুসারীরা তার ফাঁদে পড়ে গেলো। খুবই কষ্ট পেয়েছি আজকের ঢাকার দৃশ্য দেখে। মসজিদের ভিতর থেকে সাংবাদিকদে উপর ঢিল ছুড়ছে ১২/১৩ বছরের একটা ছেলে। জানি না এই ছেলে কতটা রসুল (সঃ) এর ভালবাসা ধারন করে আর কতটা সাময়িক উত্তেজনায় এইকাজ করেছে। কিন্তু বাস্তবতা এইটাই। সঠিক শিক্ষার অভাবে আমরা সত্যই একটা সংকটের মাঝে চলছি। 
           
          ভাল থাকবেন। ভাল কথা আমি কিন্তু এখনও ছাত্র -- আগামী ফল থেকে ইউনিভার্সিটিতে যাচ্ছি আবার একটা কোর্স করতে -- সুতরাং শেখার জন্যে ভাল শিক্ষক পেলে খুশীই হয়। 🙂 ভাল থাকবেন। 

      3. 1.1.3
        সাদাত

        দারুণ বলেছেন।

      4. 1.1.4
        কিন্তু মানব

        নজরুল ভাইয়ের সাথে একমত, সাদাত ভাইকে শুধু আত্ম পক্ষ সমর্থনে বলতে চাই, আমার লেখাটা অনুমানের ভর করা ছিল, আমি কোন তদন্ত রিপোর্ট জমা দিচ্ছিলাম না, আমি শুধু আমার অব্জারবেশন বলে ছিলাম।

        1. 1.1.4.1
          নির্ভীক আস্তিক

          আপনার অব্জারভেশন ভুল হোক সঠিক হোক, আমার কাছে আপনার পোষ্টটিও সময়বুঝে সমীচীন মনে হয়েছে। জামাত শিবিরের যারা যুদ্ধাপরাধের সাথে জরিত তাদের কোনরূপ প্রশ্রয় নাদিয়ে অন্যান্য কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে কেও পক্ষে বলবে কেউ বিপক্ষে বলবে আর এভাবেই গড়ে পদে স্বাভাবিক অবস্থা বজায় থাকবে এটাই প্রত্যাশা ।

        2. 1.1.4.2
          সাদাত

          দেখেন ঘটনা প্রবাহে আমারও তেমনই মনে হয়েছিল। কিন্তু মনে হলেই সেটা বলা ঠিক না। সদালাপে প্রকাশিত একটা লেখা কিন্তু অনেকের কাছে তদন্ত রিপোর্টের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমরা সত্য প্রকাশের চেষ্টা করছি, অন্যদিকে তদন্ত রিপোর্টও অনেক সময় মিথ্যার আশ্রয়ে তৈরি হয়। এখানে আপনাকে দোষারোপ করা উদ্দেশ্য নয়, বরং আমাদের সকলের সচেতনতা বৃদ্ধি করাও উদ্দেশ্য। কারণ দোষারোপ করতে চাইলে আমি নিজেও পার পাবো না, লেখাটা প্রকাশ হবার পরপরই আমি তো কোন প্রতিবাদ করতে পারি নাই। 

    2. 1.2
      হাফিজ

      একটি কথা বার বার আসছে। সাধারণ মানুষ জানত না থাবা বাবা'র লেখা সম্বন্ধে কিন্তু পত্রিকার কারণে সবাই জানছে। হ্যা কথাটা ঠিক। তবে এতে দোষের কি আছে? ব্লগ জগতে ইসলাম নিয়ে যে কুৎসিৎ বিষেদগার ছড়ানো হয় সেটা কি সাধারণ মানুষের জানার অধিকার নেই?  যারা ব্লগ জগতে বিচরণ করে তারা লেখার মাধ্যমে প্রতিবাদ করে যখন আংশিক সফল হয়, তখন সাধারণ মানুষজন  সেটা জেনে বৃহৎ আকারে  প্রতিরোধ করতে পারলে সমস্যা কোথায়? ইতিহাসে দেখা গেছে বেশীরভাগ আন্দোলন সাধারণ মানুষজন এগিয়ে আসার কারণে সফল হয়।  সাধারণ সকল মানুষ মিলে সরকারকে বুঝাতে পারলে  এবং আইন এর মাধ্যমে এটা প্রতিরোধ করতে পারলে  'রাজীব' হত্যার মতো সহিংস ঘটনা জিরোতে নেমে আসবে। জিয়া ভাই ভালো করে বিষয়টি ভেবে দেখবেন।
       

      1. 1.2.1
        আহমেদ মিনহাজ

        থাবার সম্পর্কে জানা দরকার ঠিক । কিন্তু তার পোস্ট করে নিজেকে গুনাহগার করার কি দরকার ?

      2. 1.2.2
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        আমি যথেষ্ঠ ভেবেছি। এই ধরনের একটা ইস্যু এসে যেতে পারে তা জানতাম। এইটাই হবে তা ঠিক না। তবে ষ্পর্শকাতর অনেকগুলো বিষয় নিয়ে নয়া দিগন্ত, আমার দেশ আর সংগ্রাম অনেকগুলো ট্রাই দিয়েছে -- এইটা লেগে গেছে এই আর কি। 
         
        এর আগে আমারদেশ আর সংগ্রাম মসজিদুল হারামের ইমামদের নিয়ে মিথ্যাচার করেছে, এখন ব্লগাদের পাইকারী ভাবে নাস্তিক বানাচ্ছে -- আর আমাদের আলেমরা সেই ব্লগারদের ফাঁসির দাবীতে মসজিদ থেকে মিছিল বের করছে -- কি আশ্চর্যের বিষয়। এই আলেমদের মুখে কখনই ৭১ এর বিচার নিয়ে কথা শুনা যায়নি -- কিন্তু যারা বিচার চাইতে এসেছে তাদের নাস্তিক বানালো একটা মিথ্যাচারে মুখপাত্র আর তাকে অনুসরন করে মিছিল করা -- আল্লাহ আমাদের সহায়ক হউন। 
         
         

    3. 1.3
      হাফিজ

      আমার অনুরোধ — নাস্তিক/ধর্মবিদ্ধেষীদের বিরুদ্ধে আমাদের যে যুদ্ধটা চলমান আছে — তা চলবে। একটা মৃত মানুষকে ঘিরে ধরে হৈ চৈ করার চেয়ে ধের্য্য ধরে এগুনোই ভাল মনে করছি।

      এখানে 'রাজীব'কে  যদি  শুধুমাত্র একটি মৃত মানুষ হিসেবে দেখেন, তাহলে এই ঘটনা আবারো ঘটবে।  এর আগে আসিফ ব্লগারের উপর যেমন হয়েছে। যেটা কোনোক্রমেই আমাদের কাম্য নয়। যেমন 'বিশ্বজিৎ' হত্যাকান্ড আমাদের কাম্য নয়। হত্যাকান্ডের বিচার যেমন জরুরী ঠিক তেমনিই হত্যাকান্ড যাতে না হয় তার জন্য প্রস্তুতিও জরুরী। একটি লোক ক্ষুধার কারণে চুরি করল, শুধু তার বিচার দিয়ে দিলেই সেটার সমাধান হবে না। সাথে সাথে তার দারিদ্রতার সমাধান করতে হবে। 'থাবা বাবা' অনেক ইসলাম বিদ্বেষীদের মধ্য থেকে একজন। শুধুমাত্র 'একজন' নয়। ব্লগে বিচরণ করলে এমন অনেকে 'থাবা'র অশ্লীল 'থাবা' দেখা যাবে। যেটার সুষ্ঠু সমাধান জরুরী।

Leave a Reply

Your email address will not be published.