«

»

Oct ১০

সততার কাঠগড়ায় মুক্তমনা(!) আকাশ মালিক: নবীজির(সা.) বিরুদ্ধে নীতিহীনতার অভিযোগ

এই লেখায় আকাশ মালিকের ই-বুক “যে সত্য বলা হয়নি”-র ৩য় অধ্যায়ের একটি মাত্র প্যারাকে সততার কাঠগড়ায় দাঁড় করাবো:

মুহাম্মদ(দঃ) জানতেন আবু বকর(রাঃ) আয়েশার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে জুবায়েরের কাছে গিয়েছিলেন। তাই এবার তিনি নিজেই যখন আয়েশাকে বিয়ে করার প্রস্তাব নিয়ে আবু বকরের সামনে হাজির হলেন, আবু বকর(রাঃ) আয়েশার বয়সের অজুহাত দেখাতে পারলেন না, বললেন: “মুহাম্মদ(দঃ) আয়েশা যে তোমার ভাতিজী হয়, তাকে বিয়ে করবে কিভাবে?” মুহাম্মদ(দঃ) জবাব দিলেন: “পারিবারিকসূত্রে আয়েশা আমার ভাতিজী হয় সত্য, কিন্তু ধর্মীয় সূত্রে সে আমার বোন।” যদিও পরবর্তীতে পারিবারিক সূত্রের অজুহাতে মুহাম্মদ(দঃ) তাঁর ভাতিজীর (হামজার মেয়ে) বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। বিষয়টি হচ্ছে এরকম: হামজা(রাঃ) ও আবু বকর ছিলেন পরস্পর বৈমাত্রেয় ভাই। মুহাম্মাদের(দঃ) নবম স্ত্রী রামালা(আবু সুফিয়ানের মেয়ে, অন্য নাম উম্মে হাবিবা) বলেছেন: “আমি বললাম, হে আল্লাহর নবী, আপনি আমার বোনকে বিয়ে করুন। নবীজি বললেন, তোমার কি তা ভাল লাগে? আমি বললাম হ্যাঁ, কেন ভালো লাগবে না, এ ঘরে তো শুধু আমি একা আপনার স্ত্রী নই, আরও অনেকেই আছেন; সুতরাং আমি চাই আমার বোনও আমার সাথে সংসার-সুখ ভোগ করুক। রসূল বললেন, তা তো আমার জন্য বৈধ হবে না। আমি বললাম, শুনেছি আপনি নাকি উম্মে সালমার(প্রফেটের ষষ্ঠ স্ত্রী) মেয়েকে বিয়ে করতে চান। নবীজী বললেন, সে যদি আমার সৎ মেয়ে(Step -daughter) নাও হতো, সে আমার জন্য বৈধ হতো না; কারণ যেহেতু সে আমার পালিত ভাতিজী(foster niece)। সুতরাং আমাকে তুমি তোমার মেয়ে কিংবা বোনকে বিয়ে করতে অনুরোধ করো না।” (দ্রষ্টব্য: বোখারি শরিফ, ভলিউম ৭, বুক ৬২, নম্বর ৪২)

 

Muhammad Ibn Ismail Al-Bukhari, Sahi Bukhari Hadith, translated in English by Dr Muhammad Muhsin Khan; the internet version can be read at: http://www.iiu.edu.my/deed/hadith/bukhari/index.html

[সূত্র: যে সত্য বলা হয়নি, ৩য় অধ্যায় – আকাশ মালিক]

এখানে আকাশ মালিক সুস্পষ্টভাবে মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর ওপর নীতিহীনতার অভিযোগ আনছেন।লেখক এখানে নীতিহীনতার যে অভিযোগ এনেছেন সেই দাবিকে আলোচনার সুবিধার্তে আমি এভাবে সাজাচ্ছি:

এক. মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন কোন ক্ষেত্রে পালিত/পারিবারিক সূত্রে ভাতিজীকে বিবাহ করা অবৈধ সাব্যস্ত করেছেন:

১.১ হামজার মেয়েকে পারিবারিক সূত্রে ভাতিজী হওয়ার অজুহাতে বিয়ে করেন নাই।

১.২ উম্মে সালমার মেয়েকে পালিত ভাতিজী হবার অজুহাতে বিয়ে করেন নাই।

দুই. মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কোন কোন ক্ষেত্রে পারিবারিক সূত্রে ভাতিজীকে বিবাহকে বৈধ সাব্যস্ত করেছেন:

২.১ পারিবারিক সূত্রে আয়িশা(রা.) ভাতিজী হওয়া সত্ত্বেও মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিয়ে করেন।

আমি এ লেখায় দেখাবো মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনোই পালিত/পারিবারিক সূত্রে ভাতিজীকে বিয়ে করা অবৈধ সাব্যস্ত করেন নাই। মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কেবল তাই অবৈধ সাব্যস্ত করেছেন করেছেন যা ইসলামে অবৈধ [যথা: ভাতিজী(আপন ভাইয়ের মেয়ে) এবং দুধ-ভাতিজীকে বিয়ে করা ইসলাম অনুসারে অবৈধ।]

প্রথমে আমার কিছু প্রশ্ন/কৌতুহল:

১. আবু বকর(রাঃ) আয়েশার বয়সের অজুহাত দেখাতে পারলেন না, বললেন: “মুহাম্মদ(দঃ) আয়েশা যে তোমার ভাতিজী হয়, তাকে বিয়ে করবে কিভাবে?” মুহাম্মদ(দঃ) জবাব দিলেন: “পারিবারিকসূত্রে আয়েশা আমার ভাতিজী হয় সত্য, কিন্তু ধর্মীয় সূত্রে সে আমার বোন।”

-এখানে মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)‌এর যে উদ্ধৃতি দেওয়া হলো তা কোথা থেকে সংগৃহিত?

২. পারিবারিক সূত্র এই পরিভাষাটা কি লেখকের নিজের? এটা আরবী বা ইংরেজি কোন্ শব্দের পরিভাষা?

৩. “foster niece” বলতে যে এখানে “দুধ ভাতিজী” বুঝানো হচ্ছে সেটা কি লেখক বুঝেন নাই? তাহলে foster niece এর অনুবাদ ‘পালিত ভাতিজী’ করলেন কেন? অবশ্য লেখক বলতে পারেন তিনি তো foster niece ব্যাকেটে দিয়েই দিয়েছেন আর foster এর অনুবাদ তো পালিত হতেই পারে; সেক্ষেত্রে আমার বক্তব্য লেখকের রেফারেন্সকৃত ৪২ নম্বর হাদিসে তো “foster niece” শব্দটাই নাই। অনুবাদে একটাকে আমদানি করলেন কেন? যাতে দুধ-সম্পর্কের ব্যাপারটা ঘোলাটে বা আড়াল করা যায় সেজন্য?

দাবি-১.১: হামজার মেয়েকে পারিবারিক সূত্রেভাতিজী হওয়ার অজুহাতে বিয়ে করেন নাই।

অনুসন্ধান:

Umm Salama (Allah be pleased with her), the wife of Allah’s Apostle (may peace be upon him), said: It was said to the Messenger of Allah (may peace be upon him): Is not the daughter of Hamza a suitable match for you? Or it was said: Why don’t you propose to marry the daughter of Hamza, the son of Abd al-Muttalib? Thereupon he said: Hamza is my brother by reason of fosterage.

[Muslim Sharif : Book: 8, Chapter: 25, Number: 3411 ]

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামের স্ত্রী উম্মে সালামা(রা.) হতে বর্ণিত: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বলা হলো: হামযার কন্যা কি আপনার জন্য উপযুক্ত পাত্রী নয়? অথবা বলা হলো: আব্দুল মুত্তালিবের ছেলে হামযার কন্যাকে আপনি বিবাহের প্রস্তাব দেন না কেন? এর প্রেক্ষিতে তিনি বললেন: হামযা আমার দুধ-সম্পর্কিত ভাই(দুধ ভাই)।

সিদ্ধান্ত:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম হামযা(রা.) এর মেয়েকে বিয়ে করেন নাই কারণ, হামযা(রা.) তাঁর দুধ ভাই, হামযার কন্যা তাঁর দুধ ভাতিজী। পারিবারিক সূত্রে ভাতিজী হবার অজুহাতে বিবাহে অস্বীকৃতি জানান নাই।

দাবি-১.২: উম্মে সালমার মেয়েকে পালিত ভাতিজী হবার অজুহাতে বিয়ে করেন নাই।

অনুসন্ধান:

লেখক রেফারেন্সে দিয়েছেন “বোখারি শরিফ, ভলিউম ৭, বুক ৬২, নম্বর ৪২”। আমরা এখানে প্রথমে ৪২ নম্বর দেখব এবং পরে ৪৩ নম্বর হাদিসটাও দেখব:

৪২ নম্বর হাদিস:

Narrated Um Habiba:

I said, “O Allah’s Apostle! Do you like to have (my sister) the daughter of Abu Sufyan?” The Prophet said, “What shall I do (with her)?” I said, “Marry her.” He said, “Do you like that?” I said, “(Yes), for even now I am not your only wife, so I like that my sister should share you with me.” He said, “She is not lawful for me (to marry).” I said, “We have heard that you want to marry.” He said, “The daughter of Um Salama?” I said, “Yes.” He said, “Even if she were not my stepdaughter, she should be unlawful for me to marry, for Thuwaiba suckled me and her father (Abu Salama). So you should neither present your daughters, nor your sisters, to me.”

[Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 42 ]

উম্মে হাবিবা(রা.) হতে বর্ণিত:

আমি বললাম, “ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি কি (আমার বোন) আবু সুফিয়ানের কন্যাকে পেতে পছন্দ করেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, “আমি (তাকে) দিয়ে কী করব?”। আমি বললাম, “তাকে বিয়ে করুন”। তিনি বললেন, “তুমি কি তা পছন্দ কর?”। আমি বললাম, “(হ্যাঁ), যেহেতু এখনও আমিই আপনার একমাত্র স্ত্রী নই, কাজেই আমার এটা পছন্দ যে আমার সাথে আমার বোনও আপনাকে শেযার করে।”তিনি বললেন, “সে আমার জন্য (বিবাহের ক্ষেত্রে) বৈধ নয়”। আমি বললাম, “আমরা শুনেছি আপনি দুররাকে বিবাহ করতে চান”। তিনি বললেন, “উম্মে সালামার মেয়েকে?” আমি বললাম, “জ্বী”। তিনি বললেন, “সে যদি আমার সৎ মেয়ে নাও হতো তবু তাকে বিবাহ করা আমার জন্য বৈধ হতো না কারণ সুওয়াইবা আমাকে এবং তার পিতা(আবু সালামা)কে দুধপান করিয়েছে। কাজেই তোমার কন্যা বা বোনদের আমার সামনে পেশ করা উচিত নয়।

৪৩ নম্বর হাদিস:

Narrated Um Habiba:

I said, “O Allah’s Apostle! Marry my sister, the daughter of Abu Sufyan.” He said, “Do you like that?” I said, “Yes, for even now I am not your only wife; and the most beloved person to share the good with me is my sister.” The Prophet said, “But that is not lawful for me (i.e., to be married to two sisters at a time.)” I said, “O Allah’s Apostle! By Allah, we have heard that you want to marry Durra, the daughter of Abu Salama.” He said, “You mean the daughter of Um Salama?” I said, “Yes.” He said, “By Allah ! Even if she were not my stepdaughter, she would not be lawful for me to marry, for she is my foster niece, for Thuwaiba has suckled me and Abu Salama; so you should neither present your daughters, nor your sisters to me.

[Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 43 ]

বিশ্লেষণ:

১.২.১

রেফারেন্সকৃত ৪২ নম্বর হাদিসের ইংরেজি অনুবাদে foster niece শব্দটাই নাই। বরং সুস্পষ্টভাবে দুধ সম্পর্কের কথা বলা আছে, Even if she were not my stepdaughter, she should be unlawful for me to marry, for Thuwaiba suckled me and her father (Abu Salama) অর্থাৎ সে যদি আমার সৎ মেয়ে নাও হতো তবু তাকে বিবাহ করা আমার জন্য বৈধ হতো না কারণ সুওয়াইবা আমাকে এবং তার পিতা(আবু সালামা)কে দুধপান করিয়েছে।

১.২.২

৪৩ নম্বর হাদিসের ইংরেজি অনুবাদে foster niece শব্দটা আছে। কিন্তু প্রথমত লেখক এই হাদিসকে রেফারেন্স হিসেবে পেশ করেন নাই, দ্বিতীয়ত এখানেও she would not be lawful for me to marry, for she is my foster niece, for Thuwaiba has suckled me and Abu Salama এই কথাটা বলা আছে। অর্থাৎ foster niece বলতে যে দুধ ভাতিজী/দুধ ভাইয়ের মেয়েকে বুঝানো হচ্ছে সেটা একেবারে ভেঙে বলা হয়েছে। না বুঝার কোন কারণই থাকতে পারে না।

সিদ্ধান্ত:

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম উম্মে সালামা(রা.) এর মেয়ে দুররাকে বিয়ে করেন নাই কারণ:

প্রথমত, দুররা তাঁর সৎ মেয়ে।

দ্বিতীয়ত, দুররা তাঁর দুধ ভাতিজী। সুওয়াইবা তাঁকে এবং দুররার পিতা আবু সালামাকে দুধপান করিয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে ভাতিজী”/“পালিত ভাতিজীহবার অজুহাতে বিবাহে অস্বীকৃতি জানান নাই। [যেমনটি আকাশ মালিক দাবি করেছনে]

এখানে আকাশ মালিক যেটা  করলেন,

“পারিবারিক সূত্রে ভাতিজী”/“পালিত ভাতিজী”  [এগুলো আকাশ মালিকের পরিভাষা] = দুধ ভাতিজী

এই সমীকরণ প্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হয়েছেন।

 

দাবি-২: পারিবারিক সূত্রে আয়িশা(রা.) ভাতিজী হওয়া সত্ত্বেও মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বিয়ে করেন।

অনুসন্ধান:

Narrated ‘Ursa:

The Prophet asked Abu Bakr for ‘Aisha’s hand in marriage. Abu Bakr said “But I am your brother.” The Prophet said, “You are my brother in Allah’s religion and His Book, but she (Aisha) is lawful for me to marry.

[Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 18 ]

উসরা হতে বর্ণিত:

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু বকর(রা.) এর কাছে আয়িশা(রা.)কে বিবাহের প্রস্তাব দিলেন। আবু বকর(রা.) বললেন, “কিন্তু আমি আপনার ভাই। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, আপনি আমার আল্লাহর দ্বীন ও কিতাবের ভাই, কিন্তু তাকে(আয়িশা) বিবাহ করা আমার জন্য বৈধ।

বিশ্লেষণ:

২.১ আবু বকর(রা.) নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দ্বীনি/কিতাবী ভাই[ brother in Allah’s religion and His Book] (যেমন সব মুসলিমই একে অপরেরর ভাই) ।

২.২ দ্বীন/কিতাব সম্পর্কিত ভাইয়ের কন্যাকে (যাকে আকাশ মালিক ‘পারিবারিকসূত্রে ভাতিজী’ বলেছেন)বিবাহ করা ইসলামের কোথাও অবৈধ করা হয় নাই। এবং এটা কোন বিশেষ/দ্বৈতনীতি নয় বরং ইসলামের একেবারে সাধারণ একটা নিয়ম।  

সিদ্ধান্ত:

এখানে দ্বীনি ভাইয়ের মেয়েকে বিবাহ করা বৈধ সাব্যস্ত করা হয়েছে।  দুধ-ভাতিজী {যেটাকেও আকাশ মালিক তার নিজস্ব পারিভাষিক শব্দ ‘পারিবারিক সূত্রে ভাতিজী’-র আওতায় আনতে সচেষ্ট হয়েছেন।}কে বৈধ সাব্যস্ত করা হয় নাই।

পোস্টের সারসংক্ষেপ:

আকাশ মালিকের “পারিবারিকসূত্রে/পালিত ভাতিজী” আর ইসলামের দুধ-ভাতিজী এক বিষয় নয়।

উম্মে সালামা(রা.)কন্যা এবং হামযা(রা.) কন্যা মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)এর দুধ ভাইয়ের কন্যা বিধায় উনাদের বিবাহ করাকে তিনি অবৈধ বলেছেন। পারিবারিকসূত্রে/পালিত ভাতিজী হওয়ার জন্য না।

আবু বকর(রা.) মুহাম্মাদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর আপন/দুধ ভাই নন বরং শুধু দ্বীনি/কিতাবি ভাই(যেমন সকল মুসলিম একে অন্যের ভাই) বিধায় তাকে বিবাহ করা তিনি বৈধ বলেছেন।

অথচ লেখক এখানে পারিবারিক সূত্রনামক একটা নিজস্ব পরিভাষার অবতারণা করে দুধ ভাইয়ের মেয়ে আর দ্বীনি ভাইয়ের মেয়ে  সবগুলোকে একসাথে মিশিয়ে জগাখিচুড়ি পাকিয়ে সুকৌশলে কিভাবে নীতিহীনতার অভিযোগ আনলেন দেখুন:

মুহাম্মদ(দঃ) জবাব দিলেন: পারিবারিকসূত্রে আয়েশা আমার ভাতিজী হয় সত্য, কিন্তু ধর্মীয় সূত্রে সে আমার বোন।যদিও পরবর্তীতে পারিবারিক সূত্রের অজুহাতে মুহাম্মদ(দঃ) তাঁর ভাতিজীর (হামজার মেয়ে) বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।

যদিও মুহাম্মাদ এর বরাত দিয়ে যে উদ্ধৃতি তিনি আমাদের দেখালেন তার কোন রেফারেন্স আমাদের দিলেন না তার রেফারেন্সসমৃদ্ধ পুস্তকে।

অন্যদিকে বোখারি শরিফ, ভলিউম ৭, বুক ৬২ এর ৪২ নম্বর হাদিসের অনুবাদ করতে গিয়ে অসততার আশ্রয় নিলেন। for Thuwaiba suckled me and her father (Abu Salama) এই অংশটুকুর অনুবাদ অংশে দুধ-সম্পর্কের ব্যাপারটা বেমালুম চেপে গিয়ে লিখলেন কারণ যেহেতু সে আমার পালিত ভাতিজী(foster niece)

না বলা সত্য বলার এই যদি হয় রীতি, অমন সত্যবাদিতার জন্য লেখককে সততার কাঠগড়ায় দাঁড়াতেই হবে।

মূল অংশ শেষ। যাদের সময় কম তারা এখানেই পড়া বন্ধ করতে পারেন।

 

অতিরিক্ত অংশ: (অনুসন্ধিত্সু পাঠকের জন্য)

আসুন দেখি, ইসলামে কাদের বিবাহ করা অবৈধ:

প্রথম সূত্র:

তোমাদের জন্যে হারাম করা হয়েছে তোমাদের মাতা, তোমাদের কন্যা, তোমাদের বোন, তোমাদের ফুফু, তোমাদের খালা, ভ্রাতৃকণ্যা; ভগিনীকণ্যা তোমাদের সে মাতা, যারা তোমাদেরকে স্তন্যপান করিয়েছে, তোমাদের দুধ-বোন, তোমাদের স্ত্রীদের মাতা, তোমরা যাদের সাথে সহবাস করেছ সে স্ত্রীদের কন্যা যারা তোমাদের লালন-পালনে আছে। যদি তাদের সাথে সহবাস না করে থাক, তবে এ বিবাহে তোমাদের কোন গোনাহ নেই। তোমাদের ঔরসজাত পুত্রদের স্ত্রী এবং দুই বোনকে একত্রে বিবাহ করা; কিন্তু যা অতীত হয়ে গেছে। নিশ্চয় আল্লাহ ক্ষমাকরী, দয়ালু।[৪:২৩]

দ্বিতীয় সুত্র:

Abu Daud Book 11, Number 2050:

Narrated Aisha, Ummul Mu’minin:

The Prophet (peace_be_upon_him) said: What is unlawful by reason of consanguinity is unlawful by reason of fosterage.

Fosterage বলতে কি বুঝাচ্ছে?

Narrated Aisha:

Once the Prophet came to me while a man was in my house. He said, “O ‘Aisha! Who is this (man)?” I replied, “My foster brothers” He said, “O ‘Aisha! Be sure about your foster brothers, as fostership is only valid if it takes place in the suckling period (before two years of age).[Bukhari Vol.3, Book 48, No.: 815 ]

Narrated ‘Aisha:

(the wife of the Prophet) that while Allah’s Apostle was with her, she heard a voice of a man asking permission to enter the house of Hafsa. ‘Aisha added: I said, “O Allah’s Apostle! This man is asking permission to enter your house.” The Prophet said, “I think he is so-and-so,” naming the foster-uncle of Hafsa. ‘Aisha said, “If so-and-so,” naming her foster uncle, “were living, could he enter upon me?” The Prophet said, “Yes, for foster suckling relations make all those things unlawful which are unlawful through corresponding birth (blood) relations.” [Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 36 ]

Narrated Abu Huraira:

The Prophet forbade that a woman should be married to a man along with her paternal aunt or with her maternal aunt (at the same time). Az-Zuhri (the sub-narrator) said: There is a similar order for the paternal aunt of the father of one’s wife, for ‘Ursa told me that ‘Aisha said, “What is unlawful because of blood relations, is also unlawful because of the corresponding foster suckling relations.” [Bukhari Vol.7, Book 62, No.: 46 ]

কাজেই,

ইসলামে রক্তসম্পর্কের কারণে যেমন বিবাহ হারাম হয়, তেমনি দুধ-সম্পর্কের কারণেও বিবাহ হারাম হয়।

আপন রক্ত সম্পর্কের ভাইয়ের মেয়েকে বিবাহ করা যেরূপ অবৈধ, দুধ ভাইয়ের মেয়েকে বিয়ে করাও একইভাবে অবৈধ।

৪৩ comments

Skip to comment form

  1. 15
    ইয়ামিন খান

    সভ্য জগতের কিছু সভ্য মানুষ কিভাবে অসভ্যের দারে ছুটে চলে তা আসলে বোধগম্য নয়।

  2. 14
    সজল আহমেদ

    চমত্‍কার !আকাশ মালিকের ভন্ডামি ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

  3. 13
    এম_আহমদ

    হামজা (রা.) ও তার সম্পর্ক ও আবু বকরের রক্ত সম্পর্কের পার্থক্য কি? এখানে এতসব আগড়া-বাগড়া করে কি বলতে চাচ্ছেন? আপনার সমস্যা কোথায়? ইসলামে যদি বৈবাহিক সম্পর্ক এক ধরনের হয়, আর তা আপনার প্রথার সাথে খাপ খায় না, তাতে কার কি আসে যায়? সম্পর্কের ভিত্তি কেন এবং কিভাবে হওয়া উচিৎ? কিসের ভিত্তিতে এতসব প্যান প্যান করছেন? Leave everything aside, and let us see what is problem. Define. 

  4. 12
    Asfaque

    Here, the writer doesn’t write the actual Hadit because before he added his own explanation (like, মুহাম্মদ(দঃ) জানতেন আবু বকর(রাঃ) আয়েশার বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে জুবায়েরের কাছে গিয়েছিলেন। তাই এবার তিনি নিজেই যখন আয়েশাকে বিয়ে করার প্রস্তাব নিয়ে আবু বকরের সামনে হাজির হলেন, আবু বকর(রাঃ) আয়েশার বয়সের অজুহাত দেখাতে পারলেন না, বললেন: “মুহাম্মদ(দঃ) আয়েশা যে তোমার ভাতিজী হয়, তাকে বিয়ে করবে কিভাবে?” মুহাম্মদ(দঃ) জবাব দিলেন: “পারিবারিকসূত্রে আয়েশা আমার ভাতিজী হয় সত্য, কিন্তু ধর্মীয় সূত্রে সে আমার বোন।” যদিও পরবর্তীতে পারিবারিক সূত্রের অজুহাতে মুহাম্মদ(দঃ) তাঁর ভাতিজীর (হামজার মেয়ে) বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন).

    I ask WHY? 1st of all, I the Islamic way (brother and sister) are allowed to get married each other. Here Islam-e cha-chato vi-bon beya kora boidho, sha khatray cha-chato vi-er maye beya kora o boidho. Ta chara Prophet (PBUH) also mentioned one reason like ‘my brother in Allah's religion and His Book’ (7.18) 2nd ly, Islam doesn’t allow marrying those women whose own sister is already his wife and she is still alive or not gets divorced by him (otherwise it could be thinkable). In the Hadit 42 when Prophet (PBUH) said, "She is not lawful for me (to marry)." that means a lot. Doesn’t need to explain all those thinks until its necessary. That is why in the general sense if any body read or understand or have the proper knowledge of Quran and Hadit then there will be better understanding. If any one read Surah An-Nisa will get more suitable answers. Moreover, sohi tafsir of Quran and Hadit will help you more or go to someone who knows well.

    V7. Bk 62.Hadit 15:Narrated `Aisha: Allah's Apostle said (to me), "You have been shown to me twice in (my) dreams. A man was carrying you in a silken cloth and said to me, 'This is your wife.' I uncovered it; and behold, it was you. I said to myself, 'If this dream is from Allah, He will cause it to come true.' "

    V7. Bk62. Hadit 18:Narrated 'Ursa:The Prophet asked Abu Bakr for `Aisha's hand in marriage. Abu Bakr said "But I am your brother." The Prophet said, "You are my brother in Allah's religion and His Book, but she (Aisha) is lawful for me to marry."

    V7. Bk62. Hadit 42:Narrated Um Habiba: I said, "O Allah's Apostle! Do you like to have (my sister) the daughter of Abu Sufyan?" The Prophet said, "What shall I do (with her)?" I said, "Marry her." He said, "Do you like that?"I said, "(Yes), for even now I am not your only wife, so I like that my sister should share you with me." He said, "She is not lawful for me (to marry)." I said, "We have heard that you want to marry." He said, "The daughter of Um Salama?" I said, "Yes." He said, "Even if she were not my stepdaughter, she should be unlawful for me to marry, for Thuwaiba suckled me and her father (Abu Salama). So you should neither present your daughters, nor your sisters, to me." 

  5. 11
    মুনিম সিদ্দিকী

    আচ্ছা আক্কাশ মোল্লা কি আপনার এই পোস্টের জবাবি কোন পোস্ট দিয়েছিল?
     

  6. 10
    সাদাত

    @সুমন আহমেদ,

    আপনাকে ধন্যবাদ।কিন্তু আল্লাহ যেখানে কুন বল্লে আর অমনি হয়ে যায়। তাহলে কুন বলে সরাসরি কাছে টেনে নিলেই হত না?এতো পথ পরিক্রমা করা লাগ্লো কেন? তা আবার বোরাক দিয়ে।

    মিরাজের উদ্দেশ্য শুধু রাসূলকে(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)কে কাছে টানাই ছিল না,
    বরং
    আল্লাহপাকের বিভিন্ন নিয়ামত, নিদর্শন এবং অদৃশ্যের বিষয়কে প্রত্যক্ষ করানোও উদ্দেশ্য ছিল।

  7. 9
    সুমন আহমেদ

    কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে এত কিছু থাকতে ছয় বছরের একটা মেয়েকে বিয়ের কি প্রয়োজন ছিল? এখন তো আপনাদের সম্ভাব্য উত্তর হবে ইসলাম প্রচারের জন্য অথবা আয়েশা (রাঃ) এর প্রখর মেধা শক্তি, না হয় আল্লাহর ইচ্ছায় যা তাকে সপ্নের মাধ্যমে জানানো হয়।কিন্তু রব্বুল আলামিনের দ্বীনে ইসলাম সম্প্রসারনের জন্য বিয়ে কি এখানে একটি গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করেছে?

    1. 9.1
      সাদাত

      @সুমন আহমেদ:

      কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে এত কিছু থাকতে ছয় বছরের একটা মেয়েকে বিয়ের কি প্রয়োজন ছিল?

      এটা একটা আলাদা প্রসঙ্গ। এর উত্তরও দেব ইনশাআল্লাহ। তবে এই পোস্টে না।

      আপনি একটা বিষয় মনে হয় বুঝতে পারছেন না, আকাশ মালিক তার বইতে কী ধরণের সততার আশ্রয় নিয়েছেন সেটা দেখানোই আমার এই সিরিজের উদ্দেশ্য। ইসলাম/নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর বিরূদ্ধে আরোপিত সকল অভিযোগর উত্তর দেওয়া নয়। ধন্যবাদ।

    2. 9.2
      এস. এম. রায়হান

      @সুমন আহমেদ:

      কিন্তু আমার প্রশ্ন হচ্ছে এত কিছু থাকতে ছয় বছরের একটা মেয়েকে বিয়ের কি প্রয়োজন ছিল?

      হাদিস অনুযায়ী বিয়ের সময় আয়েশার (রাঃ) বয়স ছিল ৯ বছর, ছয় বছর না। আর একই প্রশ্ন মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রথম বিয়ে নিয়েও তো করা যায়। সবাই যেখানে কম বয়সী কিংবা সমবয়সী নারীকে বিয়ে করে সেখানে মুহাম্মদ (সাঃ) পঁচিশ বছর বয়সে চল্লিশ বছর বয়সের বিধবা নারীকে বিয়ে করলেন কেন? আপনি কি তা করবেন? এই প্রশ্নটার জবাব আগে দেন।

      1. 9.2.1
        সুমন আহমেদ

        @এস. এম. রায়হান: শুনেছি সুবর্না মোস্তফা (৫২) তার চেয়ে অনেক ছোট নাট্য পরিচালক বদরুল আলম সৌদ (৩২) কে বিয়ে করেছেন। এরকম আরো প্রচুর উদাহরন আছে।

        1. 9.2.1.1
          এস. এম. রায়হান

          @সুমন আহমেদ: বদরুল আলম কি সুবর্না মোস্তফাকে বিয়ে করার আগ পর্যন্ত ব্যাচেলর ছিলেন?

          যাহোক, আপনার এখানে পয়েন্ট কী? যীশু তথা ঈসা (সাঃ) বিয়ে না করেই মারা গেছেন। গৌতম বুদ্ধ যুবক বয়সে স্ত্রী-সন্তান ছেড়ে বনে-জঙ্গলে ঘুরে-বেড়িয়ে নিজের নির্বাণ লাভের চেষ্টা করেছেন। কৃষ্ণ ষোল হাজারের বেশি গোপি নিয়ে রস-লীলায় মত্ত থাকতেন। তাতে কি কিছু প্রমাণ হলো?

        2. সাদাত

          @এস. এম. রায়হান:

          উনার মূল প্রশ্ন, “দ্বীনে ইসলাম সম্প্রসারনের জন্য বিয়ে কি এখানে একটি গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করেছে?” সংক্ষেপে এ বিষয়ে আমি নিচে একটি উত্তর দিয়েছি।

        3. সুমন আহমেদ

          @এস. এম. রায়হান: এখানে মূল ব্যাপারটা সিনিওরিটি নিয়ে বিবাহিত বা অবিবাহিত নয়।

        4. 9.2.1.2
          এস. এম. রায়হান

          @সুমন আহমেদ: বিবাহিত বা অবিবাহিত ব্যাপারটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। আপনার কথা থেকে বুঝা যাচ্ছে সুবর্না মোস্তফাকে বিয়ে করার সময় বদরুল আলম ব্যাচেলর ছিলেন না। ব্যাচেলর থেকে ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছর বয়সের বিধবা নারীকে বিয়ে করা অতটা সহজ নয়। আমি দাবি করছি না যে ইতিহাসে এরকম নজির নেই, যদিও আছে কিনা জানা নেই। কিন্তু ব্যাচেলর থেকে ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছর বয়সের বিধবা নারীকে বিয়ে করা সত্যিই বিরল ঘটনা।

        5. সুমন আহমেদ

          @এস. এম. রায়হান: রায়হান ভাই, ব্যাপারটা আপেক্ষিক অনেকগুলো ফ্যাক্টর এখানে কাজ করে।

          “ব্যাচেলর থেকে ২৫ বছর বয়সে ৪০ বছর বয়সের বিধবা নারীকে বিয়ে করা সত্যিই বিরল ঘটনা।”

          এই ব্যাপারটা মোটেই বিরল ঘটনা নয়।

    3. 9.3
      সাদাত

      @সুমন আহমেদ:

      আর একটি কথা, আপনি কি সদালাপে রেজি: করেছেন? না করে থাকলে করে নেন, তাতে আপনার কমেন্ট মডারেশন ছাড়া দ্রুত প্রকাশিত হবে।

      1. 9.3.1
        সুমন আহমেদ

        @সাদাত: আমি সদালাপে রেজিস্ট্রিকরার সময় ভুলক্রমে sumon ahmed মানে করেছি কিন্তু নামটি বাংলায় পরির্বতন করতে পারিনি। ভাবছি বাংলায় আবার একটি করব।

        ধন্যবাদ।

        1. 9.3.1.1
          সাদাত

          @সুমন আহমেদ:
          তার দরকার হবে না।
          এডমিন নিজের থেকেই ইংরেজি নাম বাংলা করে দেয়। আপনি ঐ একাউন্ট দিয়েই কমেন্ট করতে থাকুন। এডমিনের নজরে পড়লে বাংলায় করে দেবে।

    4. 9.4
      সাদাত

      @সুমন আহমেদ:

      কিন্তু রব্বুল আলামিনের দ্বীনে ইসলাম সম্প্রসারনের জন্য বিয়ে কি এখানে একটি গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করেছে?

      বিষয়টা আমার পোস্টের সাথে প্রাসঙ্গিক না তবুও আপনার আগ্রহের প্রতি লক্ষ্য করে আপনাকে একটা সংক্ষিপ্ত পরিসংখ্যান দেই। দেখুন শুধু বুখারি শরীফে আয়শা(রা.) এর হাদিসের পরিসংখ্যান:
      ভলিউম/বুক===কিতাবের নাম(Book Name)===বিষয়===বর্ণিত হাদিসের সংখ্যা
      1/1===Revelation ===ওহি অবতরণ===2
      1/2===Belief ===ঈমান===2
      1/4===Ablutions (Wudu’) ===অযু===11
      1/5===Bathing (Ghusl) ===গোসল===9
      1/6===Menstrual Periods ===হায়েজ===19
      1/7===Rubbing hands and feet with dust (Tayammum) ===তায়াম্মুম===1
      1/8===Prayers (Salat) ===সালাত===16
      1/9===Virtues of the Prayer Hall (Sutra of the Musalla) ===মসজিদের ফযিলত===7
      1/10===Times of the Prayers ===সালাতের ওয়াক্ত===8
      1/11===Call to Prayers (Adhaan) ===আযান===12
      1/12===Characteristics of Prayer ===সালাতের বৈশিষ্ট্য===10
      2/13===Friday Prayer ===জুমার সালাত===3
      2/15===The Two Festivals (Eids) ===ঈদের সালাত===3
      2/16===Witr Prayer ===বিতর সালাত===3
      2/17===Invoking Allah for Rain (Istisqaa) ===বৃষ্টির জন্য দুআ===1
      2/18===Eclipses ===গ্রহণ===6
      2/20===Shortening the Prayers (At-Taqseer) ===কছর সালাত===4
      2/21===Prayer at Night (Tahajjud) ===তাহাজ্জুদ===16
      2/22===Actions while Praying ===আমলে কাছির===3
      2/23===Funerals (Al-Janaa’iz) ===জানাযা===14
      2/24===Obligatory Charity Tax (Zakat) ===যাকাত===5
      2/26===Pilgrimmage (Hajj) ===হজ্জ===30
      3/27===Minor Pilgrammage (Umra) ===উমরা===3
      3/29===Penalty of Hunting while on Pilgrimmage ===হজ্বে শিকারের কাফফারা===3
      3/30===Virtues of Madinah ===মদিনার ফযিলত===1
      3/31===Fasting ===রোযা===16
      3/32===Praying at Night in Ramadaan (Taraweeh) ===তারাবীহ===5
      3/33===Retiring to a Mosque for Remembrance of Allah (I’tikaf) ===ইতিকাফ===8
      3/34===Sales and Trade ===ক্রয়-বিক্রয়===16
      3/35===Sales in which a Price is paid for Goods to be Delivered Later (As-Salam) ===ছালাম-ব্যবসায়===2
      3/36===Hiring ===ভাড়া===2
      3/37===Transferance of a Debt from One Person to Another (Al-Hawaala) ===হাওয়ালা===1
      3/38===Representation, Authorization, Business by Proxy ===প্রতিনিধিত্ব===1
      3/39===Agriculture ===কৃষি===1
      3/41===Loans, Payment of Loans, Freezing of Property, Bankruptcy ===করজ===2
      3/43===Oppressions ===নিপীড়ণ===3
      3/45===Mortgaging ===বন্ধক===2
      3/46===Manumission of Slaves ===দাসমুক্তি===3
      3/47===Gifts ===উপহার/হাদিয়া===7
      3/48===Witnesses ===সাক্ষ্য===7
      3/49===Peacemaking ===শান্তিস্থাপন===3
      4/51===Wills and Testaments (Wasaayaa) ===ওছিয়ত===3
      4/52===Fighting for the Cause of Allah (Jihaad) ===জিহাদ===11
      4/53===One-fifth of Booty to the Cause of Allah (Khumus) ===গণিমত===5
      4/54===Beginning of Creation ===সৃষ্টির শুরু===15
      4/55===Prophets ===নবীগণ===3
      4/56===Virtues and Merits of the Prophet (pbuh) and his Companions ===নবী(আ.) এবং সাহাবী(রা.)দের ফযিলত===13
      5/57===Companions of the Prophet ===সাহাবী===6
      5/58===Merits of the Helpers in Madinah (Ansaar) ===আনসারগণের মর্যাদা===18
      5/59===Military Expeditions led by the Prophet (pbuh) (Al-Maghaazi) ===সামরিক অভিযান===37
      6/60===Prophetic Commentary on the Qur’an (Tafseer of the Prophet (pbuh)) ===কুরআনের তাফসির===44
      6/61===Virtues of the Qur’an ===কুরআনের ফযিলত===6
      7/62===Wedlock, Marriage (Nikaah) ===বিবাহ===33
      7/63===Divorce ===তালাক===10
      7/64===Supporting the Family ===পরিবারের ভরণপোষণ===3
      7/65===Food, Meals ===খাদ্য===7
      7/66===Sacrifice on Occasion of Birth (`Aqiqa) ===আকিকা===1
      7/67===Hunting, Slaughtering ===শিকার, জবেহ===1
      7/68===Al-Adha Festival Sacrifice (Adaahi) ===কুরবানি===3
      7/69===Drinks ===পানীয়===4
      7/70===Patients ===ধৈর্য===7
      7/71===Medicine ===ঔষধ===18
      7/72===Dress ===পোষাক===21
      8/73===Good Manners and Form (Al-Adab) ===আদব===28
      8/74===Asking Permission ===অনুমতি গ্রহণ===6
      8/75===Invocations ===মুনাজাত===15
      8/76===To make the Heart Tender (Ar-Riqaq) ===হৃদয় বিনম্র করা===17
      8/77===Divine Will (Al-Qadar) ===আল্লাহন ইচ্ছা===1
      8/78===Oaths and Vows ===কসম===9
      8/79===Expiation for Unfulfilled Oaths ===কসম ভঙ্গের কাফফারা===1
      8/80===Laws of Inheritance (Al-Faraa’id) ===উত্তরাধিকার আইন===8
      8/81===Limits and Punishments set by Allah (Hudood) ===হুদুদ===11
      8/82===Punishment of Disbelievers at War with Allah and His Apostle ===আল্লাহ এবং রাসূলের(সা.) বিরূদ্ধে যুদ্ধ করার শাস্তি===5
      9/83===Blood Money (Ad-Diyat) ===রক্তপণ===4
      9/84===Dealing with Apostates ===মুরতাদের শাস্তি===1
      9/85===Saying Something under Compulsion (Ikraah) ===ইকরাহ===1
      9/86===Tricks ===কৌশল===2
      9/87===Interpretation of Dreams ===স্বপ্নের তাবীর===3
      9/88===Afflictions and the End of the World ===ফেতনা এবং দুনিয়ার পরিসমাপ্তি===1
      9/89===Judgments (Ahkaam) ===শেষ বিচার===5
      9/90===Wishes ===আকাঙ্ক্ষা===3
      9/92===Holding Fast to the Qur’an and Sunnah ===কুরআন-সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধার‌ণ করা===7
      9/93===ONENESS, UNIQUENESS OF ALLAH (TAWHEED) ===তাওহীদ(আল্লাহর একত্ব)===10
      —————————————————মোট হাদিস===678

      [এটা আমার নিজের হিসাব করা, এর চেয়েও বেশি থাকতে পারে তবে কম হবে না]

      আয়শা(রা.) মাত্র ৯ বছর নবীসান্নিধ্যে থেকে এত বড় মাপের আলেম হয়েছিলেন যে বড় বড় সাহাবা(রা.)ও জটিল বিষয়ের সমাধানে তাঁর শরণাপন্ন হতেন।

      1. 9.4.1
        সুমন আহমেদ

        @সাদাত: হাদিস গুলো আমি পড়েছি এবং তাতে আয়েশা(রাঃ) এর অনেক হাদিস আছে এছাড়াও আয়েশার অনেক হাদিস আছে তার মধ্যে দুটি নিয়ে আমার একটু কনফিউশন হয়েছে

        ১.আমি মে’রাজ রজনিতে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর দেহ মুবারককে বিছানা থেকে হারাইনি।”
        ২.যে বলবে রাসুল(সাঃ) আল্লাহকে স্বচক্ষে দেখেছেন সে মারাত্বক ভুল করবে।বরাং তিনি জিব্রাইল (আঃ) কে স্বরূপে দেখেছেন।
        ( দূঃক্ষিত বুখারী থেকে লোকেশন দিতে পারছিনা)

        আর একটা কথা বলে রাখি আমি একজন আস্তিক এবং স্রস্টাকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম নিয়ে আমার আনেক প্রশ্ন রয়েছে এবং জানার জন্যই এই প্রশ্নগুলো করে থাকি।আমি আমার প্রশ্নেগুলোর উত্তর পেলে সদালাপে লেখালেখি করবো ইনশাল্লাহ।

        1. 9.4.1.1
          সাদাত

          @sumon ahmed:
          এটা অব্যশই ঠিক যে আয়িশা(রা.) স্বশরীরে মিরাজের বিপক্ষে ছিলেন। তবে এটা মনে রাখতে হবে আয়িশা(রা.) অনেক বড় আলেম হলেও প্রত্যেক আলেমের মতো উনারও সীমাবদ্ধতা আছে এবং উনিও ভুল করতে পারেন। উনি হাদিসের বিশাল ভাণ্ডার ছিলেন, কিন্তু কিছু হাদিস উনারও জানার বাইরে অবশ্যই থাকতে পারে এবং ছিলও। অধিকাংশ সাহাবা(রা.) এর মত হচ্ছে মিরাজ স্বশরীরে হয়েছিল, এবং আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের আকিদাও এটাই এবং এর পক্ষে অনেক যুক্তিও আছে। মিরাজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে অনেক লোক মুরতাদ হয়ে গিয়েছিল। যদি মিরাজ স্বশরীরে না হয়ে স্বপ্নে হয়েছিল বলা হত তাহলে এ বিষয়কে কেন্দ্র করে মুরতাদ হবার কোন যৌক্তিকতা থাকে না।

          মনে করুন,
          আপনাকে একজন জন সত্যবাদি ব্যক্তি বলল আমি করিম সাহেবকে বলতে শুনেছি তিনি একবার হজ্জে গিয়েছিলেন।
          আর একজন সত্যবাদি ব্যক্তি আপনাকে বললেন, আমি করিম সাহেবকে কখনো বলতে শুনি নাই যে তিনি হজ্জে গিয়েছিলেন।

          প্রথম জনও সত্য বলেছেন আর পরের জনও সত্য বলেছেন। কিন্তু আপনাকে গ্রহণ করতে হবে কোনটা? অবশ্যই প্রথমটা। কেন? কারণ একজনের না শোনার কারণে অন্যজনের শোনাটা মিথ্যা হয়ে যায় না।

          আয়িশা(রা.) তাঁর জ্ঞান হাদিসের ভিত্তিতে যেটা বিশ্বাস করতেন সেটা অন্যায় ছিল না, কিন্তু অসংখ্য সত্যবাদি সাহাবা(রা.) এর বর্ণনার ভিত্তিতে আমরা বলতে পারি তার সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল না।

          অ.ট. আপনার ব্যাপারে আমার কোন খারাপ ধারণা নাই। আপনি যে আসলেই জানার জন্য প্রশ্ন করছেন সে বিষয়েও কোন সন্দেহ নাই। তবে এটাও ঠিক, একটা পোস্টে ভিন্ন ভিন্ন অনেক প্রসঙ্গ এসে গেলে পোস্টের প্রাসঙ্গিকতা নষ্ট হয়ে যায়। এ ব্যাপারে আপনার সহযোগিতা কাম্য।

        2. সুমন আহমেদ

          @সাদাত: আপনাকে ধন্যবাদ।কিন্তু আল্লাহ যেখানে কুন বল্লে আর অমনি হয়ে যায়। তাহলে কুন বলে সরাসরি কাছে টেনে নিলেই হত না?এতো পথ পরিক্রমা করা লাগ্লো কেন? তা আবার বোরাক দিয়ে।

        3. Joheb Hassan

          @sumon ahmed: ভাই আপনাকে একটা তথ্য দেই যে, রসুলুল্লাহ (সাল্ললাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম)-এর জীবনে  মেরাজ সংবলিত ঘতনা হয়েছে দু'বার।

          প্রথমটি, ইসরা ওয়া মেরাজ ।

          ইসরা: ইসরা বলা হয় সেই যাত্রাকে যা মক্কা থেকে মাসজিদাল আকসা পর্যন্ত হয়ে ছিল। যার বর্ণনা সূরা ইসরা/বানী ইস্রায়ীলে বর্ণনা হয়েছে এ ভাবে-

          سُبْحَانَ الَّذِي أَسْرَىٰ بِعَبْدِهِ لَيْلًا مِّنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ إِلَى الْمَسْجِدِ الْأَقْصَى الَّذِي بَارَكْنَا حَوْلَهُ لِنُرِيَهُ مِنْ آيَاتِنَا ۚ إِنَّهُ هُوَ السَّمِيعُ الْبَصِيرُ
          [١٧:١]

          পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্তা তিনি, যিনি স্বীয় বান্দাকে রাত্রি বেলায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যান্ত-যার চার দিকে আমি পর্যাপ্ত বরকত দান করেছি যাতে আমি তাঁকে কুদরতের কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দেই। নিশ্চয়ই তিনি পরম শ্রবণকারী ও দর্শনশীল। ( সূরা ইসরা ১৭ : ১)

          দ্বিতীয়টি, হয়ে ছিল স্বপ্নের মাধ্যমে। যার বর্ণনা পাওয়া যায় হাদিসে।

          সাধারনত, রসুলুল্লাহ (সাল্ললাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম) ফজরের স্বলাতের পর সাহাবীদের জিজ্ঞেস করতেন রাতে কে কি স্বপ্ন দেখেছে। সাহাবীদের বর্ণনা অনুযায়ী তিনি স্বপ্নের ব্যাখ্যা বলে দিতেন। এটা তার মুজিযা ( তার অলৌকিকত্ব যা তার জন্য বিশেষ)। সেভাবেই একদিন সাহাবীদের জিজ্ঞেস করেন উত্তরে কেউ কিছু দেখেনি আসায়, রসুলুল্লাহ (সাল্ললাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম) জানায় রাতে স্বপ্নের মাধ্যমে তার সাথে কি হয়ে ছিল। বর্ণনায় বলা হয় দুজন মানুষ রসুলুল্লাহ (সাল্ললাল্লাহু আলাইহিওয়াসাল্লাম)- কে দুদিক থেকে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে তিনি মানুষকে বিভিন্ন(স্বপ্নে মূলত মিথ্যাবাদী/মিথ্যাবাদী বক্তা, সুদখোর সহ মত তিনটি )পাপের শাস্তি দেয়া হবে সেই দৃশ্য দেখলেন হল। ……।

    5. 9.5
      মুনিম সিদ্দিকী

      আপনার এবং যারা আপনার মত জানতে চান তারা আমার এই ব্লগটি পড়ে দেখতে পারেন।
       
      কিশোরী আয়েশা রাঃ এর বিয়ে নিয়ে বিদ্বেষীদের মিথ্যাচার!!

  8. 8
    এম_আহমদ

    ভাই দুটি কথা বলতে যাচ্ছি। প্রথমত আপনি একটি দ্বীনি ও ঈমানদারীর কাজ মেহনতের সাথে করে যাচ্ছেন, তাই দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে সে কাজের আজর দান করেন এবং তৌফিক বৃদ্ধি করেন।

    পরে কথা হল বিগত কয়েক যুগ ধরে এক ধরনের উপন্যাস প্রণীত হচ্ছে যেগুলোকে ঐতিহাসিক উপন্যাস বলা হয়, কেননা এগুলোকে সেট করা হয় কোন এক ঐতিহাসিক কালে; এদের চরিত্রাদি ও বিভিন্ন তথ্য গ্রহণ করা হয় সেই কাল থেকে। দেখতে দেখা যায় বাস্তবতা কিন্তু মূলত তা উপন্যাস। আকাশ মালিকের লেখাগুলো ঐতিহাসিক তথ্য ঘেষা এক ধরনের ইসলাম বিদ্বেষী রচনা। এখানে সেখানে ঐতিহাসিক উৎস থেকে উদ্ধৃতি টেনে আপন মনের ‘ছবির’ সাথে ‘সেলাই’ করে মূল বস্তুর একটা caricature সৃষ্টি করা হয়েছে। তার গোটা লেখাই যখন এই বৈশিষ্ট্যের উপর, তখন আপনি কতদূর এ পথে অগ্রসর হবেন, সেটাই একটা প্রশ্ন? ইসলাম বিদ্বেষী অনেক একাডিক লেখায় লেখক সতর্কতার সাথে মার্জিত ভাষার আড়ালে থেকেই কথা বলতে দেখা যায়। কিন্তু আকাশ মালিকের লেখায় সেই tactics নেই। ইসলাম ধর্মের প্রতি তার আক্রোশ, বিদ্বেষ, অবজ্ঞা ইত্যাদি তার tone, attitude ও খামখেয়ালী ইন্টাপ্রিটেশনে অতি সহজেই প্রকাশ পেয়ে যায়। তার নিজ লেখাই এদিক থেকে তার আপন শত্রু। কোরানের এই আয়াতখানি হয়ত এখানে প্রযোজ্য, ইন্নাহুম ইয়াকীদূনা কাইদাও ওয়া আকীদু কাউদা।

    তাছাড়া কোথাও যেন তার মন্তব্যের উদ্ধৃতি দেখেছি যে তিনি নাকি হাদিসের বইগুলোকে বনোয়াট মনে করেন। তাই যদি হয় তবে কোন হাদিসের বই থেকে উদ্ধৃতি গ্রহণ করে কোন সিদ্ধান্তে উপনিত হওয়া হাস্যকর হবে। ঘটনা কী এই যে উৎসের সব কিছুই হবে বনোয়াট কেবল সেটা ব্যতীত যা নিজ ব্যবহারের জন্য suitable? বিদ্যার কোন প্রতিষ্ঠিত শাখার baseকে উড়িয়ে দিতে হলে কী সে কাজের method, methodologyটা কী হবে তা ব্যাখ্যার প্রয়োজন হবেনা?

    1. 8.1
      সাদাত

      @এম_আহমদ:
      অনেক ধন্যবাদ আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য।

      ঘটনা কী এই যে উৎসের সব কিছুই হবে বনোয়াট কেবল সেটা ব্যতীত যা নিজ ব্যবহারের জন্য suitable?

      ব্যাপার তো দেখা যাচ্ছে সেরকমই!!!

  9. 7
    এস. এম. রায়হান

    পাঠক, একটা ব্যাপার লক্ষ্য করুন। যে লোক প্রতিনিয়ত ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার আর বিষোদগার করে যাচ্ছে -- যার কাছে নৈতিকতার কোন স্ট্যান্ডার্ড নাই -- সেই লোক-ই কিনা দু-আড়াই বিলিয়ন মানুষের কাছে একজন বিশ্বস্ত ব্যক্তিত্বের বিরুদ্ধে নীতিহীনতার অভিযোগ আনছে! ব্যাপারটা যে কতটা হাস্যকর হতে পারে তা একবার ভেবে দেখুন।

  10. 6
    এম ইউ আমান

    “উনার রেফারেন্সবিহীন অথবা অনির্দিষ্ট রেফারেন্সযুক্ত দাবি অনেক। আমি নিজের খেয়ে উনার সব দাবি যাচাই করতে যাবো কেন,”

    রেফারেন্স ছাড়া দাবী করার সুযোগ নেই। কেউ যদি সেরকম দাবী করেন তাহলে, স্বীকৃত নর্ম হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই।

    “…যেখানে সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট রেফারেন্সগুলো চেক করেই রেফারেন্স কারসাজির যথেষ্ট প্রমাণ দেখতে পাচ্ছি!”

    সেক্ষেত্রে আপনার দেখিয়ে দেওয়া লেখাগুলিই রেফারেন্স হবে। কেন জানি বেশীরভাগ সময় একাজগুলি নিজের খেয়েই করতে হয়।

  11. 5
    এস. এম. রায়হান

    ইসলামের নবী, কুরআন, ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে এই অবিশ্বাসের ভাইরাসে আক্রান্ত রুগীর চরম মিথ্যাচার আর দূর্গন্ধযুক্ত ল্যাদানি দেখুন:

    মুসলিম নামধারী থেকে বর্ণমনা ধর্মে ধর্মান্তরিতদের নমুনা

    সদালাপের বিরুদ্ধে ভয়াবহ মিথ্যাচার ও কুৎসিত অপপ্রচারণা

  12. 4
    এম ইউ আমান

    যে অংশগুলি ভুল ধারণার পরে ভিত্তি করে লেখা হয়েছে; আপনি ক্লিয়ার করে ব্যাখ্যার পর তিনি যদি সেগুলি তাঁর বই থেকে বাদ দেন, তাতে কি আপনার আপত্তি আছে? তাঁর ফলে তাকে যদি বইটা নতুন করেই লিখতে হয়; তিনি কি আর তা লিখতে পারবেন না?

    ‘স্বর্গ হতে দেবতারা এক সময়ের ভয়ঙ্কর, নিষ্ঠুর দস্যু রত্নাকর (আদি কবি বাল্মিকী) কেই রামায়ন লেখার দায়িত্ত্ব দিয়েছিলেন।’

    1. 4.1
      সাদাত

      @এম ইউ আমান:
      উনার রেফারেন্সবিহীন অথবা অনির্দিষ্ট রেফারেন্সযুক্ত দাবি অনেক।
      আমি নিজের খেয়ে উনার সব দাবি যাচাই করতে যাবো কেন, যেখানে সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট রেফারেন্সগুলো চেক করেই রেফারেন্স কারসাজির যথেষ্ট প্রমাণ দেখতে পাচ্ছি!

    2. 4.2
      শামস

      @এম ইউ আমান:
      এটা লিখতে পারার ব্যাপার না, লিখতে চাওয়ার ব্যাপার। তবে তারও আগে স্বীকার করতে হবে তো যে ‘ভুল’ হইছে। আর যেটাকে ‘ভুল’ বলছেন সেটা আসলেই কি ‘ভুল’। কেউ আসলেই ‘ভুল’ করলে, আর তা কেউ ধরিয়ে দিলে সে তা স্বীকারে বাধা থাকার কথা না।

  13. 3
    এম ইউ আমান

    পোস্টের সারসংক্ষেপ: “আকাশ মালিকের “পারিবারিকসূত্রে/পালিত ভাতিজী” আর ইসলামের দুধ-ভাতিজী এক বিষয় নয়।”

    তিনি দেখছি সত্যিই পালিত ভাতিজী ও দুধ-ভাতিজীর মধ্যে বেশ খানিকটা গুলিয়ে ফেলেছেন। আপনার লেখা পড়ে হয়তো তিনি তাঁর বই থেকে এ অংশটি বাদ দিয়ে দেবেন। অথবা তাঁর বইয়ে আপনার লেখার একটা লিঙ্ক সংযোগ করে দিলে পাঠকেরা এ বিষয়ে আরেকটু বিস্তারিত জানতে পারবেন।

    1. 3.1
      সাদাত

      @এম ইউ আমান:
      পুরো বই থেকে এইসব গুলিয়ে ফেলা অথবা কাল্পনিক অংশগুলো বাদ দিলে বইটার আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে কিনা সন্দেহ!! সামনে উনার কল্পনাশক্তির আরো আরো খবর নিয়ে আসছি ইনশাআল্লাহ..

      1. 3.1.1
        শামস

        @সাদাত:

        পুরো বই থেকে এইসব গুলিয়ে ফেলা অথবা কাল্পনিক অংশগুলো বাদ দিলে বইটার আর কিছু অবশিষ্ট থাকবে কিনা সন্দেহ!!

        হাহাহাহা………আসল কথাটাই বলছেন, হার্ট ছাড়া একটা প্রাণী যেরকম।

    2. 3.2
      এস. এম. রায়হান

      @এম ইউ আমান:

      তিনি দেখছি সত্যিই পালিত ভাতিজী ও দুধ-ভাতিজীর মধ্যে বেশ খানিকটা গুলিয়ে ফেলেছেন।

      স্রেফ গুলিয়ে ফেলা বললে ভুল হবে। এটা তার অনেক রোগের মধ্যে একটি।

      1. 3.2.1
        সরোয়ার

        এগুলো ইচ্ছে করেই করা হয়, যেন ক্ষণিকের জন্য হলেও সাধারণ অজ্ঞতাসম্পন্ন মুসলিমদেরকে ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়ানো যায়। তার ধারণা কেউ এগুলো চেক করবে না।

        আশ্চর্য্যজনক হলেও সত্য যে অনেক মুসলিম নামধারী বামপন্থীরা আকাশ মালিককে ব্যাপক জ্ঞানী মনে করেন! আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে এক ইঞ্জিনিয়ার সাহেব নিজেকে একসময়ের একনিষ্ঠ তাবলীগ কর্মী হিসেবে ব্লগে পরিচয় করিয়ে দেন। কিন্তু এত ঈমানদার হওয়ার পরেও তিনি আকাশ মালিক ও মুক্তমনা লেখকদের লেখা পড়ে নাকি ইসলাম সম্পর্কে জেনেছেন! ইসলাম সম্পর্কে এতদিন ভুলের মধ্যে ছিলেন বিধায় এখন তিনিও আকাশ মালিক ও অভিজিতের কাঁধে কাঁধ মিলে ইসলামকে উন্মোচন করতে ব্লগে ব্লগে ইসলাম বিরোধী জিহাদে শরীক হয়েছেন!

        1. 3.2.1.1
          এস. এম. রায়হান

          @সরোয়ার:

          কিন্তু এত ঈমানদার হওয়ার পরেও তিনি আকাশ মালিক ও মুক্তমনা লেখকদের লেখা পড়ে নাকি ইসলাম সম্পর্কে জেনেছেন!

          কথা ঠিক! তবে তাদের থেকে ইসলাম সম্পর্কে কী জেনেছেন সেটাই হচ্ছে মিলিয়ন ডলার প্রশ্ন!

        2. 3.2.1.2
          সাদাত

          @সরোয়ার:

          এগুলো ইচ্ছে করেই করা হয়, যেন ক্ষণিকের জন্য হলেও সাধারণ অজ্ঞতাসম্পন্ন মুসলিমদেরকে ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়ানো যায়। তার ধারণা কেউ এগুলো চেক করবে না।

          বেশিরভাগ মানুষ আসলেই চেক করে না, এটাই বাস্তবতা।

  14. 2
    পাঞ্জেরী

    আকাশ মোল্লারে তো আমারব্লগে সবাই মিলে পচাইছে। যুক্তিবাদী নাস্তিকরাও এখন তাকে পাত্তা দেয় না। শেষে কুল-কিনারা না পেয়ে শেখ হাসিনার জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানিয়ে চামচামো মার্কা পোস্ট দিয়ে জাতে উঠার চেষ্টা করে। সেই পোস্টেও তাকে পচানো হয়েছে -- নাস্তিক ও সেক্যুলাররাই তাকে পচিয়েছে! এর পরও এই লোকের লজ্জা হয় নাই। ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যা হয় আরকি। সে আমারব্লগে তার প্রিয় ব্লগকে ডিফেন্ড ও ফেরি করে বেড়ায়।

    1. 2.1
      সাদাত

      @পাঞ্জেরী:
      অন্য মুক্তমনারাও যেখানে এখন উনার লেখার দায়িত্ব নিতে অস্বীকৃতি জানায় সেখানে উনার পক্ষে হাল ধরেছেন একজন বিশিষ্ট কোরান-অনলি!

  15. 1
    হাফিজ

    “যে সত্য বলা হয়নি”- আসলেই সত্য গুলি বলা হয়নি।
    উনি আসলে ওনার লেখা সম্বন্ধে বলছেন- সত্যগুলি ওনারও বলা হোলো না।

    1. 1.1
      সাদাত

      @দেশে-বিদেশে:
      তা যা বলেছেন!

Leave a Reply

Your email address will not be published.