«

»

Jan ০৫

তাকদিরে বিশ্বাস করার অর্থ কি হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকা?

"মানুষ কি আল্লাহর ইচ্ছায় বাঁধা তাকদির নিয়ন্ত্রিত রোবট?" শীর্ষক লেখায় আমরা তাকদির নিয়ে কিছু তাত্ত্বিক আলোচনা করেছি। কিন্তু ইসলামে তাকদির শুধুমাত্র একটি তাত্ত্বিক বিষয় নয় বরং বাস্তব জীবনে তাকদিরের শিক্ষার ব্যবহারিক প্রয়োগের রয়েছে অপরিসীম গুরুত্ব। আগের লেখাটি যারা পড়েছেন, তাদের মনে একটি প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক: যেহেতু মানুষের পরীক্ষার উপকরণসমূহ পূর্ব নির্ধারিত (যেমন-রিযিক), তাহলে মানুষ কি রিযিক অন্বেষণ না করে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবে? ইসলাম কী চায়?

আলোচনার শুরুতেই আগের পর্বের কিছু আলোচনা নতুন করে নতুন রূপে একটু ঝালাই করে নিই:

পরীক্ষার রুমে চেয়ার-টেবিল/ডেস্ক থাকে, পাখা থাকে, বাতি থাকে, খাতা থাকে। এ সবই পরীক্ষার উপকরণ। পরীক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে প্রশ্নপত্রের প্রশ্নগুলো। দুনিয়াটা মানুষের জন্য পরীক্ষাক্ষেত্র। এই পরীক্ষাক্ষেত্রেও দুই ধরণের বিষয় রয়েছে:

১. পরীক্ষার উপকরণ : (জন্মক্ষণ, মৃত্যুক্ষণ, রিযিক, ইত্যাদি) এই সব বিষয় মানুষ নির্ধারণ করতে পারে না। এসব বিষয়ে (যেমন- কে কখন জন্মালো, কখন মরল, কতটুকু রিযিক প্রাপ্ত হলো) মানুষকে জবাবদিহি করতে হবে না। এগুলো পরীক্ষার আনুষঙ্গিক উপকরণ।

২. পরীক্ষণীয় বিষয় : (ঈমান/কুফর, হালাল/হারাম, জায়েয/নাজায়েজ, নেকি/বদি ইত্যাদি) এইসব বিষয় নির্ধারণে/বেছে নেবার ক্ষেত্রে মানুষের স্বাধীন ইচ্ছাশক্তি প্রয়োগের সুযোগ আছে। এই সব বিষয়েই মানুষ জিজ্ঞাসিত হবে। এগুলোই হচ্ছে মূল পরীক্ষণীয় বিষয়।

 

মূল পোস্ট :  তাকদিরের ব্যবহারিক শিক্ষা

রিযিক নির্ধারিত বলে ইসলাম মানুষকে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতে বলে না, বরং হালালভাবে রিযিক অন্বেষণ করাকে ফরয বলে। কারণ: রিযিকের ‘পরিমাণ’ নির্ধারিত (কে কত রিযিক অন্বেষণ করল এটা মানুষের জন্য পরীক্ষা নয়।) কিন্তু রিযিক ‘অন্বেষণের পদ্ধতি’ নির্ধারিত নয়, বরং এক্ষেত্রে হালাল বা হারাম পন্থা বেছে নেবার ব্যাপারে মানুষের ইচ্ছার স্বাধীনতা রয়েছে। সে কোন্ পন্থা অবলম্বন করে এটাই তার পরীক্ষা। ইসলাম এ শিক্ষাই দেয় যে, যেহেতু রিযিক নির্ধারিত, কাজেই রিযিক প্রাপ্তির বিলম্ব যেন কাউকে হারামভাবে রিযিক অন্বেষণে নিয়োজিত না করে।

কাজেই,

১. (তাকদির দ্বারা)রিযিক নির্দিষ্ট এটা বিশ্বাস করা যেমন ইসলামের নির্দেশ;

২. তেমনি-

২.১ হালালভাবে রিযিক অন্বেষণ করাও ইসলামের নির্দেশ এবং

২.২ রিযিক অন্বেষণে হারাম পন্থা অবলম্বন করা হতে বিরত থাকাও ইসলামের নির্দেশ।

 

তাকদিরের শিক্ষা সংক্রান্ত দুটো গুরুত্বপূর্ণ হাদিস

নিচের দুটো হাদিসে তাকদিরের বিশ্বাস দ্বারা আমাদের কাছে কী চাওয়া হয়েছে, তা খুব পরিষ্কারভাবে বুঝা যায়।

হাদিস-১: সঠিকভাবে প্রচেষ্টা না করার জন্য তিরস্কার

হযরত আউফ ইবনে মালিক(রা.) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) দুই ব্যক্তির মধ্যে ফায়সালা করলেন, যার বিপক্ষে ফায়সালা হলো, সে যখন ফিরে যাচ্ছিল তখন বলল-‘হাসবি ইয়াল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল’(আল্লাহ তায়ালাই আমার জন্য যথেষ্ট এবং তিনি অতি উত্তম ব্যবস্থাকারি)। এতে রাসূলুল্লাহ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, আল্লাহ তায়ালা চেষ্টা তদবীর না করার কারণে তিরস্কার করেন। আর তোমার [যাবতীয়] বিষয়ে বিচক্ষণতা অবলম্বন কর। [তারপরও] যখন অবস্থা বিপরীত হয়ে যায় তখন ‘হাসবি ইয়াল্লাহু ওয়া নি’মাল ওয়াকিল’ পড়।[আবু দাউদ, হাদিস নং ৩৬২৭

হাদিস-২: উপকারি বিষয়ের জন্য চেষ্টা করা এবং বিফল হলে হতাশ না হবার শিক্ষা 

হযরত আবু হুরাইরা(রা.) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন: যে জিনিস তোমার জন্য উপকারি সেটার জন্য আগ্রহ কর এবং সেটার ব্যাপারে আল্লাহতায়ালার কাছে সাহায্য প্রার্থনা কর এবং হিম্মত হারাইও না। আর যদি তোমার কোন ক্ষতি হযে যায় তখন এটা বলো না যে, যদি আমি এরূপ করতাম তবে এমন হতো, এমন হতো। বরং বলো যে, আল্লাহতায়ালার কদর(ফায়সালা) এমনই ছিল এবং তিনি যেমন চেয়েছেন করেছেন। কেননা, ‘যদি’ শয়তানের কাজ(এর দরজা) খুলে দেয়। [মুসলিম, হাদিস সং ২৬৬৪(হাদিসের তাকদির সংক্রান্ত প্রাসঙ্গিক অংশের অনুবাদ)] 

 

সারকথা:

এতক্ষণ আমরা পরীক্ষার একটি উপকরণ রিযিক নিয়ে আলোচনা করলাম, তবে পরীক্ষার অন্যান্য উপকরণের ক্ষেত্রেও এই নীতি অনুসরণীয়। অতএব, তাকদিরের ব্যবহারিক শিক্ষা হচ্ছে:

১. কাজের আগে: কোন কিছু তাকদির দ্বারা নির্ধারিত ভেবে কর্মবিমুখ না হওয়া। যেটা উপকারি সেটার জন্য চেষ্টা করা, আল্লাহর সাহায্য চাওয়া। [উত্তম পন্থায় চেষ্টা করা এবং আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার কারণে তার নেকি হবে।]

২.কাজের সময়: কোন কিছুর জন্য চেষ্টা করার সময় হালাল উপায়ে চেষ্টা করতে হবে। এটা মনে রাখতে হবে যে, হালাল বা হারাম পন্থার কোনটা আমি বেছে নিচ্ছি সেটাই আমার পরীক্ষা। আল্লাহ কর্তৃক নির্দিষ্ট রিযিককে আমি কমাতে বা বাড়াতে পারবো না। যেটা আসার সেটাই আসবে, হয় হালালভাবে আসবে নয় তো হারামভাবে আসবে। আমার হালাল প্রচেষ্টার কারণে নেকি হবে, হারাম প্রচেষ্টার কারণে গুণাহ হবে। কাজেই অধিক পাবার আশায় হারাম পন্থা অবলম্বন করা হতে বিরত থাকতে হবে।

৩. কাজের পরে: কোন কিছুর জন্য সব ধরণের বৈধ চেষ্টার পরও যদি ব্যর্থতা আসে, তবে হতাশ হওয়া যাবে না, বরং বুঝতে হবে এটা আসলে আমার তাকদিরে ছিল না। [তবে এই কাজের জন্য হালালভাবে প্রচেষ্টার কারণে এবং হারাম থেকে বিরত থাকার কারণে আমি যেমন নেকি পেয়ে গেছি তেমনি আমার জন্য নির্ধারিত একটি পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হয়ে গেছি।]

কাজেই,

তাকদির কর্মবিমুখতা শেখায় না, বরং কার্যক্ষেত্রে সৎ থাকার এবং কাজের পরে হতাশাগ্রস্ত না হবার শিক্ষা দেয়।

 

[জ্ঞাতব্য: এই আলোচনায় তাকদির বলতে অপরিবর্তনীয় লিপিবদ্ধ তাকদিরকেই বুঝানো হয়েছে।]

 

২৩ comments

Skip to comment form

  1. 11
    Lutfunnesa

    @                                                                                                                              Paradox                      

    Allah is not included to "all things". He is free from any kind of limitations. Every people in this world has their own desire. Allah is not bound to fulfill every one's desire according to their wishes. From your point of view you are worthy of your three wishes but actually you may not deserve it. You may not have  that level of competency. A person may never pray to Allah to become a doctor but can get the chance in medical college becouse of his high caliber. Allah cant not be unjust by accepting your wishes with less quality and deprive others who has better quality.

    1. 11.1
      সাদাত

      ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়, paradox কিন্তু 'all thinks" লিখেছেন, "all things" নয়।

  2. 10
    Paradox

    Thanks for realization that all thinks have limitations.

    1. 10.1
      সাদাত

      @Paradox:

      আমি অনেক বিষয়েই অক্ষম যদিও ইচ্ছুক,

      আবার অনেক বিষয়েই সক্ষম কিন্তু অনিচ্ছুক।

      আল্লাহ তায়ালা সব বিষয়েই সক্ষম,

      কিন্তু সব বিষয়ে ইচ্ছুক নন।

  3. 9
    সাদাত

    এটা আমার অক্ষমতা। 

  4. 8
    Paradox

    আপনি চাইলে এখন আমার কমেন্ট ডিলিট করতে পারবেন। কিন্তু ৯/৪/২০১৫ তে গিয়ে পারবেন না। এই বিষয়টা কি আপনার সক্ষ্মতা বা ইচ্ছা নির্ভর?

  5. 7
    Paradox

    জীবনে আর কত চাইব? তিনটি ইচ্ছের একটি ও পূরণ হলনা। দুটি ( যার একটি ডাক্তারি পড়া, পর পর দুই বার চেষ্টা করেছিলাম) পূরণ করা আল্লাহর পক্ষে সম্ভব না অথচ তিনি সবই পারেন। অন্যটির ফলাফল দেখার জন্য ৩ বছর অপেক্ষা করতে হবে। এত অন্য চাকরি না করে শুধু উটার আশায় (বি সি এস, এই বার হল না) বসে সম্ভব না।   মনে হয় শুধু আমার মত অধমকে ই দিতে পারেন না। আপনি কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন? আমি কিন্তু দুনিয়া ও আখিরাত দুটিই

    1. 7.1
      সাদাত

      আমি আপনার কমেন্ট ডিলিট করে দিতে পারতাম, কিন্তু দিলাম না।

      এটার অর্থ এই নয় যে কমেন্টটা ডিলিট করতে আমি সক্ষম নই। বরং এটা আমার ইচ্ছা। ইচ্ছা এবং সক্ষমতা এই দুটোর পার্থক্য যতক্ষণ না করতে পারবেন, ডাক্তারি পড়া বা বি. সি. এস-এ উত্তীর্ণ হওয়া দুটোর আশাই ছেড়ে দেওয়া উচিত।

    2. 7.2
      Wings of Fire

      @Paradox:

      আপনি ডাক্তার হলে হয়তো রোগীর বারটা বাজত। তাই হয়তো আল্লাহ আপনাকে ডাক্তার বানাননি। আল্লাহ যা করেন, ভালোর জন্য করেন, ধন্যবাদ। 

  6. 6
    মনে শুধু প্রশ্ন জাগে

    মৃত্যু যে নির্দিষ্ট তার একটা দলিল দেন। (কুরআন বা হাদিস থেকে)
    রিযিক যে নির্দিষ্ট তার একটা দলিল দেন। (কুরআন বা হাদিস থেকে)

    1. 6.1
      সাদাত

      আর আল্লাহর হুকুম ছাড়া কেউ মরতে পারে না-সেজন্য একটা সময় নির্ধারিত রয়েছে। বস্তুতঃ যে লোক দুনিয়ায় বিনিময় কামনা করবে, আমি তাকে তা দুনিয়াতেই দান করব। পক্ষান্তরে-যে লোক আখেরাতে বিনিময় কামনা করবে, তা থেকে আমি তাকে তাই দেবো। আর যারা কৃতজ্ঞ তাদেরকে আমি প্রতিদান দেবো [3:145]
       

      عن ابن مسعود رضى الله عنه قال:قال رسول الله صلى الله عليه وآله وسلم: ألا وإن الروح الامين نفث فى روعى انه ليس من نفس تموت حتى تستو في رزقها، فاتقوا الله وأجملوا فى الطلب ولا يحملنكم استبطاء الرزق ان تطلبوا بمعاصى الله فإنه لا يدرك ما عند الله الا بطاعته ( شرح السنة للبغوي ١٤ /٣٠٥ )

      হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ(রা.) হতে বর্ণিত আছে, রাসুল(সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন:
      আমার অন্তরে জিব্রাইল(আ.) একথা প্রবেশ করিয়ে দিয়েছেন যে, কোন ব্যক্তির জন্য নির্ধারিত রিযিক যতদিন সে না পাবে, ততদিন তার মৃত্যু হবে না। কাজেই আল্লাহ তায়ালাকে ভয় কর এবং সৎ পথের অনুসারী হয়ে রিযিক অন্বেষণে সচেষ্ট হও। রিযিক প্রাপ্তির বিলম্বের কারণে আল্লাহ তায়ালার অবাধ্যতার পথে(হারাম উপায়ে) তা অন্বেষণ করো না। [শরহুস সুন্নাহ]
       
       

  7. 5
    মনে শুধু প্রশ্ন জাগে

    ‘যদি’ শয়তানের কাজ(এর দরজা) খুলে দেয়।
    -- তবে কি আমরা কোন কথায় যদি বলতে পারবো না?
    বিষয়টা একটু ব্যাখ্যা করলে ভালো হয়।

    1. 5.1
      সাদাত

      অন্য একটা ব্লগে একই রকম একটা প্রশ্ন এসেছিল। সেখানে যে উত্তর দিয়েছিলাম সেটাই কপিপেস্ট করে দিচ্ছি, দেখেন চলে কি-না!
      এক লোক একটি কাজ একটি পদ্ধতিতে করল, কাজটি হলেো না।
      এক.
      লোকটি যদি বলে: "কাজটি যদি এভাবে না করে ওভাবে করতাম তবে হতো"- এটা অতীতের জন্য আফসোস। এটা তাকদিরের শিক্ষার বিপরীত।

      দুই.
      লোকটি যদি বলে,"এই কাজটা এভাবে করলে যেহেতু হয় না, ভবিষ্যতে কাজটি এভাবে না করে ওভাবে করবো"। -- এটা হচ্ছে ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা গ্রহণ, বিচক্ষণতা অবলম্বন; এটার সাথে তাকদিরের শিক্ষার কোন বিরোধ নেই, বরং এটাই কাম্য। প্রথম হাদিসে খেয়াল করুন:
      " আর তোমার [যাবতীয়] বিষয়ে বিচক্ষণতা অবলম্বন কর। "
       
       

      1. 5.1.1
        সাদাত

        মোট কথা,
        যেই 'যদি' কেবলই হতাশা আর আফসোস আনয়ন করে সেটাই পরিত্যাজ্য।
        যেই 'যদি' ভবিষ্যতের জন্য বিচক্ষণতা অবলম্বনের সহায়ক সেটায় কোন সমস্যা নেই। 

  8. 4
    এস. এম. রায়হান

    তাকদিরে বিশ্বাস করার অর্থ কী হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকা?

    এখানে 'কী' এর স্থলে 'কি' হবে। এমন কঠিন বিষয় এই মুহূর্তে মাথায় ধরছে না বিধায় মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকলাম। তাছাড়া আপনার অনুরূপ একটি লেখা মনে হয় আমু ব্লগে আগে পড়েছি।

    1. 4.1
      সাদাত

      ধন্যবাদ, ঠিক করলাম।

  9. 3
    সরোয়ার

    খুবই বেসিক লেখা। আল্লাহ আপনার দীর্ঘ আয়ু দান করুন যাতে বেশী বেশী এধরণের লেখা লিখতে পারেন।

    1. 3.1
      সাদাত

      দুআর জন্য অনেক ধন্যবাদ। তবে বেশি আয়ুর চাইতে আয়ুর বরকতটা বেশি দরকার।

  10. 2
    এম ইউ আমান

    গুরুত্ত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে সুন্দর ব্যাখ্যা। আমার দেখা ওয়ান অব দ্য মোষ্ট সোজা পথের একজন মানুষ একদা একটা প্রশ্ন করেছিলেন- "যা কিছু ঘটে, তা সব কিছু কি আল্লাহর উইল, নাকি তার নলেজ?"  সাদাত সাহেব কি এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে পারেন? যদিও মনে হচ্ছে এই পোষ্টেই এর একরকম উত্তর আছে। 
     
     

    1. 2.1
      সাদাত
  11. 1
    শামস

    লেখাটিকি আগে কোথাও পড়েছিলাম?

    1. 1.1
      সাদাত

      এখানে সজ্জাগত কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

      1. 1.1.1
        শামস

        @সাদাত,
        এটা সুখপাঠ্য। খুব সুন্দর ব্যাখ্যা।
         

Leave a Reply

Your email address will not be published.