«

»

May ২১

একজন মুসলিম কি তার বউকে তাৎক্ষণিকভাবে তালাক দিতে পারে- কোরআন কী বলে?

যারা নিজেদের স্ত্রীদের নিকট গমন করবেনা বলে কসম খেয়ে বসে তাদের জন্য চার মাসের অবকাশ রয়েছে অতঃপর যদি পারস্পরিক মিল-মিশ করে নেয়, তবে আল্লাহ ক্ষামাকারী দয়ালু।আর যদি বর্জন করার সংকল্প করে নেয়, তাহলে নিশ্চয়ই আল্লাহ শ্রবণকারী ও জ্ঞানী। (২:২২৬-২২৭)

যদি তাদের মধ্যে সম্পর্কচ্ছেদ হওয়ার মত পরিস্থিতিরই আশঙ্কা কর, তবে স্বামীর পরিবার থেকে একজন এবং স্ত্রীর পরিবার থেকে একজন সালিস নিযুক্ত করবে। তারা উভয়ের মীমাংসা চাইলে আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সবকিছু অবহিত। (৪:৩৫)

হে নবী, তোমরা যখন স্ত্রীদেরকে তালাক দিতে চাও, তখন তাদেরকে তালাক দিয়ো ইদ্দতের প্রতি লক্ষ্য রেখে এবং ইদ্দত গণনা করো। তোমরা তোমাদের পালনকর্তা আল্লাহকে ভয় করো। তাদেরকে তাদের গৃহ থেকে বহিস্কার করো না এবং তারাও যেন বের না হয় যদি না তারা কোন সুস্পষ্ট নির্লজ্জ কাজে লিপ্ত হয়। এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে, সে নিজেরই অনিষ্ট করে। সে জানে না, হয়তো আল্লাহ এই তালাকের পর কোন নতুন উপায় করে দেবেন। (৬৫:১)

কোরআন তালাকের ব্যাপারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছে যে, তালাক দিতে হলে অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করেত হবে।

১০ comments

Skip to comment form

  1. 6
    Aseer

    তারপর যদি সে স্ত্রীকে (তৃতীয়বার) তালাক দেয়া হয়, তবে সে স্ত্রী যে পর্যন্ত তাকে ছাড়া অপর কোন স্বামীর সাথে বিয়ে করে না নেবে, তার জন্য হালাল নয়। অতঃপর যদি দ্বিতীয় স্বামী তালাক দিয়ে দেয়, তাহলে তাদের উভয়ের জন্যই পরস্পরকে পুনরায় বিয়ে করাতে কোন পাপ নেই। যদি আল্লাহর হুকুম বজায় রাখার ইচ্ছা থাকে। আর এই হলো আল্লাহ কতৃêক নির্ধারিত সীমা; যারা উপলব্ধি করে তাদের জন্য এসব বর্ণনা করা হয়। (আল-কোরআন- ২ঃ230)

  2. 5
    arif

    কোনো লোক যদি 3 তালাক দেওয়ার 1বচর ফর কোনো কভূল চাড়া ওই মহীলাকে নিয়া সা্শারর করে
    ধরেন তাদের তালাকের বেপারে তারা দু জন চাড়া কেউই ঝানেনা

  3. 4
    M H Khan Khokon

    কোরআনের আয়াত বোঝা এবং তা কার্জকর করতে হবে রাসুল (সঃ) প্রদর্শিত, নির্দেশিত এবং অনুমোদিত পথে জা সাহাবাগনও (রাঃ) রাসুলের (সঃ) মতো দেখিয়ে গ্যাছেন । কাজেই, কোরআনের আয়াতের শরাশরি অর্থ গ্রহন করা জাবে, শুধুমাত্র তখনই জখন ঐ বিশয়ে রাসুল (সঃ) এবং তার ৪ খলিফার (রাঃ) শময়কার আমল না পাওয়া জাবে ।

    ধরুন সালাত ৫ ওয়াক্ত পড়ার কথা বলা হয়েছে । কিন্তু কোরআনে বিস্তারিত বলা হয়নি, তাহলে সালাত কায়েম করবেন কিভাবে ? রাসুল (সঃ) বলেছেন, তোমরা সালাত আদায় করো ঠিক শেইভাবে, জেভাবে আমাকে আদায় করতে দেখো ।

    কাজেই কোরআনের ব্যাখ্যা হাদিস ছাড়া শম্ভব নয় । কোরআনেই বলা আছে ”এই কিতাব এবং রাসুলের অনুশরন করো” ।

     

  4. 3
    Sharif

    বড় ভাইয়ের কাঝে মোবাইলে তালাক উচচারণ করলে কি তালাক হবে ?

  5. 2
    জব্বার খান

    @এন্টাইভন্ড সাহেব, কোরআনের অকাট্য নির্দেশ বাতিল কোন মুসলমানের পক্ষে সম্ভব নয়। কোরআনের একটা আয়াত অস্বীকার করা মানেও মুসলমান না থাকা। কিন্তু তালাকের বিষয়ে কোরআনের নির্দেশ না মেনে একসাথে তিন তালাক ইত্যাদি, হিল্লা নানান সমস্যার সৃষ্টি করার কথা শোনা যায়। হাদিস দিয়ে আবার একসাথে তিন তালাক দিলেও চিরতরে তালাক ইত্যাদি বলা যায়। আপনার সাথে হাদিস নিয়ে তর্কের যোগ্যতা আমার নেই, তবে অনেক হাদিসের কোন ব্যাখ্যা আমি জানিনা, নবীজি(সা:) এর চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন উঠে এবং আরো নানান হাদিস রয়েছে যার কোন ব্যাখ্যা আমার নিকট নেই। ইসলামবিদ্ধেষীরা ঐসব হাদিস দিয়ে ইসলামকে হেয় করে। তবে সহীহ হাদিস নবীজি(সা:)এর বানী মানেই আল্লাহর বানী, সহীহ হাদিস অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। অনেক হাদিসের ব্যাখ্যা না পাওয়া হতে পারে আমার বুজার অক্ষমতা ।

    1. 2.1
      এন্টাইভণ্ড

      @জব্বার খান:

      কোরআনের অকাট্য নির্দেশ বাতিল কোন মুসলমানের পক্ষে সম্ভব নয়।

      এইটাই হলো চূড়ান্ত কথা। কোনো উদাহরণ আনার আগে এইটাই হলো চূড়ান্ত কথা। জাস্ট আমাকে আপনাকে কনফার্ম হতে হবে যে নির্দেশ আসলেই সুস্পষ্টভাবে আমি যা বুঝেছি ঐটাই কিনা।

      এখন তালাক প্রসঙ্গে কথা বলতে গেলে আগে অন্য একটা ব্যাপার বুঝতে হবে। সেটা হলো:
      তালাকের ব্যাপারে আল্লাহর সুস্পষ্ট নির্দেশ থেকে তো এটাই মনে হয় যে

      তালাক দিতে হলে অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

      এখন তারপরও কেউ যদি আল্লাহর এই সীমা না মেনে তালাক দিয়ে ফেলে, তাহলে কি তালাকই হবে না, নাকি তালাক হয়ে যাবে, কিন্তু সে আল্লাহর নির্দেশ অমান্যের দায়ে দোষী হবে?

      এগুলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমা। যে ব্যক্তি আল্লাহর সীমালংঘন করে, সে নিজেরই অনিষ্ট করে।

      প্রাসঙ্গিক অন্যান্য প্রশ্ন:
      ১.
      রোজার ব্যাপারে অকাট্য নির্দেশ হলো, ইফতারের সময় রোজা ভাঙা। এখন কেউ যদি দিনের বেলায় খেয়ে ফেলে, তাহলে কি রোজা ভাঙ্গবে? নাকি যেহেতু কোরানের অকাট্য নির্দেশ হলো, ইফতারের সময় খাওয়া স্টার্ট করা সেহেতু দিনের বেলায় যতই খাওয়া দাওয়া করা হোক না কেন, রোজা নষ্ট হবে না? নাকি রোজা ঠিকই ভাঙ্গবে, বাট আসলে আল্লাহর দেওয়া সীমা লংঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলো?
      ২.
      খুন করার ব্যাপারে অকাট্য নির্দেশ হলো, কোরানে নির্দেশিত কারণ ছাড়া খুন করা যাবে না। এখন কেউ যদি সেই কারণ ছাড়া খুন করে ফেলে, তাহলে আসলে কি খুন হওয়া লোকটা বেচেই থাকলো (মানে, খুনের ঘটনা কি আসলে কার্যকরী হলো না?), নাকি খুনের ঘটনা ঠিকই ঘটলো বাট খুনী আসলে আল্লাহর দেওয়া সীমা লংঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়ে থাকলো?
      ৩.
      ….

      বুঝতেই পারছেন এইরকম অসংখ্য উদাহরণ টানা যাবে।

      আমার মত (এই মত ভুলও হতে পারে):

      কোরানের অকাট্য নির্দেশ মতে তালাক দিতে হলে অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কিন্তু কেউ যদি নির্দিষ্ট সময় অপেক্ষা না করে, তাহলে তালাকের ঘটনা কার্যকর হয়ে যাবে, কিন্তু তালাকদাতা আল্লাহর দেওয়া সীমা লঙ্ঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়ে থাকবে।

      ______________________________________________________________

      আপনার সাথে হাদিস নিয়ে তর্কের যোগ্যতা আমার নেই

      খুবই অস্বস্তিকর কথা। আমার কোনো এ্যাটিচুডের কারণে যদি আপনার এই কথা মনে হয়, আমি মাফ চাচ্ছি আপনার কাছে।

      আপনি আপনার এই কমেন্টে দুইটা খুবই মূল্যবান কথা বলেছেন।
      সেগুলো হলো:

      ১. কোরআনের একটা আয়াত অস্বীকার করা মানেও মুসলমান না থাকা।
      ২. তবে সহীহ হাদিস নবীজি(সা:)এর বানী মানেই আল্লাহর বানী, সহীহ হাদিস অস্বীকার করার কোন উপায় নেই। অনেক হাদিসের ব্যাখ্যা না পাওয়া হতে পারে আমার বুজার অক্ষমতা।

      এর ভেতরে ২ নং-এ আমি সামান্য একটু দ্বিমত করবো। নবীজি(সা:) এর মুখনিসৃত বাণী হলো কিছু সরাসরি আল্লাহর বাণী (এর ভেতরে বেশিরভাগ কোরানের অন্তর্ভুক্ত, বাকিটা হাদিসে কুদসী হিসেবে হাদিস হিসেবেই সংরক্ষিত), আর কিছু সরাসরি আল্লাহর বাণী নয়, বরং সার্বক্ষণিক ওহীর গাইড্যান্সে থাকা নবীর বাণী, যা ভুল হলে তার তাৎক্ষণিক কারেকশন চলে আসতো।
      আর, সহীহ হাদিস মানে হলো, তার রেওয়ায়েত সহীহ। আল্টিমেটলি আমাদেরকে কিন্তু সেই কোরানের দিকেই মুভ করতে হবে। কেন জানেন? কারণ হলো, রেওয়ায়েতের দিক থেকে কোরান হচ্ছে এই সমস্ত কিছুর চাইতে বেশি সহীহ। সেইটাই আমাদের চূড়ান্ত রেফারেন্স।

      হাদিস নিয়ে প্রশ্ন আপনার যেমন আছে, আমারও আছে। এর ভেতরে অনেক হাদীসের ব্যাখ্যার ব্যাপারে আমিও আমার বুঝার অক্ষমতাকেই দায়ী করি। চট করে অস্বীকার করার চাইতে এটাই আমার কাছে বেটার ওয়ে বলে মনে হয়।

    2. 2.2
      সাইফুল

      ভাই, আমি খুব সাধারন একজন মুসলমান। ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

      আমি আমার অজ্ঞতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাচ্ছি।

      ১.
      রোজার ব্যাপারে অকাট্য নির্দেশ হলো, ইফতারের সময় রোজা ভাঙা। এখন কেউ যদি দিনের বেলায় খেয়ে ফেলে, তাহলে কি রোজা ভাঙ্গবে? নাকি যেহেতু কোরানের অকাট্য নির্দেশ হলো, ইফতারের সময় খাওয়া স্টার্ট করা সেহেতু দিনের বেলায় যতই খাওয়া দাওয়া করা হোক না কেন, রোজা নষ্ট হবে না? নাকি রোজা ঠিকই ভাঙ্গবে, বাট আসলে আল্লাহর দেওয়া সীমা লংঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলো?

       

      রোজা কি এতে পুর্ন হল? মানে দিনের বেলা রোজা ভাঙ্গার ফলে উনার রোজা হয়ে গেল, কিন্তু আসলে আল্লাহর দেওয়া সীমা লংঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলো? ব্যাপারটা কি তাই?

       

      ২।খুন করার ব্যাপারে অকাট্য নির্দেশ হলো, কোরানে নির্দেশিত কারণ ছাড়া খুন করা যাবে না। এখন কেউ যদি সেই কারণ ছাড়া খুন করে ফেলে, তাহলে আসলে কি খুন হওয়া লোকটা বেচেই থাকলো (মানে, খুনের ঘটনা কি আসলে কার্যকরী হলো না?), নাকি খুনের ঘটনা ঠিকই ঘটলো বাট খুনী আসলে আল্লাহর দেওয়া সীমা লংঘনের দায়ে দোষী সাব্যস্ত হয়ে থাকলো?

       

      কোরানে নির্দেশিত কারণ ছাড়া খুন নাজায়েয।  কিন্তু তালাক জায়েয। কিন্তু প্রতিটা জায়েয জিনিষ জায়েয করে নিতে হয়। যেমনঃ মুরগী আমাদের জন্য জায়েয, কিন্তু জবাই করার সময় বিসমিল্লাহ আল্লাহু আকবর বলতে হয়। যদি না বলা হয় তাহলে মুরগীটা আমাদের জন্য হালাল হয় না। আমি যদি মুরগীটা না খাই তাহলে হারাম খাওয়া থেকে বেচে গেলাম আর যদি খাই তাহলে হারাম খেয়ে ফেললাম। আমি যদি আবার নিয়ম অনুসারে জবাই করে খাই তাহলে কি হবে??

      ভাই, নাজায়েয উপায়ে জায়েয জিনিষ কিভাবে ঘটানো সম্ভব? নাজায়েজ উপায়ে ঘটনা ঘটিয়ে ওটাকে জায়েয হিসাবে মেনে নেওয়াটা কি সীমা লংঘনের পর্যায় পড়ে না??

       

       

  6. 1
    জব্বার খান

    কিন্তু বেশীরভাগ মুসলিমতো হাদিস দিয়ে কোরআনের অকাট্য নির্দেশ বাতিল করে দেয়।

    1. 1.1
      এন্টাইভণ্ড

      কথাটা পুরোপুরি ভুল কথা।

    2. 1.2
      এন্টাইভণ্ড

      আরো স্পষ্ট করে বলি, {{কোরআনের অকাট্য নির্দেশ বাতিল করে দেয়া}}… একজন মুসলমান কোনো কিছুর নাম করেই সেই কাজ করতে পারে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.