«

»

Dec ১৫

কুরআন হাদীস ও চার ইমামদের দৃষ্টিতে মাযহাব

বর্তমানে সারাবিশ্বে মুসলমানের সংখ্যা আড়াইশো কোটিরও বেশী। পৃথিবীর প্রত্যেক তিনজন ব্যাক্তির মধ্যে একজন মুসলমান। অমুসলিমদের কাছে আমরা অর্থাৎ ইসলাম ধর্মাবলম্বীরা মুসলমান বলে পরিচিত হলেও মুসলিমরা নিজেদের মধ্যে অনেক নামে পরিচিত। যেমন, হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী, হাম্বলী প্রভৃতি। এই নাম গুলি আল্লাহ বা মুহাম্মাদ (সা) এর দেওয়া নয় এমনকি যাঁদের নামে এই মাযহাব তৈরি করা হয়েছে তারাও এই নাম গুলো দেয়নি। মুসলমানদের মধ্যে প্রচলিত চারটি মাযহাব, দল বা ফিকাহ ইসলামের কোনো নিয়ম বা বিধান মেনে তৈরি করা হয়নি। কারন ইসলাম ধর্মে কোনো দলবাজী বা ফিরকাবন্দী নেই। মুসলমানদের বিভক্ত হওয়া থেকে এবং ধর্মে নানা মতের সৃষ্টি করা থেকে কঠোরভাবে সাবধান করা হয়েছে। এই মাযহাবগুলো রসুল (যা) এবং সাহাবাদের (রা) সময় সৃষ্টি হয়নি। এমনকি ঈমামগনের সময়ও হয়নি। চার ইমামের মৃত্যুর অনেক বছর পরে তাঁদের নামে মাযহাব তৈরি হয়েছে। কোরআন হাদীস ও চার ইমামের দৃষ্টিতে মাযহাব কি, কেন, মাযহাব কি মানতেই হবে, মাযহাব মানলে কি গোনাহ হবে, সে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করব ইনশাল্লাহ্‌!

মাযহাব তৈরিতে আল্লাহর কঠোর নিষেধাজ্ঞা

মুসলমানেরা যাতে বিভিন্ন দলে আলাদা বা বিভক্ত না হয়ে যায় সে জন্য আল্লাহ পাক আমাদের কঠোরভাবে সাবধান করেছেন। যেমন আল্লাহ তা’আলা কুরআনের সূরা আন-আমর এর ১৫৯ নম্বর আয়াতে বলেছেন ‘যারা দ্বীন সন্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন, দলে বিভক্ত হয়েছে হে নবী! তাদের সাথে তোমার কোনও সম্পর্ক নেই; তাদের বিষয় আল্লাহর ইখতিয়ারভুক্ত। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কৃতকর্ম সম্পর্কে অবগত করবেন। একটু থামুন। উপরের আয়াতটা দয়া করে বারবার পড়ুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন, চিন্তা করুন। আল্লাহ তা’আলা সরাসরি বলেছেন যারা দ্বীন বা ধর্মে অর্থাৎ ইসলামে নানা মতগের সৃষ্টি করেছে এবং বিভক্ত হয়েছে, তাদের সাথে আমাদের নবী মহাম্মাদ (সা) এর কোনো সম্পর্ক নেই। যার সাথে নবীজীর (সা) কোনো সম্পর্ক নেই সে কি মুসলমান? সে কি কখনো জান্নাতের গন্ধও পাবে। আমরা মুসলমান কোরআন হাদীস মাননে ওয়ালা এটাই আমাদের একমাত্র পরিচয়। আল্লাহ বলেন এবং তোমাদের এই যে জাতি, এতো একই জাতি; এবং আমিই তোমাদের প্রতিপালক, অতএব আমাকে ভয় করো। (সূরা মুউমিনুন ২৩/৫২)। তাহলেই বুঝতেই পড়েছেন ফরয, ওয়াজীব ভেবে আপনারা যা মেনে চলছেন আল্লাহ তা মানতে কত কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন তবে শুধু এইটুকুই নয় আল্লাহ আরও অনেক আয়াতে এ ব্যাপারে মানুষকে সাবধানবানী শুনিয়েছেন। যেমন সূরা রূমের একটি আয়াত দেখুন যেখানে আল্লাহ পাক বলছেন ‘….. তোমরা ঐ সকল মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না যারা নিজেদের দ্বীনকে শতধা বিচ্ছিন্ন করে বহু দলে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। প্রত্যেক দল নিজেদের কাছে যা আছে তা নিয়ে খুশি’ – (সূরা রুম ৩০/৩১-৩২)। বর্তমানে আমাদের সমাজের অবস্থাও ঐ মুশরিকদের মতো। ইসলামকে তারা (মাযহাবীরা) বিভিন্ন দলে বিভক্ত করেছে এবং তাদের নিজেদের কাছে যা আছে তা নিয়েই তারা খুশি। তাদের সামনে কোনো কথা উপস্থাপন করলে তারা বলেনা যে কুরআন হাদীসে আছে কি না। তারা বলে আমাদের ইমাম কি বলেছে। এরা কুরয়ান হাদীসের থেকেও ইমামের ফিকাহকে অধিক গুরুত্ব দেয়। অথচ ইসলামের ভিত্তি হচ্ছে কুরআন হাদীস। তা ছাড়া অন্য কিছু নয়। উপরের আযাতে আল্লাহ তা’আলা আমাদের উপদেশ দিয়েছেন তোমরা মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না; তোমরা ইসলামে মাযহাবের সৃষ্টি করো না। অথচ আমরা কুরআনের নির্দেশকে অগ্রাহ্য করে দ্বীনে দলের সৃষ্টি করেছি এবং নিজেকে হানাফী, মালেকী বা শাফেরী বলতে গর্ব অনুভব করছি। আল্লাহ বলেন ‘হে ইমানদারগন তোমরা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সামনে অগ্রগামী হয়ো না, এবং আল্লাহকে ভয় করো; আল্লাহ সর্বশ্রোতা, মহাজ্ঞানী (সূরা হুরুরতে/০১) আমার প্রিয় মাযহাবী ভাইয়েরা! এরকম কোরআনের স্পষ্ট নির্দেশ জানার পরও কি আপনারা মাযহাবে বিশ্বাসী হবেন এবং নিজেকে মাযহাবী বলে পরিচয় দেবেন। যারা জানে না তাদের কথা আলাদা। আল্লাহ বলেন ‘বলো, যারা জানে এবং যারা জানেনা তারা কি সমান? (সূরা যুমার ৩৯/০৯)। তাই আজই তওবা করে সঠিক আব্বীদায় ফিরে আসুন। আল্লাহ আমাদের সকলকে ইসলাম বোঝার তোফিক দিন। আমীন!

ইমামরা মাযহাব সৃষ্টি করেননি

ভারতবর্ষের বিখ্যাত হাদীসশাস্ত্রবিদ ও হানাফীদের শিক্ষাগুরু যাকে হানাফীরা ভারতবর্ষের ‘ইমাম বুখারী’ বলে থাকেন সেই শাহ আলিউল্লাহ মুহাদ্দিসদেহেলভী (রহ) বলেছেন – ‘ই’লাম আন্না না-সা-কা-নু ক্কারলাল মিআতির রা-বিআতি গাইরা মুজমিয়ীনা আলাত্‌-তাকলীদিল খা-লিস লিমায় হাবিন্‌ ওয়া-হিদিন্‌ বি-আইনিহী’ অর্থাৎ তোমরা জেনে রাখো যে, ৪০০ হিজরীর আগে লোকেরা কোন একটি বিশেষ মাযহাবের উপর জমে ছিল না’ (হুজ্জাতুল্লাহিল বালেগাহ; ১৫২ পৃষ্ঠা)। অর্থাৎ ৪০০ হিজরীর আগে নিজেকে হানাফী, শাফেরী বা মালেকী বলে পরিচয় দিতো না। আর চারশো হিজরীর অনেক আগে ইমামরা ইন্তেকাল করেন। ইমামদের জন্ম ও মৃত্যুর সময়কালটা একবার জানা যাক তাহলে ব্যাপারটা আরও স্পষ্ট হয়ে যাবে।

ইমামের নাম  জন্ম  মৃত্যু

আবু হানীফা (রহ) ৮০ হিজরী ১৫০ হিজরী

ইমাম মালেক (রহ) ৯৩ হিজরী ১৭৯ হিজরী

ইমাম শাকেরী (রহ) ১৫০ হিজরী ২০৪ হিজরী

আহমদ বিন হাম্বাল (রহ) ১৬৪ হিজরী ২৪১ হিজরী

বিশিষ্ট হানাফী বিদ্বান শাহ ওলিউল্লাহ দেহেলভী (রহ) এর কথা যদি মেনে নেওয়া যায় যে ৪০০ হিজরীর আগে কোনো মাযহাব ছিল না, এবং ৪০০ হিজরীর পরে মানুষেরা মাযহাব সৃষ্টি করেছে, তার মানে এটা দাঁড়ায় যে আবু হানীফার ইন্তেকালের ২৫০ বছর পর হানাফী মাযহাব সৃষ্টি হয়েছে। ইমাম মালেকের ইন্তেকালের ২২১ বছর পর মালেকী মাযহাব সৃষ্টি হয়েছে। ইমাম শাফেরীর ইন্তেকালের ১৯৬ বছর পরে শাফেরী মাযহাব এবং ইমাম আহমাদের ইন্তেকালের ১৫৯ বছর পর হাম্বলী মাযহাব সৃষ্টি হয়েছে। অর্থাৎ ইমামদের জীবিত অবস্থায় মাযহাব সৃষ্টি হয়নি। তাঁদের মৃত্যুর অনেকদিন পরে মাযহাবের উদ্ভব হয়েছে। আর একবার চিন্তা করে দেখুন মাযহাব বা দল সৃষ্টি করাতে কোরআন ও হাদিসে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মহামান্য ইমামরা ছিলেন কোরআন হাদীসের পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুসারী এবং ধর্মপ্রান মুসলিম। তাঁরা কি কোরআন হাদীসকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে মাযহাব তৈরি করবেন যা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ, এটা কখনো হতে পারে? যারা বলে ইমামরা মাযহাব সৃষ্টি করেছেন তারা হয় মুর্খ নয় বেইমান। তারা ইমামদের প্রতি অপবাদ দেয়।

মাযহাব সৃষ্টি হল কিভাবে

ফারসীতে একটি প্রবাদ আছে ‘মান তোরা হাজী গো ইয়াম তু মোরা হাজী বোগো’ অর্থাৎ একজন লোক আর একজনকে বলছে, ভাই! যদিও তুমি হাজী নও তথাপি আমি তোমাকে হাজী সাহেব বলছি এবং যদিও আমি হাজী নই তুমি আমাকে হাজী সাহেব বলো। এভাবে একে অপরকেহাজী সাহেব বলে ডাকার ফলে আমরা দু-জনেই হাজী সাহেব হয়ে যাবো। এভাবেই আবু হানীফার অনুসারীদের অথবা তাঁর ফতোয়া মান্যে ওয়ালাদের অন্যেরা হানাফী একইভাবে ইমাম মালেকের ফতোয়া মাননে ওয়ালাদের মালেকী বলে ডাকাডাকির ফলে মাযহাবের সৃষ্টি হয়েছে। আজ যা বিরাট আকার ধারন করেছে। আবু হানীফা (রহ) বা তাঁর শিষ্যরা কখনো বলেননি আমাদের ফতোয়া যারা মানবা তারা নিজেদের পরিচয় হানাফী বলে দিবা। অথবা ইমাম মালেক বা শাফেয়ীও বলে যাননি যে আমার অনুসারীরা নিজেকে মালেকী বা শাফেয়ী বলে পরিচয় দিবা। ইমামরা তো বটেই এমনকি ইমামদের শাগরেদরা কিংবা তাঁর শাগরেদদের শাগরেদরাও মাযহাব সৃষ্টি করতে বলেননি। যখন আমাদের মহামতি ইমামরা মাযহাব সৃষ্টি করেননি এবং করতেও বলেননি তখন উনাদের নামে মাযহাব সৃষ্টি করার অধিকার কেন দিল?

হাদীস বিরোধী বক্তব্যের ব্যাপারে ইমামদের রায়

মাযহাবীদের মধ্যে কিছু লোক দেখা যায় যারা ইমামদের তাক্কলীদ করে অর্থাৎ অন্ধ অনুসরন করে। তারা ইমামদের বক্তব্যকে আসমানী ওহীর মতো মানে। কোরআন-হাদিস বিরোধী কোনো রায় হলেও তাতে আমল করে। তাই সেই সব লোকদের জন্য হাদীস অনুসরনের ব্যাপারে ইমামদের মতামত এবং তাদের হাদীস বিরোধী বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করার ব্যাপারে তাদের কয়েকটি উক্তি দেওয়া হল। ইনশাল্লাহ্‌! মাযহাবী ভাইয়েরা এ থেকে অনেক উপকারিত হবেন।

আবু হানীফা (রহ)

১) যখন হাদীস সহীহ হবে, তখন সেটাই আমার মাযহাব অর্থাৎ হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব। (ইবনুল আবেদীন ১/৬৩; রাসমুল মুফতী ১/৪; ঈক্কামুল মুফতী ৬২ পৃষ্ঠা)

২) কারো জন্য আমাদের কথা মেনে নেওয়া বৈধ নয়; যতক্ষন না সে জেনেছে যে, আমরা তা কোথা থেকে গ্রহন করেছি। (হাশিয়া ইবনুল আবেদীন ২/২৯৩ রাসমুল মুফতী ২৯, ৩২ পৃষ্ঠা, শা’ রানীর মীথান ১/৫৫; ইলামুল মুওয়াক্কিঈন ২/৩০৯)

৩) যে ব্যাক্তি আমার দলিল জানে না, তার জন্য আমার উক্তি দ্বারা ফতোয়া দেওয়া হারাম। (আন-নাফিউল কাবীর ১৩৫ পৃষ্ঠা)

৪) আমরা তো মানুষ। আজ এক কথা বলি, আবার কাল তা প্রত্যাহার করে নিই। – (ঐ)

৫) যদি আমি এমন কথা বলি যা আল্লাহর কিবাব ও রাসুলের (সা) হাদীসের পরিপন্থি, তাহলে আমার কথাকে বর্জন করো। (দেওয়ালে ছুড়ে মারো)। (ঈক্কাবুল হিমাম ৫০ পৃষ্ঠা)

ইমাম মালেক (রহ)

১) আমি তো একজন মানুষ মাত্র। আমার কথা ভুল হতে পারে আবার ঠিকও হতে পারে। সুতরাং তোমরা আমার মতকে বিবেচনা করে দেখ। অতঃপর যেটা কিতাব ও সুন্নাহর অনুকুল পাও তা গ্রহন কর। আর যা কিতাব ও সুন্নাহর প্রতিকুল তা বর্জন করো। (জানেউ বায়ানিল ইলম ২/৩২, উসুলুল আহকাম ৬/১৪৯)

২) রাসুলুল্লাহ (সা) এর পর এমন কোনো ব্যাক্তি নেই যার কথা ও কাজ সমালোচনার উর্ধে। একমাত্র রাসুলুল্লাহ (সা) ই সমালোচনার উর্ধে। (ইবনু আবদিল হাদী, ১ম খন্ড, ২২৭ পৃষ্ঠা, আল ফতোয়া – আসসাবকী, ১ম খন্ড ১৪৮ পৃষ্ঠা, উসুলুল আহকাম ইবনু হাযম, ষষ্ঠ খন্ড ১৪৫ – ১৭৯ পৃষ্ঠা)।

৩) ইবনু ওহাব বলেছেন, আমি ইমাম মালেককের উয়ব মধ্যে দুই পায়ের আঙ্গুল খেলাল করার বিষএ এক প্রশ্ন করতে শুনেছি। তিনি বলেন লোকদের জন্য এটার প্রয়োজন নীই। ইবনু ওহাব বলেন, আমি মানুষ কমে গেলে তাঁকে নিরিবিলে পেয়ে বলি ‘তাতো আমাদের জন্য সুন্নাহ। ইমাম মালেক বলেন, সেটা কি? আমি বললাম, আমরা লাইস বিন সাদ, ইবনু লোহাইআ, আমর বিন হারেস, ইয়াবিদ বিন আমার আল-মা আফেরী, আবু আবদুর রহমান আল হাবালী এবং আল মোস্তাওরাদ বিন শাদ্দাদ আল কোরাশী এই সুত্র পরম্পরা থেকে জানতে পেরেছি যে, শাদ্দাদ আল কোরাশী বলেন, আমি রাসুল (সা) কে কনিষ্ঠ আঙ্গুল দিয়ে দুই পায়ের আঙ্গুল খেলাল করতে দেখেছি। ইমাম মালেক বলেন, এটা তো সুন্দর হাদীস। আমি এখন ছাড়া আর কখনো এই হাদীসটি শুনিনি। তারপর যখনই তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, তখনই তাঁকে পায়ের আঙ্গুল খেলাল করার আদেশ দিতে আমি শুনেছি। (মোকাদ্দামা আল জারাহ ওয়াত তা দীল- ইবনু হাতেমঃ ৩১- ৩২ পৃষ্ঠা)

ইমাম শাফেরীঃ-

১) হাদীস সহীহ হলে সেটাই আমার মাযহাব। (মাজমু ১/৬৩; শা’রানী ১/৫৭)

২) আমি যে কথাই বলি না কেন অথবা যে নীতিই প্রনয়ন করি না কেন, তা যদি আল্লাহর রাসুল (সা) এর নিকট থেকে বর্ণিত (হাদীসের) খিলাপ হয়, তাহলে সে কথাই মান্য, যা রাসুল (সা) বলেছেন। আর সেটাই আমার কথা। (তারীখু দিমাশ্‌ক; ইলামুল মুওয়াক্কিঈন ২/৩৬৬,৩৬৪)

৩) নিজ ছাত্র ইমাম আহমাদকে সম্বোধন করে বলেন) হাদীস ও রিজাল সম্বন্ধে তোমরা আমার চেয়ে বেশি জানো। অতএব হাদীস সহীহ হলে আমাকে জানাও, সে যাই হোক না কেন; কুকী, বাসরী অথবা শামী। তা সহীহ হলে সেটাই আমি আমার মাযহাব (পন্থা) বানিয়া নেবো। (ইবনু আবী হাতীম ৯৪-৯৫ পৃষ্ঠা; হিলয়াহ ৯/১০৬)

৪) আমার পুস্তকে যদি আল্লাহর রাসুল (সা) এর সুন্নাহের খেলাপ কে কথা পাও, তাহলে আল্লাহর রাসুল (সা) এর কথাকেই মেনে নিও এবং আমি যা বলেছি তা বর্জন করো। (নাওয়াবীর মা’জমু ১/৬৩; ইলামূল মুওয়াক্কিঈন ২/৩৬১)

৫) যে কথাই আমি বলি না কেন, তা যদি সহীহ সুন্নাহর পরিপন্থি হয়, তাহলে নবী (সা) এর হাদীসই অধিক মান্য। সুতরাং তোমরা আমার অন্ধানুকরন করো না। (হাদীস ও সুন্নাহর মুল্যমান ৫৪ পৃষ্ঠা)

৬) নবী (সা) থেকে যে হাদীসই বর্ণিত হয়, সেটাই আমার কথা; যদিও তা আমার নিকট থেকে না শুনে থাকো। (ইবনু আবী হাতীম ৯৩-৯৪)

ইমাম আহমাদ

১) তোমরা আমার অন্ধানুকরন করো না, মালেকেরও অন্ধানুকরন করো না। অন্ধানুকরন করো না শাফেরীর আর না আওয়ারী ও ষত্তরীব বরং তোমরা সেখান থেকে তোমরা গ্রহন কর যেখান থেকে তারা গ্রহন করেছেন। (ইলামুল মোয়াক্কিঈন ২/৩০২)

২) যে ব্যক্তি আল্লাহর রাসুল (সা) এর হাদীস প্রত্যাখ্যান করে, সে ব্যক্তি ধ্বংসোন্মুখ। (ইবনুল জাওযী ১৮২ পৃষ্ঠা)

৩) আওযাঈ; ইমাম মালেক ও ইমাম আবু হানীফার রায় তাদের নিজস্ব রায় বা ইজতিহাদ। আমার কাছে এসবই সমান। তবে দলিল হল আসার অর্থাৎ সাহাবী ও তাবেঈগনের কথা। (ইবনু আবদিল বার-আল-জামে, ২ খন্ড, ১৪৯ পৃষ্ঠা) ইমামদের এই সকল বক্তব্য জানার পর আমরা বলতে পারি প্রকৃতই যারা ইমামদের ভালোবাসেন, শ্রদ্ধা করেন, মান্য করেন তারা ইমামদের কথা অনুযায়ী চলবেন এবং সহীহ হাদীসকেই নিজের মাযহাব বানাবেন। তাক্কলীদ করবেন না। সরাসরী সেখান থেকে গ্রহন করবেন যেখান থেকে ইমামরা করেছেন অর্থাৎ সরাসরী হাদীস কোরয়ান থেকে। ইমামরা কোনো বিষয়ে ভুল ফতোয়া (সহীহ হাদীস তাঁদের কাছে না পৌছানোর কারনে) দিয়ে থাকলে তা প্রত্যাখ্যান করা এবং সহীহ হাদীসের উপর আমল করা। আল্লাহ আমাদের সকলকে ইসলাম বোঝার ও গ্রহীহ হাদীসের উপর আমল করার তৌফিক দিন। আমীন!

৪৮ comments

Skip to comment form

  1. 35
    Mohammad Nahiduzzaman

    Alhamdulillah.. valo likhechen bhai.

  2. 34
    emdadul islam

    Sondor r pranobonto alap.ai vaby alap holy somosssar somadan hoby.Allah r rasol bedai hajer vasony islamky pornata deaysen.ason Allah rasoler sai nerdesona meny sole.amen

  3. 33
    mahedi

    ভাল লেগেছে, আর আমি এটাই মানার চেষ্টা করি কোরান ও হাদিস

  4. 32
    সত্য সন্ধানী

     লেখাটি খুব ভাল লেগেছে। তবে প্রথমেই একটা তথ্য ভুল হয়েছে এবং সেটা সংশোধন করাও হয়নি।

     বর্তমানে সারাবিশ্বে মুসলমানের সংখ্যা আড়াইশো কোটিরও বেশী। পৃথিবীর প্রত্যেক তিনজন ব্যাক্তির মধ্যে একজন মুসলমান। 

    সারাবিশ্বে খ্রীষ্টান রাও ২৫০ কোটির বেশি আছে কিনা সন্দেহ আছে। এখনো খৃষ্টানরাই মুসলিম দের চেয়ে সংখ্যায় বেশি বলেই জানি।

     http://www.npr.org/sections/thetwo-way/2015/04/02/397042004/muslim-population-will-surpass-christians-this-century-pew-says

    গুগল করলে এমন আরো অসংখ্য রেফারেন্স পাবেন।

  5. 31
    মোঃআব্দুল মালেক

    আসসালামুয়ালাইকুম,,

    আমি মোঃআব্দুল মালেক,

    আমি ইসলামের হাদিস / কোরআন এর বেপারে একদমি অনজ্ঞ,

    ভুল বলে থাকলে খমা করবেন,

    আমি একজন মুসলিম,তথা আমি অবশ্বই বিশ্বাস করি আল্লহ,কে।

    এবং তার, প্রেরিত রাসুল (সা)তাঁর আরেক নাম, আল-আমিন,

    আর,আল কোরআন আমাদের একমাত্র  ধর্ম গ্রন্থ ও ছহিহ হাদিস।এবং এখানে কোন ভুল নেই,

    আপনারা যদি আমার উপরুক্ত কথা গুলোর সাথে একমত হন,তাহলে নিম্নুউক্তি লক্ষ করুন

    আমি ইমাম দের বিশ্বাস করি সম্মান করি, এবং তাদের দেওয়া ফতুয়া মানি, যা আল কোরানের সাথে মিল আছে।

    আর ইমাম দের দেওয়া অই সব কথা আমি আমল করবো না, যা আল কোরানের সাথে মিলে না।(যদিও সে কথা ইমাম রা বলেছেন)

    কারন,ইমাম গন, খুব জ্ঞ্যানি হলেও, তারাও মানুষ,,তাদের দেখা বা বুঝার ভুল হতেই পারে,

    তা ইমাম গনেরাও যানত,,তাই তারা বলেছেন

    তোমরা আমার অন্ধানুকরন করো না, মালেকেরও অন্ধানুকরন করো না। অন্ধানুকরন করো না শাফেরীর আর না আওয়ারী ও ষত্তরীব বরং তোমরা সেখান থেকে তোমরা গ্রহন কর যেখান থেকে তারা গ্রহন করেছেন। (ইলামুল মোয়াক্কিঈন ২/৩০২)

    তার পরেও, একটা কথা বলি

    ,যদি আল্লহতায়ালা আপনাকে একটা অফার করে যে, বেহেস্তের চাবি টা আপনি কার কাছ থেকে নিবে?

    আল্লহতায়ালার কাছ থেকে নাকি / ইমাম মালেকি, ইমাম শাফেয়ী, ইমাম হানাফী,নাকি ইমাম হাম্বলীর কাছথেকে?

    জানিনা, আপনারা কোন ইমামের কাছ থেকে গ্রহন করবেন,

    আমি তো চাইবো যে আল্লহতায়ালা নিজেই আমাকে বেহেস্তের চাবি দান করেন,,

    উক্তরুপ,,,, যদি আমার কোন মাসালা/কিছু যানার দরকার থাকে তাহলে অবশ্বই আমি আল্লহ্ এর ধার্জ করা কিতাব, আল কোরান থেকেই নিবো,

    আর যদি এমন হয়,,  যা আমি খুজছি তা আল কোরানে নেই, আমি মনে করবো তা আমার দরকার নেই,,,

    আল্লাহাফেজ,,, ( ভুল মার্জনিয়)

     

  6. 30
    নিয়াজ

    fazle hassan siddiqui ভাই, মাযহাবের কারনেই আমাদের মধ্যে এত অনৈক্য। রাজনৈতিক ভাবেও বিভক্ত হয়ে সৌদিপন্থী আর ইরানপন্থী হয়েছি। মাযহাবগুলো যদি সঠিক হয় তবে আমরাতো সবগুলো মাযহাবগুলোর ব্যাখ্যা গ্রহণ করতে পারি। যখন যে সমস্যার উদ্ধব হবে, চার প্রধানের ব্যাখ্যার যেটা সুবিধাজনক মনে হবে সেটা গ্রহণ করতে পারি। নিশ্চয়ই এতে অসুবিধা হবে না? যদি নির্দিষ্ট একজনকে অনুসরণ করার তাগিদ দেওয়া হয় তবে, বাকি তিন মাযহাব কি ভুল?

    আর মাযহাব শুধু কি এই চারটি? যতটুকু মনে করতে পারছি, ঐ সময়টায় আরো বেশি  ফেকাহবিদ ছিলেন। তাদের অনুসারী কম হওয়ায় আস্তে আস্তে তারা হারিয়ে গেছেন। এই চারজনের অনুসারী বেশি ছিলেন, তাই তাদের ব্যাখ্যা এখনও টিকে আছে।

  7. 29
    ELIAS ALI

    ভাই অনেক ধন্যবাদ

  8. 28
    ELIAS ALI

    ভাই আমরা কি আলোচনা করে এক হতে পারিনা

  9. 27
    নাজিম

    অনেক ধন্যবাদ লেখাটির জন্য, অামরা কোরঅান সূন্না হাদিস ব্যতিত কোন কাজ করব না!!

  10. 26
    fazle hassan siddiqui

    মাযহাব তৈরিতে আল্লাহর কঠোর নিষেধাজ্ঞা

    প্রথমত বলতে চাই, লেখক মাজহাবের সংজ্ঞা নির্ধারণ না করেই এটাকে একটা দল সাব্যেস্ত করেছেন। আমি এখন আপনার কাছে এসে বললাম, "আমার বাচ্চা হওয়ার জন্য টেস্ট টিউব ব্যাবস্থা নিতে চাই, এটা ঠিক হবে নাকি নেয়া যাবে না?" এই সমস্যার সমাধান কি বলবেন- অমুক হাদিসে বলা আছে… নাকি হাদিসের ভাস্য অনুযায়ী চিন্তা-ভাবনা করে একটা সমাধান দিতে হবে? এখন এটা কে আমি হাদিস মানলাম বলব, নাকি আপনাকে মানলাম বলব? 

    নিখোঁজ ব্যাক্তির জন্য তাঁর বিবি কতদিন অপেক্ষা করবে, এই সমাধান ভিন্ন হওয়ার কারনে, আমরা সবাই ভিন্ন ভিন্ন দল হয়ে গেছি? যে ব্যক্তি এমন ধারণা করে তিনি অত্যন্ত সংকীর্ণ। 

    আপনি ভুমিকম্পের খবর পেয়ে গ্রামে গেলেন। যাওয়ার পথে কয়েকজনের সাথে দেখা হল, কেউ বলল, বেবাক লোক মইরা গেছে, কেউ বলল ১০০-১৫০ জন মারা গেছে, বাকিরা হাস্পাতালে,…………… এরকম আরও কয়েক মন্তব্য। আপনি সবাইকে বিশ্বাস করবেন নাকি যে তথ্য জানাচ্ছে তাঁর বিশ্বাস যোগ্যতার উপর যাচাই করবেন? ইমাম ব্যাক্তিরা তাই করেছেন। হতে পারে, যে হাদিস ইমাম মালিকের খুব শক্তিসালি সুত্রে আসছে, কিন্তু সেই হাদিস ই  ইমাম আবু হানিফা এর নিকট খুব দুরবল সুত্রে আসছে। এজন্য ভিন্নতা আসতে পারে, তাই বলে ভিন্ন দল হয়ে গেছে- এটা বলা অযৌক্তিক। 

    বর্তমান পৃথিবীর আডাইশো কোটি মুসলমান মানুষের মধ্যে কতজন আছে যারা নিজেদের সব সমস্যার সমাধান নিজে বের করে ফেলতে পারবে? যার ইজতিহাদ যোগ্যতা আছে, সে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতেই পারে, এই লেখাতেই ইমামদের এ ব্যাপারে বিভিন্ন নির্দেশনার উল্লেখ আছে। কিন্তু আর যারা প্রায় ৯৯.৯৯ % লোক যাদের এই যোগ্যতা নেই, তারা কি করবে? তারাও কি নিজস্ব সমাধান করা শুরু করবে? তবে আপনি আজ যেখানে চার মাজহাব পাচ্ছেন, কাল সেখানে  কতজন পাবেন জানি না।  

    মাজহাব কোন সমস্যা না, যিনি সমস্যা দেখছেন, তাঁর দেখায় ভুল আছে। যে যেটা মানেন, নিজের খায়েল সামনে না রেখে দ্বীনকে সামনে রেখে মানেন, আর অহেতুক অমুকের এতা ভুল, ওইটা ভুল……… এরকম বলা থেকে বিরত থাকেন। চার মাজহাবের আলেমরাই যেখানে একত্রে চলতে পারে, সেখানে অন্যদের এত সমস্যা হয় কেন? 

  11. 25
    মিজান

    হানফী মাজহাবের প্রতিষ্ঠাতা কে?
    কার নির্দেশে হানাফী মাজহাব যাত্রা শুরু করে?আবু হানিফা রহঃ এর নামে মাজহাব চালু করতে তার অনুমোদন ছিল কি না?
    নাকি এমনে এমনে ভূঁইফোড়ের মতো সৃষ্টি হয়েছে?আবু হানফার রঃ নামে মাজহাব চালু হইলেও কেন তার ইজতেহাদ করা অর্ধেকের বেশী মাসালা বাদ দিয়ে অন্যান্য মুজতাহিদদের মাসালা ফলো করা হয়,এতেকি এটা প্রমানিত হয় না যে আবু হানিফার বাদ পড়া মাসালা গুলোর সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে আবু হানিফা ব্যর্থ?
    এতগূলো মাসালার সঠিক সিদ্ধান্ত দিতে যে ব্যক্তি ব্যর্থ তার অন্ধ অনুকরণ করার ফযিলত কি?
    হানাফি মাজহাব চালু হওয়ার পরেও যখন ইমাম শাফি রহঃ হানাফি মাসালার সাথে দ্বিমত করে নিজে ইজতেহাদ করে নিউ ভার্সন আসলেন তারপরেও কেন ওল্ডভার্সন ধরে রাখতে হবে?
    আবু হানিফার রহঃ ফেকাহ বাদ দিয়ে যেখানে আবু ইউসুফ ও মুহাম্মাদের রহঃ ফেকাহ ঢুকানো হয়েছে একই সুত্রে সেখানে তাদের চেয়ে বড় মুজতাহিদ শাফেয়ী মালেক ও হাম্বলী রহঃ দের ফেকাহ কেনো ঢুকানো যাবে না?
    ইমাম শাফি বা অন্যান্য ইমামরা যদি মনে করতেন হানাফি মাসালাকে অনুসরণ করার বৈধতা দেওয়া যায় তাহলে কেন তিনি উম্মতের মধ্যে এখতেলাফ সৃষ্টি করলেন?অথচ আল্লাহর নির্দেশ অনুযায়ী উম্মতের ইত্তেহাদ বা ঐক্য বজায় রাখা ফরজ।
    পরের তিন ইমাম যদি হানাফী মাসলা গ্রহন না করেন তাহলে আমাদের মতো সাধারণ মানুষ তাদেরকে ওভারটেক করে হানাফি মাসালা গ্রহণ করা আহম্মকী নয় কি?

    হাজার বছর ধরে বিখ্যাত আলেমগন মাজহাব মেনে আসছেন এতো আলেম কি ভুল করতে পারেন?তারা এইসব প্রশ্নের ক্লিয়ার জবাব জেনেই মাজহাব মেনে থাকবেন এমনটাই হওয়ার কথা।সেই তাদের জবাবগুলো আমিও জেমে বুঝে এতমিনানের সাথে খাঁটি মুসলিম হতে চাই।

  12. 24
    তন্ময় হাসান সালাফি

    আমরা যারা এখানে আছি সবাই জানি সব বিষয়ে আমাদের মত এক নয়, আমাদের এখানে অনেকেই মাযহাব অনুসরণ করেন, অনেকে করেন না। কিন্তু আমরা কেউ কি এক অন্যকে মাযহাব মানা বা না মানার জন্য দোষারোপে লিপ্ত ছিলাম? ছিলাম না। আমরা সবাই বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে পথ চলছিলাম.. ক্ষুদ্রতর বিষয়গুলোকে পাশ কাটিয়ে। কিন্তু এরই মাঝে একতাবদ্ধতার শ্লোগান নিয়ে আপনার এই পোস্টটা হাজির হলো। ফলাফল কী? যেই বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে এতক্ষণ পর্যন্ত কোনই মতবিরোধ দেখা যাচ্ছিল না, সেটাই সামনে চলে এলো। 
    একটা কথা ভালো করে মনে রাখবেন, মাযহাব যারা মানে তারা কোন সমস্যা না; মাযহাব যারা মানে না তারাও কোন সমস্যা না। সমস্যা তারাই যারা এসব নিয়ে বিরোধকে উস্কে দেয়।

  13. 23
    ফারহান ত্বহা

    মোঃ হাসান ভাবয়ের লেখাটা মুলত সঠিক মত পার্থক্য থেকে দুরে আসা উচিৎ, সঠিক ভাবে িইসলামের কাজ করা উচিৎ

     

  14. 22
    মো: হাসান

    ইসলামকে কেন্দ্র করে আমরা নিজেদের মধ্যে যে বিভেদ তৈরি করেছে তার ফলে আজ বিভিন্ন মাজারপুজারীরা ও ভন্ড পীররে  ও কাদিয়ানিরা সুযোগ পেয়ে তাদের দল আস্তে আস্তে ভারী করে ফেলছে। যেমন দেওয়ানবাগী, আরামবাগী, কুতববাগী সায়দাবাদী, মাইজভান্ডারীি ,আটরশি ,এনায়েতপুরী ও কাদিয়ানীরা যেভাবে মানুষকে ধোকা দিয়ে ইসলাম থেকে বিচ্যুতি করে ফেলছে তার কি আমরা খরব রাখি। তারপর আবার আর একটা পন্থী আছে সেটা হলো লেংটার মুরিদ যেমন সোলেমান লেংটা, দোহাই লেংটা, করিম লেংটা, কদমআলী মস্তান লেংটা ইত্যাদি । এদের কিছূ অনুসারী আছে যারা একশ্রেনীর সহযসরল মানুষকে ভ্রান্ত পথে নিয়ে যাচ্ছে। এদিকে আপনারা খবর রাখেন না । আপনাদের নিজেদের দলাদলির কারনে এরা আজ অনেক উপরে উঠে যাচ্ছে । এদের সংখা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।এক সময় এরা আপনাদের থেকেও উপরে উঠে যাবে। সেই দিন বেশি দুরে নয়।আমি দেখেছি বিভিন্ন মাযহাবপন্থী , লামাযহাবপন্থীরা ,তাবলিগজামায়াতপন্থীরা এবং কওমী মাদ্রাসার অনুসারীরা ইসলামের ছোট ছোট কিছুর ব্যাপারে ভিন্নমত কিন্তু এরা ইসলামের মুল স্তম্ভের ব্যাপারে সবাই একমত। এদের প্রত্যেকেই আল্লাহ ও রাসুলকে ভালবাসে এবং তার সাহাবীদেরকেও।এরা পাাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে রোজা রাখে হজ করে যাকাত দেয়। এরা কোন বেদয়াত করে না। মাজার পূজা করে না। আজকে দেখবেন কাদিয়ানীরা কত উপরে উঠে গেছে। তারা বাংলাদেশের মানুষকে ধোকা দিয়ে গোপনে গোপনে ইসলাম থেকে বিচ্যুতি করে ফেলছে। সেটার কি আমরা খবর রাখি।আজকে তারা সারা বাংলাদেশের সব ব্যবসা তারা করছে। প্রান আরএফএল কম্পানি বাংলাদেশে সয়লাব হয়ে গেছে। আজকে তারা চকলেট থেকে শুরু করে রুটি পর্যন্ত তারা তৈরী করে। এছাড়া অন্যান্য পন্য তো আছে। আজকে বাংলাদেশের মানুষ তাদের পন্য ছাড়া অন্য কোন কোম্পানীর পন্য কিনতে চায় না। এখনের সময় আছে আমরা নিজেদের মধ্যে ছোট খাট বিভেদ ভুলে এক হয়ে যাই। 

  15. 21
    Ehan

    ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ ধর্ম।আর খাতামুন নাবিয়্যিন; নাবী মুহাম্মাদ সাঃ এর আগমনের মাধ্যমে তা সেই পূর্ণতা লাভ করেছে। ইসলামি শরীয়াতে কি ফরজ/ওয়াজিব/সুন্নাত/নফল/মুস্তাহাব তা আল্লাহ্‌ পাক তাঁর কুরআনে ও রসূল সাঃ তার কথা কাজে-কর্মে(সহিহ্‌ হাদিস) বলে দিয়ে গিয়েছেন।

    কিন্তু বর্তমানে দেখা যায় মাযহাবি আলেমগণ মাযহাব মানাকে ফরজ করে দিয়েছেন।

    তাই সকল মাযহাবী/মুকাল্লিদ ভাইদের নিকট আমার কয়েকটি প্রশ্নঃ-

    প্রশ্ন ১. যদি মাযহাব মানা যে ফরজ তা কে নির্ধারণ করলো????? কার কাছে আবার ওহী আসলো ???????

    প্রশ্ন ২. পবিত্র কুরআনে 'উলিল আমর'(সুরা নিসা-৫৯) কথাটির মাধ্যমে যদি মাযহাব ফরজ সাব্যস্ত হয়, তাহলে ইমাম মালিক(রহ.) ইমাম আবু হানিফা(রহ)-এর জামানার লোক হওয়া সত্ত্বেও তিনি ইমাম আবু হানিফাকে 'উলিল আমর' মেনে না নিয়ে নিজে কেন আরেকটি মাযহাবের উৎপত্তি ঘটালেন???????

    প্রশ্ন ৩. পবিত্র কুরআনে 'আহুলুয যিকর'(সুরা নাহল-৪৩) কথাটির মাধ্যমে যদি মাযহাব ফরজ সাব্যস্ত হয়, তাহলে ৪ ইমামের পর পৃথিবীতে আর কোন 'আহুলুয যিকর' (জ্ঞানী) কি জন্ম নেন নি????যদি তেমন কেউ জন্ম নিয়ে থাকেন তবে তাদের মাযহাবের নাম কি??????

    প্রশ্ন ৪. ফরজ তো বুঝলাম;তো চার মাযহাব চার ফরজ??? না চার মাযহাব মিলিয়ে এক ফরজ?????????

    প্রশ্ন ৫. যদি চার মাযহাব চার ফরজ হয় তাহলে মুকাল্লিদগণ শুধু এক মাযহাবের অনুসারি কেন????? তাহলে তারা কি বাকি তিন ফরজ অস্বীকার করে???????

    প্রশ্ন ৬. যদি চার মাযহাব মিলিয়ে এক ফরজ হয়, তাহলে যেহেতু মুকাল্লিদগণ শুধু এক মাযহাবের অনুসারি সেহেতু তারা ফরজের ২৫% পালন করছেন, বাকি ৭৫% কোথায়??????

  16. 20
    আবদুস সবুর

     
    যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই তার পিছনে পড়ো না। নিশ্চয়ই কান, চোখ ও হৃদয় প্রত্যেকটি সম্পর্কে কৈফিয়ত তলব করা হবে।
    (সূরা ইসরাইল : ৩৬)

    এখানে মাযহাব সম্পকে বিস্তারিত বলা হয়েছে …

    মাযহাব

  17. 19
    I m m

    Imi maruf amar khub valo legese ami quran and hadis mani

    1. 19.1
      শামস

      @মারুফ আমর,
      রেজিষ্ট্রেশন করে ফেলুন এবং আমাদের সাথে আলোচনায় অংশগ্রহণ করার আমন্ত্রণ রইল।

    2. 19.2
      কিংশুক

      মারুফ ভাই, কোরআন ও হাদিস আমরাও মানি । এজন্য আবার, কোরআনে আল্লাহর হাতে কেয়ামতের সময় বিশ্বজগত থাকবে, আল্লাহ সব কিছু দেখেনে এসবগুলো আয়াতের সাথে সাথে কোরআনে কিছু আয়াত আছে রুপক, কোনকিছু আল্লাহর অনুরুপ নয় এগুলো মানি বলে শায়খুল ইসলাম ইবন তাইয়্যেমিয়া (রা:),  শায়খ উথায়মিন (রা:) উনাদের সব ব্যাপারে সব সঠিক হবে, আল্লাহর হাত,পা, চোখ, কান তাঁর কোন সৃষ্টির মতো বিশ্বাস করতে হবে, মোহাম্মদ(সা:) আরশে আল্লাহর সাথে বসে আছন এধরনের কথা বিশ্বাস না করলে মুশরিক হয়ে যাবো, সংখ্যাগরিষ্ঠ আলেম যাঁরা ইবন তাইয়্যেমিয়া(রা:)র এধরনের কথার জন্য তাকফির করে গেছেন তাঁরা কিছু বুজেন না, যে বিষয়ে পূর্বের সবাই আল্রাহর হাতেই ছেড়ে দিয়েছেন তা আমাদের ইবন তাইয়্যেমিয়া (রা:)র মতো করেই বিশ্বাস করতে হবে না হলে আমরা অজ্ঞ, মুতাজিলা, বিদআতি, মুশরিক মেনে নিতে হবে;  আল্লাহ সাত আসমানের উপর আরশে মানার সাথে সাথে আল্লাহর আরশ সমগ্র বিশ্বজগত ব্যাপী, তিনি মানুষের ঘাড়ের শাহী রগের চাইতেও কাছে, তিনি প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য…, আল্লাহ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের জ্যোতি…, রাসূল (সা:) এক দাসীকে আল্লাহ কোথায় প্রশ্ন করলে আকাশে বলায় তাকে বিশ্বাসী হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে ( ইমাম নববী রা: নাকি বলেছেন, এই হাদিসের দুইটি ব্যাখ্যা একটা হলো দাসীকে শুধুমাত্র পরীক্ষার জন্য জিজ্ঞেস করা, নবী সা: কোনকিছু প্রতিষ্ঠিত করার জন্য বলেননি, আরেকটি হলো পূর্ববর্তীদের মতো আল্লাহর হাতে ছেড়ে দেয়া ।  আলেমরা বলেন, এই হাদিস মুত্তারেব, এই হাদিসের তিনটির উপর সংস্করন রয়েছে যেখানে আল্লাহ কোথায় তা জিজ্ঞেস করা হয়না, অন্য প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হয় । এজন্য এই হাদিস হতে জোর করে কোন আক্বীদা চাপিয়ে দেয়ার ঐকমত্য আলেমদের নেই) সাথে সাথে অন্য হাদিস রয়েছে কোন ব্যাক্তি যখন নামাজরত অবস্থায় সেজদায় থাকে তখন আল্লাহর সবচাইতে কাছাকাছি থাকে । অতএব, আল্লাহপাক কেবলমাত্র সাত আসমানের উপর আরশেই স্থায়ী এটা বিশ্বাস না করলে মুশরিক হয়ে গেলাম তাও মানা যায়না্ । হানাফি আলেমগন দাবী করেন, রাসূল (সা:) ইসলামের প্রথম দিকে রাফ ইয়াদাইন করেছেন, মালিকি মাজহাবে দুইহাত ছেড়ে দিয়ে সালাত আদায় করা হয় তা নাকি ইসলামের একেবারে প্রথম দিকে রাসূল (সা:) করেছেন কিন্তু মক্কার মুনাফিকরা হাতে ছোট ছোট মূর্তি লুকিয়ে রাখতো এই কারনে রাফ ইয়াদিনে ফিরে গিয়েছিলেন । যখন মুনাফিকরা মসজিদে নববী ছেড়ে গিয়েছিলো তখন রাসূল (সা:) হাত কান পর্যন্ত উঠিয়ে নাভীর নিচে বাঁধতেন। এইটাই সর্বশেষ পদ্ধতি। এইজন্য সব হাদিসই সঠিক, যে সাহাবী যে সময়ের কথা বর্ননা করেছেন তখন সেই সময়ের বর্ননা এসেছে; চার মাজহাব মিলে রাসূল (সা:) এর নব্যুওতের জীবনের শুরু হতে শেষ পর্যন্ত সকল সুন্নাহ মেনে চলে । শায়খ নাসিরুদ্দিন আলবানী (রা:) কে নাকি একজন আইনজীবি দশটা সহী হাদিস ইসনাদ সহ বর্ননা করতে বলায়, তিনি বলেছিলেন- তাঁর কিছু মুখস্থ নাই, তিনি বই পড়ে পড়ে বর্ননা করতে পারেন; তখন উক্ত আইনজীব বলেন, বই পড়ে পড়েতো যে কেউই নিজেকে বিশেষজ্ঞ দাবী করতে পারে; এজন্য নাসির উদ্দিন আলবানী (রা:) ইমামে আজম আবু হানিফা (রা:), ইমাম বুখারী (রা:) এর বিষয়ে কোন ভূল করতে পারেননা তাও মানা যায়না । মোটকথা  আমাদের পূর্বের আলেমগন যারা মাজহাব মেনে চলেছেন, আমরা যারা মাজহাব মেনে চলি তারা অর্থাত আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াত মুশরিক না; শিরকের সংজ্ঞায় এটা পড়েনা । নব্য সালাফিগন যা বলবেন সবই সঠিক হবে এরকম মনোভাব পোষন করে ইবন তাইয়্যেমিয়া (রা:), নাসিরউদ্দিন আলবানী (রা:) কে অন্ধ অনুসরন করলে সেটাও ঠিকনা ।

  18. 18
    মফিজুল ইসলাম

    “মাযহাব কি ও কেনো ?” বইটি পড়ার অনুরোধ করছি।

  19. 17
    deshi432

    মাযহাব বিষয়ে লেখককে ”মাযহাব কি ও কেনো ?” বইটি পড়ার অনুরোধ করছি। ১ম খন্ড।http://www.banglakitab.com/BanglaBooks/SchoolOfThoughts-WhatAndWhy-Part1.pdf২য় খন্ড। http://www.banglakitab.com/BanglaBooks/SchoolOfThoughts-WhatAndWhy-Part2.pdf

  20. 16
    deshi432

    ইমাম বোখরী রঃ নিজেওতো মাঝহাব মানতেন। 

  21. 15
    সত্তুক

    আমি মুসলিম। প্রশ্ন করলঃ শিয়া? আমি বললাম না, তবে? কাদিয়ানি? আমি বললামঃ সুন্নি। তবে যে বুকের উপর হাত বাঁধলেন? আমি বললামঃ বাধা যায়। পাশ থেকে আর একজন ওনাকে বুঝায়ে বললেন, আহলে হাদিস। আমি হেসে বললামঃ না। প্রথম জন বললেন তবে? আমি বললাম ইমাম হানাফির আনুসারি। পাশের মুরুব্বি বললেন, আপনার জানায় কমতি আছে, জেনে নেবেন, আমি মাথা নারিয়ে সায় দিলাম। প্রথম জন তখনো লেগে আছেন, তবে? আমি বললাম আমি মুসলমান, সুন্নি, এবং হানাফি, তবে আরো যত টুকু আছে তা পরে বলব আপনাদের।
    http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_bye.gif

  22. 14
    এম ইউ আমান

    জ্বী, পরিচয় একটাই…মুসলিম। বা আরেকটু ক্লিয়ারলি বললে মুসলিম হতে চাওয়া। মাযহাব, শিয়া, সুন্নি এগুলি সব সেকেন্ডারি/টারসিয়ারি। তৃষ্ণা পেলে পানি খাই… কাচের গ্লাসে খাই না কাঁসার গ্লাসে খাই তা জেনে কি হবে?  

  23. 13
    বুড়ো শালিক

    @ লেখক:
    সাদাত ভাইয়ের মন্তব্যের পর আর কিছু বলার নাই। তারপরও, আপনি যখন ব্যাখ্যা চাইলেন, আমি আরো কিছু অ্যাড করি:
    মাজহাব জিনিসটা শুধু অল্প কিছু ছোট ছোট বিষয়ে ডিফার করে। আপনি নামাজের সময় হাত কোথায় বাঁধবেন, জোরে জোরে আমিন বলবেন কিনা, ইত্যাদি। এগুলো কোন অবস্থাতেই কোন পরিচয়সূচক কাজ না। মানে আমি যদি নাভির নিচে হাত বাঁধি, তাহলে আমি মুসলিম থেকে হানাফী হয়ে যাই না। আবার কেউ যদি জোরে জোরে আমিন বলে, তাহলে সে মুসলিম থেকে শাফিয়ী হয়ে যায় না। উভয়ই মুসলিম থাকে। আমি যেখানে চাকরি করি, সেখানে অনেক মানুষ ভিন্ন মাজহাবের। এমন কি নামাজের সময় যারা ইমামতি করেন, তাঁরাও অনেক সময় ভিন্ন মাজহাবের হয়ে থাকেন (নামাজের হাত বাঁধা দেখে বুঝতে পারি)। কিন্তু আমি এগুলো কেয়ারও করি না। তিনি যে মাজহাবেরই হোন না কেন, তাঁর পেছনে নামাজ আদায়ে আমার কোনই আপত্তি নাই। এমন কি আমি তাঁর ঐভাবে হাত বাঁধাকে ভুলও মনে করি না। কাজেই, এটা আমাদের মধ্যে বড় ধরণের কোন বিভেদ কখনোই সৃষ্টি করবে না ইনশাল্লাহ!

    যে ৪ ইমামের কথা আপনি বললেন, তাঁরা বিভিন্ন বিষয়ে নিজ জ্ঞান অনুযায়ী বিভিন্ন ফতোয়া দিয়েছেন, যেগুলোর কোনটাকেই ভুল বলার ধৃষ্টতা আমরা দেখাতে পারি না। কারণ, প্রত্যেকের পক্ষেই শক্ত দলিল ও রেফারেন্স আছে। এখন আপনি কোনটা মানবেন বা আদৌ কোনটা মানবেন কিনা, তা আপনার ব্যাপার। মাজহাবের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে আরো জানতে চাইলে বলবেন, আরো লিখবো।

    সাদাত ভাইয়ের অসাধারণ কথাটার সাথে ১০০০% সহমত:

    একটা কথা ভালো করে মনে রাখবেন, মাযহাব যারা মানে তারা কোন সমস্যা না; মাযহাব যারা মানে না তারাও কোন সমস্যা না। সমস্যা তারাই যারা এসব নিয়ে বিরোধকে উস্কে দেয়।

    মনে রাখবেন, ‘ভুত’ বলতে কিছু নাই। কিন্তু ‘ভুতের ভয়’ বলতে একটা জিনিস আছে। ভুতের ভয়টাকে ঝেড়ে ফেলেন, দেখবেন, আসলেই ভুত বলতে কিছুই নাই!

  24. 12
    সাদাত

    আমরা যারা এখানে আছি সবাই জানি সব বিষয়ে আমাদের মত এক নয়, আমাদের এখানে অনেকেই মাযহাব অনুসরণ করেন, অনেকে করেন না। কিন্তু আমরা কেউ কি এক অন্যকে মাযহাব মানা বা না মানার জন্য দোষারোপে লিপ্ত ছিলাম? ছিলাম না। আমরা সবাই বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে পথ চলছিলাম.. ক্ষুদ্রতর বিষয়গুলোকে পাশ কাটিয়ে। কিন্তু এরই মাঝে একতাবদ্ধতার শ্লোগান নিয়ে আপনার এই পোস্টটা হাজির হলো। ফলাফল কী? যেই বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে এতক্ষণ পর্যন্ত কোনই মতবিরোধ দেখা যাচ্ছিল না, সেটাই সামনে চলে এলো। 
    একটা কথা ভালো করে মনে রাখবেন, মাযহাব যারা মানে তারা কোন সমস্যা না; মাযহাব যারা মানে না তারাও কোন সমস্যা না। সমস্যা তারাই যারা এসব নিয়ে বিরোধকে উস্কে দেয়।
      

  25. 11
    সাদাত

    আমি হানাফি মাযহাব অনুসরণ করি, কিন্তু আমি হানাফি না আমি মুসলিম। আকিদাগতভাবে আমি সুন্নি বা আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামাআতের অনুসারি, কিন্তু তারপরও আমি মুসলিম। আচ্ছা আমি কি মুসলিম, নাকি মুশরিক? নাকি কবিরা গুণাহতে লিপ্ত?

  26. 10
    সরোয়ার

    আমারও ভাল লাগে নাই। সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভংগীর উপর ভিত্তি করে মাযহাবকেও শ্রেনী বিভাজনের মধ্যে ফেলা হয়েছে।

  27. 9
    বুড়ো শালিক

    সবাই প্রশংসা করেছে, কিন্তু আমার ভালো লাগে নাই। মাজহাব কী জিনিস, সেই বিষয়ে লেখকের জ্ঞানের অভাব আছে…

    1. 9.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      @বুড়ো শালিক:
       
      Sir, I haven’t realised what the writer says, not even I agree with him. But as far I know about the history, There ware many things which took place in the name of Mahjab including 4 immam in one kabbah.  🙁   🙁   🙁

    2. 9.2
      ফরিদ আলম

      @বুড়ো শালিক: সবাই প্রশংসা করেছে, কিন্তু আমার ভালো লাগে নাই। মাজহাব কী জিনিস, সেই বিষয়ে লেখকের জ্ঞানের অভাব আছে…

      ব্যাখ্যার দাবি রাখে

      1. 9.2.1
        Bijutoha

        আমারও তাই মনে হয়েছে । অতএব লেখককে বলব , আপনি এই লিংকটি দেখতে পারেন । http://www.alkawsar.com/article/338  হয়ত আপনার ভুল ভাঙ্গতে পারে। 

    3. 9.3
      সত্য সন্ধানী

      জনাব,৪ মাজহাবের ভিত্তি কি? মাজহাবের ইমামরা কি ইসলামের অথার? যদি সেটাই হয়ে থাকেন তবে সেই অথরিটি তারা কার কাছ থেকে পেয়েছেন? আল্লাহ বা তার রসুল সাঃ এর কাছ থেকে? কুরান এবং সহীহ হাদিসের আলোকে জানিয়ে বাধিত করবেন।

      বিদায় হজ্বের ভাষনে নবীজী সম্ভবত এটা বলে গেছেন উম্মত দের প্রতি, ' তোমাদের জন্য আমি দুটো জিনিস রেখে যাচ্ছি একটা কোরান আর অন্যটা হাদিস। যতদিন তোমরা এ দুটিকে আকড়ে ধরে থাকবে ততদিন তোমরা পথভ্রুষ্ট হবে না'

      সম্ভবত গোলাম মোস্তফার লেখা বিশ্ব নবী নামের গ্রন্থে এটা পড়েছিলাম।

      1. 9.3.1
        সত্য সন্ধানী

        উত্তর পেলাম না আজো আমার সোজা প্রশ্নের 🙂

        1. 9.3.1.1
          মাহফুজ

          এক সময় আমার মনেও এ ধরনের প্রশ্নের উদয় হত। যে কোন সত্য সন্ধানীর ক্ষেত্রেই এমনটি হওয়াই স্বাভাবিক। মহান আল্লাহর ইচ্ছায় আমি যতটা জানতে ও বুঝতে পেরেছি সে অনুসারে কিছু বলার চেষ্টা করছি। বিষয়টি ব্যাপক হলেও আশাকরি সংক্ষেপে যতটা তুলে ধরছি তার মাঝেই আপনরা প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন-

          এখনও এমনও অনেকে আছেন যারা নাম স্বাক্ষর করা ছাড়া লেখাপড়া তেমন জানেন না বললেই চলে অপরদিকে এমনও অনেকে আছেন যারা ডাক্তার, ইন্জিনিয়ার কিংবা ডক্টরেট ডিগ্রিধারী হয়েও ছোটকালে হুজুরের কাছে নামমাত্র আরবীতে কোরআন পড়তে শিখেছিলেন। একটু বড় হওয়ার পর থেকে নানামুখি ব্যস্ততার চাপে আরবীতে কোরআন পড়া ছাড়া ইসলাম সম্পর্কে সার্বিকভাবে জ্ঞানলাভের সুযোগ থেকে বঞ্চিতই থেকে গেছেন। নিজেরা না জানার কারণে প্রথমত তাদেরকে ধর্ম সম্পর্কে তাদের চাইতে ভাল জানেন এমন কাউকে অনুসরণ করার প্রয়োজন হতেই পারে। এক সময় ছিল যখন শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত মানুষের সংখ্যাই বেশি ছিল। ধর্মানুরাগের কারণেই হোক বা জন্মসূত্রেই হোক, ধর্ম অনুসরণের জন্য তাদেরকে ধর্মগুরুর শিষ্যত্ব গ্রহণ করতে হত। এখনও একই নিয়মই চলছে। একপক্ষ অন্ধভাবে অনুসরন করেন এবং তাদের গুরুকে অনুসরণ করাকেই ধর্ম পালনের মূল হিসেবে বিশ্বাস করেন। আবার আরেক পক্ষ প্রাথমিক বিষয়াদি জেনে নিয়ার পর শেকড়ের সন্ধানে সময় ও শ্রম দেন। আর বাকিরা সত্য জানার চেষ্টা না করেই ভিন্ন মত ও পথের পথিক হয়ে যান। পৃথিবীর নানান অঞ্চলে এখনও কিন্তু এ ধরনের মানুষের অভাব নেই।

          জ্ঞান অর্জনের জন্য গুরুর শিষ্যত্ব গ্রহণ করাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তাই বলে গুরুকে অন্ধভাবে অনুসরণ করতে গিয়ে শেকড়কে না জানার মানসিকতা মোটেই ভাল নয়। কারণ অন্ধ অনুসরণ হলো সেই মানসিক ব্যধী যা মানুষকে শিরকের দিকে ধাবিত করতে পারে। আর সত্যানুসন্ধান মানুষকে শেকড়ের কাছাকাছি নিয়ে যায়।

          চার মাযহাবের ইমামগণ ইসলাম সম্পর্কে প্রগাঢ় জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন। নিঃসন্দেহে তাদের মূল ভিত্তি ছিল কোরআন ও হাদিছ। তারা কখনই নিজেদেরকে ইসলামের অথর হিসেবে দাবি করেন নাই। কারণ তারা ভাল করেই জানতেন ও বিশ্বাস করতেন যে, ইসলামের মূল ভিত্তি হলো স্রষ্টা প্রেরিত ঐশী কিতাব আল-কোরআন। আর তারা সে অনুসারেই আমল ও প্রচার করেছিলেন। প্রত্যেকেই প্রজ্ঞা, ইমান ও আখলাক এর দিক থেকে তাদের সময়কার সেরা ছিলেন বলেই তাদের অনুসারীদের সংখ্যা নেহাত কম নয়। কিন্তু তাই বলে তারা সবই সঠিক জানতেন এমন ভেবে নেয়া মোটেই ঠিক হবে না। তারা নিজেরাও নিজেদেরকে সবজান্তা ভাবতেন না এবং তারা কখনই মুসলিমদের মাঝে বিভাজন চাইতেন না। তাদের উদ্যেশ্য নিঃসন্দেহে সৎ ছিল এবং তারা ইসলামের স্বার্থেই জীবনপাথ করেছিলেন। যুগের প্রয়োজনে তাদের এই সৎ প্রচেষ্টাকে খাঁট করে দেখা মোটেই উচিত হবেনা। আবার তাদের নিঃস্বার্থ কর্মকে পুঁজি করে যে স্বার্থবাদীরা স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে নাই, এমনটি হলফ করে বলা ঠিক হবেনা। কালের প্রবাহে পরবর্তীতে তাদের কথা ও কাজের মাঝে অন্ধ অনুসারিদের কারণে অতিরঞ্জন ও মিথ্যার সংমিশ্রন ঘটে যাওয়াই স্বাভাবিক। আর সে কারণেই মাযহাব পন্থী মানসিকতা ও দলাদলির উদ্ভব ঘটেছে। তাই কোন মাযহাবকেই অন্ধভাবে অনুসরণ নয়। তবে তাদের মূল্যবান কথা ও ব্যাপক কর্মযজ্ঞকে উপেক্ষা না করে বিচার বিশ্লেষণ ও সঠিকভাবে মূল্যায়ন করার প্রয়োজন রয়েছে। তথ্য প্রবাহের এ যুগে এসে মাযহাবের নামে ছোটখাট সব মতভেদকে দূর করার প্রয়াস না নিলে আমাদেরই ক্ষতি।

          আমাদেরকে অবশ্যই ভুললে চলবে না যে, পবিত্র কোরআনই হলো মানব জাতির জন্য মহান স্রষ্টা প্রেরিত ভাল ও মন্দের মধ্যে পার্থক্যকারী সর্বশেষ জীবনবিধান, যা মানুষকে আঁধার জগতে হাতছানি থেকে বের করে আলোর দিকে নিযে যায়। তাই নানা মুনির নানা মতের অনুসরণ নয় বরং সব সময়ের জন্যই প্রথমত আল্লাহর রজ্জু আল-কোরআন এবং তারপর এর সাথে সাংঘর্ষিক নয় এমন সহী হাদিছগুলো সম্পর্কে সঠিকভাবে জ্ঞান অর্জন করতে হবে এবং সঠিকভাবে প্রচারের জন্য সময় ও শ্রম দিতে হবে এবং মুসলিমদের জীবন পরিচালনার মূল সোর্স হিসেবে ধারন ও অনুসরণ করতে হবে। তাহলেই সকল দলাদলি ও বিভাজনের হাত থেকে মুক্তি মিলবে, ইনশাল্লাহ।

        2. সত্য সন্ধানী

           মাহফুজ ভাই,দুঃখিত দেরি হয়ে গেল উত্তর দিতে আমার শরীর টা ভাল ছিল না। আপনি যা বলছেন আমিও প্রায় একমত সেটার সাথে।

          আমি নিজেও আসলে এটাই বলতে চেয়েছিলাম যে ইমামরা কোনভাবেই মাঝহাব প্রচলন করে যান নাই।সে সময় যেটুকু সহীহ হাদিস পাওয়া গেছে সেটা তারা আমল করেছেন,যেটুকু পাওয়া যায়নি সেখানে বিবেচনা শক্তি প্রোয়োগ করে সহীহ হাদিসে কাছাকাছি আমল করেছেন।

          ইমামা আবু হানিফা বলে গেছেন যে যদি তার কোন কথার সাপেক্ষে কোন সহী হাদিস তার কথাকে খন্ডন করে ফবে সেই সহীহ হাদিস টাই মাঝহাব,এটা আপনি নিসচই জানেন। (এর রেফারেস্ন নাই আমার কাছে এই মমুহুর্তে কারন আমার বাবার কাছে শুনেছি,তবে আমাকে নিশ্চয় আমার আব্বা ভুল জিনিস শেখাবেন না জেনে শুনে তাই রেফারেন্স চাইবার প্রশ্নই আসে না নিজের জন্য নিজের বাবার কাছ থেকে।)

          কাজেই আমরা জানি যে ইমাম সাহেব রা একটাই মাঝহাব মানতেন আর সেটা হল ইসলাম। সলফে সালেহীন রা যে সঠিক ইসলাম টা মেনেছেন। 

          কিন্তু সমস্যা হল বর্তমানে মুসলিম সমাজ এসব বোঝে কই? চোখে আঙুল  দিয়ে দেখিয়ে দেন বুঝবে না অনেকেই কিন্তু কথা ঠেলে নিয়েই যেতে থাকবেন তারা। সুস্পস্ট অনেক জিনিস থাকতেও তারা সেটার নানা রকম অর্থ করবেন, সেটা সদালাপেই দেখেছি অনেক ক্ষেত্রে।

          আসলে আমি মনে করি যে এমন কি সহীহ বলে প্রচলিত কোন হাদিস যদি কোরান শরীফের কোন মুহকামাত আয়াতের সাথে সাংঘর্ষিক হয় তবে সেটা আদৌ সহীহ কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন করা যায়।ল; হাদিস সংকলক রা নিসচই এভাবে বাছাই করেই সহীহ হাদিস সংকলন করেছেন।

          সেখানে প্রচলিত মাঝহাব নিয়ে প্রশ্ন করা বা লেখালেখি করা হলে কেন অযথা গেল গেল সব গেল রব তোলা হবে যেটা এই লেখার মন্তব্য অংশে করা হয়েছে?আমার আপত্তিটা শুধু এই জায়গায়।

        3. সত্য সন্ধানী

           ইমামা আবু হানিফা বলে গেছেন যে যদি তার কোন কথার সাপেক্ষে কোন সহী হাদিস তার কথাকে খন্ডন করে ফবে সেই সহীহ হাদিস টাই মাঝহাব,এটা আপনি নিসচই জানেন। (এর রেফারেস্ন নাই আমার কাছে এই মমুহুর্তে কারন আমার বাবার কাছে শুনেছি,তবে আমাকে নিশ্চয় আমার আব্বা ভুল জিনিস শেখাবেন না জেনে শুনে তাই রেফারেন্স চাইবার প্রশ্নই আসে না নিজের জন্য নিজের বাবার কাছ থেকে।)

          ওহ আচ্ছা লেখক নিজেও রেফারেন্স দিয়েছেন।বেশ আগে পড়েছিলাম লেখাটা। তাই এখন নতুন করে আলোচনার সময় ভুলে গেছিলাম।

          মানে সব শেষে দেখা গেল যে ইমাম রা মাঝহাব বানান নাই কারন উনারা খাটি মুসলিম ছিলেন। আমরা যদি খাটি মুসলিম হবার চেষ্টা করি তবে অবশ্যই আমাদের প্রশ্ন করে জানা লাগবে। ইয়াম দের সময় যে হাদিস সামনে ছিল না সেটা এখন সামনে পেলে গ্রহন না করে ইমামের কথার ধুয়া দেয়াটাকেই তাকলিদ বলা হয়।

          মুসলিম সমাজ কে আল্লাহ এই তাকলিদের হাত থেকে হেফাজত করুন আমীন। 

  28. 8
    শামস

    সুন্দর একটা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। যেখানে আমাদের একতাবদ্ধ থাকার কথা সেখানে অশিক্ষা, গোড়ামি ইত্যাদি কারণে বেড়েই চলছিল। তবে আমার ধারণা দূরত্ব কমছে। দূরত্ব কমার জন্য প্রয়োজন ভাল কমিউনিকেশন, যা এখন খুব সহজ। দূরত্ব যত কমে ততই সবার মঙ্গল।
    ধন্যবাদ।
     

  29. 7
    কিংশুক

    রাসূল(সা:) এর বর্নিত ফিতনার এখন বোধহয় চরমরুপ । কেয়ামত পর্যন্ত ফিতনা চলতেই থাকবে । ফিতনায় পড়ে ঈমান হারানোর ঘটনাও ঘটবে। যাবতীয় ফিতনা হতে বাঁচার পদ্ধতিও রাসূল(সা:) হাদিস শরীফে বলে গিয়েছেন ।

  30. 6
    সত্তুক

    কিংশুক, আপনার উপলব্ধি আমার ভাল লাগল। আমার সদালাপী বন্ধুদের ভাল লাগার পিছে এটা অন্যতম বড় কারন, আমরা নমনীয়, আমরা নিজেদের ভুল শুধরাতে চাই। ব্লগিঙ্গের সবচেয়ে সুন্দর সুফল যদি কেউ নিতে চায়, তাকে এমন হতে হবে, তবেই সে নিজেকে শুধরাতে পারবে বলে আমি মনে করি। জাযাকাল্লাহ।
    এবার আসি হাজারো মজহাব প্রসঙ্গে, আমাদের মনে রাখা উচিত, রাসুলের অনেক অনেক হাদিসের মূল ভাষ্য এসেছে, ধর্মের ব্যাপারে বারাবারি না করা নিয়ে, আমরা রাসুলের অনুসারিরা, মধ্যপন্থী হব, আমরা সবাইকে সাথে নিয়ে চলার চেষ্টা করব। কে বা কারা কি বলছেন তা কে সঙ্গত কারনেই ওভার লুক করতে হবে। চলুন ফিরে যাই সেই সহজ সরল হাদিস গুলির দিকে, যেখানে রাসুল আমাদের বাতলে দিচ্ছেন মুসলিম হতে হলে পড়তে হয় কালিমা, মানে এক আল্লাহকে বিশ্বাস রাখা ও রাসুলকে মেনে নেয়া, আর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া, মন্দ কাজ থেকে মানুষে দূরে রাখা আর আত্মীয়তার সম্পর্ক সুন্দর রাখা, ভালবাসা দেয়া ও তা নেয়া।
    মনে রাখা জরুরি, যেই আপনি কেউকে কাফের বলে ফেললেন, সেই মুহূর্তে আপনি চেইনে আটকে গেলেন, যাকে বা যাদের কাফের বললেন, আপনার কোন ভুল বিশ্লেষণে (যা মানুষ দ্বারা হওয়া অতি স্বাভাবিক), আর খোদার কাছে তারা কাফের হিসাবে পরিগণিত নয়, সে ক্ষেত্রে আপনার ঈমান নষ্ট হওয়ার গ্যরেন্টি খোদ রাসুল দিয়ে গেছেন, তাই এ থেকে বেচে থাকতে হবে, যে কেউ যে নিজেকে মুসলিম দাবী করে, তাকে অমুসলিম বা কাফের ঘোষণা দেয়ার আগে বারংবার ভাবতে হবেম সম্ভব হলে এরিয়ে যেতে হবে, মনে রাখা জরুরি রাসুল আবদুল্লাহ ইবনে উবাই ও অন্যান্য মুনাফিকদের জানতেন, কিন্তু কখনই তাদের প্রকাশ্যে পাকরাও করেন নি, তাই ব্লগিং ভাষায় ব্ললে……..”খুব খিয়াল কইরা”
    কাউকে কাফের ঘোষণা মেন্ডেটরি না, তবে আগা/ কাদিয়ানি, যারা মুসলিম উম্মাহর সমগ্র ভাবে ইসলাম থেকে দূরে বলেছেন তাদের কথা আলাদা।
    তাই আসুন খুব ক্লিয়ার আর শক্ত একটা স্টেন্ড নেই, সিয়া সুন্নি সালাফি ওহাবি সুফি, তারা কি আল্লাহ্‌ এক মানেন? তারা কি রাসুল্কে আল্লার শেষ নবী হিসাবে স্বীকার করেন? তারা কি নামাজ কে আদায় করেন? তারা কি যাকাত হজ্জ রোজা করেন? সব গুলির উত্তর যদি হা হয়, তার পর আমরা তাদের হালে তাদের ছেড়ে দেব, এবং বারাবারি না করার পরামর্শ দিয়ে যাব, কিন্তু তাদের কাফের বা মুশরিক বা ইহুদির চর, এসব বলা থেকে অনেক দূরে থাকব, হিংসা কে মনে স্থান দিব না, কোন শক্ত আনর অবস্থা বা ডিসিশনে যাব না, তাদের জন্য ও নিজেদের জন্য দোয়া করতে থাকবো।
     
    আমি জানি শিয়ারা আমার প্রিয় সাহাবীদের গাল দেয়, তারা চোখে ঠুলি পড়ে অন্ধ যুক্তি দেয়, আমি মন খারাপ করতে পারি, তাদের বিরত থাকতে বলতে পারি কাফের বলব না। শিয়াদের মাঝেও শতধা বিভক্তি আছে, কেউ কেউ আছে প্রকাশ্য শিরক করছে, তাদের শুধরে দিতে হবে বা জানিয়ে দেয়া যায়, যে তারা ইসলাম বিচ্চুত হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু এজে হোল, মুসলিমরা এখনো বেশীর ভাগ মুসলিমই আছে বলে আমি বিশ্বাস করি, আর তা মানা ও জানা বেশ জরুরি।
    আমরা যেন নিজেদের উপর জুলুম না করে ফেলি, সব সময় যেন খোদা ও তার রাসুল্কে ভালবেসে মুসলিম হয়ে থাকতে পারি সে দোয়া করছি। আমিন।

    1. 6.1
      কিংশুক

      সহমত জানাচ্ছি । আসলে শিয়া, সুন্নি, সুফি( সুফিরা সাধারনত: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অধীন), ওয়াহাবী ( ওয়াহাবী বললে উনারা রাগ করেন কিন্তু বৃজানোর সুবিধার্থে বলা), সালাফি কারো বিষয়ে আমার মতো একজন প্রায় অজ্ঞ মুসলমানের কোন কিছু বলার কথাও নয়, কিছু বলা ঠিক নয় ; আমার মতো সাধারন মুসলমানের নিজের পরকালীন মুক্তির পথটা খুঁজে নেয়ায় আসল কথা । সালাফিদের শিয়া, সুফিদের নিয়ে মুশরিক উপাধি দেয়ার পর জানার চেষ্টা করলাম তাদের আক্বীদায় কিকি ভূল আছে তা জানার, পরে দেখলাম তাদের ভ্রান্তি সমূহ ধরিয়ে দিলে তাঁরা বলেন আল্লাহ স্থান কোথায় (তিনিই একমাত্র উপাস্য, একমাত্র স্রষ্টা) আর নবী (সা:) (তিনি একজন মানুষ হলেও নাকি মাটির মানুষের সাথে সাথে নুরের তৈরী, সমস্ত উম্মতের সর্দার, আল্লাহর হাবীব। তাই আল্লাহ তাঁকে যে সম্মান দিয়েছেন তাঁরাও তাঁকে সেই সম্মান দেন; আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতারা নবীর উপর দুরুদ পাঠান এজন্য তাঁরাও পাঠান কিন্তু কোনক্রমেই উপাসনা করেননা বরং তাঁকে শ্রেষ্ঠতম শিক্ষক মেনে নিয়ে তাঁর মতো করে আল্লহকে চিনতে চান ইত্যাদি) এর স্থান কোথায় তাঁরা ভালোভাবে জানেন বলে তাঁরা কোন শিরক করেননা । এরপর তাঁদের মধ্যে এত এত ইসলামিক স্কলার, তাঁরা কোরআন-হাদিস এত ভালো জানেন আর আমি ঠিকমতো আরবী পড়তেই কষ্ট হয়, সুফিদের মাধ্যমেই আমরা উপমহাদেশের মানুষরা ইসলাম চিনেছি, মুসলমান হয়েছি, কোরআন-হাদিস শিক্ষা আগের শতাব্দিসমূহে খুব সহজ ছিলোনা, আব্দুল কাদের জিলানী(রা:) সহ অনেক সুফিগন কোরআন হাদিস শিক্ষা দিয়ে তাঁদের মুরিদদের মাধ্যমে আমাদেরকে কোরআন-হাদিস শিখিয়েছেন। শিয়াদের ওজু, নামাজের পদ্ধতি ইত্যাদি নিয়ে দেখলাম তাঁরা কোরআন হতে দলিল দেখাতে তো পারেনইনি এমনকি আমাদে সহীহ বুখারী, মুসলিম সব জায়গা হতে রেফারেন্স দেখাতে পারেন উল্টো আমরা হানাফিগন কোনঅবস্থাতেই ফজর-জোহর ও মাগরিব-এশা একত্রে পড়িনা কিন্তু তাঁরা সহী হাদিস হতেই দেখাতে পারেনযে, নবীজি(সা:) এমনকি মদিনাতেও শত্রু-বৃষ্টি ইত্যাদি ছাড়াও ঐসব নামাজ একত্রে পড়েছেন । অতএব, শিয়া-সুফিদের বাদ দিলাম । সর্বরকম শিরকের সুদুর সম্ভাবনা থাকতে পারে এধরনের সব বাদ দিয়ে মোটামুটি ওয়াহাবী মতবাদের দিকেই গেলাম । এরপর শুরু হলো তাবলীগ জামাতের বিরুদ্ধে বিদআতি, প্রায় মুশরিক ইত্যাদি । যে যেভাবে ইসলামের খেদমত, মানুষকে কোরআন-হদিসের জ্ঞান, সহী-শুদ্ধরুপে নামাজ,রোজা, হজ্ব, যাকাতের পদ্ধতি শিখাতে চান সেটাও ধরলাম বিভ্রান্তি ! তাও ইগনোর করা গেলো । কারন, সালাফিগনে কাজের উদ্দেশ্য খুব ভালো, যার যতো ভূল থাকতে পারে সব ধরিয়ে দেয়া হচ্ছে । কিন্তু যখন মাজহাব মানলেও শিরকী তখনতো মানা যায়না । হাজার বছর ধরে এত এত ইসলামিক আলেমগন তাহলে মুশরিক ছিলেন ! এখনকার কোরআন-হদিসের শিক্ষকগন (কেবলমাত্র সালাফি বিভাগে অধ্যয়নকারীগন ব্যাতীত)  কিচুই বুজেননা ! এর চাইতে বড় সমস্যা নিজে নিজে সহীহ হাদিস পড়ে সালাফি হওয়াও অসম্ভব মনে হচ্ছে, রাফ ইয়াদিন করার যেমন দলিল আছে আমাদের হানাফি মাজহাবসহ সব মাজহাবেরই সহীহ হাদিসের দলিল আছে । আবু হোরায়রা (রা:) হতে বর্নিত কান পর্যন্ত হাত উঠানোর দলিল, নাভীর নিচে হাত বাঁধার দলিল, হযরত আলী(রা:) হতে বর্নিত নানান দলিল ইত্যাদি সব কিছু মিলিয়ে নামাজের পদ্ধতি বর্ননায় কয়েকরকম বর্ননা পাওয়া যাচ্ছে । তারচাইতেও বড় সমস্যা হলো ইমামের আনুগত্য করে ইমাম যেভাবে নামাজ পড়ছেন সেভাবে পড়তে হবে, বাংলাদেশে সালাফি মসজিদ কোথায় ? এমনকি সারাবিশ্বে সালাফি মসজিদ কত শতাংশ ? তারপর আল্লাহতায়ালার বর্ননা নিয়ে সালাফিদের মতো না মানলে নাকি মুশরিক, আবার আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়তের মতে শায়খুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যার যে বর্ননা সালাফিগন বিশ্বাস করেন তা মানলে কাফের, কোন দিকে যাবেন ? সালাফিদের মতো করে আল্লাহর হাত, পা ইত্যাদি মানলে ( যদিও হাত, চোখের কথা কোরআনে আছে বলেই মানেন কিন্তু হাত-পা কেমন তা জানেন না) নামাজ পড়তে গেলে মনে  উল্টাপাল্টা চিত্র আসে যা শিরক, একারনে আবারো আহলে সুন্নাহ ওয়াল জামায়াতের আক্বিদা অর্থাত আশারীয় আকিদায় ফিরে গেছি । আরবী ভাষী ব্যাতিত পৃথিবীর অন্যান্য মুসলমানদের কোরআন-হাদিস সম্পর্কে কতটুকু জ্ঞান আছে, আর নিজেনিজে অধ্যয়ন করেও কি সঠিক জ্ঝান পাওয়ার নিশ্চয়তা সবার আছে, সবার মেধা কি সমান, ইমামগন যেভাবে ঐক্যমত্য হয়েছেন সেভাবে আমরা কি পারবো না পারি ? সৌদি সালাফিগন যদি দেড়শ বছর ধরে চেষ্টার পরও শিয়াদের লাইনে তো আনতে পারেননিই বরং আরো ওয়াহাবী/সালাফি বিদ্ধেষী বানিয়ে দিয়েছেন (অন্যরা ১৪০০ বছর ধরেও পারেনি), ইরানের পর আরব বিশ্বেই সবচাইতে বেশী শিয়া থাকে তাহলে উপমহাদেশীয় হানাফিদের (তাঁদের মতে তথাকথিত হানাফি!) বিরুদ্ধে এভাবে নব্য উপমহাদেশীয় সালাফিদের লাগিয়ে দিয়ে ইসলামের কোন লাভ হবে ?  একমাত্র নব্য সালাফিগনই সঠিক মুসলমান, তাঁদের স্কলার ইবন তাইয়্যেমিয়া (রা:), নাসির উদ্দিন আলবানীর (রা:) কোন ভূল হতে পারেনা এধরনের মনোভাব  মুসলিম উম্মাহর কোন কল্যান করবে কিনা কে জানে    ! 

  31. 5
    কিংশুক

    @ ফোরকান, আমার বক্তব্য মোটেও বিশেষজ্ঞ মতামত নয় কারন আমি অতি সাধারন প্রায় শুন্যের কোঠায় জানা একজন মুসলমান । আমার এধরনের মন্তব্য সম্ভবত: ঠিক হয়নি। লেখক ইচ্ছা করলে আমার উপরের কমেন্টটি মুছে দিতে পারেন। সকল হাদিসের মর্ম উপলব্দি করা ও তাবলীগ জামায়াত নিয়ে যেকোন প্রকার উক্তিও সম্পর্কে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। বিশেষত: তাবলীগ জামায়াত হতে একজন উপকৃত হতে পারিনি সেটা তার ইসলাম সম্পর্কে বোজার আগ্রহ ও ভালো হবার ইচ্ছা না থাকার কারনে হয়েছে। ফোরকান ভাই হয়তো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাংলাদেশের সর্ববৃহত ইয়াবা নামক মাদকের কারখানা, ইয়াবার মজুদসহ আজিজ মোহাম্মদ ভাই নামক জনৈক মাফিয়ার ভাগ্নে আমিন হুদা ও তার সংগী আরেকজনের গ্রেফতার হবার ঘটনা মনে করতে পারবেন। আমিন হুদার সংগী লোকটা আমার একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধুর ভাই যে নিজেও ঐ ব্যাবসা ও মাদকে গভীরভাবে ডুবে ছিলো । পরবর্তীতে তাবলীগ জামায়াতে শামিল হয়ে তিনি নিজে পুরোপুরি সংশোধিত হয়ে বেশ পরহেজগার ব্যাক্তি হয়ে গিয়েছেন এবং তাঁর সাথে এলাকার বিশাল একটা গ্রুপ যারা তার সংগে জড়িত ছিলো, পুরোপুরি বখে যাওয়া মাদকাসক্ত গ্রুপের সবাই বর্তমানে সম্পূর্নরুপে মাদকমুক্ত এবং ইসলামিক  অনুশাসন মেনে চলা নামাজি ভদ্রমানুষ ।

  32. 4
    ফোরকান

    খুব সুন্দর একটি বিষয় নিয়ে লিখেছেন, আলহামদুলিল্লাহ। আসলে ইসলামে এতো বেশি বিভাজন হচ্ছে অনেকটা অশিক্ষার কারনেও। মানুষ ধর্মটাকে পৈত্রিক সূত্রে পাওয়ার কারণে তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে না। শুধু মাযহাব কেন যদি কোন লোক আজ এই মূহূর্তে চুলে জট আর গায়ে চট পড়ে আস্তানা খুলে বসে তাহলে মুহূর্তের মধ্যে তার দশজন অনুসারী জন্মাবে, হবে আরেকটি বিভাগ। এমন অনেক ছোট ছোট ভাগ আছে যার নাম হয়ত এই মুহুর্তে আমরা জানি না, পরে জানতে পারব। কিংশুক ভাইয়ের মুল্যবান মন্তব্যটি খুবই প্রাসংগিক।   http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_good.gif

  33. 3
    কিংশুক

     
    @ আব্দুস সামাদ, মাজহাবতো কোন বড় বিভাজন নয়। সুন্নিদের মধ্যে এখন আরো বড় বড় অনেক দল তৈরী হয়ে গেছে । সালাফি/ ওয়াহাবীদের (উনাদেরকেই সবচেয়ে সঠিক মনে করি) মতে সুফি, শিয়া উভয়েই মুশরিক। শিয়াদের কথা বলে লাভ নাই। তারা আহলে বাইতের প্রতি মহব্বতেই বেহেশতে যেতে চায় ( বিদায় হজ্বের এক ভাষনেরই তিনরকম বর্ননা সুন্নিদের সহীহ সিত্তাহতেই পাওয়া যায়, তিনটার একটা হলো: আমি তোমাদের জন্যআল্লাহর বই (কোরান) ও আমার পরিবারকেরেখেগেলাম , যদি তোমরা এদুটোকে আকড়ে থাকো , তবে কখনো বিপথগামী হবে না।মুসলিম৪৪/৪ , নু ২৪০৮/৩৩১৯, ইবনে হাম্বল ৪/৩৬৬, দারিমি ২৩/১।) আর কারবালা, ইয়াজিদ, উমাইয়া রাজবংশসহ ইতিহাস নিয়ে ঠেলাঠেলিরতো শেষই নাই)। শিয়া, সুফি উভয়ের দাবী ওয়াহাবী/সালাফিরা ভ্রান্ত, ইহুদিদের চর, শয়তানের আছরগ্রস্থ। সুন্নিদের মতে শিয়ারা ইহুদিদের চর। শিয়া, সুন্নির বিরোধের মাঝখানে সূযোগ পেয়ে সুফিরা শিয়া,ওয়াহাবী উভয়কেই কাফের বলে, উনারা সাহাবীদের প্রতি ভালোবাসা+নবী পরিবারের প্রতি আনুগত্য উভয়টা দিয়ে নিজেদেরকে সঠিক মনে করে। শিয়াদের মতে সুন্নি, সুফি উভয়েই ভ্রান্ত। আবার সালাফিদের মধ্যেও অনেক দল। শিয়াদের মুসলিম হিসাবে স্বীকৃতি এবং সাহাবা, উমাইয়া রাজবংশ নিয়ে নানান বিতর্কিত ধারনার কারনে সাইদ কুতুব, হাসান আল বান্না, মাওলানা আবুল আলা মওদুদিসহ মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে জড়িত এবং সমর্থনকারীদেরকেও ভ্রান্ত, নাস্তিক,খ্রিষ্টান-ইহুদিদের চর হিসাবে দেখেন সালাফিরা । আল-কায়েদারা নিজেদের সালাফি হিসাবে দাবী করলেও ওয়াহাবীগন তাদেরকে খারেজি, অমুসলিম হিসাবে দেখেন (শেখ আনোয়ার আল-আওলাকি পন্থীরাও তাঁদের মতে ইসলাম হতে খারিজ হয়ে গেছে)। সালাফিদের কিছু অংশ ওসামা বিন লাদেনকে শেইখ হিসাবে স্বীকৃতি দেয়, অন্যরা তাকে খারেজি ও সুফি এবং ইসলাম সম্পর্কে ন্যুনতম জ্ঞান আছে বলে মনে করেননা; আনোয়ার আওলাকিও একইরকম। তাবলীগিদেরকেও ওয়াহাবী/সালাফিগন বিদআতি, ভ্রান্ত মনে করেন।
    “রাসূলুল্লাহ্‌ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ্‌র জন্য চল্লিশদিন (২০০ ওয়াক্ত) জামাতের সাথে ইমামের তাকবীরে তাহরীমার সাথে ছালাত আদায়করবে তার জন্য দু‘টি মুক্তি নামা লিখা হবে। ১) জাহান্নাম থেকে মুক্তি এবং২) মুনাফেক্বী থেকে মুক্তি। (তিরমিযী, দ্র: ছহীহুল জামে হা/৬৩৬৫)” এখন যদি কেউ এক চিল্লা দিয়া দিতে পারে তাহেলইতো কেল্লা ফতে। অথচ আমি আমি অনেকবার চিল্লা দেয়া পলাশ নামক এলাকার একজনকে চিনি যে অহরহ চুরি করে (এমনকি সৌদি আরবে ও দুবাইতে প্রবাসকালীন সময়েও চুরি করে দেশে ফিরেছে)। চরম নেশাখোর, ব্যাভিচারী(এমনকি দুবাইতে থাকাবস্থাতেও এই কাজ করতো)। এইসকল পাপকাজকে কোন পাপ বলেও মনে করে বলে মনে হয়না, কারন গর্বের সাথে সব বলে। যখনই বেশী নেশাগ্রস্থ হয়ে যায় তখনই তাবলীগে চিল্লা দেয়। কিন্তু তার মধ্যে কোন পরিবর্তন দেখিনা।
              যাই হোক, একমাত্র আল্লাহপাক বিশেষ রহমতের মাধ্যমে বিভাজন মিটিয়ে না দিলে এইসব বিভাজন মিটার কোন লক্ষন দেখা যাচ্ছেনা বরং দিনদিন বিভাজন বাড়ছেতো বাড়ছেই।

    1. 3.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      @কিংশুক:
       
      “শিয়া, সুন্নির বিরোধের মাঝখানে সূযোগ পেয়ে সুফিরা শিয়া,ওয়াহাবী উভয়কেই কাফের বলে, উনারা সাহাবীদের প্রতি ভালোবাসা+নবী পরিবারের প্রতি আনুগত্য উভয়টা দিয়ে নিজেদেরকে সঠিক মনে করে।”-কিংশুক
       
      Where do you find Sufi says, kafir as Shai and Follower of Abdul Wahab ? 
       

  34. 2
    আবদুস সামাদ

    আপনার সাথে সহমত পোষণ করি। এর পরও আছে, কওমী খারেজি দেওবন্দী ইত্যাদী। আরও আছে পীর ভিত্তিক বিভাজন।

    1. 2.1
      ফরিদ আলম

      @আবদুস সামাদ: ধন্যবাদ আব্দুস সামাদ ভাই। ভালো থাকুন সবসময়।

  35. 1
    সত্তুক

    সুন্দর বিষয়ে লিখেছেন। মূলত, ইসলামে গোঁড়ামির জায়গা নেই, এতো মুক্তির ধর্ম, ইসলাম এসেছে, আমাদের ভার মুক্তি দিতে।
    তবে মনে রাখা জরুরি, ইমাম গন, অত্যন্ত মেধবি ছিলেন, তাদের জ্ঞানের রেখা অনেক উচ্চে ছিল, তারা হাদিস থেকে যে সুন্দর পন্থায় আমাদের ফিকাহর মত একটা শাস্ত্র দিয়েছেন, তাকে মানতে হবে, তবে ইমাম হানাফির ঐ কথাটা মনে রাখা চাই, যেই ইমাম হানাফির রেফারেন্স দিবেন, তার অবশ্যই জানা থাকতে হবে, ইমাম কোন টার্মস আর কন্ডিশনে সে রায় দিয়েছেন। কিভাবে তিনি তার রায় কে হাদিসের সাথে মিলিয়েছেন। আপাত দৃষ্টিতে হাদিস খুব মিঠা লাগলেও, যুগ যুগ ধরে হাদিসের মিস কোটিং অনেক ঝামেলা ও বিভেদ তৈরি করেছে, আর এর পুরো ভাগে আছে কিছু জ্ঞান পাপী আর হটকারি। আছে মুতাজিলাদের মত হট কারি। মনে রাখতে হবে, এটা একটা ভুল ধারনা যে বুখারি আর মুসলিমই সব হাদিস, না এতো হাদিসের অতি স্বল্প তম অংশ, হাজার হাজার হাদিস আছে, আর তাকে এনালাইসিসের জন্য এখোনে আছে অনেক মুহাদ্দেসে হাদিস এবং এখনো তৈরি হচ্ছে অনেক অনেক মুফতি। আমাদের তাদের কাছে যেতে হবে, যে কোন সমস্যার জন্য।
     
    এখানে বলে রাখা ভাল, আমি অনেক অনেক ইয়াং ছেলে পেলে দেখেছি, তারা ইমাম হানাফিকে নিয়ে হাস্যরস করে!!! তারা ভাবে বুখারিই সব হাদিস, খুব হলে সাথে আছে মুসলিম শরিফ। না, এ সত্য নয়। অবশ্যই ইমামদের রায়কে প্রথমে আমলে আনতে হবে, কোন সাংঘ্রসিক কিছু থাকলে মুফতির কাছে যেতে হবে। ২-১টা বঙ্গানুবাদ বুখারি ও মুসলিম পড়ে যারা ইমামদের গাল পারে, তারা দিক ভ্রান্ত হচ্ছে, এ ব্যপারে আরো আলাপের আশা রাখি। ভাল একটা টপিক নিয়ে পোস্ট দেয়ায় ধন্যবাদ।http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_bye.gif

Leave a Reply

Your email address will not be published.