«

»

Sep ০৬

রাসূল সাঃ এর কবর ও ইসলামী প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ

কিছুদিন আগে খবর বের হয়েছে রাসূল সাঃ এর কবর সরানো হবে। খবরটা ভুয়া বলেই আমার বিশ্বাস। কিন্তু খবরের কিছু বাস্তবতা আছে, যা নিয়ে আলোচনা না করলে, মানুষ অন্ধকারে থাকবে। The Independent খবর করেছে Mecca for the rich: Islam's holiest site 'turning into Vegas' ধরলাম খবরটি সঠিক নয়। তবুও আমি মনে করিয়ে দেই, মক্কা শহর হচ্ছে সেই শহর যে শহরে রাসূল সাঃ বড় হয়েছেন। রাসূল সাঃ মক্কার ধূলিকণাকেও চিনেন এবং মক্কার রাস্তা ঘাটও রাসূল সাঃ কে চিনে। মক্কা হচ্ছে রাসূল সাঃ তাঁর সাহাবীদের সৃতি চিহ্ন।

পৃথিবীর বিভিন্ন জাতি তাদের অতীতের স্মৃতিচিহ্ন ধরে রাখে।  এ জন্য বহু টাকা খরচ করে অতীতকে খুঁজে বেড়ায়। এই অতীত খুঁজার পিছনে রাজনৈতিক অর্থনীতিক সহ অনেক ধরনের কারণ আছে। যেমনঃ আমরা কি আমাদের মা-বাবার নাম না জানলেও কি এই পৃথিবীতে চলতে পারি না? হ্যাঁ পারি। কিন্তু মা-বাবাকে জানা থাকলে তা আমাদের একটা পরিচয় দেয়, যা আমাদের জন্য এক প্রকার শান্তির বাতাস। অতীতের স্মৃতিচিহ্ন মুসলিমদের যতটুকু আছে, তা আমাদের পূর্বের মুসলিমদের অবদান। তারা খুব কষ্ট করেই সংরক্ষণ করেছেন, এবং এগুলো সংরক্ষণের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছেন যখন অন্যরা মার-দাংগায় ব্যস্ত ছিল। এর চেয়ে কি দুঃখজনক হতে পারে, যে মাটি সাহাবীদের কান্নায় ভিজে ছিল, সে মাটির উপর আজ বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। হালাকু খান বাগদাদ আক্রমণ করে বাগদাদের বিশাল লাইব্রেরি ধ্বংস করে দিয়েছিল। কত হাজার ঐতিহাসিক প্রমাণ পত্রও এর সাথে হারিয়ে গিয়েছে। অধুনা বুশ কর্তৃক ইরাক আক্রমণে বাগদাদ মিউজিয়াম লুট হওয়ায় আরো ঐতিহাসিক প্রমাণ হারিয়েছে। যাইহোক, রাসূল সাঃ ও তাঁর সাহাবীদের সৃতিচিহ্ন ধরে রাখার গুরুত্ব নিচে উল্লেখ করছি-

  1. রাসূল সাঃ এর কবর যেখানে আছে সেখানেই থাকতে দিতে হবে। কারণ আমরা যদি রাসূল সা; এর কবর না চিনি, তখন অবিশ্বাসীরা বলবে, তোমাদের রাসূলের কবর কই? তারা বলবে "আসলে তোমরা মিথ্যা বলছ, সত্যি হল মুহাম্মদ সাঃ নামে কোন মানুষই পৃথিবীর বুকে হাটে নাই, যদি হেটেই থাকত, তাহলে তাঁর প্রমাণ কই? আমরা কত রাজা বাদসাদের পৃথিবীতে থাকার প্রমাণ পাই, কিন্তু মুহাম্মদ সাঃ এর মত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির কোন স্মৃতিচিহ্ন নাই?" আপনারা হয়ত জেনে থাকবেন, নাস্তিকরা বিশেষ করে ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকরা দাবী করে হযরত ঈসা আঃ পৃথিবীতে কখনই ছিলেন না এবং ঈসা আঃ এর পুরো কাহিনী মিথ ছাড়া কিছুই নয়।
  2.  রাসূল সাঃ এর বাড়ি ঘর, সাহাবীদের গুরুত্ব পূর্ণ বাড়ি ঘর ও আলোচনার স্থান সংরক্ষণ করতে হবে। কারণে এতে প্রমাণ থাকবে যে ঐ সাহাবীরা পৃথিবীতে একসময় হেঁটেছেন। এক আরব অবিশ্বাসী বাক্যটির সাথে আলোচনার সময় আমাকে ঐ ব্যক্তি বলেছিল, আবু হুরাইয়া রা; নামে কোন মানুষই নাকি ছিল না।  তাদের কৌশল হল, প্রথমে নিজেদের পছন্দ মত কিছু শব্দ বানাবে, এবং ঐ সব শব্দের কিছু সংজ্ঞা তৈরি করবে। ঐ সংজ্ঞার আলোকে তারা ইসলামকে আক্রমণ করবে। পরাস্ত হয়ে, অমুকের অস্তিত্ব ছিল না, অমুক ছিলই না, ইত্যাদি দাবী করবে। 

তাছাড়া, রাসূল সাঃ এর কবরে হাত দেওয়া এক বড় ধরনের বেয়াদবি। (বিঃদ্রঃ আবার আমার বিরুদ্ধে ফতোয়া দিয়েন না, যে আমি বলেছি, হাত দিয়ে স্পর্শ করাই বেয়াদবি, আমার বাক্যের অর্থ হল, কবর এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নেওয়া, বা নাড়াচাড়া জাতিয় কিছু করা)

আরো কিছু বিবেচ্য বিষয়ঃ

  • মাজার ভাঙ্গা মুসলিমদের মধ্যে এক নতুন সংস্কৃতিতে পরিণীত হয়েছে। এই কালচার যারা প্রয়োগ করেন, তারা বিদআতের কথা বেশী বেশী বলেন। বিদআত হল ধর্মের মধ্যে নতুন সৃষ্টি যা ধর্মে ছিলনা। কথা হচ্ছে এই যে মাজার ভাঙ্গার সংস্কৃতি সেটা কি নতুন নয়? তাহলে এই নতুন সংস্কৃতি নিজেই বিদআত বলে প্রতীয়মান হয় কি? আসলে কোনটি বিদআত কোনটি বিদআত নয় তা ভাল করে বুঝে শুনে বলতে হবে। কোনটা বিদআত সেটা এই পোস্টের বিবেচ্য বিষয় নয়।
  • কিছুদিন আগে হযরত ইউনুস আঃ এর মাজার গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাক্যটি বলেন “But the worst destruction was of Nabi Yunus, which has been turned to dust,” he said, according to AFP. এবং বাইবেলে বর্ণিত নবী ড্যানিয়েলের মাজারও ধ্বংস করা হয়েছে।  এগুলো কেন করা হয়েছে? মাজার পূজার ভয়ে। মাজার যারা পূজা করে, তারা মাজার না থাকলে অন্য কিছুর যে পূজা করবে না, তার প্রমাণ কি? আসল কথা হচ্ছে মাজার পূজা বন্ধ করতে হলে মানুষকে শিক্ষিত করতে হবে। মাজার ভেঙ্গে কোন লাভ হবে না। কারণ মাজার পূজারিরা যে সংঘটিত হয়ে নিকট আরেক দিন আবার নতুন করে মাজার বানিয়ে মাজার পূজা শুরু করবে না, তার প্রমাণ কি? সমস্যা যেখানে, সমাধান সেখানেই করতে হবে, আর সমস্যা হচ্ছে শিক্ষায়

মাথায় ব্যথা থাকলে, মাথা ব্যথার ঔষধ দিতে হবে, মাথাটা কেটে ফেলার যুক্তি দিলে হবে না। অনেক প্রাচীন মসজিদ, মাদ্রাসা মাজারে খোদাই করা কোরানের আয়াত আছে, এবং বিভিন্ন বক্তব্য এবং দলিল আছে, যা আমাদের জন্য খুবই দরকারি। যেমনঃ কোন মসজিদের লিখা আছে অত হিজরি, তাহলে বুঝা গেল ঐ সালে মুসলিমরা সেখানে ছিল, যদি কোন হাদিসের বক্তব্য লিখা থাকল, তাহলে বুঝা গেল ঐ হাদিস তারা জানত। কেউ যদি পৃথিবীর সকল আলীম এবং মুসলিমদের নিয়ে কোন গ্রহণযোগ্য ঐকমতের ভিত্তিতে ফতোয়া তৈরি করতেন যে এই এই বিষয় গুলি আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে, যেকোনো মূল্যে, তাহলে অনেক ভাল হত। 

১৩ comments

Skip to comment form

  1. 6
    সমালোচক

    খবরটা ভুয়া না বলে বরঞ্চ কিঞ্চিত বিকৃত বললে এর প্রতি সুবিচার করা হবে । নীচে দেয়া লিংকে একটি বিশদ ব্যবচ্ছেদী লেখা আছে । সেটি পড়ুন এবং সাথে মন্তব্যগুলো-ও পড়ুন । অনেক কিছু জানতে পারবেন ।

    মাজার, শিরক নিয়ে ওয়াহহাবীদের যে অতিরিক্ত এলার্জি আছে তা সবার জানা আছে !

    কথায় আছে -- "যাহা ঘটে তাহা কিছু না কিছু বটে" । ধন্যবাদ ।

    Of Tombs, Discord, and Manufactured Journalism-The Reality Behind the Independent Article on the Prophet’s Grave

    http://muslimmatters.org/2014/09/03/of-tombs-madinah-and-manufactured-journalism-the-reality-behind-the-independent-article-on-the-prophets-grave/

     

  2. 5
    রাসেল ইউসুফী

    //রাসূল সাঃ এর কবর যেখানে আছে সেখানেই থাকতে দিতে হবে। কারণ আমরা যদি রাসূল সা; এর কবর না চিনি, তখন অবিশ্বাসীরা বলবে, তোমাদের রাসূলের কবর কই? তারা বলবে "আসলে তোমরা মিথ্যা বলছ, সত্যি হল মুহাম্মদ সাঃ নামে কোন মানুষই পৃথিবীর বুকে হাটে নাই, যদি হেটেই থাকত, তাহলে তাঁর প্রমাণ কই? // সহমত। তবে পত্রিকায় পড়েছি সৌদি কর্তৃপক্ষ খবরটি অস্বীকার করেছে!

    1. 5.1
      ফাতমী

      @রাসেল ইউসুফী,

      ভাই খবরটাকে ভুয়া ধরেই বক্তব্য দিয়েছি। প্রথমেই উল্লেখ করেছি। আমি গুরুত্বপূর্ন বিষয়গুলি তুলে ধরেছি। ধন্যবাদ।

  3. 4
    মুনিম সিদ্দিকী

    সহমত।

    1. 4.1
      মাহফুজ

      ধন্যবাদ ভাই,
      এ ব্যাপারে সবারই সহমত হওয়া চাই

  4. 3
    মাহফুজ

    //ইসলামী হেরিটেজ ফাউন্ডেশন বলছে, গ্র্যান্ড মসজিদের এ সম্প্রসারণের মাঝে আমাদের প্রিয় নবী মোহাম্মদ (স:) যেখানে জন্মগ্রহণ করেন সে স্থান তাঁর পৈতৃক স্থান, চাচা হামজা যেখানে বড় হয়েছেন সে স্মৃতি সে ঘরবাড়ি এবং পুরানো অটোমান এবং আব্বাসী শাসন আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন সহ ঐতিহাসিক সাইটের একটি তালিকা কম্পাইল করেছেন যা ঝুঁকিতে পড়েছে মক্কার চলমান উন্নয়নে।//

    ইসলামী হেরিটেজ ফাউন্ডেশন এর বক্তব্যে পিতৃতন্ত্রবাদের যে অভিপ্রায় ফুটে উঠেছে, বিশ্বমানবতার মুক্তিদূত আল্লাহর প্রেরিত রাসূল ও শেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সোঃ) সেরূপ সংকীর্ণতা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত। তার রওজা মোবারক নিয়ে যে কোন ধরনের দূরভিসন্ধি অবশ্যই রুখতে হবে। তবে শিরকের প্রশ্নে কোন গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপ নেয়া হলে তা বাস্তবায়ন করায় কোন বাধা নেই। কারণ ইসলামে শিরক সবচেয়ে বড় অপরাধ। যা নির্মূল করার ম্যাণ্ডেট নিয়েই রাসূল (সাঃ) তার জীবনাদর্শ বাস্তবায়ন করার মহৎ কর্ম শুরু করেন এবং সফলকাম হন। কিন্তু তাই বলে জন্মস্থান কিংবা পিতৃতন্ত্রের দোহাই তুলে কিংবা ঐতিহাসিক নিদর্শন সংরক্ষণের নামে পবিত্র রওজা মোবারক স্থানান্তর করার বিষয়টি মোটেই সমর্থন করা যায় না। আমি মনে করি, একবার মহান আল্লাহর ইচ্ছায় তার প্রিয় হাবিব রাসূল (সাঃ) এর রওজা মোবারক একবার যেখানে স্থাপিত হয়েছে, সেখান থেকে স্থানান্তর না করেও এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে।

    1. 3.1
      ফাতমী

      @মাহফুজ,

      আপনার কথার কোন সামগ্রিক অর্থ পাচ্ছি না, মনে হচ্ছে আপনি আমার লেখাটা পড়েন নাই।

      1. 3.1.1
        মাহফুজ

        @ ফাতমী,
        ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ কোরে অনেক যুক্তিপূর্ণ কথাই আপনি বলতে চেয়েছেন। আমি তারই সাথে সূর মিলিয়েছি মাত্র। আমার কথার মাঝে আপনি কোন দ্বন্দ্ব পেয়েছেন কি?

        1. 3.1.1.1
          ফাতমী

          আমার মনে হয় আপনি মহিউদ্দিন ভাইয়ের কমেন্টের উপর মন্তব্য করেছেন। আমার পোস্টে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য, এটা হলেই পোস্টটি সাকসেসফুল।

  5. 2
    Shahriar

    Thanks for sharing.

    1. 2.1
      ফাতমী

      ধন্যবাদ।

  6. 1
    মহিউদ্দিন

    বিগত ১০ বছর ধরে ইসলামের প্রাণ কেন্দ্র মক্কা শহরের বিশাল রূপান্তর ঘটেছে, যার ফলে  মুসলিম বিশ্বের প্রাণ কেন্দ্র এবং নবী রাসুলের বিশেষকরে মোহাম্মদ (স:) জীবনের অনেক স্মৃতিবিজড়িত স্থানের এক সময়ের ধূলিমলিন মরুভূমির এ শহরটিতে  এখন শহর গড়ে উঠেছে অসংখ্য উঁচু তলার বাড়ির, শপিং মল এবং বিলাসবহুল  হোটেল যার দিকে তাকালে অনেকের কাছে মনে হয় আমেরিকার "লস ভেগাস" শহরের মত। সে শহরও মক্কার মত মরুভূমিতে এবং আশপাশে পাহাড় আছে। শুনা কথা রাজপুত্রেরা প্রায়ই সেখানে ভ্রমনে যান। তবে তফাৎ হচ্ছে লস ভেগাসকে বলা হয় "সিন সিটি বা পাপের শহর" আর মক্কা হচ্ছে বিশ্বের পবিত্র শহর ও পুণ্যের শহর।

    চার লক্ষ বর্গ মিটার উন্নয়ন সম্প্রসারণ নির্মিত হচ্ছে  প্রতি বছরের অতিরিক্ত ১ মিলিয়ন দুই লাখ হাজীদের বাসস্থানের জাগান দিতে এবং বিশ্বের বৃহত্তম ধর্মীয় স্থাপনা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হবে কাবার হেরেম শরিফ ব্যষ্টিত এ গ্র্যান্ড মসজিদ।  কিন্তু ইসলামী হেরিটেজ ফাউন্ডেশন বলছে গ্র্যান্ড মসজিদের এ সম্প্রসারণের মাঝে আমাদের প্রিয় নবী মোহাম্মদ (স:) যেখানে জন্মগ্রহণ করেন সে স্থান তাঁর পৈতৃক স্থান, চাচা হামজা যেখানে বড় হয়েছেন সে স্মৃতি সে ঘরবাড়ি এবং পুরানো অটোমান এবং আব্বাসী শাসন আমলের ঐতিহাসিক নিদর্শন সহ ঐতিহাসিক সাইটের একটি তালিকা কম্পাইল করেছেন যা ঝুঁকিতে পড়েছে মক্কার চলমান উন্নয়নে।

    প্রতি বছর প্রায় বারো মিলিয়ন তীর্থযাত্রী মক্কা মদিনা পরিদর্শন করেন যা ২০২৫ সাল নাগাদ ১৭ মিলিয়নে পৌঁছাবে বলে হিসাব করা হচ্ছে। আধুনিক বিশ্বের মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে হজ যাত্রীর সংখ্যাও বাড়ছে প্রচুর প্রতি বছরে বার্ষিক হজে আসা অধিক সংখ্যক মুসলিমদের তথা হাজিদের  বাসস্থানের স্থান সংকুলান করতে শহরের উন্নয়ন অপরিহার্য। যে ভাবে হাজীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে মক্কা এবং মদিনার অবকাঠামো উন্নয়নের যে প্রয়োজন এতে কোন দ্বিমত নাই। কিন্তু এ উদ্দেশ্য হাসিলে যেভাবে সৌদি রাজ পরিবার মক্কা নগরের ঐতিহাসিক বিভিন্ন নিদর্শনকে ধ্বংস করে পুরা উপত্যকা একটি ইস্পাত ও কংক্রিট  শহরে রূপান্তর করে যাচ্ছে তাতে অনেকেই আপত্তি করছেন।  আল সৌদ রাজতন্ত্র ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বিরাট তেল সম্পদের আয় বিনিয়োগ করে আরো অধিক অর্থ উপার্জনের উদ্দেশ্য পুরা মক্কাকে কংক্রিট মহানগরীকে নির্মিত করাই হচ্ছে তাদের ভবিষ্যতের লক্ষ্য আর সে জন্য মক্কার ঐতিহাসিক নিদর্শন সহ প্রাকৃতিক ভূদৃশ্যকে মুছে ফেলতে তারা এগিয়ে চলছে এতে তাদের সহযোগী পেয়েছে এক ধরনের সালাফি আলেমদেরকে যারা মনে করেন ঐতিহাসিক নিদর্শন মুছে দিলেই ভাল কারণ তাতে শিরকের সম্ভাবনা থাকবেনা। ওয়াশিংটন ভিত্তিক গালফ ইন্সটিটিউটের তথ্য অনুসারে কেবল গত গত দুই দশকের মধ্যে মক্কার শত বছরের ঐতিহাসিক বিল্ডিং এর ৯৫% ধংস করে দেয়া হয়েছে।  

    সুত্র:

    1. 1.1
      ফাতমী

      @মহিউদ্দিন,

      ভাই, আপনার মন্তব্য ও সংযোজনের জন্য অনেক ধন্যবাদ। লেখাটা আপনার মন্তব্যের দ্বারা পরিপূর্নতা পেল। যাইহোক, জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে মক্কা নগরীর উন্নয়ন করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু সেই ক্ষেত্রেও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন গুলি সংরক্ষন করেই কাজ করতে হবে। আমাদের পৃথিবীতে ঝানু ঝানু আর্কিটেকট আছেন, তারা এ ব্যাপারে অসাধারণ ডিজাইন নিয়ে আসতে পারবেন। দরকার হল ইচ্ছা, যেটা মতবাদের কারণে চাপা পরে যাবার সম্ভাবনা দেখেই আমি ভীত। সবার বিষয়গুলি বুঝা উচিত। আমি মাত্র দুইটা পয়েন্টে পুরো-আসংকা ক্লিয়ার করেছি। এটা খুবই সহজ বিষয়।

      মহান আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন। আমিন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.