«

»

Oct ০২

আমি ভীত

ইমাম বুখারি কিছু হাদিসকে সহী বলে গেছেন, এর পর ইমাম মুসলিম, এভাবে একে একে কিতাব এসেছে। এখন দেখি নতুন নতুন ইমাম (তারাও আবার তিন চার শ বছর আগের মানুষ আবার নিকট বর্তমানের মানুষও আছেন) তারাও নতুন নতুন সহী হাদিস বের করছেন এবং এমন বইয়ের নাম লিখছেন যা জীবনে শুনি নাই। এভাবে সহী হাদিসের তালিকা শুধু বেড়েই চলেছে। এভাবে বাড়তে থাকলে এক সময় দেখা যাবে সকল হাসান জইফ হাদিসই সহী হয়েগেছে কাউরো না কাউরো বর্ননায়।

নামাজের মধ্যে যে দুরুদ শরীফ পরি, সারা জীবন জেনে আসলাম দুরুদের অর্থ হলঃ  হে আল্লাহ! মোহাম্মদ (দঃ) এর উপর ও তাঁর বংশধরের উপর আশীর্বাদ পাঠাও, যেমন আশীর্বাদ ইব্রাহীম (আঃ) ও তাঁর বংশধরের উপর পাঠিয়েছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও জ্ঞানী। হে আল্লাহ! মোহাম্মদ (দঃ) এর উপর ও তাঁর বংশধরের উপর বরকত পাঠাও, যেমন বরকত ইব্রাহীম (আঃ) ও তাঁহার বংশধরের উপর পাঠিয়েছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও জ্ঞানী।

কিন্তু এখন আধুনিক কিছু বইয়ে অর্থ করা হয়ঃ হে আল্লাহ! মোহাম্মদ (দঃ) এর উপর ও অনুসারীদের উপর আশীর্বাদ পাঠাও, যেমন আশীর্বাদ ইব্রাহীম (আঃ) ও অনুসারীদের উপর পাঠিয়েছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও জ্ঞানী। হে আল্লাহ! মোহাম্মদ (দঃ) এর উপর ও অনুসারীদের উপর বরকত পাঠাও, যেমন বরকত ইব্রাহীম (আঃ) ও অনুসারীদের উপর পাঠিয়েছিলে। নিশ্চয়ই তুমি প্রশংসনীয় ও জ্ঞানী।

এখানে "বংশধরের" পরিবর্তে "অনুসারী" এসেছে। প্রথম অনুবাদটি পাওয়া যায় উপমহাদেশীয় বই গুলিতে এবং মাহজাবী বইগুলিতে, দ্বীতিয় অনুবাদটি পাওয়া যায় (আমার সৃতিতে যতটুকু মনে আছে) সালাফী-আহলে হাদিস ও সৌদি বইগুলিতে। আমি বলতেছিনা নিচের অনুবাদ সঠিক, উপরেরটি ভুল, আমি এও বলছিনা নিচেরটা ভুল উপরেরটি সঠিক।

বরং আমি অনৈতিকতার ভয় করছি। অনুবাদকের নৈতিকতা বলে একটা বিষয় আছে। অনেক দেশে অনুবাদকদের একটা পরিক্ষা হয় এবং সেই পরিক্ষা অবশ্যই ইথিকস বা নৈতিকতায় পাশ করতে হয়। না হলে, যত ভাল অনুবাদকই হন, আপনি ফেইল।  মতবাদের সাফল্যের জন্য অনুবাদের এদিক সেদিক করা হলে, আরবি ভাষার শব্দগুলিকেও এদিক সেদিক করা হলে, মুসলিমদের কপালে দুঃখই আছে।  কারণ অলরেডি ১৪শ বছর হয়ে গেছে।

ভয়ের কারণঃ পানি শব্দের অর্থ যে পানি বা জল, সেটা আপনি কিভাবে জানলেন? কেউ শিখিয়েছে। যদি সে এলাকার মানুষ আপনাকে শিখায়, পানি মানে তেল? তখন আপনি তেলকেই পানি বুঝবেন।

 

বিদ্রঃ আমি বলছিনা অনুবাদ ভুল, এবং কোন প্রকার কোন কিছুই বাতিল করছি না। বরং পাঠকদের বুঝার জন্য সতর্কতা বাড়ানোর কথা বলছি। ভিন্ন ভাষা থেকে কোন কিছু অনুবাদ করার সময় একেক অনুবাদক একেক বিষয় প্রাধান্য দেবার ফলে অনুবাদেও ভিন্নতা আসে। সেটা স্বাভাবিক।

১১ comments

Skip to comment form

  1. 6
    সাদাত

    আপনি একটু পড়াশোনা করে আমাকে জানান তো:

    ১. সহিহ হাদিস কাকে বলে?

    ২. হাসান হাদিস কাকে বলে?

    ৩. জঈফ হাদিস  কাকে বলে?

    1. 6.1
      ফাতমী

      সাদাত ভাই,

       

      আপনার এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে বিরাট বই লিখতে হবে। এ জটিল ব্যাপারগুলি আপনিও জানেন। সংক্ষিপ্তভাবে বলা যায়

      -"যদি কোন হাদিসের সকল বর্ননাকারি একজনের পর একজন হয়ে যে লাইন হয়, সেই লাইন অনুযায়ী সকলেই যদি বিশ্বস্থ হন, তাহলে তাকে সহী হাদিস বলা হয়"

      -"লাইনে যদি একটি বা কয়েকটি গ্যাপ থাকে কিন্তু সকল বর্ননাকারীই বিশ্বস্থ তাহলে তা হাসান হাদিসে পরিনত হতে পারে অথবা লাইনে গ্যাপ নাই কিন্তু লাইনে এমন কেউ এক বা কয়েকজন আছেন যাকে যাদের বর্ননা ঠিক সেভাবে গ্রহনযোগ্য বলা যায় না, তাহলেও সেটা হাসান হাদিসে পরিনত হতে পারে"

      -"লাইন যদি প্রকৃতপক্ষেই ব্রোকেন হয়, এবং তা যদি পুরো একটা জেনারেশন কাভার করে, তাহলে তা জঈফ হাদিসে পরিনত হতে পারে"

      -"লাইনে যদি হাদিস জাল করেন এমন প্রমানিত ব্যাক্তি থাকেন, এবং আরো বাকি সংখ্যাক ট্রেডিশনের বিরুদ্ধে যদি ঐ হাদিস থাকে, তাহলে সেটা জাল হাদিস বলে বিবেচিত হতে পারে।"

       

      এই সব গুলি বিষয় আপেক্ষিক, কারণ এগুলো হাদিসের বইয়ের লেখকের উপর নির্ভর করে। তিনিই কোন নিতিমালা অনুসরন করবেন। নিচে হাদিসের বই যা আমি পড়ে থাকি, আপনি চেক করে দেখতে পারেন যদি বইয়ে কোন ভুল থাকে: http://www.islamic-awareness.org/Hadith/Ulum/

      আমার ব্যাক্তিগত নিতিমালাঃ আল্লাহ পাক আমাকে যেন ক্ষমা করুন যদি আমার ভুল থাকে, কিন্তু গুরু বা অথিরিটি ভিত্তিক (ওমুকে বলেছেন সঠিক বিধায় সঠিক) নিয়ম আমার কাছে সঠিক বলে অনুভুতি হয় না। একটা বিষয় যে কারণে সহী, সেটা আমাকেও বুঝতে হবে ঐ কারণে সহী।

  2. 5
    মুহাম্মদ হাসান

    ভয় করবেননা ভাই কারন সত্যটা কখনোই হারাবে না এটা আল্লাহর ওয়াদা । তবে আপনাকে আমাকে হয়ত একটু কস্ট করে খুজে বের করে নিতে হবে । আর দরুদের ব্যাপারে কোন মন্তব্য করতে পারছিনা তবে আরবিতে কয়েক ধরনের দরুদ আছে যার অর্থ একটার থেকে আরেকটা একটু আলাদা । ভাল হত যদি আপনার কাছে রেফারেন্সটা থাকলে । দেখি সময় পেলে খুজে দেখব ইনাশা আল্লাহ ।

    1. 5.1
      ফাতমী

      আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমিও আসলে তাই মনে করি।

  3. 4
    মুহাম্মদ হাসান

    ফাতমী ভাই, আপনি শুরুতে বলেছেন “এখন দেখি নতুন নতুন ইমাম (তারাও আবার তিন চার শ বছর আগের মানুষ আবার নিকট বর্তমানের মানুষও আছেন) তারাও নতুন নতুন সহী হাদিস বের করছেন এবং এমন বইয়ের নাম লিখছেন যা জীবনে শুনি নাই। এভাবে সহী হাদিসের তালিকা শুধু বেড়েই চলেছে। এভাবে বাড়তে থাকলে এক সময় দেখা যাবে সকল হাসান জইফ হাদিসই সহী হয়েগেছে কাউরো না কাউরো বর্ননায়”

    দয়াকরে এর একটি উদাহরণ দিলে আমরাও সাবধান হতে পারতাম । আর দরুদের অর্থটি কোন বই থেকে নিয়েছেন সেটার রেফারেন্স দিলে ভাল হত।

    1. 4.1
      ফাতমী

      -যেমন অনেকেই উদাহারণ (আমি নিজে সহ) দেন, আলবানী বলেছেন সহী। আগের আলীমরা অনেক হাদিসকে সহী বলে গেছেন, এখন আলবানী বলেছেন। ভবিষতে আরো কেউ বলবে। তখন সহী হাদিসের ছড়াছড়ি হয়ে যেতে পারে। সেই ভয় কর ছিলাম। (বুখারি ও মুসলিম তারা অনেক হাদিস জানতেন। যেগুলো এখন সহী বলা হচ্ছে সেগুলোও হয়ত তারা জানতেন। কোন বিশেষ কারনেই তারা ঐগুলোকে সহী বলেননি) ইমাম বুখারি (রঃ), ইমাম মুসলিম (রঃ) তারা আমার জানামতে হাদিসের আমিরুল মুমেনিন, হাদিস বিশেষজ্ঞদের সর্ব্বোচ্চ স্থরে। তাদের চক্ষু ফাকি দিয়ে অন্য হাদিস গুলি পরে রইল, সেটা ভাবতে পারছি না। এর মানে এই নয়, আলবানী (রঃ) বা অন্য হাদিস বিশেষজ্ঞরা ভুল করছেন। জাস্ট একটা ভয়। আমার ভয়টা সঠিক নাও হতে পারে। 

       

      -দূরুদের অর্থটা নিয়ে ছিলাম সৌদি থেকে প্রকাশিত একটা বই থেকে। হজ্জের সময় বিনা মূল্যে দেওয়া হত, যেটা আমার দাদা হজ থেকে ফিরার পর সাথে এনে ছিলেন। আমি আমার মেমরি থেকে লিখেছি। সাক্ষাত মুখস্থ নেই। কিন্তু বংশধরের স্থানে যে অনুসারী ছিল সেটা মনে আছে। বাকি অংশে আমার নিজের ভুল থাকতে পারে, কিছুটা অন্য রকম হতে পারে।

       

      -এখানে শুধু আমার ভয়ের কথা উল্লেখ করার জন্য করেছি। আমি দাবী করছি না ভুল, অথবা অনুবাদ ভুল।

       

      -আপনি আমার আগের পোস্টা দেখলে বুঝতে পারবেন। আমি বিভিন্ন মুসলিম দলের মধ্যে পার্থক্য আর কেন সমস্যা সেটা নিয়ে চিন্তা করতে ছিলাম। তখনই আবিষ্কার করলাম, শিয়াদের এক প্রকার অনুবাদ সাহিত্য আছে, সালাফিদের আরেক প্রকার আছে, আবার ট্রেডিশনাল আরেক প্রাকার আছে। তখনই মনের মধ্যে একটা ভয় উকি দিল, আমরা কি ইসলামের নামে কিছু মানুষের রাজনিতিক সাহিত্য পড়তেছি?

       

      এটা সরল মনের একটা ভয় মাত্র। আল্লাহ পাক আমাদের রক্ষা করুন-আমিন।

  4. 3
    মুনিম সিদ্দিকী

    যে ভাবে নামের আগে সৈয়দ ব্যবহার করে অনেকেই ইসলামের বিরুদ্ধে আবস্থান গ্রহণ করে চলছেন তা দেখলেই অবশ্য মনে প্রশ্ন আসবে যে, আমরা যে দৈনন্দিন দুরুদ এবং সালাম পাঠ করে আসছি তা কাদের জন্য? ইসলাম নিছক একটি আঁচার প্রথামূলক ধর্ম নয়। আর মুসলিম একটি জাতিও নয়। ইসলাম একটি বিশেষ আন্দোলনের দল বা জামাত।  এই জামাতের প্রতিষ্ঠাতা আদম আঃ এই জামাতকে সুসংগঠিত নীতিমালায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইব্রাহিম আঃ এবং এই জামাতের পরিপূর্ণ ভাবে বাস্তবায়ন করেছেন রাসুল সাঃ তিনি এই জামাতের ইমাম। এই জামাতের সদস্যকে মুসলিম বলে।  লজিক্যালি বিশ্বের সকল অঞ্চল এবং ভাষাভাষী মানুষ এক জাতি বলে পরিচিত হতে পারেনা, তবে বিশ্বের সকল মানুষ ভাষা, আঞ্চলিকতা, গোত্র দ্বারা বিভাজিত থেকেও আদর্শ ভিত্তিক একটি দল বা জামাতের সদস্য বা মুসলিম হতে পারে। ইসলামও তেমন একটি বিজ্ঞানভিত্তিক জামাত। সৈনিকেরা যেমন করে একটি দেশের প্রতি বশ্যতা স্বীকার করে সৈনিক জীবনের সকল শর্ত পালন করে চলতে পারলেই সে সেনাবাহিনীর সদস্য বলে স্বীকৃতি পায় তেমন করে যিনি ইসলামি জামাতের সদস্য যিনি নিজকে মুসলিম বলে পরিচিতি দিবেন এবং  ইসলামী জামাতের সকল শর্ত মেনে নিতে বাধ্য থাকবেন। যারা এই জামাত থেকে বের হয়ে যাবেন, তারা বায়োলজিক্যালী আওলাদে রাসুল সাঃ হলেও তারা আমাদের দৈনন্দিন সালাম এবং দরুদের অংশীদার হবার যোগ্যতা রাখেননা।

    আওলাদ বলতে অনুসারী বুঝায় না কিন্তু অনুসারী বলতে আওলাদ বুঝতে পারে। কাজেই আমার কাছে আওলাদ বা পরিবারী সদস্য উল্লেখের পরিবর্তে অনুসারী উল্লেখকে যথার্থ বলেই মনে হয়। ধন্যবাদ।

    1. 3.1
      ফাতমী

      -যদি ব্রেকেটে বংশধর শব্দটাকে ব্যাক্ষা করে বলা হয়, বংশধর মানে আধ্যাতিক বংশধর বা অনুসারী, তাহলেই হয়ে যায়। আলাদাভাবে অনুসারী শব্দ দ্বারা রিপ্লেস করার দরকার পরে না। এত বেশী অনুবাদ মানুষের মুখে বংশধর শব্দটা শুনেছি যে, এবং ইংরেজি অনুবাদেও ফ্যামেলি অথবা পরিবার শব্দটা থাকায়, "O Allah, let Your Blessings come upon Muhammad and the family of Muhammad, as you have blessed Ibrahim and his family. Truly, You are Praiseworthy and Glorious. Allah, bless Muhammad and the family of Muhammad, as you have blessed Ibrahim and his family. Truly, You are Praiseworthy and Glorious". বলছিলাম যদি অনুসারী শব্দের ডাইরেক্ট আরবি যদি দূরূদে না থাকে, তাহলে অনুসারী বলে অনুবাদ করাটা উচিত নয়। তারপরও অনুবাদক যদি অনুবাদের স্বার্থে কিছু করে থাকেন তাহলে ঠিক আছে। অন্য কোন কারণে করলে ঠিক নেই। আপনি যেভাবে বলেছেন সেই যুক্তিতে করে থাকলে, তাহা সঠিক হবার সম্ভাবনাই বেশী।

      -আমার ভয়টা হচ্ছে এখানে, সালাফী এবং শিয়াদের মধ্যে সাপে নেউলের সম্পর্ক। আমরা জানি শিয়ারা রাসূল সাঃ এর বংশধরকে অনেক সম্মান বেশী করে। সেইজন্য যদি ইচ্ছা করেই তাদের নাম কোরান হাদিস থেকে সরানোর চেষ্টা করা হয়, তাহলেই সেটা রাজনিতিক মেটিভেটিক কাজ বলে প্রতিয়মান হবে।

      -শিয়াদের আলাদা সাহিত্য বা অনুবাদ আছে, তাদের অনুবাদ দেখলে দেখবেন আমাদের অনুবাদের চেয়ে ভিন্ন। ভিন্ন হলে কোন সমস্যা নেই হতেই পারে। কিন্তু সেটা যেন অনুবাদের খাতিরে হয়, অন্যকোন উদ্দোশ্যে নয়। ভয়টা আমার সেখানেই।

      জানি না, বুঝাতে পারলাম কি না।

       

  5. 2
    করতোয়া

    আমি বিশ্বাস করি যে ২য় অর্থটা ভুল এবং কোন ধরনের মোটিভেশনের তাগিতে করা। কারন আমরা যদি পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন আয়াতের প্রতি লক্ষ্য করি যেগুলোতে আল্লাহ সোবহানা তালা যখন সয়ং তাঁর রসুল ও নবীদের প্রতি প্রশংসা বা সালাম প্রদান করেছেন সেখানে তিনি সরাসরি তা সংশ্লিষ্ঠ রসুল বা নবীদের প্রতিই করেছেন কোন সাহাবা বা অনুসারীদের প্রতি করেননি। যদি কখনও কোন রসুল বা নবীদের অনুসারীদের প্রতি সালাম বা শান্তি বর্ষনের প্রয়োজন আল্লাহ সোবহানা তালা অনুভব করেছেন তখন তিনি তাঁর রসুল বা নবীকে নির্দেশ দিয়েছেন যেন রসুল বা নবী তার অনুসারীদের জন্য আল্লাহ'র কাছে দোয়া করেন।

    আর যে দরুদ আমরা নামাজে পড়ে থাকি তা কেবল আমাদের রসুল মোহাম্মদ (সাঃ) এবং ইব্রাহিম (আহঃ) উপর শান্তি বর্ষনের জন্য বা সালাম প্রদানের জন্যই পড়ে থাকি দোয়া স্বরুপ যা আল্লাহ-ই আমাদের জন্য কোরআনের মাধ্যমে নির্দেশ করেছেন বলে আমি যতটুকু জেনেছি।

    কাজেই আমার বিশ্বাস ১ম অনুবাদ-ই সঠিক ২য়টি নয়। আর যদি তা সালাফি বা নানা ধরনের তরিকা অনুসরনকারীদের অনুবাদিত হয় তবে তো কথাই নাই যে সেই অনুবাদ আল্লাহ'র হুকমত বহির্ভুত কোন মোটিভেশনাল পারপাস।

    1. 2.1
      ফাতমী

      -হতে পারে, নাও হতে পারে। অনুবাদক যদি অনুবাদের স্বার্থে কিছু করে থাকেন তাহলে ঠিক আছে। তবে মেটিভেশনার হলে ঠিক নাই।

  6. 1
    shahriar

    thanks.

Leave a Reply

Your email address will not be published.