«

»

Feb ২৬

যুক্তি দিয়ে কি ইসলাম বুঝোতে যাওয়া উচিত নয়?

দাবীঃ যুক্তি দিয়ে ইসলাম বুঝোতে যাওয়া উচিত নয়।

প্রশ্ন ১ঃ তাহলে যুক্তি দিয়ে কেন বলা হয়, "একের অধিক ইলাহ(ঈশ্বর) সম্ভব নয়"? আল কোরানে বলা হয়েছে "যদি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য থাকত, তবে উভয়ের ধ্বংস হয়ে যেত"-সূরা আম্বিয়া আয়াত ২২।
প্রশ্ন ২ঃ তাহলে অন্য ধর্ম মানতে অসুবিধা কোথায়? যুক্তি ফেলে দিলে, যেকোন ধর্মই সঠিক হয়ে সামনে আসবে।

 

অনুসিদ্ধান্তঃ ধর্মকে যুক্তি দিয়েই বুঝোতে হবে, এবং সত্য মিথ্যার পার্থক্য তৈরি করেই, ইসলামকে সত্য প্রমাণিত হয়ে আসতে হবে। যারা বলে থাকেন, ইসলামকে যুক্তি দিয়ে বুঝা উচিত নয়, তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক ব্যাক্তি তাহাদের অনুসিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য করার জন্যই ইহা বলে থাকেন।

সমস্যাঃ হ্যাঁ এটা সত্য, যুক্তি একেক জনের কাছে একেক রকম। জ্ঞানের সল্পতার কারণে যুক্তিতে ভুল হতে পারে এবং এই ভুল মানুষকে সত্য সম্পর্কে অজ্ঞ করে দিতে পারে।

 

ফ্যাক্টঃ তাহলে, যুক্তি দিয়ে কি বুঝার চেষ্টা করা উচিত নয়? আল্লাহ পাক কি করবেন না করবেন সেগুলো। কারণ আল্লাহ পাক কি করবেন বা না-করবেন সেগুলো তিনি নিজের ইচ্ছামত করবেন। এখানে আমার আপনার সিদ্ধান্ত ও মতামত প্রাসংগিক নয়।

সাবধানতাঃ "একশ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে গোমরাহ করার উদ্দেশে অবান্তর কথাবার্তা সংগ্রহ করে অন্ধভাবে এবং উহাকে নিয়ে ঠাট্টা-বিদ্রূপ করে। "-সূরা লোকমান, আয়াত ৬। একজন মানুষ সত্য বুঝার জন্য সততার সাহিত যুক্তি দিয়ে পর্যবেক্ষন করছে, আরেকজন মানুষ ঠাট্টা-বিদ্রূপ করার জন্য অন্ধভাবে কথাবার্তা সংগ্রহ করছে, তাদের দুইজনের মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে। যারা মননে অসৎ, তাদের যুক্তিগুলোতেও অসততা দেখতে পাবেন এবং আলোচনার গভীরে গেলে উদ্দোশ্য বুঝোতে পারবেন। যারা এই কাজ গুলি করে, তারা নিজেদের অন্ধ বিশ্বাস থেকেই করে থাকেন। এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে। তার মানে হলঃ অন্ধ বিশ্বাস মানুষকে ভুল পথে পড়িচালিত করতে পারে।

২ comments

  1. 2
    Maksudul

     

    why not publish my comment ?????

  2. 1
    Maksudul

    এতদসম্পর্কে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে যা আমি আমার বান্দার প্রতি অবতীর্ণ করেছি, তাহলে এর মত একটি সূরা রচনা করে নিয়ে এস। তোমাদের সেসব সাহায্যকারীদেরকে সঙ্গে নাও-এক আল্লাহকে ছাড়া, যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাকো।

     সূরা আল বাক্বারাহ , আয়াত -23

     

    আর যদি তা না পার-অবশ্য তা তোমরা কখনও পারবে না, তাহলে সে দোযখের আগুন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা কর, যার জ্বালানী হবে মানুষ ও পাথর। যা প্রস্তুত করা হয়েছে কাফেরদের জন্য।
     

    সূরা আল বাক্বারাহ , আয়াত -24

Leave a Reply to Maksudul Cancel reply

Your email address will not be published.