«

»

Jun ২৯

ধর্ম বিহীন মোরালিটি বা নৈতিকতার ভিত্তি

ধর্ম বিহীন মোরালিটি বা নৈতিকতার কোন ভিত্তি নাই। উদাহারন সরূপ ঈশ্বর বিহীন নৈতিকতায় আজ যেমন ছেলে ছেলে বিবাহ জায়েজ, কাল তেমননি ইনসেস্ট(ভাই বোনের মধ্যে বিবাহ, মাতার সহিত অথবা পিতার সহিত বিবাহ) জায়েজ। তখন সত্যিকার অর্থ ভাই-বোন, মাতা-সন্তান, পিতা সন্তান বলে কোন আত্মীয়তা থাকবে না। অর্থ্যাত, স্রষ্টার অস্থিত্ব থাকায় আমরা বলি ভাইবোনের সহিত সম্পর্ক পবিত্র এবং এই দুনিয়ার বাস্তবতার কমার্শিয়াল সকল সম্পর্কের উর্দ্ধে। আমাদের এই সম্পর্ক মিনিংলেস বা মূল্যহীন হয়ে যাবে, স্রষ্টা অস্বিত্বহীন নৈতিক ধারনায়।

 

বাস্তব জীবনে চলার খাতিরে আমরা অনেক সম্পর্ক তৈরি করি। এই সকল সম্পর্কে যদি মহান আল্লাহ পাকের অস্বিত্বের বাহিরে নিয়ে চিন্তা করি তাহলে সকল সম্পর্কই কমার্শিয়াল। যেমন ব্যাংক ম্যানাজারের সহিত আপনার সম্পর্ক ব্যাবসায়িক। কারণ আপনার তাকে দরকার টাকা জমা দেওয়া অথবা উত্তোলন করার জন্য, তার আপনাকে দরকার ব্যাংকের ব্যাবসার জন্য। ঠিক তেমনি ব্যাংকারের আবার উকিলের দরকার, উকিলের আবার ডাক্তার দরকার, ডাক্তারের শিক্ষক দরকার, শিক্ষকের ছাত্র দরকার। এই যে বিশাল সম্পর্কের জাল, এই জাল হল, প্রয়োজনীয়তার জাল। অর্থ্যাত, সবাইর সবারকে দরকার কিন্তু কেউ কাউরো নয়। চাণক্য (খ্রিষ্টপূর্ব ৩৭১-২৮৩) বলেন, "প্রতিটি বন্ধুত্বের পিছনে ব্যাক্তিসার্থ থাকে। কোন বন্ধুত্ব নেই ব্যাক্তিসার্থ ছাড়া। ইহা একটা তিতা সত্য।"

 

ঠিক তেমনি ভাইয়ের দরকার বোনের, বোনের দরকার ভাইয়ের। পিতামাতার সন্তান দরকার। কারণ বৃদ্ধ হলে, তাকে খাওয়াবে কে? আপনাদের কেউ কেউ বৃদ্ধাশ্রমের উদাহারণ দিয়ে বলতে পারেন; সরকার। কিন্তু সরকার কে? সরকার হল আমরা আপনারা সবাই। শুধু এখানে ডিভিশন অব লেবার দেখা যায়, মানে হল; অন্যকেউ বৃদ্ধদের দেখছে, এবং এই অন্যকাউকে আপনি দেখছেন সরকারকে দেওয়া ট্যাক্স অথবা বৃদ্ধাশ্রমের মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে। অর্থ্যাত, পিতামাতা এবং ভাইবোনের সহিত সম্পর্কও একধরনের ব্যাবসায়িক বা কমার্শিয়াল সম্পর্ক।

 

কিন্তু যদি সর্বশক্তিমানের অস্বিত্ব মেনে নেন, তাহলে প্রতিটা সম্পর্ক, অর্থ্যাত ভাইবোনের সহিত সম্পর্ক, পিতামাতার সহিত সম্পর্ক একটা নৈতিক ভিত্তির উপর আসবে। যেমন, মহান আল্লাহ আপনাকে উমুকে বাবা হিসাবে দিয়েছেন, তমুককে মা হিসবে দিয়েছেন। যেহেতু মহান আল্লাহ পাক সব কিছুর উর্দ্ধে, সেহেতু আল্লাহ পাক কর্তৃক দেওয়া সম্পর্ক গুলিও দুনিয়ার প্রয়োজনীয়তার জালের কমার্শিয়াল সম্পর্কের উর্দ্ধে। ঠিক তেমনি ভাইবোনকেও স্রষ্টা দিয়ে থাকেন, অন্যান্য অত্মীয়দেরও। সেজন্য সকল অত্মীয়তাও একধরনের বন্ধন পায়। ঠিক তেমনি যখন আপনি মহান আল্লাহ পাকের নামে এবং নিয়মে কাউকে স্ত্রী হিসবাবে গ্রহণ করেন, সেই বধূর সহিত সম্পর্কও পবিত্র এবং ব্যাবসার উর্দ্ধে। একইভাবে যখন আপনি কাউকে মহান আল্লাহ পাকের জন্য কাউকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করেন, সেটাও পবিত্র হয়ে যাবে। অথবা কেউ সময়ের প্রয়োজনে বন্ধু হয়ে উঠলে মহান আল্লাহ পাক তাকে আপনার বন্ধু বানিয়ে দিয়েছেন চিন্তা করলে, এই বন্ধুত্বও এক প্রকার নৈতিক ভিত্তি এবং বন্ধনের উপর আসবে।

 

ধর্মহীন চিন্তা বলে,  You are your own, there is no justice. শুধু একটাই নিয়ম can you do it or not. কিন্তু ইসলাম বলে, You are not your own, you are part of Muslim ummah. এবং আপনি মরে গেলেও মুসলিম উম্মাহ আপনার জন্য দোয়া করে যায়। যেমন আমরা দোয়া করি, সকল মুমিন মুসলমানকে ক্ষমা করে দিন। ইসলাম অনুসারে হামজা ইউসুফ বলেন, "There is either justice in this world or in the next", এবং শেষ বিচারের দিনে আপনার প্রতি করা সকল অবিচারের সমাধান করা হবে। ইসলাম বলে, যখন কেউ থাকেনা তখনও আল্লাহ পাক আছেন, আপনার যাওয়ার জন্য শেষ স্থান সর্বদাই আছে। 

১৭ comments

Skip to comment form

  1. 6
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    ধন্যবাদ। একটা ভাল লেখা পড়লাম।
    একটু যোগ করতে চাই --

    আপনি বলছেন -- "কিন্তু ইসলাম বলে, You are not your own, you are part of Muslim ummah"

     

    এইটা আংশিক উপস্থাপন হয়ে গোলো। মানুষকে কোরানে চিহ্নিত করা হয়েছে "বনি আদম" হিসাবে। এখানেই বিশ্বভাতৃত্বের (Brotherhood) বিষয়টা আসে। প্রথমত মানুষ আদম সন্তান -- সবাই একই পরিবারভূক্ত -- তারপর তারা উম্মাহয় বিভক্ত হয়।

     

    কোরানে বণি আদম আর উম্মা বিষয়ক অনেক কথা বলা আছে। যেমন,

    (17:70) নিশ্চয় আমি আদম সন্তানকে মর্যাদা দান করেছি, আমি তাদেরকে স্থলে ও জলে চলাচলের বাহন দান করেছি; তাদেরকে উত্তম জীবনোপকরণ প্রদান করেছি এবং তাদেরকে অনেক সৃষ্ট বস্তুর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।

     

    আল্লাহ গুনবাচক (আসমা উস সিফাত) এর একটা গুরুত্বপূর্ন নাম হলো "আর রহমান" উনি সবার প্রতি দয়াশীল -- বিশ্বাসী বা অবিশ্বাসী সবাই।

     

    সুতরাং আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে আমরা বনি আদম এবং একই সাথে উম্মতে মুহাম্মদ (সঃ) -- যিনি ছিলেন ইব্রাহিম (আঃ) এর অনুসারী।

     

    1. 6.1
      জামশেদ আহমেদ তানিম

      আমোরা একই লগে আম্লীগ, কাদিয়ানী, সমকামী, আগাচৌ।

    2. 6.2
      জামশেদ আহমেদ তানিম

      এত চমৎকার একটা লেখায় আম্লীগীয় ব্যাখ্যা।
       

  2. 5
    সত্য সন্ধানী

    আপনাকেও ধন্যবাদ ভাই!

    1. 5.1
      সত্য সন্ধানী

      নাহ হচ্ছে না। বলছে যে আমার ইমেইল নাকি ইনভ্যালিড। কিছুই বুঝলাম না ব্যাপারটা।আমি তো এটা নিয়মিত ব্যাবহার করি!

      1. 5.1.1
        ফাতমী

        http://www.shodalap.org/wp-login.php?action=register এই লিংকে ক্লিক করে আরেকবার ট্রাই করুন। যদি না হয়, তাহলে আপনার ইমেইলটা ঠিক করে লিখা হয়েছে কি না দেখুন। নয়ত ভিন্ন ইমেইল ব্যাবহার করুন।

  3. 4
    সত্য সন্ধানী

    আচ্ছা সদালাপে কি রেজিস্ট্রি করা যায়? মুক্তমনা ব্লগে দেখলাম কে একজন আমার একই নিক নিয়ে মন্তব্য করেছে। নিক টা পাল্টাব কিনা ভাবছি!

    1. 4.1
      সত্য সন্ধানী

      http://blog.mukto-mona.com/2015/06/30/46605/ এটাই সেই লিংক। অপ্রাসংগিক মন্তব্যের জন্য দুক্ষিত।কিন্তু আমি জানি না যে কোথায় প্রশ্ন করতে হয়।

    2. 4.2
      ফাতমী

      সদালাপে রেজিস্ট্রেশন করা যায়। কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করা হলেও যে কেউ আপনার মত নিক নিয়ে ইমেইল সেকশন দিয়ে কমেন্ট প্রকাশ করতে পারবে।

       

      সদালাপের ডান দিকে একদম উপরে রেজিস্ট্রেশনের লিংক পাবেন। ধন্যবাদ।

  4. 3
    জনিকা

    " ইসলাম বলে, যখন কেউ থাকেনা তখনও আল্লাহ পাক আছেন, আপনার যাওয়ার জন্য শেষ স্থান সর্বদাই আছে। "

    Such a nice article indeed.

    zazakallahu khairan.

    1. 3.1
      ফাতমী

      অনেক ধন্যবাদ।

  5. 2
    নির্ভীক আস্তিক

    সেদিন একজন ধর্মান্তরিত মৌলবাদী নাস্তিক (কিন্তু আদি ধার্মিক) বন্ধুর সাথে কথা হচ্ছিল। একসময় নামায রোযার মাঝে শান্তি খুঁজত আর এখন বৃত্তাকার প্রশ্ন  করার মাঝে জ্ঞানবেত্তায় ভর্তি নাস্তিকতা চষে বেড়ায়। তো সন্ধ্যার সময় আসতে আসতে প্রশ্ন শুরু হল খেলেধুলা, শিক্ষা, মাদ্রাসা শিক্ষা এসব নিয়ে। মুসলমানদের দাণের টাকা গরীব এতিম মুসলিমদের পেছনে ব্যায় না করে সেক্যুলার শিক্ষার পেছনে ব্যয় করলে কিভাবে আয় উন্নতি বারে এরকম আর কি।  তা তাতেকরে মুসলিম পরিচয় ছারতে হবে, সেক্যুলার(অভিজিতদের অনুবাদের মত করে ধর্মহীন) হতে হবে। কিন্তু মুস্লমান-হিন্দু-নাস্তিকদের  দেশের আয়উন্নতি বারানোর জন্য মুসলমানদের টাকা নাস্তিকদের মনোনীত শিক্ষাখাতে ব্যয় করতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষা উফ, ওটা রাখা ঠিক জরুরী নয়। দরিদ্র এতিমদের প্রতি মুসলমানদের অবদান দেখে এই নাস্তিকরা শিক্ষা নিতে পারছেনা, কিন্তু  এই সম্প্রদায়ই আবার একাতারে capatism এর দায় সব ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর চাপায়। উধহারন দিবে ইউরোপিয়ান খ্রিষ্টানদের জিসাস এর মূর্তি বানানোতে অর্থ খরচ আর রচনার উপসংহার টানবে "যখন আমি বলি আহা লোকটা কেমন গরীব, তারা বলবে আমি ধার্মিক, আর আমি যদি বলি তারা কেন গরীব, তাহলে তারা বলবে আমি communist(আরো ভালভাবে বললে মৌলবাদী millitant নাস্তিক এদের হালকা মডারেট ভার্শন সমাজতান্ত্রিক নাস্তিক সম্প্রদায়)"। অথচ এসকল কথার মধ্যে যে কত মিথ্যাচার আর ধান্দাবাজি। Germany, Soviet Union, Cuba,  এগুলতে যত্রতত্র জায়গায় এরা এদের শীর্ষস্থানীয় ভক্তি নেতাকূলদের  মূর্তি বানিয়ে রেখেছে গরীব  অসহায় ধার্মিক-অধার্মিক নির্বিশেষে মানুষের টাকায়। আলবানীয়াতেও এনবার হোক্সার একটা ছিল কিন্তু Communism পতণের সাথে সাথে সেখানকার মৌলবাদী নাস্তিকতার পুরোধাদের হাতে  গরীব নির্যাতিত মুসলমান আর খ্রিষ্টানরা অই এনবার হোক্সার মূর্তিগুলোকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। ইউক্রেনেও তাই ঘটেছে লেনিনের মূরতিকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে।

    সমকামিতাকে এই দেশের নাস্তিক সম্প্রদায়  প্রাকৃতিক স্বভাবজাত চাহিদা হিসেবে প্রচার করে অথচ incest এর ব্যাপারেও সেই একি যুক্তি টানা যায়, এটাও অনেক (অস্বাভাবিক) মানুষের কাছে শুধুমাত্র বিপরীত লিঙ্গের সাথে ভালবাসা আদান-প্রদানের মত স্বাভাবিক ও devine প্রক্রিয়া মনে হতে পারে। তাদের আরেকটি অন্যতম চাটুকারিতা হচ্ছে Genetically proved হিসেবে সমকামিতাকে প্রচার করা। অথচ এই কথার আসারতাও Scientific মেগাজিন গুলো পড়লেই পাওয়া যায় যেখানে অনেক নাস্তিকতা ঘেষা বিজ্ঞানীদের দাবি "পাইলেও পাওয়া যাইতে পারে" এর  মধ্যে আটকে আছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে বাংলাদেশের বর্তমান Conservative দৃষ্টিভঙ্গির কাছে তাদের এই অতি উদারমনার প্রচার বেশ ঋনাত্নক ধারনা দিতে পারে বলে অধিকাংশরা incest এর ব্যাপারে নীরব থাকলেও রাজীব হায়দায়(থাবা বাবা), হূমায়ন আজাদদের মত নাস্তিকদের আলোর দিশারী হিসেবে খ্যাতদের প্রচারে কিন্তু আমরা তাদের এই ইঙ্গিত দেখতে পাই। যদি কোন মৌলবাদী অনলাইন activist নাস্তিক( আপাতত সবাই) এই আচার্য কালচারের  বিরুদ্ধে থাকত তাহলে তাদের উচিৎ ছিল এই ধরনের নাস্তিকতা প্রচারকদের সমালোচনা করা। তাদের নীরব অবস্থানই একদিকে যেমন সাম্প্রদায়িক মানসিকতার প্রমাণ দেয় অন্যদিকে প্রচীন অসভ্যযুগে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য একটি ভয়ংকর ভবিষ্যতের দিকে ইঙ্গিত দেয়।    

    আপনি prominent নাস্তিকতা-সেক্যুলার-বামপন্থার মূল্যবোধের ধারায় শাসিত প্রত্যেকটি দেশের আইন প্রয়োগের ইতিহাসগুলো দেখুন। দেখতে পারবেন, প্রাচীন অসভ্য যুগের সংস্কৃতি যেমনঃ সমকামিতা, Incest, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, নারী পতিতাবৃত্তি, পেডোফিলিয়া ইত্যাদি কে বৈধতা দিতে এদের অবদান। কিছু উদহারনঃ
       
          ১। বর্তমান নাস্তিকতার পুরোধা আর প্রচারকারা উন্নত জাতি হিসেবে নাস্তিকতার পথে অগ্রসর যাদের উল্লেখ করে তার এমন একটি হচ্ছে জাপান যাদের সংস্কৃতিতে Incest এর প্রাদুর্ভাব ইন্টারনেট এ মই চালালেই পেয়ে যাবেন।  তাদের Adult manga story গুলোতে incest বেশ জনপ্রিয়। 1888 সালে এখানে incest law abolish করা হয়।  UN এর বারংবার চাপে তারা কিছুটা এটেসেটে বসে একটু আধটু বাধা নিষেধ আরোপ করেন
         ২। ১৮১০ সালে ফ্রেঞ্চ রেভ্যুলেশনের পর নেপোলিয়ন সেখানে incest law abolish করেন যা পুনরায় স্থাপন করে Incestious সংস্কৃতির উপর বেরী পড়াতে সক্ষম হন ২০১০ সালে এসে নিকোলাসের ডানপন্থি দল।
         ৩। মৌলবাদী নাস্তিকতার ধাজে চালিত সোভিয়েত ইউনিয়নে, রাশিয়া, চায়না এবং মডারেট বামপন্থাদের শাসনে চালিত  Rhode Island, Switzerland, New Jersey প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে এটি সত্য। এই প্রত্যেকটি দেশে নিধার্মিকতা prevelant এই মৌলবাদী নাস্তিকদের শাসনযন্ত্রের কারনে। Switzerland এর বাম্পন্থীদলের সমর্থকরা bizarre law বনানোর পক্ষে সাক্ষ্য দেন incest prohibition law এর Abolish করার জন্য। New Jersey এর মত জায়গায় যেখানে লিবারাল বাম্পন্থিদের প্রচুর প্রতাপ, যেখানে New Jersey কে Incest culture এর paradise এর মত করে প্রচার করার পর যখন মিডিয়া কিছুটা সরব হয় তখন ডানপন্থি Republican Politician রা এগিয়ে আসেন Incest কে নিষিদ্ধ করার জন্য
        ৪। নাস্তিকতা ও প্যাগানিসমের ভারতে সমকামিতাকে বৈধতা দেয়ার পরে Incest এর দিকে অগ্রসর হওয়ার জন্য radical নাস্তিকতাপন্থি নির্মিত ছায়াছবিগুলোও বিশেষ লক্ষনীয়।

    এরকম আরো উল্লেখ করা যাবে পতিতাবৃত্তি ও নারী ব্যবসা নিয়েও। আর জারমানী এর ETHICS এর বিশেষজ্ঞ লোকেরা তো আছেনি। জারমানিতেও কিন্তু নিধার্মিকতার প্রাদুর্ভাব প্রচুর এবং এই জন্য দায়ীও কিন্তু সেখানকার মৌলবাদী নাস্তিকতা ভিত্তিক রাজনীতি

    ব্যক্তি বিশ্বাস, মূল্যবোধ নিয়েই পরিবার থেকে গোত্র এবং সেখান থেকে সমাজ এবং এরকম খুদ্র খুদ্র সমাজ ব্যবাস্থা নিয়েই রাষ্ট্র। কোন একটি রাষ্ট্র যখন লিখিত ভাবে কোন নিয়ম-নীতি ও সংস্কৃতি এর বৈধতা দেয়, তখন তা আর কোন নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে represent করে না, অই রাষ্ট্রের ভৌগলিক সীমার বাইরের জগতের কাছে সামগ্রিকভাবে অই রাষ্ট্রের Norms এবং মূল্যবোধ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। যেকোন আইনের against এ অনাকাঙ্ক্ষিত tragedy ঘটতে পারে কিন্তু তাতে করে সবার জন্য অই আইণের বৈধতা রাষ্ট্র সবার জন্য টানতে পারে না। মৃত মানুষের মাংশ খাওয়ার মত চাহিদা কিছু মানুষের মধ্যে প্রাকৃতিক ভাবে জন্মাতে পারে, কিন্তু অস্বাভাবিক এই আচরনকে স্বাভাবিক হিসেবে দাঁড় করতে যেয়েই রাষ্ট্র মানুষের মাংশ খাওয়ার বৈধতা দেয়ার মানেই হচ্ছে এই সংস্কৃতিকে পুরো রাষ্ট্র সামগ্রিকভাবে আলিঙ্গন করে নিয়েছে।

    নাস্তিকদের  প্রচারে "ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার" এই বুলি আওরিয়েই নাস্তিকতার প্রলেপ রাষ্ট্র যন্ত্রের উপর সেটে দেয় এবং এতে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে Materialistic যুক্তি আর তাদের নিজস্ব সম্পত্তি বিজ্ঞান যাতে আছে (তাদের প্রচার অনেকটা এরকম )কেবল তাদেরি অবদান, নাস্তিকতাই যাকে দিয়েছে পূর্ণতা। এই মৌলবাদী নাস্তিক সম্প্রদায় একদিকে নিজেদের মানবতাবাদী, প্রগতিশীল হিসেবে দাবী করে অন্যদিকে অমানবিক অসভ্য প্রাচীন যুগের এই সংস্কৃতিকে ব্যক্তি পরিচয়ের অলংকার হিসেবে প্রচার করে। অস্বাভাবিকতাই তাদের কাছে স্বাভাবিকতা। ধর্মেকে Virtual আফিম ডেকে বস্তু আফিম সেবনেই স্বর্গীয় সুখের উন্মাদনা, বৈজ্ঞানিক ভাবে ক্ষতিকর ছাড়া বাকি সবকিছু জায়েজ বলেই আবার এই ক্ষতিকর আচার্যকে একটি বৈধ মানবিক আচরন হিসেবে অনুশীলন করা। তদুপরী ধর্মকে ভাইরাস ডেকেই নিজদের মস্তকে নাস্তিকতার  মত ধংসাত্নক হীনমন্য Incurable desease কে চাষাবাদ করাঃ আপাতত এইভাবেই আমাদের কাছে নাস্তিকতাকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে এর যাজকরা।

    এক আল্লাহ্‌র মনোনীত ধর্ম যুগের পর যুগ  প্রাচীন আচার সর্বস্ব এই প্রথাগুলোকে সমূলে উৎপাটিত করে মানুষকে জন্তু চেতনা থেকে মানবিক হতে শিখিয়েছে আর কিছু মৌলবাদী নাস্তিক আজ সেই প্রাচীন সংস্কৃতিগুলোর দিকেই মানুষদের ধাঁধায় ফেলে একটি ভয়ঙ্কর অন্ধকার সময়ের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।     

     

    1. 2.1
      ফাতমী

      @নির্ভীক আস্তিক,

      ভাই, আপনার কমেন্ট আমার পোস্টকেও ছাড়িয়ে গেছে। আপনি সদালাপে পোস্ট লেখা শুরু করেন না কেন? যাইহোক, অনেক ধন্যবাদ বিস্তারিত মত প্রকাশের জন্য।

       

      সকল পাঠককে অনুরোধ করব, উক্ত মন্তব্যটুকু পড়ার জন্য।

      1. 2.1.1
        নির্ভীক আস্তিক

        ভাবছি এই মন্তব্যটাকেই আরেকটু বর্ধিত করে সদালাপে ছাপানোর জন্য পাঠাবো। সমস্যা হচ্ছে, আমার লেখায় প্রচুর বানান ভুল হয় এতে করে অনেকের বুঝতে সমস্যা হতে পারে। একটু সতর্ক লেখার জন্য সময়ও করে উঠতে পারি না। যাইহোক ধন্যবাদ আপনাকে উৎসাহ দেয়ার জন্য।

        1. 2.1.1.1
          ফাতমী

          @নির্ভীক আস্তিক, আমি বানান ভুলের রাজা। বাংলা বানান যথাক্তমে তৎসম, অর্ধ-তৎসম বানান হামেশায়-ই ভুল হয়, আর ইংরেজি বানান অটো কারেক্টশন করার সুযোগ থাকলেও বানান ভুলে ভর্তি থাকে। তবুও আমি লিখি, তাহলে আপনি লিখবেন না কেন?
           

  6. 1
    রাকীব আল হাসান

    তিতা সত্য (নাস্তিকদের জন্য)

    1. 1.1
      ফাতমী

      বুঝতে পারার জন্য ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.