«

»

Jun ১২

সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন? আল্লাহ পাক সম্পর্কে কিছু বিভ্রান্তিকর প্রশ্নের উত্তর

[নোটঃ আমার এই লেখাটি আমার নাম উল্লেখ করা না পূর্বক ভিন্ন ভিন্ন সাইটে কপি করা হয়েছে। কেউ আমার লেখা আমি প্লেগারাইজ করেছি এই দ্বাবী করিয়েন না। যারা কপি করেছেন, তাদের কে ও ধন্যবাদ পাঠকদের কাছে পৌছিয়ে দেওয়ার জন্য । সতর্কতাঃ লেখাটি বিশেষভাবে নাস্তিক এবং যৌক্তিবাদীদের জন্য লিখা হয়েছে, ঈমান আছে এমন ব্যাক্তিদের জন্য আল কুরান এবং এর ব্যাক্ষা পড়ার অনুরোধ করা হল, আমার এই লেখা জাস্ট জ্ঞান অর্জন এবং যুক্তিক বিশ্লেষন জানার জন্য পড়তে পারেন, কিন্তু আমার লেখায় বড় ধরনের ভুল কিংবা আপনার বুঝার ভুল অথবা আমার বুঝানোর ভুল থাকতে পারে]

১. সৃষ্টিকর্তাকে কে সৃষ্টি করেছেন ?

২. যার কোন কিছুই অসাধ্য নয়, তাকেই বলা হয় মর্বশক্তিমান। আমরা বলি আল্লাহ সর্বশক্তিমান। তাহলে তিনি কি এমন একটা পাথর তৈরী করতে পারবেন, যা নিজেই ভাংতে পারবেন না। যদি তৈরী করতে না পারেন, তাহলে সর্বশক্তিমান কথাটির সঠিক অর্থ রইল না। যদি তৈরী করে ভাংতে না পারেন, তাহলেও সমস্যাটি একই দাঁড়ালো। তাহলে কি সর্বশক্তিমান কখাটি অর্থহীন একটা শব্দ মাত্র?

৩. আল্লাহ পাক যদি সর্বশক্তিমান হন, তাহলে তিনি এমন একটি পাহাড় বানাতে পারবেন, যে পাহাড় তিনি নিজেই তুলতে পারবেন না। যদি না পারেন, তাহলে তিনি সর্বশক্তিমান নন। যদি পারেন, তাহলেও তিনি সর্বশক্তিমান নন, কারন তিনি আর ঐ পাহাড় তুলতে পারবেন না।

৪. সৃষ্টিকর্তা কি আরেক সৃষ্টি কর্তা সৃষ্টি করতে পারবেন ?

কোন ক্লাস ফাইভের ছেলে মনে হয় এভাবে উত্তর দিবে, হ্যা পারেন, এমন পাথর যা নিজেই ভাংতে পারেন না। কিন্তু ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি তা ভাংতে পারবেন না, যতেক্ষণ পর্যন্ত তিনি তা না চান। কিন্তু তিনি আবার এটি ভাঙ্গতে পারবেন, যখন তিনি তা চান।

কী ভাই, মাথা কি ঘুরাইতাছে। কিন্তু আল্লাহ পাক এসব কাজ করেন তা জানা যায় না। যে কাজ তাকে দিয়ে মানায় না, তা তিনি করেন বলে, আমরা দেখি না। যেমনঃ

আল্লাহ পাক কি ভুল করতে পারেন। হ্যাঁ পারেন, যদি তিনি চান কিন্তু তিনি তা করেন না, আমার পালনকর্তা ভ্রান্ত হন না (২০:৫৩)

আল্লাহ পাক কি কারো প্রাপ্য হক কেরে নিতে পারেন, হ্যা তিনি পারেন কিন্তু তিনি তা করেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কারো প্রাপ্য হক বিন্দু-বিসর্গও রাখেন না; (4:40)
{এটা দেখে ভাবিয়েন না, যে আল্লহ পাক কাউকে পরিক্ষা করেন না}

আসল কাহিনীতে আসেন, আমি যখন ছোট ছিলাম, দাবা খেলায় আমি অনেক ভাল ছিলাম (এখন দাবা খেলি না।) দাবা খেলায় কে কত কম চালে জিততে পারবে এ নিয়ে চিন্তা করতাম,  একবার মনে হলে আমি এত এত চালে জিততে পারি, শেষে বের করলাম সর্বনিম্ন চার বা ছয় (মনে নেই) চালে আমি জিততে পারবো। এর নিচে কোন চালে কেউ জিততে পারবে না। কিন্তু তখনই পরলাম ঝামেলায়, তাহলে আল্লাহ পাকও কি এক চালে গেইম দিতে পারবেন না? গবেষণা করে উত্তর বের করালাম, হ্যাঁ তিনি পারবেন, যে তার বিরুদ্ধে খেলতে গিয়েছে, সে এক চাল হওয়ার পরই নিজে হার মেনে যাবে নিজ থেকেই। তাহলেই সে হেরে যাবে। কারণ আল্লাহ পাক চান তিনি এক চালে গেইম দিবেন, আর সে এমনিতেই হার মেনে যাবে। ব্যাপারটি বুঝতে বেশ গোলমাল লাগবে। কিন্তু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবেন। বিষয় হচ্ছে হারা বা জিতা বলতে আসলে কিছু নেই, কিন্তু আমাদের মনের ধারণা এটি হারা, এটি জিতা, এভাবেই আমরা ভাবি। এর বাইরে আমরা কিছু ভাবতে পারি না। আমাদের ভাবার ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে অভাবনীয় বিষয়ে প্রশ্ন তুলি। এখন, এই অভাবনীয় বিষয় যদি আল্লাহ পাক করতে চান তাহলে করতে পারেন, কীভাবে, খুব সহজ, তিনি সময়-কে পূর্বে নিয়ে যাবেন, আর পূর্ব থেকেই এভাবে(নুতুন নিয়মে) নিয়ে আসবেন। তাহলে তিনি যা নিয়ে আসবেন, আপনি তাই ভাববেন। আর এভাবেই তিনি তাঁর কাজ করে ফেলতে পারেন।

মনে করুন দাবা খেলার নিয়মই তিনি হাজার বছর আগে গিয়ে পরিবর্তন করে দিলেন। এখন, হাজার বছর পরে দেখবেন এক চালেও গেইম হয়। বুঝছেন ব্যাপারটা। যেসব চিন্তা করতেছেন, এগুলো হচ্ছে সেন্স, যা আল্লাহ পাক যেভাবে দিয়ে রাখছেন সেভাবেই করতেছেন, এখন আল্লহ পাক যখন ইচ্ছা এই সেন্স পরিবর্তন করে দিতে পারবেন। তখন বর্তমানে যুক্তিতে যা অসম্ভব বলে বিবেচিত হয়, তা আর তখন অসম্ভব মনে হবে না। কিন্তু তখন হয়ত অন্য প্রশ্ন খুঁজবেন।

না বুঝলে আরেকটু আগাই। কোন ব্যাপার ঘটা বা হওয়া আল্লাহ পাকের নিজের সাথে সম্পর্কিত নয়। মনে করুন, আল্লহ পাক সব করতে পারেন। এই সব করা আসলে কী? আল্লাহ পাকের কিছু হওয়াও নেই, তিনি কিছু হন না, আল্লাহ পাকের ঘটাও নেই, তিনি কিছু ঘটেন না। কিছু হওয়া বা ঘটা এটা সৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত, স্রষ্টার সাথে নয়। তিনি সর্বশক্তিমান। এই সর্ব বিষয়টি কী সেটা আপনাকে বুঝতে হবে। তিনি কোন বস্তু নন, যে তাঁর উৎপত্তি হবে, তিনি কোন মানুষ বা হাতি নন যে তিনি পাথর তুলবেন (জীবনে দেখছেন যে আল্লাহ পাক পাথর তুলতেছেন?) আসলে প্রশ্ন গুলিই ঠিক না। বলা যায় পাগলামি। যেমনঃ- একটি ঘরে মাইনাস দশ জন মানুষ আছে। এ কথার কোন অর্থ নেই, কারণ ঘরে কোন মানুষ নেই হতে পারে, কিন্তু মাইনাস দশজন মানুষ আছে হতে পারে না। কোন কথার কী অর্থ থাকবে, কী থাকবে না, এটিও আল্লাহ পাকের নিয়ন্ত্রণাধীন। তিনি ইচ্ছা করলেই হাজার বছর আগে গিয়ে সৃষ্টির সিস্টেম বদলিয়ে যা আজকে পারা যায় না বলে মনে হচ্ছে, তাই আবার পারা যাবে মনে হবে। এহিয়া উলুম উদ দ্বীন থেকে বুঝার সুবিধার্থে,

“আল্লাহ্ পাক এক তার কোন শরীক নেই,তিনি একক তার মত কেউ নাই ,তিনি অমুক্ষাপেক্ষি তার প্রতিদ্বন্দী এবং সমকক্ষ কেউ নাই। তিনি চিরন্তন যার কোন শুরু নেই.তিনি সদা প্রতিস্ঠত ,যার কোন শেষ নাই। দতনি সদা বিদ্যমান,যার কোন অবসান নেই। তিনি অক্ষয় যার কোন ক্ষয় নাই। তিনি সবার প্রথম এবং শেষ। তিনি প্রকাশ্য এবং তিনিই গোপন।

পবিত্রতা এই বিস্বাস রাখা যে, আল্লাহ্ তা’আলা সাকার নন,সীমিত পর্দাথ নন,পরিমান বিশিষ্ট নন এবং বিভাজ্য নন। তিনি দেহের অনুরুপ নন।
তিনি কোন বিদ্যমান বস্তুর অনুরুপ তিনি নন এবং তিনি কোন বিদ্যমান বস্তুও তার মত নয়।
না তার সমতুল্য কেউ আছে না তিনি কারও সমতুল্য।
তিনি আরশ,আকাশ এবং পৃথিবীর সীমানা র্পযন্ত সবকিছুর উপরে। তিনি এই ভাবে উপরে যে আরশের নিকটেও নন,আবার পৃথিবী থেকে দুরেও নন। বরং তার র্মযাদা এই সব নৈকট্য এবং দুরত্বের অনেক উর্ধে।এতদসত্তেও তিনি প্রত্যেক বস্তুর সন্নিকটে এবং মানুসের ধমনির নিকটবর্তী।
তারনৈকট্য দেহের নৈকট্য এর অনুরুপ নয়। যেমন তার সত্তা দেহের সত্তার অনুরুপ নয়। তিনি কোন বস্তুর মধ্যে অনুপ্রবেশ করে না এবং কোন বস্তু তার মধ্যে অনুপ্রবেশ করে না। তিনি সময়ের বেস্টনির থেকে মুক্ত.তিনি স্থান কাল এবং জন্মের র্পুবে ছিলেন। তিনি এখনও তেমনি আছেন যেমন ছিলেন র্পুবে। তিনি নিজ গুনা বলীতে সৃস্টি থেকে আলাদা। তার সত্তায় তিনি ব্যতিত অন্য কেউ নাই। এবং অন্য কোন কিছুতেই তার সত্তা নেই। তিনি পরির্বতন ও স্থানন্তর থেকে পবিত্র।
তিনি গুনাবলীর র্পূনতায় কোন সংযোজনের প্রয়োজন রাখে না। বিবেক দ্বারাই তার অস্তিত্ব আপনা আপনি জানা হয়ে যায়। আমি চোখ খুলেছি কিন্তু আমি কোন কলম দেখতে পাচ্ছিনা? জ্ঞান তাকে বলল-এটা তুমি কি বলছ? ঘরের আসবাবপত্র কি ঘরের মালিকের ন্যয় হয়? তুমি কি জান স্রস্টার সত্তা অন্য কারো সত্তার মত না ? ঠিক সেরকম স্রস্টার হাত জড় জগতের অন্যান্য হাতের মত না। তার কলম জড় জগতের কলম এর মত না। তার সত্তার কোন শরীর নেই। তিনি কোন অবস্থানে আবদ্ধ নয়। তার হাত মানুষের হাত এর মত রক্ত,মাংস ওঅস্থির দ্বারা হঠিত নয়। তার কলম জড় জগতের কলম এর মত নয়। তার ক‍লমের কোন স্বর বা অক্ষর নেই। তার লেখনিতে কোন কালির অংকন নেই।”

আপনাদের বুঝার সুবিধার্তে আমি আরেকটু আগাইঃ (ভুল হলে ধরে দিবেন বলে আশা করি) আল্লাহ পাক যুক্তির বেষ্ঠনী থেকে মুক্ত, কোন যুক্তি তাকে আটকাতে পারেন না, তিনি যেভাবে চান সেভাবেই যুক্তি তৈরি হয়, যেভাবে তিনি চান সেভাবেই বাস্তবতা আসে, তিনি যে কোন সময় বাস্তবতার যুক্তিকে ভিন্ন রূপ এবং ভিন্ন রূপের যুক্তিকে বাস্তবতার যুক্তিতে নিয়ে আসতে পারেন, যা আজকে বাস্তব মনে হচ্ছে তাকে অবাস্তব, এবং যা অবাস্তব মনে হচ্ছে তাকে বাস্তবে পরিণত করতে পারেন। তখন অবাস্তবকেই আপনার নিকট স্বাভাবিক মনে হবে, আর বর্তমানের স্বাভাবিককে অবাস্তব মনে হবে। বস্তুত আল্লাহ পৃথিবীর কোন বস্তুর মত নহেন, যে আপনি ধারণা করবেন তিনি এরূপ, না কোন বস্তুর বৈশিষ্ট্য তাকে দিতে পারবেন, (যেমন তিনি পাথর তুলতে পারবেন কি না? কেউ তাহাকে সৃষ্টি করেছে কি না) আপনাকে বুঝতে হবে, সৃষ্ট এবং স্রষ্টা এর পার্থক্য। আল্লাহ পাক কোন কিছুর মত নন, তাই কোন সৃষ্ট বস্তু বা প্রাণী বা অন্য কিছুর কোনরূপ বৈশিষ্ট্য, ক্ষমতা আল্লাহ পাকের উপর আরোপ করতে পারবেন না। জোর করে আরোপ করতে চাইলে বাক্যের কোন অর্থ থাকে না। আরো ভাল ভাবে বুঝতে এই লেখাটি পড়ুন। আর এসব পড়েও মূলত কিছু বুঝবেন না বা বুঝতে চাইবেন না, কারণ হেদায়েত আল্লাহ পাকের কাছে, তাই শুদ্ধ মনে আল-কুরান পড়ুন, খামোকা আমাদের মত মূর্খদের কথা কেন শুনবেন।

মেরিনার ভাইয়ের একটি সুন্দর যুক্তি আমার পুরো বক্তব্য কে তুলে ধরতে পারে। বক্তব্যটি নিম্নরূপঃ
ধরা যাক, আপনি অনেক দীর্ঘ একটি তাসের সারির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন, আপনি দেখছেন একটি একটি করে তাস পড়ে যাচেছ এবং পড়ে যাওয়ার সময় সে পরের তাসটিকে ধাক্কা দিচ্ছে, ফলে পরের তাসটিও পড়ে যাচেছ, এভাবে একটি তাসের পতনের কারণ হচ্ছে তার পূর্বের তাসটি, তার পতনের কারণ তার পূর্বের তাসটি, তার পতনের কারণ তার পূর্বের তাসটি, এভাবে যেতে থাকলে একটি তাসে গিয়ে আপনাকে থামতেই হবে যেটি প্রথম তাস ৷ এখন যদি প্রশ্ন করা হয় যে, প্রথম তাসের পতনের কারণ কি? উত্তরে বলা যাবে না যে সেটিও একটি তাস, ফলে বুঝতে হবে যে প্রথম তাসের পতনের কারণ এমন কিছু যে নিজে তাস নয় ৷ হয়ত সে একজন মানুষ যে প্রথম তাসটিকে টোকা দিয়েছে ৷ এই মানুষটি যেহেতু তাস নয়, সেজন্য তাসের ক্ষেত্রে যে বৈশিষ্ট্যসূচক প্রশ্ন করা যাবে, এই মানুষের ক্ষেত্রে তা করা যাবে না ৷ যেমন তাসের ক্ষেত্রে প্রশ্ন করা যায় যে “তাসটি কি হরতন না ইস্কাপন?”, কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এই প্রশ্নটি অবান্তর ৷ কিন্তু তা সত্ত্বেও তাসের পতনের পেছনে আদি কারণ হিসেবে মানুষ থাকার বিষয়টি বাস্তব ৷ ঠিক তেমনি স্রষ্টা যেহেতু সৃষ্টি নন কিংবা ফল নন, সেহেতু “তাঁর স্রষ্টা কে?” বা “কারণ কি?” এই প্রশ্নগুলি তাঁর বেলায় প্রযোজ্য নয় – কিন্তু তাঁর থাকার বিষয়টি বাস্তব ।

সবশেষে বলি, আল্লাহ পাক সব বিষয়ে জানেন। আমাদের জানার অনেক ভুল আছে। তিনি আমাদের যেন ক্ষমা করেদেন, আমিন।

কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ
১. ইমাম গাজ্জালি রঃ (উনার লেখা পড়ে বিষয় বুঝতে সহজ হয়েছে) বাড়িতে বইয়ে পড়েছিলাম, এহিয়া উলুম উদ দ্বীন এর অংশটুকু পেয়েছি আমার নিজের ব্লগে করা টোকাই সিকদার এর কমেন্ট থেকে, কিছুটা সংশোধন করে নিয়েছি।
২. ডা জাকির নায়েক (উনার একটি লেখা আমাকে একই বিষয় বুঝতে সহায়তা করেছে)
৩. মেরিনার ভাই (উনার একটি লেখা আমাকে একই বিষয় পরিষ্কার হতে সহায়তা করেছে)
৪. জানা অজানা সকল ব্যাক্তি যারা এই বিষয় গুলিকে পরিষ্কার করে গিয়েছেন। (তাদের কাজের উপর ভিত্তি করেই অন্যরা কাজ করেছে)
৫. এবং সকল ব্যাক্তি যারা এ ধরনের প্রশ্নগুলি তুলেছেন। (তারা প্রশ্ন না করলে, এ ব্যাপারে কেউ চিন্তা করত না)

{লেখাটই প্রথমে আমার ব্লগ ডট কমে ও সদালাপে প্রকাশিত করা হয়েছিল, পরে বড় ধরনের ভুল থাকায় সংশোধন ও পরিবর্তিত করে সামহোয়ার ইন নেটে পাব্লিশ করা হয়। সদালাপের লেখা হারিয়ে গেছে। এভাবে লেখা হারিয়ে গেলে নিজেদের লেখার জন্য নিজেরাই প্লেগারিজমের অভিযোগে অভিযুক্ত হব। এটি একটি ভয়ের বিষয়}

২২ comments

Skip to comment form

  1. 16
    আল-আমীন আব্দুল্লাহ্‌

    খুব সুন্দর ও যুক্তি মূলক লেখা। নোট করে রাখলাম। আল্লাহ্‌ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন। আপনার জ্ঞান আরো বৃদ্ধি করুন। আমীন। অজ্ঞরা অনেক কিছুই বলে। আল্লাহ্‌ কি সব পারে? আল্লাহ্‌ কি মিথ্যা কথা বলতে পারে?

    গল্পঃ আমার রুম মেট কে বললাম যে ভাই "ক" তুমি জান বর্তমানে কম্পিউটারে সব . . . কাজ করা সম্ভব। সাথে সাথে সে বল উঠল "ভাই  কম্পিউটারে "ডিম" ভাজি  করা সম্ভব?" তাড়াতাড়ি "ডিম" ভাজেন আমি খাই। 😛 এই না বললেন যে কম্পিউটারে সব কাজ করা সম্ভব?

    যাইহোক! এই গল্পটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক। নাস্তিকদের যদি বুঝে আসে। হে দয়াময় আল্লাহ্‌! তুমি আমকে ও ঐ সকল নাস্তিকদের হেদায়াত দান কর সিরাতুল মুস্তাকীমের পথে। আমীন।

  2. 15
    মুহাম্মদ শাহিদ শিলন চৌধুরী

    It is really a matured answer for atheist.

  3. 14
    Md.Abul Hasib

    About above subject 

     

    Q.No.01.  Allah ever see dream ?

    Ans: Never. (But why? it is not question about Allah)

    Q.No.02.  Which  subject have no to Allah ?

    Ans: Lie 

  4. 13
    মুহাম্মদ শাহিদ শিলন চৌধুরী

    অনেকের অনেক রকম মন্তব্যের জন্য পুরো পোস্ট টা ঘলাতে লাগতেছে। আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। 

  5. 12
    শিমুল

    আল্লাহ কি এমন কোন পাথর সৃষ্টি করতে পারবেন, যে পাথর তিনি নিজে চাইলেও ভাঙতে পারবেন না?

    1. 12.1
      ABID

      না ভাই । ধরেন আপনি একটা রোবট বানিয়েছেন তাহলে নিশ্চয় আপনি সেটা নষ্ট বা বন্ধ করার নিয়ম জানেন। পারলে  এমন একটা কিছু তৈরি করে দেখান যেঁটা আপনি নিজেও বিনষ্ট করতে পারবেন না।

  6. 11
    Muzzammil

    আসসালামু 'আলাইকুম,
    আপনার লেখায় উল্লেখিত এই লাইনটি পুনরায় বিবেচনা করুন। কোন 'আলিমের সাথে যোগাযোগ করুন।
    "পবিত্রতা এই বিস্বাস রাখা যে, আল্লাহ্ তা’আলা সাকার নন,"
    ধন্যবাদ, আল্লাহ আপনার লেখনিকে আর উন্নত করুন।

  7. 10
    কবরের ডাক

    মাশাল্লাহ। অনেক চেষ্টা করেছেন।  জাজাকাল্লহ। 
     
    নাস্তিকদের একটি হাস্যকর ও ধৃষ্টতাপূর্ণ প্রশ্ন হলো, আল্লাহ্‌ কি এমন একটি পাথর বানাতে পারবেন, যেটা তিনি নিজেও উঠাতে পারবেন না? 

    এক জায়গায় এই প্রশ্নের খুব সুন্দর জবাব দেয়া হয়েছে। সেখান থেকে এই ব্লগের পাঠকদের জন্য তুলে ধরলাম। আমার অনুরোধ যে, যদি উত্তরগুলো বিশেষ করে শেষের দুটি যদি বুঝতে কঠিন মনে হয়, তাহলে আমাকে একটু কমেন্টে জানান। 

    নাস্তিকদের এই প্রশ্নের জবাব কয়েকভাবে দেয়া যায়।

    (১ম জবাব)প্রথমতঃ কথা হলো, ধরেন কেউ এই প্রশ্নের জবাবে এই উত্তর দিলো যে,আল্লাহ্‌ উঠাতে পারবেন না, এমন পাথর আল্লাহও বানাতে পারবেন না। তো এতে কি সমস্যা? এর দ্বারাতো আর আল্লাহ্‌ নাই প্রমাণ হয়না। বরং আল্লাহ্‌ আছেন এবং তিনি বিরাট শক্তিমান এই বিশ্বাস করার পরই তো এই প্রশ্ন করা যায়।

    তখন নাস্তিক বলবে যে, সমস্যা একটা আছে। আল্লাহ্‌ নাই এটা প্রমাণ হয়না বুঝলাম,কিন্তু কোরআনের আয়াত ভুল প্রমাণ হয়;কেননা,কোরানে আছে যে, আল্লাহ্‌ সব করতে পারেন। নাস্তিকের এই কথার জবাব হলো,কোরানেই আবার অন্য আয়াতে এটাকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে, আল্লাহ্‌ যেটা চান, সেটাই করতে পারেন। তাই বলা যায় , আল্লাহ্‌ এমন পাথর বানাতে চাবেন না, যেটা তিনি নিজেই উঠাতে পারবেন না। এটা হলো সবচেয়ে সহজ সরল জবাব।

    (২য় জবাব) আবার দেখুন,"আল্লাহ্‌ এমন একটি ভারী পাথর বানাতে পারবেন না যেটা তিনি নিজেই উঠাতে পারবেন না।" এই কথাটি আসলে শুধুমাত্র বাহ্যিকভাবে বা শুধুমাত্র শব্দের হিসাবে আল্লাহ্‌র অক্ষমতা বুঝাচ্ছে। কিন্তু ভালোভাবে চিন্তা করলে দেখা যাবে,এই কথাটি আসলে আল্লাহ্‌র চূড়ান্ত সক্ষমতা ও শক্তিকেই প্রকাশ করছে। কেননা এই কথাটির অর্থ হলো এই যে,পাথর যত ভারীই হোকনা কেন,আল্লাহ্‌ সেটা বানাতেও পারবেন এবং উঠাতেও পারবেন।যেমন ধরেন কেউ বললো যে, আমি এমন কোন পরীক্ষা দেয়নি, যাতে আমি আমি পাস করিনি। এখানে মাইনাসে মাইনাসে প্লাস হয়ে অর্থ দাঁড়াবে যে, আমি যত পরীক্ষাই দিয়েছি, সেগুলোতে আমি পাস করেছি। উদাহরণটা পুরো না মিলেলেও অনেকখানি মিলেছে মনে হয়। কি বলেন? 

    এক বুজুর্গ দোয়া করেছিলেন যে, আয় আল্লাহ্‌! আপনি নবীর উপর রহমত বর্ষণ করতে থাকুন যতক্ষণ না আপনার রহমত শেষ হয়। এখন চিন্তা করুন একথার মানে কি?এ কথার মানে কি এই যে,সে বুজুর্গ মনে করেন যে, আল্লাহ্‌র রহমত একসময় শেষ হয়ে যাবে? না, এটা তার উদ্দেশ্য নয়; তার উদ্দেশ্য এটাই যে,আয় আল্লাহ্‌ আপনি নবীর উপর সর্বদা রহমত বর্ষণ করতে থাকুন।যেহেতু আল্লাহ্‌র রহমতের কোন শেষ নেই,তাই নবীর উপর রহমত বর্ষণও কখনো শেষ হবেনা।

    (৩য় জবাব)এবার আসেন আমরা প্রশ্নটা একটু উল্টাভাবে করি। (ক)আল্লাহ্‌ কি এমন একটি পাথর উঠাতে পারবেন, যেটা তিনি বানাতে পারবেন না? এটার জবাব কি হবে? হা! হা! আপনার যদি সুস্থ চিন্তা শক্তি থাকে তাহলে আপনি এসব প্রশ্ন সহ্য করতে পারবেন না। আপনি আমাকে বলে বসবেন যে, কইত্যে আইছে এক পাগল ছাগল, খাইয়্যা কাম নাই, আজাইরা প্যাচাল পারতে? তবুও একটু প্যাচাল পারতে হয়, যাতে কোন সাধারণ মানুষ বিভ্রান্ত না হয়। যাইহোক এবার বলেন দেখি, এই উল্টোভাবে করা প্রশ্নটার জবাব কি হবে? ………………………চিন্তা করুন……………………………………………….. কি ? বুঝতে পারছেন না? একটু সহজ করি। বলেন তো, (খ)আল্লাহ্‌ কি এমন একটি পাথর উঠাতে পারবেন, যেটা তিনি বানাবেন না? এবার নিশ্চয়ই আপনি উত্তর দিতে পারবেন। আপনি বলবেন যে, এই প্রশ্নটাই কিচ্ছু হয় নাই। কারণ উঠানোর বা না উঠানোর প্রশ্ন তখনই আসে যখন পাথরটাকে আগে বানানো হবে, অস্তিত্বে আনা হবে। তো এই "খ"প্রশ্নটি যেমন কিচ্ছু হয়নি, তেমনি প্রশ্ন "ক" এটাও কোন প্রশ্নই হয়নি। কেননা "ক" ও "খ" এই দুই প্রশ্নের মধ্যে পার্থক্যটা তেমন ধর্তব্য না। একটাতে আছে বানাতে পারবেন না, আরেকটাতে আছে বানাবেন না। তো যিনি বানাতে পারবেন না তিনিই তো বানাবেন না। নাকি?বানাতে পারবেন না, এ কথার অনিবার্য রেজাল্ট হলো বানাবেন না। সুতরাং নাস্তিক যেহেতু কিভাবে প্রশ্ন করতে হয় সেটাই শিখেনি; তাই তাকে বলুন আগে প্রশ্নটি ঠিকভাবে করো, তারপর আমরা উত্তর দিচ্ছি।

    এবার আসেন আমাদের মূল প্রশ্নে। (১)আল্লাহ্‌ কি বানাতে পারবেন এমন পাথর যা তিনি উঠাতে পারবেন না?
    ………………………চিন্তা করুন……………………………………………….. 
    এবার এটাকে একটু সহজ করুন। এভাবে বলুন, (২)আল্লাহ্‌ কি এমন পাথর বানাতে পারবেন যা তিনি উঠাবেন না?
    ………………………চিন্তা করুন……………………………………………….. কি? তাও পারছেন না জবাব দিতে, নাকি? আরেকটু সহজ করুন। এভাবে বলুন, আল্লাহ্‌ কি এমন পাথর বানাতে পারবেন যা তিনি বানানোর পরে উঠাবেন না?এবার আপনি জবাব দিবেন যে, এই প্রশ্নটিও কিছু হয়নি। কেননা যেটা বানিয়ে ফেলেছেন সেটার ক্ষেত্রেই আবার প্রশ্ন করা হচ্ছে যে, সেটা তিনি বানাতে পারবেন কিনা। দেখুন আগে বানাতে হয় এরপর উঠাতে হয়। উঠাবেন কি উঠাবেন না এই প্রশ্ন আসবেই বানানোর পরে। যখন নাকি উঠানো বা না উঠানোর কথা আসলো, তখন এটাই বুঝা গেলো যে, আপনি ধরে নিয়েছেন যে, এটাকে আগে বানানো হয়েছে। তাই যেটাকে আগেই বানানো হয়েছে বলে আমি ধরে নিচ্ছি, সেটার ক্ষেত্রে কিভাবে আবার প্রশ্ন করি যে, সেটাকে কি আল্লাহ্‌ বানাতে পারবেন কিনা? বানিয়েতো তিনি ফেলেছেন, সেইজন্যইতো উঠানো বা না উঠানোর কথা আসছে। দেখুন যেই পাথরের বৈশিষ্ট্য এই যে, সেটাকে আল্লাহ্‌ উঠাবেন না বা উঠাতে পারবেন না, সেটার কিন্তু অনিবার্য বৈশিষ্ট্য এটাও যে, সেই পাথরটিকে আল্লাহ্‌ আগে বানিয়েছেন। তাহলে এই অনিবার্য বৈশিষ্ট্যকে প্রশ্নঃ১ এর সাথে যুক্ত করে দেখুন অবস্থা কেমন উদ্ভট দাঁড়ায়। (১) আল্লাহ্‌ কি বানাতে পারবেন এমন পাথর, যা তিনি উঠাতে পারবেন না এবং যেটা তিনি আগে বানিয়েছেন? কিন্তু নাস্তিক এই অনিবার্য অংশকে খুব চালাকির সাথে উহ্য রেখেছে,আপনাকে ধোঁকা দেয়ার জন্য; সে নিজে জাহান্নামী, আপনাকেও জাহান্নামে নেয়ার জন্য।

    আশা করি সবাই বুঝে গেছেন। যদি কেউ বাইচান্স না বুঝে থাকেন, তাহলে ২/৩ বার পড়ুন এবং নিজের মাথাটা একটু খাটান এবং আল্লাহ্‌র কাছে বুঝ চান এই বিশ্বাস রেখে যে, আমি আমার জ্ঞান বুদ্ধি দিয়ে বুঝতে পারবোনা, যদি আল্লাহ্‌ আমাকে দয়া না করেন। আর কোন পাঠক যদি ব্যাপারটিকে আরো সহজ করে বুঝাতে পারেন, তাহলে তার কাছে আমার একান্ত অনুরোধ যে, আপনি সেটা কমেন্টে আমাদেরকে জানান। তো এতক্ষণ ধরে আমরা এটাই দেখলাম যে, নাস্তিকদের এই প্রশ্নটা কোন প্রশ্নই হয়নি। তাই এটা উত্তর দেয়ারই যোগ্য না। এখন আসুন আমরা দেখি এই উদ্ভট প্রশ্নের উত্তর দিলে কেমন উদ্ভট অবস্থার সৃষ্টি হয়।

    (৪র্থ জবাব)-নাস্তিক প্রশ্ন করেছিলো যে, আল্লাহ্‌ কি বানাতে পারবেন এমন পাথর যা তিনি তুলতে পারবেন না?

    ধরেন, রাশেদ জবাব দিলো যে, না, আল্লাহ্‌ বানাতে পারবেন না এমন পাথর যা তিনি তুলতে পারবেন না। এখন কথা হলো এই কথাটির অর্থাৎ রাশেদের এই জবাবের প্রমাণ কি? সে কেন বা কিসের ভিত্তিতে এই জবাব দিলো? তখন নিশ্চয়ই বলা হবে যে, কেননা আল্লাহ্‌ যেকোন পাথরই তুলতে পারবেন। যেহেতু তিনি সর্ব শক্তিমান। তাহলে কি দাঁড়াচ্ছে কথা? আল্লাহ্‌ সর্ব শক্তিমান এই ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে রাশেদ জবাব দিচ্ছে যে, আল্লাহ্‌ বানাতে পারবেন না এমন পাথর যা তিনি তুলতে পারবেন না। আর রাশেদের এই জবাবের উপর ভিত্তি করে নাস্তিক সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যে, আল্লাহ্‌ সর্ব শক্তিমান নন। আসেন এবার আমরা পুরা যুক্তি বাক্যগুলো সাজাই । আর এটা নিশ্চয়ই সবাই জানেন যে, যে যুক্তির ভিত্তি ভুল হয় সেই যুক্তির সিদ্ধান্তও অবশ্যই ভুল হয়।

    যেহেতু ১-আল্লাহ্‌ সর্ব শক্তিমান ।

    তাই ২- আল্লাহ্‌ এমন পাথর বানাতে পারবেন না যেটা তিনি উঠাতে । । ।পারবেন না।

    সুতরাং ৩- তিনি সর্ব শক্তিমান নন।

    তাহলে দেখলেন তো কেমন হাস্যকর কথা, কেমন উদ্ভট যুক্তি! সে প্রমাণ করতে চাচ্ছে আল্লাহ্‌ সর্ব শক্তিমান নয়। আর এটা করছে সে কোন ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে? এই ভিত্তির উপর যে, আল্লাহ্‌ সর্বশক্তিমান। হা হা হা। যদি তার ৩নং স্টেপে নেয়া সিদ্ধান্ত সঠিক হয়ে থাকে, তাহলেতো তার যুক্তির ১নং ভিত্তি যেটা সেটা ভুল। আর যদি ১নং ভিত্তি ভুল হয়ে থাকে তাহলে তো তার সিদ্ধান্ত যেটা অর্থাৎ আল্লাহ্‌ সর্ব শক্তিমান নন এটা ভুল।তার মানে আল্লাহ্‌ সর্ব শক্তিমান।

    দেখলেন তো, আমরা আগেই বলেছিলাম এই পোষ্টে যে, নাস্তিকদের যুক্তির কোন ভিত্তি থাকেনা। আর ভিত্তি না থাকাকে সে বাকচাতুর্য দ্বারা আড়াল করে। দেখেন সে উপরের ৩টি যুক্তিবাক্যের ১মটি ও শেষেরটি বাদ দিয়ে, মাঝখানেরটি নিয়েছে। এরপর এটাকে আবার প্রশ্নের আকারে পেশ করেছে। যাতে করে আস্তিক তার যুক্তির ভিত্তিহীনতা বুঝতে না পারে। কোনটা দাবী আর কোনটা সেই দাবীর প্রমাণ যেন আস্তিক বুঝতে না পারে। 

    আসেন একটু দেখি এই উদ্ভট যুক্তিটা এমন উদ্ভট কি করে হলো। খেয়াল করুন, যুক্তিটির ১ম ভিত্তি হচ্ছে, আল্লাহ্‌ সর্ব শক্তিমান। তিনি সবই করতে পারেন। এই কথাটা স্বীকার করার পর তিনি অমুকটা পারেন না এটা তো বলার আর কোন স্কোপ থাকে না। অথচ যুক্তির ২য় লাইনেই দুই দুইটা পারেনা (অর্থাৎ বানাতে পারেনা, উঠাতে পারেনা)আল্লাহ্‌র সাথে যুক্ত করা হয়েছে চরম অযৌক্তিকভাবে। যদি আমরা এই যুক্তির ১ম ধাপ অর্থাৎ আল্লাহ্‌ সর্ব শক্তিমান এটা আমরা মেনে নেই, তাহলে যুক্তিটির ২য় ধাপ অনিবার্যভাবে এটাই হয় যে, আল্লাহ্‌ যেকোন পাথর বানাতেও পারেন এবং সেটা উঠাতেও পারেন। অথচ এটা না করে তার উল্টোটা করা হয়েছে; যার ফলে সিধান্তও ভুল হয়েছে এবং যুক্তিটাও একটা অদ্ভুত ও উদ্ভট আকৃতি ধারণ করেছে। একেই বলে অদ্ভুটুদ্ভট যুক্তি।

    আজকে এই পর্যন্তই শেষ করছি। আপনারা আরো চিন্তা করলে আরো জবাব পাবেন। আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে খঁটি ঈমানের সাথে মরার তৌফীক দান করুন। আমীন। ওয়া সল্লাল্লহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। এই পোষ্টটি পড়ে যদি কারো ভালো লাগে, তাহলে তিনি যেন শুধু ঐ আল্লাহ্‌ পাকেরই প্রশংসা করেন, যিনি তার বান্দাদের মাথায় এগুলো ঢেলেছেন। সকল প্রশংসা শুধু তাঁর
     

  8. 9
    বুড়ো শালিক

    বাপ রে বাপ! আপনার লেখা পড়ে এখন মাথা ঘুরতেছে!
    আসলে আমাদের মেইন প্রবলেম হলো আমরা সৃষ্টির জন্য প্রযোজ্য জিনিস (যেমন যুক্তি, সময় ইত্যাদি) স্রষ্টার উপরও আরোপ করতে চাই, যা আসলে মুর্খামি ছাড়া আর কিছুই না।

  9. 8
    সত্তুক

    আনেক ট্রাই করেও সাইন আপ করতে পারলাম না। তাই সামুর লিঙ্কটা পাঠায়ে দিলাম আপনার কাছে। যদি ছাপার যোগ্য হয় সদালাপে লিখাটা দেয়ার ইচ্ছা ছিল, ভাল থাকবেন আমিন।

    ও আপনাকে বলার কারন হচ্ছে মুক্তম্নাতে আপ্নার কিছু কমেন্ট দেখি ত তাই। আমার কথাটা মডুকে জানাইয়েন, ভাল থাইকেন ।

    http://www.somewhereinblog.net/blog/ahmedullah

  10. 7
    ফুয়াদ দীনহীন

    খালি আলি সীনা না আরও অনেকেই ডাঃ জাকিরের সাথে ডিবেইট করতে সাহস পান না। এটা একটা মজার বিষয়। মুক্তমনাতে ইশ্বরহীনের একটি লেখা আছে, ডাঃ জাকিরের সাথে প্রবীর ঘোষের ডিবেইট চেয়ে। কিন্তু অধিকাংশ নাস্তিক পিছু হেটেছে, তখনই বুঝেছি মুখে ডাঃ জাকির নায়েককে তারা যতই গালিগালাজ করুক, অন্তরে তারা তাদের যুক্তি নিয়ে ভিষন ভীত। কারন আপনি আপনার যুক্তির দুর্বলতা জানেন।
     
    আপনার এই লেখাকে সুন্দর বাংলা অনুবাদ করে, সদালাপে সাইন ইন করে পোস্ট দিতে পারেন। পাঠক পড়ে লাভবান হবে। ধন্যবাদ।
    {আপনার লেখায় আপত্তিকর কিছু পাইনি, মুক্তমনা যদি প্রকাশ করে না থাকে, তাহলে আমি তাদের আচরনে বেশ অবাক হলাম}

    1. 7.1
      nur mohammad

      lekha gulo bnaglay dile amar bujhte ektu shohoj hoto.

       

  11. 6
    কিন্তু মানব

    এই মন্তব্যটা আপনার লেখা প্রসঙ্গে নয়, আপনাকে মাঝে মাঝেই মুক্তমনাতে মন্তব্য করতে দেখি, সেখানে আলী সিনা নামক ১ ভিনদেশী মোনার অনুবাদ করেছে সাইফুল সাহেব, তার পোস্ট এ নিচের মন্তব্যটি করে ছিলাম, তারা মনে হয় এতে কোন অশ্লীলতা খুঁজে লইয়েছে, দেখেন আপনারাও যদি অশ্লীল কিছু থেকে থাকে, অবশ্যই আপনারাও তো ছাপাবেন না, আর জদি কাজের কিছু থেকে থাকে ঐ পোস্ট এর ১টা সুন্দর প্রত্যুত্তর আপনার কাছে আশা করছি, সম্ভব হলে সামু আমু মোনা সব গুলোতেই, ধন্যবাদ।

    প্রত্যুত্তরটি নিচে দেয়া হলঃ

    ভাই জান, যার করা এই কাজ, মানে মূল লেখক আলী সিনহা, তার সাইট ভিসিট কইরা কি পাইসি দেখন, হা হা হা, সে ভীতুর ডিম, মনাদের মতই, সব দেশের সব মনারা মনে হয় এমনই, না কি, কি কন?

    তিনি খালি লিখিত ডিবেটই করতে আগ্রহী, অন্য কিছুতে নাই। লিখিত তে হারলে পরে হে টিভি তে যাইব, খিক খিক খিক, জাকির নাইলে জোকার, এ আবার কি চিজ তাইলে। খুল্লা অফার দেসে তাও নেয় না, খালি ভ {ভয়} পায়, আর মনাগো মত নেটেই নেটাইতে চায়, হায়রে কাপুরুষের দল, কবে যে মোনাদের সোনা হবে। মানে তারা সোনার ছেলেই কবে যে একটু সাহসী হয়ে আমাদের সাথে আলাপে বসে আমাদের অন্ধকার থেকে আলুর পাথে নি যাবে, কবে গান গাবু আলু আলু তুমি কখুনু আমার হবে না……..হি হি

    Huzefa Kazi কি কথপকথন দেখেন

    from Huzefa Kazi <kazihuzefa (at)gmail.com>
    to faithfreedom2 (at) gmail.com
    cc nisaar_yusuf (at)yahoo.com,
    zakir (at) irf.net,
    peace (at) irf.net
    date Sun, Jun 1, 2008
    subject Debate with Dr. Zakir Naik

    Mr Sina,
    I came across your web-site (faithfreedom.org) around 2-3 months back. I read many of your articles and specially your refutation of Dr. Zakir Naik on his debate with Dr. William Campbell. I also the read debate section in which you had posted the letters regarding debate with Dr. Zakir Naik. Since I know some people at IRF(organization of which Dr. Naik is President), I personally went to IRF and requested one of its authorised representative to have a debate of Dr Zakir Naik with you. On my communication with them I came to know that the letter which you had personally written to Dr. Naik dated 2004/12/11 was infact not received by Dr. Naik and his organization. The email id info@drzakirnaik.com is not of Dr. Naik or his organization. Letters written to this domain are not received nor responded to by IRF. IRF’s website is http://www.irf.net. So your boosting that you personally wrote to Dr. Naik is entirely wrong. One of letters which was received by people at IRF was from Mr. Munir Qasim which was replied back. With reference to this letter, you replied to Mr. Munir Qasim(not to IRF) on 06 Jan, 2005. I am posting my personal conversation with a responsible person from IRF, Mr. Nisar Nadiadwala, regarding the debate with Dr. Naik within the context of this letter and there after. Comments of IRF representative Mr. Nisar to your reply is in blue and highlighted in grey. In between I have given my own comments which I have stated as applicable.

    How Many Hours do you require? We are ready to give you the no of hours as agreed by you.

    IRF Visits 20 Lac homes every day through satellite channel.

    You are lying. Your job was not done as no readiness was received by irf.net from you. You had addressed to an email which is neither received nor responded to by IRF. The mail received by IRF was from a third person and not you. Regarding showing your face in public, you can veil your face by wearing a mask made by Hollywood make up and enjoy the luxury of not revealing your face in public.

    It is a total lie to say that TV is generally watched by less educated. Both educated as well as uneducated masses watch TV and they can’t be fooled when two personalities are debating live. Our debates are not entertainment but academically well researched from Muslims and non-Muslims. In our live talks, we give chance to non-Muslims to pose any questions on Islam. Dr Zakir Naik receives invitations from hostile Non-Muslims too.

    My Comment: Through a live debate lets see if you can impress both these groups of people by your truth.

    It is not an argument, it is an offer. As you say they are intelligent so let them decide. Why are you shying away from a live debate?

    Salman Rushdie and Tasleema Nasreen are still alive. Debating is not killing. Where do you want to arrange the debate? We are ready to debate in an anti-Islamic country of your choice where you can be assured of your security.

    Internet debate via chat or email can continue for months and years without any conclusion. In internet debate the identity of the debating person cannot be verified and these debates can be edited or not published at all. Who is Ali Sina? we don’t want to debate with a ghost via internet. In debating live there can no chance of any foul play, requires less time and has a wider reach through satellite TV. These recordings can be seen by millions later and can also be posted on the internet as well.

    Mr. Ali Sina if you are so shy of speaking in front of the public then a closed door live debate is possible without audience.  And you don’t have to worry about the cost. IRF is ready to bear all the cost for organizing this debate and also give you executive class to-and-fro air tickets to the venue of the debate. 3000 words are enough to put forth your allegations against Islam. Any way we are still giving you a better option. As you have agreed that 150,000 words are required to have a good debate and as per your statistics, 3000 words can be spoken in an hour so for an 150,000 word debate it would require around 12 days, with a 4 hours daily session. Are you ready for this?.

    You can bring your scholarly audience here. How long that session would be?

    My Comment: Remember your words here, you can smash all his arguments in one session then there is no need for a 150,000 word, 12 session debate?

    Why Fans? You can debate live with Dr. Zakir Naik?

    Dr. Naik never claimed he is a scholar. He always says he is a student of comparative religion. People and other scholars say he is a scholar. Why don’t you come forward to give your arguments in recording?

    My comment -- You don’t need to worry about paying one million dollar. Giving of US$ 50,000 is your own offer, which you will definitely fulfill if you loose, apart from publicly declaring that Islam is a true religion and removing your site and accepting Islam. Off-course you can’t put similar conditions to other party if he looses as this is your own offer. Either you loose your money and credibility or gain your authenticity if you win.

    My Comments: If you are truthfull in your allegations then you would accept this challenge now. If you don’t accept this challenge then the same thing can be said about you. You are running a lucrative business of fooling people with your lies and your false reputation depends on these lies. If you accept this challenge then you will have to close your shop of fooling others.

    This is a blatant lie. Many have answered. It is a different question if answered convincingly or not.

    To whom have you written? And when did he refuse? Can you show any letter from Dr. Naik or his organization which is addressed to you where he flatly refused to debate. He has not declined but it is you who is avoiding by giving excuses for not having a live debate. Who is in shell? No body knows who the person behind the veil of Ali Sina is. Is it wrong to have flashy presentations? (My comment – In Dr. Naik and William Campbell debate, it was William Campbell who had used flashy presentations and not Dr. Naik.)

    My Comments – You don’t need to go to his office. I have spoken on your behalf, with all the conditions favoring you and excluding all the conditions to which you had objected to for not having a live debate.

    As it is already made clear that the debate can be conducted in an Anti-Islamic country of your choice. And you can veil your face so there is no harm to you.

    My Comment -- Same question goes for you as well. What can one say in writing that one cannot say in public.

    Isnt It is more stupidity to be defeated in view of millions of viewers, both scholarly as well as non-scholarly.

    My Personal comments

    Mr. Ali Sina,

    It can never get better than this and I see no reason why you should not come forward for a live debate now. This is the opportunity which you would not like to miss. On your entire site you have boosted about your truth and validity of your arguments and falsity of Islam. It is your best opportunity to expose Islam in front of millions worldwide. I was told that Ali Sina will never accept this live debate offer even after this. Let’s see what is your call on this? Will you still continue giving silly excuses of debating on internet only, after all the excuses given by you for not debating live being done away with. I would just like to conclude that If you decline then readers can make their own mind about your authenticity.”

    Waiting for your response.

    Huzefa Kazi

    P.S: Personal Appeal:- Apart from sending this letter to you, I am also sending it to the IRF representative, Mr. Nisar Nadiadwala on his personnal email-id along with other domains of IRF, putting their names in CC, so that you can reply to all. While publishing this letter on your site please remove all the email ids from the CC for the purpose of spam protection.

    তার পর আলী বাবা কি কয় দেখুইন…..

    <blockquote>I said I will debate in public, with one simple condition that Dr. Naik defeat me in writing first.  Can you explain why this is so hard?</blockquote>

    জোকার যদি হের লগে চেট ই করে দেশ বিদেশ ঘুরবো কখন, জোকারের তো এখনও সাহস বল ২টাই আছে, আলি চিনাল টাইপ প্রতিবন্ধি না, যাক আমার কমেন্ট বাদ বাকিটা পড়েন, দেখেন দেখি মিল আছে কিনা আপনাদের সাথে, হে হে হে । শত হলে ও আপনারার গুরু মানু{ষ} মাগে

    Huzefa Kazi:
    Mr Ali Sina,

    Why did you not post my entire letter which I had written to you giving comments to your previous replies step by step. You just pasted my comments removing your replies so that readers cannot understand the context of my statements. This is the way you quote things out of context to prove islam wrong. This is the reason you want email chat so that you can play around with the transcripts to suit your dirty tricks. You claim your self to be a charlatan of humanity but you couldn’t consider my simple request of not to publish email Ids for spam protection.

    Ali Sina: You repeated everything that was written in this same page.  That makes the page too long. Why don’t you just quote just the part that you want to respond to?

    I tweaked the email addresses by replacing @ with (at) so you won’t get spammed, but it is important to publish them as Muslims often accuse me of fabricating  correspondences to make my opponents look silly.

    Huzefa Kazi: In your previous letter you had said “Several Muslims asked me to debate with Dr. Zakir Naik. The following correspondence should make it clear that I am ready and it is Dr. Naik who is unwilling to debate.” And now you say “My job is done. I am not seeking debates with Dr. Naik.” Now every body can recognize your hypocritical stance.

    Ali Sina: I never sought debate with Dr. Naik. I said I am ready to debate with anyone including Dr. Naik and I even sent him an email letting him know that because of so many requests from Muslims I am ready to debate in writing.  I have not changed my position.

    However, since I have already started this debate by writing an entire book refuting Dr. Naik, the ball is now in his court.  My job is done. It is up to him to respond.

    Huzefa Kazi: You say “Despite all that, I have expressed my readiness to confront Dr. Naik in person and in public, even if that public is in Pakistan “. Ali Sina Boosting is free which you do so convincingly. You had given various excuses for not debating live, about your safety, less time, not showing your ugly face and cost. we took care of all these excuses and gave you a proposal. And as exactly I was told, you refused.

    Ali Sina: I said I will debate in public, with one simple condition that Dr. Naik defeat me in writing first.  Can you explain why this is so hard?  It does not have to be long.  Just pick up any of my charges against Muhammad and write a couple of pages and prove I am mistaken.  If you can do that I will come to wherever you want.  Is this not fair?

    It is more than fair. However, you know that this condition is impossible. You guys know about my challenge for a long time and if you could have refuted any of my charges against Muhammad you would have done it by now.

    Huzefa Kazi: After reading your articles, I thought that may be there is some truth in what this man is saying and he will accept the challenge. I had sent you a letter as per my discussion with Research department in IRF. But now I have come to the conclusion that you are a liar and Dr Zakir Naik is not required to debate with a rat like you, as we dont require to fire a cannon to kill a mouse. I think any good Muslim can defeat you, Inshallah, but again the condition is the same “on TV camera” so that you have chance to eradicate Islam as per your mission. On internet you dont have much of a chance to reach out millions.

    Ali Sina: I do not need to reach millions. All I have to do is kick-start the movement. The movement will run by its own momentum. I do not seek to be the center of anything. There are many other wonderful ex-Muslims who are doing what I do in their own way. Many of these friends once argued with me for years and now they are my allies. Some of them may even disagree with me on my methodology. That is fine. We do not have to agree on everything. I am not after followers. The point is that Muslims are waking up and they are rising to the challenge to awaken other Muslims.

    Huzefa Kazi: You will never ever get ready to debate live because once your lies are exposed in front of millions of viewers you will have to close down your lucrative business of collecting donations from Jewish and christian lobbies.

    Ali Sina: I told you the condition. First you must prove me wrong in writing and then I will meet you anywhere.  I suppose you know that is impossible. There are more than half a dozen websites set up exclusively to refute me. None of them has been able to refute anyone of my charges.  You do not need so many websites. All you need is one good article that disproves, not all, but one of my charges in a logical and definitive way.

    I am going to make an offer to Dr. Naik that if he truly believes Islam is true and he can prove it, he should not hesitate to accept.  I am proposing that Dr. Naik and I, debate on several topics and then publish that debate as a book. The book can be about 100,000 words (50,000 words each). This would be a great opportunity to set the records straight and let truth win over falsehood. Does he accept this offer?  I know that if any Muslim scholar makes such an offer to me, I will jump on it.

    Huzefa Kazi: As far as debating Sam Shamoun is concerned, IRF gets lots of letters asking Dr. Naik to debate with them. Dr Naik is not free to debate with each and every Tom, Dick and Harry in the world who stands up to challenge him.

    Ali Sina:  Sam Shamoun is not every Tom, Dick and Harry.  He is a scholar whose knowledge of Islam surpasses many Muslim scholars including that of Dr. Naik. Dr. Naik is a good orator, but scholar he is not. His analysis of facts is very superficial. It was funny to listen to Dr. Naik saluting Yazid ibn Mu’avia with “may Allah be pleased with him.”  This shows the shallowness of this man’s knowledge.  Yazid did not even consider himself to be a Muslim. He simply ruled a nation of fools. I don’t say Hussein whom he killed was a better person, but Hussein was a grandson of Muhammad, while Yazid was the grandson of Abu Sufyan the archenemy of Muhammad. It takes a very ignorant Muslim to salute the non believing murderer of the grandson of his prophet with “may Allah be pleased with him.”

    Sam knows Islam better than Dr. Naik. He is also a great orator. He is a Christian and not an apostate of Islam and although it does not mean that he is completely safe, there are no fatwas against his life.

    আহারে ভাইডি ভালা মানুষ ইয়াজিদ খ্রাপ কইছে,

    লিংক টা ও দেই কারন আপনারাও তো বলবেন আনেক কিচু ,waiting…..॥

    http://www.faithfreedom.org/debates/ZakirNaikp2.htm

  12. 5
    সাকিব

    আচ্ছা, কেউ যদি প্রশ্ন করে, আল্লাহ কী বর্তমান দাবা খেলার নিয়ম পরিবর্তন না করেই আজকে কারো সাথে খেলে চার চালের কমে খেলা মাত করতে পারবে কিনা? 
    কিংবা যদি বলি, আল্লাহ হার সহ্য করতে পারেন না, কারণ তিনি কখনই আমার সাথে দাবা খেলায় হারবেন না?

    1. 5.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      আপনি এক ব্যাক্তিকে বললেন, “তুমি ঘর থেকে বের হতে পারবে না এই শর্তে ঘর থেকে বের হতে হবে”, এই কথার যেমন কোন অর্থ থাকেনা ঠিক তেমনি ঘরে মাইনাস দশ জন মানুষ আছে এধরনের কথার ও কোন অর্থ নেই।
      উনি নিয়মও পরিবর্তন করতে পারবেন না, আবার জয় করতে হবে কথাটা, ঘর হতে বের হতে পারবেন না, আবার ঘর হতে বের হতে হবে সেই কথার মতই, তথাপি সব থেকে বড় বিষয় আল্লাহ পাক মানুষের কাজ করেন তা আমরা দেখিনা। যেমনঃ আল্লাহ পাক দাবা খেলতে দেখি না, আল্লাহ পাক কে ঘর বানাতে দেখি না, আয়-রুজি করতে দেখিনা, তাই এ সব মানবীয় বিষয় দিয়ে আল্লাহ পাকের অস্বিত্ব কল্পনা করা নিতান্তই শিশু শুলভ। এখানেই যুক্তির মার পেচে শয়তান দিয়ে থাকে। কারন আমাদের মত্বিষ্কে এক সাথে কত গুলো যুক্তিকে নিয়ে নারাচারা করতে পারবে ? বিশাল বিশাল অর্থহীন কথার মধ্যে খানে পরে মানুষ ডুবে যায়, বুঝতে পারে না কথা গুলোরই যে অর্থ নেই।
      আল্লাহ পাক আপনার সাথে দাবা কেন খেলতে যাবেন ? তিনি কি আমার মত মানুষ। যার খেলার কথাই না, তার সাথে হার-জিতের কোন সম্পর্ক নেই। মানুষ মিথ্যা বলে, তাই বলে কি আল্লাহ পাক মিথ্যা বলতে পারেন ? এই প্রশ্ন নিজেকে করেন। তাহলেই সব বুঝতে পারবেন।
      -ধন্যবাদ

  13. 4
    মুহাম্মদ ফয়সল

    ধন্যবাদ ভাই! খুব ভালো লেখা। আরেকটি বিষয়ের অবতারনা করার লোভ সামলাতে পারছি না এখানে। সেটা হলো, মাত্রা বা ডাইমেনশান। আমাদের দৃষ্টির অন্তর্গত পৃথিবীটা হচ্ছে তৃতিয় মাত্রা বা ডাইমেনশনের। চতুর্থ মাত্রা কে ধরা হয় সময়। এমনিভাবে নয়টি মাত্রার উপস্থিতি রয়েছে এখন পর্যন্ত আবিস্কৃত মহাবিশ্বে; অন্ততপক্ষে তা ই ফিজিক্সের বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন। এই মাত্রা বা ডাইমেনশন কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারন, অধিক মাত্রার একটি প্রাণী কম মাত্রার একটি প্রাণীর অবস্থান ও আকৃতি বুঝতে পারে সঠিকভাবে। কিন্তু কম মাত্রার প্রানীর ক্ষেত্রে অধিক মাত্রার প্রাণীটির সেইটুকু সে দেখতে বা বুঝতে পারে যতটুকু তার মাত্রার মধ্যে বিদ্যমান। সে কারনে সে এটার সম্পর্কে ভুল ধারণা করে। যদিও এই দুই লাইনে বিষয়টা বুঝাতে পারবো বলে আমি আশাবাদি নই। কেননা, এই দুই লাইন বুঝতে আমি সময় নিয়েছিলাম তিন বছরেরও অধিক কাল। যাহোক, এই মাত্রার ভিন্নতার জন্যই আমরা অনেক কিছু জেনেও দৃষ্টিগত বা অনুভুতিগত ভাবে বুঝতে পারি না। কিন্তু মাত্রা যদি বাড়িয়ে দেয়া হয় (যেমন আল্লাহ্ তায়ালা পরকালে মুসলীমদের দৃষ্টি থেকে পর্দা তুলে দিবেন যাতে তারা আল্লাহকে দেখতে পারেন- এরকম একটি হাদিস পড়েছিলাম) তখন আর বুঝার ক্ষেত্রে যে প্রতিবন্ধকতা, তা থাকেনা। পরবর্তিতে এ বিষয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ পোস্ট দেওয়ার আশা রাখি। দোয়া করবেন।

  14. 3
    সরোয়ার

    শামস ভাইয়ের সাথে সহমত।

    1. 3.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      আমি এহিয়া উলুম উদ দ্বীন এর সাহায্য নিয়েছি, সারোয়ার ভাই। সামহোয়ার ইন নেটের আলব্রাট আইন্সটাইন নিকে একটি প্রশ্ন করা হয়েছে। তিনি নাকি জবাব পেলে আর জ্বালাবেন না বলে দ্বাবী করেছেন। তার লেখার জবাব তৈরি করার চিন্তা করছি, জবাব পেয়েছি লেখার আকারে সাজাতে হবে ইনশা-আল্লাহ। দোয়া করিয়েন।

  15. 2
    শামস

    কপিরাইট বিষয়ে আপনার ভয় অমূলক নয়।

    সুরা ইখলাসে আল্লাহর রূপঃ

    Say: He is Allah, the One and Only!
    Allah, the Eternal, Absolute;
    He begetteth not nor is He begotten.
    And there is none like unto Him.

    1. 2.1
      ফুয়াদ দীনহীন

      যত মানুষ পড়ল ততই ভাল, এটি বুঝতে পারি। যাদের জন্য পড়ল তারা নিশ্চই তাদের প্রাপ্য নেকী ইনশা-আল্লাহ পাবেন। আমার তাদের উপর কোন অভিযোগ নেই। আমার লেখা সদালাপে কয়জন পাঠকেই মাত্র পড়েছে, কিন্তু তাদের একটি সাইটে দেখলাম ফেসবুক থেকে লগ ইন করে প্রায় ৩৬৫ ব্যাক্তি লাইক দিয়েছে। তারমানে আরো বহু ব্যাক্তি পড়েছে। তাছাড়া সরাসরি ফেইস বুকে যে দিয়েছে, তার থেকেও নিশ্চই, অনেক ব্যাক্তি পড়েছে। তাই তাদের অনেক ধন্যবাদ, একেবারে মন থেকে।

      কিন্তু আমার উপর যেন কেউ চুরির অপবাদ দিতে না পারে, তাও দেখা তাদের দ্বায়িত্ব বলে আমি মনে করি। কিন্তু তাদের উপর আমার কোন রাগ নেই, বরং ভালবাসা আছে। তাই তারা যদি আমার নামটা ঐখানে দিতেন, তাহলেই ভাল হত।

      আল্লাহ পাক সবার ভাল করুন। আমীন।

  16. 1
    ফুয়াদ দীনহীন

    আগের চেয়ে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। এ ধরনের আরেকটি লেখা ইনশা-আল্লাহ খুব শিগ্রই নিয়ে আসার চিন্তা ভাবনা আছে। আপনারা আমার জন্য দোয়া করিয়েন।

    1. 1.1
      মরুঝড়

      জাস্ট একটা অসাধারন লেখা, আমি মুগ্ধ। ধন্যবাদ ভাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.