«

»

May ৩০

নাসেখ-মানসুখ এবং ভণ্ডমনা’র ভবঘুরে সাহেবের ভণ্ডামি – ১

আমাদের বাঙ্গালদেশের সবথেকে মোহ মুক্ত(!) আর আলোকিত সাইট ভণ্ডমনা অবশেষে তার ভণ্ডামির এক অসাধারণ নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। এই সাইটের ফেকনিক ভবঘুরে, তার চমৎকার মনের আর ভণ্ডামির উৎকৃষ্ট সাইট ইসলাম ওয়াচ থেকে বর্তমানে বাঙ্গালদেশকে তার নাস্তিকতা(!) নাকি (সনাতনিকতা) দিয়ে সুরভিত করতে এসে গিয়েছেন তার রচিত "মোহাম্মাদ ও ইসলাম" নামের তের পর্বের এক অসাধারণ সিরিজ। যেটা পড়ে আমাদের বাংলাদেশে সমস্ত অন্ধবিশ্বাসী আর কূপমণ্ডূক মুসলিম ভাইয়েরা চোখ খুলে সবাই বর্তমানে ছুটে চলেছেন আলোকিত নাস্তিকতার দিকে (আর বেমালুম ভুলে গেছেন যে পুরো পর্বটাই মিশনারি থেকে চোথা মারা !)। আমি আজ থেকে এই সমগ্র সিরিজের বিপক্ষ যুক্তিসমূহ প্রকাশ করতে থাকব আর আমন্ত্রণ জানাতে থাকবো আমাদের মনা সাহেবদেরকে নিজেদের যুক্তি প্রদর্শন করার জন্য। 

আমাদের দ্বীন ইসলামে বহু আয়াত আছে যেগুলো অন্য ধর্মালম্বিদের জন্য শান্তি আর তাদের জন্য করুণা করার কথা বলা হয়েছে। এর স্বপক্ষে বহু যুক্তি থাকলেও আমি আজকে সে সব নিয়ে আলোচনা করব না, তবে যেগুলো বিশেষ করে মনা সাহেব তার আর্টিকলে উল্লেখ করেছেন শুধু তারই বিপরীত যুক্তি দিব। আমার কারো ব্যক্তিস্বাতন্ত্র আর মতপ্রকাশে বাধা দেবার অথবা তাদের প্যাচালকে নিয়ে মাথা ঘামানোর ইচ্ছা না থাকলেও আমাদের ধর্ম ইসলাম আর তার নবীকে নিয়ে যে মিথ্যাচার সে করছে এইজন্য সরাসরি তার নামউল্লেখ করেই তার যুক্তিখণ্ডন করব আমি। 

তার সুবিশাল প্রবন্ধের এক অংশে এসে তিনি বেশ কিছু আয়াতের বর্ণনা দিয়েছেন আর বলেছেন এগুলো রহিত আয়াত তাহলে দেখা যাক একনজরে তাদের এই রহিত আয়াত সমূহকে-

১) তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্যে এবং আমার ধর্ম আমার জন্যে। কোরান, কাফিরুন- ১০৯:০৬ (মক্কায় অবতীর্ণ)

দ্বীন নিয়ে কোন বাড়া বাড়ি নাই। সূরা-বাকারা, ০২:২৫৬ (মদিনায় অবতীর্ণ)

কিন্তু তিনি বলেছেন এই আয়াতসমূহ নিচের আয়াতসমুহের দ্বারা বাতিল হয়ে গেছে,

যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। সূরা আল ইমরান, ০৩:৮৫ মদিনায় অবতীর্ণ

অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। আ ত-তাওবা, ০৯:০৫মদিনায় অবতীর্ণ

তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে। আত তাওবা, ০৯:২৯ মদিনায় অবতীর্ণ

তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও। অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহর পথে হিজরত করে চলে আসে। অতঃপর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর। তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না। সূরা-নিসা, ০৪:৮৯ মদিনায় অবতীর্ণ

(২) নিঃসন্দেহে যারা মুসলমান হয়েছে এবং যারা ইহুদী, নাসারা ও সাবেঈন, (তাদের মধ্য থেকে) যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও কিয়ামত দিবসের প্রতি এবং সৎকাজ করেছে, তাদের জন্য রয়েছে তার সওয়াব তাদের পালনকর্তার কাছে। আর তাদের কোনই ভয়-ভীতি নেই, তারা দুঃখিতও হবে না। সূরা বাকারা, ০২:৬২ মদিনায় অবতীর্ণ

উক্ত আয়াত রদ/বাতিল হয়ে গেছে নিম্নোক্ত আয়াত দ্বারা,

যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। সূরা আল ইমরান, ০৩:৮৫

এটা বুঝতে ফকিহ হওয়া লাগেনা যে ভ্যাগাবণ্ড সাহেবের কুরআনিক অর্থ কেমন ভাবে প্রকাশ করতে হয় কোন্‌ দিক থেকে এটাকে ধরতে হয় কী কী আয়াতকে একসাথে নিয়ে সজাতে হয় এ ব্যাপারে বিন্দুমাত্র ধারণা নাই। এমনকি কোন আয়াত রদ হয়ে গেছে ইসলামি মুফতিদের ভাষ্য মতে সেটাও তিনি জানেন কিনা সন্দেহ! হ্যাঁ কিছু মুফতি এমনও বলেছেন যে ৯:২৯ এর ফলে ১২৩টা কুরআনিক আআত রদ হয়ে গেছে কিন্তু এর গ্রহণযোগ্যতা ইসলামের পণ্ডিতদের কাছে কতখানি সেটা কি ভবঘুরে সাহেব জানেন?

আচ্ছা তিনি বললেন যে ২:৬২ রদ হয়ে গেছে ৩:৮৫ এর দ্বারা কিন্তু মুসলিমদের অন্যতম সাইট Answering Christianity এর স্কলারেরা কিন্তু এটা বলছেন না।
তারা কি বলছেন একটু দেখা যাক, ইহুদি ধর্মের ব্যক্তিদের কুরআনে মর্যাদা দেখাতে তারা এটা ব্যবহার করছেন,

"Of the people of Moses (i.e., the Jews) there is a section who guide and do justice in the light of truth." (The Noble Quran, 7:159)

"It was We who revealed the law (to Moses): therein was guidance and light. By its standard have been judged the Jews, by the prophets who bowed (as in Islam) to God's will, by the rabbis and the doctors of law: for to them was entrusted the protection of God's book, and they were witnesses thereto: therefore fear not men, but fear me, and sell not my signs for a miserable price. If any do fail to judge by (the light of) what God hath revealed, they are (no better than) Unbelievers." (The Noble Quran, 5:44)

"Those who believe (in the Quran), and those who follow the Jewish (scriptures), and the Christians and the Sabians,- any who believe in God and the Last Day, and work righteousness, shall have their reward with their Lord; on them shall be no fear, nor shall they grieve." (The Noble Quran, 2:62)

কি আশ্চর্য! আমাদের স্কলার মুফতি এরপরে অনলাইন লেখকেরা যেটাকে ভুল বলছেন না সেটাকে ভবঘুরে সাহেব ডাইরেক্ট তকমা লাগিয়ে দিচ্ছেন মানসুখ এর!!!! উনি তো দেখি আমাদের মুফতি সাহেব্দের থেকেও বেশী জ্ঞানী!

আচ্ছা ভবঘুরে সাহেব আপনার কি মনে হয় ইসলাম আমাদের নবীর আমলে হঠাৎ আকাশ থেকে হামলে পড়া কোন ধর্ম? যে আপনি বলছেন যে ৩:৮৫ আয়াত ২:৬২ কে ভুল প্রমাণিত করছে? আপনার জ্ঞাতার্থে বলে রাখি যে এখন অমুসলিম স্কলাররাও স্বীকার করেন যে হানিফরা প্রায় ইব্রাহীম নবীর সময় থেকেই মক্কাতে বিদ্যমান ছিল। তো এর মানে কি দাঁড়ায়? ইসলাম সেই ইব্রাহীম (আঃ) এর সময় থেকেই চলে আসছে, আর এর বাইরে কোন ধর্ম বলতে গেলে কি প্যাগান ধর্ম ছাড়া আর কোন ধর্ম থাকে?(এর তাফসীরের ব্যাখা আমি এখানে দিলাম না সবার মতামত শোনার পরেই দেয়া হবে ওটা।)

এরপরে তিনি ইচ্ছা মত ত্যানা পেঁচালেন আর এরপরে দেখালেন আমাদের ইসলাম কত রক্তপিপাসু (হায় আল্লাহ আমি তো ইসলাম এর বই ৭ বছর বয়স থেকে আজ ১৪ বছর ধরে পড়ি। আমি ক্যামনে মানুষ আছি আমার তো রক্তচোষা হবার কথা)!

আচ্ছা দেখি হাসি তামাশা বাদ দিয়ে এরপরের আয়াতসমূহকে।

তিনি এরপরে কিছু মদ্যপান সংক্রান্ত আয়াত সমূহ (যেগুলতে মদ ক্রমে ক্রমে বিলুপ্ত করার কথা বলা হয়েছে) দেখিয়ে তার বক্তব্যকে একটা পাকা স্থান দিতে চেষ্টা করলেন এবং কুরআনের আয়াত বাতিল হয়ে যাবার রেফারেন্স হিসেবে কিছু সাইট দেখালেন (ভাল কথা যদি বাতিল হয়েই থাকে আমাদের মেনে নিতে দোষ কোথায়?) আচ্ছা সাইট সমূহ দেখা যাক-

http://wikiislam.net/wiki/List_of_Abrogations_in_the_Qur%27an

http://www.answering-islam.org/Quran/abrogatedverses.html

http://www.answering-islam.org/Silas/abrogation.htm

http://www.sikhphilosophy.net/islam/1754-abrogated-verses-in-the

কি আশ্চর্য কথা এখানে একটাও ইসলামি সাইট এর নাম গন্ধ পর্যন্ত নেই তাহলে কি আজকাল মুসলমানেরা নাসেক মানসুখ এর ভার অমুসলিমদের এমনকি মিশনারিদের হাতে তুলে দিয়েছেন?

এরপরে আমি দেখি আরও কিছু মিশনারি সাহেবদের বক্তব্য। তো তারা ইবনে আরাবি এর একটা কথা থেকেই এটা মনে করে নেয় যে ইসলামে ৯:২৯ এর ফলে ১২৩ টা আয়াত রদ হয়ে গেছে যাতে বলা আছে,

অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। আ ত-তাওবা, ০৯: ০৫মদিনায় অবতীর্ণ

তো এখানে বলা হয়েছে কি আর উনি বুঝেছেন কি! আচ্ছা এর একটা উদাহারন দেয়া হল একটু নিচে সেটা দেখা যাক

এই আয়াতটাকে বলা হয় আমাদের ইসলামের সবথেকে সহিংস আয়াত তবে আমাদের ভবঘুরে সাহেবেরা এই সামান্য জিনিসটাও ভুলে যান যে কুরআনের অর্থ কিভাবে ধরতে আর করতে হয়।

উক্ত [9:5] আয়াত বুঝতে হলে আপনাকে 'আয়াতের পটভূমি+নূন্যতম ১ থেকে ১২ আয়াত বুঝে (না বুঝলে তাফসিরসহ or contact specialist) পড়তে হবে।

পটভূমি: এই সূরাতে আলোচনা করা হয়েছে যে, যদি শত্রুরা সম্পাদিত চুক্তি লঙ্ঘন করে এবং বিশ্বাসঘাতকতা করে- তখনকার করণীয় কর্তব্য। এটা সর্বজন স্বীকৃত সত্য যে শত্রুপক্ষ চুক্তি ভঙ্গ করলে তা মেনে চলার দায়িত্ব অন্যপক্ষের থাকে না। ইসলাম তবুও চুক্তিভঙ্গের পরে চারমাস সময় প্রদানের পক্ষে। এই মেয়াদ দেয়া হবে অনুতাপ করার জন্য। ভুল বুঝতে পেরে যদি কেউ মুসলমানদের কাছে ফিরে আসতে চায়, তাদের সে সুযোগ দান করার জন্য মুসলমানদের সখ্যতার হাত সদা-সম্প্রসারিত থাকবে। কিন্তু এরপরেও যদি কেউ অনুতপ্ত না হয় তবে সর্বশক্তি দ্বারা শত্রুদের আক্রমণ করতে হবে। এই-ই হচ্ছে এই সূরার সাধারণ নীতিমালা। আয়াত (১-২৯) পর্যন্ত রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ কর্মপন্থা (State Policy) সম্বন্ধে ঘোষণা করা হয়েছে। এই আয়াতগুলিতে যেসব কর্মপন্থা (Policy) ঘোষণা করা হয়েছে তার সময়কাল ছিল ৯ই হিজরী সন, সওয়াল মাস এবং তা সর্বসমক্ষে ঘোষণা করেন আলী (রাঃ)। এইসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি ঘোষণার জন্য তিনি হজ্জ্বের ময়দানকে বেছে নেন। যদিও আয়াতগুলি অবতীর্ণ হওয়ার দু'মাস পরে তিনি তা করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ পলিসিগুলি যাতে ব্যাপকভাবে প্রচার লাভ করে সে কারণেই আয়াতগুলি অবতীর্ণ হওয়ার দু'মাস পরে হজ্জ্বের ময়দানে তা প্রচার ও প্রকাশ করা হয়।

এরপরে দেখা যাক এই আয়াতের সম্পূর্ণ প্যারা বা ব্যাখামূলক আয়াত সমূহকে,

০১, আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে দায় মুক্তি এর ঘোষণা সেই সব মুশরিকদের সাথে, যাদের সাথে তোমরা পারস্পরিক চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছিলে।

০২, সুতরাং তোমাদের [ইচ্ছা অনুযায়ী] দেশের মধ্যে চারিমাস ভ্রমণ কর কিন্ত জেনে রেখ যে [তোমাদের মিথ্যা দ্বারা] তোমরা আল্লাহকে পরাজিত করতে পারবে না। পক্ষান্তরে, যারা আল্লাহকে প্রত্যাখ্যান করে তাদের তিনি অপমানিত করবেন।

০৩, মহান হাজ্জের [মহাসমাবেশে] আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে মানুষের জন্য ইহা এক ঘোষণা , যে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে মুশরিকদের সাথে অঙ্গীকারের [চুক্তির] অবসান করা হলো। এরপর যদি তোমরা অনুতাপ কর তবে তা হবে তোমাদের জন্য সর্বোচ্চ কল্যাণ; কিন্তু যদি তোমরা মুখ ফিরাও তবে জেনে রাখ, তোমরা আল্লাহকে পরাজিত করতে পারবে না। যারা ঈমানকে প্রত্যাখ্যান করে তাদের ভয়াবহ শাস্তির ঘোষণা দাও।

০৪, তবে মুশরিকদের মধ্যে যাদের সাথে তোমরা মিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধও পরবর্তী তে যারা তোমাদের মিত্রতা রক্ষায় কোন ত্রুটি করেনি এবং তোমাদের বিরুদ্ধে কাউকে সাহায্য করে নাই; তাদের সাথে [চুক্তির] অবসান হয় নাই। সুতরাং তাদের সাথে তোমাদের চুক্তির মেয়াদ পূর্ণ কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ পূণ্যাত্মাদের ভালোবাসেন 

(এবার আসলো আমাদের সেই আয়াতটা যেটাকে ভবঘুরে সাহেব নাসেক বলেছেন)

০৫, অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে ১২৫০ তারপরে যুদ্ধ কর, এবং মুশরিকদের যেখানে পাও হত্যা কর , এবং তাদের বন্দী কর, তাদের অবরোধ কর শত্রুকে [যুদ্ধে] ফাঁকি দেয়ার জন্য ওঁৎ পেতে অপেক্ষা কর। কিন্তু যদি তারা অনুতপ্ত হয়  এবং নিয়মিত সালাত কায়েম করে এবং যাকাত দেয়, তবে তাদের পথ ছেড়ে দেবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।

০৬, যদি মুশরিকদের মধ্যে কেউ  মধ্যে কেহ তোমার নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করে, তাকে মঞ্জুর করবে যেনো সে আল্লাহর বাণী শুনতে পায়। অতঃপর তাকে তার নিরাপদ স্থানে পৌঁছিয়ে দেবে ।

০৭, যাদের সাথে তোমরা মসজিদুল হারামের নিকটে বসে পারস্পারিক চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছিলে তারা ব্যাতিত আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নিকট মুশরিকদের সাথে চুক্তি কিরূপে বলবৎ থাকবে? যতক্ষণ পর্যন্ত তারা বিশ্বস্ত থাকবে তোমারও তাদের প্রতি বিশ্বস্ত থাকবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পূণ্যাত্মাদের ভালোবাসেন ।

০৮, [এরূপ চুক্তি]  কিরূপে হতে পারে? যখন তারা তোমাদের উপর সুবিধা লাভ করে তখন তারা তোমাদের আত্মীয়তার ও অংগীকারের কোন মর্যাদা দেয় না । তাদের মুখের [মিষ্টি কথা] দ্বারা তারা তোমাকে বিপথে চালিত করে। কিন্তু তাদের হৃদয় থাকে বিমুখ। এবং উহাদের অধিকাংশ বিদ্রোহী এবং সত্যত্যাগী।

০৯, বিশ্বাসীদের সাথে যারা আত্নিয়তার অথবা অঙ্গীকারের মর্যাদা রক্ষা করে না। এরাই সকল সীমা লঙ্ঘন করেছে।

১০, কিন্ত [এর পরেও] যদি তারা অনুতপ্ত হয় নিয়মিত সালাত কায়েম করে, এবং যাকাত দেয়, [তবে] তারা তোমাদের দ্বীন সম্পর্কে ভাই। [এভাবেই] যারা বুঝতে পারে তাদের জন্য নিদর্শনসমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেছি।

১১, কিন্তু এরপরেও যদি তারা চুক্তি ভঙ্গ করে এবং তোমাদের দ্বীন নিয়ে বিদ্রুপ করে ; [তবে] অবিশ্বাসীর প্রধানদের সাথে যুদ্ধ কর। কারণ তাদের শপথের কোন মূল্য তাদের নিকট নাই। এভাবেই যেনো তারা নিবৃত্ত হয়।

১২, যারা নিজেদের শপথ ভঙ্গ করেছেরাসূলকে বহিষ্কারের জন্য চক্রান্ত করেছে  এবং প্রথম তোমাদের বিরুদ্ধাচারণ [শুরু] করেছে, তোমরা কি সেই সম্প্রদায়কে ভয় পাও? যদি তোমরা [প্রকৃতই] বিশ্বাসী হও, তবে আল্লাহ-কে ভয় করাই তোমাদের পক্ষে অধিক সমীচিন।

এখন দেখানো হোক এই আয়াতটা কোন্ দিক থেকে ওই পূর্ববর্তী আয়াত সমুহের খণ্ডনকারী। আমি মুক্তমনা সাহেবদেরকে এই আয়াত সমন্ধে এবার তাদের পণ্ডিতিপূর্ণ মতবাদ ব্যক্ত করতে বলছি। নিচে সূত্রও দিলাম।

যারা আরো বিস্তারীত জানতে চান তারা নিম্নোক্ত সাইটে গিয়ে আয়াতের সংখ্যা চিহ্নিত টীকাগুলা পড়ুন।

http://www.quranandtafsir.com

এবার তাহলে একটা প্রশ্ন জাগে যে ইসলাম ধর্মে কি মানসুখ বলে কোন আয়াতই নেই? না আছে অবশ্যই আছে তবে মানসুখ যে একবারে ১০০% পূর্ববর্তী আয়াতকে ধ্বংস করে দেয় (কুরআনের ক্ষেত্রে) তা নয় বরং সেটা একটা সংক্ষিপ্ত বিধানকে পূর্ণাঙ্গ করে তোলে সেটা এর আগের আয়াত এর একটা রিজিড ব্যাখা দিয়ে দেয় আর এর পূর্বের আয়াতকে অনেকটা দুর্বল করে দেয়। যেহেতু কুরআনের আয়াত সমূহ একটা চলমান ধারার মধ্যে দিয়ে গেছিল আর এই ধর্ম এটাই প্রমাণ করতে এসেছিল যে মানুষের জন্য ধর্ম আর মানবতার জন্য ধর্ম এটাই ইসলামের স্লোগান। এইজন্যই এটাকে সহজ থেকে সহজতর করে বিধান প্রণয়ন করা হয়েছে যেন আমাদের মানতে কষ্ট না হয়।

আচ্ছা এখন কুরআনের মানসুখ আয়াতের ব্যাপারে কিছু কথা শোনা যাক এই সাইট থেকে-

http://qa.sunnipath.com/issue_view.asp?HD=7&ID=2656

তবে যেহেতু এই লেখা ম্যামথ আকার ধারণ করতে যাচ্ছে সে জন্য আমি শুধু শেষ স্কলার যিনি এর ব্যাপারে সবথেকে সঠিক বলেছিলেন বলে প্রচলিত তাঁর কথা বলব। তাঁর নাম হচ্ছেন Shah Waliullah তিনি একজন ইন্ডিয়ান স্কলার তাঁর ব্যাখা আর ভাষ্য অনুযায়ী কুরআনে মানসুখ আর নাসিকের সংখ্যা দশটির বেশী না আর সেগুলকে নিচে দেয়া হল-

মানসুখ 2:180 নাসিখ 4:11, 12
মানসুখ 2:240 নাসিখ 2:234
মানসুখ 8:65 নাসিখ 8:62
মানসুখ 30:50 নাসিখ 33:52

মানসুখ 58:12

নাসিখ 58:13

এরপরেও কোন মুক্তমনা ত্যানা পেচাইতে চাইলে তার কান ধরিয়া আলোচনার বাইরে নিয়া যাবার ইমো আর তাদের বালেগ হবার জন্য অপেক্ষা ছাড়া আর কিছুই করার নাই আমার। হেঃ হেঃ

৩৬ comments

Skip to comment form

  1. 10
    যুবায়ের আহাম্মেদ

    হুম….
    পড়লাম ভালোই লাহলো তবে আমার মনে হয় শানে নুযুল উল্লেখ করলে এমন পরিস্থিতির উদ্রেক হতোনা।।

  2. 9
    আব্দুল হক

    তিনি গণিমতের মালের উপর নির্ভরশীল ছিলেন কিভাবে বুঝলেন? এখানেতো নির্ভরতার কোন কথা নেই। আর যদি নির্ভর করতেই হয় তাইলেতো আল্লাহকেও নির্ভর করতে হয়। একটু বুদ্ধি খাটান!
    বুদ্ধি তো খাটাতে চেষ্টা করছি কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারছি না যে যখন বিবি খাদিজা মারা যান, তার পর একসময় এক সাথে নবিজীর ৯ টা স্ত্রী ছিল মদিনাতে তখন তার এতবড় পরিবার কিভাবে চলত ? না খেয়ে তো আর চলত না নিশ্চয়ই। আবার একটা হাদিসে দেখা যায় যখন নবিজী মারা যান তখন তার বর্ম বন্ধক ছিল এক ইহুদির কাছে খাবারের বিনিময়ে অথচ অন্য একটা হাদিসে আছে যে ফাদাক ও খায়বারে নবিজীর যে সম্পদ ছিল যা তিনি তার জীবনকালে ছদকা করে যান, পরে তার মেয়ে ফাতিমা ও তার স্বামী আলী আবু বকরের কাছে ফেরত চান, আবু বকর ফেরত না দেয়াতে ফাতিমা ভীষণ রাগ করে ফিরে যান, আমৃত্যু তিনি আর আবু বকরের সাথে কথা বলেন নি। পরে ওমর তা ফেরত দেন আলীকে কিছু শর্তের বিনিময়ে। যিনি সামান্য কিছু খাবারের জন্য বর্ম বন্ধক দেন , তার আবার এত সম্পদ কোথা থেকে আসে, আবার এত সম্পদ থাকার পর তাকে বর্ম বন্ধক রেখে খাবার সংগ্রহ করতে হয়। ভাই এ জটিল অংকটা তো ভাই মিলাতে পারছি না। একটু মিলিয়ে দেন দয়া করে।
     
    একবারও আপনার মনে হয় নাই অনুসন্ধান করা কেন একটি সুরার দরকার পড়ল?
     
    লুট পাটের মালামাল ভাগাভাগি করতে তো একটা বিধান দরকার , না হলে তো কাড়াকাড়ি করে নিজেদের মধ্যেই মারামারি বেধে যাবে, তাই এ বিধান , এটা বুঝতে কি বিরাট ইসলামি স্কলার হওয়ার দরকার পড়ে নাকি ? একবার তো লুটপাটের মাল ভাগাভাগি নিয়ে মদিনাবাসীদের সাথে মক্কার মুহাজিরদের বড় রকমের মারামারি লেগে গেছিল, পরে নবীজি তা সামাল দেন। দরকার হলে এসবের দলিল দাখিল করব। তবে আশা করি এসব ঘটনা আপনাদের জানা আছে।
     
    নিজের অজ্ঞতা এভাবে দেখালে যদি ভাল মনে করেন তাহলে আর কি বলা যায়। আপনিতো কিছু শুনছেনও না নিজের মত করেই বলে যাচ্ছেন।
     
    অজ্ঞতা আমার নাকি আপনাদের বা আমি নিজের মত বানিয়ে কিছু বলছি কি না  তা যারা এ বিতর্ক পাঠ করছেন তারা ভালই টের পা্চ্ছেন, আপনার এত দু:শ্চিন্তা করার কোন কারন দেখি না। সম্ভবত: এসব বিতর্ক থেকে অনেকেই নতুন করে অনেক  কিছু জানতেও পারছেন যা আপনারা সব সময় গোপন করে যান।
    কোরানের কিছু আয়াত লিখে মনের মাধুরী মিশিয়ে উলটাপালটা যা ইচ্ছে বলে যাচ্ছেন
     
    লিখি তো কোরানেরই আয়াত না কি ? নিজের কথা তো আর লিখি না।  আর ব্যখ্যা ? কোরান তো এমন একটা গ্রন্থ যার সব কথা সুস্পষ্ট ও পরিস্কার -- তাহলে আমি একরকম , আপনি অন্যরকম ও অন্য একজন আরেক রকম অর্থ করে কিভাবে , এরকম বহু অর্থ হয়ই বা কিভাবে ? আপনার আমার কথা বাদ দিলেও মুসলিম জাহানের বিখ্যাত সব পন্ডিতদের করা অর্থের মধ্যেও তো বহু অমিল, তাহলে কোরান পরিস্কার গ্রন্থ হলো কি করে ? আর আপনার করা অর্থই যে সঠিক তার গ্যারান্টি কি ? আপনার কাছে তো জিব্রাইল আয়াত পৌছে দেয় নি। নাকি গায়ের জোরে নিজের করা অর্থকে অন্যদেরকে গিলাতে চান ? এখন গায়ের জোরের দিন শেষ , সেটা এখনো উপলব্ধি করতে পারেন নি ভাই।
     
     

    1. 9.1
      এম_আহমদ

      কমেন্ট 1.  Al-Murshed blog:  আব্দুল হক।
      হাদিস ছাড়া মহানবী(সা:) ও তার স্ত্রীদের সম্পর্কে  জানার উপায় কি ? কোরানে তো কোথাও তার কতজন স্ত্রী একথা লেখা নেই। … হাদিস ছাড়াও তার যে জীবনি গ্রন্থ আছে সেটাও তো অনেক পরে লেখা হয়েছিল। খোদ কোরানও তাঁর জীবদ্দশায় সংকলিত হয় নি। … সেই সংকলনের বিষয়টি জানার সূত্র কি? … তাহলে উপায় কি? … যদি বলেন কোরান থেকে জানতে হবে, তার আগে প্রমান করতে হবে কোরান যথাযথভাবে সংরক্ষিত হয়েছিল। তারও আগে প্রমান করতে হবে মোহাম্মদ(সা:) বলে একজন নবী আরব দেশে আগমন করেছিলেন।
       
      উপায় নাই গোলাম আলী, উপায় নাই!  যে মুহাম্মদের ঐতিহাসিক অস্তিত্বের প্রমাণ নেই, তার স্ত্রীই কয়জন, সম্পদই বাকি, গনিমতই কি? তিনি নবীই বা হন কীভাবে? এগুলোর ঐতিহাসিকতা কি সত্য? আরে, ]রাখেন এগুলো। এবারে  বলুন আপনি ধর্মের লোক? চলুন আপনারটা বিবেচনা করি। দেখি, আপনার সাথে চলা যায় কি না। শুরু করেন।

    2. 9.2
      কিংশুক

      @ আব্দুল হক, ঐতো আবার নোংরা মনের আলি সিনা বাহিনীর সদস্য হিসাবে নিজের পরিচয় করিয়ে দিলেন। চিন্তা করে দেখেন, যে নবীজি (সা:) মক্কার এত বড় ব্যবসায়ী ছিলেন, আবু বকর(রা:)সহ তাঁরা কেন নিজেদের সর্বস্ব ইসলামের পথে বিলিয়ে দিলেন; যাঁরা মক্কার সম্ভ্রান্ত বংশীয়, ধনী ব্যবসায়ী- বংশীয় পুরোহিতগিরি যাদের সারা জীবনের স্বচ্ছলতার নিশ্চয়তা দিচ্ছিলো তাঁরা কেন এক আল্লাহর ডাক দিয়ে আত্মীয়-পরিজন হতে শুরু করে সবার নির্যাতন,নিগৃহন, অবরোধ, দিনের পর দিন নিজেদের স্বর্বস্ব ছেড়ে মরুভূমির বুকে না খেয়ে, না ঘুমিয়ে, জীবনের শংকা নিয়ে চরম অনিশ্চিত জীবনকে হাসিমুখে মেনে নিয়েছিলেন ? প্রানাধিক প্রিয় স্ত্রী, সন্তানের জীবনের হুমকিও গ্রাহ্য করলেন? কেমন করে ইসলামের জন্য নিজেদের অঢেল সম্পদ বিলিয়ে দিয়ে নিজের পরিবারকে পথের ফকির বানানোর ঝুঁকি নিয়েও জেহাদে অংশগ্রহন করেছেন? পৌঢ়, নিরীহ,সহজ-সরল,ভালো ব্যাক্তিরা যাঁরা সারাজীবন কোন রকম যুদ্ধ শিক্ষা ব্যাতীত, কষ্ট করে দুর-দুরান্তে গিয়ে ব্যাবসা করেই জীবিকা নির্বাহন করতেন তাঁরা ৪০-৫০ বছর বয়সে কোন আত্মবিশ্বাসে বীর-বিক্রমে তরুন-প্রশিক্ষিত যোদ্ধাদের বিরুদ্ধেও জীবনপন যুদ্ধ করতে পিছপা হন না, তৎকালীন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সাম্রাজ্যের সম্রাটগনকেও যাঁরা এক বিন্দু ভয় না, সবাইকে এক আল্লাহর দাওয়াত দেন; যিনি একজন এতিম, শিক্ষার সূযোগ হতে বন্চিত, ছোটবেলা হতে জীবন সংগ্রামের লিপ্ত কিন্তু যাঁর সততা,সত্যবাদিতা,অনুপম আচার-ব্যবহার মক্কার কাফেররাও কখনোই অস্বীকার করতে পারে নাই সেই ব্যবসায়ী খাদিজা(রা:) এর জীবনের, ব্যবসার সংগী হিসাবে তো খুবই সুখেই ছিলেন কেন তিনি সব জাগতিক নিশ্চিত সুখ বাদ দিয়ে হঠাৎ করে এক আল্লাহর ডাকে নিজের জন্য অনিশ্চিত, কঠিন সংগ্রামের জীবন বেছে নিলেন, বাস্তবতা যাচাইয়ে তখন তাঁর সফল হবার সম্ভাবনা ছিলো শুন্যের কোঠায় কারন পুরো মক্কার অভিজাত সম্প্রদায় তাঁর বিরুদ্ধবাদী ছিলো, নিশ্চিতভাবে প্রভাবশালী ইহুদি, খ্রিস্টান গোষ্ঠীও অচিরেই তার শত্রু হওয়া সময়ের ব্যাপার ছিলো! যিনি এক বাক্যে রাজা হবার প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন কেবল আল্লাহর সাথে শরীক স্বীকার করার জন্য  তাহলে কি তিনি উম্মাদ, আছরগ্রস্থ ব্যাক্তি ছিলেন? সেটা হলে তো আর হঠাৎ করে পৃথিবী সেরা যোদ্ধা, কুটনৈতিক,সমর কৌশলি, নেতা, শাসক হওয়া অসম্ভব ছিলো। এগুলো বুজতে আলি সিনার মতো ইঁদুরের ঘিলূর সমান প্রানী হলেই কেবল "লুটপাটের মালামাল" তত্ত্ব সামনে আসবে। আরে নিবোর্ধ এরই নাম ঈমান! ঈমান যার তার কপালে থাকেনা, মহান আল্লাহ পাক যার প্রতি রহম করেন কেবল সেই ঈমানের অতিন্দ্রিয় অনুভূতির সাধ পেতে পারে কিন্তু নোংরা মনের মানুষ যাদের মনে সারাক্ষন দুনিয়ার ধন-সম্পদের লিপ্সা, সেক্সের চিন্তা ঘুরপাক খায়, দুনিয়ার ভোগবাদিতা যাদের শরীর-মননের সাথে আষ্টেপৃষ্ঠে মিশে আছে তাদের পক্ষে ঈমান বুজতে পারার কথা নয়, তাদের মনে 'যার মনে যা ফাল দিয়া উঠে তা' হিসাবে আলী সিনা এর মতো 'আন্ডারস্ট্যান্ডিং মোহাম্মদ'(হাহাহা……) লিখে ইহুদি, খ্রিষ্টানদের গৃহভৃত্য হিসাবে ভাঁড়ামো করাই বিধির লিখন!

       

      1. 9.2.1
        আব্দুল হক

        কিংশুক
         
        মনের মাধুরী দিয়ে সেসব কথাগুলোই বলে গেলেন যা শত শত বছর ধরে আপনাদের মত মানুষেরা সাধারন মানুষকে বলে এসে তাদেরকে প্রকৃত সত্য জানা থেকে দুরে রেখেছেন।  আমি কোরান হাদিস থেকে যথাযথ  রেফারেন্স দিয়ে আমার বক্তব্য দিয়েছি। আরও দিতে পারি শত শত। যা বস্তুত আপনার বক্তব্যকে সমর্থন করে না। আপনাদের মন গড়া কথা শুনে শুনে আমাদের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে, আমরা সকল জাতি গোষ্ঠি থেকে পিছিয়ে আছি। শিক্ষা, অর্থনীতি , বিজ্ঞান, প্রযুক্তি  সব দিক দিয়েই আমরা আপনাদের ভাষায় কাফির মুশরিকদের চেয়ে হাজার বছর পিছিয়ে পড়েছি। আপনারা সেটা বুঝতেও পেরেছেন। বুঝতে পেরে আপনাদের মনে প্রচন্ড প্রতিহিংসা জন্মেছে। প্রতিহিংসা থেকে আপনারা প্লান করেছেন গোটা সভ্যতাকে ধ্বংস করে দেয়ার। সে কারনেই আপনাদের প্রচেষ্টা হলো  পুরো মানব জাতিকে হাজার বছর পিছনে নিয়ে যাওয়ার। সেই পরিকল্পনার অংশই হলো পেট্রো ডলারে পরিচালিত বহু টিভি, পত্র পত্রিকা , ইন্টারনেটের সাইট। কিন্তু সেটা আর সম্ভব নয়। এই মিডিয়ার যুগে মানুষকে সত্য জানা থেকে বিরত রাখা যাবে না কোন মতেই। আপনাদের মিথ্যা প্রোপাগান্ডায় মানুষজন বহুদিন বুদ হয়ে ছিল কিন্তু এখন আর সেটা সম্ভব নয়। যুক্তির উত্তর যুক্তি দিয়ে না দিতে পারলে আপনারা ব্যক্তি গত আক্রমন , গালাগালি শুরু করেন, নানারকম আজে বাজে কথা বলেন। কিন্তু এসব করে আর লাভ নেই। আমরা আপনাদের অপচেষ্টা সফল হতে দেব না। মানুষ জেগে উঠছে আস্তে আস্তে যা আপনারা টের পেয়ে গেছেন। তাই এখন উদ্ভ্রান্তের মত আচরণ করছেন। আমরা প্রকৃত সত্য জেনে আলোকিত মানুষ হয়ে যখন সবাই একসাথে গর্জে উঠব তখন আপনারা খড় কুটোর মত উড়ে যাবেন। মনে রাখবেন এটা ১৪০০ বছর আগের কাল না , না এটা মধ্য যুগ। এটা একবিংশ শতাব্দি। এ শতাব্দিতে মিথ্যা প্রোপাগান্ডার কোন স্থান নেই। সময় এখন সামনের এগোনোর , পিছনে ফেরার না। আমরা সামনে এগিয়ে যা্বই , কেউ আমাদের ঠেকাতে পারবে না।
        ভাল থাকবেন।
         
         

        1. 9.2.1.1
          কিংশুক

          পুরাই টালের মতো আচরন করলেন। পিছাইলে মুসলমানরা পিছিয়েছে, আপনারা কেমনে পিছাইলেন গো! আর ১৪০০ বছর না পিছানোর মেয়াদ বড়জোর ৩০০-৪০০ বছর। হাজার বছর পিছাইলে কি এক ইরানের ভয়ে বিশ্ব ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ইসরাইল বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তি আমেরিকা নিয়াও দিশাহারা বোধ করে ? তারে কি ইসলামিক প্রজাতন্ত্রের পর বিজ্ঞানে কারো চাইতে কম মনে হয়? পুচকে লেবাননের পুচকে হিজবুল্লাহর ঠ্যাডানি খেয়ে অবৈধ দখলদার ইসরাইলের মানসম্মান ডোবার অবস্থা হয়? হাজার হাজার মুসলমানের বুকের তাজা রক্ত ঢেলে পাওয়া নতুন তুরস্ক কে কি  সামরিক, বেসামরিক, বিজ্ঞান কোন দিকে দিয়ে কম সম্ভাবনাময় মনে হয়? বিশ্ব যখন রেসিশন এ নাগরিকদের সামাজিক নিরাপত্তা কমাতে ব্যস্ত তখনও কি কোন আরব দেশকে তা মোকাবেলা করতে হচ্ছে? আপনার সাদা চামড়ার বহু প্রভূ সৌদি, ইউএই সহ আরব বিশ্বে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে; এখনতো চাকরির জন্য লাইন লাগিয়ে বসে আছে। এটা মধ্যযুগ নয়, এই একবিংশ শতাব্দিতে ঘুনে ধরা বিশ্বকে পথ দেখাতে পারে ইসলাম, বিশ্বকে শান্তিময় করতে পারে ইসলাম, বিশ্বকে এগিয়ে নিতে পারে ইসলাম। এখন বিশ্বাস না হলেও আর বড়জোর ২০-৩০ বছর অপেক্ষা করেন।

    3. 9.3
      শামস

      @আব্দুল হক,

      বুদ্ধি তো খাটাতে চেষ্টা করছি কিন্তু কিছুতেই বুঝতে পারছি না যে যখন বিবি খাদিজা মারা যান, তার পর একসময় এক সাথে নবিজীর ৯ টা স্ত্রী ছিল মদিনাতে তখন তার এতবড় পরিবার কিভাবে চলত ? না খেয়ে তো আর চলত না নিশ্চয়ই।

      আপনার সাথে কথা চালাতে গেলে আপনার পর্যায়ে সবাইকে নামতে হবে। আপনার পর্যায়টা আপনাকে দেখিয়ে দেবার পরও আপনি যা ইচ্ছে বলে যাচ্ছেন আর নিজের অজ্ঞতা প্রকাশ করেই চলছেন। যদি না জানেন জানুন, পড়ালেখার জন্য উন্মুক্ত সাইট আছে। তবে বিদ্বেষী মনোভাব না নিয়ে শুধু একটু মাথা খাটান, সেটার চেষ্টাও করছেন বলে মনে হয় না! বদর যুদ্ধের পরপর সুরা আনফাল নাযিল হয়। মুহম্মদ (সাঃ)। বদর যুদ্ধ হয় ৬২৩ খৃষ্টাব্দে। মুহম্মদ (সাঃ) এর প্রথম স্ত্রী আয়েশার সাথে ঘর করেন ২৫ বছর (৫৯৪ সাল) থেকে ৫০ বছর (৬১৯ সাল) পর্যন্ত। এই সময়ে তার আর কোন স্ত্রী ছিল না। ৬২২ সাল থেকে ৬২৫ সালের মধ্যে (৫৩ থেকে ৫৬ বছর এর মধ্যে) তার স্ত্রী ছিল কেবল সাওদা (আঃ) এবং আয়েশা (আঃ)। আনফাল নাজিলের সময় তার ৯ জন স্ত্রী ছিল না, এতো বড় পরিবার আসলো কোথা থেকে? আপনার অজ্ঞতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়া হচ্ছে বারবার, কিন্তু আপনি সেসবকে একটুও গ্রাহ্য না করে মনে যা আসে তাই বলে যাচ্ছেন। আবারও বলছি, আগে পড়ুন, জানুন, তারপর মন্তব্য করুণ। নিজেকে আর নীচে নামাবেন না।

      আপনার সাথে আপাতত আর কথা বাড়ানোর প্রয়োজন দেখছি না।

      শেষ কথা, সদালাপে যাচ্ছেতাইভাবে করা ফাজলামিকে প্রশ্রয় দেয়া হয় না। ফাজলামির জন্য মুক্তমনা টাইপের সাইটগুলোই আছে। ওখানে সত্য মিথ্যা মিলিয়ে ভন্ডরা যা ইচ্ছে লিখে যায়। এখানে কোন অভিযোগ করলে (যা আপনি নবী সহ সাহাবাদের বিরুদ্ধে করে যাচ্ছেন) তার জন্য যথাযথ সুত্র উল্লেখ করতে হয়, তাদের নামে মনগড়া কিছু লেখা উৎসাহিত করা হয় না। এ ধরণের অসততা পরিহার করুণ। সদালাপকে সেরকম কিছু ভাবলে আশায় গুড়ে বালি হবে।

  3. 8
    আব্দুল হক

    বলুনঃ হে লোক সকল! আমি তো তোমাদের জন্যে শুধুমাত্র স্পষ্ট ভাষায় একজন  সতর্ককারী ছাড়া আর  কিছু নই।সূরা হজ্জ,২২:৪৯ (মক্কায় অবতীর্ণ)
    তাহলে দেখা যাচ্ছে আমাদের মহানবী শুধুমাত্র একজন সতর্ককারী ছাড়া আর কিছু নয়।  খেয়াল করতে হবে -সূরা ও আয়াতটি মক্কায় নাজিল হয়েছিল। এবার দেখা যাক অন্য একটা আয়াত --
    আর সম্ভবতঃ ঐসব আহকাম যা ওহীর মাধ্যমে তোমার নিকট পাঠানো হয়, তার কিছু অংশ বর্জন করবে? এবং এতে মন ছোট করে বসবে? তাদের এ কথায় যে, তাঁর উপর কোন ধন-ভান্ডার কেন অবতীর্ণ হয়নি? অথবা তাঁর সাথে কোন ফেরেশতা আসেনি কেন? তুমিতো শুধু সতর্ককারী মাত্র; আর সব কিছুরই দায়িত্বভার তো আল্লাহই নিয়েছেন। সূরা হুদ,১১:১২(মক্কায় অবতীর্ণ)
    উক্ত আয়াতে দেখা যাচ্ছে , আল্লাহ বলছেন আমাদের নবী একজন সতর্ককারী ও তাঁর যাবতীয় দায়িত্ব ভার আল্লাহ স্বেচ্ছায় নিজে নিয়েছেন। এখানে সব কিছুই একথা দ্বারা তাঁর নিরাপত্তা ও ভরনপোষণ সবকিছুই বুঝতে হবে।  এটাও কিন্তু মক্কায় নাজিল হওয়া আয়াত। এবার আসা যাক নিচের আয়াতে-
    আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে, গনীমতের হুকুম। বলে দিন, গণীমতের মাল হল আল্লাহর এবং রসূলের। অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং নিজেদের অবস্থা সংশোধন করে নাও। আর আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য কর, যদি ঈমানদার হয়ে থাক। আনফাল , ০৮: ০১( মদিনায় অবতীর্ণ)
    এবার সম্পূর্ন ভিন্ন চিত্র। এখানে বলা হচ্ছে গণিমতের মাল হচ্ছে আল্লাহ ও তার রাসুলের। প্রশ্ন হলো রাসুলের অনেকগুলো স্ত্রী সমন্বিত একটা পরিবার ছিল তার না হয় গণিমতের মাল দরকার, কিন্তু আল্লাহর গণিমতের মালের কি প্রয়োজন? তারও  পরিবার পরিজন আছে নাকি ? তাছাড়া গুরুত্বপূর্ন হলো- আল্লাহ প্রেরিত একজন নবীকে গণিমতের মালের ওপর নির্ভর করতে হবে কেন ? আর হ্যা এটা কিন্তু মদিনায় অবতীর্ণ আয়াত। যাহোক, এবার দেখা যাক, গণিমতের মাল কি জিনিস। নিচের আয়াত দেখা যাক-
    কিতাবীদের মধ্যে যারা কাফেরদের পৃষ্টপোষকতা করেছিল, তাদেরকে তিনি তাদের দূর্গ থেকে নামিয়ে দিলেন এবং তাদের অন্তরে ভীতি নিক্ষেপ করলেন। ফলে তোমরা একদলকে হত্যা করছ এবং একদলকে বন্দী করছ।তিনি তোমাদেরকে তাদের ভূমির, ঘর-বাড়ীর, ধন-সম্পদের এবং এমন এক ভূ-খন্ডের মালিক করে দিয়েছেন, যেখানে তোমরা অভিযান করনি। আল্লাহ সর্ববিষয়োপরি সর্বশক্তিমান। সূরা আহযাব, ৩৩:২৬-২৭
    তার মানে অন্যের দখল করা ঘরবাড়ি, ভূমি, ধন সম্পদ এসবই হলো গণিমতের মাল।  আল্লাহ এখন আমাদের নবীকে অন্যদেরকে হ্ত্যা করে জোরপূর্বক তাদের  বাড়ীঘর ধন সম্পদ , ভূমি এমনকি নারীদেরকে দখল করার জন্য নির্দেশ দিলেন। পরম করুনাময় দয়ালু আল্লাহর কি মহানুভবতা ! এই না হলে তিনি পরম দয়াবান ও ন্যায় বিচারক ? এখানে বলা হচ্ছে- কাফেরদেরকে পৃষ্ঠপোষকতা করেছিল -- কি সেই পৃষ্ঠপোষকতা? এটা হলো ইহুদিদেরকে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করতে আহবান করা হয়েছে তারা রাজী হয় নি, অন্য দিকে আমাদের নবী মদিনার আশ পাশের ছোট ছোট জনপদকে ইসলামের আমন্ত্রন জানাচ্ছেন, তারা তা গ্রহণ না করলে তাদেরকে আক্রমন করে তছ নছ করে দিচ্ছেন , তাদের ধন সম্পদ নারী শিশু দখল করে নিচ্ছেন। এ ক্ষেত্রে বিপন্ন মানুষগুলো আত্মরক্ষার জন্য জোট বাধতেই পারে। এটা অন্যায় হয় কেমনে ? কিন্তু এ আত্মরক্ষার বিরুদ্ধে আমাদের পরম করুনাময় আল্লাহ কি নির্দেশ দিচ্ছেন ? তাদেরকে হত্যা করে তাদের ধন সম্পদ ও নারী দখল করতে। আর আমাদের মহামানব দুনিয়ার শ্রেষ্ট মানুষ মহানবী একদল উগ্র ও ধর্মান্ধ আরবদেরকে নিয়ে পরম নিষ্ঠায় তা পালন করে চলেছেন ও তা তার অনুসারীদেরকে নিষ্ঠা সহকারে অনুসরণ করতে নির্দেশ দিচ্ছেন।  এখন দেখা যাক উক্ত আয়াত টি কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছিল --
    Bukhari , Volume 4, Book 52, Number 280:    Narrated Abu Sa'id Al-Khudri:When the tribe of Bani Quraiza was ready to accept Sad's judgment, Allah's Apostle sent for Sad who was near to him. Sad came, riding a donkey and when he came near, Allah's Apostle said (to the Ansar), "Stand up for your leader." Then Sad came and sat beside Allah's Apostle who said to him. "These people are ready to accept your judgment." Sad said, "I give the judgment that their warriors should be killed and their children and women should be taken as prisoners." The Prophet then remarked, "O Sad! You have judged amongst them with (or similar to) the judgment of the King Allah."
    উক্ত হাদিসে দেখা যায় বনী কুরাইজা গোত্রের লোকেরা সাদের বিচার মানতে রাজী হয়েছিল। আর সাদ কি করেছিলেন ? তিনি তাদের সকল পুরুষ মানুষগুলোকে নিরস্ত্র অবস্থায় অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেন এবং তাদের নারী ও শিশুদেরকে গণিমতের মাল হিসাবে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। তো সদ্য স্বজন হারা এসব নারীদের নিয়ে আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় নবীর ঘনিষ্ট লোকজন যাদেরকে আমরা শ্রেষ্ট মুসলমান বলি তারা কি করতেন সেটা একটু দেখি-
    বুখারি, ভলুম- ৫, বই-৫৯, হাদিস- ৪৫৯:
    ইবনে মুহারিজ বর্নিত , আমি মসজিদে প্রবেশ করলাম , সেখানে আবু সাইদ খুদরীকে দেখলাম ও তার পাশে বসে তাকে আজল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন-" আমরা বানু মুসতালিক গোত্রকে আক্রমন করার উদ্দেশ্যে বের হয়ে তা দখল করলাম ও বেশ কিছু নারী বন্দি হলো। আমরা সেসব নারীর সাথে যৌন সংসর্গ করতে চাইলাম কিন্তু তাদের গর্ভে সন্তান জন্ম দিতে রাজী ছিলাম না তাই আমরা আজলের মাধ্যমে সতর্কভাবে তাদের সাথে যৌন সংসর্গ করতাম। বিষয়টি আমরা নবীর কাছে উত্থাপন করলাম যিনি আমাদের সাথে ছিলেন। তিনি বললেন- এটা না করাই ভাল কারন প্রতিটি রুহ আগে থেকেই নির্ধারিত হয়ে আছে যারা জন্ম লাভ করবে।"
    যেসব নারীদের সামনে তাদের স্বামী ভাই পিতা ও অন্যান্য আত্মীয় স্বজনকে যারা নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করেছে ঠিক তার পর পরই উক্ত নারীরা নিশ্চয়ই উৎফুল্লভাবে সব খুনিদের সাথে যৌন মিলন করবে না। কিন্তু উক্ত হাদিসে দেখা যাচ্ছে- আমাদের মহানবীর মহান সাহাবীরা যাদের চরিত্র নিয়ে আমরা গর্ব বোধ করি , যাদের মত হওয়ার জন্য আমরা প্রান পন চেষ্টা করে যাই , তারা মূলত: কিসের প্রতি লালায়িত ছিল। তো মুস্তালিক গোত্রের ক্ষেত্রে যেটা করা হয়েছিল , বনু কুরাইজা গোত্রের পুরুষদেরকে হত্যা করে তাদের নারীগুলোকে গণিমতের মাল হিসাবে বন্টন করে নেয়ার পর নিশ্চয়ই তাদেরকে মহা সমাদরে বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে শোক করার সময় দেয় হয় নি। এটা বোঝার জন্য একটু খোলা মন ও একটু সাধারণ জ্ঞানই যথেষ্ট।
    আশা করি এবার আপনার প্রশ্নের উত্তর দিতে পেরেছি।  নাকি বলবেন , মনগড়া কথা বার্তা বললাম ? এখন আপনারাই বিচার করে দেখুন প্রকৃত সত্য কোনটা। কেন এসব বিষয় আপনারা সাধারণ মানুষের কাছে গোপন করেন ? তাদের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে কেন তাদেরকে বিভ্রান্ত করেন? তাদেরকে মনগড়া কথা বলে বিভ্রান্ত না করে বরং প্রকৃত ইতিহাস ও তথ্য জানার সুযোগ দিন, জানান, তার পর তারাই সিদ্ধান্ত নেবে তারা কি অনুসরণ করবে।
     
     
     
     
     
     

    1. 8.1
      ইমরান হাসান

      বলুনঃ হে লোক সকল! আমি তো তোমাদের জন্যে শুধুমাত্র স্পষ্ট ভাষায় একজন  সতর্ককারী ছাড়া আর  কিছু নই।সূরা হজ্জ,২২:৪৯ (মক্কায় অবতীর্ণ)
      আর সম্ভবতঃ ঐসব আহকাম যা ওহীর মাধ্যমে তোমার নিকট পাঠানো হয়, তার কিছু অংশ বর্জন করবে? এবং এতে মন ছোট করে বসবে? তাদের এ কথায় যে, তাঁর উপর কোন ধন-ভান্ডার কেন অবতীর্ণ হয়নি? অথবা তাঁর সাথে কোন ফেরেশতা আসেনি কেন? তুমিতো শুধু সতর্ককারী মাত্র; আর সব কিছুরই দায়িত্বভার তো আল্লাহই নিয়েছেন। সূরা হুদ,১১:১২(মক্কায় অবতীর্ণ) আচ্ছা ভাই  সব্দুল হক আপনার কানে কথা যায় না? আমি আগেই বলেছি আপনাকে যে একটা  আয়াত কে দেখে বা আলাদা ভাবে একটা আয়াত কে অনুবাদ করে আপনি কিছুই লাভ করতে পারবেন না। এই আয়াত সমূহও একটা সেট বা সমন্বয় এর সাথে জড়িত। এখন আপনি আমাকে জিজ্ঞাসা যদি করেন তাহলে আমি বলব যে আমি ে নিয়ে অবশ্যই পোস্ট দিব যে কুরআনের আয়াত এর অর্থ কিভাবে করতে হয় আর বাই দ্যা বাই আপনি তো একেবারেই বালখিল্য একটা ভুল করে বসলেন এখানে 
       
      আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে, গনীমতের হুকুম। বলে দিন, গণীমতের মাল হল আল্লাহর এবং রসূলের। অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং নিজেদের অবস্থা সংশোধন করে নাও। আর আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য কর, যদি ঈমানদার হয়ে থাক। আনফাল , ০৮: ০১( মদিনায় অবতীর্ণ)
      গণিমতের মাল কোনটা ধরা হত সাদকা না হাদিয়া এটা আপনি জানেন? আরেকটা কথা গণিমতের সমস্ত মাল এবং এর সাথে সমস্ত যাকাত নিয়ে তোলা হত বাইতুল মালে, আর যেটাকে আল্লাহর সম্পত্তি বলা হত। আর এই প্রসঙ্গে প্রতিটা বাইতুল মালের দ্রব্য এর মত গনিমত এর একটা মালও ভোগ করা রাসুলের জন্য বৈধ হত না। আর আপনি কিনা তার উপরে এমন একটা অভিযোগ করে বসলেন যেটা কিনা একটা ক্লাস ফাইভ পাশ মাদ্রাসার ছাত্রও জানে? সত্যি করে বলেন তো আপনি কি সুজিত দাশ স্বয়ং? নাতো ভিন্ন ধর্মালম্বি না হলে এটা তো আপনার জানা না থাকার কথা না। আপনি এটা জানেন যে গণিমতের মাল বাইতুল মাল থেকে বণ্টন করা হত? যাতে রসুল একটা দানাও কখনও নেন নি? 
      আপনি একটা হাদিস দেখাতে পারবেন? যেখানে নবীজি গণিমতের কোন জিনিস (যেমন কোন দ্রব্য ব্যবহার করে ছেন? আমি জানি আপনি ভ্যাগাবণ্ড হলে পারে সাফিয়া কেও তার স্ত্রী থেকে যৌনদাসী বানিয়ে ছাড়বেন আর বলবেন এই তো )     
      এখানে যে গণিমতের মাল এর রক্ষনা বেক্ষন এর কথা বলা হয়েছে সেটা বুঝতে পেরছেন? আচ্ছা বুঝেন নি তাই না আচ্ছা একটা কথা রেফার করছি এখানে,            
      সিরাতুন্ননবি শিবলি নুমানি থেকে এটাই উদ্ধৃতি দেয়া হয় যে রাসুল(সা) সবক্ষেত্রে নিজের ঘনিষ্ঠ সহচর ও ব্যাক্তিগত সহকারী হযরত বিলাল কে নির্দেশ দিয়ে রেখেছিলেন যেন ইসলামী আন্দোলন ও তার সৈনিকদের প্রয়োজনে সমস্ত প্রাপ্ত সম্পদ মুক্তহস্তে দান করেন। হযরত বিলাল সব ক্ষেত্রে এই কাজ করলেও এক ক্ষেত্রে এটা করতে ভুলে যান হযরত আবু হুরাইরা বর্ণনা করেন ,একবার হযরত বিলাল এর সামনে খেজুর স্তুপীকৃত ছিল রসুল জিজ্ঞেস করেন এইগুলো কিসের মাল? তখন তিনি বলেন এটা ভবিষ্যৎ এর অজ্ঞাত প্রয়োজনের জন্য রেখে দেয়া হয়েছে। রাসুল(সা) বললেন "এই মাল এভাবে আটকে রাখার জন্য তোমার নিকটে জাহান্নাম এর ধুঁয়া পৌঁছে যেতে পারে তা কি তুমি জান? ওটাও বণ্টন করে দাও । হে বিলাল সর্বময় ক্ষমতার মালিকের কাছ থেকে কোন কিছুর আশঙ্কা কর না"
      এখন আপনার কথা মতে যেহেতু তিনি এই মাল ভোগ করতেন সেইজন্য এই আয়াত তিনি নাযিল করিয়েছিলেন?
      এই তার ভোগ করার নমুনা?
      আর কতবার বনি কাইনুকা,বনুল মুস্তালিক আর বনু কুরাইযা এর কথা তুলবেন? যেখানে নবীর এখানে কোন নিজস্ব স্বার্থই ছিল না সেখানে তিনি এইগুলো স্বার্থের কারণে করেছেন এটা আমাকে বিশ্বাস করতে বলে আপনি নিজের ভণ্ডামি আর অজ্ঞতাই প্রকাশ করে দিলেন।                                                                    
       
      উক্ত হাদিসে দেখা যায় বনী কুরাইজা গোত্রের লোকেরা সাদের বিচার মানতে রাজী হয়েছিল। আর সাদ কি করেছিলেন ? তিনি তাদের সকল পুরুষ মানুষগুলোকে নিরস্ত্র অবস্থায় অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় হত্যা করেন এবং তাদের নারী ও শিশুদেরকে গণিমতের মাল হিসাবে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন। 
      আাচ্ছা তো সাদ এটাকে কিসের ভিত্তিতে বিচার করেছিলেন? তাওরাত এর ভিত্তিতেই নাকি নিজের ভিত্তিতে সেটাও মনে হচ্ছে জানেন না?   আর আরেকটা কথা ইহুদি ধর্মে মুসা(আ) এর ঘটনা থেকে আপনার জানার কথা যে তাওরাত অনুযায়ী চুক্তিভঙ্গের শাস্তি কি নাকি জানেন না? 
      আর আরেকটা কথা একজন মানুষ একই সাথে দয়ালু আর বিচারক হতে পারেন না। 
      কুরাইজা এর ঘটনা আরও ভালো করে জেনে আসেন আর আপনাকে কয়েকটা প্রশ্ন করি এই প্রসঙ্গে 
      ১,কুরাইজা এর বিচার চলার সময়ে ভীতি সঞ্চার এর আয়াত ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি আয়াত নাজিল হয়েছিল যার ফলে তাদের অর্ধেক পুরুষ বেঁচে যায় সেই আয়াত সমুহের নাম গুলো সংখ্যা গুলো জানেন? আর না জানলে এখানে ফাল দিতে কেন এসেছেন? 
      ২বুরাইদা আল মারির ঘটনা আর বনুল মুস্তালিক এর ক্ষেত্রে তার পূর্ণ ভূমিকা জানেন? 
      জুয়াইরিহা এর কাহিনী জানেন? তার মুক্তিপণ কত ধরা হয়েছিল সেটা কে পরিশোধ করেছিল সেটা যে আমাদের নবীজি নিজেই ছিলেন সেটা জানেন? 
      বনুল মুসতালিক কে যে ছেড়ে দেয়া হয়েছিল মেরে ফেলা হয়নি এটা কিন্তু আমাদের অরিইয়েনটালিস্ট রা একেবারে চেপে যায় 
      তাহলে আমি ধারণা করতেই পারি যে আপনি এগুলো খ্রিস্টান মিশনারি অরিয়েন্তালিস্ত দেরকাছ থেকে জেনেছেন? আচ্ছা রাখি অনেক হল পরে কথা বলব আপনি আসলে 

    2. 8.2
      শামস

      @আব্দুল হক,
      আপনার মন্তব্য পড়ে মন%0

    3. 8.3
      শামস

      @আব্দুল হক,

      আপনার মন্তব্য পড়ে মনে হচ্ছে আপনার মধ্যে মুক্তমনাদের বৈশিষ্ঠ্য আছে, আপনি মুক্তমনা কিনা নিশ্চিত নই! যাক বৈশিষ্ঠ্যটা হল বিটিং এরাউন্ড দ্যা বুশ। কোরানের কিছু আয়াত লিখে মনের মাধুরী মিশিয়ে উলটাপালটা যা ইচ্ছে বলে যাচ্ছেন। কেন এই আয়াত, কাদের জন্য, কোথায় তা একেবারেই হিসেবে নিচ্ছেন না, কিন্তু মনের মাধুরী মিশাতে ভুল করছেন না। আপনাকে উপরে কিছু প্রশ্ন করেছিলাম। আপনি কোনটার জবাবে কি বুঝাতে চাইলেন তা পরিষ্কার না করে বকবক করে যাচ্ছেন। প্রতিটি আয়াতের সাথে কি সব বলে গেলেন, যার একেবারেই প্রয়োজন এখানে নেই। প্রচন্ড বিরক্তিকারক!

      আপনার সাথে কোন পয়েন্টে আলোচনা করা যায় সেইটা ঠিক করতেই হিমশিম খাচ্ছি। যাক আপনার ইমিডিয়েট উপরের মন্তব্যে দেয়া একটি আয়াত নিয়ে শুরু করা যাক।

      আপনার কাছে জিজ্ঞেস করে, গনীমতের হুকুম। বলে দিন, গণীমতের মাল হল আল্লাহর এবং রসূলের। অতএব, তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং নিজেদের অবস্থা সংশোধন করে নাও। আর আল্লাহ এবং তাঁর রসূলের হুকুম মান্য কর, যদি ঈমানদার হয়ে থাক। আনফাল , ০৮: ০১( মদিনায় অবতীর্ণ)

      এই আয়াতের বিপরীতে আপনি লিখছেনঃ

      এবার সম্পূর্ন ভিন্ন চিত্র। এখানে বলা হচ্ছে গণিমতের মাল হচ্ছে আল্লাহ ও তার রাসুলের। প্রশ্ন হলো রাসুলের অনেকগুলো স্ত্রী সমন্বিত একটা পরিবার ছিল তার না হয় গণিমতের মাল দরকার, কিন্তু আল্লাহর গণিমতের মালের কি প্রয়োজন? তারও পরিবার পরিজন আছে নাকি ?

      নিজের অজ্ঞতা এভাবে দেখালে যদি ভাল মনে করেন তাহলে আর কি বলা যায়। আপনিতো কিছু শুনছেনও না নিজের মত করেই বলে যাচ্ছেন। কোরানে একটা সুরাই আছে গণীমতের মাল নিয়া! একবারও আপনার মনে হয় নাই অনুসন্ধান করা কেন একটি সুরার দরকার পড়ল? এর জন্যতো খুব একটা বুদ্ধি খাটানোর দরকার পড়ে না? ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, মূর্খতো আর না! তাহলে উপরোক্ত কথাগুলো বলার দরকার পড়ত না। যাক নিজে কারণ উদঘাটন করুণ যদি আসলেই জানতে চান। আর অসমর্থ হলে বলুন তথ্য দেব। আর ইমরান হাসান উপরে এব্যাপারে অলরেডি বলে দিয়েছে। জানার আগ্রহ থাকলে আরো খুজুন।

      তাছাড়া গুরুত্বপূর্ন হলো- আল্লাহ প্রেরিত একজন নবীকে গণিমতের মালের ওপর নির্ভর করতে হবে কেন ?

      তিনি গণিমতের মালের উপর নির্ভরশীল ছিলেন কিভাবে বুঝলেন? এখানেতো নির্ভরতার কোন কথা নেই। আর যদি নির্ভর করতেই হয় তাইলেতো আল্লাহকেও নির্ভর করতে হয়। একটু বুদ্ধি খাটান!

      যাক এপর্যন্তই, এ কন্টেক্সটেই থাকি!

  4. 7
    আব্দুল হক

    আপনি এখনো পরিস্কারভাবে  বলেন নি আমাদের কোন বিধাণ অনুসরণ করা উচিত। এত কথা বললেন আর এ সামান্য কথাটা বলতে এত লুকোচুরি কেন ? আবারও অনুরোধ করছি আমাদের কোন বিধাণ অনুসরন করা উচিত ? আগের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নাকি জিহাদী জঙ্গি ভাব?
     
    জিহাদ ইসলামে ছিল, জিহাদ এখনও ইসলামে আছে। জিহাদ ইসলামে কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। জিহাদ যখন কিতালে রূপ নেয়, তখন সশস্ত্র হয়। কিন্তু সেই জিহাদও “সামাজিক সহাবস্থানের ইস্যুর” সাথে জড়িত নয়। আপনার চিন্তা ভুল। শুদ্ধ হোন। আর না হলে আপনার বক্তব্য তথ্যসহ ব্লগ আকারে দেন, (কিন্তু এটা আপনি পারবেন না)। জিহাদ হয় ঘোষণার মাধ্যমে। কোন জিহাদ ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে হয় না, পরিবারে পরিবারে হয় না।  জিহাদ রাষ্ট্র প্রধানের বা জাতীয় সামষ্টিক নেতৃত্বের পিছনে হয়। এটা খলিফার ব্যাপার,  রাজার ব্যাপার,  সরকারের ব্যাপার যারা ওলামাদের বিজ্ঞ সিদ্ধান্তে বিবেচনায় গ্রহণ করেন
     
    এই তো এতক্ষনে আসল চেহারা বেরিয়ে পড়েছে। জিহাদ হয় ঘোষণার মাধ্যমে, আর সেটা কি ? প্রথমে একটা অমুসলিম গোষ্ঠীকে ইসলামে দাওয়াত দাও , যদি তারা গ্রহণ না করে তাহলে তাদের ওপরে আক্রমন করে তাদের বাড়ী ঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে , তাদের পুরুষ মানুষগুলোকে হত্যা করে , নারী শিশু ও সম্পদকে গণিমতের মাল হিসাবে ভাগ বন্টন করে নিতে হবে। যা আমাদের নবী নিজেও করে গেছেন। বানু কুরাইজা অবরোধ, তাদের সব পুরুষ মানুষদের হত্যা, খায়বার আক্রমন , তাদের পুরুষ মানুষগুলোকে হত্যা এবং তাদের নারী ও সম্পদকে গণিমতের মাল হিসাবে ভাগ বন্টন করা -- এটাই হলো আপনার ঘোষণার মাধ্যমে জেহাদ। যদি রেফারেন্স চান দিয়ে দেব পরে। এটা ইন্টারনেট মিডিয়ার যুগ , চাপাবাজি ও মিথ্যা প্রোপাগান্ডা করে আর সত্যকে লুকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। সবাই অন্ধ নয়। অনেকেই সাময়িকভাবে অন্ধ হতে পারে , সব সময়ের জন্য নয়। কিছু কিছু মানুষকে কিছুকাল অন্ধ রাখা যায় , সব সময়ের জন্য নয়। বিষয়টা মনে রাখলেই কৃতজ্ঞ থাকব। সাধারন মানুষের অজ্ঞতার সুযোগ নিয়ে তাদের অনেক ক্ষতি করেছেন, দয়া করে এবার মানুষদেরকে সত্য জানার সুযোগ দিন, তাতে আপনার আমার সবার মঙ্গল ।

    1. 7.1
      শামস

      @আব্দুল হক,
      আপনি এখনো পরিস্কারভাবে  বলেন নি আমাদ

    2. 7.2
      শামস

      @আব্দুল হক,
      আপনি এখনো পরিস্কারভাবে  বলেন নি আমাদের কোন বিধাণ অনুসরণ করা উচিত। এত কথা বললেন আর এ সামান্য কথাটা বলতে এত লুকোচুরি কেন ?
       
      আসলে আপনি যে কি বলতে চান সেটাই স্পষ্ট নয়! আপনার ভুলটা আহমদ সাহেব ফারুকের পোস্টের ৪ নম্বর পয়েন্টেই পরিষ্কার করেছেন। আপনি এক জায়গা থেক আরেক জায়গায় লাফাচ্ছেন। আলোচনা হবে যুক্তির মাধ্যমে পয়েন্ট বাই পয়েন্ট বেসিসে। আপনাকে একটা উত্তর দেবার পর আপনি সেটার ব্যাপারে আপনার মতামত জানাবেনতো। আপনারমন্তব্যের নীচের অংশ হুবহু তুলে দিলাম। সেখানে আপনার ভুল ধারণাকেই তুলে ধরেছেন। এব্যাপারে আপনার কোন মতামত পেলাম না, কিন্তু আবার জিরো পয়েন্টে এসে একই কথা বলছেন। আপনার নীচের মন্তব্য অংশটুকুর ব্যাপারে মতামত কি আগে জানানঃ
       
      ৪। খেয়াল রাখতে হবে বাক্কারা সূরার বড় অংশ মক্কাতে নাজিল হয়েছিল  [১। এটা ভুল তথ্য। কে আপনাকে বলল যে সূরা বাকারারবড় অংশ’ মক্কাতে নাজিল হয়েছিলআপনার কথা শুদ্ধ হলে প্রমাণ দেন। ভুল তথ্যের উপর কি

    3. 7.3
      শামস

      @আব্দুল হক,

      আপনি এখনো পরিস্কারভাবে বলেন নি আমাদের কোন বিধাণ অনুসরণ করা উচিত। এত কথা বললেন আর এ সামান্য কথাটা বলতে এত লুকোচুরি কেন ?

      আসলে আপনি যে কি বলতে চান সেটাই স্পষ্ট নয়! আপনার ভুলটা আহমদ সাহেব ফারুক সাহেবের পোস্টের ৪ নম্বর পয়েন্টেই পরিষ্কার করেছেন। আপনি এক জায়গা থেক আরেক জায়গায় লাফাচ্ছেন। আলোচনা হবে যুক্তির মাধ্যমে পয়েন্ট বাই পয়েন্ট বেসিসে। আপনাকে একটা উত্তর দেবার পর আপনি সেটার ব্যাপারে আপনার মতামত জানাবেনতো। আহমদ সাহেবের মন্তব্যের নীচের অংশ হুবহু তুলে দিলাম। সেখানে আপনার ভুল ধারণাকেই তিনি তুলে ধরেছেন। এব্যাপারে আপনার কোন মতামত আমরা জানলাম না, কিন্তু আবার জিরো পয়েন্টে এসে একই কথা বলছেন।নীচের আহমদ সাহেবের মন্তব্য অংশটুকুর ব্যাপারে মতামত কি আগে জানানঃ

      ৪। খেয়াল রাখতে হবে বাক্কারা সূরার বড় অংশ মক্কাতে নাজিল হয়েছিল [১। এটা ভুল তথ্য। কে আপনাকে বলল যে সূরা বাকারার‘বড় অংশ’ মক্কাতে নাজিল হয়েছিল? আপনার কথা শুদ্ধ হলে প্রমাণ দেন। ভুল তথ্যের উপর কিছু ভিত্তি করতে নেই। ২৮৬ আয়াত সম্বলিত সূরা বাকারার সম্পূর্ণই মাদানী, অর্থাৎ মদিনায় অবতীর্ণ ,তবে বলা হয় কেবলমাত্র একটি আয়াত অর্থাৎ ২৮১ নম্বর আয়াত যেটি মক্কায় হজ্জের সময় অবতীর্ণ হয়েছিল –এই যা।] বাকী অংশ নাজিল হয়েছিল মদিনাতে তখনও মহানবী ( সা:) মদিনায় নবাগত ও ক্ষমতা হীন, [২।‘ক্ষমতাহীন’ কে বলল? এ সব কী কথাবার্তা? এইevaluation –এর basis কি? সুরা বাকারা যখন নাজিল হয়, তখন কি তিনি ক্ষমতাহীন কিভাবে? হিজরতের পর পরই অবস্থানগত পার্থক্য সূচিত হয়। মুহাম্মদ সেখানে মদিনার নেতা। অমুসলমানরা তার সাথে মদিনা রক্ষার্থে ও শান্তি রক্ষার্থে চুক্তিতে আবদ্ধ। তাঁর অবস্থান মক্কার মত ক্ষমতাহীন নয়।] আর নীচের আল ০৩: ৮৯ বাক্কারার পরে নাজিল হয় ও তাতে তেমন জিহাদী ভাব নেই। [৩। বাকারায় জিহাদী ভাব আছে আর আলে-ইমরানে জিহাদী ভাব নেই, বা কম, এই ধরনের তুলনা কোন প্রেক্ষিতটা কী এবং কিভাবে এসব তুলনায় উপনীত হওয়া হল? Am I in presence of literary criticism here? এগুলোর কি কোন basis থাকতে হবেনা? বাকারায় কেন জিহাদী ভাবধারা থাকল এবং আলে ইমরানে কেন থাকল না?] কিন্তু পরের ৯:০৫ ও ৯: ২৯ আয়াত সমূহ অর্থাৎ সূরা আত- তাওবা মদিনার জীবনের একেবারে শেষে নাজিল হয় যখন মহানবী মদিনাতে একটা ইসলামী রাজ্য গঠন করে ফেলেছেন ও ক্ষমতা সুসংহত। [৪। এখানে“কিন্তু” দিয়ে কোন analogy খুঁজা হচ্ছে? মদিনার প্রথম বর্ষ থেকেই তো তাঁর হাতে ক্ষমতা। দ্বিতীয় বর্ষে বদর যুদ্ধ করছেন। এখানে কি মুক্তমনার সেই আগড়া-বাগড়া আসছে যে মক্কাতে ক্ষমতা নেই,মদিনাতে আছে, সুতরাং তিনি এখন তিনি ইচ্ছামত নাসেক/মনসূখ করছেন? এইই কি যুক্তি? যদি তাই হয়, then that is in fact very telling, you need not say anything more, its all known now.
      ৫। ৩:৮৫ আয়াতের দীন বলতে আপনি কি বুঝেছেন এবং সেই ইসলামই বা কি? আল্লাহর কাছে ইসলাম একমাত্র দীন হলে এটা কোন যুক্তি বহন করে? জোরাজুরির? এগুলো খোঁড়া যুক্তি। অজ্ঞতা থেকে উৎসারিত এবং আপনি হয়ত cut and paste করছেন। ৩:৮৫ কি নির্দেশ বাক্য (imperative), না simply informative বাক্য? আপনার প্রশ্নের প্রেক্ষিত তৈরি করার জন্য যে analytical process mounting করতে চাচ্ছেন,তার মধ্যে কোরানের তাত্ত্বিক জ্ঞান প্রকাশ পাচ্ছে না। 3:85,2:256,109 ইত্যাদি একে অন্যকে negate করছে না। এই দেখুন আমি দেখাচ্ছি। আল্লাহর কাছে একমাত্র দীন হচ্ছে ‘ইসলাম’(কোরান)। কিন্তু দীনে কোন বাড়াবাড়ি নেই (কোরান)। (হে মুহাম্মদ) ওরা বিশ্বাস করলো না বলে আপনি তাতে আফসোস করে নিজেকে বিদগ্ধ করবেন না (কোরান)। কেবল আল্লাহই যাকে ইচ্ছা তাকে হেদায়েত দেন। আমি আপনাকে পুলিশ করে পাঠাই নি (কোরান)। আল্লাহ ইচ্ছে করলে গোটা বিশ্ববাসীকে বিশ্বাসী করতে পারতেন (কোরান)। আমি মানুষকে উভয় পথ দেখিয়েছি।(কোরান)। তোমাদের ধর্ম তোমাদের জন্যে এবং আমার ধর্ম আমার জন্যে (কোরান) যে ব্যক্তি ঈমান আনবে এবং ভাল করবে তার জন্য তার পুরষ্কার রয়েছে (কোরান)। এভাবে অসংখ্য সন্নিবেশ করা যেতে পারে। আলেম-ওলামারা কোরানের আয়াত এভাবেই দেখেন। মক্কা থেকে মদিনা যাওয়ার পর সেখানে যে আয়াত নাজিল হয় তা মক্কার সব আয়াতকে নস্যাৎ করে দেয়নি। নাসেখ/মানসূখের অর্থ এটা নয়। আপনি আপনি মূর্খদের পণ্ডিতি কথায় না যাওয়াই ভাল। ওদের আদ্য-পাদ্য ভুল,প্রোপাগান্ডা, মুর্খামি। ওদের থেকে সরে থাকার জন্য কোরানে নির্দেশ রয়েছে। এতে সময় বাঁচে, কুতর্কে যাওয়া আর রাস্তার পাগলদের সাথে ঝগড়া করা সমান।
      ৬। ৯:০৫ এ আয়াত স্থান/কাল কেন্দ্রিক। আপনি ৯:০৫ পড়ে মুশরিক মারার জিহাদে নামার অধিকার নেই –এটাই যদি আপনার শেষ প্রশ্ন হয়ে থাকে, তবে এটাই আমার উত্তর। যুদ্ধ, জিহাদ ইত্যাদি আইনি বিষয়। চুরি করলে হাত কাটা/না কাটা, ব্যভিচারীকে রজম করা/না করা ইত্যাদি যাবতীয় বিষয় আইনি। এগুলো রাষ্ট্র, আদালত, রাষ্ট্র প্রধান এবং রাষ্ট্রকে কোরানি interpretation দেয়ার দায়িত্ব বিজ্ঞ ওলামা পরিষদের, আপনার নয়, কোন একক আলেমের ও নয়। মুশরিক জাতিকে যেখানে পাও সেখানে মার, যুদ্ধ কর, এসব বেকুবদের কথা। তাদের নিজেদের বিদ্বেষী interpretation কোরানের উপর চাপিয়ে দেয়া কথা। ইসলাম একটি দীন, একটি সভ্যতা। এটা যদি এত মামুলি হত,তাহলে ১৪০০ টিকে থাকত না।]

      আগের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নাকি জিহাদী জঙ্গি ভাব?

      জিহাদী জঙ্গী ভাবটা কি? দু’একটা আয়াত দেন (পুরো আয়াত দিবেন)। আর একটা কথা মক্কা বিজয়ের পর যখন পুরো ক্ষমতা মুসলিমদের হাতে তখন জিহাদী ভাবের দু’একটা উদাহরণ দিবেন সুত্র সহ।

      প্রথমে একটা অমুসলিম গোষ্ঠীকে ইসলামে দাওয়াত দাও , যদি তারা গ্রহণ না করে তাহলে তাদের ওপরে আক্রমন করে তাদের বাড়ী ঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে , তাদের পুরুষ মানুষগুলোকে হত্যা করে , নারী শিশু ও সম্পদকে গণিমতের মাল হিসাবে ভাগ বন্টন করে নিতে হবে। যা আমাদের নবী নিজেও করে গেছেন।

      নবী ইসলামের দাওয়াত দেবার পর ইসলাম গ্রহণ না করার ফলে কোথায় কোথায় মানুষ হত্যা করে নারী শিশু ও সম্পদের গণিমতের মাল হিসেবে বন্টন করেছেন। সুত্র সহ দু’একটা উদাহরণ দেন। আর নবীর শাসনামলে মক্কা ও মদীনার সব কি মুসলিম হয়ে গিয়েছিল?

      অনেকেই সাময়িকভাবে অন্ধ হতে পারে , সব সময়ের জন্য নয়। কিছু কিছু মানুষকে কিছুকাল অন্ধ রাখা যায় , সব সময়ের জন্য নয়।

      একটা উদাহরণ দেইঃ পৃথিবীর ইতিহাসে অধিকাংশ মানুষই সব সময় ধর্ম মানছে (তা যাই হোক!), এখনও বেশী। আপনার কথা অনুযায়ী তারা চিরকালই অন্ধ। ঠিক বললাম?

  5. 6
    এম_আহমদ

    প্রথমত ইসলাম নিয়ে কুৎসা গাইতে মিথ্যার যে ব্যাগ নিয়ে এসেছিলেন তা ঢেলে দেখেছেন যে এখানে ‘পণ্ডিতি’ সাজে না। আপনার ভুল দেখিয়ে দেয়া হয়েছে এবং সঠিক ধারণার স্থানও দেখানো হয়েছে। ভুল তথ্য দেখিয়ে প্রশ্ন উপস্থাপন করা হয়েছে, আপনি উত্তর দেননি। আপনাকে একই প্রশ্নের উত্তর কেন বার বার দিতে হবে? আপনার না জানার জন্য কি কেহ দায়ী? আপনি কে, কার সন্তান, যে যেখানে সেখানে গিয়ে একটি ধর্মের ব্যাপারে মিথ্যাচার করবেন এবং যখন আপনাকে ব্যাখ্যা চাওয়া হবে তখন বলবেন, ‘আপনি ব্যাখ্যা করে দেখান’। নির্লজ্জ আচরণ! যে সব উত্তর দেয়া হয়েছে তা আবার পড়ুন। ৯: ০৫-সহ জেহাদের আয়াত সংক্রান্ত সর্ব সাধারণের বিষয় ফারুক সাহেবের ব্লগে ব্যাখ্যা করেছি।

    উপরের ১.১.২.১ মন্তব্যে ভুল তথ্যের ব্যাপারে অনেক প্রশ্ন করা হয়েছে। আবার পড়ে দেখেন। সেখানে এও বলেছি যে, যখন পাল্টা প্রশ্ন করা হবে  এবং মূর্খতা ধরিয়ে দেয়া হবে, তখন সেই প্রশ্নের স্থানে আর থাকবেন না। নতুন কোন স্থানে প্রশ্ন উত্থাপন করবেন, বা আলোচ্য বিষয়ের সব কিছু বাদ দিয়ে,  একটি ক্ষুদ্র অংশ ধরে আবার সেই পূর্বের কথা শুরু করবেন।’ এখন এটাই করছেন।এখন বলছেন,   

     “আপনি কিন্তু এখনও বলেন নি যে পূর্বেকার শান্তিপূর্ণ আয়াতের পরে যে জিহাদী আয়াত নাজিল হয় মুসলমান ও অমুসলমানদের সহাবস্থান সম্পর্কে।”

    মূর্খতার সীমা থাকা দরকার না?  এবারে শুনেন, আরেকবার বলি। জিহাদ ইসলামে ছিল, জিহাদ এখনও ইসলামে আছে। জিহাদ ইসলামে কিয়ামত পর্যন্ত থাকবে। জিহাদ যখন কিতালে রূপ নেয়, তখন সশস্ত্র হয়। কিন্তু সেই জিহাদও “সামাজিক সহাবস্থানের ইস্যুর” সাথে জড়িত নয়। আপনার চিন্তা ভুল। শুদ্ধ হোন। আর না হলে আপনার বক্তব্য তথ্যসহ ব্লগ আকারে দেন, (কিন্তু এটা আপনি পারবেন না)। জিহাদ হয় ঘোষণার মাধ্যমে। কোন জিহাদ ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে হয় না, পরিবারে পরিবারে হয় না।  জিহাদ রাষ্ট্র প্রধানের বা জাতীয় সামষ্টিক নেতৃত্বের পিছনে হয়। এটা খলিফার ব্যাপার,  রাজার ব্যাপার,  সরকারের ব্যাপার যারা ওলামাদের বিজ্ঞ সিদ্ধান্তে বিবেচনায় গ্রহণ করেন যে কোন বিশেষ চরম অবস্থার প্রেক্ষিতে ‘সশস্ত্র জিহাদের (কিতালের)’ অবকাশ আছে কি নাই। রাস্তা ত্থেকে উঠে এসে কেহ এসব বিষয় মামুলি ভাবার কি অধিকার আছে?  সে জিহাদ করা না করার কে? কেউ কোরান পড়েই সশস্ত্র জিহাদের যাওয়ার অধিকার রাখে বলে আপনাকে কে বলল?  আপনি কোরানের আয়াত পড়েই যেখানে সেখানে জিহাদ শুরু করার অধিকার রাখেন বলে কে আপনে inform করল?  আপনি এত concern দেখাচ্ছেন কেন? (সামাজিক সহাবস্থানের কথা দুইবার ব্যাখ্যা করলাম, উপরে ১-১-২-১ দেখুন)। আপনি কোথাকার পণ্ডিত?  আপনার খেয়ে ধেয়ে কোন কাজ নেই?  না ইসলামের কুৎসা গাওয়াই paid work?  আজ দু দিন ধরে আপনি এখানে ফালতু প্রশ্ন করেই যাচ্ছেন। কখনও এটা মানসূস সেটা মানসুখ,  কোরানে জিহাদের কথা আছে,  এখন আমরা কোন বিধান মানব,  এটা ব্যাখ্যা করে দেখান,  এটা ‘পরিষ্কার’ করে দেখাতে হবে,  সেটা ভাল করে দেখাতে হবে –আপনি কেডা?  
     

    খেয়াল করেছেন — এ আলোচনায় এখনো কেউ আপনাকে বাহবা দেয় নি ? কারনটা খুজে বের করার চেষ্টা করুন।

    কারণটা হচ্ছে এখানের ব্লগাররা মুসলমান। এরা জানে যে কাউকে বাহবা দিলেই তার অবস্থান যুক্তিসংগত হয়ে যায় না। আবার না দিলে তা অযৌক্তিক হয়ে পড়ে না। অযৌক্তিক অনৈসলামী আচরণ দেখতে দেখতে আপনার চিন্তা বিগড়ে হয়ে গিয়েছে, তাই ‘বাহবা’ আছে কি নাই –সেই বিবেচনাই হয়ে পড়েছে আপনার দেখার মানদণ্ড। আমি আহবান করেছিলাম আপনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ, সেটার কি হল?  আমি আবার বলল, বিষয়টি বিবেচনা করুন। আর না পারলে, কোন লাইব্রেরীতে গিয়ে কিছু কাল ইসলামের উপর অধ্যয়ন করুন। ধন্যবাদ।    
     

  6. 5
    সাদাত

    আপনি আপনার লেখাতে কখনও কখনো আয়াত সংখ্যা এভাবে লেখেন ২,২৫৬ বা ৯,৫।
    আয়াত সংখ্যা ২:২৫৬ বা ৯:৫ লিখলে বুঝতে সুবিধা হয়।
    কুরআনের আয়াতের পরে তার সূত্র উল্লেখ করলে সূত্রটা ব্র্যাকেটের ভেতরে রাখলে ভালো দেখায়। যেমন,
    যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। সূরা আল ইমরান, ০৩:৮৫ মদিনায় অবতীর্ণ
    না লিখে, এভাবে লেখা-
    যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত। [ সূরা আল ইমরান, ০৩:৮৫ মদিনায় অবতীর্ণ]
    আপনি যখন ৩:৮৫ বলছেন তখন আর সূরার নাম বলার দরকার ছিল না। আর সূরার নাম যদি বলেন তাহলে সূরার ক্রমিক সংখ্যা বলার দরকার থাকে না। যেমন, সূরা আলে ইমরান, আয়াত:৮৫।

  7. 4
    সাদাত

    লেখার মাঝখানে হঠা্ৎ করে ১২৪৬, ১২৪৭….. এসব আসলো কেন? টাইপো???

    1. 4.1
      ইমরান হাসান

      এগুলো যতদূর জানি আয়াত সমূহ এর নাযিল হবার সময়কার ক্রম সমূহ 

      1. 4.1.1
        সাদাত

        আপনি যেখান থেকে অনুবাদ নিয়েছেন, এটা সেখানকার অনুবাদকের ফুটনোটের সংখ্যা। আপনার লেখায় এই ফুটনোটের সংখ্যাগুলো অর্থহীন, অপ্রয়োজনীয়। এগুলো মুছে দিলে ভালো হয়।

        1. 4.1.1.1
          ইমরান হাসান

          দুঃখিত ভাই আচ্ছা আমি মুছে দিচ্ছি আসলে এটা বেশ তাড়াতাড়ি বানিয়েছিলাম। এইজন্য এই ভুলটা হয়ে যেতে পারে। 

  8. 3
    শাহবাজ নজরুল

    আমার প্রিয় ব্রহ্মচারী ভ্যাগাবন্ড ভবঘুরের কাছে একখানা নাকে খত পাওনা আছিল। ভ্যাগাবন্ডের ল্যাংড়া যুক্তির উপর লেখা "কে কোরবানী হয়েছিল ইসহাক না ইসমাইল" এর উপর একটা ৩ পর্বের রিবাটাল লিখি। ওই সিরিজ লেখার সময় ব্রহ্মচারীর তো তোতলামি শুরু হয়ে যায়, আর নিজের সুবিধামত গোলপোস্ট সরাতে থাকে। প্রথমে বলে বাইবেল রেফারেন্স দেন নাই, প্রসঙ্গক্রমে আসছে; এরপরে বলে কোরান হাদিস থেকে পারলে যেন আমি প্রমান করি যে উনি ভুল বলছেন। তাও প্রমান করলাম। দেখালাম ভন্ডবাবা ভ্যাগাবন্ড কিভাবে সুরা সাফ্ফাতের একটা আয়াত কম দেখিয়ে মনের মাধুরী মেশানো ল্যাংড়া যুক্তি দিয়ে ইসহাক (অ:) কে ইসমাইল (অ:) এর ৩ বছরের অনুজ বানাইছে আর সেভাবে নিজের ইচ্ছা মত রুপকথা লেখছে। এরপরে বলে বাইবেল যে বিকৃত তার শাস্ত্রীয় না বরং ঐতিহাসিক প্রমাণ চাই। পরে শাস্ত্রীয় ও ঐতিহাসিক দুই রকমেরই প্রমাণ দিলাম। শেষে যখন দেখা গেল ভ্যাগাবন্ড কুপোকাত, তখন হঠাত আসমান থেকে ফরিদ আহমদ আর গগণ অধিপতির আগমন। মহোদয়রা বলছেন "সদালাপের আবর্জনা এখানে আনবেন না।.."; আমি তো ফরিদ সাহেব আর ঝাক্কাসের ডেসপারেশন দেখে মহা পুলকিত, যুক্তির গদাম খাইয়া বুদ্ধিজীবিরে গর্ত থেকে তুলতে আইছে; মজা রে মজা। তো ভবঘুরে সাব কথা আছিল আপনার লেখার ল্যাংড়ামি ধরাইলে নাকে খত দিবেন। তো নাকে খত দেবার ঘোষণা দেন একখান, নাকি আবার ইন্দুরের গর্তে লুকাইবেন?

  9. 2
    কিংশুক

    @ আব্দুল হক," তখন আর কোরানের আয়াতে কোন শান্তির বানী পাওয়া যায় না"! তাহলে কোরআনে কি পাওয়া যায় ? আপনার কাছে, প্রশ্ন হলো কোরআন অনুযায়ী এখন মুসলমানদের কি করা উচিত ? "আপনার ব্যখ্যা যুক্তি যুক্ত হলে তা আমরা গ্রহন করব"- এই আমরাটা কারা? আপনারা কি লাদেনের দাদারা নাকি মুক্তমনারা বা* ছিড়া ভ্যাগাবন্ডরা??

    1. 2.1
      ইমরান হাসান

      আরে ভাই একটু মাথা টা ঠাণ্ডা করেন। মুক্তমনা এর কতজন যে শিয়ালের মত নিজের আইডি লুকিয়ে রেখে আমাদের কাছে এসে নিজেদের বিদ্যা ফলাতে চায় তা উপর ওয়ালাই জানেন।smiley তবে আপনার কমেন্ট র জন্য আমার 

    2. 2.2
      আব্দুল হক

      " তখন আর কোরানের আয়াতে কোন শান্তির বানী পাওয়া যায় না"! তাহলে কোরআনে কি পাওয়া যায় ?
       
      কি পাওয়া যায় তা তো এ নিবন্ধেই ভাল মতো উল্লেখ আছে। চোখ কানা নাকি ?

      1. 2.2.1
        কিংশুক

        @আব্দুল হক: এই নিবন্ধকে ছাল নাই কুত্তা ভ্যাগাবন্ড এর নিবন্ধ মনে হয় বাছা? ভিমরতিতো ভালোই ধরেছে মনে হচ্ছে। ইসলাম সম্পর্কে আপনি এখনও দুগ্ধপোষ্য শিশু, আপনার এখনও দাঁত উঠে নাই। এত নাদান কারো সাথে আলোচনায় মজা নাই। একটা কথা চিন্তা করে দেখেন, আপনি যেমন ভাব ধরছেন, কোরআন তেমন হলে হাজার বছর ধরে ইসলামিক সাম্রাজ্য থাকাবস্থায় আপনাদের পূর্বপুরুষরা কেউই বাঁচতে পারতোনা, সবাই কচুকাটা হয়ে যেতো। আর তাহলে আজকে আপনাদের দেখা পাওয়ার সম্ভাবনা ছিলোনা। ইসলামী শাসনাধীনে থাকাবস্থায় রাতারাতি কচুকাটা করে ইসলামের প্রসার হয়নি, শত শত বছর ধরে ইসলামিক সাধকগনের প্রেম-ভালোবাসার মাধ্যমে ধীরে ধীরে এশিয়া, আফ্রিকার মানুষজন ইসলামের আলোর সন্ধান পেয়েছে (যদিও আপনারা তা স্বীকার করবেননা কিন্তু ইতিহাস, বাস্তবতা তাই বলে)। কে যে কানা তা আখেরেই উপলব্দি করবেন। আল্লাহর মনোনীত ধর্ম নিয়ে যতই হাসাহাসি, রাগ-গোস্সা করেন না কেন তাঁর মনোনীত ধর্মকে তিনিই রক্ষা করবেন। বিজ্ঞানের উৎকর্ষতার স্বর্নযুগে অন্যান্য ধর্মের প্রভাব যেখানে দূর্বল হতে হতে নামকাওয়াস্তে টিকে রয়েছে, অল্প সংখ্যক বাদে সব সেক্যুলার খ্রিষ্টান, সেক্যুলার হিন্দু, সেক্যুলার ইহুদি হয়ে গিয়েছে তখনও দেখেন ইসলামের কি প্রভাব! এখনও কত কোটি কোটি মানুষ প্র্যাকটিসিং মুসলমান! কম্যুনিষ্ট, সেক্যুলারিষ্ট, পশ্চিমাপন্থী শাসক দিয়ে যুগ যুগ ধরে শাসিত হয়ে, সেক্যুলার ভাবধারায় প্রবল প্রয়োগ করেও কতগুলো দেশে নির্বাচনে ইসলমিক দল জয় লাভ করে অর্থাৎ মানুষ ইসলামিক প্রজাতন্ত্র চায়!! শত ষড়যন্ত্র, যুদ্ধ, বোম্বিং, গনহত্যা চালিয়েও কোন ইসলামিষ্ট দেশকে মাথানত করা যায়না, অকাতরে জীবন বিলিয়ে দেয় কিন্তু মাথা নত করেনা! যত যাই বলেন, মুসলমানরা বীরের জাত, কোন কিছুতেই কোন লাভ হবেনা (আপনাদের মতে ইডিয়ট এর জাত)। সব বুমেরাং হয়ে ফিরে আসছে, ফুৎকার দিয়ে ইসলামের দীপ্তি নিভানো সম্ভব হয়না বরং শিখাকে উস্কে দেয়া হয়।
         

  10. 1
    আব্দুল হক

    আমাদের দ্বীন ইসলামে বহু আয়াত আছে যেগুলো অন্য ধর্মালম্বিদের জন্য শান্তি আর তাদের জন্য করুণা করার কথা বলা হয়েছে।
     
    হ্যা আছে তবে তা মাক্কি ষুরাতে যখন আমাদের নবী ( সা: ) দুর্বল ও শক্তি হীন ছিলেন।  পরে সেসব আয়াত গুলোই মদিনায় নাজিল হওয়া আয়াত দ্বারা মানসুক তথা বাতিল হয়ে গেছে। উল্লেখ্য, মদিনাতে নবী ( সা: ) একটা ইসলামী রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন ও ক্ষমতাশালী ছিলেন। তখন আর কোরানের আয়াতে কোন শান্তির বানী পাওয়া যায় না। মুক্তমনার যে নিবন্ধের রিফিউট করতে এ নিবন্ধ লিখেছেন সেই নিবন্ধের মূল বিষয় এটাই। এখন প্রমান করুন , যে মক্কায় নাজিল হওয়া শান্তির আয়াতগুলো মদিনায় নাজিলকৃত আয়াত দ্বারা বাতিল হয় নি। আপনার ব্যখ্যা যুক্তি যুক্ত হলে তা আমরা গ্রহন করব। আসল বক্তব্যকে পাশ কাটিয়ে আশ পাশ দিয়ে ঘোরাঘুরি করে কোন লাভ নাই।

    1. 1.1
      ইমরান হাসান

      আচ্ছা দেখা যাক আপনি  এ ব্যাপারে কি বললেন 
       
      আমি বলেছিলাম আমাদের দ্বীন ইসলামে বহু আয়াত আছে যেগুলো অন্য ধর্মালম্বিদের জন্য শান্তি আর তাদের জন্য করুণা করার কথা বলা হয়েছে।
      আাপনি বললেন হ্যা আছে তবে তা মাক্কি ষুরাতে যখন আমাদের নবী ( সা: ) দুর্বল ও শক্তি হীন ছিলেন।  পরে সেসব আয়াত গুলোই মদিনায় নাজিল হওয়া আয়াত দ্বারা মানসুক তথা বাতিল হয়ে গেছে
      আাচ্ছা ভাই একটা কথা ঠিক ভাবে আমাকে একটু বলেন আপনি কি জানেন যে কুরআন এর অর্থ কি ভাবে করতে হয় তার পদ্ধতি কি এরপরে সেটা ব্যবহার করার উপায়ই বা কি? 
      আপনি এই বিষয়ে http://www.freeminds.org থেকে একটা পি ডি এফ ডাউন লোড করে নিতে পারেন যেখানে কুরআনের অর্থ কিরুপে করতে হয় সেটা দেয়া আছে ।আচ্ছা আমি আপনাকে কিছু ধাপের কথা বলছি 
      ১একই রকমের আয়াত সমূহকে একত্রিত করা 
      ২একই শব্দের অর্থ কোন জায়গায় কোন নীতিতে ব্যবহার করা হয়েছে সেটা শনাক্ত করা। 
      ৩ আয়াত সমুহের নিজস্ব উদ্দেশ্য কি সেটা সমন্ধে জানা বা শানে নুযুল কে পর্যবেক্ষণ করা, এবং সেই শানে নুযুল থেকেই আয়াত সমুহের অর্থ এবং প্রয়োগ নিশ্চিত করা। 
      এছাড়াও আপনি হয়ত একটা জিনিস এর কথা টা ভুলে যাচ্ছেন আর তা হচ্ছে ইসলামে নিজস্ব বিশ্বাস আর সেকুলার শাসন এক জিনিস না। মক্কী সুরা তে নিজস্ব বিশ্বাস এর কথা লেখা আছে আর মাদানি তে দেয়া আছে রাষ্ট্র শাসন আর যুদ্ধকৌশল । তো এখন রাষ্ট্র শাসন এর বিষয়টা কে যদি আপনি সামনে ধরেন তাহলে ৯,৫ এর আয়াতটি অসম্ভব যুক্তিযুক্ত কিন্তু আবার এই একই জিনিস কি ব্যাক্তিগত বিশ্বাসের ক্ষেত্রে কার্যকরী করা যাবে? আপনি আমার একটা প্রশ্নের আন্সার দেন 
      কুরআনের ভিত্তিতে কোন সিদ্ধান্ত নিতে গেলে কি শুধুই একটি আয়াত কে পর্যালোচনা করা লাগে নাকি একই ধরণের মেসেজ সম্বলিত সব আয়াত কে একত্রিত করতে হয়? 
      আবার বলছি যদি উত্তর হয় দ্বিতীয় পয়েন্টে তাহলে আমি সেটার পূর্ণ ব্যাখা দিয়ে দিয়েছি উপরে ২,২৫৬ এর উদ্দেশ্য আর ৯,০৫ এর উদ্দেশ্য একেবারেই এক না সেজন্য এদের একটা আরেকটা কে রিফিউট বা মানসুখ করেনি। প্রথম টা তে যেখানে আছে ব্যাক্তিগত ক্ষেত্রে ধর্মান্তকরনের ক্ষেত্রে বাধা দেয়া। আর দ্বিতীয়টা তে আছে জিহাদ এর সময়ে মুসলমানদের করনীয় এটার প্রথম টার উদ্দেশ্য মানুষের ব্যাক্তিগত ধর্মাচরণ কে সম্মান দেয়া আর ৯,০৫ এর উদ্দেশ্য হচ্ছে মুসলিমদের জন্য যুদ্ধনীতি তৈরি করা। আচ্ছা আপনি কি এটা জানেন যে এই আয়াত টা কত সনে নাযিল হয়েছিল? আমি যতদুর জানি এটা বদরের যুদ্ধের পূর্বের সময়ের আয়াত অর্থাৎ এটা ৬২৬ খ্রিস্টাব্দের পূর্বের আয়াত ? 
      অথচ এই আয়াত এর অর্থ অনুযায়ী যদি মুসলিমদের কাজই হয় অমুসলিম দের হত্যা আর যুদ্ধ তাহলে ৬২৮ খ্রিস্টাব্দে নবীজি সিনাই চার্টার কেন দিলেন? কেন তিনি তাদের ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষন করতে চাইলেন? কেন উমার (রা)  বললেন ইরান অভিযানের সময়ে 
      Make it easy for him, who can not pay tribute; help him who is weak, let them keep their titles, but do not give them our kuniya
       
      তাঁর তো উচিত ছিল সব পারসিক দের হত্যা করা যারা ইসলাম গ্রহণ করতে চায়নি। আর আপনি যদি মানসুখ নিয়ে আলাদা আলোচনা করতে চান তাহলে আমি লিখব আপনি পড়ে নিয়েন সেটা নিয়ে 
       

      1. 1.1.1
        এম_আহমদ

        @আব্দুল হক
        হ্যা আছে তবে তা মাক্কি ষুরাতে যখন আমাদের নবী ( সা: ) দুর্বল ও শক্তি হীন ছিলেন।  পরে সেসব আয়াত গুলোই মদিনায় নাজিল হওয়া আয়াত দ্বারা মানসুক তথা বাতিল হয়ে গেছে [এটা তো মিথ্যা কথা। মাদানি সূরায় মাক্কী সূরা বাতিল হল কোন দিন?]  উল্লেখ্য, মদিনাতে নবী ( সা: ) একটা ইসলামী রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন ও ক্ষমতাশালী ছিলেন। তখন আর কোরানের আয়াতে কোন শান্তির বানী পাওয়া যায় না। [কোন ধরনের বাণী পাওয়ার ইচ্ছা আপনার ছিল এবং সেই শান্তির প্রকৃতিটা কি?]  মুক্তমনার যে নিবন্ধের রিফিউট করতে এ নিবন্ধ লিখেছেন সেই নিবন্ধের মূল বিষয় এটাই। এখন প্রমান করুন , যে মক্কায় নাজিল হওয়া শান্তির আয়াতগুলো মদিনায় নাজিলকৃত আয়াত দ্বারা বাতিল হয় নি। [এটা তো মিথ্যা কথা বলছেন। আপনি যদি সেই নিবদ্ধকার হোন, তাহলে সেটা এখানে প্রকাশ করুন, তখন এখানে যারা আছেন, তাদের আলোচনা কথা বলতে সুবিধা হবে। মাদানী সূরা বাতিল হয় -এটা আপনার দাবী, আপনিই তা প্রমাণ করতে হবে। আমি যদি বলি আপনার মায়ের এক অবৈধ সম্পর্ক ছিল এবং সেই উরসে আপনার জন্ম –তাহলে আমি প্রমাণ উপস্থাপন করার আগ পর্যন্ত তা হবে মিথ্যা। আমি যদি বলি যে আপনার যে অবোইধ সম্পর্ক ছিল -তা প্রমাণ করুন, তবে এতা হবে কুতর্ক। আপনি বরং আপনারটা প্রমাণ করুন।]

        1. 1.1.1.1
          ইমরান হাসান

          ভাই আপনি তো মনে হচ্ছে চরম ক্ষেপে গেছেন। আমি তো উপরে পুরো সেট সাজিয়ে উত্তর দিয়ে তাকে দেখিয়ে দিয়েছিলাম যে একটা আয়াত এর অর্থ এবং উদ্দেশ্য আরেকটা থেকে ভিন্ন হলে পারেও তাদের পটভূমি আলাদা যদি হয় তাহলে একটা আয়াত আরেকটা আয়াত কে মানসুখ করে দেয় না। পুরো ১৩ টা আয়াতের সিরিজ দেখানোর পরেও যদি তেনার মনে হয় আমি বিভিন্ন দিকে প্রসঙ্গ ঘুরাচ্ছি তাহলে আর কিছুই বলার নেই 

        2. এম_আহমদ

          ভাই, দু;খিত। মেজাজ খারাপ। মনে হয় আপনি যে ধারায় কথা নিতে চাচ্ছেন -তা spoil করে ফেললাম। চালিয়ে যান। দোয়া রইল।

      2. 1.1.2
        আব্দুল হক

        ভাইজানরা বোধ হয় মূল বিষয় থেকে সরে এসেছেন। মূল বিষয় মানসুক বা রহিতকরন। কি রহিতকরন? বিধান রহিতকরন। এ বিষয়টা কোরান হাদিসে উল্লেথ না থাকলেও এড়ানো যেত না। অবশ্যম্ভাবীভাবে এসে পড়ত। কারন হলো- একই বিষয়ে আগে ও পরে বিধান তৈরী। আইনের পদ্ধতি বলে- যে বিধান পরে রচিত হবে সেটাই টিকবে ও চালু থাকবে, পূর্বেরটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে। এটা কোরানে বা হাদিসে উল্লেখ না থাকলেও বিষয়টি এরকমই হতো। আপনাদের ব্যখ্যা বিশ্লেষণের অপেক্ষায় থাকত না কারন এটাই সার্বজনীন পদ্ধতি। এখন উক্ত আয়াতগুলোর বিষয় কি ? 
        মুসলমান ও অমুসলমানরা কিভাবে সহাবস্থান করবে ?
        উক্ত নির্দিষ্ট বিষয়ে প্রথমদিকে মক্কায় শান্তিপূর্ণ আয়াত আমরা নাজিল হতে দেখি, পক্ষান্তরে পরে মদিনাতে নাজিল হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মী আয়াত। এখন আপনারাই বলুন আমরা কোন আয়াতের বিধান  অনুসরণ করব? আপনারা বলছেন আয়াতের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করতে। প্রেক্ষাপটটা তো হলো মুসলিমরা কিভাবে অমুসলিমদের সাথে বসবাস বা ব্যবহার করবে। জিহাদী আয়াত গুলোতে পরিস্কারভাবে সব উল্লেখ আছে কি আচরন করতে হবে অমুসলিমদের সাথে, যে কেউ তা পড়লে বুঝতে পারে, কোরান বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নাই। যদি এসব আয়াতের ভিন্ন কোন অর্থ থাকে তা প্রেক্ষাপট বর্ননা সহ আপনাদের বুঝানো উচিত যাতে মানুষ ভুল বুঝতে না পারে।  একই সাথে আপনি যে সঠিক ও যথার্থ প্রেক্ষাপট বর্ননা করছেন তার যথাযথ প্রমানও উল্লেখ করতে হবে। নিজের মত করে বলে গেলে হবে না।
         

        1. 1.1.2.1
          এম_আহমদ

          ভাইজানরা বোধ হয় মূল বিষয় থেকে সরে এসেছেন। মূল বিষয় মানসুক বা রহিত করন।

          এখানে কেউ মূল বিষয় থেকে সরে যাচ্ছে না। বরং আপনি যা জানেন না, তা নিয়ে কেন বিতর্ক জুড়েন সেতাই হয়ে পড়েছে বড় প্রশ্ন? এবং এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকেই দিতে হবে।

          মাক্কি সূরাতে সূরাতে যখন আমাদের নবী ( সা: ) দুর্বল ও শক্তি হীন ছিলেন।  পরে সেসব আয়াত গুলোই মদিনায় নাজিল হওয়া আয়াত দ্বারা মানসুক তথা বাতিল হয়ে গেছে।

          আরবী নাসখ শব্দের কয়টি অর্থ হয়, তারপর উলুমুল কোরানের যে অংশে নাসেখ/মানসূখ পরিভাষাগত হয়ে আইনি ও আচরণগত আলোচনায় প্রকারবদ্ধ হয়, তখন কত ধরনের অর্থপ্রকাশ করে? ধরুন এই আয়াত: “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোজা ফরয করা হয়েছে, যেরূপ ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তী লোকদের উপর, যেন তোমরা পরহেযগারী অর্জন করতে পার”[2:183] উল্লেখ করে বলা হল এটা মানসূস হয়ে গিয়েছে এবং এই আয়াত, “রোযার রাতে তোমাদের স্ত্রীদের সাথে সহবাস করা তোমাদের জন্য হালাল করা হয়েছে” [2:187]” আগেরটাকে মানসূখ করেছে –এখানে আপনি নাসেখ মানসূখ বলতে কি বুঝেন? রোজা কি রহিত হয়ে গিয়েছে? যদি না হয়, তবে কি হচ্ছে? নাসেখ মানসূখ কি -আপনি কি জানেন? এই উভয় আয়াত মাদানি।
           

          আইনের পদ্ধতি বলে- যে বিধান পরে রচিত হবে সেটাই টিকবে ও চালু থাকবে,  পূর্বেরটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

          আপনি কার আইনের কথা কার ঢুকাতে চাচ্ছেন? আপনি কি এই অর্থে নাসেখ/মানসূখ বুঝেছেন? আপনি কে? কেন না বুঝে মুরব্বিয়ানা করেন? এখানে নাসখ সেতা নয়। আপনার ভুল উদাহরণ গ্রহণ করে বলি, আইনের পদ্ধতিতে কিছু বাতিল হলে, তাও রেকর্ডে থাকে। কোরান তার নিজের পিছনের রেকর্ড কেন রাখতে যাবে না? এটা তাদের আল্লাহর কালাম। এটা মুসলমানগণ পাঠ করলে তাদের বিশ্বাস অনুযায়ী সওয়াব (পূণ্য) হাসিল হয়।  নাসখের আলোচনা অতি দীর্ঘ। এর প্রাকারাদি ভিন্ন। যদিও বাংলা 'রহিত' অনুবাদ করা হচ্ছে, তা exactly এটা নয়। উপরের উদাহরণ বুঝার চেষ্টা করুন, আর সেটা কেবল একতি উদাহরণ। যে আয়াতের ব্যাপারে ‘নাসখ’ পরিভাষা প্রয়োগ করা হয় তা একদম ‘রহিত’ হয়ে যায় না। এ বিষয়ে ফারুক সাহেবের ব্লগে আপনার কথার দীর্ঘ উত্তর দিয়েছি। কিন্তু সেই একই কথা আবার বলছেন।  আমি জানি আপনাদের হায়া শরম নেই। তাই একই কথা বার বার এই ব্লগে সেই ব্লগে গিয়ে আওড়ান। যখন পাল্টা প্রশ্ন করা হবে এবং মূর্খতা ধরিয়ে দেয়া হবে, তখন সেই প্রশ্নের স্থানে আর থাকবেন না। নতুন কোন স্থানে প্রশ্ন উত্থাপন করবেন, বা আলোচ্য বিষয়ের সব কিছু বাদ দিয়ে, একটি ক্ষুদ্র অংশ ধরে আবার সেই পূর্বের কথা শুরু করবেন। আমি ফারুক সাহেবের ব্লগে আপনার মন্তব্যের জওয়াব নাম্বারিং করে দিয়েছি, যাতে করে প্রত্যেকটি প্রশ্নকে নাম্বার অনুযায়ী address  করতে পারেন। আপনি যান, সেগুলোর উত্তর দেন। এবং এখানেও যে সব প্রশ্ন উত্থাপন করছি তার উত্তর দেন।

          আপনাদের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের অপেক্ষায় থাকত না কারণ এটাই সার্বজনীন পদ্ধতি। এখন উক্ত আয়াতগুলোর বিষয় কি? 

          উক্ত আয়াতগুলো সম্পর্কে এবং এদের নাসখ সম্পর্কে আপনার ভুল ধারনা ছিল, যা আমি ফারুক সাহেবের ব্লগে দিয়েছি।

          মুসলমান ও অমুসলমানরা কিভাবে সহাবস্থান করবে ? উক্ত নির্দিষ্ট বিষয়ে প্রথমদিকে মক্কায় শান্তিপূর্ণ আয়াত আমরা নাজিল হতে দেখি, পক্ষান্তরে পরে মদিনাতে নাজিল হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন ধর্মী আয়াত।

          তো তাতে কি হয়েছে?

          এখন আপনারাই বলুন আমরা কোন আয়াতের বিধান  অনুসরণ করব? কোন আয়াতের বিধান?

          ৯:05? এই উত্তরও ফারুক সাহেবের ব্লগে দিয়েছি।

          আপনারা বলছেন আয়াতের প্রেক্ষাপট বিবেচনা করতে। প্রেক্ষাপটটা তো হল মুসলিমরা কিভাবে অমুসলিমদের সাথে বসবাস বা ব্যবহার করবে।

           
          আপনি নিজে কি প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেছেন? এই আয়াতের প্রেক্ষাপট কি ছিল? এর স্থান ও কালীন সম্পর্ক কি? কোন কোন ব্যাখ্যাকারদের প্রেক্ষাপট দেখেছে? বরং বলব, আপনি কোন প্রেক্ষাপট দেখেন নি এবং দেখানও নি। আপনার সে জ্ঞান এবং যোগ্যতাও নেই। থাকলে শুরু থেকেইও দেখতে পেতাম। আর এখন যদি মনে তা দেখাতে পারবেন, তাহলে শুরু করেন। আমি আছি এখানে। 
           
          মুসলমানরা অমুসলমানদের সাথে কি অসুবিধাটা করছে? সমাজের কোন প্রেক্ষাপটের কথা বলতে চাচ্ছেন? উদাহরণ দিন। ভারত থেকে শুরু করতে পারেন। দেখেন, সেখানে কারা নির্যাতিত হচ্ছে? সরকার থেকে শুরু করে সর্বত্র কারা discriminate হচ্ছে? কাদের হাতে হচ্ছে? এই discrimination এর পরিসংখ্যান কি? Specific হয়ে আলোচনা করুন, দেখবেন আপনার সম্প্রদায় থেকে (সেটা যাই হোক) মুসলমানরা উন্নতমানের আচরণে আছে। মুসলমানদের আচরণ নানান ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা সত্ত্বেও অনেক ভাল। ওরা পাড়া প্রতিবেশীর সাথে ভাল ব্যবহার করে, সহবস্থান সমাজ কল্যাণের অনুবর্তী। অতীত থেকে আজ পর্যন্ত তারা তুলনামূলকভাবে কারো চাইতে মন্দ নয়। তারা কোরান ও হাদিসের শিক্ষা অনুযায়ীই এই অবস্থানে আছে।
           
          আপনি ৯:০৫ আয়াতকে যেভাবে দেখাতে চাচ্ছেন, সেটা আপনার জ্ঞানের দুর্বলতা, এটাকে কেউ compensate করতে পারবে না। সারা বিশ্বে মুসলিম/অমুসলিমরা একত্রে বসবাস করছে। আপনি কোথায় থাকেন, কোন সমাজে থাকেন, আপনার দেখার উপাঊ উপকরণ কি সেগুলো বলেন। 

          জিহাদী আয়াত গুলোতে পরিষ্কারভাবে সব উল্লেখ আছে কি আচরণ করতে হবে অমুসলিমদের সাথে, যে কেউ তা পড়লে বুঝতে পারে, কোরান বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার নাই। যদি এসব আয়াতের ভিন্ন কোন অর্থ থাকে তা প্রেক্ষাপট বর্ণনা সহ আপনাদের বুঝানো উচিত। 

          আমাদের বুঝানোর দরকার নেই। আপনারা নিজেরদের prejudice, এবং বিদ্বেষ দূর করুন, দেখবেন কোন সমস্যা নেই। মনকে একটু প্রশস্ত করুন। পরধর্মকে ভালবাসতে শিখুন। দেখবেন, মুসলমানরা খুব ভাল সম্প্রদায়। কোরান ও হাদিসের কারণেই তারা এমন ভাল হতে পেরেছে। 
           
          আপনিও মুসলমান হয়ে যান, তখন দৃষ্টি ভঙ্গিতে অন্য প্রেক্ষিত আসবে। দার্শনিক নীৎশা বলতেন যে কোনো ব্যাক্তি বিপরীত paradigm-মে গিয়ে চিন্তা করলে তার পক্ষে সেখানের প্রেক্ষিত হৃদয়ঙ্গম করা সহজ হয়। আমি দোয়া করি আপনি মুসলমান হন। আল্লাহ আপনাকে হেদায়াত করুন এবং মুসলমানদের অবস্থান বুঝার সুযোগ দিন।
          যাতে মানুষ ভুল বুঝতে না পারে।  একই সাথে আপনি যে সঠিক ও যথার্থ প্রেক্ষাপট বর্ণনা করছেন তার যথাযথ প্রমাণও উল্লেখ করতে হবে। নিজের মত করে বলে গেলে হবে না।
          সঠিক প্রেক্ষাপট আমাদের মানুষ জানে। আপনি একটু তালাশ করলেই দেখবেন, মুসলমানরা কেউ তাদের প্রতিবেশীকে রাতের গভীরে গিয়ে জবাই করছে না। আমাদের সকলের প্রতিবেশীতে অসংখ্য অমুসলিম বন্ধু-বান্ধব আছেন। আমাদের ছেলেমেয়েদেরও। ওরা আমাদের বাসায় আসে, খায় দায়, ঘুরা ফেরা করে। আবারও দোয়া রইল। আল্লাহ যাতে আপনার দৃষ্টি ভঙ্গিতে কল্যাণ দান করেন, যেন মুসলিম বিদ্বেষ দূর করে দেন, যেন আপনার অন্তরকে কোরানের প্রশস্ত করে দেন, যেন আপনি মুসলমানদেরকে ভালবাসতে পারেন এবং তাদের ধর্মের প্রতি সহানুভূতি লাভ করেন। অনেক ওয়াজ করলাম, আমার চা-টাও ঠাণ্ডা হল। যাই আরেকটা আনি গিয়ে। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।]

        2. আব্দুল হক

          আপনি নিজে কি প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেছেন? এই আয়াতের প্রেক্ষাপট কি ছিল? এর স্থান ও কালীন সম্পর্ক কি? কোন কোন ব্যাখ্যাকারদের প্রেক্ষাপট দেখেছে? বরং বলব, আপনি কোন প্রেক্ষাপট দেখেন নি এবং দেখানও নি। আপনার সে জ্ঞান এবং যোগ্যতাও নেই। থাকলে শুরু থেকেইও দেখতে পেতাম। আর এখন যদি মনে তা দেখাতে পারবেন, তাহলে শুরু করেন। আমি আছি এখানে।
          প্রেক্ষাপট টা আপনিই একটু বিশ্লেষণ করুন আমরা দেখি।
          আপনি কিন্তু এখনও বলেন নি যে  পূর্বেকার শান্তিপূর্ণ আয়াতের পরে যে জিহাদী আয়াত নাজিল হয় মুসলমান ও অমুসলমানদের সহাবস্থান সম্পর্কে -- তার মধ্যে কোন আয়াতের বিধান আমরা অনুসরণ করব এর উ্ত্তর কি হবে। পরিস্কার করে বলতে কি কোন অসুবিধা আছে? নাকি এর উত্তরে ঘুরিয়ে পেচিয়ে কিছু অর্থহীন কথাবার্তা বলাই আপনার অভ্যাস? ঘুর প্যাচ বাদ দিযে ঝেড়ে কাশ দিন । পরিস্কার করুন সব কিছু। ব্লগের সবাই সেটা জানুক। তখন দেখবেন আর অযথা বাহবা পাবেন না। খেয়াল করেছেন -- এ আলোচনায় এখনো কেউ আপনাকে বাহবা দেয় নি ? কারনটা খুজে বের করার চেষ্টা করুন।

        3. এম_আহমদ

          আপনার উত্তর নিচে 6 নম্বার পয়েন্টে দেখুন।

    2. 1.2
      শাহবাজ নজরুল

      হ্যা আছে তবে তা মাক্কি ষুরাতে যখন আমাদের নবী ( সা: ) দুর্বল ও শক্তি হীন ছিলেন।  পরে সেসব আয়াত গুলোই মদিনায় নাজিল হওয়া আয়াত দ্বারা মানসুক তথা বাতিল হয়ে গেছে। তখন আর কোরানের আয়াতে কোন শান্তির বানী পাওয়া যায় না।

      Your knowledge shows how much empty vessel you are. Do you know how to interpret the ayats of Quran? Is it solely based on your whims? Is it solely based on your own interpretation? When you come with such pathetic and false claims, it is YOU who must prove it. Where in the history of Islam it was ever said that Makki suras has been abrogated by Madani suras? That Nilkhet typist Vagabond does not know nothing about Islam, except copy and paste, and you guys are cheerleading the GREAT MM Scholar??? What a pathetic attitude!!!

      Nasek and Mansuk are specific branches of Islamic science. You cannot go outside the bounds of the limits set forth by Islamic scholars throughout our history.You cannot just come up with your own interpretation of any concepts of Islam at your will. If you want to debate Nakek and Mansuk, you MUST stay within the definition given by Islamic scholars. First learn what Nasek and Mansuk are, and then debate.
       

      মুক্তমনার যে নিবন্ধের রিফিউট করতে এ নিবন্ধ লিখেছেন সেই নিবন্ধের মূল বিষয় এটাই। এখন প্রমান করুন , যে মক্কায় নাজিল হওয়া শান্তির আয়াতগুলো মদিনায় নাজিলকৃত আয়াত দ্বারা বাতিল হয় নি।

      You are accusing someone that "You are a whore." Now you are telling him/her that, "If you are not a whore, disprove it." What a pathetic logic!!! Is it the standard of level of reasoning in Mukto-Mona?
       

Leave a Reply

Your email address will not be published.