«

»

May ১১

সারাদেশে মিষ্টি বিতরণ

আসসালামু আলাইকুম।

আজ সারাদেশে মিষ্টি বিতরণ হচ্ছে। কি ভাবছেন নিজামীর ফাসি উপলক্ষ্যে?

না, আজ এসএসসি পরীক্ষার্থীদের ফলাফল দিয়েছে এ উপলক্ষ্যে। তবে খবরে শুনতে পারেন, নিজামীর ফাসি উপলক্ষ্যে সারাদেশে মিষ্টি বিতরন।

 

সদালাপ এ যখন প্রবেশ করি তখন ভাবতাম এটি এন্টিএথিষ্ট একটি প্লাটফরম। কিন্ত আমার ভুল ভাঙা শুরু করলো যখন দেখি একের পর এক রাজনৈতিক চর্চা এখানে হচ্ছে। জামায়াত লিখে সার্চ দিলে গ্রুপে অনেকগুলা লেখা চোখে পড়লো। সময় নিয়ে পড়লাম। সবগুলাই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এর বিপক্ষে লিখা।। এতবড় একটা প্লাটফর্মে জামায়াতের সমর্থক দু একজন থাকবেনা তা কি সম্ভব? আমি জামায়াতের পক্ষে একটি লেখাও এখানে খুজে পেলামনা। থাকলেও আমার চোখ গলের বেরিয়ে গেছে। সাম্প্রতিক লেখায় নিজামীর ফাসি নিয়ে  উল্লাস প্রকাশ করতে দেখা গেছে আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন নামক একজন লেখককে। আপনারা তার লেখাটি পাবেন এখানে,  জাস্টিস সার্ভড – বেটার লেইট দ্যান নেভার! 

 

তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ গুলোর জবাবে আমি ইউটিউব থেকে কিছু ডকুমেন্টারি ফিল্মের লিংক দিচ্ছি। একজন সচেতন পাঠক হলে আপনি বুঝতে পারবেন, নিজামী কি যুদ্ধাপরাধী ছিল নাকি তাকে যুদ্ধাপরাধী বানানো হয়েছে।। 

 

১।  পর্ব ০১ : মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

২। পর্ব ০২ : মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

৩। পর্ব ০৩ : মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

৪। পর্ব ০৪ : মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

৫। পর্ব ০৫ : মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

৬। পর্ব ০৬ : মাওলানা নিজামীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ

 

পর্বগুলা একসাথে দেখতে পারেন, এখানেঃ মাওলানা নিজামীকে হত্যার সকল ষড়যন্ত্র ফাঁস

 

অনেকে একজন সাক্ষীর সংবাদ সম্মেলন দ্বারা উপরোক্ত ডকুমেন্ট ডিফেন্ড করতে চাইবেন। তারা দেখুন, মাওলানা নিজামী'র বিরুদ্ধে প্রহসনের বিচার ও সাক্ষী কেলেঙ্কারী ফাঁস

অতএব, তারা সামান্য হেসে নিক এবং তারা তাদের কৃতকর্মের বদলাতে অনেক বেশী কাঁদবে। [সূরা তাওবাঃআয়াত ৮২]

 

 

"আল্লাহর পথে যারা হয়েছে শহীদ, তাদেরকে তোমরা মৃত বলোনা"

৭৫ comments

Skip to comment form

  1. 21
    এম_আহমদ

    এই বিচার যে প্রশ্নবিদ্ধ তা হাজারও আলোচনায়ও নিরসন হবে না। কেননা, যা  নিজ পরিধিতে একটি অতি প্রব্লেমেটিক বিষয় এবং এমন কমপ্লেক্সিটি পূর্ণ বিচার যে ধরণের অভিজ্ঞতা ও পদ্ধতিগত নিয়ম ধারণের আহবান করে তার কিছুই করা হয় নি।

    প্রথমত বিষয়টি আপনাতেই জটিল। এখানে প্রধাণত আসে এপিস্টেমোলোজিক্যাল প্রবলেম (epistemological problem) , ৪০ বছর আগের কোন বিষয়ের স্মৃতি থেকে প্রসিকিউশন। দুটি যমজ সন্তান ঘর-পোড়া পরিস্থিতি থেকে বেঁচে গিয়ে দুই দশক পর কীভাবে আগুণ লেগেছিল তার ভিন্ন কাহিনী বর্ণনা করেন। স্মৃতি-ধারিত বস্তু থেকে বর্ণিত বিষয় perceptual, memorial, introspective and a priory বিষয় হয়। আমার এই ব্লগের (একাত্তর অতীত দিনের স্মৃতি) একজন রাজাকার এক ব্যক্তিকে ধরে এনে যে মারপিট করেছিল –তা আমার স্বচক্ষে দেখা। এখন সেই ব্যক্তিকে যদি সনাক্ত করণের জন্য আমাকে কোর্টে ডাকা হয়, তবে আমি সেখানে যাবো না, কোনো কোন সাক্ষী দেব না। কেননা এখন তাকে পরিচয় করা আমার পক্ষে “অসম্ভব”। আমার এক আত্মীয়ের সাথে ৬/৮ বছর আগে এই ইংল্যান্ডে দেখা হয়েছে। তিনি ই-লিগ্যাল ছিলেন তাই লুকিয়ে লুকিয়ে চাকুরি বাকুরি করতে হত। তার শরীর তখন গোটা-তাজা ছিল না। কিন্তু কয়েক বছর আগে তাকে আইনের লোক ধরে ফেলে এবং দেশে পাঠিয়ে দেয়। সেখানে তিনি ক্ষেত-খামার শুরু করেন এবং বেশ হৃষ্ট-পুষ্ট হন এবং দাড়ি রাখেন। গত কয়েক মাস আগে তাকে হত্যা করা হয়। এটা গ্রামীণ শত্রুতামূলক কারণে। তার ছবি সাথে সাথে ইন্টারনেটে প্রকাশ পায়। কিন্তু আমি দেখে তাকে পরিচয় করতে পারি নি।

    আপনি ৪৫ বছর আগে এক রাজাকারকে পাকিস্তানী আর্মির লোকসহ ধরে নিয়ে যেতে দেখেছেন। পরবর্তীতে ধৃত ব্যক্তিকে মৃত পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু এজন্য ঐ রাজাকারই কি তাকে হত্যা করেছে? এর হ্যা-না কিছুই বলা যাবে না। সে হত্যা করে থাকলে আপনাকে স্বচক্ষে তা দেখতে হবে। না হলে, সে তার ১৪৯ টাকা বেতনের চাকুরীর অংশ হিসেবে ওই ব্যক্তিকে ধরে নেয়ার কাজ করেছে মাত্র –হত্যা করে নি। পরবর্তীতে কী হয়েছে তা আপনি দেখেন নি।

    যাদেরকে আজ হত্যা করা হয়েছে এবং আগামীতে করা হবে –এদের নাম নিউরেনবার্গের ক্রিমিনালদের মত লিষ্টেট দলিল ভিত্তিক নয়। জামাতি এই কয়জনের ব্যাপারের অনেক তথ্য এখন প্রকাশিত, নতুন করে বলার দরকার নেই। আমি আমার এই ব্লগে (চেতনার ভূত -একটি আদর্শিক দ্বন্দ্ব ও বিপর্যয়) বিষয়টি নিয়ে কিছুটা আলোচনা করেছি।

    বিচারের বিষয়টি আপনার গ্রামে যেভাবে, এই বিশ্বের বৃহত্তর পরিধিতেও অনেকটা তা’ই। আপনি ক্ষমতাবান কেউ হয়ে ক্ষমতাহীন কারো উপর অপরাধ আরোপণ করে আপনার লোক দিয়ে, তাও এমন লোক যারা ঐ ব্যক্তিকে মারতেই চাই চায়, বিচার শুরু হওয়ার আগ থেকেই তা বলে আসছে, তারপর ক্ষমতাবান ব্যক্তি (এক্ষেত্রে ধরুন সরকারী দলের নেতা-নেত্রী) বিচারের আগ থেকে বলে আসছে এদেরকে ফাঁসীতে ঝুলানো হবে, এমন প্রেক্ষিতে এবং বিশেষকরে  “সেই বিচারকদের” ক্যালেঙ্কারীর ঘটনা যেখানে স্কাইপে প্রকাশিত, পদোন্নতির কথা প্রকাশিত, রায়ের জন্য সরকার পাগল হয়ে গেছে –এমন কথা প্রকাশিত, তারপর বিচারকের মধ্যকার পরবর্তী বাক-বিতণ্ডা, মিডিয়ার মাধ্যমে পূর্ব থেকে প্রচারণা, নির্মূলদের মাধ্যমে ব্লগীয় ফ্যাসিবাদী প্রচারণা ও গোটা জামাতিদের নির্মূলের ডাক-ঢুল ইত্যাদির আলোকে কি সেই অভিযুক্ত ব্যক্তি ন্যায় বিচারের আশা করতে পারে?  আমাদের গ্রাম্য পরিবেশে যখন গ্রামীণ-পলিটিক্স তুঙ্গে উঠে তখন গ্রামের লোকেরা বলেন, ‘ভাইজান আমরা আশে-পাশের গ্রামের সালিশ ডেকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করব’। এই নজির যেমন গ্রামে, তেমন বিশ্বের অঙ্গনেও। অতীতের জটিল সমস্যা কেন্দ্রিক বিচার-ব্যবস্থা বাহির থেকে অভিজ্ঞ লোকের সমন্বয়ে সেটি করা হয় এবং হয়েছে এমন নজির রয়েছে। রুয়ান্ডার জেনোসাইড কেসে বাংলাদেশের একজন আইনজ্ঞ কাজ করেছিলেন কিন্তু  তিনিও বাংলাদেশের এই আদালতের কঠোর সমালোচনা করেছেন। 

    এখানে কেউ কেউ একাত্তরের জুলুম দেখিয়ে, এদের বিপক্ষে আবেগ সঞ্চার করতে দেখা গিয়েছে, কিন্তু ইসলাম হচ্ছে transparency, ইসলামের transparency সৃষ্টির আগে সেই আবেগ সঞ্চার করা যাবে কখনো সঠিক নয়, এবং বিচারেরের ক্ষেত্রে কখনো এধরণের আবেগ সৃষ্টি সঠিক নয়, কেননা এবং তারপর, ইসলাম কখনো কোন অভিযুক্তের বিচারের দায়িত্ব এমন কোন হাতে তুলে দেয় না যাকে/যাদেরকে কোনোভাবে অভিযোগী বা অভিযোগীর পক্ষ বলে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে বিবেচনা করা যেতে পারে, হলোকষ্ট দেখিয়ে প্যালেস্টাইনদের মারার যুক্তিকে সমর্থন করে না, অধিকন্তু এই বিচারব্যবস্থা ইসলামী নীতির ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয় নি এবং সেই পদ্ধতি মোতাবেক চালিতও হয় নি, শুধু রাজনৈতিকভাবে ইসলামকে ব্যবহার করতে মধ্যখান থেকে ইসলামের রেটোটিক সঠিক নয়।    

    এই বিষয়টির সাথে যে শুধু রাজনীতির সম্পর্ক তা নয়। এখানে ধর্মতাত্ত্বিক বিষয়ও কাজ করছে। যারা ১৯৭১ আগ থেকেই জামাত নামক দলটিকে মাওদূদীবাদী “গোমরা” “পথভ্রষ্ট” এবং স্থানভেদে কাফির ভাবেন তাদের সকলের মৌন সমর্থন নির্মূলকারীদের পক্ষেই।  ঘটনা যদি এমন হত যে বাংলাদেশের বাহিরে থেকে কোন সেনাদল এসে এই সম্প্রদায়কে নির্মূল করে যেত তবে তারা এতে আল্লাহর কুদরতের ইঙ্গিত লাভ করত এবং হয়ত দুই রাকার শুকুরানা নামাজও পড়ত।

    কেউ যখন কাউকে dehumanise করে তখন এই dehumanised সত্তার হত্যাতে মোটেই মর্মবেদনা পাবে না, বরং ওর পাশবিকত্ব দেখবে। এটাই হচ্ছে আজকের বাস্তবতা। আজকের এই মূহুর্ত্তে সংঘটিত হওয়া হাজারও হত্যার বিচার করার কেপাসিটি নেই কিন্তু ৪৫ বছর আগের এক অতি কমপ্লেক্স বিচার দলীয়ভাবে এবং চরম প্রশ্নবিদ্ধভাবে করে একদল লোক তাদের নিজেদের মনের তৃপ্তি পেলেও সেই দেশের বৃহত্তর অংশ এবং বহির্বিশ্বেও সেটা বিচারের তৃপ্তি হয়ে প্রকাশ পায় নি। বিচারের একটি প্রধান উদ্দেশ্য হল নিরপেক্ষ পদ্ধতিতে সুবিচার হয়েছে -এই ধারণা জন মনে প্রকাশ পাওয়া, কিন্তু তা এক দলের কিছু লোক ব্যতীত আরো কারও দৃষ্টিতে হয় নি। এমনকি আমার আত্মীয় এবং পরিচিতদের মধ্যে আমলীগের কিছু লোক রয়েছেন যারা হাস্যভরে এটাকে রাজনৈতিক বিচারই মনে করেন, জামাত আমলীগকে বিট্রে করার বিচার মনে করেন, তবে আমি জানি না সেই বিট্রেটা সত্যিকার অর্থে কি।     

    এই বিচারের শুরুর আগে আমার বক্তব্য ছিল এদেরকে সোজাসুজি হেইগে (Haigue) পাঠিয়ে দেয়া হোক। নিজেরা কোটি কোটি টাকা এই খাতে বরাদ্দ করে নিজেদের পেটে ঢুকানোর চেয়ে ওদিকে পাঠালে অনেক টাকাও বাঁচত এবং কেউ বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ হিসেবে দেখত না।  

    1. 21.1
      Abu Saif

      আসসালামু আলাইকুম……………

      আপনাকে ধন্যবাদ আপনার সবগুলো মন্দব্য ও জবাবের জন্য! 

      জাযাকাল্লাহ….

    2. 21.2
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      একটা পজেটিভ টোন দেখা যাচ্ছে -- ভাল লাগলো। প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যে কোন পূর্বশর্ত লাগে না -- তাই প্রশ্নবিদ্ধ করা সহজ। তবে প্রশ্নটা যৌক্তিক কিনা সেইটা বিবেচনার দাবী রাখে। 

      শেষ বাক্যটাই যদি ধরি -- 

      এই বিচারের শুরুর আগে আমার বক্তব্য ছিল এদেরকে সোজাসুজি হেইগে (Haigue) পাঠিয়ে দেয়া হোক। নিজেরা কোটি কোটি টাকা এই খাতে বরাদ্দ করে নিজেদের পেটে ঢুকানোর চেয়ে ওদিকে পাঠালে অনেক টাকাও বাঁচত এবং কেউ বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ হিসেবে দেখত না।

      -- হেগে ( Dan Hauge) -- পাঠানো মানে -- International Criminal Court  এর পাঠানো যেতো কিনা -- এই্ প্রশ্নটার জবাব দেওয়া দরকার। উত্তর হলো -- সম্ভব হতো না। তার কারন দুইটা -- 

       

      ১) Rome Statute এর অধীনে এই কোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যা শর্ত হলো -- 

       "shall not be subject to anystatute of limitations".[8] Under the Rome Statute, the ICC can only investigate and prosecute the four core international crimes in situations where states are "unable" or "unwilling" to do so themselves. 

      অর্থাৎ কোন রাষ্ট্র যদি তার নাগরিকের বিচার করতে অসমর্থ হয় বা অনিচ্ছুক হয় -- তবেই এই কোর্টের বিচার করা যাবে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভাবে এই বিচার করতে "অনিচ্ছুক" বা "অসমর্থ" নয়। 

      ২) তারচেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কারন হলো -- এই কোর্ট ২০০১ সালের ১ লা জুলাইএর আগের কোন অপরাধের বিচার করবে না -- কারন ২০০১ সালের জুলাইএর ১ তারিখ থেকে এই কোর্ট কার্জকরী হয়েছে। 

      আশা করি কিছু প্রশ্ন করা থেকে আমরা বিরত থাকবো। 

      ধন্যবাদ। 

       

    3. 21.3
      মজলুম

      মন্তব্যটা সুন্দর হয়েছে। তবে এইসব ৪৫ আগেরকার বিচার ১০০% ত্রুটিমুক্ত সম্ভব নয়। তবে জামাতিদের কথা ভাবলে অবাক লাগে, ধরুন সেই সময় তারা কোন অপরাধ করেনি, রাজাকার, আল বদর ও বানায় নি, শুধু পাকিস্তানের আর্মির গনহত্যা সমর্থন দিয়েছিলো। শুধু সেই সমর্থন দেওয়ার কারনে  ওরা এই জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত(যদিও জামাত মনে করে সেই সময়ে সেটা সঠিক ছিলো)। আমি যদি একটা ভুল করি আপনার বিরুদ্বে এবং আপনার কাছে ক্ষমা চাই, দেখবেন আমার বিরুদ্বে আপনার আগে যে রাগ ছিলো তা আর নাই। শয়তান ও আদম দুজনে পাপ করেছিলো জান্নাতে, আদম ক্ষমা চেয়েছে কিন্তু শয়তান ক্ষমা চায় নি বরং স্পর্ধা দেখিয়েছে। একজন বিনয়ী আরেকজন অহংকারী। জামাত এতোকিছুর পরও এখনো ক্ষমা চায় নি এই জাতির কাছে। জামাতি বুদ্বিজিবীদের কাছ হতে শুনি যে ক্ষমা চাওয়া নাকি হবে তাদের  ৭১ এর "জামাতি শহীদ"  দের রক্তের সাথে বেইমানী। জামাত শত শত মিথ্যাচার, কপটতা করে ৭১ নিয়ে কিন্তু একবারও ক্ষমা চাইতে রাজী নয়।  আসলে জামাত ভাবেনি কখনো যে এমন পরিস্থিতিতে পড়বে, বিশ্ব রাজনীতি পরিবর্তন হবে। আল্লাহ তার বিচারে অধিক ক্ষমতাবান, কিন্তু মানুষ সেই সম্পর্কে ধারনা রাখেনা।

      জামাতের এই করুন অবস্হায় দেওবন্দীরা ওদের প্রতি একটা সফট কর্নার দেখাচ্ছে, যদিও জামাত ২০০১ ক্ষমতা পাওয়ার পর কওমীদের বিরুদ্বে অনেক ষড়যন্ত্র করেছে। নিজেদের অনেক বড় বলে জাহির করে জামাতিরা কওমীদের বিরুদ্বে। ভাব ধরে উনারা সাইন্স এন্ড টেকনোলোজীতে অনেক দুর চলে গেছে, কিন্তু কওমীরা সেকেলে জামানায় পড়ে আছে। অনেক কওমী আলেমকে জেএমবি বলে পুলিশে ধরিয়ে দিয়েছে। সেই তিক্ত অবস্হার পর শায়খুল হাদিস আজিজুল হক পরে আওয়ামী জোটে জোগ দিয়েছেন বিএনপি ছেড়ে।
      তবে জামাতের এই অবস্হায় চরমোনাই গ্রুপ এবং বেরেলভী গ্রুপ খুব মজায় আছে। এটা ঠিক না, পারলে নিজেরা কিছু করো, জামাত নিচে পড়লে তোমরা উপরে উঠবানা, বরং কিছু করে তোমাদের উপরে উঠতে হবে।

      আর ৭১ এ যদি পাকিস্তান আর্মি গনহত্যা না করে ভারতের আর্মী করতো, মানে পাকিস্তানের জায়গায় ভারত, রাজাকার/আল-বদর হইতো হিন্দু এক্সট্রিমিস্ট গ্রুপ, তাই এখন তথাকথিত শাহবাগী, বামাতি, প্রগতীশীলরা বিচার চাই, বিচার চাই, ফাঁসি না বলে মুখে কলুপ এটে বসে থাকতো।
      বিপরীতে ইসলামপন্হী দলগুলো বিএনপির কাছে  বিচার চাই, বিচার চাই, ফাঁসি চাই বলে গলা ফাটাতো শাহবাগীদের মতো।

      ঠিক এখানে মুসলিমদের অনুসরন করা  উচিত হযরত উমরের(রঃ)  মতো সাহাবিকে। যিনি বিচার করার সময় মুসলিম নাকি ইহুদি তা দেখতেন না, দেখতেন সে কি কাজ করেছে।

      1. 21.3.1
        মাহফুজ

        ২১.১ ও ২১.২ -- ভাল বলেছেন

        তবে লেখক সাহেব কিংবা তার সমমনারা কেন যেন এখনো আমার এই (২) মন্তব্যের জবাব দেয়ার প্রচেষ্টা নেন নাই

        মহান আল্লাহতায়ালার নিরীহ বান্দাদের উপর চোখের সামনে ৭১ এ নিজের দেশের মাটিতে এত বড় একটা অন্যায় ও অনাচার হতে দেখেও আল্লাহর দলের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে ঘোষণাকৃত ইসলামের নামধারী দলের নেতারা এর প্রতিবাদ পর্যন্ত করেনি। বরং তাদের কথা ও কর্মের দ্বারা অত্যাচারি শাসকচক্রের প্রতি ঝুঁকে পড়ার আভাসই মেলে। (১১:১১৩) হয়ত এ কারনেই আল্লাহতায়ালা তাঁর সাহায্যের হাত সরিয়ে নিয়েছেন। তাদেরকে এখনও খেসারত দিতে হচ্ছে এবং আরও কতদিন দিতে হবে তা আল্লাহতায়ালাই ভাল জানেন। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের এ ভুল স্বীকার কোরে মহান আল্লাহতায়ালা ও জনগনের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া উচিত।

        হায় ইসলামী দলের বিভ্রান্ত নেতারা! ভাবতেও অবাক লাগে!! বিশেষ কোরে তৎকালীন জামাতি ইসলামের কোন নেতা বা সক্রিয় কর্মীদের মধ্য থেকে কয়েকজনও যদি হানাদার বাহিনীর অন্যায় ও জুলুমের প্রতিবাদ কোরে নির্যাতিত বা শহিদ হতেন, তাহলে আজকে বাংলার মানুষের কাছে ইসলামের নামে কুৎসা রটানোর কোন সুযোগই থাকতো না। নিঃসন্দেহে ইতিহাস এক ভিন্ন মাত্রা পেতে।

      2. 21.3.2
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        ক্ষমার সময় শেষ হয় না, ওরা এখনও ক্ষমা চাইতে পারে, কিন্তু চাইবে না, কারণ ওদের অহংকার।

         

  2. 20
    মহিউদ্দিন

    আমি অনেক আগে একবার লিখেছিলাম যে একটি ভুল আরও দশটি ভুলকে শুদ্ধ করে দেয়া না এবং দশটি ভুল একাদশ ভুলের কোন যুক্তিও নয়। ভুলের মাশুল দিতেই হয়। অনেক সময় যে ভুল করল সে যদি পার পেয়েও যায়, জরিমানা দেবার দায়িত্ব তখন চেপে বসে অন্যের ঘাড়ে। আজ বাংলাদেশের অবস্থা দেখে তাই সত্য মনে হচ্ছে। যুদ্ধাপরাধের ইস্যু একটা জাতীয় ইস্যু তাই এটাকে জাতীয়ভাবেই মোকাবেলা করা উচিত ছিল তা না করে কোন বিশেষ দলের রাজনৈতিক ফায়দা লুটার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা হচ্ছে চরম অন্যায়।  বস্তুত: বর্তমান ক্ষমতাসীনরা সঠিক বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে বিচারের নামে অন্যায় করে ও বিচারকে প্রভাবিত করার ফলে উদ্ভূত দুর্বলতার সুযোগে স্বার্থবাদী একটি পক্ষ তাদের ঘাড়ে চেপে বসার সুযোগ পেয়েছে এবং এদেশকে যারা শোষণ করতে চায় তাদের অশুভ শক্তি দৃষ্টিগোচর হয়ে পড়েছে। দু:খের ব্যাপার হল এ অন্যায় যারা বুঝতে পারেন না তাদেরকে বুঝানো সম্ভব নয়। আর কেউ বুঝতে গেলেই তাকে একাত্তরের আবেগ দিয়ে তখন তাকে সত্য দেখিতে অপারগ তথা  Blindfold করে দেয়া হয়।  নিজামী দুষী না নির্দোষ বলার আগে নিজামী ন্যায় বিচার পেয়েছেন কিনা সে প্রশ্ন থেকেই যায়। সে জন্যই হয়তবা তুরস্কের এরদোগানকেও নিজামীকে হত্যার ব্যাপারে কথা বলতে হয়েছে কেননা তুরস্কের সরকার এই ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম বুঝতে একটি তদন্ত টিমও পাঠিয়েছিল।  

    নিচের ভিডিওটি দেখলে বুঝা যায় কি হয়েছে । 

      https://youtu.be/jipEgiK14io

     

     

    1. 20.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ৪৫ বছর এইটা জাতীয় ইস্যু ছিলো না -- তাদের মন্ত্রী বানানো -- তাদের রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় বিশেষ অবদানের জন্যে বিনামূল্যে জমি দেওয়ার সময় এইটা জাতীয় ইস্যু ছিলো না -- যখন বিচার শুরু হলো -- তখন এইটা জাতীয় ইস্যু হয়ে গেলো। এর আগে ২১ বছর যারা ক্ষমতায় ছিলো তাদের কাছে এইটা জাতীয় ইস্যু মনে হয়নি। তইতো। 

      তুরস্কের প্রেসিডেন্ট হলো শুড়ির স্বাক্ষী মাতালা -- যখন সৌদী আরবে নিমার আল নিমার  এর মৃত্যুদন্ডের পর তুরস্কের বক্তব্য ছিলো -- "The executions in Saudi Arabia are an internal legal matter. Whether you approve of the decision or not is a separate issue." 

      সেই বিচার নিয়ে টার্কি আন্তর্জাতিক মান -- স্বচ্ছতা নিরেপক্ষেতা ইত্যাদি সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্যে গোপনের প্রতিনিধি দল পাঠায়নি -- কারন সেইটা তাদের ইন্টারনাল  এফেয়ার। 

      আর বাংলাদেশের গনহত্যার সহযোগী আল-বদর নেতার জন্যে তুরষ্ক এখন পুরো ইউরোপকে "ডাবল স্ট্যান্ডার্ড" বলে দোষারোপ করছে। 

      “If you are against political executions, why did you remain silent to the execution of Motiur Rahman Nizami who was martyred a couple of days ago,” the Turkish president was quoted by the report as saying.

       

      নিমার এবং তার ৪৫ জন সহযোগীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো রাষ্ট্রদ্রোহীতার -- বিচার হয়েছে গোপনে এবং মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে গোপনে। সেইটা পলিটিক্যাল এক্সিকিউশন না -- ইন্টারনাল এফেয়ার -- আর বাংলাদেশের উন্মুক্ত বিচার -- আপীল ইত্যাদির জন্যে ৬ বছর লাগানো পর সেই বিচার টার্কির কান্নার কারন। 

      তাই বলি -- ডাবল স্টান্ডার্ড কাকে বলে। 

      এই সরকার ছাড়া কে এই বিচারের ব্যবস্থা করতো বাংলাদেশে -- জাতীয়ভাবে জামাত-বিএনপি-জাতীয়পার্টিকে নিয়ে বিচার আর সোনার পাথরবাটি একই কথা। মোদ্দা কথা হলো -- যেভাবেই বিচার ঠেকানোর চেষ্টা -- না পেরে বিচার বিতর্কিত করা -- এখন তা নিয়ে একটা রাজনৈতিক ফায়দা লুটার যা চেষ্টা তারই অংশ হিসাবে সদালাপে কয়েকজন ইনিয়ে বিনিয়ে বিচারকে বিতর্কিত করা নানান কথা বলেন। এইটা সুষ্পষ্টভাবে মজলুমের বিচার পাওয়ার বিরুদ্ধে আপনাদের একটা প্রচেষ্টা মাত্র -- জালেমের পক্ষে অবস্থান গ্রহনের একটা সুষ্পষ্ট উদাহরন। এ্ই লেখাগুলোই স্বাক্ষী হয়ে থাকবে -- যা আপনাদের এক সময় জবাবদীহি করতে হবে। 

      বিচার কতটা সুষ্ট হয়েছে তার দায় বিচারকের -- তাকে এই জন্যে জবাবদীহি করতে হবে -- কিন্তু তাকে বিতর্কিত করার উপাদান খুঁজে বের করা এবং তা প্রচার করার জন্যে আপনাদের জবাবহীতিতা থেকে মুক্তি নেই। 

       

       

    2. 20.2
      শাহবাজ নজরুল

      ভিডিও'টা দেখলাম। একপেশে মনে হলো। বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট একপেশে ভাবে এতে দেখানো হয়েছে। রাজাকার বাহীনী, আল-বদর বাহিনী, পাকিস্তানিদের অপকর্ম এতে দেখানো হয়নি। ভিডিওটির ধারা বর্ণনা, বিচার বিরোধী-দের টকিং পয়েন্ট এর মত। সিমলা চুক্তির কথা অর্ধসত্য করে দেখানো। এমন ভিডিও এর উপর ভরসা অন্তত আমি করতে পারবোনা। 

      তবে এত কিছুর পরেও আমি একথা অস্বীকার করিনা যা বিচার প্রক্রিয়াতে কিছু ভুল নিশ্চই ছিল। সরকারী পক্ষ যে এথেকে রাজনৈতিক ফায়দা দেবার চেষ্টা করে নাই তাও পুরোপুরি অস্বীকার করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। বিশেষত আমি আগেই সাইদী'র বিচারের কথা নিয়ে আগে যৌক্তিক কিছু প্রশ্ন করেছিলাম যেগুলোর সঠিক জবাব পাইনি। কিন্তু তার পরেও আমি যে পয়েন্ট'টাতে প্রথম থেকে স্থির থাকি তা হচ্ছে -- যুদ্ধ অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। এবং আপনি, মুনিম ভাই, কিংবা এই পোষ্টের লেখক সবাই কিন্তু এই ইস্যুতে একমত আছেন -- আপনারা সবাই বলছেন বিচারের বিরুদ্ধে আপনারা নন -- তবে বিচার স্বচ্ছ হতে হবে। আমি খুশি যে অন্তত এতটুকু বিষয়ে একমত হওয়া গেছে। বিচার প্রক্রিয়া একেবারে স্বচ্ছ হলে আরো ভালো হত।

      কিন্তু আমার প্রশ্নটা হচ্ছে বিএনপি কিংবা জামাত কেন ২০০৭ পর্যন্ত এদের বিচার করে নাই -- কিংবা এদের যে বিচারের আওতায় আনা উচিত এই কথাটাও কখনো বলে নাই। বরং নানা সময় দেখা গেছে বিএনপি, জামাত খুন বা হত্যার বিচার যাতে না করা যায় সেই আইন করেছে (যেমন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ)। সেই ব্যাপরে আপনি কি বলেন? কিংবা অতীতে এ নিয়ে বিএনপি, জামাতের সমালোচনা আপনি করেছেন কিনা -- কেননা তারা কখনো এই বিচারের কথাই উঠান নাই?
       

  3. 19
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    @শাহবাজ নজরুল:

    ওয়ালাইকুম আস সালাম। আপনার কথা মেনে নিলাম। ধন্যবাদ। 

  4. 18
    কিংশুক

     জামায়াতের কারো মৃত্যু দণ্ডের বিষয়ে কোন মন্তব্য নয় কারন বহু কিছুর ফল বহু দলের কাম্য। এই বিচার গুলি দ্রূত শেষ করে আরো চার পাঁচ জন জামাত নেতার ফাঁসি দিয়ে, জামাত নিষিদ্ধ করে (কিন্তু ধর্মীয় রাজনীতি আওয়ামী লীগের বাপেরও সাধ্য নাই) তাও যদি আওয়ামী লীগ দলীয় নির্বাচন কমিশন, দলীয় সিলেকশন বাদ দিয়ে আবার নির্দলীয়  নির্বাচনে ফিরে আসে , মিটিং মিছিলের অধিকার,  গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয় তাতেও আমরা খুশি। ক্ষমতায় নাহয় চালাকি করে আরো কিছু  দিন থাকলোই। কিন্তু রেন্টু মুক্তিযোদ্ধার বই নয় আমি ছিয়ানব্বইতে দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলাম আর ভোটের দিন আমাদের স্কুলের কেন্দ্রের পাশে এমনিই ভোট দেখতে বন্ধুরা মিলে ঘুরছিলাম। ঐ আসনে সাবের হোসেন চৌধুরী ছিলেন আওয়ামী প্রার্থী ।হঠাত্ দেখলাম জনৈক বীর মুক্তিযোদ্ধা আওয়ামী নেতা  জনাব পল্টু সাহেব বা উনার লোকজন লিফলেট বিলাচ্ছেন সাবের হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ।সেই লিফলেটে উল্খে করা হয় পল্টুকে মনোনোয়ন না দিয়ে টাকার বিনিময়ে শেখ কামালের সাথে ব্যাংক ডাকাতিতে অংশ নিয়ে আহত হওয়া সাবেক চৌধুরীকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছে! ! আশ্চর্য এই কথার জন্য আমি আবারও জামাত শিবির ট্যাগ পাবার অপেক্ষায় আছি। কিন্তু বাস্তবিকই আমি এমন ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী । দোষ দিলে জনাব পল্টু সাহেবকেও দিয়েন। খালি আমারে ট্যাগ দিলে অন্যায় হবে।

  5. 17
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    এইটা পাগলের প্রলাপ বললেন -- এই কাজইতো আপনি নিজে করেন। এখন আমি আপনার পরামর্শ শুনে ভাল হয়ে যেতে চাইলাম -- আপনি বলছেন পাগল। 

    এইটা কেমন বিচার ভাই -- নিজে যা করেন -- অন্যকে করলে পাগল বলেন। এইটা ঠিক না। 

    তাইলে আমি কি রেন্টুর লিখিত পুস্তক খানা পড়বো না -- এই পুষ্তক থেকে রেফারেন্স দেবো না? 

  6. 16
    বাবুল

    কারো হয়তো কোন দলের প্রতি সমর্থন থাকতে পারে। কিন্তু ব্লগে  সেটা প্রচ্ছন্ন ভাবে প্রকাশ পাওয়াই  কাম্য।   কে দোষী আর কে নির্দোষী তা বোঝার মতো এক্সপার্ট এখানে আমরা কেহই নই। সেটা হলো পুলিশ এবং আদালতের কাজ । আমরা সাধারণ বুদ্ধিতে যা বুজতে পারি বা জানতে পারি তা হলো, তিনি সেই সময়ে কুখ্যাত আলবদর বাহিনীর বড়ো ধরনের নেতা ছিলেন। আর আলবদর বাহিনী পাকিস্থান রক্ষার নামে সাধারণ মানুষের উপর যে ভয়ঙ্কর অত্যাচার,অবিচার করেছে তার সাক্ষী আছে লক্ষ লক্ষ জনতা। তবে আমি নীতিগতভাবে কারো মৃত্যুদন্ড দেওয়ার পক্ষপাতি নই।

     

     

  7. 15
    এস. এম. রায়হান

    @সদালাপ সম্পাদক ও লেখকবৃন্দ

    কোনো ভূয়া আইডি থেকে আমার নাম উল্লেখ করে আপনাদের কারো পোস্টে মন্তব্য করা হলে দয়া করে সেই মন্তব্য প্রকাশ করবেন না। প্রকাশ করতে চাইলে আমার অংশটা বাদ দিয়ে প্রকাশ করবেন। এইটা আমার বিশেষ অনুরোধ। আমার বিরুদ্ধে কারো কোনো অভিযোগ থাকলে তাকেই অভিযোগ উত্থাপন করতে হবে। কিন্তু কোনো অসাধু ছুপার পেছনে সময় নষ্ট করার মতো অতো সময় আমার হাতে নাই।

    1. 15.1
      শমশের খালিদ

      তাহলে কমেন্টটি ডিলেট করে দিন

  8. 14
    মোঃ হামিদ

    @এস. এম. রায়হান

    জনাব এস এম রায়হান,

    বাঁশের কেল্লার সাথে তুলনা করা যেতেই পারে, কারন উভয় সাইট-ই ইসলাম ভিত্তিক।  তাছাড়া ব্যক্তিগত আক্রমন করা হয়ে থাকে এ দুটি সাইট এই। (তবে বাঁশের কেল্লা কুরুচিপূর্ণ ছবি/ভিডিও প্রকাশ করে থাকে সচরাচর)। 

    ব্যক্তিগত আক্রমন এর ব্যাপারটাই বলা যাক, উদাহরন হিসাবে আপনার লেখার কথাই ধরা যায়ঃ

    যেমন আপনি নিজেই অভিজিৎ রায়, আকাশ মালিক এর লেখার কোন যুক্তিসঙ্গত প্রতিবাদ করতে না পেরে তাদের ব্যক্তিজীবন নিয়ে আক্রমণাত্মক কথা বার্তা বলেছেন; সদালাপে আপনার এরকম প্রচুর লেখা পাওয়া যায়। তাছাড়া মুক্তমনা-র সাথে সদালাপ এর তুলনা করাটা ঠিক হবে না। মুক্তমনা-এর লেভেল টা অনেক ব্যাপক; ওখানে যারা লিখেন, তাদের পড়াশুনা প্রচুর, শুধুই মাত্র ধর্মগ্রন্থ পড়েন না উনারা, আরও অনেক বিষয় সম্পর্কেই উনাদের পড়াশুনা প্রচুর; সেটা উনাদের লেখা পড়লেই বুঝা যায়। 

    এছাড়া ব্যক্তিগত আক্রমন যে করেন, তার প্রমান ত আপনি এই কমেন্ট এই দিলেন যেমন আপনি বললেন 'মুক্তকেল্লা'। এছাড়াও বিভিন্ন কমেন্টে আপনি 'মুত্রমনা' নামে সম্বোধন করেছেন। অথচ প্রকৃত 'মুত্রমনা' কারা, সেটা আপনি ভালই জানেন। (উট মুত্র বিষয়ক হাদিস এর রেফারেন্স প্রচুর দেওয়া আছে, জানতে চাইলে ধর্মকারী সাইটে দেখতে পারেন; কিন্তু সেগুলি বলতে গেলে আক্রমন-পাল্টা আক্রমন এর মাধ্যমে একটা ব্যক্তিগত রেষারেষি তৈরি হয়ে যাবে, কাজেই ওই পথ না মাড়ানোই ভাল। যেমন উদাহরন স্বরুপ আমি 'সদালাপ' সাইট কে বলতে পারি 'মদালাপ'; অর্থাৎ যারা মদ্যপানকারী  মাতাল এর মতই শুধু প্রলাপ বকে যায় এই সাইটে এসে। কি বলতে পারি না? কিন্তু সেটা কি ঠিক হবে বলা? সেটা তো ব্যক্তিগত আক্রমন হয়ে গেল, নাকি? এটা শুধুমাত্র কথা প্রসঙ্গে উল্লেখ করলাম প্রমান করার জন্য যে আপনি নিজেই যথেষ্ট পরিমান ব্যক্তিগত আক্রমন করেন, কিন্তু সেটা স্বীকার করতে চান না)।   

    যাই হোক, শুনি এ বিষয়ে আপনার কিছু বলার আছে কিনা?

    ধন্যবাদ।

    পরিশেষঃ (এই অংশটুকু প্রকাশ না করলেও চলবে)
    আপনার হাতে এখন দুটি অপশন আছেঃ
    ১। এই মন্তব্যটি প্রকাশ হতে না দেওয়া (প্রথমবার আপনি এটা করেছেন)
    ২। মন্তব্যটি প্রকাশ করে আমার যুক্তি খণ্ডন করা অথবা প্রতিউত্তর দেওয়া 
     

    1. 14.1
      জামশেদ আহমেদ তানিম

      @মোঃ হামিদ: ওরে: মূত্রমণা আবার কোন পবিত্র সাইট? শুধুমাত্র পর্ণগ্রাফি প্রচার করাটা বাকি। অবশ্য যাদের কাছে পর্ণ স্বাভাবিক তাদের জন্য তো সবই ঠিক আছে।

      মূত্রমনার সাথে অবশ্যই সদালাপের তুলনা করা ঠিক হবে না, কারণ আদিরসাত্নক সাইট হিসেবে মূত্রমনা খুবই উচুদরের। এর আশেপাশে সদালাপের পৌছানোর ইচ্ছা নাই। সদালাপ খুবই নিম্নমানের; কারণ এখানে বুদ্ধিবৃত্তির চর্চা হয়, আদি রসের না।

      ওরা এত পড়া লেখা করছে, এত পড়া লেখা করছে যে আরেকজনের পেটেন্ট চুরি করে নিজে নামে চালিয়ে নিজেকে বিজ্ঞানমনস্ক বলে চালাতে হয়। ব্যক্তি জীবনেই যে সৎ না সে প্রোফেশনার জীবনে আর কি হবে, বাটপার। শেষ পর্যন্ত লাইফটা ষোলআনাই বৃথা হয়ে গেল।

      জবাব দেওয়া শেষ। জাহান্নামের কীট এবার বিদায় হ।

      1. 14.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        আপনি জবাবটা না দিলেই ভাল করতেন -- রায়হানকে উদ্দেশ্য করে এই নোট -- রায়হানকেই জবাব দিতে দিলে ভাল হতো। আর অনাবশ্যক আক্রমাত্বক হওয়ার দরকার নাই। ব্লগে গালাগালি করে জয়ী হওয়া যায় না। এই ধারাটা বন্ধ করতে হবে। 

        ধন্যবাদ। 

        1. 14.1.1.1
          জামশেদ আহমেদ তানিম

          আমি গালি দিলাম? কোথায়?

    2. 14.2
      এস. এম. রায়হান

      কেউ যদি মনে করে আমি তাকে ব্যক্তি আক্রমণ করেছি তাহলে সে নিজে এই অভিযোগ করুক। তার অভিযোগের অবশ্যই জবাব দেওয়া হবে। কিন্তু শুঁড়ির সাক্ষী মাতালরূপী কেউ লেঞ্জা লুকিয়ে মুসলিম নাম নিয়ে মুক্তমনাদের পক্ষে ওকালতি করতে এসে উল্টোদিকে সদালাপ ও তার লেখকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করলে তাকে ইগ্নোর করা হবে।

      অভিজিৎ রায় কখনোই আমার বিরুদ্ধে এই ধরণের কোনো অভিযোগ করেনি। সেই সৎ-সাহস তার ছিল না। আর আকাশ মালিক তো এখনো আছে। তাকে এখানে এসে বা মুক্তমনা ব্লগে পোস্ট দিয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে বলেন। তার সেই সৎ-সাহস আছে কি-না দেখুন।

    3. 14.3
      সত্য সন্ধানী

       মুক্তমনা-এর লেভেল টা অনেক ব্যাপক; ওখানে যারা লিখেন, তাদের পড়াশুনা প্রচুর, শুধুই মাত্র ধর্মগ্রন্থ পড়েন না উনারা, আরও অনেক বিষয় সম্পর্কেই উনাদের পড়াশুনা প্রচুর; সেটা উনাদের লেখা পড়লেই বুঝা যায়। 

      উনাদের লেখা পড়লে কি বুঝা যায়? উনাদের লেখা পড়েছিতো। সেখানে খালি আল্লাহ আর রসুলের চরিত্ব হনন করা ছাড়া কিছু পাইনি। সাথে সমকামকে প্রোমট করা। চা পাতির কোপে অভিজিতের প্রান গেছে যা কোন ভাবেই।মেনে নেয়া যায় না। আর এখন দেখেন ওরা নিজেরাই ওটা নিয়ে ব্যবসা করছে। বন্যাও কোপ খেয়েছিল এবং এখন সে ডয়েচ ভেল থেকে কি কি পাচ্ছে, কে কিভাবে তার গুনগান করছে এইটা নিয়ে মুক্ত মনা তে ডজন ডঞ্জন লেখা নামাচ্ছে। (ফেসবুকের ব্যাপার জানি না কারন ফেসবুকে আমি বসি শুধমাত্র আত্মীয় স্বজন,বন্ধুবান্ধব্দের সাথে যোগাযোগ করার জন্য।)

      এইসব লেখায়ননেক স্তব স্তুতি হচ্ছে ছুপা এবং খতনা দুই পক্ষ থেকেই। আমি তাজ্জব হয়ে যাই যে মৃত অভিজিতকে নিয়ে ব্যবসা করছে তার নিজের লোক জন। তার স্ত্রী বন্যা এত উদগ্রীব কেন এইসব প্রচারে যে কোথা থেকে কি পুরষকার পাচ্ছে কোথায় কি নাম হচ্ছে মুক্ত মনার।

      তো উনাদের এইসব লেখা পড়ে আমাদের কি বুঝা লাগবে? নাকি সমকাম কে বিজ্ঞান বকে চালানো, পতিতা বৃত্তির সাফাই গাওয়া( আসিফ মহীউদ্দিনের লেখা চেক করেন), আর ধর্ষন কে উতসাহিত করাই এদের জ্ঞানে পরিচয়? 

      দেখেছি এরা ধর্ষনের একমাত্র কারন হিসাবে ধর্ষকের বিকৃত মানসিকতাকেই দায়ী করে। এটা আংশিক সত্য। কিন্তু তার মানে এই না যে সী বীচে বিকিনি সুন্দরী দেখে আর একটা হিজাব পড়া সম্ভান্ত মহিলাকে দেখে এমনকি ধর্ষক ও সমান ভাবে উত্তেজিত হবে।

      ধর্ষক দের কথা বাদ দিলাম একজন্নপর্দাশীন সম্মানিতা মহিলাকে দেখলে সম্ভ্রম জাগ্রত হয়। আর সল্প (শর্টস)থেকে সল্পতর (বিকিনি) বসনা  দেখে শুধুই যৌন উত্তেজনাই আসে। 

      কিন্তু তা বলে সবাই ধর্ষন করবে কেন? ধর্ষন করবে শুধু ধর্ষক। কিন্তু বাকিরা উত্তেজিত হবে যদি তারা পুরুষ হয়। এটাই প্রাকৃতিক। পুরুষ দেখে পুরুষ উত্তেজিত হবে না কারন এটা প্রকৃতি বিরুদ্ধ।

      চুম্নকের বিপরীত মেরু আকর্ষন করে আর সমমেরু বিকর্ষন করে এটা জানা নেই আপনার? নাজি মহা বিজ্ঞানী অভিজিত & গং জানায়নি বলেই জানেন না? 

      আর কত বলব? পুরা মুক্ত মনার বিকৃতির রেফারেন্স দেয়া সম্ভব না। তো ইসলাম কে চাবুক মারুএ আর মেয়েদের নগ্ন হয়ে উতসাহিত করাটাই কি জ্ঞানের পরিচয়? অমন জ্ঞানের মুখে থুতু দেই আমি।

      আরেকটা কথা বাক স্বাধীনতার মুর্ত প্ততীক মহান মুক্ত মনা আমার ৪/৫ টা মন্তব্য আটকে দিছে ( আপনার পীরেরা)।আল্লাহকে নিয়ে চরম অনমাননাকর ভাষা ব্যবহার কারী এক শয়তানকে জবাব দিয়েছিলাম আমি। ছাপা হয়নি আপনার জ্ঞান সাগর মুক্ত মনাতে। কিছু বুয়ার আছে আপনার?

      আর দয়া করে নিজের আসল নাম বলেন দেখি। চক্রবর্তী,না ভট্যাচার্য্য অথবা অন্য কিছু? ধর্মকারী সাইটের নাম বললেন তো তাই আপনি যে অভিজিতের খাসী ভৃত্য ( খতনা ধারী) সেটা আর বিশ্বাস হচ্ছে না। আপনি অবশ্যই খাসী নন আপনি ছুপা, আমি শতভাগ নিসচিত।

       

      ১। এই মন্তব্যটি প্রকাশ হতে না দেওয়া (প্রথমবার আপনি এটা করেছেন)
      ২। মন্তব্যটি প্রকাশ করে আমার যুক্তি খণ্ডন করা অথবা প্রতিউত্তর দেওয়া  

        এইবার বলেন তো আসলে কে মুক্ত চিন্তার অধিকারী? ভগবান অভিজিত রায়ের ব্লগ নাকি যবন ম্লেচ্ছ সদালাপ ব্লগ? যবন ম্লেচ্ছ রা কিন্তু আপনার মন্তব্য ছাপিয়েছে, কিন্তু ভগবান শিব ঠাকুর( অভিজিত) আর মা দুগ্যার ( বন্যা) ব্লগে কিন্তু জনৈক যবন ম্লেচ্ছের ( আমার) ৪/৫ টা মন্তব্য আটকে দিয়েছে।

      তাহলে বাবু সাহেব দেবতা না অসুর কোন সম্প্রদায় বেশি মুক্ত চিন্তার অধিকারী? উত্তরটা দেবেন কি ভট্টাচার্য/চক্রবর্তী মশায়?

  9. 13
    এম_আহমদ

    জিয়া উদ্দিন সাহেব

    (১) নীতিমালার দৃষ্টিতে আপনার আচরণের বিষয়টি দেখিয়ে দেয়াতে আপনি অসন্তুষ্ট দেখা যাচ্ছে। তবে কী আর করা। আপনি বাংলাদেশের জাতীয় এজেন্ট হয়ে কথা না বললেই ভাল হত কেননা বিতর্কিত আদালতের ব্যাপারে দেশ ও বিদেশের শতাধিক লিঙ্ক দেখিয়ে আমি অন্তত ১০/১৫ ব্লগ দিতে পারি, কিন্তু এতে সবাই বাংলাদেশের অবজ্ঞাকারী হয়ে যান না, আপনার গাছে-মাছে লম্ফ-ঝম্পমূলক কথার উত্তর আগে দিয়েছি এই মন্তব্যে। নিজের ‘বালিষ্টারীর’ ভিত্তিতে রচিত incriminating ব্যাখ্যা নিজের মধ্যেই রাখলে বরং ভাল, বুদ্ধির ভারে কুব্জ হয়ে লাভ নেই। জন্মযুদ্ধের খাতিরে সুস্বাস্থ্য চাই।

    (২) প্রয়োজনে সাফাই গাওয়া ভাল কাজ, আপনার বিপক্ষে গেলে তা মন্দ হয়ে যাবে না। তবে সাফাই গাওয়াতে যে কেবল আক্রান্তপক্ষ ন্যায়ের আলো দেখে তা নয় বরং অন্যায়কারীও নিজ আচরণ উপলব্ধির সুযোগ পায়, সংশোধনের মানসিকতা থাকুক অথবা না। আপনার আক্রমণাত্মক কথাবার্তায় ‘ন্যায়ের বিষয়  সবচেয়ে আগে আসে নি’। তাই বিষয়টি নীতিমালার দৃষ্টিতে দেখিয়ে দেয়াতে আপনার মনটা ‘বেজার’ হলেও আমাকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা উচিত। কেননা, আমি আপনার কাজটিই করেছি, ন্যায়ের বিষয়টি আগে এনেছি। Opps! ধন্যবাদটা পেয়ে গেছি, তাই আপনাকে ধন্যবাদ।

    সাফাই, না উপদ্রব

    (৩) মুনিব ভাইয়ের সাফাই গাইব কেন? একজন প্রতিষ্ঠিত লেখক হিসেবে মুনিম ভাই, এবং আরও অনেক রয়েছেন যাদেরকে আপনি কথায় কথায় জামাতি বলেন এবং তাদের বক্তব্যকে আপনার জামাতি-উষ্মায় ধারণ করে আক্রমণাত্মক কথা বলেন, এমন এক প্রসঙ্গে তিনি এপিক পদ্ধতিতে আপনার মুখোশ উন্মোচন করেছেন: আপনার শিবির সংশ্লিষ্টতা, আপনার ভিকটিম দেখিয়ে জুলুমের রাজনীতি, তারপর শিবির সংশ্লিষ্টতার পূর্বসূত্রিতা, তারপর দলীয় অতিভক্তির সম্ভাব্য রহস্য ও বাঁশ থেকে কঞ্চি দঢ় ইত্যাদির পরিপ্রেক্ষিত দেখিয়েছেন; তারপর আমরা আপনার নিজ স্বীকারোক্তিতে দেখছি, জামাত-শিবির অধ্যায়ের পর, আপনি নিজেই সন্ত্রাসী ছিলেন: জামাত-শিবিরকে দৌড়ের উপর রাখতেন, শিবিরকে মারপিট করতেন, এসবের ক্রমধারায় আরও কত কিছু ঘটে গিয়ে থাকতে পারে, তারপর আপনি বিদেশে! তারপর একজন ক্যাডার হয়ে সেগুলোকে দাম্ভিকতার সাথে স্বীকার করছেন, এমন তথ্যের প্রেক্ষিতগত বিষয়কে কি আমি সাফাই হিসেবে উল্লেখ করেছি? আপনার সমস্যা হচ্ছে ধারণা (concept) ও শব্দের সঠিক সমন্বয়ে, এটাই আপনার সাথে অনেকের বিতর্কের মূল স্থান এবং এখানেই হয়ত আপনার জীবনের আরও অনেক সমস্যা থেকে থাকতে পারে। এটা ছিল আপনার উপদ্রবের উদাহরণ, সাফাই নয়।

    তবে, আপনার জন্য আমার আরও একটি নসিহত আছে। অতীত দুষ্কর্মের কথা এভাবে বলে বেড়ানো ভাল নয়। কেননা, রাজনীতি হচ্ছে ব্রিটিশ ওয়েদার (British weather) এর মত: সকালে রোদ, দুপুরে বৃষ্টি, বিকেলে ঝড় তুফান। আপনি যে দলের হয়ে সন্ত্রাস-মারামারি করেছেন, আর এখন ব্যাঙ্ক ডাকাতিসহ সবকিছুর সাফাই দিচ্ছেন, এটা খুব একটা ভাল ইঙ্গিত মনে হয় না; অবস্থা হয়ত চিরদিন একভাবে থাকবে না, আজকে যারা আপনার লোক, কাল তারা আপনার নাও থাকতে পারে। ইমরান এইচ সরকার একসময় রাজাকারের নাতি, তারপর  সরকারী পক্ষের জন্মযোদ্ধা, তারপর বিভেদ, এখন হেডলাইনে “ইমরান এইচ সরকার যুদ্ধাপরাধী” (লেনিন)!  আর অন্য হেডলাইনে “ইমরান শিবিরকর্মী, চরিত্রহীন, রাজাকার পরিবারের সন্তান”! কোন বিচ্ছেদ ঘটলেই তারা আপনাকে নিয়ে এভাবে হেডলাইন মেরে দিতে পারে, সন্ত্রাসী জিয়া রাজাকার পরিবারের সন্তান, তখন? তখন, অসংখ্য প্রশ্নের মধ্যে এগুলোও থাকবে: আপনি কি সন্ত্রাস শিবির থেকে শিখে এসে তাদের উপর ঢাললেন, না সন্ত্রাস পরে শিখে তাদের উপর প্রয়োগ করলেন এবং সেই মারামারি ও সংশ্লিষ্টতা ঘিরে থাকবে আরও নানান প্রশ্ন। সুতরাং নসিহত গ্রহণ করুন। অতীতের মানসিকতা যতটুকু সম্ভব, পারলে, বর্জন করুন। আমার নসিহতে যদি সামান্যতম লাভের সম্ভাবনা থাকে তবে শোনবেন না কেন? কৌতুক লাগলেও শোনুন কেননা ধর্মীয় ও ধারণার পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও আমরা একই দেশের লোক।

    কৌতুকবোধ/আপনার ব্যাপারে বলি নি কেন?

    (৪) এখন কেন আপনার ‘অন্যায়’ নিয়ে লিখলাম, কিন্তু আপনাকে যখন গালাগালি/মার্জিনেলাইজড করা হল তখন কিছু বলি, তাই আপনার কৌতুক বোধ হয়েছে। প্রথমত, কেউ আপনার প্রতি অন্যায় করলে, আপনি সেই অভিযোগে অন্য ব্যক্তির উপর অন্যায় করার যুক্তি নেই।  আপনার reasoning ভুল। যে কারণে হয়ত কৌতুক বোধ হয়েছে। দ্বিতীয়ত, আপনি নিজেই আমলীগের সমর্থক বলে উল্লেখ করতে যেন দেখেছি এবং কেন সেই সমর্থন দেন সেই reason দিতেই যেন দেখেছি। তাই আপনাকে আমলীগার বা সরকারপন্থী বলাতে কোন মার্জিনালিজেশন নেই। আর আপনার সাথে সংশ্লিষ্ট কোন ঝগড়া/বিতর্কের মাঝখানে কে যাবে? আমার যাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না কেননা আমার ক্ষুদ্রজ্ঞানে আপনার ধর্মও অতি কম, ইতিহাস জ্ঞান আরও কম, তবে জন্মযোদ্ধা –সমস্যাটা এখানেই।  যুদ্ধ আছে কিন্তু তথ্য ও তত্ত্বের গণ্ডগোল। মুনিম ভাইয়ের সাথের আলোচনাকে উদাহরণ মনে করা যেতে পারে। আপনার কথা না মানলে অপরপক্ষ জামাতি, শিবির, পাকিস্তানি। আপনার যুদ্ধে অতিষ্ঠ হয়ে কেউ কিছু বললেই আপনাকে গালি দিয়েছে, না হয় আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে হেয় করেছে, তারপর সদালাপ গেল, সম্পাদক সাহেব কই ইত্যাদি। ছোট বেলায় কিছু ছেলেমেয়েদের দেখতাম সামান্যতেই বলত, মা গো আমার দিকে তাকাচ্ছে। মা বলতেন, না বাবা খেলতে থাক। তারপর বলত, মা গো গালি দিচ্ছে। ফ্রয়েডের দৃষ্টিতে আমরা সেই মানুষই, ভিন্নভাবে বড় হই –এই যা। আমি আপনার থেকে অনেক দূরে থাকি, আপনার ব্লগে মন্তব্য করি না, আপনার সাথে engage হওয়া মানে finally ঝগড়া। আমি আপনার কথার মাঝখানে গেলে আপনি আমাকে আক্রমণ করবেন। ন্যায়-অন্যায় দেখা ছাড়া তো কথাই হয় না।

    আপনি এক কাজ করেন, আমার আরেকটা নসিহত শোনেন। জানি আপনি কৌতুক বোধ করবেন তবে কৌতুক খারাপ জিনিস নয়। সদালাপ যেভাবে চলছে ভালই চলছে, আপনার উত্তেজনা সামলান। এখানে যে কিছু ভিন্নতা প্রকাশ পায় –তা এই সমাজেরই ভিন্নতা। এখানে আপনার বিপক্ষের অভিমত প্রকাশ পেলেই সদালাপ শেষ হয়ে যায় না, সমৃদ্ধ হয়। এই সদালাপের সম্পাদনার দায়িত্ব আপনার হাতে থাকলে তা এই পর্যায়ে আসত না। আপনি যোদ্ধা মানুষ। আপনার কিলঘুষি খেয়ে সবাই পালাত -তারপর এখানে থাকতেন কেবল ‘আপনি আর আপনার নাতনী জামাই’। সদালাপ ভাল আছে আপনি শান্ত হলে আরও ভাল হবে।

    আপনি ভাল থাকুন। আপনার শুভ কামনা করি।

    1. 13.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      আপনার এই নাতিদীর্ঘ নসিহত -- মুনিম ভাইএর আর্তনাদ আর মহিউদ্দিন ভাই এর আফসোসের আমি বিমোহিত এবং বিগলিত। ঠিক করলাম ভাল হয়ে যাবো -- এখন থেকে রাজাকার আল-বদর জামাত শিবির সবাই ভাই ভাই। আমি সংলাপ ব্লগে লেখবো। তাই ভাবছি রেন্টু লিখিত সুসামচার দিয়েই নতুন পড়াশুনা শুরু করবো। এক কপি রেস্টুর মূল্যবান পুস্তক যদি পারেন পাঠাবেন। অতি যত্ন সহকারে পড়বো এবং সেই অনুসারে বামিংহামে বিছানায় শুয়ে শুয়ে রেন্টুর বই মাথা নীচে রেখে মতিঝিলের হেফাযতের লাশ গুনবো -- এক হাজার দুই হাজার তিন হাজার -- তারপর পাঞ্ঝাবীর গল্প লিখবো। সাঈদঅ হুজুরের চাঁদে দেখার বিষয়টার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আবিষ্কার করবো। তা নিয়ে হৃদয় বিদারক ব্লগ লিখবো। 

      আশা করি এতে আমার ব্লগগুলো স্বচ্ছ-নিরপেক্ষ এবং আন্তর্জাতিক মানের হবেই। এবার ভাল হবোই হবো। ধন্যবাদ। 

      1. 13.1.1
        এম_আহমদ

        @আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন:

        আপনি প্রলাপ করছেন কেন? কিছু বলার থাকলে স্পষ্ট করে বলবেন। আপনি সংলাপব্লগে লিখবেন, রেন্টু বিষয়ে পড়বেন, আমাকে রেন্টুর বই পাঠাতে হবে, আপনি কানাডায় থেকে বার্মিংহামে শুয়ে রেন্টুর বই মাথার নিচে রেখে মতিঝিলের হেফাযত লাশ গুনবেন, তারপর পাঞ্জাবীর গল্প লিখবেন, চাঁদ দেখার ব্যাখ্যা আবিষ্কার করবেন, হৃদয় বিদারক ব্লগ লিখবেন, আপনি আন্তর্জাতিক মানের ব্লগ লিখবেন –এসব কি প্রলাপ করছেন? আপনাকে অনেক আগে ডাক্তারে যেতে বলেছি। এগুলো মানসিক বিকৃতির পরিচায়ক কথাবার্তা।

        আপনি ঝগড়াটে লোক। আপনার কথাবার্তা এমন প্রকৃতির যা সব সময় সংঘর্ষ আহবান করে। এই প্রকৃতির বৈশিষ্ট্য নিয়ে আপনার সাথে যারা কথাবার্তা বলেছেন এবং যাদের কথা আপনি গালি মনে করে থাকেন, আসলে সেগুলো গালি নয়, সেগুলো আপনার চেহারার খাটি রূপ। আপনার যুদ্ধংদেহী সন্ত্রাসী মনোভাব ত্যাগ করে আত্মসংশোধনের মনোভাব অর্জন করতে পারলে তা দেখতে পাবেন। নিজের দিকে থাকান। আপনি এক ভণ্ড যুদ্ধের উগ্র সন্ত্রাসী। অনেক তিক্ত স্থানে আত্মপরিচয়ের বিষয় লুকিয়ে থাকতে পারে, many a blessing comes in disguise, আপনার ব্যাপারে যারা কথা বলেছে তাদের শোনানো তিক্ত সত্য বুঝতে চেষ্টা করুন।  তবে বিদ্রূপের ধারা বেয়ে কখনো ভাল জিনিস আসে না, আত্মস্থ হোন।

        আপনি ভাল হয়ে যাবেন বললেই ভাল হয়ে যাবেন না। এর মধ্যে ইখলাস থাকতে হবে, সন্ত্রাসী কর্ম থেকে আল্লাহর কাছে কায়মনোবাক্যে তাওবা করতে হবে, যাদেরকে মারপিট করেছেন, তাদের কেউ আহত পঙ্গু হলে তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে, কাউকে নিহত করে থাকলে তার পরিবারের কাছে মাফ চাইতে হবে, আপনি এগুলোকে তুচ্ছ বিষয় বলে মনে করলেও এগুলো মোটেই তুচ্ছ নয়। আমি আপনাকে এগুলো বলে লাভ নেই কেননা মানুষ কেবল তাদের কথাই শুনে যাদের কথা সে শুনতে চায়।

        1. 13.1.1.1
          শাহবাজ নজরুল

          আহমেদ ভাই ও জিয়া ভাই,  সালাম নেবেন।  এবার দয়া করে আপনারা দু'জনই ক্ষান্ত দেন। আমরা আপনাদের দু'জনের বক্তব্যই বুঝতে পারছি ইনশাল্লাহ। আলোচনাকে আর গঠন্মুলোকতার দিকে আগানো সম্ভব নয় বলে মনে হচ্ছে। সদালাপের মতভিন্নতাকে এই প্ল্যাটফর্মের শক্তি হিসেবেই দেখা হোক -- ইনশাল্লাহ। আসুন সামনের দিকে তাকাই।   

  10. 12
    শমশের খালিদ

    আপনার/আপনাদের নিজেদের তৈরি করা যুদ্ধাপরাধীদের কোনো লিস্ট নাই?

     করা হচ্ছে ,১৯৭১ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত লেখা বিভিন্ন দলিল,বইপত্র এবং মামলার নথিপত্র বিশ্লেষন করে।।

    1. 12.1
      এস. এম. রায়হান

      আপনি প্রথমে বলেছেন,

      আমি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে। যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের বিচার হোক।

      এর প্রত্যুত্তরে কিছু যুদ্ধাপরাধীর নাম জানতে চাওয়া হলে আপনি বলেছেন,

      ১৯৭২ সালের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির করা লিস্ট দেখুন।

      তার মানে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির লোকজনের উপর আপনার অগাধ বিশ্বাস আছে। তা না হলে আমাকে এই লিস্ট দেখতে বলতেন না নিশ্চয়। অথচ আইন-আদালতের উপর আপনার কোনো আস্থা বা বিশ্বাস নাই। এই ব্যাপারটা আগে পরিষ্কার করেন।

      1. 12.1.1
        শমশের খালিদ

        রায়হান,  

        তার মানে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির লোকজনের উপর আপনার অগাধ বিশ্বাস আছে। তা না হলে আমাকে এই লিস্ট দেখতে বলতেন না নিশ্চয়।

        না আমার অগাধ বিশ্বাস নেই। আইন আদালততো আরো পরের ব্যাপার। সেখানে ভুয়া স্বাক্ষী পেল তাকে রায় দিতে হবে।। তবে ১৯৭২ সাল থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত কোন বই,নথি,বা রাজাকারের লিস্ট কিংবা মামলার এজাহারে বর্তমানে যাদের  বিচার হচ্ছে তাদের নাম ছিলনা। তাই নিঃসন্দেহে এটা বলা যায় বর্তমান বিচার যুদ্ধাপরাধের বিচার নয় বরং রাজনৈতিক বিচার।। ১৯৭২ সালের লিস্ট এজন্য দেখতে বললাম এ কারনে যে সেই লিস্ট এর ব্যাপারে সবাই একমত। কেউ দ্বিমত করছেনা। এবং সেখানে যেসব রাজাকারের নাম আছে তাদের ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই।। 

         

        অথচ আইন-আদালতের উপর আপনার কোনো আস্থা বা বিশ্বাস নাই।

        আইন আদালতের উপর আস্থা নেই, কথাটি পুরোপুরি সত্য নয়। আমার আস্থা নাই এই বিচার ব্যবস্থা নিয়ে। আদালতে যদি কেউ স্বাক্ষী উঠাতে পারে তবে রায় তার পক্ষেই যাবে। আদালত কখনও সাক্ষীর বলা তথ্যের বিপরীতে যায়না। আমি এজন্যই সেই স্বাক্ষীদের উপর ভিত্তি করে তৈরী করা ডকু ফিল্মগুলা উপস্থাপন করেছি মাত্র। 

        1. 12.1.1.1
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          জনাব খালেদ,

          ১৯৭২ সালের লিস্ট এজন্য দেখতে বললাম এ কারনে যে সেই লিস্ট এর ব্যাপারে সবাই একমত। কেউ দ্বিমত করছেনা। এবং সেখানে যেসব রাজাকারের নাম আছে তাদের ব্যাপারে কোন সন্দেহ নাই।। 

          -- এই্ লিষ্টিটা কোথায় আছে, এর একটা লিংক দিতে পারেন?  তারচেয়ে বরঞ্চ নিজামী আল বদরের ৩১৩ জনের প্রাথমিক সদস্যদের নামের তালিকাটা দেন। সেইটাই্ মানুষ জানুক। 

          (বস্তুত প্রপাগান্ডার বৈশিষ্ট্য হলো একদল সেই কথাগুলো বিশ্বাস করে এবং তাকে সেও প্রচার করে -- জামাতের কথিত ৭২ সালের লিষ্টি বলতে কিছু নাই, ১১ হাজার দালালের বিচার চলছিলো, সেই তালিকা বের করলে অবশ্য সকল জামাতিদের নাম আসবে) 

  11. 11
    শমশের খালিদ

    জিয়াউদ্দিনের কাছে ন্যায়ের বিষয়টা সবচেয়ে আগে আসে – আর ন্যায় প্রতিষ্টার কেন্দ্র হচ্ছে আদালত। ///

    শমশের খালিদের কাছে ন্যায় প্রতিষ্ঠার কেন্দ্র হচ্ছে হাসরের ময়দান।। আদালতে যেটা হচ্ছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।।
    এই আদালত নিয়ে দেশে বিদেশে বহু সংশয় আছে। আর তাছাড়া বাংলাদেশ এর নাগরিক হিসেবে আমি রায়ের বিরুদ্ধে বলতেই পারি। এটা আমার অধিকার। এটা বাংলাদেশ এর বিরুদ্ধে যাবে কেন?? রায় মানা না মানার সাথে সার্ভভৌমত্বের কি সম্পর্ক??

    1. 11.1
      শাহবাজ নজরুল

      একটা জিনিস কি পরিষ্কার করবেন ভাই সাহেব? আপনি কি নীতিগত ভাবে যুদ্ধ অপরাধের বিচারের পক্ষে?

      1. 11.1.1
        শমশের খালিদ

        আমি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে।  যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের বিচার হোক।   কিন্ত কেবল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাধনের জন্য মিথ্যা সাক্ষীদের ব্যবহার করে যারা যুদ্ধাপরাধী নয় তাদের যুদ্ধাপরাধী সাজিয়ে বিচারের বিরুধী আমি।।

        1. 11.1.1.1
          এস. এম. রায়হান

          আমি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের পক্ষে। যারা যুদ্ধাপরাধী তাদের বিচার হোক।

          ভালো কথা। কিছু যুদ্ধাপরাধীর নাম বলেন দেখি।

        2. শমশের খালিদ

          ১৯৭২ সালের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির করা লিস্ট দেখুন।

        3. এস. এম. রায়হান

          @শমশের খালিদ,

          ১৯৭২ সালের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির করা লিস্ট দেখুন।

          আপনি তাহলে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির তৈরি করা লিস্টে বিশ্বাস করেন! ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উপর আপনার অগাধ বিশ্বাস আছে দেখছি! আপনার/আপনাদের নিজেদের তৈরি করা যুদ্ধাপরাধীদের কোনো লিস্ট নাই?

    2. 11.2
      এস. এম. রায়হান

      শমশের খালিদের কাছে ন্যায় প্রতিষ্ঠার কেন্দ্র হচ্ছে হাসরের ময়দান।

      বেশ তো। কিন্তু আপনার কাছে যদি ন্যায় প্রতিষ্ঠার কেন্দ্র হাসরের ময়দান হয় তাহলে এই পোস্টের উদ্দেশ্য কী? আপনি কি হাসরের ময়দানের উপর আদৌ বিশ্বাস রাখতে পেরেছেন? আপনার কথাবার্তা কনফিউজিং মনে হচ্ছে।

      1. 11.2.1
        শমশের খালিদ

        বেশ তো। কিন্তু আপনার কাছে যদি ন্যায় প্রতিষ্ঠার কেন্দ্র হাসরের ময়দান হয় তাহলে এই পোস্টের উদ্দেশ্য কী? 

        এই পোষ্টের উদ্দেশ্য মানুষকে সত্য জানানো। এর বেশী কিছুই নয়। ইসলামী আন্দোলন করলে কাউকে কিভাবে হত্যা করা হয় সম্পূর্ণ অসত্য তথ্যের উপর ভিত্তি করে সেটা জানানোই উদ্দেশ্য।

         আপনি কি হাসরের ময়দানের উপর আদৌ বিশ্বাস রাখতে পেরেছেন?   আপনার কথাবার্তা কনফিউজিং মনে হচ্ছে।

        কোথায় কনফিউজিং মনে হল? দুনিয়ায় ইনসাফ প্রতিষ্ঠা একটা সমস্যা বিশেষত সেক্যুলার কিংবা অমুসলিম রাস্ট্রে।

      2. 11.2.2
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        কনফিউজড না হলে কেউ ওপেন কোর্টে ট্রায়ালকে উপেক্ষা করে দলের তৈরী করা প্রপাগান্ডার ভিডিও বিতরন করে বেড়ায়!

  12. 10
    এম_আহমদ

    উপরের ৫ নম্বর মন্তব্যের অভিযোগ (উদ্ধৃতবাক্য), সদালাপের নীতিমালা ও আবু সাঈদ জিয়া উদ্দিন সাহেবের আচরণকে ঘিরে আমার কয়েকটি কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে। প্রথমে নীতিমালা তারপর অভিযোগ।

    নীতিমালা

    সদালাপ কোন রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত নয়। এখানে নির্দ্বিধায় ও নির্ভয়ে যেকোনো রাজনৈতিক দলের গঠনমূলক সমালোচনা করা যাবে। (সদালাপের নীতিমালা)

    সদালাপের নীতিমালা পড়ে আমরা যা বুঝতে পারি তা হল এই যে সদালাপ ‘বাংলাদেশ সরকার’ নয়, এটি কোন রাজনৈতিক দল নয়। এটি যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য প্রতিষ্ঠিত আদালতের কোন extension নয়, স্বীকৃত কোন অংশও নয়। অধিকন্তু এই ব্লগটি কোন বিশেষ রাজনৈতিক মত ও আদর্শের  প্রতি aligned নয়। এই non- alignment এর ধারণাটি আমরা আরও স্পষ্টভাবে এখানে পাচ্ছি:

    এটি নিছক একটি ব্লগ না বরং এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে যে কেউ তার মনের যুক্তিপূর্ণ ও শালীন কথাগুলো পাঠকের উদ্দেশ্যে রেখে যেতে পারেন, যা বছরের পর বছর মানুষকে চিন্তার খোরাক যোগাবে। অন্যকে শোনা ও বুঝতে চাওয়া সদালাপের একটি কোর ভ্যালু (নীতিমালা)।

    সদালাপ যেহেতু একটি ব্লগ, এখানে মানুষ তার ভিন্ন মত প্রকাশ করবে এবং এখানে লেখক কোনোভাবে কোণঠাসা হবে না, marginalised হবে না, মিছামিছি কোন লেখকের উপর কোন দলীয় এলজাম দিয়ে তাকে অপদস্থ করা হবে না, এটা বাঞ্ছনীয়।

    বাংলাদেশে বর্তমানে যা ঘটছে,  তা যাই হোক, তা নিয়ে মানুষ যেখানে আলোচনা করার সুযোগ পাবে, সেখানে তা করবে। আর সেই আলোচনা হচ্ছেই। বাংলাদেশের রাজনীতি, স্বৈরশাসন, হত্যা, গুম, ব্যাঙ্কলুট, বর্তমানের আদালত ও এই বিচার ইত্যাদি নিয়ে মানুষ কথা বলছে। এসব নিয়ে আইনের লোকজনসহ দেশে বিদেশে অভিজ্ঞ, অনভিজ্ঞ, সবাই কথা বলছে। কার কথা কে ঠেকায়। ইন্টারনেটে, সামাজিক মিডিয়ায়, খবরের কাগজে সর্বত্রই সেই সব মত এবং দ্বিমতও পাওয়া যাচ্ছে।

    অভিযোগকারী

    উপরের অভিযোগকারী, আবু সাঈদ জিয়া উদ্দিন সাহেব, তিনি যেভাবে জানেন ও যেভাবে বুঝেন সেভাবে তার মতামত লিখেই যাচ্ছেন, যদিও তার লেখা প্রায়ত: বর্তমান সরকারের মুখপাত্র হয়ে লেখার মতো দেখায়। কিন্তু তাকে তো কেউ লিখতে বাধা দিচ্ছে না, তিনি লিখেই যাচ্ছেন -একটু কসরত করলে তার অনেক লেখার মধ্যে নীতিভঙ্গের অভিযোগ আনা যেতে পারে, কিন্তু একটি আলোচনার পরিসরে মানুষ চায় না খুটে খুটে বাদাবাদীতে যাবে। অধিকন্তু, সদালাপের প্রথম পাতার প্রথম ৭টি লেখার ৩টি একাই তার (স্পষ্টত নীতিলঙ্গিত,  দুটি হলে অন্তত মানা যেত), এবং সবগুলোতে তার রাজনৈতিক মত। মাওলানা নিজামি সাহেবের ফাঁসি কার্যের পরই তিনি তার ব্লগ ছেপেছেন। এর পরের দিন অর্থাৎ আজকে আরেকজন লেখক তার মত প্রকাশ করে আরেকটি ব্লগ দিয়েছেন। লেখক নতুন।

    আমাদের দৃষ্টিতে তার লেখায় নীতির কোন ব্যত্যয় হয় নি, অসংগতিও দেখি নি। লেখক তার কথা লিখেছেন। এখানে আমরা যারা বছরের পর বছর ধরে যারা আবু সাঈদ জিয়া উদ্দিন সাহেবকে ব্লগার হিসেবে জানি, তারা সবাই বুঝবেন যে এই লেখাটি তার পছন্দ হবে না, তিনি অসন্তুষ্ট হবেন, এবং আগের মতো অন্যদেরকে যা যা বলছেন তাই বলবেন।  কিন্তু তার এধরণের রিয়েকশনে আলোচনা ও লেখালেখির পরিসরে কোন ‘ভাল’ কিছু দেখা যায় না। আমরা এখানে কোনো রাখালের অধীনে ভেড়ির পাল নই যে আমাদেরকে রাখাল তার নিজ নিয়ম ও সীমার ভিতরে কুরবাজ (ডাণ্ডা/মিশরি স্ল্যাং) দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করবে। আমরা তো সকল কথাই ইন্টারনেটে পাচ্ছি। কেউ হয়ত তার কথা তার করে বলছে –এই যা। এগুলো নিত্যবর্তমান। কথাগুলো চতুর্দিকে রয়েছে।

    নীতিমালার বিষয়

    Generally কোনো ক্ষেত্রে যদি নীতিমালাই মূল বিষয় হয়, তবে কে প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আর কে নন এমনসব বিষয় নীতির ব্যাপারে আলোচ্য বিষয় হয় না, যদিও আরেকজন লোক এই কথাটি ইঙ্গিতে এনেছেন বলে দেখা যাচ্ছে।  আবার এটাও generally বলা যেতে পারে যে কোন ক্ষেত্রে বা কোন অঙ্গনে কেউ যদি তার (in the sense of his/her) নিজেকে নীতিমালার ঊর্ধ্বে তোলে তার (his/her) রাজনৈতিক মতামতকে নীতিমালার অংশ হিসেবে ধারণ করে তার (his/her) বিপরীত মতের কোন লেখা ছাপানো বন্ধের আহবান, তাকে (him/her) নিয়ে তির্যায় ভাষায় কথা বলা, incriminate করা, marginalise করা, চোখ-রাঙানো অনুভূত হতে পারে এমন ভাষার ব্যবহার  ইত্যাদি হয়ে যায়, তবে সুন্দর মানাবে না। শুধু তাই নয়, নীতিমালার মোকাবেলায় তা অগ্রহণীয় হবে।

    অথোরিটি

    জিয়া উদ্দিন সাহেবের কথাবার্তাতে সদালাপ নিয়ে কি যেন এক অথোরিটেটিভ ভাষা প্রকাশ পায়। আমাদের এদেশের রাণী যেভাবে বৎসরের শুরুতে তার সরকার কি করবে, কি না, এই মর্মে যে সার্বিক সার্বভৌম কিছু কথা রাখেন, জিয়া সাহেবের, বর্তমান এবং আগেরও, কথাবার্তায় যেন অনেকটা এই ধরণের শোনায়, অথচ এখানে নীতিমালা আছে,  সম্পাদক আছেন।  নীতিমালার বাইরের কথাবার্তা কেবল অসৌজন্য, বিদ্বেষ-আক্রোশেরই জন্ম দেবার সম্ভাবনা রাখে।

    অভিযোগ, ভাষা ও আচরণ

    অথোরিটিকেন্দ্রিক অভিযোগের পদ্ধতি রয়েছে, ভাষাও রয়েছে। যদি সম্পাদক অথোরিটি হন, এবং তার দৃষ্টি আকর্ষণের ইচ্ছে হয়, তবে শুধু তার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। অভিযোগ কেবল অভিযোগের সীমাতেই থাকবে, সেই আকারেই থাকবে। নিজেই যদি নীতিলঙিত হয়ে গিয়েছে বলে সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে বিষোদগার করে ফেলেন, তবে সম্পাদকের দেখার কি থাকল? [অভিযুক্ত লেখক ব্যক্তির ব্যাপারে “মিথ্যাচার”, “সত্য গোপন”, “সত্যের সাথে মিথ্যা মিশ্রিত করা”, “মানুষকে ধোঁকা দেওয়া”, জামাত শিবিরের নামে “ধোঁকাবাজি”, “বিভ্রান্তি তৈরি”, “জামাত-শিবিরের সেইফ হেভেন” তৈরি, “কপি./পেস্ট” ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়ে গিয়েছে।] অভিযুক্ত ব্যক্তি হয়ত তখন মনঃক্ষুণ্ণ হয়ে গিয়ে থাকবেন, তিনি নতুন লেখক হলে হয়ত লেখার আগ্রহও হারাতে পারেন। অথচ এগুলো আরেক ব্যক্তির রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, বিচার বিবেচনার কারণে। 

    কোনো ব্লগীয় পরিসরে কার ভাষা জামাতের মত, কার ভাষা শিবিরের মত, কার স্বরে জন্মযুদ্ধের বিরোধ রয়েছে, সেই বিবেচনার দায়িত্ব কি নীতিমালায় আবু সাঈদ জিয়া উদ্দিন সাহেবকে দেয়া হয়েছে? যদি না হয়, এবং আমরা যখন নীতিমালা পাঠ করে তা অনুভব করতে পারছি না, তখন এক্ষেত্রে তার আচরণ সংযত হওয়া জরুরি মনে করি। ইতিপূর্বে প্রতিষ্ঠিত আরও লেখক তার আচরণকে উপদ্রব হিসেবে দেখেছেন। এই, আজ সকালে, সদালাপের একজন প্রতিষ্ঠিত লেখক জনাব মুনিম সিদ্দিকীর মন্তব্যতেও দেখলাম জিয়া উদ্দিন সাহেবের বাড়াবাড়িমূলক আচরণে অতিষ্ঠ হয়ে একটি প্রতিমন্তব্য করেছেন।

    আমি আরেকটি কথা বলি। আমি মনে করি এখানকার প্রতিষ্ঠিত লেখকরাও এই বিষয় নিয়ে মন্তব্য করা দরকার। তারা কি মনে করেন, সেটা জরুরি, কেননা, সদালাপের নীতিমালায় এটা রয়েছে, “সদালাপের মূল শক্তি এর লেখক ও পাঠক।” সবাই যদি সদালাপকে জিয়া উদ্দিন সাহেবের জন্ম-যুদ্ধের ব্লগ, তার বিশেষ ব্যাখ্যার একাত্তরের চেতনাবাদী ব্লগ, তার বিশেষ ব্যাখ্যার জাতীয়তাবাদী ব্লগ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যে দেখতে চান তাহলে তাদের কথা বলা দরকার এবং সেই মর্মে নীতিমালা পরিবর্তিত হয়ে, সেই মর্মের ব্লগ হতে পারে।  বর্তমানের নীতিমালায় জিয়া উদ্দিন সাহেবের সেইসব বিষয় নেই।

    অবশেষে আমি আবু সাঈদ জিয়া উদ্দিন সাহেবকে অনুরোধ করব বিবেচনা করে নিজেকে সংশোধন করতে আগ্রহী হবেন। সদালাপে সবাই মুক্তমনে আলোচনা করুক –এটাই অনেকের কাম্য। আমরা সকলের কথা শোনতে চাই।

    1. 10.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ধন্যবাদ। 

       

      জিয়াউদ্দিনের কাছে ন্যায়ের বিষয়টা সবচেয়ে আগে আসে -- আর ন্যায় প্রতিষ্টার কেন্দ্র হচ্ছে আদালত। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতে ফয়সালা হওয়া একটা বিষয় নিয়ে বিতর্ক তৈরী করা মানে বাংলাদেশকে অবজ্ঞা করা। লেখক কোন বাছ বিচার না করেই একটা লেখা আর কিছু লিংক পোস্ট করেছে -- যা আউটডেটেট। দৃশ্যত ভিডিও গুলো আসামী পক্ষে সাফাই গাওয়া প্রপাগান্ডা -- এইগুলো সদালাপের মান এবং বৈশিষ্ট্যের সাথে যায় না। লেখক বুঝতে পেরে সংশোধন করেছেন। এখন আপনি এসেছেন তার পক্ষে সাফাই গাইতে আর সাথে জিয়াউদ্দিনের পিন্ডি চটকাতে। ধন্যবাদ। আমার মনে হয় আপনার কাছ থেকে নসিহত দরকার হবে না। 

      সদালাপ যেহেতু একটি ব্লগ, এখানে মানুষ তার ভিন্ন মত প্রকাশ করবে এবং এখানে লেখক কোনোভাবে কোণঠাসা হবে না, marginalised হবে না, মিছামিছি কোন লেখকের উপর কোন দলীয় এলজাম দিয়ে তাকে অপদস্থ করা হবে না, এটা বাঞ্ছনীয়।

       

      -যখন আমাকে গালাগালি করা হলো -- আমাকে দলীয় হিসাবে মার্জিনালাইজ করা হলো -- তখন আপনার বিবেক যাগ্রত হললো না -- আজ গোষ্ঠীর সদস্যের জন্যে বিবেকের গান গাইছেন। বড়ই কৌতুক বোধ করলাম। 

      মুনিম ভাই অবুঝ মানুষ না -- উনার পক্ষে সাফাই গাওয়ার দরকার নাই -- উনি আমাকে উনার কথা বলতে পারেন। ধন্যবাদ। 

       

      মুক্ত মনে আলোচনার নামে কনভিক্টেড ওয়ার ক্রিমিন্যালের পক্ষে সাফাই গাওয়ার সুযোগ নেই -- সদালাপে এইটা হবে না -- এইটুকু আমার বিশ্বাস।

      1. 10.1.1
        জামশেদ আহমেদ তানিম

        তাই নাকি?

        আমি তো জানতেম আওয়ামী লীগ আগে।

        1. 10.1.1.1
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          জামাতিদের সমস্যা এইটাই -- এরা বিপক্ষে সবাইকে আওয়ামীলীগ ভাবে -- না হলে ইয়াহিয়া খানের মুরিদ হবেন কিভাবে!

        2. জামশেদ আহমেদ তানিম

          তাই? আওয়ামী ওলামা লীগ।

          আমিও জানি আওয়ামী লীগারদের কোন ফতোয়াই ভালো লাগে না, তার জন্য সব জায়গায় জামায়াত খুঁজে পায়। এর জন্য দরকার আওয়ামী ওলামা লীগ। কারণ আওয়ামী লীগিয় ব্যাখ্যা দরকার যে।

          তা আওয়ামী লীগে গঠনতন্ত্রের কোন জায়গায় মুসলিম অথবা ইসলামকে সেফগার্ড করার কথা লেখা আছে? অথবা তারা তার ন্যূনতম ধারণ করে? অথবা মুসলিমদের সাহায্য করেছে? গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আওয়ামী লীগ তো বাংগালি জাতিয়তাবাদের ধারক। এই জাতীয়তাবাদের ধারণা ইসলাম কিভাবে সমর্থন করে?

          তার জন্য আওয়ামী লীগ একচেটিয়া বিশেষ শ্রেণীর একধরনের বাংগালীদের বিশেষ সুবিধাদান করে যাচ্ছে। এবং সর্বক্ষেত্রে তাদের জয়জয়কার।

          ধর্মনিরপেক্ষতা, সেক্যুলারজিম আওয়ামী লীগের অন্যতম এজেন্ডা যার কারণে এখন বাম না হয়ে, হয় আওয়ামী লীগ। এরকম একডজন মানুষের উদাহরণ আমি দেখাতে পারি যারা পার আওয়ামী লীগের সমর্থক এবং পার নাস্তিক।

           

    2. 10.2
      মাহফুজ

      হুঁ——-
      অন্যকে আমরা সবাই নীতি বাক্য ঝারি
      কিন্তু অনেকের নিজ আচরণই তো স্বৈরাচারী
      অনেকেই মুক্তমনের কথা বলি
      অথচ ভিন্ন মতকে পায়েতে দলি

  13. 9
    শমশের খালিদ

    হ্যা আমি কপিকৃত অংশটুকু ডিলেট করেছি। আশা করি আর আপনাদের কোন বিতর্ক থাকবেনা।।

  14. 8
    শমশের খালিদ

    আমার কপিকৃত অংশটুকু নিয়ে অনেককেই বিতর্ক করতে দেখা গেছে। আমি যতটুকু কপি করেছিলাম, সেখানে তথ্যসূত্র উল্লেখও করেছিলাম। তারপরেও যেহেতু আমার কপিকৃত অংশটুকুতে আপনাদের সমস্যা, ওটুকু ডিলেট করে দিতে চাচ্ছি। আপাতত পারছিনা।।

  15. 7
    শমশের খালিদ

    সবাইকে ধন্যবাদ, যারা যারা কমেন্ট করেছেন। আমি কেবল তথ্যসূত্রগুলা দেওয়ার জন্যই এই লেখাটি দিয়েছি। নিজামির পরিচয় বা তার বিরুদ্ধে অভিযোগ কোনটাই দেওয়ার ইচ্ছা আমার ছিলনা। প্রাসঙ্গিক হিসেবে তার রাজনৈতিক পরিচিতিটুকু উল্লেখ করেছিলাম। এতে চুলকানী হলে বলুন। ডিলেট করে দিচ্ছি। আমার মূল উদ্দেশ্য ডকু ফিল্মগুলা।।

  16. 6
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    এইসব লিখা পোষ্ট দেওয়ার আগে, লেখক-কে বিবেক যাগ্রত করার অনুরোধ জানাই। একটা লোক-কে এমনি এমনি ফাসি দিয়ে দিবে, ব্যপারটা এত সহজ নয়।

    1. 6.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      ধন্যবাদ। 

      হক কথা বলেছেন। 

  17. 5
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    আর তাই মাওলানা নিজামীর ন্যায় বিচারের প্রত্যাশায় আজ মুখিয়ে আছে শান্তিকামী জনতা ।

     

    লেখাটা কি সদালাপের নীতিমালার সাথে সংগতি পূর্ন কিনা তা বিবেচনার জন্যে সদয় সম্পাদকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। লেখার ভিতরে প্রচুর মিথ্যাচার এবং সত্য গোপন করা আছে যা নিয়ে আলোচনার কোন ইচ্ছা নেই। জামাতের নেতা ছিলো নিজামী যেমন সত্য -- তেমনি ১৯৭১ সালে সে ছিলো আল-বদর নেতা। আল বদরের নিসংশতার জন্যে তার বিচার এবং দন্ড হয়েছে। তখন "শান্তিকামী জনতা" সারা দেশে অরাজকতা তৈরী করেছে, খুন করেছে, পুলিশ মেরেছে, রেল লাইন উপড়ে ফেলেছে, রাস্তা কেঁটেছে, গাছ কেঁটেছে। সাথে সাথে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করে প্রপাগান্ডা করেছে -- যার একটা কপি/পেস্ট এই লেখাটা। যেখান নিজামী ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত কোন তথ্য নেই (সেই সময়ে ওরা হাইবার নেশনে ছিলো)। 

    মিথ্যার বলার চেয়েও সত্যের সাথে মিথ্যা মিশ্রিত করে মানুষকে ধোকা দেওয়া বড় অপরাধ। জামাত-শিবির ধর্মের নামে এই ধোকাবাজি করে চলছে দীর্ঘদিন। 

     

    বলাই বাহুল্যে এই লেখক এখানে এসেছে এন্টিএথিস্ট প্লাটফরম বিবেচনা করে যাতে জামাত-শিবিবের সেইফ হেভেন হিসাবে প্রপাগান্ডা চালানো যায়। লক্ষ্য করুন -- কপি./পেস্ট করার সময় সে লক্ষ্যই করেনি -- ইতোমধ্যে নিজামী কবরে শুয়ে পড়েছে। এখনও বিচারের বিষয়ে আলোচনা করছে। 

     

    আমার অনুরোধ -- মিমাংসিত বিচারাধীন বিষয়ে সমালোচনা করে মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি তৈরী জন্যে সত্য গোপন করার কৌশলগুলো প্রচারনার দায়িত্ব যেন সদালাপ না নেয়। বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধের শত্রু এই আল-বদরের বিচার এবং শাস্তিতে লক্ষ শহীদের এবং লক্ষ মাবোনের প্রতি যে সন্মান এবং শ্রদ্ধার সুযোগ তৈরী হয়েছে তা যেন সদালাপে নষ্ট করার সুযোগ না দেওয়া হয়। 

    সবাইকে ধন্যবাদ। 

    1. 5.1
      শমশের খালিদ

      লেখার ভিতরে প্রচুর মিথ্যাচার

       

      আমি এতটুকু মিথ্যাচারও করিনি। একটা মিথ্যাচার ধরিয়ে দিন ভাই।।  

       

      যেখান নিজামী ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত কোন তথ্য নেই (সেই সময়ে ওরা হাইবার নেশনে ছিলো)

      আমি কেবল রাজনৈতিক পরিচিতিটুকুই উল্লেখ করেছি।

      লক্ষ্য করুন – কপি./পেস্ট করার সময় সে লক্ষ্যই করেনি – ইতোমধ্যে নিজামী কবরে শুয়ে পড়েছে

      এটা ঠিক বলেছেন, তবে মৃত্যুর পরেও ন্যায়বিচার সম্ভব।

       

       

  18. 4
    মজলুম

    যে দেশে ১৫ ই আগস্টের মত ৮ বছরের ছেলে, অন্তসত্বা নারী, গর্ভের ভেতর থাকা শিশুকে হত্যা করার দিনে জন্মদিনের নামে কেক খেয়ে উদযাপন করা হয় এবং যারা এসব করে তাদের মুখে এখন মিষ্টি খাওয়ার কথা মানায় না। এসব বলতে হলে সবার আগে আমাদের এই ধরনের সংস্কৃতি বন্ধ করতে হবে।   

     

    বাই দ্যা ওয়ে, সদালাপ দেখি এখন বাশেরকেল্লালাপে পরিনত! 

    1. 4.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      "বাশেরকেল্লালাপ" পরিনত করার চেষ্টা অনেকবার হয়েছে -- আগে চলতো আড়ালে আবডালে -- এই লোক একদম কপি/পেস্ট (অবিকল নকল) মেরে দিয়েছে। কি আর করা -- বেচারাদের গরু (গুরু) হারিয়েছে -- এখন উনাদের মাথা নষ্ট। উনি এন্টিএথিস্ট সাইটে এসেছে আলুপোড়া খেতে। 

      সদালাপ কখনই রাজাকার-আলবদরদের প্রচারের মাধ্যম হবে না -- ইনশাল্লাহ!

      1. 4.1.1
        শমশের খালিদ

        এন্টি এথিস্ট গ্রুপ ভেবেই এসেছিলাম। অথচ দেখলাম এখানে ইসলামী দলসমূহের সমালোচনা করা হচ্ছে। কেন??

         

        1. 4.1.1.1
          এস. এম. রায়হান

          এন্টি এথিস্ট গ্রুপ ভেবেই এসেছিলাম। অথচ দেখলাম এখানে ইসলামী দলসমূহের সমালোচনা করা হচ্ছে। কেন??

          আপনি মনে হচ্ছে বুঝে বা ন-বুঝে ভুল জায়গায় এসেছেন। অন্যান্য ব্লগের মতো এখানে আপনার উপর গ্যাং আক্রমণ হবে না, এটা ঠিক। তবে এখন যেহেতু বুঝেই গেছেন সেহেতু এখানে থেকে স্বসম্মানে বিদায় নেওয়াই ভালো।

        2. শমশের খালিদ

          আমি নীতিমালা পড়লাম।

          সদালাপের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য 'সেতুবন্ধন' এবং 'গঠন'। সেতুবন্ধন অর্থাৎ বিভিন্ন বিশ্বাস, মতামত ইত্যাদির মাঝে যোগাযোগ স্থাপন। আর গঠন বলতে বোঝানো হয় বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির পথে গড়ে তোলা।

          সদালাপ ইসলাম ও মুসলিমদের সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা দেয়ার চেষ্টা করে। বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে ইসলাম নিয়ে ভুল ধারণা নিরসনের জন্য সদালাপ নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে ও যাবে। এখানে সব ধরণের জ্ঞান আহরণের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করাকে উৎসাহিত করা হয়, কিন্তু কোন বিশ্বাস, ধর্ম, বা কোন মতামতের প্রতি কুৎসিত ভাষায় আক্রমণ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ।

          সদালাপের মূল শক্তি এর লেখক ও পাঠক। এটি নিছক একটি ব্লগ না বরং এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে যে কেউ তার মনের যুক্তিপূর্ণ ও শালীন কথাগুলো পাঠকের উদ্দেশ্যে রেখে যেতে পারেন, যা বছরের পর বছর মানুষকে চিন্তার খোরাক যোগাবে। অন্যকে শোনা ও বুঝতে চাওয়া সদালাপের একটি কোর ভ্যালু। আমরা মনে করি অর্থবহ পরিবর্তনের জন্য সময় প্রয়োজন। এজন্য সদালাপে আমরা ধৈর্য ও অধ্যাবসায় কে উৎসাহিত করি। সদালাপ আমাদের মনের মত করে আমরা নিজেরা তৈরী করছি- এর সমৃদ্ধির জন্য আমরা বুদ্ধি-পরামর্শ সহ সকল প্রকার সাহায্য খোলা মনে গ্রহণ করি, টাকা বাদে।

          আমি কি আমার মতবাদ দর্শন এবং বিশ্বাসের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করতে পারবোনা?? আপনারা একটা দলের সমালোচনা করলে আমি কি সেটির ডিফেন্ড করতে পারবোনা??
          যদি বলেন পারবোনা তবে বলুন, আমি এমনিতেই চলে যাব।।

        3. 4.1.1.2
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

           তারা ভুল করে -- তাই সমালোচনা হয়। সমালোচনা করা যাবে না -- এমন কথা আপনার মনে হওয়ার কারন কি? 

        4. 4.1.1.3
          সরিষা

          এন্টি এথিস্ট গ্রুপ ভেবেই এসেছিলাম। অথচ দেখলাম এখানে ইসলামী দলসমূহের সমালোচনা করা হচ্ছে। কেন??

          ভাই, একটা ব্লগের সব লেখক সকল ব্যাপারে একই মতের অনুসারী হবে, এমনটি জরুরী নয়। প্রত্যেকেরই নিজস্ব আলাদা মতামত থাকতে পারে। কোন লেখকের লেখা দিয়ে একটি ব্লগ সাইটকে বিচার করা যায় না।

    2. 4.2
      এস. এম. রায়হান

      বাই দ্যা ওয়ে, সদালাপ দেখি এখন বাশেরকেল্লালাপে পরিনত!

      সদালাপ সম্পর্কে জেনেবুঝে এই ধরণের মন্তব্য করা ঠিক হচ্ছে কি? সদালাপ একটি ব্লগ। এখানে অনেকেই অনেক রকম মন্তব্য করতে পারে। কোনো রেজিস্টার্ড ব্লগার কিছু পোস্ট দিলেই সদালাপ ব্লগ 'বাঁশেরকেল্লা' বা 'মুক্তকেল্লা'য় পরিণত হয়ে যাবে কেন।

  19. 3
    সুজন সালেহীন

    গতবার আসামীদ্বয়(আলী আহসান মুজাহিদ  সালাহউদ্দীন কাদের চৌধুরী)প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিল বলে অনেক প্রোপাগান্ডা চালিয়েছিল হাসিনা সরকার। উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে চলমান বিতর্কিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ও বিচারের যথার্থতা ও গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে। তাদের ধারণা প্রাণভিক্ষা মানে আসামী কর্তৃক অপরাধ স্বীকার করে নেয়া।  এটি হাসিনা সরকারের কর্তাব্যক্তিদের মূর্খতা ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ সংবিধানের অধীনে রাষ্ট্রপতির অনুকম্পা পাওয়ার জন্য অপরাধস্বীকার কোন শর্ত নয়। সংবিধানেই বলা আছে কাউকে নিজের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবেনা [অনুচ্ছদ- ৩৫(৪), গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান]। তথাপি আসামীদ্বয় দোষ স্বীকার করে যে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেছিল বলে শেখ হাসিনা সরকার বগল দাবানো শুরু করেছিল, তারা তো চাইলে সেই আবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ করে তাদের বিচার ও দাবীর যথার্ততা বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে পারত। তাদের সেই মিথ্যা দাবী তাদের মুখে চুনকালি লিপে দিয়েছে। এবার আর সেই মিথ্যা নাটক সাজানোর সাহস হয়নি শেখ হাসিনা সরকারের। এবার তারা পরিকল্পনা করে এমনদিনে ফাঁসি কার্যকর করল যাতে পরদিন এসএসসি পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশের সুবাদে সারাদেশ মিষ্টিমুখ নিয়ে উল্লসিত থাকে। ফাঁসি কার্যকরের নির্মমতা নিয়ে কেউ ভাব্বার ফুরসুত না পায়। কারাবিধি অনুযায়ী আসামী মওলানা নিজামী রিভিউ খারিজ আদেশের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের দিন(৯ মে) থেকে ৭ দিন সময় পাবেন রাষ্ট্রপতির কাছে দন্ড মওকুফ আবেদনের জন্য। অথচ রায় প্রকাশের পরদিন(১০মে) তড়িঘড়ি ফাঁসি দিয়ে দেয়া হল। আসামীকে ৬দিন ভাবার সুযোগ দিয়ে ৭ম দিনে তার অভিপ্রায়ের কথা জানা যেত। না, তারা চক্রান্ত করেছে পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশের দিনটির সুযোগ নিতে হবে। শয়তানের চক্রান্ত বড়ই দূর্বল। আল্লাহই শ্রেষ্ঠ কৌশলী। মওলানা নিজামীর ফাঁসি কার্যকরের পর মূহুর্তে হাসিনা সরকারের একজন মন্ত্রীও ইহলোক ত্যাগ করে। মওলানা নিজামীর দাফন মূহুর্তে দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও স্পীকারকে শোক প্রকাশ করতে দেখা যায়!

    1. 3.1
      মাহফুজ

      ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত তার সম্পর্কে বাস্তবতাটা (Realism) তুলে ধরার উদ্দোগ গ্রহণ করুন- তাহলে নিশ্চয় অনেকেই সত্যটা জেনে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ পাবেন।

    2. 3.2
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      রাজনীতিতে কুটচালে পারমর্শী জামাত এই কথা কি আর বলা লাগে। এরা যে শুধু জাতিকে বোকা বানায় তা না -- নিজের দলের কর্মী-সমর্থকদেরও বোকা বানায়। তার লক্ষন দেখি  ওদের কমেন্টগুলোতে। 

      1. 3.2.1
        সুজন সালেহীন

        ঠাট্টা-বিদ্রূপ কে উপযুক্ত জবাব বলে মনে করিনা!

  20. 2
    মাহফুজ

    //১৯৬১ ইসলামী ছাত্র সংঘের সাথে যুক্ত হন। পরপর তিন বছর (১৯৬৬-৬৯) তিনি পূর্ব পাকিস্তান এবং এরপর দুইবার তিনি গোটা পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।//

    বিষয়টি সবার কাছে আরও পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। আপনার পোষটিতে তার ছাত্র ও কর্ম জীবন সম্পর্কে কিছুটা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি তখনকার সময়ের একজন ডাকসাইটে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন।
    তবে তার রাজনৈতিক জীবনের ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত নিজামী সাহেব কোথায় ও কেমন ছিলেন সেটাও উল্লেখ করা উচিত ছিল। বিশেষ করে তার নিজের জন্মভূমি তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান পরবর্তীতে বাংলাদেশের ক্রান্তিকালে (১৯৭১ এর মুক্তি যুদ্ধের সময়) তার মত এতবড় মাপের (পূর্ব+পশ্চিম পাকিস্তানের) একজন নেতার কোন ভূমিকাই ছিলনা, তা কি হয়? আশাকরি সে সম্পর্কেও আলোকপাত করবেন।
    পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ-

    1. 2.1
      শমশের খালিদ

      মাহফুজ, ঐ তথ্যসূত্রটি উইকিপিডিয়ার। তবে বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে।

      1. 2.1.1
        মাহফুজ

        ওহ! উইকি থেকে কপি-পেষ্ট করেছেন?

        যেহেতু আপনি সত্যটা তুলে ধরার প্রয়াস নিয়েছেন। তাই শুধু কপি-পেস্ট করেই বসে থাকবেন না।  ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত তার সম্পর্কে বাস্তবতাটা (Realism) তুলে ধরাও আপনার কর্তব্য। আশাকরি নিজে ভাল করে জেনে তারপর সত্যটা অন্যকেও জানাবেন।

        তবে এটা ঠিক যে, সবক্ষেত্রে মিষ্টি খাওয়া খাওইর সংষ্কৃতিটা মোটেই ভাল নয়। তাছাড়া বেশি মিষ্টি খাওয়া শরীরের জন্যও ভাল না।

        ধন্যবাদ-

        1. 2.1.1.1
          মজলুম

          ১৯৭০ সাল হতে ১৯৭৭ পর্যন্ত নিজামি, গোলাম আজম, আলি আহসান, কামরুজ্জামান এরা সবাই ৮ বছরের তাবলীগ জামাতে বিদেশে ছিলেন।  খুবই ভালো লোক উনারা, সবাই তাবলীগের ৮ সা এর সাথী!  

        2. মাহফুজ

          তাবলীগ জামাতে? তাই নাকি?

          তবে তাবলীগ জামাত কিন্তু এখন অনেকেই পছন্দ করেন--

        3. মজলুম

          হ্যাঁ! সব জামাতি নেতাদের সকল জন্ম বিত্তান্ত দেখবেন কিন্তু মাঝখান হতে ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত গায়েব করে রাখে। এক ছটাক গিলু  ইউজ করলেও জামাতি ছানাপোনারা  বুঝতে পারতো কেনো ১৯৭১ হতে ১৯৭৭ গায়েব হলো। 

        4. 2.1.1.2
          শমশের খালিদ

          হ্যা ,উইকি থেকেই কপি পেস্ট করেছি। আমি কেবল তার রাজনৈতিক পরিচয়টুকুই উল্লেখ করেছি।।

    2. 2.2
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      এই বিষয়টি উনার কমন পড়ে নি -- কারন উনার সাপ্লাই লাইনে এই তথ্য নেই। উনারা জানের ততটুকুই যতটুকু উনাদের সাপ্লাই করা হয়। 

      1. 2.2.1
        শমশের খালিদ

        জানবোনা কেন?? তবে আমি কেবল তার পরিচয়টি কপি করেছি।।

      2. 2.2.2
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        সেই পরিচয়ের ১৯৭০ থেকে ১৯৭৭ সাল ফাঁকা, তাই এইটা আপনার দোষ না। অবশ্য সেই প্রশ্ন করার মতো মেধা আর স্বাধীনতা থাকলে আপনি জামাত/শিবির করার জন্যে অযোগ্য হয়ে পড়বেন। তাই আপনি কখনই ৭১ এ আপনার মাসুম(!) নেতার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করবে না। 

  21. 1
    Abu Saif

    আসসালামু আলাইকুম……………

    শুরুতে আমার ধারণাও আপনার মতই ছিল, পরে ভুল ভেঙ্গেছে! 

    জাযাকাল্লাহ….

    1. 1.1
      শমশের খালিদ

      হ্যা, সেটাই…

       

Leave a Reply

Your email address will not be published.