«

»

Mar ০৪

ফারুক সাহেবের ব্লগ – বিবর্তনবাদ

গত পরশুদিন ফারুক সাহেব “বিবর্তনবাদ ও কোরান” নামে এটা ব্লগ ছেপেছেন। অনেকে সেই ব্লগে মন্তব্য করেছেন। অনেক কথা গরম গরমও মনে হয়েছে। ইতিপূর্বে আমুতে তার সাথে আমার কিছু আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় বুঝতে পারি যে আমাদের মধ্যকার পার্থক্য বিপুল -তাই কোন আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়া সম্ভব নয়। তখন বুঝতে পারি ফারুক সাহেব কোরান ব্যাখ্যায় (ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে) নবী মুহাম্মদের প্রয়োজন দেখেন না, সুন্নাহ মানেন না, হাদিস মানেন না, সাহাবি মানেন না, কোরান ব্যাখ্যাকারীদের (মুফাসসির) মানেন না, শরিয়া মানেন না এবং ইসলামের ইতিহাস মিথ্যা বানোয়াটের উপর রচিত বলে মনে করেন। তিনি যেহেতু কোরান অনলি তাই এই হবে তার অবস্থান এতটুকু বলা যেতে পারে। আমি কোরান অনলি আলোচনায় না গেলেও, প্রায়ই observe করতে চেষ্টা করি তারা কোন ধরনের নীতিমালার উপর চলতে চেষ্টা করছে, যদি আদপে কোন নীতিমালা থেকেই থাকে।

মানুষের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে; মানুষ ভিন্ন ধর্মের হতে পারে, কিন্তু তাদের পার্থক্যগত বাস্তবতার প্রতিফলন কীভাবে ঘটে তা, সবাই, একে অন্যের স্থান থেকে দেখতে পেলে সকলের পারস্পারিক সমঝ উপকৃত হতে পারে। আমার দৃষ্টিতে কোরান-অনলি অত্যন্ত দুর্বল একটি আবেদন (appeal), কিন্তু এটা হচ্ছে আমার অভিমত, এটা কোরান অনলিরা মানার মত নয়। তবে ইসলাম ধর্মের যাবতীয় তথ্যের উৎস বর্জন করে কেবল কোরান দিয়ে কীভাবে একটি ধর্ম গড়ে ওঠতে পারে, সেই বাস্তবতা দেখতে আমি খুবই উৎসুক। ইংল্যান্ডের কোন কোরান অনলি ব্যক্তি বাস্তব জীবনে কীভাবে ধর্ম  পালন করে থাকেন তা দেখার সুযোগ দিলে  নতুন একটা অভিজ্ঞতা হত।

কোরান অনলি দাবিতে আমার দৃষ্টিতে এপর্যন্ত কোন সংঙ্গতিপূর্ণ (coherent) অবস্থান দেখা যায়নি। কোরান অনলিরা এক পর্যায়ে যা অস্বীকার করেন, অন্য পর্যায়ে তা'ই গ্রহণ করেন। কেবল কোরান দিয়ে কোন ধারনার সফল ব্যাখ্যা তাদের মধ্যে দেখিনি। বরং কোরানের আয়াতের উদ্ধৃতি দেখেছি তারপর উদ্ধৃতিকারী নিজেই ''মুফাসসীর' সেজে, সেই আয়াতের ব্যাখ্যা করতে দেখেছি, অথবা বর্তমান কালের কোন মুফাসসীরের আশ্রয় নিতে দেখেছি, “বনোয়াট ইতিহাসের” উদ্ধৃতি দেখেছি –সবকিছু মিলিয়ে যা দেখেছি তাতে নীতিগতভাবে কোরান-অনলি দাবী (claim) শক্তিশালী কোন অবস্থানে দেখিনি বরং উল্টো যা দেখেছি তা নিছক ভাওতাবাজিই মনে হয়েছে। এবং আমার ‘মনে হওয়ার’ অবস্থানটা ভুল -এটা আশা করি আগামীতে দেখতে পাব।

আমি এখন যা লিখতে যাচ্ছি তা ফারুক সাহেবের ব্লগের উপর একটি মন্তব্য -উপরের যা লিখেছি তার আলোকে। [মন্তব্য দীর্ঘ হওয়ার কারণে এখানে আলাদা পোস্টিং দিচ্ছি]&nbsp। যেহেতু একটা ব্লগ লিখে পাঠকের সামনে উপস্থাপন করার অধিকার সবার আছে, তেমনি ব্লগের উপর মন্তব্য করার অধিকারও সবার আছে। লেখকের কাছে মন্তব্য গ্রহণযোগ্য হোক অথবা না, তাতে কিছুই যায় আসে না।  ভাল না লাগলে তিনি তা ignore করতে পারেন, অথবা প্রতিমন্তব্যও করতে পারেন। এখানে কোন পক্ষই কোন ক্ষেত্রে বাধ্যবাধকতায় নেই। আমি এখন আমি যা বলতে যাব তা সরাসরি ফারুক সাহেবকে সম্বোধন করেই বলব। আমার বক্তব্য নিম্নরূপঃ

 

বিবর্তনবাদ ও কোরান

১। আপনি [ফারুক সাহেব] ব্লগ শুরু করেছেন এই বলে, “প্রায়ই বিবর্তনবাদ নিয়ে পোস্ট দেখা যায়,যেখানে জেনে হোক আর না জেনেই হোক মুসলমান ভাইয়েরা বিবর্তনবাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তুমুল বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।”  তারপর এক পর্যায়ে বলছেন, “বিবর্তনবাদ সত্য নাকি মিথ্যা এটা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। কোরানে বিবর্তন নিয়ে সরাসরি কোন আয়াত ও নেই।” আমার প্রশ্ন হচ্ছে এই অবস্থানটি (স্ট্যান্ডিং) কি সঙ্গতিপূর্ণ (coherent) হল? মোটেই না।

 

আপনি কোরান-অনলি। বাকী মুসলমানগণ কোরান-অনলি নন।  আপনার দৃষ্টিতে বিবর্তনবাদ নিয়ে কোরানে সরাসরি কোন আয়াত নেই। কিন্তু আপনি বিবর্তনবাদকে যেভাবে দেখছেন এবং যে আলোকে কোরানের আয়াত খুঁজছেন সেই পদ্ধতি আলোক কি এমন যে যারা কোরান, সুন্নাহ, সাহাবি, কোরানের তফসীর সম্ভার গ্রহণ করেন এগুলোর উপর আস্থা রেখে সেই প্রথম যুগ থেকে চলে আসা পদ্ধতিতে পাঁচ-ওয়াক্ত নামাজ পড়েন, রোজা রাখেন, হজ্জ করেন, “শরিয়াহ” মোতাবেক জীবন যাপন করেন তারা (অর্থাৎ এই ধরণের মুসলমানগণ) এবং কোরান-অনলিরা কি এক সম্প্রদায়ভুক্ত লোক যার ফলে একের ধারণা অন্যের মত হতে পারে? এখানে দেখার ও বুঝার পরিপ্রেক্ষিতের মধ্যে কোনো সামঞ্জস্য আছে, যেখানে আপনি যেভাবে কথা বলছেন সেভাবে বলার অবকাশ আছে?  আপনি বলছেন, “বিবর্তনবাদ সত্য নাকি মিথ্যা এটা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই।” ভাল কথা। তবে আপনার মাথা ব্যাথা না থাকলেও বাকী মুসলমানদের মাথা ব্যথা থাকতে পারে। কিন্তু আপনি এখানে “তাদের হয়ে” কথা বলছেন, যাতে করে তারা নাস্তিকদের আক্রমণের মোকাবেলায় “কোরান-অনলি” হয়ে গিয়ে আপনার মত “নিরাপদ” স্থানে অবস্থান করে। আপনার দৃষ্টিতে “এই মুসলমানেরা” [নাস্তিকদের হাতে] আক্রান্ত হচ্ছে, তাই বলতে চাচ্ছেন, “মুসলমান ভাইয়েরা বিবর্তনবাদের বিরোধিতা করে কোরান বিরোধীদের হাতে কোরানের বিরুদ্ধে প্রচারণার সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। অন্যথায় কোরান বিবর্তনবাদ তথা বিজ্ঞান বিরোধী, এ প্রচারণা ধোপে টিকত না।” এতে মুসলমানদের প্রতি আপনার সহানুভূতি লক্ষ্য করা যায়। কিন্তু মুসলমারা কি বিরোধীতা ও মিথ্যা প্রচারণার ভয়ে ঘরে বসে কাঁপছে যে এই সহানুভূতি দেখাতে হবে এবং বিবর্তবাদ সত্য হোক অথবা মিথ্যা -তার সাথে 'আপোষ' করে নিতে হবে, যেমনটা আপনি আগে বলেছেন?

 

২। আপনি বলেছেন যে বিবর্তনবাদের সত্য/মিথ্যা নিয়ে আপনার মাথা ব্যথা নেই এবং বিবর্তনবাদ নিয়ে কোরানে সরাসরি কোন আয়াত নেই। তারপর  দেখা গেল বিবর্তনবাদকে কোরান দিয়ে বিবর্তনবাদের সত্য প্রমাণ করতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। এই প্রমাণের কাজ করতে গিয়ে কোরানের ৭:১১, ১৫:২৮,২৯, ৭৬:১-২, ৭১:১৪, ৭১:১৭, ১৮:৩৭, ৬৪:৩, ৭৬:২৮, ২০:১২০, ২০:১১৯, ৪:১, ২৯:২০ আয়াতগুলো ব্যবহার করেছেন। সমস্যা হচ্ছে এই যে আপনি স্ববিরোধিতা করছেন। আপনার অসংগতি স্পষ্ট। তাছাড়া আপনার যুক্তির ধারাও অত্যন্ত দুর্বল। বিবর্তনবাদের কথা কোরানে দেখাতে গিয়ে এও বললেন, “খালাকা” শব্দের অর্থ বিকশিত হওয়া (evolve)ও হয়”! অভিনব কথা। তবে এটাও হয়ত কোরান অনলিতে আছে, আমাদের কাছে ব্যাখ্যা জানা নেই।

৩। অতীতে আপনার কথাবার্তায় দেখা গিয়েছে আপনি নবী মানার প্রয়োজন দেখেন না, হাদিস তো মানেনই না, সাহাবির ব্যাখ্যা মানেন না, তফসীরকাদের মানেন না, ইতিহাস বেত্তাদের তথ্যের সত্যতা মানেন না। ঠিক আছে। মানুষের অবস্থান তো ভিন্ন হতেই পারে। কিন্তু এখানে নিজের বক্তব্য প্রমাণের অনুকূলে ‘ইতিহাস’ ও ‘কোরান ব্যাখ্যাকারীর’ আশ্রয় নিলেন। আপনার অবস্থানে কি কোন পরিবর্তন হল?

৩(ক) আপনি ইসলামের ইতিহাস বনোয়াট মনে করেন কিন্তু এখানে সেই "বনোয়াট" উৎসকে ব্যবহার করেছেন। আপনি বলেছেন, “ইসলামের ইতিহাস বলে হাজার বছর আগেই মুসলমান বিজ্ঞানীরা,যেমন ইবনে খালদুন, ইবনে কাথির, ইবনে সীনা, ইবনে আরাবী ও ইখওয়ান স্কুলের চিন্তাধারার অনুসারী বিজ্ঞানীরা ডারউইনের মতোই বিবর্তনবাদের স্বপক্ষে প্রমাণসহ একই মত পোষণ করতেন। কয়েকশ বছর আগ পর্যন্ত প্রতিটি স্কুল ও মসজিদে বিবর্তনবাদ পড়ানো হতো।” আপনার ঐতিহাসিক উদ্ধৃতি থেকে বুঝা গেল যে ইসলামের ইতিহাস আছে এবং তা গ্রহণযোগ্য। কেননা আপনার মতের পক্ষে এই সূত্র থেকেই উদ্ধৃতি দিয়েছেন। কিন্তু যাদের নাম উল্লেখ করেছেন তাদের সাথে “বিবর্তনবাদ” কিভাবে এবং কোন বিশেষ প্রেক্ষিতে সংযোগ করেছেন তার কোন হিসেব/নিকেশ দেন নি –শুধু ইজমালি কথা বলে গেছেন। তারা কীভাবে বিবর্তনবাদী হলেন, তাদের “বিবর্তনবাদ” কি ডারউইনিজম, না নিছক পর্যায়ক্রমিক (তাদাররুজ ফিল খালক, যেমন শুক্র থেকে ভ্রূণ, ছয় পর্যায়ে সৃষ্ট-জগত, ইত্যাদি) সৃষ্টির ধারণা যা বর্তমানের থিওরি অব ইভল্যুশন থেকে ভিন্ন –এরও কোন পাত্তা দেন নি। “ইসলামের ইতিহাসের গোঁজামিলে” এই খ্যাতিমান লোকদেরকে যে প্রসঙ্গে টেনে আনলেন, তারা যদি নিতান্ত সে প্রসঙ্গে ‘সঙ্গত’ (fit) না হন, তাহলে কি এখানে অনৈতিক ব্যবহারের কথা আসে না, যেখানে এই ব্যক্তিবর্গ কোরান-হাদিস-শারিয়া মানা সম্প্রদায়ে সম্মানিত? এখানে তো মৃতদের মানহানীর ব্যাপার থাকতে পারে।

তাছাড়া সেই অতীতকালে যখন স্কুলগুলোতে বিবর্তনবাদ শিক্ষা দেয়া হচ্ছিল, সেই স্কুলগুলো কোথায় ছিল? সেখানে কোন ধরণের কারিকুলাম ছিল? তারপর সেই স্কুলগুলো কিভাবে “বিবর্তনবাদ” পরিত্যাগ করে “বিবর্তন-বিমুখ” পর্যায়ে উপনীত হল? এগুলো স্পষ্ট না করে  উক্ত খ্যাতিমান বিজ্ঞানীদের নাম ব্যবহার করা সঠিক (honest) হবে বলে মনে হয় না। অধিকন্তু এখানে কোরান অনলিদের ইতিহাস গ্রহণ/বর্জনের নীতি/নৈতিকতা সম্পর্কেও কিছু বুঝা যায় না।

৩(খ) কোরান ব্যাখ্যাকারী। ৪:১ আয়াতের ব্যাখ্যা আপনার প্রেক্ষিতে দাঁড় করাতে মুহাম্মদ আসাদের ব্যাখ্যা টেনেছেন। অর্থাৎ প্রয়োজন হয়েছে বলে, এবং কোথাও কোথাও আপনি নিজেই আয়াতের উপর ‘ব্যাখ্যা’ টেনেছেন, ধারণা (speculate) করেছেন, মানি কোরান আপনাতেই স্পষ্ট নয়। তাহলে কি এখন ধরে নিতে পারি যে আপনার অবস্থানের পরিবর্তন এখানেও ঘটেছে এবং আগামীতে হয়ত কোরান ব্যাখ্যায় হাদিস আসতে পারে, সাহাবি আসতে পারে, প্রাথমিক যুগের ব্যাখ্যাকারীরা আসতে পারে?

৪। আপনি মাঝে মধ্যে কিছু কথা টেনেই বলেন, “কোরানের কোথাও কি একথা বলা আছে?” এমন কথা কেন বলেন? এই বিশ্বের মুসলমানরা কি কোরান অনলি? যারা নবী মানেন, হাদিস মানেন, শরিয়াহ মানেন,সাহাবি মানেন  তাদের অর্থ-বিষয়ক ও ভাষিক (semantic) পরিমণ্ডল ভিন্ন, কোরানে না থাকলে অন্যত্র থাকতে পারে। আপনি বিশ্বের মুসলমানদের অবস্থান বর্জন করে, কোরান-অনলি হয়েছেন, (এ অধিকার আপনার আছে যেমন কারো নাস্তিক,মুশরিক,হিন্দু খৃষ্টিয়ান হওয়ার অধিকার আছে), তাই কোরানে কিছু না থাকলে আপনার দায়-দায়িত্ব শেষ। কিন্তু বাকীদের কাছে অর্থাৎ মুসলমানদের কাছে নবী, সুন্নাহ, হাদিস, সাহাবি ইত্যাদির প্রেক্ষিত রয়ে গিয়েছে -কোরান মানা ও বোঝার জন্য।

৫। আমার মনে হয় মুসলমানরা বিবর্তনবাদকে বিজ্ঞান হিসেবে বর্জনের মনোভঙ্গি (attitude) দেখাচ্ছেন না, বরং বিজ্ঞানকে মিথ্যাভাবে নাস্তিকতার পক্ষে ব্যবহারের প্রয়াসের বিরোদ্ধে অবস্থান (স্ট্যান্ড) নিয়েছেন। বস্তুনিষ্ঠ বিজ্ঞান হিসেবে বিবর্তনবাদ যদি কথা বলে এবং তা যদি অবিসংবাদী (indisputable) বা অবিতর্কিত বাস্তবতা হয়, তাহলে কে তা মানলো আর কে মানলো না, একথা নিরর্থক। আমি যতটুকু বুঝি (বড় কিছু বুঝার দাবি করছি না), বিবর্তনবাদ আপনাতেই নাস্তিক্যবাদ predicate করে না অর্থাৎ বিধেয় হিসেবে উপস্থাপন করে না। সমস্যার স্থান হচ্ছে এখানে। আপনি চাইলে Mcgrath, A & Mcgrath J.C. (2007). The Dawkins Delusion. London: Spac এর argument দেখতে পারেন, মেগ্রাথ (একজন Molecular Biophysicist এবং পরে theologist), অতি সুন্দরভাবে বিবর্তনবাদী কুযুক্তি ও বিবর্তনবাদী নাস্তিক্য ধর্মের প্রেক্ষিত তুলে ধরেন। তিনি অক্সফোর্ডের একজন শিক্ষকও।

৬। শেষ কথা। আপনার ব্লগের শুরু ও শেষে তালগুল থেকে যায়। প্রথম অংশে নাস্তিকদের বিরোধীতা/শত্রুতার কথা আসে, কিন্তু শেষে দেখা যায় তারাই আল্লাহওয়ালা কাজ করছে, সবাই বুঝে  হোক অথবা না-বুঝে (that is the underlying linchpin) ওদের পিছনে দাঁড়িয়ে যাওয়া উচিৎ, এই আহবান। এটা কোন ধরনের উপস্থাপন হল? [আপনার উদ্ধৃতি] ২৯:২০ “বলুন, তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ, কিভাবে তিনি সৃষ্টিকর্ম শুরু করেছেন। অতঃপর আল্লাহ পুর্নবার সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু করতে সক্ষম।” [আপনার উপসংহার] বিবর্তনবাদীরা সেই কাজটিই করছে। পৃ্থিবী ঘুরে ঘুরে সৃষ্টির নমূনা সংগ্রহ করছে। তাদেরকে উৎসাহিত করা উচিৎ,বিরোধীতা নয়। [তাহলে ডকিন্সিয়ানরা মাশাল্লাহ আল্লাহর পক্ষেই কাজ করছে!]

ব্যাপারটি আমি লম্বা করতে চাই না। কোরান অনলি ধর্মে যদি বিবর্তনবাদ যৌক্তিক ও প্রামাণ্য হয়ে ওঠে তবে সেটার উপস্থাপনা দেখা যেতে পারে। এতে বাকীরা যা'ই বলেননা কেন আমি কিন্তু আগ্রহের সাথেই দেখতে যাব। আবার কোরান অনলি-ধর্ম যদিও মানব না (কেননা ‘আমরা বাপদাদার তাওহীদী ধর্মে আছি, থাকবও এবং বাপদাদার টাকায় যতটুকু পড়াশুনা করেছি তার আলোকে  কোরান-অনলিদের অসার উদ্ধৃতি সবদিনই হাস্যকর ঠেকাবে),  তবুও যদি সেখানে disciplinary সুষ্ঠু নিয়ম-নীতি গড়ে ওঠতে দেখি, তাহলে একটি নতুন ধর্ম আরেকটি ধর্মের প্রেক্ষিত থেকে কিভাবে গড়ে ওঠে সেই সমাজ-বৈজ্ঞানিক (sociological) স্থান দেখতে কোন বাধা নেই। আপাতত কোরান-অনলি একটি haphazard, বিশৃঙ্খল, rebellious, tendency হিসেবেই দেখা যাচ্ছে।

>>______________________________________>>

কোরান-অনলিদের ব্যাপারে আমার অপরাপর ব্লগ:

এম_আহমদ: ভণ্ডের ধর্ম –কোরান অনলি

এম_আহমদ: কোরান-অনলি ভণ্ডরা অমুসলিম

এম_আহমদ: রিসালাত, সাহাবা ও সুন্নাহ -পর্ব ১

এম_আহমদ: গুরুমুখী প্রথায় হাদিস শাস্ত্র: সংগ্রহ ও চর্চা

এম_আহমদ: ফারুক সাহেবের ব্লগ: মিথ্যাচার ও ভণ্ডামি  

এম_আহমদ: যৌনদাসী – ইসলাম বিদ্বেষী ও ‘কোরান অনলি’-দের একটা প্রোপাগাণ্ডা

এম_আহমদ: জাহেলী যুগের যৌন সম্পর্ক ও ইসলাম 

৩৫ comments

Skip to comment form

  1. 17
    এম_আহমদ

    আমার এই ব্লগটি ছিল মন্তব্য ব্লগ, তাই বিবর্তনবাদ সম্পর্কে আমার নিজের ধ্যান-ধারণা দেয়া হয়নি। আমি ভাবছি হয়ত এব্যাপারে আলাদা একটি ব্লগ দেব। তবে এখানে দু/একটা কথা বলতে চাই। বিবর্তনবাদের যাচাই বাছাইয়ের মূল বস্তু হচ্ছে তার বৈজ্ঞানিক বস্তুনিষ্ঠতা। আমার এই ব্লগের ৫ং পয়েন্টে মুসলমান ও নাস্তিকদের আলোচনার যে মৌলিক স্থানের উল্লেখ করেছিলাম এবং যে বস্তুটি আমি দেখতে চেয়েছিলাম তা ছিল এইঃ

    “আমার মনে হয় মুসলমানরা বিবর্তনবাদকে বিজ্ঞান হিসেবে বর্জনের attitude দেখাচ্ছে না, বরং বিজ্ঞানকে মিথ্যাভাবে নাস্তিকতার পক্ষে ব্যবহারের প্রয়াসের বিরোদ্ধে স্ট্যান্ড নিয়েছে। Objective science হিসেবে বিবর্তনবাদ যদি কথা বলে এবং তা যদি indisputable বাস্তবতা হয়, তাহলে কে তা মানলো আর কে মানলো না,  একথা নিরর্থক। আমি যতটুকু বুঝি (বড় কিছু বুঝার দাবি করছি না), বিবর্তনবাদ আপনাতেই নাস্তিক্যবাদ predicate করে না।”

    এই আলোচনার মূল বক্তব্য হচ্ছে evidence, rather indisputable evidence. অন্য কিছু নয়। এখানে কোন ধর্ম পুস্তক দিয়ে কোন পক্ষের evidence, evidence হবে না, বিশেষ করে scientific কমিউনিটিতে। আমি অন্যত্র, বিশেষ করে আমুতে বিভিন্ন সময় মন্তব্য করেছি যে বিজ্ঞান হচ্ছে এক ধরনের জানার প্রসেস ‘a quest of knowledge in continuity as against the concept of finality. তাই ধর্মগ্রন্থকে বিজ্ঞানের আষ্টেপৃষ্ঠে না জড়ানোই ভাল। স্মর্তব্য যে, আমরা এক সময় Particle (বস্তুর ক্ষুদ্রতম) থিওরির কথা শুনতাম, তারপর কথা হচ্ছিল পার্টিকলটা ‘লাইট’ না ‘বস্তুসত্তা’ -তা নিয়ে। তারপর আসা হয় হয় string  থিওরিতে। স্ট্রিং এর vibration এর তুলনা হচ্ছিল মিউজিক ইন্সট্রুম্যান্টের note এর সাথে, laity কে বুঝানোর জন্য। কিন্তু সেখানেও সমস্যা দেখা দেয়। এখন আমরা সমান্তরাল বিশ্ব-জগতের (parallel universes) কথা শুনছি। এর মূলের ধারণা সমান্তরাল মেম্ব্রেইনের অস্তিত্ব দিয়ে। দুটি মেম্ব্রেইনের কোন অংশ যখন সাংঘর্ষিক হয় তখন নাকি Big Bang  ঘটে। এখানে অসংখ্য Big Bang ঘটার কথা আসছে এবং অসংখ্য universe এর কথাও আসছে। এখানে dimension চারটা নয়, এগারোটা। মেমব্রেন প্ল্যাটস যখন সংঘর্ষ হয় এবং তাতে যে universe  সৃষ্ট হয়, তখন সেই সংঘর্ষের মাধ্যমে আসা অস্তিত্বের আউয়াল থেকে আখেরের সবকিছু predicate হয়ে পড়ে, সময়ের ক্রমধারায় সেইসব বস্তু ক্রমশ অস্তিত্বে আসে ও বিলীন হয়, এতে বিবর্তন থিওরির প্রয়োজন হয় না। ব্যাপারটা যদি তা’ই হয়ে থাকে, তবে এখানে ধর্মগ্রন্থ সেই বিবর্তনের সাথে জড়ানোতে কোন ফায়দা নেই।[১]

    উপরের শাহবাজ ভাইয়ের মন্তব্যকে এখানে adapt করছি এবং প্যারাপ্রেইজ ও কিছু সংযোগ করে যা বলতে চাই তা হল এইঃ মানুষের আস্তিত্ব নিয়ে মানুষ আবহমান কাল থেকে নানান চিন্তা ও speculation করেছে। মুসলিম সুফি দার্শনিকদের অনেকে আত্মার journey অনেকভাবে ভেবেছেন।  আত্মার অনেক পথ পরিক্রমার কথা বলেছেন। তাদের  ধারণা ছিল যে আত্মা মিনারেল, গাছ/পাতা, তরু/লতা তারপর নিম্নশ্রেণীর নানা প্রজাতির প্রাণীর স্তরাদি অতিক্রম মানুষ হয়ে মৃত্যু অতিক্রম করে পরপারে পাড়ি দেয়। এমন ধরনের কথা (বা কাছা/কাছি) সুফি দার্শনিক জালালুদ্দীন রূমীও তার মাসনায়ীতে বলেছেন এবং মাষ্টার নূর আলী (১৯৮৭, The Path of Perfection [translation], pp 3,7,8,10) দিয়েছেন। কিন্তু এগুলো আলেম সমাজে গ্রহণযোগ্য ছিল না। ইবন খালদুনেরও সুফি-দার্শনিক tendency ছিল, তাকেও তার নানান মতের কারণে শহরান্তরে ঘুরে বেড়াতে হয়েছিল, তিনিও এই ধরনের ধারণা পোষণ করতেন।
     

    পূর্বের সুফিবাদী speculation, যা ইসলামের আলিম-ওলামারা মানেননি, তাও ছিল আস্তিকতার উপর, আর ডকিন্সিয়ান বিবর্তনের speculation হচ্ছে নাস্তিক্যবাদ। Dispute এর স্থান হচ্ছে evidence নিয়ে। এখানে সবাই চান Indisputable facts/evidence. তাই আমার প্রশ্ন ছিলঃ

    “কোরান অনলি ধর্মে যদি বিবর্তনবাদ ‘যৌক্তিক’ ও ‘প্রামাণ্য’ হয়ে ওঠে তবে সেটার উপস্থাপনা দেখা যেতে পারে। এতে বাকীরা কি বলেন কি না, আমি বরং আগ্রহের সাথেই দেখতে যাব।”

    এই প্রশ্ন এখনো রয়ে গেল। ভাষাতত্ত্ব, দর্শন, ইতিহাস ইত্যাদি বিদ্যায় বিশেষজ্ঞরা জানেন যে text is always contexual. No text is ever ahistorical. এই কথাগুলো সামনে রেখে যে text এর কোন স্থান ও কালের নির্দিষ্টতা নেই তা দিয়ে বিবর্তনবাদের ‘যুক্তি’  ও ‘দলিল’ কিভাবে “indisputable” করা যায় তা এখনো দেখতে বাকী রইল। তবে আমার কথা বাদ দিয়ে, আজ যদি ডকিন্সিয়ানরা সুফি দার্শনিক ও ইতিহাসবেত্তাদের কথা ও তাদের কথার মধ্যে কোন পার্থক্য দেখে না এবং এখানেই যদি তাদের indisputable evidence পেয়ে যায়, তাহলে তো আনন্দেরই কথা।

    .
    নোট [১]

    [ rel="nofollow">এ বিষয়ে কিছু কিছু জিনিস এখানে পাওয়া যাবে।]

    .

  2. 16
    শাহবাজ নজরুল

    @ ফারুক,
    ফারুক ভাই, পিছলানো কিছুটা সামলিয়েছেন, তবে পুরোপুরি নয়। আপনার জবাব এখনো মৌলিক ফাঁক রয়েই গেছে। আমি বলেছিলাম,

    ইবন কাথিরের বই থেকে সরাসরি দেখান (Arshad, faruk, MJ bashar কিংবা ড. শাব্বিরের বই বা সুত্র নয়; কেননা, তারা সুত্র দেয়ার ব্যপারে বিশ্বাসযোগ্য নন) যে উনি ইসলামের চিরায়ত স্রৃষ্টিতত্ত্বের বাইরে বানর থেকে নর (আদম) জাতীয় বিবর্তন বাদে বিশ্বাস করতেন।

    আপনি আনলেন ইবন খালদুনের বই। দেখুন ইবন খালদুনের বইতে ওরকম কথা থাকতে পারে, তা অমূলকও নয়। ঐ সময়ে অনেক মুসলিম  মুতাজিলা, মুরজিয়া, জাহিমিয়া সহ সুফী মতবাদে বিশ্বাস করতেন। উনাদের অনেককেই ইসলামী বিশেষজ্ঞ কিংবা অথরিটি বলে ধরা হয় না। যেমন ইবন খালদুন যদিও কিছুকাল মালিকী স্কুলের কাজী নিযুক্ত ছিলেন, তার মূল চর্চার বিষয় ছিল ইতিহাস, অর্থনীতি ও সমাজ বিজ্ঞান। আর আমি আপনার লিষ্টে দেয়া মুস্লিমদের সাথে তেমন পরিচিতও ছিলাম না। সত্য বলতে কি, ইবন খালদুনের সাথেও তেমনটা না। তবে ইবন কাথির সম্পর্কে আগে থেকেই ভালো ধারণা ছিল। উনি সুন্নী স্কুলের বড় অথরিটি। তাই এখনো বলছি, ইবন কাথিরের বই থেকে সরাসরি দেখান যে উনি ইসলামের চিরায়ত স্রৃষ্টিতত্ত্বের বাইরে বানর থেকে নর (আদম) জাতীয় বিবর্তন বাদে বিশ্বাস করতেন, যেহেতু সেটাই আপনি দাবী করেছেন।
     
    এর পরেও বলা যায় আপনি অন্য যায়গা থেকে চোথা মেরে জবাব দিলেন। এর মধ্যে দুটো অসত কাজও আপনি জুড়ে দিলেন। প্রথমত কোথা থেকে এই তথ্য বের করলেন তা দিলেন না। আর দ্বিতীয়ত যেই লিঙ্ক থেকে জবাব চোথা মারলেন সেখানের ইবন কাথিরের নামটা আবার বোল্ড করে দিলেন। এতে কী প্রমাণ হলো, আপনার ডেস্পারেশন ছাড়া?
     
    এর পরেও যে বক্তব্য ইবন খালদুনের বই থেকে দিলেন সেটা ইসলামী কতৃত্ববাহী ইশ্তেহাদ নয় বরং মুসলিম সুফি দার্শনিকদের মধ্যে প্রচলিত একটা ধারণা। তাদের অনেকেরই ধারণা ছিল গাছ/পাতা, তরু/লতা এবং তারপর নিম্নশ্রেণীর নানা প্রজাতির প্রাণী হয়ে মানুষের স্তরে এসেছে। মূলত এখানে আত্মার journey বুঝানো হত, শারীরিক কথা নয়, যেটা খানিকটা আলাদা। এমন ধরণা হিন্দুদের মধ্যেও ছিল, তবে তাদের পূণর্জন্মের ধারণা মানুষ আবার পূর্বের স্তরাদিতেও যেতে পারে, তাদের কর্মফল অনুযায়ী। এই ধরণের speculation এর সামনে ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদের দাবি ভিন্ন। এখানে দাবি হচ্ছে speculation নয় বরং ‘ফ্যাক্ট’ হিসেবে –অন্তত এভাবে ডারুইনিয়ান বিবর্তনবাদীরা তা উপস্থান করেন। কিন্তু ফ্যাক্টের দাবী করে যদি সুফিদার্শিক ও সমাজ বিজ্ঞানীর উদ্ধৃতি টানা হয়, তখন ধরে নিতেই হয়, যে আগের speculation  এখনও speculation এর পর্যায়ে আছে, ফ্যাক্ট নেই। এটাই হচ্ছে এক পার্থক্য। দ্বিতীয় কথা এবং সবচেয়ে বড় objection  হচ্ছে এই speculation  কে কেন্দ্র করে নাস্তক্যবাদের যুক্তি তোলা। আগের সুফিবাদী speculation, যা ইসলামের আলিম-ওলামারা মানেননি, তাও ছিল আস্তিকতার উপর, আর ডকিন্সিয়ান বিবর্তনের speculation নাস্তিক্যবাদ। Dispute এর স্থান হচ্ছে evidence বা facts নিয়ে। এখন কথা হচ্ছে Indisputable facts কই?
     

    1. 16.1
      ফারুক

      সালামুন আলাইকুম।

      ফারুক ভাই, পিছলানো কিছুটা সামলিয়েছেন, তবে পুরোপুরি নয়।

      খলের যেমন ছলের অভাব হয় না , তেমন এই তবে….র ও শেষ নেই। আমি আপনাকে আগের মন্তব্যেই বলেছি --

      যদিও ইবনে কাথির ও অন্যান্য মুসলমান  স্কলারদের নাম এই পোস্টটিতে এসেছে এটা দেখাতে যে বিবর্তনবাদ আজকের আপনাদের মতো মুসলমান জ্ঞানীরা অস্বীকার করলেও  ডারউইনের আগে থেকেই  মুসলমান বিজ্ঞানীরা বিবর্তনবাদের ধারনা পোষন করত।  আমার পোস্টের উদ্দেশ্য ছিল কোরানের আয়াত দিয়ে এটা দেখান যে , বিবর্তনবাদ কোরানের সাথে সাংঘর্ষিক নয়।

      কোরানের আয়াতের সাথে  বিবর্তনবাদ কোথায়  সাংঘর্ষিক , এটা দেখান। তাহলেই বুঝব আপনার গঠনমূলক আলোচনার ইচ্ছা আছে , নইলে ক্যাচাল করাই সার হবে।
       
       

  3. 15
    মহিউদ্দিন

    একটা অসাধারন পোষ্ট। লেখককে অশেষ ধন্যবাদ । তবে ফারুক সাহেবকে আমার কাছে কোরান-অনলি দলেরও মনে হচ্ছে না বরং তার চেয়ে মারাত্মক বলে মনে হয়!

  4. 14
    ফারুক

     কেউ এই প্রশ্ন করছেন না কোথায় পাইছেন যে ইবন কাথির ডারুইনিয়ান বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করতেন? আমিই তাহলে প্রশ্ন করছি,

    ফারুক ভাই প্রমাণ দেখান যে ইবন কাথির ডারঊইনিয়ান ধাঁচের বিবর্তনে বিশ্বাস করতেন। আমি কিন্তু উপরের ইবন কাথিরের তাফসির থেকে ৭.১১ থেকে স্পষ্ট করে দেখালাম যে ইবন কাথির ইস্লামের ট্রাডিশনাল সৃষ্টি তত্ত্বে বিশ্বাস করতেন। আর পারলে চাপাবাজি একটু বন্ধ করেন।
     

    আপনাদের নিয়ে মুষ্কিলে পড়া গেল। কোথায় আমি বা আমার সোর্স পোষ্টে বলা হয়েছে- "ইবন কাথির ডারুইনিয়ান বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করতেন"। 'ডারুইনিয়ান' এই নামটি তো কোথাও উল্লেখ করা হয় নি। জেনারেল টার্মে বলা হয়েছে বিবর্তনবাদ।
     
    ইবনে কাথির কি শুধু তাফসির লিখেছিলেলেন?  উনি কি আর কোন বই লেখেন নি?  তার অন্য বইগুলো কি পড়েছেন? আপনাকে কে বলেছে তাফসীর থেকে উদ্ধৃতি দিতে?  Arshad কি বলেছে সে তাফসীর থেকে আপনার মতো স্বীদ্ধান্তে পোছেছে? বলিহারি আপনার যুক্তিবোধ। Arshad এর উল্লেখ করা বাকি মুসলমান বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে আপনার গবেষণার ফল কী?
     
    সবথেকে বড় কথা , ইবনে কাথির বা অন্য কেউ বিবর্তন মানেন কি না মানেন , তাতে কিছুই আসে যায় না। কারন ইবনে কাথিরকে বা অন্য কাউকে  অন্ধ ভাবে অনুসরন করাটা মস্ত বড় ভুল হবে। আপনি এই পোস্ট পড়ার পরে , আপনার যুক্তির সাথে এটা মেলে কিনা সেটাই বড় কথা। মিললে সম্পুর্ণ বা আংশিক গ্রহন করুন , না মিললে ডাস্টবিনে ফেলুন।
     
    আজাইরা সুত্রের প্যাচাল মেরে মানুষকে ডাইভার্ট না করে , পোস্টের কন্টেন্ট নিয়ে আলোচনা করুন।
     

     
       

     

     

     

    1. 14.1
      শাহবাজ নজরুল

      ইবনে কাথির কি শুধু তাফসির লিখেছিলেলেন?  উনি কি আর কোন বই লেখেন নি?  তার অন্য বইগুলো কি পড়েছেন? আপনাকে কে বলেছে তাফসীর থেকে উদ্ধৃতি দিতে?  Arshad কি বলেছে সে তাফসীর থেকে আপনার মতো স্বীদ্ধান্তে পোছেছে? বলিহারি আপনার যুক্তিবোধ। Arshad এর উল্লেখ করা বাকি মুসলমান বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে আপনার গবেষণার ফল কী?
       

      যেখান থেকেই পারেন, দেখান যে ইবন কাথির ইসলামের চিরায়ত স্রৃষ্টিতত্ত্বের বাইরে বানর থেকে নর (আদম) জাতীয় বিবর্তন বাদে বিশ্বাস করতেন। আমি যেহেতু তাফসিরের বই থেকে প্রমাণ এনেছি, যেখানে সরাসরি দেখা যাচ্ছে, ইবন কাথির বলেছেন, আদমের রুহ তৈরী করে, তার মানবাকৃতির অবয়ব নিজ হাতে তৈরী করে তাতে আল্লাহ রূহ ফুঁকলেন, আর মালাঈকাদের আদমকে সেজদা করতে বললেন। আমার পক্ষ থেকে burden of proof is complete. এখন আপনার করা দাবী প্রমাণের দায়িত্ব আপনার নিজের। ইবন কাথিরের বই থেকে সরাসরি দেখান (Arshad, faruk, MJ bashar কিংবা ড. শাব্বিরের বই বা সুত্র নয়; কেননা, তারা সুত্র দেয়ার ব্যপারে বিশ্বাসযোগ্য নন) যে উনি ইসলামের চিরায়ত স্রৃষ্টিতত্ত্বের বাইরে বানর থেকে নর (আদম) জাতীয় বিবর্তন বাদে বিশ্বাস করতেন। আর না করতে পারলে এসব মিথ্যাচার বন্ধ করেন। "যার ইচ্ছে নিক, যার ইচ্ছা না হয় না নিক" এই জাতীয় বুলি চালিয়ে আম-জনতাকে মিথ্যা কথার লজেন্স খাবানোর মানে হয়না।http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_negative.gif
       
      --শাহবাজ

      1. 14.1.1
        সরোয়ার

        যেখান থেকেই পারেন, দেখান যে ইবন কাথির ইসলামের চিরায়ত স্রৃষ্টিতত্ত্বের বাইরে বানর থেকে নর (আদম) জাতীয় বিবর্তন বাদে বিশ্বাস করতেন। আমি যেহেতু তাফসিরের বই থেকে প্রমাণ এনেছি, যেখানে সরাসরি দেখা যাচ্ছে, ইবন কাথির বলেছেন, আদমের রুহ তৈরী করে, তার মানবাকৃতির অবয়ব নিজ হাতে তৈরী করে তাতে আল্লাহ রূহ ফুঁকলেন, আর মালাঈকাদের আদমকে সেজদা করতে বললেন। আমার পক্ষ থেকে burden of proof is complete. এখন আপনার করা দাবী প্রমাণের দায়িত্ব আপনার নিজের। ইবন কাথিরের বই থেকে সরাসরি দেখান (Arshad, faruk, MJ bashar কিংবা ড. শাব্বিরের বই বা সুত্র নয়; কেননা, তারা সুত্র দেয়ার ব্যপারে বিশ্বাসযোগ্য নন) যে উনি ইসলামের চিরায়ত স্রৃষ্টিতত্ত্বের বাইরে বানর থেকে নর (আদম) জাতীয় বিবর্তন বাদে বিশ্বাস করতেন। আর না করতে পারলে এসব মিথ্যাচার বন্ধ করেন।

        ফারুক সাহেবের প্রমাণের অপেক্ষায়। পিছলাবেন না প্লিজ।

        1. 14.1.1.1
          শাহবাজ নজরুল

          পিছলাইছে … ফারুক ভাইরে ছাই দিয়াও ধরা কঠিন … খুব বেশি পিছলা …

        2. ফারুক

           
          সালামুন আলাইকুম।
          না , পিছলানোর কিছু নেই। আগের জমানায় হলে বিপদে পড়তে হোত। খুজতে সময় তো দিবেন। যদিও ইবনে কাথির ও অন্যান্য মুসলমান  স্কলারদের নাম এই পোস্টটিতে এসেছে এটা দেখাতে যে বিবর্তনবাদ আজকের আপনাদের মতো মুসলমান জ্ঞানীরা অস্বীকার করলেও  ডারউইনের আগে থেকেই  মুসলমান বিজ্ঞানীরা বিবর্তনবাদের ধারনা পোষন করত।  আমার পোস্টের উদ্দেশ্য ছিল কোরানের আয়াত দিয়ে এটা দেখান যে , বিবর্তনবাদ কোরানের সাথে সাংঘর্ষিক নয়। কিন্তু আপনারা বরাবরের মতোই কোরানের আয়াতের ব্যখ্যায় ভুল আছে কি না (একবার অবশ্য চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু সেটা আপনার জন্য শুভ হয়নি) , সে দিকে না গিয়ে গৌণ বিষয় , যেমন ইবনে কাথির বিবর্তন নিয়ে লিখেছেন কিনা তাই নিয়ে ব্লগ ফাটিয়ে দিচ্ছেন।
           
          নেন একটি মজার সুত্র পাওয়া গেছে। এখন মুকাদিমাহ পড়ে দেখেন , এরা মিথ্যা বলছে কিনা।http://www.amazon.co.uk/gp/product/images/1868087026/ref=dp_image_0?ie=UTF8&n=266239&s=books  Islam and Biological Evolution বই টা জোগাড়ের চেষ্টায় আছি।
           
          Here is a quotation from the book of Ibn Khaldun (14th century, 400 yrs before Darwin) "Al-Muqadimah" i.e. "the Introduction" (p. 75) where he wrote the following after linking minerals to planta to animal in a creative evolutionary chain:
           
          "the animal world then widens, its species become numerous, and, in a gradual process of creation , it finaly leads to man, who is able to think and reflect. The higher stage of man is reached from the world of monkeys.". And by the way this is not the work of one or two prominent thinkers and scientists of their time, it is also the conceptualizations of the following and more: Al-Biruni (973-1048), Ibn Mikawayh (932-1030), Tusi (1201-1274), Ibn Kathir (1301-1373).
           
           

  5. 13
    এস. এম. রায়হান

    বিবর্তনবাদের কল্পকাহিনীকে কেউ সত্য হিসেবে বিশ্বাস করলে আমাদের কোন সমস্যা নাই। কিন্তু কেউ যদি কোরান দিয়ে সেই কল্পকাহিনীকে ডিফেন্ড করতে আসে সেক্ষেত্রে তাকে চ্যালেঞ্জ করা হবে। আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি যে, যারা কোরান দিয়ে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করার চেষ্টা করছে তারা আসলে কোরানেই বিশ্বাস করে না।

  6. 12
    শাহবাজ নজরুল

    ফারুক ভাই,
    সালাম।

    আমি কিছুই বানাইনি। কোরানেই বলা আছে 'তোমাদেরকে' كُمْ।  কোন অপবাদ দেয়ার আগে একটু check করা উচিৎ।
     

    আমি দুঃখিত যে মূল আরবী চেক করিনি, কেবল অনুবাদ গুলো দেখছিলাম। যাইহোক একবচন হোক আর বহুবচন, এখানে আদমকেই উদ্দেশ্য করে বলা হচ্ছে। যেহেতু ইবন কাথির-কে বিবর্তনবাদ এর সমর্থক বানাইছেন তাই উনার বই থেকে দেখি এখানে বিবর্তনকে উনি কীভাবে ব্যাখ্যা করেছেন।
     

    উনার তাফসীর থেকে তুলে দিলাম।
    ﴿وَلَقَدْ خَلَقْنَـكُمْ ثُمَّ صَوَّرْنَـكُمْ ثُمَّ قُلْنَا لِلْمَلَـئِكَةِ اسْجُدُواْ لأَدَمَ فَسَجَدُواْ﴾
    (And surely, We created you and then gave you shape; then We told the angels, "Prostrate yourselves to Adam,'' and they prostrated,) This is like His saying,
    ﴿وَإِذْ قَالَ رَبُّكَ لِلْمَلَـئِكَةِ إِنِّى خَـلِقٌ بَشَرًا مِّن صَلْصَـلٍ مِّنْ حَمَإٍ مَّسْنُونٍ -- فَإِذَا سَوَّيْتُهُ وَنَفَخْتُ فِيهِ مِن رُّوحِى فَقَعُواْ لَهُ سَـجِدِينَ ﴾
    (And (remember) when your Lord said to the angels: "I am going to create a man from dried (sounding) clay of altered mud. So, when I have fashioned him completely and breathed into him the soul (which I created for him), then fall (you) down prostrating yourselves unto him.'') ﴿15:28-29﴾. After Allah created Adam with His Hands from dried clay of altered mud and made him in the shape of a human being, He blew life into him and ordered the angels to prostrate before him, honoring Allah's glory and magnificence. The angels all heard, obeyed and prostrated, but Iblis did not prostrate. We explained this subject in the beginning of Surat Al-Baqarah. Therefore, the Ayah (7:11) refers to Adam, although Allah used the plural in this case, because Adam is the father of all mankind. Similarly, Allah said to the Children of Israel who lived during the time of the Prophet ,
    ﴿وَظَلَّلْنَا عَلَيْكُمُ الْغَمَامَ وَأَنزَلْنَا عَلَيْكُمُ الْمَنَّ وَالسَّلْوَى﴾
    (And We shaded you with clouds and sent down on you manna and the quail,)﴿2:57﴾ This refers to their forefathers who lived during the time of Moses. But, since that was a favor given to the forefathers, and they are their very source, then the offspring have also been favored by it. This is not the case in:
    ﴿وَلَقَدْ خَلَقْنَا الإِنْسَـنَ مِن سُلَـلَةٍ مِّن طِينٍ ﴾
    (And indeed We created man out of an extract of clay (water and earth.))﴿23:12﴾ For this merely means that Adam was created from clay. His children were created from Nutfah (mixed male and female sexual discharge). This last Ayah is thus talking about the origin of mankind, not that they were all created from clay, and Allah knows best.

    উপরের ব্যাখ্যাতে স্পষ্ট বলা হচ্ছে যে আল্লাহ নিজ হাতে আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করে তাকে মানব আকৃতি দিয়ে তাতে রূহ ফুঁকে দিলেন। তাহলে আপনি কোন সাহসে বললেন যে ইবন কাথির বিবর্তনে বিশ্বাস করতেন? কেন Arshad এর মতো Surrogate এর কথা মেনে নিলেন? আর নিজে পরীক্ষা করলেন না যে আসলেই কী ইবন কাথির বিবর্তনে বিশ্বাস করতেন কিনা?
     
    প্রসঙ্গত বলা যায় কোরান অনলি দের যুক্তি অল্প কয়েকটা লেখাকে আদর্শ ধরে তাকেই কপি/পেষ্ট করেই আবর্তিত হয়। এখানে ইবন কাথির ও অন্যান্য মুসলিম বিজ্ঞানীদের নাম প্রথম বারের মতো উল্লেখ করেন Arshad উল্লেখ করেন,
     

    The Muslim scientists ibn Kathir, ibn Khauldun, ibn Arabi, ibn Sina, among other scientists, such as the Ikhwan school of though, arrived at the same conclusions as Darwin with a convincing amount of evidence. Every Muslim school and mosque used to teach evolution up until a few hundred years ago. Some westerners, including Darwin's contemporary, Sir William Draper, called it the Mohammedan Theory of Evolution. Draper admitted that the Muslim version was more advanced than Darwin's, because in the Muslim version, the evolution starts out with minerals.

     
    আরশাদের লেখায় কোনো রেফারেন্স নাই। ফারুক ভাই রেফারেন্সবিহীন ঐ লেখাকেই চোথা মারলেন। Arshad কে অন্যান্য কোরান অনলি surrogate রাও চোথা মারেন। যেমন, Evolution: organizations and the dynamics বইয়ের ১৭৩ পাতায় দেখা যায় বইয়ের লেখক Rob Dekkers বলছেন, যে
     

    Arshad (1996) draws our attention to the peculiar fact that idea of natural selection and the evidence of evolution has been subject of study for Muslim scientists, even 100 years before Darwin published his findings. He states,

    এরপরে আবার সেই কপিপেষ্ট অর্থাৎ,

    The Muslim scientists ibn Kathir, ibn Khauldun, ibn Arabi, ibn Sina, among other scientists, such as the Ikhwan school of though, arrived at the same conclusions as Darwin with a convincing amount of evidence. Every Muslim school and mosque used to teach evolution up until a few hundred years ago. Some westerners, including Darwin's contemporary, Sir William Draper, called it the Mohammedan Theory of Evolution. Draper admitted that the Muslim version was more advanced than Darwin's, because in the Muslim version, the evolution starts out with minerals.
     

    হায়রে, হরি লুট। গোড়াতেই গলদ, আর তাকেই গোয়েবলসীয় কায়দায় সত্যি বলে চালানোর অপপ্রয়াস রেফারেন্স জালিয়াতির মাধ্যমে। এটা ড. শাব্বিরের মতোই রেফারেন্স জালিয়াতি। বাংলা ইতিহাসের আরেকটা ঘটনার কথা মনে পড়ে গেল। সেটা হচ্ছে আকাশ মালিকের ‘যে সত্য বলা হয়নি’ বইটা। প্রথমে রূপকথার বইটা লেখেন আকাশ মালিক। তারপরে আর মনা’দের কে পায়??? সবাই নানা লেখাতে আকাশ মালিকের লেখা বইকেই রেফারেন্স দেয়া শুরু করে দেয়। এরপরে এলো সাদাত ভাইয়ের লেখাগুলো। সেই লেখা গুলোর পরে দেখা গেলো আকাশ মালিক কত বড় ভণ্ড। সাদাত ভাইয়ের লেখাগুলোর একটা লাইনও উনি খণ্ডাতে পারেন নাই। এখানেও চলছে Arshad এর একখানা লেখা নিয়ে উচ্চবাচ্য। কেউ এই প্রশ্ন করছেন না কোথায় পাইছেন যে ইবন কাথির ডারুইনিয়ান বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করতেন? আমিই তাহলে প্রশ্ন করছি,
     
    ফারুক ভাই প্রমাণ দেখান যে ইবন কাথির ডারঊইনিয়ান ধাঁচের বিবর্তনে বিশ্বাস করতেন। আমি কিন্তু উপরের ইবন কাথিরের তাফসির থেকে ৭.১১ থেকে স্পষ্ট করে দেখালাম যে ইবন কাথির ইস্লামের ট্রাডিশনাল সৃষ্টি তত্ত্বে বিশ্বাস করতেন। আর পারলে চাপাবাজি একটু বন্ধ করেন।
        
     

  7. 11
    মুনিম সিদ্দিকী

    গ্যালারীতে আছি!

  8. 10
    এম_আহমদ

    আমি দেখেছি নাস্তিকদের একটা অংশ ইদানীং কোরআন অনলি দলে ঢুকে পড়ছে। … কোরআন আর সুন্নাহ সম্পর্কে মৌলিক ধারনা না থাকা সাধারণ মুসলিমদের জন্য এ ধরনের লেখা খুবই বিপদজনক।

    কোরান-অনলি অবস্থান নাস্তিকতাবাদের চেয়েও খারাপ। নাস্তিকদের অবস্থান সুস্পষ্ট। কিন্তু কোরান-অনলিরা ‘মুখোশধারী’, কোরান শব্দের আড়ালে মুসলমানদের মধ্যে ফিৎনাবাজ। তাছাড়া এই অনলিরা যে নাস্তিক নয় তা কি আমাদের জানা আছে। আমি তো অনেক আগ থেকেই বলছি –এটা এক dangerous deception.

    1. 10.1
      এম_আহমদ

      মুখোশধারী বিষয়টির সাথে আরও সামান্য সংযোগ করতে চাই। কিছুদিন আগে মঈনুল আহসান সাহেবের ‘নবীজীর যত বিয়ে: সামাজিক সংস্কার ও দায়বদ্ধতার অনন্য দৃষ্টান্ত’ নামক ব্লগে ‘আইভী’ নামের একজন নতুন ব্লগার এসে কিছু কমেন্ট করেন। অবশ্য আহসান সাহেবের লেখায় যে এঙ্গল ছিল তার সাথে অনেকের দ্বিমতও ছিল। লেখা ও আলোচনার জগতে পার্থক্য থাকা স্বাভাবিক। তিনি এক পর্যায়ে ‘প্রাকৃতিক জন্ম নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতির’ কথা তুলেন, আয়শা (রাঃ) এর ক্ষেত্রে। এই স্থানটির দিকে খেয়াল করলে দেখা যাবে আইভী progressively প্রশ্ন শুরু করছেন [সম্ভবত সেই পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা নিয়ে]:   “কে প্রতিষ্ঠা করলো?  আপনি না হাদিস ব্যাখ্যাকারীরা?  তসলিমা নাসরিনদের শায়েস্তা করতে নতুন নতুন ফতোয়া।” (Comment 8.3)

      প্রথমে এখানে তসলিমা আসাটাই ছিল অত্যন্ত strange. আবার তসলিমা নাসরিনদের উল্লেখের ধরণ এবং স্বরের মধ্যে চরম মৌলবাদী নাস্তিক তসলিমাদের প্রতি সমর্থনও লক্ষণীয়। Retrospectively অনুভব করা যাবে এরা তসলিমাদের পক্ষের লোক। মাঝে মধ্যে হয়ত slip of tongue হয়।

      1. 10.1.1
        আইভি

        মইনুল সাহেবের ৮ নুম্বর মন্তব্যটা আবার দেখুন——“নবীজীর বিয়ে সংক্রান্ত এই বিশ্লেষণ প্রচারের এটাই সময় কারণ তা না হলে তসলিমা নাসরিনদের মত ধান্ধাবাজদেরকে ফাঁকা মাঠ গরম করার সুযোগ করে দেয়া হবে এবং এদেরকে চ্যলেঞ্জ বিহীন ছেড়ে দেয়ার জন্যে আমরা হবো গুনাহগার।“
        --তসলিমা নাসরিন এবং তার মত ধান্ধাবাজ কথাটা, তিনিই এনেছেন-যার উত্তর দিয়েছি মাত্র। কোন মহিলার নাম  আর সাথে স্রোতের বিপরীতে  উওর দেখলেই কারো কারো শুধু তসলিমাকেই ধব্জজাধারী বলে মনে হয়।
          আর আপনার বিবর্তনের তর্কে এই মন্তব্য এখানে কেন? নবী এই বলে গেছেন, নবী সেই বলে গেছেন—সত্যি নবী বলে গেছেন বা করে গেছেন কিনা—সেই প্রশ্ন আসবে না কেন? সেই সময়ের সব ঈমামগণই ইসলামের পথে ছিলেন, রাজনৈতিক ক্ষমতার আশ্রয়ে ছিলেননা, অন্যের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে হাদিস সংরক্ষণ করেনি—তার প্রমাণ কি? ইতিহাস তো তা বলেনা। সংরক্ষিত সহী(?)হাদিসবইগুলিই এবং তাদের সম্বন্ধে(ঈমামগণ) যে ইতিহাস পাওয়া যায়—তাতে তাদের সহি কথাগুলো অত সহি মনে হয়না। বেশিরভাগ হাদিসই নবী ও তাঁর পরিবারকে অসম্মান করেছে, কোরানের বিপরীতে ব্যাখ্যা দিয়েছে।  তবে এরই মাঝে কিছু হাদিস আছে যা কোরানকে সমর্থন করে। এত গেল সুন্নী ছয়টি হাদিস বইয়ের কথা। শিয়া অনুসারীদের চার হাদিস বইগুলোর কি হবে? নবীজী কি সেইরকম জীবন-যাপনও করে গেছেন যা শিয়া হাদিসে আছে? এক নবীজীর কয়রকম জীবন-পদ্ধতি হতে পারে?

  9. 9
    করতোয়া

    ধন্যবাদ। খুব জোড়াল একটা পোষ্ট হয়েছে যা আমি মনে প্রানে আশা করছিলাম।
     
    সকালের সূর্য দেখেই দিনের ভাব বুঝা যায়। কোন এক পোষ্টে ফারুক সাহেব এর একটা মন্তব্য দেখেই সন্দেহ করেছিলাম মানুষটি ধ্রুত শেয়ালের মত ভেড়ার চামরা গায়ে চরিয়ে ভেড়ার পালে ঢুকে পড়েনি তো। আমি আমার পরিচিতদের সাথেও বিষয়টি আলোচনা করেছিলাম সেদিন এক পার্টিতে। একদিন মুনাম ভাই আমার এ সন্দেহে আকস্মাৎ ভড়কে গিয়েছিলেন।
     
    আমি দেখেছি নাস্তিকদের একটা অংশ ইদানিং কোরআন অনলি দলে ঢুকে পড়ছে। তারা একটা ঘুলু লাগাবার চেষ্টায় আছে। এ ধরনের বহু ইন্টারনেট ওয়েব সাইট এখন দেখা যায়। আমার ধারনা ফারুক সাহেব সেই সব নেট থেকে অনুবাদ করে ব্লগে ঝেড়ে দেন, তাই  তার লেখাটা হাতে বুনা কাঁথার উল্টা পিটের মত দেখায় ফলে উনিও বুঝতে পারেন না কোথায় অসংগতি করে ফেলেছেন।
     
    কোরআন আর সুন্নাহ সম্পর্কে মৌলিক ধারনা না থাকা সাধারন মুসলিমদের জন্য এ ধরনের লেখা খুবই বিপদজনক।

  10. 8
    ফারুক

    সালামুন আলাইকুম।

    বিবর্তবাদ সত্য হোক অথবা মিথ্যা -তার সাথে 'আপোষ' করে নিতে হবে, যেমনটা আপনি আগে বলেছেন?

    আপোষ করার কথাটা আমি আবার কোথায় বল্লাম? আমার লেখা থেকে উদ্ধৃতি দিলে ভাল হয়।
     
    আপনি কি আমার লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়েছেন?

    1. 8.1
      এম_আহমদ

      আপোষ করার কথাটা আমি আবার কোথায় বল্লাম?

      আপনি “আপোষ” নয় বরং তার চেয়েও অধিক অর্থের কথা বলছেন। আমি safe-side থাকার জন্য নরম অর্থে আপোষ উল্লেখ করেছি। আপনি মুসলমানদেরকে তাদের বর্তমান অবস্থান 'বর্জন করে' বিবর্তনবাদীদের অনুকূল ভূমিকা নিতে, তাদেরকে 'উৎসাহ দান' করতে আহবানও করেছেন। মনে হয় তা খেয়াল থেকে চলে গিয়েছে। যদিও একবার উদ্ধৃতি দিয়েছি, তবুও আরেকবার দেয়া যাক।
      [আপনার উদ্ধৃতি] ২৯:২০ “বলুন, তোমরা পৃথিবীতে ভ্রমণ কর এবং দেখ, কিভাবে তিনি সৃষ্টিকর্ম শুরু করেছেন। অতঃপর আল্লাহ পুর্নবার সৃষ্টি করবেন। নিশ্চয় আল্লাহ সবকিছু করতে সক্ষম।” [আপনার উপসংহার] বিবর্তনবাদীরা সেই কাজটিই করছে। পৃ্থিবী ঘুরে ঘুরে সৃষ্টির নমূনা সংগ্রহ করছে। তাদেরকে উৎসাহিত করা উচিৎ,বিরোধীতা নয়।

      পক্ষান্তরে আরেকটি কথা এসেই যায়। “আপোষ করার কথাটা আমি আবার কোথায় বল্লাম?” এ কথা থেকে কি ধরে নেয়া যেতে পারে যে আপনার অবস্থানের কিছু দ্রুত পরিবর্তন হয়েছে? অর্থাৎ এখন আপনি চাননা যে মুসলমানেরা বিবর্তনবাদের সাথে আপোষ করুক?

      1. 8.1.1
        ফারুক

        সালামুন আলাইকুম।
        উৎসাহিত করা আর আপোষ করা নিশ্চয় এক নয়। যেটা সত্য সেটা বলুন। আমি উৎসাহিত করতে বলেছি , আপোষ করতে বলিনি। ২৯:২০ আয়াত অনুসারে যে কাজটি মুসলমানদের করার কথা ছিল , তারা তা করছে না। বিবর্তনবাদীরা সেই কাজটিই করছে, একারনেই তাদের উৎসাহিত করতে বলেছি।

        এ কথা থেকে কি ধরে নেয়া যেতে পারে যে আপনার অবস্থানের কিছু দ্রুত পরিবর্তন হয়েছে? অর্থাৎ এখন আপনি চাননা যে মুসলমানেরা বিবর্তনবাদের সাথে আপোষ করুক?

        না , আমার অবস্থানের কোন পরিবর্তন হয় নি। আপোষ করে ভীরুরা , যাদের দুর্বলতা আছে তারা। আমি চাই মুসলমানেরা সত্যের পথে থাকুক। বিবর্তনবাদ সত্য হলে মেনে নিক , না হয় বর্জন করুক।
        আমি বিবর্তনবাদকে সত্য মনে করি কোরানের আলোকে , যে কারনে আমি মেনে নিয়েছি।
         
         

        1. 8.1.1.1
          এম_আহমদ

          @ফারুক:
          ১। আপোষ। বিবর্তনবাদীদের সাথে ‘বিরোধিতা ছেড়ে’, মুসলমানরা তাদেরকে ‘উৎসাহ দিতে’ যাওয়ার আহবান করলেন, এই কাজটিতে কি কোন ‘আপোষ’ থাকে না? যে বিবর্তবাদ সত্য হোক অথবা মিথ্যা এবং যে ব্যাপারে আপনার কোন মাথা ব্যথা নেই [এটা আপনার কথা, এটাই enbolded করা] এই proposition কেন্দ্রেই হচ্ছে আপোষের কথা, আপনার কথার প্রেক্ষিতে। আমি যদি বলি যে আপনি বলেছেন, মুসলমানরা বিরোধিতা ছেড়ে দিক এবং বিবর্তনবাদীদেরকে উৎসাহিত করুক, এতে তাৎপর্যের মাত্রা কোন দিকে দৃঢ় হয়? আপনার অভ্যাস কেবল তর্ক করা। এখানে আপনার কোন substance নেই।
          ২। “বিবর্তনবাদ সত্য হলে মেনে নিক , না হয় বর্জন করুক।” একথা আপনি আগে এভাবে বলেন নি। বরং তাদের ‘বিরোধিতা ত্যাগ করে’ বিবর্তনবাদীদেরকে উৎসাহ দিতে বলেছেন। এখানে কমবেশি পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়।
          ৩। “আমি বিবর্তনবাদকে সত্য মনে করি কোরানের আলোকে,যে কারণে আমি মেনে নিয়েছি।” হয় আপনার স্মরণশক্তি কাজ করছে না, আর না হয় আপনার অন্য কোন সমস্যা আছে। আপনি ইতিপূর্বে বলেছেন, “কোরানে বিবর্তন নিয়ে সরাসরি কোন আয়াতও নেই। কোরানেই বলা আছে সৃষ্টি বা সৃষ্টি প্রক্রিয়ার কোন সাক্ষীও নেই” –আর এখন কী বলছেন? আপনার কথাবার্তার মধ্যে কোন ওজন নেই, কোন স্থিতি নেই, কোন দাড়াদিশা নেই।

  11. 7
    এস. এম. রায়হান

    মিঃ ফারুকের পোস্টে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল-

    If you think that the Darwinian theory of evolution is true then prove it first, independently, without quoting from the Qur'an. Have you ever written any article to prove the theory of evolution? If not, then why?

    এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের কোন জবাব না দিয়ে পিছলাইয়া যেয়ে উল্টোদিকে আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছে এই বলে যে আমি কোরানে বিশ্বাস করি কিনা! তার 'নাইভ' ধূর্তামি আর কতদিন চলবে।

  12. 6
    সরোয়ার

    তালগোল পাকানো ফারুক সাহেবের মজ্জাগত স্বভাব।

    -- যিনি বর্তমানের কোরান নিয়েই সন্দেহ  পোষণ করেন, তিনিই আবার কোরানের আয়াত উপস্থাপন  করেন বিবর্তনবাদের পক্ষে!

    -- যিনি বলেন কোরানে বিবর্তনবাদ সম্পর্কে  সরাসরি কিছু বলা নেই, তিনিই আবার কোরানের আয়াতের মাধ্যমে বিবর্তনবাদ প্রমাণ করেন!!! তথাকথিত মুসলিম স্কলারদের উদাহরণ টানেন, যারা নাকি ডারউইনের বিবর্তনবাদ তত্ত্বের মত বিশ্বাস করতেন!!

    উনাকে প্রশ্ন করেছিলাম, বিবর্তনবাদ (এটা বলতে ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদ বুঝায়) বলতে উনি আসলে কী বুঝেন, কিন্তু সেটার উত্তর দেননি। স্ববিরোধীতা দেখার মত!

  13. 5
    শামস

    বিবর্তবাদ সত্য হোক অথবা মিথ্যা -তার সাথে 'আপোষ' করে নিতে হবে, যেমনটা আপনি আগে বলেছেন?

    সেটাই!

    যে বিবর্তনবাদদের সত্য/মিথ্যা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই এবং কোরানে বিবর্তনবাদ নিয়ে সরাসরি কোন আয়াত নেই বললেন,পরক্ষণে দেখা গেল সেই বিবর্তনবাদ কোরান দিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন। এই কাজ করতে গিয়ে ৭:১১, ১৫:২৮,২৯, ৭৬:১-২, ৭১:১৪, ৭১:১৭, ১৮:৩৭, ৬৪:৩, ৭৬:২৮, ২০:১২০, ২০:১১৯, ৪:১, ২৯:২০ আয়াতগুলো ব্যবহার করলেন। আপনার আগের কথা,“কোরানে বিবর্তন নিয়ে সরাসরি কোন আয়াত নেই” ধরব, না এখন আছে ধরব?

    হুম!

    কিন্তু এখানে নিজের বক্তব্য প্রমাণের অনুকূলে ‘ইতিহাস’ ও ‘কোরান ব্যাখ্যাকারীর’ আশ্রয় নিলেন। আপনার অবস্থানে কি কোন পরিবর্তন হল?

    নিজের মতবাদের সুবিধায় ইতিহাস, বাইবেল সব ঠিক আছে, কিন্তু ঢালাওভাবে ইতিহাসকে দোষারুপ করাটা ঠিক নয়, আশা করি ফারুক সাহেব অন্ততঃ এটুকু বুঝতে পারবেন।

    আমি যতটুকু বুঝি (বড় কিছু বুঝার দাবি করছি না), বিবর্তনবাদ আপনাতেই নাস্তিক্যবাদ predicate করে না। সমস্যার স্থান হচ্ছে এখানে। আপনি চাইলে Mcgrath, A & Mcgrath J.C. (2007). The Dawkins Delusion. London: Spac এর argument দেখতে পারেন, মেগ্রাথ (একজন Molecular Biophysicist এবং পরে theologist), অতি সুন্দরভাবে বিবর্তনবাদী কুযুক্তি ও বিবর্তনবাদী নাস্তিক্য ধর্মের প্রেক্ষিত তুলে ধরেন।

    আপনার বুঝ ১০০ তে ১০০। ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদের বিরোধীতা আসলে নাস্তিকদের একে অপব্যবহারের প্রতিবাদ। দূঃখজনকভাবে, একাডেমিক লেভেলে এর খুব শক্তিশালী এবং বিবর্তনবাদের লিড তাদের হাতে।
     
     

  14. 4
    শাহবাজ নজরুল

    আপাতত কোরান-অনলি একটি haphazard, বিশৃঙ্খল, rebellious, tendency হিসেবেই দেখা যাচ্ছে।

     
    http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_good.gifhttp://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_good.gifhttp://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_good.gif

  15. 3
    শাহবাজ নজরুল

    আপনি ব্লগ শুরু করেছেন এই বলে, “প্রায়ই বিবর্তনবাদ নিয়ে পোস্ট দেখা যায়,যেখানে জেনে হোক আর না জেনেই হোক মুসলমান ভাইয়েরা বিবর্তনবাদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে তুমুল বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন।”  তারপর এক পর্যায়ে বলছেন,“বিবর্তনবাদ সত্য নাকি মিথ্যা এটা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। কোরানে বিবর্তন নিয়ে সরাসরি কোন আয়াত ও নেই।” এই স্ট্যান্ডিং স্থানটি কি coherent হল?

     
    এটা এক্সক্লুসিভ ফারুক ভাইয়ের স্টাইল।http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_yes.gif

    যে বিবর্তনবাদদের সত্য/মিথ্যা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই এবং কোরানে বিবর্তনবাদ নিয়ে সরাসরি কোন আয়াত নেই বললেন,পরক্ষণে দেখা গেল সেই বিবর্তনবাদ কোরান দিয়ে প্রমাণ করতে চাইছেন। এই কাজ করতে গিয়ে ৭:১১, ১৫:২৮,২৯, ৭৬:১-২, ৭১:১৪, ৭১:১৭, ১৮:৩৭, ৬৪:৩, ৭৬:২৮, ২০:১২০, ২০:১১৯, ৪:১, ২৯:২০ আয়াতগুলো ব্যবহার করলেন। আপনার আগের কথা,“কোরানে বিবর্তন নিয়ে সরাসরি কোন আয়াত নেই” ধরব, না এখন আছে ধরব? এখানে অসংগতি দেখা যাচ্ছে, হয়ত আপনার যুক্তির ধারা অনুধাবন করতে পারছি না। তাছাড়া বিবর্তনের কথা কোরানে দেখাতে গিয়ে এও বললেন, “খালাকা” মানে বিকশিত হওয়া (evolve)ও হয়”! অভিনব কথা। তবে এটাও হয়ত কোরান অনলিতে আছে, আমাদের কাছে ব্যাখ্যা জানা নেই।

     
    ৭.১১ তে খালাকা কে বিকষিত হওয়া ছাড়াও, উনি তোমাকে শব্দকে বানিয়েছেন তোমাদেরকে, আর মালাঈকাদের যে আদম (আঃ) কে সেজদা করতে বলা হলো তা বেমালুম চেপে গেছেন। ফলে উনি এখানে যে ঘটনা হয়ত ১-দিনে ঘটেছে তাকে বানিয়েছেন মিলিয়ন কিংবা বিলিয়ন বছরের কারসাজি। ফারুক ভাইয়ের মতো দুর্বল আর খোড়া যুক্তি আনা শুরু করলে, চাঁদ == সূর্য == মিল্কিওয়ে ও প্রমান করা সম্ভব। এগুলোকে যুক্তি বলেনা; বলে নেকড়ের যুক্তি (“তুই পানি না ঘোলা করলে তোর দাদা করছে;” আর এই বলে মেঘশাবককে গলাধঃকরন – মানে, রায় লেখা আছে আগেই, এবার হাস্যকর ভাবে নিরপেক্ষ বিচারক সাজার চেষ্টা)।http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_yes.gif
     

    (ক) ইতিহাস। আপনি বললেন,  “ইসলামের ইতিহাস বলে হাজার বছর আগেই মুসলমান বিজ্ঞানীরা,যেমন ইবনে খালদুন , ইবনে কাথির , ইবনে সীনা , ইবনে আরাবী ও ইখওয়ান স্কুলের চিন্তাধারার অনুসারী বিজ্ঞানীরা ডারউইনের মতোই বিবর্তনবাদের স্বপক্ষে প্রমাণসহ একি মত পোষণ করতেন। কয়েকশ বছর আগে পর্যন্ত প্রতিটি স্কুল ও মসজিদে বিবর্তনবাদ পড়ানো হতো।” তাহলে ইসলামের ইতিহাস গ্রহণযোগ্য। কিন্তু যাদের নাম উল্লেখ করলেন তাদের সাথে “বিবর্তনবাদ” কিভাবে এবং কোন বিশেষ প্রেক্ষিতে সংযোগ করলেন তার কোন হিসেব/নিকেশ দিলেন না।

     
    এই ধরনের কথা হচ্ছে ফারুক ভাই কিংবা মজবাসার-দের যুক্তি। ইতিহাস মানে না আবার মানবেও – উনারা থাকতে চান সর্বত্র; আর সুবিধামতো convenient যায়গাতে ল্যান্ডিং করবেন। ইতিহাস কেন, সময় মতো হাদীসও মানবে – যদি তা যায় নিজের অনুকুলে। মজবাসার কে হাদীসের অসারতা প্রমাণে সবচেয়ে বেশী হাদীসের উপরেই ভরসা করতে দেখা যায়। কেমন হাস্যকর ম্যাথডলজি।
    আর আমি নিশ্চিত, (ফারুক ভাইয়ের আগের অনেক লেখা আর যুক্তি পড়েছি তো) – সামান্য গবেষণাতেই বের করা হয়ত সম্ভব যে ইবন কাথির কিংবা অন্যান্যরা আসলে বিবর্তনে বিশ্বাস করেন না। যে আয়াত দিয়ে নিজের হাস্যকর লেখা শুরু করলেন (৭.১১) সেখানেই এমন ফাঁক যে জোড়াতালি দিয়েও দিশা পাওয়া যায়না। ইবন কাথিরের নাম নিয়ে উনার গুরুর বরাত দিয়ে আগেও উনি অসদ-ব্যবহার করেছেন (ড. শাব্বিরের জালিয়াতি) – তাই আজকাল ফারুক ভাইয়ের লেখা দেখলেই এড়িয়ে চলি। এতে যে কি পরিমান মাল মশলা আছে তার পরিচয় অনেকবারই পেয়েছি।http://www.shodalap.org/wp-content/plugins/wp-monalisa/icons/wpml_wink.gif
     
     
     

    1. 3.1
      ফারুক

      সালামুন আলাইকুম।
      The word 'khalaqa' is derived from the root kh-l-q, which is usually translated as simply 'to create.' This definition does not give the word justice, though. The original dictionary meaning is 'to create gradually in successive stages, each one being different from the previous.' The word is almost interchangeable with the word 'evolve,' which is defined, according to The American Heritage Dictionary as 'to undergo gradual change.' For this reason, khalaq will be used instead of create and will be treated as an English word.
       
      7:11وَلَقَدْ خَلَقْنَاكُمْ ثُمَّ صَوَّرْنَاكُمْ আর আমি তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছি, এরপর আকার-অবয়ব, তৈরী করেছি।
      http://www.ourholyquran.com/index.php?option=com_content&view=article&id=138&Itemid=83
       

      উনি তোমাকে শব্দকে বানিয়েছেন তোমাদেরকে,

      আমি কিছুই বানাইনি। কোরানেই বলা আছে 'তোমাদেরকে' كُمْ।  কোন অপবাদ দেয়ার আগে একটু check করা উচিৎ।
      আর আদমকে সেজদা করার কথা বলছেন। সেজদা বলতে আপনি কি বোঝেন? এ নিয়ে একটু ভাবুন।
       

      আর আমি নিশ্চিত, (ফারুক ভাইয়ের আগের অনেক লেখা আর যুক্তি পড়েছি তো) – সামান্য গবেষণাতেই বের করা হয়ত সম্ভব যে ইবন কাথির কিংবা অন্যান্যরা আসলে বিবর্তনে বিশ্বাস করেন না।

      ফালতু দাবী না করে , একটু কষ্ট করে গবেষণা করুন। আমিও চাই , সকলেই যেন অন্ধ অনুসরন না করে , গবেষণা করে।

      1. 3.1.1
        সরোয়ার

        ফারুক সাহেবের কোরান ও বিবর্তনবাদের লেখাটি হচ্ছে একটি চোথা! এটা বিবর্তনবাদ নাস্তিকদের ওয়েবসাইট টক অরিজিন থেকে চোথা মারা হয়েছে! তিনি কিন্তু তার সূত্র উল্লেখ করেন নি। এমনকি খালাকা শব্দের ব্যাখ্যাও সেখান থেকে চোথা মারা!! কিন্তু সেখানেও সূত্র উল্লেখ করা হয়নি!!!  নিজের যোগ্যতা দিয়ে রিসার্চ বা ব্যাখ্যা  করতে পারলে জ্ঞানের গভীরতা বুঝা যেত!
         
        When one studies the Qur'an to see references to creation, it makes much sense to look at Muslim scientists interpretations of certain verses of the Qur'an, who lived in the early days of Islam. When this is studied it is realized that Darwin, who gets the credit for the idea of natural selection and evidence for evolution, was one thousand years late in the discovery.

        The Muslim scientists ibn Kathir, ibn Khauldun, ibn Arabi, ibn Sina, among other scientists, such as the Ikhwan school of though, arrived at the same conclusions as Darwin with a convincing amount of evidence. Every Muslim school and mosque used to teach evolution up until a few hundred years ago. Some westerners, including Darwin's contemporary, Sir William Draper, called it the Mohammedan Theory of Evolution.

        Draper admitted that the Muslim version was more advanced than Darwin's, because in the Muslim version, the evolution starts out with minerals. The Muslim scientists used the Qur'an as their guide in doing this. Even in the most simple statement of human creation that is mentioned in the Qur'an, evolution is implied: 'We initiated your creation (khalaqa), and then we shaped you…' (7:11) The Qur'an says that humans were alive while still being shaped. This implies that either humans were made from clay, but were alive even before being molded into shape or that the initiation of creation represents the first life and the shaping is the evolution. A time lapse is definitely implied.
         

        The word 'khalaqa' is derived from the root kh-l-q, which is usually translated as simply 'to create.' This definition does not give the word justice, though. The original dictionary meaning is 'to create gradually in successive stages, each one being different from the previous.' The word is almost interchangeable with the word 'evolve,' which is defined, according to The American Heritage Dictionary as 'to undergo gradual change.' For this reason, khalaq will be used instead of create and will be treated as an English word.

         
        http://www.talkorigins.org/origins/postmonth/nov96.html

        1. 3.1.1.1
          শাহবাজ নজরুল

          ফারুক সাহেবের কোরান ও বিবর্তনবাদের লেখাটি হচ্ছে একটি চোথা! এটা বিবর্তনবাদ নাস্তিকদের ওয়েবসাইট টক অরিজিন থেকে চোথা মারা হয়েছে!
           

          চোথা জিন্দাবাদ। চোথা আর চোথা'র সুবিধাজনক/মনগড়া ব্যাখা দিয়েই চলছে এদের জীবন। আবার বলা হচ্ছে,
           

          একটু কষ্ট করে গবেষণা করুন। আমিও চাই , সকলেই যেন অন্ধ অনুসরন না করে , গবেষণা করে।

           
          উনি গবেষণা করছেন ঐ পর্যন্ত যেখানে Arshad বলেছেন যে,

          The Muslim scientists ibn Kathir, ibn Khauldun, ibn Arabi, ibn Sina, among other scientists, such as the Ikhwan school of though, arrived at the same conclusions as Darwin with a convincing amount of evidence. Every Muslim school and mosque used to teach evolution up until a few hundred years ago. Some westerners, including Darwin's contemporary, Sir William Draper, called it the Mohammedan Theory of Evolution.
           

          আর ঐটাই বরাবর কপি/পেষ্ট করে চালিয়ে দিয়েছেন। না আছে মূল আরশাদের লেখাতে কোনো রেফারেন্স, আর না আছে ফারুক ভাইয়ের লেখাতে। এরপর মোটামুটি নিশ্চিত করে বলা যায় যে ফারুক ভাই বলবেন, 

          চোথা মারলেই কী সত্য মিথ্যা হয়ে যায়? মূল লেখকের বক্তব্যকেই খন্ডন করুন না পারলে।

           
           
           

        2. এম_আহমদ

          @ শাহবাজ ও সরোয়ার ভাই
          ভাই আপনারা কষ্ট করে সূত্রটি খুঁজে বের করে আনার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের মাথায় যে ব্যাপারটি এভাবে খেলেছে,  তাও মজার ব্যাপার। কারো লিখা কেউ অনুবাদ করলে –তা প্রথমেই বলতে হয়। কিন্তু ব্যাপারটি সেভাবে হয়নি বলে আপনারা কষ্ট করতে হল। আবারও ধন্যবাদ।

        3. 3.1.1.2
          ফারুক

          সালামুন আলাইকুম।

           নিজের যোগ্যতা দিয়ে রিসার্চ বা ব্যাখ্যা করতে পারলে জ্ঞানের গভীরতা বুঝা যেত!

          নারে ভাই , আমার আপনার মতো অত জ্ঞান বা যোগ্যতা নেই। আমি যত জায়গায় আমার পোস্ট দিয়েছি , সব জায়গায় নির্দ্বীধায় বলেছি -- কোথাও কোন আর্টিকেল আমার ভাল লাগলে তা সকলকে জানানোর উদ্দেশ্যে তা অনুবাদ করে পোস্ট করে থাকি। তবে যেটাই লিখি না কেন , সেটা আমার জ্ঞান ও বুদ্ধি মতে সত্য বা সত্য হওয়ার সম্ভাবনা আছে এটা জেনেই লিখি এবং সেটা ডিফেন্ড ও করি।
          আমি এই নীতিতে বিশ্বাসী- "যেখানে দেখিবে ছাই , উড়াইয়া দেখ তাই। পাইলেও পাইতে পার , অমূল্য রতন।"
          ওয়েবসাইট টক অরিজিন সম্পর্কে আজকেই প্রথম জানলাম আপনার লিঙ্ক দেখে। আমার লেখার সোর্স অন্য একটা ওয়েবসাইট- http://free-minds.org/evolution-and-quran।
           

           
           

           

        4. করতোয়া

          @ফারুক,
          ওটাই আপনাদের সমস্যা। নির্দ্বীধায় নিজের কোন বিষয়ে নিজের মতামত সব জায়গায় ঝেড়ে দেয়া যায় সেটা কোন দোষের নয়। কিন্তু আপনাদের সমস্যা আপনারা অন্যের কথাকে নিজের মত করে নির্দ্বীধায় ঝেড়ে দেন। যে কোরআনের কথা আপনার বা আমার কারোর না সেই কোরআনের ব্যাখ্যা নিজের মত করে নির্দ্বীধায় ঝেড়ে দেয়াটা কি সমীচীন হবে?
           
          বলতে পারেন আপনি যা বুঝেছেন তাই ঝেড়ে দিয়েছেন। ভাল কথা, তাহলে আপনার বুঝটা ঘেড়ে দেবার আগে তা আরো কিছু জায়গা থেকে ক্রস রেফারেন্স চেক করে নেয়াটা জরুরী ছিল। বড় কথা আপনি কোরআন নিয়ে যেখানে কথা বলছেন।

        5. সরোয়ার

          ওয়েবসাইট টক অরিজিন সম্পর্কে আজকেই প্রথম জানলাম আপনার লিঙ্ক দেখে। আমার লেখার সোর্স অন্য একটা ওয়েবসাইট- http://free-minds.org/evolution-and-quran।

          লেখাটি টক অরিজিনে প্রথমে প্রকাশিত হয়। এটা Article of the month হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল। শুধু তাই নয়, বিবর্তনবাদী নাস্তিকেরা এই লেখার বিষয়বস্তু (মুসলিম স্কলারদের অবদান!) ভাঙ্গা রেকর্ডের মত বাজায়। হাজার বছর আগে সব মসজিদ, মাদ্রাসায় নাকি ডারউইনের বিবর্তনবাদের মত তত্ত্ব পড়ানো হতো!! হাস্যকর! এ লেখার বিষয়বস্তু (মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদান!) ডারউইনের ২০০ তম জন্ম বার্ষিক উদযাপনের সময় সায়েন্স জার্নালসহ অন্যান্য  বিজ্ঞান সাময়িকীতে রেফান্স হিসেবে এসেছে!  নাস্তিকেরা মুসলিমদের ধোঁকা দেয়ার জন্য ডারউইনের তত্ত্বকে মুসলিম বিজ্ঞানীর আবিষ্কার হিসেবে দেখাতেও কার্পণ্য করে না!

          ডারউইনের বিবর্তনবাদ সম্পর্কে ভাল ধারণা থাকলে, আস্তিক্য বিবর্তনবাদ নিয়ে কথা বলতেও অনেকবার ভাবতে হবে। আস্তিক্য বিবর্তনবাদ অত্যন্ত হাস্যকর মতবাদ। তথাকথিত কিছু মুসলিম স্কলার গ্রীক ফিলোসফি দ্বারা প্রভাবিত হয়ে আস্তিক্য বিবর্তনবাদ হিসেবে মতবাদ দাঁড়া করতে চেষ্টা করেছেন, কিন্তু মেইনস্ট্রিম মুসলিম সমাজে তা হালে পানি পায়নি। সাধারণ মুসলিমদের ধোঁকা দিতে বলা হয় যে তাদের এই মতবাদকে মসজিদ, মাদ্রাসাতে গুরুত্বসহকারে পড়ানো হতো!

          তথাকথিত কয়েকজন মুসলিম স্কলার বললেই কি বিবর্তনবাদ চরম সত্য বলে প্রমাণিত হলো? এর মাধ্যমে কি প্রমাণ হলো যে কোরান বিবর্তনবাদকে সমর্থন করে?? বর্তমান সায়েন্সের আলোকেই বিবর্তনবাদ প্রশ্নের সম্মুখীন। এগুলোর প্রমাণ দেখালেই ল্যাঠা চুকে যায়।

      2. 3.1.2
        করতোয়া

        @ফারুক,
        আবার সেই একই কলসী বাজানো শুরু করেছেন। এবার বাংলায় নয় ইংরাজীতে।

        The word 'khalaqa' is derived from the root kh-l-q, which is usually translated as simply 'to create.' This definition does not give the word justice, though. The original dictionary meaning is 'to create gradually in successive stages, each one being different from the previous.' The word is almost interchangeable with the word 'evolve,' which is defined, according to The American Heritage Dictionary as 'to undergo gradual change.' For this reason, khalaq will be used instead of create and will be treated as an English word.

        এখানে  almost শব্দ ব্যবহার করে create কে evolove বানাবার চেষ্টা করেছেন কেন? Create এবং Evolove দুটি শব্দের নিজস্ব অর্থ আছে যা একে অপরের synoname হতে পারে না। আপনি অযথা মাঝখানে একটা preposition (almost) বসিয়ে দুটির অর্থ এক করে দেখাবার চেষ্টা করছেন। এটাই তো কোরআন এর ভূল ব্যাখ্যাকারীরা করে। আপনি কি তাদেরই কেউ?
         
        অনেকগুলো চিপ একটি মাদারবোর্ডের উপর বসিয়ে তার সাথে আরো কিছু পেরিফেরাল লাগিয়ে একটা কম্পউটার create হয়। এটাই একটি কম্পউটার নির্মানের মৌলিক বিষয়। এখন একটা বড় ধরনের ডেক্সটপ কম্পউটারের চিপ থেকে শুরু করে তার সমস্ত পেরিফেরালকে আনুপাতিক হারে ছোট আকৃতি দিয়ে একটা ল্যাপটপ Evove হয়। আশা করি বুঝাতে পেরেছি দুটি কি জিনিষ মানুষ তৈরী আর মানুষের বিবর্তন এর মধ্যে। মানুষ যখন জন্ম নিচ্ছে তখন সেটা creation  কিন্তু মানুষ যখন ধিরে ধিরে শিশু অবস্থা থেকে বয়োবৃদ্ধি হয়ে বৃদ্ধ হচ্ছে সেটাকে Evolve হিসেবে ধরতে পারেন। অর্থ্যাৎ বস্তুর এক অবস্থান থেকে অন্য অবস্থানে পর্যায়ক্রমে পরিবর্তনকে বিবর্তন বলে কিন্তু মানুষের মার্তৃগর্ভে "খালাক" বা জাইগট সৃষ্টি হওয়াকে বিবর্তন বলে না। জাইগট থেকে মানুষের অবয়ব কাঠামো তৈরী হওয়া'র পর্যায়ক্রম ধারাবাহিকতাকে যদি বিবর্তন বলতে চান তাহলে অন্য কথা (আমার মতে)।

  16. 2
    এম_আহমদ

    উনি মজ বাসারের সাথে [তিনি] একমত যে কোরান পরিবর্তন করা হয়েছে।

    বাছতে বাছতে কম্বল খালি -তাহলে রইলটা কী?

  17. 1
    এস. এম. রায়হান

    তখন যা বুঝেছিলাম তা হল, ফারুক সাহেব কোরান ব্যাখ্যায় (ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে) নবী মুহাম্মদের প্রয়োজন দেখেন না, সুন্নাহ মানেন না, হাদিস মানেন না, সাহাবি মানেন না, কোরান ব্যাখ্যাকারীদের (মুফাসসির) মানেন না, শরিয়া মানেন না এবং ইসলামের ইতিহাস মিথ্যা বানোয়াটের উপর রচিত মনে করেন।

    এগুলোর সাথে আরো একটি, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, পয়েন্ট যোগ হবে। উনি মজ বাসারের সাথে একমত যে কোরান পরিবর্তন করা হয়েছে। অথচ সেই 'পরিবর্তিত কোরান' থেকে আয়াতের উদ্ধৃতি দিয়ে যাচ্ছেতাই দাবি করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.