«

»

Aug ২৪

তাওহীদের কলিমায় ব্যক্তি, রাষ্ট্র ও সমাজের সার্বিক আনুগত্য পর্ব ১

-এক-

(১.১) নবী মুহাম্মদ (সা.) এর কলিমায় প্রথম দিন থেকেই সার্বিক জীবনের ধারণা ছিল। এই কলিমা উচ্চারণের সাথে সাথে ব্যক্তি ও সমাজ জীবনের ‘ক্বিবলা’ পরিবর্তিত হবে –এই কথাটি সেদিনের জ্ঞানী-গুণী ও সমাজপতিগণ বুঝতে পেরেছিল। এই স্বীকৃতিতে আছে যে আল্লাহই একমাত্র ‘ইলাহ’ যার রাসূল মুহাম্মদ এবং এই ইলাহের (আল্লাহর) আদেশ নিষেধই হবে আনুগত্যের স্থান, আইনের উৎস, নৈতিকতার উৎস। ন্যায়-অন্যায়, আইন, ইনসাফ, আয়-ব্যয় সবকিছুর নীতি-নৈতিকতার নির্ধারক হন এই ইলাহ এবং রাসূলের আদেশ-নির্দেশও হয়ে পড়ে এর আওতাভুক্ত। তারপর যাকে ‘উপাস্য’ (ইলাহ) হিসেবে গ্রহণ করা হবে, তাকে না মানার যৌক্তিকতা থাকে না, কারণও থাকে না। সব মিলিয়ে এই কলিমার গোটা অর্থ তারা বুঝতে পেরেছিল। এবং, এজন্যই বিরোধিতা করেছিল। মানুষ অমনি অমনি ঝগড়া/বিবাদে লিপ্ত হতে যায় না।

(১.২) ‘এক আল্লাহ ছাড়া আর কোনো ইলাহ নেই’ –এই আহবান ছিল সকল নবী-রাসূলের -এবং তারা সবাই এজন্য নিগৃহীত, নির্যাতিত এবং প্রবল বিরোধিতার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। এটা এজন্য যে এই কলিমা পাঠের সাথে সাথে আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য সার্বিক হয়ে পড়ে। আনুগত্যকে ভাগ-বাটোয়ারা করার অবকাশ থাকে না –এমনটি করতে গেলেই বিশ্বাস ও আনুগত্যে অংশিদারিত্ব ঢুকে পড়ে, দ্বীন একমাত্র এক ইলাহের জন্য নিঙ্কলুষ থাকে না।

(১.৩) আনুগত্যের মূলমন্ত্র হচ্ছে আল্লাহর ‘আমর’ বা তার নির্দেশ, -কোনো দর্শন বা ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ নয়। আল্লাহর আনুগত্য ‘কীভাবে’ করা হবে এই জ্ঞানই হচ্ছে ‘ইলম’। কোন্‌ বৈজ্ঞানিক/যৌক্তিক ‘কারণে’ তার নির্দেশ এল, অথবা সত্তাগতভাবে তিনিইবা কেমন/কীরূপ, তার অস্তিত্বের প্রকৃতি কী এবং তার নির্দেশের দর্শন কী -এসবের বিচার বিশ্লেষণ নয়। এই আনুগত্যের ইসলামে পরিপূর্ণভাবে দাখিল হতেই আল্লাহ নির্দেশ দেন (২:২০৮)। নির্দেশ কেবল তাঁরই। এই সব ধারণার সারনির্যাস তাওহীদের কলিমায় নিহিত।

(১.৪) ইব্রাহীমের (আ.) কলিমাতেই ছিল তার গোটা জীবন প্রণালী তাই তিনি একা হলেও তাঁর মূলমন্ত্রের বিষয়বস্তু ছিল সামগ্রিক, ব্যক্তির ঊর্ধ্বে। তাই আল্লাহ বলেন, ‘নিঃসন্দেহে ইব্রাহীম ছিলেন এক উম্মাহ (জাতি/সম্প্রদায়), আল্লাহ্‌র অনুগত, একনিষ্ঠ’ (১৬:১২০)। উলুল আযম পর্যায়ের রাসূলগণের মধ্যে নূহ (আ.) অন্যতম বা প্রধান এবং এই ধারায় আসেন ইব্রাহীম (আ.)। ইব্রাহীম (আ.) এঁর জীবন ও আনুগত্যের স্থানসমূহকে আল্লাহ 'উসওয়ায়ে হাসানা' হিসেবে উল্লেখ করেন। আল্লাহর দিকে এই মহান নবীর প্রত্যাবর্তনের কথা এভাবে এসেছে, ‘وَإِنَّ مِن شِيعَتِهِ لَإِبْرَ‌اهِيمَ ﴿٨٣﴾ إِذْ جَاءَ رَ‌بَّهُ بِقَلْبٍ سَلِيمٍ -আর নূহ পন্থীদেরই মধ্যে ইব্রাহীম ছিলেন একজন। স্মরণ করুন, তিনি তার প্রভুর দিকে নিষ্কলুষ-চিত্তে (বি-কালবিন সালীম) হাজির হয়েছিলেন’ (৩৭/৮৩-৮৪)। তিনি কঠিন পরীক্ষা দিয়েছিলেন – নিমরূদের মোকাবেলা, অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হওয়া, স্ত্রী-পুত্র নির্বাসন, পুত্র কোরবানি ইত্যাদি। আল্লাহ বলেন, ‘স্মরণ করুন, ইব্রাহীমকে তাঁর প্রভু কিছু বিষয়ে পরীক্ষা করেছিলেন। তিনি (ইব্রাহীম) সেগুলো পরিপূরণ করেন। অতঃপর তার প্রভু বলেন, আমি তোমাকে মানবজাতির ইমাম বানাব’ (২:১২৪)। এবং এই কথাও, ‘তোমাদের জন্য ইব্রাহীম ও তাঁর সঙ্গী-সাথীদের মধ্যে এক চমৎকার আদর্শ রয়েছে। তারা তাদের সম্প্রদায়কে বলেছিল: আমরা তোমাদের থেকে মুক্ত হয়ে গিয়েছি এবং তোমরা, আল্লাহকে বাদ দিয়ে, যেসবের আনুগত্য কর (ইবাদত কর), সেসব থেকেও (আমরা মুক্ত)। আমরা তোমাদেরকে মানি না। আমরা ও তোমাদের মধ্যে এক শত্রুতা ও তীব্র বিরাগ শুরু হয়ে গিয়েছে যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন না কর’ (৬০/৪)।

-দুই-

(২.১) ইসলাম উবুদিয়াতের ধর্ম, দাসত্বের ধর্ম। ‘দাস’ যেভাবে মুনিবের আনুগত্য করে সেই আনুগত্যই এখানে প্রধান। এর অপর নাম আত্মসমর্পণ, ইসলাম। ‘মুহাম্মদ আল্লাহর দাস ও রাসূল’। তাঁকে ‘বাদশাহ রাসূল’ অথবা ‘গোলাম রাসূল’ (عبدا رسولا) –এ দুটির একটি গ্রহণ করতে ইখতিয়ার দেয়া হয়েছিল। তিনি গোলাম রাসূল হতে পছন্দ করেন। তাই তাঁর খাওয়া-পরা, উঠা-বসা, চাল-চলন দাসের মতই হয়েছে। এখানেই বনী-ইসরাইলের অনেক বাদশাহ রাসূলের প্রকৃতি থেকে মুহাম্মদের (সা.) উবুদিয়াতের ধর্মীয় আচরণের ভিন্নতা রয়েছে। এই ধর্ম ইয়াহুদী ও খৃষ্টিয়ান ধারা বাদ দিয়ে ইব্রাহীম (আ.) থেকেই পুনর্যাত্রা করেছে। এই তথ্যটি অনেকের সমঝে নেই –বিশেষ করে জায়োনিষ্ট-সৃষ্ট ইসলাম বিদ্বেষী জনগোষ্ঠীতে। ইব্রাহীমের (আ.) উদাহরণ আবার লক্ষ্য করুন। কোরানে এসেছে: “(স্মরণ করুন), যখন তাকে (ইব্রাহীমকে) তার প্রভু বললেন, “তুমি আত্মসমর্পণ কর (অনুগত হও)”, (তখন) তিনি বললেন, “আমি বিশ্ব-জাহানের মালিকের কাছে আত্মসমর্পণ করলাম”’ (২:১৩১ ‘إِذْ قَالَ لَهُ رَ‌بُّهُ أَسْلِمْ ۖ قَالَ أَسْلَمْتُ لِرَ‌بِّ الْعَالَمِينَ )। ইব্রাহীম (আ.) আমাদের জাতির পিতা (২২:৭৮)। তিনি আনুগত্য ও খোদা-প্রেমে এতই নিষ্কলুষ ছিলেন যে যখন স্বপ্নে তাঁকে পুত্র কোরবানীর ইঙ্গিত (ওহী) দেয়া হয়েছিল তখনও তা বাস্তবে রূপ দিতে কুণ্ঠিত হননি। এজন্যই আল্লাহ তাঁকে মানব জাতির ইমাম বানিয়েছেন। আনুগত্যের বৈশিষ্ট্যেই তিনি আমাদেরকে ‘মুসলিম’ আখ্যায়িত করেছেন (২২:৭৮)। আর এই আনুগত্যের ধারা ও বৈশিষ্ট্য মুহাম্মাদের (সা.) মাধ্যমে প্রবাহিত হয়েছে।

(২.২) তবে এটা অপ্রিয় হলেও সত্য যে আজকে মুসলিম সমাজে আনুগত্যের ব্যবস্থা নানান বিভাজনে বিভক্ত। সমাজ ও সামাজিক নৈতিকতা, শিক্ষা ও শিক্ষা-ব্যবস্থা, সামাজিক আচরণ ও আইনি আশয়-বিষয়ে আল্লাহর যেসব ‘আদেশ-নির্দেশ’ রয়েছে সেইসব বিষয়ে নির্বিকার হয়ে কিছু কিছু লোক একটি ‘সুন্দর’ ব্যক্তিক ইসলামের সমঝ লাভ করেছেন। এই সুন্দর ইসলামটি ‘অরাজনৈতিক’। তাই বৃহত্তর অনৈতিক সমাজ ব্যবস্থার বিপক্ষে তাদের কোনো বক্তব্য নেই, কর্ম নেই, প্রচার নেই, আলোচনা নেই। বরং সময়মত ইসলামের আদর্শের বিপক্ষের ব্যবস্থাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করে সেই ব্যবস্থার প্রসার ও প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করেন। তাদের দৃষ্টিতে তাদের এই যে অবস্থান -এটিই হচ্ছে ‘শান্তির ইসলাম’, সত্য সঠিক ধর্ম। অথচ প্রত্যেক নবীর তাওহীদের কলিমাতে বিপরীত নৈতিকতার সমাজ ও স্রোতের বিপক্ষে আহবান ছিল এবং এজন্য তারা নির্যাতিত, দেশ বহির্ভূত, এবং কখনো শাহাদত বরণ করতেও হয়েছিল।

-তিন-

শুরু থেকে সার্বিক ধারণা: লা ইলাহার দাওয়াতে সমাজ, রাষ্ট্র ও সামাজিক প্রতিক্রিয়া

(৩.১) এই ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহর’ প্রকৃতিটাই ছিল এমন যে এর ব্যাপ্তি অপর কোনো ব্যবস্থা ও মূল্যবোধের আওতাভুক্ত হয় না। মুসাকে (আ.) প্রথমেই ফিরাউনের কাছে প্রেরণ করা হয়েছিল। মুসার (আ.) দাওয়াতে ফিরাউন ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে গিয়েছিল, সে বুঝতে পেরেছিল যে এই দাওয়াত গোটা সমাজ পরিবর্তনের দাওয়াত। সে বলেছিল, ‘তোমরা আমাকে ছাড়, মূসাকে হত্যা করতে দাও, ডাকুক সে তার পালনকর্তাকে! আমি আশংকা করি সে তোমাদের দ্বীনকে (শাসন ও সমাজ ব্যবস্থা) পরিবর্তিত করে দেবে অথবা সে দেশময় বিপর্যয় (ফাসাদ) সৃষ্টি করবে (৪০:২৬)।

(৩.২) সকল নবী রাসূলের বাণীতে সমাজ সংশোধন, আর্থিক ব্যবস্থার সংশোধন, সামাজিক আচরণের সংশোধন, ব্যক্তির চিন্তা ও আচরণের সংশোধন –এইসব ছিল। এই দাওয়াত কখনো একান্ত ব্যক্তিক ছিল না। শোয়ায়েব (আ.) এর কাওমের কথা বিবেচনা করুন। তাঁর জাতি বলছে, ‘قالوا يا شعيب أصلاتك تأمرك أن نترك ما يعبد آباؤنا أو أن نفعل في أموالنا ما نشاء إنك لأنت الحليم الرشيد -হে শোয়ায়েব, তোমার নামায কি এই নির্দেশ দেয় যে আমরা আমাদের বাপ-দাদারা যেসবের ইবাদত করতেন তা ছেড়ে দেই এবং এটাও (কী নির্দেশ দেয়) যে আমাদের ধনমালের বিষয়ে আমরা যেভাবে চাই সেভাবে (আয়/ব্যয়) করতে পারব না’ (১১:৮৭)?

(৩.২) সার্বিক আনুগত্যের দাওয়াতে প্রতিক্রিয়ার বিষয় প্রকৃতিজাত। এর মধ্যে দুটো দিক থাকে –ইতিবাচক ও নেতিবাচক। প্রথমটি হচ্ছে এক ইলাহ মানার আহবান আর দ্বিতীয়টি হচ্ছে যাবতীয় মন্দকে বর্জন করা যা সমাজকে আচ্ছাদন করে। ওরাক্বা বিন নওফল নব্যুয়তের শুরু লগ্নেই সমাজের বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আভাষ দিয়েছিলেন। তারপর আমরা কোরাইশদের ধারণা ও বাস্তব বিরোধিতাতে পাই; এবং তাদের ‘সমঝোতা’ বা আপোষ প্রস্তাবেও পাই। এই কথাগুলো নিয়ে দ্বিতীয় পর্ব এখানে দেখতে পারেন [২য় পর্ব]

______________________________
ধর্ম ও রাজনীতি বিষয়ক অপরাপর লেখা
______________________________

(১) ইসলামের রাজনীতি: শাব্দিক উৎস ও ধারণা
(২) ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও প্রতিবন্ধক যুক্তি
(৩) কাল-সাগরের ঢেউ (মন্তব্যসহ পড়বেন)

(৪) রাষ্ট্র ও সমাজ বিবর্জিত ধর্মের নাম ব্যক্তিক ইসলাম?

(৫) ইসলামী শারিয়া -শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ

(৬) ইসলামী শারিয়া ও বুঝের ভুল

(৭) কলিমার স্বীকৃতিতে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র জীবনের ধারণা -পর্ব দুই

(৮) কলিমা তাওহীদে আনুগত্যের ধারণা -ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র -পর্ব তিন

(৯) কেউ কথা বলতে পারবে না

(১০) আবহমান কালের বাঙালীয়ানা -ধোঁয়াকুণ্ডের পশ্চাৎ দিকে কি?

(১১) কমিউনিজম, মার্ক্সবাদ, লেনিনবাদ: একটি মন্তব্য-ব্লগ

(১২) রাজনীতি- সেই হাসির অর্থ কি হবে?

(১৩)  চেতনার ভূত:একটি আদর্শিক দ্বন্দ্ব ও সামাজিক বিপর্যয়

৩১ comments

Skip to comment form

  1. 10
    এম_আহমদ

    @মাহফুজ:

    এখানে আহলে হাদিসের প্রেক্ষিতে কোনো আলোচনা হচ্ছে না এবং সেই প্রেক্ষিতকে parallel করে অন্য কোনো নতুন মোড়কের আলোচনার দরকার নেই।  অধিকন্তু আপনার গারবেজ বাক্য-রচনার প্রতারণামূলক সাইটকে এখানে প্রমোট করতে দেয়া হবে না। আপনি সরাসরি হাদিস অস্বীকার করে আসছেন, এবং specificcaly এই আলোচনায় ইবন আব্বাস বর্ণিত বোখারির সহিহ হাদিস অস্বীকারের মাধ্যমে, এবং মানব-রচিত গল্প বলেই ৩ দিন ধরে ভিন্ন ভিন্ন কথা বলে আসছেন। এই প্রসঙ্গে ইবন আব্বাসের হাদিসের অনুসরণে গৃহীত অবস্থানকে অন্ধত্ব এবং শিরকের আঙ্গিকে এনেছেন। অনেক adverse কথাবার্তা বলেছেন (উপরের মন্তব্যগুলোতে রয়েছে) ।

    হাদিস অস্বীকারকারী শয়তানদের অনেক প্রতারণামূলক কৌশলী বাক্য আছে যেমন, ‘হাদিস মানি যদি তা কোরানের সাথে চলে, অনুরূপ হয়, অর্থাৎ কোরানের অবিকল বর্ণনায় হলে মানি; অথবা হাদিস মানি, যদি তা কোরানের বাণীর সাথে সাংঘর্ষিক না হয়, তারপর ‘তাদের ব্যাখ্যায়’ সংঘর্ষ আছে বলে তা উড়িয়ে দেয়, যেমনটি ইবন আব্বাসের বর্ণিত হাদিসের ক্ষেত্রে আপনি নিজেই তা করেছেন। আপনি কোরান ও হাদিসের উপর কথা বলার মত যোগ্য কোনো লোক নন। কোনো অথোরিটিও নন।

    আপনি কেন আপনার অভিমত সহিস হাদিসের উপর এভাবে চালিয়ে দেবেন এবং অন্যদের সাথে নাছোড়বান্দা হয়ে, মানব রচিত গল্প বলে বিতর্ক করবেন?

    আপনার গারবেজ লিঙ্কে আছে সেই প্রতারনামূলক বক্তব্য। কোরান না বুঝে কোরানের উদ্ধৃত টানা হয়েছে এবং মূর্খামির ভিত্তিতে হাদিসের বিপক্ষে কথা বলা হয়েছে। এটাই হচ্ছে শুভঙ্করের ফাঁকি, প্রতারণা। আর লম্বা কথার দরকার নেই। অনেক বলা হয়েছে।

    এখন সংক্ষিপ্তভাবে প্রশ্ন ৪ টি। হ্যাঁ/না উত্তর দেবেন, ২গ ব্যতীত। আর না হলে কথা বলার দরকার নেই। আমি আপনার মন্তব্য মুছে দেব। কোরান থেকে উদ্ধৃতি চালাবেন না। আপনি কোরান-উদ্ধৃত করার লায়েক ব্যক্তি নন এবং আমার এই স্থানটি আপনার প্রতারনামূলক বিজ্ঞাপনের স্থান নয়:

    (১) আপনার অবস্থান কি এই ২টির কোনোটির মত: (ক) হাদিস মানি যদি তা কোরানের সাথে চলে, অনুরূপ হয়, অর্থাৎ কোরানের (অবিকল) বর্ণনায় হলে, অথবা (খ) হাদিস মানি যদি তা আমার দৃষ্টিতে কোরানের বাণীর সাথে সাংঘর্ষিক না হয়? হ্যাঁ/না

    (২ক) আপনি কি কোরান ছাড়াও নবীর বাণীকে ধর্মের অংশ মনে করেন? হ্যাঁ/না

    (২খ) এবং নামাজ, রোজা, হজ্জ, জাকাত ইত্যাদি যাবতীয় ক্ষেত্রে মুসলিম বিশ্ব যেভাবে সহিস হাদিস অবলম্বন করেন, আপনি কি তাই করেন? হ্যাঁ/না

    (২ গ) কোন হাদিসের গ্রন্থ আপনার কাছে সহিস? কোনো বিশেষ গ্রন্থ যদি না থাকে, তবে আপনি কি নিজে সহিস হাদিসের কোনো সংকলন করেছেন?

    (দীর্ঘ ব্যাখ্যার দরকার নেই, মোটেই কাম্য নয়)

    1. 10.1
      মাহফুজ

      মি. এম আহমদ

      //এখন সংক্ষিপ্তভাবে প্রশ্ন ৪ টি। হ্যাঁ/না উত্তর দেবেন, ২গ ব্যতীত।
      (দীর্ঘ ব্যাখ্যার দরকার নেই, মোটেই কাম্য নয়)//
      ////////////////////
      প্রশ্ন কোরে আবার  (২গ) 'ব্যতীত' শব্দটি জুড়ে দেয়ার কারণ কি?
      অযথা দীর্ঘ ব্যাখ্যা আমি পছন্দ করি না। তবে যতটুকু বলার দরকার তা তো বলতেই হবে।
      ……………………………..
      আপনার প্রশ্ন-
      (১) আপনার অবস্থান কি এই ২টির কোনোটির মত: (ক) হাদিস মানি যদি তা কোরানের সাথে চলে, অনুরূপ হয়, অর্থাৎ কোরানের (অবিকল) বর্ণনায় হলে, অথবা (খ) হাদিস মানি যদি তা আমার দৃষ্টিতে কোরানের বাণীর সাথে সাংঘর্ষিক না হয়? হ্যাঁ/না

      আমার উত্তর- (১) এর (ক) ও (খ)- দুটোর ক্ষেত্রে আমার জবাব হাঁ। কারণ দুটোর মাঝে তেমন কোন পার্থক্য নেই। ক্ষেত্র বিশেষে সত্য অনুধাবনের জন্য শুধুমাত্র নিজের মাথার মগজ ও চর্মচক্ষু নয়, তার সাথে অন্তর্চক্ষু অর্থাৎ হৃদয়ের মগজ ও বিবেককেও কাজে লাগানোর প্রয়োজন হয়।
      ……………..
      আপনার প্রশ্ন-
      (২ক) আপনি কি কোরান ছাড়াও নবীর বাণীকে ধর্মের অংশ মনে করেন? হ্যাঁ/না

      আমার উত্তর- হাঁ, কোরআনের বাণীর সাথে সাংঘর্ষিক না হলে ও সঙ্গতিপূর্ণ হলে।
      ……………..
      আপনার প্রশ্ন-
      (২খ) এবং নামাজ, রোজা, হজ্জ, জাকাত ইত্যাদি যাবতীয় ক্ষেত্রে মুসলিম বিশ্ব যেভাবে সহিস হাদিস অবলম্বন করেন, আপনি কি তাই করেন? হ্যাঁ/না

      আমার উত্তর- হাঁ, কোরআনের বাণীর সাথে সাংঘর্ষিক না হলে ও সঙ্গতিপূর্ণ হলে। কারণ যারা কোরআনের বাণীর সাথে সাংঘর্ষিক ও সঙ্গতিপূর্ণ নয় এরূপ কোন বিদআতি কর্মকে ধর্ম হিসেবে পালন করেন তারা প্রকৃত মুসলিম হতে পারেন না। কাজেই হাদিছের ছকে ফেলে কোরআনের নামে অন্য কিছুকে অনুকরণকারী নামমাত্র সেই মুসলিমবিশ্ব বা মুসলিমদের সাথে আমার ও আমার মতদের পার্থক্য থাকতেই পারে।
      ……………..
      আপনার প্রশ্ন-
      (২গ) কোন হাদিসের গ্রন্থ আপনার কাছে সহিস? কোনো বিশেষ গ্রন্থ যদি না থাকে, তবে আপনি কি নিজে সহিস হাদিসের কোনো সংকলন করেছেন?

      আমার উত্তর- কোন হাদিছের গ্রন্থই ১০০% সহিস নয়। এত সংকলন থাকতে হাদিছের গ্রন্থ হিসেবে আর কোন গ্রন্থ রচনা কোরে আমি পাপের ভাগি হতে চাই না। তবে কোরআনের বাণী অনুধাবন ও সঠিকভাবে প্রচারের স্বার্থে তার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হাদিছ নিয়ে আমি কাজ কোরে যাচ্ছি। বাকিটা মহান আল্লাহতায়ালার ইচ্ছা। দোয়া করবেন।

      প্রিয় ভাই ও বোনেরা আসুন! আর দেরি না করে অযথা কটুক্তি, বাড়াবাড়ি ও বিদ্বেষ ছেড়ে আল্লাহর রজ্জু আল-কোরআন এবং এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হাদিছ/রাসূলের (সাঃ) আদর্শকে চিনে ও বুঝে পালন করার জন্য দৃপ্ত অঙ্গীকার গ্রহণ করি।
      ধন্যবাদ-

      1. 10.1.1
        এম_আহমদ

        @মাহফুজ:

        প্রশ্ন কোরে আবার  (২গ) 'ব্যতীত' শব্দটি জুড়ে দেয়ার কারণ কি? [এর কারণ হল ২গ হ্যাঁ।/না জাতীয় উত্তরের প্রশ্ন নয়। মূর্খ না হলে বুঝতে পারতেন।] অযথা দীর্ঘ ব্যাখ্যা আমি পছন্দ করি না। তবে যতটুকু বলার দরকার তা তো বলতেই হবে। [আপনি আবার দীর্ঘ ব্যাখ্যায় গিয়েছেআপনার মূর্খতাইচ্ছেইহচ্ছে কোরান ব্যাখ্যা ও হাদিস অস্বীকারের মানদণ্ডA sparrow is a sparrow, you are an idiot. Your ignorance is ‘knowledge’ yet you come here to argue unashamedly! যান মূর্খতার বড়ি অন্যত্র ফেরি করেন।]

        … প্রিয় ভাই ও বোনেরা আসুন! [আসুন, দিল্লির লাড্ডু বিক্রি হচ্ছে] আর দেরি না করে ['ঘটিতে স্বল্পতা আছে' দেরি করবেন না!] অযথা কটুক্তি, বাড়াবাড়ি ও বিদ্বেষ ছেড়ে [হাদিস অস্বীকারকারী 'কামেল-বুজুর্গের' 'মনগড়া' কোরানী ধানাইপানাইয়ের তাবাররুক বিনা-কিল/ঘুষিতে গ্রহণ করে নিজেরদের জীবন ধন্য করুন, এটাই খাটি মাল] আল্লাহর রজ্জু আল-কোরআন এবং এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হাদিছ/রাসূলের (সাঃ) আদর্শকে [“মনগড়া পদ্ধতিতে”] চিনে ও বুঝে [মূর্খতায় উজ্জ্বল কোরান-অনলি পথ] পালন করার জন্য দৃপ্ত অঙ্গীকার গ্রহণ করি।

        [ আপনি কোরান নিয়ে কথা বলার যোগ্য নন। Get a life. আপনি কোরান-মূর্খ, হাদিস-মূর্খ এবং  অস্বীকারকারী, অধিকন্তু প্রতারক; আরবি জানেন না, তফসীর মানেন না এবং নিজের মনে যা ধরে সেই "মনগড়া" পথই আপনার ইসলাম। এটা শয়তানের পথ ও শয়তানের আহবান। দূর হও এখান থেকে -দুর্মুখ!

        উল্লেখিত ৪ই প্রশ্নের উত্তর প্রমাণ করে আপনি একজন ধাপ্পাবাজ কোরান অনলি। সর্বোপরি, একটা চরম বেয়াদব। যা জানে না, তা নিয়ে ঝগড়া-তর্ক করেন।

        আমার এখানে আসতে আপনাকে নিষেধ করলাম। আপনি বিতাড়িত। ]

  2. 9
    মাহফুজ

    অনেকে প্রায়ই আমাকে ভুল বুঝেন এবং প্রশ্ন করেন- আপনি কি 'আহলে হাদীস' নন?/ আপনি কি 'আহলে কুরআন' নামক ভ্রান্ত দলের অনুসারী?
    তাদের এই প্রশ্নের জবাব আমি এভাবেই দিতে চাই-
    (০৭:০১) আলিফ, লাম, মীম, ছোয়াদ।
    (০৭:০২) এটি একটি গ্রন্থ, যা তোমার প্রতি অবতীর্ণ হয়েছে, যাতে করে তুমি এর মাধ্যমে ভীতি-প্রদর্শন কর। অতএব, এটি পৌছে দিতে তোমার মনে কোনরূপ সংকীর্ণতা থাকা উচিত নয়। আর এটিই বিশ্বাসীদের জন্যে উপদেশ।
    (০৭:০৩) তোমরা অনুসরণ কর, যা তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে অবতীর্ণ হয়েছে এবং আল্লাহকে বাদ দিয়ে অন্য অভিভাবকদের অনুসরণ করো না। তোমরা তো খুব কম সংখ্যকই উপদেশ গ্রহণ কর।
    (৪:১০৫) অর্থ- নিশ্চয় আমি আপনার প্রতি সত্য কিতাব অবতীর্ণ করেছি, যাতে আপনি মানুষের মধ্যে বিচার-ফয়সালা করেন, তা দিয়ে যা আল্লাহ আপনাকে জানিয়েছেন। আর প্রবঞ্চক/ ধাপ্পাবাজদের পক্ষ হয়ে ওকালতি করবেন না।     
    "আহলে হাদিছ বা আহলে কোরআন"- এই দুটি দলের কোন একটির মাঝে কেউ আমাকে খুঁজতে চেষ্টা করলে, সেটা তাদের অভিরুচি। আমি আবারও স্পষ্ট ভাষায় জানাচ্ছি- আল-কোরআন আমার কাছে সবার ঊর্ধে, এরপর আল্লাহর বাণীর সাথে বিন্দুমাত্র সাংঘর্ষিক নয়, রাসূলের (সাঃ) এরূপ হাদিছকে আমি পৃথিবী অন্য সবকিছুর চাইতে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেই এবং মানতে চেষ্টা করি। আশাকরি বিষয়টি পরিষ্কার করতে পেরেছি। কিন্তু বাপ দাদা চৌদ্দ পুরুষের গান গেয়ে হাদিছের নামে আল-কোরআনের সাথে সঙ্গতিহীন কেচ্ছা-কাহিনী শুনিয়ে কোন লাভ হবে না। এসব আমি সর্বদা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করি এবং করব।

  3. 8
    মাহফুজ

    @ এম_আহমদ
    বলার ইচ্ছা ছিলনা। কিন্তু রাসূলের (সাঃ) সাথে তুলনার কথা প্রসঙ্গে বলতে বাধ্য হলাম-
    আপনি বলেছেন- //এবারে এসে নিজেকে রাসূলের সাথে তুলনা করছেন!//

    জী হুজুর! আপনার সাথে আমার পার্থক্যটা এখানেই। রাসূলের (সাঃ) সমকক্ষ নয়, বরং নিজেকে তাঁর আদর্শের মাপকাঠিতে তুলনা করতে জানতে ও শিখতে হয়। আপনি তা জানেন নাই, শিখেনও নাই। তাই তো আপনার ও আপনার মত দাম্ভিকদের এ দশা। হাদিছের মারপ্যাঁচে কথায় কথায় গালমন্দ, সন্দেহ আর দলাদলি ছাড়া আর কি পারেন? আল্লাহর রশিকে ঠিকমত ও শক্ত করে ধরতে শিখুন। তা না হলে রাসূলকে (সাঃ) কখনই জানতে পারবেন না। আল-কোরআনই যে রাসূলের আদর্শ তা কি আপনি জানেন না? এই আদর্শকে আত্মস্থ কোরে নিজেকে গড়তে ও মাপতে শিখুন। রাসূলের (সাঃ) সমকক্ষ ভাবার মত বোকামি করা কোন মানুষের জন্য শোভা পায়না। তবে কোরআনের আদর্শকে অনুধাবন ও আমল করতে পারলে মানুষ হওয়ার যোগ্যতা অর্জিত হয়। তখন সর্বোত্তম মানুষ ও আল্লাহর রাসূলের (সাঃ) তুলনায় আমার মত পাপীরা কতটা মানুষ হতে পেরেছে তা মেপে দেখার প্রশ্ন আসে। আর এভাবে মাপতে না শিখলে কখনই মুসলিম হওয়া যায় না। তাই আসুন! সবার আগে মুসলিম হওয়ার জন্য স্রষ্টা প্রেরিত ঐশী কিতাব পবিত্র কোরআনের আদর্শে নিজেকে গড়ার জন্য দৃপ্ত শপৎ নেই।
    ধন্যবাদ-

    1. 8.1
      এম_আহমদ

      @মাহফুজ:

      বলার ইচ্ছা ছিলনা। কিন্তু রাসূলের (সাঃ) সাথে তুলনার কথা প্রসঙ্গে বলতে বাধ্য হলাম- আপনি বলেছেন- //এবারে এসে নিজেকে রাসূলের সাথে তুলনা করছেন!//

      ______________________

      জী হুজুর! [না বরং নবীর সাথে তুলনা যে মুর্খামি, এটা এবারে থাপ্পড় খেয়ে কিছুটা হলেও অনুভব করছেন। ]  আপনার সাথে আমার পার্থক্যটা এখানেই। রাসূলের (সাঃ) সমকক্ষ নয়, বরং নিজেকে তাঁর আদর্শের মাপকাঠিতে তুলনা করতে জানতে ও শিখতে হয়। [আপনি কীভাবে জেনেছেন/শিখেছেন? রাসূলের ওঠা বসা, চাল-চলন, জীবন যাপন, তার বাণী, কোরানের আঙ্গিকে তাঁর জীবন যাপনের প্রণালি, এসবের উদাহরণ তথা তার সুন্নাহ এসব কোথায়? আপনি কোরান অনলি ফাসেক। প্রতারণার ভাষা ব্যবহার করছেন। একসময় এই কুত্তাগণ যখন বাংলা নবী খুঁজছিল, এবং কোরান অনলি শব্দ ব্যবহার করছিল, তখন তারা নাকে-মুখে চড় থাপ্পড় খেতে শুরু করে। তারপর, এই কুত্তাগণ কৌশল (tactics) পরিবর্তন করে। প্রতারণায় বলতে থাকে আমরাও রাসূল মানি। রাসূল কীভাবে মানে? এভাবে: “‘কোরানমানার নামই রাসূল মানা’”কোরান মানা কি? এটা হচ্ছে তাদের "মূর্খ ব্যাখ্যা" মানা -এটাই তাদের "কোরান"। ধাপ্পাবাজের জাত! শয়তানের জাত! প্রতারকের দল, বাংলার মজের উম্মত! দুর্মুখ মূর্খামি বাদ দিয়ে, ল্যাজ গুটিয়ে  এখান থেকে দূর হও। হায়া-শরম রাখ (হায়া আসবে কোত্থকে? এটা তো ঈমানের অঙ্গ!)]

      আপনি তা জানেন নাই, শিখেনও নাই। [না, প্রতারণা আমরা শিখি না। এটা কোরানের শিক্ষাও না, রাসূলের আদর্শও না। ধর্মহীনতা শিখার কোনো দরকার নেই।] তাই তো আপনার ও আপনার মত দাম্ভিকদের এ দশা। [আমাদের কোন দশা?] হাদিছের মারপ্যাঁচে কথায় কথায় গালমন্দ, সন্দেহ আর দলাদলি ছাড়া আর কি পারেন? [মানুষের মধ্যে দলাদলি হলেই বুঝি নবীর সুন্নাহ ছেরে দিতে হবে? মূর্খ।] আল্লাহর রশিকে ঠিকমত ও শক্ত করে ধরতে শিখুন। তা না হলে রাসূলকে (সাঃ) কখনই জানতে পারবেন না। [হ্যাঁ, এটা তো আমরা ধরে আছি। এবং এই পথেই রাসূলকে জানতে পেরেছি, আপনিও এ পথে আসুন। কোরান শিখার পথে আসুন।] আল-কোরআনই যে রাসূলের আদর্শ তা কি আপনি জানেন না? [অবশ্যই জানি। এবং দেখতে পাচ্ছেন জানি বলে দাম্ভিক-মুর্খদের গালে থাপ্পড় দিতে পারছি।] এই আদর্শকে আত্মস্থ কোরে নিজেকে গড়তে ও মাপতে শিখুন। [না, বরং আপনি  রাসূল মানারকোরান অনলি প্রতারণা বর্জন করুন। প্রতারক শয়তানের ভাই এবং সাক্ষাৎ শয়তানও। আপনি স্পষ্টতই গোমরা কোরান অনলি ফাসিক। রাসূলের সুন্নাহ বর্জন করে, আরবি জ্ঞান অর্জন না করেপ্রতিষ্ঠিত জ্ঞানের ধারা পরিত্যাগ করে, কোরান বোঝার পথ নেই। দুর্মুখ।] রাসূলের (সাঃ) সমকক্ষ ভাবার মত বোকামি করা কোন মানুষের জন্য শোভা পায়না। [এই সমঝ সক্ত করুন এবং তওবাহ করে কোরান অনলিদের ‘রাসূল মানি’ প্রতারণা বর্জন করুন।] তবে কোরআনের আদর্শকে অনুধাবন ও আমল করতে পারলে মানুষ হওয়ার যোগ্যতা অর্জিত হয়। [আর সহিস পথে সেই কোরানের জ্ঞান অর্জন না করতে পারলে পথভ্রষ্ট হতে হয় যেভাবে আপনি শয়তানের ক্রীড়নক হয়েছেন।] তখন সর্বোত্তম মানুষ ও আল্লাহর রাসূলের (সাঃ) তুলনায় আমার মত পাপীরা কতটা মানুষ হতে পেরেছে তা মেপে দেখার প্রশ্ন আসে। আর এভাবে মাপতে না শিখলে কখনই মুসলিম হওয়া যায় না। [[রাসূলের বাণী ও জীবনাদর্শ ছেড়ে দিয়ে রাসূলের আদর্শ মাপারপথ নেই। কোরানকে “মনগড়াভাবে” ব্যাখ্যা করে সে মাপার পথ নেই। কোন বস্তুর নাম “মুসলিম” আর কোনটি নয় তা কোরানের মনগড়াব্যাখ্যায় পাওয়া যায় না।] তাই আসুন! সবার আগে মুসলিম হওয়ার জন্য স্রষ্টা প্রেরিত ঐশী কিতাব পবিত্র কোরআনের আদর্শে নিজেকে গড়ার জন্য দৃপ্ত শপৎ নেই। [সেই শপথের উপর আমরা আছি। So, get lost! ফাজিল কোথাকার!]

      1. 8.1.1
        মাহফুজ

        অহংকার মানুষকে যে এতটাই অন্ধ কোরে দেয় তার বাস্তব প্রমাণ হলেন আপনি। কোরআন বিমুখ সঙ্গতিহীন কেচ্ছাকাহিনী ছেড়ে স্রষ্টা প্রেরিত খাঁটি ঐশীবাণীর দিকে আহ্বান জানানোর কারণে আপনি যে ধরনের দাম্ভিকতা, ভাষা ও ভাবভঙ্গি প্রদর্শন করলেন, তাতে আপনি আত্মতৃপ্তি বোধ করলেও তার পরিমাপের ভার বিবেকবান বিশ্বাসীদের কাছেই ছেড়ে দিলাম। আর সত্য-মিথ্যা, ঠিক-বেঠিক প্রতিটি কর্মের পুঙ্খানুপঙ্খ বিচার ও যথাযথ প্রতিদানের জন্য তো সর্বজ্ঞ মহান আল্লাহতায়ালা আছেনই।

        আল-কোরআন-

        (১৭:৩৭) অর্থ- পৃথিবীতে দম্ভভরে পদচারণা করো না। নিশ্চয় তুমি তো ভূপৃষ্ঠকে কখনই বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় তুমি কখনই পর্বত প্রমাণ হতে পারবে না।
        (৩১:১৮) অর্থ- অহংকারবশে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করো না এবং পৃথিবীতে গর্বভরে পদচারণ করো না। নিশ্চয় আল্লাহ কোন দাম্ভিক অহংকারীকে পছন্দ করেন না।
        (৩১:১৯) অর্থ- পদচারণায় মধ্যবর্তিতা অবলম্বন কর এবং কন্ঠস্বর নীচু কর। নিঃসন্দেহে গাধার স্বরই সর্বাপেক্ষা অপ্রীতিকর।
        (৩৯:৭২) অর্থ- বলা হবে, তোমরা জাহান্নামের দরজা দিয়ে প্রবেশ কর, সেখানে চিরকাল অবস্থানের জন্যে। কত নিকৃষ্ট অহংকারীদের আবাসস্থল।

        1. 8.1.1.1
          এম_আহমদ

          কোরান না জেনে না বুঝে বিতর্ক করা; অপরের ব্লগে ঢুকে নিজের মূর্খামির ভিত্তিতে ঝগড়া করা; ফাতরামি করা, তাদের ভাষ্যে শিরক দেখা, অন্ধত্ব বিবেচনা করা, নিজের ভুল সমঝ দিয়ে অপকে ভুল আখ্যায়িত করা; মানা করলেও না শুনা; হাদিস না বুঝে হাদিস অস্বীকার করা, তর্ক জোড়া; এসবের মধ্যেই রয়েছে মূর্খের দাম্ভিকতা ও অহংকার। যে আয়াতগুলো উদ্ধৃত করেছেন সেগুলো আপনার জন্য প্রযোজ্য। দূর হও এখানে থেকে। (এসেছেন মুষ্ঠিতে punch নিয়ে। কিন্তু সাহস নেই। সেই জ্ঞানও নেই। তাই index search দিয়ে কিছু আয়াতের মাধ্যমে সেই কাজ করিয়ে নিতে চাচ্ছেন। বুদ্দু কোথাকার। )

           

          আপনি পথভ্রষ্ট দলের লোক। আপনারা মুসলিম উম্মাহ থেকে বিচ্ছিন্ন। অথচ আল্লাহর নির্দেশ হচ্ছে, ‘আর তোমরা তাদের মত হয়ো না যারা নিজেদের মধ্যে বিচ্ছিন্ন (আলাদা আলদা) হয়েছে এবং স্পষ্ট দলিল আসার পরও ইখতিলাফ (দ্বিমত পোষণ) করেছে’ (৩:১০৫)। আপনারা “আল্লাহর নামে” কোরানের নাফরমানি করছেন।

           

          আপনারা শুধু বিচ্ছিন্নবাদী ও ফেরকাবাজ নন, আপনারা রাসূলেরও নাফরমান। আর এর পরিণাম? কোরানে এসেছে, ‘যে কেউ, তার কাছে হেদায়াতের রাস্তা স্পষ্ট হওয়ার পর,  রসূলের বিরোধিতা করে এবং সকল মুমিনের পথ বাদ দিয়ে অন্য পথে চলে, আমরা তাকে ঐ পথেই রেখে দেব যে পথ সে অবলম্বন করেছে। এবং তাকে জাহান্নামে দাখিল করব। আর তা বড়ই মন্দ গন্তব্যস্থল’ (৪:১১৫)।

           

          এই ধরণের আয়াতসমূহ সকালে বিকালে পড়বেন। জ্ঞানার্জনের আয়াত পড়বেন। উলুল আমরদের আনুগত্যের আয়াত পড়বেন। নবীর আনুগত্যের আয়াত পড়বেন। সাহাবীদের গুণ ও প্রশংসামূলক আয়াত পড়বেন। আরবি শিখবেন। হাদিস মানতে শিখবেন। এগুলো জরুরি।

           

          কিন্তু আপনি এগুলো করবেন না। আপনি ধাপ্পাবাজ। আপনি কোরানের লোক নন। নিছক প্রতারক। ফিতনাবাজ। এবারে এসেছেন কোরানের উদ্ধৃতি চালাচালি করতে। গত ব্লগে এই ধরনের ফাজলামির কারণে ‘একই পথের নিককে’ বের করে দিয়েছিলাম। এবারে শুরু সেই খেলা। এসব হচ্ছে বেহায়ামি কাজ। নির্লজ্জ।

          মূলত, আপনি চান আপনাকে থাপ্পড় দেয়া হোক -যাতে করে বলতে পারেন, আহারে ‘কোরানের জন্য’ আমার সাথে এমন করা করা হল? দুর্মুখ সরে পড়। এখন এসে সেই কথা, ‘খাঁটি ঐশীবাণীর দিকে আহ্বান জানানোর কারণে আপনি … [কিল/থাপ্পড় দিচ্ছেন]’। দূর হও এখান থেকে। মারদুদ!

           

          নিষেধাজ্ঞা: এখানে কোরান চালাচালি করতে দেয়া হবে না। আপনাকে আমার ব্লগে এসব কাজ করতে নিষেধ করছি। 

  4. 7
    মাহফুজ

    @ এম_আহমদ

    আমার প্রাণপ্রিয় রাসূল এবং সর্বশেষ নবীর (সাঃ) বিরুদ্ধে যেভাবে এবং যে ভাষায় অবিশ্বাসী ও মুনাফিকরা গালমন্দ করেছে ও কুৎসা রটিয়েছে- আমার বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান অনেকটা তেমনি। আপনার জন্য শুভ কামনা করেছি বলে আমার সৌম স্বভাব আপনার অন্ধ অন্তরে কান্নাকাটির মত ঠেকছে। অথচ আপনার কান্নাকাটি কিন্তু আপনি লুকাতে পারলেন না। তথাকথিত পুঁথিগত বিদ্যার ধোলাইকৃত মগজ দিয়ে বড় বড় বুলি ওড়ানো ছাড়া বেশি কিছু করার ক্ষমতা আপনার নেই। আপনার জ্ঞানের বাহার এমনি যে তাতে কোরআনের কাহিনী ও হাদিছের নামে মানব রচিত গল্প নাকি একই মতন- হায় হায়! তারপরও চেষ্টা করে গেলাম। আপনি আপনার নানা মুনির নানা পথে চলতে থাকুন, আর আমার পথ তো একটাই- সরল সোজা পথ। আমার সব কথাই এখন আপনার হৃদয়ে বিষের মত বিধবে। তাই সালাম। মনে রাখবেন, কোন কিছুই মুছে যাবেনা। একালে না হলেও সেকালে সময়মত যথাস্থানে আপনার প্রতিটি পদস্খলন ও অহংকারী কটু কথন এর যোগ্য জবাব ও প্রতিদান আপনি পেয়ে যাবেন- ইনশাল্লাহ।

    1. 7.1
      এম_আহমদ

      @মাহফুজ:

      এই বুঝি ছিল সকল "মর্ম" উপলব্ধির সর্বমোট উত্তর?  প্রতিত্তোর নিম্নরূপ:

      __________

      আমার প্রাণপ্রিয় রাসূল এবং সর্বশেষ নবীর (সাঃ)  [হাদিস অস্বীকার করে, হাদিসের এবারতকে গল্প বলে, নিজ যুক্তিকে প্রাধান্য দিয়ে, রাসূলের বাণীকে মানব রচিত … ইত্যাদি ইত্যাদি বলে, তারপর প্রাণপ্রিয় রাসূল -এটাও এক নতুন অবস্থান লাগছে! আপনার গারবেজ সাইটে অনেক বাক্য রচনা করেছেন। সেখানে রাসূল-প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে, তাঁর বাণী, তাঁর হাদিস নিয়ে কি কি রচনা করেছেন? ]বিরুদ্ধে যেভাবে এবং যে ভাষায় অবিশ্বাসী ও মুনাফিকরা গালমন্দ করেছে ও কুৎসা রটিয়েছে- আমার বিরুদ্ধে আপনার অবস্থান অনেকটা তেমনি। [অবিশ্বাসী কাফির মুনাফিকও যদি আপনার প্রতারণামুলক অবস্থান বুঝে বিষদগার করে থাকে, তবে বুঝতে হবে আপনি নিশ্চয় অনেক গভীরের প্রতারক। কোরান ও হাদিসের তুলনামূলক আলোচনায় আপনার অবস্থান স্পষ্ট হয়ে ধরা দিয়েছে। হাদিস অস্বীকারকারীরা সকল-কূলেই বিতাড়িত হয়। আপনি হচ্ছেন সেই উদাহরণ। আপনার নিজ উক্তিই যথেষ্ট।] 

      আপনার জন্য শুভ কামনা করেছি বলে আমার সৌম্য স্বভাব [সহিস হাদিসের এবারতকে গল্প বলা, কোরান না বুঝে কোরানের ব্যাখ্যা করা, তাও হাদিস অস্বীকার করে, তারপর এই অবস্থানের মাত্রায় অপরের অবস্থানকে অন্ধ বলা, শিরকের এলজামে আনা, স্বার্থবাদী, কোরান-বিকৃতি বলা, এই সব ছিল আপনার সৌম্য-স্বভাব!!!! হায় হায়রে!!! ]

      আপনার অন্ধ অন্তরে কান্নাকাটির মত ঠেকছে [এবারেও সৌম্য-স্বভাব প্রতিষ্ঠা হচ্ছে। মিথ্যা কথা।]  অথচ আপনার কান্নাকাটি কিন্তু আপনি লুকাতে পারলেন না। [এটা কি সত্য? কেউ সৌম্য-স্বভাবের আচরণের ফলে কেঁদে ওঠে?]  

      তথাকথিত পুঁথিগত বিদ্যার ধোলাইকৃত মগজ দিয়ে বড় বড় বুলি ওড়ানো ছাড়া বেশি কিছু করার ক্ষমতা আপনার নেই [মুর্খামির চাইতে পুথিগত বিদ্যাই অনেক শ্রেয়। এতে মিথ্যাবোধের সাথে স্রষ্টা-ভীতি ও সত্যবোধের সাথে স্রষ্টা ভীতি অসঙ্গতিপূর্ণ এমনসব মূর্খ কথা বলতে হয় না। হাজেরা নাম নাম বললে তা ইসলাম ধর্মের অংশ হয় না; স্বপ্নকে সত্য হিসেবে ভাবা ও প্রচার করা কখনই গ্রহনযোগ্য নয় এমন মুর্খামি কথা আওড়াতে হয় না]

      আপনার জ্ঞানের বাহার এমনি যে তাতে কোরআনের কাহিনী ও হাদিছের নামে মানব রচিত গল্প [হাদিসের নামে রচিত গল্প? আহারে রাসূল-প্রেমিক!!] নাকি একই মতন- হায় হায়!

      তারপরও চেষ্টা করে গেলাম। [এসেছিলেন আমাকে আপনার মত বানাতে, তাই না?] আপনি আপনার নানা মুনির নানা পথে চলতে থাকুন,[এই কথাটি আগে বুঝে ল্যাজ সিধা করে রাখলে কি ভাল হত না, যে বিষয়ে জ্ঞান নেই, সে বিষয়ে কি পাণ্ডিত্য দেখাতে হয়?]

      আর আমার পথ তো একটাই- সরল সোজা পথ। [এটা আমাদেরও পথ। এটাই কোরান সুন্নাহসহ গ্রহণ করলে তবেই হবে সরল পথ। না হলে সরলের নামে হবে শয়তানের পথ।] আমার সব কথাই এখন আপনার হৃদয়ে বিষের মত বিধবে। [আপনার ‘সবগুলো’ কথা তাহলে ‘বিষাক্ত’ ছিল? আর “সৌম্যের দাবী”? মনের গোমর কি এভাবে ফাঁস করতে হয়? ? শান্ত হয়ে শ্বাস নিন]  তাই সালাম। মনে রাখবেন, কোন কিছুই মুছে যাবেনা। একালে না হলেও সেকালে সময়মত যথাস্থানে আপনার প্রতিটি পদস্খলন ও অহংকারী কটু কথন এর যোগ্য জবাব ও প্রতিদান আপনি পেয়ে যাবেন- ইনশাল্লাহ। [আপনার সৌম্য-আচরণ ও অবস্থানটা মুছে যাবে? না। না বুঝে পণ্ডিতি করার তালিম অনেকদিন মনে রাখতে হবে। যান কিন্তু অনেক বিষয়ের মত এবারেও মর্ম বিষয় বর্ণনা করতে পারলেন না। যান, কোরানের নামে যে স্তূপীকৃত মিথ্যা বাক্য-রচনা করেছেন, এগুলো রাসূল-প্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে মুছে ফেলেন। এগুলো পথভ্রষ্টতা। আর কক্ষনই সহিস হাদিসকে গল্প বলে উড়িয়ে দিতে যাবেন না। সব ‘গর্ত’ এক নয়। কিছু বলার থাকলে "সৌম্যের" ভিত্তিতে শুরু করবেন। নিজের জ্ঞানকে সত্যিকার অত্থে 'বিনয়ের' সাথে পেশ করবেন। তবে দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে হেদায়াত দান করুন এবং আমাদের সকলকেও।]

      1. 7.1.1
        মাহফুজ

        @ এম_আহমদ

        আপনি যেমন আমাকে মুর্খ ভেবে তাচ্ছিল্য করছেন, তৎকালীন মানব রচিত কেচ্ছা-কাহিনী অস্বীকার কোরে শুধুমাত্র কোরআনের দিকে আহ্বান করায় জাহেলী সমাজের ধর্মগুরু ও পণ্ডিতরা রাসূলাল্লাহকেও (সাঃ) মুর্খ ও পাগল বলে গালমন্দ করেছিল। সুতরাং এ পথে এসব নুতন কিছু নয়।

        মনে রাখবেন! বাক্য ধরে ধরে ধার করা কেচ্ছার সাথে গালভরা বয়ান পেশ করলেই মর্ম উপলব্ধি করা যায় না। মানব রচিত হাদিছের পাহাড় রচনা ও কণ্ঠস্থ কোরে তথাকথিত পণ্ডিত সেজে অপরকে মুর্খ ভাবলেই সত্যিকার রাসূল (সাঃ) প্রেমিক ও কামেল হওয়া যায় না। বরং এর জন্য অন্য কোন ইলাহ নয়, কেবল স্রষ্টা মহান আল্লাহর কথা স্মরণে রেখে মৌল গ্রন্থের প্রতিটি শব্দ ও বাক্যের সঠিক অর্থ ও এর প্রয়োগ বিধি এবং উদ্দেশ্য অনুধাবন করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ হতে হয়। এরপর অন্য কিছু।
        ধন্যবাদ ও শুভকামনা—--"মহান আল্লাহ যেন সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করেন।"

        1. 7.1.1.1
          এম_আহমদ

          @মাহফুজ:

          উত্তর স্কয়ার বন্ধনীতে

          ____________

           

          আপনি যেমন আমাকে মুর্খ ভেবে তাচ্ছিল্য করছেন, তৎকালীন মানব রচিত কেচ্ছা-কাহিনী অস্বীকার কোরে শুধুমাত্র কোরআনের দিকে আহ্বান করায় জাহেলী সমাজের ধর্মগুরু ও পণ্ডিতরা রাসূলাল্লাহকেও (সাঃ) মুর্খ ও পাগল বলে গালমন্দ করেছিল। সুতরাং এ পথে এসব নুতন কিছু নয়। [এখানেই আপনার সব ভুল। আপনার পড়াশুনা নেই। প্রতিষ্ঠিত জ্ঞানের সাথে আপনার কোনো সম্পর্ক নেই। আরবীর জ্ঞান নেই, হাদিসের জ্ঞান নেই, তফসীরের জ্ঞান নেই। নিজে নিজে কোরান পড়ে, নিজের ভুল পাঠকে কোরান মনে করে, নিজের ভুল সমঝের মাধ্যমে হাদিস অস্বীকার করে নিজেকে ‘কেউকেটা’ ভেবে প্রতিষ্ঠিত জ্ঞানকে ‘চ্যালেঞ্জ’ করতে বেহায়ার মত উদ্যত হন।

          এবারে এসে নিজেকে রাসূলের সাথে তুলনা করছেন! রাসুল (সা.) লেখাপড়া না শিখলেও  তার জ্ঞান ছিল ‘ওহীলব্ধ’। আপনার কাছেই কি ওহী আসে? আপনি কোরানের আয়াত নিয়ে যেসব মূর্খামি করেন এবং যাকে জ্ঞান মনে করেন এর পিছনে কি ওহীর সমর্থন রয়েছে? মূর্খ কোথাকার! আপনি শয়তান। মূর্খ-দাম্ভিকতায় শয়তান আপনার স্খলন ঘটিয়েছেন। এই শয়তানই একদিন আপনাকে বলবে, আজ নিজেকে দোষারূপ কর।]

           

          মনে রাখবেন! [হ্যাঁ, রাখব।] বাক্য ধরে ধরে ধার করা কেচ্ছার সাথে গালভরা বয়ান পেশ করলেই মর্ম উপলব্ধি করা যায় না। [মর্ম কীভাবে উপলব্ধি করা হয় -মূর্খ? এই প্রশ্ন তো আগেও করেছি। আপনি যা বলছেন তা কি মায়ের পেট থেকে শিখে এসে বলছেন, না কোনো শয়তান মহলের খপ্পড়ে পড়ে তাদের বয়ান নিজের ভাষায় দিচ্ছেন? আপনার বয়ানই তো ধার করা বয়ান, ধার করা অভিযোগ। আপনার মাথা কি এতই বখাটে? এসব কেন বুঝতে পারবেন না?] মানব রচিত হাদিছের পাহাড় রচনা ও কণ্ঠস্থ কোরে [সহিস হাদিসগুলো কিভাবে মানব রচিত হল? সেগুলো কি আপনি উপযুক্ত এনালিসিস ও বিচার বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখিয়েছেন? এই কাজ কোথায় করেছেন? কিভাবে করেছেন? আপনার কি সেই যোগ্যতা আছে? আপনি কোথাকার উল্লুক? আপনি পাগল। আপনার মাথায় শয়তান ঢুকেছে। তাই যে জ্ঞানের সামান্যতম সমঝ নেই, সেই পাহাড়সম মূর্খতা নিয়ে ‘জ্ঞানের’ বিপক্ষে দাম্ভিকতা দেখাচ্ছেন। আপনি দাম্ভিক মূর্খ। আপনি আমাদের সাথে কথা বলার যোগ্যতা কি? ওহী?]

           

          তথাকথিত পণ্ডিত সেজে অপরকে মুর্খ ভাবলেই [আপনাকে শুধু মূর্খ ‘ভাববো’ কেন, আপনার মূর্খতা উদাহরণসহ উল্লেখ করেছি। আপনার ঘিলুতে এগুলো পোতায় না কেন?] সত্যিকার রাসূল (সাঃ) প্রেমিক ও কামেল হওয়া যায় না। [শয়তানের খপ্পরে পড়ে, হাদিসকে অস্বীকার করেই বুঝি রাসূল প্রেম? কামালিয়াত! দুর্মূখ কোথাকার!] বরং এর জন্য অন্য কোন ইলাহ নয়, কেবল স্রষ্টা মহান আল্লাহর কথা স্মরণে রেখে মৌল গ্রন্থের প্রতিটি শব্দ ও বাক্যের সঠিক অর্থ ও এর প্রয়োগ বিধি এবং উদ্দেশ্য অনুধাবন করার জন্য নিবেদিতপ্রাণ হতে হয়। [এই কাজ করতে আরবির ব্যাকরণ শিখতে হয়, যে সমাজে আরবি ভাষা ছিল, যে সমাজ এই শব্দাবলী ও বাক্যাবলী ব্যবহার করত তাদের ব্যবহার ও অর্থ জানতে হয়; রাসূল কোন অর্থ গ্রহণ করতেন তা জানতে হয়; তাই রাসূল (সা.) কোরান বুঝার অপরিহার্য শর্ত হয়ে পড়েন এবং হাদিস হচ্ছে সেই উৎস। মূর্খ কোথাকার, ফাজিল, শয়তানের এজেন্ট, এসব বাদ দিয়ে কোরান বুঝা যায় না। আপনি মনে মনেযে অর্থ গড়েন, সেটা আপনার মনগড়াঅর্থ এটা কোরান নয়, এতে কোনো মর্মনেই। তওবা করে ফিরে আসুন। শয়তানি যেসব বাক্য রচনাকরেছেন সেগুলো মুছে ফেলুন। আর না করলে এখান থেকে সরে পড়ুন। আপনি বিতাড়িত, মারদুদ। আপনি আমার সময় নষ্ট করছেন। আমি দোয়া করি, আয় আল্লাহ আমি শয়তান থেকে এবং শয়তানদের উপস্থিতি থেকে তোমার কাছে আশ্রয় চাই।]

           
          ধন্যবাদ ও শুভকামনা—–"মহান আল্লাহ যেন সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করেন।" [আমিন!]

           

  5. 6
    sotto

    @ এম আহমদ]

    একটা প্রশ্ন- আপনি কি ’মহিউদ্দিন’?

    1. 6.1
      এম_আহমদ

      না।

  6. 5
    মাহফুজ

    সালাম, ভাই এম আহমদ
    অযাচিত মনে হলেও কিছু বলতে চাই। মত বিনিময়ে অনীহা না থাকলে আপত্তি থাকার কথা নয়।
     
    যে গল্প ও স্বপ্ন সত্য, তা সত্য বলতে আমার কোন আপত্তি নেই। কিন্তু যে গল্প বা স্বপ্নের ভিত্তি মৌল গ্রন্থ আল-কোরআনের সাথে সম্পর্কিত নয়, অথচ জোর কোরে টেনে হেঁচড়ে সম্পর্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়- সে সবে আপত্তি থাকাটা অপরাধ নয়।

    স্ত্রী-পুত্র এক জনহীন শিন শিন ধূসর মরুর বুকে নির্বাসন/ বিসর্জন/ বর্জন/ ত্যাগ- কোনটাই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ এ ধরনের বানানো গল্পের কোন ইংগিতও আল-কোরআনে নেই। আর বোখারীর হাদিসে সরাসরি মা "হাজেরা" নামটি সত্যি কোথাও পেয়েছেন কি?

    স্ত্রীকে ছোট্ট নৌকায় বসিয়ে সমুদ্রে, মহাসমুদ্রে কিংবা পঙ্খিরাজে চড়িয়ে মহাকাশ ভ্রমণ ও আবাদ করার কোন গল্পের বা কেচ্ছার পটভূমি নয় বরং মূল সূত্রটিই মুখ্য বিষয়।

    //মূর্তিগুলো ভেঙ্গেছে ওদেরই বড় মূর্তি!//-- এই ভাষ্যটি কোথায় পেলেন? কথাটা কি এমনই ছিল?

    হাদিছের গল্প আর স্রষ্টার কিতাবের গল্পকে এক কাতারে ফেলে দেয়াও কিন্তু এক ধরনের শিরকের পর্যায়ে পড়ে- তাই সাবধান!

    পিতার হাতে পুত্র কোরবানি অবশ্যই অমানবিক হত- যদি পরম করুণাময় সত্যিই তা ঘটিয়ে দিতেন। কিন্তু তা তো তিনি ঘটান নাই। বরং এ ধরনের স্বপ্ন দেখলে তার পরিবর্তে কি করতে হবে সে শিক্ষাও তিনি দিয়ে দিলেন। শুধু তাই নয়, এর মাধ্যমে চিরকালের জন্য মানব সন্তান বলি দেয়া যে নিষিদ্ধ করে দেয়া হলো, তা বোঝার মত বোধ আমাদের অনেকেরই আছে কি?

    //মূসা নবী (আ.) আর আল্লাহর ‘এক বান্দার’ ঘটনায় সেই বান্দা নিরপরাধ বাচ্চা হত্যা করবেন, নির্দোষ লোকের নৌকা ডুবিয়ে দেবেন –এসবের যুক্তি দিয়েই বুঝি ধর্ম?//

    আপনার কাছে ভাল না লাগলেও সবার জ্ঞাতার্থে সুরা কাহফঃ ১৮: ৬০ থেকে ৮২ নং আয়াত পড়ে দেখার অনুরোধ রইল এবং সেই সাথে নিচের আয়াতগুলো তুলে ধরতে বাধ্য হলাম-
    (১৮:৬৫) অর্থ- অতঃপর তাঁরা আমার বান্দাদের মধ্যে এমন একজনের সাক্ষাত পেলেন, যাকে আমি আমার পক্ষ থেকে রহমত দান করেছিলাম ও আমার পক্ষ থেকে দিয়েছিলাম এক বিশেষ জ্ঞান।     
    (১৮:৬৬) অর্থ- মূসা তাঁকে বললেনঃ আমি কি এ শর্তে আপনার অনুসরণ করতে পারি যে, সত্যপথের যে জ্ঞান আপনাকে শেখানো হয়েছে, তা থেকে আমাকে কিছু শিক্ষা দেবেন?     
    (১৮:৮২) অর্থ- প্রাচীরের ব্যাপার-সেটি ছিল নগরের দুজন পিতৃহীন বালকের। এর নীচে ছিল তাদের গুপ্তধন এবং তাদের পিতা ছিল সৎকর্ম পরায়ন। সুতরাং আপনার পালনকর্তা দায়বশতঃ ইচ্ছা করলেন যে, তারা যৌবনে পদার্পন করুক এবং নিজেদের গুপ্তধন উদ্ধার করুক। আমি নিজ মতে এটা করিনি। আপনি যে বিষয়ে ধৈর্য্যধারণ করতে অক্ষম হয়েছিলেন, এই হল তার ব্যাখ্যা।     

    (১৮:৬৫) নং আয়াতে উল্লেখিত এমন একজনের কাছে শিক্ষা নেয়ার জন্য একজন নবীকে পাঠানো হলো যাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত ও বিশেষ জ্ঞান দান করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া (১৮:৮২) নং আয়াতে "আমি নিজ মতে এটা করিনি"- এই বক্তব্য দ্বারা বিষয়টি আরও পরিষ্কারভাবে বুঝিয়ে দেয়া হল যেন কোন সন্দেহ না থাকে যে, এই ঘটনাগুলো আল্লাহতায়ালার আদেশেই ঘটানো হয়েছিল। সেই সাথে এসবের ব্যাখ্যাও স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয়া হলো।

    কিন্তু নিরাপরাধ মা ও কচি শিশুকে নির্জন মরুতে নির্বাসন/ বিসর্জন/ বর্জন/ ত্যাগ কোরে আসা এবং তুচ্ছ কারণে বিবি তালাকের গল্পের ভিত্তি কি? স্রষ্টার গ্রন্থ আল-কোরআনে এসবের স্পষ্ট কোন ইংগিত বা ব্যাখ্যা আছে কি?

    যে জ্ঞান সত্য ও মিথ্যার মাঝ থেকে সত্যকে চয়ন ও গ্রহণ এবং মিথ্যাকে চিনে নিয়ে তা বর্জন করার মত অন্তর্চক্ষু উন্মোচিত করতে পারেনা বরং অন্ধত্বকে উস্কে দেয়, সেই জ্ঞানার্জনের সবই বৃথা।
    ধন্যবাদ, শুভকামনা রইল।

     

     

     

     

     

    1. 5.1
      এম_আহমদ

      @মাহফুজ:

      (১) প্রথমে একটি প্রশ্ন। আপনি কি sotto?

      (২) আপনি কোন স্বপ্নের কথা বলছেন? পুত্র কোরবানীর? এটা কি কোরানে নেই?

      (৩) নৌকায় স্থাপিত নারীর উপমা অত্যন্ত প্রসঙ্গগত।

      (৪) বোখারীর হাদিসে মা হাজেরার নাম বলা না হলে সেই হাদিসের এবারত কোন গল্প হয়ে যায় না। এই হাদিসটি ১৪/৩৭ আয়াত ও মা হাজেরাসহ ইসমাইলকে (আ) নির্বাসনের উপর অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। এতে ইসমাইলের নাম এসেছে। ইসমাইলের (আ) মা উল্লেখ হয়েছে। ইব্রাহীম (আ) তাদেরকে মক্কায় নিয়ে আসার কথা বলা হয়েছে। হাজেরা শব্দ বলা হল না, তাই এবারত গল্প হয়ে যায় না। এটা কেবল বিকল মস্তিষ্কের লোকেরাই ভাবতে পারে।

      (৫) স্ত্রী-পুত্রকে শিন শিন মরুর বুকে রেখে আসা যদি আপনার কাছে বানানো গল্প হয় তবে এটা আমার কাছে গল্প নয়। আমার কথা আমি হাদিসের আলোকে বলেছি। কেউ ইচ্ছে করলে মানবে, না মানলে নাই। আমার কাছে, হাদিসের ভিত্তিতে এবং ইসলামী ঐতিহাসিকতায়, এই বিবরণটি প্রতিষ্ঠিত। এটি হাদিসের সাথে এবং কোরানের ১৪/৩৭ সাথে সঙ্গতিশীল এবং এটা বড় বড় মুফাসসিরগণও গ্রহণ করেছেন। কুরতুবি থেকে প্রথমে উদ্ধৃতি দিয়েছি। এবারে আপনি কেডা? আপনি না মানলে আমার কি হল? আমি কেন উপরোক্ত উৎসসমূহ বাদ দিয়ে আপনার এই প্রশ্নে সেই প্রশ্নে মাথা ঘামাব? আপনি বরং আমাকে প্রশ্ন না করে আপনার অবস্থান ও উৎস দেখাবেন। সেটা কি করেছেন? এটা করেন। তারপর হয়ত আলোচনা হতে পারে।

      (৬ক) মূর্তিগুলো ভেঙ্গেছে ওদেরই বড় মূর্তি! এই প্যারাফ্রেজটি আমার, এটা কোরানে পেয়েছি। খোঁজ করে দেখেন। যে প্রেক্ষিত ও যুক্তির প্রতিকূলে এটি উল্লেখ করেছি কেবল সেই প্রেক্ষিতে আলোচনা হতে পারে। নতুবা সরে থাকবেন।  

      (৬খ) এখানে যে প্রসঙ্গ চলছে সেই প্রসঙ্গের বোখারীর হাদিস আপনার কাছে গল্প হলে আমার কাছেও কি গল্প? যে যুক্তিতে এই হাদিসকে গল্প উল্লেখ হয়েছে এবং যে যুক্তির অসার-প্রেক্ষিত সমর্থনে আপনি প্রক্সি দিচ্ছেন সেই ধরণের যুক্তির প্রেক্ষিত কোরানের ক্ষেত্রেও রয়েছে। আপনি কি বুঝে কোরান “ব্যাখ্যায়” নেমেছেন? আপনার ধারণা কি এই যে আমি এবং এখানকার পাঠকগণ আপনি যে বয়ান দিয়েছেন তা কেউ জানেন না? এই আলোচনা কি এই পর্যায়ের?

      (৬গ) আপনার “ব্যাখ্যা” আর কোরানের “টেক্সট” কি একই মাত্রার বিষয়? তবুও নিজের অবস্থান প্রতিষ্ঠিত করতে যদি “ব্যাখ্যার” আশ্রয় নিতে হয় তবে কোরানের ১৪/৩৭ আয়াতের অতি “সামান্য” ব্যাখ্যাতে ইব্রাহীম (আ.) কর্তৃক পুত্রসহ হাজেরাকে নির্বাসন দেবার বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। অধিকন্তু এটা আল্লাহর নির্দেশে হয়েছে বলে সহিস হাদিসে পাওয়া যায়। এরপর কোথাকার কোন অজানা ব্যক্তি/দল এই প্রতিষ্ঠিত এবারতকে (যাকে কোরান ও হাদিস সমর্থন দেয়) অস্বীকার করে ফেলল, এজন্য আমি কেন তাদের সাথে বিতর্কে সময় নষ্ট করব?

      (৭) আপনার দৃষ্টিতে যে হাদিসটি “গল্প” সেই দৃষ্টি টেনে আমাকে শিরকের ব্যাপারে সাবধান করবেন –আপনার বিবেক কি এতটুকু? ঘটনা কি এমন হয়ে পড়বে যে কেউ হাদিস অস্বীকৃতির কুযুক্তি মানল না দেখে তার মাথায় শিরকের এলজাম স্থাপন করে ফাতোয়া-ছোঁয়া ভাষায় সাবধানী বাক্য ব্যবহার শুরু করবে? এতে কি তার যুক্তি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়? আর বুঝি স্থান পাননি! যে হাদিস এখানে আলোচিত হচ্ছে সেখানে শিরকের কোনো স্থান নেই। কোনো এক আলোচনায় যদি এক পক্ষ “তার যুক্তির” মাধ্যমে একটি সহিস হাদিসকে “গল্প” বলে উড়িয়ে দেয়, এবং সেই একই যুক্তিকে যদি অন্য পক্ষ কোরানের ক্ষেত্রে proposition এ এনে তার যুক্তির অসারতা দেখিয়ে দেয় তবে এক তৃতীয় পক্ষ এসে কি কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে শিরকের দোহাই পাড়বে এবং অবস্থান না বুঝে কোরান “ব্যাখ্যায়” নেমে যাবে? আপনি হচ্ছেন সেই তৃতীয় পক্ষ। এখানে কোরানের টেক্সট, না টেক্সটের “ব্যাখ্যা” নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? না টেক্সট ও ব্যাখ্যায় পিছনের যুক্তি আলোচিত হচ্ছে? আপনার কি ধারণা যে প্রসঙ্গত পুত্র-কোরবানী, মুর্তিভাঙ্গা, মুসা ও এক বান্দার ঘটনা সম্বলিত আয়াতের “ব্যাখ্যা”  আমার বা এখানকার পাঠকদের জানা নেই যে আপনি ধড়াস করে “ব্যাখ্যা” দিতে নেমে পড়বেন? যে যুক্তির প্রেক্ষিতে এই উদাহরণ উত্থাপিত হয়েছে তা কি বুঝেছিলেন?  কি বুঝে কোরান ব্যাখ্যার নেমেছিলেন? Counter proposition এ যাকিছু উত্থাপিত হয়েছে –তা কি “আমার” ধারণা? এই সমঝ নিয়ে বুঝি প্রক্সি দিতে এসেছেন? নিজে বুঝবেন না, কিন্তু অপরের অবস্থানকে শিরকের আওতায় টানবেন –এটা কোন ধরনের আলোচনা?  

      মূলত শিরকের কিছু থাকলে তা আধুনিকতার যুক্তির আলোকে সহিস হাদিস অস্বীকারকারীদের মধ্যে নিহিত দেখা যাবে। এখানেই তাদের ‘গাইরুল্লাহ’। সে ধর্মের যেসব বস্তু আধুনিক হিউম্যানিস্ট যুক্তিতে পাবে – তা’ই মানবে। আর যা পাবে না, তা’ই সে অস্বীকার করবে, যদি তা সহিস হাদিসও হয়। এখানে সে তার যুক্তিকেই ‘ইলাহ’ করে নিয়েছে (২৫:৪৩)। ‘তার’ যুক্তি, ‘তার’ বুঝ, ‘তার’ মানবতাবোধ নবীর বাণীর মোকাবেলায়ও বড়। কারণ “তার” যুক্তির ধোপে নবীর বাণী ঠিকে না, তাই সে তা সমর্থন করে না এবং সহিস হাদিসকেও বানোয়াট ভাবে! কোরানের লিটারেল ইন্ট্রারপ্রিটারদেরকেও স্থানভেদে মুশরিক দেখায়। অতঃপর যারা ধর্মীয় অন্তর্দৃষ্টির অভাবে নিজের যুগের আধুনিক যুক্তিকে ইলাহ করে নিয়েছে তারাই ধর্মের নামে অন্ধত্ব প্রচার করে, আত্ম-প্রতারণাই তাদের জ্ঞানার্জনের ও ঈমানের প্রধান অন্তরায়। এরা এখনো রাসূলের উপর বিশ্বাস আনতে পারেনি। বিশ্বাস তাদের নিজেদের ‘যুক্তিতে’ সীমাবদ্ধ।
       

      1. 5.1.1
        মাহফুজ

        *নাম ভিন্ন হলেও sotto এবং আমি বিশ্বাসে ও চেতনায় একই পথের পথিক।

        *ইব্রাহীম (আঃ) যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা অবশ্যই সত্য। কারণ কোরআনে তার উল্লেখ আছে। এ সম্পর্কে আমার বক্তব্য ও বিশ্বাস আমার লেখাতেই স্পষ্ট বলেছি-
        ১) কোরবানি সম্পর্কে এক হিন্দুর হাস্যকর দাবি-

        ২) কুরবানি সম্পর্কে কিছু মন্তব্য, প্রশ্ন ও তার জবাবে বলছি-

        ৩) মানব হত্যার বিনিময়ে সিদ্ধি লাভ! নাকি মহাপাপ?

        *আর নৌকায় নারী কিংবা নরের উপমা নিয়ে আমার কোন আগ্রহ নেই।

        * "হাজেরা"- নামটি কোরআনে তো নেই, হাদিছেও নেই। তাহলে নামটি আপনি/ আপনারা পেলেন কোথায়? কার কাছ থেকে ধার কোরে এন ইসলামের সাথে যুক্ত করলেন।

        * আপনার অবস্থান ও উৎস আপনার কথা ও ভাষাতেই স্পষ্ট। তাই//আপনি কেডা?// আপনার এহেন প্রশ্নই আপনার অহংবোধের পরিচয়ের জন্য যথেষ্ট।

        * //মূর্তিগুলো ভেঙ্গেছে ওদেরই বড় মূর্তি! এই প্যারাফ্রেজটি আমার, এটা কোরানে পেয়েছি। খোঁজ করে দেখেন। যে প্রেক্ষিত ও যুক্তির প্রতিকূলে এটি উল্লেখ করেছি কেবল সেই প্রেক্ষিতে আলোচনা হতে পারে। নতুবা সরে থাকবেন।//

        সরে থাকব কেন? এসব খোঁজাখুজি অনেক আগেই শেষ করেছি। কাজেই আলোচনা হতেই পারে- অনুগ্রহপূর্বক আগে এখানে দেখুন  

        * না, অন্য কারো যুক্তির অসার-প্রেক্ষিত সমর্থনে প্রক্সি দিতে আমি অভ্যস্ত নই। আমি যা বলি তা জেনে বুঝে বলি এবং তার সব দায় আমারই।

        * আপনার/ আপনাদের কাছে যে ব্যাখ্যা স্পষ্ট, আমার কাছে সেই স্পষ্টতার কোন মূল্য নেই। কোন জানা হোক বা অজানা ব্যক্তি/দল হোক, যা কোরআনের সাথে সম্পর্কিত নয় সেরূপ অস্পষ্ট কোন কাহীনিকে যতই প্রতিষ্ঠিত এবারত (যাকে কোরান সমর্থন দেয় না) দেখিয়ে স্বীকার করে নিল ও প্রচার করল, তাতে আমার কোন আগ্রহ নেই।

        * আধুনিকতা নয় অন্ধত্বের মধ্যেই শিরকের ছায়া প্রচ্ছায়া বিস্তার লাভ করে। তাই শিরক শুধু আধুনিক কালেই নয়, বরং অংশিবাদী  মনোভাব সেকালেও ছিল এবং যা সব কালেই ছদ্মবেশে বিচরণ করে। প্রাথমিকভাবে বিশ্বাস যুক্তির ঊর্ধ্বে হলেও, তা কখনই যুক্তিনির্ভর হতে পারবেই না, এমন অন্ধ দর্শনে আমি বিশ্বাসী নই।  
        ধন্যবাদ-

         

        1. 5.1.1.1
          এম_আহমদ

          @মাহফুজ:

          (১) আমি আপনাকে এই প্রশ্ন করিনি: ‘Sotto ও আপনি কি একই পথের পথিক অথবা একই চেতনার লোক? প্রশ্ন ছিল, ‘আপনি কি Sotto?’ হয় আপনি Sotto অথবা না। কিন্তু … যা স্পষ্ট হবার তা হয়েছে।

          (২) পুত্র কোরবানীর কথা যদি কোরানে থাকল তবে ‘যে গল্প বা স্বপ্নের ভিত্তি মৌল গ্রন্থ আল-কোরআনের সাথে সম্পর্কিত নয়, অথচ জোর কোরে টেনে হেঁচড়ে সম্পর্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়’ –এই বাক্যে কোন স্বপ্ন ছিল যা টেনে হেঁচড়ে আনা হচ্ছিল? আর কথায় কথায় আপনার গারবেজ রচনার দিকে রেফারেন্স মারেন -এটা কেন? হিন্দুর কোন দাবি আর কোনটি হাস্যকর   -- সেসব কথা সবখানে টানার দরকার কি? যে গারবেজকে বিদ্যা ভাবছেন তা দেখানো? প্রচার?

          (৩ক) আপনার কাছে বোখারীর হাদিস অস্বীকার করার কোনো “দলিল” নেই। আছে আপনার বিভ্রান্ত assumption এবং sentiment. হাদিসটি উল্লেখ করে আপনি বলছেন:
          “মানবজাতির নেতা ও আল্লাহর বন্ধু হিসেবে ঘোষিত নবীর যোগ্য স্ত্রী হিসেবে খ্যাত হযরত সারা (আঃ) এর মত একজন বিশ্বাসী নারী যে এরূপ হিংসা পরায়ণ এবং এতটা নিষ্ঠুর প্রকৃতির ছিলেন (নাউযুবিল্লাহ)- যে হাদিছে এই ধরনের বক্তব্য রয়েছে তা কি স্বাভাবিক বলে মনে হয়!? তাছাড়া  সারার (আঃ) যে এমন প্রকৃতির ছিলেন আল-কোরআনে এ ধরনের বিন্দুমাত্র ইংগিতও নেই। সুতরাং হাদিছের এই বয়ান সন্দেহযুক্ত ও বানোয়াট হবার সম্ভাবনাই বেশি নয় কি?”

          এই মন্তব্যে যে conjecture প্রকাশ হয় তার মাধ্যমে হাদিসের দালিলিক বর্জন হয় না। শেষের প্রশ্নটি কোরানের অনেক স্থানেও প্রসারিত করা যাবে, যা পরে দেখাচ্ছি।

          (৩ খ) সারা একজন যোগ্য নবীর স্ত্রী তাই তিনি মানবিক গুণের ঊর্ধ্বে থাকবেন –এই হচ্ছে এক পর্যায়ের শিরকী ধারণা এবং এটা যুক্তির দিক দিয়ে অসার। সারা ও হাজেরার মধ্যে কি কলহ বিবাদ থাকতে পারবে না? সারা কীরূপ নারী ছিলেন, তার আচার আচরণ কীরূপ ছিল, হাজেরার সাথে তার সম্পর্কের স্বরূপ কী ছিল, এধরণের অপরাপর জরুরি তথ্য কি আপনার কাছে আছে? কোন কোন দালিলিক ভিত্তিতে সারা, হাজেরা, ইব্রাহীম ইসমাইলের (আ) এর ব্যাপারে আপনি কোন ধরণের মন্তব্য প্রকাশ করতে পারেন? কোনো conjecture বা assumption এর evidence কি হবে? হাজার হাজার বছর আগের ঘটনার সবকিছু এখন আপনি বুঝে ফেলেছেন?  আপনার সমঝের উৎস কি -তা কি বলতে হবে না? ‘Your only argument is the absence of evidence in the Quran কিন্তু তা স্বত্বেও আপনি তাদের ব্যাপারে মন্তব্য করেই যাচ্ছেন! সহিস হাদিসের evidence অস্বীকার করছেন। ইতিহাস উড়িয়ে দিচ্ছেন। হাদিস যে evidence দিচ্ছে তা কি কোরানের কোনো আয়াত refute করছে? করলে কোন আয়াত? যদি না করে, তবে কীসের ভিত্তিতে আপনি সহিস হাদিস অস্বীকার করছেন? আপনার কাছে কি অন্য কোনো ‘বিদ্যা’ রয়েছে যার আলোকে হাদিসের দেয়া তথ্যকে refute করা যায়? আবার ‘কোনো একটি হাদিস সত্য নয়’ -এমন বিষয় প্রমাণ করতে যেসব পদক্ষেপ অবলম্ব্বন করতে হয় তা অবলম্বন করে কি কিছু প্রমাণ করেছেন? কীসের ভিত্তিতে এতসব কথা? আর এই অবস্থান নিয়ে আমার সাথেই বা বিতর্ক করার অর্থ কি? কোরান কি মানব সমাজের পুঙ্খানুপুঙ্খিক ইতিহাসের গ্রন্থ?

          (৩ গ) তারপর, এই নির্বাসনের কাজটি ইব্রাহীম করতে পারবেন না! কারণ? কারণ হচ্ছে এমন কাজ তার পক্ষে সাজে না। কোনো দলিল আছে? নাই। তাহলে কারণ? একমাত্র কারণ সেই একই কারণ -এটা আপনার মানবিক যুক্তিতে ধরে না। কেননা কাজটি আপনার ‘বুদ্ধিতে’ অন্যায় দেখাচ্ছে। মানব জাতীর নেতা ও মানব প্রেমিক নবীর বেলায় এমন কাজ শোভা পায় না! “তাই” এগুলো হাদিসের বানোয়াট কাহিনী হতে হবে। দৃশ্যত এই হচ্ছে আপনার অবস্থান!

          (৩ ঘ) কিন্তু কোরানে ইব্রাহীমের পরিবারকে কোনো এক স্থান থেকে এনে (যে অঞ্চলে আল্লাহর ঘর সেখানে) আবাসন করার কথা রয়েছে। এই স্থানে তারা আগে ছিলেন না। স্বাভাবিকভাবে তারা আগে ‘অন্যত্র’ ছিলেন। তারা আগে কোথায় ছিলেন? কোরানে আছে? নাই। তাদের এই নতুন স্থানে ফল-ফসল ছিল না। কারণ ওখানে কেউ কিছু ফলায় নি। কেউ থাকলে তো অবশ্যই ফলাত। এবং কম বেশি কিছু ফলন হত। এই এতগুলো কথার মধ্যে তার পরিবারকে জনহীন স্থানে স্তানান্তরের স্পষত স্পষ্ট কথা রয়েছে। এই স্থানে তিনি তার পরিবার রেখে যাবেন এটা মানবিক আর হাদিসের এবারত বুঝি অমানবিক?

          (৩ ঙ) হাদিস বর্জনের পক্ষে আপনার কোনো ‘দলিল’ নেই। যা আছে তা হল আধুনিক মানবতাবাদী conjecture এবং সেন্টিমেন্ট। মূর্খ কোরান অনলিগণদেরকে যখন তাদের যুক্তির অনুরূপ স্থান কোরানে দেখিয়ে দেয়া হয় তখন তারা “নিজেদেরর পক্ষ” থেকে কিছু কথা সাজিয়ে গুজিয়ে কোরানের এবারতকে ‘হিউমেইন’ দেখাবার চেষ্টা করে যা হাদিসের বেলায় করতে যায় না। এখানে কোরান ও হাদিসের ক্ষেত্রে তাদের যৌক্তিক অবস্থান incoherent. এখানে যুক্তির ও সমঝের অভাব’। এক্ষেত্রে তারা যুক্তির নামে যা ব্যবহার করে তা হয় lay arguments. হাদিসের বেলায় যে conjecture দেখানো হয়েছে তা কোরানেও প্রসারিত করা যায়, এভাবে:

          ইব্রাহীম (আ) কি পর ধর্মের মূর্তি ভাঙ্গার মত অমানবিক কাজ করতে পারেন? তিনি স্বপ্নে দেখে নিজ নিরাপরাধ পুত্রকে কোরবানী করার মত অমানবিক, নিষ্ঠুর কাজ করতে উদ্যত হতে পারেন? উত্তরটা আপনার কথার ধারায় আসুক, “যে হাদিছে [কোরানে] এই ধরনের বক্তব্য রয়েছে তা কি স্বাভাবিক বলে মনে হয়?” [বিশ্ব জাহানের মালিকের নামে চালিয়ে দেয়া “গল্প” ?] আপনার যুক্তিতে এখন কোরানও বাদ দিতে হবে নায়ূযুবিল্লাহ, নায়ূযুবিল্লাহ, নায়ূযুবিল্লাহ।

          (৩ চ) স্পষ্টত আপনার ভ্রান্ত ধারণার ভিত্তিতেই মুসলমানদেরকে হাদিস-বিমুখ করার প্রবণতা দেখাচ্ছেন।

          “সব সময় স্মরণ রাখা উচিত যে, মিথ্যা বোধ স্রষ্টাকে শুধুই ভয় করতে শেখায়। আর সত্য বোধ ভয়ের সাথে সাথে শ্রদ্ধা ও ভালবাসার প্রকাশ ঘটায়।”

          (৪) এখানের যুক্তি হচ্ছে মিথ্যাবোধের সাথে স্রষ্টা-ভীতি সম্পর্কিত। আপনি যুক্তি বুঝতে পারেন না এটা হচ্ছে তার সাক্ষাৎ উদাহরণ। কোরানে আল্লাহকে ভয় করার কথা বার বার উল্লেখ হয়েছে। সুতরাং এই যুক্তিতে কোরান মানুষকে মিথ্যাবোধের সাথে সম্পর্কিত করতে চায়। আবার সত্যবোধের সাথে স্রষ্টা ভীতি অসঙ্গতিপূর্ণ দেখায়। এখানেও কোরানের খোদাভীতির সাথে সত্যবোধের সম্পর্ক নেই! আপনার যে যুক্তি-জ্ঞান নেই শুধু তা’ই নয়, আপনাতে পাগলামিও রয়েছে। যুক্তিহীনতার এই কালো আঁধার থেকে বরং অন্ধত্ব থেকেই হাদিস অস্বীকার করে বসেছেন। আর না বুঝে কোরানের উদ্ধৃতি মারছেন। এইসব ধানাই পানাই আমার এখানে না করে, অন্যত্র করতে পারেন।

           

          (৫) হাজেরা নাম নিয়ে কেন এত প্যান প্যান করা হবে? ইসমাইলের (আ) মাকে যদি আহলুল কিতাবরা হাজেরা বলে ডেকে থাকে এবং মুসলিম ধারায়ও যদি সেই নাম একই পরিচিত হয় থাকে তবে এতে কোন “সত্য” বিঘ্নিত হয়? হাজেরা বলাতে কি এই নাম ‘ইসলামের সাথে সংযুক্তি’ বুঝায়? ইসলাম কি? শুনেন, আপনি আমার সাথে তর্ক নিয়ে আসবেন না। এতসব পার্থক্য নিয়ে কীসের আলোচনা?
           

          “আপনার অবস্থান ও উৎস আপনার কথা ও ভাষাতেই স্পষ্ট। তাই//আপনি কেডা?// আপনার এহেন প্রশ্নই আপনার অহংবোধের পরিচয়ের জন্য যথেষ্ট।”

           

          (৬) কোনো quote তার পূর্ণ প্রেক্ষিত ছাড়া ব্যবহার করবেন না। এটা অসৎ কাজ। আমার কথা ছিল, “আমার কাছে, হাদিসের ভিত্তিতে এবং ইসলামী ঐতিহাসিকতায়, এই বিবরণটি প্রতিষ্ঠিত। এটি হাদিসের সাথে এবং কোরানের ১৪/৩৭ সাথে সঙ্গতিশীল এবং এটা বড় বড় মুফাসসিরগণও গ্রহণ করেছেন। কুরতুবি থেকে প্রথমে উদ্ধৃতি দিয়েছি। এবারে আপনি কেডা? আপনি না মানলে আমার কি হল? আমি কেন উপরোক্ত উৎসসমূহ বাদ দিয়ে আপনার এই প্রশ্নে সেই প্রশ্নে মাথা ঘামাব? আপনি বরং আমাকে প্রশ্ন না করে আপনার অবস্থান ও উৎস দেখাবেন। সেটা কি করেছেন? এটা করেন। তারপর হয়ত আলোচনা হতে পারে।” এই কথাতে যদি আমার অহংকার প্রকাশ পায়, তবে পাক, for you the simple best thing would be to stay away. You have not answered the questions raised.  

          মূর্তিগুলো ভেঙ্গেছে ওদেরই বড় মূর্তি ! এই প্যারাফ্রেজটি আমার, এটা কোরানে পেয়েছি (21/63)

          (৭) উল্লেখিত প্রসঙ্গে আমাকে কিছু না বলে চুপচাপ আপনার গারবেজ লেখার দিকে রেফারেন্স মেরেছেন। আমি সেখানে গিয়ে দেখলাম হায় হায়! যে বিষয়ে আপনার সামান্যতম জ্ঞান নেই তা নিয়ে স্তূপীকৃত ‘বাক্য-রচনা’! স্পষ্টত বুঝা গেল আপনি আরবি জানেন না। আপনি কী আলোচনা করবেন? আপনার আলোচনার বেইসিস কি? এই বাক্যের অর্থ নিয়ে আমি আপনার সাথে কী আলোচনা করব? এই বাক্যের ফা‘আলা (فعل) ক্রিয়াপদের فاعل কোনটি, مفعول কোনটি? এসব প্রাথমিক ব্যাকরণ না বুঝে অমুকের কথা, তমুকের কথা দিয়ে ধানাই পানাই কি আমাদেরকে শুনাতে হবে?

          (৮ক) আপনি আগ্রহ নেই বলে যত কথা বলেছেন তা ছিল মিথ্যা। অনাগ্রহের কারণে এত কথা বলেছিলেন?

          (৮খ) হাজেরা ও ইসমাইলের ঘটনা সরাসরি কোরান ও হাদিসের সাথে সম্পর্কিত। এটাই ইসলামী সাহিত্যে পাণ্ডিত্যের সাথে প্রতিষ্ঠিত। কোথাকার কে এসে নাই বলল, আর অমনি কি তা নাই হয়ে গেল? কোরান কোনো ফাজিলের ব্যক্তিক ধানাই পানাইয়ের অর্থে প্রতিষ্ঠিত নয়। আপনি কোরানের অর্থ নিয়ে আলোচনার কোনো যোগ্য ব্যক্তি নন। ধানাই পানাইয়ে কোরানের অর্থ নিহিত নয় এবং তা গ্রহণযোগ্য নয়। হাজেরা ও ইসমাইলের ঘটনা  নিয়ে যা বলেছি তা একান্ত আমার নয়, ‘আমাদের’ –যা হাদিসে আছে, তফসীরে আছে, ইতিহাসে আছে। আপনার মত কারো কাছে এর মূল্য না থাকলে আমার কী আসে যায়?

          (৯) আপনার হাদিস অস্বীকারের ‘যৌক্তিক–ইলাহ’ সম্পর্কে আগেই বলেছি। যে যুক্তিতে হাদিস অস্বীকার করছেন সেই যুক্তি কোরানেও রয়েছে। যুক্তির সমঝ আত্মস্থ করুন। তবেই বুঝবেন। এর আগে আপনাকে কেউ বুঝাতে পারবে না।

        2. মাহফুজ

          আপনি অনেক বড় আকারে উত্তর দিলেও এর মর্ম যে নিজেও উপলব্ধি করতে পারেন না, আর একের পর এক প্রশ্ন করলেও এসবের সঠিক উত্তর যে আপনার নিজেরও জানা নাই, তা আমি জানি।

          আপনি/ আমি/ অন্য যে কেউ যদি কোন স্বপ্ন দেখে তা সত্য বলে দাবি করে, তাহলে সেই স্বপ্নকে সত্য হিসেবে ভাবা ও প্রচার করা কখনই গ্রহনযোগ্য নয়। এখানে ইব্রাহীম (আঃ) এর স্বপ্নকে টেনে আনলেন কোন যুক্তিতে? তাই আমার লেখার লিংকগুলো দিতে বাধ্য হয়েছি। এগুলো আপনার ভাল না লাগতেই পারে। এরূপ সত্যবচন স্বার্থবাদী, কোরআন বিরোধী ও কোরআনকে হাদিছ দ্বারা বিকৃতকারীদের ভাল না লাগাটা অস্বাভাবিক নয়। আপনার অন্ধ হৃদয় যা গারবেজ ভাবছে ও বলছে, অনেক চক্ষুষ্মান ধর্মপ্রাণের কাছে তা সত্য বলেই প্রতিষ্ঠিত। কারণ তারা হাদিছ অস্বীকার করেন না, কিন্তু তাই বলে কোরআনের উপরে হাদিছকে প্রাধান্যও দেননা।

          সারা একজন যোগ্য নবীর স্ত্রী তাই তাকে সকল মানবিক গুণের ঊর্ধ্বে থাকতেই হবে এমন কথা আমি বলি নাই। দোষ-গুণ নিয়েই মানুষ, তাই পারিবারিক মান অভিমান টানাপোড়েন থাকতেই পারে। কিন্তু তাই বলে হিংসা ও জিঘাংসার যে রূপ আপনাদের গল্পে ফুটে ওঠে, তা ফিল্মের মহিলা ভিলেনের চরিত্রকেও হার মানায়। যাই হোক, অন্ধ অন্তরে যে এসব দাগ কাটেনা তার বড় প্রমাণ পেলাম।

          ইব্রাহীমের (আঃ) পরিবারকে কোনো এক স্থান থেকে এনে জনমানবহীন স্থানে এবং যে অঞ্চলে আল্লাহর ঘর সেখানে আবাসন করানোর কথা কোরআনে আছে বলেই কি নবীর বড় স্ত্রীর হিংসা ও জিঘাংসার পট রচনা কোরে নিরাপরাধ মা ও তার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে নির্বাসনে পাঠানোর অমানবিক নাটক সাজাতে হবে!? স্বাভাবিকভাবে এক স্থান থেকে অনত্র গমন ও আবাসন কি অসম্ভব ছিল? সে ধরনের কোন ইংগিত কি পবিত্র কোরআনে আছে? নাকি কোরআনের বর্ণনায় স্বাভাবিক আবাসনের কথাই প্রকাশ পায়? আসলে কেচ্ছা কাহিনী শুনবার  ও শোনানোর নেশায় একপর্যায়ে ধর্মকেও ছাড়া হয় নাই। কোন নাটকে ও নভেলে কে কাকে কি বলে ডাকল, তার গান আমার কাছে গেয়ে লাভ হবে না। আমাকে যতই গাল-মন্দ করেন, মনে রাখবেন! এসব মানব রচিত গল্প অস্বীকার করার জন্য কোরআনের দলিলই আমার জন্য যথেষ্ট। যারা হাদিছের নামে এসব মিথ্যা নাটক রচনা ও পরিবেশনার সাথে যুক্ত, তাদেরকে সেইদিন অবশ্যই জবাব দিতে হবে।

          আর "অন্ধত্বের-ইলাহ" এর মধ্যে আকণ্ঠ নিমজ্জিত অহংকারী ও কোরআন বিকৃতকারী জ্ঞানপাপীদের তো নিস্তার নেই। খাঁটি বিশ্বাস, জ্ঞান ও যুক্তির আলোয় আপনার এ অন্ধত্ব ও বিভ্রান্তি ঘুঁচে যাক- সেই কামনাই রইল।
          সালাম——-
           

           

           

        3. এম_আহমদ

          @ মাহফুজ

          এই আলোচনাটি আপনি [বাস্তবের লোক যেই হোন: অর্থাৎ ‘একই বিশ্বাসে, চেতনা ও পথের পথিক’ Sotto ও মাহফুজ] হিসেব অত্যন্ত প্রতারণার সাথে শুরু করেন।

          এই শুরু ছিল বিনয়ের নামে দাম্ভিক দেখানো, ‘জানার’ নামে বিতর্ক, ফাজলামি, ইতরামি করা। এই এই ইতরামীকে  ১.১.১.১ মন্তব্যে address করেছি।

          ইব্রাহীম তাঁর পরিবারকে নির্বাসন দেয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করেই আলোচনা শুরু হয়েছে। আমাকে আমার কাছে রেফারেন্স চেয়েছিলেন। আমি কোরান ও হাদিসের রেফারেন্স দেই। আপনাকে [‘একই পথের’ নিককে] একজন ফাজিল, ফাতরা জেনেও উত্তর দিতে গিয়েছি।

          কিন্তু ‘কোরান’ বলতে আপনি যেহেতু আপনার ‘ব্যাখ্যার’ কোরান বুঝেন এবং হাদিসকে আপনারই নিজ শয়তানী ও মূর্খ যুক্তির ভিত্তিতে অস্বীকার এবং পরিত্যাগ করেন তাই এই ঘটনাকে গল্প বলেই বিতর্ক শুরু করেছেন।

          ‘একই পথের পথিক’ (এবারে specifically Sotto) খবিস নিকটির সাথে ফাতরামি ও মূর্খতার কারণে ইতিপূর্বে আলোচনা করতে দারুণভাবে অনাগ্রহ প্রকাশ করায় সে সরে পড়েছে।

          এবারে অন্য নামে শুরু হয়েছে সেই ইতরামি।

          আপনি কোরান/হাদিস নিয়ে বিতর্ক করতে চান। অথচ আরবি জানেন না; হাদিস মানবেন না; ইতিহাস মানবেন না -আমার সাথে এই বিতর্কের মানিটা কি? আমি যে এগুলো মানি। এটা আপনিও জানেন।

          কিন্তু এই কথাটি জানার পরও আপনি আমার সাথে কথা বলতে আসবেন কেন? কোন বস্তু আপনাকে এই মর্মে অবগত করে যে আমি আপনার কথা মেনে নেব অথবা আমাদের মধ্যে কোনো ফলপ্রসূ আলোচনা সম্ভব?

          কিন্তু আপনি এমন ব্যক্তি যার মনে নানান বিষয় কিড়বিড় করছে সে বিতর্ক খোঁজে বেড়াবে, এটা স্বাভাবিক কিন্তু আমার সাথে কেন?

          আমি অনেক প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। আপনার যুক্তির ভুল কোথায় তা দেখিয়েছি। যে যুক্তিতে হাদিস অস্বীকার করছেন সেই যুক্তিতে কোরানের অনেক স্থান অস্বীকৃত হতে পারে তা দেখিয়েছি, যাতে করে এই ভুল পথে পা বাড়াতে না হয়।

          যত প্রশ্ন দেখেছি সবগুলোর উত্তর দিয়েছি। কিন্তু উত্তর পেয়েও বলবেন উত্তর পাননি; আমি প্রশ্ন করলে সেটির অনেক সময় দেবেন না – অথবা এড়িয়ে গিয়ে নতুন কিছু শুরু করবেন; আপনার নিজের ভুল কোরানিক ব্যাখ্যাকে “কোরানের” তথ্য বলে assume করবেন -এসবের উদাহরণ উপরে বিরাজ করছে, অতিরিক্ত বলার কিছু নেই।

          আমি আগ থেকে এসব জানি এবং আগ থেকেই হাদিস অস্বীকারকারীদের সাথে, পারতপক্ষে, বিতর্ক করতে চাই না। আপনি প্রতারণার মাধ্যমে এসেই প্রথমে ইব্রাহীমের বিষয়টিকে টানেন এবং হাদিসের বিবরণকে “গল্প” বলে ফাতরামি শুরু করেন। ফাতরা লোকের কাজ এর চেয়ে চেয়ে ভাল কী হতে পারে?

          তারপর আমার এবং আমাদের এই অবস্থানকে অন্ধত্ব হিসেবে দেখাতে যান। তারপর শিরকের সতর্ক বাণী দেন। কিন্তু আমি কড়া উত্তর দিলে কান্না শুরু করেন।

          এবারে আপনার ‘নিক’টি যা বলেছে তার উত্তর আমি নিম্নে স্কয়ার বন্ধনীর ভিতরে দিতে যাচ্ছি। আমাদের মধ্যে আকাশ পাতাল পার্থক্য এবং আমি মনে করি একজন ফাতরা ইতর, তাই আপনার সাথে আলোচনার দরকার নেই।

          _________________________
          প্রতিমন্তব্যঃ    
          _________________________

          আপনি অনেক বড় আকারে উত্তর দিলেও এর মর্ম যে নিজেও উপলব্ধি করতে পারেন না, আর একের পর এক প্রশ্ন করলেও এসবের সঠিক উত্তর যে আপনার নিজেরও জানা নাই, তা আমি জানি। [আপনার সব উত্তর দেয়া হয়েছে। কোনটি বাকী রয়েছিল? উত্তর তো বরং আপনিই দেননি (উপর থেকে দেখুন)। এখন বলছেন ‘মর্মের’ কথা। কোন কোন বিষয়ের “মর্ম” আমি উপলব্ধি করতে পারিনি এবং আমার সেই না পারা উপলব্ধি আপনি কীভাবে উপলব্ধি করলেন? আমি তো আমার কথা উদাহরণসহ বলেছি। আপনিও সেগুলো উদাহরণসহ বুঝিয়ে দিন। কেবল মুখে বলে ফেললেই কি হয়?]

          আপনি/ আমি/ অন্য যে কেউ যদি কোন স্বপ্ন দেখে তা সত্য বলে দাবি করে, তাহলে সেই স্বপ্নকে সত্য হিসেবে ভাবা ও প্রচার করা কখনই গ্রহনযোগ্য নয় –[ইব্রাহীমের স্বপ্ন কি সত্য নয়? আমাদের নবীর স্বপ্ন কি সত্য নয়? ইউসুফের স্বপ্ন কি সত্য নয়? ইব্রাহীম কীভাবে জেনেছিলেন তার পুত্রকে কোরবানী করতে হবে? শুনেন, লাগছে আপনি একটা ফাতরা শয়তান। আপনি কেন আমার এখানে ফালতু বিতর্কে আমার সময় নষ্ট করতে আসেন? আপনার কি হায়া শরম নেই? আপনার যুক্তিজ্ঞান হচ্ছে মিথ্যাবোধের সাথে স্রষ্টা-ভীতি সম্পর্কিত। সত্যবোধের সাথে স্রষ্টা ভীতি অসঙ্গতিপূর্ণ। ‘হাজেরা’ বললে এই নাম ইসলাম ধর্মের অংশ হয়ে পড়ে। আপনার conjecture হচ্ছে কোরানী জ্ঞান। এসব হচ্ছে পাগলের অবস্থান। আরবি জ্ঞান বিবর্জিত, তফসীর জ্ঞান বিবর্জিত, হাদিস অস্বীকারকারী self-deluded, আত্মপ্রতারিত “জ্ঞানী”!]  

          এখানে ইব্রাহীম (আঃ) এর স্বপ্নকে টেনে আনলেন কোন যুক্তিতে? তাই আমার লেখার লিংকগুলো দিতে বাধ্য হয়েছি। এগুলো আপনার ভাল না লাগতেই পারে। [ইব্রাহীমের স্বপ্ন টেনে আনার প্রশ্ন তো আপনার, আমার নয়। ইব্রাহীমের স্বপ্নের যৌক্তিকতা নিয়ে আমাকে আপনার গারবেজ পড়ার আহবান হবে কেন? ইব্রাহীমের স্বপ্ন  তো আমার কাছে স্বীকৃত স্বপ্ন। এর “যৌক্তিকতা” আপনার কাছে চাইতে যাব কোন দুঃখে? আপনার মত লোকের কাছে কি আমি কোরান বুঝতে যাব? লক্ষ্য করুন, আপনি যখন ৫ং কমেন্টে বলেছিলেন, “… স্বপ্নের ভিত্তি মৌল গ্রন্থ আল-কোরআনের সাথে সম্পর্কিত নয়, অথচ জোর কোরে টেনে হেঁচড়ে সম্পর্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়” তখন জিজ্ঞেস করেছিলাম, ‘এখানে কোন স্বপ্নের কথা বলছেন?’ আর এতেই বুঝি ভাবে নিয়েছেলেন আপনার স্তূপীকৃত ‘অমূলক বাক্য রচনা’ পড়তে আমার আগ্রহে ঢল নেমেছে? আর অমনি লিঙ্ক মেরেছেন।  আপনার ‘লেখা’? আহারে এত lightly বলছেন কেন? monumental misunderstanding of the Quran!]  

          এরূপ সত্যবচন স্বার্থবাদী, কোরআন বিরোধী ও কোরআনকে হাদিছ দ্বারা বিকৃতকারীদের ভাল না লাগাটা অস্বাভাবিক নয়। [স্বার্থবাদী? বাংলায়ও মূর্খতা। কীসের স্বার্থবাদী? তারপর ‘কোরান বিরোধী’?  সাতখণ্ড রামায়ণ পড়ে সীতা কার বাপ! মূর্খামি পাগলমীতে গেলেই বুঝি আবুল-তাবুল কথা আসে? কোরান নিয়ে আপনার ধাপ্পাবাজি ও মূর্খামী ধরিয়ে দেয়ায়  গায়ে জ্বালা ওঠে -তাই না?]  ও

          কোরআনকে হাদিছ দ্বারা বিকৃতকারীদের ভাল না লাগাটা অস্বাভাবিক নয়। [থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়লে কতকিছু বলতে হয়। এখানে কোরানকে হাদিস দিয়ে বিকৃত করা হয়নি। আপনার মস্তিষ্ক যে বিকারগ্রস্ত এটি হচ্ছে তার প্রকৃষ্ট প্রমাণ। নিজ যুক্তি ও অবস্থান না বুঝেই হাদিস অস্বীকৃতি ও “মন-মত’ কোরান ব্যাখ্যায় নেমেন। আপনার যে যুক্তি হাদিস অস্বীকার করে, সেই যুক্তি কোরানেও আছে –এটা দেখিয়ে দেয়া হয়েছে।]

          আপনার অন্ধ হৃদয় যা গারবেজ ভাবছে ও বলছে, অনেক চক্ষুষ্মান ধর্মপ্রাণের কাছে তা সত্য বলেই প্রতিষ্ঠিত। কারণ তারা হাদিছ অস্বীকার করেন না, কিন্তু তাই বলে কোরআনের উপরে হাদিছকে প্রাধান্যও দেননা। [আপনারা হাদিস অস্বীকার করেন না? মিথ্যা কথা। নিজেদের মূর্খ ‘conjecture’কে হাদিসের উপর প্রাধান্য দিয়ে হাদিস বর্জন করছেন। কোরানের “ভুল-উপলব্ধিকে” কোরান বলে চালিয়ে দিচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে আপনি ইবন আব্বাসের হাদিস অস্বীকার করছেন। আপনার গারবেজ লেখায় সেই অস্বীকার রয়েছে। আপনি প্রতারণার উদ্দেশ্যে বলেন, ‘হাদিস সহিস হলে আপত্তি নেই’এধরনের অবস্থান আমরা আরও দেখেছি -এই সদালাপেএর মূল কথা, ‘রাসূল আছেন, রাসূল মানি’ --এতটুকু। সহিস হাদিস আনলেই মিথ্যাবাদীতা প্রমাণিত হয়ে পড়ে। ]

          সারা একজন যোগ্য নবীর স্ত্রী তাই তাকে সকল মানবিক গুণের ঊর্ধ্বে থাকতেই হবে এমন কথা আমি বলি নাই। দোষ-গুণ নিয়েই মানুষ, তাই পারিবারিক মান অভিমান টানাপোড়েন থাকতেই পারে। [এমন কথা আপনি বলেন নাই? এখানেও মিথ্যা বলছেন। আপনার কথা ছিল এই, “মানবজাতির নেতা ও আল্লাহর বন্ধু হিসেবে ঘোষিত নবীর যোগ্য স্ত্রী হিসেবে খ্যাত হযরত সারা (আঃ) এর মত একজন বিশ্বাসী নারী যে এরূপ হিংসা পরায়ণ এবং এতটা নিষ্ঠুর প্রকৃতির ছিলেন (নাউযুবিল্লাহ)-”]  

          কিন্তু তাই বলে হিংসা ও জিঘাংসার যে রূপ আপনাদের গল্পে ফুটে ওঠে, তা ফিল্মের মহিলা ভিলেনের চরিত্রকেও হার মানায়। [আপনার হৃদয় বিকারগ্রস্ত তাই এভাবে দেখছেন।]  যাই হোক, অন্ধ অন্তরে যে এসব দাগ কাটেনা তার বড় প্রমাণ পেলাম। [আপনি এমন লোক যে আরবি জানে না, হাদিস মানে না, তাফসীর মানে না, ফালতু ‘বাক্য-রচনা’ করে নিজেকে কোরানের পণ্ডিত ভাবে, এমন লোক কী না বলতে পারে? এখানে আপনার আত্মপ্রতারণাই স্পষ্টহাদিস অস্বীকার করে, ইসলামের মূলধারা বাদ দিয়ে কেবল কোরান দিয়ে কোনো ধর্ম হতে পারে না। ভাষা জ্ঞানহীনতা, সমাজ-জ্ঞানহীনতা, ইতিহাস-জ্ঞানহীনতা -এসবের ভিত্তিতে কোরানের সমঝ আসতে পারে না। এই অবস্থানের লোকজন নিজেদের incoherence দেখেও দেখতে পাবে না।]

          ইব্রাহীমের (আঃ) পরিবারকে কোনো এক স্থান থেকে এনে জনমানবহীন স্থানে এবং যে অঞ্চলে আল্লাহর ঘর সেখানে আবাসন করানোর কথা কোরআনে আছে বলেই কি নবীর বড় স্ত্রীর হিংসা ও জিঘাংসার পট রচনা কোরে নিরাপরাধ মা ও তার দুগ্ধপোষ্য শিশুকে নির্বাসনে পাঠানোর অমানবিক নাটক সাজাতে হবে!? [আপনার মানববাদী conjecture হচ্ছে আপনার  ইলাহ। যুক্তির ব্যতীক্রম হচ্ছে আপনার অবস্থান। ইতিপূর্বে স্বীকার করেছেন, ‘দোষ-গুণ নিয়েই মানুষ, তাই পারিবারিক মান অভিমান টানাপোড়েন থাকতেই পারে’ যদি তাই হল, এবং এমন ক্ষেত্রে ‘আল্লাহর নির্দেশে’ ইব্রাহীম তাদেরকে মক্কায় স্থাপন করেন, তবে এখানে সমস্যা কি? কেন অযথা হাদিসকে অস্বীকার করছেন। যে বস্তুকে ‘নাটক’ বলছেন, সেই ‘নাটক’ তো কোরানেও আছে। ফিল্মে উপস্থাপন করলে শুধু এপিঠ ওপিঠ হবে। আপনার সেই বুঝ নেই। আর মা “অপরাধি” না “নিরপরাধ” সেটি আপনি জানেন কিভাবে? আপনাকে তো কেবল তা’ই বলতে যা কোরানে আছেআপনাযুক্তি ও ভাষ্যের অসামঞ্জস্যতা আর কত ভাবে দেখানো হবে? এবারে এবং আগেও, ‘সারা’ ‘সারা’ করছেন, ‘সারা’ নাম কি কোরানে আছে? হাজেরা নাম নিলে আপনার সম্পস্যা, তাই না? আপনার ধর্মের অংশ হয়ে পড়ে? কী আশ্চর্যজনক অবস্থান! একটু শালীনতা রাখা কি উচিৎ নয়? ফালতু কথাবার্তায় অনড় থাকা হবে আর আর প্রত্যাশা করা হবে লোকজন কোরানের পণ্ডিত বলে বাহবাহ দিক! what an stupid expectation!]

          স্বাভাবিকভাবে এক স্থান থেকে অনত্র গমন ও আবাসন কি অসম্ভব ছিল? [কোন জিনিস সম্ভব আর কোনটি নয়, সেটি কি আপনার conjecture এ বিবেচিত হবে? এবং সেই conjecture অন্য পর্যায়ে গিয়ে আপনার কোরানী ‘দলিল’ হয়ে পড়বে?]  

          সে ধরনের কোন ইংগিত কি পবিত্র কোরআনে আছে? নাকি কোরআনের বর্ণনায় স্বাভাবিক আবাসনের কথাই প্রকাশ পায়? [কোরানে ইঙ্গিত কেন, স্পষ্টভ আছে এক অস্বাভাবিক স্থানে, জনহীন, ফল-মূলহীন স্থানে নির্বাসন হচ্ছে। এখানে বেঁচে থাকার শঙ্কাও প্রকাশিত আছে। ইব্রাহীমের দোয়াতে তা স্পষ্ট। যে অঞ্চলটির উল্লেখ কোরানে এসেছে সেটি হল ফলমূলহীন/চাষবাসহীন উপত্যাকা/মানবহীন তাই মানবের মন এদিকে আকর্ষণ করার জন্য দোয়া করা হয়েছে। কিন্তু  সেই অঞ্চলে একব্যক্তি তার পরিবার রেখে যাওয়া কি স্বাভাবিক? এই মুর্খামী আলোচনা থেকে সরে পড়ুন। আপনি কেন আমার সাথে কথা বলতে আসেন? কোরানের উপর উপর আপনার কোন দখন নেই, আপনি ফালতু লোক।]

          আসলে কেচ্ছা কাহিনী শুনবার  ও শোনানোর নেশায় একপর্যায়ে ধর্মকেও ছাড়া হয় নাই। কোন নাটকে ও নভেলে কে কাকে কি বলে ডাকল, তার গান আমার কাছে গেয়ে লাভ হবে না। [যে হাদিসকে আপনি গল্প বলছেন সেই “গল্প” কোরানেও আছে এই সামান্য কোরানী জ্ঞান আপনার নেই। আপনাকে আঙ্গুল দিয়ে দেখানো হয়েছে। কানমলা খেয়ে হাদিস মেনে নিন] আমাকে যতই গাল-মন্দ করেন, [আপনি প্রথমে এসে অন্ধত্ব, শিরক ইত্যাদি এলজাম ঢেলেছেন। এখন পাল্টা কিল একটিও মাটিতে পড়ছে না, তাই বুঝি ক্রন্দন?]

          মনে রাখবেন! এসব মানব রচিত গল্প অস্বীকার করার জন্য কোরআনের দলিলই আমার জন্য যথেষ্ট। [মানব রচিত গল্প? কাফিরদের কাছ থেকে এসব শিখে এসে প্রথমে হাদিসে ব্যবহার করছেন। তারপর মানুষ হাদিস বিমূখ হলে সহজেই কোরান বিমূখ করবেন। যুক্তি তো একটিই। হাদিসে যা “গল্প”, সেই “গল্প” কোরানেও আছে। সুতরাং সজাগ হন অথবা সরে পড়েন। যা জানেন না তা নিয়ে বিতর্কের স্থান এটি নয়।] যারা হাদিছের নামে এসব মিথ্যা নাটক রচনা ও পরিবেশনার সাথে যুক্ত, তাদেরকে সেইদিন অবশ্যই জবাব দিতে হবে। [হাদিসের নামে কোন মিথ্যা ছড়ানো নেই। এটা আপনার মত হাদিস অস্বীকারকারীদের অভিযোগ মাত্র। আলোচ্য প্রসঙ্গে আপনার মিথ্যাচার স্পষ্ট।  এখানে, এই প্রসঙ্গে দেখা গিয়েছে যে যে বিবরণকে আপনি ‘গল্প’ বলছেন, সেই “গল্প” কোরানেও আছে।  যে যুক্তিতে হাদিস অস্বীকার করছেন সেই যুক্তি  কোরানেও প্রসারিত হতে পারে। আপনাকে সেই যুক্তি ও উদাহরণ দিয়ে দেখানো হয়েছে, আপনারই উদ্ধৃতি সামনে রেখে।]

          আর "অন্ধত্বের-ইলাহ" এর মধ্যে আকণ্ঠ নিমজ্জিত অহংকারী ও কোরআন বিকৃতকারী  জ্ঞানপাপীদের তো নিস্তার নেই। খাঁটি বিশ্বাস, জ্ঞান ও যুক্তির আলোয় আপনার এ অন্ধত্ব ও বিভ্রান্তি ঘুঁচে যাক- সেই কামনাই রইল। [আরবি না জেনে, ভাষাজ্ঞান না রেখে, (হাস্যকর অবস্থান),নবীর হাদিস না জেনে, সাহাবিদের জ্ঞান বাদ দিয়ে যে মূর্খ শয়তানগণ কোরান নিয়ে ধাপ্পাবাজি করছে তারাই বিকৃতকারী, পথভ্রষ্ট। এরা নিজের যুক্তিকেই ‘ইলাহ’ করে নিয়েছে (২৫:৪৩)। এরা মুশরিক। এরা মুসলিম সমাজে ফিৎনা। এরা কাফিরদের চাইতেও অধম। এদেরকে তাদের হাদিস অস্বীকৃতির ভুল স্থান দেখিয়ে দিলেও দেখে না, ওরা মুক, বধির। যা জানে না তারই "বিশেষজ্ঞ"। শয়তান এদেরকে ‘রাতারাতি’ কোরান বিশেষজ্ঞ বলে ওয়াসওয়াসায় নিমজ্জিত করে রেখেছে। তাই ওরা ১৪০০ বছরের জ্ঞান-ধারা হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। বিশ্বাস ও জ্ঞান কোরান ও ‘সুন্নাহয়’ নিহিত -যে জ্ঞানের স্রোত ধারাবাহিকতায় এসেছে। শয়তান শব্দের আরেক অর্থ 'যে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে'। আপনি সেই শয়তানী খপ্পরে। আপনি বিতাড়িত হোন। বিচ্ছিন্ন 'জ্ঞান ও যুক্তিতে' ধর্ম নেই, বিশ্বাস নেই। আপনি কোরান নিয়ে  আলোচনার কোনো ব্যক্তি নন। Get lost!]

           

  7. 4
    ফাতমী

    আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নাই, হযরত মুহাম্মদ সাঃ আল্লাহ পাকের রাসূল।

    1. 4.1
      এম_আহমদ

      হ্যাঁ, এটাই তো এই আলোচনা। আল্লাহ ছাড়া ইলাহ নাই (আর) মুহাম্মদ আল্লাহর রাসূল। ধন্যবাদ।

  8. 3
    মুনিম সিদ্দিকী

    বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইসলামী আন্দোলনের রূপরেখা নিয়ে কিছু লিখলে ভালো হয়। ধন্যবাদ।

    1. 3.1
      এম_আহমদ

      @মুনিম সিদ্দিকী:

      ভাই, যা কিছু লিখি তা অবসরে যা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দেখা দেয় তার আলোকে। নিম্নের কয়েকটি বিষয় নিয়ে লিখেছি।

      কাল-সাগরের ঢেউ (খেলাফতের উত্থান-পতন নিয়ে)

      ইসলামী শারিয়া -শাব্দিক ও পারিভাষিক অর্থ
      ইসলামের রাজনীতি: শাব্দিক উৎস ও ধারণা
      ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ও প্রতিবন্ধক যুক্তি
      বৈধ (রাজ)নীতি: সিয়াসাহ শারয়্যিয়াহ

      চেতনার ভূত:একটি আদর্শিক দ্বন্দ্ব ও সামাজিক বিপর্যয়

      তাওহীদের কলিমায় ব্যক্তি, রাষ্ট্র ও সমাজের সার্বিক আনুগত্য

       

      এবারে ভেবেছিলাম কলিমা তৈয়্যেবায় যে ধারণা নিহিত তা নিয়ে আসলে ঐ ধারণাগুচ্ছে একটি সংযোজন হতে পারে।

      আন্দোলন (movement/حركة, (দোলন থেকে উৎসারিত শব্দ),) হচ্ছে একটি চলন্ত প্রক্রিয়ার নাম, তা ইসলামী হোক অথবা অন্য কিছু। এই আন্দোলনের রূপরেখাও আবার পাথরে লিখিত নিয়মের মত নয়। এর সাথে অনেক সংশ্লিষ্ট বিষয় রয়েছে যা স্থান, কাল ও পরিস্থিতির আঙ্গিকে চলন্ত ধারায় পরিবর্ধিত, পরিমার্জিত, সংযোগ, বিয়োগ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যে চালিয়ে রাখতে হয়। এটা তো তাদেরই হাতে গঠিত হতে হবে যারা সরাসরি ময়দানে কাজ করেন।বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বরং যারা বাংলাদেশ আছেন তারাই লিখলে ভাল। আমরা কেবল কনসেপ্ট নিয়েই কথা বলতে পারি। দেখা যাক, হয়ত কখনো কিছু লিখতে পারি। আপনিও এ ব্যাপারে লিখতে পারেন। এতে দাওয়াত, জামাত, আনুগত্য, তারবিয়াহ ও তা’লীম এর উপাদানগুলো কীভাবে একটি বিশেষ ভূখণ্ডে প্রসেস অরিয়েন্ট হয়ে কাল ও পরিস্থিতির মোকাবেলায় এফেকটিভ এবং এফিসিয়েন্ট কার্য-ধারায় প্রসারিত হতে পারে –তাই হতে পারে কথা।

  9. 2
    মহিউদ্দিন

     ইব্রাহীমের (আ.) কলিমাতেই ছিল তার গোটা জীবন প্রণালী তাই তিনি একা হলেও তাঁর মূলমন্ত্রের বিষয়বস্তু ছিল সামগ্রিক, ব্যক্তির ঊর্ধ্বে। 

    সত্যি ইব্রাহীম (আ:) এর কথা চিন্তা করলে অবাক লাগে!   চিন্তা করেন যখন তিনি তাঁর পরিবারকে নিয়ে পৌঁছেন লোকবসতিহীন মরুভূমির প্রান্তে এক অজানা অচেনা পাথুরে পাহাড়ি উপতক্ষ্যায় তখন তিনি সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে তার পরিবারের জন্য কি দোয়া করেছিলেন? আর এ রকম স্থানে যদি আমরা আমাদের পরিবার নিয়ে পৌঁছতাম তাহলে সর্বপ্রথম কিসের জন্য দোয়া করতাম?  
    পবিত্র কোরআনে আল্লাহ পাক বলেন, "স্মরণ কর! ইব্রাহীম বলেছিল  "হে আমার প্রভু! এই নগরীকে শান্তি ও নিরাপত্তার নগরীতে পরিণত কর! আমাকে এবং আমার পুত্রদের মূর্তি পূঁজা থেকে দূরে রেখো"। [সুরা ইব্রাহিম আয়াত ৩৫] 

    হযরত ইব্রাহীম ছিলেন প্রকৃত ঈমানদার ব্যক্তি । তিনি ছিলেন বিশ্বাসে অটল। সেমেটিক জাতির পূর্ব পুরুষ এবং তাদের পয়গম্বর হিসাবে তাকে পরিগণিত করা হয়। 
    হযরত ইব্রাহীমের প্রার্থনার মাধ্যমে  প্রকাশ ঘটেছে আল্লাহ্‌র প্রতি এবং মানুষের প্রতি ভালবাসা, আল্লাহর সৃষ্টির মাঝে আল্লাহ্‌কে অনুভব করার ক্ষমতা, সর্বোপরি মিথ্যা উপাস্যের উপাসনা ও আল্লাহর প্রতি অকৃতজ্ঞতা থেকে বিরত থাকা। আজ আমরা মিল্লাতে ইব্রাহীমের সদস্য বলে থাকলেও আমাদের জীবনের প্রয়োরিটিতে আল্লাহর স্মরণ তার এবাদত থাকে সবচেয়ে পরে! ,মানুষের কর্মকাণ্ড দেখলে কি মনে হয় তাদের মাঝে খোদার স্মরণ, খোদার সচেতনতা (তাকওয়ার) আদৌ অনুভূতি আছে?

    1. 2.1
      এম_আহমদ

      @মহিউদ্দিন:

      সত্যি ইব্রাহীম (আ:) এর কথা চিন্তা করলে অবাক লাগে!

      হ্যাঁ, চরমভাবে অবাক লাগে। একবার যখন তাঁর ছেলেকে (ইসমাইলকে) দেখতে আসেন এবং তাঁর অনুপস্থিতিতে পুত্রবধূকে তাঁর পরিচয় না দিয়ে তাদের জীবন কীভাবে চলছে জিজ্ঞেস করেন। পুত্রবধূ বলেন, জীবন দরিদ্রের মধ্যে কষ্টে যাচ্ছে। এই শুনে পুত্রবধূকে ছেলের জন্য একটি সংবাদ রেখে যান –তাঁর গৃহের দোয়াড়ি (দরজার নিম্নের কাঠ) বদলাতে হবে। ইসমাইল ফিরে এসে যখন এই সংবাদ পান তখন স্ত্রীকে বলেন, আগন্তুক ছিলেন তার পিতা এবং তিনি তাকে তালাক দিতে বলে গেছেন। অতঃপর তিনি এই স্ত্রীকে ছেড়ে দিয়ে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করেন।

      আরেকটি বিষয়। মডার্ন সমাজ ও স্বপ্ন। আমরা স্বপ্ন সম্পর্কে গাফেল হয়ে গিয়েছি। স্বপ্নের সাথে আমরা কীভাবে সম্পর্কিত, আমাদের জীবন কীভাবে স্বপ্ন থেকে বিভিন্ন নির্দেশনা লাভ করছে, কীভাবে এই দুই জগত প্রতিনিয়ত পারস্পারিক সম্পর্কে প্রবাহিত হচ্ছে –এসব সম্পর্কে সম্পূর্ণ উদাসীন।   

      পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

      1. 2.1.1
        sotto

        //পুত্রবধূ বলেন, জীবন দরিদ্রের মধ্যে কষ্টে যাচ্ছে। এই শুনে পুত্রবধূকে ছেলের জন্য একটি সংবাদ রেখে যান –তাঁর গৃহের দোয়াড়ি (দরজার নিম্নের কাঠ) বদলাতে হবে। ইসমাইল ফিরে এসে যখন এই সংবাদ পান তখন স্ত্রীকে বলেন, আগন্তুক ছিলেন তার পিতা এবং তিনি তাকে তালাক দিতে বলে গেছেন। অতঃপর তিনি এই স্ত্রীকে ছেড়ে দিয়ে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করেন।//

        "জীবন দরিদ্রের মধ্যে কষ্টে যাচ্ছে"- এই কথা বলায় তালাক দেয়ার হুকুম দেয়া ও তালাক দেয়া কি কোন নবী ও তাঁর পুত্রের পক্ষে আদৌ সম্ভব!?

        সাধারণ মানুষের পক্ষে এত কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া তো কখনই সম্ভব নয় এবং এরূপ ভাবাও শোভা পায়না। বরং দরিদ্রতা ও কষ্ট লাঘবের জন্য ধৈর্য ধারনের উপদেশ ও সাধ্যমত সহায়তা করাই তো ধার্মিকতার লক্ষণ।

        এ ধরণের হাদিছ/ গল্পের কতটুকু সত্যতা আছে এবং এসবে বিশ্বাস করার প্রয়োজনই বা কতটুকু তা মহান আল্লাহতায়ালাই ভাল জানেন।

  10. 1
    sotto

    অনেক মূল্যবান কথা আলোচনা করেছেন। যারা যতটুকু বোঝার সামর্থ রাখেন তারা তা বুঝে নেবেন ইনশাল্লাহ।

    //আর নূহ পন্থীদেরই মধ্যে ইব্রাহীম ছিলেন একজন। স্মরণ করুন, তিনি তার প্রভুর দিকে নিষ্কলুষ-চিত্তে (বি-কালবিন সালীম) হাজির হয়েছিলেন’ (৩৭/৮৩-৮৪)। তিনি কঠিন পরীক্ষা দিয়েছিলেন – নিমরূদের মোকাবেলা, অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হওয়া, স্ত্রী-পুত্র নির্বাসন, পুত্র কোরবানি ইত্যাদি।//

    উপরের অংশ থেকে একটা বিষয় জানতে চাই। অনুগ্রহ করে জানাবেন কি?
    "নিমরূদের মোকাবেলা, অগ্নিতে নিক্ষিপ্ত হওয়া, পুত্র কোরবানি" ঠিক আছে। কিন্তু "স্ত্রী-পুত্র নির্বাসন" দেয়ার গল্প সম্পর্কে আল-কোরআনে কোন স্পষ্ট ইংগিত বা বক্তব্য আছে কি?

    1. 1.1
      এম_আহমদ

      @sotto:

      এই বিষয়টি  কোরানের ১৪:৩৭ আয়াতের ব্যাখ্যা ও সংশ্লিষ্টতায় ইবন আব্বাস (রা.)   বর্ণিত বোখারীর হাদিসে (৪:৫৮৩) এসেছে। সিরাতসমূহে তো আছেই। তবে আমাদের অতীতের আলোচনার অভিজ্ঞতায় কেন যেন মনে হয় এখানে ‘জানার’ চেয়ে নির্বাসন শব্দের ব্যবহার নিয়ে কোনো বিতর্কের অবতারণা হচ্ছে কিনা। যদি তা’ই হয়, তবে আমাদের আপন আপন স্থানে থাকাতেই সমস্যা কম হয়। আর যদি তা না হয়, তবে ভাষিক ব্যবহারের দিকটি সামান্য প্রসারিত করতে পারি। এখানে নির্বাসন শব্দ অবস্থানের রূপকতা (situational metaphor) প্রকাশ করে এবং তা বর্ণনা-ধারার emotive sense -এ। মরুর কোনো এক নির্জন স্থানে স্ত্রী-পুত্র রেখে সেই বিষয়টিকে ‘মক্কা-দান’ বা ‘আরব-দান’ বলা, অথবা অপরাপর কোনো শব্দে উল্লেখ করা হলে তা কেবল বর্ণনায় একেক ধরণের emotive পরশ আনতে পারে কিন্তু তাতে উপস্থিত-অর্থের বিরাট কোনো পার্থক্য দেখা দেবে না।  মা হাজেরা এই বাস্তবতাকে  ‘তারাকা’ শব্দে (ترك /‘ফেলে যাওয়া’, ‘ত্যাগ করে যাওয়া’, রেখে যাওয়া শব্দে’ أين تذهب وتتركنا) উল্লেখ করেছিলেন। ইব্রাহীমের (আ.) ব্যবহৃত শব্দ ছিল ‘ইসকান’/আবাসন দান/ আবাসিত করা। পশ্চাৎদৃষ্টিতে, উভয় ব্যবহারে শব্দের বাইরের কিছু অর্থ রয়েছে যা রূপকতা ধারণ করে। আমার কথা এতটুকুই থাকুক। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।

      পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

      1. 1.1.1
        sotto

        @এম_আহমদ:

        আপনি জ্ঞানী মানুষ। আশাকরি এ অধমের কথায় চট কোরে চটে যাবেন না্ এবং ইগনরও করবেন না।

        সূরা ইব্রাহীম (মক্কায় অবতীর্ণ)

        (১৪:৩৭) অর্থ- হে আমাদের পালনকর্তা, আমি নিজের এক সন্তানকে তোমার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি; হে আমাদের পালনকর্তা, যাতে তারা নামায কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি কিছু লোকের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা রুযী দান করুন, সম্ভবতঃ তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।

        ………………………………………

        (14:37:5) min dhurriyyatī  অর্থ- (some) of my offsprings  

        এবার নিচের অনুবাদগুলো লক্ষ করুন-

        Sahih International: Our Lord, I have settled some of my descendants in an uncultivated valley near Your sacred House, our Lord, that they may establish prayer. So make hearts among the people incline toward them and provide for them from the fruits that they might be grateful.

        ……………………………………..

        কিন্তু বাংলা অনুবাদে "মিন যুররিয়াতি" এর অর্থ- "এক সন্তান" হিসেবে করা হলো কেন?

        সুতরাং অনুবাদটি এমন হলে পারফেক্ট হয় না কি?

        (১৪:৩৭) অর্থ- হে আমাদের পালনকর্তা, আমি আমার সন্তানসন্ততি/ বংশধরদের/ উত্তরসূুরীদের/ পরবর্তী প্রজন্মকে তোমার পবিত্র গৃহের সন্নিকটে চাষাবাদহীন উপত্যকায় আবাদ করেছি; হে আমাদের পালনকর্তা, যাতে তারা নামায কায়েম রাখে। অতঃপর আপনি মানুষের অন্তরকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করুন এবং তাদেরকে ফলাদি দ্বারা রুযী দান করুন, সম্ভবতঃ তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করবে।

        ……………………………….

        অবস্থার রূপকতা কিংবা বাস্তবতা ইত্যাদি যাই বলেন না কেন- "নির্বাসন" শব্দটি কোন দিক থেকেই মানানসই নয়। কারণ নির্বাসন সাধারণত শাস্তি দেয়ার জন্যই দেয়া হয়ে থাকে। কখনও কখনও অধিক শক্তিশালীরা কমজোরদের অন্যায়ভাবে সায়েস্তা করার জন্য নির্বাসনে পাঠায়। আবার কখনও অপরাধীকে শাস্তি স্বরূপ নির্বসনে পাঠানো হয়ে থাকে।

        কিন্তু এক্ষেত্রে একজন মা ও তার এক দুগ্ধপোষ্য শিশুকে নির্বাসনে পাঠানো হলো কোন যুক্তিতে। (হাদিছ অনুসারে) শুধু প্রথম স্ত্রী (নবীপত্নী) সারার ঈর্ষা ও প্ররোচনায়  (নাউযুবিল্লাহ) স্বয়ং আল্লাহর বন্ধু ও মানবজাতির নেতার পক্ষে নিরাপরাধ স্ত্রী ("হাজেরা" নামটি সরাসরি কোন হাদিছেও নেই) ও কচি সন্তানকে নির্বাসনে পাঠানো কি আদৌ সম্ভব? এ ধরনের বিবলিকাল গল্পে বিশ্বাস করা কি অন্ধত্ব নয়? 

        1. 1.1.1.1
          এম_আহমদ

          @sotto:

          দেখেন, কেউ যদি সত্যিই অজ্ঞ/অধম হয়ে থাকে তবে তাতে চটে যাবার কোন কারণ নেই। কিন্তু কেউ যদি অধমের ভান করে এবং বিনয়ের আবরণে দাম্ভিকতা দেখায় তবে সেটা অবশ্যই কারো চটে যাবার কারণ হতে পারে। আপনার অবস্থান অনেক সময় দারুণ বেখাপ্পা ঠেকায়। আপনি অপরের ধ্যান-ধারণা ও বক্তব্যে ঢুকে হীন শব্দে dismissive আচরণ করেন। আর তা করেন ‘আপনি যা বুঝেন সেই বুঝের দাম্ভিক ভিত্তিতে’। ইতিপূর্বে যা করেছেন সেগুলো বাদ দিয়ে বর্তমান প্রসঙ্গের কথাটা নেয়া যাক। আপনি আমার কাছে একটি বিষয় “জানতে” চেয়েছিলেন। কিন্তু স্পষ্টতই সেখানে “জানার”অবস্থান প্রকাশ পায়নি। বরং আপনার জ্ঞানের আলোকে আমার বক্তব্য “উড়িয়ে” দেয়ার অভিপ্রায় স্পষ্ট হয়েছে। আপনার “জানার” প্রশ্নটি এসেছিল এভাবে: স্ত্রী-পুত্র নির্বাসন দেয়ার “গল্প” সম্পর্কে আল-কোরআনে কোন স্পষ্ট ইংগিত বা বক্তব্য আছে কি? এখানে এটি কি “গল্প?  আলোচ্য বিষয় কি কাল্পনিক? আপনি যে অর্থে ‘নির্বাসন’ দেখছেন সেই আঙ্গিকে ‘গল্প’ তো কাল্পনিকও হয়। আপনার জিজ্ঞাসায় সত্যিই বিনয় থাকলে প্রশ্নটি হয়ত এভাবে আসতে পারত, ‘ভাই/জনাব, এই বাক্যের ধারণাটি নির্বাসন শব্দের পরিবর্তে অন্য কোনো শব্দে আসলে কেমন হয়?’ যেহেতু মূল বক্তব্য গল্প নয়।

          আপনার অবস্থান হচ্ছে শাব্দিক অর্থের literalism. ভাষা এবং শব্দসম্ভার তাদের বৃহত্তর পরিধিতে কীভাবে কাজ করে সেই নজর এড়িয়ে সেলেকটেড কিছু অর্থকে সামনে রেখে সেই যৌক্তিকতায় বিতর্ক করেন। কয়েকবার বলেছি, আপনারটা নিয়ে আপনি থাকুন, আমারটা নিয়ে আমি। কিন্তু … । আপনি যদি জেনেই থাকবেন যে স্ত্রী-পুত্র নির্বাসন হচ্ছে “গল্প” তবে আমার সাথে জানার ভান করে বিতর্ক করবেন কেন?’

          আমি নির্বাসন না লিখে যদি লিখতাম ইব্রাহীম আল্লাহর নির্দেশে তার স্ত্রী-পুত্র এক জনহীন শিন শিন ধূসর মরুর বুকে বিসর্জন, (বর্জন, ত্যাগ) করে/ফেলে আসেন। তবে এতে কি “গল্প”টি বাস্তব হয়ে উঠত? বোখারীর হাদিসে মা হাজেরা তো এই কাজটিকে ‘তারাকা’ ক্রিয়াবাচক শব্দে উল্লেখ করেছেন। ওখানে উপস্থিত-অর্থ কি ছিল? একান্ত শব্দের হেরফের করে উপস্থিত-বাস্তবতা কতটুকু ভিন্ন করা যায়? স্ত্রীকে ছোট্ট নৌকায় বসিয়ে সমুদ্রে ঠেলে দিয়ে যদি কেউ বলে, “আমি তোমার প্রতি আমার ভালবাসার নিদর্শন-সরূপ তোমাকে এই মহাসমুদ্র দান করলাম। তুমি এখন থেকে এর মালিক। যাও বিচরণ কর। আর যদি আকাশে উড়তে পার, তবে এই মহাকাশও তোমার। সমুদ্রের অপর প্রান্তে  যদি জগত পাও তাও তোমার। যাও আবাদ কর” –এতে উপস্থিত-বাস্তবতার কি হয়?

          আমরা শব্দকে কতভাবে ব্যবহার করি। আমার ব্যবহৃত বাক্যটি তার আপন কন্টেক্সটে ‘দণ্ডের’ অর্থ প্রকাশ করে না। যারা সাহিত্য বুঝেন এমন ১০/২০ জন লোককে কন্টেক্সটসহ বাক্যটি পড়তে দিয়ে জরিপ চালালে বুঝা যেতে পারে।

          কিন্তু আপনি ‘আপনার অর্থ’ নিয়ে বিতর্ক ছুড়ে দেন।  কেউ বিতর্ক না চাইলেও। আমি কি করব? 

          উপরন্তু, আপনার মনে অপরাপর যা কিছু উদ্বেলিত হয় সুযোগ পেলে সেগুলোও ঢেলে দেন। আপনার কাছে হাদিস মানতে গেলে সারার ঈর্ষা এসে যায় এবং এই নির্বাসন গল্পে আল্লাহর বন্ধু ও মানবজাতির নেতার অবস্থান ম্লান হয়ে পড়ে। আপনার ধারণা হয়ত ‘কেবল কোরান মানলেই’ সবকিছু যুক্তিতে অম্লান থাকে। কিন্তু ইব্রাহীম (আ.) যখন তাওহীদপন্থি হলেন (তিনি আগে পৌত্তলিক ধর্মে থেকে থাকুন অথবা নাই থাকুন), তখন থেকে পৌত্তলিকতা তার পরধর্ম হয়ে পড়ে। কিন্তু তিনি পরধর্মের মূর্তিগুলো ভেঙ্গে ফেলেন! এটা কোন ধরণের ধর্মীয় সহিষ্ণুতার যুক্তি হল? অথবা উসওয়ায়ে হাসানা হল? আবার এই কাজ করেও বলবেন, বরং মূর্তিগুলো ভেঙ্গেছে ওদেরই বড় মূর্তি! মানব জাতির পিতা, আল্লাহর বন্ধুর পক্ষে এসব কি সম্ভব? এসব তো হাদিসের ভাষ্য নয়। বিষয় কি এখানেই শেষ? পুত্র কোরানির মত অমানবিক কাজের নির্দেশ কীভাবে “ধর্মীয়” গল্প হতে পারে? তাও স্বপ্ন দেখে! এই বিশ্ব জাহানের মালিক, যাকে করুণার আধার বলা হবে, যিনি প্রেমময়ী হবেন, তিনি তাঁর বান্দাকে পুত্র কোরবানির নির্দেশ দিয়ে তাকে মানসিক কষ্টে নিক্ষেপ করবেন –এমন নিষ্ঠুর খেলে-নেলা কি তাঁর জন্য শোভা পায়? এসবে কীসের ধর্ম? মূসা নবী (আ.) আর আল্লাহর ‘এক বান্দার’ ঘটনায় সেই বান্দা নিরপরাধ বাচ্চা হত্যা করবেন, নির্দোষ লোকের নৌকা ডুবিয়ে দেবেন –এসবের যুক্তি দিয়েই বুঝি ধর্ম? কেবল ইসমাইলের (আ.) স্ত্রী তালাকের বিষয় দেখেই কি হাদিসের আলোচনা আসবে। আলোচনা তো গোটা ধর্ম নিয়েই হতে হবে। তখন দেখা যাবে কি ঠিকে কি না। দেখেন আপনি যে লাইন ধরেছেন -সেটা ভাই, গোমরাহি। মাইন্ড করবেন না। এটা মুহাম্মদের (সা.) ধর্ম নয়। যুক্তিতে সঠিকভাবে শান দিলে আপনার যুক্তিই আপনার বিপক্ষে যাবে।

          আমার অবস্থান আপনার ভালভাবেই জানা হয়েছে। প্লিজ, আপনি আমার এখানে কথা বলতে হলে খেয়াল করে আসবেন। আমি মানা করছি না। কোনো কিছু লিখেই ঢেলে দেবেন না। বাক্যের তাৎপর্য দেখবেন, শাব্দিক ব্যবহার দেখবেন, বিশেষ করে বিশেষণগুলো। যদি আমার রুল ভারী ঠেকায়, তবে মন্তব্য করবেন না।

          আরেকটি কথা। আপনি অনুবাদ দেখিয়ে আমাকে প্রশ্ন করেছেন, কোনটি সঠিক। আমি একজন অনুবাদকও [ভাষা (ভাষাবিজ্ঞান) ও সাহিত্যের উপর প্রাথমিক ডিগ্রি, আরবি ও ইংরেজির সংযুক্তিতে]। কিন্তু আপনার সাথে সেই আলোচনায় যাব না। আপনার কাছে যেটি সঠিক মনে হয় সেটি মেনে যান।

          এরপরে, অযথা বিতর্ক টানলে আমি হয়ত তা মুছেও দিতে পারি। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.