«

»

Mar ৩১

আপনি কি সত্যিই শান্তি চান ও নিজেকে বিজ্ঞানমনষ্ক ভাবেন?

[এখানে উগ্র নাস্তিক যুদ্ধের বোধহীন, মূঢ় কর্মকাণ্ড দেখে বিস্মিত হয়ে কিছু কথা বলা হয়েছে – এই যা।]

-১- নির্মূল করবেন?

আপনি যদি (আপনি যেই হোন) আমাদের সম্প্রদায়ের ধর্ম ও মূল্যবোধকে “নির্মূল” করে আপনার নাস্তিক ধর্ম প্রতিষ্ঠা করতে চান, এবং এই কাজকে “বিজ্ঞান” মনে করেন, তবে আপনাকে কী ভাবব, ‘বিজ্ঞানী’, না ফ্যাসিস্ট? ধর্ম নির্মূল করলেই এই দুনিয়ায় চোর, ডাকাত, লুণ্ঠনকারী, ধর্ষক, হত্যাকারী কেউ থাকবে না; মানুষের মধ্যকার পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ, রেষা-রেষি সব দূর হয়ে যাবে, এই দুনিয়া স্বর্গরাজ্য হয়ে যাবে টা কেমতে বিজ্ঞান হল? আপনি কিভাবে, কোন গবেষণায় এই বাস্তবতা নিরীক্ষণ করলেন?

-২- বিজ্ঞানের নামে?

আপনি, যেই হোন, ইংরেজিতে লেখা কিছু বই-পুস্তকের তথ্য বাংলায় ছাপিয়ে দিলেই কি মহাবিজ্ঞানী হয়ে যান? কী উদ্ভট বাস্তবতা! আর এই মহাবিজ্ঞানের মোকাবেলায় মুসলিম সম্প্রদায় হয়ে পড়েন বিজ্ঞানবিমূখ; তারা নিমজ্জিত হয় কালো আঁধারে? তাই আপনি ‘ধর্মনাশক’ হয়ে এখন স্বর্গ গড়ে তোলবেন? আওয়াজটা যেন ‘অসুরনাশিনী’ বা ‘কলুষ নাশন’ এর মত শুনায়। বিশেষ করে নাস্তিক হয়েও যেখানে অনেকের পৈতৃক ধর্ম ঠিকই থেকে যায়, তখন সমস্যা তো যবনেরই হয়, তাই না? সময় বড় জটিল। কালের চালে আজ বিজ্ঞানবাদী গান তেওড়া তালে বাজছে। অথচ ইউরোপ যখন অন্ধকারের যুগে, তখন এই মুসলমানরাই ছড়িয়েছিল জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলো, এদের হাতেই ছিল আলোর যুগ। আজও তারা কি অন্ধ যুগে (age of darkness)? তারা কোন বিজ্ঞান কবে বিসর্জন করল? বিজ্ঞানের কোন শাখায় আপনার বিচরণ যেখানে তারা নেই? এদের ধর্ম, বিশ্বাস ও মূল্যবোধ যদি বিজ্ঞানকে হারাম করে থাকত, তাহলে তারা কি এই ময়দানে বিচরণ করতে পারত? যদি এমনটি না হয়ে থাকে, তাহলে আপনি কেন তাদের জীবন-পদ্ধতি নির্মূল করে আপনারটি প্রতিষ্ঠা করতে চান? জঙ্গিবাদ কোথায় নিহিত?

-৩- ধর্মই সকল অনর্থের মূল?

বেশি দূরে না গিয়ে, প্রথম এবং দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ কি ধর্মের জন্য হয়েছিল? এই যে কোটি কোটি মানুষ নিহত হল, কেন? হিটলার তো নাস্তিক ছিল। ভিয়েতনাম যুদ্ধ কি ধর্মের ছিল? নাস্তিকেরা যেসব ইউরোপীয় দেশকে নাস্তিক হিসেবে দেখে তাদের আত্মহত্যা, ধর্ষণ, বিবাহ বহির্ভূত যৌনাচার, ব্যভিচার, সার্বিক অনৈতিকতা, মারণাস্ত্র তৈরির কারখানা, বিশ্ব জুড়ে যুদ্ধাস্ত্র সরবরাহ এবং এসবের মাধ্যমে নিজেদের রাষ্ট্রীয় ইকোনমিকে যুদ্ধমুখী (war economy) করে রাখা, বিভিন্ন দেশে কৌশলে যুদ্ধ বাধানো, অস্ত্র সাপ্লাই – এগুলো কেন? এবং কেনো এগুলো বৃদ্ধি পাচ্ছে? এসবের মধ্যে কি ‘স্বর্গীয়’ ইঙ্গিত রয়েছে? আপনি কি ‘মুক্তমনে’ এসব নিয়ে কখনো চিন্তা করেছেন? কিছু লিখেছেন? প্রতিবাদ করেছেন? কোথায়? [তবে এই পয়েন্টে ইউরোপীয় সমাজের সবকিছু মন্দ বলা হচ্ছে না, বরং নাস্তিক্যবাদীদের সেলেক্টিভ তথ্যের মাধ্যমে নিজেদের ধর্ম প্রচারের স্থানটি দেখানো হচ্ছে, ভালমন্দ সব সমাজেই পাওয়া যায়, সে আলোচনা ভিন্ন। ধর্মতেই যদি সব অশান্তি হত তবে দুই নাস্তিক সমকামীর মধ্যে মারামারির নজির থাকত না, বিচ্ছেদ ও কোর্ট কাসারি করার নজির সৃষ্টি হত না। দুই নাস্তিক পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিগ্রহের অবস্থান সৃষ্টি হত না, এটাই দেখানো।]

এই যে ইরাক আক্রমণ হয়েছিল ওখানে কি সর্বগ্রাসী বিধ্বংসী মারণাস্ত্র (Weapon of mass destruction) ছিল? এটা কিসের যুদ্ধ ছিল? এই যে লক্ষ লক্ষ লোক নিধন হল, এই যে লক্ষ লক্ষ লোক বিকলাঙ্গ হল, লক্ষ লক্ষ বাড়িঘর ধ্বংস হল – কেন হল? সাদ্দাম ও তার বা’স পার্টি কি ধর্মীয় দল ছিল? আজ সেই এলাকা ধ্বংসের লীলাভূমি করে সেই স্তূপের উপর গড়ে তোলা হয়েছে অস্ত্র সাপ্লাই ও যুদ্ধ ব্যবসার আরেকটি বড় কারখানা! এই দেশগুলো কি খিলাফতি দেশ ছিল যেগুলো ভাঙতে হয়েছিল? এখানে ধর্মওয়ালা কারা? এই যেসব নারীরা ইরাক ও আফগান ও অন্যত্র সেক্যুলার বাহিনীর হাতে ধর্ষিতা হল, এই যে চরম নির্যাতন হল, কেন হল? এসব নিয়ে কি ‘মুক্তমনে’ চিন্তা করার সময় হয়েছে?

-৪- কোন ধরণের স্বাধীনতা ও সমাজ?

কারো ধর্ম না বুঝে, ধর্মজ্ঞান অর্জন না করে, তাদের ধর্ম নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ, ঠাট্টা-উপহাস, গাল-মন্দ, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করা, হীন ভাষায় আক্রমণ করা, এসবে মুক্তচিন্তা, বিজ্ঞান, আধুনিকতা কীভাবে সংযুক্ত হয়? এখানে সমাজ ও ব্যক্তি কোথায়? অপরের মূল্যবোধ, স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার নিয়ে গর্হিত আচরণ করতে পারাতে সভ্যতা, না অসভ্যতা নিহিত? আমি মুক্তমনা, বিজ্ঞানমনষ্ক, আলোকিত, আমি বিজ্ঞানী, আপনারা বিজ্ঞানের 'ব' অক্ষরও বুঝেন না, আপনারা অন্ধ, সপ্তম শতকে পড়ে আছেন – এসব কি? কি হচ্ছে? একটি সমাজ নানান জাতের নানান লোক নিয়ে গড়ে। নানান মেজাজ ও পার্থক্যের লোক থাকে। কোথাও, সর্বত্র, কোনো শ্রেণী-গোষ্ঠীর বা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের একক ব্যক্তির কথায় উঠাবসা করে না; অধিকন্তু ধর্মীয় আক্রমণে এমন কোনো কঠিন বিষয় থাকে না যে বিশেষজ্ঞ ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারবে না। আপনার নির্মূলকাণ্ড যে সামাজিক ফিতনা সৃষ্টি করতে পারে, এই ‘বিজ্ঞান’ কি বুঝা হবে না? তারপর, সামাজিক জীবনে যে কেউই একান্ত সার্বভৌম নন, একচ্ছত্রভাবে স্বাধীন নন – একথাও কি দেখা হবে না? এখানে তো স্বাধীনতার অনেক মাত্রাকে বাকিদের সাথে শেয়ার ও সমঝোতা করে সামাজিকতা গড়া হয়। আপনি কেন হঠাৎ মহাবিজ্ঞানী হয়ে, বিজ্ঞানের মুখোশ পরে, নির্মূলের যুদ্ধ শুরু করে যুগ যুগ ধরে চলে আসা সামাজিক স্থিতি ধ্বংস করবেন? এটা কোন ধরণের ন্যায়নীতি হবে?

-৫- দায়িত্বশীলতার সাথে সর্বরোগের বড়ি বিক্রি করুন

এই মানবের বিশাল সমুদ্রে আপনার কিছু বাণী থাকতে পারে। কিছু পণ্য বিক্রি করার থাকতে পারে। বিজ্ঞানের নামে হয়ত বিক্রি করতে চান। তবুও করুন। তবে পণ্যের গুণ দেখিয়ে করুন। অন্যের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে তার পণ্যকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, তার মানবতা কেড়ে, তাকে গালিগালাজ  করে নয়। লক্ষ্য করুন, ধর্ম (ধরুন পণ্য) তো তার যুক্তি ও গুণাগুণ বর্ণনার মাধ্যমে প্রচারিত হয়। এখানে নৈতিক জীবনের কথা, আল্লাহর আনুগত্যে শান্তির কথা, ভাল ও মন্দ কাজে ব্যক্তিক ও সামাজিক পরিণতি, পরকালমুখী জীবনের উদ্দেশ্য, আত্মার পথে চলা, এই জড় জগতের সীমায় নানান প্রতিকূলতায় আল্লাহর সান্নিধ্যের জন্য কষ্ট স্বীকার করে নিজের আচরণ সংশোধন এবং পরিণতে অসীম জীবনের সুখ – এসব কথা আসে। 

আপনার ধর্ম কী, মূল্যবোধ কী, সামাজিক নিয়ম-নৈতিকতা কী – এসব বলুন। কাউকে নির্মূল না করে স্বর্গ কীভাবে ধরায় ছড়িয়ে পড়বে সে কথা বলুন। কাউকে নির্মূলের মধ্যে বিজ্ঞান নেই, যৌক্তিকতা নেই। অপরের ধর্ম মন্দ হলেই আপনার ধর্ম ভাল হয়ে যায় না। আপনার পণ্য তার আপন “মহৎ” গুণেই প্রকাশ পেতে হবে, শান্তি ও সুন্দর মানব-মনে স্থান পেতে হবে।

আমি ধর্মীয় সমালোচনা বন্ধের কথা বলছি না। আপনি যদি ইসলাম ধর্মের সমালোচক হন, তবে হোন, সভ্যতার আঙ্গিকে হোন; সমালোচনার ভাষা আত্মস্থ করে হোন। এতে সাপও মরবে লাঠিও ভাঙ্গবে না। ইসলামের উপর সমালোচনার বই হাজার হাজার রয়েছে। সেগুলোর পদ্ধতি দেখুন। কিন্তু তা না করে তুমি অন্ধ, তোমার মাথায় ভাইরাস ঢুকেছে – এসব ফাইজলামি বন্ধ করুন। ভাইরাসের উপমাতেই ফ্যাসিবাদ নিহিত। ভাইরাসকে তো নির্মূলই করতে হয়।

-৬- আকাশ কুসুম স্বপ্ন নিয়ন্ত্রণে রাখুন

আপনার স্বর্গ আপনার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে এবং এভাবে অপরের পরকালীন স্বর্গও। অপরকে ধ্বংস করে স্বর্গ গড়ার চিন্তাই নারকীয়। ধর্ম নাশ করলেই মানব জাতির প্রকৃতিজাত সকল ভিন্নতা অভিন্ন হয়ে পড়বে, সমাজ স্বর্গ হয়ে যাবে – এসব বাজে চিন্তা শুধু আকাশ কুসুম, কাল্পনিকই নয়, বরং অবৈজ্ঞানিকও বটে। এটাকেই প্রকৃত "বোকার স্বর্গ" বলা যেতে পারে।

১৬ comments

Skip to comment form

  1. 9
    এম_আহমদ

    আজ একটি ভিডিও দেখলাম। ভাল লাগল। ভাবলাম এটাকে শেয়ার করি। কোথায় করব -ভাবলাম এই ব্লগ স্পেসেই হয়ত মানাবে। দেখুন।  https://www.youtube.com/watch?v=1TerTgDEgUE

      ____

    এই বক্তৃতা অন্যস্থানে খানিকটা ভিন্ন ধারায় দেয়া, ওখানে আরও কিছু নতুন কথা এসেছে।  https://www.youtube.com/watch?v=UPccMlgug8A  

  2. 8
    শাহবাজ নজরুল

    আপনি, যেই হোন, ইংরেজিতে লেখা কিছু বইপুস্তকের তথ্য বাংলায় ছাপিয়ে দিলেই কি মহাবিজ্ঞানী হয়ে যান? কী উদ্ভট বাস্তবতা! আর এই মহাবিজ্ঞানের মোকাবেলায় মুসলিম সম্প্রদায় হয়ে পড়ে বিজ্ঞানবিমূখ; নিমজ্জিত হয় কালো আঁধারে? তাই আপনি ‘ধর্মনাশক’ হয়ে এখন স্বর্গ গড়বেন? আওয়াজটা যেন ‘অসুরনাশিনী’ বা ‘কলুষ নাশন’ এর মত শুনায়। বিশেষ করে নাস্তিক হয়েও যেখানে অনেকের পৈতৃক ধর্ম ঠিকই থেকে যায়, তখন সমস্যা তো যবনেরই হবে, তাই না? সময় বড় জটিল। কালের চালে আজ বিজ্ঞানবাদী গান তেওড়া তালে বাজছে। অথচ ইউরোপ যখন অন্ধকারের যুগে, তখন এই মুসলমানরাই ছড়িয়েছিল জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলো, এদের হাতেই ছিল আলোর যুগ। 

     

    অসাধারণ !!!

  3. 7
    Murad Uddin

    হ্যাঁ ভাই, সুন্দর বলেছেন।

  4. 6
    এম_আহমদ

    একটা কথা বলতে পারি- বিদ্বেষ জন্ম দেয় নতুন বিদ্বেষের। ঘৃণা জন্ম দেয় নতুন ঘৃণার। ঘৃণা আর বিদ্বেষের চাষাবাদ করে, সেখান থেকে ভালো ফলাফল আমরা আশা করতে পারি না।

    হ্যাঁ ভাই, সুন্দর বলেছেন। ইসলাম নির্মূলের কাজ অনেক রঙ ও রূপে, অনেক মুখোশে বিস্তৃত হয়ে আছে। কোথাও বিজ্ঞানের নামে, কোথাও সংস্কৃতির ভূষণে, কোথাও আদর্শিক আঙ্গিকে। কিন্তু একটু লক্ষ্য করলেই পিছনের মুখগুলো দেখতে পাওয়া যায়। এদের ভাষায় এক ধরণের বৈশিষ্ট্য রয়েছে, কিছু মৌলিক শব্দ ও পরিভাষা রয়েছে। একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়।

    ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  5. 5
    আরিফ

    অভিজিৎ রায়ের একটা শিক্ষা হচ্ছে -- ইসলামবিদ্বেষী না হলে কারো পক্ষে "বিজ্ঞানমনস্ক" মুক্তমনা হওয়া সম্ভব নয়। তাইতো ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী অভিজিতের চাইতেও অনেক বেশী বিজ্ঞানের বই লিখা সত্ত্বেও আজকে মুক্তমনাদের সন্দেহের তালিকার একজন। ফারসীম তার ফেসবুক প্রোফাইলে ধর্মের যায়গায় "সুন্নি মুসলিম" লিখেছিলেন। আমার জানা মতে তিনি ইসলামবিদ্বেষী ছিলেন না। সম্ভবত এ কারণেই মুক্তমনাদের পক্ষ থেকে তার প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে।

    একটা কথা বলতে পারি- বিদ্বেষ জন্ম দেয় নতুন বিদ্বেষের। ঘৃণা জন্ম দেয় নতুন ঘৃণার। ঘৃণা আর বিদ্বেষের চাষাবাদ করে, সেখান থেকে ভালো ফলাফল আমরা আশা করতে পারি না।

  6. 4
    মহিউদ্দিন

    সময়োপযোগী একটি ধারালো লিখা। "আপনি কি সত্যিই শান্তি চান ও নিজেকে বিজ্ঞানমনষ্ক ভাবেন?" এ প্রশ্ন ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকদের প্রতি ছুড়ে দিয়ে যে কথাগুলা লিখেছেন তা বুঝতে পারলে "মুক্তমনা" নামে তারা যে তথ্য সন্ত্রাস চালিয়ে যাচ্ছে সমাজে অশান্তি সৃষ্টি করতে তা হত না।

    "কাউকে নির্মূলের মধ্যে বিজ্ঞান নেই, যৌক্তিকতা নেই। "

    সহমত ১০০%

    1. 4.1
      এম_আহমদ

      @মহিউদ্দিন: পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

  7. 3
    এস. এম. রায়হান

    অল্প কথায় টু-দ্যা-পয়েন্টে লেখাটি খুব ভালো হয়েছে।

    1. 3.1
      এম_আহমদ

      ধন্যবাদ। والسلام
       

  8. 2
    নির্ভীক আস্তিক

    @এম আহমদ ভাই, আপনি কি Facebook account activate করেছেন ? ওটা ওপেন করে আমাদের একটু দিন। আপনার, জিয়াউদ্দিন ভাই, শামস ভাই, শাহবাজ ভাই, এই আপনাদের লেখাগুলো থেকেই আমরা উৎসাহ পাব সামণের দিকে এগিয়ে যেতে। আমাদের নিয়ে আরেকটু করুন, আরেকটু ভাবুন 🙂

    1. 2.1
      এম_আহমদ

      হ্যাঁ ভাই, দেব। দোয়া করবেন। ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। সালাম।
       

  9. 1
    শাহবাজ নজরুল

    সালাম আহমেদ ভাই -- আপনার লেখনীশক্তি দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে যাই। আপনি এত সহজে এই 'মুক্তমনা' ভাইরাসে আক্রান্ত লোকদের মানস ও কর্মপদ্ধতির বিবরণ দিলেন তা অসাধারণ। এই কথাগুলো আমার মনেও আটকে ছিল -- কিন্তু আপনার মত করে কখনো লিখতে পারতাম না। 

    পরে আলোচনায় আসছি। 

    সম্পাদক সাহেব -- লেখাটিকে স্টিকি করার দাবী জানিয়ে গেলাম। 

    1. 1.1
      নির্ভীক আস্তিক

      আপনার কাছে আমার  ফেসবুকের এড রিকুয়েস্টটা বোধহয় ঝুলে আছে। অনেকেই বোধহয় রিকুয়েস্ট পাঠান তাই যোগ করার সময় পাননা, তাই নে ?

       

      1. 1.1.1
        শাহবাজ নজরুল

        ভাইজান সালাম নেবেন। আমি ফেবু একটিভিস্ট নই -- ফেবুতে অতি পরিচিত ছাড়া কেউ তেমন নাই -- বেশিরভাগই পরিবারের সদস্যগণ। 'নির্ভীক আস্তিক' হিসেবেই কি রিকুটা পাঠিয়েছে? জানাবেন -- এড করে নেব ইনশাল্লাহ। 

        1. 1.1.1.1
          নির্ভীক আস্তিক

          আরে ধুর। এক্টিভিস্ট হতে কে বলেছে। কিন্তু দ্রুত খবরাখবর আদান প্রদান, জানা-অজানা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করতে সহজ হয়। ফেবুতে অতিপরিচিত ছারা যেহেতু কেউ নেই সেক্ষেত্রে Avoid করে যেতে পারেন। Request আমি আসলে একটু অন্য নামে পাঠিয়েছে। আমার original name এ ;)।  "নির্ভীক আস্তিক" আসলে ছদ্য নাম, বুঝেনিতো দেশে থাকি। আবার কিনাকি ঝামেলা পোহাতে হয়।

    2. 1.2
      এম_আহমদ

      @শাহবাজ নজরুল:

      ওয়া আলাইকুম সালাম শাহবাজ ভাই। লেখাটি আপনার ভাল লেগেছে দেখে স্বভাবতই তৃপ্তির ছোঁয়া অনুভব করেছি। আবার এটাকে সম্পাদক সমীপে দাবী জানিয়ে স্টিকি করিয়ে নিয়েছেন –কী আর বলি। আপনাকে ও সম্পাদক সাহেবকে ধন্যবাদ।  ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। আর আমাদের সমাজ থেকে হুজুগের নেশা দূর হোক এবং শান্তির যুক্তি সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ুক –এই দোয়া করি। ওয়াস সালাম।

Comments have been disabled.