«

»

Jan ০১

বাংলাদেশ ও ইহার গণতন্ত্র

   আপনি কেমন আছেন? নিজের জীবন নিয়ে অনেক পেরেশানীতে আছেন? গভীর দুশ্চিন্তায় নিমজ্জিত? দুশ্চিন্তার কারন? পরিবার? সন্তান? অর্থ-সম্পদ? ক্ষমতা? নিজের লক্ষ্যে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছেন? নিজের চাওয়া-পাওয়া পূর্ণ হয়নি? কামনা অনুসারে জীবন গড়তে পারেননি? পরিবার, আত্মীয়স্বজন, পরিচিতজন আপনাকে মূল্যায়ন করে না? অন্যের সাফল্যে হিংসায় জ্বলছেন? চাকুরীতে/ব্যবসায় ব্যর্থ হয়েছেন…… আপনাকে নিয়ে কেউ চিন্তা না করলেও, একজন ঠিকই আপনাকে নিয়ে চিন্তা করছেন। আর তিনি হলেন “মা”। একজন মা তার সন্তানকে কতটুকু ভালবাসেন তা শুধু একজন মা-ই জানেন। কেউ কেউ কিছুটা অনুধাবন করতে পারেন নিজের মা-এর অনুভুতি সম্পর্কে যখন সে নিজে মা বা বাবা হোন। নবী(সা) প্রত্যেকের জন্য প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় অর্থাৎ প্রথম ৩ টি স্থান মা-কে দিয়ে দিয়েছেন তারপর চতুর্থ স্থান-টি বাবা-কে দিলেন। আপনি দেশের বাহিরে কর্মরত। হঠাৎ কোন একদিন ভাই বা বোন বা আত্মীয়দের ফোনের মাধ্যমে জানতে পারলেন মা খুবই অসুস্থ। তাঁর জীবনের শেষ সময়ে পৌঁছে গেছেন। ফোন পাওয়ার পর থেকে আপনার আর কোন কিছুতেই ভাল লাগছে না। অফিসের এবং জীবনের সকল কাজে বিষাদের থাবা পেয়ে বসেছে। মা-কে দেখার জন্য, কাছে যাওয়ার জন্য খুব ইচ্ছে করছে। অফিস থেকে ২ সপ্তাহের ছুটি মেনেজ হয়ে গেল। নেট থেকে বিমানের টিকেট কেটে নিলেন। সেই রাতে ফ্লাইট। টিকিটের মূল্য সাধারণ মূল্যের চেয়ে অনেক বেশী। কিন্তু এখন বেশী দেখার সময় নেই। মা-র কাছে যেভাবেই হোক পৌঁছাতে হবে।

 

   কিভাবে অফিসের কাছ থেকে ছুটি মেনেজ হল, কার কাছ থেকে ছুটি মেনেজ করতে হল, নেটের কোথায় গিয়ে টিকিট কাটতে হল, কোথায় নিজের বাসা, বাসায় গিয়ে কি করা লাগল, কখন এবং কিভাবে বিমানবন্দর যাওয়া, প্রয়োজনীয় কাগজ পাসপোর্ট সব ঠিক রাখা, অবতারনের পর বিমানবন্দর থেকে বাড়ি যাওয়া…… ইত্যাদি সহ শতসহস্র কাজ এবং সকল শারীরিক, মানসিক, আর্থিক কষ্ট শুধুমাত্র মা-কে দেখা এবং কাছে পাওয়ার জন্য। এত এত কাজ কে করল? উত্তরটি কি “মস্তিষ্ক”? তাই নয় কি? কিন্তু উত্তরটি শতভাগ ভুল। এই সকল কাজের কারন হল “ভালবাসা”। মা-এর প্রতি ভালবাসা। হাত, পা, চোখ, জিহবা সহ শরীরের সবকিছু নিয়ন্ত্রন করছে মস্তিষ্ক আর মস্তিষ্ককে নিয়ন্ত্রন করছে অন্তর। আর অন্তরই জীবনের সবকিছুর আধার। প্রত্যেকের কর্ম নিয়ন্ত্রণ হয় অন্তর থেকে। গুন একাকী বিরাজ করতে পারে না, গুন থাকে গুনাধারে। গোলাপ ফুলের গন্ধ তখনই পাওয়া যায় যখন গোলাপ ফুল কাছে থাকে। ভালবাসা তখনই অনুধাবন করা যায় যখন অন্তর থাকে। অন্তরের ভিতরেই ভালবাসার অস্তিত্ব। অন্তরে শুধু ভালবাসাই নয়, রাগ, ঘৃণা, দয়া, মায়া, লজ্জ্বাশীলতা, লোভ, হিংসা, কাম, কামনা… সকল গুনের বসবাস। এই সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা কষ্টসাধ্য। অন্তর সম্পর্কে একটু পরিচয় করার জন্য কথাগুলো অবতারণ এবং চেষ্টা করা।

 

    সমাজে যেমন নামাজী, হাজী ধার্মিক মুসলমান আছেন যারা ঘুষখোর, দূর্ণীতিবাজ, প্রতারক… এবং তাদের সংখ্যা অনেক বেশী, তেমনি আছে সত্যিকারের ধার্মিক এবং তারা সংখ্যায় অল্প। তারা অপ্রয়োজনীয় কথা বলেন না, অযথা কোন বিষয়ে দৃষ্টি দেন না। প্রয়োজন ব্যতীত কোথাও যান না; নিজেদেরকে বাসা এবং মসজিদ ভিতরে সীমাবদ্ধ রেখেছেন। রমজানের ইতিকাফে দেখা যায় তারা সারারাত কোরান পাঠ ও ইবাদতে মশগুল। তাদের বিনয় ও নম্রতা আকর্ষিত করে। ইবাদতের প্রতি তাদের একাগ্রতা, মনোনিবেশ মুগ্ধ করে। একেক ধার্মিকের আচরণ- একেক জনের ভেজাল ও নিষ্ঠা ইবাদত প্রদর্শন করে। মুসলমানদের জন্য একটি ‘ঈমান স্কেল’ আছে। এই স্কেলের মাধ্যমে যে কেউ নিজের ঈমাণ নিজেই মাপতে পারে। যে এই স্কেলে উর্ত্তীর্ণ সে নিজের ইবাদত নিয়ে আশা করতে পারে জান্নাতের ব্যপারে। স্কেলটি হল “অন্যের জন্য তাই পছন্দ কর, যা নিজের জন্য পছন্দ কর”। এই ‘ঈমান স্কেল’-কে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে অন্তর পবিত্র করার প্রয়োজন সবার আগে। প্রথম কাজটি হল অহংকার ও হিংসা দূর করা। অহংকার ও হিংসা দূর করার রাস্তা কি? যেতে হবে পীর বা শিক্ষক বা ঈমামের কাছে(তবে বর্তমান জমানার ভন্ডদের কাছে নয়)। ঠিক তেমনি যারা নিজেদের জনগণের সেবার জন্য আত্মনিবেদন করেন, জনগণের সেবকের ভূমিকায় আবির্ভূত হন তাদেরও ‘সেবা স্কেল’-এ উর্ত্তীর্ণ হতে হয়। সেবা স্কেল হলঃ “অন্যের দুঃখ, কষ্ট, অন্যায়, অবিচার, অভাবের তীব্রতার কষ্ট, জীবনের মৌলিক প্রয়োজনের অভাবের কষ্ট… যখন অন্তরের পর্দায় সর্বদা আঘাত করতে থাকে এবং তাদের সেবা এবং প্রয়োজন মিটাতে নিজেদের ভিতর থেকে এক কর্তব্য অনুভব করে”। কামনা, ভোগ-বিলাসিতা, লোভ, খায়েশ… যখন কারো অন্তরে অবস্থান করে তখন তার পক্ষে সেবার স্কেলে উর্ত্তীর্ণ হওয়া সম্ভব না। এই সেবার স্কেলে যারা উর্ত্তীর্ণ হতে পারে নাই, তাদের মুখে ‘দেশপ্রেম’ কথাটা বড়ই বেমানান। আর যার ভিতর দেশপ্রেম নাই, সে কখনই গনতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করার যোগ্যতা রাখে না।

 

   দেশের শ্রদ্ধেয় রাজনীতিবিদগণদের আচরণ, কথাবার্তায় কখনও চরম বিনোদন তৈরি করে, কখনও হতাশ ও আফসোসের কারন হয়, কখনও শোক তৈরি করে। একটা দেশ ও জাতিকে পরিচালনা করা সহজ কথা নয়। আর সেই দেশ এবং জাতি যদি দরিদ্র হয় তাহলে আরো ভয়াবহ। এই দেশের সকল রাজনীতিবিদগণের অন্তর অর্থ, ক্ষমতা, বিলাসিতার জীবন তৈরিতে আর ভয়ংকর কামনায় পরিপূর্ণ। তাদের দ্বারা দেশের সেবা কেমন করে সম্ভব? শক্তিমত্তা দিয়ে সাম্রাজ্য দখন করা যায়, নতুন দেশ দখল করা যায়, একটা জাতিকে দাবিয়ে রাখা যায় কিন্তু সত্যকে মোকাবেলা করা যায় না। এই দেশের রাজনীতিবিদদের কোন সুস্থ বিবেক এবং অন্তর নেই। যাদের সুস্থ বিচারবোধ নেই তারা কেমন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার দাবী করে? সত্য-কে তো কখনও হত্যা করা সম্ভব নয়। ইহা অবশ্যই এক অসম্ভব কাজ। এই দেশের নির্বাচন, সংসদ, সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা ইত্যাদি সব কিছুই দূর্নীতির ক্যান্সারে আক্রান্ত আর রাজনীতিবিদগণ এই সকলকে ঢালস্বরুপ ব্যবহার করে নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার জন্য। দেশ ও জাতিকে পরিচালনা এবং গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করেতে হলে, শুধু সেবার স্কেলে উর্ত্তীর্ণ হলে হবে না, আরো যেমন প্রয়োজন গভীর জ্ঞানের তেমনি প্রয়োজন দক্ষতা। আর আমাদের সোনার বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়?

 

    ‘গণতন্ত্র’ হল মানুষের জীবনের মূল্যবোধ। দেশের মানুষের যে কেউ তার স্বাধীন চিন্তা প্রকাশ করার অধিকার রাখে। ৭১-এ কেউ যেমন খন্ড স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে মত দেওয়ার অধিকার রাখে তেমনি অখন্ড পাকিস্থানের পক্ষেও মত দেওয়ার অধিকার রাখে। এটা যার যার অধিকার। কারো স্বাধীন ইচ্ছার উপর আক্রমন করার অধিকার কারো নেই নয়ত গণতন্ত্রই প্রতিষ্ঠিত হবে না। তবে যারা ৭১-এ যারা অমানবিক ও অনৈতিকতা কাজে যুক্ত ছিল; হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লোটপাটের সাথে জড়িত ছিল তাদের বিচারের আওতায় এনে শাস্থি পেতেই হবে। আর এখন কেন হত্যা, ধর্ষন হচ্ছে? কেন স্বাধীন দেশে এটা থামানো যাচ্ছে না? আর বর্তমান লোটপাট, দুর্নীতি ৭১-র লোটপাটকে ছাড়িয়ে গেছে বহুগুনে। এটা কি একটা দেশ হইল? একটা দেশের সিস্টেম কি এইরকম যা আমরা দেখছি? এই স্বাধীন দেশের ফায়দা কি?

 

    আর্মি হেড অফিসের উপরে বড় করে লিখা “সমরে আমরা শান্তিতে আমরা সর্বত্র আমরা দেশের তরে”… পুলিশ বাহিনীর কাজ ‘শান্তি রক্ষা করা’। র‍্যাবের কাজ ‘শান্তি রক্ষা করা’। আরে বাবা…… দেশটা এত পাগল কেন? রাস্তার পাগলদেরও একটা ধরণ আছে, এই দেশের রাজনীতি, আমলা, আর্মি, পুলিশ, র‍্যাব, বিচার বিভাগ, দূর্নীতি দমন কমিশন, শিক্ষা ব্যবস্থা, সকল মন্ত্রণালয়, সকল চিকিৎসা ব্যবস্থা, খাদ্য… এই সকল পাগলামির কোন ধরণ নাই। সব কিছুতেই অসুস্থতা। আর্মি, র‍্যাব, পুলিশ এদের আচরণে এবং কথাবার্তায় কোন ‘শান্তি’-র চিহ্ন আছে? ‘শান্তি’ কি জিনিষ তারা কি জানে? পাওয়া যাবে কি তাদের মধ্যে থেকে ২/৪ জন যারা শান্তির সংজ্ঞাটি দিতে পারবেন? সেবার স্কেলে উর্ত্তীর্ণ এমন কাউকে তাদের মধ্যে থেকে দেখা যায় কি? এই দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান বলে কি- এই দেশের মানুষ সুস্থ জীবন যাপন করেন এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত? দেশের মানুষদের জীবন নির্বাহ বলে কি- সশস্র বাহিনী, পুলিশ, র‍্যাব তারা তাদের কর্তব্য ঠিক মত করছে? অসুস্থতা, শুধুই অসুস্থতা লক্ষ্য করা যায়।

 

   এই দেশের মানুষ নিরক্ষর, জানে না স্বাধীন দেশের অধিকার। পেটের দায়ে দেশ ও দেশের বাহিরে সব মানুষ উম্মাদের মত ছুটছে, যে যেভাবে পারছে ধান্ধাবাজী, অপরাধে লিপ্ত হচ্ছে। অসুস্থতা; বাংলার আকাশ-বাতাস অসুস্থতা ও অস্থিরতায় পরিপূর্ন। অধিক জনসংখ্যা, দূর্নীতি, উচ্ছৃঙ্খলতা, অস্থিরতায় এই দেশের মাটি আর ভার নিতে পারছে না। মহা বিস্ফোরনে বিস্ফোরিত হতে যাচ্ছে এই দেশ। পবিত্র এবং সাহসী অন্তরধারী দেশপ্রেমিক দরকার এই দেশকে পরিচালনা করার জন্য এবং খুবই জরুরী। এখনই যদি সাবধান না হওয়া যায়, যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয় তাহলে অচিরেই খুব বিপদজ্বনক পরিস্থিতি দেশ ও জাতির জন্য আসেতেছে।

৪ comments

Skip to comment form

  1. 2
    মহিউদ্দিন

    সুন্দর লিখেছেন। 

    শান্তির সংজ্ঞাটি দিতে পারবেন? 

    এ বিশ্বে জ্ঞান বিজ্ঞানে ধনে জনে এত অগ্রসর হয়েও কেন এত অশান্তি বুঝা কঠিন হলেও এসবের পিছনে যারা কাজ করছে তারা কোনো না  কোন ধরনের আধ্যাত্মিক ভাবনা সংশ্লিষ্ট বিশ্বাসের শক্তি দ্বারা পরিচালিত বলে অনেকে মনে করেন! সে ধরণের এক অভিব্যক্তি  প্রকাশ পেয়েছে একটি লিখাতে! ইচ্ছা করলে পড়তে পারেন।

    তবে কোন জন গুষ্টির নেতৃত্বে যারা থাকেন তাদের মাঝে যদি দেশ শাসনের নামে থাকে কেবল কীভাবে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরার নিত্য নূতন ফন্দি আবিষ্কারের ধান্ধা আর শুধু অর্থের লালসা এবং থাকেনা ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার কোন আদর্শিক অনুপ্রেরণা তখন কেউ বুঝতেই পারবে না সেই সুযোগে কখন দেশটির প্রতিটি প্রতিষ্ঠান চলে যাবে মাফিয়াদের কবলে! 

     

     

     

    1. 2.1
      মোঃ তাজুল ইসলাম

      মহি ভাই, আসসালামু আলাইকুম।

      আগের মন্তব্যটি মুছে দিলাম। আপনার লিংকটি পড়লাম। ভাল একটি পর্যবেক্ষন লিখা। আরিফ সাহেব ভাল লিখেছেন। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ এবং কথাগুলোর সাথে সহমত। ভাল থাকুন।

  2. 1
    এম_আহমদ

    এই দেশের রাজনীতিবিদদের কোন সুস্থ বিবেক এবং অন্তর নেই। যাদের সুস্থ বিচারবোধ নেই তারা কেমন করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করার দাবী করে? … এই দেশের নির্বাচন, সংসদ, সংবিধান, বিচার ব্যবস্থা ইত্যাদি সব কিছুই দুর্নীতির ক্যান্সারে আক্রান্ত …

    আর বর্তমান লুটপাট, দুর্নীতি ৭১-র লুটপাটকে ছাড়িয়ে গেছে বহুগুণে। এটা কি একটা দেশ হইল? একটা দেশের সিস্টেম কি এইরকম যা আমরা দেখছি? এই স্বাধীন দেশের ফায়দা কি? …

    এই দেশের রাজনীতি, আমলা, আর্মি, পুলিশ, র‍্যাব, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, শিক্ষা ব্যবস্থা, সকল মন্ত্রণালয়, সকল চিকিৎসা ব্যবস্থা, খাদ্য … সব কিছুতেই অসুস্থতা।

    গত মাস ছিল ডিসেম্বর মাস –বিজয়ের মাস। চতুর্দিকে ছিল বিজয়ের উল্লাস, অমুক, অমুক, অমুকের প্রশংসা আর প্রশংসা। “দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।” সিঙ্গাপুর হয়ে গিয়েছে। আজ জানুয়ারি মাস প্রবেশ করেছে। এ মাস বঙ্গবন্ধু-প্রত্যাবর্তনের মাস। মিডিয়ার ভাষা, স্বর ও সঙ্গীত আগের মত –সাথে আছেন সেই লোকগুলো, তাদের সেই কথাগুলো যা তারা গত বছর বলেছেন, এর আগের বছর বলেছেন, এর আগের বছরও বলেছেন: এগুলো আরও পুনরাবৃত্ত হবে। আগামী মাস ভাষার মাস। আবার সেই পুনরাবৃত্তি হবে। তার পরের মাস স্বাধীনতার মাস: সেই ভাষা, সেই কথা, সেই লোক। “দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।” পাকিস্থানপন্থি জামাত-বিএনপির দল দেশটিকে  দুর্নীতিগ্রস্ত করেছিল। স্বাধীনতার পক্ষের দলটি দেশকে মুক্ত করেছে –আর্থিক উন্নতির সয়লাব ঘটিয়েছে, সুবিচার ও ন্যায়-নীতি প্রতিষ্ঠা করেছে।

    অতিরিক্ত বলার কিছু নেই। ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন।

    1. 1.1
      মোঃ তাজুল ইসলাম

      আহমেদ ভাই, 

      আসসালামু আলাইকুম।

      আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আপনিও সুস্থ থাকুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.