«

»

Mar ১৯

চন্দ্র দ্বি-খন্ডন

আবু জেহেল ডেকে কহে— "ওহে মুহাম্মাদ (স:),

দ্বিখন্ডিত করো দেখি আকাশের ওই চাঁদ।

যদি পারো, বুঝব তুমি, সত্যিকারের নবী,

মেনে নেব তোমার দাবি, যা বলবে সবই।"

বলেই আবু জেহেল তখন মনে মনে হাসে,

আরো ভাবে নবী এবার গেলেন বুঝি ফেসে।

এবার সুযোগ রব উঠাব পাগল মুহাম্মদ,

অট্টহেসে কাঁপাবো আজ মোদের সভাসদ।

ভন্ডনবী বলে তাকে করব অপমান,

আনন্দের এক মাতলা হাওয়ায় ভরবে সবার প্রাণ।

 

নবী কহে — "ও চাচাজি, নইতো আমি ভীত,

নবী বলে মেনে নেবেন, যদি হয় চন্দ্র দ্বিখন্ডিত?"

মাথা নেড়ে বলেন জেহেল আলবত, আলবত,

মানা ছাড়া থাকবে কি আর অন্য কোন পথ?

চাঁদের দিকে হাত উঠালেন নবী মুহাম্মাদ ( স:),

তর্জনী নির্দেশে হল দ্বিখন্ডিত চাঁদ।

আবু জেহেল হল অবাক, এমনও কি হয়?

যে চাঁদকে কেটে দু-ভাগ করে, নবী সে নিশ্চয়।

তবু জেহেল হেসে কহে – তুমি যাদুকর,

যাদুর মোহ করছে বিরাজ আমার মনের পর।

সত্যি তুমি যাদুকরের শ্রেষ্ঠ শিরোমণি,

ভ্রষ্ট আমায় করছো তুমি করে সম্মোহনি।"

 

মানল না সে সত্যটাকে অহংকারের ফলে,

অহংকারীর পতন হবে জাহান্নামের তলে।

মরার পরে বলবে কাফের — আমিই মিথ্যাবাদী,

মুহাম্মদই ( স:) সত্য নবী, আল্লাহ অন্ত, আদি।

 

-রসুলপুর, সাতক্ষীরা

১০ comments

Skip to comment form

  1. 7
    শমশের খালিদ

    এখানে দেখুন , বিতর্কিত চন্দ্রদ্বিখন্ডন নিয়ে তাফহীমুল কুর'আনের ব্যাখা
    http://wp.me/p1to09-9ch

  2. 6
    Liakat Jowardar

    রসুল স.এর অন্যতম মুজিজা ইশারায় চাঁদকে দ্বিখণ্ডিত করা। কবিতায় বিষয়টি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। অশেষ ধন্যবাদ কবিকে এমন একটি বিষয় নিয়ে কবিতা লেখার জন্য।

  3. 5
    অারমান খান

    ভালো লাগলো

  4. 4
    শমশের খালিদ

    কবিতা হিসেবে সুন্দর হয়েছে।

  5. 3
    jahir

    prophet ashole moon ke 2 vag koren ni. quran er chapter 54 e keyamot er kotha bola hoyese. modern western scholar rao mone kore prophet miracle korte paren na. hadis e unar 14 ta miracle er kotha ase ja banano. er karos silo tokonkar dine muslim army ra middle east invade kore tokon christan ra bolte laglo je muhammad ki kon miracle koresilo naki ? tokon kisu muslim jal hadis bornona kore.

    1. 3.1
      মাহফুজ

      এখানে আমন্ত্রণ- কোরআন ও বিজ্ঞান অনুসারে চাঁদের দ্বিখণ্ডন

  6. 2
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    এইটা যে কবিতা -- তা বুঝিনি -- ট্যাগ দেখলাম "সাহিত্য"। ভাই একটা কঠিন বিষয়ে সাহিত্য না করাই ভাল। তবে হ্যা যদি আপনার কাছে এই বিষয়ে কোন রেফারেন্স থাকে -- দিলে উপকৃত হবো। চাঁদ দ্বিখন্তিত করা বিষয়টা কিভাবে হলো জানার ইচ্ছা প্রবল।

  7. 1
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    আমাদের নবী(স)-কে নিয়ে চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হওয়ার যে ঘটনা, তার সম্পুর্নটাই মিথ্যা এবং বানোয়াট। রেফারেন্সগুলো বিভ্রান্ত এবং গ্রহন্যোগ্য নয়। মুসলমানদের মধ্যে যারা বাড়াবাড়ি-তে লিপ্ত, তারা এইসব বানানো ও গাঁজাখুরি গল্প নিয়া থাকে। জাকারিয়া মার্কা তবলিগ জামাতের ভিতরে অলি-আওলিয়াদের ওলৌকিক কেরামতি যে সব ঘটনা শুনা হয়, লজ্জায় স্থান ত্যাগ করা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।

    1. 1.1
      shahriar

      Actulay this topic has some confusion from long times, whether it's true or false because in Bukhar & Muslim books support it(not sure why it include as hadis). Also there are some support in Quaran as well (54:1 to 2).

       

      So allah knows what's true or false and we should not debate on this topic.

    2. 1.2
      মাহফুজ

          আসুন! এই বিষয়ে স্বচ্ছ ধারনা নেয়ার জন্য মহান স্রষ্টা প্রেরিত ঐশী কিতাব পবিত্র কোরআনের নিচের আয়াতগুলো বোঝার চেষ্টা করি-

          সূরা আল-ক্কামার-

          (৫৪:০১) সেই ঘন্টা/ নির্ধারিত সময়টি (কিয়ামত) এলো নিকটে এবং চিড়/ ফাটল ধরলো চাঁদে।

          (৫৪:২) তারা যদি কোন নিদর্শন দেখে তবে মুখ ফিরিয়ে নেয় এবং বলে, এটা তো চিরাচরিত জাদু।

          (৫৪:৩) তারা অস্বীকার করলো এবং নিজেদের খেয়াল-খুশীর অনুসরণ করলো; প্রতিটি বিষয় যথাসময়ে স্থিরীকৃত হয়।

          (৫৪:৪) তাদের কাছে এমন সংবাদ এসে গেল, যাতে আছে সাবধানবাণী।

       

          রাসূল (সাঃ) তাঁর আঙ্গুলের ইশারায় চাঁদকে দ্বিখন্ডিত করছিলেন এ ধরনের কোন ইংগিত এই আয়াতগুলোতে নেই। বরং (৫৪:১) এই আয়াতে চাঁদে চিড় বা ফাটল ধরার বিষয়টিকে একটি মহাজাগতিক নিদর্শন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পবিত্র কোরআনের এই আয়াত নাযিলের অনেক আগে থেকেই যে কেয়ামতের জন্য নির্ধারিত সময়ের নিকটবর্তী পর্বটি আরম্ভ হয়ে গিয়েছিল এবং চাঁদে চিড়/ ফাটল ধরার বিষয়টিও যে আগে থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছিল এবং এখনও জারি আছে তা এই বক্তব্যে ফুটে উঠেছে। চাঁদেও যে ভূকম্পন হয় এবং এতে চিড় অর্থাৎ ফাটলের সৃষ্টি হয়, এখানে সেই বৈজ্ঞানিক তথ্যটিই তুলে ধরা হয়েছে-

          Facts about the Moon

          The Moon has quakes:

          These are caused by the gravitational pull of the Earth. Lunar astronauts used seismographs on their visits to the Moon, and found that small moonquakes occurred several kilometres beneath the surface, causing ruptures and cracks. Scientists think the Moon has a molten core, just like Earth.

       

          কোরআন নাযিলের সময় এই বৈজ্ঞানিক তথ্যটি মোনুষের অজানাই ছিল। কিন্তু বর্তমানে বৈজ্ঞানিক গবেষণায় তা স্পষ্ট। পৃথিবীর মধ্যাকর্ষণ জণিত টানের কারনে সৃষ্ট সংবাহনের ফলে চন্দ্রপৃষ্ঠের খুঁত তথা ফাটলগুলো যে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে, গবেষকরা সেই আশাই করছেন- (Earth's gravitational pull is massaging the moon, opening up faults in the lunar crust, researchers say- Earth's Gravitational Pull Cracks Open the Moon)। এ ভাবেই মহান স্রষ্টা তাঁর কিতাবে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক নির্দশন তুলে ধরেন, যা বিশ্বাসীদের ইমানকে সুদৃঢ় করে। সেইসাথে কেয়ামতের জন্য নির্ধারিত সময়টিও যে স্থিরীকৃত ও অবশ্যম্ভাবী একটি ব্যাপার, বিশ্বাসী মাত্রই সেটাও সত্য বলে মেনে নিতে বাধ্য হন। অথচ তারপরও অনেকেই এ ধরনের স্পষ্ট নিদর্শনকে বিভিন্ন ভাবে উপেক্ষা করে চলেছে এবং পবিত্র কোরআনের প্রতি অবজ্ঞা প্র্রদর্শন করছে। আগেও অবিশ্বাসীদেরকে বিভিন্ন ধরনের স্পষ্ট নিদর্শন দেখানোর পরও তারা এমনটি করত এবং সর্বকালেই এটাই যে তাদের চরিত্র সেটাই পরের আয়াতে তুলে ধরা হয়েছে। সেইসাথে কোরআনের নিদর্শনে বিশ্বাস ও সাবধানবাণী অনুসরণ করার প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।  

          প্রকৃত জ্ঞান তো সর্বজ্ঞ মহান স্রষ্টার নিকটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.