«

»

Jul ০১

হিজরত

"হিজরত"
আব্দুল্লাহ আল মাসুম
————————-
মিটিং এর পর মিটিং চলিল এবার কি করা যায়,
এতই সাহস বাপ দাদাদের ধর্মে নিন্দা গায়?
কেউবা বলিল মুহাম্মদকে হত্যা করিলে কি হয়?
নাহলে দেখিবে দিনে দিনে জয় করিবে মানব হৃদয়।
কেউবা বলিল ধনসম্পদ আর সুন্দরী নারী দেওয়া যায়,
এমন কে আছে পৃথিবীর বুকে সম্পদ, নারী না চায়?
ডাকিয়া তাঁহাকে উৎবা বলিল – বলো তুমি চাও কি?
সব দেব ধন আরো দেব নারী সুন্দরী অপ্সরী।
শুধু তুমি থামো, নিন্দা করিতে মোদের দেবতা গনে,
শর্ত যা দাও পুরণ করিব, সব কথা নেব মেনে।
নবিজী কহিল-
ডান হাতে যদি চন্দ্রটা দাও, বাম হাতে দাও সূর্য,
ছাড়বো না তবু প্রচার করিব বাজায়ে কালেমা তূর্য।
শুনিয়া সহসা খেপিয়া উঠিল আবু জেহেলের দল,
হত্যা করার ফন্দি আটিয়া, হাসিল অনর্গল ।

সেদিন গভীর রাতে,
কাফেরের দল আসিল পড়িল তরবারি লইয়া হাতে।
দরজার পাশে ক্ষুব্ধ চোখেতে সবাই পোরোসতুত,
মুহাম্মদের মুন্ডু কাটিয়া দেবতা করিবে পূত।
জীব্রাইল এসে জানাইয়া দিলেন তাদের গোপন ফন্দি,
অভয় দিলেন- আপনারে ওরা করিতে পারিবেনা বন্দি।
একমুঠো বালি আয়াত পড়িয়া ছুড়ে দেন ওই দিকে,
আল্লাহ তায়ালা পৌছে দিবেন কাফেরের চোখে চোখে।
তালিবের ছেলে আলীকে ডাকিয়া নবিজী কহেন শোনো,
কাফেরদের এই আমানত সব মনযোগ দিয়ে গোনো।
যার যা স্বর্ণ আছে আমানত বুঝিয়া পড়িয়া দিবে,
আমার বিছানায় এখনি তোমায় শয়ন করিতে হবে।
এই কথা শুনে আলী বুঝে গেল আর কোন ভয় নাই,
কাফের তাহাকে মারিবে না তবে কার কাছে পাব ঠাঁই?
মুঠি ভরে বালি ছুড়িয়া মারিতে সবাই পড়িল ধাঁধায়,
এরই ফাঁকে নবী বেরিয়ে পড়িলেন নেই কোন তাঁর বাঁধাই।
আবু বকরের দরজা নাড়িতে কপাট খুলিয়া গেল,
চলুন বলিয়া তাড়াতাড়ি করি বকর কাছেতে এল।
অবাক হেরিয়া নবীজি কহেন নিদ্রা যাওনি আজি?
নিদ্রা যাইনা এই ভয়ে পাছে ধরে ফেলে যদি পাজি?
রাতের আঁধারে বেরিয়ে গেলেন মদিনায় দিতে পাড়ি,
আল্লার আদেশ পালন করিতে মক্কা শহর ছাড়ি।
————————-
রসুলপুর, সাতক্ষীরা
রচনাকাল- 30/06/16

১ comment

  1. 1
    Abu Ullah

    Beautiful

Leave a Reply

Your email address will not be published.