«

»

Aug ০৪

বিদ্যা ও বিদ্যাপতি

প্রবন্ধটি একটি মাসিক পত্রিকায় অনেক আগে ছাপানো হয়। আজ আপনাদের জন্য পেশ করলাম।

 

ছোটবেলা থেকে অামাদের মোটা মোটা পাঠ্যপুস্তক গেলানো হয় বিদ্যা অর্জন করে বিদ্যাপতি হওয়ার জন্য। তার জন্য প্রস্তুতি সেই ভূমিষ্ঠ হবার পর থেকেই। কথা ফোটার অাগেই সন্তানকে স্কুলে রেখে অাসার প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত হয়ে ওঠে পিতামাতা। ছেলেমেয়ে কোনরকম হাটতে পারলেই হাত ধরে মায়েরা স্কুলে নিয়ে যায়। বিদ্যা অর্জন করাতে যেন পিতামাতা কত সচেতন! পাখিডাকা ভোরে ঘুম থেকে জাগিয়ে ছোট্ট ছেলেটা বা মেয়েটাকে নিয়ে মা হাটা করে বিদ্যাসদনে। দিনভর শিক্ষকদের দেওয়া বিদ্যার ভারে ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরে ছোট্ট অবুঝ শিশুটি। সকালে কোচিং তো অাছেই , দুপুরে প্রাইভেট মাস্টার এসে ঝালাই করেন অাচ্ছামত। কোচিং ও স্কুলের বিদ্যা গেলানোর পর তার ভান্ডার থেকে প্রদান করা শুরু করেন নব্যপাঠ। দেন বাড়িতে হাতের কাজ, ছবি অঙ্কন এটা সেটা অারো কত কি? সন্ধায় এবার মহাপন্ডিত মা নিয়ে বসেন পড়াতে। সব পড়া না গিলিয়ে উনি ক্ষ্যান্ত হন না মোটেই। এরপর বাচ্চাটা পায় একটু বিরতি। তারপর অাবার পাখিডাকার অাগেই উঠে যাত্রা শুরু করতে হয় বিদ্যাপীঠে। এভাবেই চলতে থাকে দিন, মাস,বছর। অার শেষ হয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিয়ে। বলুন এবার এই ছেলে বা মেয়ে তখন বিদ্যাপতি না হয়ে পারে? অাগেই তো বলেছিলাম প্রথম চরণে বিদ্যাপতি হবার জন্যই সেই বাল্যকাল হতে এই প্রচেষ্টা।
এবার একটু পিছনে ফেরা যাক, তিন-চার যুগ অাগেও দেখা যেত একটু বয়স করে ছেলেমেয়েদের স্কুলে পঠানো হত। এমনকি এও দেখা গেছে যে অাট দশ বছর বছরে স্কুলে পাঠানো হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এমনই ঘটত প্রাইমারি স্তর শেষ করার অাগেই ঝরে যেত অসংখ্য ছাত্রছাত্রী। বিষয়টা এমন যে ফুল ফোটার অাগে কড়ি শুকিয়ে ঝরে পড়ার মত। এমনকি গোটা গ্রাম মিলে কয়েকজন ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করা মানুষ ছাড়া পাওয়া যেত না। অার সারা গ্রাম মুল্লুক তালাশ করে বড়জোর একজন বি এ পাশ করা মানুষ পাওয়া যেত। শুনেছি তাদের দেখতে যাওয়ার জন্য নাকি গ্রামবাসী তার বাড়িতে ভীড় জমাত। এবার চিন্তা করেই দেখুন তখনকার সমাজের চিত্রটা কি? বিদ্যাপতি তাও সমগ্র গ্রাম জুড়ে একটা। কপাল ভাল থাকলে বড়জোর দুইটা, তিনটা হবার সুযোগ একেবারেই নেই। তাহলে গ্রামে পাঁচহাজার লোক থাকলে সর্বোচ্চ পাঁচজন বিদ্যাপতি ছিল।হাজারে একজন ছিল শিক্ষিত। অার চার হাজার নয়শত পঁচানব্বই জন ছিল বিদ্যাহীন মূর্খ। কি বেদনাদায়ক ব্যাপার তাই না?
এবার অাসব মুল অালোচনায়। তার অাগে অাপনাদের কাছে একটা প্রশ্ন ছুড়ে দেই কোন সমাজকে অাপনারা ভাল বলবেন? পূর্বের বিদ্যাহীন মূর্খের সমাজ না বর্তমানের বিদ্যাপতিদের সমাজ? ভাবতে থাকুন কি উত্তর দিবেন। অামি কিন্তু গতানুগতিক অালোচক নই এটা মাথায় রাখবেন।
এবার অাসুন এতই যখন বিদ্যা নিয়ে অালোচনা করছি বিদ্যা কি এটা জেনে নেই। বিদ্যা কিন্তু হলিউডের নায়িকা নয় যে তাকে দেখে বিদ্যার সংগা দিবেন। বিদ্যা একটি অন্যরকম জিনিস। বিদ্যা কি বুঝতে ভুল হলেই হবে যত গোলমাল। অামি বিদ্যার নির্দিষ্ট কোন সংগা দেব না। বিদ্যার কর্ম বর্ণনা করে অাপনাদের কাছ থেকে জেনে নেব বিদ্যার সংগা কি। তারপর হয়ত নিজেও বিদ্যার সংগা দিতে পারি।
একদিন বাসে করে যাচ্ছিলাম বোনের বাড়ি। একটি সিট পেয়েছিলাম ভাগ্যচক্রে। প্রচন্ড ভীড়। কিছুদূর যাওয়ার পর বাসে একটি ছোট ছেলে উঠল। হাতে একটা ব্যাগ। উপরের হাতল ধরে দাঁড়াতে ভীষণ বেগ পোহাতে হচ্ছে তাকে। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম কোথায় যাবে? সে বলল পাটকেলঘাটা। অামি অাবার জিজ্ঞাসা করলাম কোথা থেকে অাসছো তুমি? সে বলল মাদ্রাসা থেকে এক সপ্তাহের ছুটি পেয়েছি তাই বাড়িতে যাচ্ছি। ছেলেটির গায়ে পাঞ্জাবী, মাথায় পাগড়ী। অামি বললাম, তুমি কোন মাদ্রাসায় পড়ো? সে বলল, হাফিজিয়া মাদ্রাসায়। বাস চলছে। হঠাৎ ব্রেক করল ড্রাইভার। এমন অবস্থা যেন ছেলেটি ভারসম্য রাখতে না পেরে প্রায় পড়ে যাচ্ছিল। অবস্থা দেখে অামি নিজের উরুর উপর তাকে বসালাম। বসতে চায় না, তবুও এক প্রকার তাকে জোর করেই বসালাম। পথিমধ্যে অনেক গল্প হল তার সাথে। অারো জানতে পারলাম তার পিতা দিনমজুর। বসতভিটাটুকুই তার সম্বল। কোনরকম চলছে দিন। কথা বলতে বলতে তার গন্তব্যস্থলে পৌছে এল। নামার পূর্বে সে কত যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল তা বলে বোঝানোই কষ্টসাধ্য। ছেলেটির বয়স সর্বোচ্চ দশ বছর হবে। কিন্তু তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের ভঙ্গিমা যেন অনেক শিক্ষিত মানুষকেও হারিয়ে দিবে।
একদিন কোন এক মাদ্রাসায় গিয়েছিলাম কিছু জরুরী কাজ নিয়ে। মাদ্রাসার হুজুরের সাথে কথা বলে বের হলাম। মাঠের মাঝ বরাবর চলে এসেছি এমন সময় কাকু একটু দাঁড়ান, কাকু একটু দাঁড়ান বলে কে যেন ডাকছে। অামি ভাবছিলাম কে ডাকছে এভাবে? পিছন ফিরতেই দেখি একটা ছোট ছেলে। দৌড়ানোর কারণে সে হাপাচ্ছিল। হাপাতে হাপাতে বলল, অাপনি সেই বাসের কাকুটি না যে অামাকে কোলে বসিয়ে নিয়ে গিয়েছিলেন? অামি চিনতে পারছিলাম না। তারপর মনে পড়ল তার কথা। মাথা নাড়লাম। সে বলল, অামি এই মাদ্রাসায় পড়ি। অামি বললাম বেশ সুন্দর মাদ্রাসা এটি। সে মাথা নাড়ল। অামি জিজ্ঞাসা করলাম অামাকে কোথা থেকে দেখলে? সে বলল, ক্লাসের বারান্দা থেকে। অাপনাকে দেখেই চিনতে পেরে দৌড়ে অাসলাম। তার কথা শুনে মনটা খুশিতে ভরে গেল। এত ছোট বাচ্চা ছোট একটা কাজকে এখনও মনে রেখেছে? অার এখনও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে? অনেকটা অবাক হলাম। এতটুকু ছেলে কৃতজ্ঞতা কি জিনিস বুঝল কি করে? এরপর তার হাত ধরে বাইরে নিয়ে এলাম। তারপর চকলেট, অাইসক্রিম কিনে দিলাম। অনেক খুশি হল ছেলেটি। তারপর তাকে বিদায় দিয়ে ফেরত অাসলাম।
এবার অার একটি ঘটনা শোনাব, সালটি ছিল সম্ভবত ২০০৩ কিংবা ২০০৪, ঠিক মনে নেই। একটি ছেলে ভীষণ কান্নাকাটি করছে একটি অামগাছের নিচে বসে। অামি মাঠে যাচ্ছিলাম একটা টুর্নামেন্ট খেলা দেখব বলে। যদিও খেলা খুব একটা দেখি না তারপরও এলাকার ছেলেরা ফাইনাল খেলবে তাই যাচ্ছিলাম। ছেলেটিকে কাঁদতে দেখে জিজ্ঞাসা করলাম কাঁদছিস কেন? ছেলেটি অামার পরিচিত ছিল। পাশের গ্রামে বাড়ি। সে বলল, কাল ফরম ফিল অাপের শেষ তারিখ। যদি করতে না পারি এস এস সি পরীক্ষা দিতে পারব না। সব শেষ হয়ে যাবে ভবিষ্যত।কি করব ভেবে পাচ্ছি না। অামি বললাম চল অামার সাথে। বড় চাচার কাছে নিয়ে গেলাম। বেশ সম্পদশালী চাচা। তার ঘটনাটা খুলে বললাম চাচাকে। সে টাকা দিতে রাজি হল। ফরম ফিল অাপ হয়ে গেল তার। পরীক্ষায় ভাল রেজাল্ট করল। এর বেশ বছর সাতেক পরে চাচা একটা জমিজমার কেসে পড়লেন। কোন ভাল সমাধান পাচ্ছিলেন না। ঢাকায় গেল চাচা। ইতিমধ্যে চাচা একটা ভাল উকিল পেলেন। সেই উকিল তার দলিলপত্র দেখে বলল এই কেসের বিরুদ্ধে যে উকিল লড়ছে সে বেশ শক্তিশালী ও নামকরা। তাকে হারানো অতটা সহজ হবে না। চাচা তার ঠিকানা নিলেন। মনে মনে ভাবলেন একবার দেখা করবেন এবং তার সাথে একটু কথা বলবেন। গেলেনও তাই একদিন। যেয়ে দেখলেন সে উকিল অার কেউ না সে তার পাশের গ্রামের সেই ছেলেটি যাকে সে ফরম ফিল অাপের টাকা দিয়েছিল সে। কথা বলল কিছুক্ষণ। সব দেখাল কাগজপত্র। সব খুলে বলল তার কাছে। কিন্তু সে তার প্রতি তেমন অাগ্রহ দেখাল না। বরং তার মক্কেলের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা খেয়ে জালিয়াতি করে সব উল্টিয়ে দিল।
যে ছেলেটির পড়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল টাকার অভাবে, সে যার টাকায় পরীক্ষা দিল তার কৃতজ্ঞতা তো দূরে থাক তার সম্পত্তি অবৈধভাবে কেড়ে নিতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাল। খোঁজ নিয়ে জানা গেল এই ছেলেটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অাইন বিভাগে প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ ছাত্র। কলেজে পড়াকালীন একটি বড়লোকের মেয়েকে পটিয়ে বিয়ে করে। মেয়ের পিতামাতা অাপত্তি করেনি। জানত এই ছেলের ভবিষ্যত ভাল তাই নিজেরা অর্থ ব্যয় করে তাকে অনেক ডিগ্রী লাভ করিয়েছে। অবশেষে সে এখন বড় নামকরা উকিল।
বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বিদ্যাপতির জীবনী তো নিজের চোখেই দেখলেন। অার একটা ছোট্ট বালকের ঘটনাও দেখলেন। মাদ্রাসায় পড়ুয়া অপ্রাপ্তবয়স্ক বালকের অাচরণে পেলাম বিনয়ীতার শিক্ষা, কৃতজ্ঞতাবোধের শিক্ষা। যার কোন শিক্ষার সনদ নেই। অার বিদ্যালয় পড়ুয়া বিদ্যাপতির কাছ থেকে শিখলাম অকৃতজ্ঞতাবোধ, লোভ, চাতুর্যতার শিক্ষা। বিদ্যা বলবেন কোনটিকে? বিদ্যাপতি কে? ওই ছেলেটা? না কোর্ট পরা উকিলবাবু?
অারেকটু অালোচনায় যাওয়া যাক চলুন। যদি যান কখনো উন্নত শহরে কোন কিছু ভাল লাগুক বা নাই লাগুক বড় বড় অট্টালিকা দেখে ভীষণ ভাল লাগবে। কিন্তু অাপনি সুস্থ মস্তিষ্কের হলে একটু পরেই ভাললাগাটুকু উড়ে যাবে চোখের পলকে। দেখবেন টিশার্ট অথবা গেঞ্জি ও জিন্সপ্যান্ট পরে কতগুলো শেতাঙ্গী মেয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে মার্কেট প্রাঙ্গণে। চুলগুলো কেটে ছেলেমানুষের মত করা, তা নাহলে হরেকরকম ভঙ্গিমায় বেঁধে রাখা। বেচারা যুবকগুলো তাদের গলাধঃকরণ করছে। মেয়েগুলোও খুবই খুশি। কখনো দেখবেন পার্কে পাশাপাশি বসে অঙ্গলীলায় মেতে উঠেছে দুজন। যদি খুঁজতে যান এরা কারা? তবে দেখবেন সবাই উচ্চ বংশীয় ছেলেমেয়ে। সবাই কোন না কোনো ভার্সিটি পড়ে। এরাই তারা যারা ছোটবেলা থেকে তাদের পিতামাতার স্বপ্ন পুরণ করছে। কি স্বপ্ন? বিদ্যাপতি হওয়া। অাধুনিক সমাজে এই লক্ষ লক্ষ বিদ্যাপতি থাকতেও অাজ সমাজে বিরাজ করছে প্রকাশ্য বিকৃত যৌনাচার, দুর্নীতি, অশ্লীলতা ও বেহায়াপনা। অার তিন যুগ অাগে যারা কোন প্রতিষ্ঠান থেকে পড়ালেখা করেনি তাদের সমাজে ছিলনা এমন যৌনাচার, ব্যভিচারের মহোৎসব। একটি পরপুরুষের সাথে কথা বলা পর্যন্ত তারা নির্লজ্জ কাজ বলে মনে করত যা কিনা এই যুগের বিদ্যাপতিরা করে না। তারা অন্যায়পথকে যেমন ঘৃণা করত, বর্তমান বিদ্যাপতিগণ তা মনে করেন না। অাসলে কারা বিদ্ব্যান? কোন সমাজের মানুষ বিদ্যাপতি? বর্তমানের বিশ্ববিদ্যালয় পাশ করা ব্যক্তি না সেকেলে যুগের অশিক্ষিত মানুষগুলো?
এভাবে যদি উদাহরণ দিয়ে লিখতে থাকি কয়েক খন্ড বই রচণা করা যাবে। তবে অামার উদ্দেশ্য স্বল্প পরিসরে বিদ্যা নিয়ে অালোচনা করা। তাই অাশা থাকার সত্ত্বেও কলম গুটিয়ে রাখতে বাধ্য হলাম। যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি অল্প কথায় মুল বিষয়বস্তুটি বোঝানো। সফল হতে পেরেছি কিনা জানি না। তারপরও পরিশেষে বিদ্যার সংগা নিজের কলমে ফুটিয়ে তুললাম এভাবে…..
অাসলে বিদ্যা হচ্ছে নৈতিক জ্ঞানবোধ, যা মানুষকে সকল নৈতিকতার পথে চালিত করে। যা শতশত বই পড়েও হয় না। যে শিক্ষা একজন মানুষকে সত্য মিথ্যা, ন্যায় অন্যায়, শালীনতা অশালীনতা পার্থক্য করে চলার অনুপ্রেরণা যোগায় তাই বিদ্যা। বিদ্যা ছড়িয়ে অাছে পৃথিবীর পরতে পরতে। প্রতিটি নৈতিক জ্ঞানই এক একটি বিদ্যা। এই নৈতিক জ্ঞানসম্পন্ন একজন মানুষ যদি সে কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নাও যেয়ে থাকে তবুও সে বিদ্যাপতি বলেই বিবেচিত হবেন। অাচরণের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে কে বিদ্যাপতি। বিদ্যা গাছে ধরে না যে ঝাকা দিলেই পাবেন। বিদ্যা স্রষ্টার অনুগ্রহ যা সুহৃদ ব্যক্তিগণ ছাড়া পাবে না। তাই যদি অাসলেই অাপনি বিদ্যাপতি হতে চান হৃদয়ের কলঙ্ক মুছে অাসুন। নিরহংকার চিত্তে অাসুন নৈতিক শিক্ষকের দ্বারে। এই বিদ্যা নিয়ে প্রকৃত বিদ্যাপতি হয়ে অবিদ্যাকে নিজের হাতে জবাহ করে কবরস্থ করে পৃথিবীর গলায় পরিয়ে দিন বিদ্যার রাজটিকা, অার অাপনি হয়ে থাকুন চিরস্মরণীয় বিদ্ব্যান মহাপুরুষ হয়ে। এটাই জীবনের পরম পাওয়া হবে, তাই নয় কি?
রসুলপুর, সাতক্ষীরা।
২২/০৫/১৫

৩ comments

  1. 3
    madhumangal saha

    I DON'T  KNOW WHAT ABOUT SAYS BANGLADESH CONSTITUTION . BUT EVERY PERSON SHULD HAVE RIGHT TO FREEDOM OF SPEECH . EAITHER IT IS GOING FEBER OR AGAINST OF RACE AND RELLIGION BUT TO KILLED HIM OR HER IT IS FANATIC . IF YOU LOVE YOUR RACE THEN  YOU PROVED THAT THOSE  WARE LIRE, WITH EVEDENCE .OTHERWAYES IT WILL BUMERAING. FANATIC CAN(SPECIALLY A PARTICULER RELIGION WHO BELIEVED THERE RELIGIOUS IS RIGHT AND OTHER IS NOT ONLY WRONG BUT ALSO SATANIC ) STOP A LIFE BUT NEVER STOP PEN . IF A MAN HAVE TO CHOICE HIS CLOTHOS THEN NOT A WOMEN ? IF A MAN  CAN MARRIED MORE THAN ONE THEN WHY NOT A WOMEN TOO?WHAT CLOTHS WARING ABOUT A WOMEN IT IS HER PERSONAL MATTER . NO BODY HAVE NO POWER TO INTERFAIRE ABOUT IT . WOMEN ARE NOT MATERIALS THEY ARE RACE OF MOTHER .SO WE THE MAN HAVE TO CONTROLL ABOUT OUR EYESIDE AND MINED .SEX EDUCATION IS NEEDED FOR ALL .ONE DAY BAGDAD CITY WAS FAMOYS FOR CULTER .BUT TODAY ? WHY MUSLIM COUNTRY FOLLOW DEMOCRACY? BECAUSE THEY ARE MODERN. I FELL PROUD WHEN IHERED BANGALADESI GIRL WIN Mt.EVEREST.DO YOU KNOW WHY?  BECAUSE BANGLADESH IS GANOPROJATANTRI . SOME TERROIST HAVE EVERY WHERE BUT FRESH MINED , OPEND MINED ARE AVALEABLE .IT IS TROUGH THAT ;WHERE THE MINED IS WITH OUT FAIRE ; AND IT IS REAL TROUTH THAT  " SABAR UPARA  MANUSH SATTYA  TAHAR UPORA NAI.TGE GOD MADE THE NATURE , NATURE MADE MAN AND MAN BELIVED THE EXISTANCE OF GOD . MANS HAVE OPTION TO BELIVES OR NOT BECAUSE IT IS THERE FUNDAMENTAL RIGHT . SOME HOW I CAN BELIVED OR DENAY BUT THE GOD IS CONSTANTE.

  2. 2
    সরকার সানজিদ আদভান

    আমাদের দেশে প্রকৃত শিক্ষার কোনো গুরত্ব নেই। শুধু অর্থের পিছনে ঘুরে লোভী মানসিকতা ঢাকার জন্য শিক্ষার ব্যবহার।জ্ঞানের কোনো মূল্য নেই এখানে।কে ডাক্তার,কে ইঞ্জিনিয়ার এটাই মুখ্য।জিপিএ,গোল্ডেন এগুলোই আসল তাদের কাছে।অথচ এই গোল্ডেন শিক্ষার্থীরাই সন্ত্রাসী হামলা করেছে।হায়রে বাচ্চা জন্মের পর মা-বাবা কতই না বলে আমার ছেলে ডাক্তার হবে,ইঞ্জিনিয়ার হবে।কিন্তু কেউ একবারও বলে না আমার ছেলে একজন ভালো মানুষ হবে।

  3. 1
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    যে শিক্ষা একজন মানুষকে সত্য মিথ্যা, ন্যায় অন্যায়, শালীনতা অশালীনতা পার্থক্য করে চলার অনুপ্রেরণা যোগায় তাই বিদ্যা। বিদ্যা ছড়িয়ে অাছে পৃথিবীর পরতে পরতে। 

    -- এই বিদ্যাতো আছে কোরআন এবং আল্লাহর আয়াতে। যেখানে সত্য এবং মিথ্যার সুষ্পষ্ট পার্থক্য করে দেওয়া আছে। 

     

    ধন্যবাদ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published.