«

»

Aug ০১

বধু

শিশির কণার মতো বিন্দু বিন্দু ঘাম
খেলা করে অহরহ তোমার বদনে
আমার কিশোরী বধু একটু দাঁড়াও
পূবের জানালা পথে ধানী রং শাড়ি পরে
খোলা চলে এলোমেলো দূর থেকে আমি
বাউল নয়নে দেখি তোমার সুরত।

সকালের সোনা রোদে কাজলা দিঘীর ঘাটে
এলোচুলে এসো সখি মাটির কলসী কাঁখে
হৃদয় উজাড় করে দেখবো তোমার
তালে তালে পথ চলা সোনালী নূপুর।

লুকোলে দিনের কায়া সাঁঝের মায়ায়
চুপিচুপি এসো বালা কাঁকনের ঝড় তুলে
খোলা বুকে দুরুদুরু হিয়ার কাঁপন
দেখবো দুচোখ মেলে তরতাজা ঠোঁট
পাখির বাসার মতো ডাগর নয়ন
ইশারায় কথা বলে বাকুম বাকুম।

বাড়িময় লোকজন ঘুমের বাসরে
ডুবে গেলে মাঝ রাতে প্রেয়সী আমার
পায়ের নূপুর খুলে এসো বিছানায়
এলোমেলো খোলামেলা উতাল মাতাল
ভেসে যাবো দুজনায় প্রেমাক্ত জলে।
 

 

২ comments

  1. 1
    এম_আহমদ

    ভাইজান, ঘটনা কি? হুমায়ূন আহমদের মত কিছু একটা শুভ-ঘটন ঘটে যাচ্ছে, নাকি কোন উপায়ে নব-জীবনের সন্ধান পেয়েছেন? দারুণ কবিতা হয়েছে। ফাটাফাটি!

    1. 1.1
      মফিজুল ইসলাম খান

      ধন্যবাদ ভাইজান। কিছুই ঘটেনি, কিছুই ঘটবে না। বয়স চলছে ৬২। বলা যায় এখন শেষ বিকেল। যাবার সময় সমাগত। জীবনের সেই ১ম দিনগুলির কথা স্মরণ হয়। তা-ই মনে করে লেখা। কল্পনায় অতীতে ফিরে যাওয়া আরকি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.