«

»

Apr ১৭

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিল এক পাঁড় নাস্তিক ….

এক ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশুনা শেষ করে, নিজেকে জ্ঞান-গবেষণার মহারথী ভেবে নিয়ে বলল, ‘আমি জেনে ফেলেছি’। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, ‘কী জেনেছেন?’ তিনি উত্তর দিলেন, “অ”। অর্থাৎ তিনি “অ” শিখে ফেলেছেন। জনাব আসিফ মহিউদ্দিনের অবস্থা হয়েছে সেরকম। তিনি ধর্ম নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্য বিতর্কের আহ্বান জানিয়েছেন এখানে: https://web.facebook.com/atheist.asif?ref=br_rs

 

প্রিয় আসিফ মহিউদ্দিন সাহেব,

আপনি আপনার সমস্ত জীবনের গবেষণায় যা জেনেছেন সেটি তো “অ” মাত্র। আপনি জেনেছেন, “স্রষ্টা বলে কেউ নেই”, “কোনো স্রষ্টা নেই” অর্থাৎ আপনি জেনেছেন, “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই)। তাহলে কেমন হলো মহিউদ্দিন সাহেব! এটা তো মুসলমানের পবিত্র কালেমার “অ” মাত্র। দুনিয়াজুড়ে শিক্ষিত, কম শিক্ষিত, অশিক্ষিত, অর্ধ-শিক্ষিত, উচ্চ-শিক্ষিত সকল মুসলমানই জানে “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই) এটি তারা কালেমার শুরুতেই পড়ে। সেজন্য তাদেরকে আপনার মত সারা জীবন ব্যয় করতে (নাকি নষ্ট করতে?) হয়নি। তারা আপনার চেয়ে অনেক বেশি জ্ঞানী তাই “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই) কথাটা বুঝতে তাদেরকে আপনার মত জ্ঞানপাপীও হয়ে উঠতে হয়নি। তারা সহজিয়া পদ্ধতিতে তা বুঝেছে ফলে তারা “অ” (লা-ইলাহা) পড়েই থেমে থাকেনি। তারা আপনার চেয়ে অনেক বেশি বুদ্ধিমান ও জ্ঞানী তাই তারা “অ” কে অতিক্রম করে “আ” (ইল্লাল্লাহ) পড়তে পেরেছে। কারণ, তারা ‘মানুষ’। তারা অনেক বেশি উচ্চমার্গীয় চিন্তাধারার ধারক বাহক। তাই তারা আপনার নাস্তিকতার মাথায় পা রেখেই পরের ধাপে আস্তিকতায় (ইল্লাল্লাহ-তে) উর্ত্তীণ হয়। আপনার নাস্তিকতার বাণী “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই) কে অতিক্রম করে আস্তিকতায় (ইল্লাল্লাহ-তে) পৌঁছে। আপনি যেন ভুলেও একথা মনে করবেন না যে, মুসলমান নাস্তিকতা বোঝে না। তারা ঐ পথ ঘুরে এসে, ঐ পথের নাড়ীনক্ষত্র জেনে বুঝে, ওটির অসারতা অনুধাবন করেই আস্তিকতায় এসে স্থির হয়। সেজন্যই তো মহান আল্লাহ তায়ালা শুরুতেই মুসলমানকে শিক্ষা দেন “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই)। কারণ, মহান স্রষ্টা জানেন তিনি মানুষকে যেসব কলকব্জা (চোখ, নাক, কান, জিহ্বা, ত্বক- অর্থাৎ পঞ্চইন্দ্রিয়) দিয়ে সৃষ্টি করেছেন তাতে প্রথমেই যা ধরা পড়বে সেটি হলো “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই)। আমরা চোখ দিয়ে কোনো স্রষ্টাকে দেখতে পাচ্ছি না, নাকে তার কোনো ঘ্রাণ পাই না, তার কোনো বাণী কানে শুনতে পাই না, জিহ্বা দিয়ে তার কোনো স্বাদও গ্রহণ করতে পারি না, ত্বকে তার কোনো স্পর্শও পাই না। এটাই তো “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই)। ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের জন্য আমাদের আছে তো কেবল এই পঞ্চইন্দ্রিয়। পঞ্চইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে কোনো স্রষ্টার অস্তিত্ব বা সংবেদন আমরা পাই না। অতএব, আমাদের ব্যবহারিক জ্ঞানের বিচার বা সিদ্ধান্ত হলো “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই)। তাই মহান স্রষ্টা আল্লাহ তায়ালা “অ” (লা-ইলাহা) থেকে অর্থাৎ বান্দার এই সৃষ্টিগত সীমাবদ্ধতার অবস্থা থেকেই তাকে শিক্ষা দান আরম্ভ করেছেন। কিন্তু এখানেই কি শেষ? মানুষের জ্ঞান কি পঞ্চইন্দ্রিয়ের সীমানাতেই আবদ্ধ? মানুষের শিক্ষা কি “অ” তে-ই শেষ হবে নাকি আরও এগিয়ে যেতে হবে? না, মানুষের রয়েছে আরও বেশি কিছু সামর্থ্য। মানুষ জানে, তার পঞ্চইন্দ্রিয়ের সিদ্ধান্ত সবসময় সঠিক হয়না। লক্ষ্য করুন, এক টুকরা লোহা পানিতে ডুবে যায় আবার হাজার হাজার টন লোহা (জাহাজ) পানিতে ভাসে। অথচ সাধারণভাবে আমাদের চোখের (ইন্দ্রিয়) সাক্ষ্য হলো “লোহা পানিতে ডুবে যায়”। সাধারণভাবে আমাদের ইন্দ্রিয়ের সাক্ষ্য হলো বড় জিনিস দিয়ে ছোট জিনিসকে আড়াল করা যায়। যেমন, আমার হাতের তালু চোখের সামনে মেলে ধরে সূর্যকে আড়াল করা যায়। তাহলে কি আমার হাতের তালু বড় আর সূর্য ছোট? অতএব, দেখা যাচ্ছে ইন্দ্রিয়লব্ধ জ্ঞানকে আবার অভিজ্ঞতা দিয়ে শুদ্ধ করে নিতে হয়। প্রকৃতির কিছু গোপন নিয়ম যেমন লোহা ভেসে থাকার ক্ষেত্রে প্লবতার নিয়ম আর হাতের তালু দিয়ে সূর্যকে আড়াল করার ক্ষেত্রে কাছে-দূরের নিয়মটি “অভিজ্ঞতা” দিয়ে জানতে হয়। তাহলে “সত্য” জানার পথ কিন্তু একরৈখিক নয়। এটি বহুমাত্রিক। সত্য জানার জন্য পঞ্চইন্দ্রিয়, অভিজ্ঞতা, বৈজ্ঞানিক প্রকল্প ইত্যাদি বহুবিধ প্রপঞ্চের চৌকস ব্যবহার জানতে হয়। সবচেয়ে বড় কথা হলো সত্যের দ্রষ্টা হিসেবে একজন মানুষকে তার সমগ্র সত্ত্বা ব্যবহার করে “সত্য” জানতে হয়। কিংবা বলা যায় ‘সত্য’ জানতে হলে একজন মানুষকে তার সমগ্র সত্ত্বাকে কাজে লাগাতে হয়। এখানে এসে বিজ্ঞান আর মানবিকবিদ্যা পরস্পর মিলে যায়।

আপনি অবশ্যই স্বীকার করবেন, আস্তিক বা নাস্তিক হওয়ার বিষয়টি শুদ্ধ কোনো বৈজ্ঞানিক প্রপঞ্চ নয়। “বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদ” বলে কিছু নেই। কারণ “নাস্তিকতা” বা “আস্তিকতা” বিজ্ঞানের সাবজেক্টই নয়। আমি স্রষ্টাকে পাই কিনা তা নির্ভর করে আমার সমগ্র সত্ত্বা ব্যবহার করে “সত্য” জানার প্রাবল্যের উপর। আমি প্রবলভাবে চিরন্তন সত্যকে চাই। কারণ “সত্য” আর “বৈজ্ঞানিক সত্য” ভিন্ন জিনিস। বিজ্ঞান নিজে সুসংবদ্ধ জ্ঞান হিসেবে গঠিত হওয়ার জন্য নিজের একটা বাউন্ডারি বা সীমানা ঠিক করে নিয়েছে যে সীমানার বাইরের কোনোকিছু সম্পর্কে বিজ্ঞানের কোনো আগ্রহ কিংবা মন্তব্য নেই। তাই “বৈজ্ঞানিক সত্য” হলো “কেজো সত্য” অর্থাৎ এমনকিছু “সত্য” যা আমাদের ব্যবহারিক কাজে লাগে। কিন্তু মানুষ তো এক বিস্ময়কর সৃষ্টি যার মধ্যে কিনা চিরন্তন কিছু আকাঙ্খা রয়েছে যেগুলোকে অস্বীকার করা যায় না। কোনো এক সর্বশক্তিমানের নিকট প্রার্থনা জানাবার আকাঙ্খা তেমনি এক চিরন্তন আকাঙ্খা। মানুষ যত জ্ঞানই অর্জন করুক না কেন এই মহাবিশ্বের বিশালতা, মহাকালের বিস্তার আর বিপুল সব মহাজাগতিক ঘটনার তুলনায় একজন ব্যক্তিমানুষের অস্তিত্ব কল্পনাতীতভাবে ক্ষুদ্র, অবশ্য যদি স্থান-কালের বিপুলতা সম্পর্কে সত্যিই আপনার কোনো ধারণা থেকে থাকে। এই ক্ষুদ্রতাকে সহ্য করার ক্ষমতা মানুষের নেই। কাজেই মানুষের দরকার এক মহান স্রষ্টার যিনি মহাবিশ্বের বিশালতা, মহাকালের বিস্তার আর বিপুল সব মহাজাগতিক ঘটনার নিয়ন্তা বটে। আবার এই স্রষ্টার আকার-আকৃতি আমরা কল্পনা করতে পারি না। তাকে আমরা বুঝি দৃশ্যমান সকল শক্তির আধার হিসেবে। একক, অখন্ডিত (আরবীতে- “আহাদ”), কারণবিহীন কারণ (Uncaused cause, আরবীতে “সামাদ”) হিসেবে অর্থাৎ কার্যকারণ শৃংখলের শেষবিন্দু হিসেবে (যা সদা প্রসারণশীলও হতে পারে)। এভাবে মানুষ এই বিপুলায়তন জগতের প্রেক্ষাপটে তার ক্ষুদ্র অস্তিত্বকে মহিমান্বিত করে তোলে। মানুষ সংসার যাপন করে, পিতামাতাকে শ্রদ্ধাভক্তি করে, সন্তানকে ভালোবাসে, খুন-ধর্ষণ-ছিনতাই-রাহাজানিকে ঘৃণা করে। জীবন যদি এই এক জীবনেই শেষ হতো তাহলে মানুষ তো আর দশটা পশুর মতই জীবন যাপন করতে পারতো- বনে জঙ্গলে, মাতা-পুত্র-কন্যা-পিতা নির্বিচার কাম চরিতার্থতায়, কামড়াকামড়িতে।

এখানেই প্রশ্ন আসে “লা-ইলাহা” থেকে উর্ত্তীণ হয়ে “ইল্লাল্লাহ”তে স্থির হওয়ার। আমার পঞ্চইন্দ্রিয়, অভিজ্ঞতা, বৈজ্ঞানিক প্রকল্প যতই সাক্ষ্য দিক “লা-ইলাহা” (কোনো স্র্রষ্টা নেই), আমার মানবিক বোধ, আমার নিগূঢ় সত্ত্বা বা সত্যিকারের আমি ভিতর থেকে বলে ওঠে, “ইল্লাল্লাহ” (একজন আছেন, তিনি আল্লাহ)। আপনি মহিউদ্দিন সাহেব আপনার পিতার মৃত্যুশয্যার পাশে বসে মূমুর্ষ পিতার শরীরে হাত রেখে বলতে পারবেন “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই)? আপনি যদি তা পারেন তাহলে আপনি মানুষ নন। আর যদি আপনার ভিতর থেকে বলে ওঠে “ইল্লাল্লাহ” (একজন আছেন) তাহলেই কেবল আপনি ‘মানুষ’ পদবাচ্য হবেন। এভাবেই আমরা আপনার নাস্তিকতার পথের (লা-ইলাহা) পাঠ শেষ করে আস্তিকতায় (ইল্লাল্লাহ-তে) পৌঁছি। কী লাভ মিথ্যা জ্ঞানের বড়াই করে আর চ্যালেঞ্জের বাহার দেখিয়ে। আসলে আপনার ‘নাস্তিকতা’ তো ফ্যাশন-ই বটে। আপনার জ্ঞানকে জাহির করার আর কোনো পথ আপনার জানা নাই- অগত্যা এই অচলায়তনে আপনার অবস্থান। আপনি বড়জোর বলতে পারেন যে, আপনি কোনো প্রথাগত ধর্মে বিশ্বাস করেন না। কিন্তু আপনি স্রষ্টায় বিশ্বাস করেন না- একথা ভন্ডামি। কারণ, মানুষমাত্রই, বাই ডিফল্ট, এক স্রষ্টায় বিশ্বাসী। কেউ কেউ রয়েছে আপনার মতো ফ্যাশনবাজ যারা নিজের বিশ্বাসকে গোপন করে। তাই কোরাণে তাদেরকে বলা হয়েছে, “কাফির”। বাংলায় “কাফির” কথাটিকে ভুলভাবে যদিও “অবিশ্বাসী” হিসেবে অনুবাদ করা হয় কিন্তু অনুবাদটি ভুল। স্রষ্টায় “অবিশ্বাস” করা মানুষের সাধ্য নয়। “কাফির” কথাটির আসল অর্থ হলো “বিশ্বাস গোপনকারী”। আপনি কোনোকিছু ঠিকই বিশ্বাস করেন কিন্তু যে কোনো কারণেই হোক না কেন সেই বিশ্বাসকে আর দশজনের নিকট থেকে গোপন রাখেন- এই অবস্থা হলো “কাফির” এর অবস্থা। আরবীতে “কাফির” বলতে “কৃষক”ও বুঝায়। কারণ, কৃষক মাটির নিচে বীজকে লুকিয়ে রাখে- এই অর্থে আরবীতে “কৃষক” বুঝাতেও “কাফির” শব্দটি ব্যবহার করা হয়। মানুষ স্বভাবগতভাবে এক স্রষ্টায় বিশ্বাসী। কিন্তু কোনো কোনো মানুষ তার বিশ্বাসকে “লুকিয়ে রাখে” বা “গোপন করে” এবং দশজনের সামনে নিজেকে বিপরীত বিশ্বাসের ধারক বাহক হিসেবে তুলে ধরে- বিশেষ কোনো রাগ, ঘৃণা, ক্ষোভ বা স্বার্থের কারণে। যাহোক, কথা হলো এই মহূর্তে আপনার প্রকৃত বিশ্বাস গোপন করে বিপরীত বিশ্বাস প্রচার করার নাগরিক/আইনগত অধিকার আপনার রয়েছে। এই বুদ্ধিবৃত্তিক ফ্যাশন আপনি করতেই পারেন- তবে চ্যালেঞ্জ জানানোর কিছু নেই। আপনি একথা বলতে পারবেন না যে, আপনি একজন “বৈজ্ঞানিক নাস্তিক্যবাদী”। ওরকম কথা বললে বিজ্ঞানের অপমান করা হবে। তাহলে আর চ্যালেঞ্জ কীসের? অতএব, “অ” পড়েই থেমে থাকবেন না, আরও কিছু পড়াশুনা করুন। শুভকামনা রইল।

২৯ comments

Skip to comment form

  1. 12

    নতুন কোন দেশে মাইগ্রেশনের ধান্দা আর কি। যদি কোন ভাবে আলোচনায় আসা যায়।

  2. 11
    মহাজাগতিক

    আপনার মন্তব্য আমাকে প্রাণিত করবে। ধন্যবাদ।

  3. 10
    বাবুল

    আপনার লেখায় বেশ নূতন চিন্তার খোরাক আছে।্মানুষ যে কোন বিশ্বাস ছাড়া চলতে পারে না তা সত্য।তবে মানুষ কিসে বিশ্বাস আনবে সেটাই হলো লাখ টাকার প্রশ্ন। নাস্তিকদের বিরুদ্ধে আপনার মার্জিত কিন্তু সুন্দর সমালোচনা পড়ে মুগ্ধ হলাম।ভাল থাকবেন।

  4. 9
    annozomsgt.blogspot.com

    কমেন্ট করলাম কিন্তূ কিছুই তো দেখতে পাচ্ছিনা !

  5. 8
    annozomsgt.blogspot.com

    আলহামদুলিল্লাহ! অছ্ছলাতু অছ্ছালাম আলা রছুলিল্লাহ !
    আমি চুরান্ত বার্তা নিয়ে উপস্থিত হলাম, আমার ভাইয়েরা।
    “মহাজাগতিক ” ভাইজান ইলাহ্ শব্দটির যে অর্থ করেছেন তা সম্পূর্ণ সঠিক
    যে বিষয়ে এবং যেভাবে উনি লেখাটি উপস্থাপন করেছেন, তা সত্যিই চমৎকার হয়েছে, এবং যার উপরে হতেই পারেনা।।
    আর যারা যারা মন্তব্যে অংশ নিয়েছেন, ও ভাইজানের লেখাটি পড়েছেন সবার প্রতি রইলো দুয়া
    হে আমাদের রব আমাদের সহজ সরল পথে চালাও
    তাদের পথে যাদের উপর তুমার রহম হয়েছে
    তাদের পথে নয় যারা পথ ভ্রষ্ট হয়েছে এবং তুমার গজব নাজিল হয়েছে । আমিন

    1. 8.1
      মহাজাগতিক

      আপনার গভীর অনুধাবন ও চৌকস মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  6. 7
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    শিরোনাম পরিবর্তনের জন্যে ধন্যবাদ। 

    1. 7.1
      মহাজাগতিক

      আপনাকে স্বাগতম।

  7. 6
    মাহফুজ

    //ছোটখাটো বিষয়গুলোও আপনি খুব খেয়াল করেন- এটি ভালো।//

    কি করব ভাই! হতে পারে এটা আমার একটা বড় দোষ।
    তবে নিজে করলে ভাল, আর একি বিষয় অন্যে করলে তা খারাপ হয়ে যায়- এরূপ মনোভাবকে আমি ছোট ভাবতে পারিনা। বিশেষ করে যখন তা কোন প্রচার মাধ্যমে স্থান পায়।

    তবে আমার মনে হয় কোন লেখার শিরোনামটি সরাসরি কারো নামে না দিয়ে একটু অন্যভাবে দেয়া হলে তা পাঠকদের মনে এক্সট্রা আকর্ষণ সৃষ্টি করতে পারে। তাছাড়া জড়িত ব্যক্তিটির নাম ও কামের বিষয়টিও একই সাথে ও সঠিকভাবে প্রচার পায়।
    যেমন- "মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন আস্ত এক নস্তিক গবেষক……….!!??"
    ধন্যবাদ-

    1. 6.1
      মাহফুজ

      বাহ! এবার শিরোনামটা বেশ লাগছে-- ধন্যবাদ আপনাকে

      1. 6.1.1
        মহাজাগতিক

        শুভকামনা।

  8. 5
    করতোয়া

    যদিও আমি আসিফের মত ছাগলদের কথায় কান দেই না। কিন্তু তাকে কেন্দ্র করে আপনার ব্যাখ্যা থেকে বেশ কিছু নতুন বিষয় শিখলাম। সুন্দর ব্যাখ্যা করেছেন ফেইথ আর রিলিজিওনের মধ্যে একধরনের মৌলিক তুলনা। ধন্যবাদ আপনাকে।

    1. 5.1
      মহাজাগতিক

      মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ।

  9. 4
    মাহফুজ

    কেউ অগা-মগা আসিফ-রে লইয়া পোষ্ট দেয়, আবার কেউ দেয় খাৎনা বিদ্বেষী অভিজিত রায়-রে লইয়া, খালি নিজেরটার বেলায় চোখ বুইজা থাকে- কথায় আছেনা “শ্যাখ! আগে নিজের পাকে দেখ”

    1. 4.1
      Abu Saif

      আসসালামু আলাইকুম…… 

      এমন স্মৃতিভ্রম হতেই পারে, সবটা ধরতে নেই!!  

      জাযাকাল্লাহ….

      1. 4.1.1
        মহাজাগতিক

        সঠিক কথা। আমারও ওরকম হয়ে থাকে। অনেককিছুই অন্যকে উপদেশ দিই কিন্তু নিজের বেলায় মনে থাকেনা। ধন্যবাদ।

    2. 4.2
      কিংশুক

       অভিজিৎ রায় বৈজ্ঞানিক, মানবতাবাদী নাস্তিকতার বাংলা মহাগুরু। বাংলা নব্য নাস্তিকতার নবী হিসাবে আবির্ভূত হয়ে ইসলাম বিদ্ধেষের বাংলা রেকর্ড গড়ে এক কাল্ট প্রতিষ্ঠা করেন যার শিকার অনেক মুসলিম পরিবারের সন্তানও।তার অনুসারী আপনার চাইতে বড় ডিগ্রীধারী ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকরাও  তার সব কথা ধ্রুব সত্য হিসাবে মানতো, তবে প্রকৃত হণুরা তাকে ঠিকই চিনতো। অথচ  সে  এক বিশেষ সম্প্রদায়ের প্রতারক যাঁরা প্রকৃত পক্ষে হণু। সে মরেও বাংলা নাস্তিকদের অমর দেবতা। এজন্য তার প্রকৃত পরিচয় তুলে ধরার দরকার আছে। অন্যদিকে আসিফ মহিউদ্দিন সাধারণ মানের,  সাধারণ শিক্ষিত বাম নাস্তিক , তাও মোটেও মেধাবী বা আদর্শবাদী, গরীব দরদী কম্যুনিষ্ট না। পুরা ভন্ড, খ্যাতি,প্রচার, অর্থ লোভী ছোট লোক (মনের দিক দিয়ে )। এজন্য ডক্টর অভিজিৎ রায় আর আসিফ এক জিনিস না। মাহফুজ ভাই, আমি ইসলামের প্রতি আপনার প্রচন্ড বিশ্বাস, ভালবাসা খুব পছন্দ করি। আপনার লেখাগুলি আমি অনেক বার পড়েছি। রায়হান ভাইয়ের লেখা গুলি আরো অনেক বেশি পড়েছি এবং কার্যকর বলে মনে হয়েছে । উনার লেখা আমার কাছে বিশ্বমানের মনে হয়! রায়হান ভাইয়ের ও আপনার দুজনেরই ইসলামের প্রতি বিশ্বাস,  ভালবাসার এবং অসাধারণ লেখালেখির জন্য আপনাদের ফ্যান হিসাবে বলবো আপনি বিনা কারনে রায়হান ভাইয়ের সাথে ঝগড়া না করে আপনার যুক্তি তথ্য দিয়ে আপনার মতামত প্রকাশ করেন। দুজনের লক্ষ্যই যেহেতু এক সেহেতু  অহেতুক বিতর্ক না করে নিজের লেখা প্রকাশ করেন। অনেক দিন আপনার নতুন কোন লেখা পাচ্ছিনা। 

      1. 4.2.1
        মাহফুজ

        মি. কিংশুক-

        //নিজের লেখা প্রকাশ করেন। অনেক দিন আপনার নতুন কোন লেখা পাচ্ছিনা।//

        আমার নুতন এবং পুরাতন সব লেখাই এখানে পাবেন- আমন্ত্রণ

        ধন্যবাদ-

    3. 4.3
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      মাহমফুজ, আপনার কথাগুলো বুঝলাম। কিন্তু আপনি লক্ষ্য করেছেন কিনা -- অভিজিৎ রায় বাংলা অনলাইনে একজন একটিভিস্ট ছিলো -- যে তার লেখাগুলো মাধ্যমে বাংলাদেশের যুব সমাজকে ইসলাম বিদ্বেষী বানানোর একটা মিশন চালাতো। সুতরাং তার বিষয়ে সবাইকে জানানো দরকার মনে করি। 

       

      তেমনি আসিফ মহিউদ্দিন যদিও একটা ফেইমসিকার অসুস্থ মানুষ -- তার বিষয়েও জানা দরকার। তবে এইপোস্টি আসিফের বিষয়ে না -- আসিফের একটা বক্তব্য নিয়ে -- এবং যিনি এই পোস্টটা দিয়েছে -- তিনি একটা বিশেষ উ্দ্দে্শ্যে দিয়েছেন। সমস্যাটা এখানেই। 

      ধন্যবাদ। 

       

      1. 4.3.1
        মাহফুজ

        মি. কিংশুক এবং মি. জিয়াউদ্দিন-

        আমার বক্তব্যকে নামমাত্র ঝগড়া ভাবলে ভুল করছেন। আসিফ আর অভিজিৎকে আমি যেমন খুব ভালই চিনি- তেমনি তারাও আমাকে কম চেনেন/ চিনতেন না। সুতরাং নুতন করে চেনানোর দরকার নাই।

        আমি আগে নিজেকে চিনতে চাই। সবাইকেই তাই চাওয়া উচিত।

        শিরোনাম মি. মহাজাগতিক দিক বা মি. রায়হানই দিক- তাদের (আসিফ/অভিজিৎ) একজনের নাম নিয়ে শিরোনাম মানানসই না হলে, আরেকজনের নামেও মানানসই হতে পারেনা। এ ধরনের ডাবল স্ট্যান্ডার্ড ভূমিকা ভাল নয়। তিনি যেই হোক না কেন।

        এবার দয়া করে বলুন তো- অনেক চেষ্টা করেও এখানে মন্তব্য দিতে পারছিনা কেন!? ইচ্ছে করেই তার পোষ্টে মন্তব্য দেয়া ব্লক করাটা কি ঠিক হচ্ছে?

        যারা জানতে ও বলতে চায়- তাদেরকে বলতে ও জানতে না দেয়াটা ভাল নয়।

         

        1. 4.3.1.1
          Shahriar

          yes. totally agreed with you.

        2. 4.3.1.2
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          এই বিষয়ে আমি আপনার সাথে একমত। এই পোস্টের শুরুতেই আমি এই কথাই বলেছি। অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে একজনের বিষয়ে -- যা আসলে উস্কানীমুলক এবং অস্থিরতা সৃস্টির জন্যেই করা হয়েছে। 

           

        3. মহাজাগতিক

          ইসলামের জন্য আপনার ভালোবাসা দেখে আমি মুগ্ধ। ছোটখাটো বিষয়গুলোও আপনি খুব খেয়াল করেন- এটি ভালো। তবে এককথায় সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়ার অভ্যাসটি আবার ভালো নয়। যেমন: "অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে একজনের বিষয়ে – যা আসলে উস্কানীমুলক এবং অস্থিরতা সৃস্টির জন্যেই করা হয়েছে।" অস্থিরতা সৃস্টির জন্যেই করা হয়েছে- এই সিদ্ধান্তটি কি বায়াসড শোনায় না? তাহলে তো সব আলোচনাই 'অস্থিরতা' সৃষ্টির জন্য। বিষয়টা এভাবে দেখুন, কোনো একজনকে উপলক্ষ্য করে কিছু বক্তব্য হাজির করা গেছে যখন সেই কোনো একজন (যে ই হোক না কেন) প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে কথা বলেছে। তাহলে বিষয়ের গুরুত্ব তো একেবারে কম না। একটা মুসলিমপ্রধান দেশের প্রধানমন্ত্রীকে তার ধর্মের সত্যতা বিষয়ে চ্যালেঞ্জ জানানো প্রকারান্তরে দেশের সব মুসলিমকে চ্যালেঞ্জ জানানো। শুধু তা-ই নয় দেশের আলেম সমাজকেও সে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। যাহোক, এরকম চ্যালেঞ্জ অহরহ কত নাস্তিক যে প্রতিদিন জানাচ্ছে…. আমরা কয়টার উত্তর দেব? কিন্তু আসিফ এবার একটু বড় চমক দিতে চেয়েছ প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ জানিয়ে। সেটার মোকাবেলায় কিছু বক্তব্য (বক্তব্যের বিষয়বস্তু নিয়ে তর্ক চলতে পারে) দেয়ার চেষ্টা আরকি। এরকম আস্তিক-নাস্তিক বিতর্ক তো অনলাইনে হামেশাই চলছে। আর আমার পোষ্টের শিরোনামেই কেবল বিশেষ একজন ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে, বক্তব্যের গর্ভে কিন্তু তার ব্যক্তিজীবন বা কর্মকাণ্ড নিয়ে কোনো আলাপ নেই। সেখানে নৈর্ব্যক্তিকভাবেই সবকিছু বলার চেষ্টা করা হয়েছে।  তারপরও আপানার মন্তব্যের সারমর্ম আমি ভেবে দেখবো। ধন্যবাদ।

  10. 3
    Shahriar

    jajak-allahu khayrun. well said.

    1. 3.1
      মহাজাগতিক

      আল্লাহ তায়লা আপনাকেও উত্তম পুরস্কার দান করুন।

  11. 2
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    বরাবারই বলি -- এদের আমরাই হিরো বানাচ্ছি। বলাই বাহুল্য যে -- এরা আরেকদলের ব্ন্ধু যারা ওরে সব সময় পরষ্পরকে  ফোকাসে রাখে।  কমপক্ষে শিরোনাম থেকে এই অর্বাচিনের নামটা বাদ দিন।    ইলাহ, রব আর খালেক শব্দগুলো আবার রিভিউ করুন। 

    1. 2.1
      মহাজাগতিক

      আপনি ঠিকই বলেছেন এদের আমরাই হিরো বানাচ্ছি, যদি হিরো অর্থ হয় বিখ্যাত (নাকি কুখ্যাত?) করে তোলা। তবে আমার মনে হয় আমরা তাদের প্রকৃত রূপ ও জ্ঞানের খামতিটুকু তুলে ধরতে পারছি। আমি জানি পোস্টের শিরোনামে কারো নাম দেয়ার অর্থ হলো তার এসইও করে দেয়া। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনে তাকে এগিয়ে দেয়া। ঠিক আছে পরের বার ঠিক করে নেব। ধন্যবাদ। আর ইলাহ, রব, খালেক শব্দগুলোর সূক্ষ্ণ প্রয়োগ হয়ত সবসময় করা যায়না। এটি কোনো গভীর ধর্মীয় আলোচনা নয়, স্রষ্টার অস্তিত্ব সাধারণভাবে বুঝবার প্রয়াসমাত্র।

  12. 1
    এস. এম. রায়হান

    তৃতীয় শ্রেণীর একজন অগা-মগা হিট সিকারকে শিরোনাম বানিয়ে সদালাপে পোস্ট দেখে অবাক হলাম।

    “লা-ইলাহা” (কোনো স্রষ্টা নেই)

    “লা-ইলাহা” মানে "কোনো স্রষ্টা নেই" -- এই প্রথম শুনলাম। তাহলে কালেমার অর্থ দাঁড়ায়- আল্লাহ্‌ ছাড়া কোনো আল্লাহ্‌ নেই!

    1. 1.1
      মহাজাগতিক

      'ইলাহ' শব্দের একটি প্রতিশব্দ কেউ কোনোদিন বলতে পারেনি, আমার জানামতে। এককথায় ব্যাখ্যাা করার মত শব্দ নয় এটি। ইলাহ' কে আপনি কী বলতে চান- প্রভু, পালকর্তা, নিয়ন্তা কোনটি? এ পোস্টের বিষয়বস্তুর সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইলাহ'র অর্থ 'সৃষ্টিকর্তা' লেখাটা মনে হয় খুব একটা ভুল হয়না। অাবার 'আল্লাহ' শব্দটি দ্বারা আাল্লাহর জাত পাককে (পবিত্র সত্ত্বাকে) বুঝায়। এটির কোনো অনুবাদ হয়না। আপনার অনুসন্ধানী দৃষ্টি ও গভীর পর্যবেক্ষণের জন্য ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.