«

»

May ২২

আমরা কেন রোজা রাখব?

(Re-edited, repeat post)

আমরা কেন রোজা রাখব? এ প্রশ্ন অনেকেই করতে পারেন আর মুসলিমদের অনেকেই এর উত্তরে হয়তবা বলবেন এতে অনেক পুণ্য অর্জন হয় যা আখিরাতে কাজে লাগবে। আর কেউ হয়তবা বলবেন রোজা রাখলে শরীরের ওজন কমবে, স্বাস্থ্যগত উপকার হবে এবং অভুক্ত থাকলে গরীবের কষ্টের অনুভূতি জাগবে ইত্যাদি । রোজা রাখলে এসব উপকার অবশ্যই হবে কিন্তু যিনি এ রোজা রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি বিশ্বাসীদের উদ্দেশ্যে কি বলেন দেখা যাক। সুরা বাকারায় এ বিষয়ে আল্লাহ এভাবে বলেন যে,

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
 “ হে বিশ্বাসীরা, তোমাদের প্রতি সিয়াম (রোজা)রাখার হুকুম করা হয়েছে যে ভাবে হুকুম করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের জন্য যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করতে পার।“ (২:১৮৩)

তাকওয়া সম্পর্কে ইসলামী স্কলাররা অনেক ব্যাখ্যা দিয়েছেন। এক কথায় তাকওয়ার অর্থ বলা যায় মানুষের সকল কর্মে ও কাজে তার মনে আল্লাহ-অনুভুতি বা সচেতনতা (God consciousness) সজাগ থাকা। তাকওয়া হল আল্লাহ-সচেতনতার এমন এক মানসিক অবস্থা যা পাপ থেকে দূরে রাখে এবং সদাসর্বদা প্রেরণা জোগায় উত্তম কাজের। যে মানুষের মনে সর্বদা তাকওয়া সজাগ থাকবে তার পক্ষে কোন অন্যায় কাজ করা বা খোদার নির্দেশ অমান্য করা সহজ হবেনা কেননা তার বিবেক বাধা দিবে। তাকওয়া নিছক ক্ষুধা, তৃষ্ণা ও যৌনতাকে দমিয়ে রাখার সামর্থ নয়,বরং সর্ব প্রকার জৈবিক,আত্মীক ও আর্থিক কুপ্রবৃত্তি দমনের ঈমানী শক্তি।  তাই রমজান বা সিয়ামের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এই তাকওয়া অর্জন। একজন রোজাদার প্রকাশ্যে রোজা আছি বলে গোপনে আহার বা পান করার সুযোগ থাকলেও একমাত্র আল্লাহর ভয়ে সে তা করেনা আর এজন্য আল্লাহ বলেন সিয়াম হচ্ছে একজন ঈমানদারের এমন এক এবাদত যা সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর উদ্দেশ্যে নিবেদিত। এখানে “লোক দেখান এবাদতের” কোন অবকাশ নাই। রোজার সত্যিকার মর্ম বুঝাতে ইমাম গাজ্জালির ব্যাখ্যা পড়তে পারেন এই লিংক থেকে।

এ প্রসঙ্গে বলতে হয় আজ ইসলামী  জ্ঞানার্জনের দায়ভার চাপানো হয়েছে স্রেফ মসজিদের ইমাম বা মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষকদের উপর। জ্ঞানার্জন যে প্রতিটি মুসলমান নরনারীর উপর ফরয সেটি মুসলিমদেরকে  ভূলিয়ে দেয়া হয়েছে।  ফলে প্রচণ্ড ভ্রষ্টতা বেড়েছে ইবাদতে। রোযা রেখে দোকানে বসে যে ব্যক্তিটি দ্রব্যমূল্য বাড়ায় বা পণ্যে ভেজাল মেশায় বা অফিসে বসে ঘুষ খায় এমন ব্যক্তি যে তাকওয়াশূণ্য এবং রোযা থেকে কোন কিছুই লাভ করেনি তা নিয়ে কি কোন সন্দেহ আছে? সে তো পথভ্রষ্টতার পথ বেছে নিয়েছে। এখানে কাজ করছে তার অজ্ঞতা। রোযা তার কাছে নিছক উপবাস ছাড়া কি অন্য কিছু উপহার দিয়েছে? অথচ তাকওয়া-সম্পন্ন ব্যক্তির অদম্য অনুপ্রেরণা হলো,প্রতি মুহুর্তে সৎপথে চলার। সর্ব মুহুর্তে তাঁর সতর্কতা হলো সর্বপ্রকার হারাম কাজ থেকে দূরে থাকার। যার মনে সে সতর্কতা নাই,বুঝতে হবে তার মনে তাকওয়াও নাই।

 টরন্টো ইসলামিক ইন্সটিটিউটের (IIT) ইমাম শেখ আহমেদ কুট্টি বলেন যারা রোজা অবস্থায়  দাঁতের মাজন, টুথ পেইষ্ট ও টুথ পাউডার ব্যবহার করা হারাম বা মকরুহ বলেন তাঁরা যে রোজার আসল উদ্দেশ্য কি তা বুঝতে অপারগ তা বলার অপেক্ষা রাখে না।  মানুষ টুথপেইষ্ট ব্যবহার করে দাঁত পরিষ্কার করা ও মুখের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য, খাওয়ার জন্য নয়। দীর্ঘ সময় কিছু না খেলে মুখে গন্ধ হওয়া স্বাভাবিক এবং তা দূর করতে টুথপেইষ্ট ও টুথব্রাশ ব্যবহারের বিকল্প নেই। পশ্চিমা দেশে মুসলিমরা যেথায় রোজা রেখে  অন্য ধর্মের লোকদের সঙ্গে কাজ করেন তাদের বেলায় এ ব্যাপারটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

রোজার মাসে কোরআন তেলায়ত
রমজান মাসে যে কোরআন নাজিল হয়েছে একথা কোরআনেই উল্লেখ আছে। বলা হয় রোজার মাসে কোরআন তেলায়ত অনেক পুণ্যের কাজ তাই কোরআন না বুঝে হলেও যে যত বেশী তেলায়ত করবে তত বেশী সওয়াব হবে। কোরআন আল্লাহর কালাম এতে অবশ্যই দৈবী কানেকশান আছে তাই তা না বুঝে পড়লে মনে প্রশান্তি আসতে পারে এবং সাওয়াব কামাই হতে পারে। এখানে এই ‍“দৈবী কানেকশান” কথাটার একটি বিশেষ তাৎপর্য রাখে যা একটু পরে আলাপ করব তার আগে প্রশ্ন হচ্ছে কোরআন কি না বুঝে পড়লেই মুসলিম হিসাবে আমাদের দায়িত্ব পুরন হবে? কেfরআন কি না বুঝে পড়ার জন্য নাজিল হয়েছে? আসুন দেখি কোরআন যিনি নাজিল করেছেন তিনি কি বলেন?
আল্লাহ বলেন, “… রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন, যা মানুষের জন্য হেদায়েত এবং সত্যপথ যাত্রীদের জন্য সুস্পষ্ট পথ নির্দেশ আর ন্যায় ও অন্যায়ের মাঝে পার্থক্য বিধানকারী।“ (সুরা ২:১৮৫)
তাহলে দেখা যায় কোরআন এসেছে মানুষকে সত্য ও সঠিক পথ পদর্শন করতে। এখন প্রশ্ন হল কোরআন না বুঝে পড়লে  আমরা সৎপথের সন্ধান পাব কীভাবে?
ইমাম কারতাবী (র:) “আল্ জামি লি আহ্কাম আল কোরআন (al-Jami’ li ahkam al-Qur’an)  অর্থাৎ "কোরআন তেলায়ত করা বা পড়ার এটিকেট তথা আদব " সম্পর্কে বলতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অনুসরণ করতে  বলেছেন। তিনি বলেন, কোরআন তেলায়ত হতে হবে

  • ১) তাজওয়িদ ও
  • ২) তাতাব্বুর করে।

অর্থাৎ সহিহ বা শুদ্ধ ভাবে এবং প্রতিটি আয়াতের অর্থ বুঝতে বা উপলব্ধি করতে মন এবং চিন্তা শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।

কোরআন আসলেই এক বিস্ময়কর গ্রন্থ এর ভাষার মাধুর্য এবং শব্দ চয়নও অদ্ভুত লাগে! আর আরবী ভাষাভাষীদের কাছে আরবী ভাষার অলৌকিকত্ব উপলব্ধি হয় কোরআন অধ্যয়নের মাধ্যমে। প্রখ্যাত ইসলামী স্কলার ড: আব্দুল্লাহ হাকিম সে দিন জুম্মার খোতবায় একটা উদাহরণ দিয়ে এ ব্যাপারটা উপলব্ধির কথা বলেন। সুরা বাকারা আমরা অনেকেই পড়েছি। এই সুরার প্রথম আয়াতেই আল্লাহ কোরআন যে তার প্রদত্ত গ্রন্থ তা বলতে গিয়ে বলেছেন “এতে কোন সন্দেহ নাই” কিন্তু এখানে আরবী বাক্যটা আল্লাহ যেভাবে উপস্থাপন করেছেন তা লক্ষ্য করলে অবাক হতে হয়! যারা আরবী শিখার পাঠ নিয়েছেন সবাই জানেন আরবীতে কোন কাছের জিনিস যেমন “এটা একটি পুস্তক” এর অনুবাদ হবে “হাঝা কিতাবুন” আর দূরের কিছুকে বলতে বলা হয় ঝালিকা যেমন “ঐ চাঁদ” কে বুঝাতে বলা হবে “ঝালিকা কামুরুন” এটাই আরবী ভাষার নিয়ম কিন্তু যে কোরআন আমাদের হাতে রেখে তেলায়ত করছি সেখানে হাঝা কিতাবুন না বলে আল্লাহ কেন  ঝালিকাল কিতাবু ব্যবহার করলেন সুরা বাকারার সেই প্রথম আয়াতে? এক জন আরবের কাছে এটা বুঝতে বেগ পেতে হবে না এ জন্য যে যদিও কোরআন তাঁর হাতে কিন্তু এটা আসলে আসছে ঐ দূরে আল্লাহর আরশ থেকে অর্থাৎ এখানে দৈবিক কানেকশনের ব্যাপার । তাই এ কিতাব না বলে বলা হয়েছে এ সেই  কিতাব তাই এজন্য ঝালিকা বলা হয়েছে। আসলে কোরআনের সঠিক ভাব ও অর্থ বুঝা এক মাত্র আরবী ভাষায়ই সম্ভব। পৃথিবীর অন্য কোন ভাষা সেরকম সমৃদ্ধ নয় যে কোরআনের একশত ভাগ ভাব প্রকাশে সক্ষম!

উপসংহারে  বলতে চা্ই, রমজান সম্পর্কে আমার এক বন্ধু খুবই সুন্দর একটি কথা বলেছিলেন,

" রমজান মাসকে শুধু পুণ্য অর্জনের মাস হিসাবে না ভেবে প্রশিক্ষণের মাসও বলা দরকার। আর এ প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে বান্দাকে জীবনের সকল অবস্থায় আল্লাহর হুকুম পালন করার সফলতা অর্জন করার ট্রেনিং। যে এই প্রশিক্ষণে সফলকাম সে  আসলেই  ভাগ্যবান। কেননা মনে রাখতে হবে পুণ্য অর্জনে একসময় শয়তানের পাল্লা অনেক ভারী ছিল কিন্তু আল্লাহর একটি হুকুম পালন না করায় সে এখন অভিশপ্ত তার শেষ ঠিকানা হবে জাহান্নাম যা আল্লাহ কোরআনে একাধিকার উল্লেখ করেছেন।"

রমজান মাস অতিবাহিত করলাম অথচ বাকী জীবনে আল্লাহর হুকুম পালন করার যোগ্যতা অর্জন করতে পারলাম না, মিথ্যা ও অন্যায় থেকে বিরত থাকতে, নিজেকে পাপ পঙ্কিলতা থেকে দূরে রাখতে পরলাম না তার চেয়ে বড় ব্যর্থতা আর কি হতে পারে? আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ব্যর্থতা থেকে দূরে থাকার তৌফিক দেন। আমীন। 

 উস্তাদ নোমান আলী খানের Welcome Ramadan 2017 – Lecture টি শুনতে পারেন , এখানে চিন্তার খোরাক জাগানো বেশ কিছু কথা আছে।

পরিশেষে চাঁদ দেখা নিয়ে মুসলিম সমাজে বিশেষ করে পশ্চিমা দেশের মুসলিমদের মাঝে প্রতি বছর যে মতানৈক্য দেখা দেয় তা বড়ই দু:খের ব্যাপার। মহাকাশে চাঁদ নামের উপগ্রহ তো একটি আর আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানে তাঁর বান্দাদের জন্য বর্তমান আধুনিক বিজ্ঞানের বদৌলতে সে গ্রহের গতিবিধি জানার এখন কোন সমস্যা নাই। বিশেষ করে আধুনিক এস্ট্রোনমী এত অগ্রগতি হয়েছে যে পৃথিবী থেকে চাঁদের চেয়েও দূরত্বের অনেক গ্রহের খবর এখন বিজ্ঞানের নখদর্পণ বললে ভুল হবে না। চাঁদ দেখে রোজা রাখার কথা আল্লাহর রাসুল (স:) বলেছেন যাতে চাঁদের জন্মের ব্যপ্যারে নিশ্চিত হওয়া যায়। প্রশ্ন হচ্ছে বিজ্ঞানের মাধ্যমে যদি এটা নিশ্চিত করা যায় তাহলে অসুবিধা কোথায়? এ বিষয়ে ফিকাহ কাউন্সিলের মতামত অনেকেই গ্রহণ করছেন তবে পাকিস্তানি ও ভারতীয় ইমামদের পরিচালিত হেলাল কমিটির প্রভাবিত কিছু মসজিদের ছাড়া সবাই এখন তা অনুসরণ করছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নর্থ আমেরিকান ফিকাহ কাউন্সিলের ওয়েব সাইটে অনেক তথ্য পাবেন। এ লিংক দেখুন এবং নিচের ভিডিও ক্লিপটাও শুনার অনুরোধ করব

এই চাঁদ দেখার বিষয়ে একটি আলাদা ব্লগ এখানে  আছে পড়তে পারেন। পক্ষে বিপক্ষের বিভিন্ন মতের মন্তব্য আছে।

১৬ comments

Skip to comment form

  1. 10
    wahid

    আপনার লেখাটি ভাল হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হলো ব্লগ বিতর্ক। বিতর্কে হার জিতের প্রশ্ন জড়িয়ে থাকে। এতে বিদ্বেষ বাড়ে কিন্তু বিতর্ক শেষ হয় না। 

    1. 10.1
      মহিউদ্দিন

      পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  2. 9
    জোবায়ের আল মাহমুদ

    মুসলিমরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘সিয়াম’। খ্রিস্টানরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘ফাস্টিং’। হিন্দু বা বৌদ্ধরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘উপবাস’। বিপ্লবীরা রোজা রাখলে তাকে বলা হয় ‘অনশন’। আর, মেডিক্যাল সাইন্স রোজা রাখলে তাকে বলা হয় 'অটোফেজি’।
    খুব বেশি দিন হয়নি, মেডিক্যাল সাইন্স ‘অটোফেজি’র সাথে পরিচিত হয়েছে। ২০১৬ সালে নোবেল কমিটি জাপানের ডাক্তার ‘ওশিনরি ওসুমি’-কে অটোফেজি আবিষ্কারের জন্যে পুরষ্কার দেয়। এরপর থেকে আধুনিক মানুষেরা ব্যাপকভাবে রোজা রাখতে শুরু করে।
    কমেন্টে কিছু ভিডিও দিব। রোজা রাখার জন্যে আধুনিক সচেতন নারী ও পুরুষেরা কেমন ব্যস্ত হয়ে পড়ছে, দেখুন!!! শত হলেও, মেডিক্যাল সাইন্স বলে কথা!!
    যাই হোক, Atophagy কি? এবার তা বলি।
    Atophagy শব্দটি একটি গ্রিক শব্দ। Ato অর্থ নিজে নিজে, এবং Phagy অর্থ খাওয়া। সুতরাং, অটোফেজি মানে নিজে নিজেকে খাওয়া।
    না, মেডিক্যাল সাইন্স নিজের গোস্ত নিজেকে খেতে বলে না। শরীরের কোষগুলো বাহির থেকে কোনো খাবার না পেয়ে নিজেই যখন নিজের অসুস্থ কোষগুলো খেতে শুরু করে, তখন মেডিক্যাল সাইন্সের ভাষায় তাকে অটোফেজি বলা হয়।
    আরেকটু সহজভাবে বলি।
    আমাদের ঘরে যেমন ডাস্টবিন থাকে, অথবা আমাদের কম্পিউটারে যেমন রিসাইকেল বিন থাকে, তেমনি আমাদের শরীরের প্রতিটি কোষের মাঝেও একটি করে ডাস্টবিন আছে। সারা বছর শরীরের কোষগুলো খুব ব্যস্ত থাকার কারণে, ডাস্টবিন পরিষ্কার করার সময় পায় না। ফলে কোষগুলোতে অনেক আবর্জনা ও ময়লা জমে যায়।
    শরীরের কোষগুলো যদি নিয়মিত তাদের ডাস্টবিন পরিষ্কার করতে না পারে, তাহলে কোষগুলো একসময় নিষ্ক্রিয় হয়ে শরীরে বিভিন্ন প্রকারের রোগের উৎপন্ন করে। ক্যান্সার বা ডায়াবেটিসের মত অনেক বড় বড় রোগের শুরু হয় এখান থেকেই।
    মানুষ যখন খালি পেটে থাকে, তখন শরীরের কোষগুলো অনেকটা বেকার হয়ে পড়ে। কিন্তু তারা তো আর আমাদের মত অলস হয়ে বসে থাকে না, তাই প্রতিটি কোষ তার ভিতরের আবর্জনা ও ময়লাগুলো পরিষ্কার করতে শুরু করে। সমস্যা হলো, কোষগুলোর তো আর আমাদের মত আবর্জনা ফেলার জায়গা নেই, তাই তারা নিজের আবর্জনা নিজেই খেয়ে ফেলে। মেডিক্যাল সাইন্সে এই পদ্ধতিকে বলা হয় অটোফেজি।
    জাস্ট এ জিনিসটা আবিষ্কার করেই জাপানের ওশিনরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) ২০১৬ সালে নোবেল পুরস্কারটা নিয়ে গেল। কি আর করা? আমি যেহেতু ডাক্তার নই, তাই এ নিয়ে আমার কোনো আফসোস নেই!
    আমার আফসোস হলো তাদের জন্যে, যারা স্বাস্থ্যের কথা ভেবে রোজা রাখেন না। আমরা তো প্রতিবছর একমাস রোজা রেখে শরীরের অটোফেজি করি ফেলি। কিন্তু, কিভাবে শরীরের অটোফেজি করবেন?

  3. 8
    Mostafizur Rahman

    Dear Mohiuddin Bhai,

     

    Zazhakallah for your outstanding efforts.

    May Allah shower His Finest blessings on all of us.

    Regards

    Mostafiz

    1. 8.1
      মহিউদ্দিন

      পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ।

      রমজান মাসকে শুধু পুণ্য অর্জনের মাস হিসাবে না ভেবে প্রশিক্ষণের মাসও বলা দরকার। আর এ প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে বান্দাকে জীবনের সকল অবস্থায় আল্লাহর হুকুম পালন করার সফলতা অর্জন করার ট্রেনিং। যে এই প্রশিক্ষণ নিতে সফলকাম সে আসলই ভাগ্যবান।

      The Prophet said, “Verily, Gabriel came to me and he said: Whoever reaches the month of Ramadan and he is not forgiven, then he will enter Hellfire and Allah will cast him far away, so say amīn. I said amīn. ………. (Source: Ṣaḥīḥ Ibn Ḥibbān 915)

      রমজান মাস অতিবাহিত করলাম অথচ বাকী জীবনে আল্লাহর হুকুম পালন করার যোগ্যতা অর্জন করতে পারলাম না, মিথ্যা ও অন্যায় থেকে বিরত থাকতে, নিজেকে পাপ পঙ্কিলতা থেকে দূরে রাখতে পরলাম না তার চেয়ে বড় ব্যর্থতা আর কি হতে পারে? আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ব্যর্থতা থেকে দূরে থাকার তৌফিক দেন।

      মনে রাখতে হবে পুণ্য অর্জনে একসময় শয়তানের পাল্লা অনেক ভারী ছিল কিন্তু আল্লাহর একটি হুকুম পালন না করায় সে এখন অভিশপ্ত তার শেষ ঠিকানা হবে জাহান্নাম যা আল্লাহ কোরআনে একাধিকার উল্লেখ করেছেন।

  4. 7
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    চমৎকার লেখা -- ধন্যবাদ।

    সদালাপ বস্তুত একটা তথ্য ভান্ডার হয়ে উঠছে। 

     

    1. 7.1
      মহিউদ্দিন

      জিয়া ভাই,
      আস্ সালামু আলাইকুম। পাঠ ও মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। সত্যি বলতে কি আপনার মন্তব্য পড়ে সদালাপের নতুন পাঠক/পাঠিকার খেদমতে লিখাটিকে প্রথম পাতায় রিপোষ্ট করলাম। আগামী সাপ্তাহে শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। সবার প্রতি রইল শুভেচ্ছা রমজান মোবারক!

  5. 6
    মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

  6. 5
    মুনিম সিদ্দিকী

    ইসলামে কবে থেকে রোজা রাখা চালু হয়েছিল, শুনেছি রাসুল সাঃ জীবিত থাকা কালে রোজা নাকি মার্চ মাসেই বা শীত কালেই প্রচলিত ছিল, এই বিষয়ে কারো কিছু জানা থাকলে দয়া করে জানাবেন। ধন্যবাদ।

  7. 4
    শাহবাজ নজরুল

    মহি ভাই,
     
    আপনার লেখাটা পড়েছি। ক্যাল্কুলেশনের পক্ষে আর বিপক্ষে অনেক লেখা আর যুক্তি পড়েছি। আমি যেকথা বলতে চাইছি তা হচ্ছে, আমাদের রমযান শুরু আর শেষ করা জন্যে স্পষ্ট হাদীস আছে। এখানে চাঁদ দেখার (শাহাদা) ব্যাপারটি একটা শর্ত বলেই প্রতীয়মান হয়। নামাযের ওয়াক্তের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা কিন্তু তেমন না। যেমন বলা হচ্ছে না যে সুবহে সাদিক নিজ চোখে দেখে বুঝে নেবে যে ফযরের ওয়াক্ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিংবা বলা হচ্ছে না যে দন্ডের ছায়া আড়াই গুন হয়েছে কিনা তা নিজ চোখে দেখে তবে জানবে যে আসরের ওয়াক্ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তার উপরে সূর্যের সাপেক্ষে হিসাব অনেক বেশী ডিটারমিনিস্টিক, চাঁদের হিসেবের তূলনায়। আমাদের দৈনিক সালাতের সময় প্রতিষ্ঠিত হয় সূর্যের দশার উপর ভিত্তি করে। আর সূর্যের মাধ্যমে  হিসেবটা হাজার বছর আগেই মানুষ রপ্ত করে ফেলেছে। তাই দৈনিক সালাতের জন্যে ক্যালকুলেশন করলে অসুবিধা নেই (আর মনে রাখবেন, নিজ চোখে দেখে সালাতে ওয়াক্ত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিনা তার শর্ত কিন্তু শরিয়তে নেই; অতএব হিসেব করলে অসুবিধা নেই)।
    কিন্তু চাঁদ চোখে দেখে রমাজান মাস স্থাপিত হয়েছে কিনা তার উপর স্পষ্ট হাদীস আছে। তাই ফিকহ কাউন্সিল অব নর্থ আমেরিকা কিন্তু ঐ ক্যালকুলেশনই করে ,যাতে একজন গড় দৃষ্টিশক্তি সম্পন্ন মানুষ চাঁদটি দেখতে পান। আমি যতটুকু পড়েছি (ISNA and FCNA Fiqh about calculation method) তাতে জেনেছি, চাঁদ দেখা যাবে মতো দশাতে এসেছে কিনা তার হিসেব করা হচ্ছে। পদ্ধতিটা ও শর্তগুলো এমন:
     
    ১।  Conjunction is completed, অর্থাৎ চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য এক রেখাতে এসেছে ফলে নতুন চাঁদের জন্ম হয়েছে।
    ২। চাঁদের বয়স এমন হয়েছে যাতে একজন গড় দৃষ্টি সম্পন্ন মানুষ তা দেখতে পারে; মনে হয় ১৪ বা ১৫ ঘন্টা চাঁদের ন্যুনতম হয়স হতে হবে এমন শর্ত আছে।
    ৩। দিগন্ত থেকে চাঁদের ন্যুনতম উন্নতি থাকতে হবে, কেননা একেবারে দিগন্তের কাছাকাছি চাঁদ থাকলে তা দেখতে পাবার কথা নয়।
    ৪। চন্দ্রাস্ত হতে হবে সূর্যাস্তের পরে।
    ৫। আর উপরের হিসেবগুলো করা হয়েছে যাতে চাঁদ উত্তর আমেরিকা থেকে দেখা যায়।
     
    স্পষ্টই বোঝা যায় FCNA এর ফিকহ করা হয়েছে যাতে একজন গড় দৃষ্টি শক্তি সস্পন্ন লোক নতুন চাঁদ দেখতে পাবেন। সমস্যাটা এখানেই। কেননা চাঁদ দেখা যাবে কিনা এর ১০০ ভাগ নিশ্চয়তা সম্পন্ন মডেল করা বৈজ্ঞানিক ভাবেই সম্ভব নয়। উদাহরণ স্বরূপ মনে করেন উপরের সব গুলো শর্ত পূরণ হয়েছে কেবল চাঁদের বয়স ব্যাতিরেকে; অর্থাৎ চাঁদের বয়স ধরুন এখনো ১৪ ঘন্টা (সঠিক নাম্বার টা মনে পড়ছেনা; বলছি উদাহরণ স্বরূপ) হয়নি। অতএব, ক্যালকুলেশন মডেল অনুসারে ধরা হবে চাঁদ দেখা যাবেনা; কেননা দেখার মতো বয়েসে চাঁদ পৌঁছেনি। কিন্তু মনে করেন সেদিনই গড় দৃষ্টিশক্তির চেয়ে ভালো শক্তির একজন লোক ১৩ ঘন্টার চাঁদই দেখতে পেলেন। তাহলে কী আপনি ঈদ করবেন না? এমন ক্ষেত্রে কী আপনি প্রতিষ্ঠিত সুন্নাহের বাইরে চলে যাবেন? ইতিহাসে এমন উদাহরণ আছেও। খুঁজে দেখেন ইতিহাস বই, এমন ঘটণা আছে যে অনেক সাহাবীর মধ্যে কেবল একজনই চাঁদ দেখতে পেয়াছেন (মনে হয় ঐ সাহাবী ছিলেন আব্দুল্লাহ ইবন ওমর(রাঃ))। উনার কথা সবাই মেনে নিয়েছেন, কেননা ইবন ওমর তো আর মিথ্যা কথা বলতে পারেন না। এটা অস্বাবভাবিক নয় যে একজন তীক্ষ্মতর দৃষ্টিশক্তির লোক চাঁদ দেখতে পাবেন কিন্তু তার পাশের লোকই হয়ত তা দেখতে পাচ্ছেন না। Bottom line is that model is model. Model is never perfect. Model just can predict occurence with an attached probability. And people defy probability always. FCNA এর ফিকহ এর দূর্বলতম অংশ এখানেই।
     
    তার উপর আমাকে হতাশ করে দিয়ে দেখা গেলো তাদের ক্যালকুলেকশনেও রয়েছে আরেক ঘাপলা। আমি যতদুর জানি FCNA এর ক্যালকুলেকশন মেথড দিয়ে তারা উত্তর আমেরিকাতে চাঁদ দেখা যাবে এই হিসেব করছে। অথচ এবার scientific methodology অনুসারেই বৃহস্পতিবার উত্তর আমেরিকাতে চাঁদ দেখার সম্ভবনা ছিল শূণ্যের কোঠায়। তবে তারা বৈজ্ঞানিক ভাবেই বা কী হিসেব করলো? আর বৃহস্পতি বার আমেরিকার কোথাও চাঁদ দেখাও যায়নি, যদিও অনেকেই চাঁদ দেখতে বেরিয়েছেন। অতএব, scientific prediction এর সাথে observation মিলে গেলো। তাহলে আমার প্রশ্ন হচ্ছে FCNA কিসের কী ক্যাল্কুলেট করেছে? তাদের scientific calculation is so weak that even scientific moon-birth curve says that there is 0 probability of moon-sighting in NA on Thursday. তবে কী FCNA গ্লোবাল moonsighting এর ফিকহে চলে গেলো? আমি জানি না। Global moonsighting এর দিকে গেলে ঠিক আছে, কেননা পৃথিবীর কিছু জায়গাতে ঐদিন চাঁদ দেখা গেছে, যদিও উত্তর আমেরিকাতে দেখা যায়নি।
     
    আশা করি আমার যুক্তিটুকু বোঝাতে পেরেছি। আমার নিজের frustation FCNA কে নিয়ে। মনে হয় তারা জোর করে শুক্রবার রোযা শুরু করেছে এই ভেবে যাতে উইক-এন্ডে ঈদ পড়ে। আমি আশা করি FCNA did not have this intension. If possible please let us know if FCNA has a newer Fiqh, where they have moved to global moon-signhting methodology.
     
    --Shahbaz
     
     

  8. 3
    মহিউদ্দিন

    চাঁদের জন্ম হলেও অনেক সময় খালি চোখে চাঁদ দেখা সম্ভব হয় না অনেক কারণে এব্যাপারে মুন সাইটিং ও ফিকাহ কাউন্সিলের ওয়েব সাইটে তথ্য পাবেন।
    আচ্ছা বলেন তো আমরা নামাজের সময় ঠিক করে বছরের শুরুতেই কেলেন্ডার ছাপিয়ে দেই এটা কোন হাদিসে আছে? মাইকে আজান দেই তা কোন হাদিসে আছে? এই সে দিন টরন্টো মেডিক্যাল বোর্ড এখানকার এক মসজিদে ফোন করে প্রশ্ন করে । ঈদ কবে হবে তারা জানতে চায় কেননা তিন গ্রুপের তিন মতে তারা পরীক্ষা তিন দিন বদলাতে পারবে না? মুসলিমদের ঈদ পালন নিয়ে বিতর্ক দেখে পশ্চিমা দেশে আমরা হাসির পাত্র হচ্ছি!
    মানুষ চাঁদে গিয়ে পেশাব পায়খানা করে ফিরে আসছে আর আমরা এখনও খালি চোখে চাঁদ না দেখলে মাস শুরু করব না জেদ ধরে বসে আছি। আমরা তো চাঁদের উপাসনা করি না এ কথা কেন চিন্তা করি না? চন্দ্র সূর্য আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন যাতে মানুষ মাস ও বছরের হিসাব রাখতে পারে। আল্লাহ বলেন "সূর্য চন্দ্র আবর্তন করে নির্ধারিত কক্ষপথে" (সুরা ৫৫:৫) আধুনিক এস্ট্রোনমি তো এ কথা স্বীকার করে এবং তার উপর ভিত্তি করেই তো গ্রহ নক্ষত্রের গতিবিধি নির্ণয় করে গণনা করছে। এখানে অনইসলামী কি হল?
    শেখ অআহমেদ কুট্টির নিচের জবাবটা পড়তে পারেন এবং বিস্তারিত ওয়েব সাইটে  পবেন এ লিংকে।
    In the Name of Allah, Most Gracious, Most Merciful.

    All praise and thanks are due to Allah, and peace and blessings be upon His Messenger.

    Thanks very much for your question, which comes at a critical time for North American Muslims.

    Before responding to your question, we would like first to direct the attention of Muslims in North America and elsewhere to the paramount importance of unity and solidarity. We call upon all Muslims in North America, especially those with a view opposing ISNA's, to put their unity as a community as a priority before delving into internal differences on this issue.

    Moreover, it is high time for us to truly base our approaches concerning juristic issues on the pristine sources of Islam. We should stop feeding animosity. Critical issues like this should be judged with wisdom while placing the unity of Muslims as a top priority. If we consider all this and kept in mind that ISNA has made a real contribution to North American Muslims and made their unity a priority, then we will see that we should not promote our differences to the detriment of the well-being of Muslims.

    Responding to the question, Sheikh Ahmad Kutty, a senior lecturer and Islamic scholar at the Islamic Institute of Toronto, Ontario, Canada, states the following:

    I can very well agree with the decision of ISNA Fiqh Council on this matter. Such a decision is long overdue. My reasons for this are the following:

    1. During the time of the Prophet (peace and blessings be upon him), sighting the new moon with the naked eyes was the only means available for the people, as he himself said: "We are a people who are unlettered." He did not mean that he would like his people to stay at that level forever. Given the condition of his time, naked-eye sighting was the only possible choice.

    2. We know from evidence that the Prophet (peace and blessings be upon him) used every opportunity to lift the Ummah out of illiteracy to literacy and civilization.

    3. The Qur'an provides ample evidence for scientific observation of the sun and the moon. Astronomy today is a science that is based on observation of the position of the sun and the moon. So by following scientific methods of calculations, we are still observing the moon but not by naked eyes, rather by far more precise instruments. Therefore, we are not contradicting the original intent of the Prophetic dictum that orders us to observe the moon.

    4. The fact that the scholars of the past did not base the beginnings of months on scientific calculations cannot be used as an argument, for in their time, there was little difference between astrology and astronomy. Today astronomy is a science. The Qur'an already taught us that the sun and moon revolve in their own orbits and that they follow fixed divine laws. They do not run erratically, so there is an observable pattern to be discovered through observation, which is what scientists do. That is why Imam Subki and others also supported calculations even before the snowballing of scientific knowledge.

    Furthermore, by following calculations we can facilitate the observance of the festivals and plan for them way before their time. This is a great maslahah (public interest) for those living in the West. The principle of taysir (facilitation) is a great consideration that we can never dispense with in this time and age.

    In conclusion, for reasons mentioned above and others, I agree with ISNA's position. This would be a great step for moving the Ummah towards a united position.
     

  9. 2
    শাহবাজ নজরুল

    পরিশেষে চাঁদ দেখা নিয়ে মুসলিম সমাজে বিশেষ করে পশ্চিমা দেশের মুসলিমদের মাঝে প্রতি বছর যে মতানৈক্য দেখা দেয় তা বড়ই দু:খের ব্যাপার। মহাকাশে চাঁদ নামের উপগ্রহ তো একটি আর আল্লাহ প্রদত্ত জ্ঞানে তাঁর বান্দাদের জন্য বর্তমান আধুনিক বিজ্ঞানের বদৌলতে সে গ্রহের গতিবিধি জানার এখন কোন সমস্যা নাই। বিশেষ করে আধুনিক এস্ট্রোনমী এত অগ্রগতি হয়েছে যে পৃথিবী থেকে চাঁদের চেয়েও দূরত্বের অনেক গ্রহের খবর এখন বিজ্ঞানের নখদর্পণ বললে ভুল হবে না। চাঁদ দেখে রোজা রাখার কথা আল্লাহর রাসুল (স:) বলেছেন যাতে চাঁদের জন্মের ব্যপ্যারে নিশ্চিত হওয়া যায়। প্রশ্ন হচ্ছে বিজ্ঞানের মাধ্যমে যদি এটা নিশ্চিত করা যায় তাহলে অসুবিধা কোথায়? এ বিষয়ে ফিকাহ কাউন্সিলের মতামত অনেকেই গ্রহণ করছেন তবে পাকিস্তানি ও ভারতীয় ইমামদের পরিচালিত হেলাল কমিটির প্রভাবিত কিছু মসজিদের ছাড়া সবাই এখন তা অনুসরণ করছেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে নর্থ আমেরিকান ফিকাহ কাউন্সিলের ওয়েব সাইটে অনেক তথ্য পাবেন। এ লিংক দেখুন এবং নিচের ভিডিও ক্লিপটাও শুনার অনুরোধ করব।

    ফিকহ কাউন্সিলের সিদ্ধান্তে আমি দ্বিধাগ্রস্ত … এবার অন্তত যেদিন আমরা রোজা শুরু করলাম সেদিন চাঁদ আকাশে দেখা যায়নি … দেখা গেছে তার পরের দিনে; বলেন তো কেমনে কি? আর ক্যালকুলেশন কেন ফেল মারলো?

    1. 2.1
      কবরের ডাক

      শাহবাজ ভাই! প্লীজ, ব্যাপারটি একটু খুলে বলুন যে আসলে আপনাদের ঐখানে কি ঘটেছিলো।
      ""এবার অন্তত যেদিন আমরা রোজা শুরু করলাম সেদিন চাঁদ আকাশে দেখা যায়নি … দেখা গেছে তার পরের দিনে; বলেন তো কেমনে কি?""
      প্লীজ এই ব্যাপারটি একটু ভেঙ্গে বলুন। ঐদিন কি আকাশ মেঘলা ছিলো নাকি পরিষ্কার ছিলো? চাঁদ কি আপনারা খালি চোখে দেখেননি নাকি যন্ত্রপাতি দিয়েও দেখেননি? ওখানে কি আপনারা চাঁদ না দেখে বিজ্ঞানীদের ক্যাল্কুলেশনের উপর ভিত্তি করে আরবী মাস শুরু করেন নাকি অন্য কিছু? এরকম ঘটনা কি আগেও ঘটেছে? আবারো অনুরোধ করছি ভাই , খুব উপকার হতো । 

      1. 2.1.1
        শাহবাজ নজরুল

        নিচে আমার কমেন্ট টা পড়ে দেখেন …

  10. 1
    aslam

    1. 1.1
      মহিউদ্দিন

      ধন্যবাদ।  রমজান মোবারক!

Leave a Reply

Your email address will not be published.