«

»

Jul ০৮

এ কি সেই আখেরী জামানার আলামত?

 

 

 

 

 

 

 

 

আল-জাজিরা  ব্লগে  নিজেকে ক্রীশ্চিয়ান পরিচয়কারি জনৈক Smith Scoot নামের এক ব্যক্তি কমেন্ট লিখেছেন,

"আমি এই নব যুগকে  ভালোবাসি……….. মুসলিমরা এখন তারা নিজেরা নিজেদেরকেই হত্যা করছে । এটাকে বলা হয়  শত্রুদের 'শিবিরে বিভ্রান্তির ফল। এ যুদ্ধে ১০ মিলিয়ন শিয়া মরবে এবং ১০ মিলিয়ন সুন্নি মারা যাবে আগামি দশ বছরে যেহেতু এ যুদ্ধ চিরকাল চলতে থাকবে। শিয়ারা ইরান ও অন্যান্য দেশ থেকে আসতে হবে  ঠিক যেমন সুন্নি সৌদি ও কাতার এবং সারা পৃথিবীর অন্যদেশ থেকে থেকে আসতে হবে। খোদার শত্রুদের জন্য নতুন যুদ্ধের ময়দান খুলা হয়েছে তাদের পরস্পরকে হত্যা করতে। এই জন্য আমি এ নতুন বছরকে ভালবাসি। এ জন্য আমি এত ভালবাসি  কারণ এ হত্যাযজ্ঞ কেউ রুখতে পারবে না। হে ছেলেরা, এগিয়ে যাও একে অন্যকে হত্যা কর, প্লিজ । আই সিস এর (ISIS)সমর্থকেরা, তোমরা  ইসলামী রাষ্ট্রের স্বপ্ন ত্যাগ করিও না এবং শিয়ারা তোমরাও তোমাদের জমি দখল ও  শ্রাইন ও পবিত্র মাজার নষ্ট করতে দিও না। বাকো হারামের"" দলও সাহায্যে এগিয়ে আসবে। প্লিজ নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করতে থাক, এর চেয় ভাল কিছু হতে পারেনা। যদি অর্থ সাহায্য দেয়া যায় আমাকে জানাবে আমি শুধু  গ্যরান্টি চাই যে তোমরা নিজেদেরকে হত্যা করতে থাকবে"!  লিংক এখানে

 

The Shia group has floated a tender inviting the aviation industry to carry volunteers to Baghdad [EPA]

উপরুক্ত  কমেন্ট পড়ে আমার কাছে রাসুলের সেই ভবিষ্যৎ বানীর কথা মনে পড়ল যে,  তিনি বলেছিলেন, "আখেরি জামানায় একসময় এমন হবে যে মুসলিমদের মাঝে বিরাট হত্যাযজ্ঞের ফিতনা চলবে তখন যে হত্যাকারী সে জানবেনা কেন সে হত্যা করছে এবং যাকে হত্যা করা হবে সেও জানবে না কেন তাকে হত্যা করা হচ্ছে।"
বর্তমান মুসলিম বিশ্বের দিকে তাকালে মনে হয় এ অবস্থায়ই সম্ভবত শুরু হয়ে গিয়েছে । প্রশ্ন হচ্ছে এই সব হত্যাযজ্ঞ কার ইশারায় হচ্ছে ?

মাত্র তিন বছর আগে   উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে "আরব স্প্রিং" নামে যে শান্তিপূর্ণ গনআন্দোলন মুকুলিত হয়েছিল এবং এর ফলে আরব বিশ্বে একের পর এক স্বৈরাচারী শাসকদের  পতন হচ্ছিল তাকে ব্যর্থ করতে সেই পুরানো শাসক গুষ্টি তাদের লালিত সামরিক বাহিনী দিয়ে  পাল্টা বিপ্লবের মাধ্যমে গণহত্যা ও সন্ত্রাস চালু করে রাষ্ট্র ক্ষমতা পরিবর্তনের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বন্ধ করে খোলে দেয়া হয় সহিংসতার নতুন তরঙ্গ! অনেকের মতে মুসলিম দেশের সম্পদ লুটতে এবং মুসলিম বিশ্বকে চির দিন মানসিক ও রাজনৈতিক গোলামে পরিণত করে রাখতে  তথাকথিত 'সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ'  পুনর্নবীকরণের ন্যায্যতা বা গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টি করার জন্যই সম্ভবত ইচ্ছাকৃত ভাবে মুসলিম দেশে সৃষ্টি করা হয়েছে এ চরম দুরাবস্থা ও  বিশৃঙ্খলা তথা জঙ্গিবাদ। 

মুসলিম বিশ্বে যে "আরব বসন্তের" হাওয়া এসেছিল তাকে মুসলিম বিশ্বের দুর্নীতিগ্রস্ত শাসকরা ও বৈদেশিক শক্তির দালাল গুষ্টির চক্রান্তে সফল হতে না দেয়ায়ই আজ চরমপন্থিদের উত্তান। মুসলিম বিশ্বের স্বৈরশাসকরা তাদের নিজ জনগণের অধিকারকে খর্ব করে  এবং আধুনিক যুগের সাম্রাজ্যবাদী শক্তির অচেনা সর্দারের মত কাজ করার যে নির্লজ্জ ভূমিকা পালন করতে ব্যস্ত তা ত্যাগ না করলে শান্তির আশা করা বোকামী। ডিভাইড এন্ড রুল পলিসি প্রয়োগ করে যে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের খেলা চালু করা হয়েছে সর্বত্র তার মুল্য দিতে হবে চরমভাবে।

আশ্চর্যের ব্যপার হল মিশরে সালাফি নুর-পার্টির পক্ষে গণতান্ত্রিক উপায়ে নির্বাচিত মুরসিকে সহ্য করা সম্ভব হয়নি কিন্তু ইসরায়েলের বন্ধু মিশরের সেনাশাসক আবদেল ফাত্তাহ-আল-সিসি  তার সেনাবাহিনী দিয়ে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করাকে সমর্থন দিতে তাদের অসুবিধা নাই। বিরোধী দলকে ধ্বংস করে তাদের  নেতাদেরকে বন্ধী করে, গণতান্ত্রিক উপায়ে  নির্বাচিত একজন রাষ্ট্র প্রধানকে বন্দুকের নল দিয়ে অপসারণ করে পরবর্তিতে একটি সাজানো নির্বাচন করে অবৈধ ক্ষমতা দখলকে বৈধতা দিতেও অসুবিধা নাই! প্রহসনের নির্বাচনে জয়ী প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ-আল-সিসির সরকারকে অভিন্দন দিতে কায়রোতে পৌছেন সৌদি বাদশাহ!  এমন কি যে সব আরব স্কলার মুরসির অপসারন বেআইনি বলেছেন কিংবা তাঁকে সমর্থন করেছেন তাদেরকে সৌদি আরব যেতে নিষেধ যেমন, কুয়েতের প্রখ্যাত ইসলামী চিন্তাবিদ তারেক সাইদানকে ওমরা করতে সৌদি আরব যেতেও নিষেধ করেছে "খাদেমাইন হারামিন" সৌদি সরকার!

রাসুলের সময় কি যুদ্ধ হয় নাই?

অবশ্যই হয়েছে কিন্তু সেগুলা তো ছিল আত্মরক্ষার জন্য যুদ্ধ কিন্তু সে সব যুদ্ধে বাড়াবাড়ি ছিল না, নিষ্ঠুরতা বা বর্বরতা ছিল না। সন্ত্রাসী রূপ নিয়ে মুখোশ পড়ে যুদ্ধ করতে হয় নি। আজ ইরাক সিরিয়ায় যা হচ্ছে তা কি প্রমাণ করে? মালিকি ও আসাদ এবং মিশরে শামরিক শাসক সিসি যা করছে তা কি? আবার অনেকে বলেন তথাকথিত জেহাদিরা যা করছে তা কি? এসব কি ;হারাঝ বা নিছক হত্যাযজ্ঞ  ছাড়া অন্য কিছু?  আর বিদ্রোহী গোষ্ঠীর যত উত্থান হবে রাষ্ট্রযন্ত্র ততটাই দুর্বল হয়ে পড়বে এবং বিদেশি আগ্রাসন থেকে জনগণের জান মাল ও অধিকার রক্ষায় অক্ষম হবে।

 সাম্প্রতিক ইরাকে সুন্নি বিদ্রোহী দলের নেতা আবু বক্কর বাগদাদির তথাকথিত খেলাফতের ডাক দিয়ে  ইরাকের বেশ কিছু এলাকা দখলে নিলেও  জেনে রাখা দরকার  IS ও তাদের কৃতকর্মের যে নিষ্ঠুরতার ছবি বিশ্বে ছড়িয়ে গেছে  তা দিয়ে আরব বিশ্বে পশ্চিমা সরকার ও ইসরাইলি আধিপত্যবাদীর পক্ষে  ইরাকে আরেকটি  ভয়ববহ সামরিক আক্রমনের দুয়ার খুলে দেয়া হচ্ছে মাত্র। 

মিডিয়ার রিপোর্ট যদি সত্যি হয় তাহলে  সুন্নি বিদ্রোহীদের এসব কাজের সমর্থন করা কোন সভ্য মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়।

যে আল্লাহ বলেছেন ধর্মে জবরদস্তি বা বল প্রয়াগ নাই সেখানে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে কিভাবে আল্লাহর দেয়া জীবন ব্যবস্থা মানুষের জীবনে কায়েম হবে? যে শাসনের বা জীবন ব্যবস্থার কথা বলা হচ্ছে তা কি জমি বা মাটিকে দিয়ে পালন করানো হবে না সেই মাটিতে যে মানুষ বাস করে তাদের জীবনে কায়েম করে বাস্তবে তা প্রতিষ্ঠিত হবে? তাই রাসুল যেমন আপন মহানুভবতা,দয়া ও উত্তম আদর্শ দিয়ে মানুষের মন জয় করেছিলেন তা ছাড়া কি অন্য কোন রাস্তা আছে ইসলাম প্রতিষ্ঠার? আল্লাহ মুসলিমদেরকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করুন সে দোয়া করা ছাড়া আমাদের মত সাধারণ মুসলিমদের কাছে কিছু আছে বলে মনে হয় না। মধ্যপ্রাচ্যের অবস্থা এতই ঘোলাটে হয়ে গিয়েছে যে বাহির থেকে কারো পক্ষে ঘটনার সঠিক ধারণা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আল্লাহই ভাল জানেন মুসলিম বিশ্বের কি হবে?

তবে চরম হতাশার মাঝেও যুবসমাজ কি ভাবছে জানতে  নিচের ভিডিওটা শুনা দরকার  

[youtube

ISIL এর উত্তান কিভাবে হল জানতে হলে নিচের ভিডিওট শুনতে পারেন:

[youtube

তবে ISIL যে শেষ পর্যন্ত তাদের অবস্থান বজায় রাখাতে পারবে না এটা বলার প্রয়োজন নাই। দু:খের বিষয় হল আরো অসংখ্য নিরিহ মানুষের প্রাণ যাবে। শিশু সন্তান ইয়াতিম হবে। ইসলামিক রিলিফ ফান্ডের পাঠানো ইমেইলে দেখলাম সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে এ পর্যন্ত ৯০ লক্ষ মানুষ গৃহহারা।

"This is the fourth Ramadan that close to 9 million Syrians are spending as refugees or as internally displaced persons. The length of the on going conflict also means that people have become immune and accustomed to the suffering' 

খিলাফত প্রকল্পের ভুল ব্যাখ্যা

ইরাকের IS নেতা বাগদাদির খিলাফতের ঘোষনা শরিয়ত সম্মত নয় বলে ইতিমধ্যে শেখ কারজাভি সহ  প্রখ্যাত  ইসলামী স্কলারদের বক্তব্য এসেছে।  উল্লেখ্য, গত রবিবারের পর থেকে নেতৃস্থানীয় অনেক মুসলিম পণ্ডিতই আইএসের খিলাফত ঘোষণার নিন্দা জানিয়েছেন।
তারা বলেন, খেলাফত মূলত একটি বিশ্বজনীন ইসলামি রাষ্ট্র যে রাষ্ট্র রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কতৃর্পক্ষ উভয়কে নিয়ে একজন মাত্র নেতা কর্তৃক পরিচালিত হয়।

সুন্নী ইসলামের শীর্ষ কর্তৃপক্ষ আল আজহারের সিনিয়র প্রতিনিধি শেখ আব্বাস সুমন এএফপি বলেন, ইসলামি খিলাফত শক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠা করা যায় না। একটা দেশ দখল করা  আর তার অর্ধেক লোককে মেরে ফেলা… এটা ইসলামি রাষ্ট্র হতে পারে না, এটা সন্ত্রাস।

সম্প্রতি আল জাজিরা ওয়েবসাইটে মোহ্ম্মদ গিলান, কানাডার ভিক্টোরিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে নিউরো সাইন্স এর পি এইচডি প্রার্থী এবং ইসলামী ফিকাহ শাস্ত্রের ছাত্র, "বাগদারির খিলাফতগিরির ভূল ব্যখা"  (Baghdadi's misconstrued caliphate project) শিরনামে অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ একটি নিবন্ধ লিখেছেন তার সারাংশ পাঠকের খেদমতে তুলে ধরলাম (মূল নিবন্ধ এখানে দেখুন)

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

  "এটা স্বীকার করা জরুরী যে ইসলামী রাষ্ট্র কোন শূন্যতার  মাঝে বাগাড়ম্বর পূর্ণ  rhetoric উক্তি করা নয়।  মুসলিমদের মাঝে বর্তমানের পরস্পর বিরোধী ও ভিন্ন  মতাদর্শের  নানা উপদল থাকা স্বত্বতেও ইতিহাস জুড়ে  অতীত ও বর্তমান সকল যুগের মুসলিম স্কলার একটি বিষয়ে সর্বসম্মতিক্রমে একমত যে মুসলিমের মাঝে রাজনৈতিক একতার গুরুত্ব অপরিসীম। ঐতিহ্যগতভাবে  "খলিফা"  শব্দটি একটি বিশিষ্ট সম্মানিত শব্দ যা শুধুমাত্র ইসলামি শাসন ব্যবস্থায় মানুষের প্রতিনিধিত্ব এবং  নাগরিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক শাসন পরিচালনা করা নয় বরং তারও ঊর্ধ্বে শাসককে মেনে চলতে হয় মুসলিম কিংবা অমুসলিম সকল নাগরিকের প্রতি ইসলামী নৈতিক নিয়মাবলী সুষ্ঠু অনুসরণে সঠিক আচরণ।

ইসলামী ঐতিহ্যে এটি সুপ্রতিষ্ঠিত যে, ধর্ম হিসাবে ইসলাম, মুসলিমদের শুধুমাত্র ব্যক্তিগত বিষয়াবলী ছাড়াও মুসলমানদের রাজনৈতিক বিষয়াবলী পরিচালনার নিয়মকানুন প্রদান করে। বস্তুত অন্যান্য ধর্মের তুলনায় এক্ষেত্রে ইসলামের অবস্থান অনন্য কিন্তু তাই বলে ইসলামের আনুগত্য করা মানেই মধ্যযুগে ফিরে যাওয়া নয়। 
ইসলামের প্রগতিশীল আইন প্রকৃতি এবং নতুন প্রাসঙ্গিক বাস্তবতা মানিয়ে চলার ইসলামের ক্ষমতাকে সঠিক  মূল্যায়ন করা হয় না!  ইসলামের  শুরু থেকে ইসলামী স্কলাররা ইসলামের আইনি ব্যবস্থাকে দুভাগে বিস্তৃত ভাগ করেছেন, 
এক: ব্যক্তিগত এবাদতের কাজের অংশ ও
২য়: মানুষের সাথে বৈষয়িক লেনদেন কাজের অংশ এবং এটা এই ২য় ক্ষেত্রে তথা মানুষের লেনদেনের কাজের ক্ষেত্রেই  ইসলামী শাসন ব্যবস্থা বা ইসলামী আইনি তত্ত্ব তার গতিশীল নমনীয়তা দেখায় অর্থাৎ প্রাসঙ্গিক বাস্তবতা মানিয়ে চলার ইসলামের অসাধারণ ক্ষমতা প্রয়োগ করে।

সুতরাং আই এস কর্তৃক  যেভাবে ইসলামী রাষ্ট্রের নেতৃত্বে খিলাফতের ঘোষণা দেয়া হয়েছে বা দাবী করছে তা এক কথায় না হচ্ছে ইসলামী অনুশাসন অনুসরণ আর  না হচ্ছে  আল্লাহর রাসুল(স) প্রদত্ত পন্থার অনুসরণ!  তাছাড়া আই এস এটা কোন একটি সুসংগঠিত সামরিক বিরোধী সংগ্রাম নয় বরং  একটি চরমপন্থি গ্রুপের  দ্বারা আতঙ্ক পূর্ণ সহিংসতার সাময়িক সফলতার আস্ফালন! মুসলিমদের জন্য এ ধরণের দাবী অত্যন্ত সমস্যা যুক্ত, এটা খিলাফতের অধীনে বাস করতে আগ্রহী মুসলমানদের জন্য মরীচিকা পিছনে দাবিত হওয়া যা সম্ভবত  সবচেয়ে লোভনীয় চরমপন্থি রিক্রুট বা নিয়োগের হাতিয়ার হতে পারে।"

   

৪৭ comments

Skip to comment form

  1. 22
    মহিউদ্দিন

    এ লিখাটির সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ‌আরো কিছু কথা এখানে শুনতে পাবেন। ভাল লাগবে্

  2. 21
    মহিউদ্দিন

    এ লিখাটির সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ‌আরো কিছু কথা এখানে শুনতে পাবেন। ভাল লাগবে্

  3. 20
    বিলাল

    এতে  কোন সন্দেহ নাই যে আইএসআইএস বিরুদ্ধে রাশিয়ার বোমা অভিযানের সঙ্গে কাকতালীয়ভাবে সাজানো হল ইসরাইলে একটি উদ্ভট ঘোষণা… বিস্তারিত নিচের রিপোর্টে পড়ুন:

    http://www.activistpost.com/2015/10/on-cue-israel-suddenly-claims-to-uncover-first-suspected-isis-cell.html

  4. 19
    Sk Sariful

    মুসলিমরা আবার বিশ্ব জয় করবে ….ইনশাল্লাহ

  5. 18
    মাহফুজ

    সন্ত্রাসবাদ শিগগিরই ইউরোপ-যুক্তরাষ্ট্রে ছড়াতে পারে- 'দৈনিক প্রথম আলো'

    কিন্তু সন্ত্রাস করবে কে? আইসিস? তারা নাকি যুক্তরাষ্ট্রের মদদপুষ্ট ইসরাইলী এজেন্ট!?

    1. 18.1
      X-ray

      তাদের সন্ত্রাসবাদ ইউরোপ-আমেরিকায় ছড়ালেও তাতে ইসরাইলেরই লাভ। হা-হা-হা--!

      1. 18.1.1
        মহিউদ্দিন

        @X-Ray:

        "হা হা" নয়।
        এটা বুঝতে হলে দূরদৃষ্টি লাগে।

        ইসরাইলী লবী চায় মুসলিমদেরকে Demonize করে তাদের চরিত্রে সন্ত্রাসী কলঙ্ক দিতে অর্থাৎ পশ্চিমা সমাজে তাদেরকে নিরাপত্তার ঝুঁকি বা দানব চরিত্রের রূপদানে! যাতে মুসলিম দেশগুলাতে অত্যাচার বিশেষ করে প্যলেইষ্টানদের অধিকার হরণে বৈধতা পেতে সহজ হয়! পশ্চিমা দেশে যে সব মুসলিমরা বাস করেন সমাজে তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করে তাদের প্রতি সাধারণ মানুষের মনকে  বিষাক্ত করে তোলা যাতে এসব দেশে তাদেরকে সত্য ও ন্যায়ের কথা বলতে গেলে যাতে কেউ পাত্তা না দেয়। এটা একটা পুরানা কৌশল যা হিটলার করেছিল জার্মানিতে ২য় বিশ্বযুদ্ধকালীন  ইহুদী নিধনের বা হলকাষ্ট শুরু করার আগে।
         

  6. 17
    news

    Quote from মজলুম:

        * আমেরিকা সাদ্দাম হটিয়ে ইরাকের শিয়াদের ক্ষমতা দেওয়ার পরই কেন আজ সুন্নী অধ্যুষিত বাগদাদে আজ তারাই মাইনরিটি তা জানতে এই লাইভ টিভিতে কল করা  বাগদাদের এক সুন্নীর আর্তনাদ শুনুন।

        * ইরাকে আর্মী শুধু ইরাকের শিয়াদের দ্বারা গঠিত কেন?

    Quote from জিয়াউদ্দীন:

    পশ্চিমা মিডিয়ার নিয়ন্ত্রিত সংবাদে আইএস কে মনষ্টার বানানো হয়েছে কিন্তু শিয়ারা গত দশ বছরে ধরে যা করেছে তাকে অত্যন্ত মোলায়েম ভাষায় তুলে ধরা হয়।

    সাদ্দামকে হটিয়ে শিয়াদের হাতে ক্ষমতা প্রদান এবং ইরাকী সেনাবাহিনী শুধু শিয়াদের দিয়ে গঠন, শিয়াদের অনুকূলে ও সুন্নীদের প্রতিকূলে সংবাদ প্রচার, সুন্নী জঙ্গীদের উপর মার্কিন বিমান হামলা এসব দেখে সুন্নীদের কাছে মনে হবে পশ্চিমারা শিয়াদের জানের দোস্ত। শিয়াদের ক্ষমতায়নই বুঝি তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য। আবার অতীতে ইরানের বিরুদ্ধে সাদ্দামকে লেলিয়ে দেয়া এবং সিরিয়ায় আসাদবিরোধী বিদ্রোহীদের সাহায্য প্রদান দেখে শিয়াদের কাছে মনে হবে, ইহুদী-খৃষ্টানরা সুন্নীদেরই মদদ দিচ্ছে এবং সুন্নীরাই ইসরাইল-আমেরিকার তাবেদার। কিন্তু পরস্পরবিরোধী এ দুই ধারণার মধ্যে থেকে আসল সত্যটি অনুধাবন করার চেষ্টা শিয়া-সুন্নী কেউই করে দেখেছে কি?

    গভীরভাবে ভেবে দেখলে বোঝা যাবে, আমেরিকা সুন্নীদের উপর হামলা করছে শিয়াদেরকে জিতিয়ে দেবার জন্য নয়, বরং শিয়া-সুন্নী তিক্ততার আগুনে ঘি ঢালার জন্য। বিষয়টা সহজে বোঝার জন্য আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতা থেকে একটা দৃষ্টান্ত পেশ করছি। এক ধর্মদ্রোহী কুচক্রী শয়তান মহিলা মুসলিম শিশুদের মাঝে বিভেদ ও হানাহানি সৃষ্টির হীন উদ্দেশ্য একটা বাচ্চাকে আচ্ছামতন পিটিয়ে লাঠিটা সেই বাচ্চাটির সামনে রেখেই চলে যায়; উদ্দেশ্য এই যে, এরপর অপর কোন শিশু তার সামনে এলে সেই নির্যাতিত বাচ্চাটি রাগের মাথায় মনের ক্ষোভ ও হতাশা মেটানোর জন্য উক্ত বাচ্চাটির মাথায় যাতে বাড়ি মারে। এরপর সেই অপরাধে আবার প্রথম বাচ্চাটিকে শাস্তি দেয়া হয়। এতে করে বাচ্চাটি মনে করে, দ্বিতীয় বাচ্চাটির জন্যই আমি শাস্তিভোগ করছি— নির্যাতনকারী মহিলাটি বোধহয় ঐ শালাটার পক্ষ নিয়েই আমাকে সাইজ করছে। এমতাবস্থায় পরবর্তী ঘটনা কি হতে পারে সহজেই অনুমেয়। খান্নাস মহিলার এ পরিকল্পিত নাশকতায় (স্যাবোটাজে) শুধু যে বাচ্চারাই বিভ্রান্ত হচ্ছে তাই নয়, বরং বড়রাও ধোকা খাচ্ছে। কেউ কেউ হয়তো এই ভেবে গর্ববোধ করছে যে, যাক, বাচ্চাটা প্রতিবাদ করতে শিখেছে। এবার বুঝি জালেম নারী আর সুবিধা করতে পারবে না! কিন্তু প্রকৃতপক্ষে বাচ্চাটা যে শত্রুর পাতা ফাদেই পা দিচ্ছে, শত্রুর পরিকল্পনা মতোই যে সবকিছু হচ্ছে- এটা কেউ বুঝে উঠতে পারে না।

    তাই আবারো বলছি, সাদ্দামের পতনের পর মার্কিনীরা শিয়াদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছে তাদের প্রতি ভালবাসার কারণে নয়। বরং প্রকৃত কারণ হচ্ছে, তারা ভাল করেই জানে, সাদ্দামের আমলে শিয়াদের উপর যে অত্যাচার হয়েছে, আবার শিয়ারা ক্ষমতা হাতে পেলে সুন্নীদের উপর সেটার ঝাল তুলবে। এমতাবস্থায় এক পর্যায়ে সুন্নীরাও অস্ত্র হাতে তুলে নিতে বাধ্য হবে। যার ফলে শিয়া-সুন্নী উভয়েই সমানে মারা পড়বে। সেই পরিকল্পনা মত এক পর্যায়ে সুন্নীদেরকেও সশস্ত্র করে চরমপন্তী ও ফেরকাবাজি ভাবাদর্শে গড়ে তোলা হয় এবং শিয়া নিধনে (সেই সাথে ভিন্নমতাবলম্বী সুন্নী নিধনে) নিয়োজিত করা হয়। বর্তমানে অবস্থা এমন দাড়িযেছে যে, শিয়া ও সুন্নী একে অপরের জাতশত্রু ও জানের দুশমন হয়ে দাড়িয়েছে। ইরাকী শিয়ারা আইএস জঙ্গীদের তান্ডবের শিকার হয়ে এখন পারলে বাংলাদেশী নাগরিক পেলেও সুন্নী হওয়ার কারণে তাদের উপর চড়াও হয়। আবার সুন্নীরা শিয়া জঙ্গীদের তান্ডবে এতটাই অতিষ্ঠ যে, তাদের কাছে ইহুদী ঠেকানোর চেয়ে শিয়া নিধনটাই অধিক জরুরী হয়ে পড়েছে! কী ভয়ঙ্কর অবস্থা, পৃথিবীর সব প্রান্ত থেকে শিয়া ও সুন্নীরা যে যেখান থেকে পারছে ইরাকের দিকে ছুটে যাচ্ছে একে অপরের কল্লা কাটার জন্য। জাতভাইদের উপর অত্যাচারের কাহিনী শুনলে প্রতিশোধস্পৃহা জাগবে এটা স্বাভাবিক; কিন্তু কথা হল, তারা যখন পকেটের পয়সা খরচ করে ইরাক পর্যন্ত ছুটে আসতে পারছে, তখন আর দুটি পয়সা খরচ করে এসব হত্যাযজ্ঞের আসল mastermind তথা নাটের গুরুদের দেশে (ইসরাইলে) হানা দিতে তাদের অসুবিধাটা কি?

    1. 17.1
      মাহফুজ

      প্রবাদ আছে- "দুষ্ট গরুর চেয়ে শূন্য গোয়াল ভাল"
      শিয়া-সুন্নীরা বোধ হয় এখন দুষ্টের দমনে ব্যস্ত। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো- আসল দুষ্টকেই তারা চিনতে পারছেনা।
      আর এই দুষ্টকে চিনতে হলে এবং দমন করতে হলে তাদেরকে সবার আগে সব কিছু বাদ দিয়ে আল-কোরআন মুখি হতে হবে।

  7. 16
    মাহফুজ

    The Islamic State, formerly known as ISIS, told Palestine the terrorist group will join its fight against the “barbaric Jews” but urged patience until ISIS is finished in Arab countries. The group wants to weaken the United States in Arab countries first.

    যারা হাদিছে বিশ্বাস রাখেন তারা দেখুন- Hadith of Black flags(ISIS preparing for Mahdi(AS?))

    Sunni Hadith:
    Ahmad, at-Tirmidhi and Nu'aym ibn Hammad narrated from Abu Hurayrah [radhiyallahu 'anhu] that he said:
    "The Messenger of Allah [sallallahu 'alayhi wa-sallam] said: "Black banners will come out of Khurasan, and nothing will stop them, until they are raised in Ayliya' [i.e.Bayt al-Maqdis]."
    (Tirmizi, Musnad Ahmad)
    Jalal ad-Din as-Suyuti has rated it as authentic.

    "When a man rules over ash-Sham, and another over Egypt, and the Shami and Egyptian fight each other, and the people of ash-Sham take some of the tribes of Egypt captive, and a man comes forward from the east with small black banners towards the ruler of ash-Sham, then it is he who will hand over the rule to the Mahdi."

    And he also narrated from Abu Ja'far that he said:
    "The black banners that come out from Khurasan will settle at al-Kufah. When the Mahdi appears in
    Makkah, they will send the bay'ah to him."

    "Three men will be killed at the place where your treasure is. Each of them will be the son of a Khalifah, and none of them will get hold of the treasure. Then black banners will come out of the east…' If you see him, go and give him your allegiance, even if you have to crawl over ice, because he is the Khalifah of Allah, the Mahdi(Among them)."[Ibn Majah no:4084]
    Source: http://hadith.al-islam.com/Page.aspx…ID=35&PID=7508 )

    Abu Abdullah Nuaim Ibn Hammad on a chain of transmission on the authority of Al Zuhari who said " The black flags will come from the East, led by mighty men, with long hair and beards, their surnames are taken from the names of their home towns (i.e. Khosti or from Khost etc.) and their first names are from a "Kunya"
    (Asmal Masalik Lieyyam Mahdiyy Maliki Li Kull-id Dunya Biemrillah-il Malik, Qalda bin Zayd)

    Hadhrat Buraidah (R.A.) says that Rasulullah (Sallallahu Alayhi Wasallam) said: "There will be many armies after me. You must join that army which will come from Khurasaan."
    (Ibn Adi)

    On the authority of Thawbaan (May Allah be pleased with him), the Messenger of Allah said:
    "If you see the Black Banners coming from Khurasan go to them immediately, even if you must crawl over ice, because indeed amongst them is the Caliph, Al Mahdi."
    [Narrated on authority of Ibn Majah, Al-Hakim, Ahmad]

    Narrated by Abdur Rehman Al-Jarshi that I heard companion of Dear Prophet(salallaho alayhay wa sallam), Hazrat Amr Bin Marra Al-jamli(R.A) that Dear Prophet(salallaho alayhay wa sallam) said: Surely Black Flag will appear from the Khorasan until the people(under the leadership of this flag) will tie their horses with the Olive Trees between Bait-e-Lahya and Harasta. We asked are there any Olive trees between these places. He said,”If there isn’t then soon it will grow so that those people(of Khorasan) will come and tie their horses there.”
    [Ref: Kitab-al-Fitan Page 215. Also at Page 108 in the book “Islam main Imam Mahdi ka Tasawer” by Maulana Professor Muhammad Yousaf Khan,Jamia Ashrafia Lahore,Pakistan.]

    Harasta (Arabic: حرستا , transliteration: Ḥarastā) , also known as Harasta al-Basal, is a Syrian city administratively belonging to Rif Dimashq. Harasta has an altitude of 702 meters. It has a population of 38,184 as of 2007, making it the 43rd largest city per geographical entity in Syria.

    Beit Lahia (Arabic: بيت لاهيا or بيت لاهية) is a town under Palestinian Authority of about 40,000 people in the northern Gaza Strip. It is located north of Jabalia, near Beit Hanoun and the border with Israel. Hamas, an Islamic party, took control of it during the 2005 municipal elections.

    The word “Lahia” is Syriac and means “desolate” or “tiresome”. It is surrounded by sand dunes, some rise to 55m above sea level. The area is renowned for its many large Sycamore trees. The Israeli settlements of Nisanit, Elei Sinai, and Dugit that were in close proximity to Beit Lahia were evacuated during August 2005.Beit Lahia بيت لاهي Beit Lahiya Bayt Lahiya

    Narrated Abu Hurayrah: Allah's Apostle (peace_be_upon_him) said: The Last Hour will not come until the Romans land at al-A'maq or in Dabiq [north of Aleppo( a city in northen syria).]A n army consisting of the best (soldiers) of the people on Earth at that time will come from Medina (to oppose them). When they arrange themselves in ranks, the Romans will say: Do not stand between us and those (Muslims) who took prisoners from among us. Let us fight them. The Muslims will say: Nay, by Allah, we shall never turn aside from you and from our brethren so that you may fight them.
    They will then fight and a third (part) of the army, whom Allah will never forgive, will run away. A third (part of the army), which will be constituted of excellent martyrs in Allah's eyes, would be killed. The third who will never be put on trial will win and they will be the conquerors of Constantinople. (and/or Rome)
    As they are busy in distributing the spoils of war (amongst themselves) after hanging their swords by the olive trees, Satan will cry: The Dajjal has taken your place among your families. They will then come out, but it will be of no avail. When they reach Syria, he will come out while they are still preparing themselves for battle, drawing up the ranks. Certainly, the time of prayer will come and then ‘Eessa (peace_be_upon_him), son of Maryam, descends and will lead them in prayer. When the enemy of Allah sees him, it will (disappear) just as salt dissolves in water and if he (‘Eessa) were not to confront them at all, even then it would dissolve completely. Allah would kill them by his hand and he would show them their blood on his lance.
    (Muslim Book No: 40 No: 6924)

    Shia Hadith
    Jabir has quoted from Imam Muhammad Baqir (a.s) that he said, “The flags that arrive from Khorasan shall reach Kufa. And when His Eminence, Imam Mahdi (a.s) reappears from Mecca, these flags shall go towards him and pledge allegiance to him.”
    4. Abdullah bin Masud says, “We were with the Messenger of Allah (a.s) and suddenly we saw that some Hashemite youths approached and upon seeing them, His Eminence became worried and his eyes opened wide and his complexion changed. I asked, ‘O Allah’s Messenger! What’s wrong with youa Why your mood has changed suddenlya’ He replied, ‘We and my Ahle Bayt, the Almighty Allah has selected for us the Hereafter over the world. Very soon my Ahle Bayt shall fall into calamities, arrests and flights. Till the time groups will come from east, holding black flags. Then they would not get anything but good. They would fight a battle and they shall be victorious and whatever they desire shall be given to them but they shall not accept it. A person from my Ahle Bayt would be given the power to fill the earth with justice and equity, as it would be full of injustice and oppression. Whomsoever of you reaches them should join that group.’”
    5. Jalaluddin Suyuti quoted the Messenger of Allah (a.s) that he said, “Black flags shall come out of Khorasan and nothing could halt their movement till they reach Eliya.”
    Ibne Kathir says, “These are not flags of Abu Muslim Khorasani that the Umayyads may destroy. Rather they are some other flags that shall be with His Eminence, Imam Mahdi (a.s).”

    1. 16.1
      news

      উল্লেখিত নিউজ লিংকে দেখা যায়, "Those with the wrong way [Hamas] have the support of Iran and the Shiite." এতে মনে হয়, ফিলিস্তিনীদের প্রতি ইরানের সহায়তা দেখে এরা (আইএস) ঈর্ষান্বিত। অতএব, এরা ফিলিস্তিন পর্যন্ত পৌছালে আবার এমন না হয় যে, ইসরাইলের মোকাবেলার পরিবর্তে ফিলিস্তিনের উপর নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতেই ব্যস্ত হয়ে পড়ল এবং এটা করতে গিয়ে ফিলিস্তিনী গ্রুপগুলোর সাথেই সংঘাতে লিপ্ত হয়ে গেল। হয়তো দেখা যাবে, হামাসকে নিজেদের হাতে বাইয়াত গ্রহণ করতে বলল, আর প্রত্যাখ্যাত হয়ে হামাসকে কাফের ঘোষণা দিয়ে হামাস যোদ্ধাদের বধ করা শুরু করে দিল। যেহেতু মুসলমানের রক্ত ছাড়া অন্য কিছু দিয়ে হাত রাঙানোর অভ্যাস এদের আছে বলে শুনিনি, তাই এসব আশঙ্কাই মনের মাঝে উকি দেয়। এদের কাছে ভাল কিছু আশা করার কথা ভাবতেই পারি না। ফিলিস্তিনের প্রতি এদের আগ্রহ যদি থেকেও থাকে, তা সম্ভবত যতটা না ইসরাইলকে ঠেকানোর জন্য, তার চাইতে বেশি ইরানের প্রভাব দূর করার জন্য।

      এবার আসি আলোচ্য হাদীসের প্রসঙ্গে। ইহুদীরা কিন্তু গভীর জলের মাছ। তারা আমাদের হেফাজতের হুজুরদের মতন কাচা নয়। অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যত সব ব্যাপারই তারা ভাল করে জানে। ইসলামের ইতিহাসের প্রথম খলিফা তাঁর প্রথম ভাষণে কি বলেছিলেন তা যেমন জানে, তেমনি ইসলামের নবী (সা:) কি কি ভবিষ্যদ্বাণী করে গিয়েছেন তাও তারা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জানে। নবীর হাদীস মতে কোন্‌ দিক থেকে কোন রঙের পতাকা হাতে বাহিনী আসবে, তাদের সদস্যসংখ্যা কত হবে সেগুলো ইহুদীদের অজানা নয়। সুতরাং এসবের সাথে মিলিয়ে পরিকল্পিতভাবে সাদৃশ্য ধারণ করা কোন অসম্ভব ব্যাপার নয়। এ প্রসঙ্গে খ্রীস্টান মিশনারীদের একজাতীয় প্রতারণার কথা উল্লেখ করা যায়। মাঝেমধ্যে শোনা যায় অমুক তারিখে কিয়ামত হতে যাচ্ছে। উদ্দেশ্য এই যে, কথিত তারিখটি পার হয়ে যাবার পর যখন দেখা যাবে কিছুই হয়নি, তখন মানুষ ভাববে, কিয়ামত জিনিসটাই বুঝি সত্য নয়। কিয়ামত হয়তো আদৌ কোনদিনই হবে না! এখানেও হয়তো ঠিক একইভাবে মানুষকে ধোঁকা দেয়ার জন্য কথিত এক খলীফার নেতৃত্বে জিহাদের নামে বিশেষ রঙের পতাকাধারী একটা বাহিনী দাড় করানো হয়েছে, যাদের দেখে মুসলমানরা প্রথমে আশান্বিত হবে, তারপর তাদের কার্যকলাপ দেখে যখন মোহভঙ্গ হবে, তখন মানুষ ভাববে, এই কি আমাদের নবীজীর (সা:) বর্ণিত সেই বাহিনী! এতে করে নবীর হাদীসের প্রতি এবং সর্বোপরি নবীর ধর্মের প্রতিই মানুষ আস্থা হারিয়ে ফেলবে। অতএব, হতে পারে এটা ইহুদী চক্রের এক সূক্ষ্ম স্যাবোটাজ, যার মাধ্যমে মুসলমানদের জান-মাল ধ্বংসের পাশাপাশি ঈমান ধ্বংসের কাজটাও সম্পন্ন হতে পারে। আর নইলে ইসলামের ইতিহাসে এমন কোন ঘটনা দেখেছেন কি যে, কোন ইসলামী বাহিনী কোন এলাকা দখল করার সাথে সাথে লাখ লাখ মানুষ প্রাণ নিয়ে পালাচ্ছে? পীর-আউলিয়া চেনার ক্ষেত্রে যেমন কারামত দেখে এমনকি আকাশে উড়তে দেখেও চেনা যাবে না, বরং নবীর আদর্শের সত্যিকার অনুসারী কিনা দেখতে হবে; ঠিক তেমনি কোন একটা দল বা বাহিনী ইসলামের কিনা সেটা শুধু নবীর ভবিষ্যদ্বাণীর সাথে মিলিয়ে দেখা যথেষ্ট হবে না, বরং তাদের কার্যকলাপ নবীর আদর্শের সাথে কতটুকু খাপ খায় সেটাও মিলিয়ে দেখতে হবে। যাদের কার্যকলাপে ইসলামের এক বীভতস মানবতাবিরোধী চেহারা ফুটে উঠবে, তারা আর যাই হোক ইসলামের কেউ হতে পারে না; নবীর বর্ণিত সুসংবাদপ্রাপ্ত বাহিনী তো নয়ই।

  8. 15
    news

    আইএস ইসরাইলের চর, এতে কোন সন্দেহ নেই। চর তিন প্রকার:- গুপ্তচর, প্রকাশ্য চর ও অজ্ঞচর। গুপ্তচর হচ্ছে যারা গোপনে কারো সাথে যোগাযোগ রাখে এবং তাদের পক্ষে কাজ করে। প্রকাশ্য চর হল যারা প্রকাশ্যে কারো প্রতি সমর্থন ও আনুগত্য প্রকাশ করে এবং প্রকাশ্যেই তাদেরকে সহযোগিতা করে। আর অজ্ঞচর হল যারা জানেই না যে, কাদের হয়ে কাজ করছে, কাদের পারপাস সার্ভ করছে। অর্থাত, যারা না বুঝে দালালি করে। সাধারণত এসব ভূইফোড় সংগঠনের ক্ষেত্রে মূল নেতা বা নেতারা হয়ে থাকে গুপ্তচর, আর অনুসারী নেতাকর্মীরা হয়ে থাকে অজ্ঞচর।

    আইএসআইএলের কার্যকলাপ একটু লক্ষ্য করুন। তারা মুসলমানদেরই ভিন্ন ফেরকার লোকদের হত্যা করছে, এমনকি নিজেদের দাবিকৃত ফেরকার মানুষদের মধ্যেও যারা তাদের অবাধ্য তাদেরকে হত্যা করছে। তারা হুমকি দিচ্ছে খ্রিস্টানদের— আমেরিকানদের বাল ছিড়বে, স্পেন দখল করবে ইত্যাদি। কিন্তু ইসরাইল তথা ইহুদীদের প্রতি কোন হুমকি দিতে দেখেছেন কি? বায়তুল মোকাদ্দাস মুক্ত করবার কোন ঘোষণা আইএসের মুখে শুনেছেন কি? শুধুমাত্র মুসলিম ও খৃস্টানদেরই রক্ত ঝরাবেন, এ তো ইহুদীদেরই পুরাতন এজেন্ডা!

  9. 14
    news

    উপরের ছবিটি কি স্বঘোষিত খলিফার? ছবিটি দেখে কি ইরাকী বা আরব বলে মনে হয়? নাকি বিদেশী চামড়ার মত দেখায়? এ ব্যক্তির আসল পরিচয় জানতে ভিজিট করুন: http://www.timenewsbd.com/news/detail/19871

    1. 14.1
      news

      plz also see: http://www.timenewsbd.com/news/detail/22450

      1. 14.1.1
        মহিউদ্দিন

        আমার মনে হয় সময় দ্রুতই সবকিছু পরিষ্কার করে দিবে। শুধু আমাদেরকে একটু ধৈর্য রাখতে হবে। একটা জিনিস মুসলিম হিসাবে আমাদেরকে বিশ্বাস করতে হবে । Allah is in charge of this world. No criminal can run a way from him. He is quick in taking the account as he said  “”WaAllahu Saariul hisab.(হিসাব গ্রহণে আল্লাহ তৎপর।) বুশের তথাকথিত সেই সন্ত্রাস বিরোধী আন্দোন শুরু করার পর থেকে মুসলিম বিশ্বে যা হচ্ছে (বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়) তার একটি পজেটিব দিক অবশ্যই আছে যা আমরা খেয়াল করতে পারছিনা। এমনও হতে পারে যাদেরকে দিয়ে মুসলিম বিশ্বে তাদের কবজা (Grip) চিরস্থায়ী করতে যাচ্ছে তারাই হয়তবা তাদের জন্য বুমেরাং হয়ে দেখা দিতে পারে। অবস্থা দৃষ্টে তা কি মনে হচ্ছেনা? আল্লাহ ভাল জানেন। 

        1. 14.1.1.1
          news

          পজেটিভ কোন লক্ষণ এখনো দেখতে পাচ্ছি না। মুসলিম-মুসলিম সংঘাত যেমন ইহুদী ও খ্রীস্টান উভয়ের জন্য খুশির কারণ, তেমিনি মুসলিম-খৃস্টান সংঘাতও ইহুদীদের জন্য প্রীতিকর। কেন জানি মনে হয়, এখনো পর্যন্ত সব কিছু ইহুদীদের ছকমতোই এগুচ্ছে। আইএসআইএল আমেরিকার জন্য যদি হুমকি হয়েও থাকে, ইসরাইলের জন্য হুমকি হয়ে ওঠার কথা তো শোনা যায়নি। কেবল শিয়া নিধনে আর পশ্চিমা নাগরিক হত্যায় এরা ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া আমেরিকা সুন্নী জঙ্গীদের উপর বিমান হামলা করার অর্থ এই নয় যে, শিয়ারা তাদের পরানের বন্ধু। এটা করছে জাস্ট ব্যালান্স রক্ষার জন্য, যাতে কোন এক পক্ষ জয়ী হয়ে যুদ্ধটা শেষ হয়ে না যায়। বিষয়টা বোঝার জন্য আমেরিকার প্রতি নেতানিয়াহুর উপদেশটা স্মরণযোগ্য, যেখানে তিনি বলেছেন, "ইরাকে যুদ্ধরত দু'পক্ষই আমাদের শত্রু। অতএব আমেরিকার উচিত নয় সেখানে হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে কোন এক পক্ষকে শক্তিশালী করা। ওরা নিজেরা নিজেরা যত তাড়াতাড়ি মরে শেষ হয়ে যায়, ততই আমাদের লাভ।" অতীতে শ্রীলঙ্কা নিয়ে যে খেলা হয়েছে, ইরাক ও সিরিয়াতে তারই পুনরাবৃত্তি হচ্ছে। ভারত ও ইসরাইল নাকি শ্রীলংকায় যুদ্ধরত দু'পক্ষকেই সাহায্য দিত। এমনকি এমনও নাকি দেখা গেছে যে, ইসরাইলের একই প্রশিক্ষণ শিবিরে শ্রীলঙ্কান সৈন্য ও তামিল টাইগার একই সাথে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এরা দু'পক্ষের  ঝগড়া বাধতে দেখলে দা-বটি সামনে এগিয়ে দেয়। এরা শিয়াদের পক্ষেও নয়, সুন্নীদের পক্ষেও নয়; বরং শিয়া-সুন্নী লড়াইয়ের পক্ষে। ইরাকে উভয় পক্ষেরই যুদ্ধবাজ নেতৃত্ব ইহুদীদেরই ক্রীড়নক হয়ে কাজ করছে।

  10. 13
    মহিউদ্দিন

    প্রাসঙ্গিক মনে করে নিচের তথ্য শেয়ার করলাম। সত্য মিথ্যা জানিনা।

    https://scontent-a-ord.xx.fbcdn.net/hphotos-xap1/v/t1.0-9/10533560_808381845859990_1618225830587679278_n.jpg?oh=2011cafd60758810ab158f81ca9bee35&oe=5454F750

    1. 13.1
      মাহফুজ

      @মহিউদ্দিন:

      হুম! এসব তথ্যের প্রাসঙ্গিকতা ও সত্যতার প্রমাণ পাওয়ার জন্য আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে।
      এ সব তথ্য প্রকাশ করার মাধ্যমে আইসিস এর গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ করার চক্রন্ত করা হচ্ছে কিনা সে কথাও ভাবতে হবে।
      কারণ আইসিস এর ব্যানারে এ সব লোমহর্ষক ভিডিও ও সংবাদ প্রকাশ করলে যে তা আইসিস এর বিপক্ষেই কাজ করবে তা কি তারা বোঝেনা!?

  11. 12
    মাহফুজ

    আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি-
    *বনু কুরাইযার যুদ্ধবন্দী হিসেবে ধৃত অধিকাংশ পুরুষদের কেন হত্যা করা হয়েছিল?
    *বদর যুদ্ধবন্দীদেরকে কেন হত্যা করা হয়েছিল?

    নিরপরাধ মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়ে যদি হত্যা করা হয়ে থাকে তাহলে তা অবশ্যই যুদ্ধপরাধ। কিন্তু যারা প্রত্যক্ষ যুদ্ধে লিপ্ত হবে বা সহায়তা করবে, তারা ধরা পরার পর যদি তাদের মধ্যে নমনীয় নয় বরং বিরোধী আচরণ লক্ষ্য করা করা যায়, সেক্ষেত্রে জিঘাংসা পরায়ণ বিরুদ্ধ পক্ষকে প্রয়োজনে হত্যা করা যেতে পারে। যুদ্ধের সময় বিরুদ্ধাচরণের শাস্তি স্বরূপ এরূপ নিষ্ঠুরতার প্রয়োজন হতেই পারে এবং তা দোষণীয় নয়। আবার যুদ্ধবন্দী হবার পর যারা অনুতপ্ত ও নমনীয় আচরণ করবে তাদেরকে হত্যা নয় বরং ক্ষমা কোরে মুক্ত করে দিতে হবে। এটাই ইসলামের শিক্ষা।

    ইসরাইল যেভাবে নিরপরাধ নারী ও শিশুদের হত্যা করছে তার প্রত্যক্ষ প্রমাণ রয়েছে। কিন্তু আইসিস এর ক্ষেত্রে সেরূপ প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই, বরং যে সব ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে সেই ধরনের সিনেমা শুটিং কোরে তা বাজারে ছেড়ে দেয়া পাশ্চাত্য মিডিয়ার পক্ষে খুব একটা কঠিন ব্যাপার নয়। গাযার শত শত নিরীহ নারী-পুরুষের হত্যাকাণ্ড যাদের পাষাণ অন্তরে দাগ কাটেনা, অথচ একজন ইহুদি সৈন্যের গুম হয়ে যাওয়ার প্রমাণহীন গল্প বানিয়ে যাদেরকে হাহুতাশ করতে দেখা যায়, তাদের পক্ষে প্রমাণহীন এরূপ প্রামাণ্যচিত্র বানিয়ে বাজারে ছেড়ে দেয়া আঙ্গুলের ইশারা মাত্র।

    বিশেষভাবে লক্ষণীয় যে, ভিডিও চিত্রে যুদ্ধবন্ধী হিসেবে ধরা পরার পরও তাদেরকে হাত উঁচিয়ে শ্লোগান দিতে দেখা যাচ্ছে। বন্দি হবার পরও তারা উত্তেজনা সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল কিনা তা বলা মুশকিল। ধরা পরার পরও যারা নমনীয় না হয়ে সংঘাতময় আচরণ করবে, যুদ্ধের সময় তাদেরকে হত্যা করা আপাতদৃষ্টিতে নিষ্ঠুর মনে হলেও ক্ষেত্র বিশেষে তা দোষনীয় নয়। কিন্তু যুদ্ধবন্দী হবার পর তারা যদি অনুতপ্ত হত, তারপরও তাদেরকে হত্যা কারা হলে তা অবশ্যই অপরাধ বটে।

    পাশ্চাত্য মিডিয়ার খবরে বিভ্রান্ত হওয়া মুসলিমদের জন্য শোভা পায়না। আসল খবর মহান আল্লাতায়ালাই ভাল জানেন।

  12. 11
    মহিউদ্দিন

    ~এবার দেখুন ISIS সৈন্য দের কসাই গিরি । কসাই বললাম এজন্য যে হিটলারের নাজি বাহিনীর পর এরাই এক দিনে ১৫০০+ মানুষ মেরে রক্তের নদী বানানোর রেকর্ড করেছে ।

    অথচ ইসলামে যুদ্ধ বন্দিকে হত্যা করা অন্যায়।

    ফেইস বুকে এ ভিডিওটির লিংক দেখলাম অবশ্য এটার সত্যতা যাচাই করারা উপায় নাই আমার কাছে যদি এটা নকল না হয়ে থাকে তবে এ বর্বরতা কেবল মাত্র মানুষ পশু না হলে কেউ করতে পারে না। এরা আসলেই কি ইসলামের পক্ষে না বিপক্ষে? ইরাকের গৃহ যুদ্ধকে কেন ইসলামের সাথে জড়ান হচ্ছে?   আমরা সবাই কেমন নির্বিকার আছি?  এসব দেখেও না দেখার ভান করতেছি ।

    যারা দুর্বল চিত্তের নন তারা চাইলে এই জঘন্য হত্যাকান্ডের  ভিডিও টাও দেখতে পারেন

    লাইভ লিক ভিডিও লিংকঃ-  http://goo.gl/CnVFcK

  13. 10
    মাহফুজ

    Convert, pay tax, or die, Islamic State warns Christians-- In the statement, Isis said Christians who wanted to remain in the "caliphate" declared earlier this month in parts of Iraq and Syria must agree to abide by terms of a "dhimma" contract – a historic practice under which non-Muslims were protected in Muslim lands in return for a special levy known as "jizya". "We offer them three choices: Islam; the dhimma contract – involving payment of jizya; if they refuse this they will have nothing but the sword," the announcement said.

    এখানে আমন্ত্রণ- War, Treaty & Zizia/ 'কিতাল অর্থাৎ যুদ্ধ', 'সন্ধি' এবং 'জিজিয়া'-

  14. 9
    sotto

    What Life Is Like in Iraq's City of Mosul Under ISIS Rule

  15. 8
    মহিউদ্দিন

    আপনার হতাশার কারণটা বুঝতে পেরেছি। আসলে আমরা এখন প্রোপাগাণ্ডা ও প্রতারণার যুগে বাস করছি। রাসুল (স:) এর দেয়া এমনই এক যুগের ভবিষ্যতবাণীর কথার সত্যতা প্রমাণ হচ্ছে নয় কি? "সাদাকা রাসুল্লাহ"। আসলে  বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষে মানুষের কাছে আজ মিডিয়ার যে প্রযুক্তি এসেছে তাকে ব্যবহার করে সত্যকে মিথ্যা আর মিথ্যাকে সত্যে পরিণত করা এত সহজ হয়েছে গিয়েছে যা মানব সভ্যতার অতীতে কোন কালে ছিলনা। … এ কথাগুলা আমার এক নিবন্ধে উল্লেখ করেছিলাম। 
    তবে যতই কঠিন যুগে আমরা পড়ব ততই বেশী বেশী তাকওয়ার গুনে বলীয়ান হওয়ার প্রচেষ্টা ছাড়া মুসলিমদের অন্য কোন রাস্তা নাই। বাঁচতে হলে রুটি রোজগারের ধান্দা তো করতেই হবে বিশেষ করে আল্লাহ দেয়া রিজিকের সন্ধানে। 

  16. 7
    এম_আহমদ

    আপনার আলোচ্য প্রসঙ্গে আরেকটি কথা বলতে ইচ্ছে করছে। আর তা হল যে আজকের বিশ্বে যা কিছু ঘটছে সেসবের আসল রহস্য উদ্ঘাটন করে কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার সামর্থ্য আমাদের খুবই কম। আজকে এক দিকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনেক কিছু পাওয়া যায় বটে কিন্তু সেসব তথ্যে নির্ভরশীলতা থাকে না। একদিকে শত্রু পক্ষ মিথ্যা প্রচার করে, অন্যদিকে মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টরাও নিজেদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সঠিক কথা প্রচার করে না। আমি এখন সংবাদ পড়ার ও ভিডিও ক্লিপ দেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। গবেষণায় আমরা যে  জিনিসটিকে আমরা validity হিসেবে নির্দিষ্ট করি –তা অর্জন যেন এখন অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। কোনো একটি বিষয়ে সত্য-মিথ্যা সম্বলিত অসংখ্য রিপোর্ট পড়ে, assess করে, কথা বলতে যে সময় ও শ্রম ব্যবহারের প্রয়োজন সেটা খামাখা নিয়োগ করার প্রয়োজন আমরা দেখি না। অনেক বিষয়ে সত্য-মিথ্যা নিরূপণের চাকুরীতে থাকলে সেখানে নিজেদের bread and butter থাকে এবং সময় ও শ্রম ব্যবহারে আপত্তির কিছু থাকে না। কিন্তু এধরণের পর্যায়ে আমরা কেউই নেই। আজকে সঠিক তথ্য উদ্ঘাটন করতে আপনার অনেক টাকার দরকার। আর যখন সঠিক তথ্য পাবেন, তখন কেউ হয়ত আপনাকে বিশ্বাস নাও করতে পারে।

     

    1. 7.1
      এম_আহমদ

      @এম_আহমদ:

      আমার ১০ জুলাইয়ে করা মন্তব্যটি আবার রিপ্রিন্ট করছি। কেননা এর সত্যতা বার বার প্রকট হয়ে প্রতিভাত হচ্ছে:

      আপনার আলোচ্য প্রসঙ্গে আরেকটি কথা বলতে ইচ্ছে করছে। আর তা হল যে আজকের বিশ্বে যা কিছু ঘটছে সেসবের আসল রহস্য উদ্ঘাটন করে কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়ার সামর্থ্য আমাদের খুবই কম। আজকে এক দিকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে অনেক কিছু পাওয়া যায় বটে কিন্তু সেসব তথ্যে নির্ভরশীলতা থাকে না। একদিকে শত্রু পক্ষ মিথ্যা প্রচার করে, অন্যদিকে মূল ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্টরাও নিজেদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সঠিক কথা প্রচার করে না। আমি এখন সংবাদ পড়ার ও ভিডিও ক্লিপ দেখার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। গবেষণায় আমরা যে  জিনিসটিকে আমরা validity হিসেবে নির্দিষ্ট করি –তা অর্জন যেন এখন অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়েছে। কোনো একটি বিষয়ে সত্য-মিথ্যা সম্বলিত অসংখ্য রিপোর্ট পড়ে, assess করে, কথা বলতে যে সময় ও শ্রম ব্যবহারের প্রয়োজন সেটা খামাখা নিয়োগ করার প্রয়োজন আমরা দেখি না (অর্থাৎ এত পরিমাণ সময় ও শ্রম এমন কাজে ব্যয় করার সুযোগ থাকে না)। অনেক বিষয়ে সত্য-মিথ্যা নিরূপণের (উপযোগী কোনো) চাকুরীতে থাকলে সেখানে নিজেদের bread and butter থাকে এবং সময় ও শ্রম ব্যবহারে আপত্তির কিছু থাকে না। কিন্তু এমন কোনো কাজে আমরা কেউই নিয়োজিত নেই। আজকে সঠিক তথ্য উদ্ঘাটন করতে আপনার অনেক টাকার দরকার। আর যখন সঠিক তথ্য পাবেন, তখন কেউ হয়ত আপনাকে বিশ্বাস নাও করতে পারে।

  17. 6
    Shahriar

    Pls keep writing

    1. 6.1
      মহিউদ্দিন

      ~~Thank you for reading. Bro, please say something more in your comment so that we can continue to learn from one another. It is important to know each other's point of view which can lead to a healthy dialog.

  18. 5
    মজলুম

    ইরাকের আইএসআইএল এর ব্যাপারে কিছু নিরপেক্ষ ও নির্মোহ  লিখা লিখছি। কিছু ভুলবুঝাবুঝি আগে ক্লীয়ার করি।

    * আইএসআইএল  কোন শিয়াকে পাইকারী হত্যা করছে না, বরং শিয়া মিলিশিয়া সন্ত্রাসী গ্রুপ যেমন, সিস্তানির বদর ব্রিগেড, মোকতাদা সদরের মেহেদি আর্মি, রাইটিয়াস লীগ সহ সব ইরানী ট্রেনিং ও অস্র প্রাপ্ত গ্রুপদের লোককে হত্যা করছে, সাথে আছে কিছু শিয়া ইরাকি আর্মি, যাদের হাতে আছে সুন্নিদের রক্ত লেগে আছে। এদের বলা হয় সুন্নি কিলিং মেশিন। এরা দিন রাত সুন্নিদের ঘর হতে উঠিয়ে নিয়ে গিয়া হত্যা করে ইরাককে সুন্নি বিলুপ্ত করতে চাচ্ছে।

    * আমেরিকা সাদ্দাম হটিয়ে ইরাকের শিয়াদের ক্ষমতা দেওয়ার পরই কেন আজ সুন্নী অধ্যুষিত বাগদাদে আজ তারাই মাইনরিটি তা জানতে এই লাইভ টিভিতে ক rel="nofollow">ল করা  বাগদাদের এক সুন্নীর আর্তনাদ শুনুন।

    * ইরাকে আর্মী শুধু ইরাকের শিয়াদের দ্বারা গঠিত কেন?

    * কোন সুন্নির নাম আবু বকর, ওমর, উসমান হলেই তাকে হত্যা করা হয় কেন?

    গার্ডিয়ানের সাংবাদিক মুনা মাহমুদের রিপোর্টে যতজন ইরাকি  সুন্নির সাথে কথা বলা হয়েছে ওরা সবাই আইএসআইএল এর উপর খুশি কেন?

     * শুধু কারজাভি নয়, আল-কায়েদার সাপোর্টার শেখ আবু কাতাদা ও শেখ মাকদিসি ও আইএসআইএল এর বিরোধিতা করছে, অবশ্য এর বিনিময়ে জর্ডান সরকার মাত্র কয়েকদিন আগে তাদের জেল হতে মুক্ত করেছে।

    * আইএসএইএল এর বিরোধিতা সৌদিতে থাকা  উলামা, কাতারে থাকা উলামারা তো করবেন, নইলে আইএসএইএল যদি কাতার বা সৌদিকে খেলাপতের অধিনে নিয়ে আসে তাহলে উনারা আরাম আয়েশে থাকবেন কিভাবে।

    * প্রথম বিশযুদ্বের পর খেলাফত বিলুপ্তির সময় ফ্রান্স ও ব্রিটেনের মধ্যে যে Sykes-Picot Agreement এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যকে খন্ড বিখন্ড করে ভাগাভাগি করে নিজেদের করে নেয়, সেই বর্ডারকে আইএসএইএল বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দিয়েছে।

     

     

    কেয়ামতের আলামত ও রাসূলের ভবিষৎত বাণীঃ
    কেয়ামতের আগে রাসূল (সঃ)যে মালহামার কথা বলেছেন তার মানে একটা যুদ্ব নয় বরং এর অর্থ হলো অনেকগুলো যুদ্ব। যেই যুদ্বে মুসলিমরা দূর্বল থেকে শুরু হবে এবং শেষের দিকে মুসলিমরা অনেক শক্তিশালি হবে।
    খোরাসান হতে কালো পতাকাবাহি গ্রুপ বায়তুল মোকাদ্দাস মুক্ত করার ও ইমাম মাহদি সেই গ্রুপে থাকার কথা সহীহ হাদিসে বর্ননা করা হয়েছে। ঐ সময় আফগানিস্তান কে খোরাসান বলা হতো, তাছাড়া এখনও আফগানিস্তানের এক এলাকার নাম খোরাসান। এখন আমারা যদি মানচিত্র দেখি সেই ইসরাইল হতে আফগানিস্তান পর্যন্ত শুধু ইরান ছাড়া সব দেশ যুদ্বরত। তবে ইরান যেভাবে সিরিয়া ও ইরাকে জড়িয়ে পড়ছে তাতে হয়তো ইরান ও ফুলস্কেলে যুদ্বে আসতে পারে। তখন জেরুজালেম হতে আফগানিস্তান পর্যন্ত পুরাটাই হবে গ্রেট রনাঙ্গন।  

    দেখা যাক রাসূল(সঃ)  এর ভবিষৎবানি কখন মিলে যায়। আর বাকিটা আল্লাহ মালুম।

     

     

     

    1. 5.1
      মহিউদ্দিন

      ধন্যবাদ আপনার তথ্যপূর্ণ মন্তব্যের জন্য। আসলে মেইন স্ট্রিম মিডিয়া ছাড়াও অন্য সূত্রের তথ্য শুনলে যে কোন বিষয়ে একটি "বিগার পিকচার" পাওয়া যায়। তবে সত্য মিথ্যা যাচাই করাটাই হচ্ছে কঠিন। দেখা যাক কি হয়। একজন মুসলিম হিসাবে আমাদের বিশ্বাস থাকতে হবে আল্লাহ সবকিছু প্রত্যক্ষ করছেন এবং হিসাব গ্রহণে তিনি তৎপর। কখন, কোথায় কবে করবেন এটা আল্লাহ ভাল জানেন। "ইন্না রাব্বাকা লা মির-ছাদ" Indeed, your Lord is in Observation (১৪:৮৯) সুরা ফজর শুনলে একথাটাই মনে হয় বার বার।

    2. 5.2
      নূর

      ভাই-মজলুম, আপনাকে দীর্ঘ দিন পর পেলুম। নিয়মিত সদালাপে তথ্যপূর্ণ মন্তব্য করার জন্য অনুরোধ রইল। ধন্যবাদ ।

    3. 5.3
      আহমেদ শরীফ

      আরেকটু নিখুঁতভাবে বলতে গেলে ভারতীয় উপমহাদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এই মহাযুদ্ধ যার পটভূমি তৈরি হতে আমরা প্রত্যক্ষ করে চলেছি। ভারতে পরিস্থিতি ইতিমধ্যেই উত্তপ্ত গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত বিজেপিও এসে উপস্থিত, ওদিকে শ্রীলংকায় মুসলিমদের 'নিশ্চিহৃ করার' হুমকি দেয়া হয়েছে মায়ানমারে তো মুসলিম নিধন চলছেই বাংলাদেশেও পরিস্থিতি অবনতির দিকে যাচ্ছে, আরো যাবে। আগামী ৪ বছরের মাঝে পরিস্থিতির ক্রমান্বয়ে অবনতি আমাদের প্রত্যক্ষ করতে হতে পারে সব কিছু মিলিয়ে আলামত সেরকমই।

      1. 5.3.1
        মহিউদ্দিন

        সব কিছু মিলিয়ে আলামত সেরকমই।

        সঠিক বলেছেন। মন্তব্যে অংশগ্রহণের জন্য ধন্যবাদ

    4. 5.4
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      আপনার সাথে একমত। 

      ইসলামিক স্টেট আসলে একটা প্রতিক্রিয়ার প্রতীক। অনেকেই অনেক থিয়োরী নিয়ে এসেছেন। কিন্তু সাধারন মানুষের সমর্থন না থাকলে এই দলের এতো দ্রুত সাফল্যলাভ সম্ভব হতো না। পশ্চিমা মিডিয়ার নিয়ন্ত্রিত সংবাদে আইএস কে মনষ্টার বানানো হয়েছে কিন্তু শিয়ারা গত দশ বছরে ধরে যা করেছে তাকে অত্যন্ত মোলায়েম ভাষায় তুলে ধরা হয়। গতকালও এক মসজিদের শিয়াদের হামলায় ৭৩ জন সুন্নী নিহত হয়েছে। 
       

  19. 4
    মুনিম সিদ্দিকী

    ভারতের হিন্দুদের এক হতে লেগেছিলো ৭শত বছর, তারা ঐক্যবদ্ধ ছিলোনা বলেই মুসলিমরা বাইর থেকে ৭শত বছর তাদের দেশে রাজত্ব করতে পেরেছিলো। মুসলিমদের পতন শুরু হয়েছে ২শত ধরে এই ভাবে নিজেদের মধ্যে হানাহানি কাটাকাটি করে আরো শত বছর পার করার পর হয়তো মুসলিমদের টনক নড়তে পারে। তখন হয়তো সব ফেরকাবাজী বাদ দিয়ে যত মত তত পথ দর্শন গ্রহণ করে নিজদের মধ্যে হানাহানি বন্ধ করতে পারে। ধন্যবাদ।

    1. 4.1
      sotto

      "ফেরকাবাজী" এবং "যত মত তত পথ দর্শন" এর মধ্যে মৌলিক কোন পার্থক্য আছে কি?
      মুসলিমদের জন্য পথ তো একটাই- আর সেটা হলো আল-কোরআন নির্দেশিত সরল ও সত্য পথ।

    2. 4.2
      মহিউদ্দিন

      মুনিম ভাই,

      ধন্যবাদ পাঠ ও মন্তব্যের জন্য।

      আপনি মুসলিম ঐক্যের কথা বলেছেন, কি আর বলব? আমাদের অনৈক্যের জন্যই তো আজ এই অবস্থা। এ প্রসঙ্গে ফেবুতে আমার এক বন্দুর কমেন্ট শেয়র করতে মন চাচ্ছে:  

      ''ফেসবুক জুড়ে গাজায় ইসরাইলী গনহত্যার ছবি। কেও লাইক, কেউ কমেন্ট আর কেউ দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছেড়ে দুঃখ প্রকাশ করছেন তারপর ঝাকের কই ঝাকেই মিশে যাচ্ছেন। ফিলিস্তিনিদের কোন কাজে আসছে না। কোন ইহুদীকে দেখেছেন কখনও ফেসবুকে তাদের কোন ছবি দিয়ে জন সমর্থন সংগ্রহের চেষ্টা করছে? নাহ এইসব ফালতু কাজ করার সময় নেই তাদের। তারা জ্ঞান অর্জন আর একতা তৈরি করতে ব্যস্ত। ইহুদীদের জ্ঞান আর একতা দিয়ে পাশ্চাত্যের সব শক্তিশালী স্থান গুলা তারা দখল করে নিয়েছে। কিন্তু মুসলিমরা দলে দলে বিভক্ত হয়ে একজন আরেক জনকে হত্যায় ব্যস্ত। কোরআনে জ্ঞান অর্জনের কথা বলা হয়েছে কিন্তু তারা সেটার ধারে কাছেও নেই আর একতা বলে কিছুই নেই। তাই শুধু ইহুদী কেন, পারলে মুসলিমদের সবাই এখন মারবে কারন ওরা জানে মুসলিমরা এক হবে না। ফিলিস্তিনে ইহুদীরা যত মুসলিম মারে তার চেয়ে অনেক বেশি মুসলিম বাংলাদেশে অন্য মুসলিমরা মারে। আর ইরাক, আফগানিস্তান, ইরান, সোমালিয়া, লিবিয়া এগুলা তো বাদ-ই দিলাম। এখন বিধর্মীদের চরিত্র ধারন করেছে মুসলিমরা আর বিধর্মীরা মুসলিমদের অনেক ভাল চরিত্র ধারন করেছে। তাই ইহুদী, সিএনএন, বিবিসি এই সবার দিকে আঙ্গুল না দেখিয়ে নিজের দিকে দেন। একতা আর জ্ঞানকে সম্বল করেন কারোর সাহস হবে না মুসলিম মারার। যা হচ্ছে তা সবি মুসলিমদের ঈমানের দুর্বলতার কুফল মাত্র। আফসোস এই দুর্বলতার সবচেয়ে কঠিন মুল্য দিচ্ছে ফিলিস্তিনের নারি, পুরুস ও শিশুরা। সারা দুনিয়ার মুসলিম বাদ দিলাম; শুধু যদি মধ্যপ্রাচ্চের মুসলিমরা এক হয় তবে কি ইহুদীরা পারবে এই ভাবে ফিলিস্তিনি মারতে? কিন্তু ঐ মুসলিমরা তো এক হবে না…………! আর বাংলাদেশের ৯৫% মুসলিমদের বুড়ো আঙ্গুল দেখায় সবাই…কারন ঈমান দুর্বল, জ্ঞানহীন ও বিভাজন " ‍ Delwar Hossain

  20. 3
    এম_আহমদ

    ইস ভাই, কী বলব। সালাফি আর রাজতান্ত্রিকরা যে এমন ঘটনা ঘটিয়ে বসবে তা আমি ১৯৮০ দশক থেকে অনুভব করছি যখন সাদ্দামকে লেলিয়ে দিয়ে ইরানের সাথে যুদ্ধ করানো হচ্ছিল। তখন সৌদির এজেন্টরা এই সুদূর ইংল্যান্ডে বসেও সেই অগ্নিতে বাতাস দিচ্ছিল। শিয়া-সুন্নি বিভক্তিকে তারা টেনে-হেঁচড়ে বর্ধিত করছিল। সালাফিদের একাংশ নিজেদের বাইরের সকল মুসলমানদের ব্যাপারে দারুণ খড়গ-হস্ত। ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করা জরুরি কিন্তু তা বর্তমান বহির্বিশ্বের শক্তির মোকাবেলায় কোথাও কতটুকু সম্ভব, তা কী ভেবে দেখতে হবে না? আপনার কোনো শক্তি নেই কিন্তু জায়োনিষ্ট ও তাদের দোসরদের কাছ থেকে অস্ত্র নিয়ে, মুসলিম মেরে, কী তা করতে হবে? মুসলমানদের ভূখণ্ডকে কারা খণ্ড খণ্ড করতে চাচ্ছে? যারা আপনাকে শান্তিপূর্ণভাবে খিলাফত প্রতিষ্ঠা করতে দিচ্ছে না বরং ‘সন্ত্রাসী’ বানাচ্ছে সেই পরিস্থিতিতে বুঝি তাদের অস্ত্রে এই কাজ হবে? মিশরে একটি বছরও ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক স্তর অতিক্রম করতে দেয়া হয়নি। কাফির ও তাদের মুসলিম দোসরদের সমন্বয়ে তা উড়িয়ে দেয়া হয়েছে। অবস্থা আজ বড়ই সঙ্গিন। আজ কেন যেন মনে হয় ইসরাইলি পরিকল্পনার বাস্তবায়ন হয়ত আগামী ২/৩ দশকেই পরিপূর্ণ হয়ে যেতে পারে। 

    আল্লাহ আপনাকে এই লেখাটির জন্য সওয়াব দান করুন।

    1. 3.1
      মহিউদ্দিন

      মুসলিম বিশ্বে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে অমাবস্যার ঘোর অন্ধকার নেমে এসেছে। রাজতন্ত্রের অর্থায়নে ও পৃষ্ঠপোষকতায় সালাফিদেরকে ব্যস্ত রাখা হয়েছে সংর্কীনতা ও কট্টরপন্তী মতাদর্শে যাতে এক দিকে শিক্ষিত মানুষের মনে ইসলামের প্রতি অশ্রদ্ধা জন্মে অন্যদিকে গনতন্ত্রকে কুফরি বলে রাজতন্ত্রকে ঠিকিয়ে রাখা যায়। একটা দেশের মানুষ যদি ইসলামের অনুসারী হয় তাহলে তাদের দেশে গণতান্ত্রিক চর্চাও হতে পারে ইসলামী আদর্শে। গণতন্ত্র রাষ্ট্রের শাসক পরিবর্তনের একটি হাতিয়ার মাত্র এটাকে যখন চর্চা করতে দেয়া হবে না তখনই সহিংসতা ও বন্দুকের নল ছাড়া বিকল্প রাস্তা থাকতে পারে কি? পিঠ যখন দেয়ালে ঠেকে যায় তখন সহিংসতার পথই মনে হয় একমাত্র পথ। আর তখনই উগ্র সন্ত্রাসবাদীর জন্ম নেয়া সহজ।

      রাজতান্ত্রিক দেশগুলো পাশ্চাত্য-ইসরাইল আধিপত্যবাদীর সাথে  হাত মিলিয়ে চলছে যাতে উগ্র সন্ত্রাসবাদীদের জন্ম হয় তখন আরব বিশ্বকে ভৌগলিক-রাজনৈতিক ও ধর্মগতভাবে পুণর্বিন্যাস করতে সহজ হয়। কেননা তা করলে এসব অন্চলে পাশ্চাত্য সাম্রাজ্যবাদীরা এগুতে পারবে নিজেদের ক্ষমতার প্রভাব ও স্বার্থ সিদ্ধির ভারসাম্য নিষ্কণ্টক করে রাখতে।

      1. 3.1.1
        sotto

        আপনি বলেছেন- //একটা দেশের মানুষ যদি ইসলামের অনুসারী হয় তাহলে তাদের দেশে গণতান্ত্রিক চর্চাও হতে পারে ইসলামী আদর্শে। গণতন্ত্র রাষ্ট্রের শাসক পরিবর্তনের একটি হাতিয়ার মাত্র, এটাকে যখন চর্চা করতে দেয়া হবে না তখনই সহিংসতা ও বন্দুকের নল ছাড়া বিকল্প রাস্তা থাকতে পারে কি?//

        //গণতন্ত্র রাষ্ট্রের শাসক পরিবর্তনের একটি হাতিয়ার মাত্র//- এই অংশটা বোধ হয় ঠিক হলোনা।
        তবে আপনি বলতে পারেন- রাষ্ট্রের শাসক পরিবর্তনের জন্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ভোট প্রদান একটি উত্তম প্রক্রিয়া মাত্র। গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে ঢালাওভাবে গণতন্ত্র সম্পর্কে সচেতন ও অসচেতন নির্বিশেষে সকল জনগণ এই ভোটে অংশ নিয়ে থাকনে। আর ইসলামি রাষ্ট্রে ইসলামি সুরার মাধ্যমে জ্ঞানী ও বিচক্ষণ উলিল-আমরগণের  ভোট প্রদানের মাধ্যমে ধাপে ধাপে এই প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়। সুতরাং এটি যে আরও উত্তম পন্থা তা বলার অপেক্ষা রাখেনা।

        রাজতন্ত্রের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। এটি একটি জাহেলি ব্যবস্থা। সুতরাং য়খন যেখানে এই জুলুমবাজ ব্যবস্থা চর্চা করা হবে, তখন সেই ব্যবস্থাকে উৎখাত করার জন্য সহিংসতা ও বন্দুকের নল ছাড়া বিকল্প রাস্তা থাকতে পারেনা।
        ধন্যবাদ-

        1. 3.1.1.1
          মহিউদ্দিন

          রাজতন্ত্রের সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই। এটি একটি জাহেলি ব্যবস্থা। 

          এই কথাটা মানুষকে বুঝাতে হলেও তো গণতান্ত্রিক পরিবেশের প্রয়োজন। গণতন্ত্র শুধু ভোট দেয়ার অধিকারকেই বুঝায় না তার সাথে আরো অনেক কিছুর প্রয়োজন। তা না হলে  গণতান্ত্রিক উপায়ে ভুলে কোন ফ্যসিষ্ট মানসিকতার দলকে ক্ষমতায় বসায়ে দিলে সে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিতে পারে হাজারো ছুতায় বা অজুহাতে। মানুষকে শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক পরিবেশে ইসলাম বুঝানো যত সহজ ততটা অগণতান্ত্রিক ও সহিংস পরিবেশে সম্ভব নয়। এ জন্য দেখা যায় হুদাইবিয়ার সন্ধির পর ইসলামকে মানুষের কাছে প্রচার করা অনেক বেশী সহজ হয়েছিল। আমি আপনার সাথে একমত যে ইসলামি রাষ্ট্রের  ইসলামি শুরার মাধ্যমে জ্ঞানী ও বিচক্ষণ উলিল-আমরগণের  ভোট প্রদানের মাধ্যমে খলিফা নির্ধারণ প্রক্রিয়াটি আরও উত্তম পন্থা। তবে প্রাসঙ্গিক বাস্তবতা মানিয়ে চলার ইসলামের অসাধারণ ইজতেহাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করে গণতন্ত্র মুসলিম সমাজে চালু করতে হবে এবং দরকারমত  এই ব্যবস্থাকে ইসলামী ফ্লেবার দিয়ে আরো উন্নত করা যেতে পারে। 

        2. sotto

          আমিও আপনার সাথে একমত যে, গণতন্ত্রের বেশ কিছু ভাল দিক রয়েছে। সম্ভবত আপনি ইসলামি সমাজে গণতন্ত্রের সেই ভাল দিকগুলো চর্চার কথাই বলছেন।

          স্রষ্টা প্রদত্ত ইসলামি সমাজব্যবস্থার প্রকৃত বাস্তবায়ন হলে সেই সমাজে জনহিতকর নীতি ও অধিকারগুলো আপনা থেকেই বাস্তবায়িত হয়ে যেতে বাধ্য। এর জন্য অন্য কোন তন্ত্রের দ্বারস্থ হবার প্রয়োজন আছে বলে আমার মনে হয়না। আসলে আমরা এমন একটা সমাজে বাস করছি যে, সেখানে সঠিকভাবে ইসলামকে বোঝার চেষ্টা করার আগেই সেই সমাজে বিরাজিত তন্ত্র ও প্রথাগুলো দ্বারা আমাদের মন-মগজ বেশ খানিকটা হলেও ধোলাই হয়ে যায় এবং এটা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। এই অবস্থা থেকে অন্তত আমাদের মন-মগজকে যতটা পারা যায় মুক্ত রেখে ইসলামের মৌল নীতিকে আত্মস্থ ও চর্চা করার প্রয়াস নিতে হবে। তাহলেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ। কারণ ইসলাম স্বয়ংসম্পূর্ণ। তাই অনৈসলামিক সমাজের নুন খেয়ে ও গুণ গেয়ে প্রকৃত ইসলাম কায়েমের স্বপ্ন দেখা বোধ ঠিক হবেনা।     
          ধন্যবাদ-

  21. 2
    sotto

    “ইসলামি খিলাফত” প্রতিষ্ঠা করতে হলে জিহাদ ও কিতাল অর্থাৎ যুদ্ধ করার প্রয়োজন হতেই পারে। খিলাফতকে যারা মানবে না- তাদের সাথে যুদ্ধ অথবা সন্ধি করা ছাড়া অন্য কোন পথ খোলা থাকেনা। আর যুদ্ধ মানেই সেখানে নিষ্ঠুরতা থাকতেই পারে। কিন্তু যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হচ্ছে কিনা তা অবশ্যই খতিয়ে দেখতে হবে। এ বিষয়ে পশ্চিমা মিডিয়ার কাছ থেকে সঠিক খবর পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই শুধুমাত্র তাদের তথ্যের উপর নির্ভর করা উচিত হবে না।

    মুসলিম নামধারী হলে তাদের সাথে যুদ্ধ করা ঠিক হবেনা- এরূপ ভাবাও সঠিক নয়। সর্বোপরি আবু বক্কর বাগদাদির খিলাফত কোরআন ও সুন্নাহর মৌল নীতি অনুসারে পরিচালিত হচ্ছে কিনা সেটাই বিবেচ্য বিষয়। তিনি কি ইতিমধ্যে এরূপ কোন ঘোষণা বা পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত জনসমক্ষে জানিয়েছেন?
    পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ-

    1. 2.1
      মহিউদ্দিন

      ইরাকের IS নেতা বাগদাদির খিলাফতের ঘোষনা শরিয়ত সম্মত নয় বলে ইতিমধ্যে শেখ কারজাভি সহ  প্রখ্যাত  ইসলামী স্কলারদের বক্তব্য এসেছে।  উল্লেখ্য, গত রবিবারের পর থেকে নেতৃস্থানীয় অনেক মুসলিম পণ্ডিতই আইএসের খিলাফত ঘোষণার নিন্দা জানিয়েছেন।

      1. 2.1.1
        sotto

        শ্রদ্ধেয় শেখ কারজাভি সহ  প্রখ্যাত  ইসলামী স্কলারগণ নিঃসন্দেহে ইসলামি জ্ঞানী ব্যক্তিত্ব এবং জ্ঞান বিতরণ ও ফতোয়ার জগতে তাদের অবদান অনস্বীকার্য।
        কিন্তু তারা ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য কোন পদ্ধতি অবলম্বনে বিশ্বাসী- তা কি আপনি জানেন? জানা থাকলে অনুগ্রহ করে জানাবেন।
        তারা কি নির্যাতিত নিপীড়িত মুসলিমদের পক্ষে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন? কিংবা ইসলামি খিলাফত প্রতিষ্ঠার জন্য সক্রিয়ভাবে কোন ভূমিকা রেখেছেন বা রাখছেন?
        ধন্যবাদ-

    2. 2.2

      এ বিষয়ে পশ্চিমা মিডিয়ার কাছ থেকে সঠিক খবর পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই শুধুমাত্র তাদের তথ্যের উপর নির্ভর করা উচিত হবে না।

      ——————————————————————————————————————————

      দুনিয়ায় খালি পশ্মিমা মিডিয়াই আছে !! আর কোন সংবাদ মাধ্যম নাই ।। অন্য সংবাদ মাধ্যমগুলোতেও একটু খোজ নিয়া দেখেন ।সবগুলোতেই তো কুকৃর্তির  কথা কম বেশি আসছে।।

      দুই দিন আগেই না মসজিদের ভিতরে বোমা মেরে নামাজরত লোকগুলোকে  হত্যা করলো । কথায় আছে না, ঘুমন্ত মানুষের ঘুম ভাঙ্গানো যায়, আর যারা জেগে জেগে ঘুমের ভান করে, তাদের ঘুম ভাঙ্গানো যায় না।

      ———————————————————————————————————————————-

       

  22. 1
    কিংশুক

    shia der jodi hotter hukum thakto tahole tabaen tabe tabaen ra oei somoy sob shia hotta kore felto. rasul pbuh somoy kafir der sather juddo o judder ritiniti mene hoachilo. ISIS barabari korche.

    1. 1.1
      মহিউদ্দিন

      পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

      ~"ইসলামের ইতিহাসে সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদ: একটি পর্যালোচনা" শীর্ষক অত্যন্ত জ্ঞানগর্ভ একটি নিবন্ধ লিখেছেন ড: খোন্দকার আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর যা পড়ার জন্য সম্মানিত পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। 

      http://songlapblog.com/6713

       

Leave a Reply

Your email address will not be published.