«

»

Aug ০৮

গাজার যুদ্ধে আসলে জিতল কে?

 ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনে ইসরাইলি সেনাবাহিনী (আই ডি এফ) না হামাস জয়ী হল এ নিয়ে রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকেরা মতা মত দিতে শুরু করেছেন।

ইসরাইলের প্রভাবশালী দৈনিক হারেৎজ পরিচালিত এক জরিপে প্রশ্ন ছিল "তিন দিনের অস্ত্রবিরতির মধ্যদিয়ে দৃশ্যত: শেষ হওয়া গাজায় শেষ হওয়া অপরাশেন প্রটেক্টিভ এজ-কে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?"- এমন প্রশ্নে ৫১ ভাগ ইসরাইলি মনে করে, এতে ইসরাইল কিংবা হামাস কেউ জয়ী হয়নি। তবে ৩৬ ভাগ মনে করে ইসরাইল জিতেছে।
টানেল ধ্বংস, আধিপত্য ধরে রাখা এবং হামাসকে কাবু করার ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ঘোষণা কতটুকু অর্জিত হয়েছে এমন প্রশ্নও করা হয়। এতে ৫৬ ভাগ ইসরাইলি মনে করে, আংশিক অর্জিত হয়েছে। ২৬ ভাগ মনে করে পুরোপুরি অর্জিত হয়েছে আর ১৩ ভাগ মনে করে অর্জিত হয়নি।
জরিপ এই যুদ্ধে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, প্রতিরক্ষামন্ত্রী মোশে ইয়ালুন এবং সেনাপ্রধান বেনি গানৎজের কাজের মূল্যায়নও জানতে চাওয়ায় হয়।

এতে ৩৩ ভাগ ইসরাইলি মনে করে নেতানিয়াহু চমৎকারভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। আর ৩৩ ভাগ মনে করে ভালোভাবেই দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেলায় প্রায় একই মনোভাব। অবশ্য সেনাপ্রধান চমৎকারভাবে দায়িত্ব  সামলেছেন মনে করে ৫৩ ভাগ ইসরাইলি।


হামাসের  তৈরি  সুরঙ্গে এক ইসরাইলি সৈন্য এরকম অসংখ্য সুরঙ্গ পথ গাজার প্রতিরক্ষার জন্য হামাস তৈরি করেছে যার সবটিতে ইসরাইলি সৈন্য যেতে পারেনি। 

প্রসঙ্গত, ইসরাইলি হামলায় গাজায় প্রায় ২০০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে বেসামরিক লোক ৭৯ ভাগ। আর হামাস যোদ্ধা ২৯৯ জন, শিশু ৪২৬ জন এবং নারী ২৫৫ জন। আহত হয়েছে ১০ হাজারের বেশি। বাস্তুচ্যুত হয়েছে পাঁচ লাখ ফিলিস্তিনি।

ইসরাইলের ক্ষতি
যুদ্ধ চলাকালে এবার ৬৪ ইসরাইলি সেনা নিহত এবং ৪০০ এর বেশি সেনা আহত হয়েছে বলে স্বীকার করেছে ইসরাইল। এছাড়া ৩ জন বেসামরিক ইসরাইলি মারা গেছে। এবারের আগ্রাসনে ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রায় ২০০ কোটি ডলার বা প্রায় ১৬০০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির কর কর্তৃপক্ষের প্রধান মোশে আশার। 

বিজয়ী গাজাবাসীর
গাজায় যুদ্ধবিরতি হামাসের বিজয় হিসাবে আরব বিশ্বের মূল্যায়ন হচ্ছে, তারা হামাসের সাফল্যে গর্বিত। এবারের ইসরাইলি আগ্রাসনের শুরু থেকেই হামাসের কাতার তার জনপ্রিয় আল জাজিরা চ্যানেলের হামাসের পৃষ্ঠপোষক ও সমর্থন করে গেছে। আল জাজিরার রিপোর্টার ও উপস্থাপকরা সামাজিক গণমাধ্যমেও হামাসের পক্ষে তাদের অবস্থানের জানান দিয়েছেন। সে চ্যানেলটির ‘উইদাউট বর্ডার’ প্রোগ্রামের উপস্থাপক আহমেদ মানসুর গত ৯ জুলাই ফেসবুকে লিখেছেন, ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামাস যেভাবে রুখে দাঁড়িয়েছে তাতে আরব জাহানের অনেকেই গর্ববোধ করেন।
মানসুর লিখেছেন, ‘ মিশরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি ও তার সরকার গাজা অবরুদ্ধ করে রাখার পরও ইসরাইলের গভীরে তেল আবিব, জেরুজালেম ও হাইফায় ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের রকেট হামলায় ইসরাইল নির্বোধ ও হতবুদ্ধি হয়ে গিয়েছে।’
‘(হামাস) যোদ্ধাদের হাতে যদি অস্ত্র থাকত এবং তারাও স্তব্ধ ইসরাইলি কাপুরুষের মত আঘাত করতেন তাহলে ইসরাইলিদেরও হয়তো আশ্রয় শিবিরে ঠাঁই হতো অথবা দেশ ছেড়ে পালাতে হতো,’ গর্ব করেই লিখেছেন মানসুর। লেবাননের হেজবুল্লাহ ও ইরান জোটের সমর্থক দৈনিক পত্রিকা আল আখবারের শিরোনাম ছিল আল জাজিরার মতই- বিজয়ী গাজা (গাজা ট্রায়াম্ফান্ট)।

"অবরুদ্ধ গাজার নিরীহ নারী ও শিশুদেরকে যে নৃশংসভাবে হত্যা করা হচ্ছে তার বিরুদ্ধে হামাস যে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে এ বিষয়ে ফিলিস্তিনের এবং হামাসের পক্ষে কলম তুলে ধরার ব্যাপারটি শুধু মমত্ববোধের বিষয় নয়, তবে নিঃসন্দেহে একটা নির্যাতিত জনগোষ্ঠীর প্রতি আমাদের মমত্ববোধ থাকতেই হবে। এছাড়া হামাস যে প্রতিরোধ আন্দোলন করছে জায়ানবাদি ইসরাইলের বিরুদ্ধে সেটি হচ্ছে ‘সেটলার কলোনিয়ালিজম’র বিরুদ্ধে। ‘সেটলার কলোনিয়ালিজম’ এটা আসলে একটি বিশেষ ধরনের ‘কলোনিয়ালিজম’ সাম্রাজ্যবাদী যুগে আমরা দেখছি।" বলেছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কলামিস্ট ফরহাদ মজহার।
গাজা আসলেই একটি কারাগার। ইসরাইল ফিলিস্তিনদের ভূমি অবৈধ দখল করে যেভাবে গাজাকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে এবং মিশরে যাওয়ার একমাত্র বর্ডার পোষ্ট রাফাকেও মিশরের সামরিক সরকার বন্ধ করে দেওয়ায় এখানকার জনগণের কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। এ অবস্থায় সেখানে হামাস যে প্রতিরোধ সংগ্রাম করছে- সুড়ঙ্গ করে, গর্তকরে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়ে; তা নি:সন্দেহে মানব ইতিহাসে নির্যাতিত জনগণের এ ধরনের সংগ্রাম একটি অনুপম উদাহরণ হয়ে থাকবে চিরদিন। 


টানেলে আটকা পরা আল কাসসাম ব্রিগেডের ২৩ জন এলিট ফোর্সের মুজাহিদ অবশেষে অক্ষত অবস্থায় ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছে

জায়নিস্টরা ইহুদিধর্মাবলম্বী হিসেবে পরিচয় দিলেও তারা মোটেও অতি ধার্মিক নয় কেউই। জায়নিস্টদের অধিকাংশই সত্যিকারার্থে নাস্তিক এবং চরম মেটেরিয়েলিষ্ট তথা বস্তুবাদী। কিন্তু তারা ইহুদীবাদ বা ধর্মীয় জাতীয়তাবাদকে ব্যবহার করছে মূলত একটা ‘সেটেলার কলোনিয়ালিজম’"(Settler colonism) স্থাপনের জন্য। এ বিষয়টি খুবই পরিষ্কার করে তুলে ধরেছেন কলামিস্ট ফরহাদ মজহার:
"সেটলার কলোনিয়ালিজম কিন্তু প্রথাগত কলোনিয়ালিজম অপেক্ষা চরিত্রগত দিক থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। উপনিবেশিক ইংরেজ আমলকে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন উপনিবেশিক শক্তি বাইরে থেকে আমাদেরকে শোষণ করেছে, শাসন ও লুণ্ঠন করেছে। তারা নানাভাবে আমাদেরকে নির্যাতন করেছে। কিন্তু তারা এদেশে এসে বসতি স্থাপন করে কাউকে উৎখাত করেনি।
‘সেটলার কলোনিয়ালিজমে’র অত্যন্ত ভালো উদাহরণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আমেরিকা এবং অস্ট্রেলিয়া। অর্থাৎ আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের সাদা মানুষেরা সেখানে গিয়ে সেটেল করেছে এবং সেখানকার স্থানীয় অধিবাসীদের তারা উৎখাত করেছে। আর তাদের অত্যাচারে বহুজাতি ধ্বংস হয়ে গেছে। বহু জনগোষ্ঠী নিঃশেষ হয়ে গেছে এবং যারা জীবিত আছে তাদেরকে সেটেলার কলোনিয়ালিস্টরা রিজার্ভ করে রেখে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে বা অস্ট্রেলিয়াতে গেলে দেখতে পাবেন সেখানকার আদিবাসী যারা তাদের রিজার্ভ করে রেখেছে।

আজকে রেড ইন্ডিয়ানদের কথা বলুন বা আফ্রিকার কিছু অধিবাসীদের কথা বলুন- তারা কিন্তু সেখানে নেই। সেখানে যারা আছে তারা সকলেই বিদেশি। বাইরে থেকে এসে তারা মহাদেশ দখল করে নিয়েছে। এটাই ‘সেটলার কলোনিয়ালিজমে’র অত্যন্ত ভয়াবহ এবং নির্মম দিক। অবরুদ্ধ গাজাতে যখন হামাস লড়াই করছে তখন তারা আমাদেরকে মনে করিয়ে দিচ্ছে দীর্ঘ মানব ইতিহাসে ‘সেটলার কলোনিয়ালিস্ট’রা কিভাবে জায়গা দখল করেছে! তারা কিভাবে বিভিন্ন সভ্যতাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। আর সেদিক থেকে হামাসের এই সংগ্রাম ঐতিহাসিকভাবে, নৈতিকতার দিক থেকে, রাজনীতি এমনকি সাংস্কৃতিক দিক থেকে অসম সংগ্রাম। বাংলাদেশের মানুষ যারা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশটাকে স্বাধীন করেছে তাদেরকে হামাসের প্রতিরোধ যুদ্ধের এ বিষয়টি মনে করিয়ে দেয়া দরকার।

যখনই কোনো লড়াইয়ের প্রশ্ন আসে তখন মুসলিম বনাম ইহুদি এই দুয়ের মধ্যে রিডিউস করে ফেলা হয়। ইহুদিদের নিয়ে আমার কোনো বক্তব্য নেই। ইহুদিরা হযরত মুসা (আ.) এর অনুসারী। ইহুদি এবং জায়নিজম সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। এ দুয়ের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই। বহু ইহুদি আছে যারা জায়ানিজমের বিরুদ্ধে। যেমন ধরুন আব্রাম নোয়াম চমস্কি, থিঙ্কেল স্টাইন। তারা সুস্পষ্টভাবে জায়ানিজমের বিরুদ্ধে। অন্যদিকে জায়ানিজমের পক্ষে যারা তাদের অধিকাংশই ইহুদি নয়।"

কলামিস্ট জেফরি গোল্ডবার্জ Jeffrey Goldberg) লিখেছেন, "In a fight between a state actor and a non-state actor, the non-state actor can win merely by surviving. The party with tanks and planes is expected to win; the non-state group merely has to stay alive in order to declare victory."  অর্থাৎ  রাষ্ট্রীয় সামরিক শক্তি সঙ্গে অরাষ্ট্রীয় জন নায়কদের যুদ্ধে,  জনতার নায়কেরা শুধু মাত্র বেঁচে থেকেই যুদ্ধে জয়ী হতে পারে। বিরাট অস্ত্রশস্ত্রে বলীয়ান রাষ্ট্র পক্ষের ধ্বংস যজ্ঞের মাধ্যামে জয়ী হওয়ার বাসনার মোকাবেলায় শুধু বেঁচে থাকতে পারলেই অরাষ্ট্রীয় জনতা নিজেদেরকে বিজয় ঘোষণা দিতে পারবে।" 

 

 Disasters Emergency Committee (DEC)


Ref:
Hamas vs. Israel: winning the diplomatic game | Al Jazeera
Why Is Israel Losing a War It's Winning? – The Atlantic

১৩ comments

Skip to comment form

  1. 7
    মহিউদ্দিন

    প্রথমেই আমরা দেখলাম হামলা শুরুর পর থেকেই ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী বেঞ্চামিন নেতানিয়াহুর হুংকার। বিমান হামলা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি স্থল ও জলসীমা থেকে গাজায় হামলা জোরদারের কথা বলছিলেন তিনি বিশ্ব জনমতকে তোয়াক্কা না করে।

    গাজায় বেসামরিক নাগরিক বিশেষ করে কোমলমতি শিশু ও নারীদের রক্তাক্ত লাশের মিছিল দেখে যখন বিশ্ব বিবেক হাহাকার করে উঠলো তখনও ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রীর চোখ রাঙানি এতটুকু থামেনি।

    এমনকি বিশ্বের প্রতিটি বিবেকবান মানুষ দেখেছেন কিভাবে গাজায় নারকীয় তান্ডবের দৃশ্য পার্শ্ববর্তী পাহাড়ে আরাম কেদারায় বসে কোমল পানীয় খেতে খেতে উপভোগ করেছেন ইসরাইলের নাগরিকরা। এরইমধ্যে ইসরাইলের এক নারী সংসদ সদস্যসহ একাধিক যায়নবাদী ইহুদী ফিলিস্তিনের প্রতিটি মাকে জবাই করারও হুমকি দিয়েছেন। তারা ফিলিস্তিনের ছোট ছোট শিশুদেরকে বেড়ে উঠা সাপের সাথে তুলনা করেছেন। ইসরাইলের বোমায় নিহত ফিলিস্তিনের নাগরিকরা জাহান্নামে গিয়েছে এমনও মন্তব্য করেছেন যায়নবাদী ইসরাইলীরা।

    পরবর্তীতে আমরা দেখলাম শত প্রতিকূলতার মধ্যেও পাহাড়সম মনোবল আর ঈমানী তেজে বলীয়ান ফিলিস্তিনের ইসলামী প্রতিরোধ যোদ্ধা হামাস মাত্র ৫০০ থেকে ৬০০ ডলার খরচে তাদের নিজস্ব তৈরি রকেট দিয়ে একের পর এক প্রতিরোধ গড়ে তুলছে ইসরাইলী আগ্রাসনের বিরুদ্ধে।

    গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, হামাসের এ রকম এক একটি রকেট আকাশে থাকতেই ধ্বংস করে দিতে ইসরাইল যে ‘আয়রন ডোম’ ক্ষেপনাস্ত্র ব্যবহার করছে তার প্রতিটি তৈরিতে খরচ হয় এক লাখ ডলারেরও বেশি। কিন্তু তাতেও খুব একটা সফলতার মুখ দেখতে পারছিল না ইসরাইলি সরকার। এদিকে ডোমের মজুদও শেষের দিকে চলে যাওয়ায় এই আমেরিকান প্রযুক্তির ডোমের পরিবর্তে ইসরাইল নিজস্ব তৈরি রকেট ধ্বংসকারী মিসাইল ব্যবহার করতে শুরু করে। কিন্তু তাতেও ইসরাইলের খরচ হচ্ছে প্রতি রকেটের বিপরীতে প্রায় ৫০ হাজার ডলার। অর্থাৎ ৫০০ ডলার বিপরীতে ইসরাইলের খরচ প্রায় ৫০ হাজার ডলার।

    এদিকে, স্থল অভিযানে নেমে হামাসের হাতে যখন একের পর এক ইসরাইলি ট্যাংক ধ্বংস (২২ জুলাই পর্যন্ত ৬টি) হচ্ছিল, নিহত হচ্ছিল ইসরাইলি সৈন্য (ইসরাইলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ২৭ এবং হামাসের দেয়া হিসেব ২২ জুলাই পর্যন্ত ৪২) এবং আহত হচ্ছিল আরও অনেক ইসরাইলী সৈন্য, তখনই শান্তিচুক্তি নিয়ে শুরু হয়ে গেল জাতিসংঘসহ বিশ্ব মোড়লদের দৌড়ঝাপ। শেষ পর্যন্ত ইসরাইলি এক সৈন্যকে আটক করে হামাস নিয়ে যাওয়ায় ইসরাইলের যেন মাথা খারাপ হয়ে যায়।

    অপরদিকে, হামাসের শক্ত প্রতিরোধের মুখে পুরোপুরি নাস্তনাবুদ হওয়ার আগেই যুদ্ধবিরতিতে যেতে মরিয়া হয়ে পড়ে ইসরাইল। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জনকেরি ও জাতিসংঘ মহাসচিব বানকী মুনসহ বিশ্ব মোড়লরা যেন ছুটাছুটি শুরে করে দিলেন। যদিও ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতাহিয়াহু এখনও বলছেন গাজায় হামলা অব্যাহত থাকবে। তবে, এটা স্রেফ লোক দেখানো হুংকার এবং তার গলা যে শুকিয়ে গেছে তা তার কথাতেই বোঝা যায়। ভয় না পেলে ওবামা, জন কেরি ও বানকি মুনদের দিয়ে ওভাবে যুদ্ধ বন্ধে হামাসকে চাপ দিতেন না।

    সবচেয়ে মজার বিষয়টি হলো খোদ ইসরাইলের রাজধানী তেলআবিবে বিক্ষোভ হলো গাজায় আগ্রাসন বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার দাবিতে। এতদিনে গাজায় নিরীহ শিশু ও মায়েদের রক্তের হলিখেলা দেখে যারা হাততালি দিচ্ছিলেন, পাহাড়ের চূড়ায় বসে পরম তৃপ্তিতে হত্যাযজ্ঞ দেখে হায়েনার হাসি হেসেছিলেন, তারাই এখন বিক্ষোভ করছেন। সত্যি অবাক হওয়ার মতো বিষয়। সেখানে বিক্ষোভ থামাতে ইসরাইলের পুলিশকেও তৎপর হতে দেখা গেছে।
    সুত্র: ইন্টারনেট , timenewsbd.com

  2. 6
    মাহফুজ

    ইসরাইলী ইহুদী পণ্যের লিস্ট দেখে নিন-

    ইহুদী পণ্য বর্জনের সাথে সাথে তার বিকল্প পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে।

  3. 5
    মাহফুজ

    Volunteers from Bangladesh fighting with Palestinians in Beirut, Lebanon 1982. (Photo: Magnum Photos-Chris Steele Perkins)

    A photograph and a grave. These are two relics of a time, now mostly forgotten, of when thousands of Bangladeshis came to Lebanon in the 1980s as volunteers and fighters for the Palestinian cause. They were no less important in the struggle for Palestinian liberation than others, and their stories deserve to be remembered.

    Kamal Mustafa Ali: the ‘heroic martyr’

    On the outskirts of the Shatila Palestinian refugee camp in southern Beirut is the Palestinian Martyr Cemetery, where those who perished struggling for the Palestinian cause lay. Among the many tombstones of Palestinians who have died since the 1970s, those of a few foreigners can be spotted. A few Iraqis, Syrians, Lebanese, Tunisians, a Russian, a Kurd, and also one of a Bangladeshi man named Kamal Mustafa Ali.

  4. 4
    মহিউদ্দিন

    অশেষ ধন্যবাদ এ তথ্যগুলা শেয়ার করার জন্য।

    অবশ্য অনেকের কাছে এগুলা  বোরিং লাগলেও যারা সত্যিকার সুন্দর মনের অধিকারী কিংবা মানবতার জন্য দরদ আছে তারা নিশ্চয় তথ্যগুলা জানতে চাইবেন।  

    Does the term ‘apartheid’ fit Israel? Of course it does. -- See more at: 

    http://www.bdsmovement.net/2014/does-the-term-apartheid-fit-israel-of-course-it-does-12107

     

  5. 3
    সুন্দর জীবনের স্বপ্ন

    হামাস ও ইসরাইলের গাজা গণহত্যা নিয়ে কয়েকটি লিঙ্ক

    # প্রথম লিঙ্ক:
    হামাস নেতা ওসামা হামদানের একটি সাক্ষাতকার প্রকাশিত হয়েছে আল জাযিরাতে। অনেক কিছু জানার মতন আছে এতে, বিশেষ করে হামাসের বলিষ্ঠ ও অবিচল লক্ষ্য। অভিশপ্ত ইয়াহুদিরা সবসময়েই চুক্তি লঙ্ঘন করতো, যতবারই তারা চুক্তি করে, ততবারই লঙ্ঘন করে। ওদের এইসব ফানি চুক্তি নাটক হামাস মোটেই বিশ্বাস করে না।

    যতক্ষণ না পর্যন্ত তারা গাজা ছেড়ে দিচ্ছে এবং জেরুজালেমকে রাজধানী করে ফিলিস্তিন রাস্ট্রের উপরে অবৈধ দখল না ছাড়ছে, হামাস তাদের বিরুদ্ধে মুক্তি সংগ্রাম করেই যাবে। আল্লাহ সকল মুজাহিদিনকে হেফাজত করুন এবং তাদের বিজয় দান করুন।

    @ http://www.aljazeera.com/news/middleeast/2014/07/hamas-leader-israelis-are-playing-games-201472685657718753.html

    # দ্বিতীয় লিঙ্ক:
    আলজাজিরা এরাবিক প্রথমে 'ম্যসাকার এট ডন' নামে এই অনুষ্ঠান প্রচার করে। পরে আলজাজিরা ইংলিশ এটার ইংরেজি ভার্সন তৈরি করেছে। সম্প্রতি ইসরাইল ফিলিস্তিনের Shujayea শহরে যে ম্যাসাকার করেছে এ ডকুমেন্টারিতে এর ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেদিন সকালে হামলার এক্সক্লুসিভ সব ফুটেজ রয়েছে এ ডকুমেন্টারিতে। এক কথায় ভয়াবহ!

    @ http://www.aljazeera.com/programmes/specialseries/2014/2014/07/shujayea-massacre-at-dawn-201472621348901563.html

    # তৃতীয় লিঙ্ক:
    বিবিসির সাথে হামাস নেতা খালিদ মিশালের একটি এক্সক্লুসিভ ইন্টারভিউ প্রকাশিত হয়েছে।

    @ http://www.bbc.co.uk/programmes/p023kld8

    [২৭ জুলাই, ২০১৪]
     

    ইসরাইলকে বয়কটের আন্দোলন
    Posted: 27 Jul 2014 02:39 AM PDT
    বিগত কিছুদিন যাবত গাজায় ইসরাইলের গণহত্যা শুরু হবার পর থেকে অনলাইনে অফলাইনে ইসরাইলকে বয়কট সংক্রান্ত অনেক কিছু পড়েছি যার সত্যতা নিয়ে সন্দিহান ছিলাম। অনেক কোম্পানিই ইসরাইলে অর্থায়ন করে কিন্তু তাদের অথেনটিক একটি তালিকা অন্তত দরকার। এসব খোঁজাখুঁজিতে গিয়ে জানলাম বিডিএস মুভমেন্ট সম্পর্কে…

    BDS Movement হলো বিশ্বজুড়ে ফিলিস্তিনিদের একটি সংগঠিত আন্দোলন। বিডিএস মুভমেন্ট সত্যিকারের বয়কট, ডাইভেস্টমেন্ট ও স্যাংকশনের মাধ্যমে ইসরাইলকে জবাব দেয়ার জন্য শুরু হয়। এখন পর্যন্ত তারা বেশ সংগঠিত উপায়ে কাজ করে যাচ্ছে।

    # ইসরাইলকে অর্থায়ন করা ৭টি কোম্পানির বিস্তারিত তথ্য নিয়ে একটি তালিকা:
    http://www.bdsmovement.net/2014/freedom-and-justice-for-gaza-boycott-action-against-7-complicit-companies-12386

    এগুলোর মাঝে বাংলাদেশের ভোক্তা হিসেবে পরিচিত পণ্যের মাঝে আপাতত হিউলেট প্যাকার্ড (এইচপি) HP কোম্পানিটিকে পেলাম পেলাম, এছাড়া গ্রুপ ফোর (G4S) সিকিউরিটি কোম্পানি বাংলাদেশেও কাজ করে।

    # BDS মুভমেন্টের ওয়েবসাইট: http://www.bdsmovement.net

     

    1. 3.1
      মহিউদ্দিন

      একটা জিনিস চিন্তা করেন হামাস মিসাইল তৈরী করতে পারে ২০ ডলারে (মেইড ইন প্যলস্টাইন) আর ইসরাইল তা রুখতে ব্যবহার করতে হয় আমেরিকান টেকনলজি যার খরচ প্রচুর । কমপক্ষে একবার আকাশে উড়তে খরচ হয় ১ লাখ ডলার। ।অর্থাৎ যখনই একটি মিসাইল ইসরাইল অভিমুখে ছুটে  তখন তাকে নষ্ট করতে লাখ ডলার ফিনিস।  সে জন্য ইসরাইল নিজে থেকেই যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব দিয়েছে। যুদ্ধ যত বেশী দিন চলবে ইসরাইল তত লুজার। এটা ইসরাইল ভাল করে জানে। এবারের যুদ্ধে একটা জিনিস ক্লিয়ার হল তেল সম্পদের অধিকারী গাল্ফ স্টেইটের রাজা বাদশারা জালিমের পক্ষে না মুজলিমের পক্ষে। কে আসলে সত্যিকার মুসলিম ও কে নকল মানুষ বুঝতে পেরেছে। সামাজিক মিডিয়ার বদৌলতে সারা দুনিয়ার শান্তিকামী মানুষ ইসরাইলকে ঘৃণা করছে তা প্রকাশ হয়েছে এবং আয়েসী আমির রাজা বাদশাদেরকে ধিক্কার দিয়েছে!

  6. 2
    এম_আহমদ

    মহি ভাই, ইসরাইলের জায়নিস্ট কুকুরগুলো প্রায় ৬ দশক ধরে ফিলিস্তিন দখল করে হত্যা, নির্যাতন, দখলদারি, বাড়িঘর থেকে বহিষ্কার, তারপর ফিলিস্তিনীদের জমিতে নিজেদের ঘরবাড়ি তৈরি -এগুলো চালিয়ে যাচ্ছে। আর তাদের সাথে আরও কিছু ঘিলুহীন কুকুর আছে যারা নিছক ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষের কারণে ইসরাইলের সমর্থক। এবারে কুকুরগুলো যে হিংস্র, বর্বর, হত্যাকাণ্ড চালিয়েছে তার প্রতিবাদ বিশ্বের প্রায় সব দেশেই হয়েছে, কোথাও বেশি, কোথাও কম। ‘মানুষ’ গাজার পক্ষে সংহতি জ্ঞাপন করেছে এবং ইসরাইলের চরম নিন্দা করেছে। ইউরোপ আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ লোক যারা জায়োনদের ধূর্তামি বুঝতে পেরেছে তারা তীব্র প্রতিবাদ করেছে। এসব প্রতিবাদ কেবল তারাই দেখেনি যারা অন্য কোনো ‘বিশ্বে’ বসবাস করে।   তবে ভারতের হিন্দুদের মধ্যে তেমন কিছু লক্ষ্য করিনি। কোথাও কিছু হয়ে থাকলে হয়ত আমার চোখে পড়েছি। অধিকন্তু মজার ব্যাপার হল ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দু এবং তথাকথিত ‘হিন্দু-নাস্তিকগুলো’ (!)  সব সময় জায়োনিষ্টদের রচিত ইসলাম বিদ্বেষী সাহিত্য-ভাণ্ডার ব্যবহার করে আসছে কেননা ওদের ঘিলুতে এর বাইরে তেমন নেই। এবারেও, আগের মতই, ফিলিস্তিনী মুসলিম প্রসঙ্গে ইসরাইলী প্রোপাগান্ডা ও কুযুক্তিই ধারণ করেছে। ইসরাইলের প্রতিরক্ষার অধিকার, আলোচনার দোহাই, হামাস জনগণকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার ইত্যাদি। সসিয়্যাল মিডিয়ায় ওদের কথাবার্তা লক্ষ্য করলেই দেখবেন ওরা ইসরাইলী বমি খাচ্ছে আর তা অন্যত্র গিয়ে আবার উদ্গিরণ করছে। কথার লেহানে দেখাতে চাচ্ছে ‘বক্তব্য’ বুঝি একান্ত তাদেরই!

    1. 2.1
      মহিউদ্দিন

      পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

      Just got an Twiter message from yvonneridley @yvonneridley 

      If Netanyahu doesn't think Israel has committed war crimes why is he asking the USA to bail them out?

      http://nypost.com/2014/08/06/netanyahu-asks-us-to-help-israel-avoid-war-crime-charges/

  7. 1
    Saptarshi (SC7)

    হেরেছে মানুষ জিতেছে অমানুষ।

    যারা নিরস্ত্র মানুষকে জেনে শুনে মারছে তারা অমানুষ , নিরস্ত্রকে ঢাল বানিয়ে বিপ্লব করছে তারাও অমানুষ।

    বেশি নয় চল্লিশ বছর আগেও বাঙ্গালী লড়েছে পাকিস্তানের সাথে -- মা বোনকে ঢাল বানিয়ে নয়।  নিরস্ত্র নিরপরাধ মানুষ মরেছে কিন্তু ঢাল হয়ে নয়।  

    এ যুদ্ধ প্যালেস্তাইনের স্বাধীনতার যুদ্ধ মেনে নিলে গোটা বিশ্ব আজ হামাসকেই সমর্থন করত।

    কিন্তু সেতো হচ্ছে না।

    মরছে মানুষ।

    মিশর বলছে হামাস গাজার  ভালো চায়।  কিন্তু রাস্তা খুলে রাখছে না।  এ কি সমর্থন ?

    রাজনৈতিক ভাবে অন্য দেশের সমর্থন আদায় করতে না পারলে স্বাধীনতা পাওয়া মুশকিল। জয় এক্ষেত্রে স্বাধীন হলেই তবে।

    1. 1.1
      মহিউদ্দিন

      ইসরাইলি জায়নিষ্ট অমানুষদের যুক্তি হচ্ছে হামাস নিরস্ত্র মানুষকে ঢাল বানিয়েছে। আপনার যুক্তিও তাই। এখানে যা বলেছেন তাতে নতুন কিছু নেই। আপনার মাথা আর চোখ ‘গোটা বিশ্ব’ বলতে কী দেখেছে আর বুঝেছে সেটা তো সহজেই দেখা যাচ্ছে। আপনার ‘বিশ্বে’ হামাসের স্বাধীনতা আন্দোলন ঠিক সেভাবেই যেভাবে ইসরাইল হামাসকে অভিযুক্ত করছে। এই যুক্তি সাধারণভাবে ইসরাইলপন্থি ভারতীয় হিন্দুদেরও। আপনার মন্তব্যে স্বকীয় কিছু নেই। আমেরিকার আর্থিক মদদ ও সমর্থনপুষ্ট মিশরের সিসি গাজায় রাস্তা না খোলাতে অস্বাভাবিক কিছু নেই। আপনি গাজার স্বাধীনতা আন্দোলন যেভাবে বুঝতে পারেননি তেমনি বাঙালীদের স্বাধীনতা আন্দোলনও বুঝতে পারেননি। মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে গঞ্জে অবস্থান নিয়ে এবং আত্মগোপন করেও গেরিলা যুদ্ধ করেছে –এটা আপনি জানেন না। হামাস নয় বরং ইসরাইলিরাই যে গাজার নিরস্ত্র মানুষকে অনেক স্থানে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং করেও যাচ্ছে সেটাও আপনি জানেন না বা ইসরাইলীদের মত সেটা মুখে আনবেন না। যাক, একটা কিছু বলার চেষ্টা করেছেন, এজন্য ধন্যবাদ।

    2. 1.2
      ফাতমী

      @Saptarshi ও মহিউদ্দিন,

      যদিও মহিউদ্দিন ভাইয়ের লেখাটা সামান্যও ভাল লাগেনি, কারণে যে যুদ্ধে শত শত শিশু মারা যায়, সে যুদ্ধের আবার জয়পরাজয় কি? কিন্তু আপনার লেখায় ইসরাঈলের যুক্তিই প্রকাশ করলেন। হামাসকে অমানুষ বলে আপনি দখলদার বাহিনীর পক্ষই নিলেন। ঐখানে কেউ কাউকে ঢাল বানায় নাই, গাজা হল ঘনবসতি পূর্ন রিফুউজী ক্যাম্প যা পৃথিবীর বৃহত্তম কারাগার, ঐখান থেকে এর বেশী কিছু করা সম্ভব নয়। গোটা বিশ্ব কখনই কোন কালেই সমর্থন দিবে না, তা আপনি যদি হিন্দুস্থান টাইমসের অফিসিয়াল ফেইযবুক পেইজে যান, গাজায় হামলার খবরগুলি যদি দেখেন, তাহলেই দেখতে পাবেন। কারণ তারা মুসলিম, শুধু এই কারণেই যেভাবে এবং যেভাষায় গাজার হামলার সমর্থন করে যায় হিন্দুস্থানবাসী, এতে অবাক হতে হয়। বর্তমান কালে সারা বিশ্বের একটা পরিষ্কার স্ট্যান্ড হলঃ- "যত পার মুসলিম মার, কেউ কিছু বলবে না, শুধু আমাদের স্বার্থে হাত দিও না"  

      এই যুদ্ধে মানবতা হেরেছে, এই যুদ্ধে ভাতৃত্ববোধ হেরেছে, হামাস-ইসরাঈল কৌশলগত কারণে জয়-পরাজয়ের দাবী করতেই পারে, কিন্তু জিতেছে মহিউদ্দীন সাহেবের মত যারা এত ক্ষতির পরও সুদূরে বসে হয়ত এয়ারকন্ডিশন রুমে থেকে বাংলা-ভাষায় জয়-পরাজয়ের হিসাব করছে।  তারা খবরের কাগজ পড়েন, আর চাতে চুমুক দেন, আর কে জিতল কে হারলো এই হিসাব কষেন, আর Saptarshi রা মানবতার কথা তুলেও কৌশলে দখলদারদের পক্ষেও বক্তব্যদেন।

       

      1. 1.2.1
        মহিউদ্দিন

        পাঠ ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ । 

        আসলে কেন হামাসকে অমানুষ বলছেন মি: Saptarshi সে ব্যাপারে উত্তম ব্যাখ্যা আপনি দিয়েছেন অবশ্য তার আগে আহমেদ ভাইও উপযুক্ত জবাব দিয়েছেন।

        আসলে Saptarshi যায়নিষ্টদের পক্ষ নিয়ে নিজেকেই অমানুষের কাতারে সামিল করেছেন। ওনি হামাসকে যে অপবাদ দিতে চান সে দুষের অপরাধী তো ইসরাইল। সম্প্রতি জাতিসংঘও এর সত্যতা প্রমাণ করেছে। অসহায় শিশু সন্তান ও নিরপরাধ মানুষকে হিউমেন শিল্ড ব্যবহারের জন্য ইসরাইলকেই জাতিসংঘ অভিযুক্ত করছে।রয়টার রিপোর্ট এখানে দেখেন >  Palestinian children tortured, used as shields by Israel: U.N.

         

         

        1. 1.2.1.1
          ফাতমী

          @মহিউদ্দিন,

          আপনি ধর্য ধরে আমার বক্তব্য শুনার জন্য, এবং বক্তব্য সামলে সুন্দর বক্তব্য দিবার জন্য অশেষ "ধন্যবাদ" এবং আমি নিজে দুঃখিত। 

          -যখন আপনার দেশ এখনো দখল গ্রস্থ এবং যোকোন সময় হামলা হতে পারে, এমন মুহুর্ত্বে বিজয় দাবী করা বোকামী এবং ভয়ংকরবাহির থেকে দাবী করা আরও বেশী ভয়ংকর। তাছাড়া, নিজের হাজারো মানুষ হারালে "জয়" বলে কোন শব্দ থাকে না। যা থাকে তা শুধু হল বেঁচে থাকা। সকল অন্যায় এবং অন্যায়কারীদের পরাজয় হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published.