«

»

Dec ১৬

না জানা ইতিহাসঃ কারা সেদিন পাকিস্তান সৃষ্টি করেছিলো? এবং শিয়া গাদ্দারদের অজানা ইতিহাস।

এই পোষ্টে সেদিন কেন শিয়ারা পাকিস্তান সৃষ্টি করেছিলো,যারা সেই সালাদিনের ক্রুসেড যুদ্ব হতে আজ অবধি মুসলিমদের পিঠে চুরি মেরে যাচ্ছে। তাই সংক্ষিপ্তভাবে এগার শতক হতে এপর্যন্ত শিয়াদের যুগে যুগে বিশ্বাসঘাতকতা তুলে ধরবো পোষ্টের প্রথমার্ধে, পরের অংশে থাকবে পাকিস্তানের ফাউন্ডিং ফাদারস এবং পাকিস্তানের সেনাপ্রধান গনের  দিয়ে। এই পোষ্টে শিয়াদের বিশ্বাস সম্পর্কিত লেখা হবেনা কলরব বাড়বে বলে।
ইউরোপের সম্মিলিত ফ্রান্স, জার্মান ও ব্রিটিশ সহ সকল ইউরোপিয়ানদের বিরুদ্বে লড়াই করে যাচ্ছেন নুরুদ্দিন জঙবি। সেই সময় মিশর ছিলো ফাটেমাইড এমপায়ার নামে ইসমাইলি শিয়াদের দখলে, এরা ছিলো তৎকালীন ক্রুসেডারদের দোসর। সুলতান সালাহউদ্দিন মিশরে গিয়েই ফাতেমিদের উৎখাত করে তাদের নেতা ইসমাইলি শিয়া মনসুর বিল্লাহকে নির্বাসনে পাঠান। সালাহউদ্দিন ফাতেমিদের উৎখাত করার পর এক ইসমাইলি শিয়া নাম তার হাসান ইবন সাবা, সে এক গুপ্তঘাতক বাহিনী গড়ে তুলে সালাদিনের বিরুদ্বে প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যে। হাসান ইবনে সাবা ক্রুসেডারদের অর্থ, অস্র ও সুন্দরী নারী দিয়ে তার গুপ্ত হত্যার কাজ চালায়। হত্যার সময় এরা ব্যবহার করতো, জামার নিচে লুকায়িত খঞ্জর, হাসিশ ও বিষ, সম্মোহন বিদ্যায় ও হাসান ইবনে সাবা ছিলো পটু। সালাহউদ্দিনের জেরুজালেম বিজয় পর্যন্ত যারা তার ইতিহাস পড়েছেন তারা জানেন যে অন্তত বিশ বার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে তাকে গুপ্ত হত্যা করার জন্যে, বরাবরই মহান আল্লাহর সাহায্যে সালাহউদ্দিন বেঁচে যান। আরবিতে হাসান ইবনে সাবার উপর একটা ডকু ও বানিয়েছে। ইংরেজী শব্দ Assassination ও এসেছে এই গুপ্তঘাতকের হাত ধরে। সালাহুদ্দিনকে হত্যা করতে না পারলেও তিনি যে নিজামুল মুলক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা ও সমরবিদ্যা অর্জন করেছেন, তার প্রতিষ্ঠাতা নিজামুল মুলককে হত্যা করেন এই সাবাহ।  এই গুপ্তঘাতকের কুৎসিত ইতিহাস থাকলেও ইরানি শিয়ারা আজো তাদের মাধ্যেমে হাসান ইবনে সাবাহকে গ্লোরিফাই করে নিউজ করে।  

ইসমাইলি শিয়াদের একটা গ্রুপের নাম কারমাতাইন। ৯৩০ সালে আব্বাসিয় খিলাফতের সময় মক্কা শরীফ আক্রমন করে এরা ।  এদের তখনকার লিডার ছিলেন আবু তাহের। হজ্জের মৌসুমে কাবা শরীফ তাওয়াফ রত মুসলিমদের উপর এরা আক্রমন চালিয়ে হাজীদের  হত্যা করে। পবিত্র কাবা শরীফ, কাবা শরীফের দরজা ভেঙ্গে তছনছ করে দেয়। লন্ডভন্ড করে দেয় জমজম কূপকেও। আবু তাহের ঐ সময় আকাশের দিকে তাকিয়ে আল্লাকে বলছে কোথায় তোমার আবাবিল পাখি, কোথায়? রক্তাক্ত লাশের সারি পবিত্র শরিফের চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিলো। এরা সেদিন ৩০ হাজার মুসলিমকে হত্যা করে মক্কায়। কাবা শরীফের হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর এরা ছিনতাই করে নিয়ে যায় তৎকালিন ওদের রাজ্য বর্তমান বাহরাইনে। ২১ বছর পর পর হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর উদ্বার করা হয় এদের কাছ হতে।  একটু ২১ বছর  হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর পবিত্র কাবা শরীফে ছিলোনা বা কাবার চারপাশে ছড়িয়ে চিটিয়ে থাকা ৩০ হাজার হাজীদের লাশ। এভাবে ইতিহাসের বাকে বাকে এই গ্রুপটা মুসলিমদের সাথে প্রতারনা করে।

মুসলিমদের স্বর্ণ যুগ খ্যাত বাগদাদের আব্বাসী খেলাফাত মোঙ্গলিয়ান হালাকু খান ধারা ধংস করেছেও এই শিয়ারা। ইবনে কাসীরের ইতিহাস গ্রন্হ আল-বিদায়া ওয়া আন-নিহায়া বিখ্যাত নির্ভরযোগ্য  ইতিহাস গ্রন্হ হিসেবে পরিচিত। সেই বইয়ে ইবনে কাসীর লিখেন, আব্বাসীয় খেলাফতের সর্বশেষ খলিফা মুতাসিম বিল্লাহর মন্ত্রীসভার এক মন্ত্রী যার নাম ইবনে আল আলকামি। সে ছিলো শিয়া দ্বাদশী, চরিত্রে চাটুকার স্বভাবের লোক। হালাকু খানকে সে চিঠি লিখে যে, এক শর্তেই আমি আপনাকে বাগদাদ দখলে সাহায্যে করতে প্রস্তুত যদি আপনি খলিফাকে সরিয়ে দেন। আল-আলকামির ষড়যন্ত্র দেখলে যে কারো আক্কেল গুড়ুম হওয়ার কথা। খলিফা মুতাসিম বিল্লাহ সুন্নি হলেও সে ছিলো কেয়ারলেস। আর আলকামি স্বপ্ন দেখতো খিলাফত ধংস করে ইরাকে শিয়া দেশ কায়েম করার। আল-কামি খলিফাকে বুঝায় যে আপনার এত সৈন্যের দরকার নাই, অযথায় বায়তুল মালের টাকায় এদের পুষছেন। আপনাকে আক্রমন করার হিম্মত কারোই নাই। এইসব বলে মুতাসিম বিল্লাহকে বুঝিয়ে ১৫ হাজার সৈন্য, ২০ হাজার  সৈন্য করে কমিয়ে কমিয়ে মাত্র ১০ হাজারে নিয়ে আসে খলিফার সৈন্যদের।  এবার আলকেমি আরেকটা চিঠি লিখে হালাকু খানের কাছে যে, বাগদাদে এখন মাত্র ১০ হাজারের মতো সৈন্য আছে। আপনি বাগদাদের উত্তর দিক হতে আক্রমন করবেন, আর আমি খলিফার সৈন্যদের পূর্ব ও দক্ষিন দিক হতে মোতায়েন করবো। হালাকু খান এবার আসে নাসিরুদ্দিন আত-তুসিকে সাথে করে, সে আরেক ইসমাইলি শিয়া এবং হালাকু খানের মন্ত্রীসভার সদস্য যাকে প্রশংসা করে বই লিখেছেন আয়াতুল্লাহ খোমেনী। শুরু হয় হালাকু খানের গনহত্যা। নারী, পুরুষ, বৃদ্বা, শিশু, বালক কেউই সেদিন রেহাই পাইনি। বর্শার আগায় শিশুকে মেরে গেঁথে উল্লাস করেছে তাতারীদের সৈন্যদল। শুধু হত্যা করা হয়নি ইহুদী, খ্রিষ্টান এবং যারা দালাল আলকামীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। বাগদাদের রাস্তায় সেদিন রক্তস্রোত বইয়ে দিয়েছে মুসলিমদের রক্তদিয়ে হালাকু খান। ২ মিলিয়নেরও বেশী মুসলিমকে হত্যা করা হয়।

লিস্টভার্স ইতিহাসের সর্বনিকৃষ্ট ১০ জন গাদ্দারের/দালালের লিস্ট করে, যার মধ্যে ১ নাম্বারে রাখে মীর জাফর কে। বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত কারি মীর জাফর ছিলেন একজন শিয়া, মীর জাফরের নাতি আরেক গাদ্দার মেজর জেনারেল ইস্কান্ধার আলি মির্জা ছিলেন ব্রিটিশদের গোলাম। ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতাকামীদের যে হত্যা করতো ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে থেকে, সেই পরবর্তীতে হয় পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
মইসুরের সিংহ টিপু সুলতানের সাথে গাদ্দারী করে তাকে ব্রিটিশদের কাছে হারিয়ে দেওয়া মীর সাদিক ও একজন শিয়া।

ইরান কন্ট্রা এ্যাফেয়ার নামক একটা অধ্যেয় আছে ১৯৮৬ সালের, ইরান গোপনে ইসরাইল হতে অস্র ক্রয় করতো। ইরান আমেরিকাকে সাহায্য করে আফগানিস্তান ও ইরাক আক্রমনের সময়, তখনকার ইরানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ খাতামির মুখ হতে

২০০৩ সালে ইরাক দখলের পর আমেরিকার বিরুদ্বে যুদ্ব না করার ফতোয়া দেন ইরাকে শিয়া সুপ্রিম লিডার সিস্তানি.  ইরাকে সুন্নি মুসলিমদের উপর এথিনিক ক্লিনসিং করা ডেথ স্কোয়াডগুলোর উপর এই ডকুমেন্টরী দেখুন। যারা ইরাককে ইরানের মতো সুন্নি মুক্ত করতে চায়।  

ব্রিটিশ আমলে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন আগা খান তৃতীয়। সে ইসমাইলি শিয়াদের ৪৮তম ইমাম। এই আগা খান ডাইনেস্টি ব্রিটিশদের এই উপমহাদেশে ঔপনিবেশিকের জন্যে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন। অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকারী আগা খানকে তৎকালীন ব্রিটিশ রানী ভিক্টোরিয়া ১৮৯৭ সালে নাইট কমান্ডার অফ ইন্ডিয়ান এমপায়ার এবং পরবর্তীতে রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড নাইট গ্রান্ড কমান্ডার উপাধীতে ভূষিত করেন। মুসলিমদের জন্যে একটা আলাদা দেশ গঠনের জন্যে ব্রিটিশকে সেই প্রস্তাব দেয়। বৃটিশদের দালাল এই ইসমাইলি শিয়াদের ইমামদের সম্পর্কে জানতে গুগলে সার্চ মারেন আগা খান উইথ গার্ল। বা এই ছবি গুলো দেখতে পারেন এই পোষ্টের

ইসরাইলি জায়োনিজমের প্রতিষ্ঠাকারীরা নিজেরা যেমন ধর্ম কর্ম না করা সেক্যুলার নাস্তিক কিছু ইহুদি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত, ইহুদীদের জন্যে মেকি কান্নাকারী যে তাদের জন্যে আলাদা একটা দেশ গঠন করতে হবে তাদের সুরক্ষার জন্যে ব্রিটিশদের কাছে। ঠিক তেমনি পাকিস্তানও প্রতিষ্ঠা করে কিছু ধর্মহীন সেক্যুলার দ্বারা যারা মুসলিমদের জন্যে আলাদা দেশের জন্যে মেকি কান্না করে মূলত ব্রিটিশদের সার্ভ করার জন্যে।

 

পাকিস্তানের বুদ্ধিজীবীদের দেখা যায় সবসময় বলতে, আমরা যদি আলি জিন্নাহ কায়েদে আজমের আদর্শ অনুযায়ী চলতাম তাহলে পাকিস্তানের উন্নতি করতে পারতাম, প্রত্যেক পাকিস্তানির উচিত কায়েদে আজমকে অনুসরন করা। পাকিস্তানের স্কুলের বইগুলোতেও আলি জিন্নাহকে নিয়ে একই অবস্হা।
চলুন দেখা যাক কায়েদে আজমকে।
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহঃ তার দাদা ছিলেন হিন্দু রাজপুত, পরে শিয়া ইসমাইলী খোজা ধর্মে দীক্ষিত হয়। তার পিতা গুজরাট হতে করাচীতে ব্যবসায়িক কাজে আসলে আলি জিন্নাহর জন্ম হয়। মাতৃভাষা তার গুজরাটি। এই দেখুন জিন্নাহর ফেমিলি ট্রি। নাম তার মোহাম্মদ আলী রাখা হলেও সে পরে জিন্নাহ শব্দটি যোগ করে। তার দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন ইরানি জোরাস্ট্রিয়ানস ধর্মের, পরে ইসমাইলি শিয়া ধর্মে কনভার্ট হয়। জিন্নাহর একমাত্র মেয়ে দিনা ওয়াদিয়া, ইরানি জোরাস্ট্রিয়ানস  ধর্মের ওয়াদিয়াকে বিবাহ করে নিজ বাপের ধর্ম ইসমাইলী ছেড়ে অগ্নি উপাসক জোরাস্ট্রিয়ানস ধর্মে দীক্ষিত হয়।  ২০০৭ সালে জিন্নাহর পরিত্যাক্ত মুম্বাইয়ের বাড়িটি তারা মেয়ে নেওয়ার জন্যে কোর্টে একটা মামলা দায়ের করে উত্তারোধিকার হিসেবে পাওয়ার জন্যে, সেখানে তার উকিল অনেকগুলো প্রমান হাজির করে যে তার পিতা একজন ইসমাইলি খোজা শিয়া, এই খোজা শিয়ারা হিন্দুদের রীতিনীতি পালন করে।  জিন্নাহর নাতি পুতিরা সবাই ভারতের নাগরিক। বোম্বে ডাইং কম্পানি, ব্রিটেনিয়া সহ অনেক ব্যাবসায়িক প্রতিষ্ঠান আছে তাদের ভারতে। জিন্নাহর নাতি নেস ওয়াদিয়া আইপিএল ক্রিকেটে পান্জাব কিংস এলেভেন এর যৌথ মালিক প্রীতি জিনতার সাথে।

গোলাম আহমেদ পারভেজঃ  সে ছিলো জিন্নাহর রাজনৈতিক সহকারী। উনি কোরানিষ্ট, শুধু কোরান মানেন, হাদীস মানেন না। আবার উনি হাইব্রিড ইসলামো-কম্যুনিষ্ট/সোস্যালিষ্ট নামক এক হাইব্রিড অক্সিমোরোন তত্বের উদ্ভাবক।

মোহাম্মদ জাফরুল্লাহ খানঃ তিনি ছিলেন পাকিস্তানের ফাউন্ডিং ফাদারদের একজন এবং পাকিস্তান রেস্যুলুশানদের একজন। ধর্মে উনি আহমাদিয়া কাদিয়ানি এবং পাকিস্তানের প্রথম পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

লিয়াকত আলী খানঃ উনিও পাকিস্তানের ফাউন্ডিং ফাদার। ধর্মে শিয়া এবং পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী।

ইস্কান্ধার মির্জাঃ এই লোকটা কুখ্যাত মীর জাফরের আপন নাতি। ব্রিটিশদের সেনাবাহিনীতে মেজরের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি পাকিস্তানের প্রথম প্রেসিডেন্ট হন।

 

সামান্য এক দ্বীপের বাসিন্দা ব্রিটিশরা দেখলো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ উপনিবেশিক করতে গিয়ে লোকবল, সৈন্য সংখ্যা দিয়ে পারা যাচ্ছেনা। তখন ওরা টাকা পয়সা দিয়ে স্থানীয়  লোকদের নিজেদের ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে ট্রেনিং দিয়ে উপনিবেশিকতা পাকাপোক্ত রাখার জন্যে এদের ব্যবহার করতো, এবং নতুন দেশ দখল করার জন্যেও এই গোলামদের ব্যবহার করা হতো। ব্রিটিশদের অধীনে থাকা এই গোলাম সেনাবাহিনীই পরে পাকিস্তান জন্মের পর ১৪ ই আগষ্ট ১৯৪৭ হতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়। 

এবার একনজরে দেখা যায় পাকিস্তান জন্মের পর কারা এই দেশের সেনাপ্রধান ছিলো, কি তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড।

স্যার ফ্রান্ক মেসারভিঃ পাকিস্তানের প্রথম সেনাপ্রধান ছিলেন এই ব্রিটিশ জেনারেল। পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন ১৫ই আগস্ট ১৯৪৭   হতে ১০ই ফেব্রুয়ারী ১৯৪৮ পর্যন্ত। উনি প্রথম বিশ্বযুদ্বের সময়  উসমানি খেলাফত ধংসে যুদ্ব করেছেন ব্রিটিশদের হয়ে এবং ফিলিস্তিনি ঐ সময় অনেক ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেন।

জেনারেল ডগলাস লেইসিঃ উনি পাকিস্তানের দ্বিতীয় সেনাপ্রধান এবং ব্রিটিশ জেনারেল। ১১ ই ফেব্রুয়ারী ১৯৪৮ হতে ১৬ ই জানুয়ারী ১৯৫১ সাল পর্যন্ত এই ব্রিটিশ জেনারেল ছিলেন পাকিস্তানের দ্বিতীয় সেনাপ্রধান। 

এরপর আইয়ুব খান, ইয়াহিয়া খান, টিক্কা খান দের ৪৭ এর আগে ও পরে ওদের কর্মকান্ড তুলে ধরা হবে। হয়তো এই পোষ্টেই এডিট করে দেওয়া হবে বা আরেকটা পোষ্টে এই পোষ্টের সামারি লেখার সময় লিখব।
পোষ্ট পড়ার জন্যে সবাইকে ধন্যবাদ।

সবাইকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

 

 

 

 

২৭ comments

Skip to comment form

  1. 13
    আইয়ুব

    কেউ আলী (রা:), হুসাইন (রা;), হাসান (রা:) ও ফাতিমা (সা:) এর প্রশংসা করলেই শিয়া (ভ্রান্ত) হয়ে যায় না। আর কেউ মুয়াবিয়া (সিফফিন যুদ্ধ ও চুক্তিভঙ্গ, আমানতের খেয়ানত) ও ইয়াজিদ (মদ্যপায়ী ও তাকে হালাল বলা) কাফির বললেই কেউ শিয়া (ভ্রান্ত) হয়ে যায় না।
    এটা ঠিক শিয়ারা খুবই চাটুকার, শয়তান প্রকৃতির, আর তারা শিয়া (বর্তমানে ১২ ইমামিয়ারাই আসল ভ্রান্ত শিয়া। শুধু মাত্র এদেরই অস্তিত্ব আছে বর্তমানে। আর ইসমাইলিরা বর্তমানে এদেরই গোলাম হয়ে গিয়েছে তাই ওরাও ১২ ইমামিয়াই। আলাদা ভাবে দেখার কিছু নেই। আর জাইদিদের আমি ভ্রান্তদের মধ্যে ফেলিনা। কারন তাদের তৌহিদের আকিদা আহলে সুন্নাহদের মতোই। আর তারা প্রথম তিন রাশেদিন খলিফার উপর ইমান রাখে আহলে সুন্নাহদের মতোই) ছাড়া বাকি মুসলমানদের কাফির মনে করে। কারন তারা তাদের মতো তথাকথিত বেলায়েতে ইমান রাখেনা। শিয়ারা যুগে যুগে ইসলামের সাথে গাদ্দারী করেছে।
    সুন্নীদের অভাব: শিয়াদের মতো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নেই। শিয়াদের মতো শক্তিশালী মজডিয়া নেই। শিয়াদের মতো চালাকি (তাকিয়া) নেই। শিয়াদের মতো অর্থ (খুমসের টাকা) নেই। শিয়াদের মতো একতা নেই। শিয়াদের মতো প্রযুক্তিতে এগিয়ে নেই।

  2. 12
    samiul alim

    ১৯৭১ সালে যেই পাকিস্তানিরা এই দেশে গনহত্যা চালাইছে তাদের বেশি ভাগই শিয়া

  3. 11
    opinion

    হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সময় খারেজীদের সাথে যুদ্বের সময় পাথরের গোলার আঘাতে কাবার দেওয়াল একটু ভেঙ্গে গিয়েছিলো, তবে লক্ষবস্তুটা কিন্তু কাবা ছিলোনা, ছিলো খারেজিরা, এটা ভুল করেই হয়েছিলো।

    আপনার লেখা থেকে ইতিহাসের অনেক নতুন তথ্য জেনে আপনাকে ইতিহাসজ্ঞানী হিসেবেই ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু এই বাক্যটা দেখে আপনার ইতিহাসজ্ঞানের দৈন্যটা আমার কাছে ধরা পড়ে গেল। হাজ্জাজের কাবা আক্রমণ হয়েছিল নবীজীর সাহাবী আবদুল্লাহ ইবনে যুবাইরের (রা:) বিরুদ্ধে, খারিজীদের বিরুদ্ধে নয়। ইবনে যুবাইর (রা:) শাহাদাতবরণ করেছিলেন। হাজ্জাজের দ্বারা খারিজিবিরোধী অভিযান হয়েছে সত্য, তবে সেটা মক্কায় নয়, ইরাকে।

    কি আশ্চর্য কথা! আপনি কুখ্যাত অভিশপ্ত ইয়াজিদের নামের সাথে (রা:) যুক্ত করছেন, তাকে কারবালার ঘটনা থেকে বেকসুর খালাস দিচ্ছেন, আর সত্যিকার সাহাবীকে খারিজী বানিয়ে দিলেন?

    এজন্যই বলে, গোড়ামি ভাল নয়। গোড়ামি একজন মানুষের স্বাভাবিক বিবেকবুদ্ধি ও বিচারবুদ্ধি নষ্ট করে দেয়। শিয়ারা যেমন হযরত আবুবকর ও ওমর (রা:) কে কাফের মনে করে, তেমনি গোড়া সুন্নীরা ইয়াজিদকেও ফেরেশতা বানিয়ে দেয়।

  4. 10
    মজলুম

    মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে ও সবচেয়ে বড় বিশ্বাসঘাতকতা করে এই শিয়া ইরান। ১৯৭৯ সালে ইরানে শিয়া বিপ্লব হলে ব্রাদারহুডের লোকেরা মিশর, সিরিয়া, জর্ডানে এর পক্ষে মিছিল করে, লিফলেট বিলি করে। পশ্চিমাদের পুতুল রেজা শাহ এর পতনে ব্রাদারহুডের লোকেরা আনন্দিত হয়। কিন্তু বিপ্লবের পরই দেখা যায় বিধিবাম!! মুসলিম ব্রাদারহুডের চিরশত্রু হাফিজ আল আসাদের সাথে খোমেনির চরম খাতির শুরু হয়। সিরিয়ার অনেক ব্রাদারহুড নেতা গোপনে ইরান এসে খোমেনির সাথে দেখা করেন। তাকে বলেন যে আপনি হাফিজ আল আসাদকে বলে দেন সে যেন আমাদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন না করে। খোমেনি উল্টো হাফেজ আসাদকে জানিয়ে দেয় ব্রাদারহুডের কারা কারা তার সাথে দেখা করেছে। ওদের সকলকে ধরে জেলে পুরা হয়। তার পর মুসলিম ব্রাদারহুডের কর্মিদের সাথে সিরিয়ার নুসাইরী/আলাউই শিয়া  সেনাদের সাথে এখানে সেখানে বিচ্ছিন্ন  সংঘর্ষ হতো। অতঃপর এলো সেই ১৯৮২ সালের হামা ম্যাসেকার। মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতৃত্বে বিপ্লব শুরু হয় হাফেজ আল আসাদের নিষ্পেষণের বিরুদ্বে। সিরিয়ার হামা শহরকে ব্রাদারহুডের লোকেরা হাফেজের শিয়া সৈন্য মুক্ত করে। ব্রাদারহুডের নেতা আদনানের নেতৃত্বে ২ হাজারেরও কম কর্মী, অল্প কিছু রাইফেল নিয়ে এ কাজটা করে। এবার ইরানের সহায়তায় সিরিয়ার শিয়া সৈন্যরা হামা শহরকে ঘিরে ফেলে। ২৭ দিন পর্যন্ত অবরুদ্ধ করে  চলে এই ছোট শহরে বিমান, ট্যাংক, কামানের হামলা। সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দেয় এই শহরটাকে, ৪০ হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করা হয়, ১৫ হাজারের মতো নিখোঁজ হয়।    পুরা ঘটনায় মিডিয়া ব্লাকআউট ছিলো। সাংবাদিক রবার্ট ফিস্ক হামা শহরের পাশ ঘেষেই  ছিলেন সেসময়। এই হত্যাকান্ডে সারাবিশ্বই ছিলো নীরব, কারন এখানে মুসলিমদের হত্যা করছে শিয়ারা তাছাড়া এরা ব্রাদারহুডের লোক। rel="nofollow">রবার্ট ফিস্ক সেই ঘটনা বলছেন এখন,   এখানে পড়ুন হামা ম্যাসেকার নিয়ে আল-জাজিরায় একটা কলাম।  

    সিরিয়ায় তখন মুসলিম ব্রাদারহুডের ধরে ধরে হত্যা করা হতো। কোন ভুয়া ট্রায়াল ও ছিলোনা  মিশরের মুসলিম ব্রাদারহুডের মতো। এই হাফেজ আসাদ এতই হিংস্র ছিলো, ব্রাদারহুডের জন্যে শুধু দুইটা অপশন ছিলো, শহীদ হওয়া নয়তো দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া। আর কোন অপশন নেই। মুসলিম মারতেছিলো তাই তখন কোন মানবাধিকার, পশুধিকারধারীরা একথা মুখেও আনেন নি।
    মিশরে নাসের,সাদাত, মোবারক মুসলিম ব্রাদারহুডকে ট্যাকটিকেলি ব্যান করে রাখলেও এদের টোলারেট করতো। ভুয়া ট্রায়ালে এদের কিছু নেতাকে জেল জরিমানা বা হত্যা করলেও এস এ হোল এদের সহ্য করতো। ভিন্ন নামে এরা থাকতো, দান-সদকা, দাবত্য সংস্হা দিয়ে কাজ করতো।
    সিরিয়ায় এদের জন্যে দুইটা অপশনই ছিলো , ফ্লেড অর ডেড। তাই সিরিয়ায় ব্রাদাহুডের নাম গন্ধও নাই। কিছু নেতা আছে তবে এগুলা থাকে ও কাজ করে বিদেশে। 

  5. 9
    মজলুম

    শিয়া ধর্মের উৎপত্তি হয় ইয়েমেনের ইহুদী আব্দুল্লাহ ইবনে সাবার দ্বারা। হযরত উমর (রঃ)  এর শাসনের সময় অর্ধ পৃথিবীর ইসলামের আলোয় চলে আসে। এই দেখে হিংসায় জ্বলতে থাকে ইহুদীরা।
    উমার রাঃ মৃত্যুর পর উসমান ইবন আফফান (রাঃ) যখন খলিফা, সে সময় কুফায় এসে একজন লোক ঘাঁটি গাড়লো যার নাম আবদুল্লাহ বিন সাবাহ। দুহাতে দান করা থেকে শুরু করে মানুষের মন জয় করার জন্য যা যা করা দরকার তার কিছুই করতে এই লোকটি বাদ রাখেনি। অল্পদিনেই কুফার অগণিত মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় তার আসন নিশ্চিত হলো। তার নামটি মুসলিমের মতো শোনালেও প্রকৃতপক্ষে সে ছিলো একজন ইয়াহুদী গুপ্তচর (তখনকার সময়ে আরবীয় অঞ্চলের মুসলিম, খৃষ্টান, ইয়াহুদী কিংবা মুশরিক সকলের নামই এমন ছিলো)। এক সময় যখন ইবন সাবাহ তার আসন সম্পর্কে নিশ্চিত হলো, তখন সে ধীরে ধীরে মানুষকে উসমান রাঃ এর বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে লাগলো।

    তার মূল এজেন্ডা ছিলো এই যে, উসমান রাঃ অন্যায়ভাবে আলী রাঃ এর প্রাপ্য খিলাফত নিজের অধিকারে নিয়ে নিয়েছেন। রাসুলের পরিবারের উত্তরাধিকারী হিসাবে মূলতঃ আলীরই খলিফা হওয়া উচিৎ। আহলে বাইত বা রাসুল পরিবারের মতো এমন একটি স্পর্শকাতর ইস্যু নিয়ে সে অল্পদিনের ভেতর মানুষকে উসমান রাঃ এর বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলতে সক্ষম হলো। আর এরই ভিতর দিয়ে যেন ভেঙে গেলো ফিতনার দরজা, চিরতরে। শিয়া মতবাদের পত্তন হলো পৃথিবীর বুকে।

    মুসলিম খিলাফতের রাজধানী মদীনায় পৌঁছে গেলো এ খবর, পৌঁছালো স্বয়ং খলিফা উসমান রাঃ এর কানেও। মজলিশে শুরার সদস্য সাহাবাগণ এগিয়ে এলেন যার ভিতরে স্বয়ং আলী রাঃ ও ছিলেন। তারা উসমান রাঃ কে তৎক্ষণাৎ বাহিনী পাঠিয়ে ইবন সাবাহকে শায়েস্তা করার পরামর্শ দিলেন। কোমল হৃদয় উসমান প্রত্যাখ্যান করলেন তা। অল্পদিনের ভিতরই আবদুল্লাহ বিন সাবাহ বাহিনী সশস্ত্র অবস্থায় মদীনা প্রবেশ করলো। খলিফার কাছ থেকে এবারো কোন বাধা না পেয়ে এক সময় তারা হত্যাই করে বসলো রাসুলুল্লাহ সাঃ এর দুই কন্যার স্বামী এবং পৃথিবীতে বসে জান্নাতের সুসংবাদ পাওয়া সাহাবী উসমান রাঃ কে। মুসলিম উম্মাহ দেখতে শুরু করলো ফিতনার কদর্য রূপকে।

    আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা ইহুদী বাহিক্যভাবে ইসলাম গ্রহণ করে, আহলে বায়আত তথা রাসূলের পরিবারের প্রতি মহব্বত ও আলী রা.-র প্রতি ভালবাসার ব্যাপারে সীমালঙ্ঘনে লিপ্ত হয় এবং আলী রা.-কে খেলাফতের প্রথম ওসি দাবি করে। এক পর্যায়ে ইলাহ্-এর স্থানে অধিষ্ঠিত করে। সেখান থেকেই রাফেযী সম্প্রদায়ের উৎপত্তি।

    এসব কথার সত্যতার প্রমাণ খোদ শিয়াদের কিতাবই। আল-কুম্মী তার “আল মাকালাত ওয়াল ফিরাক” গ্রন্থে বলেন, “আব্দুল্লাহ্ ইবনে সাবা আলী রা.-কে ইমামতের প্রথম হকদার দাবি করে, আবু বকর, ওমর ও উসমানসহ সকল সাহাবা সম্পর্কে মিথ্যাচার ও বিষোদগারে লিপ্ত হয়।” অনুরূপ মন্তব্য করেছেন “ফিরাকুশ শিয়া” নওবাখতী ও “রিজালুল কিশ্শী” গ্রন্থে কিশ্শী। আব্দুল্লাহ্ ইবনে সাবা সম্পর্কে একই মন্তব্য করেছেন বর্তমান যুগের শিয়া মুহাম্মাদ আলী আল-মু‘আলেম “আব্দুল্লাহ্ ইবনে সাবা আল হাক্বীক্বাতুল মাজহুলাহ্” গ্রন্থে। তারা সকলে রাফেযী মতের এক একজন বড় পণ্ডিত। আল-বাগদাদী বলেন, “সাবায়ীরা হচ্ছে আব্দুল্লাহ্ ইবনে সাবার অনুসারী। এ আব্দুল্লাহ্ ইবনে সাবা-ই আলী রা.-র ব্যাপারে বাড়াবাড়ি করে তাকে নবী দাবি করেছে। পরবর্তীতে তাকে আল্লাহ পর্যন্ত দাবি করেছে।”

    বাগদাদী আরো বলেন, “ইবনে সাওদা অর্থাৎ ইবনে সাবা আসলে ইয়াহুদী ছিল, কুফাবাসীর নিকট নেতৃত্ব ও সমর্থন লাভের উদ্দেশ্যে নিজেকে সে মুসলিম হিসেবে প্রকাশ করে। তাওরাতের সূত্র ‘প্রত্যেক নবীর একজন ওসী থাকে’ হিসেবে আলী রা.-কে সে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ওসী আখ্যা দেয় এবং কুফাবাসীর নিকট তা প্রকাশ করে। সাহরাস্তানী ইবনে সাবা সম্পর্কে বলেন, সেই সর্ব প্রথম আলী রা.-র ইমামতের দাবী তুলে। সাবায়ী সম্প্রদায় সম্পর্কে বলেন, এরা প্রথম প্রথম ‘গায়বাত’ ও ‘রাজাআত’ মতবাদ পেশ করে। পরবর্তীতে তাদের অনুসারী শিয়ারা এ মতবাদের উত্তরাধিকারী হয়। আলী রা.-র ইমামত ও খেলাফত এবং তার ওসী হওয়ার অভিমত ইবনে সাবারই মীরাস। এরপর তার অনুসারী অর্থাৎ শিয়া সম্প্রদায় অসংখ্য দলে বিভক্ত হয়। এভাবে আলী রা.-র ওসী ও ইমামত বরং ইলাহ হওয়ার দাবি নিয়ে ইহুদী ইবনে সাবার অনুসারী শিয়াদের উৎপত্তি হয়। শিয়া থেকে রাফেযী নামকরণ শিয়া বিদ্যান শায়খ মাজলেসী “বেহারুল আনওয়ার” কিতাবে উল্লেখ করেন। অধ্যায়: ‘রাফেযার ফযিলত ও নামকরণের সাধুবাদ’ অতঃপর সুলাইমান আল-আ‘মাশ থেকে উল্লেখ করেন, তিনি বলেন, আমি আবু আব্দুল্লাহ্ জা‘ফার ইবনে মুহাম্মাদের নিকট প্রবেশ করে বলি, আপনার জন্য আমাকে উৎসর্গ করেছি, মানুষেরা আমাদেরকে রাওয়াফেয (রাফেযী এর বহুবচন) বলে, রাওয়াফেয মানে কি? তিনি বলেন, আল্লাহর কসম! তারা এ নামকরণ করেনি, বরং আল্লাহ্ মুসা আ. ও ঈসা আ.-র ভাষায় তাওরাত ও ইনজিলে তোমাদের এ নামকরণ করেছেন।

    আরো বলা হয় যে, যায়েদ আলী ইবনে হুসাইনের নিকট এসে বলে, আমাদেরকে আবু বকর ও ওমর থেকে মুক্ত করুন, যেন আমরা আপনার সাথে থাকতে পারি। তিনি বলেন, তারা দুজন তো আমার দাদার সঙ্গী আমি তাদেরকে অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করি। তখন তারা বলে, ﺇﺫﺍ ﻧﺮﻓﻀﻚ অর্থাৎ তাহলে আমরা আপনাকে বর্জন করব। অতঃপর সেখান থেকেই তাদের নামকরণ হয় রাফেযাহ্ বা রাফেযী। যারা তার হাতে বায়‘আত করে ও যায়দীয়া মত পোষণ করে, সাধারণত তাদেরকেই এ নামে অবিহিত করা হয়।

    আরো বলা হয় যে, আবু বকর ও ওমরের ইমামাত অস্বীকার করার জন্য তাদেরকে রাফেযী বলা হয়। আরো বলা হয় যে, তারা যেহেতু দীন ত্যাগ করেছে, তাই তাদেরকে রাফেযা বলা হয়। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাস বলেন, “আমার সুন্নাত ও আমার হেদায়েতপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত পালন করা তোমার অবশ্য কর্তব্য, এই সুন্নাতকে তোমরা হাতে- দাঁতে দৃঢ়ভাবে ধারণ করবে। আর সাবধান! ইসলামী শরীয়তে তোমরা নতুন কিছু আবিস্কার করবে না, কেননা প্রত্যেক নব আবিস্কৃারই হচ্ছে বিদ‘আত এবং প্রত্যেক বিদ‘আতই হচ্ছে ভ্রান্তি ও পথভ্রষ্টতা। (আহমাদ, আবু দাউদ, তিরমিযি ও ইবনে মাজাহ্)

    .
    .
    শী'আদের দল-উপদল সমূহঃ
    ————--

    শী'আদের প্রথমতঃ তিনটি দল।
    ১.তাফযীলিয়া। এরা আলী রাযি.কে আবূ বকর ও ওমর রাযি. এর উপর ফযীল দিয়ে থাকেন।
    ২.সাবইয়্যা। এদেরকে "তাবরিয়া"ও বলা হয়। এরা হযরত সালমান ফারসী, আবূ জর গিফারী, মেকদাদ ও আম্মার ইবনে ইয়াছির প্রমুখ অল্প সংখ্যক সাহাবী ব্যতীত অন্য সকল সাহাবী থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে, এমনকি তাঁদেরকে মুনাফিক এবং কাফের পর্যন্ত বলে।
    ৩.গুলাত বা চরমপন্থী শিয়া। এদের কতক আলী রাযি. এর খোদা হওয়ার প্রবক্তা ছিল। আর কতক মনে করত খোদা তাঁর মধ্যে প্রবেশ করেছেন অর্থাত্ তিনি ছিলেন খোদার অবতার বা প্রকাশ।

    গুলাত বা চরমপন্থী শিয়াদের ২৪টি উপদল ছিল। যাদের একটি দল ছিল ইমামিয়া। এই ইমামিয়া ছিল শিয়াদের ১টি বৃহত্ সংখ্যাগরিষ্ট দল। সাবইয়্যাদের ছিল ৩৯টি উপদল। ইমামিয়া দলের মধ্যে প্রধান ও প্রসিদ্ধ ৩টি উপদল। যথাঃ ১.ইছনা আশারিয়া। ২.ইসমাঈলিয়া। ৩.যায়দিয়া। ইছনা আশারিয়া- শিয়াদের উপরোক্ত ৩টি দলের মধ্যে ইছনা আশারিয়া শিয়াদের অস্তিত্বই প্রবল। এদেরকে ইমামিয়াও বলা হয়। সাম্প্রতিক কালে সাধারণভাবে শিয়াবলতে এই "ইছনা আশারিয়া" বা "ইমামিয়া" শিয়াদেরকে বোঝানো হয়ে থাকে। উপমহাদেশসহ মুসলিম বিশ্বের সর্বত্র তাদের অনুসারী রয়েছে। বর্তমান ইরানে তারাই ক্ষমতাসীন। ইরাকেও প্রচুর সংখ্যক এরুপ শিয়া রয়েছে।

    রাফেযীদের নানা দল উপদল “দায়েরাতুল মাআরেফ” কিতাবে বর্ণিত আছে যে, “প্রসিদ্ধ তেহাত্তর দলের চাইতেও শিয়াদের দল উপদলের সংখ্যা আরো বেশী।”{দায়েরাতুল মা‘আরেফ -৪/৬৭} প্রসিদ্ধ রাফেযী মীর বাকের আল দাম্মামের বরাতে বলা হয়েছে, হাদীসে বর্ণিত তেহাত্তর দলের সবাই শিয়া, তাদের মধ্যে মুক্তি প্রাপ্ত দল শুধু ইমামিয়াহ্ (ইমামিয়াহ্ শিয়াদের একটি উপদল)। মুকরেযী বলেন, তাদের দলের সংখ্যা তিনশোর মত। শাহ্রস্তানী বলেন, “রাফেযীরা পাঁচ দলে বিভক্ত: (১) আল কিসানিয়াহ্ (২) আল যায়দিয়াহ্ (৩) আল ইমামিয়াহ্ (৪) আল গালিয়াহ্ (৫) আল ইসমাঈলিয়াহ্।” বাগদাদী বলেন, “আলী রা. এর পরবর্তী যুগে রাফেযীরা চার ভাগে বিভক্ত হয়: (১) যায়দিয়াহ্ (২) ইমামিয়াহ্ (৩) কিসানিয়াহ্ (৪) গুলাত। রাফেযীরা বর্তমানে ‘শিয়াহ্’ নামে পরিচিত।

    .
    .
    শিয়াদের আকিদা-বিশ্বাসঃ
    ————--
    • শিয়াদের মূল দল তথা ইহুদী পণ্ডীত আবদুল্লাহ ইবনে সাবার মতাদর্শীরা দাবী করে যে, খলিফা হবার অধিকারী ছিলেন হযরত আলী (রাঃ)। এটা তাঁর রাজনৈতিক অধিকার নয়, ধর্মীয় অধিকার। সাহাবায়ে কেরামের বিপুল সংখ্যাগরিষ্ট অংশ হযরত আলী(রাঃ) কে খলিফা রূপে মনোনীত না করে কাফের হয়ে গেছেন।

    • শিয়াদের আরেক দল আরও একটু অগ্রসর হয়ে হযরত আলী (রাঃ) সম্পর্কে এরূপ ধারণা প্রচার করতে থাকে যে, প্রকৃত প্রস্তাবে হযরত আলী (রাঃ)ই নবী ছিলেন। ফিরিস্তা জীবরাঈল (আঃ) ভুলক্রমে ওহী হযরত মুহাম্মদ(সাঃ) র নিকট নাযিল করে ফেলেছিলেন

    • শিয়াদের ‘আকিদায়ে ইমামত’ হলো- ইসলামী আকিদা মতে একজন স্বতন্ত্র শরীয়াতধারী নবীর যে অর্থ, অবস্থান ও মর্যাদা, তাদের ইমামের মর্যাদাযাদ ফেরেস্তাদের চেয়েও বেশি।

    • শিয়াদের মতে, ইমামগণ নিষ্পাপ, তারা গায়েব জানেন। আল- কুলাইনী “উসুলুল কাফী” গ্রন্থে উল্লেখ করেন, “ইমাম জাফার সাদেক বলেন, আমরা হলাম আল্লাহর ইলমের ভাণ্ডার। আমরা আল্লাহর নির্দেশাবলীর অনুবাদক। আমরা নিষ্পাপ কওম। আমাদের আনুগত্য করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে এবং আমাদের ফরমানী থেকে নিষেধ করা হয়েছে। আসমানের নীচে ও যমীনের উপরে বিদ্যমান সকলের জন্য আমরা আল্লাহর পরিপূর্ণ হুজ্জাত তথা দলীল।” উক্ত গ্রন্থের অনুচ্ছেদ “নিশ্চয় ইমামগণ যখন জানার ইচ্ছা করেন তখনই তারা তা জেনে যান”-এ জা‘ফার সূত্রে কুলাইনী উল্লেখ করেন, “নিশ্চয় একজন ইমাম যখন জানার ইচ্ছা করেন তখনই তিনি তা জেনে যান, আর ইমামগণ কখন মৃত্যু বরণ করবেন, তাও তারা জানেন, তারা নিজেদের ইচ্ছা ব্যতীত মৃত্যু বরণ করেন না।

    • শিয়াদের মতে, নবী করীম (সাঃ) এর ওফাতের পর সমগ্র সাহাবায়ে কেরামদের মধ্যে যাঁরা হযরত আবু বক্কর সিদ্দীক (রাঃ)কে খলিফা পদে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁর হাতে বাইয়াত নিয়েছিলেন , তাঁরা সকলেই কাফেরে পরিণত (নাউযুবিল্লাহ)। কেননা, তাঁরা নিষ্পাপ ইমাম হযরত আলী(রাঃ)এর হাতে বাইয়াত হন নাই। এটাই হলো শিয়াদের সাহাবায়ে কিরামের প্রতি বিদ্বেষ

    • শিয়াদের মতে, কোরআন মজিদ অবিকৃত থাকেনি। বর্তমান আকারে যে কোরআন মজিদ মুসলমানদের হাতে আছে , তা নির্ভেজাল কোরান নয় বরং তা হযরত উসমান(রাঃ) কর্তৃক সংকলিত কোরআন।তারা দাবি করে। রাসূলে কারীম(সাঃ)এর নিকট অবতীর্ণ হয়েছিলেন তার মধ্যে ১৭০০০(সতেরো হাজার) আয়াত ছিল। কিন্তু, বর্তমানে মুসলমানদের নিকট যে কোরআন শরীফ বিদ্যমান আছে , সে কোরআনের মধ্যে হযরত আয়শা(রাঃ) এর গণনানুযায়ী মাত্র ৬৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি)টি আয়াত রয়েছে।

    • শিয়ারা ইসলামের কলেমায় সন্তুষ্ট নয় বরং তারা কালেমা ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ মুহাম্মাদু রাসূল্লাহ, আলীয়্যুন ওয়ালীউল্লাহ ওয়াসিয়্যু রাসূলিল্লাহ, খলীফাতুহু বিলাফসল।“ (আলী (রাঃ) রাসূল (সাঃ) এর একমাত্র ওয়ারিশ ও তাঁর সরাসরি খলিফা)’ প্রভৃতি বাক্য যোগ করে

    • শিয়ায়ে ইসনা আশারিয়্যার মতাদর্শীদের আকিদা-বিশ্বাস হলো- তারা হযরত আলী (রাঃ) কে খোদা বলে দাবী করে। সে জন্য তারা ‘ইয়া আলী মদদ’ বলে তাঁকে সম্বোধন করে

    • হযরত আবু বক্কর (রাঃ) ও হযরত উমর (রাঃ) সহ সকল সাহাবি কাফির মাত্র দু এক জন ছাড়া (নাউযুবিল্লাহ)

    • শিয়াদের ইমামদের উপর ঈমান আনা নবীদের উপর ঈমান আনার সমান

    • শিয়াদের ইমামদের হাতে জান্নাত- জাহান্নাম, তাদের ইমামরা যাকে ইচ্ছা জান্নাত ও জাহান্নামে পাঠাতে পারবে

    • হযরত আয়শা (রাঃ) জেনাকারিনী (নাউযুবিল্লাহ)

    • মুতা বিয়ে (প্রতিবৃত্ততি) কে তারা অনেক সওয়াবের কাজ মনে করে।তাদের কাছে নারীদের সাথে সমকামিতাও বৈধ (নাউযুবিল্লাহ)

    • হযরত উমর (রাঃ) রাসূল(সাঃ)এর ঘরে আগুন লাগিয়েছেন (নাউযুবিল্লাহ)

    • শিয়ারা কারবালার বাইরে সিজদা করার জন্য কারবালার বিশেষ স্থানের মাটি সংগ্রহ করে এবং সেই মাটি দ্বারা ছোট ছোট চাকতি তৈরী করে চাকতীতে কপাল ঠেকিয়ে সিজদা করে। (নাউযুবিল্লাহ)! এমনকি পবিত্র মক্কার বাইতুল্লাহ শরীফ এবং মদীনার মসজিদে নববীতে নামাজ পড়ার সময়ও তারা সেই চাকতি ব্যবহার করে। (নাউযুবিল্লাহ)

    • শিয়াদের আরেক দলের বিশ্বাস যে, কারবালার ঘটনার পর বিদ্রোহ ঘোষনাকারী নিখোঁজ হওয়া মুহাম্মদ ইবনুল হানাফিয়্যাকে ইরাকের একটি পাহাড়ী অঞ্চলে সুরক্ষিত করে রাখা হয়েছে। কেয়ামতের আগে দাজ্জালের মোকাবেলা করার উদ্দেশ্যে প্রতিশ্রুত ইমাম মাহদীর সহযোগী রূপে তাঁর আবির্ভাব হবে

    .
    .
    এবার চলুন বর্তমানের এই শিয়া- রাফিজিরা ইরাকী মুসলমানদের সাথে কি কি করেছিলঃ
    .
    কয়েক বছর আগে মিশরের একটি টিভিতে লাইভ অনুষ্ঠানে শেইখ জহবি হাম্মাদ ইরাকের সুন্নিদের সম্পর্কে আলোচনা করছিলেন, আর তখন ইরাকের বাগদাদ থেকে একজন সুন্নি মুসলিম ফোন করে নিজের করুন কাহিনী বর্ণনা করেন।

    তাঁর বর্ণনার কিছু বক্তব্য এরকম- “হে শেইখ, আমাদের মেয়েদেরকে বন্ধী করা হচ্ছে, আহলুস সুন্নাহর পুরুষদের দাঁড়ি ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে, তাঁদেরকে জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে, বৃদ্ধাদের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হচ্ছে। তাঁরা আমাদের উপর নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে কারন তাঁরা চায় আমরা যেন মা আয়েশা রাঃ কে গালি দেই (নাউজুবিল্লাহ)। তাঁরা আমার দাড়িতে ময়লা লাগিয়ে আমাকে অপদস্থ করেছে। হে আহলুস সুন্নাহর অনুসারিরা তোমরা কোথায়… আমাদের রক্ষা কর।” “তারা আমাদের মেয়েদেরকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে; আমাদের মাঝে যাদের নাম আবু বকর, ওমর, ওসমান আছে তাঁদেরকে তাঁরা জ্বলন্ত আগুনে নিক্ষেপ করছে। তাঁরা আমাদেরকে মা আয়েশার রাঃ কে গালি দিতে বাধ্য করছে, যখন কেউ তা করতে অস্বিকার করে তাঁদের আগুল কেটে ফেলা হচ্ছে।” “ও শেইখ! আমি একটি মেয়েকে দেখেছি যাকে ধর্ষণ করা হয়েছে, সে মেয়েটি আল্লাহ্র কসম করে বলেছে- ওয়াল্লাহি, আমি কুমারি ছিলাম! ওয়াল্লাহি আমি কোরআনের হাফিজ ছিলাম! সে চিৎকার করে বলে- কে আমার গল্প রসূল সাঃ এর কাছে পৌঁছে দিবে?” “হে শেইখ! এবার আমার নিজের কাহিনী শুনুন। রাফিজিরা আমার তিন বছরের ছেলেকে ওভেনের ভিতর দিয়ে পুড়িয়ে হত্যা করেছে। কারন তাঁর নাম রেখেছিলাম ওমর। এরপর তাঁরা তাঁর পোড়া মৃত দেহ আমার কাছে রেখে যায়।”

    .
    .
    এখন শিয়ারা কাফির কিংবা তাদের বিষয়ে মহিমান্বিত আল্লাহ পাকের সিদ্ধান্তের বিষয়ে আমি মতো উম্মী মানুষের কিছু বলা উচিত মনে করছি না । তবে জগৎ বিখ্যাত আলিমগণ শিয়াদের সম্পর্কে কী বলে গিয়েছেন তা উল্লেখ করার প্রয়োজন বোধ করছি ।

    শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আব্দুল লাতিফ আল আশ-শাইখ তার সময়কার রাফেজিদের সম্পর্কে বলেছেন, “আর বর্তমান সময়ে তাদের অবস্থা আরো নিকৃষ্ট এবং করুণ। কারণ তারা তাদের আকিদায় আউলিয়া, আহলুল বাইত এবং অন্যান্যদের ব্যাপারে সম্মানের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত রকমের বাড়াবাড়ি করছে এবং বিশ্বাস করে যে বিপদ কিংবা সুখের সময় তারা ভাল বা খারাপের ক্ষমতা রাখে। এবং তারা একে আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার মাধ্যম মনে করে। এবং তারা একে ধর্মের অংশ বিবেচনা করে। একারণেই যারা তাদের এই অবস্থার কারণে তাদের কুফর সম্পর্কে সন্দেহ পোষণ করে, তাহলে সে নাবীগণ কী নিয়ে এসেছেন এবং কিতাবগুলোতে কী নাযিল করা হয়েছে সে সম্পর্কে অজ্ঞ। তার উচিত মৃত্যুর পূর্বে নিজের ঈমানকে পরীক্ষা করে দেখা”।

    ইমাম মালিক রাহিমাহুল্লাহ সূরা ফাতহের ২৯ নং আয়াতটি রাফেজিদের উপর কুফরির দলিল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। কেননা তারা সাহাবিদের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করে থাকে। আর যারাই সাহাবিদের প্রতি শত্রুতা পোষণ করে, তারা কাফির। এই মাসয়ালায় উলামাদের একটি দলও ইমামের সাথে একমত পোষণ করেছেন। [তাফসির ইবন কাসির]

    ইমাম বুখারি রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “আমি একজন ইহুদি, একজন খ্রিস্টান কিংবা একজন রাফেজির পিছনে সালাত আদায়ের মধ্যে কোন পার্থক্য দেখি না। তাদের জবাই করা পশু খাওয়া যাবে না, তাদের সালাম দেয়া যাবে না, তাদের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে না, তাদের সাথে বিয়ে দেয়া হবে না এবং তাদের দেখতে যাওয়া যাবে না”। [খালক আফ’আলুল ইবাদ]

    ইমাম সামা’নি রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “উম্মাহর মাঝে ব্যাপারে ইজমা রয়েছে যে, শিয়ারা হলো কাফির। কারণ তারা বিশ্বাস করে, রাসুলের সাহাবিরা পথভ্রষ্ট, তারা তাঁদের ইজমাকে অস্বীকার করে এবং তাঁদের ব্যাপারে এমন সব কথা বলে তাঁদের সাথে মানানসই নয়”। [আল-আনসাব]

    ইবন কাসির রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, “আর তারা সাহাবিদের সম্পর্কে এমন ধারণা পোষণ করে, তাঁদের বিরুদ্ধে অসৎ হওয়ার এবং রাসুলের বিরুদ্ধে আঁতাত করার অভিযোগ আনে এবং রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিচার ও আদেশের বিরুদ্ধাচরণ করে। যারাই এই পর্যায়ে নিজেদের অবস্থান নিয়েছে, তারা নিজেদের ইসলামের গণ্ডি থেকে বের করে নিয়েছে এবং ইমামদের ইজমা অনুযায়ী তারা কুফরি করেছে। আর মদ্যপান ছেড়ে দেয়ার থেকেও তাদের রক্ত ঝরানো বেশি হালাল”। [আল-বিদায়া ওয়ান-নিহায়া]

    ইমাম আব্দুর রহমান ইবন মাহদি রাহিমাহুল্লাহ বলেন, জাহমিয়্যাহ এবং রাফিজিয়্যাহ ভিন্ন দুটি ধর্ম। [খালক আফ’আলুল ইবাদাহ]

    এছাড়াও ইমাম আহমদ ইবন হাম্বল, মুহাম্মাদ ইবন ইউসুফ আল-ফিরইয়াবি, আহমদ ইবন ইউনুস, ইবন কুতাইবা আদ- দিনাউরি, আব্দুল কাদির আল- বাগদাদি, আল কাজি আবু ইয়ালা, ইবন হাযম আয-যাহিরি, আবু হামিদ আল- গাজ্জালি, ইবন তাইমিয়্যাহ, ইবন আবিদিন, আবু হামিদ মুহাম্মাদ আল- মাকদিসি, আব্দুল মাহাসিন আল- ওয়াসিতি রাহিমাহুমুল্লাহ আজমাঈন থেকে রাফেজিদের কাফির হওয়ার ব্যাপারে যুক্তি ও বর্ণনা পাওয়া যায়। স্থান সংকুলান না হওয়ায় যা এখানে উল্লেখ করা হলো না।

    শিয়াদের আক্বীদা ও মতবাদ সম্পর্কে সংক্ষেপে উল্লেখ করার চেষ্টা করলাম।

    উপসংহারঃ
    ——-
    আমি আমাদের সবাইকে অনুরোধ করবো -- সহীহ মুসলিম শরীফে উল্লিখিত রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত এই দু’আটি পাঠ ও অনুসরণ করতে। এই দুআ’র বরকতে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন আমাদেরকে মতভেদের প্রশ্নে সঠিক পথ প্রদর্শন করবেন ইনশা-আল্লাহ।

    .

    اللَّهُمَّ رَبَّ جَبْرَائِيلَ وَمِيكَائِيلَ وَإِسْرَافِيلَ فَاطِرَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ عَالِمَ الْغَيْبِ وَالشَّهَادَةِ أَنْتَ تَحْكُمُ بَيْنَ عِبَادِكَ فِيمَا كَانُوا فِيهِ يَخْتَلِفُونَ اهْدِنِي لِمَا اخْتُلِفَ فِيهِ مِنْ الْحَقِّ بِإِذْنِكَ إِنَّكَ تَهْدِي مَنْ تَشَاءُ إِلَى صِرَاطٍ مُسْتَقِيمٍ
    .
    “হে আল্লাহ! আপনি জিব্রীল, মীকাঈল ও ইসরাফীলের প্রভূ এবং পৃথিবীর স্রষ্টা; আপনি অদৃশ্য ও দৃশ্য সব বিষয়েই সুবিদিত আছেন। আপনার বান্দাগণ যেসব বিষয়ে পরস্পর মতভেদ করছে, আপনি তার সুমিমাংসা করে দিন। যেসব বিষয়ে তারা মতভেদ করছে তন্মধ্যে আপনার অনুমতিক্রমে যা সত্য আমাকে সেদিকে পথপ্রদর্শন করুন। নিশ্চয়ই যাকে ইচ্ছা আপনি সঠিক পথপ্রদর্শন করে থাকেন।“
    (সহীহ মুসলিম শরীফ -- ১২৮৯)

    গ্রন্থ সহায়িকাঃ
    ——-

    ১। শিয়া বিলিফ, শাইখ খালিদ মাহমুদ, পিএইচডি, ইসলামিক একাডেমি অফ ম্যানচেস্টার
    ২। হিদায়াতুস শিয়া, শাইখ খালিল আহমেদ শাহারানপুরি
    ৩। তুহফাহ ইতনা ‘আশারিয়্যাহ, শাহ আব্দুল আজিজ মুহাদ্দিস দেহলভি
    ৪। শিয়া কায় হাজার সাওলন কা জাওয়াব, শাইখ হাফিয মুহাম্মাদ মিইয়ানওয়ালউয়ি
    ৫। আকাইদুস শিয়া, মুহাম্মাদ ফারুক
    ৬। আয়াত বাইয়্যিনাত, শাইখ সাইয়্যিদ মুহাম্মাদ মাহদি আলি খান
    ৭। মাসালা তাহ্রিফায় কুর’আন পুর বিনরি টাউন কা তাহকিকি ফাতওয়া, মুফতি মুহাম্মাদ ইনামুল্লাহ
    ৮। ইরশাদুস শিয়া, শাইখ মুহাম্মাদ সরফরাজ খান, মাকতাবাহ সাফদারিয়্যাহ
    ৯। খোমাইনিজম অর ইসলাম, শাইখ জিয়াউর রাহমান ফারুকি
    ১০। শিয়াইজম এক্সপোজড, মাজালিসুল উলামা, সাউথ আফ্রিকা
    ১১। সুন্নি স্ট্যান্ড পয়েন্ট অন শিয়াস, আহলুস সুন্নাহ ওয়াল জামাত, ফর সুপ্রিম কোর্ট অফ পাকিস্থান
    ১২। দ্য ট্রুথ এবাউট শিয়াইজম, মাজালিসুল উলামা, সাউথ আফ্রিকা
    ১৩। শিয়া মাযহাব কায় চালিস বুনিয়াদি আকিদা, শাইখ আব্দুস সাকুর লখনৌভি
    ১৪। সুন্নি শিয়া মুত্তাফাকাহ তারজামাহ কুর’আন কা আযিম ফিতনা, শাইখ কাজি মাযহার হুসাইন
    ১৫। শিয়া ইতনা আশারিয়্যাহ অর আকিদাহ তাহ্রিফি কুর’আন, শাইখ মাঞ্জুর নোমানি
    ১৬। শিয়া মাযহাব, শাইখ আশিক ইলাহি বুলন্দশহরি
    ১৭। তাইদ মাযহাব আহলুস সুন্নাহ তারজামাহ রাদ রাওাফিদ, ইমাম মুজাদ্দিদে আলফে সানি
    ১৮। আসসাওয়াইকুল মুহ্রিকাহ, শাইখ ইবন হাজার আল-হাইতামি

    সুত্র

     

  6. 8
    মাহফুজ

    পাকিস্তান সৃষ্টি হয়েছিল বলেই পরবর্তীতে 'বাংলাদেশ' নামের স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সহজ ও সম্ভব হয়েছে। তা না হলে ভারতীয়দের পাশে থেকে তাদের হাত থেকে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা আদৌ সম্ভব হত কিনা তা সর্বজ্ঞ মহান আল্লাহতায়ালাই ভাল জানেন। কেউ গাদ্দারি করলে তাকে গাদ্দারই বলতে হবে। শিয়া, সুন্নি সব দলের মাঝেই গাদ্দার আছে। শিয়া সম্প্রদায়ের কতিপয় স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি গাদ্দারি করলেও ফলশ্রুতিতে আমরা অর্থাৎ বাংলাদেশের বাঙালীরা কিন্তু লাভবানই হয়েছি। সবই মহান স্রষ্টার ইচ্ছা মাত্র। যারা যেমন কর্ম করবে তারা তেমনি নাম কামাবে, ফলও পাবে এবং ইতিহাসের পাতায় তাদের স্থানটিও তেমনি হবে।
    তথ্য সমৃদ্ধ পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ-
    তবে পোষ্টের শিরোনামটি এমন হলে ভাল হত- //না জানা ইতিহাসঃ কারা সেদিন পাকিস্তান সৃষ্টি করেছিলো? এবং 'কতিপয়' শিয়া গাদ্দারদের অজানা ইতিহাস।//

    1. 8.1
      মজলুম

      হুম, পাকিস্তানের সাথে থেকে ভারত হতে আলাদা তারপর ভারতের সাথে থেকে পাকিস্তান হতে আলাদা, ভালই। হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী এই বাংলার অর্ধেক মানে পশ্চিম বঙ্গ ভারতকে দিতে কোনক্রমেই রাজি ছিলেন না, তিনি পারতেন পুরা বাংলাকে তৎকালীন পাকিস্তানের অধীনে নিয়ে আসতে কিন্তু সেখানেও আলি জিন্নাহ তাকে বুঝিয়ে নিয়ে আসে, বলে যে অর্ধেক পেয়েছে তা নিয়ে চলে আসো। পুরো বাংলাটা একসাথে থাকলে মুসলিমরাই হতো সংখ্যাগরিষ্ঠ।

      এই পোষ্টের শিরোনামের কারনে আপনারা সবাই সুন্নী হয়েও বলছেন এটা পরিবর্তন করুন, এটা ঠিক নয়। ঠিক এই জিনিসটাই শিয়াদের কাছে পাবেন না। শিয়া নেতারা, ইমামরা, আলেমরা যা বলে ও লিখে, কোন শিয়াকেই কখনোই তার প্রতিবাদ করতে দেখবেন না। এড়া ওদের আলেম, ইমামদেরকেই বেশী মানে কোরান ও হাদীসের চেয়ে, ওরা যাই বলুক না কেন তাহাই আইন, তাহাই সঠিক, এর বাইরে ওরা কেউই যায় না।  
      ধন্যবাদ

  7. 7
    মজলুম

    বাংলাদেশ পাকিস্তানকে  প্রত্যেক সূচকে পিছনে ফেলে দিয়েছে।

    ২০১২-১৩ অর্থ বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ২৭ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।
    পাকিস্তানের আয় ২৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।

    বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্য ঘাটতি মাত্র ৭ বিলিয়ন ডলার।
    পাকিস্তানের ঘাটতি ২০ বিলিয়ন ডলার।

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ২২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি। রেমিটেন্স আর্নিংএও এগিয়ে
    পাকিস্তানের রিজার্ভ ১০ বিলিয়ন ডলারেরও কম।

    বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬ দশমিক ২ শতাংশ।
    পাকিস্তানের ৩ দশমিক ৬ শতাংশ।

    বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৬৯ বছর
    পাকিস্তানের ৬৫ বছর।
    (১৯৭০-এ আমাদের গড় আয়ু ছিলো ৪৪, পাকিস্তানের ছিলো ৫৫)

    বাংলাদেশে প্রতি হাজারে এক বছরের নিচের বয়সী শিশুমৃত্যুর হার ৩৭।
    পাকিস্তানে এ হার ৫৯।

    এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুমৃত্যুর হার বাংলাদেশে ৪৬।
    পাকিস্তানে ৭২।

    বাংলাদেশে নারী শিক্ষার হার ৫০.২ শতাংশ।
    পাকিস্তানে ৪০ শতাংশ।

    গত সপ্তাহে প্রকাশ হওয়া শীর্ষ দশ সন্ত্রাসী রাষ্ট্রের তালিকায় পাকিস্তানের অবস্থান অষ্টম।
    সে তালিকায় বাংলাদেশের নাম নেই।

    বাংলাদেশে সন্তান জন্মের হার ২ দশমিক ২ শতাংশ।
    পাকিস্তানে এ হার ৩ দশমিক ৪ শতাংশ।

    গত পাঁচ বছরে পাকিস্তানে ছোট বড় মিলিয়ে জঙ্গি হামলার সংখ্যা ৬০০০-এর বেশি।
    গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশে জঙ্গি হামলার সংখ্যা ০ টি।

    ২০১৩ সালে পাকিস্তানে বড় আকারের জঙ্গি হামলার সংখ্যা ৭৫ টি।
    বাংলাদেশে ০ টি।

    ১ ডলার= ১০০.৪৮ পাকিস্তানি রুপি।
    ১ ডলার=  ৭৮.০৮ বাংলাদেশী টাকা

    গুডলাক বাংলাদেশ। ২০০১ হতে এখন পর্যন্ত প্রতি বছর ১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশী সাহায্য পায় পাকিস্তান আমেরিকা হতে।পাকিস্তানের চেয়ে চারগুন ছোট। বন্যা, জলোচ্ছাস, ঘূর্নিঝড়, নদী ভাঙনের মতো প্রাকৃতিক দূর্যোগ থাকা সত্ত্বেও দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।  ২০১২ তে পাকিস্তানের rel="nofollow"> জিও টিভিও প্রচার করে বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেছে। rel="nofollow">ডন নিউজে পাকিস্তানি ইন্টালেক্টুয়ালরা বাংলাদেশকে পাকিস্তানের রোল মডেল করার জন্যে বলছেন।
    পাকিস্তানের মূল গৃহযুদ্ধ এখনো শুরু হয়নি, শুরু হবে ২০১৫ এ আমেরিকা আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়ার পর। এ বছরের জাতিসংঘের সাধারন অধিবেশনে নওয়াজ শরীফ বারাক ওবামাকে অনেক অনুরোধ  করেন  আমেরিকার সৈন্য আফগানিস্তান ছেড়ে না যাওয়ার জন্যে, তবুও আমেরিকা চলে যাবে পাকিস্তানকে একা করে। গৃহযুদ্ব শুরু হলে বাংলাদেশ আর্মি জাতিসংঘের শান্তিবাহিনী হয়ে পাকিস্তানে শান্তি নিয়ে আসবে।

     

     

  8. 6
    মজলুম

    শিয়াদের করা সুন্নিদের প্রতি ২০ টা প্রশ্ন এর জবাব সুন্নীদের কাছ হতে। ইসলামে  ধর্মে শাহাদা পাঠ করে মুসলিম হওয়া আর শিয়া ধর্মে শাহাদা পাঠ করে শিয়া rel="nofollow">হওয়ার পার্থক্য দেখুন

  9. 5
    কিংশুক

     অনেক কিছু জানতাম। আবার নতুন অনেক কিছু জানলাম। লেখককে ধন্যবাদ।

    1. 5.1
      মজলুম

      আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।

  10. 4
    নির্ভীক আস্তিক

    অতি দুঃখজনক ভাবে আপনার এই পোষ্টের শিরোনামের নিন্দা জানাতে হচ্ছে। পোষ্টের শিরোনাম আর তার ভিতরকার অতি সরলীকরণের মাধ্যমে জাত-বিদ্বেষ প্রসূত অংশগুলো পরিবর্তন করার জন্য একান্ত অনুরোধ রইল। আজ আমাদের মুসলিমদের মধ্যকার এত বিরোধ আর বিভাজন এর কারন খুজতে আমাদের বেশিদূর যেতে হবে না, সদালাপে আমাদের অনেকের গত ৫-৬ মাসের মধ্যকার আলোচনার approach টা দেখলেই বুঝা যাবে। কুকীর্তির সমালোচনার সীমানা দায়ী ব্যক্তিদের পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকা বাঞ্ছনীয়। এই সীমানা যত সংকীর্ণ হবে ততোই মঙ্গল। পাকিস্তানের শিয়ারা যেসকল খারাপ কাজ করেছে তা শুধু দায়ী অইসকল শিয়াদের উপর চাপালেই যথেষ্ট। সাথে "একাংশ" অথবা "অনেকাংশ" এই শব্দগুলো ব্যবহার করা অধিক যুক্তিযুক্ত। এবং সেইসাথে তাদের এসকল কাজের পেছনে মূলধারার ideology-এর প্রভাব আছে কিনা সেটাও দেখে তারপর দোষ চাপাতে হবে। যদি মূলধারার ideology এর প্রভাব না থেকে থাকে তাহলে সমগ্র অর্থে এদের উপর এভাবে দোষচাপানো একটি বিদ্বেষপরায়ন মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ছারা আর কিছু নয়। বিদ্বেষ কখনই আমাদের জন্য মঙ্গলজনক কিছু নিয়ে আসবেনা।      

    তবে আপনি যে ইতিহাস লিখতে চাইছেন তা পড়ার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছি এবং এর জন্য আপনাকে সাধুবাদ রইল। আপনি যদি ইতিহাসের আলোকে অপরাধী শিয়াদেরকে  সমালোচনা করতেই চান, তবে অনুরোধ থাকবে কষ্ট করে হলেও বর্ণনাকে দীর্ঘ করার যেন আমাদের আপনাকে বুঝতে সহজ হয়।    

    1. 4.1
      মজলুম

      হাসনা ইবনে সাবা, আল-কেমি, নাসিরুদ্দিন তুসির মতো দালালদের যারা আজো নিন্দা না করে প্রসংশা করে বই, আর্টিক্যাল লিখে তাদের ঠিক কিভাবে সম্বোধন করা উচিত? ফাতেমীভাইকে দেওয়া উত্তরটা দেখে নিন।
      আমার সাথে শিয়াদের ব্যাক্তিগতভাবে কোন সমস্যা নেই, জায়গা জমি, সম্পত্তি নিয়েও তাদের সাথে কোন সমস্যা নেই। শুধু ওদের বিশ্বাস  আর কর্মকান্ড গুলো আমি তুলে ধরলাম।
      ওদের ভালো কাজগুলো কি কি আছে ইতিহাসে তা ওরা বলুক। আমি খুঁজে পাইনি! এটা হয়তো আমার জানার সীমাবদ্ধতা! কেউ জানলে তা জানাক এখানে।
      যা হোক আমার ভুল হলে আল্লাহ আমাকে ক্ষমা করুক, আমীন।

  11. 3
    মুনিম সিদ্দিকী

    একটি গোটা সম্প্রাদায়কে গাদ্দার উল্লেখ করে শিরোনাম করা ব্লগ কি ভাবে  সদালাপের মত অন লাইন জার্নালে পোস্ট হতে পারলো তা দেখে আমি অবাক হচ্ছি? হ্যা আমরা ঐতিহাসিক উপাদান নিয়ে পোস্টমর্টেম করতে পারি, দোষ ত্রুটি নির্ণয় করতে পারি কিন্তু একটি গোষ্ঠির সবাইকে গাদ্দার বলা কি বর্ণবাদের প্রচার নয়?

    @ জিয়াভাই আপনি না মানবতাবাদী? তাহলে এমন শিরোনাম ওয়ালা ব্লগকে আপনি অভিনন্দিত করতেছেন কেন? শুধু আপনার জাত দুশমন পাকিস্তানের জন্য?

    ভাই কাবায় হামলা কি সুন্নিরা করেনি, ধ্বংস করেনি? শিয়া সুন্নি সমস্যা রাজনৈতিক সমস্যা ছিলো মুসলিমরা ঐক্যের রাজনীতি ভুলে গিয়ে যখন যার গোত্র স্বার্থ বড় করে দেখা শুরু করে দিলো তখন ক্ষমতা ধরে রাখার স্বার্থে এই রাজনৈতিক বিরুধকে আকিদাগত বিরুধে রূপান্তরিত করে ফেলা হয়েছে।

    যাক শিয়াদেরকে নিয়ে আমি পড়া শুনা শুরু করেছি, আপনার এই ব্লগ আমার এই পড়াশুনায় সহায়ক হবে বলে বিশ্বাস।

    তবে পাকিস্তান সৃষ্টিকে যদি শিয়াদের ষড়যন্ত্রের ফসল বলে আপনি মূল্যায়ন করেন তাহলে তা হবে একদেশদর্শি চিন্তা।

    ধন্যবাদ।

    1. 3.1
      মজলুম

      মুসলিমদের চরম ক্রান্তিলগ্ন সময়ে যুগে যুগে যারা এভাবে মুসলিমদের সাথে গাদ্দারি করে তাদের নিয়ে কি ঠিক কিভাবে  শিরোনাম দিলে সঠিক হতো, দয়া করে বলবেন। 

      হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সময় খারেজীদের সাথে যুদ্বের সময় পাথরের গোলার আঘাতে কাবার দেওয়াল একটু ভেঙ্গে গিয়েছিলো, তবে লক্ষবস্তুটা কিন্তু কাবা ছিলোনা, ছিলো খারেজিরা, এটা ভুল করেই হয়েছিলো।

      এটার সাথে ইসমাইলীদের করা তান্ডব, ৩০ হাজার হাজীকে হত্যা এবং কালো পাথর চুরি করে ২১ বছরের জন্যে নিয়ে যাওয়া যা আব্বাসীরা অনেক কষ্টে উদ্বার করেছেন চরম হাস্যকর হবে।
      ফাতেমী ভাইকে দেওয়া রিপ্লাইটা দেখুন, শিয়াদের সাথে রাজনীতি বলে কিছুই না। এটা সত্য এবং মিথ্যার সম্পর্ক।

      পাকিস্তান সৃষ্টির পরিকল্পনাকারী ছিলো ইসমাইলীরা, বাস্তবায়নে ব্রিটিশরা। তবে হ্যাঁ কিছু ভালো মুসলিমও ছিলো ওদের মাঝে, ওরা আসলেই মুসলিমদের জন্যে ভালো মনে করেছিলো পাকিস্তান সৃষ্টিটা। ওরা বিভ্রান্ত হয়ে গিয়েছেন ঐ সময়। তবে ওরা যে আশায় পাকিস্তান সৃষ্টি করেছিলো তা পাকিস্তান এখনো অর্জন করেনি, করবেও না।  

       চিরন্তন অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী মৌলানা আজাদ আমৃত্যু হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ কতৃক প্রস্তাবিত দ্বি-জাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ১৯৪৭ সালের ভারত-ভাগকে তিনি কিছুতেই মেনে নিতে পারেন নি। তিনি শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করে গেছেন ভারত-ভাগ ঠেকানোর। কারন, তিনি বিশ্বাস করতেন এর ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানরাই সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তাঁরা উপমহাদেশের বিভিন্ন অংশে বিভাজিত হয়ে আরো সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে, সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র দুইটিতে বজায় থাকবে চিরকালীন অশান্তি, উভয় দেশেই বার্ষিক বাজেটের উন্নয়ন বরাদ্দ কমে গিয়ে সামরিক বরাদ্দ বাড়বে যাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সাধারণ জনগণ। ভারত-ভাগের এত বছর পরে, তাঁর আশঙ্কাই যেন আজ এই উপমহাদেশের জন্য চির বাস্তবতা।

      মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এর ইন্ডিয়া উইনস ফ্রীডম এই বইটা পড়ে দেখুন, অনেক তথ্য পাবেন। বাংলায় অনুবাদে এই বইটা পাবেন রকমারীতে। রিবিউ পড়তে পারেন এখানে।

      তুর্কিদের অটোমান খিলাফত ধংসের সময় মাওলানা আজাদ ভারত হতে খিলাফত আন্দোলন শুরু করেছিলেন খিলাফতটা ধরে রাখতে। এর চরম বিরোধিতা করেছিলো আলি জিন্নাহ। দেওবন্দের আলেমরা উনাকে বলতো কাফের এ আজম। কাদিয়ানি বিরোধী বিখ্যাত আলেম আতাউল্লাহ বুখারী উনাকে শুয়োর বলে ঢাকতেন।
      পাকিস্তান সৃষ্টির পর এর সেনাবাহিনী গড়ে তোলে ব্রিটিশরাই। ১৯৫৪ এর পর দুইটা চুক্তির পর যোগ দেয় আমেরিকা। এজন্যে পাকিস্তান সব সময় এই অঞ্চলে আমেরিকার স্বার্থগুলো দেখাশোনা করে। কিছুদিন আগে এক আমেরিকার গবেষক বলেছেন, আমাদের সবচেয়ে বড় বন্ধু পাকিস্তান। শুধু আমাদের জন্যেই এরা আফগানিস্তান যুদ্বে আমাদের সাথে যোগ দিয়ে নিজ দেশে গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে দিয়েছে।

       

    2. 3.2
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      @ জিয়াভাই আপনি না মানবতাবাদী? তাহলে এমন শিরোনাম ওয়ালা ব্লগকে আপনি অভিনন্দিত করতেছেন কেন? শুধু আপনার জাত দুশমন পাকিস্তানের জন্য?

      -- ঠিকই বলেছেন মুনিম ভাই। আমি মানবতাবাদী কারন আমি একজন মুসলমান। এই কারনেই আমি মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার চাই। এবং কোরানের নির্দেশ অনুসরন করেই আমি সাদাকে সাদা বলাকেই কর্তব্য মনে করি। 

      শিয়া সুন্নী ইস্যুর সর্বেশেষ আলোচনায় আপনি যদি ইরানের অবস্থান বিবেচনা করেন তাহলে মুসলিম বিশ্বে তাদের অবস্থান পরিষ্কার হবে। ইরান দীর্ঘদিন আমেরিকার বন্ধু ছিলো -- কিন্তু আইএসকে ধ্বংস করার জন্যে এখন আমেরিকার বন্ধু।
      যাই হোক -- কখনই শিয়া সুন্নী বিষয়ে ভাবতাম না -- কিন্তু কিছুদিন আগে যাকাত বিষয়ে পড়াশুনা করতে গিয়ে দেখলাম এক জায়গায় লেখা আছে যাকাত শুধুমাত্র শিয়ারাই প্রাপ্য -- নুতবা যাকাত আদায় হবে না। কারন শিয়া ছাড়া অন্য সবাই ইসলামের বাইরে। বলেই বাহুল্য বইটা শিয়াদের। সুন্নী বলতে কোন সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব নেই -- কোন নেতা নেই -- কোন কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রন নেই -- যা শিয়াদের আছে। মুলত ইসলামের নামে একটা বিশেষ সম্প্রদায় তৈরী করে এরা নিজেদের পরিচয় দেয়।

      সত্য যত কঠিনই হোক সত্যই -- এবং লেখক যা লিখেছে তা ইতিহাসে থেকে নেওয়া। তাই লেখাটা সমর্থণ করছি। 

      1. 3.2.1
        ফাতমী

        @আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন,

        লেখায় ইতিহাসকে বিকৃত করা হয়েছে, তাছাড়া পুরো লেখাটাই রেসিস্ট।  দেখুন আপনি নিজেই নিজেকে কিভাবে ভুল বুঝাচ্ছেন, "এক জায়গায় লেখা আছে যাকাত শুধুমাত্র শিয়ারাই প্রাপ্য – নুতবা যাকাত আদায় হবে না। কারন শিয়া ছাড়া অন্য সবাই ইসলামের বাইরে। বলেই বাহুল্য বইটা শিয়াদের।"-জিয়াউদ্দিন।

         

        যুক্তি ১ঃ যদি মুসলিমদের দেওয়া জাকাত পাবার হক শুধু মুসলিমছাড়া অন্য কেউ না পায়, তাহলে যদি দোষ না হয়ে থাকে, তাহলে শিয়াদের দ্বারা জাকাতের হক যদি শিয়ারাছাড়া কেই না পায়, তাহলে কি দোষ থাকতে পারে? এটা বলতে পারেন ঐ বইয়ের লেখক ও সমর্থক শিয়ারা দলাদলিতে আক্রান্ত। এই ধারণা তাদের মূল মুসলিম বডি থেকে আলাদা করে দিতে পারে।

         

        শিয়ারা তাত্বিকভাবে ভুল হতে পারে, এবং তাদের ভুল বলাতে কোন অন্যায় নাই। কিন্তু ইন্টেনশনালী একটা জাতির শুধু খারাপ দিক, এবং অনেক জায়গায় টেনে টুনে খারাপের সাথে সম্পর্কিত করা অবশ্যই রেসিসম এবং অসমর্থনিয়।

        1. 3.2.1.1
          মজলুম

          ফাতেমী ভাই, আপনার অভিযোগ আমি ইতিহাস বিকৃত করেছি, এটা দুঃখজনক। কোন ইতিহাসটা আমি বিকৃত করেছি তা উল্লেখ না বলছেন আমি ইতিহাস বিকৃত করেছি। আমি ইতিহাস হতে যুগে যুগে ওদের গাদ্দারি ও দালালিই দেখেছি, মুসলিমদের পিছনে হতে আঘাত করাকে দেখেছি। মুসলিমদের খুবই ক্রান্তিকাল সময়গুলোতে যারা কুফরের সাথে হাত মিলিয়ে  মসলিমদের সর্বনাশ করে। যার বিপরীতে ওদের ভালো বলতে হলে আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই ইতিহাসের আলোকে মুসলিমদের জন্যে ওদের ত্যাগ ও কুরবানিকে উত্থাপন করতে হবে।
          এক সুন্নি মুসলিম দালালি করলে আমি শত শত সুন্নি মুসলিমকে দেখাতে পারবো যারা ত্যাগ ও কোরবানির মাধ্যেমে সেই দালালির দুর্গন্ধ হটিয়ে দিয়েছে।  
          কিন্তু শিয়াদের মাঝে তা পাবেন না। ইয়েমেনের ইহুদি আব্দুল্লাহ ইবনে সাবা ওদের জন্মই দিয়েছে মুসলিমদের ক্ষতি করার জন্যে।

          যদি কোদালকে কোদাল, সাদাকে সাদা এবং কালো কে কালো বলা রেসিস্ট হয়, তাহলে এই পোষ্ট একটা রেসিস্ট পোষ্ট।

        2. ফাতমী

          @মজলুম,

          মজলুম ভাই, আপনি পাকিস্থান সৃষ্টি নিয়ে ইতিহাস বিকৃত করেছেন, আমি আপনাকে আগেই উল্লেখ করেছি উপরের মন্তব্য দেখুন, বাকি ইতিহাসের ব্যাপারে বলছি না। পাকিস্থানের ইতিহাস সিলেটিদের শিখানোর দরকার নেই, কারণ সিলেটিরা গণভোট দিয়ে পাকিস্থানে এসেছিল, তাই আমিও জানি বিষয়গুলি কত কম্পেক্স। তাছাড়া, আরেকটি জায়গায় আপনি ভুল তথ্য দিয়েছেন, সেটা হল, খোজা শিয়ারা হিন্দু রিতি পালন করে, সঠিক তথ্য হল, খোজা শিয়ারা সুন্নি হানেফী মাহজাবী আইন মানে না বিধায়, তাদের উপর অধিক জনসংখ্যার হিন্দু আইন কোন এক সময় সম্পত্তি নির্নায়ক হিসাবে ব্যাবঋত হয়েছিল, কিন্তু তাঁর মানে এই নয় তাঁরা হিন্দু রিতিনিতি পালন করে। 

           

          -আমরা মুসলিমরা নিজেদের ইব্রাহীমি ধর্মের অনুসারী বলি, খ্রিস্টানরাও বলে, ইহুদিরাও বলে। তাতে কি আমাদের মধ্যে যুদ্ধ হওয়া একেবারেই বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই পর্যন্ত কয়টা যুদ্ধ হয়েছে, এর হিসাব আছে? একই অর্থে শিয়া এবং সুন্নি রিলেশনসিপও, কারণ দুইটা আলাদা জাতির চাওয়া পাওয়া ভিন্ন থাকে।

           

          -কতিপয় ব্যাক্তির দোষ পুরো জাতিকে দেওয়া, এবং ইতিহাস থেকে বেঁচে বেঁচে আপনি যেভাবে এনেছেন, তাকে রেসিজমই বলতে হয়। আপনাকে উপরে বেশ কয়েকজন সাজেশেন দিয়েছেন, সেগুলো মেনে নিলে হয়ত আমার এত কিছু লিখতে হত না। আমাদের ১৯৭১ সালের ঘটনায়ও শিয়া লিংক আছে, এহিয়া খান শিয়া, জুলফিকার আলী ভুট্ট শিয়া, তাদের অধিকতর বড় জনসাধারণ বাংলার সুন্নি মুসলিমদের জন্য আলাদা কোন ভালবাসা ছিলনা। সামান্য ভালবাসা থাকলে ঠান্ডা মাথায় কেউ এধরনের ঘটনা ঘটাতে পারে না। ক্ষমতার লোভের কাছে এখানে বিবেক হেরে গেছে। কিন্তু এগুলো পুরো শিয়া-জাতির বিপক্ষে জাস্টিফিকেশন হতে পারে না। এই অপ-ঘটনা গুলির, অনেক কিছুই (১) কাকতালীয় আর কতগুলো (২)সুন্নিবিদ্দেষ থেকে উদ্ভুদ্ধ, আর কতগুলো (৩)ব্যাক্তিসার্থে উদ্ভু্‌দ্ধ, আর কতগুলো (৪)ছলনার শিকার হয়ে উদ্ভুদ্ধ, কিন্তু এগুলো শিয়াদের গাদ্দার বানিয়ে দেয় না, শুধু মাত্র (২) নম্বর কারণটা ভয়ংকর এবং সুন্নিদের মধ্যে ১০০% অনুপস্থিত। 

           

          আপনি নিজে মজলুম নাম নিয়ে অন্যদের মজলুম বানাচ্ছেন। আপনি বিদ্দেষের দ্বারা পড়িচালিত হচ্ছেন, এবং এখন আপনি আমার কোন কথাই বুঝবেন না। দয়াকরে, আমার কমেন্টগুলি পড়ে দেখুন। যদি এমন ভাবনেন কোন জাতির উদ্দোশ্যে যে "ভাল কাজ করলে বাধ্য হয়ে করেছে, আর খারাপ কাজ করলে এরা সবাই খারাপ কাজ করে"  তাহলে তাঁরা যদি তাদের কলিজাটাও কেটে আপনাকে দেয়, বলবেন বাধ্য হয়ে দিয়েছে। For them, there is no way to be good, because you are defining “bad” as themself. Where they can go? What they can do? You closed all the doors, and then you are saying, why you don’t get in the house.  This is definitely, unacceptable. Nothing to say more. Sorry My Brother, I can not approve this mentality, and you have no reason to care my approval, because I am no one, just a human being. So, Forget about me and keep writing.

        3. মজলুম

          সিলেটিরা গনভোট যে পার্টির পক্ষে দিয়েছিলো সেই অল ইন্ডিয়ান মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রথম সভাপতি ছিলেন ইসমাইলী শিয়াদের ইমাম আগা খান। আপনাদের সিলেটিরা ভোট দেওয়ারও অনেক আগে সে ব্রিটিশদের কাছে মুসলিমদের জন্যে আলাদা দেশ সৃষ্টির আহবান জানান।  

          উত্তারোধিকার সম্পত্তি বন্টনে হানাফি মাহজাবের নিজের বানানো কোন আইন নাই, ওটা সরাসরি সূরা নিসায় বর্নিত। খোজা শিয়ারা হিন্দুদের (custom) রীতিনীতি/ রেওয়াজ/ প্রথা মেনে চলে সবসময়, এখানে দেখুন।
          —-
          পৃথিবীর সবাই আদম হাওয়ার সন্তান হওয়ার পরেও কেন একে অন্যের সাথে যুদ্বে লিপ্ত হয় তা বুঝার জন্যে আব্রাহামিক ধর্মে যাওয়া লাগেনা ওটা অনেক দূরে। কারন একজন হাবীল আরেকজন কাবীল, একজন সত্যের উপর দাঁড়িয়ে আরেকজন মিথ্যার উপরে দাঁড়িয়ে। তাই দুজন কে এক পাল্লায় মাপা যাবে না।
          এক গ্রুপের জন্মই হয়েছে ইহুদী দ্বারা মুসলিমদের ক্ষতি করার জন্যে।

          আপনাকে বারবার বলেছি, আমি যদি ইতিহাস খুঁজে খুঁজে শিয়াদের খারাপ কাজগুলো তুলে ধরে ওদের খারাপ বানানোর চেষ্টা করি, তাহলে তার বিপরীতে আপনিও ইতিহাস খুঁজে খুঁজে  ওদের ভালো কাজ গুলো উঠিয়ে এনে তা ঢেকে দিন। তবে ওদের গাদ্দারীর ইতিহাসের বিপরীতে অবশ্যই আপনাকে ইসলামের জন্যে ওদের ত্যাগ, কোরবানিগুলো  তুলে আনতে হবে।  ঐ কবি, সূফি আর আল-আজহার দিয়ে কিন্তু ওদের ভয়াবহ গাদ্দারীগুলো ঢাকা যায় না।

  12. 2
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

     

    চমৎকার লেখার জন্যে ধন্যবাদ। বিশেষ করে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা এবং তা রক্ষার নামে ইসলামী আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করার বিষয়টি উঠে এসেছে আপনার লেখায়। সরলপ্রান এবং প্রায় অজ্ঞ জন্মসুত্রে হওয়ার মুসলিমদের সংখ্যাগরিষ্টতাকে একটা উপাদান হিসাবে ব্যবহার করে বৃটিশদের দালালরা যা করেছে তার ফলাফল এখনও বহন করছে পাক-ভারতের সাধারন মুসলিমরা। 

    টরন্টোর ডনমিলস এলাকায় ইসমাইলিদের একটা নুতন মিউজিয়াম চালু হয়েছে ১০০ মিলিয়ন ডলারের উপর খরচ করে। একদিকে কানাডার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী প্রচন্ড জায়নিস্ট এবং ইসলামবিদ্বেসী -- অন্যদিকে উনি ইসমাইলী নেতা আগাখানকে কানাডার অনারারী নাগরিকত্ব দিয়েছে এবং মিউজিয়াম তৈরী কাজ উন্ধোধন করেছেন। আশা করি এতে অনেক কথাই প্রমানিত হয়। 

    1. 2.1
      মজলুম

      ইসমাইলী আগা খানকে নাইট কমান্ডার অফ ইন্ডিয়ান এমপায়ার ভূষিত কি এমনি এমনি করেছে ব্রিটিশরা। ঐ সময় ব্রিটিশরা আফগানিস্তানকে দখল করতে তিনবার যুদ্ব করে, সেই যুদ্বে আগা খান ব্রিটিশদের সর্ব দিক হতে সাহায্য করে। এই উপমহাদেশের মুসলিমদের টুকরা টুকরা করে দূর্বল করার জন্যেই ব্রিটিশরা এই ইসমাইলিদের দিয়ে দ্বিজাতি তত্ত্ব আবিস্কার করে।

  13. 1
    ফাতমী

    আপনার এই লেখা অত্যান্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং মর্মাহতকর। ইমোশনাল মানুষগুলির দ্বারা পৃথিবীর অনেক ভাল কাজ হয় আবার ক্ষতির কাজও হয়। পৃথিবীর যেকোন জাতিকে একটা মার্জিন টেনে ঐ জাতির খারাপ কাজগুলিকে হাইওলাইট করলে উক্ত জাতিকে ভয়ংকর রূপে প্রতিষ্টা করা যায়। যে কাজটি সাফল্যের সাথে হিটলার জার্মানিতে করতে সমর্থ হয়েছিল ইহুদিদের বিরুদ্ধে। একটা জাতির মধ্যে খারাপ মানুষ ভাল মানুষ সবই থাকে, একটা বিশ্বাসের মধ্যেও তেমন। আপনি যেমন এখানে মীর জাফরকে হাইলাইট করলেন, ঠিক তেমন নবাব সিরাজউদ্দোলাও একজন শিয়া। ফাতিমীদ শাষকগুস্টির মধ্যে খারাপ মানুষ ছিলই, কিন্তু ভাল মানুষও ছিল। আল আজাহার বিশ্ববিদ্যালয় ফাতিমীদদের ভাল দিকের প্রমাণ রাখে।   অন্যদিকে এহিয়া খান যিনি বাংলাদেশে গণহত্যা চালানোর প্রেসিডেন্ট তিনি একজন শিয়া, তালাত পাশা  (তরুন তুর্কিদের নেতা তালাত পাশা, যারা আর্মেনিয়ান গণহত্যার মূল আসামীদের একজন) এক প্রকারের ডিফেক্ট প্রধান মন্ত্রী তুরষ্কের শেষ খেলাফতের, তিনিও ছিলেন শিয়া বা শিয়া প্রভাবিত ধর্মিয় দলের অন্তর্ভুক্ত।  আবার মওলানা জালালউদ্দিন রুমি, জাবির ইবনে হাইয়ানের মত বিখ্যাত ব্যাক্তিরা ছিলেন শিয়া। ইতিহাসের প্রথম যুগের শিয়ারা কোন ধর্মিয় দল নয় বরং এক প্রকার রাজনিতিক দল ছিল।

     

    ইস্কান্দর মির্জাই পাকিস্থানে সেনাবাহিনীকে ঢেকে এনে সেনা শাষনের ব্যাবস্থা করেন যে ফলফলে আমাদের হিসাবে ত্রিশ লাখ মানুষ মারা যায়। উল্লেখ্য, ইস্কান্দর মির্জা একজন সেকুলার। রাষ্ট্রের জন্য সেকুলারিসমে বিশ্বাস করতেন। ঠিক তেমন সেকুলার তরুন তুর্কিদের নেতা তালাত পাশা, যারা আর্মেনিয়ান গণহত্যার মূল আসামী। তাই, আমি একে দুই শহরের এক লেজ উপন্যাসের সাথে মিল রেখে বলি, দুই গণহত্যার এক লেজ বলে থাকি। কিন্তু এর মানে এই না সেকুলারদের মধ্যে ভাল মানুষ নেই।

     

    -উগ্র শিয়া বিদ্দেষ বর্জনীয়। অনুরোধ করব লেখাটাকে নিয়ে আরো ভাবুন। এবং কাউরো প্রতি কোন অবিচার করা হচ্ছে কি না ভেবে দেখুন। ধন্যবাদ।

    1. 1.1
      মজলুম

      কি আজব ব্যাপার!!! ইতিহাসের বাকে বাকে ক্রুসেডারদের সাথে হাত মিলিয়ে, হালাকু খানদের সাথে হাত মিলিয়ে, ব্রিটিশদের সাথে হাত মিলিয়ে, আমেরিকার সাথে হাত মিলিয়ে মুসলিমদের পিছনে চুরি বসাচ্ছে, সেই ইতিহাস তুলে ধরলাম, আর আপনি বলছেন শিয়া বিদ্বেষী!! গত ১০০০ বছর ধরে মুসলিমদের বিরুদ্বে দালালি করার বিপরীতে মুসলিমদের জন্যে এদের ত্যাগ, উৎসর্গ কিছু আছে নাকি যা আমি হাইলাইট করবো। আপনি আল-আজহারের কথা বলছেন, সালাহউদ্দিন মিশরে আসার পর ফাতেমি ইসমাইলিদের জেনারেল নাসি একটা চিঠি লিখে ক্রুসেডারদের কাছে ভূমধ্যসাগর হয়ে গোপনে কায়রো আক্রমন করার জন্যে। সৌভাগ্যক্রমে চিঠিটা সালাদিনের গোয়েন্দাদের হাতে ধরা খায়, সালাউদ্দিন শুধু আক্রমনের দিনটা পাল্টে দিয়ে চিঠিটা ক্রুসেডারদের কাছে চিঠিটা পৌছে দেন। তারপর ভূমধ্যসাগর পাড়ে সৈন্য সামন্ত নিয়ে উৎ পেতে থাকেন। ক্রুসেডাররা বিশাল বিশাল নৌবহর নিয়ে আলেকসান্দ্রিয়ার পাড়ে ভিড়ার আগেই সালাদিনের সৈন্যদের অগ্নি গোলার আঘাতে ভস্মিভূত হয়। ভূমধ্য সাগরেই ডুবিয়ে দেন ক্রুসেডারদের বিশাল নৌবাহিনীকে।
      ঐতিহাসিকদের মতে সেদিন ঐ চিঠিটা সালাহউদ্দিনের গোয়েন্দা প্রধান আলি বিন সুফিয়ানের হাতে না পড়লে মুসলিম বিশ্বের ইতিহাস সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে লিখা হতো। বর্তমান ৫৬ টা মুসলিম  দেশের একটা থাকতো কিনা সন্দেহ হয়। ইসলাম ধর্মটা জৈন ধর্মের মতো একটা নাম সর্বস্ব ধর্মে পরিনত হতো।
      ইতিহাসে এইরকম একটা গাদ্দারি একটা আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে ঢাকা যায় না।
      এবার চলুন দেখি আল-আজহার টা কি? এডওয়ার্ড সাইদ তার বিখ্যাত বই ওরিয়ান্টালিজমে লিখেছেন ১৭ শ শতকে নেপোলিয়ান মিশর দখল করতে এলে আল-আজহারের আলেমরা তাকে আহলান ওয়া সাহলান বলে অভিবাদন জানায়। নেপোলিয়ান মিশরে ইসলাম ধর্ম রক্ষা করতে এসেছে এই মর্মে ফতোয়া জারী করে।
      মুহাম্মদ আসাদ তার বই রোড টু মক্কাতে আল-আজহারকে তুলনা করেছেন  দঁড়ি ছেঁড়া গাভির মতো। ব্রিটিশ গোলাম বাদশাহ ফারুক হতে নাসের, সাদাত, মোবারক সহ হাল আমলের স্বৈরাচার জেনারেল সিসির বৈধতার সার্টিফিকেট দেয় এই আল-আজহার।

      পবিত্র কাবা শরীফ তাওয়াফ রত ৩০০০০ হাজীকে যারা হত্যা করে হাজরে আসওয়াদ যারা ছিনতাই করে নিয়ে যায় ২১ বছরের জন্যে, এর বিপরীতে শিয়াদের কোন পজিটিভ কাজটা এই পাপকে ঢাকবে?

      যুগে যুগে শিয়াদের এইসব গাদ্দারির বিপরিতে একজন রুমী বা কবি হাফিজকে দাঁড় করানো সম্পূর্নই হাস্যকর। গাদ্দারির বিপরীতে দাঁড় করাতে হবে ইসলামের পক্ষে ওদের ত্যাগ ও কোরবানিকে। দূর্ভাগ্য জনকভাবে তা শুন্যের কৌঠায়।
      শিয়াদের সাফাভিদ এম্পায়ার নিয়ে এই পোষ্টে কিছুই লিখলাম না, ওগুলা ছিলো আরেক হারামী।

      আমি মানি যে নিরীহ লোককে হত্যা করা পাপ, হোক সে মুসলিম, অমুসলিম, বৌদ্ব, হিন্দু, খ্রিষ্টান, ইহুদী, কনফুসিয়াস, শিয়া, সুন্নি, কাদিয়ানি ফুলস্টোপ কোন কিন্তু নাই।
      তাই সাদ্দামের ৮ বছর ধরে অন্যায় যুদ্ব ইরানের উপর চাপিয়ে দেওয়া , জিবানু ও রাসায়নিক অস্ত্রের হামলায় নিরিহ শিয়াদের হত্যা কেও নিন্দা জানাই। নিন্দা জানাই আল-কায়েদা বা আইএসের নির্বিচারে নিরীহ লোকদের উপর হামলাকেও ফুল স্টোপ কোন কিন্তু নাই।

      আমরা সুন্নিরা এই শিয়াদের প্রতি সবসময় ছিলাম সহনশীল, এরা সাহাবাদের গালাগালি দিলেও এদের বিরুদ্বে ক্ষোভ রাখতনা সুন্নিরা। একটা উধাহারন দেই,
      ইমাম আবু হানিফার(রঃ)  এর সময় ইরাকের কুফা নগরীতে এক শিয়া ছিলো। তার ছিলো দুই গাধা। এ গাধার নাম রাখে সে আবু বকর, আরেকটার নাম রাখে ওমর।(রাঃ)। ইমাম আবু হানিফা(রঃ) ঘটনাটা জানতেন। কিছু দিন পর লোকেরা এসে খবর দিলো ইমামকে, ঐ শিয়া লোকটা তার গাধার লাথির আঘাতে মারা গেছে। ইমাম সাহেব বললেন, খবর নিয়ে দেখ যেই গাধার নাম সে ওমর রেখেছে তার লাথির আঘাতেই এই শিয়া মারা গেছে। লোকেরা খোঁজ খবর নিয়ে এসে ইমাম সাহেবকে জানাল আসলে একেবারেই ঠিক। যেই গাধার নাম সে ওমর রেখেছে তার লাথি খেয়েই ঐ শিয়াটা মারা গেছে।  

      আর এখন, আমরা সুন্নিরা একটু বেকায়দায় আছি বলি এই শিয়ারাও আমাদের লাথি মারে।

      1. 1.1.1
        ফাতমী

        @মজলুম, আপনার প্রতি উত্তর দেখে আমি ধরে নিচ্ছি আপনি আমার কথা বুঝবেন না। তবুও দায়িত্বের খাতিরে কিছু লিখতে হচ্ছে।

         

        1. শিয়ারা শিয়াদের নিজেদের লাভ ক্ষতি দেখবে এটাই স্বাভাবিক। প্রতিটি জাতি তাদের নিজেদের লাভ ক্ষতি দেখে। যদি প্রশ্ন করা হয় খ্রিস্টানরা মুসলিমদের জন্য কি কি করল? ইহুদিরা মুসলিমদের জন্য কি কি করল? এর উত্তর কি পাবেন? তাই ঠিক তেমননি শিয়ারা সুন্নিদের জন্য কি কি করল এর উত্তর ঐ প্রথম পয়েন্টের আলোকেই বিবেচিত করতে হবে।

        2. সুন্নিদের মধ্যে যদি আল সিসি থাকতে পারে, যে এই কিছুদিন আগে (নট শত বছর আগের ইতিহাস যা নিয়ে বহু বিতর্ক করা যায়) গাজা শহরের পাশে সিনাইয়ে আক্রমণ করল, কারণ সিনাই থেকে গাজা সহায়তা যায়, তাঁর মত ব্যাক্তি থাকতে পারে, তাহলে শিয়াদের মধ্যে কেন এমন ব্যাক্তি থাকতে পারে না? যে মোবারক ফিলিস্থিনে সীমান্ত আবরোধ দিয়ে কার্যত বন্দী শিবিরে পরিনিত করেছিল, ঠিক তখন অন্যরা কি করল? তাহলে দাঁড়ায় কি? কিছু সুন্নি যদি জয়োনিস্টদের সাথে হাত মেলায়, তাতে যদি সকল সুন্নিদের দোষ না হয়ে থাকে, তাহলে কিছু শিয়া যদি ক্রসেডারদের সাথে হাত মেলায়, তাতে সকল শিয়াদের কোন দোষ নেই। তাছাড়া, আপনি শুধু সালাউদ্দিনের ইতিহাস আনলেন, সালাউদ্দিনের আগ থেকেই ফাতিমিদরা ক্রসেডারদের সাথে যুদ্ধ করতেছিল। সে ইতিহাস তুলে আনেননি। সালাউদ্দিনের সময় অপদার্থ ফাতিমিদরা ক্ষমতায় ছিল। যেমন বর্তমানে বহু রাষ্ট্রে দেখা যায়, ফিলিস্থিনের ব্যাপারে প্রতিবাদটুকুও করে না। উল্লেখ্য, জর্ডানও সুন্নি; কিন্তু ক্ষমতা রক্ষার জন্য ও রাজনিতিক কারণে ফিলিস্থিনের শিবিরেও আক্রমণ করেছিল যে আক্রমণের নেতৃত্ব দিয়ে ছিলেন পাকিস্থানের বিখ্যাত জিয়াউল হক, তখন PLO এর সদর দপ্তর জর্ডান থেকে সরিয়ে লেবাননে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। (আমি কোন দেশকে একক ভাবে দোষ দিচ্ছি না, জর্ডানকেও না, কারণ জর্ডানের চোখে বিষয়গুলি অন্য রকম)

        3. শিয়ারা ফিলিস্থিন আন্দলনে সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে, এখন শিয়াদের ভাল কাজ গুলি যদি ছেকে ছেকে বাদ দিয়ে দেন, তাহলে তাদের শুধু খারাপ কাজই বাকি রাখবেন দর্শকের জন্য। আপনিই পশ্চিমাদের দায়ী করে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘর্ষের জন্য। শিয়ারাই কিন্তু ইরান থেকে পশ্চিমাদের দূরে সরিয়ে দিয়েছে।

        4. সম্রাজ্যবাদীরা সব সময়ই সংখ্যা লঘুদের ব্যাবহার করে, কারণ অনেক সময়ই সংখ্যা লঘুদের কিছু আভিযোগ ও দুঃখ থাকেই। আর সেগুলোকেই ব্যাবহার করে সংখ্যাগুরুদের উপর ক্ষেপিয়ে দেওয়া সহজ। সে জন্যই মুসলিমদের মধ্যে সংখ্যা লঘু শিয়াদের ব্যাবহার করে। এ জন্য দেখা যায় সিরিয়াতে তাঁরা শিয়াদের ক্ষমতায় দিল যেখানে শিয়ারা সংখ্যালঘু, আর ইরাকে দিল সুন্নিদের কাছে যেখানে সুন্নিরা সংখ্যালঘু। ভাবখানা এমন "যাও বাবা তোমরা মারামারি করে মরো"। 

         

        তাছাড়া পাকিস্থান আন্দোলন নিয়ে যা লিখেছেন তা ঐতিহাসিক বিবেচনায় সঠিক নয়। কারণ পাকিস্থান আন্দোলন বহু কম্লেক্স ঘটনার মাধ্যমে গিয়েছে যা নিয়ন্ত্রন করা মানুষের পক্ষে সহজ নয়, তথাপি বহু সুন্নিও এই আন্দোলনের সাহিত সরাসরি ভাবে যুক্ত ছিল। পাকিস্থান সৃষ্টির দায় ইসমাঈলিদের নয়, যা আপনি টেনে টুনু তাদের উপর ফালিয়েছেন। এটা ইতিহাসের প্রতি অবিচার। পাকিস্থান সৃষ্টির আগ মুহুর্ত্বে এমন হয়েছিল, যে মুসলিমরা নিজেদের নিজেরাই ছোট জাত মনে করত, তাদের যে ইতিহাস আছে সেটাও জানত না। পাকিস্থান আন্দোলন করেছে, এমন কেউ আপনার পাশে জীবিত থাকলে তাঁকে গিয়ে জিজ্ঞাসা করতে পারেন, কি পরিমান ভয়ংকর পরিস্থিতি ছিল।  

         

        সর্বশেষে, এই কথাই বলতে চাই ঘৃনার বানিজ্য আজকের পৃথিবীতে হট কেক, মুক্তমনারা ঘৃনার ব্যাবসা চালায়, আলি সিনারা চালায়, উগ্র গোস্টিরাও চালায় এক দল আরেক দলের বিপক্ষে। এতে হামলা হয় স্কুল থেকে মসজিদ পর্যন্ত। এই ঘৃনা চক্র থেকে বেরিয়ে আসার পথ, যদি পারেন তাহলে বের করুন। যদিও জানি সমুদ্রে যখন ঝড় উঠো, তখন আমার মত ছোট খাট মানুষকে যদিও এমনিতেই উড়িয়ে নিয়ে যাবে। আমার বক্তব্য এখানেই শেষ, ভাল থাকুল।    

        1. 1.1.1.1
          মজলুম

          ফাতেমী ভাই, আমি কেন বরাবরই এদের মুসলিমদের বিরুদ্বে সকল ষড়যন্ত্র তুলে আনলাম তার কারন হলো এদের ধর্মীয় বিশ্বাসগুলো আমি ভালো ভাবেই জানি, শুধু ওদের লিখা বই বা আর্টিক্যাল পড়ে নয়, ওদের সাথে চলাফেরা করে ওদেরকে খুব কাছ হতে দেখিছি যা আপনাকে এই সদালাফে লিখে বুঝাতে পারবো না। ইমাম হোসাইনকে(রঃ) কে কুফার শিয়ারাই হত্যা করেছে আর দোষ দেয় ইয়াজিদ(রঃ) উপর, তাকে হত্যা করে সেই যে বুক থাপড়ানো শুরু করেছে এখনো তাই করে যাচ্ছে।এই শিয়াদের সবচেয়ে বড় শত্রু ইহুদী, খ্রীষ্টান কেউই নয়, এদের বড় শত্রু সঠিক ইসলামের অনুসারী সুন্নীরা। এদের মতে rel="nofollow">সুন্নিরা হলো উমাইয়া, ইয়াজিদ(রাঃ) এবং মুয়াবিয়া(রাঃ) এর বংশধর। তাই সুন্নীদের বিরুদ্বে এদের মূল কাজ হলো হয়তো শিয়া ধর্মে কনভার্ট করা নয়তো যেকোন ভাবে ক্ষতি করা, ক্ষতির সুযোগ না থাকলে তাকিয়া করা(তোমরাও মুসলিম, আমরাও মুসলিম বলে)। প্রত্যেক সুন্নি মুসলিমকে এরা নুসাইবি বলে, এদের মতে নুসাইবিরা ইহুদি, খ্রিষ্টান, মুশরিক দের চেয়েও খারাপ, এমনকি কুকুরের চাইতেও খারাপ এই নুসাইবিরা। এদের মতে যেকোন সুন্নি, যদি সে আবু বকর(রঃ), ওমর(রঃ), উসমান(রঃ), আয়েশা(রঃ) সহ সকল সাহাবিকে কাফির মনে না করে এবং তাদের প্রতি লানত না দেয় তাহলে সেও নুসাইবি।এমনকি যারা শিয়া ইমামিয়াতে বিশ্বাসী না সেও নাসাইবি.দেখুন সুন্নিদের প্রতি rel="nofollow"> এরা কেমন ধারনা পোষন করে।
          শিয়াদের তুচ্ছ ভাবা ভুল হবে, এরা যে বিশ্বাস লালন করে, তা জান প্রান দিয়ে প্রতিষ্ঠা করবে।
          ইহুদি rel="nofollow">আবদুল্লাহ ইবনে সাবার সৃষ্টি এই শিয়া মতবাদ শিয়া সোর্স গুলো স্বীকার করে, এমনকি ইহুদীরাও স্বীকার করে।
          শিয়ারা কৌশলে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করে বোকা বানায়, দেখুন শেখ আদনানের ব্যাখ্যা। আর এদের তাকিয়া দেখলে সয়ং শয়তানও হতভম্ব হয়ে যাবে।

           

          ১= আপনার কথা ঠিক আছে, যে কেউই  তার লাভ ক্ষতি দেখবে। ইহুদী খ্রিষ্টানরাতো আমার সামনা সামনি যুদ্ব করে, আমি তাদের চিনি, কিন্তু যারা পিছন দিক হতে চুরি চালায় তারা অবশ্যই তারাতো ইহুদীদের চেয়েও নিকৃষ্ট।
          ২=এইতো আপনি বুঝতে পারছেন। যদি সুন্নিদের মধ্যে সিসি থাকতে পারে তাহলে শিয়াতে কেন নয়। কিন্তু আমার পয়েন্ট হলো সুন্নিদের মধ্যে একটা সিসি থাকলেও শত শত সুন্নি আছে শত্রুর বিরুদ্বে লড়াই করতে, ইসলামের জন্যে সবকিছু উৎস্বর্গ করতে বিপরীতে সারা ইতিহাস জুড়ে শিয়াদের শুধু গাদ্দারিই আছে। সালাহউদ্দিনের আগে ক্রুসেডার সাথে মানে প্রথম ক্রুসেডে ইহুদিরাও যুদ্ব করেছে তাতে কি! ফাতেমিরা করেছিলো লেজে পা পড়ায়, মুসলিম রক্ষার জন্যে নয়।
          ৩= শিয়ারা ফিলিস্তিনি আন্দোলনে ঠিক কেমন সহযোগিতা করেছিলো? এদের কাজতো ফিলিস্তিনি মুসলিমদের শিয়া ধর্মে কনভার্ট করা।  সিরিয়ায় ফিলিস্তিনি শরনার্থী ক্যাম্প ইয়ারমুকে কিভাবে ফিলিস্তিনিদের হত্যা করছে এই rel="nofollow">ইরান/সিরিয়া/হিজবুশয়তান মিলে,দেখুন।  রেজা শাহ পাহলভির সময় তার খয়ের খা ছিলো ইসরাইল। রেজা শাহয়ের গদি উল্টানোর পর তাই ওরা ইসরাইল বিরোধিতা করে। তাছাড়া ১৯৫৩ তে ইরানের প্রেসিডেন্ট মোসাদ্দেককে উৎখাত নিয়ে পশ্চিমাদের সাথে বিরোধ বাড়ে অনেক আগ হতেই। আমেরিকাকে বের করে দিয়ে রাশিয়াকে বরন করে নিলে ঠিক কি ধরনের মহৎ কাজ হয়।
          ইসরাইলের সাথে অনেকগুলা যুদ্বও করলো এই মিশরের নাসের, সাদাত, সিরিয়ার হাফেজ আসাদ, জর্ডানের আগের কিং আবদুল্লাহ। তো ইসরাইলের বিরুদ্বে এই আরব সেক্যুলার বার্থ পার্টির লোকেরা যুদ্ব করলে কি এদের হাতে থাকা নিস্পাপ মুসলিমদের রক্ত মুছে যাবে নাকি? সে তুলনায় ইরান তো নস্যি।
          ৪=  ফাতেমি এম্পায়ার, সাফাভিদ এম্পায়ার এরা মাইনরিটি ছিলো কোথায়, এরা ছিলো অনেক শক্তিশালী। হাজরে আসওয়াদ ছিনতাই কারী ইসমাইলীরা মাইনরিটি কোথায় ছিলো? ওদের এক শক্তিশালি সম্রাজ্য ছিলো বাহরাইনের পাশ গেসে। আব্বাসীয় খিলাফতের ২১ বছর লেগেছিলো এদের হাত হতে কালো পাথরকে উদ্বার করতে, এরা এমনই  শক্তিশালি ছিলো।

          পাকিস্তান আন্দোলনের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলো ইসমাইলিরা, বাস্তবায়নে ছিলো ব্রিটিশরা যদিও বিষয়টা মাল্টি-কম্প্লেক্স ছিলো। এ বিষয়ে বিস্তারিত লিখবো সামারি পোষ্টে।
          ধন্যবাদ

        2. তুহিন

          আল্লামা রূমী শিয়া ছিলেন, এই আজগুবি তথ্যটি কোথায় পেলেন? 

Leave a Reply

Your email address will not be published.