«

»

Mar ১৮

বিংশ শতাব্দীতে মুসলিমদের পতন ও যেভাবে মুসলিমরা বিজয়ী হবে। পর্ব ১

পৃথিবীতে অনেক জাতির উত্থান হয়েছে এবং কালের প্রবাহে তা হারিয়ে গেছে। হাজার বছরের রোমান সম্রাজ্য আজ ইতিহাস, গ্রিস সম্রাজ্যের কথা বইতে পাওয়া যায়। পরাক্রমশালী তাতারী চেঙ্গিস সম্রাজ্য ও আজ আর নেই। সূর্য অস্ত না যাওয়া ব্রিটিশ সাম্রাজ্যে আজ কোথায়? অপরাজিত সোভিয়েত ইউনিয়ন ও তাদের রেড আর্মি আজ আর নাই। মুসলিমরাও এক সময় অর্ধ পৃথিবী শাসন করেছে। কিন্তু মুসলিমদের সাথে অন্য জাতির মধ্যে পার্থক্য হলো ন্যায় বিচার, সুশাসন। রোমান সম্রাজ্যের সবকিছুই বানানো হয়েছে দাসদের দ্বারা, খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহন করার আগে প্যাগন রোমানরা পাইকারিভাবে খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের হত্যা করতো, জেরুজালেম কে ধংস করেছে রোমানরা। সাধারণ লোকদের গিনিপিগের মতো ব্যবহার করে সাম্রাজ্যকে শক্তিশালি করতো রোমানরা, এই প্রথা পরে জার্মান নাৎসি ও কম্যুনিস্ট রাষ্ট্রগুলো গ্রহন করে। গ্রীকদের ইতিহাস ও বর্বর ও জঘন্য। পশ্চিমা ঐতিহাসিকেরা আলেক্সান্ডার এর নামের পর গ্রেট! উপাধি দেয়, যে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বন্য পশুর মতো শহর ও গ্রামের লোকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তো। তাকে হিটলারের জনক বলা যেতে পারে। থিবিয়ান শহরের  উপর গণহত্যাকে অনেকে থিবিয়ান হলোকাস্ট বলে যা সে করেছে। পারস্য সম্রাজ্যের রাজধানী পারসেপোলিস কে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে সে, যরোস্টিয়ান ধর্মের মন্দির পোড়ানো, ধর্মগুরুদের হত্যা করেছে পাইকারি ভাবে। আলেক্সান্ডারের ভারত অভিযান ছিলো আরো রক্তাক্ত এবং বর্বর। তখনকার শহর মাল্লি(পান্জাব) কে দখল করে পাইকারিভাবে নারী, শিশু সহ সবাইকে হত্যা করে লাশের স্তুপ করেছে শহরজুড়ে। ভারতে করা তার গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ ছিলো পারস্য সম্রাজ্যের চেয়েও ভয়ংকর। বেকত্রিয়া ও  সোগডিয়ান শহরে তার ধংসযজ্ঞ মাল্লি শহরের চেয়েও ভয়ংকর ছিলো।
তাতারি চেঙ্গিস খানের বর্বরতা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। ব্রিটিশদের দুইশো বছরের শোষণে শোষিত মানুষের ক্রন্দন ধ্বনি আজো শোনা যায় আফ্রিকা ও এশিয়া মহাদেশে

পৃথিবীর ইতিহাসে যা আগে হয়নি তা করেছে ইউরোপিয়ান খ্রিষ্টান উপনিবেশবাদীরা। তিন তিনটা মহাদেশ দখল করে স্থানীয়  অধিবাসীদের হত্যা করে নিজেদের দখলে নিয়েছে। নর্থ আমেরিকায় তার আসল নেটিভ ইন্ডিয়ানদের সংখ্যা হবে ২৫ লাখের মতো, সাউথ আমেরিকায় ও প্রায় একি রকম। আর অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে তার অধিবাসী এ্যাবোরোজিনালদের সমূলে উখ্যাত করা হয়েছে, কিছু আছে এখন শুধু জাদুঘরের মতো। ১৭৭৬ সালে জর্জ ওয়াশিংটনের মাধ্যেমে ১৩ টা স্টেটকে স্বাধীন করে ব্রিটিশ উপনিবেশিক হতে। আমেরিকার ফাউন্ডিং ফাদার নিজেই ছিলেন একজন ইমপিরিয়ালিস্ট(কানাডা দখলের অভিপ্রায়)। এই ১৩ টা স্টেট ছাড়া আর যত স্টেট বর্তমানে আমেরিকার আছে, সবই হয়তো জোর করে দখল করা নয়তো আমাদের দেশের ভূমি দস্যুদের মতো নাম মাত্র দামে, ভয় দেখিয়ে দখল করে নিয়েছে। ক্যালিফোর্নিয়া, নেভাদা, আরিজোনা সহ আশে পাশের কয়েকটা দখল করেছে মেক্সিকো হতে ১৮৪৮ সালে। টেক্সাস দখল করে ১৮৪৫ সালে, ওরিগন দেশটা (বর্তমান ওয়াশিংটন ও ওরিগন স্টেট) কিনে নেয় আরেক উপনিবেশিক ব্রিটিশ হতে। এইভাবে সব স্টেট দখল করে নেয়। পরে মেইনল্যান্ড হতে একটু দুরে হাওয়াই রাজ্য দখল করে। উপনিবেশিক শুরু করে ওয়েষ্ট ইন্ডিসের অনেক দেশে, কুবা, পুয়েত্রো রিকা, আফ্রিকার লাইবেরিয়া, এশিয়ার ফিলিপিন্সে। সাদা আমেরিকায় আগে ইহুদী, ইটালিয়ান, এশিয়ান ও আইরিশ ইমিগ্রেন্টদের সাথে সাদারা কেমন ব্যবহার করতো তা জেনে নিন

কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের পর আমেরিকা এক নতুন ওয়ার্ল্ড অর্ডার শুরু করে, গতানুগতিক উপনিবেশবাদ নিজেও বন্ধ করে, ব্রিটিশ ও ফ্রান্সকেও উপনিবেশবাদ ছাড়তে উৎসাহিত করে। এই নিউ ওয়ার্ড অর্ডার কি ও কেন করা হয়ে তা পরের দিকে আসছে, তার আগে মুসলিম শাসনের উপর একটু চোখ বুলিয়ে নেই। মুসলিম শাসনের উপর নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গীর কয়েকজন বিখ্যাত অমুসলিমের কিছু লাইন লিখবো। ইউরোপিয়ান লেখকদের মধ্যে যে প্রথম মুসলিমদের উপর নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে লেখে সে হলো থমাস কার্লাইল, আরেকজন হলেন ব্রিটিশ দার্শনিক ব্রাটেন্ড রাসেল ও জর্জ বার্নার্ড শ।  ব্রাটেন্ড রাসেলের মতে, ইহুদীদের যারা সবচেয়ে বেশী অধিকার দিয়েছে গত ১৪০০ বছর জুড়ে তা হলো মুসলিমরা। তার বই হিস্টোরি অফ ওয়েস্টার্ন ফিলোসোফিতে মুসলিমদের অভিযান গুলোকে বর্ননা করেছেন দারুনভাবে। যে মুসলিমরা কোন দেশ দখল করে তার সিভিলিয়ান স্ট্রাকচারটা অক্ষুন্ন রাখতো, কারো ক্ষয় ক্ষতি করতো না। অমুসলিমরা কাজ করতো সেখানে কোন সমস্যা ছাড়াই। হান্টিংটনের সভ্যতার সংঘাত থিওরি বের হওয়ার পর যে কয়জন তার থিওরীকে অকেজো করেছেন তার মধ্যে কলোম্বিয়া ও হার্ভার্ডের প্রফেসর এডওয়ার্ড সাইদ ও অমৃত্য সেন উল্লেখযোগ্য। এডওয়ার্ড সাইদের ওরিয়েন্টালিজম বইতে তিনি গত ৭০০ বছর ধরে চলা ইউরোপিয়ান খ্রিষ্টানদের ইসলাম ও মুসলিম বিরোধী অপপ্রচার তুলে ধরেছেন, কিভাবে তারা ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্বে অপপ্রচারকে প্রাতিষ্ঠানিক রুপ দিয়েছে।  তার মৃত্যুর আগে আমেরিকাতে যেই লোকটা ফিলিস্তিনিদের পক্ষে সবচেয়ে বেশী কাজ করেছেন সে হলো এডওয়ার্ড সাইদ। সে একজন ফিলিস্তিনি খ্রিস্টান। ইসরাইলের ফিলিস্তিন দখলের পর তিনি উদ্বাস্তু হয়ে মিশরে চলে যান বাল্য কালে। হার্ভার্ডের প্রফেসর এবং নোবেল জয়ী অমৃত্য সেন হলেন বাঙালি হিন্দু, বড় হয়েছেন পুরান ঢাকার ওয়ারিতে। ছোটবেলায় দেখেছেন ৪৭ এর আগের কার হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা। সে তার বই ডেভেলোপম্যান্ট এজ ফ্রীডমের ইসলামিক টোলারেন্স অধ্যেয়ে লিখেছেন যে, যুগে যুগে মুসলিমরাই সবচেয়ে বেশী সহনশীলতা দেখিয়েছে। উনি ইতিহাস হতে অনেকগুলো উধাহারন তুলে ধরেছেন। সেগুলো হলো, ইহুদী দার্শনিক মাইমুনাদ ১২শ শতাব্দিতে অসহনশীল ইউরোপ হতে পালিয়ে এসে স্হান পান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর কাছে কায়রোতো। ইউরোপিয়ান ক্রুসেডারদের জেরুজালেম দখলের সময় তাদের বর্বরতা, পরে সালাউদ্দিন দ্বারা স্বাধীন হবার পর কোন প্রতিশোধ নেননি খ্রিস্টানদের উপর, কি সহনশীলতা মুসলিমদের। অটোমান তুর্কি খেলাফত ছিলো তাদের সম সাময়িক ইউরোপিয়ান সম্রাজ্য গুলো হতে সহনশীল। ভারতে মুঘল সম্রাট আকবর, যিনি মুসলিম হয়ে জন্ম ও মৃত্যুবরন করেছেন। সে যখন ভারতে অমুসলিমদের অধিকার দিতো, তখন ইউরোপে জিয়োর্ডানো ব্রুনো সহ নারীদের উইচ হান্টের নামে পুড়িয়ে মারা হতো।

উত্থান ও পতনের, জোয়ার ভাটার এই পৃথিবীতে মুসলিমদের ও ভাটা চলেছিলো গত ২০০ বছর ধরে। অটোমান তুর্কি খেলাফত ও দূর্বল হয়ে গিয়ে পড়েছিলো। বসনিয়া, কসোভো, মেসোডোনিয়ার বলকান অঞ্চলে ন্যাশনালিজমের জোয়ারে ভাসে, জোয়ারে ভাসে আরব ন্যাশানালিজম। এরা জার সম্রাজ্য আর আরবরা ব্রিটিশদের সাহায্য নিয়ে তুর্কি খেলাফতের বিরুদ্বে যুদ্ব করা শুরু করে। সূদুর ইস্তাম্বুল হতে মদিনা শহর পর্যন্ত ছিলো তুর্কি খেলাফতের গড়া রেল লাইন। আরব ন্যাশানালিস্টরা ব্রিটিশদের হতে সাহায্য নিয়ে সেই রেল লাইন উপড়ে ফেলে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে ও পরে ব্রিটিশ গোয়েন্দা লরেন্স, যে লরেন্স অফ এ্যরাবিয়া নামে খ্যাত, তার নেতৃত্বে আরবরা তুর্কি খেলাফতের বিরুদ্বে বিদ্রোহ করে। এই আরব জাতিয়তাবাদীদের সাহায্যে ব্রিটিশরা ফিলিস্তিন দখল করে ফেলে তুর্কি খেলাফত হতে, দখল হয় ইরাক। তুর্কি খেলাফত হতে আরবদের সাহায্যে সিরিয়া ও লেবানন দখল করে নেয় ফ্রান্স। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর তুর্কি খেলাফত শুধু তুর্কিতেই সীমাবদ্ব। পরে কামাল আতাতুর্ক দ্বারা এই নাম মাত্র খেলাফতকেও ধংস করা হয়। ১৩০০ বছর পর এই প্রথম মুসলিম বিশ্ব খলিফা বিহীন, পুরা এতিমের মতো। খলিফা মূলত মুসলিমদের অভিবাবক। ১৩০০ বছর পর এই প্রথম বিশ্ব রাজনীতির  স্টেজে মুসলিমরা নেই, যে যেভাবে পারছে ফুটবলের মতো খেলছে মুসলিমদের নিয়ে। খিলাফতের সময় খলিফা সকল মুসলিমকে আগলে রাখতো নিজের মতো করে, ঠিক যেমন একটা মুরগী তারা ছানাদের ডানার নিচে একসাথে আগলে রাখে। খিলাফত ব্যবস্হা ধংসের পর মুসলিমদের মধ্যে নিত্য নতুন দল, মতবাদ ও ফেরকাবাজি খুব বেড়ে যায়। ১৩০০ বছর ধরে মুসলিমদের মধ্যে যত ফেরকা হয়নি, খেলাফতহীন গত ১০০ বছরে তার চেয়েও কয়েকগুন বেশী হয়েছে। তার উপর যোগ হয়ে কম্যুনিজম, সোশালিজম, ব্যাথিজম, ন্যাশানালিজমের মত মরার উপর খাড়ার ঘা।  
                                                                                                                   
                                                      চলবে………………………..

৪০ comments

Skip to comment form

  1. 40
    সজল আহমেদ

    মজলুম। লেখাটি প্রথম পড়ি ফেসবুকে কেউ কপিপেস্ট করেছিলো সেখান থেকে। এত উত্তেজনা নিয়ে পড়ছিলাম যে পূর্বে এরকম উত্তেজনা নিয়ে কোন ইতিহাস আমি পাঠ করিনি।এর জন্য লেখকের উপস্থাপনা ভঙ্গির প্রশংসা না করে পারা যায় না।সর্বোপরি কঠোর পরিশ্রম ও সুন্দর উপস্থাপনার জন্য আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ।আসলে আমদের এমন ইতিহাস চর্চা করানো হয় যে অত্যাচারী বর্বরকেও “দি গ্রেট” হিসাবে চিনতে জানতে শুরু করে দিই।
    পয়েন্টসঃ

    প্যাগন রোমানরা পাইকারিভাবে খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের হত্যা করতো, জেরুজালেম কে ধংস করেছে রোমানরা।

    রোমানদের বর্বরতার ইতিহাস ছাত্রদের পাঠ্য বই থেকে অসৎ ভাবে লুকিয়ে ফেলা হয়।এতে তাদের মূলে কি ফয়দা হয় আমার বোধগম্য নয়!রোমানরা যেমন সভ্যতার ইতিহাস বহন করে তদ্রুপ তাঁরা অসভ্যতা,হিংস্রতা বা বর্বরতার ইতিহাস ও বহন করে।কিন্তু তাদের অসভ্যতাকে ঝেড়ে মুছে সভ্যতাকেই শুধু আমরা পাঠ করে এসেছি।

    ঐতিহাসিকেরা আলেক্সান্ডার এর নামের পর গ্রেট! উপাধি দেয়, যে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বন্য পশুর মতো শহর ও গ্রামের লোকদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তো। তাকে হিটলারের জনক বলা যেতে পারে। থিবিয়ান শহরের উপর গণহত্যাকে অনেকে থিবিয়ান হলোকাস্ট বলে যা সে করেছে। পারস্য সম্রাজ্যের রাজধানী পারসেপোলিস কে মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছে সে, যরোস্টিয়ান ধর্মের মন্দির পোড়ানো, ধর্মগুরুদের হত্যা করেছে পাইকারি ভাবে। আলেক্সান্ডারের ভারত অভিযান ছিলো আরো রক্তাক্ত এবং বর্বর। তখনকার শহর মাল্লি(পান্জাব) কে দখল করে পাইকারিভাবে নারী, শিশু সহ সবাইকে হত্যা করে লাশের স্তুপ করেছে শহরজুড়ে। ভারতে করা তার গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ ছিলো পারস্য সম্রাজ্যের চেয়েও ভয়ংকর। বেকত্রিয়া ও সোগডিয়ান শহরে তার ধংসযজ্ঞ মাল্লি শহরের চেয়েও ভয়ংকর ছিলো।

    মাইকেল এইচ হার্ট এর “দ্যি হান্ড্রেড” পাঠ করে আলেকজান্ডারের ভক্ত হয়ে গিয়েছিলাম এক সময়।কিন্তু তাঁর সম্পূর্ণ ইতিহাস পাঠে তাঁর বর্বরতা এতটাই মনে দাগ কাটলো যে আমার এক সময়কার কল্পনার মহানায়ক(!) কে ছুড়ে অত্যাচারী খলনায়কদের কাতারে ফেলতে হলো।পৃথিবীতে যত গণহত্যা সংগঠিত হয়েছে তাঁর ১ নম্বরের কাতারে তাঁকে রাখা যায় বিনাদ্বিধায়।ভালোই বলেছেন “তাকে হিটলারের জনক বলা যেতে পারে।” শুধু হিটলার কেন হালের সকল গণহত্যাকারীকেই তাঁর ভাবশিষ্য বলা যেতে পারে।চেঙ্গিসের কথা সর্বজনবিদিত।চেঙ্গিসের জীবনে কোন ভালো দিক ইতিহাসে আমি পড়িনি।আর সম্রাজ্যবাদীদের ইতিহাস পাঠ যে কাউকে দুঃখিত করবে।এই যে লক্ষ লক্ষ নেটিভ আমেরিকান মেরে মেরে বস্তা ভরে, তাঁরা প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন।পিশাচের মত আফ্রিকানদের দাস বানিয়ে (এখনো তাঁরা আফ্রিকানদের সে চোখেই দেখে) আজ তাঁরা প্রগতিশীলতার ভেক ধরে বসে আছেন।
    এই ঔপনিবেশিকরা এখনো তাদের সম্রাজ্যবাদকে তোষন করে আসছেন।শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে হাজার হাজার শিশু নারী মেরে লাশের স্তুপ করতে তাদের হাত কাঁপেনা।
    অপরদিকে মুসলমানরা এ জাতীয় কলঙ্ক থেকে মুক্ত হয়েও ইতিহাসে তাদের খলনায়ক হিসাবে দেখানোর চেষ্টা হয় বা হচ্ছে।তাদের অহরহ আক্রমণ করা হচ্ছে,শোষন করা হচ্ছে।সম্রাজ্যবাদীরে টার্গেট এখন নেতৃত্বহীন মুসলমান।এর পেছনে মুসলমানদের একতার ও নেতৃত্বদানকারীর অভাবকে দায়ী করা যায়।কিভাবে সম্রাজ্যবাদীদের লোভ ক্ষোভ,বর্বরতা ইত্যাদির বিপক্ষে লড়াই করা যায় এর জন্য অবশ্যই একজন নেতৃত্বদানকারী প্রয়োজন
    মুসলমানরা যদি একতাবদ্ধ না হন বা তাদের একজন নেতৃত্বদানকারী না থাকে তাহলে মুসলমানদের ভবিষ্যৎ এতটাই অন্ধকার যে,তা ভাবলেও গা শিহরিত হয়!

  2. 39
    মজলুম

    @শামস: এরা কাপুরুষ, কাপুরুষরাই আড়ালে আবডালে থেকে বিষাক্ত নিঃশ্বাস নেয় আর কামড়ানোর জন্যে উৎপেতে থাকে, কারন সামনা সামনি মোকাবেলা করার সৎ সাহস এদের নেই। পাঠ ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যাবদ

  3. 38
    মজলুম

    @সত্য সন্ধানী: রায়হান ভাইয়ের লেটেস্ট পোষ্ট দেখেন। এরা শক্তিমানের পূজা করে, সে ভালো না খারাপ তা যাচাই করেনা। সাদারা এখন শক্তিতে আগায়া আছে বলেই এরা সাদাদের পূজা করে। মন্তব্যের জন্যে ধন্যাবদ।

  4. 37
    মজলুম

    @আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন: পোষ্ট পড়া ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ

  5. 36
    শামস

    মধুমঙ্গল সাহার মতো কিছু আছে প্রভোক করে উত্তেজিত করতে চায়, তারা মনে যে বিষাক্ততা ধারণ করে, সেটাকে সহজে উপশম করার উপায় নেই, সেদিকে লক্ষ রেখে এদের ফাঁদে পা দিয়ে আমাদের কথাবার্তা যাতে লাগামহীন না হয়ে যায়!

  6. 35
    শামস

    দারুণ একটা সিরিজ শুরু করতে যাচ্ছেন মনে হচ্ছে, পড়লাম এবং পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

  7. 34
    সত্য সন্ধানী

    @মজলুম:
    ভাই,

    ///এরা সাদা চামড়ার লোকজন দেখলে ওদের ভগবান মনে করে পূজা করা শুরু করে।///
    সে আর না করে উপায় আছে নাকি ! কিছু একটার পুজা তো করাই লাগবে। উপনিষদে যে ব্রহ্মের কথা আছে সেটা নাকি একেশ্বর বাদী! সেটাকেও তারা পরে প্যানথেইজমে রূপান্তর করেছে, ( অথবা সেটা হয়ত আসলেই একেশ্বর বাদী নয় কে জানে সেটা!)
    সম্ভবত শংকরাচার্য এই কাজ করে গেছে!

    প্যানথেইজমের সুত্রানুসারে যেহেতু সবই ব্রহ্ম, তাই কালো মানুষ কেন ব্রহ্ম হল না সেটাই বিরাট রহস্য! অ্যাজটেক সহ নানা জাতি নাকি সাদা মানুষ দেখলেই দেবতা ভেবে নিত, হিন্দু রা তো আসলে সেই একই জিনিস! তাই দেখেন প্যানথেইজম ও এদের জন্য না, কারন সেখানে তো যজ্ঞ,যজ্ঞ পাত্র, আহুতি ঘি সব ব্রহ্ম।

    সেখানে মুসলিম রা কেন ব্রহ্ম হবে না সেটাও মিলিওন ডলারের প্রশ্ন!
    এ জন্যেই প্যানথেইজম থেকে শুধু সাদা মানুষ দের দেবতা হিসাবে চুরি করা হয়েছে দাস্য মনোবৃত্তি থেকে!
    হাজার হোক ভারত নামক দেশ পেতে সাদা দেবতারা তো কম করেনি!
    মুসলিম দের জমিজমা চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে কেড়ে নিয়ে তাদের দিয়েছে।
    ভারত নামের দেশ মুসলিম দের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে থালায় সাজিয়ে তাদের উপহার দিয়েছে সাদা দেবতা রা! পুজা তো করবেই!!

  8. 33
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    চমৎকার আর তথ্যবহুল লেখার সূচনা পড়লাম। আশা করি বিস্তারিত পড়বো। আপনাকে ধন্যবাদ। আল্লাহ আপনার লেখার ক্ষমতা আর সময় বাড়িয়ে দেবেন ইনশাল্লাহ।

  9. 32
    Maz Sheikh

    আপনার মন্তব্যটি অল্প বিদ্যা ভয়ংকর -- এর বাস্তব রূপ।

  10. 31
    মজলুম

    @Momtaz Begum:

    বরাবরের মতই পৌত্তলিক হয়েও মুসলিম নাম (হিজড়া)নিয়ে এসে ঝোপের এপাশ ওপাশ পিটিয়ে ধপাশ।

    ফুলের পাপড়ি বিছিয়ে না, মারমার/কাটকাট করে মুসলিমরা অন্যের দেশ দখল করেছে।

    জ্বি না, ১৪০০ বছর আগে ইসলাম যে যুদ্বনীতি তৈরী করেছে তা কিছুদিন কার আগের জেনেভা কনভেনশন হতেও অনেক উন্নত ও উত্তম।

    গির্জা ভেংগে মসজিদ বানিয়েছে, অমুসলিমের ভিটে রাড়ীতে হলুদ পতাকা উড়িয়ে রাখার নির্দেশ জারি করেছে, করজোরে জিজিয়া কর দিতে বাধ্য করেছে,

     

    আপনার হিন্দু উত্তরসূরি বাপ দাদাদের জিজ্ঞেস করতে দেখুন কার বাড়িতে হলুদ পতাকা ছিলো?  জিজিয়া কর অমুসলিমদের জন্যেই ভালো কর, মুসলিম হলেতো আরো বড়ো কর দিতে হয় যেমন, যাকাত। তার উপর দেশ ডিফেন্ডের জন্যে অমুসলিমদের সেনাবাহিনিতে অংশগ্রহন করা লাগেনা এই করে।

     

    সোমনাথ মন্দিরে ১৭ বার মুসলিম লুটেরাদের হামলা। এই তো মুসলিমদের দখলরাজ।

    সোমনাথ মন্দিরে পুরোহিতরা বেদকে নিজেদের মধ্যে রাখতো, কাউকে ধরতেও দিতোনা। সেটা ছিলো তাদের রাজনৈতিক কার্যালয় ও। সোমনাথ মন্দিরে চারদিকে লোহা, মাঝখানে চুম্বকের তৈরী মূর্তি রেখে  তার আকর্ষন ও বিকর্ষনকে কাজে লাগিয়ে শুন্যে থাকতো মূর্তি। ভগবান শূন্যে ভাসছেন, সেই কেরামতি দেখিয়ে সাধারন মানুষ হতে ধন সম্পদ হাতিয়ে নিতো। সোমনাথ মন্দিরের ধন সম্পদ মুসলিম শাসকরা আবার ভারতের মানুষদের জন্যেই ব্যায় করেছে, মক্কা মদিনায় পাঠায় নি।

     

    মধ্যযুগে মুসলিমরা যত যুদ্ধ করেছে অমুসলিমদের সাথে, তারচেয়ে বেশি রক্তারক্তি করেছে নিজেরাই নিজেদের মাঝে। মুমিন-মুমিন যুদ্ধ, রক্তক্ষয়, হানাহানি, মারামারি, কাটাকাট। যা এখনো চলছে।

    আরেকটা নির্লজ্জ মিথ্যাচার। গনহত্যা, এথেনিক ক্লিনসিং এসব মুসলিমরা অমুসলিমদের সাথেই করেনা, তাহলে মুসলিমদের সাথে করবে কি করে। ছিটে ফোটা কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে জোড়া তালি দিয়ে তো ভালো মিথ্যা গল্প তৈরী হয়না।

     

    মুসলিমরা স্পেন গিলে খেলে আপনারা হাততালি দেন। পক্ষান্তরে ইংরেজদের ভারত শাসন আপনাদের গা-জ্বালা করে। ইংরেজদের জানিওয়ালাবাগ হত্যাকান্ড নিয়ে আপনারা হায়হুতাস করেন, আবার মুসলিমদের আমর্মেনিয়ান জেনোসাইড প্রশ্নে মুখ লুকিয়ে রাখন। কি অদ্ভুত দ্বিচারিতা!!!

     

    এত কম জানাশুনা নিয়ে শুধু ইসলাম ও বিদ্বেষী হয়ে কমেন্ট করতে এসে আপনার লজ্জা হওয়া উচিত। মুরদের স্পেন শাসন আর ব্রিটিশদের ভারত উপনিবেশিকতা সম্পূর্ন বিপরীত। উপনিবেশিকতা কাকে বলে তার ব্যাখা জেনে নিন। মুরদের ছিলো সাম্য, ন্যায় বিচার সেখানে। সেই জন্যে ইহুদীদের একমাত্র স্বর্নযুগ ও ছিলো মুর মুসলিম শাসিত স্পেনে। মুরেরা তাদের বিদ্যা ও জ্ঞান দিয়ে স্পেনকে মোতির মত আলোকিত করেছে তৎতকালীন অন্ধকারে নিমজ্জিত ইউরোপে। তারা স্পেনের সম্পদ লুট করে, স্হানীয়দের দূর্ভিক্ষ দিয়ে হত্যা করে সব ধন সম্পদ আব্বাসীয় খিলাফতের বাগদাদে পাঠায় নি যা ব্রিটিশরা করেছে।

    আর্মেনিয় গনহত্যা যারা করেছে তারা হলো "ইয়ং তার্ক" নামেক আল্ট্রা ন্যাশানালিস্ট এবং সেক্যুলার তুর্কিরা। "ইয়ং তার্ক" এর লোকেরাই তুরস্কে তাদের লিডার কামাল আতাতুর্কের মাধ্যেমে খেলাফত ধংস করেছে। তারা তুরস্কের জনগনের উপর ইউরোপিয় পোশাক, সংস্কৃতি জোর করে চাপিয়ে দিয়েছে, আরবি হরফ ছেড়ে তুর্কি ভাষাকে ইউরোপিয় ল্যাটিন আলফাবেট করেছে। তুর্কিকে ইউরোপিয়ান করতে গিয়ে তারা আর্মেনিয়দের উপর গনহত্যা করেছে, কারন গনহত্যা হলো ইউরোপিয়দের মজ্জাগত স্বভাব। অটোমানদের ৫০০ বছর শাসনে আর্মেনিয়রা তুর্কিদের সাথে পাশা পাশি বসবাস করেছে। কিন্তু ৫০০ বছর পর কেন গনহত্যার দরকার হলো? তার কারন হলো "ইয়ং তার্ক" রা  ইসলাম ছেড়ে দিয়ে ইউরোপিয়ান হয়েছে, তাই তারা গনহত্যা করেছে।

     

    স্পেনের Alexandria library, কর্ডোভা মসজিদ নিয়ে বড় গলার সীমানেই। অথচ অন্ধকুপ ভারতে ইংরেজ শাসনের আধুনিক শিক্ষা, চিকিৎসা, বিজ্ঞান গবেষণা, কলেরা/বসন্ত/ম্যালেরিয়া নিরাময়, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, বিচার, প্রশাসন, গনতন্ত্র, ভাষা…………. যা আজো স্বাধীন ভারতবর্ষে অম্লান, জ্বলজ্বলে তারকা……….. যা আপনাদের চোখে ধরে না।

    এত নিচু মন এবং এত নিচু গোলামি মানসিকতার কমেন্টের উত্তর দিতে হচ্ছে বলে আমার নিজেরই লজ্জা লাগছে। সামনের দিকে এই রকম গোলামি মার্কা কমেন্ট দেখলে ডাইরেক্ট স্পাম ফোল্ডারে রাখা হবে।

    ভারতীয় হলোকাস্টঃ ১.৫ বিলিয়ন বা  ১০০ কোটি ভারতিয়কে ব্রিটিশরা যেভাবে হত্যা করেছে।

    আমাদের ব্রিটিশ সম্রাজ্য মিলিয়ন লোককে হত্যা করেছে।

    ভারতিয় গোপন ইতিহাসঃ একটি হলোকাস্ট, যেখানে মিলিয়ন লোককে উধাও করা হয়েছে।

     

    তবে হাঁ মধ্যযুগে ভাল দু-চার জন মুসলিম শাসক ছিলেন্না তা নয়। ছিল অবশ্যই। পাশাপাশি রোমান সভ্যতা, ব্যাবিলনিয়ান সভ্যতা, বাইজানটাইন, হরপ্পা ময়েনজাদারো, চৌনিক হাং ডাইনাস্টি, মিং ডাইনাস্টি…….. এমন কি বাংলাদেশে পাহারপুরে সভ্যতা ভুলে গেলে চলবে না। সম্রাট আশোক, চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য, আলেকজান্ডার, কনফুসির্য়াস, কিং রিচার্ড………… এরা গাঙ্গ দিয়ে ভেসে আসে নাই।

    বরং উল্টো। মুসলিম শাসনামলে দু একজন খারাপ শাসকতো থাকতেই পারে। আর অন্য সম্রাজ্যে গুলোর কথা তো আমার পোষ্টেই আছে। সেই সম্রাজ্য গুলোর ভিত্তি ছিলো সাধারন মানুষের কঙ্কাল।

     

    আর গ্রীক সভ্যতা, জ্ঞান, বিজ্ঞানের কথা বলে কুয়োর ব্যাঙ মুসলিমদের লজ্জা দিতে চাই না। হাতির সাথে মশা/মাছির তুলনা করাও হাস্যকর। ধন্যবাদ।

     

     

     

    রোমানদের রাষ্ট্রীয়ভাবে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহন করার পর ৫৩০ সালে রোমান সম্রাট জাস্টেনিয়ান গ্রীসের সকল ইনস্টিটিউশান অব থট বন্ধ করে দেয়, যার ফলে ইউরোপ এক অন্ধকার যুগে নিমর্জিত হয়। যেটা মধ্যযুগের অন্ধকারের যুগ নামে পরিচিত। ইউরোপে জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চা বন্ধ হলেও মুসলিম বিশ্বে তা বন্ধ হয় নাই, হয় নাই মুসলিম শাসিত স্পেনে। জ্ঞান বিজ্ঞানের অনেক শাখা মুসলিমরা পুনরুজ্জিবিত করে।

    স্পেনে মুসলিম দার্শনিক ইবনে রুশদ পরবর্তীতে ইউরোপিয়ানদের অন্ধকার যুগ হতে বের করে নিয়ে আসে ১২শ শতাব্দীতে। ইবনে রুশদকে বলা হয় ফাউন্ডিং ফাদার/ পায়োনিয়ার অব ইউরোপিয়ান রেঁনেসা।

    যদি পৃথিবীতে মুসলিমরা না থাকতো তাহলে ইউরোপিয়ানদের অন্ধকার যুগ হতে কেউই বের করে নিয়ে আসতে পারতো না।

     

  11. 30
    মজলুম

    @এম_আহমদ: সে আসছে তাদের গতানুগতিক চর্বিত চর্বন চর্চা করতে। সমুচিত জবাব দিয়েছেন আপনি আর সত্য সন্ধানী, তবুও সে নার্সারির শিশুদের মতো কথা বলে চলেছে। এরা বঙ্কিমচন্দ্রের আনন্দমঠে সে যা লিখেছে সেই চরিত্রের অধিকারী “রাজ্য চাহিনা কিন্তু মুসলিমদের বিনাশ চাই”

    নিজেদের কিছু করার জো নাই, কিন্তু মুসলিমদের বিরুদ্বে এক পায়ে খাড়া।

  12. 29
    মজলুম

    @সত্য সন্ধানী: আপনি পৌত্তলিকদের বিরুদ্বে যা লিখলেন, সেই ভয়েই কিন্তু পৌত্তলিকরা মুসলিম নাম নিয়ে মন্তব্য করতে আসে। পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী যে জাতিটা হীনমন্যতায় ভোগে তারা হলো পৌত্তলিকেরা। চাইনিজরা ও এদের নিয়ে হাসাহাসি করে যে এরা সাদা চামড়ার লোকজন দেখলে ওদের ভগবান মনে করে পূজা করা শুরু করে। সেক্যুলার ক্লাউন গুলো খচ্চর জাতীয় প্রানী। এই হাইব্রিড গুলোর সংখ্যা আমাদের সমাজে খুবই অল্প, কিন্তু এরা খুব এক্টিভিটি করবে। চামচিকারা যেমন নিদৃষ্ট কিছু জায়গায় থাকে, খায় আর ঘুরাঘুরি করে, এরা তেমন শাহবাগের ১ কিলো মিটারের মধ্যে থাকে। কথা বলার সময় এমন স্টাইল করবে মনে হবে খুবই জ্ঞানী লোক। দর্শনের উপর পন্ডিতী জাহির করতে চাইলে আমি বলি আগে দাঁত মেজে আর ভালো করে গোসল করে আসো। চেহারা দেখলে মনে হয় কয়েক বছর গোসল করেনি। ওদের সাথে থাকা মেয়েগুলার ও একই অবস্হা, মনে হয় ওরা যেখানে থাকে সেখানে গোসল করার পানি নাই।

    এরা মুসলিমদের মাঝে ০০.১০% ও না, তাই এইসব চামচিকাদের বেশী গুরুত্ব দেওয়ার মানে হ না।

  13. 28
    সত্য সন্ধানী

    @madhumangal saha:

    আপনার উদ্যশ্যে করা পুর্বের ৩ টি মন্তব্যে আশা করি বুঝাতে পেরেছি যে শিকড় হীন এক শ্রেনীর পৌত্তলিক সমাজের লোক জনকে আমি আলোচনা বা বিতর্কের যোগ্য বলেই মনে করি না।
    তাই বিতর্কে যাচ্ছি না।

    তবু আমার নাম মেনশন করে যেহেতু মন্তব্য করলেন তাই আরো কিছু কথা বলি।
    ///kintu tader hotta korche muslimra… sathik totho dia amai vul proman korte ahoban janai//

    যেহেতু আপনাদের সাথে বিতর্ক নয়,আর এই কথাগুলিও লেখার বিষয় বস্তু বহির্ভুত তাই এ বিষয়ে আমার মনে হয় না কেউ সহজে সময় নষ্ট করে আপনাকে ভুল প্রমান করতে যাবে।

    আচ্ছা একটা জিনিস কি বুঝেন যে কোন জিনিস টা ভুল প্রমান করা যায় বা কোন জিনিস টা ভুল প্রমানের দরকার হয় না?

    এই সাধারন জ্ঞান টাও কি নাই আপনাদের? থাকবেই বা কেন? মুর্তি পুজা করতে করতে আপনাদের মগজ ও তো সেই জড় বস্তুর মতই জড় হয়ে গেছে,এবং সাধারন জ্ঞান লোপ পেয়ে গেছে।

    আর যাবেই বা না কেন? কষ্টের টাকা অযথা মুর্তি বানানোর পিছনে খরচ করে, আবার কদিন পর সেটাকে পানিতে ফেলে দিলে কারো মাথা ঠিক থাকার কথা না!

    এই টাকা গুলো দিয়ে তো নিদেন পক্ষে নিজেরা ভাল মন্দ খেতেও পারতেন, বাচ্চা দের কিছু কিনে দিতে পারতেন, নিদেন পক্ষে ব্রাহ্মণ দের মোটা পেট আরো মোটা করতে পারতেন, এতে যাই হোক টাকা গুলো নষ্ট হত না। যাক আপনাদের বোধ থাকবে এমন টা আমি আশাও করি না।

    এবার আসেন আপনার কথার প্রেক্ষিতে যা বলছিলাম আর সেটা হল কোন জিনিস কে ভুল প্রমানের দরকার হয়, আর কোন জিনিস কে ভুল প্রমানের দরকার হয় না।
    মনে করুন যে আপনার এলাকায় এক সজ্জন ব্যক্তি আছেন, জিনি দান খয়রাত করেন, আল্লাহ খোদার নাম নেন ( বা ধরেন ভগবানের ই নাম নিলেন!), মানুষের উপকার করেন সাধ্য মত, আর সব মানুষ তাকে সম্মান করে।
    হুট করে আপনার মনে হল যে সে সম্মান পাচ্ছে আপনি কেন পাচ্ছেন না? আপনিও সম্মান চান, কিন্তু ভেবে দেখলেন যে উনার মত ভাল কাজ করার যোগ্যতা বা মানসিকতা কোনটাই আপনার নাই, আর হবে না কোন দিন।

    তো আপনি হতাশ হলেন খুব।বিমর্ষ মনে বসে আছেন। হঠাৎ করে ইউরেকা বলে চেচিয়ে উঠলেন যে পেয়েছি।

    আর যেটা পেয়েছেন সেটা হল তাঁর মত সম্মানী না হোন, তাঁর মান তো আপনি ডুবাতে পারবেন।এর পর মাইক ভাড়া করলেন আর মাইকিং শুরু করলেন যে ঐ লোক চরিত্রহীন সুবিধা বাদী,গাঁজা খায়, ড্রাগ নেয়।

    সবাই আপনার কাছে এসে এসবের প্রমান কি জানতে চাইল!

    আপনি বললেন যে আপনার দাবী সব সত্য, পারলে তিনি ( সেই লোক) এসে প্রমান করুক যে আপনি মাইকে চেঁচিয়ে যা রটাচ্ছেন তা ভুল!পারলে সে প্রমান করুক যে সে ভাল লোক!!

    এখানে আসলে কার প্রমান করার দরকার? আপনার নাকি সেই লোকের?

    আচ্ছা ৯/১১ এ যে ওসামা বিন লাদেন বোমা হামলা করেছে এটা কিন্তু আমেরিকা নির্ভুল ভাবে প্রমান ও করতে পারে নি, এখাবেও ভিন্ন মত আছে।

    আচ্ছা তবু ধরলাম যে তারাই করেছে কিন্তু এখানে আপনি ইসলাম আর মুসলিম নিয়ে পড়ে আছেন কেন? কোন মুসলিম যাদের আপনি চেনেন তারা কি বলেছে যে কাজ টা ভাল হয়েছে বা এটাই ইসলামের শিক্ষা?

    না তা নয়, বরং যেহেতু যে কাজ টা করেছে তাকে বাহ্যিক ভাবে( লেবাসে) মুসলিম দের মত দেখায় তাই আপনারা ঢালাও ভাবে কথা গুলি বলেন আর প্রমান চান আমাদের কাছে যে আমরা সন্ত্রাসী না সেটা আমাদের প্রমান করা লাগবে।

    ভেবেও দেখেন না যে ৯/১১ এর আগেও মুসলিম রা বাস করত,যদি সন্ত্রাসী হত তবে সেটা ৯/১১ এর আগ থেকেই করতে পারত, আর আপনারা সেই সন্ত্রাসের ঠেলায় ঘুমাতেও ভয় পেতেন। এটা অবশ্য মুর্তি পুজারী দের মাথায় ঢুকবে না।

    আর কিছু মুর্তি পুজারীর মাথায় ঢুকলেও তারা সেটা নিয়ে শুধুই প্রোওয়াগান্ডা ছড়াবে যেহেতু খারাপ ছাড়া কোন ভাল জিনিস তারা গ্রহন করতে অক্ষম,যেমন নানা সাহিত্য থেকে শুধু খারাপ আর নোংরা জিনিস গুলিই চুরি করে নিজেদের বানায়, বিকৃত মানসিকতার হলে যা হয় আর কি!

    আর ইসলামে যে সন্ত্রাসের বিন্দু মাত্র স্থান নেই সেটা অনেক ভাবেই বুঝানো বা প্রমান করা হয়ে গেছে। কোরান হাদিসের ভুল ব্যাখ্যাকারীদের কে অনেক ভাই ই জবাব দিয়েছেন। নেটে বাংলা ইংরেজী তে এমন মেলা লেখা পাবেন, সার্চ দিয়ে দেখে নিন।

    অবশ্য এসব দেখবেন না জানি আমি, কারন জানা আপনার উদ্যেশ্য নয়, অপ্রাসংগিক কথা বার্তা বলে আমাদের অবমুল্যায়ন করার চেষ্টাই যেখানে আপনাদের উদ্যেশ্য, তাই কোরান হাদিসের কথা ধুয়ে খাওয়ালেও আপনারা কথা ঠেলেই যাবেন; কথায় বলে না চোরায় না শোনে ধর্মের কথা?

    এর পর বলতে চাই যে জড় সংস্কৃতির লোকদের সাথে কথা বলা মানেই সময় নষ্ট( যে সময় টা এই মাত্র নষ্ট করলাম আমি), তবু যদি বলতে চান তবে বিতর্কের অ আ ক খ টা অন্তত শিখে আসেন, তখন দেখা যাবে। পোষ্টের বাইরে সম্পুর্ন অপ্রাসংগিক বিষয় টেনে আনা যে অশোভন সেই বোধটাও তো নাই আপনার!

    আর যদি বিতর্কের প্রাথমিক জ্ঞান টাও শেখার যোগ্যতা না থাকে অযথা এখানে নিজের সময় নষ্ট না করে খান দান ঘুমান শান্তি তে থাকেন।অযথা অন্যদের পায়ে পা দিয়ে ঝগড়া করতে আসার চেয়ে আপনার নিজের জন্যেও কি এটাই ভাল নয়?

  14. 27
    Momtaz Begum

    ফুলের পাপড়ি বিছিয়ে না, মারমার/কাটকাট করে মুসলিমরা অন্যের দেশ দখল করেছে। গির্জা ভেংগে মসজিদ বানিয়েছে, অমুসলিমের ভিটে রাড়ীতে হলুদ পতাকা উড়িয়ে রাখার নির্দেশ জারি করেছে, করজোরে জিজিয়া কর দিতে বাধ্য করেছে, সোমনাথ মন্দিরে ১৭ বার মুসলিম লুটেরাদের হামলা। এই তো মুসলিমদের দখলরাজ। মধ্যযুগে মুসলিমরা যত যুদ্ধ করেছে অমুসলিমদের সাথে, তারচেয়ে বেশি রক্তারক্তি করেছে নিজেরাই নিজেদের মাঝে। মুমিন-মুমিন যুদ্ধ, রক্তক্ষয়, হানাহানি, মারামারি, কাটাকাট। যা এখনো চলছে।
    মুসলিমরা স্পেন গিলে খেলে আপনারা হাততালি দেন। পক্ষান্তরে ইংরেজদের ভারত শাসন আপনাদের গা-জ্বালা করে। ইংরেজদের জানিওয়ালাবাগ হত্যাকান্ড নিয়ে আপনারা হায়হুতাস করেন, আবার মুসলিমদের আমর্মেনিয়ান জেনোসাইড প্রশ্নে মুখ লুকিয়ে রাখন। কি অদ্ভুত দ্বিচারিতা!!!

    স্পেনের Alexandria library, কর্ডোভা মসজিদ নিয়ে বড় গলার সীমানেই। অথচ অন্ধকুপ ভারতে ইংরেজ শাসনের আধুনিক শিক্ষা, চিকিৎসা, বিজ্ঞান গবেষণা, কলেরা/বসন্ত/ম্যালেরিয়া নিরাময়, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, বিচার, প্রশাসন, গনতন্ত্র, ভাষা…………. যা আজো স্বাধীন ভারতবর্ষে অম্লান, জ্বলজ্বলে তারকা……….. যা আপনাদের চোখে ধরে না।

    তবে হাঁ মধ্যযুগে ভাল দু-চার জন মুসলিম শাসক ছিলেন্না তা নয়। ছিল অবশ্যই। পাশাপাশি রোমান সভ্যতা, ব্যাবিলনিয়ান সভ্যতা, বাইজানটাইন, হরপ্পা ময়েনজাদারো, চৌনিক হাং ডাইনাস্টি, মিং ডাইনাস্টি…….. এমন কি বাংলাদেশে পাহারপুরে সভ্যতা ভুলে গেলে চলবে না। সম্রাট আশোক, চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য, আলেকজান্ডার, কনফুসির্য়াস, কিং রিচার্ড………… এরা গাঙ্গ দিয়ে ভেসে আসে নাই। আর গ্রীক সভ্যতা, জ্ঞান, বিজ্ঞানের কথা বলে কুয়োর ব্যাঙ মুসলিমদের লজ্জা দিতে চাই না। হাতির সাথে মশা/মাছির তুলনা করাও হাস্যকর। ধন্যবাদ।

  15. 26
    madhumangal saha

    @sattosandhani
    Muslim patano amar kaj noi,ata thik ai somoy muslimra basi boma hamlai marahache,,kintu tader hotta korche muslimra,,sathik totho dia amai vul proman korte ahoban janai.jadio jahoche allar rahomate kina sata Allah Janen,
    Kalker newspapere hoi to date habe abar kono islamic countryte bombing,dakhi ki hoi,,,, but

  16. 25
    এম_আহমদ

    @Madhumangal Saha::

    Read this comment on Alexandria library
    http://www.shodalap.org/m_ahmed/30720/#comment-33777

  17. 24
    এম_আহমদ

    @Madhumangal Saha:

    YOU ARE CORRECT ,I HAVE NO KNOWLEDGE ABOUT MUSLIMS. BUT I HAVE BEEN RED IN HISTORY THAT …

    http://www.shodalap.org/mojlumbd/33990/#comment-41150

    Having acknowledged that you have no knowledge about Muslims, you are not supposed to jump onto complicated issues about ISIS, suicidal bombs, causes of the birth of Bangladesh etc. Had you read my previous commend attentively, you wouldn’t have put the questions about ISIS and bombing in that frame, because they were answered.

    You have asked a number of other questions of primary nature while this platform is not a primary school, so you better learn them from somewhere. Generally, in a blog the conversation is expected to be held around the topic it has been written. You may have a thousand questions in your mind, but you have to attentive to choose the ones relevant the topic or remain silent. I also notice, you hold the view that Quran was copied from the Veda. You also hold that Islam hasn’t given the world anything but terrorism. How is it that a book copied from the Veda only results in terror? Is Veda a book of terror? What of Muslims being killed, terrorised and tortured for slaughtering cow? http://www.shodalap.org/m_ahmed/22687/ Let us not talk of Sib-sena and shutting down of many mosques http://songlapblog.com/3443 and the discrimination of Muslims in India.

    You are confused about Baghdad Library and Alexandria Library. The Bagdad library was destroyed by the Mongol’s invasion of Bagdad in 1258 and the Alexandrian library was destroyed well before the age of Islam (read this comment). The Abbasid Khalifah Harun ar-Rashid died in 809 and al-Ma’mun in 833 and isolated issued need not be mixed up.

  18. 23
    সত্য সন্ধানী

    @মজলুম:
    ওহ ভাই এটা তাহলে ছেলে? অমুসলিম না হয় মুসলিম নাম নেয়, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছেলে হয়ে মহিলাদের নাম?

    ছুপা কত প্রকার ও কি কি আল্লাহ ভাল জানেন!! আল্লাহ এদের হেদায়েত দিন এই দোয়া ছাড়া কি বা করার আছে!!

  19. 22
    মজলুম

    @সত্য সন্ধানী: Momtaz Begum, neither Muslim nor woman. She(male) likes to talk on off topic.

  20. 21
    madhumangal saha

    IN THE YEAR OF 1893,THE WORLD RELIGIOUS CONGRESS WAS HELD IN USA AT SIKAGO, THERE THE GREAT MONK SWAMI BIBAKANANDA STABLISHED THE GREAT SANATAN HINDU RELIGIOUS ,, I WANTED TO KNOW, WHO IS THE MUSLIM SCHOLAR TO PARTICIPATED ?

  21. 20
    সত্য সন্ধানী

    @Momtaz Begum:
    কাফেরের চেয়ে মুনাফিক খারাপ। যেমন আবু জেহেলের চেয়ে খারাপ হল আব্দুল্লাহ ইবনে উবাই।
    যাই হোক এখানে যেসব কাফের মুশরিক রা বিদ্বেষ ছড়াতে আসে এরা যতটা না বাজে, তার চেয়ে বেশি বাজে হল আপনাদের মত মুনাফিক রা।

  22. 19
    madhumangal saha

    Asmani katab bole kichu hoina, veadas holo sabthake prachin ,sakhan thake koran nakol kara,jadio apnader sikha jathesto kam,sara biswake santras chara r kiki diteparecha islam jante echa korcha,,news paper Bangladesh tv on korlai islamic country,amonki banglades o,bomabaji,allar rahamat hok,next 10 years r modhay jano apnar desa population dauble hoi,alla mukh dabe r alla khate dabe,,,akta request,aboidho vabe amader dase sasben na,,cow nitao asben na,,r akta katha kam r prem aka noi,,amader dharmogrontho masterd leveled,primarir sisu apnara,,jata taslima ba saidi der ba s. Kabirer moto pandit ache apnader dese,,tader kache janenaben kam r prem er modhaa diference ki?sas korbo akta katha bole allar dohai,,,koumi madrasai apnader government kano najore rakche bolte paren?an abar irake bomb blust,dakhi kal kothai bomb blust hoi,vallagena mairi,beat of luck in future

  23. 18
    Momtaz Begum

    ফনি পোষ্ট। তুলশী ধোয়া ইসলমিস্টরা আবার স্পেন দখন করবে সেই স্বপ্নে বিভোর আপনরা এখনো, এই একুশ শতকে? হা হা….

  24. 17
    সত্য সন্ধানী

    @madhumangal saha, একান্ত যদি স্বকীয়তা নাও আনতে পারেন অন্তত ভাল কিছু চুরি করুন।
    বেছে বেছে, পরকিয়া প্রেম( রাধা কৃষ্ণ), যৌন দৃশ্যের পুজা ( শিব লিংগ কিন্তু আসলে পার্বতির যোনিতে ঢুকানো শিবের শিশ্ন এটা জানেন?),ব্যভিচারের সংস্কৃতি যেমন দ্রৌপদী, কুন্তি কাহিনী, আবার নিচু দের জন্য সতিদাহ যেন স্বামীর সম্পত্তি অন্য কেউ স্বামী মরার পর হাত না দিতে পারে এজন্য সতিদাহ, সাথে সিদ্ধির জন্য নরবলি ( এগুলা হয়ত সীমাবদ্ধ ছিল কিছু শ্রেনীতে), বা মরা মানুষের দেহের উপর বসে ধ্যান করা এইসব বিভৎস আচার অনুষ্ঠান চুরি করেই কেন সেগুলো কে নর্ম বানিয়েছিলেন্য আবার আজ সে জন্য চক্ষু লজ্জাও নেই?
    ভাল কথা কামরুপ কামাখ্যা তে কি হয় জানেন তো?
    সেটা বাদ থাক, খাজুরাহো মন্দিরে এমন বিভৎস জিনিস পত্র কেন আছে? এগুলাই কি আপনাদের রুচীর পরিচায়ক নয়?
    আগে নিজেদের একটা ভদ্র শিকড় গড়ুন, নিদেন পক্ষে চুরি করুন, তার পর আসেন ইসলাম নিয়ে আমাদের সাথে আলোচনা করতে।

    বা ইসলাম পেটাতে, ধন্যবাদ ভাল থাকুন্য আল্লাহ আপনাদের নোংরা আর অশ্লীল মনের পরিবর্তন ঘটিয়ে কিছুটা হলেও ভদ্র সমাজে চলার মত ঐতিহ্য দান করুন( হেদায়েত দিন বা না দিন,কারন হেদায়েত আল্লাহর এখতিয়ার ভুক্ত সেটা সবাই পায় না) এই দোয়া করে গেলাম আমীন।

  25. 16
    সত্য সন্ধানী

    এবার আসেন পরবর্তী বৈদিক সাহিত্য যেমন ব্রাহ্মন। এখানেও সমস্ত হিন্দু দেবতা অনুপস্থিত! উপনিষদে আসেন, এক ব্রহ্মের গুনগান! কিন্তু হিন্দু দেবতারা কৈ? মানে এইসব হল আপনাদের চুরি করা বা ছিনতাই করা জিনিস!

    এবার আসেন রামায়ন, মহাভারতের কথা। এখানে শিবের কথা হচ্ছে, শিবের পুজাও হচ্ছে নানা কাহীনিতেক্স কিন্তু মহাভারতে কি কোথাও মানুষ মুর্তি পুজা করছে মন্দিরে গিয়ে এমন প্রমান আছে? নেই! এখানেও সব দেব দেবী প্রায় অনুপস্থিত। ধর্ম কি এর জবাবে যুধিষ্ঠির যেন কি বলেছিল মনে নাই। মানে এখানেও আপনাদের অস্ত্বিত নাই। শুধু শুধু এই সাহিত্য গুলিকে ঢালাও ভাবে ধর্ম গ্রন্থ হিসাবে আখ্যা দিয়ে শিকড় খোজার চেষ্টা করেন আপনারা।
    এবার আসি রামায়নে, সেখানেও একই অবস্থা। হ্যা বাংলা রামায়নে রাম কে দিয়ে দুর্গা পুজা করানো হয়েছে বটে, কিন্তু বাঙাল কি না পারে!
    এবার পুরানের যুগে আসেন, পুরানে সব বেদের দেবতারা যথেচ্ছ ভাবে লাঞ্ছিত। বিষ্ণু ভাব ধারার পুরানে বিষ্ণু হল ভগবান। কিন্তু দেখেন সেখানেও বর্তমানের হিন্দু কালচারের মিল নেই, কেউ পুজা করতে মন্দিরে যায় না! আর বিষ্ণু পুরান, ভাগবত পুরান, হরিবংশ বা মহাভারত কোথাও রাধা বলে কেউ নেই! যে রাধা কৃষ্ণের লীলা হল বাঙাল হিন্দু ধর্মের প্রান!
    রাধা কৃষ্ণের কেচ্ছা এসেছে ব্রহ্ম বৈবর্ত পুরানে য যেটাকে পুরান না বলে বৈষ্ণব ভক্তি শ্লোক বলাই ভাল। আর যেটা রচিত হয়েছে হয় চৈতন্যের আমলে বা তার কিছু আগে, নেটে সার্চ দেন পেয়ে যাবেন।

    এবার আসেন শিব পুরান গুলি তে। এখানে বিষ্ণু হল শিবের উন্নত শ্রেনীর চাকর মাত্র,যেমন বিষ্ণু পুরানে শিব বিষ্ণূর চাকর।
    এসব পুরানে লিংগ পুজার কথা থাকলেও আচার অনুষ্ঠান তেমন কিছু নাই।
    তার পর আপনাদের পুরান গুলি ব্যভিচার আর অজাচারে ভরা!

    এবার আসেন সতিদাহ প্রথায়। এটার উল্লেখ কিন্তু মহাভারতে আছে, মাদ্রী যেভাবে পাণ্ডুর চিতায় স্বেচ্ছায় আত্মা হুতি দিল। আমার ধারনা স্বেচ্ছায় দেয় নি।
    যাই হোক নরবলী হল কাপালিকদের ধর্ম যারা আবার শিবের ও পুজারী ছিল।

    এর পর দেখেন নারী রা কোন প্রকার উত্তরাধীকারী হতে পারত নায আর সেগুলো মনু সংহিতা দিয়ে স্বীকৃত।
    গিতায় যেভাবে আপনাদের ভগবান সবাইকে মেরে সাফ করে দেবার বুদ্ধি দিচ্ছেন সেসব কি?
    দুঃশাসনের রক্তপান করেছে ভীম কারন সে দ্রৌপদির ( যে এক সাথে ৫ ভাইয়ের বউ) বস্ত্র হরন করেছে, আর দুর্যোধনের জানু ভংগের কারন হল সে তার জানুর উপর সতী ( ওরে আল্লাহ) দ্রৌপদী কে বসার আমন্ত্রন জানিয়েছে।
    নিজের বড় ভাই পরম ধার্মিক যুধিষ্ঠির যে নিজের বউ কে( এক পঞ্চ মাংস বউ যদিও) পাশা খেলার পন্য হিসাবে বাজী ধরতে পারে তবে সেই যুধিষ্ঠিরের কিছু হল না কেন?

    কোন ধরনের ধার্মিক নিজের বউকে বাজী ধরে? একম ধার্মিক কি ধর্মের স্বার্থে নিজের বউ কে দরকার হলে ভাড়া দিয়ে টাকা আয় করে ব্রাহ্মন সেবা করতে দ্বিধা করবে?
    কোন নোংরামী নষ্টামী আপনাদের ছিনতাই করা ধর্ম গ্রন্থ গুলি তে নেই বলতে পারেন?
    কোন ভায়োলেন্স নাই সেটা বলতে পারেন?
    এসেছে কোরানের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে সন্ত্রাস কে আল্লাহর হুকুম বানাতে?
    আগে শিক্ষিত হোন, নিজেরদের ইতর ধর্ম (যেটা আবার চুরি করা) সেটা জানুন্য দেখবেন গলায় দড়ি দিতে ইচ্ছা হবে, যদি চক্ষুলজ্জা থাকে তবেই।

    কালচার ভালচার হয়ে এসেছেন অন্যদের কালচার নিয়ে মিথ্যাচার করতে? এই কথাগুলো খ্রিষ্টান বললে আমি ভিন্ন জবাব দিতাম, ইহুদী বল্লেও। এমন কি বৌদ্ধ ররা বল্লেও।
    কিন্তু হিন্দুরা তো বিতর্কের যোগ্য না কারন বিতর্কের যোগ্য হতে হলে যে নুন্যতম স্টান্ডার্ড না স্বকীয়তা থাকা আবষ্যক সেটা হিন্দু ধর্মে নেই।

  26. 15
    সত্য সন্ধানী

    @madhumangal saha:
    আচ্ছা একই ধরনের গৎবাঁধা বুলি আপনারা আর কত দেবেন?
    অন্তত হিন্দুরের এটা সাজে না। ইতিহাসস্য ঐতিহ্য সংস্কৃতি এসব নিয়ে তাদের সাথেই আলাপ চলতে পারে যাদের এসব আছে।
    এসব ব্যাপারে খ্রিষ্টান্য ইহুদীয বৌদ্ধ সবার সাথেই আলোচনা হতে পারে, কিন্তু হিন্দুদের আমি সেই আলোচনার যোগ্য বলে মনে করি না।

    কারন দুনিয়াতে ইতিহাস ঐতিহ্যয সংস্কৃতি বিবর্জিত জাতি হল হিন্দু রা।
    যেমন দেখেন হিন্দু ধর্ম বলে কিছু নাই। ভারতে নানা ধরনের প্যাগান ধর্মের সবাইকে এক ছাতার নিচে জড় করে হিন্দু ধর্মের নাম দেয়া হয়েছে।
    কথায় কথায় যে নির্বোধের মত আচরন করেন এর ভিত্তি কি? আপনাদের ধর্মের উৎস কি? বেদ? না বেদ আপনাদের না, এটা প্রাচীন বহিরাগত আর্যদের,অথবা ব্রিটিশ দের বানানো।
    বেদ খুলে দেখে সেখানে কোন হিন্দু দেব দেবীর চিনহ মাত্র নেই।
    বিষ্ণু বেদে আছে তবে নেহায়েত মাইনর দেবতা হিসাবে।
    পরের মন্তব্যে আমার বক্তব্য শেষ করছি মোবাইল দিয়ে এর বেশি লেখা ঝামেলা!

  27. 14
    সত্য সন্ধানী

    আসসালামু আলাইকুম মজলুম ভাই, অবশেষে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর আপনার প্রতিশ্রুত লেখাটি নামালেন্য ধন্যবাদ সে জন্য।
    আসলে ইতিহাস চর্চার কোন বিকল্প নাই। নিরপেক্ষ মন নিয়ে ইতিহাস চর্চা, এর তুলনা মুলক বিশ্লেষন এসবের মাধ্যকেই সত্য কে জানা সম্ভব। তাই আমি বিশ্বাস করি যে ইতিহাস চর্চা ছাড়া কেউ প্রকৃত শিক্ষিত হতে পারে না।

    বাংলাদেশের মানুষ রা বিশেষ করে কিছু সেকুলার মুসলিম নাম ধারী ক্লাউন এই বিশুদ্ধ ইতিহাস চর্চা না করে হাতের কাছে যা পায় তাই গো গ্রাসে গেলে বলেই দেশের আজ এই দশা। এই ক্লাউন গুলো আবার নারীবাদী ( অবশ্যই বিয়ের আগ পর্যন্ত;বিয়ের পরে এদের বেশির ভাগই ভুল টা বুঝতে পারে!!!),নারী স্বাধীনতার নামে বেহায়া পনায় বিশ্বাসী, ব্যক্তি স্বাধীনতা ও তথাকথিত প্রগতিশীলতার নামে ইসলামী আদর্শ থেকে বঞ্চিত। লজ্জা আর ইনফেরিওরিটি কমপ্লেক্স এটার বড় কারন।
    যেহেতু বিজাতীয় প্রোপাগান্ডায় দাড়ি টুপিক্স ইসলামিক আচার মানেই সেকেলে আর লজ্জাজনক, বউ পেটানো ইতর জনের স্বভাত তাই এরা আইডেন্টিটি ক্রাইসিসে ভুগেই বিজাতীয় দের মানসিক দ্বাসত্ব করে।
    এদের চোখে আংগুল দিয়ে যতই দেখিয়ে দেন এরা পড়েও দেখবে না, কারন ইতিহাস পড়ার সময় কোথায়? কি লাভ এসব করে? এই এসময় ভোগ বিলাস, সেক্সী গার্ল ফ্রেন্ড নিয়ে ঘোরা সেই সাথে বন্ধুত্বের নামে নানা মেয়েদের সাথে মানসিক বিরল প্লেজারের ফাকে এসব সময় কার হয়?
    আবার নাম ধারী মুসলিম রাও নারী পুরুষ এর মেলামেশায় কম যায় না, নামাজ রোজার সময় নাই তো ইতিহাএ চর্চা!
    আসলে আমাদের সমাজের এটা এই বাস্তবতা হয়ে দাড়িয়েছে এটা।
    রাষ্ট্রীয় ভাবে ধর্ম শিক্ষার ব্যবস্থা না থাকলে, আর একই সাথে ধর্ম বিদ্যা ( নাম মাত্র) আর সংস্কৃত মনা ( আসলে অসংস্কৃত সংস্কৃতি) যেমন নাচ গান শেখা, আর এ নিয়ে গর্ব করা এসব শিক্ষা যেখানে রাষ্ট্রীয় ভাবে দেয়া হয় সেখানে এই অন্ধকুপ থেকে বের হয়ে নিজেকে চেনার মানসিকতাই যেখানে তৈরী হচ্ছে না, সেখানে আর কতদিন পরে আবার ইসলামী শাসন আসবে এটা আল্লাহ ভাল জানেন।
    আর ইসলামী শাসন বা খিলাফাত না আসলে এইসব জড় বুদ্ধির লোক জন জড়ই থেকে যাবে কারন জন্মের পর থেকেই এরা প্রোগ্রামড হয়ে বেরুচ্ছে এভাবেই।
    আবার ধন্যবাদ লেখাটির জন্য। আশা করি একটা সম্পুর্ন সিরিজ পাব।

  28. 13
    Madhumangal Saha

    YOU ARE CORRECT ,I HAVE NO KNOWLEDGE ABOUT MUSLIMS. BUT I HAVE BEEN RED IN HISTORY THAT,MANY YEARS AGO WHEN KHALIPHA AL-MAMUN AND HARUN-UI RASID IN THEIR TIME BAGDADH WAS GLORIOUS OF THE WORLD.WHEN THE LIBRARY OF ALEAKJANDRIYA WAS BURNED, MORE THAN 60000 BOOK WAS SPOILED ,IN THE PERIOD OF THIS TIME MANY MANY SCHOLARS OF GREEK SHELTERED IN BAGDADH, THE PEOPLE OF BAGDADH PROTECT ABOUT THEM AND TRY TO RESCUE BURNED BOOK .KHALIPHA ALL-MAMUN STABLISHED A UNIVERSITY NAMED ”BAIET-UL-HIKAMAT” AND IT WAS GREAT IN MEDIAEVAL PERIOD. NOW I AM WANTED TO KNOW FROM YOU WHAT IS THE PRESENT POSITION IN ISLAMIC COUNTRY?TRY TO UNDERSTAND WHAT DO I SAY.ISIS, TALIBAN, HIZBULMUZAHIDIN AND MANY OTHERS, WHO ARE THEY?YOU CAN SAY THEY ARE NOT MUSLIM,, BUT WHAT IDENTITY THEY HAVE?ALL THE MUSLIM ARE NOT TERRORIST BUT MOST OF TERRORIST BELONG TO WHICH COMMUNITY ?IF THE SARIOT LAW IS UNIVERSAL TRUTH,WHY MUSLIM COUNTRY CANNOT FOLLOW ?WHAT CAUSES OF TO CREATE BANGLADESH ?WHY CAUSES HAVE MUSLIM THAT THEY HAVE SAID THAT MUSLIM ARE NOT TERRORIST ?BECAUSE MUSLIM LOST THEIR IMMAN,,,AND NOW IN FUTURE I THINK IMMAN NEVER RETURNED IN MUSLIMS SO SUICIDE-BOMB BLUST WILL BE HAPPEND CONTINUOUSLY . BUT I PRAY TO GOD TO RETURNED IMMAN IN MUSLIM,AND STOPPED TO BOMB BLUST.

  29. 12
    এম_আহমদ

    @madhumangal saha:
    আপনি এখানে এসে ইসলাম আর মুসলিমদের নিয়ে যে তাচ্ছিল্য প্রদর্শন করলেন তা একটি খারাপ কাজ হয়েছে। আমেরিকা আর ইসরাইলি আধিপত্যবাদী চক্রান্তের প্রেক্ষিতেই চলছে আজকের বোমাবাজি। যে দেশগুলোতে মাত্র ১৫ বছর আগেও বোমাবাজি ছিল না সেসব দেশে এগুলো কিভাবে কীভাবে ঘটছে এই জ্ঞান কিছু পৌত্তলিক মানসে ঢুকবে না। কারণ মুসলিম ও ইসলাম বিদ্বেষ এদের মজ্জাগত। একারণেই ইসরাইলি আমেরিকার কারসাজিতে বিস্ফোরিত বোমাবাজি আপনার কাছে “আল্লাহর দয়া” মনে হয়েছে! এই মন্তব্য করে আপনার কোন লাভ হয়েছে? জ্ঞানগর্ভ কিছু বলতে পেরেছেন? এই লেখার সাথে খাপ খায় এমন কিছু বলা হয়েছে? না, আপনি যা তাই বলছেন।

  30. 11
    madhumangal saha

    Islamic country te protidini bomabaji hocha,r ata hocha mahan allar doai,ai vabe allar doai muslimra jannate chola jabe, r prithibir buke santi name asbe

  31. 10
    মজলুম

    @শাহবাজ নজরুল: লেখা লেখি কম করি, মাঝে মাঝে মন্তব্য করি। সমস্যা যেহেতু আছে, সমাধান ও অবশ্যই হবে। মুসলিমরা যে এখনো পৃথিবীতে ঠিকে আছে, এটা দেখলেও আমার কাছে অবাক লাগে, মনে হয় অলৌকিক কিছু! তুর্কি খিলাফত ধংসের পর মুসলিমরা সব কিছুই হারিয়েছে। যেহেতু এই ধর্মকে মহান আল্লাহ তায়ালাই জিন্দা রাখবেন কেয়ামত পর্যন্ত, তাই মাঝে মাঝে মনে হয় তিনিই এই ধর্মকে জীবিত রাখছেন।
    এই সিরিজ চালু রাখবো, ইনশাল্লাহ। আর মুসলিমরা যেভাবে বিজয়ী হবে তার কোন দিক নির্দেশনা আমি দিচ্ছিনা বরং আমি দেখতে পাচ্ছি মুসলিমরা বিজয়ী হবে, তাই সে বিষয়টা এক্সপ্লেইন করবো শুধু।

    পাঠ ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

  32. 9
    মজলুম

    @মহিউদ্দিন: ইসলাম হলো এক পরশ পাথর, যে ইসলামের যতটুকু ধারন করবে সে তত টুকুই আলোকিত হবে। পশ্চিমে বর্তমানে চলা লিবারেলিজম, সম অধিকার, হিউম্যান রাইটসের চয়ে ইসলামি শাসন ব্যবস্হা অনেক উন্নত, তা নিয়ে হয়তো সামনের পর্ব গুলোতে আসতে পারে। ইউরোপিয়ানদের ইতিহাস হলো ব্লাডি আর বর্বর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের ডিসট্রাকশান দেখে এরা তাদের বর্বরতা, উপনিবেশিকতার চাবি আমেরিকার হাতে তুলে দিয়ে কিছুদিন শান্তিতে ছিলো। তবে আবার আসবে এরা, কিন্তু মুসলিমরা এবার আর ছাড় দিবে না। পাঠ ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ

  33. 8
    শাহবাজ নজরুল

    মুজলুম ভাই, আপনার লেখা সচরাচর পাওয়া যায়না। তবে কমেন্ট পড়ে মনে হয় -- আপনি যদি নিয়মিত লিখতেন!!! যাইহোক, এই সিরিজ শুরু করার জন্যে ধন্যবাদ। সমস্যার সমাধানে সার্বিকতার ব্যাপারটি অপরিহার্য -- আপনার বিশ্লেষণে যা সবসময় কেন্দ্রে থাকে। আশা করছি ভালো একটা লেখার পরম্পরা পাবো।

  34. 7
    মহিউদ্দিন

    লিখাটি তথ্যবহুল হয়েছে। এসব কথা আসা দরকার বিশেষ করে যে সব মুসলিমরা হীনমন্যতা ভুগছেন তাদের জন্য এসব বিষয়গুলো জানা উচিত – ভাল লাগলো। ধন্যবাদ।

    তবে অন্যান্য সভ্যতার পতনের সাথে মুসলিম সভ্যতার পতনের তুলনা করতে যে বিষয়টি খেয়াল করতে হবে তা হল মুসলিম সভ্যতার ভিত্তি ছিল ইসলাম যা আল্লাহ প্রদত্ত নিয়ামত মানবজাতির কল্যাণের জীবন ব্যবস্থা এখানে ন্যায় বিচার, সুশাসন হচ্ছে আসল বিষয় আর সে দর্শনেই মুসলিমরা পৃথিবীতে ইসলামের ঝাণ্ডা বলীয়ান রাখতে সক্ষম ছিল। যখনই ইসলামের মূল দর্শন থেকে তারা বিচ্যুত হয়েছে তখনই পতন শুরু হয়েছিল যার উদাহরণ ইতিহাসে বিদ্যমান।
    আর অন্যান্য সভ্যতার মূল ভিত্তি ছিল তাগুতি শক্তি যার দর্শনে মানুষ হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ কোন ব্যাপারই নয়। সে হিসাবে অবশ্যই তাদের সবার ইতিহাস ছিল বর্বর ও জঘন্য। তবে এই বর্বরতা ও জঘন্য মনোবৃত্তি আজ পরাজিত মুসলিম উম্মাহর চরিত্রে সুকৌশলে প্রোথিত হয়েছে এবং এটাকে লালন করছে মুসলিম দেশের স্বৈরাচারী শাসকগোষ্টি কেননা তারা আল্লাহকে ছেড়ে তাগুতি শক্তিকে তাদের ত্রাণকর্তা ভাবে।

    আর যতদিন মুসলিম শাসকেরা তাগুতি শক্তিকে তাদের আউলিয়া মনে করে তাদের দেয়া প্রেসক্রিপশন অনুসারে চলতে থাকবে তত দিন এ বিপর্যয় থেকে উদ্ধার নাই। অতএব কীভাবে মুসলিম সমাজের মানসিকতা আধিপত্য-আচ্ছন্নমুক্ত (decolonise) করা যায় তা আলোচনা করা হচ্ছে এখন সময়ের দাবী।

    আরেকটা ব্যাপার বুঝতে হবে মুসলিম উম্মাহকে কিন্তু একেবারে মৃত বলা ঠিক নয় তারা এখন আসুস্থ বলা যায়। আর যখনই যেখানে তাদের মাঝে সুস্থতার লক্ষণ পরিলক্ষিত হবে সেখানেই তাগুতি শক্তি ঝাপিয়ে পড়বে। কারণ তারা ভীত! কেন ভীত? সেটা এজন্য নয় যে এর পিছনে মানবজাতির কল্যান নীহিত বরং তাদের কায়েমী স্বার্থের উপর আঘাতের ভয়! অন্য কিছু নয়।

    আহমেদ ভাইয়ের সাথে আমিও একমত ফিচার ইমেজে ইসলামের পতন না বলে মুসলিম উম্মাহর পতন বলা বিবেচনা করা ঠিক হবে।

  35. 6
    মজলুম

    @এম_আহমদ: ধন্যবাদ, মুছে দিলাম ছবিটা।

  36. 5
    মজলুম

    @এম_আহমদ: অনেকদিন ধরেই মুসলিমদের পতন ও তারা কিভাবে বিজয়ী হবে তা নিয়ে লিখবো ভাবছি। কিন্তু পরে দেখলাম যে বিষয়টা অনেক বড়। অনেকগুলো পারস্পেক্টিভ তুলে ধরতে হবে ইতিহাস, ইসলাম, আল-কোরান ও হাদীস হতে। এবং তা হতে হবে যে কোন ইসলামী দল বা ফেরকার মতবাদ হতে দূরে এবং নিরপেক্ষভাবে। গতানুগতিকভাবে সবাই একলাইনে মুসলিমদের বর্তমান দূর্দশার কথা লিখে ফেলে।

    যেমন,

    ১ঃ মুসলিমরা ইসলাম/কোরান হতে দূরে বলে মুলসিমদের এই অবস্হা।

    ২ঃ মুসলিমরা বিজ্ঞান চর্চা করে না বলে মুসলিমদের এই অবস্হা।

    ৩ঃ মুসলিমরা সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্হায় পড়ালিখা করে বলে এই অবস্হা।

    ৪ঃ মুসলিমরা মাদ্রাসায় পড়ে বলে বা মোল্লা মুনশীদের জন্যে মুসলিমদের এই অবস্হা।

    আসল কথা হলো বিষয়টা অনেক কমপ্লেক্স, অনেক বিষয় তার সাথে জড়িত। তাই সকল পারস্পেক্টিভ নিয়ে একটা থ্রীডি পার্সপেক্টিভে সহজ করে লিখা, যাতে সবাই বুঝতে পারে। পাঠ ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ

  37. 4
    মজলুম

    @মোঃ তাজুল ইসলাম:
    ওয়ালাইকুম সালাম। না খেলাফত প্রতিষ্ঠাই এখন কোন সমস্যার সমাধান হবেনা। আর কে কোনটা মানবে। ৭২ ফেরকার ৭২ টা আলাদা আলাদা খলিফা লাগবে 🙂 সমস্যার সমাধান অবশ্যই হবে। মুমিনরা কখনোই আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না, সূরা ইউসুফ।

    মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত, আমেরিকা বনাম মুসলিম বিশ্বের সংঘাত, আরবদের ইসলাম ধর্ম ছুড়ে বাথিজমের মত ফিলথি আরব জাতিয়তাবাদ গ্রহন, গাদ্দাফি, সাদ্দাম, আসাদের মত বর্বর বাথিষ্টদের নিয়ে সামনের পর্ব গুলোতে লিখব।

    “মুসলিমরা কেন মার্কিনীদের দেওয়া ফাদে নিজেদের জরাচ্ছে?”

    কেউ দেশের স্বার্থে, কেউ নিজেদের ক্ষমতা শক্ত করতে, কেউ আমেরিকার হুকুম পালন করতে। কারন, আরব শাসকদের শাসক হলো আমেরিকা। কুফরী আরব জাতীয়তাবাদকে আরবরা গ্রহন করেছে, তাই আরবরা স্বৈরাচারকে খুব ভালোবাসে। এরা ভুলে যায় যে এক সময় শুধু ইসলাম ধর্মই এই জাহেল, বর্বর এবং বেদুঈন আরব জাতিকে পৃথিবীর এক শ্রেষ্ট ও সভ্য জাতিতে পরিনত করেছে।

    পড়ার জন্যে ধন্যবাদ

  38. 3
    এম_আহমদ

    মজলুম ভাই, আপনি লেখাটিতে যে ছবি ব্যবহার করেছেন সেখানে The Fall of Islam লেখা। এটাকে The Fall of Muslims করতে পারেন, কেননা ইসলাম Fall করে নি। চিন্তা করে দেখতে পারেন। ধন্যবাদ।

  39. 2
    এম_আহমদ

    লেখাটি পড়ে যা বলতে চাই তা নিম্নোরূপ:

    মজলুম ভায়ের এই লেখাটিতে এক দীর্ঘ কালীন জটিল ও প্রশস্ত ইতিহাস সুন্দরভাবে স্থান পেয়েছে। অনেক প্রাচীন সাম্রাজ্যের কিছু বৈশিষ্ট্য উল্লেখসহ সেগুলো কীভাবে কালের আবর্তনে বিলীন হয়েছে, তারপর, পরবর্তী ধারায়, রোমান ব্যবস্থার উত্তরসূরিদের হাতে আধিপত্যবাদ ও বিশ্বের বিভিন্ন জাতিকে নিশ্চিহ্ন করার কাহিনী উল্লেখ হয়েছে। তারপর সেগুলোর মোকাবেলায় মুসলিম সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা অপরাপর জাতির নিরাপদ অবস্থান এবং তাদের সামাজিক অবকাঠামো রক্ষিত থাকার সেই প্রশস্ত ইতিহাসের কিছু আলোকোজ্জ্বল বৈশিষ্ট্য সংক্ষিপ্তভাবে স্থান পেয়েছে। তাই বিভিন্ন দিক থেকে লেখাটি অনেক তাৎপর্যপূর্ণ হয়েছে।
    শেষের অংশটি আরও জরুরি, কেননা এই অংশে উসমানী সাম্রাজ্য নির্মূলের বিষয় আলোচিত হয়েছে। সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে আমরা দেখতে পাই যে ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে আধিপত্যবাদী চক্রান্ত তার ধারাবাহিকতায় বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকে এসে উসমানী সাম্রাজ্য ধ্বংস করতে সক্ষম হয়। মুসলিমরা যাতে আর “উম্মাহ” হিসেবে না দাঁড়াতে না পারে সেই ব্যবস্থা ‘ভৌগলীক জাতীয়তা’র উন্মেষ ঘটিয়ে ধ্বংস করে দেয়। আধিপত্যবাদী শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে মুসলিম মানসের এক বড় অংশকে ইউরোপীয় করে দেয়।

    আজ এক দিকে মুসলিমরা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতীয় রাষ্ট্রের (small nation states) ধারণায় গর্ববোধ করছে এবং এই জাতীয় সত্তার জন্য পারস্পারিকভাবে রক্তারক্তিও করছে। তারা নিজেরা ভৌগলীকভাবে যেমন টুকরো টুকরো হয়েছে তেমনি তাদের মধ্যে “১৩০০ বছর ধরে … যত ফেরকা হয়নি, খেলাফতহীন গত ১০০ বছরে তার চেয়েও কয়েকগুণ বেশী হয়েছে। তার উপর যোগ হয়ে কম্যুনিজম, সোশ্যালিজম, ব্যাথিজম, ন্যাশানালিজমের মত মরার উপর খাড়ার ঘা”। মানুষের মধ্যে দ্বিমত হতে পারে, তাদের মধ্যে বিভিন্ন চিন্তার স্কুল হতে পারে কিন্তু সকল পার্থক্য যেখানে গিয়ে শেষ হবার কথা অথবা যে সীমায় গিয়ে দ্বিমত আর ঊর্ধ্বে উঠতে পারে না বা যেতে দেয়া হয় না সেই স্থানটি অর্থাৎ খলিফা ও তার শুরা আজ আর নেই। তাই এখানে কোন বাঁধ নেই, যার যা ইচ্ছা তাই করছে।

    এই জাতী কীভাবে এই সর্বগ্রাসী আধিপত্যবাদী প্রভাব থেকে মুক্তি লাভ করতে পারে এবং কীভাবে মুসলিম মানস আধিপত্য-আচ্ছন্নমুক্ত (decolonise) হতে পারে সেটি হচ্ছে ৬ মিলিয়ন ডলারের প্রশ্ন। আমাদের আশা রইল যে পরবর্তী পর্ব(সমূহে) এই বিষয়গুলোর উপর যথার্থ আলোচনা হবে -ইনশাল্লাহ। আমরা মাজলুম ভাই তার লেখনীর মাধ্যমে সেই চিত্র তুলে ধরার সামর্থ দিতে আল্লাহর কাছে দোয়া করি। আমীন।

  40. 1
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    মজলুম ভাই,
    আসসালামু আলাইকুম।
    সদালপে আপনার মন্তব্য পড়ে ভাল লাগত কিন্তু আপনার কোন লিখা পড়া হয়নি। ধন্যবাদ আপনার সুন্দর তথ্যবহুল লিখার জন্য। পৃথিবীর সকল ইতিহাসকে সন্নিবেশ করার বৈচিত্র্য আপনার লিখায়।

    মুসলিম বিশ্ব খলিফা বিহীন — শুধুমাত্র কি ইহাই দায়ী, পৃথিবীব্যাপী বর্তমান মুসলিম জাতির অস্থিরতার জন্য? আর খলিফা প্রতিষ্ঠিত হলেই কি এর সমাধান হবে?

    তাতারদের কাছে পরাজয়ের মুল কারন ছিল, ভোগ-বিলাসিতা এবং নেতৃত্বে অপারদর্শিতা। অযোগ্য, লোভী ব্যক্তিদের দ্বারা মুনতাসিম বিল্লাহ-র মন্ত্রী পরিষদ খলিফার পতন ঘটিয়েছে। ইতিহাস তাই বলে।

    বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য-র যে পরিস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা মার্কিনীদের রাজনৈতিক খেলা। ISIS মার্কিনীদের তৈরী করে, এখন তারাই এটাকে ধ্বংস করার জন্য তৎপর, আরেক তামাশা। একটা চরম কেওয়াস তৈরি করে রেখেছে মধ্যপ্রাচ্যে। আরবদের উদ্দুদ্ধ করছে ইয়েমেনের সাথে যুদ্ধ বাধিয়ে, আর এমনি ইসরাইল নিয়োজিত পুরা আরব মুসলিম বিশ্বকে শায়েস্থা করতে। জানতে পারলাম, ইসরাঈল ভবিষ্যত রাস্ট্র হবে, বর্তমান ইসরাইল, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, জর্ডান, লেবানন, ইরাকের টাইগ্রিস-ইউফ্রেতিস নদী পর্যন্ত। এই যদি হয়, নিঃসন্দেহে মুসলমান জাতির উপর আরো খারাপ কিছু অপেক্ষা করছে। মার্কিনীরা নীতিই গ্রহন করেছে, মুসলিম তেলের দেশগুলো ধ্বংস করা। আমার জানতে চাওয়া, “মুসলিমরা কেন মার্কিনীদের দেওয়া ফাদে নিজেদের জরাচ্ছে? তারা কেন নিজেদের মধ্যে যুদ্ধ করে নিজেদের শেষ করছে?”

    ইতিহাস থেকে দেখা যায়, সৌদিআরব শাসকদের মাথায় গোবর ছাড়া কিছু নেই।

    পরবর্তী লিখার অপেক্ষায় রইলাম।
    ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.