«

»

Sep ০৫

রোহিঙ্গা গনহত্যা আর মগজ ধোলাই করা মুসলিমদের বিলাপ, আমাদের যা করনীয়।

আমরা মুসলিমদের মগজ এমনভাবে ধোলাই হয়ে গেছে যে আমাদের উপর কোনো গনহত্যা শুরু হলে আমরা বলি জাতিসংঘ কোথায়? আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কোথায়? মানবাধিকার সংগঠন গুলো কোথায়? আন্তর্জাতিক আদালত কোথায়? আমাদের উপর আমেরিকা গনহত্যা চালালে আমরা  রাশিয়াকে সাপোর্ট করি আর রাশিয়া মুসলিমদের উপর গনহত্যা চালায় বলকান, চেচনিয়া, সিরিয়ায়। ভারত মুসলিমদের উপর গনহত্যা চালায় বলে আমরা চীনকে সাপোর্ট করি, আর চীন গনহত্যা চালায় উইগুর মুসলিমদের উপর। দিন শেষে এরা সবাই আমাদের শত্রু, আমাদের একমাত্র সহায় এবং রিয়েল বন্ধু হচ্ছেন আল্লাহ। আল্লাহু ওলিয়ু ফিদ্দুনিয়া ওয়াল আখিরাহ। এই অধমের হত ১৭ বছরের বিশ্ব রাজনীতি পর্যবেক্ষন করে যা বুঝলাম তা হলো, এই বিশ্বে হিউম্যান রাইটস বলে কিছু নাই, আছে শুধু মাইট ইজ রাইট(জোর যার রাজ্য তার)। জাতিসংঘ হলো পাঁচটা মাফিয়া চক্রের বা ৫ টা পারমেনেন্ট সদস্যের সংগঠন। মাফিয়ারা যেমন একেক দল একেক এরিয়া দখল করে তাদের লুটপাট চালায় তখন অন্য লুটপাট চালানো এলাকার  মাফিয়াদের সাথে যেন সংঘর্ষ না বাধে সেই জন্যে এরা রিকন্সিলেশন হট লাইন রাখে ওদের মধ্যেকার বিবেদ গুলো সুরাহা করার জন্য। প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্বের পর এই মাফিয়ারা জাতিসংঘ গড়ে তুলে যেন এলাকা ভাগ করে এরা তার মাফিয়া রাজ্য শাসন করতে পারে। এবং এতে যেন মাফিয়াদের মধ্যে কোন ক্লাশ হয়ে আরেকটা বিশ্বযুদ্ব যেন না হয়। এদের ভেটো, নন-বাইনডিং রেসুলেশান, জেনারেল এ্যাসেমব্লি সবই হগ ওয়াশ। এগুলোর উপর এই অধম উধাহারনের পর উধাহারন দিতে পারবে বিশ্বের অনেকগুলো কনফ্লিক্টের উপর।
আন্তর্জাতিক আদালত হলো আরেকটা ঠগ। কিছুদিন আগে আফ্রিকার অনেকগুলো দেশ হগ শহরে অবস্থিত এই আদালত হতে নিজেদের উঠিয়ে নেয়। তারা বলে এই আদালত শুধু আফ্রিকার লোকদের বিচার করে আর কাউকে করেনা। এই আদালত বিচারতো দূরের কথা, বুশ, ব্লেয়ার, শ্যারন, নেতানিয়াহুকে যুদ্বারপাধের জন্যে মামলা করার কথা কল্পনাও করতে পারবেনা। হিউম্যান রাইটস হলো একটা সংগঠনের মতো, একটা রিপোর্ট করে বা একটা বিবৃতি দেয়, নিন্দা করে। এতে কি লাভ হয়। ফিলিস্তিন দেখলে এই সবকিছু একসাথে বুঝতে পারবেন। ৭০ বছর ধরে একটা দেশ দখল করে, সেই লোকদের স্বাধিনতা কেড়ে নিয়ে অর্ধেক লোককে উদ্দাস্তুু করে বাকি অর্ধেককে অবরোধ করে এফ-১৬, এফ-১৮, এফ-৩৫ এর মাধ্যমে বোম্বিং করে গনহত্যা চালাচ্ছে। তবুও এই অবৈধ রাষ্ট্র ইসরাইলের বিরুদ্বে কিছু বললে ফ্রিডম অব স্পিচ বলে গলা উচা করা পশ্চিমা লিবারেল মিডিয়া আপনার গলা চেপে ধরবে। জাতিসংঘের কতো রেসুলেশান, কতো নিন্দা,কতো পিস প্রসেস, কতো রিপোর্ট হলো, কিন্তু ইসরাইলের কি কিছু হয়েছে? হবেও না। কারন ঐ যে, মাইট ইজ রাইট।

 ক্যাপশনঃ এক হিপোক্রিট শুকরের সাথে এক বানর।

আমরা কি করবো তাহলে?

দিকে দিকে চলা মুসলিমদের বিরুদ্বে  গনহত্যা বন্ধ করতে পারেন আল্লাহ রাব্বুলা আলামিন। খুবই ইজি, কুন ফায়াকুন। অতীতে নবীরা(আঃ) তার এলাকায় ইসলামের দাওয়াত দিলে তার জাতির লোকদের হতে অত্যাচারিত হলে আল্লাহ ঐ নবীকে বলতেন তার সঙ্গীদের নিয়ে এই জনপদ থেকে চলে যাও, আমি এই জনপদ ধংস করে দেবো। আদ ও সামুদ জাতির মতো শক্তিশালী অত্যাচারী জাতিকে তিনি এভাবেই ধংস করেন। কিন্তু মুসা(আঃ) এর সময় থেকে এই ধারাটা পাল্টে যায়। নবীর অনুসারীদের যুদ্ব করার হুকুম দেওয়া হয় আল্লাহর পক্ষ হতে। রাসূল(সঃ) এর জীবনি দেখুন, অত্যাচারী কাফিরেরা যখন মুসলিমদের সমূলে ধংসের জন্যে ওহুদ, বদরের প্রান্তে আসে তখন আল্লাহ কিন্তু এদের কুন ফায়াকুন বলে ধংস করে দেন নাই। মুসলিমদের যুদ্ব জেহাদ করার জন্যে মদিনা হতে বের হয়ে বদর ও ওহুদ প্রান্তে  যাওয়ার জন্যে বলা হয়েছে। বদর যুদ্ব কেয়ামত পর্যন্ত মুসলিমদের  অনেক শিক্ষা দিয়ে
দিয়ে যাবে। সেই যুদ্ব ছিলো অসীম। একদিকে সশস্র অশ্বারহী আর পতাদিকের সুসজ্জিত মক্কার মুশরিকরা। আর অন্য দিকে ভুখা, নাঙ্গা এবং নির্যাতীত কিছু গরীব মুসলিম। কয়েকটা ঘোড়া ও উট ছিলো তাদের। অনেকেরতো একটা তলোয়ার কিনার টাকাও ছিলোনা তাই খেজুরের ডাল নিয়ে বদর যুদ্ব ময়দানে গিয়েছেন আল্লাহর উপর ভরসা করে। শুনতে হাস্যকর মনে হয় তাইনা?, আসলেই ধারালো তলোয়ারের সাথে খেজুরের ডাল নিয়ে লড়াই করেই আমাদের উত্তরসূরিরা ইসলামকে বিজিত করেছেন।  রাসূল(সঃ)  তো খুব কান্না করে দোয়া করছেন আল্লাহর কাছে, যে আল্লাহ আজকে যদি এই মুসলিমরা পরাজিত হয় তাহলে এই পৃথিবীতে তোমার নাম নেওয়ার জন্যে কেউ থাকবেনা। সাহাবিরাও কান্না করতেছে আল্লাহর কাছে সাহায্যের জন্যে। পরে আল্লাহ ৩০০০ ফেরেশতা দিয়ে মুসলিমদের বদর যুদ্বে সাহায্য করেন। আল- কোরান ৩ঃ১২৪

মক্কার কুরাইশদের সাথে শুরাকাহ ইবনে মালিকের বেশে শয়তান নিজেও হাজির হয়েছিলো। এমনকি সে সাহাবিদের যুদ্বের আগেরদিন রাতে স্বপ্নদোষ করিয়ে দিয়েছিলো। আল্লাহ ও পরদিন আকাশ হতে বৃষ্টি দিয়ে সাহাবিদের পবিত্র করে দেন। পরে জিব্রাইল (আঃ) কে বদর ময়দানে দেখে শয়তান পালিয়ে যায় এই বলে যে, আমি যা দেখি তোমরা মুশরিকরা তা দেখোনা। ৩০০০ ফেরেশতা সাহায্য করলেও মুশরিকদের মধ্যে ৭০ জন নিহিত হয়, ৭০ জন বন্দী হয়। মুসলিমদের মধ্যে ১৩ বা ১৪ জন শহীদ হন। ৩০০০ ফেরেশতা থাকার পরও মুসলিমদের ১৪ জন শহিদ হলো কেনো? কারন আল্লাহ চেয়েছেন একটা রিয়েলিস্টিক অবস্থা দেখাতে। নইলে পরে যদি মুসলিমরা বনী ইসরাইলের মতো বলে যে আমরা ঘরে বসে থাকবো, আল্লাহ, জিব্রাইল আর ফেরেশতারা গিয়ে ফেরাউনের সাথে যুদ্ব করুক।

ঐ ৩০০০ ফেরেশতা কেয়ামত পর্যন্ত থাকবে মুসলিমদের সাহায্যের জন্যে, কিন্তু শর্ত হলো মুসলিমরা তাদের ভাগের গুলো আগে করতে হবে তাহলে আল্লাহ ও তার ভাগের গুলা করে দিবেন।

এখন আমরা মুসলিমরা যদিও পাপী ও গুনাহগার তবুও শুধু মুসলিমদের মধ্যেই কিন্তু তাওহীদের আলো জ্বলছে। এখন হয়তো আমাদের মধ্যের মুসলিমদের দুনিয়াতে কিছু কষ্ট দিয়ে আগে করা পাপগুলো ক্ষমা করে দিবেন। কিন্তু আমরা যারা সুস্থ আছি, অত্যাচারিত মুসলিমদের ব্যাপারে আল্লাহ যে আমাদের প্রশ্ন করবেন হাশরের সেই ভয়াবহ দিনে, আমরা কি জবাব দিবো। গাজা বা সিরিয়ার নির্যাতিত মুসলিমদের ব্যাপারে আশে পাশের মুসলিমদের যেভাবে প্রশ্ন করবেন সেভাবে হয়তো আমাদের করবেন না। কিন্তু রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে  আমাদের অবশ্যই অন্য মুসলিমদের চেয়ে বেশী প্রশ্ন করবেন। এখন আমরা যদি বলি এ কি করলো, সে কি করলো? সৌদি কি করলো? কাতার কি করলো? তুরস্ক কি করলো? সরকার কি করলো? সবাই সে দিন তার জবাব দিবে।  যাকে আল্লাহ যতো বেশী ফ্যাসালিটি এই দুনিয়াতে দিয়েছেন তাকে সেভাবেই প্রশ্ন করা হবে। আমাকে এবং আপনাকে আল্লাহ যে ধন দৌলত দিয়েছেন সেই অনুযায়ী আমাদের ও জবাব দিতে হবে। আপনার আশে পাশে কোন সংস্থা রোহিঙ্গাদের সাহায্য করলে ওদের দান সদকা করতে পারেন। অনেক রোহিঙ্গা ভাই বোন দের দেখেছি না খেয়ে আছে কয়েকদিন। ১ ডলার হয়তো দেখতে কিছুনা, এই এক ডলারে এক ক্ষুদার্ত মুসলিম একবেলা খেতে পারবে। আর আল্লাহ বলেছেন বারবার যে আমি তোমাদের যা দিয়েছি তা থেকে দান করো। হাদিসে আছে যে দান সদকা করলে সম্পদ কখনো কমেনা। ধন সম্পদ দেওয়ার মালিক আল্লাহ, তিনিই বরকত দিবেন। তাছাড়া দান সদকা খারাপ কদর/ভাগ্য/বিপদ হতে মুসলিমদের রক্ষা করে।

৩২ comments

Skip to comment form

  1. 15
    চমকপ্রদ

    ভুল জায়গায় তথা অপাত্রে ধরনা দেয়াটা যে অর্থহীন কাজ তথা অরণ্যে রোদন, এই সত্যটাই ফুটে উঠেছে এই লেখাতে। যারা ইসলাম ও মুসলমানদের প্রকাশ্য শত্রু, তাদের পিছে ঘোরাটা যে চরম আহাম্মকি- এ বিষয়ে তো কোন সন্দেহ নেই। তদুপরি মুসলিম পরিচয়ধারীদের মধ্যেও সবার কাছে মজলুমের পক্ষে জালেমের বিপক্ষে সহায়তা বা সমর্থন আশা করা যায় না। যার নিজের মনেই ধর্ষকামিতা ঘাপটি মেরে আছে, তার কাছে ধর্ষকের উন্মত্ততা ও ধর্ষিতার দু:খ-দুর্দশার কথা বলে তাকে ধর্ষকের বিরুদ্ধে ক্ষেপাতে পারবেন না। যার স্বভাবে স্বার্থপর দৃষ্টিভঙ্গি আছে এবং নিজের বা নিজের কারো স্বার্থ হাসিলের জন্য প্রয়োজনে নিরপরাধ মানুষের ক্ষতি করতেও যে প্রস্তুত, তার কাছে কোন জালেমের বীভৎসতা ও মজলুমের অসহায়ত্বের কথা বলে জালেমের প্রতি ক্ষোভ সঞ্চার বা মজলুমের প্রতি সহানুভূতি আদায় করতে পারবেন না। যে নিজেই ধর্মের প্রতি উদাসীন, ধর্মকে যে অপ্রয়োজনীয় মনে করে ও ধর্মকর্মকে নিরুৎসাহিত করে থাকে, তার কাছে কোন কাফেরের ধর্মদ্রোহিতা ও কুফরী বা মুনাফেকি প্রমাণ করতে পারলেই তাকে ক্ষেপিয়ে তুলতে পারবেন- এই আশা করাটাই ভুল। এ ধরনের মানুষেরা বড়জোর নিজেদের আত্মসম্মানে ঘা লাগলে খানিকটা গর্জে উঠতে পারেন। আর বর্তমান রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের মুসলিম নামধারী রাজনীতিবিদদের কাছেও বড়জোর ফটোসেশন করে ভোট বাগানো অপেক্ষা অধিক কিছু আশা না করাই ভালো।

  2. 14
    সত্য সন্ধানী

    কিছুদিন দূরে ছিলাম বলে অনেক লেখাই পড়া হয়নি।

    আজ চোখে পড়ল। মজলুম ভাই খুব চমৎকার ভাবে বাস্তবতা কে তুলে ধরেছেন।

     

    আরবদের দিয়ে আসলেই কিছু হবে না। আমার মনে হয় তুরষ্ক আবার ইসলামী বিশ্বে নেতৃত্ব দিলে সেটা অনেক ভাল হবে।

    জাতি সংঘ তাদের কেই সমর্থন দেবে যাদের গায়ে জোর বেশি। বর্তমানে মুসলিম দেশ গুলোর অবস্থা কি? একেবারে টুকরো টুকরো হয়ে আছে। 

    পাশের ভারতের দিকে তাকান, সারা দুনিয়া প্রায় সব হিন্দু এখানে বাস করে।

    চীনের দিকে তাকান, বিরাট দেশে বিরাট জন সংখ্যা, ধাই ধাই করে অর্থনীতি  তে এগিয়ে যাচ্ছে।

    আমরা মুসলিম রা জাতীয় তা বাদের পানি পড়া খেয়ে চলেছি, তো খেয়েই চলেছি।

    মার আমরা খাব না তো কি ভারতীয় হিন্দু আর চীনারা খাবে?

    আল্লাহ যা করেন ভালর জন্যেই হয়ত করেন। কথাটা হয়ত অনেকের ভালল লাগবে না তবে মজলুম রোহিংগা দের দিয়ে আল্লাহ একটা মেসেজ দিলেন যে মুসলিম রা এক বলেই শুধু তাঁফ সাহায্য আসবে।

    আরেকটা কথা, যে মুসলিম ভাইরা চীন কে তাদের জানি দোস্ত বা আরো বেশি করে ধরলে দুলাভাই ভেবে বসে ছিল, তারা এখন বুঝেছে যে কল্পনা আর বাস্তবতার ফারাক কত বেশি।

    এই দুলা ভাইজানই একমাত্র দেশ যারা এখনো জোর গলায় মায়ানমার কে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

    এমনকি ভারতও সুর নরম করেছে, কিন্তু চীন অনড় নয় কি?

    আবার ভারত সুর নরম করেছে শুনে কেউ কেউ আবেগ প্রবন হয়ে ভারত কে  পরম মিত্র (!?) এই কথা নিয়ে যেন কাব্য চর্চা না করে।

    ভারত সুর নরম করেছে, কারন তাকে (ভারতকে) বাধ্য করা হয়েছে।

    সেভেন সিস্টার্সের সাথে সহজে যোগাযোগ রাখার বিশাল সুযোগ কেন ভারত হাত ছাড়া করবে বর্তমান সরকার কে চটিয়ে? কোন ভাবেই করবে না।

    কাজেই বাংলাদেশ কে কিছু বিষয়ে সন্তুষ্ট রাখা ভারতের নিজের স্বার্থেই দরকার।

    আর এই সরকার ররোহিঙ্গা  ইস্যুতে ভারতের সাথে দর কশাকশি কেন করছে?

    সব কিছু মেনে নিলেও মুসলিম রা এখনও সেক্যুলার হয় নি,  আর হবেও না। এই জ্ঞান সরকারের আছে। মুসলিম আরেক মুসলিমের দুর্দশায় কাঁদবেই।

    সব কথার শেষ কথা (ভারতের) পশ্চিমে পাকিস্তান পর্যন্ত, আর (ভারতের) পুর্বে সব মুসলিম দেশ মিলে যদি মোট ২ টা সাম্রাজ্য হয় তবেই দাম পাবে মুসলিম রা বেশি।

     

    এটা এখন সম্ভব কিনা জানি না তবে এক ইকোনমী ব্যবস্থা কাজে দেবে যদি সেটা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

    কিন্তু বিড়ালের গলায় ঘন্টা টা বাঁধবে কে? আল্লাহ ভাল জানেন!

  3. 13
    মজলুম

    বাঙালি জাতিয়তাবাদী সেক্যুলারগুলো হলো এক আজিব প্রজাতির খচ্চর। এরা না ঘোড়া না গাধা। এরা না ঘটকা, না ঘরকা। বার্মা সরকার মূলত রোহিঙ্গাদের উপর গনহত্যা চালাচ্ছে এই বলে যে এরা বাঙালী অভিবাসী এবং সন্ত্রাসী। আর এই তথাকথিত বাঙালি জাতিয়তাবাদিরা সেই ব্যাপারে বালিতে মুখ গুজে রোহিঙ্গাদের দোষ খুজছে যে তারা অপরাধ প্রবন, হ্যানতেন, হাবি জাবি। মানবাধিকার ঠিক আছে কিন্তু আমাদেরও নিরাপত্তার দিকে তাকাতে হবে, তবে রোহিঙ্গাদের ৫/৬ টা করে সন্তান, এরা আমাদের জনসংখ্যা বাড়াচ্ছে, আমরা এমনিতেই কতো জনসংখ্যার মধ্যে তাই কি মানবতা দেখাবো, তবুও কিন্তু আমরাই মানবতাবাদি, আমাদের মানব ধর্মই বড় ধর্ম, ফেইসবুকের প্রোফাইলে হিউম্যানিস্ট, হিউম্যান রাইট এক্টিভিস্ট আমরাই লিখবো। যদি এই রোহিঙ্গারা মুসলিম না হয়ে রোহিঙ্গা হিন্দুদের উপর এই গনহত্যা হতো, তাহলে এই বাঙালি জাতিয়তাবাদী সেক্যুলারদের ফেসবুকে লেখালেখি, টকশোয়ের বকবকানি দেখে টিভির, কম্পিউটার, মোবাইলের স্ক্রীন ও কেঁদে ফেলতো। এদের ভোকাভুলারিতে কয়েকটা শব্দ নিয়ে সবকিছু ঘুরপাক খায়, যেমন, মুক্তিযুদ্ব, চেতনা, ৭১, পাকিস্তান। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো এদের ৯৮% এর ১৪ ঘুস্টির মধ্যে কোন মুক্তিযোদ্বা পাওয়া যায় না। রোহিঙ্গাদের পক্ষে কয়েকটা মিনমিন কন্ঠে কিছু বলছে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। এরা সবাই সেইম রসুন, গোড়া কিন্তু এক যায়গায়। ঠিক যেমন জায়োনিস্ট স্যাম হ্যারিস আর বিল মাহেরের শিষ্য অভিজিৎ রায় ও ফিলিস্তিন-ইসরাইল সংঘাতে মিনমিন কন্ঠে ফিলিস্তিনের পক্ষে বলতো। সেই ব্যাপারে না হয় আরেকদিন বলবো।

    1. 13.1
      সত্য সন্ধানী

      মজলুম ভাই, শুধু সেকুলার দের দোষ দিয়েই বা লাভ কি? বাঙালি  মুসলিম রাও কম কিসের? কাজের কাজ বাদ দিয়ে ফেসবুকে ঝড় তুলে রাজাউজির মারা ছাড়া এরা কি বা করেছে?

       

      পুরা খবর না পড়ে শুধু হেড লাইন পড়ে গালাগালির স্রোত বইয়ে দেয়া এই জাতির কাছ থেকে ভাল কিছু আশা করাটাই যেন দুরাশা।

      ফেসবুকে ( রোহিঙ্গা  জেনোসাইডের কয়েকমাস আগে) একবার দেখেছিলাম একটা বাজে নিউজ পোর্টাল (নাম মনে নেই) হেড লাইনে দিয়েছে অনেকটা এমন, ' এরদোগানের নেতৃত্বে তুরস্কের মুসলিম সেনা বাহিনী মায়ানমারে ঢুকে গেছে! সুচী তুই পালাবী কোথায়'!

      এইখানে অন্তত ২০ হাজার লাইক পড়েছে (আমি যখন দেখি তখন), আর (কয়েক হাজার) মন্তব্যের ঘরে, সুবহানাল্লাহ, ইয়া আল্লাহ, আমীন এইসব শব্দর জোয়ারে ভেসে যাচ্ছে।

      মজার ব্যাপার হল লিংক ওপেন করতে এসে গেল রুপ চর্চার লিংক।

      লে হালুয়া, মানে কেউই লিংক ওপেন করার দরকার মনে করেনি!

      তা যে দেশের মুসলিম দের এই হাল, সেই দেশে সেকুলার রা আখের গুছাবে না তো করবে টা কি?

      মিডিয়া সহ সব কিছুই তাদের দখলে। মুসলিম রা হল একে অন্যকে গালি আর বাঁশ দেবার পাশাপাশি এর ওর পিঠ চাপড়া চাপড়ি তে ব্যস্ত!

      ফেসবুকে নয়ন চ্যাটার্জী আর পিনাকীর নামে মুসলিম দের মোটামুটি মিলাদ মাহফিল চলে, কারন তারা হিন্দু হয়েও মুসলিম দের পক্ষে লেখে।

      কি অদ্ভুত আমাদের আইডেন্টিটি ক্রাইসিস।

       

      হ্যা যারা ভাল মনে পক্ষে লিখবে আমরা তাদের সম্মান দেব, কিন্তু তাদের নামে নান্দী পাঠ করার কারন কি? কি এসবের যৌক্তিকতা?

       

      মুসলিম রা কি এতই অপদার্থ হয়ে পায়ের নিচে মাটি হারিয়ে ফেলেছে যে দুজন ব্রাহ্মন তাদের পক্ষে লিখেছে বলেই তপস্যা শুরু করা লাগবে? যাই হোক কি আর বলব!

       

       

       

       

  4. 12
    মহিউদ্দিন

    এই ভিডিওটি একটু দেখেন

     

    1. 12.1
      মজলুম

      শেয়ার করার জন্যে ধন্যবাদ

  5. 11
    Anonymous

    অসাধারন। এমনই লিখা দরকার এই জামানায়

    1. 11.1
      মজলুম

      পাঠ ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ

  6. 10
    আব্দুস সামাদ

    আপনাকে অসংখ ধন্যবাদ অনেক সত্য কথা সাহসের সাথে বলার জন্য।

    1. 10.1
      মজলুম

      পাঠ ও মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ

  7. 9
    মুক্তির উপায়

    আসুন রোহিঙ্গা ও উইঘুর মুসলমানদের সমর্থনে এক মাস চীনা পণ্য আমদানি বন্ধ রাখি

    পৃথিবীর দুইটি কমুনিষ্ট শাসিত ও বৌদ্ধ অধ্যুষিত রাষ্ট্র দুটি মুসলিম জনপদের উপর যে আচরণ করে যাচ্ছে, তার বিরুদ্ধে আমাদের সাধারণ জনগণের তেমন একটা কিছু করার না থাকলেও ব্যবসায়ী সমাজ ইচ্ছে করলে একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিতে পারেন। আমি জানি, কাজটা বেশ কঠিন ও আত্মত্যাগের বিষয়। কারণ, বাংলাদেশ সহ পৃথিবীর সবগুলো দেশ চীনা পণ্যের উপর নির্ভরশীল, যেহেতু চীনারা সবচেয়ে সস্তা দামে যেকোন মাল সাপ্লাই দিতে ওস্তাদ। কিন্তু আমরা যদি আল্লাহর ওয়াস্তে দ্বীনী ভাইদের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে এই ত্যাগটুকু স্বীকার করি, তাহলে আল্লাহর কাছ থেকে দুনিয়া ও আখেরাতে ইতিবাচক প্রতিদান পেতে পারি। বিশেষ করে কোরবানীর মূল শিক্ষাই তো আল্লাহর হুকুম, দ্বীনের স্বার্থ ও মানবতার স্বার্থে নিজের ব্যক্তিস্বার্থ ও পারিবারিক স্বার্থকে sacrifice করা।
    চীনা শাসকরা শুধু জিনজিয়াংয়ের উইঘুর মুসলমানদের উপরই নির্যাতন করছে না, বরং আরাকানের রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর নৃশংস আচরণ পরিচালনার কাজেও বার্মার সামরিক জান্তাকে সক্রিয়ভাবে মদদ দিয়ে যাচ্ছে। এমন খবরও শোনা গেছে যে, আরাকানে সংঘটিত নিধনযজ্ঞের পিছনে মূল কারণ হলো চীনের ব্যবসায়িক স্বার্থ। সেখানকার মুসলিম জনগোষ্ঠীকে উচ্ছেদ করে সেখানকার প্রাকৃতিক সম্পদ ও উর্বর ভূমিতে চীনা শিল্প স্থাপনের প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্যই পরিচালিত হচ্ছে এই জঘন্য নরহত্যা। এমতাবস্থায় চীনা শাসকগোষ্ঠীকে সংযত রাখতে হলে ব্যবসায়িকভাবে তাদেরকে কিছুটা চাপে ফেলতে পারলে মন্দ হয় না।
    বর্ণিত অবস্থার প্রেক্ষিতে এখন আমাদের করণীয় হলো, অন্তত এক মাসের জন্য হলেও চীনা পণ্যের আমদানি স্থগিত রাখা। বাংলাদেশের সকল আমদানিকারক ও ইনডেন্টারগণ সম্মিলিতভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে, আগামী এক মাস চীন থেকে কোন নতুন পণ্য আমদানির অর্ডার place করা হবে না— নতুন করে কোন এলসি খোলা হবে না, নতুন করে কোন টিটি প্রেরণ করা হবে না। আর এই সিদ্ধান্তের কথা প্রত্যেকে নিজ নিজ চীনা বন্ধু ও সাপ্লাইয়ারদের ই-মেইল মারফত জানিয়ে দিন। এরূপ একটি ই-মেইলের নমুনা নিম্নে দেয়া হলো:-

    Subject: Postponding of all new orders of Chinese Products because of Rohinga Crisis

    Dear Mr. Andy/Zhang,
    Sorry to inform you that, we, all Bangladeshi importers and indenters have decided to postpond all new orders of Chinese Products because of the events which have happened on our brothers in Arakan (Rakhain) and Xingzian.

    আমাদেরকে ভেবেচিন্তে সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মনে রাখবেন, পোড়া শিশুদের ছবি দিয়ে ফেসবুক পেজ ভর্তি করে ফেললে কোন কাজ হবে না, তার চেয়ে বরং অর্থনৈতিক বয়কট কিছুটা কাজ দিলেও দিতে পারে। তবে যদি নিজেরা দারিদ্রতা বা অনাহারে নিপতিত হবার ভয় করেন, তাহলে চীনা পণ্য আমদানি পুরোপুরি বন্ধ রাখতে না পারলেও যতটা সম্ভব কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন। যে মালটির অর্ডার প্রতি মাসে ৫০ হাজার পিস দিতেন, সেই মালটির অর্ডার ৫ হাজারে নামিয়ে আনুন, শুধুমাত্র নিজের পরিবার-পরিজন নিয়ে পেটে-ভাতে চলার জন্য যতটুকু প্রয়োজন, তার বেশি উপার্জন এই পথে করা বন্ধ রাখুন। তাতেও ওদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি কিছুটা হলেও বাধাগ্রস্ত হতে পারে। কিন্তু ঘাতকদের মদদকারীদের ব্যবসায়িক সুবিধা প্রদানের মাধ্যমে নিজে কোটিপতি হবার চেষ্টা কখনো করবেন না। যদি এটুকু ত্যাগ স্বীকার করতে না পারেন, তাহলে রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য আপনার ক্রন্দন সবই মিথ্যা প্রমাণিত হবে। অবশ্য যারা ইতিমধ্যে কোন অর্ডারের টাকা টিটির মাধ্যমে পাঠিয়ে ফেলেছেন কিংবা এলসিও প্রত্যাহারযোগ্য অবস্থায় নেই, সেক্ষেত্রে মাল হাতে পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারেন। পুরাতন অর্ডারের মাল হাতে পেয়ে যাবার পর ব্যবসা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত জানিয়ে ইমেইল পাঠাতে আর দেরি করবেন না।
    আমাদের বাংলাদেশ বর্তমানে খাদ্য, বস্ত্র ও ঔষধের দিক থেকে মোটামুটি স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। শুধুমাত্র নির্মাণ সামগ্রী ও কম্পিউটার সামগ্রীর জন্য আমরা এখনো আমদানিনির্ভর। আমাদেরকে যত দ্রুত সম্ভব এসব পণ্যের বিকল্প সাপ্লাইয়ার খুঁজে বের করতে হবে। চীনের পরিবর্তে তুরস্ক, মালয়েশিয়া, জাপান কিংবা অন্য কোন তুলনামূলক নিরপেক্ষ বা মুসলিমবান্ধব দেশ খুঁজে নিতে হবে। মুসলিম দেশগুলোকে সংশ্লিষ্ট পণ্য কম মূল্যে মান বজায় রেখে উৎপাদনের প্রতিযোগিতায় চীনাদের সমকক্ষতা অর্জন করতে হবে। কোন কোন পণ্যের ক্ষেত্রে আমাদের বাংলাদেশও রপ্তানির যোগ্যতা অর্জন করেছে। আমদানি-রপ্তানির কাজটি যতটা সম্ভব নিপীড়ক দেশগুলোকে বাদ দিয়েই সম্পন্ন করতে হবে। এছাড়া আমরা যদি আমদানিনির্ভর বাণিজ্য থেকে বেরিয়ে এসে উৎপাদনভিত্তিক বাণিজ্যে প্রবেশ করতে পারি, তাহলে তা আমাদের নিজ দেশের অর্থনীতির জন্যও ভালো হবে এবং আমাদের মজলুম ভাইদের জন্যও উত্তম হবে। মনে করুন, আপনার অর্থ যদি আমদানির কাজে বিনিয়োগ না করে দেশের কৃষি, খামার ও শিল্পে বিনিয়োগ করেন— মৎস্য চাষ ও গরুর খামার গড়ে তোলেন, তাহলে তা দেশের আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনে এবং দরিদ্র মানুষের কর্মসংস্থানে সহায়ক হবে। দেশের দরিদ্র মানুষের পাশাপাশি বাইরে থেকে আসা অসহায় আশ্রয়প্রার্থীদেরকেও শ্রমিক হিসেবে নিয়োজিত করতে পারবেন। সত্যি বলতে কি, আমদানি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে খুব একটা ভূমিকা রাখে বলে মনে হয় না, যতটা ভূমিকা রাখে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন।
    যদি ভুলেও কখনো মনের মধ্যে এই চিন্তা আসে যে, "আমি চীনের সাথে ব্যবসা করছি তো কি হয়েছে, এই ব্যবসায়ের লাভ থেকেই তো রোহিঙ্গা মুসলমানদের সাহায্য করতে পারি"- তাহলে বুঝবেন এটা শয়তান ও নাফসের ধোকা আর আত্মপ্রবঞ্চনা মাত্র। ঘাতককে হাজার টাকা মুনাফা দিয়ে ভিকটিমকে দশ টাকা সাহায্য দানে কোন ফায়দা নেই।

    1. 9.1
      মুক্তির উপায়

      এবার এই আহবানটি ব্যবসায়ী মহলে পৌঁছানোর কাজটি কিভাবে করা যায়, সে বিষয়ে আলোকপাত করা যাক:-

      বিভিন্ন জনপ্রিয় পাঠকবহুল ব্লগে প্রথম পাতায় লেখার সুযোগ লাভকারী ব্লগার ভাইগণ আমার এ লেখাটি কপি পেস্ট করে দিতে পারেন। সদালাপের ব্লগারগণও এ লেখাটি কপি পেস্ট করে মূল পোস্ট আকারে দিতে পারেন।
      লিফলেট আকারে ছাপিয়ে নবাবপুর, নয়াবাজার, গুলিস্তান, ইমামগঞ্জ ও নিউমার্কেট সহ চীনা পণ্যের আমদানি ও বিক্রয় হয় এমন সব এলাকায় সকল অফিস ও দোকানে বিলি করুন। এছাড়া বাংলাদেশের সকল মসজিদে বিশেষত শহর এলাকার মসজিদসমূহে ইমাম সাহেবগণের কাছে লিফলেটটি বিলি করুন।
      পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে এ আহবানটি বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে সমগ্র মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে হবে এবং মুসলিম দেশগুলোর ব্যবসায়ী সমাজকে চীনা পণ্য বর্জনে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। নমুনা ই-মেইলটিও ফরওয়ার্ড করে দিতে হবে সংশ্লিষ্ট সবখানে।

    2. 9.2
      মজলুম

      দুই এক মাস পন্য কিনা বন্ধ করে কিছুই হবেনা। আমাদের সূদুর প্রসারী চিন্তা করতে হবে। ৫৬ টা মুসলিম হলো ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের ইকোনোমি। তা ছাড়া ২০ ট্রিলিয়ন ডলারের উপর খনিজ সম্পদ মজুদ আছে মুসলিমদেশ গুলোতে। তার উপর এক দেশের সাথে এক দেশ মূলত লাগানো বর্ডার আছে। সব সামুদ্রিক বানিজ্যিক পথগুলোও মুসলিমদের অধীনে। আমাদের প্রয়োজন এক নিজস্ব ইকোনোমি তৈরী করা যেখানে মুসলিমরাই পন্য ম্যানুফ্যাকচারিং করবে আর বিক্রি করবে। পশ্চিমে চলে যাওয়া মুসলিম ব্রেইন ড্রেইনগুলো বন্ধ করতে হবে। আরো অনেক কিছু আছে। মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ

  8. 8
    মুক্তির উপায়

    লেখাতে সামান্য একটা ভাষাগত ভুল রয়েছে:- "আমাদের উত্তরসূরিরা ইসলামকে বিজিত করেছেন।"

    এখানে হবে, "আমাদের পূর্বসূরিরা ইসলামকে বিজয়ী করেছেন।"

    ধন্যবাদ।

    1. 8.1
      মজলুম

      কারেকশান করার জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ

  9. 7
    Md Amir

    আজকে যদি কোন ধনী দেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেবে বলে বড় গলায় ঘোষনা দেয়, তখন অনেক বাঙালিই বিদেশে যাওয়ার লোভে রোহিঙ্গা হয়ে যাবে।

    1. 7.1
      মজলুম

      অপ্রাসঙ্গিক কমেন্ট। পড়ার জন্যে ধন্যবাদ। কোন দেশই এদের শরনার্থী হিসেবে নিবেনা, এটা মনে রাখুন। 

  10. 6
    মজলুম

    ১৯১২ এর বলকান যুদ্বে রোহিঙ্গারা অটোমান খিলাপতকে সাহায্য করেছে জান ও মাল দিয়ে। গত শুক্রবার এরদোগান এই ব্যাপারে বলেন যে ওরা আমাদের সাহায্য করছে ১৯১২তে, আমরাও তাদের সাহায্য করা নৈতিক দায়িত্ব। পরে  অটোমানের কিছু পুরানা কয়েকটা নথিপত্রের আর্কাইভ ঘেটে তা দেখা যায়।  

     

  11. 5
    হাফিজ

    বিভিন্ন দেশ থেকে স্কলারশিপ দিয়ে কিছু লোককে মদিনা ইউনিভার্সিটি সহ কিছু ভার্সিটিতে বিনে পয়সায় পড়িয়ে হাউজ অব সৌদের দালাল বানানো হয়। এগুলোর মধ্যে কিছু হয় চরম বেয়াদব।

    এই ৬ ফুট লম্বা দাড়িওয়ালা দালালদের চেয়ে দাড়িহীন এরদোগানই মুসলিমদের জন্যে উপকারী।

     

     

    Agree…

    1. 5.1
      মজলুম

      যে হারে এরা সৌদির পক্ষে অপপ্রচার চালায় তাতে বুঝা যায় এদের দাড়ি বড় হলেও তাকওয়ার লেভেল অনেক ছোট। খোদাভীতি থাকলেতো আর এই রকম মিথ্যাচার করতোনা। ধন্যবাদ

  12. 4
    এম_আহমদ

    আধুনিক বিশ্বে ন্যাশন স্ট্যাটের জাতীয়তাবাদ মুসলিম বিশ্বকে সম্পূর্ণ গিলে খেয়েছে। আজ অনেকের কাছে মুসলিম জাতি বলে কিছু নেই! নবীর (সা) সেই এক দেহের বাণীটি শুধু কাগজে। তাই কী আর বলব, যতক্ষণ পর্যন্ত কলম চলে, লিখে যান।

    আরব আমার, ভারত আমার, চীনও আমার নহেক পর

    মুসলিম আমি সারা দুনিয়ায় প্রেম-প্রীতি ছায়ে বেঁধেছি ঘর।

    মাতৃভূমির প্রতিমা তৈরি করে কে জান? এ তমুদ্দূন,

    এরি হাতে হায়, নবীর ধর্ম দেশে দেশে যে গো হতেছে খুন।

    (কবিতা: জাতীয় সঙ্গীত)

    “তমসাবৃত অন্ধ নয়ন ফোটাও হানিয়া আলোর বাণ

    আমি যাহা কিছু দেখিয়াছি প্রভু, সকলেরে তাহা করহে দান।

    (কবিতা: প্রার্থনা)

    -আল্লামা ইকবাল

    1. 4.1
      মজলুম

      ইউরোপের তৈরী সব সব মতবাদই ধংসাত্বক। আর পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর ধর্মের নামও এই দেশীয় জাতিয়তাবাদ, যার সাথে সেক্যুলারিজমের ফ্লেভার মেশানো আছে। পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশী মানুষ এই মতবাদেই খুন হয়েছে।  তবে মুসলিমরা এখন ঠেলা খেয়ে বুঝতে পারছে, এই সব দেশীয় জাতিয়তাবাদ সহ সকল মতবাই তাদের জন্যে ধংসাত্বক। একমাত্র ইসলামই তাদের মুক্তির পথ। ২০১২ এর আগে বিশ্বে মূলত কেউই জানতোনা রোহিঙ্গাদের কথা। অথচ ১৯৭০ থেকে এদের উপর চরম গনহত্যা চালানো হয়। ২০১২ থেকে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের সোস্যাল মিডিয়া ইউজ করার কারনে বিশ্ববাসীর চোখে এই গনহত্যা নজরে আসে। পরিবর্তনটা হচ্ছে ধীরে ধীরে, তবুও ভালো।
       মুমিনরা কখনই আল্লাহর উপর হতাশ হয়না। সূরা ইউসুফ

  13. 3
    মহিউদ্দিন

    খুবই সময়োপযোগী লিখা, ভাল লাগল। বেশিরভাগ পয়েন্টে সহমত। 
    তুর্কিদের কথা যখন লিখেছেন সে প্রসঙ্গে সম্প্রতি একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করতে চাই যা শুনলে জানা যায় তারা বিশ্বের গরীব কোন মুসলিমের স্বপ্ন পূরণে কিভাবে এগিয়ে আসে। আফ্রিকার ঘানা দেশের হাসান আব্দুল্লাহ নামের এক সাধারণ গ্রামের ব্যক্তির কাহিনী তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ  যার গল্পটি তুর্কি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী মিভুলত চেভসোগলু হস্তক্ষেপ করেছিলেন আবদুল্লাহর স্বপ্ন পূরণে ।  বিস্তারিত এখানে পড়তে পাবেন।  
    ভাই, সালাফি শাইখ আর দেওবন্দি যাদের কথাই বলেন না কেন এঁরা সবাই তাদের নিজস্ব বৃত্তে ঘূর্ণায়মান করার কিছু নাই। 

     

    1. 3.1
      মজলুম

      তুরস্কের সাহায্যের হাত অনেক বড়। আজকেও সুইডেন এই আফগান বুড়ীকে তাড়িয়ে দিলে তুরস্ক তার দেশে থাকার অভিবাসন দেওয়ার ঘোষনা দেয়। সব দলই নিজেদের তালগাছ খামছে ধরে আছে, আর তারাই ঠিক, এই ভাবনায় আছে। দেওবন্দি, ব্রাদারহুড, জামাতিরাও তুরস্ক কিছু করলে হাততালি দেয়, মনে হয় ফুটবল খেলা দেখছে। হাততালি দিয়েই শেষ, কিন্তু তুরস্কের একেপি থেকে যে কিছু শিখবে তা কিন্তু করেনা। এরা সবাই ন্যারো মাইন্ডেড।

  14. 2
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

     এই বিশ্বে হিউম্যান রাইটস বলে কিছু নাই, আছে শুধু মাইট ইজ রাইট(জোর যার রাজ্য তার)। জাতিসংঘ হলো পাঁচটা মাফিয়া চক্রের বা ৫ টা পারমেনেন্ট সদস্যের সংগঠন।

    -- এইটাই আসল কথা। 

    1. 2.1
      মজলুম

      দুনিয়া হলো শক্তের ভক্ত নরমের জম। আগেও ছিলো, এখনও আছে, পরেও থাকবে। তবে এখন শক্তির সাথে হিপোক্রেসিতে পিএইচডি আছে বিশ্ব মোড়লদের যা আগে ছিলোনা। ধন্যবাদ

  15. 1
    মজলুম

    সৌদি লাট সাহেবদের মতো তথাকথিত খাদেম কিং সালমানদের মতো লোক থাকলে এই জাতির যে অধপতন হবে তা বুঝতে বেশী আইকিউয়ের দরকার হয়না। গত মার্চ মাসে কয়েকদিনের ইন্দোনেশিয়া সফরে কিভাবে টাকা ব্যায় করেছে তা দেখুন এখানে। গত আগস্ট মাসে মরক্কোতে ভ্যাকেশানে থাকার সময় $১০০ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে। আর দিকে দিকে মুসলিমরা খেয়ে না খেয়ে ধুকে ধুকে মরছে। এই লাট সাহেবদের বিরুদ্বে কিছু বলবেনতো, ৬ ফুট লম্বা দাড়িঁওয়ালা মাদখাইল সালাফি শাইখরা উনাদের ডিফেন্ড করতে উঠে পড়ে লেগে যাবেন। লাট সাহেবদের থেকে পেট্রোডলার খেয়ে খেয়ে এই সালাফি শাইখদের ভূড়িও অনেক বাড়ছে। দেওবন্দিরা গরীব, পেট্রোডলার নাই বলে দান সদকা দিয়ে দ্বীনের কাজ চালায় তাই নিয়ে সালাফিদের তুচ্ছ তাচ্ছিল্য। যেন উনারা কামাই করে খান, উনারাও হাত পেতে নেন লাট সাহেবদের থেকে।
    বিভিন্ন দেশ থেকে স্কলারশিপ দিয়ে কিছু লোককে মদিনা ইউনিভার্সিটি সহ কিছু ভার্সিটিতে বিনে পয়সায় পড়িয়ে হাউজ অব সৌদের দালাল বানানো হয়। এগুলোর মধ্যে কিছু হয় চরম বেয়াদব।

    এই ৬ ফুট লম্বা দাড়িওয়ালা দালালদের চেয়ে দাড়িহীন এরদোগানই মুসলিমদের জন্যে উপকারী। এই তুর্কিরা নিজেদের অটোমান/উসমানের উত্তরসূরি মনে করে বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের সাহায্য করছে। তুরস্কের মাটির নিচে তেল নেই, এদের ইকোনোমি মূলত কৃষি ও ম্যানুফ্যাকচারিং। গতর খেটে কাজ করে এদের এই অর্থনিতী। সৌদির মতো খোদা প্রদত্ত তেল নাই। তবুও এরা সোমালিয়া, গাজা, মায়ানমার, সিরিয়া ও ইরাকের শরনার্থীদের সাহায্য করে যাচ্ছে। আরবরা পিছন দিক থেকে চুরি মারলেও(১ম বিশ্বযুদ্ব)  এই তুর্কিরা সুযোগ পেয়েই নিপিড়ীত আরবদের সাহায্য করে যাচ্ছে। ৩০ লক্ষ সিরিয়ান রিফিউজি তুরস্কে আছে, আছে অনেক ইরাকি । অন্য আরব দেশ থেকে এই রিফিউজিরা অনেক ভালো আছে তুরস্কে। প্রেসিডেন্ট আব্দুল হামিদকে ফোন করে রোহিঙ্গাদের খোজ খবর নেন। তুর্কি পররাস্ট্র মন্ত্রী মেবলু চাভুসোলু সকল রোহিঙ্গাদের খরচ বহন করার ঘোষনা দেন। তার আগেও মেবলু চাভুসোলু এবং তার আগের পররাষ্ট্র মন্ত্রী দাওতুগলু মিয়ানমার ভিজিট করে রোহিঙ্গাদের ত্রান দেন। কসাই ক্যামিকেল আসাদের ক্যামিকেল হামলায় এই লোকটার পরিবারের সবাই শহীদ হলে তাকে এরদোগান প্রেসিডেন্ট প্যালেসে ডেকে এনে বুকে জড়িয়ে ধরেন, তার জন্যে বাড়ি গাড়ি বরাদ্দ করেন। ৬ বছর আগে সোমালিয়ায় দুর্ভিক্ষ হলে কেউ দেখতে আসেনি এরদোগান ছাড়া। এখোনো তুর্কিরা সোমালিয়াতে কাজ করে যাচ্ছে মুসলিমদের জন্যে। এই লোকগুলা আসলেই আন্তরিক, এগুলো লোক দেখানো বা নাম কামানোর জন্যেও না। এরা নিজেদের অটোমান/উসমানের উত্তরসূরি মনে করে তাদের মতই দিকে দিকে নির্যাতিত মুসলিমদের সাহায্য করে। কোনো আরব বিশ্বের সরকার বা নেতাদের বা তথাকথিত হারামাইন শরীফের খাদেমদের এইভাবে মুসলিমদের সাহায্য করতে দেখবেন না, এমনকি কাতার ও না। এই আরব শাসকরা নিজেদের লাট সাহেব ভাবে। তবে সৌদি মুসলিম দেশ গুলোতে যা সাহায্য করে তা হলো কিছু খেজুর যা তারা খায়না বা বিক্রি হয়না কিন্তু গোডাউনে পড়ে আছে আর হাজিদের রেখে যাওয়া কোরবানির দুম্বার মাংস। এর বাইরে যা সাহায্য করে তার চেয়ে হাউজ অব সউদের ঢিলা কুলুপের জন্যে আরো বেশী খরচ করে। কিছু মসজিদ মাদ্রাসা বিভিন্ন দেশে তৈরী করে সেখানে মাদখাইল সালাফি রাখে আর সেই মতবাদ শেখায়। তারা সৌদির দালালি করে আর এদেরকে চেকআপে রাখে সৌদির ধর্মমন্ত্রনালয়।

    তুরস্কের একেপি সরকার তার দেশের ভেতরে এবং বাইরে অনেক সমস্যা নিয়ে জর্জরিত। যেনো চিকন তারের উপর দিয়ে হাটছে, যেকোনো সময় পড়ে গিয়ে মৃত্যু হতে পারে। তবুও এরা যেখানেই মুসলিমরা নির্যাতিত সেখানেই গিয়ে সাহায্য করছে।

    আশার কথা হলো হাউজ অব সউদের সময় গনিয়ে এসেছে। সালমান মারা গেলেই গেম অব থ্রোন এপিসোড শুরু করে। সালমানের ছেলেকে ক্রাউন প্রিন্স বানিয়ে পরবর্তী কিং হওয়ার জন্যে লাইনে রেখেছে, কলকাঠি নাড়ছে আরব আমিরাতের গিরগিটি মুহাম্মদ বিন জায়েদ। এটা মেনে নিবেনা আগের কিং ফাহাদ আর আব্দুল্লাহর ছেলেরা। ফাহাদের ছেলে অলরেডি গরম গরম টুইট করতেছে টুইটারে। দেখা যাক কি হয়।

    1. 1.1
      সাদাত

      মূল পোস্টের সাথে একমত। বানর শুকর ক্যাপশনটা না দিলে ভালো হতো। আর আপত্তি জানাচ্ছি আপনার কমেন্টের এই অংশে:

      এই ৬ ফুট লম্বা দাড়িওয়ালা দালালদের চেয়ে দাড়িহীন এরদোগানই মুসলিমদের জন্যে উপকারী 

      এরদোগান আসলে দাড়ি রাখেন না, নাকি তার দাড়ি হয় না আমার জানা নেই। এরদোগানকে পছন্দ করি, তবে ইচ্ছাকৃতভাবে তিনি  যদি দাড়ি না রাখেন সেটা সমালোচনার যোগ্য কেননা দাড়ি বড় করা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গুরুত্বপূর্ণ  জোরতাগিদপূর্ণ নির্দেশ।

      এরদোগানের সাথে সালাফি আলেমদের উপকারিতার তুলনা করছেন, করেন। এখানে দাড়ি টেনে আনার দরকার কী? তাহাজ্জুদ ওয়ালা ৫  ওয়াক্ত নামাযী অমুকের চেয়ে বেনামাযী তমুক ইসলামের জন্য বেশি উপকারি। এই ধরণের কথা বলাটা কেমন শোনাবে? কোন মুসলিমের সমালোচনা করতে চান করেন, কিন্তু সেটা ইসলামের কোন বিধানকে খাটো করে নয়।

       

       

      1. 1.1.1
        মজলুম

        মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ। তবে পলিটিক্যাল কারেকশান, ফর্কড টাঙ্গ আর ডগ হুইসেলর মত ভাষা ইউজ করিনা বলে শুকর, বানর বলেছি।

        লম্বা দাঁড়ির ব্যাপারে পুরা মন্তব্য পড়লেই বুঝতে পারতেন কি বুঝিয়েছি, ব্যাকগ্রাউন্ড কি ছিলো এবং আমার ইনটেনশানটা কি ছিলো। মাদখাইল সাফালিদের মধ্যে যারা সৌদি রাজবংশের কুকর্ম দেখেও তাদের পক্ষে দালালি করে তাদের জন্যে বলেছি। সব সালাফি নয় কিন্তু, কারন সব সালাফি আলেম সৌদি রাজবংশের দালাল নয়।

        কেউ যদি লম্বা পান্জাবি পরে প্রতারনা করে তাহলে আমরা মূলত বলি, এতো বড়ো লম্বা পান্জাবি পরেও প্রতারনা করছে, তার মানে এই নয় যে পান্জাবিকে ছোট করা হয়েছে। বরং বুঝানো হয় যে পান্জাবি পরেও কিভাবে সে এই কাজটা করলো।

        1. 1.1.1.1
          সাদাত

          লম্বা দাড়ি নিয়ে প্রতারণা করার আলোচনায় সীমাবদ্ধ থাকলোও চলতো, কিন্তু যখন লম্বা দাড়ির বিপরীতে দাড়িবিহীন হওয়ার বিষয়টি দাঁড় করানো হয়, তখন প্রতারণার বিষয়টিই শুধু ফোকাস হয় না, দাড়ি বনাম দাড়িবহীন এর একটু তুলনাও চলে আসে।

        2. 1.1.1.2
          মজলুম

          এখানে মূলত দাঁড়ি না, বরং দাঁড়িওয়ালা এক বিশেষ শ্রেনীর লোকদের কথা বলা হয়েছে। স্পেসিফিক্যালি, গনহারে দাঁড়ি আর দাঁড়িহীনের তুলনা করা হয়নি। যাকগে, এটা নিয়ে আর কোন কমেন্ট করবোনা, এটাই শেষ কমেন্ট।

    2. 1.2
      সত্য সন্ধানী

      আশার কথা হলো হাউজ অব সউদের সময় গনিয়ে এসেছে। সালমান মারা গেলেই গেম অব থ্রোন এপিসোড শুরু করে। সালমানের ছেলেকে ক্রাউন প্রিন্স বানিয়ে পরবর্তী কিং হওয়ার জন্যে লাইনে রেখেছে, কলকাঠি নাড়ছে আরব আমিরাতের গিরগিটি মুহাম্মদ বিন জায়েদ। এটা মেনে নিবেনা আগের কিং ফাহাদ আর আব্দুল্লাহর ছেলেরা। ফাহাদের ছেলে অলরেডি গরম গরম টুইট করতেছে টুইটারে। দেখা যাক কি হয়।

      আপনার মুখে ফুল চন্দন পড়ুক মজলুম ভাই

       রাজাবাদশাহ দের কুকর্মে আমি ক্লান্ত! 

Leave a Reply

Your email address will not be published.