«

»

Sep ১৫

অর্বাচিনের সংলাপ ১

আসসালামু আলাইকুম,

আগের মত নেটে বসার সময় পাওয়া যায় না। সে কারণে পোস্ট পড়া, কমেন্ট করা বা নিজে পোস্ট দেওয়ার সুযোগ হয়ে উঠছেনা। কিন্তু মন নেটে পড়ে থাকে বিশেষ করে যখন ভাবি জীবনের আয়ু দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে। দ্বীন এবং দুনিয়ার কোন ব্যাগ ব্যাগেজ তো কিছু গুছিয়ে নিতে পারি নাই। না ঘরকা না ঘাটকা!!! গুছানোর ইচ্ছা জাগলেই চোখের সামনে বাস্তব সত্য মনে ভেসে উঠে- “যে জন দিবসে মনের হরষে জ্বালায় মোমের বাতি আশু গৃহে তার দেখিবেনা আর নিশিতে প্রদীপ বাতি” কিংবা “ জানত যদি হাসন রাজা বাঁচবে কত দিন বানাইত দালান কোঠা করিয়া রঙ্গিন” ।

 আল্লাহ পাক আমাকে আমার না চাইতে আমাকে অনেক নেয়ামত দান করেছিলেন। কিন্তু আমার বুদ্ধি আর সাহস হীনতার কারণে সব নেয়ামত আমার থেকে দূরে চলে গেছে। অনিচ্ছা ভাবে দেশে ফিরে এসে সোজা গ্রামে চলে গিয়েছিলাম। উদ্দেশ্য পৈতৃক প্রদত্ত  জমি জিয়ারতে   বৈজ্ঞানিক উপায়ে বাগান করে সেই আয়ের দ্বারা ছোট বেলার স্কুল পাঠ্যে পড়া Alexander Pope এর  Happy the man কবিতার

Happy the man, whose wish and care

A few paternal acres bound,

Content to breathe his native air,

In his own ground.

 

Whose herds with milk, whose fields with bread,

Whose flocks supply him with attire,

Whose trees in summer yield him shade,

In winter fire.

 

Blest, who can unconcernedly find

Hours, days, and years slide soft away,

In health of body, peace of mind,

Quiet by day,

 

Sound sleep by night; study and ease,

Together mixed; sweet recreation;

And innocence, which most does please,

With meditation.

 

Thus let me live, unseen, unknown;

Thus unlamented let me die;

Steal from the world, and not a stone

Tell where I lie.

 

বর্ণিত মতে বাকি জীবন কাঠিয়ে যাব। কিন্তু করি এক ফল আসে বিপরীত!!  আজ পাঁচ বছর রক্ত ঝরা পয়সার বিনিময়ে শুধু শূন্য যোগ হচ্ছে!! শক্ত ভাবে আবার উঠে দাঁড়াব সে সাহস হচ্ছে না। তবে আমার কাছে  অনেক পরিকল্পনা ছিল কিন্তু পরিকল্পনা সফল হওয়ার মূল ভিটামিনের অভাব থাকায় সেই সব পরিকল্পনাকে বুকের ভিতর দাফন করতে হচ্ছে।

 তাই স্বল্প মেয়াদী স্কিম হাতে নিয়েছিলাম, দারা পরিবারকে আল্লাহর উপর ছেড়ে দিয়েছি, নিজের গ্রামে এসে চারপাশের দরিদ্র মানুষদের সাথে উঠবস করে তাদের দুঃখ দারিদ্র্যতার চালচিত্র দেখে বুঝতে পারি যে, আল্লাহ পাক এখনও উনার করুণা দিয়ে আমাকে গ্রামের মানুষের চেয়ে অনেক অনেক ভাল ভাবে প্রতিপালন করে যাচ্ছেন। তখন চিন্তা আসে যে আল্লাহ পাক আমার মত নালায়েককে প্রতি পালন করে চলছেন আমি কি পারিনা সেই আল্লাহর  সর্ব সেরা সৃষ্টি আশরাফুল মখলুকাত আমার আমার প্রতিবেশী আমার চেয়ে অসহায় মানুষদেরকে একটু সাহায্য করতে!!!!  সেই থেকে আমার ভাবনা পরিবর্তিত হয়ে যায়।  আল্লাহ আমার জন্য যে সময় টুকু বরাদ্দ করে রেখেছেন সেই সময় টুকু গ্রামের মানুষের জন্য যতটুকু পারি কিছু করার চেষ্টা করে যাওয়ার, কিন্তু এই পথও সহজ সরল নয়, পদে পদে সন্দেহ আর বক্র দৃষ্টি! তারপর যুগ যুগ ধরে ঐ সব মানুষদেরকে যারা শোষণ করে এসেছে তাদের চক্ষুশূল হয়ে উঠছি আমি। যেমন করে এখনও বর্ণ হিন্দুদের চোখে মুসলিমরা চক্ষুশূল!!! যেমন করে ৪৭ কিংবা ৭১ পূর্বে যাদের কিছু ছিলনা যারা বর্ণ হিন্দু আর বর্ণ মুসলিমদের ফেলে যাওয়া সম্পদ লুঠ করে কিংবা রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থেকে বিনা মূলধনে হঠাৎ করে রাজনৈতিক ব্যবসায়ী হয়ে সম্পদের মালিক হয়ে উঠেছেন তাদের চোখে এদেশের হত দারিদ্র মানুষরা চক্ষের শূল!!!!

 

অন্যদিকে কিছু অবসর পেয়েছিলাম, তাই সময় কাটানোর জন্য ব্লগে আসি, এসে দেখি আমার কওমের বিশ্বাসকে নিয়ে অবিশ্বাসীরা ষড়যন্ত্র করছে, মিথ্যা রটনা করছে, যারা এর প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রাখেন তারা এই জগত থেকে অনেক দূরে অবস্থান করছেন।(তাদের মধ্যে অনেকই আর্থসামাজিক কারণে) যেমন করে আড়াই শতাব্দী আগে এই উপমহাদেশে মুসলিমদের মধ্যে কৌশলে সভ্যতার নামে ইসলাম ধর্ম বিরুধীতার বীজ বপন করা হচ্ছিল তখনও আমাদের এই প্রতিরোধকারী সম্প্রদায় ফিতনা থেকে ঈমান আমলকে হেফাজত রাখার জন্য বাস্তবতা থেকে দূরে থেকে দরবেশী ইসলামী জীবন যাপিত করে নিজদেরকে সময়ের বৃত্তে বন্দি করে চলছিলেন। নিজেরা যেমন নিজদের আরোপিত শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়ে থাকলেন তেমনি উনাদের বৃত্তের বাইরে কি ঘটে যাচ্ছে সে বিষয়েও বে-খেয়াল হয়ে থাকলেন। নিজের ঘর অরক্ষিত রাখলে যা হওয়ার তা হতে থাকল। পার্থিব সুখ স্বাচ্ছন্দ্যে লালায়িত মুসলিমদের ক্ষুদ্র অংশ তখন এন্টি ইসলামীদের প্রণীত সিলেবাস দ্বারা পরিচালিত স্কুল কলেজে কেরানী, চাপরাশি, সেরেস্তাদার পদে চায় চাকরী পাবার আশায় পড়তে লেগে যান। তাই প্রত্যেক ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া যা হয় তেমন হতে থাকল। আমগাছে আম ফল দেবে না কি কাঁঠাল ফল দিবে!!!

এই সব কেরানীদের মধ্যে আরও উপরে উঠার স্বপ্ন জেগে উঠে ! আর সেই স্বপ্ন পূর্ণ করতে তাদের ছেলে সন্তানকে ব্রেইন ওয়াশ করা বিদ্যালয় গুলোতে অধিক হারে পাঠাতে লাগলেন। আর এদের ২য় প্রজন্ম যখন বড় বড় পদে নিয়োজিত হলেন ততদিনে তখন তারা খৃষ্টালিম হয়ে গেছেন। মাছের যখন পচন শুরু হয় তখন লেজ থেকেই নাকি শুরু হয়!!! সরিষার দানার মত  বীজ থেকেই বটবৃক্ষের উত্থান হয়ে থাকে।

তখন যখন ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলছিল তখন সেই সব খৃষ্টালিমদের মধ্যে যাদের পারিবারে  ইসলামী রীতি রেওয়াজ চালু ছিল তাদের মধ্যে থেকে কেউ কেউ এই অপপ্রচারে বিরুদ্ধে কলম যুদ্ধে নেমে ছিলেন যদিও তাদের বেশীর ভাগের সঠিক ইসলামী তত্ত্বকথা ইসলামী সিলসিলার শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন না। তো তারা কি করবেন !! বসে বসে নাড়ীর সাথে সম্পর্কিত কওমের বিশ্বাসকে মার খেতে দেখবেন!!! যাদের জবাব দেবার বা মিথ্যা অপপ্রচারে জবাব দেবার দায়িত্ব ছিল তার এই বিষয়ে বেখবর, যে কারণে হোক দরবেশী ইসলাম নিয়ে ব্যস্ত আর জুমার নামাজে ইহুদি নাসারাদেরকে আল্লাহ যেন ধ্বংস করে দেন এই মোনাজাত করেই তারা খালাস!!!

আমাদের এই সময়ও আমাদের সময়ের নায়েবে নবী  তাদেরকে আমরা পাচ্ছিনা, অবশ্য এখন তাদের মধ্যে বেশীর ভাগ যে আর্থসামাজিক অবস্থায় আছেন তার জন্য তাদেরকে আগের আমলের নায়েবে রুসুলদের কারু কারু মত দোষ দিতে পারিনা। তাই তো আমরা খৃষ্টালিম হয়েও শুধু শুধু আমাদের বিশ্বাসকে মার খেতে দেখে কীবোর্ডে আঙ্গুল চালাতে বাধ্য হয়েছি।

আমিও চেয়েছিলাম এই ভার্চুয়াল যুদ্ধের একজন যোদ্ধা হতে! সাধ্যমত সেই চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু বাঁধ সাধলো আমারও আর্থসামাজিক অবস্থা!!!!

তারপরও সুযোগ পেলেই এই যুদ্ধে ফিরে আসার আশা রাখছি। আমার জন্য দোয়া করবেন!!!

১১ comments

Skip to comment form

  1. 6
    মহিউদ্দিন

    ভাবনায় আছে তা হচ্ছে আল কোরআনের আয়াত সমূহকে বিষয় ভিত্তিক ভাবে প্রকাশ করার।

    ভাল আইডিয়া। দোয়া করি  অপনার প্রচেষ্টা সফল হউক।

  2. 5
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    আমরা অনেক সময় ভুল করে অপ্রাপ্তির বিষয়টা বড় করে দেখি -- তার থেকেই আসে হতাশা। তার থেকে বের হওয়ার জন্যে আল্লাহ রহমত দরকার হয়।
     
    কথা প্রসংগে বলি -- এক কলিগ প্রায়ই উনার পারিবারিক সমস্যার কথা বলেন -- মনযোগ দিয়ে শুনি আর ভাবি সুরা আসরের কথাগুলো। শেষ পর্যন্ত উনাকে ধৈর্য্য ধরার জন্যে অনুরোধ করি। কিন্তু উনি আরো হতাশার কথা বলায় একদিন বললাম -- আচ্ছা আপনি যার সাথে আপনার সমস্যার কথাগুলো বলছেন -- সে যে আপনার চেয়ে বড় সমস্যায় নেই তা কিভাবে জানেন? কথা শুনে ভদ্রলোক হতচকিত হয়ে গেলো -- মুখের অভিব্যক্তিতে একটা বিষ্ময় এসে গেলো -- জানতে চাইলো আমি কি সমস্যায় আছি নাকি? বললাম -- আমি ধৈর্য্য ধরে আছি আল্লাহর ইচ্ছায় এবং আল্লাহ রহমানুর রাহীম। 
    আমি বিশ্বাস করি -- "আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোন কাজের ভার দেন না," ( ২:২৮৬)
     
     
     
    মুনিম ভাই, হতাশার কোন সুযোগ নেই আমাদের জীবনে -- ভেবে দেখুন কোরানের এই আয়াতটা কথা --
     
     
    (2:155)
    এবং অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের।
     
     
     
    আপনি যদি বলতেন আপনি খুবই ভাল আছেন -- তাহলে চিন্তায় পড়ে যেতাম -- কারন, তখন প্রশ্ন আসতো আপনি কি তাহলে পরীক্ষার উর্দ্ধে উঠে গেলেন! মুমিনদের জন্যে এই সকল পরীক্ষা খুবই স্বাভাবিক। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো -- আল্লাহ রহমানুর রাহিম পরীক্ষার প্রশ্নের উ্ত্তর আগেই বলে দিয়েছেন -- 
     

    (2:156)
    যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো। 
     
     
    -- মুনিম ভাই, অনেকগুলো কথা বলে ফেললাম।  ভুল হলে ক্ষমা প্রার্থী হয়ে থাকলাম। 
     
    আল্লাহ আমাদের সহায় হবেন। 

     

    1. 5.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      জিয়া ভাই সালাম, আসলে কি এই পোস্টের কোন পুর্ব পরিকল্পনা ছিল না। ভাবলাম অনেক ধরে লিখছিনা তাই একটি সিরিজ শুরু করি আর কি! যেই ভাবা সেই কাজ! ভূমিকা লিখতে বসে দেখি বিরাট হয়ে গেছে, হাতেও সময় নাই! অগত্যা বেচে আছি জানান দিতেই ভূমিকাকে পোস্ট আকারে দিয়ে দিলাম।
      সিরিজের কথা শুনে বেশি আশা করবেন না আবার!!! এবার কপিপেস্ট সিরিজ শুরু করার কথা ভাবছি। যা ভাবনায় আছে তা হচ্ছে আল কোরআনের আয়াত সমূহকে বিষয় ভিত্তিক ভাবে প্রকাশ করার। যা ব্লগ যোদ্ধাদের উপকারে আসতে পারে। ধন্যবাদ।

  3. 4
    শামস

    হুম! ইচ্ছে থাকলে উপায় হয়। আল্লাহ সহায় হোন।

    1. 4.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      সামস ভাই ঠিক বলেছেন। তবে সব ইচ্ছার উপায় আসেনা। কারণ সময়! আচ্ছা বলেন দেখি ৪০ উর্ধ লোককে কি কেউ  নতুন করে কোন কাজে রাখতে চায়? ব্যাংক বীমা কম্পানী কি ৫৪ উর্ধ ব্যাক্তিকে ধার দিবে? সময় বড় ফ্যাক্টর । যাক সবার দোয়া চাই! ধন্যবাদ।

  4. 3
    মহিউদ্দিন

    মানুষের চাওয়া পাওয়ার শেষ নাই! সবাই ব্যস্ত অরো চাই নিয়ে।
    এ দিকে আমাদের সবারই বয়স যে বাড়ছে সে খেয়াল কারো নাই।  দেখতে দেখতে বার্ধ্যকের দুয়ারে পৌছে যাচ্ছি! আর বেশী দূরে নয় হয়তবা হাসপাতালের বেডে না হয় বিছানায় শুয়ে কুকড়াতে হবে। যতদিন সামর্থ আছে যতাসাধ্য চেষ্টা করে যেতে হবে শুধু নিজের জন্য নয়,  অন্যের জন্যও কিছু করার, দরিদ্র মানুষদের জন্য কিছু করার তখনই হবে লাইফ মিনিংফুল । সাইবার জগতে যারা মিথ্যার ছড়ায় তাদের বিরোদ্ধে কলম চালানোও কিন্তু অন্যের জন্য কিছু করার সামিল কারন আপনার নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টায় হতে পারে কারো বিভ্রান্তির অবসান।
    বিশ্বের জনসংখ্যার ৪৮%  আর মুসলিম বিশ্বে ৬০%  হচ্ছে এখন যুব সমাজ এদের হাতে যারা অস্ত্র তুলে দিচ্ছে, যারা ছড়াচ্ছে  ঘৃণা,  যারা ছড়াচ্ছে বেহায়াপনা সেই অসুভ চক্র যতদিন থাকবে কর্মরত সমাজের সর্বসস্তরের নেতুত্বে ততদিন কোন শান্তি আশা করা হবে বৃথা।
     
    দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে শিঘ্রই ঝামেলামুক্ত করুন।

    1. 3.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      দোয়া করবেন! ধন্যবাদ।

  5. 2
    এম_আহমদ

    ভাই জীবনটা আপনাতেই এক নেয়ামত। সাস্থ্যটা নেয়ামত। প্রত্যকটা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নেয়ামত। আমরা যা পেয়েছি তার সবই আল্লাহর দান। চালিয়ে যান। সাফল্যের কোন মাপকাটি নেই। প্রাপ্তির কোন সীমা নেই। প্রত্যেক ব্যক্তিকে এক পর্যায়ে বুঝে নিতে হবে তার জন্য কতটুকু প্রয়োজন। একবার তার বুখে হাত দিয়ে বলতে 'এতটুকুই' আমার জন্য 'যথেষ্ট'। 'যথেষ্টের' সীমা আপেক্ষিক, যদি কেউ এর সীমা নির্ধারণে ব্যর্থ হয়, তবে সে চিরদিনই অতৃপ্ত থেকেই যাবে -মিলিয়নিয়ার হলেও সীমায় পৌঁছতে পারবে না। আমরা যাদেরকে টাকার উপর হাঁটতে দেখি এবং অনেক সময় সাফল্যবান মনে করি,তাদের ব্যক্তি জীবন দেখি না, পারিবারিক জীবন দেখি না, তাদেরকে জিজ্ঞেস করার অবকাশ পাইনা, 'ভাই, আপনি কি নিজেকে সাফল্যবান মনে করেন? আপনার তৃপ্তি কি মেঠেছে?'
    আমরা যে যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, সেখান থেকে মাত্র ২০০ বছরের পিছনে এবং ২০০ বছরের ভবিষ্যতের দিকে তাকালেই সামান্য একটা মাপ পাওয়া যাবে। ২০০ বছর আগে কারা ধনী ছিল, আর কারা ধনহীন -আমরা তাদের কি তাদেরকে চিনি? না। আজকে যারা ধনবান আর যারা ধনহীন তাদেরকেও কেউ ২০০ বৎসর পর স্মরণ রাখবে না। দিন-রাত পাত করে যে 'সম্পত্তি' তার করে চিহ্নিত করল, তার মৃত্যুর ৩০ বৎসরের ভিতর এটা কার কার হবে?
    ওয়াকাউয়য়িমিন আইয়াতি ইয়ামুররুনা আলাইহা ওয়াহুম আনহা মু'রিদুন।
       

    1. 2.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      যথার্থ বলেছেন। ধন্যবাদ।

  6. 1
    তামীম

    মুনিম ভাই, জীবনে অনেক উত্থান-পতন আসে -- আসবে। আর্থসামাজিক কারণে আমিও ব্লগে এখন একদমই সময় দিতে পারছি না। তবে পরিকল্পণা আছে নিকট ভবিষ্যতে আবারো আগের মত উদ্যোমে ঝাপিয়ে পরার।
    আশা করি আপনার সকল সমস্যা দূর হয়ে যাবে, ইনশাল্লাহ।
    অদূর ভবিষ্যতে আবার আমরা আগের মত নিজেদের চিন্তাভাবনার পুরোটুকুই ইসলামের জন্য নিবেদিত করতে পারব -- ইনশাল্লাহ।

    1. 1.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      ইনশাল্লাহ! ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.