«

»

Oct ১০

কিশোরী আয়েশা রাঃ এর বিয়ে নিয়ে বিদ্বেষীদের মিথ্যাচার!!

অমুসলিম ইসলাম বিদ্বেষীগণ কিশোরী আয়েশা রাঃ-কে বিয়ে করার জন্য মুহাম্মদ সাঃ-কে নানাভাবে অভিযুক্ত ও আক্রমণ করে। এসব আক্রমণাত্মক অভিযোগের মধ্যে শিশু নির্যাতন ও একটি। তাদের অভিযোগ যে মুহাম্মদ (সা:) কালের সীমাবদ্ধতা উত্তীর্ণ হতে পারেন নি, তিনি সর্বকালের আদর্শ হতে পারেননি। আমরা এখানে তাদের অভিযোগগুলো যাচাই করতে যাচ্ছি।

প্রথমে দেখি এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটেনিকায় Child Abuse বা বাচ্চাদের সাথে কুকর্মের সংজ্ঞা কী দিয়েছে-

শিশুদের সাথে কুকর্ম করা, যাকে শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতাও বলা হয়, এইটি হচ্ছে ইচ্ছাকৃত ভাবে শিশুদেরকে অন্যায় ভাবে আঘাত দেয়া এবং ভোগান্তি আরোপ করা। এই পরিভাষা যে সব অর্থ বহন করে তা হল এই: অসংযত/অপরিমিত শারীরিক নির্যাতন করা;অসঙ্গত অশ্লীলতা ভাষা ব্যবহার করা, দুর্ব্যবহার; উপযুক্ত নিরাপত্তা বিধানে ব্যর্থতা,খাদ্য, চিকিৎসা ও মানসিক সমর্থ দানে ব্যর্থতা; অবৈধ যৌনসম্পর্ক স্থাপন করা; যৌন নিগ্রহ বা ধর্ষণ;এবং শিশুদের নিয়ে অশ্লীল ছবি তৈরি করা। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটা প্রায়ই শিশু আঘাত জনিত লক্ষণ বলে উল্লেখ করা হয়ে থাকে। শিশুদের সাথে অপমানজনক কুকর্ম/দুর্ব্যবহার পৃথিবীর প্রায় সব দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত এবং ফৌজদারি সংবিধিমালায় দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য করা হয়। শিশুদের সাথে দুর্ব্যবহার তার ভবিষ্যৎ জীবনে গভীর পরিণতি বা প্রভাব ফেলতে পারে। তাছাড়া শারীরিক বিকাশে বিলম্ব, ভাষার ব্যবহার ও অর্থ অনুধাবনে বৈকল্য, ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন, শিক্ষা ও ব্যবহারে সমস্যা এগুলো হচ্ছে কিছু সাধারণ বিষয় যা নাবালক দুর্ব্যবহার, অযত্ন ও অবহেলা থেকে উদ্ভূত হয়। (এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ১৯৯৮)

মন্তব্যঃ- উপরে উল্লেখিত নির্ণায়ক গুলোর মধ্যে কোন নির্ণায়ক মুহাম্মদ সাঃ জীবনের ইতিহাসে পাওয়া যায়নি । আয়েশা রাঃ অথবা অন্য কোন মানুষকে এই ধরণের আঘাত এবং যন্ত্রণা মুহাম্মদ সাঃ দেবার কোন একটি ঘটনা পাওয়া যায়না। আয়েশা রাঃ বা মুহাম্মদ সাঃ অন্য কোন স্ত্রী বা উপপত্নীর সাথে মুহাম্মদ সাঃ মৌখিক ভাবে হোক আর শারীরিক ভাবে যৌন নিপীড়নের কোন ন্যুনতম উদাহরণ  দেখা যায়নি। ইতিহাসে আয়েশা রাঃ উনার নিজের এবং আশেপাশের অনেক মানুষের, এমনকি মুহাম্মদ সাঃ এর মত ব্যক্তিত্বের  অনেক ঘটনা রাখঢাক না করেই বর্ণনা করে গিয়েছেন – কিন্তু তিনি নিজে কখনও মুহাম্মদের সাঃ স্ত্রীর দায়িত্ব পালন কালে কোন ধরণের যন্ত্রণা বা কষ্ট ভোগ করেছিলেন তাঁর কোন বর্ণনা উল্লেখ করে  যাননি। বরং যখনই মুহাম্মদ সাঃ ভিন্ন কারণ বশতঃ অন্য মহিলাদেরকে বিয়ে করে এনেছিলেন তখন আমরা উনাকে  অনেকসময় ঈর্ষান্বিত হতে দেখছি। এবং কোন এক ঘটনার কারণে মুহাম্মদ সাঃ স্ত্রীদের থেকে ১ মাস দূরে থাকার প্রতিজ্ঞা করে দূরে থেকে মাস পূর্ণ হবার পর স্ত্রীদের হুজরায় গিয়েছিলেন সেই সময় আয়েশা রাঃ বলে উঠেছিলেন- ইয়া  রাসুলাল্লাহ, আজ তো ২৯ দিন মাস পূর্ণ হয় নাই!!! যে স্ত্রী হিসেব করে  অপেক্ষার প্রহর গুনতেন এবং  সতীনদের প্রতি ঈর্ষা বোধ  করতেন – এই বাস্তবতাই বলে দেয় দেয় যে তিনি কি পরিমাণ ভালবাসতেন মুহাম্মদ সাঃ কে।.

শিশুদের সাথে দুর্ব্যবহার তার ভবিষ্যৎ জীবনে গভীর পরিণতি বা প্রভাব ফেলতে পারে। তাছাড়া শারীরিক বিকাশে বিলম্ব,ভাষার ব্যবহার ও অর্থ অনুধাবনে বৈকল্য,ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন,শিক্ষা ও ব্যবহারে সমস্যা এগুলো হচ্ছে কিছু সাধারণ বিষয় যা নাবালক দুর্ব্যবহার,অযত্ন ও অবহেলা থেকে উদ্ভূত হয়

উপরে উল্লেখিত কোন একটি সমস্যার কথা আয়েশা রাঃ জীবনী থেকে জানতে পাই না,যা পাই বরং তার উল্টা প্রতিচ্ছবি-আয়েশা রাঃ কে বাস্তব জীবনে আমার দেখে পাই – তাঁর ব্যক্তিত্ব, শারীরিক, মানসিক এবং আধ্যাত্মিক সর্ব দিক দিয়ে তিনি অনন্যা ছিলেন তাঁর প্রখর স্মৃতি শক্তির বাস্তব  স্বাক্ষর আমরা হাদিসের মাধ্যমে জানতে পারি। তিনি মুহাম্মদ সাঃ ওফাতের পর দীর্ঘ ৫০ বছর মানুষকে কোরআন হাদিস শিক্ষা দান করেছিলেন শুধু তাই নয় মুহাম্মদ সাঃ পরবর্তী তিন তিন জন খলিফাকে পরামর্শ সহায়তা দিয়েছিলেন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে,আয়েশা রাঃ মুহাম্মদ সাঃ কে বিয়ে করে উনার  অভিভাবকত্ব লাভ করে তিনি নির্যাতিত শিশু হিসাবে নয় বরং আশীর্বাদ প্রাপ্ত শিশু ছিলেন।

মুহম্মদ সাঃ এর বিরুদ্ধে অভিযোগকে বিশ্লেষণ এবং খণ্ডন করার পর আমাদের কাছে বিকল্প টেকসই যা বলার আছে তা হচ্ছে- আয়েশা রাঃ সাথে মুহাম্মদ সাঃ বিয়ে দ্বারা মানবতা এবং ইসলামের প্রভূত কল্যাণ সাধিত হয়েছিল। আসুন আমরা আমাদের  দাবী  বিশ্লেষণ করে দেখি-

মুহাম্মদ সাঃ আয়েশা রাঃ কে প্রাথমিক যে তিন কারণের জন্য বিয়ে করেছিলেনঃ

 আবু বকর রাঃ সাথের বন্ধুত্বের সম্পর্ককে আত্মীয়তার মজবুত  বাঁধনে পর্যবেশিত করে রাখা।

 আয়েশা রাঃ ইসলামের বিধি বিধান শিক্ষা এবং তৈরী করা যাতে তিনি ইসলামের বিধি বিধানকে সংরক্ষণ, (বিশেষ করে নারীদের জন্য একান্ত বিষয়াদি) রাসুল সাঃ জীবন ইতিহাস, আল কোরআনের আয়াতের নাজিলের কারণ এবং মানুষকে তাঁর সঠিক শিক্ষাদান করতে পারেন।

 উনাকে সে ভাবে গড়ে তোলা হয়েছিল যাতে তিনি উনার সম্পূর্ণ সক্ষমতাকে ইসলামের জন্য ব্যবহার করতে পারেন।

 আয়েশা রাঃ কে বিয়ে করা ছিল আল্লাহর ইচ্ছা যা ওহির মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।

মুহাম্মদ সাঃ থেকে সে সম্পর্কে যে বর্ণনা তিনি জেনে ছিলেন সেই কথা আয়েশা রাঃ নিজেই বর্ণনা করে গিয়েছেন-তিনি বলেছেন-“তোমাকে বিয়ে করার  আগে আমাকে ২ বার  স্বপ্ন দেখান হয়েছিল। আমি দেখেছি একজন ফেরেশতা তোমাকে এক টুকরো রেশমি কাপড়ে জড়িয়ে আমার কাছে নিয়ে আসছেন। আমি বললাম- আপনি নিকাব উন্মোচন করুন! যখন তিনি নিকাব উন্মোচন করলেন তখন আমি দেখতে পেলাম যে ঐ মহিলা তুমিই। আমি তখন বললাম –এইটি যদি আল্লাহর তরফ থেকে হয়ে থাকে তাহলে তিনি তা অবশ্য বাস্তবায়ন করবেন। তারপর আবার আমাকে দেখানো হলো যে, একজন ফেরেশতা তোমাকে এক টুকরো রেশমি কাপড়ে জড়িয়ে আমার কাছে নিয়ে আসছেন। আমি বললাম- আপনি নিকাব উন্মোচন করুন! যখন তিনি নিকাব উন্মোচন করলেন তখন আমি দেখতে পেলাম যে ঐ মহিলা তুমিই। আমি তখন বললাম –এইটি যদি আল্লাহর তরফ থেকে হয়ে থাকে তাহলে তিনি তা অবশ্য বাস্তবায়ন করবেন। (সহি বুখারী ২৪১৮)

 আয়েশা রাঃ জন্ম লাভ করেন মুহাম্মদ সাঃ এর নবুয়ত লাভের পর এবং উনার পিতা মাতার ইসলাম গ্রহণের পর, সম্পূর্ণ ইসলামী  আক্বিদা ও পরিবেশে তাঁর জন্মের সময় তাদের পরিবারে প্রাক  ইসলামী মুশরিকদের সংস্কার, আচার আচরণ কোনটাই তাঁর মগজে স্থান লাভ করতে পারে নাই। তিনিই জন্মগত ভাবে মুসলিম শিশু হয়ে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন। ইসলাম অবিকৃত ভাবে তাঁর ভিতর রূপ গ্রহণ করতে পেরেছিল। কাজেই উনার চিন্তা চেতনায় খাঁটি ইসলামী বিশ্বাস বিরাজমান ছিল।

 আয়েশা রাঃ প্রাথমিক ভাবে সাফা বিনতে আব্দুল্লাহ নাম্নীয় মহিলার তত্বাবধানে শিক্ষা লাভ করেন। তারপর সে যুগের সুগভীর জ্ঞানের অধিকারী উনার পিতা আবু বকর রাঃ কাছ থেকে শিক্ষা লাভ করেন। অসাধারণ ধীশক্তি সম্পন্না ও জিজ্ঞাসু স্বভাবী আয়েশা রাঃ পক্ষে উপযুক্ত শিক্ষকই জুটেছিল। তিনি প্রখর স্মৃতিশক্তি সম্পন্না ছিলেন। একবার যা শুনতেন তা অন্তরে গেঁথে রাখতে পারতেন। এই কারণে তিনি বাল্য থেকেই লক্ষণীয় সৌন্দর্য্য ও প্রখর স্মৃতিশক্তির কারণে সবার কাছে সুপরিচিত ছিলেন। তিনি মুহাম্মদ সাঃ স্নেহময় যত্ন এবং সতর্ক পরিচর্যায় চলে আসার কারণে এবং স্ত্রী এবং ঘনিষ্ঠ সঙ্গী হিসাবে তিনিই এক মাত্র অতি  কাছ থেকে মুহাম্মদ সাঃ এর কাছ থেকে ইসলামী জ্ঞান এবং সূক্ষ্মদর্শিতা লাভ করেছিলেন যা অন্য কোন নারীর পক্ষে সেই রূপ জ্ঞান এবং সূক্ষ্মদর্শিতা লাভ করা সম্ভব  হয়নি। .

মুহাম্মদ সাঃ এর ওফাতের পর ৫০ বছর তিনি নবীর কাছ প্রাপ্ত ইসলামী শিক্ষার শিক্ষকতা করেছিলেন। উম্মতের কাছে ব্যাপক ভাবে রাসুলের হাদিস পৌঁছে দেবার জন্য এমন বয়সের স্ত্রীর প্রয়োজন ছিল। তাই এই বিয়ে মহান আল্লাহর নির্দেশে যে হয়েছিল তা কোন মুসলিমদের স্বীকার করতে দ্বিধা থাকা উচিত নয়। হাফসা রাঃ সালমা রাঃ এর মত আয়েশা রাঃ এর পুরো কোরআন মুখস্থ ছিল। এমন কি মুহাম্মদ সাঃ ওফাতের পর উনার কাছে উনার নিজস্ব কোরআনের একটি সংকলন ছিল।

 হাদিস বর্ণনাকারীদের অন্যতম চারজনের ( আবু হুরাইয়াহ রাঃ, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রাঃ, আনাস ইবনে মালিক রাঃ) মধ্যে আয়েশা রাঃ একজন ছিলেন। যিনি একাই ২০০০ হাজারের বেশি হাদিস বর্ণনা করে গেছেন। উনার ২২১০টি হাদিসের মধ্যে থেকে ১৭৪টি হাদিস বুখারী আর মুসলিমে স্থান পেয়েছে। তাঁর বর্ণনা কৃত হাদিসে মধ্যে এমন কিছু হাদিস আছে যা নারীদের একান্ত বিষয় যা আয়েশা রাঃ ছাড়া অন্যদের কাছ থেকে পাওয়া যায় নাই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে যে, উনার ভাগনা হযরত উরুওয়া ইবনে যোবায়র (রা:) সহ কমপক্ষে তিন জন হাদিস বিশারদ হযরত আয়েশা (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদিসসমূহ সহীফাকারে লিপিবদ্ধ করে রেখেছিলেন। সাহাবিয়ে কেরাম পরবর্তী যুগে উরুওয়াহ ছিলেন একজন প্রখ্যাত হাদিস বিশারদ। ইসলামী হাদিস বিশারদগণ বলে থাকেন- আয়েশা রাঃ না থাকলে ইলমে হাদিসের অর্ধেকই বিস্মৃতির অন্তরালে হারিয়ে যেত।

নিচের হাদিস থেকে বুঝা যেতে পারে যে, অনেক সাহাবিয়ে কেরাম আয়েশা রাঃ এর কাছ থেকে জ্ঞান লাভ করেছিলেন-

আবু মুসা (রাঃ)হতে বর্ণিতঃ এক দল মুহাজির এবং এক দল আনসারের মধ্যে একবার মতবিরোধ দেখা দেয়। জনৈক আনসার বলেছিলেনগোসল ফরজ হবে কেবলমাত্র তখনই যদি বীর্য বেরিয়ে আসে। কিন্তু মুহাজিরগণ বলেন যে, মেয়ে লোকের সাথে সঙ্গমে মিলিত হলেই গোসল ফরজ হয়ে যায় । আবু মুসা রাঃ বললেনঠিক আছে, আমি তোমাদেরকে এ বিষয়ে সঠিক নিয়ম বাৎলে দেব। তিনি (আবু মুসা) বলেনঃ আমি সেখান থেকে উঠে আয়েশা রাঃ নিকট গেলাম এবং তার সাথে সাক্ষাতের অনুমতি প্রার্থনা করলাম। অনুমতি মিলল এবং আমি তাকে প্রশ্ন করলামঃ উম্মুল মোমেনীন,আমি আপনাকে এমন একটি বিষয়ে প্রশ্ন করতে চাই যা বলতে আমারই লজ্জা লাগছে। তিনি বললেন, যে কথা তুমি তোমার জন্মদাত্রী মাকে জিজ্ঞেস করতে লজ্জা পেতে না, আমাকেও তুমি তা জিজ্ঞেস করতে পার। আমি তোমার মায়ের মতোই। এ কথার পর আমি তাকে বললামএকজন পুরুষের উপর গোসল ফরজ হয় কখন?উত্তরে তিনি বললেনতুমি ঠিক জায়গায়ই এসেছ। রসুলুল্লাহ (দঃ) বলেছেনকোন ব্যক্তি যদি (স্ত্রীলোকের) চারটি প্রত্যঙ্গের উপর সওয়ার হয় এবং খৎনা করা অঙ্গটি পরস্পর স্পর্শ করে, তখনই গোসল করা ফরজ হয়ে দাড়ায়। সহি মুসলিম, বুক নং, হাদিস নং০৬৮৪

 উরওয়া বিন জুবায়ের বলেছেন- আমি কখনও কাউকে পাই নাই যিনি আল কোরআন, হালাল এবং হারামের আদেশ নিষেধ, ইলমুল আনসাব বা নসবশাস্ত্র এবং আরবি কবিতায় আয়েশা রাঃ এর চেয়ে বেশি ওয়াকিবহাল ছিলেন। সেই কারণে অনেক বয়োজৈষ্ঠ সাহাবিয়ে কেরামগণ জটিল কোন বিষয় নিরসনে আয়েশা নিরসনে সাহায্য গ্রহণ করতেন। দেখুন- ইবনে কাইম ও ইবনে সাদ কর্তৃক জালা-উল- আফহাম ভল্যুম ২ এর ২৬ পৃষ্ঠা।

 আবু মুসা আল আশারী রাঃ বলেনঃ- আয়েশা রাঃ নিকট নিয়ে যাওয়া কোন সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের কখনো কোন অসুবিধা হয় নাইদেখুনঃ- সীরাত-ই-আয়েশা, তিরমিজি পৃঃ ১৬৩

 একজন শিক্ষক হিসাবে ছাত্রদেরকে অনুপ্রাণিত করার সুস্পষ্ট ভাষণ রীতি আয়েশা রাঃ আয়ত্তে ছিল। সমকালীন মানুষের মধ্যে বাগ্মিতার বাগ্মিতায়  তিনি ছিলেন সেরা একজন। এই বিষয়ে আল আনাফ রাঃ এর বর্ণনা পাওয়া যায়, তিনি জানান যে, তিনি আবুবরক রাঃ থেকে উমর রাঃ, উসমান রাঃ, আলী রাঃ সহ সমকালীন খলিফার দেওয়া ভাষণ শুনেছেন কিন্তু আয়েশা রাঃ মুখ থেকে যে আকর্ষণীয় ভাবে অনুপ্রেরণা মূলক ভাষণ শোনা যেতে সেই ভাবে অন্য কারো মুখ থেকে বের হতে তিনি শুনেন নাই।

 আবু মুসা আল আশারীর বর্ণনায় জানা যায় যে, নবী সাঃ বলেন- অন্যান্য মহিলার সাথে আয়েশা রাঃ এর শ্রেষ্ঠত্বের তুলনা ত্বারিদের সাথে অন্যান্য অন্যান্য খাদ্যের শ্রেষ্ঠত্বের তুলনার মত। (ত্বারিদ হচ্ছে গোস্ত আর রুটি তৈরি এক প্রকার অতুলনীয় খাদ্য)। দেখুন বুখারী ৪-৬৪৩।

 মুসা ইবনে তালহা রাঃ বলেন- আমি দেখিনাই কোন একজনকে আয়েশা রাঃএর চেয়ে ভাল ভাষণ দিতে। দেখুনঃ হাকিমের মুস্তাদ্রাক ভল্যুম ৪ পৃঃ ১১

 দূর দূরান্তের নারী পুরুষগণ আয়েশা রাঃ এর থেকে জ্ঞান লাভ করেছিলেন। উনার দারুণ আগ্রহ সহকারে আধ্যায়নে আল কোরআন বোধগম্য হয়েছিল। তিনি বেশ কিছু আয়াত নাজিলের চাক্ষুষ সাক্ষী ছিলেন। কয়েক বার উনার বিছানায় রাসুল সাঃ কাজে ওহী নাজিল হয়েছিল। সেই কারণে সেই আয়াত নাজিলের কারণ সম্পর্কে উনার সুস্পষ্ট ধারণা ছিল যার কারণে এই আয়াতের ব্যাখ্যা করা তাঁর জন্য সহজ ছিল।

 মুহাম্মদ সাঃ আয়েশা রাঃ কোলে মাথা রেখেই ইন্তেকাল করেছিলেন। এবং উনার ঘরেই রাসুল সাঃকে দাফন করা হয়েছিল।

আয়েশা রাঃ এর জীবন ইতিহাস প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, নারীরা চেষ্টা করলে পুরুষদের চেয়েও বেশী জ্ঞান অর্জন করার ক্ষমতা রাখেন এবং যে কোন এক বা একাধিক বিষয়ে পাণ্ডিত্য অর্জন এবং বিশারদদেরও শিক্ষক হতে পারেন। তাঁর জীবন আরও প্রমাণ করে যে, একজন নারীও ক্ষমতা আছে অন্যান্য নারী ও পুরুষদের উপর প্রভাব বিস্তার করে তাদের নেতৃত্ব দান করতে অনুপ্রাণিত করতে।

আয়েশা রাঃ আজো সমান ভাবে অনুপ্রেরণা এবং আদর্শ ভূমিকা রাখতে পারেন আমাদের তরুণদের মাঝে যারা একটি আদর্শ চরিত্র পাওয়ার জন্য তারা কায়মনোবাক্যে খুঁজে চলছেন তাদের প্রিয় তারকা, চলচ্চিত্রের অভিনেত্রী কিংবা ক্রীড়া তারকাদের মধ্যে।

আয়েশা রাঃ যে ভাবে এখনও মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ের মধ্যে চির জাগরূক আছেন এবং অব্যাহত ভাবে চির জাগরূক থাকবেন । আমরা মহান আল্লাহর দরবারে আরজ জানাচ্ছি এই মহান মহীয়সী নারীকে বেহেস্তে দরজা বুলন্দ করে দিন। আমিন!

উপসংহার

উপরে বর্ণিত আয়েশা রাঃ কার্যক্রম এবং গুণাবলি বিচার বিশ্লেষণ করার পর প্রমাণ হয় যে, রাসুল সাঃ পরবর্তী সময়ে ইসলামের সেবার জন্য মুহাম্মদ সাঃ প্রত্যক্ষ পরিচর্যায় মাধ্যমে আয়েশা রাঃকে ছাঁচে ঢেলে সক্ষম করে তোলাই ছিল কিশোরী আয়েশা রাঃ বিয়ে করার প্রধান কারণ। কোন অবস্থাতে বিপথগামী ওরিয়েন্টালিস্ট বা বর্ণবাদী মুশরিক, বা ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক তথা এন্টি মুসলিমগণে অপপ্রচার তাদের বিকারগ্রস্ত আনা কারণ নয়।.

অতএব আমি দুনিয়ার আস্তিক নাস্তিক, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষ সকল অকপট মানুষদেরকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমরা – আপনারা আসুন মনের বন্ধ দরজা জানালা খুলে কোরআন এবং সুন্নাহর নির্ভরযোগ্য প্রমাণিত উৎসের আলোকে মুহাম্মদ সাঃ জীবনী পড়ুন। নিজেদের বিবেক দ্বারা নিজেরাই বিচার করুন কোনটি সত্য কোনটি মিথ্যা!

বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মালিক আপনার আমার সবার সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক প্রেরিত সম্পূর্ণ ও চূড়ান্ত পথ নির্দেশনা ইসলামকে মানব সমাজ সত্য বলে স্বীকার করে নেওয়ার মাধ্যমে প্রকৃতপক্ষে দুনিয়াতে চিরস্থায়ী শান্তি যেমন আসবে তেমন করে মৃত্যু পরবর্তী জীবনেও দোযখের আগুন থেকে পাবেন চির পরিত্রাণ।

আমি তাঁকে (মোহাম্মদ সাঃ) বিশ্লেষণ করে দেখেছি – আশ্চর্য এক ব্যক্তি এবং আমার মতে তিনি অ্যান্টি ক্রাইস্ট তো নন-ই, বরং তাঁকে অবশ্যই মানবতার রক্ষাকারী হিসাবে বর্ণনা করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি যে তাঁর মতো মানুষ যদি আধুনিক পৃথিবীর একজন সার্বভৌম ক্ষমতাপ্রাপ্ত শাসকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন, তাহলে তিনি এর সমস্যাগুলির সমাধান এমন ভাবে করতে সক্ষম হবেন যে এতে আবার বহু প্রয়োজনীয় সুখ ও শান্তি ফিরে আসবে।

জর্জ বার্নার্ড শ', দ্য জেনুইন ইসলাম ভল্যুম.১,নং ৮১৯৩৬।

আজ যদিও মুহাম্মদ সাঃ স্বশরীরে আমাদের মধ্যে নাই তথাপি উনার মহত্তম জীবন আদর্শ পৃথিবীর সকল মানুষের অনুসরণের জন্য উত্তম রূপে সংরক্ষিত করা আছে।

১১৬ comments

Skip to comment form

  1. 48
    Anonymous

    ধন্যবাদ—পোষ্টা করার জন্য

     

  2. 47
    md shafiullah

    ভাই,খুব সুন্দর লিখেছেন কিন্তু শেষে যে জর্জ বার্ণাড শ এর উক্তিটি সংযোগ করলেন,এ উক্তিটির বাস্তবতা কতটুকু একটু জানাবেন।কারন কিছুদিন আগে নাস্তিক আসিফ মহিউদ্দিনের একটি কলাম পড়লাম যেখানে সে বলতেছে এ উক্তিটি নাকি মিথ্যা।ধন্যবাদ!

     

  3. 46
    osimaanant

    সুবহান আল্লাহ্ 

  4. 45
    কিংশুক

    ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্নালিল্লাহে রাজিউন।

  5. 44
    sumon

    আমি তাঁকে (মোহাম্মদ সাঃ) বিশ্লেষণ করে দেখেছি – আশ্চর্য এক ব্যক্তি এবং আমার মতে তিনি অ্যান্টি ক্রাইস্ট তো নন-ই, বরং তাঁকে অবশ্যই মানবতার রক্ষাকারী হিসাবে বর্ণনা করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি যে তাঁর মতো মানুষ যদি আধুনিক পৃথিবীর একজন সার্বভৌম ক্ষমতাপ্রাপ্ত শাসকের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন, তাহলে তিনি এর সমস্যাগুলির সমাধান এমন ভাবে করতে সক্ষম হবেন যে এতে আবার বহু প্রয়োজনীয় সুখ ও শান্তি ফিরে আসবে।

    জর্জ বার্নার্ড শ', দ্য জেনুইন ইসলাম ভল্যুম.১,নং ৮১৯৩৬।

     

    goerge bernard shaw er ei ukti ta fake, fabricated, onekta burir kata dewa golper moto. https://wikiislam.net/wiki/George_Bernard_Shaw  http://www.theaustralian.com.au/national-affairs/ads-for-islam-misquote-shaw-from-bogus-book/story-fn59niix-1226676192844

  6. 43
    মাহফুজ

    এ মুহূর্তে আমাদের মুনিম ভাইকে শান্তনা দেবার মত অন্য কোন ভাষা আমার জানা নেই। কেবল মাত্র পৃথিবীর সকল পিতা মাতার জন্যে সন্তানদের পক্ষ থেকে অন্তরের অন্তঃস্থল এক শ্রেষ্ঠ প্রার্থনা, যা মহান স্রষ্টাই তাঁর পবিত্র কিতাব আল-কোরআনে আমাদেরকে শিখিয়ে দিয়েছেন-

     

    (১৭:২৪) তাদের উভয়ের প্রতি আনত করো বিনম্রতার ডানা দুখানা মমতার সাথে, আর বল, হে আমার প্রভু! “রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বায়ানি সাগীরা” তাদের উভয়ের প্রতি দয়া করো যেমন তারা শিশুকালে আমাকে প্রতিপালন করে বড় করেছেন।

     

    (২: ১৫৫, ১৫৬) অবশ্যই আমি তোমাদিগকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও সবরকারীদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে, “ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন” নিশ্চয় আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই সান্নিধ্যে ফিরে যাবো।

  7. 42
    এম_আহমদ

    সদালাপের পাঠকদের উদ্দেশ্যে: মৃত্যু সংবাদ ও দোয়া।
    মুনিম ভাই সদালাপের একজন বিশিষ্ট লেখক। আজ তার আম্মার ইন্তেকাল হয়েছে। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজীউন।
    আমরা দোয়া করি আল্লাহ তার মাকে বেহেস্ত নসীব করুন। তাঁর কবরের জিন্দেগীকে জান্নাতের সাথে সম্পৃক্ত করুন। পরকালে তাঁকে নেক ও সালেহ বান্দাদের দলভুক্ত করুন এবং জান্নাতে ফিরদাউস দান করুন। আল্লাহ তাঁর পরিবারের সবাইকে ধৈর্য দান করুন। তাদেরকে দ্বীন ইসলামের উপর সমুন্নত রাখুন। দ্বীনের খেদমত করার তৌফিক, আমীন।

    (বা-বাপের ইন্তেকাল হলে ছেলেমেয়েদের যে মর্মবেদনা হয় তা লিখে বুঝাবার নয়। আমরা তার নিকটে থাকলে আজ তার সহানুভূতির জন্য পাশে গিয়ে দাঁড়াতাম। কিন্তু দূর থেকে নিশ্চয় দোয়া করা যায়।)

     

    1. 42.1
      শাহবাজ নজরুল

      ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন।

      আহমেদ ভাই -- আপনি একটা আলাদা সাময়িক পোস্ট দেন -- সংবাদটা হয়ত অনেকের চোখে পড়ছেনা -- কমেন্ট সেকশানে আছে বলে। কয়েক দিন পরে সাময়িক পোস্টটি সরিয়ে নেয়া যাবে ইনশাল্লাহ। 

      1. 42.1.1
        আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

        ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহির রাজিউন। 

         

        আল্লাহ সুবাহাহুতাআলা উনাকে জান্নাত বাসী করুন। 

  8. 41
    Tutul

    আমি আপনার লেখার নতুন পাঠক।।আপনার সব লেখা পরব ইনশাআল্লাহ।

  9. 40
    মুনিম সিদ্দিকী

    আপনার সংশোধনীর জন্য ধন্যবাদ।

  10. 39
    শাফিউর রহমান ফারাবী

    মুনীম ভাইয়া মুসলিম শরীফের এই হাদীস নং টা হচ্ছে ৬৭৬, ৬৮৪ নং নয়। আপনি এখানে বাংলা ভাষায় সব হাদীস পাবেন। http://hadithbd.com

  11. 38
    Nazmoon nahar

    Alhamdulillah!khv valo laglo.ei dhoroner post aro dkte chai.apnk oshongkho dhonnobad.

    1. 38.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      দুঃখিত! আপনার কমেন্ট আমার চোখ ফাকি দিয়ে চলে গেছিল! পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

  12. 37
    shekher po

    অনেক সুন্দর এবং যুক্তি সমৃদ্ধ হয়েছে লেখা। এ লেখা পড়েও যদি কেউ না বুঝে, তার জন্য হাসি দেয়া ছাড়া কি বা করার আছে।

    1. 37.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      সদালাপে আপনার আগমণ দেখে খুশী হলাম। আশাকরি সব সময় সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ।

    2. 37.2
      আহমেদ শরীফ

      @ ভাই শেখের পো,

      সদালাপে আপনাকে দেখে আনন্দিত হলাম।
      নিয়মিত আপনার শুভাগমণের প্রত্যাশা করছি।

  13. 36
    আব্দুল হক

    আমি ভাই আপনাদের মত পন্ডিত বা আলেম নই। সাধারন একজন কোতুহলী মানুষ। সেই কৌতুহল থেকেই কোরান হাদিস নিয়ে ঘাটা ঘাটি। তা করতে যেয়ে যে সব প্রশ্ন মাথায় এসেছে সেগুলোই আপনাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম। কোন বিষয় না বুঝলে সেটা জিজ্ঞেস করা কি অপরাধ নাকি? পারলে যথাযথ উত্তর দিন, না দিতে পারলে বলে দিন, জানিনা , সেসব আল্লাহর ইচ্ছা আল্লাহই ভাল জানেন।

    1. 36.1
      এম_আহমদ

       
      প্রথমত আপনি ‘প্রশ্ন’ করেননি, মন্তব্য করেছেন। এবং তাও অন্যায়ভাবে করেছেন। আপনার টুটি চেপে ধরা হলে ‘প্রশ্নের’গান তুলছেন। আমাদেরকে প্রশ্ন ও মন্তব্য শিখাতে হবে।  ধরে নিচ্ছি, মুর্খামি স্বীকার করেছেন এজন্য একটু কিছু ব্যাখ্যা করছি।
       
      প্রত্যেক যুগের বিয়ে ব্যবস্থা, তার সামাজিক প্রাতিষ্ঠানিকতা ও অন্যান্য প্রথার সাথে সম্পর্কিত ছিল এবং এখনো আছে। সকল প্রথা যেহেতু মানুষেরই প্রথা, তাই সব প্রথাতেই কিছু সমস্যা ও সমাধান থাকে। অল্প বয়সে বিয়েতে সামাজিক ধারণা থাকত এই যে মেয়েটি স্বামীর পরিবারে গিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠবে এবং এতে সেই পরিবারের সাথে এডাপটেশন ভাল হবে, তার জীবন সুষ্ঠুভাবে সেই পরিবারে প্রোথিত হবে। এমনটি বিশ্বের সবখানেই ছিল। কিন্তু আরবের প্রথাতে মৌখিক বিয়ে হলেই মেয়েকে স্বামীর ঘরে যেতে দেয়া হত না। মেয়ে বালেগাহ হতে হত। অর্থাৎ তাকে 'মাসিক' পেতে হত। মেয়ে ‘মাসিক’ পেলে  বায়োলজিক্যালি তাকে প্রজননের জন্য উপযোগী ধরা হত। তবে মেয়েদের মাসিক ঋতু পাওয়ার কোন নির্দিষ্ট বয়স থাকে না। বিভিন্ন মেয়ের মাসিক বিভিন্ন বয়সে আসে। আমার স্ত্রী পাঠশালার মাষ্টার। সে বলেছে কোন কোন মেয়ের মাসিক ৮ বৎসর বয়সেই শুরু হয়ে যায়। কখনো স্কুলে তা শুরু এবং তারা এটাকে address করতে হয়। আমার এক বন্ধুর মেয়ের বয়স ৯/১০ কিন্তু তাকে দেখালে ১৬/১৭ মনে হয়। আয়েশা (রা.) যখন বালেগাহ হন, তখন তা মা রাসূলের (রা.)  কাছে তাঁর স্ত্রীকে নিজ ঘরে নিয়ে যেতে সংবাদ পাঠান। এর পর আয়েশা (রা.) স্বামীর ঘরে যান। এখানে কোন মন্দের বিষয় ছিল না। সেদিনের বিয়েতে গোত্রীয় সম্পর্ক স্থাপন এবং মান সম্মানের বিষয় কাজ করতে। এ বিষয়টি এখনো কাজ করে। রাসূলের (সা.) অনেক বিয়েতে অনেক গোত্র তার শ্বশুড়ালোয় হয়ে পড়েন, তখন এটা সম্পর্ক উন্নয়নে কাজ করে। 
      জাহেলী যুগের বিয়ে ব্যবস্থার উপর আমার একটা লেখা এখানে আছে, চাইলে দেখতে পারেন। আর মনটাকে একটু উঁচু করবেন, মানুষে মানুষে বিদ্বেষ কমার চেষ্টা করবেন। এই জগতে সবাই বাস করতে হবে: হিন্দু, মুসলিম, আস্তিক, নাস্তিক সবাই। তাই সকলের  প্রতি সম্মান থাকা দরকার। আর জানার ইচ্ছায় প্রশ্ন করতে হলে adverse মন্তব্য করতে যাবেন না। 
      ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন। 

  14. 35
    আব্দুল হক

    মুনিম সিদ্দিকী,
     
    ৫৪ বছরের একটা প্রায় বৃদ্ধ মানুস ৯ বছরের একটা প্রায় শিশু( আপনার মতে কিশোরী কারন সেটা করলেই আপনার সুবিধা) এর সাথে বিছানায় সেক্স করছে। দৃশ্যকল্পটা কেমন ? আবার সে মানুষটি যদি হয় দুনিয়ার শ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ যার জীবন আদর্শ নাকি দুনিয়ার সব মানুষ অনুসরণ করবে কেয়ামত অবধি! তার আদর্শ যদি কেয়ামত পর্যন্ত অনুসরণীয় না হতো তাহলে একটা কথা ছিল। কোন মতে একটা যুক্তি খাড়া করা যেত যে মোহাম্মদ আয়শাকে বিয়ে করেছেন একটা বিশেষ কারনে তৎকালের প্রথা অনুযায়ী কারন তখন নাকি শিশু বিয়ের প্রথা ছিল। এছাড়াও ইসলাম প্রচারের আগে যদি সেটা করে থাকতেন তাহলেও এটাকে যৌক্তিক বলা যেত। এ ধরনের শিশু বিয়ে হলো আইয়ামে জাহেলিয়াতের যুগের একটা খারাপ প্রথা ছিল যা সকল মুসলমানই এখন স্বীকার করবে। তো নবী ইসলাম প্রচার শুরু করেছিলেন তো সেই অন্ধকার যুগ ও তার খারাপ প্রথা দুর করার জন্য। তো তিনি ইসলাম প্রচার শুরু করার পর প্রায় ১১ বছর পর ৬ বছরের আয়শাকে বিয়ে করেন। প্রশ্ন হলো তিনি নিজে যেটা দুর করার জন্য প্রচার চালাচ্ছেন , সেই নিজেই সেই কাজ করেন কিভাবে ? এটা কোন ধরনের আদর্শ শিক্ষা হলো ? আদর্শ শিক্ষকের বৈশিষ্ট্য কি ? তিনি নিজে যা করেন সেটা অন্যকে নিষেধ করতে পারেন না নৈতিক ভাবে যা তিনি নিজেও একবার করেছিলেন এক ছেলের মিষ্টি খাওয়া বন্দ করতে। আর বিষয়টি যদি দৃষ্টি কটু না হতো, বর্তমানে আপনাদের মত এক  ধরনের লোক আদা জল খেয়ে উঠে পড়ে লেগেছেন বিয়ের সময় আয়শার বয়স বাড়ানোর জন্য , তখন নাকি তার বয়স ১৪ বা ১৮ ছিল। এ ধরনের অপচেষ্টা কেন ? ওহীর কথা নাই বললাম। আপনি বলেছেন নারী জাতিকে শিক্ষা দেয়ার জন্য নাকি আয়শাকে বিয়ে করেছিলেন শিশু বয়েসে যাতে তাকে ঠিক ভাবে গড়ে তোলা যায়। এটা একটা ঠুনকো যুক্তি। কারন কোরানেই বিশদ বলা আছে নারীদেরকে কি আচরন করতে হবে কিভাবে চলতে হবে। বরং বর্তমানে আয়শার বিয়ে নিয়েই মোহাম্মদকে সমালোচিত হতে হয় সব চেয়ে বেশী। মনে হয় এই একটা ঘটনা না ঘটলে মোহাম্মদ অনেকাংশেই নিরাপদ থাকতেন। সম্ভবত: আপনি বা আপনার মত মানুষ হাফ ছেড়ে বাঁচতেন। এই একটি মাত্র ঘট্নাকে যথাযথ প্রমান করতে আপনারা কি পরিমান কসরত আর পরিশ্রম করে চলেছেন , খেয়াল করেছেন। কিন্তু কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। কারন যা কাল তা চিরকালই কাল , তাকে সাদা করা যায় না।

    1. 35.1
      এস. এম. রায়হান

      'আব্দুল হক' নামে কোথায় লেখালেখি করেন তার লিঙ্ক দেন দেখি।

      1. 35.1.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        কারন কোরানেই বিশদ বলা আছে নারীদেরকে কি আচরন করতে হবে কিভাবে চলতে হবে।

         
        এই এক লাইন থেকে হয়তো উনার পুরো খবর পাওয়া যেতে পারে! কি বলেন?

    2. 35.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      যাক আপনার এই লাইন পড়ে আবার সে মানুষটি যদি হয় দুনিয়ার শ্রেষ্ট আদর্শ মানুষ যার জীবন আদর্শ নাকি দুনিয়ার সব মানুষ অনুসরণ করবে কেয়ামত অবধি! তার আদর্শ যদি কেয়ামত পর্যন্ত অনুসরণীয় না হতো তাহলে একটা কথা ছিল।
      আমার মনে হচ্ছে এবার সুন্নাহ পালনীয় এবং সুন্নাহ দেশাচার বিষয়ক একটি ব্লগ লিখতে হবে। অপেক্ষা করুন আল্লাহও তৌফিক দিলে সেই আশা পুর্ণ করব।

    3. 35.3
      এম_আহমদ

       
      আয়েশা (রা.) আমাদের মা। তুমি একটা ইতর এবং খবিছও বটে। ধর্ম, প্রথা ও ইতিহাসের উপর তুমি একটা নাদান না হলে এমনভাবে কথাগুলো বলতে না। তোমাদের এসব দেখতে দেখতে এখন ভারি তিক্ত হচ্ছি। ধৈর্য্য হারাচ্ছি। তুমি আরেকবার শিব-সেনাদল অথবা মৌলবাদী নাস্তিকদের মিথ্যাচার নিয়ে এসেছিলে (৩১ মে ২০১২, comment: 1.2.1.1 ফারুকের নাসেখ-মানসুখ প্রসঙ্গে, অন্যের কথা কপি পেস্ট করে)।. তোমাকে অনেক প্রশ্ন করেছিলাম কিন্তু কোন উত্তর না দিয়ে ল্যাজ গুটিয়ে চলে গিয়েছিলে।  আরেকবার এসেছিলে, সেই স্থানটি এখন খেয়াল হচ্ছেনা, সেখানেও কান-মলা দেয়া হয়েছিল। কিন্তু হায়া হয়নি। কথা এভাবে বলতে হচ্ছে এজন্য যে তুমি আমাদের মায়ের স্থানের-ব্যক্তি নিয়ে খবিসের মত কথা বলেছো। তাই তোমার সাথে সম্মানের ভাষা ব্যবহার করতে চাচ্ছি না।
       
      মানুষের বৈবাহিক জীবনে সেক্স আসে। কিন্তু তা সন্তানেরা গ্রাফিক আকারে আনে না, দেখে না। তবে ইতর প্রজাতির লোকজন ছাড়া। তোমার মাকে তোমার বাবা নগ্নাবস্থায় সিলিঙ্গে (ceiling) লটকিয়ে সে কাজ করেছিল, না আরও কোনো বিশ্রি পদ্ধতিতে, সেইসব গ্রাফিক কথা-বার্তা তোমার মুখে, তোমার সভ্যতায় ভাল লাগলেও, আমাদের কাছে তা মন্দ-ভাষা। আমরা মা-বাবার সেক্স-জীবন নিয়ে গ্রাফিক আলোচনা সংগত মনে করি না। তুমি একথা জাননা। তোমার basic সভ্যতা ও বোধশক্তি নেই। এজন্য এভাবে বলতে এসেছো। এভারে শোন এবং এবারে উত্তর দিতে চেষ্টা কর।
       
      তুমি যদি মুক্তমনা টাইপের বিজ্ঞান-মনস্ক হও তবে তোমার পক্ষে কোনো কথা পড়া বা শোনামাত্রই সেভাবে গ্রহণ করা উচিৎ নয়। তুমি সন্দেহবাদী হয়ে সেই রিপোর্টকে জিজ্ঞাসায় আনতে হবে। সেই সমাজ সভ্যতার ভিতরে যেতে হবে, সেই স্থানকে integrate করতে হবে। (১) মুহাম্মাদের সাথে যদি ৯ বৎসরের মেয়ের বিয়ে হয়ে থাকে, তবে সেই সামাজিক প্রথায় মেয়েকে কখন এবং কোন নিয়মের ভিত্তিতে স্বামীর ঘর করতে যেতে হত? (২) সেই প্রথায় বিবাহের দর্শন সমাজের সাথে কীভাবে ব্যাখ্যায়িত হত? (৩) সেই বিবাহে একমাত্র মুহাম্মাদ জড়িত ছিলেন, না এমন বিবাহ সেই সমাজের সকল লোকেরই হত? (মুহাম্মদের (সা.) ও তার অনুসারীগণসহ)।. এগুলোর উপর মূর্খ থেকে অপরের যুগের, অপরের প্রথা নিয়ে এবং সেই প্রথার উপর অপর ধর্মের আচরণ কিভাবে সেজেছে তা নিয়ে কথা বলতে গেলে মুক্তমনা হওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তারপর এখানেই শেষ নয়।
       
      (৪) ইসলাম কি জাহেলি যুগের সব প্রথাকে সরিয়ে দিয়েছিল? (৫) জাহেলি যুগের প্রথাকে ইসলামে কি বলা হত? (৬) কোন কোন নিয়ম বা প্রথাকে কিভাবে, কেন এবং কোন কোন basis এর ভিত্তিতে গ্রহণ বা বর্জন করা হত? (৭) ইসলাম কি বাল্যবিবাহকে কোন অনুজ্ঞা হিসেবে গ্রহণ করেছে? (৮) মুহাম্মদ (সা.) এই বয়সের মেয়েদের বিবাহ করতে কি নির্দেশ দিয়েছেন? তিনি বৃদ্ধা মহিলাও বিয়ে করেছেন। (৯) তিনি কি বৃদ্ধা মহিলাকে বিয়ে করার নির্দেশ দিয়েছেন? (১০) ইসলামী শরিয়াতে এই বিষয়ে কি আছে? শরিয়া ও কোরান/হাদিসের সম্পর্ক কি? মুক্তমনা হতে হলে এগুলোর জিজ্ঞাসাবাদ চালাতে হবে, না হলে অবলীলাক্রমে মূর্খামিতে থাকা হয়ে যাবে।
       
          সবগুলো প্রশ্ন এসেছে এই প্রসঙ্গের উপর। তোমার মত বিদ্বেষী কি উত্তর দিতে পারবে? পারবে না। কান-মলা খেয়ে যেতে হবে। কেননা তুমি এখনও মুক্তমনা হও নি, তোমার মন্তব্য থেকে ধরা যাচ্ছে। আমার তো মনে হয় তুমি কান-মলা খাওয়ার দোহাই দিয়ে হয়ত উত্তর থেকে বিরিয়ে যাওয়ার একটা excuse বের করবে. But who cares.তোমার মত মূর্খ ও ইসলাম বিদ্বেষী শিবসেনা অথবা নিছক মৌলবাদী নাস্তিক তো এভাবেই আসে আর যায়।  
       
      জাহেলি যুগের কথা আনা, বয়স বাড়ানো কমানো, অসাদৃস্য মধু খাওয়ার কথা উত্থাপন ইত্যাদি মোড়লি পরে দেখা যাবে।

      অল্প বয়সে বিয়ের যে সমাজ দর্শন ছিল, তা এই কয়েক দশক আগ পর্যন্তও কার্যকর ছিল। তোমার মত অন্ধমনা সেই সমাজ-দর্শন জানার কথা নয়। জানলে বল, দেখি কি জান। রবি ঠাকুর মৃণালিনীকে ১০ বৎসর বয়সে বিয়ে করেন। ইংল্যান্ডের রাজা জন (১১৬৭ -- ১২১৬) ১২ বৎসর বয়সী রানী বিয়ে করেন। রিচার্ড দ্যা সেকন্ড (১৩৬৭ -- ১৪০০) ১৩৯৬ সালে ফ্রান্সের ৭ বছরের ইসাবেলকে বিয়ে করেন। এভাবে নামের একটি কিতাব রচনা করা যেতে পারে। তুমি মূর্খ, পণ্ডিত হয়েছো, তাই না? তোমার সমাজ কোনটি? তুমি কোন সালে সভ্য হয়েছো? আর তোমার সমাজ কোন দিন সভ্য হয়েছে? এর সবগুলো প্রশ্নের উত্তর আমি চাই।
       
      নয় বৎসরের আয়েশাকে (রা.) বিয়ে করাতে কোন অবৈধ কিছু না। যে মহিয়ান মহিলার কথা বলছি, তাঁরও কোন অভিযোগ ছিল না। তাঁর গোত্র অনেক দশক পর্যন্ত এই বিয়ের কারণে গর্বিত ছিল। তিনি নিজেও আজীবন এই বিয়ের গর্বে গর্বিতা ছিলেন। ইসলাম ধর্ম এই মহিয়সীর কারণে অনেক উন্নততর শিক্ষা লাভ করেছে। তোমার মত খবিছ এবং তোমার মত 'সদ্য-সভ্য' যদি এই বিষয় মন্দ দেখে তবে আমাদের কোন আসে যায়না। তুমি কেডা? কার বউয়ের ছোট ভাই? তবে ইতরের ভাষায় কথা বললে কিছু আসে যায়। কেউ কাছে পেলে হয়ত কানে ধরে থাপ্পড়ও দিতে পারে। কেননা অনেক বিষয়ের আলোচনা ভিন্নভাবে করা হয়, আদবের সাথে করা হয়। 

      1. 35.3.1
        মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

        এম আহমদ ভাই,

        আব্বাস, আব্দুল হক- এরা সবাই একই অমুসলিম ব্যক্তি এবং মুসলিম ছদ্মনামে ব্লগিং করছে। এদের মুসলিম নাম দেখে নাস্তিকরা মুরতাদের সংখ্যা বাড়ছে মনে করে উল্লসিত হয়ে যায়।

  15. 34
    আব্দুল হক

      আয়েশা রাঃ কে বিয়ে করা ছিল আল্লাহর ইচ্ছা যা ওহির মাধ্যমে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
     
    সূরার নাম ও আয়াত নম্বর কত ? বলা যাবে ? নাকি স্পেশাল ওহি?

    1. 34.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      হ্যা এইটি স্পেশাল ওহি! সব ওহি সুরার নাম আয়াত নাম্বার দেওয়া যাবেনা, কারণ যে ওহিগুলোর সুরা আর আয়াত নাম্বার রাসুল সাঃ আমাদেরকে জানিয়ে গিয়েছিলেন আমরা শুধু সেই গুলোর সুরার নাম আয়াত নাম্বার জানি, আর যে ওহি গুলো কোন সুরায় উল্লেখ করে যান নাই তাঁর রকম আমরা জানিনা।

  16. 33
    Tareq Hasan Khan Nipu

    Boibahik bondhon ta sex related. Ar kishory howai Ayeshar k tini noitik karonei biye o korte paren na. Karon amra jemon proman korte parbona je tini Ayshar shathe onoitik sex korechen; aki vabe eo proman korte parbona je tini sex koren ni. Kajei 1kjon Dhormo procharok hisebe tar ei bitorkito kajti kore amar drishtite Nobiji vul korechen.

    1. 33.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আমার এই প্রবন্ধ দাবী করছে না যে, মুহাম্মদ সাঃ আয়েশা রাঃ সাথে সেই বয়সে মিলন করেন নাই! ইসলামে বিয়ে ততক্ষণ পর্যন্ত বৈধ হবেনা যতক্ষণ পর্যন্ত পুরুষের সুন্নত কৃত অংশ স্ত্রী গুপ্ত অঙ্গে প্রবেশ না করবে। ইসলামের বিয়ে ধান দূর্বা আর আগুন পানি সাক্ষী করে মন্ত্র পাঠ করলেই নারী পুরুষের বন্ধন আজীবনের জন্য হয়ে যায় না। বিয়ে বৈধ হওয়ার শর্ত হচ্ছে নারী পুরুষের মিলন। কাজেই মুহাম্মদ সাঃ আয়েশা রাঃ যখন ঋতুবতি হয়ে শারীরিক ভাবে যৌনকর্ম সক্ষম নারীর গুণ প্রাপ্তি লাভ করেছিলেন তখন উনাকে উনার কাছে নিয়ে এসেছিলেন যা দিয়ে তাদের বিয়ে বৈধ হয় তা তিনি করেছিলেন।
      আপনি যে নৈতিকতার প্রশ্ন তুলেছেন  তা কোন মানদণ্ডের নৈতিকতা? আপনি  কি আমাকে এমন কোন নৈতিকতার মানদণ্ড দেখাতে পারবেন? যে, মানদণ্ড সর্ব যুগে সর্ব জাতির সর্ব বয়সের মানুষের মধ্যে ছিল বা আছে? কিন্তু না আপনি তা দেখাতে পারবেন না। এক এক সমাজে, এক এক ধর্মে,এক এক যুগে, এক এক রাষ্ট্রে তাঁর একান্ত আপন প্রয়োজনে নৈতিকতার মান নির্ণয় করে থাকে। তাই আপনি এক সমাজের, এক সময়ের, এক রাষ্ট্রে অধিবাসী হয়ে অন্য সমাজের অন্য ধর্মের অন্য যুগের ঘটনাকে বিচার করতে পারেন না। এইটি করার আপনার অধিকার নাই! যেমন আমেরিকাতে যা অবৈধ অপরাধ সেই কাজ বাংলাদেশের নাগরিক বাংলাদেশে করলে আমেরিকার পুলিশ এসে সেই বাংলাদেশিকে গ্রেফতারের অধিকার নাই । তেমন করে আপনি ইসলামী মূল্যবোধের বাইরে বিশ্বাসী হলে আপনার ইসলামী মূল্যবোধের বিচার করার কোন অধিকার নাই। ইসলামী মূল্য বোধে ছেলে সন্তানকে খতনা করাতে হয়, পরের ঔরসজাত সন্তানকে নিজের সন্তান বানান যায়না, স্ত্রীকে মা বললে স্ত্রী মা হয়ে যায়না, মোহর ছাড়া বিয়ে করা যায়না, আপনি মুসলিম বলে দাবী করলে অবশ্য এই সবকে মেনে চলতে হবে নতুবা আপনাকে ইসলাম থেকে বের হয়ে যেতে হবে। আর যদি আপনি ইসলামী না হোন তাহলে তো আপনার ভাল লাগা না লাগা তা একান্ত আপনার, তা কোন মতে একজন মুসলিমকে তা মানার বা সে করলে তাকে খারাপ বলার অধিকার আপনার নাই।
      এখন আপনারা বলতে পারেন যে, ৫৪ বছর বয়সী পুরুষ হয়ে সবে ঋতুবতি নারীর সাথে মিলন করা মানে সেই মেয়েটির সাথে নির্যাতন করা! আপনি কি প্রমাণ করতে পারবেন মেডিক্যাল সাইন্স দিয়ে যে, ঐ বয়সের মেয়ের সাথে যৌন ক্রিয়া করা যায় না? তাছাড়া আপনারা যাকে ভিক্টিম মনে করছেন তিনি কি এমন   এমন কিছু বলে গেছেন যে ঐ সময়ে তিনি কষ্ট যন্ত্রণা পেয়েছিলেন?
      স্থানিক,কালিক ধারণা করা মূল্যবোধ দিয়ে হয়তো বলতে পারেন যে এইটি শিশু নির্যাতন, কিন্তু আল্লাহ সব নারীর শরীর, জ্ঞান, গ্রোথ সমান করে সৃষ্টি করেন নাই। তারা ছাড়া মুসলিমরা বিশ্বাস করে যে, যে আল্লাহ মুহাম্মদ সাঃ কে নবী ও রাসুল বানাতে পেরেছেন, যাকে দিয়ে ইসলাম প্রচার করাতে পেরেছেন , যাকে মেরাজে গমন করাতে পেরেছেন তাঁর জন্য কি আল্লাহ আয়েশা রাঃকে বিশেষ ক্ষমতা দিয়ে সৃষ্টি করতে পারবেন না?
       
      তবে যে আপনি অভিযোগ করছেন যে, মুহাম্মদ সঃ সেক্স করার জন্য ঐ বয়সে আয়েশা রাঃ বিয়ে করেছেন! তা ঠিক নয়! কারণ ৫৪ বছর বয়সী একজন পুরুষ কখনও ১৫/২০ বছর বয়সী তরুণদের মত যৌন কালচার দ্বারা পরিচালিত হতে পারেনা।  ঐ সময় যৌন কর্মকে শৈল্পিক ভাবে উপভোগের সময়। যৌন কর্মকে যথার্থ ভাবে উপভোগ করতে হলে সঙ্গিনীকেও হতে হবে সমান অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।  যা শরীর বিজ্ঞানে কখন বলবে না যে সদ্য ঋতুবতি হওয়া মেয়ে কাছ থেকে সেই অভিজ্ঞতা/ আনন্দ পাওয়া যাবে।  আপনি আমার এই বিষয়ে অন্য ব্লগ
      পেডোফাইল!!! নবীর (সাঃ) প্রতি ইসলাম বিদ্বেষীদের মিথ্যাচার!!!
      পড়ে দেখতে পারেন।
      আর নবী রাসুল বলতে যদি বুদ্ধ,যিশুর কিংবা সংসার ত্যাগী জটাধারী সাধুদের মত করে কষ্ট কল্পনা করে থাকেন তাহলে সেটি আপনার ভুল, মুহাম্মদ সাঃ সেই ধরণের আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে করে যান নাই। মুহাম্মদ সাঃ আদর্শ হচ্ছে সকল জাগতিয়তাকে  মধ্যম পন্থায় ভোগ করেই পরকাল এবং ইহকালের কল্যাণ সাধন করা। ধন্যবাদ।

  17. 32
    sajid imran.

    ইহা একটি অসাধারণ ও গবেষণা মূলক পোষ্ট । অনেক কিছু জানা গেল । মুনিম সাব কে অনেক ধন্যবাদ ।

    সম্প্রতি ব্রিটেনে একটি টক শো-তে দেখেছিলাম যা উদ্ধৃত না করে পারছিনা …….মেলনী নামক ২১ বছরের যুবতীকে , ৪৭ বছরের মার্ক পৌঢ় বিয়ে করেছেন । বিশেষ কারণে তাদের কে টক শো-ত উপস্থিত করানো হয়ে ছিল ।উপস্থাপক শেষ পর্যায়ে মেলনী কে এই প্রশ্নই করেছিলেন…আপনি কেন মার্ক-কে বিয়ে করেছেন যেহেতু আপনাদের বয়সের ব্যাপক দূরত্ব ? উত্তরে মেলনী বলেছিল …..আমি তাকে ভালোবাসি, যেহেতু সে স্বামী হিসেবে,আমার সন্তানের পিতা হিসেবে, এবং আমার প্রেমিক হিসেবে সে আমার কাছে সর্বো-উত্তম পুরুষ বলে বিবেচিত । পর মুহুর্তে হাজারো জনতা হাততালি দিয়ে মেলনী-কে ধন্যবাদ  জানিয়েছিল । প্রগতিশীল-দেশের মানুষ তাদের পছন্দ কে কোন রকম কটাক্ষ করে নাই ।
    আমার ভাবতে অবাক লাগে… একজন সর্বকালের শ্রেষ্ঠ মহামানব হযরত মোহাম্মদ (স:) এর এই দিক টা নিয়ে ব্যাপক সমালোচনাটাও আমার কাছে দৃষ্টিকটু ।

    1. 32.1
      শাহবাজ নজরুল

      বানানের এই অবস্থা কেন?

    2. 32.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      আপনার মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  18. 31
    স্রষ্টার সন্ধানে

    বরাবরের মতই অসাধারণ পোস্ট। ধন্যবাদ মুমিন ভাই।

  19. 30
    এম_আহমদ

     
    এই লেখাটির উপর মন্তব্য করব করব করে সময় হচ্ছে না। এই কয়দিন থেকে আরও কয়টি লেখা এসেছে তবে পড়া হয়নি। 
     
    প্রথমত লেখাটি যে ভাল হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করব তার স্থান এই বাক্য: “তাদের অভিযোগ যে মুহাম্মদ (সা.) কালের সীমাবদ্ধতা উত্তীর্ণ হতে পারেন নি, তিনি সর্বকালের আদর্শ হতে পারেননি।” আর এই কথা ঘিরে গড়ে ওঠেছে আপনার ব্লগ। কিন্তু সব কথার মধ্যখানে যেমন আরেকটি কথা বলার অবকাশ থাকে, তাই সংক্ষেপে আমার কথা নিম্নরূপ:
     
         মুহাম্মদ (সা.) আয়েশাকে (রা.) বিয়ে করেছিলেন। এভাবে হাজার হাজার, লাখো লাখো মেয়ের বিয়ে সেদিন হত। নবীর আপন মেয়েদের বিয়েও সমাজের নিয়মে অতি অল্প বয়সে হয়েছে। তার সাহাবিদের মেয়েদেরও। এটাই ছিল সেই যুগ যেখানে এগুলো হত। 
     
        নাস্তিকদেরকথা হচ্ছে নবী তো সেকালের প্রথাতেই ছিলেন, তিনি কালের সীমাবদ্ধতায়। কিন্তু এখানে তাদের কথা ভুল, তারা ইসলাম বোঝেনি। যে দু/একটা লোক ইসলাম থেকে খারিজ হয়েছে তারাও বিষয়টি বুঝার আগেই ইসলাম ত্যাগ করেছে এবং এখন নাস্তিকী অঙ্গনের কথা আওড়াচ্ছে। 
     
        মূল কথা হচ্ছে নবীর বিভিন্ন বিয়ে হয়েছে সামাজিক বিভিন্ন মূল্যবোধ ও ইসলামের প্রেক্ষিতকে সামনে রেখে। নবী যখন ইয়াতিম, গরীব লোক ছিলেন তখন প্রথাগতভাবে তাঁর গোত্রের মর্যাদা ছিল বটে কিন্তু তাঁকে জামাই করে নেয়াতে অপর গোত্রের বিরাট মর্যাদার কিছু ছিল না। সম্পর্কের ভিত্তিতে মর্যাদার স্থানে যাওয়া, পরিচিত হওয়া, শক্তি লাভ করা ইত্যাদি কন্যা-দানেও কাজ করত। বরং যুগ যুগ ধরেই কাজ করে আসছে। ইসলাম তার ডানা মেলার সাথে সাথে বিভিন্ন গোত্র বুঝে যায় যে ভবিষ্যতের যাত্রা কোন দিকে হচ্ছে। বাইরের গোত্রের লোক ছাড়াও ইসলামের ভিতরের লোকদের মধ্যে সেই এহসাস ও সমঝের স্থান সুস্পষ্ট ছিল। মুসলামানদের কাছে নবুয়ত ছিল অত্যন্ত মর্যাদার বিষয়। আমাদের যুগ যেভাবে one man one wife এর সামাজিক attitude-এ এসেছে, এটা সেদিন ছিল না। মানুষ তার আপন যুগের সন্তান, সে তার মূল্যবোধ মতই কাজ করে। কিন্তু ইসলাম তার চিরন্তনতা, তার শিক্ষা সেই পরিবর্তনশীল মূল্যবোধের স্থানে প্রতিষ্ঠা করেনি। নবী অল্প বয়সী মেয়ে বিয়ে করলেও এখানে সওয়াব ও পরকালীন মুক্তির কিছু বলেননি। এটা ধর্মের কোন অনুজ্ঞা হয় নি, ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাহ কিছুই হয়নি। তেমনি বয়স্ক মহিলা বিয়ে করেছেন, সেখানেই সেই অনুজ্ঞা নেই। একাধিক বিয়ে করেছেন কিন্তু সেখানেও অনুজ্ঞা নেই। ধর্ম ও কালীন প্রথার পার্থক্য এখানে। রাসূল (সা.) তাঁর যুগের সন্তান ছিলেন, তাই উটে চড়ে যাতায়াত করেছেন, কিন্তু এটা আমাদের জন্য করণীয় হয়নি। তিনি তাঁর যুগের খাবার খেয়েছেন, কিন্তু সেই ধরণের খাবার খোঁজে বের করে আমাদের খাওয়া ধর্মীয় কাজ হয়ে পড়েনি। সুতরাং “মুহাম্মদ (সা.) কালের সীমাবদ্ধতা উত্তীর্ণ হতে পারেন নি, তিনি সর্বকালের আদর্শ হতে পারেননি” –এই অভিযোগ জ্ঞানের স্থান ছোয়ে আসেনি। ভুল সমঝ থেকে এসেছে। 

    1. 30.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      ধন্যবাদ ভাই আপনার মন্তব্যের জন্য। আমরা আশা করতে পারি যে আপনি আগামীতে "মুহাম্মদ সাঃ কেন সব যুগের মানুষের আদর্শ" এই বিষয়ে একটি ব্লগ উপহার দিবেন।

  20. 29
    Rosaline Costa

    If Allah is all powerful "sorbosoktiman' can he not speak to anyone even today to guide our present fallen generation? Now a days we see corruption everywhere, peaple leading bad life. Surely God wants us to lead a good and holy life but it seems that we have gone far away from God's command. Does not God know about it? Why we are not ready to accept anyone speaking today in the name of God as his messanger? 

    1. 29.1
      সাদাত

      আল্লাহতায়ালা যা বলার দরকার ছিল, তা বলে দিয়েছেন। তাই নতুন করে কিছু বলার দরকার নাই। তা আপনি কি কোন নতুন ম্যাসেঞ্জারের সন্ধান পেয়েছেন নাকি?

      1. 29.1.1
        kishoary shady hiya

        SISTER ,our GOD has sent us a book which gives us the complete ways of living..& obviously HE sent it on a MAN(PBUH) who is the best creation of GOD so if you want to live a best life then you have to read this book & obey the rules of GOD so that you can find the right way ..QURAN is the only book in which you cand find any kind of solution so please if you want to live in peace you can read this book at least one time of your life …& QURAN  will give you the peace IN SHA ALLAH 

    2. 29.2

      ভাই কিছু মনে করবেন না একটি ছেলেমানুষী প্রশ্ন হয়ে গেল না। ধরুন আপনি এক টিচারের কাছে প্রাইভেট পড়েন। উনি প্রতিদিন আপনাকে পড়ালেখায় সাহায্য করেন। কিন্তু যেই দিন আপনি মডেল টেষ্ট দেন সেই দিন কি উনি সাহায্য করেন? না। কেন করেন না? কারন সারা বছর উনি আপনাকে পড়িয়েছেন। এবার সেই প্রাপ্ত জ্ঞ্যানের কতটুকু সদ্বব্যাবহার করতে পারেন তার পরীক্ষা দেবার পালা।
      মহান আল্লাহ আমাদের জ্ঞ্যান বুদ্ধি দিয়েছেন। আপনি সেটিকেই কাজে লাগান না কেন? আপনি ভাবছেন আপনি দোয়া করলে কেন সাথে সাথে কবুল হয় না? কিন্তু আপনি ভেবে দেখেছেন প্রতিনিয়ত কত শত পাপ করছেন? প্রতিটি ভাল কাজের সাথে সাথে রিটার্ন আশা করছেন কিন্তু প্রতিটি খারাপ কাজের শাস্তি যদি সাথে সাথে পেতেন তবে কি দুনিয়ায় বাচতে পারতেন? একটু ভেবেই দেখুন না।
      মহনবী (সাঃ) এর শিক্ষা কি এ যুগে অচল হয়ে পড়েছে? যদি হয়ে যেত তবেই নতুন ম্যাশেঞ্জারের দরকার পড়ত। কিন্তু মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআন শরীফ আর মহানবীর জীবন এমনভাবে আমাদের মাঝে আদর্শ হিসেবে স্থাপন করেছেন আরো শত শত বছর তা আদর্শ মেনে জীবন পালন করা সম্ভব। ইসলাম সেকেলে হয়ে পড়লেই কেবল নতুন নবী রাসূলের দরকার পড়ত -- কিন্তু আল্লাহর রহমতে ইসলাম সবচেয়ে স্মার্ট আধুনিক জীবন ব্যাবস্থা। অনুগ্রহ করে যখন অভিযোগ করবেন শুধু একমুখী চিন্তা করবেন না।  দেখবেন সাথে সাথে সমাধান পাবেন

    3. 29.3
      মুনিম সিদ্দিকী

      আমি আপনাকে আপনাকে দিয়ে উদাহরণ দিচ্ছি-
      ভেবে দেখুন এই আপনার একদিন কোন অস্তিত্ব ছিলনা। মাতা পিতার কার্যে আপনি এক বিন্দু থেকে ধীরে ধীরে রক্ত মাংস পিণ্ড থেকে মানবী আকার ধারণ করেছিলেন। সেই অন্ধকার গর্ভে ৯ মাস ছিলেন। সেখানে আপনাকে সাহায্য করার জন্য এক আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন শক্তি ছিলনা। যেহেতু আপনার বেচে থাকার কোন সাহায্যকারী ছিলনা তাই এই চরম অসহায় অবস্থায় আল্লাহই আপনাকে জীবন ধারণের সকল ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এরপর আপনি দুনিয়ায় আসলেন তখনও আপনি অসহায় কারণ আপনার বেচে থাকার ব্যবস্থা আপনি নিজ থেকে করতে অক্ষম ছিলেন । আপনি কিন্তু অন্যান্য প্রাণীর মত গর্ভ থেকে বের হয়েই মায়ের স্তন চিনে নিতে পারেন নাই।  সেই সময় আপনাকে আপনার মাতা পিতা সমূহ সাহায্য করতে হয়েছিল।
      ধীরে ধীরে আপনি শিশু থেকে ক্রমাগত কিশোর হয়ে তারুণ্যে পৌঁছে গেলেন। এখন কিন্তু আপনাকে আর কারো সাহায্যের দরকার নাই আপনি আপনার সব কিছু নিজ থেকে যোগাড় যন্ত্র করতে হয়।
      ঠিক সেই  ভাবে মানব সভ্যতার ঊষালগ্নে মানুষ খুব অসহায় ছিল সেই সময়ে মানুষদের বাচার জন্য আল্লাহর  একান্ত সাহায্যের প্রয়োজন ছিল। এরপর ক্রমান্বয়ে মানুষ আজকের স্তরে এসে পৌঁছে গেছে, যখন  আর কোন আল্লাহ প্রেরিত মহা মানবের আসার প্রয়োজন নেই।
      মুহাম্মদ সাঃ ছিলেন আল্লাহর সর্বশেষ প্রতিনিধি আর আমরা হলাম রাসুলের প্রতিনিধি মানে নায়েবে রাসুল কাজেই আর নতুন করে কোন নবী রাসুলের আসার প্রয়োজন নেই।

  21. 28
    সাদাত

    সদলাপে আরেকটি মূল্যবান সংযোজনের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আয়েশা(রা.)এর জন্য ইসলাম-বিদ্বেষীদের মায়া কান্না দেখলে 'মায়ের চেয়ে মাসীর দরদ বেশি' প্রবাদটার কথা মনে পড়ে যায়।  

    1. 28.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      পড়ার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।

  22. 27
    মোঃ মির্জা হাসান

    আলহামদুলিল্লাহ্‌। সুন্দরভাবে উপস্থাপনের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

    1. 27.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      পড়া এবং কমেন্টের জন্য আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ।

  23. 26
    মুনিম সিদ্দিকী

    @আব্বাস

    আব্বাস says:

    অক্টোবর 12, 2012 at 1:29 অপরাহ্ন (UTC 6) | Edit comment
     

    এখানে ঋতুকালীন মিলিত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হয় নি, মেয়েদের ঋতু নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। কোরান একে অনিস্টকারী বলেছে, যা কি না ভুল।
    আমি তো আগেই বলেছি যে আরবি শব্দটি Azan এখন এই শব্দকে কেউ অনিষ্টকারী কেউ কষ্টকর কেউ বা অপবিত্র উল্লেখ করেছেন তাদের ব্যাখ্যায়। কাজেই আপনাকে আগে জানতে হবে শব্দটি আসল মানে কি?
    তবে বেশীর ভাগই অর্থ করেছেন যে, অপবিত্র! আবার অপবিত্রের মধ্যেও ভাগ বিভাগ আছে তা তো জানেন। এখানে অপবিত্র বলার মানে নয় এই সময় নারীদের হীন মনে করা হয়েছে। সোজা কোথায় ঐ সময়ে নারীরা বিভিন্ন ধরণের শারীরিক মানসিক অসুবিধার সম্মুখীন হন। তাই সে অবস্থায় নামাজ রোজা স্ত্রী সহবাস করলে নারীদের জন্য কষ্টকর বা অনিষ্টকর হতে পারে। আর ইসলাম চায় না কারো কোন অনিষ্ট হোক।

     

  24. 25
    মুনিম সিদ্দিকী

    আব্বাস says:

    অক্টোবর 12, 2012 at 1:24 অপরাহ্ন (UTC 6) | Edit comment
     

    "তাদের মধ্যে অনেকেই সকল হাদিসের সত্য মিথ্যা যাচাই করেন নাই।  "
    তা হলে কিভাবে চলবে? আমি বলবো সত্যি, আপনি বলবেন মিথ্যা,বড়ই মুশকিল!!
    কোথায় মুশকিল নাই  আব্বাস সাহেব! সব যায়গায় মুসকিল আছে!

    ঠিক, আরবের সব জায়গায় পানি পাওয়া যায় না। তা হলে পায়খানা করে কি করতো? নাকি সুরা মায়দার ৬ নং আয়াত ফলো করে পায়খানার পর পানি না পেলে বালু দিয়ে হাত মুখ মুছে নিত !!!
    যদিও আমার মাথায় ঢুকে না পায়খানা করে জায়গা মত পরিস্কার না করে বালু দিয়ে হাত মুখ মুছলে কি ভাবে পবিত্র হওয়া যাবে।অনেকে একে ওজুর বিকল্প হিসেবে তায়াম্মুম বলতে পারেন, তবে তাতেও পায়খানার রাস্তা পরিস্কার হওয়ার কোন নিদান পাওয়া যায় না।

     আপনি যদি কুরান অনলীদের মত করে আল কোরআন বুঝে তাহলে আপনার বুঝায় মারাত্বক ভুল আছে। আল কোরআনে যদি কিছু স্পষ্ট না পান তাহলে সুন্নাহ থেকে জেনে নেওয়া যায়। কাজেই সুরা মায়েদার ৬নং আয়াতে  অজু সম্পর্কে  যে ভাবে করতে বলা হয়েছে মুসলিমরা সে ভাবে তো করে কিন্তু তাঁর চেয়ে বেশী কিছু করে থাকে যা এই আয়াতে উল্লেখ নাই। এই আয়াতে বলা হয়েছে যারা অসুস্থ বা কোন কারণে পানি না পাইলে কি করতে হবে। তবে তাঁর মানে এই নয় যে প্রাকৃতির কাজ সেরে তা বালু বা পাথর, বা কাষ্ট খন্ড বা পাতা লতা দিয়ে না মুছে শুধু  হাত মুখ বালু লাগিয়ে তাইয়্যুম করা। ইসলামে পরিস্কার পরিচ্ছিন্নতা ঈমানে অঙ্গ ।

  25. 24
    sami23

    @ মুনিম ভাই সালাম,
    অসাধারন তথ্যপূর্ণ লেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
    "এসব আক্রমণাত্মক অভিযোগের মধ্যে শিশু নির্যাতনও একটি"
     
    মুহাম্মদ (সাঃ)-এর বিরুদ্ধে যে কোন অসদাচরণ, নিযাতন  কিংবা মিথ্যাচারের` অভিযোগ যদি থাকত উনার  স্ত্রীগণ করতে পারতেন।  কেননা, কারও চরিত্রের গোপন খবর তার স্ত্রীর চেয়ে ভালো আর কারও জানার কথা নয়। সুতরাং এ সুযোগ নবীর স্ত্রীগণেরও ছিল। বিশেষ করে তৎকালিন আরব কাফিরা নবীর ঘরের খবর অজানা ছিল না।তখনই তারা তার যোগ্যতা কে নসাৎ করে দিত। পশ্চিমা বিশ্বও এ ধরনের যে কোন অভিযোগ পরম আগ্রহের সাথে লুফে নিতো।কিন্তু আমাদের মনা ভাইদরে এই বিষয়ে দুঃখের অন্ত নেই।
     
    "উনার ২২১০টি হাদিসের মধ্যে থেকে ১৭৪টি হাদিস বুখারী আর মুসলিমে স্থান পেয়েছে"
    আসলে তিনি ২২১০টি হাদিস নয়,তিনি ২৪১০টি হাদিস বর্ণনা করেছেন। কেউ কেউ বলেন, আহকামে শরীয়তের এক-চতুর্থাংশ হাদিস আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট হতে বর্ণিত হয়েছে।`                                                  
    (সূত্রঃ মাওলানা আবদুল জলিল, বিশ্বনবীর (সাঃ) জীবনী, তৃপ্তি প্রকাশ কুঠি, বাংলাবাজার, ঢাকা, পৃঃ ১৭০-১৭১)

    1. 24.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      হাদিসের সংখ্যা সংশোধনের জন্য ধন্যবাদ। তবে সংখ্যা যা ই হয় না কেন মূল বিষয় হচ্ছে যে তিনি ব্যাপক ভাবে ইসলামের সেবা করে গিয়েছিলেন।
      পড়া এবং কমেন্টের জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

  26. 23

    রাসুল(সাঃ) এর জামানায় তো বটেই বৃটিশ আমলেও এই উপমহাদেশে মুসলিম ও হিন্দু নির্বিশেষে বহু ২০ ও ৩০ উর্দ্ধো তরুণ ও যুবারা ১০ এর নীচে মেয়ে শিশুদের বিয়ে করত। ঐ সময়ে ১৫-১৬ বছরের ছেলেদের সাথে ১০ এর নীচে এমনকি ৬-৭ বছরের মেয়েদের বিয়ে ছিল খুব কমন বিষয়। কিন্তু উগ্র নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীর দল সব কিছু বিবেচনায় না নিয়ে কিভাবে রাসুল(সাঃ)কে কটাক্ষ ও বদনাম করবে সেই চিন্তায় মশগুল থাকে। সবার উপর মা আয়েশা(রাঃ) নিজে কোনদিন এই বিষয়ে কোন বিরুপ মন্তব্য করেননি! আমাদের উচিত হবে যারা সাধারণ অমুসলিম ও নাস্তিক এই বিষয় গুলো তাদের নজড়ে আনা। 
    অনেক ধন্যবাদ মুনিম ভাই।
    (ইসরাইল-ফিলিস্তিন)

    1. 23.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।

  27. 22
    ibrahiim burhaan

    এটা পরিষ্কার যে আয়িশা রা. নির্যাতিত ছিলেন না।শিশু নির্যাতিত হলে তার ফল সরূপ ভবিষ্যত জীবনে যে প্রতিক্রীয়া হয় যেমন:শারীরিক বিকাশে বিলম্ব, ভাষার ব্যবহার ও অর্থ অনুধাবনে বৈকল্য, ব্যক্তিত্বের উন্নয়ন, শিক্ষা ও ব্যবহারে সমস্যা ইত্যাদি কোনটাই তার জীবনে পরিলক্ষিত হয়নি।বরং উল্টোটি ছিল।আয়িশা রা. ছিলেন সুস্পষ্ট ও আকর্ষণীয় ভাষণদানরিনী ,অধিক হাদিস বর্ণনাকারিনী,ভাল স্মৃতিশক্তির অধিকারিনী এবং উন্নত ব্যক্তিত্ব।

    মুহম্মদ স. তাকে ভালবাসতেন তেমনি আয়িশা রা.ও।এই ভালবাসাই আয়িশা রা. কে বিশেষিত করেছে।তার জ্ঞান লাভ সহজ করেছে।মুহাম্মদ স. তাই তার প্রশংসা করেছেন, অন্যান্য মহিলার সাথে আয়েশা রাঃ এর শ্রেষ্ঠত্বের তুলনা ত্বারিদের সাথে অন্যান্য অন্যান্য খাদ্যের শ্রেষ্ঠত্বের তুলনার মত।

    কিন্তু যদি বলা হয় যে, রাসুল সাঃ পরবর্তী সময়ে ইসলামের সেবার জন্য মুহাম্মদ সাঃ প্রত্যক্ষ পরিচর্যায় মাধ্যমে আয়েশা রাঃকে ছাঁচে ঢেলে সক্ষম করে তোলাই ছিল কিশোরী আয়েশা রাঃ বিয়ে করার প্রধান কারণ।তাহলে মুহাম্মদ স.এর মেয়েরাও তো ছিলেন যারা ইসলামের যুগে জন্মগ্রহন করেছেন।তাহলে জ্ঞান বিতরনের উদ্দেশই যদি বিবাহের উদ্দেশ্য হয় তাহলে তিনি তার মেয়েদেরকেও ইসলামর সেবায় নিয়োজিত করতে পারতেন।এখানে তার মেয়েরা কেন সেই উদ্দেশ্য সফল করতে অপারগ ছিল যা আয়িশা রা. করেছেন।

    1. 22.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আপনার প্রশ্নে জবাব তো ইতিহাস দিয়ে দিয়েছে!  আয়েশা রাঃ রাসুল সাঃ ওফাতের পর দীর্ঘ ৫০ বছর ইসলামের খেদমত করে গিয়েছিলেন কিন্তু উনার অন্য মেয়ে ফাতিমা রাঃ রাসুল সাঃ এর ওফাতের মাত্র ৬ মাসের মধ্যে তিনিও দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছিলেন। ফলে আগামীতে কি হবে না হবে তা আল্লাহ ভাল জানেন বিধায় আল্লাহ আয়েশা রাঃকেই নির্বাচন করেছিলেন।
      ২য়তঃ স্বামী স্ত্রীর একান্ত কথা তো আর কোন বাবা মেয়ের কাছে  বলতে কি পারেন?
       
      কষ্ট করে ব্লগটি পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

      1. 22.1.1

        মুনিম ভাই আরেকটা পয়েন্ট যোগ করি, মহানবী (সাঃ) বাবা হয়ে  মা ফাতেমা (রাঃ) কে অনেক বিষয় যা নারীদের একান্ত ব্যাক্তিগত সেসব বিষয়ে শিক্ষাদান করাটা কিছুটা অসস্তিকর হতে পারত। সে কারনে আয়েশা (রাঃ) এর কাছ থেকে আমরা সেসব বিষয়ে জানতে পারি। আরেকটা বিষয় মহানবী নিশ্চয়ই জানতেন মা ফাতেমা (রাঃ) সবার আগে মৃত্যু বরন করবেন সে কারনে আমরা হাদিসে এ বিষয়টি পাই যা পরবর্তীতে আল্লাহসুবহানা তাআলা সত্য প্রমান করেন। মা ফাতেমা বলেনঃ

        "First my father told me that his hour has come and he would soon depart. This separation made me cry. Then he told me that I would be the first from among the family to join him in afterlife. I felt happy at this tiding."

        1. 22.1.1.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          মহানবী (সাঃ) বাবা হয়ে  মা ফাতেমা (রাঃ) কে অনেক বিষয় যা নারীদের একান্ত ব্যাক্তিগত সেসব বিষয়ে শিক্ষাদান করাটা কিছুটা অসস্তিকর হতে পারত। সে কারনে আয়েশা (রাঃ) এর কাছ থেকে আমরা সেসব বিষয়ে জানতে পারি।

           
          হ্যা ভাই আমি তো তাই বলেছি।
           

          আরেকটা বিষয় মহানবী নিশ্চয়ই জানতেন মা ফাতেমা (রাঃ) সবার আগে মৃত্যু বরন করবেন সে কারনে আমরা হাদিসে এ বিষয়টি পাই যা পরবর্তীতে আল্লাহসুবহানা তাআলা সত্য প্রমান করেন। মা ফাতেমা বলেনঃ

           
          ভাই একজন মুসলিম হবার কারণে আমরা এই ভাবে বলতে পারিনা যে মুহাম্মদ সাঃ গায়েব জানতেন। আমরা বলতে পারি- আল্লাহ তালা মুহাম্মদ সাঃ জানিয়েছিলেন যে-  মা ফাতেমা (রাঃ) সবার আগে মৃত্যু বরন করবেন সে কারনে আমরা হাদিসে এ বিষয়টি পাই যা পরবর্তীতে আল্লাহসুবহানা তাআলা সত্য প্রমান করেন। ধন্যবাদ।
           

  28. 21
    mohammed nizam hossain

     মুহাম্মদ সাঃ আয়েশা রাঃ কোলে মাথা রেখেই ইন্তেকাল করেছিলেন। এবং উনার ঘরেই রাসুল সাঃকে দাফন করা হয়েছিল।          ey theke ki sposto noy j ki poriman valobasha srodha pobitro ey nikah maje bidhoman selo.afsos nastik r kafer der nea jader chokh ondho soytan dhara bestito,obosso tader k vool bola jaina ey jonno j tara to kafer.jara bujena pobitro somporko ki,tara janteo chayna.asole ey sob nastik ra  hosshe manusik rogi,r rogi houta o savabik ja jormmo sutro thekey abirvab.nastik er kono porichoy hoyna sey sathe tara bolte parbena kivabe ekjon  nastik er jormmo,jormmo pita k khujte holo j night club gulate honno hoye ghurte hobe DNA songghroher jonno.

    1. 21.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      পড়া এবং মন্তব্য করার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

  29. 20
    ahmad ullah

    অসাধারণ একটি লেখা। আল্লাহ আপনার শ্রম কবুল করুন।

    1. 20.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আমিন! আল্লাহ আপনাদের এবং আমার সবার মংগল করুন। আমিন!

  30. 19
    ABM Moniruddin

    Excellent arguments explaining the necessity of marriage between Hazrat Muhammed (SM) & Bibi Ayesha as per order from the Almighty Allah.

    1. 19.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আপনাকে সদালাপে স্বাতগতম

  31. 18
    মিসাইল ম্যান

    ভাই, আপনার লেখাটি পড়ে সত্যি অনেক কিছু জেনেছি। মাঝে মাঝে আমিও অনেকটাই অবেচতনভাবে  এ বিষেয় নিয়ে দ্বিাধান্বিত হয়ে যেতাম ।যাক, অনেক তথ্য জানার পর খুব ভাল লাগতেছে। আসলে নাস্তিকরা পুরো ইসলামের সমালোচনা করতে পারে না কিন্তু তারা ইসলামের কতিপয় বিষয় নিয়ে ব্যাস্ত থাকে তার মধ্যে এই বিষয়টা একটি। আপনার এই মুল্যবান লেখাটি আমাদের জন্য একটা প্রোয়াজনীয় ডকুমেন্ট হিসাবেই থাকল।
    আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মুনিম ভাই।

    1. 18.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      হ্যা ভাই শুধু আপনি কেন আমিও এই সব বিষয়ের সাথে খাপ খাওয়াতে পারতামনা। তাইতো সত্য কি জানার চেষ্টা করি। তাই যাতে আমাদের বাংলা ভাষা ভাষী মুসলিম ভাইগণ বিভ্রান্ত না হয়ে পড়েন সেই জন্য এই সব লেখা লেখি।
      আশা করি এই ধরণের ব্লগের প্রচার এবং প্রসারের আপনার মত নওযোয়ান ভাইয়েরা এগিয়ে আসবেন।  আর আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ যে, আমার এই ব্লগকে আপনার বন্ধু বান্ধদের কাছে ছড়িয়ে দেবার জন্য।
      এই সদালাপে আমার আরো লেখা আছে  সেগুলো পড়তে চাইলে আমার নামের মধ্যে ক্লিক করুন। তাহলে আমার সব ব্লগ আপনি দেখতে পাবেন।
      ধন্যবাদ।

  32. 17
    শামস

    মুনিম ভাই,
    মন দিয়ে পড়লাম। খুব ভালো লাগলো।
    এগুলো সদালাপের আর্কাইভে সংরক্ষণ করার ব্যবস্থা করলে ভালো হবে।
     
    ভালো থাকুন।
     

    1. 17.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ ভাই।

  33. 16
    zafar idris

    আামার সীমিত জ্ঞান তার পরও বলছি, এখানে যে সব হাদিস বর্ণনা করা হয়েছে উহা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাধ্যমে জেনেই ইসলামের প্রতি দৃঢ় অবস্থান নিয়েছি। যারা আজ ইসলামের বিরুদ্ধে বিষধাগার করছে তাদের কোন ধর্ম বা ধর্ম পুস্তক নেই। ওরা ধর্মের অনুশাসন মানতে চায় না তাই বিষদাগার করছে।

    1. 16.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আমাকে উৎসাহিত করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

  34. 15
    Gazi Zulfikar Mahmud

    আপনার চেষ্টা কে আল্লাহ গ্রহন করুন এবং এর জন্য উত্তম প্রতিদান দিন!!!
     
     

    1. 15.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আমিন! পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

  35. 14
    এস এম আকাশ

    চমৎকার লেখা। অনেক কিছু জানতে পারলাম। লেখাটি সংগ্রহে রাখলাম।

    1. 14.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

  36. 13
    মহিউদ্দিন

    উম্মুল মুমেনিন (মুমিনদের মা) আয়েশা (রাঃ) বিয়ে নিয়ে ইসলাম বিদ্ধেষীরা ও ওরিয়েন্টেলিষ্টরা বিভ্রান্তিকর লিখালেখি করে আসছে অনেক বছর ধরে কিন্ত তাদের এসব অপপ্রচেষ্টা কোন কাজে আসবেনা।
    ইসলাম আজ পৃথিবীর fasted growing religion এ তথ্য মুসলিমদের কাছ থেকে নয় অমুসলিমদের তথ্যসুত্র থেকে আসছে তা অস্বীকার করার উপায় নাই। আপনার লিখাটা নতুন প্রজন্মের উপকারে আসবে। ধন্যবাদ।

    1. 13.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      পড়া আর মুল্যবান কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

  37. 12
    আহমেদ শরীফ

    অনেকদিন পর একটি ভাল পোস্ট পড়লাম।
    সময় নিয়ে আবারো পড়তে হবে।
    আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।

    1. 12.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      সালাম, কেমন আছেন ? অনেক দিন থেকে আপনার কোন সাড়া পাচ্ছিলাম না!  পারলে মেল করবেন। ধন্যবাদ।

  38. 11
    ফুয়াদ দীনহীন

    আয়েশা সিদ্দীকা রাঃ কে নিয়ে অনেকেই অনেক সাহিত্য লিখে চলছেন। যেই যায়গায় আপনার রেফারেন্স সমৃদ্ধ আর্টিক্যাল অনেক কাজ দিবে। 
    বাকি বিষয় আস্তে আস্তে আসছি।

    1. 11.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      পড়ার জন্য ধন্যবাদ। আগামীতে আলোচনা চালিয়ে যাবেন এই আশা রাখছি।

  39. 10
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    মুনিম ভাই,
     
    বরাবরের মতোই চমৎকার লেখা। চমৎকার বলেইতো শেষ করা যাচ্ছে না। নিজের কিছু কথা বলি। 
     
    আমি একটা কথা বিশ্বাস করি -- কোন যুক্তি বা তথ্যই সমালোচকদের -- বিশেষ করে ইসলাম বিদ্বেষীদের মুখ বন্ধ করতে পারবে না। এরা বলেই যাবে। কারন এদের তথ্য আসে যে সোর্স থেকে তা কখনও বদলায় না। এরা এই কাজকে নিজেদের জন্যে অবশ্য কর্তব্য হিসাবে গ্রহন করেছে। 
     
    সেই দিকে না হয় না  গেলাম। তবে এই ইস্যুতে আমার নিজের বক্তব্য হলো -- 
     
    ১) ম্যাসেঞ্জারকে অবমূল্যায়ন করে কি ম্যাসেজের ক্ষতি করা সম্ভব। মুহাম্মদ (সঃ) ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ মানব -- যিনি সারা বিম্ভের জন্যে একজন রহমত স্বরূপ এসেছে -- অবশ্য তাদের জন্যে যারা সঠিক পথে আছে। 
    ২) আয়েষা (রাঃ) হলেন উম্মুল মুমেনিন -- সোজা ভাষায় আমাদের মা। সকল সমালোচনা থেকে মুক্ত। 
    ৩) যারা এই সামলোচনা করেন -- তারা একটা দ্বৈতভুমিকায় অবতীর্ন হন -- এক দিকে বলেন ১৫০০ বছরের পুরানো কোরান বর্তমানে অচল -- মানে কালের বিবর্তনের কথাটা এখানে গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠে -- অন্যদিকে এই আলোচিত বিবাহকে বর্তমানের প্রেক্ষাপটে নিয়ে বিচার করে রায় দেন। মজার বিষয় হলো মাত্র দুই জেনারেশন আগেও আমাদের দেশেও বিবাহের  এই ধরনের বয়স বৈষম্য ছিলো খুবই স্বাভাবিক। আমাদের দাদা নানাদের ইতিহাস দেখলে এমনটাই দেখ যাবে। 
    সুতরাং যারা সমালোচনার জন্যে ছুতা খুঁজে বেড়ায় -- তাদের তা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দিন। 

    1. 10.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আমি একটা কথা বিশ্বাস করি — কোন যুক্তি বা তথ্যই সমালোচকদের — বিশেষ করে ইসলাম বিদ্বেষীদের মুখ বন্ধ করতে পারবে না। এরা বলেই যাবে। কারন এদের তথ্য আসে যে সোর্স থেকে তা কখনও বদলায় না। এরা এই কাজকে নিজেদের জন্যে অবশ্য কর্তব্য হিসাবে গ্রহন করেছে। 
       

      জিয়া ভাই সালাম আমি তো তাদের জন্য ব্লগ পোস্ট করছিনা। করছি আমাদের তরুণ ভাইদের জন্য যারা এদের হিষ্ট্রি ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়ে যাতে বিভ্রান্ত না হয়ে পড়েন ।
      যাক আপনার মূল্যবাণ  কমেন্ট এর জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

    2. 10.2
      তামীম

      এক দিকে বলেন ১৫০০ বছরের পুরানো কোরান বর্তমানে অচল — মানে কালের বিবর্তনের কথাটা এখানে গুরুত্বপূর্ন হয়ে উঠে — অন্যদিকে এই আলোচিত বিবাহকে বর্তমানের প্রেক্ষাপটে নিয়ে বিচার করে রায় দেন। মজার বিষয় হলো মাত্র দুই জেনারেশন আগেও আমাদের দেশেও বিবাহের  এই ধরনের বয়স বৈষম্য ছিলো খুবই স্বাভাবিক। আমাদের দাদা নানাদের ইতিহাস দেখলে এমনটাই দেখ যাবে। 
      সুতরাং যারা সমালোচনার জন্যে ছুতা খুঁজে বেড়ায় — তাদের তা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দিন। 

      আসল কথাটা বলেছেন। এরা নিজেরাও জানে না, কখন কোথায় কি বলছে। 

  40. 9
    আব্বাস

    শিরোনাম দিয়েছেন " কিশোরী আয়েশা রাঃ বিয়ে" আর এনসাইক্লোপিডিয়ার ব্যখ্যা দিয়েছেন  
     
    "শিশুদের সাথে কুকর্ম করা, যাকে শিশুদের প্রতি নিষ্ঠুরতাও বলা হয়, এইটি হচ্ছে ইচ্ছাকৃত ভাবে শিশুদেরকে অন্যায় ভাবে আঘাত দেয়া এবং ভোগান্তি আরোপ করা। "   
     
    শিশু আর কিশোরীর পার্থক্য না বুঝলে অন্য কারো উপায় নেই আপনাকে কিছু বোঝানো।

    1. 9.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      কিশোরী হচ্ছে আমাদের মূল্যায়ন, শিশু হচ্ছে আপনাদের অভিযোগ!  আমাদের দৃষ্টিতে মেয়েরা যখন ঋতুস্রাব শুরু হয়ে গেলে সে আর শিশু থাকেনা। যেমন -- আমাদের প্রতিবেশী সমাজে ৮ বছরের শিশুকে গৌরী , ৯ বছরের কিশোরীকে  কুমারী যে কুমারীকে আজো দুর্গা পূজার সময় পূজো করা হয়। আর ৯ এর পরে যেই ঋতুস্রাব  হয় তখন সে রজকিনী হয়ে যায়। অতএব ঋতুস্রাবকারিণী মেয়েকে নারী বললেও আমাদের তরফ থেকে কোন ভুল হবেনা। কারণ ঋতুস্রাবকারিনী মেয়েদের উপরে নামাজ, রোজা পর্দা সবই ফরজ হয়ে যায়।
      আর আমার ব্লগ দিয়ে আমি শিশু বিবাহের পক্ষে ও কিছু দাবী করছিনা। আমি শুধু শিশু নির্যাতনে তথাকথিত অভিযোগ নিয়েই আলোচনা করেছি।
       
       
       
       

  41. 8

    মুনিম সিদ্দিকী ভাই অসাধারন লাগল । আল্লাহ আপনাকে বেহেশত নসীব করুন। যেহেতু আয়েশা (রাঃ) এর বিয়ের বিষয়ে লেখাটি তাই উনার বয়সের ব্যাপারে যে নাস্তিক বা অমুসলিমদের ভ্রান্ত কিছু ধারনা সে ব্যাপারে কিছু লিখলে লেখাটা আরো পূর্নতা পেত মনে হয়। আমি একটা ব্যপারে কনফিউজড আমার জানা মতে উনার সাথে মহানবী (সাঃ) এর ৬ বছরে বিয়ে পড়ানো হয় কিন্তু সংসার জীবন শুরু হয় ৯ বছর বয়সে। আবার কোথায় যেন দেখলাম উনার বড় বোনের বয়স থেকে উনার বয়স হিসেব করে ১৭/১৯ এরুপ দেখানো হচ্ছে। কোনটা সত্যি বুঝতে পারছি না।
    আবার অনেক আগে পড়েছিলাম উনার সাথে এক অমুসলিম ছেলের সম্পর্ক ছিল। পরে মহানবীর কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়ে উনার বাবা মা খুশী হয়েছিলেন। সে হিসেবে উনার বয়স কি আদৌ ৬/৯ ছিল নাকি ১৭/১৯ ছিল? এতো ছোট বয়সে তো সম্পর্ক থাকার কথা না। আশা করি বিষয়টি ক্লিয়ার করবেন। ধন্যবাদ। ভাল থাকুন

    1. 8.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      পড়া এবং ভাল লাগার জন্য ধন্যবাদ। আপনার অনুরোধ রক্ষার চেষ্টা করব তবে এই ব্লগে নয় নতুন অন্য ব্লগে ইনশাল্লাহ।

  42. 7
    সরোয়ার

    পড়লাম। অনলাইনে একটি ভাল রিসোর্চ হিসেবে জমা থাকবে।

    1. 7.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      কষ্ট করে সময় বের করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

  43. 6
    আব্বাস

    মুনিম সাহেব,  আপনার কস্ট করে লেখাটা বুঝতে মোটেও  কস্ট হয় নি। আপনি একটি guilty feelings থেকে লেখাটা লিখেছেন।আপনার লেখায় আয়েশা বর্নিত আরো হাদিসের উদৃতি থাকা উচিৎ ছিল,যেমন…….
     
    Sahi Bukhari:
    Volume 1, Book 6, Number 309:

    Narrated 'Aisha:

    None of us had more than a single garment and we used to have our menses while wearing it. Whenever it got soiled with blood of menses we used to apply saliva to the blood spot and rub off the blood with our nails.

    ইয়াক!!!!!!!!!!!!!!!!

    1. 6.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      প্রথমতঃ আপনি যে  ভাবে  প্রশ্নের ধারাবাহিকতা ছাড়া কমেন্ট করে যাচ্ছেন তাতে বুঝাচ্ছে যে আপনি বোধহয় এই লাইনে নতুন এসেছেন আর না হয় আমাদের সাথে আলোচনা আপনি তাচ্ছিল্যের সাথে করতে যাচ্ছেন।
      ২য়তঃ আমি যে কারো সাথে আলোচনা করে রাজী কিন্তু এই ব্লগের বাইরে কোন বিষয়ে গেলে সে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব না।
      ৩য়তঃ আপনি কি করে বুঝলেন বা আমার গিল্টিনেস কি  বা আপনি কোন পরিমাপক যন্ত্র ব্যবহার করে আমার গিল্টিনেস ধরতে পারলেন?
       
      খামকা প্যাচাবেন না সোজা কথায় আপনার পেটের ভেতরের কথা গুলো বলে ফেলুন। ধন্যবাদ।
       

    2. 6.2
      এম_আহমদ

       

      মুনিম সাহেব,  আপনার কস্ট করে লেখাটা বুঝতে মোটেও  কস্ট হয় নি। আপনি একটি guilty feelings থেকে লেখাটা লিখেছেন।

      আপনার মত মূর্খেরা মাঝে মধ্যে physically থাপ্পড়ও খায়। আপনি কি psychiatrist? মুনিম ভাইয়ের psychological disposition-টা  কীভাবে analyse করে তার feeling-টা guilty বুঝলেন? আপনার মত মূর্খরা শিখবে কবে?    

    3. 6.3
      নির্ভীক আস্তিক

      একটু আগে TSC এর মোর ধরে হাটছিলাম । অর্ধ উলঙ্গ এক লোক,সারা শরীর ভর্তি বালু । কি একটা মহিলা আর পুরুষকে দেখে ইংরেজীতে প্রলাপ বকছিল । অনেক আজে বাজে কথা, তবে ভদ্র ভাষায়, কয়েকটা লাইন এরকম- "You are doing this because you are feeling guilty, you are doing this becasue everything is Odd. you call me a mad! you want to make me understand that I am the best one. Muah ha ha, Muah ha ha, you are feeling guilty, yes you are feeling guilty" লোকটির নাম জিজ্ঞাসা করেছিলাম । কি একটু মুখে  বিরবির করে বলছিল- "আব, আব্বাছ, আব্বাচ, আব, আব।"  এখন বুঝেছি --ও তোমার নাম আব্বাস ? তো, আছ কেমন ? শরীল সাস্থ্য ভালা ? মাথা টাথা ঠিক আছে ?  সদালাপে হঠাত! Psychologist  দেখানোর জন্য সদালাপ ফাঊন্ডেশনের কাছে সাহায্যের আবেদন নিয়ে এসেছ বুঝি ?
      আসলে এ ধরনীর স্রষ্টার ভাবনাই কেমন যেন ! একদিক দিয়ে যেমন  আব্বাসের মত লোকদের পয়দা করেছেন মুর্খামি করার জন্য,  অন্যদিকে  আমাদের মত মুসলমানদের দায়বদ্ধ করে ঠাওরিয়ে বসিয়ে রেখেছেন এদের মুখের ফুটো বুলিন্দ করার জন্য।  যাই গিয়া, ফুরফুরে বিকেলে বাহিরের নীলিমার সৌন্দর্য আর এক কাপ চা পান করে আসি ।

      1. 6.3.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        ভাই কেমন আছেন! যাক আব্বাস দাদাকে আপনি ভাল ভাবে চিনতে পেরেছেন তাহলে!!! ধন্যবাদ।

        1. 6.3.1.1
          নির্ভীক আস্তিক

          এইত আলহামদুলিল্লাহ্‌ ভাল আছি ভাই । আপনি কেমন আছেন ? বলতে ভুলে গিয়েছিলাম । আপনার লেখার হাত বরাবরের মতই দারুন ।  চালিয়ে যান ।

          আয়েশা সিদ্দিকি (রাঃ) এর বয়স নিয়ে বিশ্লেষণী মূলক লেখা দেয়ার জন্য অনুরোধ রইল । আমি নিজে ভাল লিখতে পারিনা, তাই আপনাদেরকে কষ্ট করার জন্য অনুরোধ করছি ।

    4. 6.4
      happyThief

      Dear Abbas@… Islam came so that blinds can see, The ignorants may learn.
      In other religions, period was taken as curse and said women are cursed. But through this hadith (not only this hadith. there are several hadiths), it is proved that period is not curse, but a natural selection for women.
      Now read the hadith carefuly, "Aisha (ra) and the other wives of Muhammad (sa) had only one set of garment (the time of when the hadith is narrated). Now what women may do?! She needs to clean this way (she did not has another piece to alter and clean by water). 
      Do not hate women, they are the mothers, Honor them. And period is a hard time for women.
      We often see, some MUKTO MONA (!), NARI BAADI (!!), From what kind are you ….?!?!!?

      1. 6.4.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        ভাল বলেছেন ভাই। ধন্যবাদ।

      2. 6.4.2
        আব্বাস

        She needs to clean this way (she did not has another piece to alter and clean by water) 
        কেনরে ভাই, ছ্যাপ দিয়া পরিস্কার না কইরা কাপড়ের ওই অংশটুকু পানি দিয়ে পরিস্কার করে নিতে পারতো। As a matter of fact  পানি দিয়ে  পরিস্কার করার কথাও অন্য  হাদিসে বলা আছে।  
         
        Volumn 001, Book 006, Hadith Number 305.
        —————————————--
        Narated By 'Aisha : Whenever anyone of us got her menses, she, on becoming clean, used to take hold of the blood
        spot and rub the blood off her garment, and pour water over it and wash that portion thoroughly and sprinkle water
        over the rest of the garment. After that she would pray in (with) it.  
        এই হাদিস থাকতে হুদাহুদি ছ্যাপের হাদিসটা বাদ দেওয়া যাইতো না ? হাদিস কোরান একটু পড়েন।

        1. 6.4.2.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          এই হাদিস থাকতে হুদাহুদি ছ্যাপের হাদিসটা বাদ দেওয়া যাইতো না ? হাদিস কোরান একটু পড়েন।

          যারা হাদিস রেকর্ড করেছিলেন তারা যা পেয়েছিলেন তা রেকর্ড করে গিয়েছেন। তাদের মধ্যে অনেকেই সকল হাদিসের সত্য মিথ্যা যাচাই করেন নাই।
           
          আপনার কি ধারণা যে আরবে সব সময় সকল জায়গায় পানি পাওয়া যায়? যান এই সময়ে আরব দেশের গ্রাম গুলোতে ঘুরে আসুন।

        2. আব্বাস

          "তাদের মধ্যে অনেকেই সকল হাদিসের সত্য মিথ্যা যাচাই করেন নাই।  "
          তা হলে কিভাবে চলবে? আমি বলবো সত্যি, আপনি বলবেন মিথ্যা,বড়ই মুশকিল!!
          ঠিক, আরবের সব জায়গায় পানি পাওয়া যায় না। তা হলে পায়খানা করে কি করতো? নাকি সুরা মায়দার ৬ নং আয়াত ফলো করে পায়খানার পর পানি না পেলে বালু দিয়ে হাত মুখ মুছে নিত !!!যদিও আমার মাথায় ঢুকে না পায়খানা করে জায়গা মত পরিস্কার না করে বালু দিয়ে হাত মুখ মুছলে কি ভাবে পবিত্র হওয়া যাবে।অনেকে একে ওজুর বিকল্প হিসেবে তায়াম্মুম বলতে পারেন, তবে তাতেও পায়খানার রাস্তা পরিস্কার হওয়ার কোন নিদান পাওয়া যায় না।
           
           

        3. এম_আহমদ

          @মুনিম 
          এখানে কি হচ্ছে? একটি বিশেষ প্রসঙ্গ এড়িয়ে একটা মূর্খের সাথে কেন হাদিস আলোচনা শুরু করলেন, বুঝতে পারছিনা। 

        4. নির্ভীক আস্তিক

          @এম_আহমদ ভাই, একটি জিনিস খেয়াল করছেন । আমার বর্ণনা করা অর্ধউলঙ্গ আব্বাস আর এই নির্লজ্জ আব্বাসের আচার ব্যবহার খাপে খাপে মিলে যায় । আমি নিশ্চিত যে এটিই সেই আব্বাস ।  সারাদিন রাস্তার ময়লা আবর্জনা গেলে তো, তাই সহজে চেহারা দেখে বুঝা যায় না । কি কথা বাত্রা বলে, উলটো পাল্টা সব । দুচ্ছাই !

        5. 6.4.2.2
          এম_আহমদ

          @ আব্বাস
          এই হাদিসে আপনার সমস্যাটা কি? এখানে ইসলামের তাহারাতের কি কোন বিঘ্নতা ঘটেছে? কোরানের ২/২২২ আয়াতের সাথে এর সমন্বয়ে কী সমস্যা হয়েছে? যদি হয়ে থাকে স্পষ্টত কিভাবে? 'বিজ্ঞান' ঘাটাবেন পরে।  এই স্থান শেষ হওয়ার পরে দেখা যাবে আপনি কোথাকার বিজ্ঞানী। এখানে এক প্রসঙ্গ পড়তে এসে আরেক প্রসঙ্গের প্রশ্ন করছেন, আপনার 'বিজ্ঞান-মনস্কতা' এখানেই দেখা যাচ্ছে।  

      3. 6.4.3
        আব্বাস

        আরেকটি কথা….আপনি বলেছেন…..
         
        In other religions, period was taken as curse and said women are cursed.
         
        কোরান কি বলে?
        ২:২২২: তারা তোমাকে ঋতুস্রাব সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। বলো- ইহা অনিস্টকর; কাজেই ঋতুকালে স্ত্রীদের কাছ থেকে আলাদা  থাকবে……………….
        "ঋতুস্রাব অনিস্টকর" এর থেকে অবৈজ্ঞানিক কথা আর হতে পারে না। 
         

        1. 6.4.3.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          এইখানে Azan শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে আরবি কোরআনে -- এই শব্দের অর্থ কেউ করেছেন -কষ্ট কর, কেউ অনিষ্টকর বা কেউ অপবিত্র!
          তবে মূল বিষয় হচ্ছে যে- ঐ সময় টুকুতে নারীদের স্বাভাবিক জীবনে ব্যত্যয় ঘটে। এবং এক এক জনের এক এক রকম প্রতিক্রিয়া হলেও মূলত  ঐ সময়ে স্বাস্থ্যগত/ হাইজিন গত কারণে মিলিত না হওয়া উচিত।
           

        2. আব্বাস

          এখানে ঋতুকালীন মিলিত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন করা হয় নি, মেয়েদের ঋতু নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। কোরান একে অনিস্টকারী বলেছে, যা কি না ভুল।

  44. 5
    আব্বাস

    রায়হান সাব, আপনে কি ভাবে বুঝলেন আমি অমুসলিম? এই বেরেন নিয়া ব্লগান? আর রসুলুল্লাহর জীবন অনুসরন করা কেন সুন্না নয়?

  45. 4
    আব্বাস

    এখন কোন মুসলিম রসুল্লালাহর সুন্না অনুসরন করে ৫৩ বছর বয়সে ৭ বছরের মেয়েকে বিয়ে করলে সবাই রে রে করে ছুটে আসে কেন?

    1. 4.1
      এস. এম. রায়হান

      এই মন্তব্য করার জন্য অমুসলিম হয়ে মুসলিম সাউন্ডিং নাম নিতে হয় কেন? লজ্জা করে না? এইটা কি মনা ব্লগ পাইছেন?

    2. 4.2
      এস. এম. রায়হান

      এবার জবাব দেই। ৫৩ বছর বয়সে ৭ বছরের মেয়েকে বিয়ে করা ইসলামে কোন ভাবেই সুন্নাহ নয়। এবার কি আপনি ইসলাম গ্রহণ করবেন?

    3. 4.3
      মুনিম সিদ্দিকী

      আপনার মন্তব্য পড়ে বুঝতে পারলাম আমার এত কষ্ট করে লেখাটি দিয়ে আপনাকে বুঝাতে অক্ষম হয়েছি। অন্য ভাষায় বললে বলতে হয়- সাত খণ্ড রামায়ণ পড়ে জিজ্ঞাস করে সীতা কার বাবা!!! দেখুন আমি তো আহ্বান জানিয়েছি অকপট যারা তারা আলোচনার জন্য আসতে।
      তবে আবারও বলছি -- রাসুল সাঃ সব কর্ম সুন্নত নয়। সুন্নত সেই কাজ কামকে বলে যা সাধারণ মানুষের জন্য প্রযোজ্য। নবীর সাঃ জীবন ইতিহাস যারা জানেন তারা এই সত্যও ভাল ভাবে জানেন।
      ধন্যবাদ।

  46. 3
    শাহবাজ নজরুল

    ইসলামে আয়েষা (রা.) এর অবদান অপরিসীম। তিনি ইসলামের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ আলেম (মহিলাদের মধ্যে) এ নিয়ে কোনো বিবাদ নেই। তিনি অল্প বয়েসে রাসুল (সাঃ) এর ঘরে এসে উনার কাছ থেকে সরাসরি জ্ঞান আহরন করেছেন। সেই জ্ঞান তিনি আবার আমাদের সবার মাঝে বিলিয়ে দিয়েছেন। কেবল আয়েষা (রা.) এর হাদীসগুলো বাদ গেলে ইসলামের অনেক কিছুই নাই হয়ে যাবে, বিশেষত মেয়েদের ব্যপারে আসা ফিকহী সিদ্ধান্তগুলো। এ ব্যপারে ইসলাম বিদ্বেষীদের মায়াকান্নার কোনো সুযোগ নেই, কেননা আয়েষা (রা.) সারাজীবই রাসুল (সা.) এর সাথে বিয়েকে চেরিশ করেই গেছেন।
     
    ভালো একটি লেখা উপহার দেবার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ। 

    1. 3.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      কষ্ট করে পড়া এবং কমেন্ট করার জন্য আপনাকে ও ধন্যবাদ।

  47. 2
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    ধন্যবাদ নজরুল ভাই আপনার সুন্দর মন্তব্ব্যের জন্য। ভাল থাকুন।

  48. 1
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    মুনিম ভাই,
    আমার কিছু জানার ছিল। আমাদের নবীর(সঃ) কাছে ওহী আসত কখনও ঘণ্টা ধ্বনির ন্যয়, কখনও ফেরেস্তা মারফত সরাসরি, কখনও স্বপ্নে। আমাদের নবী(সঃ) যদি স্বপ্নে মা আয়েশা-কে দেখে থাকেন, তা ওহী হিসেবে কেন কোরানে স্থান পায়নি? আরেকটি বিষয় হল, আবু বকর তার মেয়ে আয়েশা-কে বিয়ে দিতে রাজী ছিলেন না। (সহিহ বুখারী বই-৭, ভলি-৬২, হাদীস-১৮)।  আমরা হাদীসে কেন এমন পেলাম?
    আশা করি, আপনি সুন্দর ও উপযুক্ত উত্তর দিবেন। ভাল থাকুন।

    1. 1.1
      শাহবাজ নজরুল

      ওহী মাত্রই কোরানে স্থান পেতে হবে এমন ভাবা ভুল। ওহী হচ্ছে আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে পাওয়া অনুপ্রেরণা, নির্দেশ, সুসংবাদ, সতর্কবার্তা … ইত্যাদি। ওহীর একটি অংশ কোরানে এসেছে। আরেক অংশ গেছে হাদীসে। কিছু এসেছে সতর্কবার্তা হিসেবে, যেমন বানু নাদীর গোত্রের মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে হত্যা পরিকল্পনা আল্লাহ্‌ ওহীর মাধ্যমে মুহাম্মাদ (সাঃ)-কে জানিয়ে দেন। একইভাবে মুহাম্মাদ (সাঃ) ওহীর মাধ্যমে জানতে পারেন যে মুতার যুদ্ধে ৩ জন সাহাবী নেতৃত্ব দিয়ে শহীদ হয়েছেন। ওহীর মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন নাজ্জাসীর মৃত্যু সংবাদ। এই ওহীর খবরাদি কোরানে নেই। হাদীসে ঐগুলি হয়ত কিছুটা এসেছে তবে মারফু হাদীস হিসেবে অনেকগুলোই আসেনি। ওহী প্রাপ্তির একটা উপায় হচ্ছে সপ্ন। ইব্রাহীম (আ.) এর কথা ভেবে দেখুন। উনি কিন্তু স্বপ্নে দেখেছিলেন যে ইস্মাইল (আ.) কে কোরবানী করছেন। ঐ স্বপ্নকে ইব্রাহীম (আ.) কিন্তু নিছক স্বপ্ন ভাবেননি --  আল্লাহর নির্দেশ বা ওহী হিসেবেই ভেবেছেন। ভেবে দেখেন ইউসুফ (আ.) এর স্বপ্নের কথা, যেখানে তিনি দেখছেন চাঁদ, সূর্য সহ ১১টা গ্রহ তাকে সেজদা করছে। ঐ স্বপ্ন কিন্তু আল্লাহ্‌র তরফ থেকে ওহী যার মাধ্যমে তিনি জানতে পারছেন (বা সুসংবাদ পাচ্ছেন) যে একসময় তিনি তার পরিবারের অধিপতি হবেন।
       
      আর আবু বকর (রা.) বিয়েতে রাজী ছিলেন না এভাবে হাদীসটি আসেনি, হাদীসের বানী বলছে, তিনি হয়তবা আশ্চর্যান্বিত হয়েছিলেন, কিংবা খুব বেশী হলে কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। আবু বকর (রা.) ছিলেন রাসুল (সা.) এর একনিষ্ঠ সহচর। সব কথাই তিনি দ্বিতীয় প্রশ্ন ছাড়া মেনে নিয়েছেন। হাদীসটি পড়ে দেখুন,

      The Prophet asked Abu Bakr for 'Aisha's hand in marriage. Abu Bakr said "But I am your brother." The Prophet said, "You are my brother in Allah's religion and His Book, but she (Aisha) is lawful for me to marry."

    2. 1.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      শাহবাজ ভাই আপনাকে সুন্দর ভাবেই জবাব দিয়েছেন। আশা করি এর পর আমার আর ব্যাখ্যা করার দরকার নাই। আর হাদিসে যেমন এসেছে যে, আবুবক্কর রাঃ দ্বিধা করেছিলেন, তেমনি অনেক হাদিসে আছে যে -- আবু বকর রাঃ নিজে আয়েশা রাঃকে বিয়ে করার জন্য মুহাম্মদ সাঃ কাছে প্রস্থাব রেখ্বছিলেন।
      তবে বহুল ভাবে প্রচারিত হাদিস হচ্ছে দ্বিধা করেছিলেন। এই রূপ দ্বিধা ঐ সময়ে স্বাভাবিক ছিল। কারণ ঐ সময়ে বন্ধু ছেলে মেয়েদেরকে আপন সন্তানের মত ভাবা হত, পালক পুত্র/মেয়েকে নিজ সন্তানের মত অধিকার দেওয়া হত। স্ত্রীকে রাগ করে মা ডাকলে স্ত্রী তালাক হয়ে যেত। হজ বা উমরা না করে কেউ কুরবানী দিত না। এই মানুষ্য প্রলিত অবাস্তব প্রথাকে বদলাতেই আল্লাহ মুহাম্মদ সাঃ কে রাসুল বানিয়ে দুনিয়াতে পাঠিয়েছিলেন। ধন্যবাদ।

      1. 1.2.1
        মোঃ তাজুল ইসলাম

        ধন্যবাদ মুনিম ভাই। ভাল থাকুন।

      2. 1.2.2
        তামীম

        কারণ ঐ সময়ে বন্ধু ছেলে মেয়েদেরকে আপন সন্তানের মত ভাবা হত, পালক পুত্র/মেয়েকে নিজ সন্তানের মত অধিকার দেওয়া হত। স্ত্রীকে রাগ করে মা ডাকলে স্ত্রী তালাক হয়ে যেত। হজ বা উমরা না করে কেউ কুরবানী দিত না।
         এই মানুষ্য প্রলিত অবাস্তব প্রথাকে বদলাতেই আল্লাহ মুহাম্মদ সাঃ কে রাসুল বানিয়ে দুনিয়াতে পাঠিয়েছিলেন। ধন্যবাদ।

         
        সম্পূর্ণ একমত।
        মূলত সমাজ থেকে এইসব কুসংস্কার দূর করার জন্যই উদাহরণ সৃষ্টির উদ্দেশ্য হয়তবা এই বিয়ের অন্যতম কারণ ছিল। 
         

        1. 1.2.2.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          অনেক দিন পর আবার দেখা হল!  ভাল থাকুন। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.