«

»

Sep ১২

জ্ঞান-বিজ্ঞান, অতীত বর্তমান- মুসলিমদের অবদান।

বর্তমান জ্ঞান-বিজ্ঞানের আবিষ্কারে মুসলিম জাতির ব্যাপক সংশ্লিষ্টতা খুঁজে পাওয়া না যাওয়ার কারণে মুসলিম যুবক তরুণরা এক ধরণের হীনমন্যতায় ভোগেন, যারা ইতিহাস জানেন তারা বিচ্ছিন্ন ভাবে আমাদের সোনালী দিনগুলোর জ্ঞান-বিজ্ঞানের অবদানের কথা উল্লেখ করে থাকেন। বিস্তারিত ভাবে উল্লেখ না করে কেউ যখন দাবি করে বসেন – আমাদের জ্ঞান বিজ্ঞানের ১০০০ বছরের অবদান আছে তখন অনেকেই জানতে চান সেই ১ হাজার বছরের মুসলিমদের বিজ্ঞানের কোন্‌ কোন্‌ ক্ষেত্রে অবদান ছিলো?

আমার এই লেখাটি (মূলতঃ সংগ্রহটি) সেই প্রশ্নের জবাবে তৈরির সূচনা করছি। আশাকরি আপনারা যারা মুসলিমদের জ্ঞান-বিজ্ঞানে অতীতে এবং বর্তমানে যে সকল অবদানের কথা জানেন তা সংযোজন করতে এগিয়ে আসবেন। সবার সম্মিলিত সংগ্রহে এই ব্লগটি সদালাপে আর্কাইভ হয়ে থাকলে ভবিষ্যতে যারা এই ব্লগটি পড়বে তাদের মধ্যে হীনমন্যতা কাজ না করে ভবিষ্যতকে নতুন করে বিনির্মাণ করতে সচেষ্ট হবে বলে আমার বিশ্বাস। আমার বা অন্য কারো তথ্যগত ভুল থাকলে তাও সংশোধন করতে এগিয়ে আসবেন বলে আশা রাখছি।

ইসলামী সভ্যতা যে বিশ্বের উন্নতির সর্বক্ষেত্রে সৃজনশীলতা ও আবিষ্কারের জনক, তা এক ঐতিহাসিক সত্য।

বিজ্ঞান বিভাগে দৃষ্টি দেওয়া যাক-

১। রসায়ন-

দেখুন রসায়ন বা কেমিস্ট্রি কাদের হাত দিয়ে আবিষ্কৃত হয়েছে? এই রসায়নের ইতিহাসে যার নাম সর্ব প্রথমে আসবে তিনি আর কেউ নয় তিনি হচ্ছেন- আল জাবির। ছোটখাটো আবিষ্কারের ফিরিস্তি দিতে গেলে তো লেখা অনেক লম্বা হয়ে যাবে, তাই বিশেষ বিশেষ আবিষ্কারের উল্লেখ করে শেষ করতে চাই এই লেখা। প্রস্তর নিক্ষেপ যন্ত্র, বারুদ, বন্দুক, কামান তো মুসলিমরা করেছিলো। যুদ্ধের উন্নত কৌশল আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তারাই প্রথম আরবি ভাষাতে বই লিখেছিল বিশ্ববাসীর জন্য। সে বইটির নাম ‘আলফুরুসিয়া ওয়াল মানাসিব উল হারাবিয়া’।

২। ভূগোল-

প্রথম ভূ-মানচিত্র এঁকেছিলেন যারা তারা সকলেই মুসলিম ছিলেন। ৬৯ জন মুসলিম ভূগোলবিদ পৃথিবীর প্রথম যে মানচিত্র এঁকেছিলেন তা আজো এক পরম বিস্ময়! এই মানচিত্রের নাম-‘সুরাতুল আরদ’ যার অর্থ হচ্ছে বিশ্ব আকৃতি।

৩। এক্ষেত্রে  ইবনে ইউনুসের অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা মণ্ডল নিয়ে গবেষণার ফলকে ইউরোপ মাথা পেতে মেনে নিয়েছিল। আর মুসলিম ফরগানী, বাত্তানী ও আল খেরজেমি প্রমুখের ভৌগলিক অবদান তো স্বর্ণমণ্ডিত বলা যায়।

৪। কম্পাস যন্ত্রের যিনি আবিষ্কারক তিনিও মুসলিম ছিলেন, যার নাম- ইবনে আহমদ।

৫। পানির গভীরতা এবং স্রোত মাপার যন্ত্রও মুসলিম বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার করেছিলেন- যার নাম – আব্দুল মজিদ।

৬। বিজ্ঞানের উপর যে বৈজ্ঞানিক ২৭৫টি বই লিখেছিলেন তিনি আর কেউ নয় তিনি মুসলিম বৈজ্ঞানিক আলকিন্দি।

৭। আর প্রাচীন মুসলিম বৈজ্ঞানিক, হাসান, আহমদ, মুহাম্মদ সম্মিলিত ভাবে ৮৬০ সালে বিজ্ঞানের একশত রকমের যন্ত্র তৈরির নিয়ম ও ব্যবহার প্রণালী এবং তার প্রয়োজন নিয়ে বই লিখে রেখে গেছেন।

৮। আজকের বিশ্বে বিজ্ঞানের যে বিশেষ শাখা নিয়ে তুমুল বিতর্ক সেই বিবর্তনবাদ এবং বিবর্তনবাদের জনক বলে যে চার্লস ডারউইনের কথা উল্লেখ করা হয়ে থাকে, সেই পশু-পাখি, লতা-পাতা নিয়ে ডারউইনের আগেও যিনি কাজ করে গেছেন তিনিও মুসলিম বৈজ্ঞানিক যার নাম আল আসমাঈ, বর্তমান কোন মানুষ তার লেখা সে সময়ের গবেষণামূলক বইকে অস্বীকার করতে পারবেন না। তার জন্ম ৭৪০ খৃঃ, মৃত্যু ৮২৮ খৃঃ।

৯। আজ যে চিনি মানুষ তার প্রয়োজনে ব্যবহার করছে সে চিনিও মুসলিমরা আবিষ্কার করেছিল। চিনিকে আরবরা সুক্কার বলে, সেই সুক্কার ইউরোপে সুগারে রূপান্তরিত হয়, আর ভারতে এই চিনির নাম ছিল শর্করা।

১০। ভূতত্ত্ব সম্পর্কে বিখ্যাত বই ‘মুজাম আল উবাদা’ লেখক হচ্ছেন মুসলিম- ইয়াকুব ইবনে আব্দুল্লাহ।

১১। তুলা থেকে প্রথম তুলট কাগজ আবিষ্কার করেন আরেক মুসলিম আবিষ্কারক- ইউসুফ ইবনে উমার। এই আবিষ্কারের মাত্র ২ বছর পরে বাগদাদের কাগজের কারখানা তৈরি করা হয়েছিল।

১২। আর মুসলিম বৈজ্ঞানিক জাবীর ইবনে হাইয়ান তো- ইস্পাত তৈরি, ধাতুর শোধন, তরল বাষ্পীয় করণ, কাপড় ও চামড়া রঙ করা, ওয়াটার প্রুফ তৈরি করা, লোহার মরিচা প্রতিরোধক বার্ণিশ, চুলের কলপ, লেখার পাকা কালি আবিষ্কার করে বিজ্ঞান জগতে তার স্মৃতি অমর হয়ে আছে।

১৩। ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড থেকে যিনি প্রথম কাঁচ আবিষ্কার করে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনিও মুসলিম বৈজ্ঞানিক আর রাজী। ইংরেজদের ইংরাজি শব্দে ঐ বৈজ্ঞানিকের নাম আজো- Rezes লেখা আছে।

তিনি একদিকে যেমন ছিলেন ধর্মীয় পণ্ডিত তেমন করে অন্যদিকে ছিলেন গণিতজ্ঞ ও চিকিৎসা বিশারদ। সোহাগা, পারদ, গন্ধক, আর্সেনিক ও সালমিয়াক নিয়ে তার লেখা গবেষণা উল্লেখযোগ্য। পৃথিবীতে প্রথম পানি জমিয়ে বরফ তৈরি তারই অক্ষয় কীর্তি। এর পরেই ইউরোপ বরফ তৈরির কারখানা তৈরি করেছিল।

১৪। পৃথিবীখ্যাত গণিত এবং চিকিৎসা বিশারদ ওমর খৈয়ামের কথা সর্বজনবিদিত। তিনিও মুসলিম জামানায় জ্ঞান বিজ্ঞান অর্জনের সুফলতা ভোগ করে এত বড় পণ্ডিত হতে পেরেছিলেন। মুসলিম পিতা মাতার সন্তান ছিলেন।

সে ভাবে-

১৫। নাসির উদ্দিন তুসী

১৬। আবু সিনার নাম এবং তাদের অবদান সর্বজনবিদিত।

১৭। পৃথিবীর প্রথম মানমন্দিরের আবিষ্কারক ছিলেন- হাজ্জাজ ইবনে মাসার এবং হুনাইন ইবনে ইসহাক।

১৮। পৃথিবীর ১ম মানমন্দির তৈরি হয় ৭২৮ খৃঃ, ২য়টি ৮৩০ খৃঃ। ২য় মানমন্দির জন্দেশ পুরে, ৩য়টি বাগদাদে আর ৪র্থটি দামেস্কে। তা তৈরি করেন মুসলিম খলিফা আল মামুন।

১৯। পৃথিবীর ১ম বীজ গণিতের জন্মদাতা মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল খারেজমি। তিনি ভারতকে নিয়ে একটি বই লিখেছিলেন যার নাম কিতাবুল হিন্দ। অংক বিভাগে শূন্যের মূল্য অমূল্য এবং অপরিসীম। এই শূন্য [০] আবিষ্কার তার বলে দাবি করা হয়। ‘হিসাব আল জাবর ওয়াল মোকাবেলা’ বইটি তার বিরাট অবদানের কথা মনে করিয়ে দিবে।  শুধু তাই নয় তিনি জ্যোতির্বিদও ছিলেন। খলিফার অনুরোধে আকাশের মানচিত্রও তিনি এঁকেছিলেন এবং একটি পঞ্জিকার জন্ম দেন। তাকে সরকারী উপাধি দেয়া হয়েছিল- ‘সাহিব আলজিজ’।

২০। আর ইতিহাস বিভাগে তো মুসলিম ঐতিহাসিকদের অবদানের কথা বাদ দিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসের ইতিহাস লেখা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। আজ যে ভারতীরা তাদের ইতিহাস নিয়ে গর্ব করার মত উপাদান পেয়েছেন সেই উপাদান তারা পেতেন না যদিনা তাদের ইতিহাস মুসলিম ঐতিহাসিকগণ লিপিবদ্ধ করে যেতেন। তবে এই ক্ষেত্রে ইংরেজ ঐতিহাসিকদের অবদানও কম নয়, তবে মনে রাখতে হবে ইতিহাসের স্রষ্টা মুসলিম তার অনুবাদক হচ্ছেন ইংরেজ। এই সত্য যারা ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করেন তারা কখনও অস্বীকার করতে পারবেন না।

  • আলবিরুনী
  • ইবনে বতুতা
  • আলিবিন হামিদ
  • বাইহাকী
  • উৎবী
  • কাজী মিনহাজুদ্দিন সিরাজ
  • মহীয়ুদ্দিন
  • মুহাম্মদ ঘোরী
  • জিয়া উদ্দিন বারণী
  • আমীর খসরু
  • শামসী সিরাজ
  • বাবর
  • ইয়াহিয়া-বিন- আহমদ
  • জওহর
  • আব্বাস শেরওয়ানী
  • আবুল ফজল
  • বাদাউনি
  • ফিরিস্তা
  • কাফি খাঁ
  • মীর গোলাম হুসাইন
  • হুসাইন সালেমি
  • সইদ আলী প্রমুখ

যে ইতিহাসের বইগুলো তারা লিখে গেছেন-

তারিখই সিন্ধু, চাচা নামা, কিতাবুল-ইয়ামিনি, তারিখই মাসুদী, তারিখই-ফিরোজশাহী, তারিখুল হিন্দ, তা’জুম্মাসির, তবকত-ই-নাসিরি, খাজেনুল ফতওয়া, ফতওয়া উস সালাতিন, কিতাবুর-রাহলাব, তারিখই মুবারক শাহী, তারিখে সানাতিনে আফগান, তারিখে শেরশাহী, মাখজানে আফগান, আকবর নামা, আইনি আকবর, মুনতাখাবুত তওয়ারিখ, মুন্তাখাবুল লুবাব,ফতহুল বুলদান, আনসাবুল আশরাক ওয়া আখবারোহা, ওয়ুনুল আখইয়ার, তারিখে ইয়াকুব, তারিখে তাবারী, আখবা্রুজ্জামান, মারওয়াজুজ জাহাব, তামবিনুল আশরাফ, কামিল, ইসদুল গাবাহ, আখবারুল আব্বাস, কিতাবুল ফিদ-আ, মুয়াজ্জামুল বুলদান।

পৃথিবীর বুকে জ্ঞানকে প্রকাশ প্রচারের আদিমতম বাহন ছিল কলম এবং এর পর বই লিখে তাতে সংরক্ষণ করা, পরবর্তী ধাপ গ্রন্থাগার নির্মাণ এর পরবর্তী ধাপ পাঠশালা, বিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা। মুসলিমদের সভ্যতায় এই বিষয়গুলো কতটুকু অগ্রসর ছিলো তা নিয়ে এবার আলোচনা করব-

ইসলাম মুসলিমদের শিক্ষা দেয় জ্ঞান অর্জনের জন্য, এর জন্য বলা হয়- ‘যে জ্ঞান অর্জন করে তার মৃত্যু নাই’, ‘চীন দেশে যেতে হলেও সেখানে গিয়ে জ্ঞান অর্জন করবে’, ‘প্রত্যেক নর নারীর জন্য জ্ঞান অর্জন অবশ্য কর্তব্য’, ‘সমস্ত রাত্রির প্রার্থনার চেয়ে এক ঘণ্টা জ্ঞান চর্চা করা উত্তম’, ‘যে জ্ঞানীকে সম্মান করে সে রাসুল সাঃকে সম্মান করে’।

সুতরাং মুহাম্মদ সাঃ-এঁর নির্দেশের বাস্তবায়ন তাঁর জীবদ্দশাতেই শুরু হয়ে গিয়েছিল।

মুহাম্মদ সাঃ-এঁর ইন্তেকালের ১১৮ বছরের মধ্যে ইউরোপ এশিয়া আফ্রিকা তথা স্পেন থেকে আরম্ভ করে ভারতের সিন্ধু নদ পর্যন্ত ইসলামী সভ্যতার বিকাশ লাভ হয়েছিল।

মুসলিমরা শুধু দেশ জয় করে ক্ষান্ত হয়ে থাকেনি বরং ঐ সকল এলাকায় পণ্ডিত ব্যক্তিদেরকে গবেষণায় উৎসাহিত করেছেন, গ্রন্থাগার গড়েছেন, গ্রন্থাগারসমূহে নতুন পুরাতন গ্রন্থ পুথি পুস্তকে পরিপূর্ণ করেছিলেন। তাই সালেনা, কার্ডোভা, বাগদাদ, কায়রোতে বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে উঠেছিল।

উমর রাঃ এর ১শত বছর পর বাগদাদের প্রথম লাইব্রেরী পরিদৃষ্ট হয়। উমাইয়াদের আমলে ব্যাকরণ লেখা, ইতিহাস লেখা, স্থাপত্য বিদ্যার অগ্রগতি হওয়া শুরু করেছিল।

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাঃ যখন ইন্তেকাল করেন তখন বড় এক উট বোঝাই বই রেখে গিয়েছিলেন। আপনাদের বুঝতে হবে তখন আমাদের আজকের মত বই সংগ্রহ করা এত সোজা ছিলোনা। কারণ ঐ সব বই সবই ছিল হাতের লেখা।

আবু হুরাইরা রাঃ বহু বই রেখে গিয়েছিলেন। মুহাম্মদ সাঃ এর তরবারির খাপেও অনেক বইয়ের উপকরণ সংরক্ষণ করে গিয়েছিলেন। এই তো ৫০/৬০ বছর আগেও লোকে বাঁশের চোংগার মধ্যে বই সংরক্ষণ করতেন।

গ্রন্থ পুস্তক সংগ্রহ করা মুসলিমদের জাতীয় বৈশিষ্ট্যে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। বন্দরে বন্দরে লোক প্রস্তুত থাকতো কোন নতুন লোক এলেই তার কাছে পাওয়া নতুন বইয়ের অনুলিপি তৈরির জন্য। অনুলিপি তৈরি করে মূল বই বাহককে ফেরত দেওয়া হতো। আর কেউ যদি মূল বই বিক্রয় করতে চাইতো তাহলে যথার্থ মূল্য দিয়ে কিনে নেয়া হতো।

আব্বাসীয় খলিফা মামুন বাগদাদে ‘দারুল হিকমাহ’ নামে যে বিজ্ঞান কেন্দ্র গড়ে তুলেছিলেন তাতে সে যুগেই প্রায় ৭ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়েছিল। সেই বিরাট গ্রন্থাগারের লাইব্রেরিয়ান ছিলেন- পৃথিবী ১ম বীজ গণিতের জন্মদাতা মুহাম্মদ ইবনে মুসা আল খারেজমি। তিনি ভারতকে নিয়ে একটি বই লিখেছিলেন- যার নাম কিতাবুল হিন্দ। অংক বিভাগে শূন্যের মূল্য অমূল্য এবং অপরিসীম। এই শূন্য [০] আবিষ্কার তার বলে দাবি করা হয়। ‘হিসাব আল জাবর ওয়াল মোকাবেলা’ বইটি তার বিরাট অবদানের কথা মনে করিয়ে দিবে।

আল মুকাদ্দাসি একজন পর্যটক ছিলেন। তিনি আদাদউল্লাহ সিরাজ শহরের এমন একটি লাইব্রেরী ভবন তৈরি করেছিলেন, তখনকার পৃথিবীতে আর কোথাও ২য়টির নজির ছিলনা।

‘The Bible, the Quran and Science’ গ্রন্থে ডঃ মরিস বুকাইলী উল্লেখ করেন, ‘অষ্টম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীতে ইসলাম জ্ঞান-বিজ্ঞানকে অনেক ঊর্ধ্বে তুলে ধরে। যখন খ্রিষ্টীয় জগতে বৈজ্ঞানিক উন্নয়নের ওপর নিষেধাজ্ঞা চলছিল তখন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে বহুসংখ্যক গবেষণা ও আবিষ্কার সাধিত হয়। কর্ডোভার রাজকীয় পাঠাগারে ৪ লাখ বই ছিল। ইবনে রুশদ তখন সেখানে গ্রীক, ভারতীয় ও পারস্য দেশীয় বিজ্ঞানে পাঠদান করতেন। যার কারণে সারা ইউরোপ থেকে পণ্ডিতরা কর্ডোভায় পড়তে যেতেন, যেমন আজকের দুনিয়ায় মানুষ তাদের শিক্ষার পরিপূর্ণতার জন্য আমেরিকা যায়।

‘ইসলাম ও আরবি সভ্যতার ইতিহাস’ বইতে ওস্তাভলি বোঁ লিখেছেন, ‘ইউরোপে যখন বই ও পাঠাগারের কোন অস্তিত্ব ছিল না, অনেক মুসলিম দেশে তখন প্রচুর বই ও পাঠাগার ছিল। সত্যিকার অর্থে বাগদাদের ‘বায়তুল হিকমাহ'য় ৪০ লক্ষ, কায়রোর সুলতানের পাঠাগারে ১০ লক্ষ, সিরিয়ার ত্রিপোলী পাঠাগারে ৩০ লক্ষ বই ছিল। অপরদিকে মুসলমানদের সময়ে কেবল স্পেনেই প্রতিবছর ৭০ থেকে ৮০ হাজার বই প্রকাশিত হতো। কিন্তু বর্তমানে মুসলিম দেশগুলোতে বইয়ের কদর নেই, বই প্রকাশের বিষয়ে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা অপ্রতুল। ইউরোপের একটি ক্ষুদ্র দেশ গ্রিসে বছরে ৫০০টির মতো বই অনুবাদ করে থাকে।

সে সময়ে মুসলিমদের তৈরি আর যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় ছিলো সেগুলো হচ্ছে- গ্রানাডা, টলেডো, মার্সিয়া, আলমেরিয়া, সেভিল, ভ্যালন্সিয়া কাদজে বিশ্ববিদ্যালয়। এইগুলোই হচ্ছে আজকের ইউরোপ আমেরিকার জগত বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদাতা। ঐ সব বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্পেন, ফ্রান্স, ইটালি এমনকি জার্মানির জ্ঞান বিজ্ঞান সাধকদেরকে চুম্বকের মত টেনে নিয়ে যেত।

মুসলমানদের অতীত ইতিহাস বই পড়ার ইতিহাস। জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চার ইতিহাস। অতীত ইতিহাস থেকে প্রেরণা নিয়ে জ্ঞান-বিজ্ঞানে পুনরায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের জন্য আজ সারাবিশ্বের মুসলমানদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। কারণ আল কুরআনে বার বার জ্ঞান চর্চার বিষয়ে তাগিদ দেয়া হয়েছে। তাই মুসলমানদের জন্য জরুরি ধর্মীয় জ্ঞানের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিসহ ব্যবহারিক জীবনের যাবতীয় জ্ঞান অর্জন করা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের বই পড়ার প্রতি উৎসাহিত হওয়া জ্ঞান-বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদান।

অসম্পূর্ণ——–

বিঃদ্রঃ গোলাম আহমদ মোর্তজার চেপে রাখা ইতিহাস এবং মোশারফ হোসেন পাটোয়ারীর জ্ঞান বিজ্ঞানে মুসলিমদের অবদান থেকে সংকলিত।

৯৩ comments

Skip to comment form

  1. 33
    babor

    vai kichu boi er link dile upokar hoy

     

  2. 32
    jahir

    muslim scientist gulir jonmoshal ar desh er nam ullek korle valo hoy.

  3. 31
    বিনয়ী সামছু

    উপরিউক্ত বিজ্ঞানীদের বেশীরভাগই যে নাস্তিক/সংশয়বাদী/বাস্তববাদী ছিলেন, কোরানমানা শরীয়াপন্থী মুসলিম ছিলেন না তা উল্লেখ করলে ভাল হত। আরবী ফারসী নাম হলেই মুসলমান হয়না- তা নিশ্চয় স্বীকার করবেন। আর আমি কোথায় উপরের বিজ্ঞানীদের নাস্তিক পেয়েছি তা জিজ্ঞাসা করবেন না। নেটে প্রচুর তথ্য আছে, তাদের জীবনী জানুন উত্তর পাবেন। হাউজ অফ উইজডম লাইব্রেরিটি আসলে সংশয়বাদীদের আড্ডাখানা ছিল, সেকথা স্বীকার করতে পারবেন কি? এই মুতাজিলাদেরকে পরে আস্তিক মুসলিমরা আজকের আইসিসদের মত কচুকাটা করা হয়েছিল তা জানেন তো? নাকি তাও অস্বীকার করবেন? মনে আঘাত লাগলে দু:খিত।

  4. 30
    আব্দুল আওয়াল সুমন

    পানি জলীয়বাষ্প হয়ে উপরে উঠে মেঘে পরিণত হয়, মেঘ বৃষ্টি হয়ে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসে। এই প্রক্রিয়া ক্রমাগত চলতে থাকে? এখানে স্রষ্টার ভূমিকা কি? এই প্রশ্নের উত্তরে কোন এক আলেম বলেছিলেন, নৌকাতে পাল তোলা হলে সেই নৌকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলতে থাকে কিন্তু তারপরও তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মাঝি লাগে। আমার প্রশ্ন, এই প্রক্রিয়া কে সৃষ্টি করল? বিজ্ঞানীরা তা তৈরী করেননি, তাঁরা শুধু তা খুঁজে বের করেছেন।

    পিতা-মাতা ছাড়া সন্তান হয়না, সব মানুষেরই পিতা-মাতা আছে। তাহলে পৃথিবীর প্রথম পিতা-মাতা কোথা থেকে আসলেন? নিজে নিজে একটা মানুষ হয়ে গেল, তার মধ্যে আত্মা চলে আসল, কল্পনা করতেও কষ্ট হয়। বীজ ছাড়া আমগাছ হয়না, তাহলে পৃথিবীর প্রথম আমগাছ কিভাবে হল। এমনি এমনি যদি হয়ে যায় তাহলে এখন কেন হচ্ছে না? পৃথিবীতে এমন কিছু আছে কি যা নিজে নিজে হয়েছে, কেউ তৈরী করেনি? তার কোন প্রমাণ নেই। তাহলে মহাবিশ্ব এবং তার সবকিছু এমনি এমনি হয়নি এটাইতো প্রমাণিত হয়। নাস্তিকদের ধারনামতে যদি সবকিছু নিজে নিজে হয়ে থাকে তাহলে স্রষ্টা নিজে নিজে কেন হতে পারেনা? যুগে যুগে অসংখ্য নবী-রাসূল নিজেকে ঘোষনা করেছন। তাদের মিথ্যা বলার কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে? জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিশাল সমাবেশ, পৃথিবীর ইতিহাস, অনেক ভবিষ্যৎবানীর

    1. 30.1
      আব্দুল আওয়াল সুমন

      @Abdul awal sumon:
      জ্ঞান-বিজ্ঞানের বিশাল সমাবেশ, পৃথিবীর ইতিহাস, অনেক ভবিষ্যৎবানীর সফল বাস্তবায়ন, উন্নত ভাষাশৈলী, ব্যক্তিজীবন থেকে রাষ্ট্র পরিচালনা পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে সুন্দর দিক নির্দেশনা সম্বলিত কোরান মুহাম্মদ (সা) এর মত একজন নিরক্ষর মানুষের দ্বারা রচিত হওয়া কি আদৌ সম্ভব?

  5. 29
    Abdul Aowal

    যে সকল ভাইয়েরা ইসলামের নীতি গুলি বুঝে উঠতে পারেন নাই তার জন্য ইসলামের দোষ কোথায়? দোষ তো নিজের মস্তিষ্কহীন দেহের। কোর’আন এর সর্ব প্রথম নাযিলকৃত আয়াতের একটা বাক্য “ইকরা”,অর্থাৎ “পড়”।আমদেরকে পড়ার মাধ্যমে জ্ঞানলাভ করতে হবে।কোর’আন যে সময় নাযেল হয় সেই সময় কিতাবেরই যুগ ছিলো।যেমন মুসা (আ) এর যুগে যাদু, তাই তাকে একটা লাঠি দিয়েছিলেন আল্লাহ্‌ পাক।এগুলো এক একটা মোজেযা।নবি হওয়ার নিদর্শন বা চিহ্ন।

    সামান্য জ্ঞানে আমরা অরুচিকর কথা বলছি যার কোনো মানেই হইনা।
    কোরানে বলা আছে”আমি বর্ষন করি”,এবার বিজ্ঞানীরা বললো যে ‘বাষ্পীয় জল আকাশে জমা হয়ে মেঘের সৃষ্টি হয়,আর সেই মেঘ ক্রমশ ভারি হয়ে মাটিতে জলকণা হয়ে পরে’।
    তাহলে কি কোরানে ভুল কথা লেখা আছে!(নাউযবিল্লাহ)
    সাধারণ জ্ঞানে কি বলে?

    ধরুন একটা নদী আপন বেগে বাহিত হচ্ছে,আর আমি তার উপর বাঁধ দিয়ে জলটা জমাচ্ছি আবার ছেড়ে দিচ্ছি তার মানে কি আমি নদী টা কে চালাই?
    কিংবা আমার স্ত্রীর সাথে মিলনের ফলে উৎপন্ন সন্তান কি আমার সৃষ্টি?

    মতবিরোধ না করে উন্নতমানের জ্ঞান দ্বারা বুঝুন।

  6. 28
    তৌসিক হাসান নিশান

    আসলে আমাদের ইসলাম কে অনেক ভাবে বিকৃত করা হয়েছে। যার যার পকেট ভাড়ি করা জন্যে রচনা করা হয়েছে জাল হাদিস। যার মধ্যে প্রচলিত " জ্ঞান অর্জনের জন্য চীন দেশে হলেও যাও " এবং " দেশ প্রেম ঈমানের অঙ্গ"  এই হাদিস টির ব্যাখ্যা নাসিরুদ্দিন আলবানী (রহঃ) তিনি বিখ্যাত মুহাদ্দিস বলেছেন

    যয়িফ ও জাল হাদিস সিরিজ এবং উম্মতের মাঝে তার কুপ্রভাব

    মুল : আল্লামা নাসির উদ্দীন আলবানী : হাদীস নং-৩৬

     

    (" حب الوطن من الإيمان " )

    দেশকে ভালবাসা ঈমানের অঙ্গ।

    হাদীসটি জাল।

    যেমনিভাবে সাগানী(পৃঃ৭) ও অন্যরা বলেছেন।

           এটির অর্থও  সহীহ নয়। কারন এ ভালবাসা নিজকে এবং সম্পদকে ভালবাসার মতই প্রত্যেক ব্যক্তির মধ্যেই মূলগত ভাবে বিদ্যমান। শারীয়াতের দৃষ্টিকোণ থেকে এ ভালবাসার প্রশংসা করা যায় না। এটি ঈমানের জন্য অপরিহার্য ও নয়। আপনারা কী দেখছেন না যে, এ ভালবাসায় মুমিন এবং কাফিরের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই।

     

    এইভাবে অনেক জাল হাদিস আছে। এই চীন দেশের একটি মাত্র জাল হাদিসের জন্যে তারা চীনে একটা মাদ্রাসা পর্যন্ত বানিয়েছে। অতএব আমাদের লিখা লিখির পাশে হাদিস নিয়ে ও চর্চা করতে হবে। না হলে ছোট একটি জাল হাদিসের জন্যে সময় গুলো নষ্ট।

  7. 27
    khota

    বিজ্ঞান কোন কিছুর অলৌকিক ব্যাখা দেয় না কোনদিন দেবেও না । তাই বিজ্ঞান করল না করল তাতে মুসলিম বা খৃষ্টন কথাটা টেনে কি লাভ তা সবাই  বোঝে ।

  8. 26
    মোঃ মোস্তফা কামাল

    মুনিম ভাই, বিলম্বে মন্তব্যের জন্য দুঃখিত। মূল্যবান বিষয়ে পরিশ্রম, ধৈহ্য ধরে সুন্দর তথ্য সম্বলিত লেখা দেওয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। 

    আমি এখানে যোগ করব যে আলোক ও ক্যামেরা তৈরির পিছনে মুসলিম বিজ্ঞানী আল-হাজেনের অবদান। আগে গ্রীক বিজ্ঞানীরা বলতেন "কোন বস্তুকে দেখার জন্য চোখ আলো পাঠায়"। কিন্তু মুসলিম বিজ্ঞানীরা এটার বিরোধীতা করেন। মুসলিম বিজ্ঞানীরা বলেন চোখ নয় বস্তু থেকেই রশ্মি আসে তা চোখে দৃশ্যমান হয় যেখানে আলো আছে। আর আল হাজেন বলেন "আমরা চোখে যা দেখি সেটা মস্তিস্ক ধারণ করে রাখতে পারে"। এই তত্ত্বের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে ছবি তোলার ক্যামেরা আবিস্কৃত হয়। 

    http://en.wikipedia.org/wiki/Ibn_al-Haytham

    1. 26.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      সংযোজন এবং মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

  9. 25
    মাহফুজ

    একপেশে অন্ধ অন্তর আলোর দেখা পায় না-

  10. 24
    অজয় রাউত

    “এই পোস্টে এ পর্যন্ত চার জন বর্ণবাদী ঝাঁপিয়ে পড়েছে, যাদের মধ্যে প্রথম জন (ভারতীয়)”
    “যদিনা হাই পাওয়ারের বর্ণবাদী চশমা বা শত্রুর শত্রু বন্ধু এই দর্শনে বিশ্বাসী না হোন তাহলে সত্য জানতে পারবেন।”
    এই বর্ণবাদী মানে কি ? যারা বর্ণবাদে বিশ্বাসী। আপনাদের হিন্দু ধর্ম সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গিটা মারাত্মক একপেশে হয়ে যাচ্ছে। আমাদের কোনও ঐশী কিতাব নেই যে যেটার উপর ভিত্তি করে কোনও হিন্দুর গুনাগুন নির্ধারণ করা যায়। অমুকটা মানলে তুমি হিন্দু না মানলে নও এরকম কোনও ব্যাপার নেই। আমি ব্রাহ্মণ সন্তান, ঘটা করে উপনয়ন হয়েছিল, সেক্সের সময় অসুবিধা হয় বলে পৈতা খুলে রাখি, শুদ্র থেকে মুসলমান সবার ঘরেই খাই, গরু শুকর দুটো নিষিদ্ধ বস্তুই খেয়ে দেখেছি, ব্রাহ্মণত্ব একফোঁটাও কমেনি। এখন বিজেপি বা সঙ্ঘ পরিবার যদি কোনও জায়গা দেখিয়ে বলে এখানে নয় লক্ষ বছর আগে ভগবান রাম জন্মগ্রহণ করেছিলেন কিন্তু চারশ বছর আগে মুসলমান বাবর এটা ভেঙ্গে মসজিদ বানিয়েছে কাজেই এটা ভেঙ্গে ফেলতে হবে, ২০ শতাংশ হিন্দু এই কথায় বিশ্বাস করে মসজিদটা ভেঙ্গে দিল কিন্তু বাকি ৮০ শতাংশকে বেশীদিন বোকা বানানো যায়নি, বিজেপিকেই ১০ বছরের জন্য বিদায় করে দিয়েছে, তাই বিজেপি এখন রামমন্দির ছেড়ে উন্নয়নের ঢাক পেটাতে বাধ্য হয়েছে।
    বিজেপি যেটা করতে চায় কিন্তু পারবে না সেটাকে বলা যায় ইসলামাইজেশন অফ হিন্দুইজম। ১৫০০ বছরের প্রাচীন কিতাবে যা লেখা আছে তাই ধ্রুব সত্য, পরিস্থিতি বিচারে এটার কোনও নতুন ব্যাখা করাও ভুল, হিন্দুদের উপর এমন কোনও জবরদস্তি করা যাবে না।
    স্বাধীন ভারতে কেমন আছে মুসলিমরা
    অত্যন্ত খারাপ অবস্থায় আছে কোনও সন্দেহ নেই, কিন্তু এই আলোচনা, সাচার কমিটির মহা গুরুত্বপূর্ণ কাজ এই গুলি সম্ভব হয়েছে একমাত্র হিন্দু প্রধান রাষ্ট্র বলে। বাংলাদেশে কি এজাতীয় কোনও সমীক্ষা হয়েছে? পাকিস্তানের এবং বাকী মুসলিম বিশ্বের কথা শোনা যাক এক পাকিস্তানি সাংবাদিকের বয়ানে।
    আহমেদ রশিদ গত ১১/০৯/১৩ তারিখে আনন্দবাজার পত্রিকায় এক উত্তর-সম্পাদকীয় লিখেছেন, লিংক
    দিয়েও পুরোটাই তুলে দিচ্ছি।

    ইসলামি দুনিয়া যেখানে এসে দাঁড়িয়েছে
    নিউ ইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে জঙ্গি হানার বারো বছর পূর্ণ হল আজ। এই ইতিহাসের প্রেক্ষিতে আরব দুনিয়ায় এবং বৃহত্তর ইসলামি বিশ্বে গোষ্ঠীবাদের স্বরূপ বুঝে নেওয়া জরুরি।
    আহমেদ রশিদ

    “যে রাজনৈতিক ডামাডোল মিশরে চলছে, তার বহু মারাত্মক ফলাফল সম্ভব। একে একে সেগুলো টের পাওয়া যাবে। কিন্তু তার মধ্যে একটি বিষয় নিয়ে গোটা দুনিয়ার মুসলমানরা উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছেন। আরব অঞ্চলে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ যে দেশটি ইসলামি দুনিয়ার বৌদ্ধিক রাজধানী, শিক্ষা ও পরমতসহিষ্ণুতার প্রাণকেন্দ্র হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল, সেই মিশরে গোষ্ঠীবাদ ক্রমেই প্রবল হয়ে উঠবে এবং অসহিষ্ণুতার সংস্কৃতি ছড়িয়ে পড়বে। এর প্রভাব মিশরে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বৃহত্তর মুসলমান বিশ্বকে প্রভাবিত করবে। ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার’-এ জঙ্গি হানার বারো বছর পূর্ণ হল আজ। আরব দুনিয়ায় ক্রমবর্ধমান গোষ্ঠীবাদ যে আল কায়দার নীতি ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত, তা আজ সংশয়াতীত ভাবে বলা চলে। আবার, আল কায়দার বিরুদ্ধে পশ্চিমি দুনিয়া যে ভাবে সামরিক অভিযান চালিয়েছে, তার সঙ্গেও এই বিচ্ছিন্নতাকামী গোষ্ঠীবাদের সম্পর্ক অনস্বীকার্য।
    কায়রোর রাস্তায় মুসলিম ব্রাদারহুড আর সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘাত অব্যাহত। এরই মধ্যে মিশরের স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের দিকে সংখ্যাগরিষ্ঠরা আঙুল তুলেছেন অভিযোগ, তাঁরা সামরিক বাহিনীর পক্ষে, তাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হাত মেলাতে উত্‌সুক। আরও সহজ অভিযোগ তাঁরা আলাদা। মিশরের সাড়ে আট কোটি মানুষের দশ শতাংশ এই ‘কপ্টিক ক্রিশ্চান’ ধর্মগোষ্ঠীভুক্ত। গত দু’বছরে বহু চার্চ এবং অন্যান্য প্রতীক আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে, তাঁরা সাক্ষী থেকেছেন।

    সিরিয়াতেও একই ঘটনা ঘটছে। সে দেশের দু’কোটি ত্রিশ লক্ষ মানুষের আট শতাংশ খ্রিস্টান। সরকারি সামরিক বাহিনী আর বিদ্রোহী গোষ্ঠী, উভয় পক্ষই তাঁদের যথেচ্ছ হত্যা করছে। ইরাকে অ-মুসলিম সংখ্যালঘুমাত্রেই খুন হতে হবে, এই কথাটি আল কায়দা প্রায় জীবনের সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে উদ্যত। শুধু অ-মুসলিমই বা কেন? সুন্নি ইসলামের আল কায়দা-কৃত অসহিষ্ণু ব্যাখ্যা যে শিয়া মুসলমানরা মাথা পেতে মানতে নারাজ, তাঁদেরও নিকেশ করে দেওয়াই আল কায়দার নীতি। শুধু জুলাই মাসেই ইরাকে প্রায় হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। তাঁদের অধকাংশই শিয়া।

    পশ্চিম এশিয়া থেকে পাকিস্তানের দিকে নজর ফেরানো যাক। সেখানেও গোষ্ঠীবাদ যে জায়গায় পৌঁছেছে, তা অদৃষ্টপূর্ব। সুন্নি চরমপন্থীরা নির্বিচারে খ্রিস্টান, শিয়া হত্যায় মেতেছে। এমনকী, ইসমাইলিরাও তাদের হাত থেকে রেহাই পাচ্ছেন না। শিয়া মুসলমানদের মধ্যে এই বিশেষ গোষ্ঠীটি শান্তিপ্রিয়তার জন্য খ্যাত। পাকিস্তানে যত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়েছে, তার পিছনে ইসমাইলি গোষ্ঠীর অবদান অনস্বীকার্য। পাকিস্তানের সাত লক্ষ সৈনিক-সমৃদ্ধ সেনাবাহিনী বা অতি দুর্বল সরকার, কোনও পক্ষেরই এই সন্ত্রাসে লাগাম পরানোর সামর্থ নেই। সম্ভবত ইচ্ছাও নেই। ফলে, উগ্রপন্থীদের তৈরি করা সন্ত্রাসের রাজত্বে সে দেশের কাঠামো কার্যত ভেঙে পড়ছে।
    কোনও একটি রাষ্ট্রের একশো শতাংশ মানুষই একটি গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত, ইসলামের ইতিহাসে কখনও এমন হয়নি। এমনকী, কোনও কট্টর সুন্নি-শাসিত রাষ্ট্রেও সব মানুষ একই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। ইহুদিরা নবী মহম্মদের সহনাগরিক ছিলেন। শুধু ইহুদিই নয়, বহু পৌত্তলিক ধর্মাবলম্বীও মহম্মদের সঙ্গে একই অঞ্চলে বাস করেছেন। ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে মুসলমানদের আচরণ কী হওয়া উচিত, কোরানে বার বার তার স্পষ্ট নির্দেশ রয়েছে বলা হয়েছে, তাদের রক্ষা করাই মুসলমানদের কর্তব্য।
    ইসলামের প্রথম পর্যায়ে দুনিয়ার বহু সংখ্যালঘু গোষ্ঠী যারা নিজেরা কোনও না কোনও ধরনের দমন নীতির মধ্যে বাঁচতে বাধ্য ছিল এই ধর্মকে নিজেদের দুনিয়ায় স্বাগত জানিয়েছিল। ইসলামের চারিত্রিক উদারতার কারণেই এই দরজা খুলেছিল। আবার, পঞ্চদশ শতকে যখন ক্যাথলিক স্পেন থেকে ইহুদিরা বিতাড়িত হয়েছিলেন, তখন মুসলিম দুনিয়াই তাঁদের আশ্রয় দিয়েছিল। অতীতের মুসলমান সম্রাটরা তাঁদের রাজত্বে ইসলামের বিভিন্ন গোষ্ঠীকে, অন্যান্য ধর্মকেও যথেষ্ট জায়গা দিয়েছিলেন। যে শাসকরা এই কাজটি করতে ব্যর্থ হয়েছিলেন, যাঁরা কোনও একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর শাসনকেই গোটা সাম্রাজ্যের ওপর চাপাতে চেয়েছিলেন, তাঁরাই শাসক হিসেবে ব্যর্থ হয়েছেন। ইতিহাসের এই শিক্ষা আজকের দুনিয়ার মুসলমানরা সম্পূর্ণ বিস্মৃত হয়েছেন বলেই সংশয় হয়। আজ বিশ্ব জুড়ে মুসলমান সমাজকে ক্ষতবিক্ষত করছে যে সংকীর্ণ গোষ্ঠীবাদ, তা ইতিহাসে এই প্রথম।

    এর দায় সবাইকেই নিতে হবে। এক দিকে যেমন রয়েছে শিয়া চরমপন্থা। ইরানের বিপ্লবে তার জন্ম। বহু ইসলামি সমাজের ওপর, বিশেষত শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর, এই চরমপন্থা জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অন্য দিকে আছে সুন্নি চরমপন্থা। এর জন্ম আল কায়দার উত্থানের আগেই। উপসাগরীয় অঞ্চলে তেলের পয়সায় নব্য ধনী শাসকরা যে ভাবে ওয়াহাবিবাদের জন্য অর্থ জুগিয়েছেন, অথবা অন্যান্য চরমপন্থী চিন্তায় বাতাস করেছেন, সুন্নি চরমপন্থার জন্ম সেখানে।

    ১৯৭০-এর দশক থেকে সৌদি আরব এবং অন্যান্য উপসাগরীয় সুলতানিয়তগুলি ওয়াহাবিবাদের প্রসারের জন্য যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে, সেই টাকা যদি প্রতিটি মুসলমান শিশুকে সাক্ষর করার কাজে খরচ করা হত, তা হলে ইসলামি দুনিয়া আজ অশিক্ষা আর অজ্ঞতায় পূর্ণ হত না হয়তো নোবেল প্রাপকদের মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা বাড়ত অনেকটাই। সৌদি আরবে খ্রিস্টান বা অন্য কোনও ধর্মাবলম্বী মানুষের নিজস্ব উপাসনার অধিকারটুকুও নেই হজরত মহম্মদ যা বলেছিলেন, এই সমাজ তার ঠিক উল্টো পথে হেঁটেছে।
    এমন দাবি করছি না যে, ইসলামি দুনিয়ার প্রথম যুগ থেকেই সংখ্যাগরিষ্ঠ সুন্নি এবং সংখ্যালঘু শিয়াদের মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছিল না। কিন্তু যত দিন পর্যন্ত সেই দ্বন্দ্বে রাজনীতির বাতাস লাগেনি, গোষ্ঠীবাদের আগুন এমন লেলিহান হয়ে ওঠেনি। বিভেদের আগুনকে এমন মারাত্মক করে তোলার কৃতিত্ব রাজনৈতিক শক্তিগুলির, যাঁদের মূল লক্ষ্য রাষ্ট্র এবং ধর্মীয় নীতির সর্বেসর্বা হয়ে ওঠা। ধর্মের মধ্যে রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ঢুকে পড়ার ফল কী হতে পারে, খ্রিস্টান দুনিয়ার দিকে তাকালেই তার মোক্ষম উদাহরণ দেখা যাবে। বহু শতাব্দী ধরে প্রোটেস্টান্ট ও ক্যাথলিকদের মধ্যে যে লড়াই চলেছিল, তার কেন্দ্রে ছিল একটিই প্রশ্ন: কোন গোষ্ঠীর নীতি অনুযায়ী রাষ্ট্রের শাসন চলবে? এই লড়াইয়ে ইউরোপ তুমুল রক্তাক্ত হয়েছে। শেষ পর্যন্ত আমেরিকা দখল করে সেখানে সাম্রাজ্য স্থাপনের পর লড়াই শেষ হয়েছে।
    কিন্তু, আজকের মুসলিম বিশ্বের শাসকরা যে সুপরিকল্পিত উন্মত্ততার সঙ্গে গোষ্ঠীবাদকে প্রশ্রয় দিয়ে চলেছেন, তাকে বোঝা দায়।। পাকিস্তানের কথাই ধরা যাক। ১৯৪৭ সালে জন্মলগ্নে তার নাগরিকদের ২৩ শতাংশ ছিলেন বিভিন্ন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত। আজ তা মাত্র তিন শতাংশে এসে ঠেকেছে। পাকিস্তানের ‘মধ্যরাত্রির সন্তান’দের প্রজন্মের এক জন হিসেবে দেখেছি, কী ভাবে সে দেশে সংখ্যালঘুর সংখ্যা কমে গেল। অসহিষ্ণু শাসকগোষ্ঠী ও চরমপন্থী সুন্নি ধর্মাবলম্বীরা প্রথমে অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের মেরে তাড়াল। হিন্দু এবং শিখরাও দ্রুত পাকিস্তান ছাড়লেন। তার পর খ্রিস্টানরা ভিটেমাটি ছাড়তে বাধ্য হলেন। তার পর আরম্ভ হল এক অন্য নিষ্ক্রমণ: ইসমাইল, আহমেদি, শিয়া, বোরা, মেমন ইসলামেরই বিভিন্ন গোষ্ঠীভুক্ত মানুষ ভিন্‌ দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য ব্যাকুল হলেন। যে ক্ষুদ্র গোষ্ঠীবাদের শিকার হয়ে তাঁরা পাকিস্তান ছাড়লেন, তার পিছনে শুধু চরমপন্থীরাই ছিল না, ছিলেন রাজনীতিকরা, সেনা-কর্তারা, আমলারাও। আজকের পাকিস্তানে কোনও ক্ষমতাবানই সংখ্যালঘুদের স্বার্থরক্ষা করতে নারাজ।

    সংখ্যালঘুদের প্রশ্নে মিশরও দ্রুত অসহিষ্ণু হয়ে উঠবে। চরমপন্থীরা হঠাত্‌ ক্ষমতার শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছেন বলে নয় যাঁরা ক্ষমতায় রয়েছেন, তাঁরা অসহিষ্ণু হওয়াকেই সহজতর পথ হিসেবে বিবেচনা করবেন বলে। প্রতিশোধ নেওয়ার, হিসেব মেটানোর, জয় করার রাজনৈতিক পথ হল এই অসহিষ্ণুতা। এর সঙ্গে ধর্মের কোনও সম্পর্ক নেই। ইসলাম যে শিক্ষা দেয়, এই অসহিষ্ণুতার রাজনীতি তার একেবারে উলটো পথে হাঁটছে।
    যদি কখনও দুনিয়ার সব মুসলমানকে একটিমাত্র গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হয়ে সেই গোষ্ঠী-শাসিত রাষ্ট্রে থাকতে বাধ্য করা হয়, তা হলে সাচ্চা মুসলমান বলে আর কিছু এই দুনিয়ায় থাকবে না। কারণ, ইসলাম এক গোষ্ঠীর এই জবরদস্তি শাসনের অনুমতি দেয় না। কিন্তু চরমপন্থীরা যখন একের পর এক গোষ্ঠীকে শেষ করে দিচ্ছে, তখন ধর্মের প্রকৃত বাণী আর কে মনে রাখে?”

    ভারত যদি হিন্দুরাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নিত তাহলে বোধহয় আমাদেরও এজাতীয় অবস্থাই হত।

  11. 23
    অমিত

    ধন্যবাদ আপনার একটা কষ্টসাধ্য ভাল লেখার জন্য। আসলে এমন এক সময়ে এসে দাড়িয়েছি আমাদের (আমার) মত অযোগ্য মুসলিমরা, মুখপোড়া হনুমানদের ভেংচিতেও দুর্বল সময়ে বিব্রত হয়ে পড়ি।

    হাতি গর্তে পড়লে চামচিকাও লাথি মেরে কথা বলে হাতির যোগ্যতা নিয়ে। ইসলামের এখন (গত ১৫০ বছর ধরে প্রবল) খারাপ সময় যাচ্ছে। যুদ্ধ করছি আমরা আমরাই। জ্ঞান বিজ্ঞানে সত্যিই আমরা অনেক পিছনে পড়েছি। যেদিন থেকে স্পেন পতন হয় সেদিন থেকে ইউরোপ বিজ্ঞানের দেখা পেয়ে উন্নতি করে আর আমরা ক্রমশ পিছনে সরে এসেছি। সেই সুযোগে খোলসের আড়ালে থেকে চামচিকারা পা বাড়িয়েছে মুসলিমদের দিকে।

    1. 23.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      সদালাপ এবং আমারব্লগে আপনাকে স্বাগতম। পড়া এবং কমেন্টের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

  12. 22
    এস. এম. রায়হান

    যৌক্তিক, মানবিক, ও বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে যাদের ধর্ম প্রতি পদে পদে অসার হয়ে পড়েছে তারাই বিজ্ঞানের মধ্যে মাথা গুঁজে কিংবা বিজ্ঞানকে ধর্ম বানিয়ে মুসলিমদের গায়ে মল-মূত্র ছিটিয়ে সাময়িক প্রশান্তি লাভের চেষ্টা করছে। কিন্তু মুসলিমদেরকে তাদের ফাঁদে পা দিলে চলবে না। মানব জাতির শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কোনো জাতিই জ্ঞান-বিজ্ঞান, প্রযুক্তি বা অন্য যে কোনো বিষয়ে এককভাবে কৃতিত্ব ধরে রাখতে পারেনি। তাছাড়া কেউ চাইলেই রাতারাতি জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে উন্নতি করতে পারে না। এর জন্য সময় ও উপযুক্ত পরিবেশ-সহ আরো কিছু ফ্যাক্টর এক সাথে কাজ করতে হবে।

    একটা সময় মুসলিমরা জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে এগিয়ে ছিল। বর্তমান সময়ে পিছিয়ে পড়েছে। আজ থেকে পাঁচশত বছর পর তারা যে জ্ঞান-বিজ্ঞান-প্রযুক্তিতে আবার শীর্ষে থাকবে না, এই নিশ্চয়তা কেউই দিতে পারবে না। কিন্তু তখন আমরা কেউ থাকব না। অতএব, লেজকাটা শিয়ালদের ফাঁদে পা না দিয়ে আমাদের চেষ্টা আমাদেরকে করে যেতে হবে।

    1. 22.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ।

      1. 22.1.1
        মাহফুজ

        @Raihan Rahman:

        শুধু সমালোচনা করলেই সত্য জানা যায় না। সত্যকে জানতে হলে ধৈর্য সহকারে সাধনার প্রয়োজন-
        এখানে দেখুন-12) Scientific analysis of the Hadith- ‘Where the sun goes?’/হাদিছে বর্ণীত সূর্যের গতিপথের বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ-

        1. 22.1.1.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          মাহফুজ সাহেব লিংক গুলো এড করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

        2. 22.1.1.2
          Raihan Rahman

          @ Mahfuz :
          মারহাবা! "খাপেখাপ, মজনুর বাপ"-- এক্কেবারে লেদ মেশিনের ডাইসে ফেলে হাদীসটির মহাবিজ্ঞান মিলিয়ে দিলেন আর কি?  

          তো, এই নিন- আপনার জন্য আরো একখান বিজ্ঞানময় হাদীস দাখিল করা হইল :
          সহি বুখারী, বই-৫৪, হাদিস-৪৮২
          আবু হোরায়রা হইতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযুর বলিয়াছেন, দোজখ তাহার প্রভুর কাছে অভিযোগ করে এবং বলে, হে মাবুদ! আমার এক অংশ অপর অংশকে খাইয়া ফেলিয়াছে। তখন আল্লাহতালা তাহাকে দুইটি নি:শ্বাস ছাড়িবার অনুমতি দেন। একটি নি:শ্বাস ছাড়িবার অনুমতি দেন শীতকালে ও অপরটি গ্রীষ্মকালে। সুতরাং তোমরা যে শীতের তীব্রতা ও গ্রীষ্মের প্রচন্ডতা অনুভব কর তাহা ঐ নি:শ্বাসের ফল।

        3. আহমেদ শরীফ

          এটা বৈজ্ঞানিকভাবে অভ্রান্তরুপে 'ভুল' প্রমাণ করতে হলে আপনাকে জাহান্নামের অনস্তিত্ব প্রমাণ করতে হবে, যা এই জীবনে কখনো সম্ভব নয়। কোটি কোটি মুসলিম কিন্তু এই জাহান্নামে এত দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে এটা থেকে বাঁচার জন্য অনেক কষ্ট স্বীকার করে ইবাদতও করে, অনেক হারাম কার্য থেকে ইচ্ছা থাকা সত্বেও বিরত হয়।

           

          আপনি আমাকে বলেন যে হাজার বিজ্ঞান কপচানোর পরেও দেড় হাজার বছর আগের নিরক্ষর সেই আরব ভদ্রলোকটির প্রভাব দূর করা যাচ্ছে না কেন ? কেন আপনার মত 'বিজ্ঞানমুখী' লোকদের এখনো তাঁকে ভ্রান্ত প্রমাণ করার জন্য এত কাঠখড় পুড়িয়ে হেদিয়ে মরতে হচ্ছে ?

        4. মাহফুজ

          আমার অনুপস্থিতিতে ভাই আহমেদ শরীফ উত্তর দেয়ার ঐকান্তিক চেষ্টা করেছেন। এজন্য আমার পক্ষ থেকে তাকে অনেক অনেক শুভেচছা ও ধন্যবাদ জানাই।

           

          @Raihan Rahman:

          আপনার উল্লেখিত এই হাদিছটি একটি উপমা মাত্র। তাই এর বক্তব্যকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই। এই উপমাকে কারো পছন্দ না হলে এটি গ্রহণ বা বর্জন করা বা না করার স্বাধীনতা তার রয়েছে। কিন্তু এর পূর্বের হাদিছের বক্তব্যটি যেহেতু কোরআনের আয়াতের সাথে সম্পর্কযুক্ত ছিল, তাই ইমানের তাগিদেই তা বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। হাদিছ সম্পর্কে আমার মতামত জানতে এখানে দেখুন-
          20) Are you a follower of evil-minded Ahle-Quran/আপনি কি 'আহলে-কুরআন' নামক ভ্রান্ত দলের অনুসারী?

          যদিও জানি, আপনাকে সন্তুষ্ট করার সাধ্য আমার নেই। কারণ অন্ধ অন্তর কখনই আলোর দেখা পায়না। তারপরও এবার উত্তরটা একটু বড় আকারে এবং ভিন্ন আঙ্গিকে  দিতে চাই-

           

          অবিশ্বাসীদের কাছে বেহেস্ত কিংবা দোজখ রূপকথার মতই। কাজেই এসবের উপমা নিয়ে হাস্যরস করা তাদেরই সাজে। পরকাল আছে কি নেই সেই সম্পর্কে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগলে দোজখের শীতল কিংবা তপ্ত বাতাসের মর্ম অনুভব করা শুধু বিজ্ঞান দিয়ে বোঝা সম্ভব নয়। কারণ এগুলো এখনও বিজ্ঞানের ধরা ছোঁয়ার বাহিরে। তবে অন্তত এটুকু তো বোঝা উচিত যে, অতি শীতল কিংবা অতি উত্তপ্ত বায়ু প্রবাহিত হলে এই পার্থিব জীবনেও তা যন্ত্রণা ও অকল্যাণই বয়ে আনে। তাই শীতের তীব্রতা ও গ্রীষ্মের প্রচন্ডতা বেহেস্ত নয় বরং দোজখেরই এক একটি রূপ মাত্র।

           

          বর্তমান সময়ে বিশ্বের প্রধান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী হিসেবে খ্যাত স্টিফেন হকিং ২১ বছর বয়স থেকে দূরারোগ্য মটর নিউরোন রোগে ভুগছেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানের সামর্থ্য ও ভাষ্য অনুসারে তার খুব জোর দুই থেকে তিন বছরের বেশি বেঁচে থাকার কথা ছিলনা। কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হলো! মস্তিষ্ক ছাড়া প্রায় সর্বাঙ্গ বিকলাঙ্গ অবস্থায় তিনি এখনও বেঁচে আছেন। বিজ্ঞানের সকল আশঙ্কা ও ভবিষ্যত্বাণীকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে তিনি ৭১ তম বছর বয়সে পদার্পণ করেছেন। শুধু তাই নয়, হুইল চেয়ারে বসে কম্পিউটারের সহায়তায় একের পর এক মহাকাশ বিজ্ঞানের চমকপ্রদ তথ্য উদঘাটন করে চলেছেন। কিন্তু হায়! তারপরও তিনি পার্থিব খ্যাতির মোহে ঠুনকো বিজ্ঞানের উপর ভর কোরে স্রষ্টাকে অস্বীকার করার মত একতরফা বক্তব্য দিয়ে অন্ধ ভক্তদের বিভ্রান্ত করতেও কুণ্ঠাবোধ করেন না।

           

          তিনি পরকালকে নাকি রূপকথা হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। (However, this is way beyond our present capabilities. I think the conventional afterlife is a fairy tale for people afraid of the dark.)

          http://www.theguardian.com/science/2013/sep/21/stephen-hawking-brain-outside-body

          যেহেতু তার বিশ্বাস শুধুমাত্র বিজ্ঞান নির্ভর। তাই বর্তমান বিজ্ঞানের অগ্রগতির আলোকে তার এই আখ্যান তার কাছে এবং অন্য অনেকের কাছে যথার্থ ও গ্রহণযোগ্য মনে হলেও, বিজ্ঞান জগতের এমনও অনেক মানুষ আছেন যাদের কাছে তার এইরূপ কথন শুধু হাস্যকরই নয়, বরং তাকে ওভারকনফিডেন্সে আক্রান্ত বলে মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক। নিজের বাঁচা-মরা সম্পর্কে বিজ্ঞানের ব্যর্থতাকে তিনি উপলব্ধি করতে পারেন নাই বলেই হয়ত পরকাল সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সেই বিজ্ঞানকেই তিনি পরম মানদণ্ড হিসেবে ধরে নিয়ে চরম সিদ্ধান্ত দেয়ার দুঃসাহস দেখানোর মত বোকামি করেছেন।

           

          বিজ্ঞানের সহায়তায় চর্মচক্ষে যে অন্তত পরকালকে পুরোপুরি দেখা সম্ভব নয়, স্টিফেন হকিং এর অপারগতাই সেই সাক্ষ্য বহন করছে। তবে তাত্ত্বিকভাবে কম্পিউটারে মস্তিষ্কের প্রতিলিপি তৈরি করে মৃত্যুর পরেও যে জীবনকে ধরে রাখা সম্ভব, (I think the brain is like a program in the mind, which is like a computer, so it's theoretically possible to copy the brain on to a computer and so provide a form of life after death.) এই কথাটা স্বীকার করে তিনি তো মনের অজান্তেই পরকালের একটি বিশেষ অংশকে বিশ্বাস করার কথাই ব্যক্ত করেছেন। সম্ভবত  হুইল চেয়ার ও কম্পিউটার নির্ভর মস্তিষ্ক সর্বস্ব দীর্ঘ জীবনই হয়ত অবচেতনভাবে তার অন্তরে এরূপ অশরীরী ভাবনাকে জাগিয়ে তুলেছে। ইমান হীন ও পার্থিব বিজ্ঞান নির্ভর একপেশে চিন্তা ও একরোখা মনোভাব থেকেই হয়ত শরীর ও মস্তিষ্কের সমন্বয়ে গঠিত পরকালীন পূর্ণাঙ্গ জীবনকে তার কাছে রূপকথা বলে মনে হচ্ছে।

           

          কিন্তু আমরা যারা মহান স্রষ্টার প্রতি ও পরকালীন জীবনে বিশ্বাস করি, তারা মৃত্যুর পর এবং শেষ বিচারের ক্ষণে মস্তিষ্কের প্রতিলিপি তৈরির সাথে সাথে দেহের প্রতিটি অঙ্গ-প্রতঙ্গের প্রতিলিপি গঠন করাও সম্ভব বলে বিশ্বাস রাখি এবং আমরা এটাও বিশ্বাস করি যে, একমাত্র সর্বজ্ঞ মহান আল্লাহতায়ালাই সেই মহাবিজ্ঞানময় ক্ষমতার অধিকারী।

  13. 21
    এস. এম. রায়হান

    এই পোস্টে এ পর্যন্ত চার জন বর্ণবাদী ঝাঁপিয়ে পড়েছে, যাদের মধ্যে প্রথম জন (ভারতীয়) ছাড়া বাকি তিন জন (বাংলাদেশী) লেঞ্জা লুকিয়ে মুসলিম নাম নিয়েছে, যাদের মধ্যে একজন আবার পুং থেকে নারীতে রূপান্তরিত হয়েছে! এমন প্রতিক্রিয়াশীল, পরশ্রীকাতর, হীনমন্য প্রজাতি সভ্য সমাজে মুখ দেখায় কী করে!

  14. 20
    সাদিয়া

    বিঙ্গানের অগ্রযাত্রায় অবশ্যই মুসলিম বিঙ্গানীদের অবদান রয়েছে। ঐসব মুসলিম বিঙ্গানীগন নিজ নিজ বিষয়ে যথাযথ শিক্ষা নিয়ে বিঙ্গান/সভ্যতার উন্নতিতে অবদান রেখেছেন। এখান প্রশ্ন হল, আমরা ক্রেডিট দিব কাকে ? 
    ১.ঐ বিঙ্গানীদের
    নাকি,
    ২. ঐসব বিঙ্গানী যে ৰ্ধমাৰ্দশ অনুসরন করত সেই ৰ্ধমাৰ্দশের ৰ্ধমগ্রন্থটিকে

    বিজ্ঞান/বিজ্ঞানী প্রসব বেদনা সহ্য করবে আর ৰ্ধমান্ধরা নিজেদের ৰ্ধমকে বাচ্চার মালিক বলে বুক ফুলিয়ে বেড়াবে। এটাকি যৌক্তিক???

    1. 20.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      প্রশ্নের জবাব আমি অন্য ভাবে দিচ্ছি-  আজ যে এই বাংলাদেশের মানুষে যে উন্নতি হয়েছে  সে রকম উন্নতি কি এই পূর্ব বাংলার মানুষ ভারতের সাথে থাকলে হতে পারতো বা ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র না হলে পারতো?  তাহলে এই এই জনপদের মানুষজন উন্নতি করার সুযোগ পেয়েছে তা কি দেশ স্বাধীন করা জন্য নয়? তাহলে এর কৃতিত্ব কি দেশ স্বাধীনতাকে দেয়া যাবেনা?

      ঠিক সে ভাবে মরুচারী নিত্যান্ত দীনহীন এবং যুগ যুগ ধরে নিজেদের মধ্যে  বংশ পরম্পরা গোত্র কলহে ছিন্ন ভিন্ন আরব জাতীকে ইসলামী ভ্রাতৃত্ব বোধে একত্র করেছিল, তাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি করেছিল, তাদেরকে ভাবতে শিখিয়েছিল তারা সেরা জাতী, তারা কর্তব্য স্থির করলেছিল যেমন করে অন্তকলহ থেকে তারা মুক্তি লাভ করে তারা শান্তি এনেছিল তাদের সমাজ জীবনে ঠিক তেমন করে পৃথিবীর অন্যান্যদের ভাগ্য বদলে দিতে। তাই তো এমন মনো বলে বলিয়ান হয়েই তারা দীর্ঘ ৭ শত বছর অর্ধেক পৃথিবীকে শাসন করতে পেরেছিল, ইসলামী খেলাফত ১৪শত বছর পর্যন্ত প্রলম্বিত করতে সক্ষম হয়েছিল যা আজ পর্যন্ত অন্য কোন ইজম বাঁ ধর্ম তা করে দেখাতে পারেনি।

      তারা যে পেরেছিল তা কিসের বলে পেরেছিল? সে কোন মন্ত্র মরুচারীদেরকে এমন সাফল্যতা এনে দিয়েছিল? তা অবশ্য দিয়েছিল ইসলাম। আর এই সত্য আপনারা জেনেও মানতে পারছেন না বলেই যত দোষ নন্দের গাড়ে ফেলার কসরত করে চলছেন। ধন্যবাদ।

    2. 20.2
      মাহফুজ

      @সাদিয়া-
      আশাকরি অনুগ্রহকরে এখানে একটু ঘুরে আসবেন-
      b) Al-Qur'an, The Source of Science/বিজ্ঞানের আধার "আল-কোরআন"-

  15. 19
    আবদুল্লাহ সাঈদ খান

    দ্বিরুক্তী হলেও মন্তব্যটি এখানে আরেকবার পেস্ট করলাম:

    মুসলমানরা তৎকালীন পৃথিবীর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা 'বৈজ্ঞানিক জ্ঞান'কে একত্রিত করেছে এবং মুসলমানরাই 'আধুনিক বিজ্ঞান'-এর সূচনা করেছে। আধুনিক বিজ্ঞান কি? আধুনিক বিজ্ঞান হলো পরীক্ষানিরীক্ষা লব্ধ জ্ঞান, যাকে বলে 'Empirical Science' । হ্যা, মুসলমানদের আগে পৃথিবীব্যাপী চর্চিত জ্ঞান ছিল 'থিওরিটিক্যাল'; মুসলিমরাই প্রথম এক্সপেরিমেন্টাল নলেজকে থিওরিটক্যাল নলেজ-এর উপর প্রাধান্য দিয়ে 'আধুনিক বিজ্ঞানের' সূচনা করেছে। বস্তুত, ইউরোপে 'এক্সপেরিমেন্টাল সাইন্স' বা 'সাইন্টিফিক ম্যাথোডোলিজি'-র ধারনা প্রথম Introduce করেন: Robert Grosseteste দ্বাদশ শতাব্দীতে এবং এক্ষেত্রে তিনি সাহায্য নিয়েছিলেন Arabic এবং Greek text গুলোর। উইকিপিডিয়াতে এভাবে বলছে,

    During the European Renaissance of the 12th century, ideas on scientific methodology, including Aristotle's empiricism and the experimental approaches of Alhazen and Avicenna, were introduced to medieval Europe via Latin translations of Arabic and Greek texts and commentaries.(http://en.wikipedia.org/wiki/History_of_scientific_method#Emergence_of_inductive_experimental_method)

    ত্রয়োদশ শতাব্দীতে, রজার বেকন, তার বই 'Opus Majus' এ সর্বপ্রথম 'Scientiae experimentalis' শব্দটি ব্যবহার করেন এবং এটি তিনি অনুবাদ করেছেন আরবী 'al-ulum at-tajribiyah' শব্দ দ্বয় থেকে যার অর্থ Experimental Science. (Muin-ud-Din Ahmad Khan, Origin and Development of Experimental Science, page: 15)

    1. 19.1
      Raihan Rahman

      @ আবদুল্লাহ সাঈদ খান ………………….

      "অভাগার না পাওয়া রোদন"-   Experimental Empirical Science  এর "অ" যদি মুসলিমরা বুঝত!! তাহলে ইন্টিবায়োটিকস, স্টিম ইঞ্জিন, টেলিফোন, এরোপ্লেন, রেডিও……………… থেকে শুরু করে সবকিছু মুসলিমদেরই আবিস্কার করার কথা। হটাৎ করেই মুসলিমদের Empirical(!) ভান্ডারে কি এমন উতরানি উঠল যে সকল আকিস্কার থেকে মুসলিমরা ওয়াইপ-আউট হয়ে গেল?? 

      1. 19.1.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        "অভাগার না পাওয়া রোদন"-   Experimental Empirical Science  এর "অ" যদি মুসলিমরা বুঝত!! তাহলে ইন্টিবায়োটিকস, স্টিম ইঞ্জিন, টেলিফোন, এরোপ্লেন, রেডিও……………… থেকে শুরু করে সবকিছু মুসলিমদেরই আবিস্কার করার কথা। হটাৎ করেই মুসলিমদের Empirical(!) ভান্ডারে কি এমন উতরানি উঠল যে সকল আকিস্কার থেকে মুসলিমরা ওয়াইপ-আউট হয়ে গেল?? 

        আপনার এই কারণ জানতে হলে শামস ভাইয়ের ১৮ নং কমেন্ট দেখুন।  যে কোন ধরণে সাহিত্য সাধনা জ্ঞান বিজ্ঞানের চর্চার জন্য রাষ্ট্র শক্তির সহযোগিতা একান্ত দরকার, যারা এই সব করেন তাদের পেট পিঠ বাচাতে রাষ্ট্রীয় অনুকুল্যতার প্রয়োজন পড়ে। ইউরোপিয়দের আগ্রাসনের ফলে মুসলিম রাজশক্তি যখন তাদের পদানত হয়ে পড়ে তখন মুসলিমদেরকে কে ছিলো আর্থিক অনুকুল্য দেবার। কাছে বিত্তবান মুসলিমরা দরিদ্রতর জীবনে নেমে আসে, যার কারণে জীবন আর জীবিকার টানা টানির যুদ্ধে তারা জড়িয়ে পড়ার কারণে জ্ঞান বিজ্ঞান তো দুরের কোথা সাধারণ বিদ্যা শিক্ষা করা সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছিল। কাজেই ক্ষুধার যন্ত্রণায় জ্বলে পুড়ে যাওয়া মানুষরা জ্ঞান বিজ্ঞান সাধণায় জড়িত থাকবে আর ইন্টিবায়োটিকস, স্টিম ইঞ্জিন, টেলিফোন, এরোপ্লেন, রেডিও আবিষ্কার করবে এমন ভাবনা আপনার আসছে কোথা থেকে?

        1. 19.1.1.1
          Raihan Rahman

          @ মুনিম সিদ্দিকি,

          বারে মজা!   মধ্যযুগের কোরান কিতাব কি এই যুগে এসে সব পাল্টে গেল নাকি? যে কারনে মুসলিমরা জ্ঞান বিজ্ঞানে ভিমরি খেয়ে আছে! মুসলমানদের জন্য এখন তো আরে লারেলাপ্পা। মধ্যপ্রাচ্যে এত বিশাল তেল সম্পদ এবং সে সুবাদে বড়বড় সৌদি আলেম, আলআজহার মক্তব, অফুরন্ত সৌদি অর্থে লালিত মরিশ বুকুলি/কিথ মোর/ জাকির নায়েকের মত কৃতিকর্মা(!) ব্যাক্তিরা সবই তো আছে। কিন্তু তারপরও মুসলিমরা জিজ্ঞান প্রসব করে না কেন?  

          নাকি মুসলিমদের বিজ্ঞান প্রসব করার জন্য এযুগেও স্পেনের মত এমেরিকা দখল করতে হবে!!

        2. 19.1.1.2
          Raihan Rahman

          @ মুনিম ভাই,

          কথায় বলে- "নাঁচতে না জানলে উঠান বাঁকা"

          কিন্তু আজকের চীনের কাছে কিছুদিন আগেও অর্থ, প্রতিপত্যি কিছুই ছিল না। কিন্তু তারপরও চীন জ্ঞান-বিজ্ঞান-আবিস্কারে কোথায় চলে গেছে ভেবে দেখেছেন কি?

          নাকি আজীবন শুধু মধ্যযুগের এক ইবনে সিনা কবিরাজের কম্বল গায়ে দিয়ে পৃথিবীর সবাইকে আল কোরানের বিজ্ঞান কচাবেন?

        3. মুনিম সিদ্দিকী

          প্রতিটি সভ্যতার উত্থান পতনের পিছনে কোন না কোন কারণ থাকে। সেই ভাবে চীনাদের উত্থান আর মুসলিমদের পতন তার পিছেও যৌক্তিক কারণ তো থাকবে। ইসলামি দর্শন যেমন ভোগবাদী কোন দর্শন নয় তেমন করে সন্যাসীবাদী দর্শন নয়।  ইসলামি দর্শন ইহকাল এবং পরকাল দুই কালের কল্যাণ হয় সেই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু চীনাদের ভোগবাদী দর্শন তা করতে চায়না।

          যা বলেছিলাম- চীনাদের উত্থানের পিছনে ছিল মাও সেতুং এর মত নেতার দুরদর্শী কর্মপরিকল্পনা। তিনি শতধা বিভক্ত গোত্র জাতিকে একত্র করে এক রাষ্ট্র করে গেছেন । কাজেই জনগণের একতা বাম রাজনীতির কল্যাণে চীনাদের স্বভাব আমেরিকানদের মত সর্বগ্রাসী হয়ে উঠেনি, এবং মাও সেতুং পরবর্তি নেতারা যুগের আওয়াজকে মূল্যায়ন করতে পেরেছিলেন বলেই তারা আজ এই পর্যায়ে আসতে পেরেছে।

          যে কোন জাতির মুল শক্তি ঐক্য এবং সংহতি। যাদের এই ঐক্য এবং সংহতি থাকবে তাড়া উঠে আসবে জীবনের সর্বক্ষেত্রে। মুসলিমরা মার খেয়ে খেয়ে বুঝতে শিখছে তাদেরকে ঐক্যের ছায়াতলে আসতে হবে। ধন্যবাদ।

  16. 18
    শামস

    মুনিম ভাই,

    ভালো লেখা, এ ধরণের লেখা হোক অনুপ্রেরণার, অতীতে নিয়ে যাওয়া বর্তমান ও ভবিষ্যৎকে জয় করবার জন্য।

    একটা বিষয় খুব অবাক হলেও সত্য এবং এটা উহ্য থেকে যায়, সেটা হল মুসলিম বিজ্ঞানী, ইতিহাসবিদ, ইত্যাদি এদেরকে আলোচনায় আনলে এর পৃষ্ঠপোষকদের আনতে হবে। এতোসব মুসলিম জ্ঞানী লোকদের আগমণ ঘটেছিল মুসলিম রেনেসাঁর সময়ে, মুসলিম শাসনামলে যখন তারা পৃথিবী শাসন করেছে, শক্তিধর হিসেবে অন্যরা তাদের সমীহ করেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রসহ পাশ্চাত্য যা, একসময় বাগদাদ, গ্রানাডা কর্ডোভাও ছিল তা। মধ্যযুগের এগারোটি জ্ঞানবিজ্ঞানে খুব উন্নত শহরের মধ্যে বেশীরভাগই ছিল মুসলিম শাসনাধীনে। এগুলো সম্ভব হয়েছিল সে সময়ের মুসলিম শাসকদের জন্য। মুসলিমদের পাশাপাশি ইহুদীরাও স্পেনে অনেক নাম করেছিল, এরা মুসলিম সাম্রাজ্যকেই পারতপক্ষে শক্তিশালী করেছিল। মুসলিম স্কলাররা যখন গ্রীকসভ্যতার অমূল্য বইগুলোকে অনুবাদ করছিল সে সময়ে সেই অনুবাদের কাজটি ছিল খুবই জনপ্রিয় একটি কাজ কারণ এতে প্রচুর অর্থ মিলত। মুসলিম শাসকদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উৎসাহ ছিল এসবে। শুধু জ্ঞানার্জনের জন্য এসব ক'জন করবে যদি একমাত্র ভ্যালু জ্ঞানার্জন হয়। আজ যেমন ইউরোপ আমেরিকা একই রকম পৃষ্ঠপোষকতা করছে। নয়তো সভ্যতা এগোয় না, এতো জ্ঞানীর সৃষ্টি করতে পারে না। মুসলিম স্কলাররা সেগুলোকে অনুবাদ করেছে, সেগুলোকে সমৃদ্ধ করে আরো অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে গেছে।

    আমাদের এখন মুসলিম শাসক আছে, তাদের কাছে শাসক হওয়াটাই সব, এজন্য অধিক শক্তিশালীদের পদলেহন করতেও আপত্তি নেই। হতে পারে আপামর মুসলিমদের প্রতিচ্ছবি এই শাসকরা! মুসলিম হিসেবে আমাদের সচেতনতা আসাটা মূখ্য, নয়তো হয়তো জ্ঞান বিজ্ঞান আসবে, কিন্তু প্রথম প্রায়রিটি ইসলাম হবে না।

     

    1. 18.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      শামস ভাই আপনি ঠিক বলেছেন- যথার্থ বলেছেন আপনার এই কমেন্টের মধ্যেই রায়হান রহমান(!) এর

       

      "অভাগার না পাওয়া রোদন"-   Experimental Empirical Science  এর "অ" যদি মুসলিমরা বুঝত!! তাহলে ইন্টিবায়োটিকস, স্টিম ইঞ্জিন, টেলিফোন, এরোপ্লেন, রেডিও……………… থেকে শুরু করে সবকিছু মুসলিমদেরই আবিস্কার করার কথা। হটাৎ করেই মুসলিমদের Empirical(!) ভান্ডারে কি এমন উতরানি উঠল যে সকল আকিস্কার থেকে মুসলিমরা ওয়াইপ-আউট হয়ে গেল?? 

      পাওয়া যায়।

      পড়ার জন্য আলোচনায় শরিক হবার জন্য ধন্যবাদ।

  17. 17
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    ভারতের পন্ডিতবর্গের জন্যে এইটা একটা কঠিন কাজ যে এদের মুসলিম মনীষীদের অবদানকে লুকিয়ে রাখতে হয় -- কারন আজও এরা বিশ্বাস করে মুসলিমরা হলো ভারতে অনুপ্রবেকারী -- কথাতো সত্যই। কারন ব্রাহ্ম্যবাদের কঠিন বর্ণবাদী শোষনের থেকে মুক্তি দেওয়ার যে কাজটি ইসলামের বানীবাহকরা করেছেন -- তাতে উচ্চশ্রেনীর শিক্ষিত সম্প্রদায় তথা ব্রাহ্মনদের জন্যে বিরাট একটা ক্ষতির কারন হয়েছে। কিন্তু ভারতের সবচেয়ে গর্বের স্থাপনা তাজমহল কিন্তু তাদের জন্যে শাখের করাত বটে। অন্যদিকে ভারতের সংগীত জগতের যে রমরমা অবস্থা তার পিছনে মিয়া তানসেন এবং আমীর খসরুর অবদান স্বীকার না করাটাও কতটা হীনমন্যতা তা বুঝার মতো জ্ঞানও অনেকের নেই। 

     

    যাই হোক -- ইউরোপের রেনেসার পিছনে স্পেনের মুসলিম শাসনের কত বড় অবদান তা অনেকের জানা নেই -- যখন চার্চগুলো জ্ঞান-বিজ্ঞানের চর্চাকে কঠিন করে দিয়েছিলো -- মুক্তবুদ্ধির চর্চাকে অপরাধ বিবেচনা করেছিলো -- তখন স্পেনের মুসলিম শাসন ইউরোপের রেনেসার সূচনা করেছিলো। সেই বিষয়টিই অনেকের কাছে অবাক বিষ্ময় বটে। এবং আজকের মুসলিম সমাজের অবস্থা দেখে অনেকের কাছে বিশ্বাস না করাই স্বাভাবিক মনে হতে পারে। 

     

    তবে অতীত তো অতীতই। আলোচনাটা হওয়া উচিত বর্তমান আর ভবিষ্যত নিয়ে। আপনি কতগুলো দূর্বল হাদিস দিয়ে জ্ঞানচর্চাকে গুরুত্বপূর্ণ বলা চেষ্টা করেছেন। অন্যদিকে ভারতীয় উপমহাদেশের ইসলামিক পন্ডিত বর্গ আজও জ্ঞান চর্চাকে সংকীর্ন করে রেখেছেন -- সমাজের অর্ধেক জনসংখ্যা নারীদের শিক্ষার বিষয়ে উনারা স্টোনওয়াল তৈরী করে রেখেছেন। সব মিলিয়ে কর্মবিমুখ মাদ্রাসাগুলো দরিদ্র সৃষ্টির কারখানা হয়ে উঠেছে -- সেখানে বিজ্ঞান চর্চার কোন নূন্যতম সুযোগ নেই। সব মিলিয়ে বর্তমান অবস্থায় ইসলামী পন্ডিত বর্গ একটা সংকীর্ন পথ দিয়ে হাটাচ্ছেন মুসলিমদের -- সেখানে ভবিষ্যতে বিশ্বের জ্ঞান বিজ্ঞানচর্চায় মুসলিমদের অবদান রাখার তেমন বড় আশা দেখতে পাচ্ছি কি?

     

    আসুন আমাদের আলোচনাগুলোতে আমাদের নিজেদের সমস্যা আর তার সমাধানের দিকে বেশী গুরুত্ব দেই।  

    1. 17.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      ধন্যবাদ জিয়াভাই আলোচনায় আপনার মূল্যবান মন্তব্য উপস্থাপন করেছেন। যারা সাথে আমি ৯৯ ভাগ একমত।

      তবে এই ব্লগে- আপনার --

       

      আপনি কতগুলো দূর্বল হাদিস দিয়ে জ্ঞানচর্চাকে গুরুত্বপূর্ণ বলা চেষ্টা করেছেন।

      অভিযোগ না করলেই চলতো না?  দুর্বল সবলের অভিযোগ তখন আসবে যদি সেই উল্লেখিত কথা বা বিষয় স্পস্ট ভাবে আল কোরান সুন্নাহর দর্শনের চেতনা বিপক্ষে চলে যায়। আমার উল্লেখিত বিষয় কিন্তু সেই চেতনার বিরুদ্ধে মোটেই দাড়ানি এবং সে চেতনাকে খর্বও করেনি।

      চীন দেশে যাও কথিত হাদিসটির সনদ পাওয়া না গেলে যে সেটি রাসুল সাঃ হাদিস নয় সে দাবি প্রত্যয়ের সাথে কোন হাদিসবিদ করতে পারবেন কি? আপনি কি দাবি করতে পারবেন রাসুল সাঃ সাহাবীদের দ্বারা রাসুল সাঃ সকল সুন্নাহ এবং বলা কথা ১০০ ভাগ রেকর্ড করা হয়েছিল? না তা সম্ভব হয়েছিল?

      বড় জোর দাবি করতে পারেন এই বক্তব্যের রাবী পাওয়া যাচ্ছেনা, সনদ হাদিস সংকলন গুলোতে পাওয়া যাচ্ছেনা। যেহেতু সনদ পাওয়া যাচ্ছেনা তাই স্বসম্মানে তা উল্লেখ করতে উহ্য রাখছি।

      জিয়াভাই একটি জিনিষ মনে রাখবেন- আমরা বাংগালীরা মাছ, ডাল ভাত খাই তাই শেখ মুজিবুর রহমানের মত নেতা ঐ গুলো প্রত্যহ খান তাই এই গুলো কেউ লিখে রাখার চেষ্টা করবেনা, কিন্তু মুজিব যদি মদ পান করতেন বা অন্য কিছু কখন খেতেন যা বাংগালীরা খায়না তখন তা ব্যতিক্রমি হিসাবে তা রেকর্ড করতে অনেকে এগিয়ে আসতো।

      কাজেই রাসুল সাঃ এমন কিছু কাজ বা কথা বলেছেন যা তখনকার সময়ে ব্যাপক ভাবে প্রচলিত ছিল তাই তো অনেকেই সেই সব কথা রেকর্ড করার চেষ্টা করেন যাননি। রেকর্ড করা যায়নি বলেই যে তা রাসুল সাঃ এর কথা হবেনা এমন দাবি করা কি ঠিক?

      ধন্যবাদ।

  18. 16
    মহিউদ্দিন

    মুনিম ভাই,
    ইসলাম ও মুসলিমদের উপর বর্তমান বৈরী প্রচারণায় যে সব মুসলিম ভাই ও বোনেরা  হীনমন্যতার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে আছেন তাদের জন্য আপনার এ নিবন্ধটি নি:সন্দেহে একটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে আশাকরি।  ভাল উদ্যোগ। এরকম শুভ প্রচেষ্টায় সবাইকে এগিয়ে আসা দরকার।
    নিচের ভিডিওটা দেখতে পারেন। খুবই ইন্টারেস্টিং! আশা করি ভাল লাগবে।
    Click This Link

    1. 16.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      হাতে সময় কম! খুব সংক্ষেপে পার হয়ে গেলেন! এই ভাবে চলবেনা, কিছু সংযোগ করতে হবে। প্লিজ!! ধন্যবাদ।

  19. 15
    মুখতার

    মুনিম সাহেব…তারমানে বুঝা গেল বিজ্ঞানে মুসলিমদের" অবদান আছে, "ইসলামের" নয়।

    1. 15.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      প্রশ্নের জবাব আমি অন্য ভাবে দিচ্ছি-  আজ যে এই বাংলাদেশের মানুষে যে উন্নতি হয়েছে  সে রকম উন্নতি কি এই পূর্ব বাংলার মানুষ ভারতের সাথে থাকলে হতে পারতো বা ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে আলাদা স্বাধীন রাষ্ট্র না হলে পারতো?  তাহলে এই এই জনপদের মানুষজন উন্নতি করার সুযোগ পেয়েছে তা কি দেশ স্বাধীন করা জন্য নয়? তাহলে এর কৃতিত্ব কি দেশ স্বাধীনতাকে দেয়া যাবেনা?

      1. 15.1.1
        Raihan Rahman

        @ মুনিম সিদ্দিকি,

        বারে মজা!   মধ্যযুগের কোরান কিতাব কি এই যুগে এসে সব পাল্টে গেল নাকি? যে কারনে মুসলিমরা জ্ঞান বিজ্ঞানে ভিমরি খেয়ে আছে! মুসলমানদের জন্য এখন তো আরে লারেপাপ্পা। মধ্যপ্রচ্যে বিশাল তেল সম্পদ এবং সে সুবাদে মরিশ বুকুলি, ডঃ কিথ মোর, জাকির নায়েকের মত কৃতিকর্মা(!) ব্যাক্তিরা কোরান বিজ্ঞানের এমন কোন ধারা নেই যা যার তুলুধুনা করেন্নি। কিন্তু তারপরও মুসলিমরা জিজ্ঞান প্রসব করে না কেন?

        1. 15.1.1.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          আজকের মুসলিম বিশ্ব বা ৩য় বিশ্বের দেশে দেশের সম্পদের মালিক কি ঐ সব দেশের জনগন না সাম্রাজ্য বাদ ও নব্য উপনিবেশবাদ এবং সম্প্রসারণবাদী রাষ্ট্র গুলো? বেশী দূরে যাবার দরকার নেই আমাদের বাংলাদেশ কি তার প্রকৃতিক সম্পদ তার ইচ্ছামত কাজে লাগাতে পারছে?

          আর মিডিল ইষ্টের করাপ্ট শাসক তো সব দিয়ে থুয়ে তাদের গদী রক্ষায় ব্যতিব্যস্থ হালের হাল চাল সেই কথা তো জানান দিচ্ছে। তারপরও মুসলিমরা বসে নেই, তারা উঠে আসার চেষ্টায় আছে, অচিরে টেবিল উলটে যাবে বলে আশা রাখছি। ধন্যবাদ।

      2. 15.1.2
        মুখতার

        মুনিম সাহেব….বেড়ে মজা তো !! মুসলিমদের আবিস্কার যদি ইসলামের অবদান হয়, তবে খৃস্টান ইহুদী হিন্দু বিজ্ঞানীদের আবিস্কৃত পৃথিবীর অধিকাংশ মানব হিতৈষী আবিস্কারের জন্য কেন খৃস্টান ইহুদী হিন্দু ধর্মকে কেন ক্রেডিট দেব না ? আর একটি কথা বর্তমান ভারতের কোন অংশ ভারতের অংশীদার হওয়ায় উন্নয়নে পিছিয়ে পড়েছে?

        1. 15.1.2.1
          মুনিম সিদ্দিকী

          মুসলিমদের আবিস্কার যদি ইসলামের অবদান হয়, তবে খৃস্টান ইহুদী হিন্দু বিজ্ঞানীদের আবিস্কৃত পৃথিবীর অধিকাংশ মানব হিতৈষী আবিস্কারের জন্য কেন খৃস্টান ইহুদী হিন্দু ধর্মকে কেন ক্রেডিট দেব না ?

          দিতে হলে তাদের দেশে জ্ঞান বিজ্ঞানের উত্থানের পিছনের ঐতিহাসিক কার্যকরণ যাচাই করে দেখতে হবে, মূখের জোরের তো সত্য প্রতিষ্ঠা করা যায়না।

          আর একটি কথা বর্তমান ভারতের কোন অংশ ভারতের অংশীদার হওয়ায় উন্নয়নে পিছিয়ে পড়েছে?

          তাই সেটি বুঝি আপনার চোখে পড়েনা? তাহলে নিন একজন ভারতীয় মুসলিমের তৈরি ব্লগ পড়ে জেনে নিন। যদিনা হাই পাওয়ারের বর্ণবাদী চশমা বা শত্রুর শত্রু বন্ধু এই দর্শনে বিশ্বাসী না হোন তাহলে সত্য জানতে পারবেন।

           

          স্বাধীন ভারতে কেমন আছে মুসলিমরা

           

          ধন্যবাদ।

  20. 14
    Tayeb

    মুনিম ভাই,

    অসভ্যদের কথার জবাব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। মুসলিম নাম নিয়ে একটা ইবলীস : “Raihan Rahman” । এর কোন মানেই হয়না যেভাবে গায়ে পড়ে ঝগড়া করতে চাইছে। আমরাতো বলছিনা যে কারো অবদান নাই, সব শুধু মুসলমান বিজ্ঞানীরাই করেছে। এখানে আলোচনা করা হয়েছে মুসলমানরা বিজ্ঞানে কে কি অবদান রেখেছে অতীতে। এ নিযে Raihan Rahman  এর মাথা ব্যাথা কেন? এরই সুন্দর পরিবেশকে কুলসিত করছে। এদের ব্যান করা গেলে তা করা প্রয়োজন।

     

    ধন্যবাদ মুনিম ভাই এত সুন্দর একটা তথ্যবহুল লেখার জন্য। আমি অনেকদিন থেকেই ভাবছিলাম একটা কিছু লিখার, আমাদের অতীস ইতিহাস নিয়ে যেখানে আমরা আমাদের স্বর্ণজ্জোল অতীত থেকে হয়ত আবারো মাথা তুলে দাড়াতে উৎসাহী হব্। হীনমন্যতার বেড়াজাল থেকে উম্মাহ্ হয়ত আবার স্বপ্ন দেখবে, কাজ করবে।

    আল্লাহ আপনাকে আরও ভাল কাজ করার তৈাফিক দান করুন।

     

    1. 14.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      পড়া আর কমেন্ট রাখার জন্য ধন্যবাদ। দেখুন আমি নিত্যান্ত মূর্খ একজন জ্ঞান -- বিজ্ঞান নিয়ে তর্ক যুদ্ধ আমার দ্বারা সম্ভব নয়। আমি যা করেছি তা ইতিহাস থেকে কালেকশন করে এখানে আর্কাইভ করে রেখেছি।  এখন বিজ্ঞান নিয়ে যারা গবেষণা করছেন বাঁ বিজ্ঞানের ইতিহাস যাদের জানা আছে তাদেরকে অনুরোধ করছি, আসুন আমাদের মুসলিমদের বিজ্ঞানে কোন অবদান থাকলে তা তোলে ধরুন।

      তবে সবার প্রতি অনুরোধ থাকবে, জ্ঞান অর্জন এবং সত্য জানার আগ্রহ নিয়ে যদি আমরা আলোচনা করে থাকি তাহলে সেখানে আলোচনা এমন ভাবে করা উচিত যাতে করে আপনার আলোচনা অন্যের মনকে আঘাত না করে বসে।

      পৃথিবীকে বদলানো দরকার এবং তা করতে হলে এক জন অন্যজনকে আঘাত হানা হানি বন্ধ করে ভালোবাসাময় বাক্য ব্যবহার করতে হবে।

      ধন্যবাদ।

  21. 13
    Raihan Rahman

    The list below is from the book 100 Scientists Who Shaped World History (Bluewood Books: San Francisco, CA, © 2000), written by John Hudson Tiner.

    The names in this list are listed in chronological order. This book does not purport to list the "most influential" scientists in history, although these are presumably among them. The names listed are not ranked in any way relative to each other. The back cover states:

        100 Scientists Who Shaped World History is a fascinating book about the men and women who made significant impacts upon our understanding of the world around us. This chronologically-organized book provides capsule biographies of important scientists and describes how their contributions have shaped the world in which we live.

    Pythagoras    c. 580 B.C.-C. 500 B.C.    
    Hippocates    c. 460 B.C.-377 B.C.    
    Aristotle    384 B.C.-322 B.C.    Platonism / Greek philosophy
    Euclid    c. 325 B.C.-270 B.C.    Platonism / Greek philosophy
    Archimedes    c. 287-c. 212 B.C.    Greek philosophy
    Eratosthenes    c. 276 B.C.-c. 196 B.C.    
    Galen    c. A.D. 130-c. 216    
    Hakim Ibn-e-Sina    A.D. 980-1037    Islam
    Nicolaus Copernicus    1473-1543    Catholic (priest)
    Andreas Vesalius    1514-1564    Catholic
    Gallileo Galilei    1564-1642    Catholic
    Johannes Kepler    1571-1630    Lutheran
    William Harvey    1578-1657    Anglican (nominal)
    Rene Descartes    1596-1650    Catholic
    Blaise Pascal    1623-1662    Jansenist
    Robert Boyle    1627-1691    Anglican
    Christian Huygens    1632-1695    Calvinist
    Anton van Leeuwenhoek    1632-1723    Dutch Reformed
    Robert Hooke    1635-1703    Anglican
    Isaac Newton    1642-1727    Anglican (rejected Trinitarianism, i.e., Athanasianism;
    believed in the Arianism of the Primitive Church)
    Edmund Halley    1656-1742    
    Daniel Bernoulli    1700-1782    Calvinist
    Benjamin Franklin    1706-1790    Presbyterian; Deist
    Leonard Euler    1707-1783    Calvinist
    Carolus Linnaeus    1707-1778    Christianity
    Henry Cavendish    1731-1810    
    Joseph Priestley    1733-1804    Presbyterian; unitarian
    William Herschel    1738-1822    Jewish
    Antoine Laurent Lavoisier    1743-1794    Catholic
    Alessandro Volta    1746-1827    Catholic
    Edward Jenner    1749-1823    Anglican
    John Dalton    1766-1844    Quaker
    Georges Cuvier    1769-1832    Lutheran
    Alexander von Humboldt    1769-1859    
    Karl Friedrich Gauss    1777-1855    Lutheran
    Joseph Louis Gay-Lussac    1778-1850    
    Humphry Davy    1778-1829    
    Jons Jakob Berzelius    1779-1848    
    Michael Faraday    1791-1867    Sandemanian
    Charles Babbage    1792-1871    Anglican
    Joseph Henry    1797-1878    Presbyterian
    Matthew Fontaine Maury    1806-1873    
    Louis Agassiz    1807-1873    Lutheran
    Charles Darwin    1809-1882    Anglican (nominal); Unitarian
    Augusta Ada Byron    1815-1852    
    James Prescott Joule    1818-1868    
    Jean Bernard Leon Foucault    1819-1868    
    Gregor Mendel    1822-1884    Catholic (Augustinian monk)
    Louis Pasteur    1822-1895    Catholic
    William Thomson, Lord Kelvin    1824-1907    Anglican
    Joseph Lister    1827-1912    Quaker
    Friedrich August Kekule    1829-1896    
    James Clerk Maxwell    1831-1879    Presbyterian; Anglican; Baptist
    Dmitri Ivanovich Mendeleyev    1834-1907    
    William Henry Perkin    1838-1907    
    Wilhelm Konrad Roentgen    1845-1923    
    Thomas Alva Edison    1847-1931    Congregationalist; agnostic
    Luther Burbank    1849-1923    Unitarian
    Ivan Petrovich Pavlov    1849-1936    
    John Ambrose Fleming    1849-1945    
    William Ramsay    1852-1916    
    Antoine-Henri Becquerel    1852-1908    Catholic
    Albert Abraham Michelson    1852-1908    Jewish
    Sigmnd Freud    1856-1939    Jewish; Atheist; Freudian psychoanalysis (Freudianism)
    Joseph John Thomson    1856-1940    
    Nettie Marie Stevens    1861-1912    
    George Washington Carver    1864-1943    Christianity
    Marie Sklodowska Curie    1867-1934    Catholic (lapsed)
    Henrietta Swan Leavitt    1868-1921    Protestant
    Ernst Rutherford    1871-1937    
    Lise Meitner    1878-1968    Jewish-born Protestant
    Albert Einstein    1879-1955    Jewish
    Alexander Fleming    1881-1955    Catholic
    Niels Bohr    1885-1962    Jewish Lutheran
    Selman Abraham Waksman    1888-1973    Jewish
    Edwin Powell Hubble    1889-1953    
    Robert Alexander Watson-Watt    1892-1973    
    Arthur Holly Compton    1892-1962    Presbyterian
    Irene Joliot-Curie    1897-1956    
    Linus Carl Pauling    1901-1994    Lutheran
    Enrico Fermi    1901-1954    Catholic
    Werner Heisenberg    1901-1967    Lutheran
    Margaret Mead    1901-1978    Episcopalian
    Barbara McClintock    1902-1992    
    Grace Brewster Murray Hopper    1906-1992    Jewish
    Marie Goeppert-Mayer    1906-1972    
    John Bardeen    1908-1991    
    William Bradford Shockley    1910-1989    
    Dorothy Crowfood Hodgkin    1910-1994    
    Jaques Yves Cousteau    1910-1997    
    Luis Walter Alvarez    1911-1988    
    Charles Hard Townes    1915-    
    Richard Philipis Feynman    1918-1988    Jewish
    Frederick Sanger    1918-    
    Rosalind Elsie Franklin    1920-1958    Jewish
    Rosalyn Sussman Yalow    1921-    Jewish
    Har Gobind Khorana    1922-    Hindu
    Tsung-Dao Lee    1926-    
    James Dewey Watson    1928-    
    Stephen William Hawking    1942-    atheist

     

    Science:
    100 Scientists Who Changed the World

    The list below is from the book Science: 100 Scientists Who Changed the World (Enchanted Lion Books: New York, 2003), written by John Balchin.

    The names in this list are listed in chronological order. This book does not purport to list the "most influential" scientists in history, although these are presumably among them. The back cover states:

        "If I saw further than others," said Sir Isaac Newton, "it is because I was standing on the shoulders of giants." Science introduces one hundred of these giants and examines their achievements: the men and women who, often in the face of extreme scepticism or worse, have striven and succeeded in pushing back the boundaries of human knowledge.

        Ranging across the spectrum of scientific endeavour, from the cosmology of Copernicus and Galileo, through the medical revolutions of Hippocrates and Galen, it includes the fields of physics, biology, chemistry and genetics.

        This is the story of the ideas that have shaped the world today, and the ideas that will shape the future.

    Anaximander    c. 611-547 B.C.    
    Pythagoras    c. 581-497 B.C.    
    Hippocrates of Cos    c. 460-377 B.C.    
    Democritus of Abdera    c. 460-370 B.C.    
    Plato    c. 427-347 B.C.    Platonism / Greek philosophy
    Aristotle    c. 384-322 B.C.    Platonism / Greek philosophy
    Euclid    c. 330-260 B.C.    Platonism / Greek philosophy
    Archimedes    c. 287-212 B.C.    Greek philosophy
    Hipparchus    c. 170-125 B.C.    
    Zhang Heng    78-139 A.D.    
    Ptolemy    90-168 A.D.    
    Galen of Pergamum    130-201 A.D.    
    Al-Khwarizmi    800-850    Islam
    Johannes Gutenberg    1400-1468    Catholic
    Leonardo da Vinci    1452-1519    Catholic
    Nicolas Copernicus    1473-1543    Catholic (priest)
    Andreas Vesalius    1514-1564    Catholic
    William Gilbert    1540-1603    
    Francis Bacon    1561-1626    Anglican
    Galileo Galileo    1564-1642    Catholic
    Johannes Kepler    1571-1630        Lutheran
    William Harvey    1578-1657    Anglican (nominal)
    Johann van Helmont    1579-1644    
    Rene Descartes    1596-1650    Catholic
    Blaise Pascal    1623-1662    Jansenist
    Robert Boyle    1627-1691    Anglican
    Christiann Huygens    1629-1695    Calvinist
    Anton van Leeuwenhoek    1632-1723    Dutch Reformed
    Robert Hooke    1635-1703    Anglican
    Sir Isaac Newton    1642-1727    Anglican (rejected Trinitarianism, i.e., Athanasianism;
    believed in the Arianism of the Primitive Church)
    Edmund Halley    1656-1742    
    Thomas Newcomen    1663-1729    Baptist
    Daniel Fahrenheit    1686-1736    
    Benjamin Franklin    1706-1790    Presbyterian; Deist
    Joseph Black    1728-1799    
    Henry Cavendish    1731-1810    
    Joseph Priestley    1733-1804    Unitarian
    James Watt    1736-1819    Presbyterian (lapsed)
    Charles de Coulomb    1736-1806    
    Joseph Montgolfier    1740-1810    
    Karl Wilhelm Scheele    1742-1786    
    Antoine Lavoisier    1743-1794    Catholic
    Count Alessandro Volta    1745-1827    Catholic
    Edward Jenner    1749-1823    Anglican
    John Dalton    1766-1844    Quaker
    Andre-Marie Ampere    1755-1836    
    Amedo Avogadro    1776-1856    Catholic
    Joseph Gay-Lussac    1778-1850    
    Charles Babbage    1791-1871    Anglican
    Michael Faraday    1791-1867    Sandemanian
    Charles Darwin    1809-1881    Anglican (nominal); Unitarian
    James Joule    1818-1920    
    Louis Pasteur    1822-1895    Catholic
    Johann Gregor Mendel    1822-1884    Catholic (Augustinian monk)
    Jean-Joseph Lenoir    1822-1900    
    Lord Kelvin    1824-1907    Anglican
    James Clerk Maxwell    1831-1879    Presbyterian; Anglican; Baptist
    Alfred Nobel    1833-1896    
    Wilhelm Gottlieb Daimler    1834-1900    
    Dmitri Mendeleev    1834-1907    
    Wilhelm Conrad Roentgen    1845-1923    
    Thomas Alva Edison    1847-1931    Congregationalist; agnostic
    Alexander Graham Bell    1847-1922    Unitarian/Universalist
    Antoine-Henri Becquerel    1852-1908    Catholic
    Paul Ehrlich    1854-1915    Jewish
    Nikola Tesla    1856-1943    
    Sir John Joseph Thomson    1856-1940    
    Sigmund Freud    1856-1939    Jewish; Atheist; Freudian psychoanalysis (Freudianism)
    Heinrich Rudolf Hertz    1857-1894    Lutheran
    Max Planck    1858-1947    Protestant
    Leo Baekeland    1863-1944    
    Thomas Hunt Morgan    1866-1945    
    Marie Curie    1867-1934    Catholic (lapsed)
    Ernest Rutherford    1871-1937    
    The Wright Brothers    Wilbur: 1867-1912; Orville: 1871-1948    United Brethren
    Guglielmo Marconi    1847-1937    Catholic and Anglican
    Frederick Soddy    1877-1956    
    Albert Einstein    1879-1955    Jewish
    Alexander Fleming    1881-1955    Catholic
    Robert Goddard    1882-1945    
    Neils Bohr    1885-1962    Jewish Lutheran
    Erwin Schrodinger    1887-1961    Catholic
    Henry Moseley    1887-1915    
    Edwin Hubble    1889-1953    
    Sir James Chadwick    1891-1974    
    Frederick Banting    1891-1941    
    Louis de Broglie    1892-1987    
    Enrico Fermi    1901-1954    Catholic
    Werner Heisenberg    1901-1954    Lutheran
    Linus Carl Pauling    1901-1994    Lutheran
    Robert Oppenheimer    1904-1967    Jewish
    Sir Frank Whittle    1907-1996    
    Edward Teller    1908-    Jewish
    William Shockley    1910-1989    
    Alan Turing    1912-1954    Jewish
    Jonas Salk    1914-1995    Jewish
    Rosalind Franklin    1920-1958    Jewish
    James Dewey Watson    1928-    
    Stephen Hawking    1942-    atheist
    Tim Berners-Lee    1955-    Unitarian

    1. 13.1
      পাভেল আহমেদ

      এই জিনিস এখানে দেওয়ার মানে কি বুঝলাম না?! বহু পুরানো জিনিস। ২০০০ সালে যদি এই বই প্রথম বাহির হয় তাহলে এর মধ্যকার তথ্যগুলো বহু পুরানো। মুসলিমদের ১০০০ বছরের ইতিহাস এবং ১০০১ টি উল্লেখযোগ্য আবিষ্কার যা কিনা আমাদের পৃথিবীর বর্তমান টেকনোলোজির ফাউন্ডেসন হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে সে সম্পর্কে ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের রয়্যাল সোসাইটি সর্ব প্রথম বিশ্ববাসীকে জানায়। তাদের দেওয়া তথ্য ২০০০ সালে বের হওয়া একটি বই থেকে অনেক বেশি আপদেটেড এবং একই সাথে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য। তারা স্বীকার করেছিলেন যে আগে যেমন ধারনা করা হতো বর্তমান বিশ্বে মুসলিম প্রাচীন মুসলিম বিজ্ঞানীদের প্রভাব তার থেকে অনেক গুনে বেশি। বর্তমানে প্রাচীন মুসলিম বিজ্ঞানীদের রেখে যাওয়া বিভিন্ন পাণ্ডুলিপি এবং বই পুস্তক নিয়ে গবেষণা করার পরে এসকল তথ্য বের হয়ে এসেছে।

    2. 13.2
      Rasel

      @Raihan Rahman:

      This is a list of Muslim scientists who have contributed significantly to science and civilization:

       

      Astronomers and astrophysicists

      ·                    Ali Qushji (Ali KUŞÇU 1403 -- 1474)

      ·                    Ibrahim al-Fazari (d. 777 CE)

      ·                    Muhammad al-Fazari (died 796 or 806)

      ·                    Al-Khwarizmi, mathematician (c. 780 – c. 850)

      ·                    Ja'far ibn Muhammad Abu Ma'shar al-Balkhi (Albumasar) (787 -- 886 CE)

      ·                    Al-Farghani (mid-9th century)

      ·                    Banū Mūsā (Ben ..Mousa) (9th century)

      ·                    Al-Majriti (d. 1008 or 1007 CE)

      ·                    Muhammad ibn Jābir al-Harrānī al-Battānī (c. 858 – 929) (Albatenius)

      ·                    Al-Farabi (c. 872 – c. 950), (Abunaser)

      ·                    Abd Al-Rahman Al Sufi (903 -- 986)

      ·                    Abu Sa'id Gorgani (9th century)

      ·                    Kushyar ibn Labban (971 -- 1029)

      ·                    Abū Ja'far al-Khāzin (900 -- 971)

      ·                    Al-Mahani (9th century)

      ·                    Al-Marwazi (9th century)

      ·                    Al-Nayrizi (865 -- 922)

      ·                    Al-Saghani (d. 990)

      ·                    Al-Farghani (9th century)

      ·                    Abu Nasr Mansur (970 -- 1036)

      ·                    Abū Sahl al-Qūhī (10th century) (Kuhi)

      ·                    Abu-Mahmud al-Khujandi (940 -- 1000)

      ·                    Abū al-Wafā' al-Būzjānī (940 -- 998)

      ·                    Ibn Yunus (950 -- 1009)

      ·                    Ibn al-Haytham (965 -- 140) (Alhacen)

      ·                    Abū Rayhān al-Bīrūnī (973 -- 1048)

      ·                    Avicenna (980 -- 1037) (Ibn Sīnā)

      ·                    Abū Ishāq Ibrāhīm al-Zarqālī (1029-1087) (Arzachel)

      ·                    Omar Khayyám (1048 -- 1131)

      ·                    Al-Khazini (fl. 1115-1130)

      ·                    Ibn Bajjah (1095 -- 1138) (Avempace)

      ·                    Ibn Tufail (1105 -- 1185) (Abubacer)

      ·                    Nur Ed-Din Al Betrugi (12th century -- 1204) (Alpetragius)

      ·                    Averroes (1126 -- 1198)

      ·                    Al-Jazari (1136 -- 1206)

      ·                    Sharaf al-Dīn al-Tūsī (died 1213/4)

      ·                    Anvari (1126-1189)

      ·                    Mo'ayyeduddin Urdi (died 1266)

      ·                    Nasir al-Din Tusi (1201 -- 1274)

      ·                    Qutb al-Din al-Shirazi (1236 -- 1311)

      ·                    Ibn al-Shatir (1304 -- 1375)

      ·                    Shams al-Dīn al-Samarqandī (1250 -- 1310)

      ·                    Jamshīd al-Kāshī (1380 -- 1429)

      ·                    Ulugh Beg (1394 -- 1449), also a mathematician

      ·                    Taqi al-Din Muhammad ibn Ma'ruf (1526 -- 1585), Ottoman astronomer

      ·                    Ahmad Nahavandi (8th and 9th centuries)

      ·                    Haly Abenragel (10th and 11th century)

      ·                    Abolfadl Harawi (10th century)

      ·                    Alisahac, Ottoman astronomer

      Biologists, neuroscientists, and psychologists

      Further information: Islamic psychological thought

      ·                    Ibn Sirin (654–728), author of work on dreams and dream interpretation[1]

      ·                    Al-Kindi (Alkindus), pioneer of psychotherapy and music therapy[2]

      ·                    Ali ibn Sahl Rabban al-Tabari, pioneer of psychiatryclinical psychiatry and clinical psychology[3]

      ·                    Ahmed ibn Sahl al-Balkhi, pioneer of mental health,[4] medical psychologycognitive psychologycognitive therapy,psychophysiology and psychosomatic medicine[5]

      ·                    Al-Farabi (Alpharabius), pioneer of social psychology and consciousness studies[6]

      ·                    Ali ibn Abbas al-Majusi (Haly Abbas), pioneer of neuroanatomyneurobiology and neurophysiology[6]

      ·                    Abu al-Qasim al-Zahrawi (Abulcasis), pioneer of neurosurgery[7]

      ·                    Ibn al-Haytham (Alhazen), founder of experimental psychologypsychophysicsphenomenology and visual perception[8]

      ·                    Abū Rayhān al-Bīrūnī, pioneer of reaction time[9]

      ·                    Avicenna (Ibn Sīnā), pioneer of neuropsychiatry,[10] thought experimentself-awareness and self-consciousness[11]

      ·                    Ibn Zuhr (Avenzoar), pioneer of neurology and neuropharmacology[7]

      ·                    Averroes, pioneer of Parkinson's disease[7]

      ·                    Ibn Tufail, pioneer of tabula rasa and nature versus nurture[12]

      ·                    Mohammad Samir Hossain, a theorist,[13] author and one of the few Muslim scientists[14] in the field of Death anxiety (psychology) research.[13][15]

      Chemists and alchemists

      Further information: Alchemy (Islam)

      ·                    Khalid ibn Yazid (died 704) (Calid)

      ·                    Jafar al-Sadiq (702 -- 765)

      ·                    Jābir ibn Hayyān (721 -- 815) (Geber), father of chemistry[16][17][18]

      ·                    Abbas Ibn Firnas (810 -- 887) (Armen Firman)

      ·                    Al-Kindi (801-873) (Alkindus)

      ·                    Al-Majriti (fl. 1008 -- 1007)

      ·                    Ibn Miskawayh (932 -- 1030)

      ·                    Abū Rayhān al-Bīrūnī (973 -- 1048)

      ·                    Avicenna (980 -- 1037)

      ·                    Al-Khazini (fl. 1115-1130)

      ·                    Nasir al-Din Tusi (1201 -- 1274)

      ·                    Ibn Khaldun (1332 -- 1406)

      To be continued …

      1. 13.2.1
        Rasel

        ·                    Salimuzzaman Siddiqui (1897 -- 1994)

        ·                    Al-Khwārizmī (780 -- 850), Algebra, (Mathematics)

        ·                    Ahmed H. Zewail (1946 -- ), Nobel Prize in Chemistry, 1999[19]

        ·                    Mostafa El-Sayed (1933 -- )

        ·                    Abdul Qadeer Khan (1936 -- ), Nuclear Scientist -- Uranium Enrichment Technologist -- Centrifuge Method Expert

        ·                    Atta ur Rahman, leading scholar in the field of Natural Product Chemistry

        ·                    Omar M. Yaghi (1965 -- ) Professor at the University of California, Berkeley

        Economists and social scientists

        Further information: Islamic economics in the world

        See also: List of Muslim historians and Historiography of early Islam

        ·                    Abu Hanifa an-Nu‘man (699-767), Islamic jurisprudence scholar

        ·                    Abu Yusuf (731-798), Islamic jurisprudence scholar

        ·                    Al-Saghani (d. 990), one of the earliest historians of science[20]

        ·                    Shams al-Mo'ali Abol-hasan Ghaboos ibn Wushmgir (Qabus) (d. 1012), economist

        ·                    Abū Rayhān al-Bīrūnī (973-1048), considered the "first anthropologist"[21] and father of Indology[22]

        ·                    Ibn Sīnā (Avicenna) (980–1037), economist

        ·                    Ibn Miskawayh (b. 1030), economist

        ·                    Al-Ghazali (Algazel) (1058–1111), economist

        ·                    Al-Mawardi (1075–1158), economist

        ·                    Nasīr al-Dīn al-Tūsī (Tusi) (1201–1274), economist

        ·                    Ibn al-Nafis (1213–1288), sociologist

        ·                    Ibn Taymiyyah (1263–1328), economist

        ·                    Ibn Khaldun (1332–1406), forerunner of social sciences[23] such as demography,[24] cultural history,[25] historiography,[26]philosophy of history,[27] sociology[24][27] and economics[28][29]

        ·                    Al-Maqrizi (1364–1442), economist

        ·                    Akhtar Hameed KhanPakistani social scientist; pioneer of microcredit

        ·                    Muhammad Yunus, Nobel Prize winner Bangladeshi economist; pioneer of microfinance

        ·                    Shah Abdul Hannan, Pioneer of Islamic Banking in South Asia

        ·                    Mahbub ul Haq, Pakistani economist; developer of Human Development Index and founder of Human Development Report[30][31]

        Geographers and earth scientists

        Further information: Muslim Agricultural Revolution

        ·                    Al-Masudi, the "Herodotus of the Arabs", and pioneer of historical geography[32]

        ·                    Al-Kindi, pioneer of environmental science[33]

        ·                    Ibn Al-Jazzar

        ·                    Al-Tamimi

        ·                    Al-Masihi

        ·                    Ali ibn Ridwan

        ·                    Muhammad al-Idrisi, also a cartographer

        ·                    Ahmad ibn Fadlan

        ·                    Abū Rayhān al-Bīrūnī, father of geodesy,[21][24] considered the first geologist and "first anthropologist"[21]

        ·                    Avicenna

        ·                    Abd al-Latif al-Baghdadi

        ·                    Averroes

        ·                    Ibn al-Nafis

        ·                    Ibn Jubayr

        ·                    Ibn Battuta

        ·                    Ibn Khaldun

        ·                    Piri Reis

        ·                    Evliya Çelebi

        Mathematicians

        Further information: Islamic mathematics: Biographies

        ·        Masatoshi Gündüz Ikeda 1926 Tokyo -- 2003 Ankara

        ·        Cahit Arf 1910 Selanik (Thessaloniki) -- 1997 Istanbul, Turkey

        ·        Ali Qushji Ali KUŞÇU

        ·        Al-Hajjāj ibn Yūsuf ibn Matar

        ·        Khalid ibn Yazid (Calid)

        ·        Muhammad ibn Mūsā al-Khwārizmī (Algorismi) -- father of algebra[34] and algorithms[35]

        ·        'Abd al-Hamīd ibn Turk

        ·        Abū al-Hasan ibn Alī al-Qalasādī (1412–1482), pioneer of symbolic algebra[36]

        ·        Abū Kāmil Shujā ibn Aslam

        ·        Al-Abbās ibn Said al-Jawharī

        ·        Al-Kindi (Alkindus)

        ·        Banū Mūsā (Ben Mousa)

        ·                   Ja'far Muhammad ibn Mūsā ibn Shākir

        ·                   Al-Hasan ibn Mūsā ibn Shākir

        ·        Al-Khwarizmi

        ·        Al-Mahani

        ·        Ahmed ibn Yusuf

        ·        Al-Majriti

        ·        Muhammad ibn Jābir al-Harrānī al-Battānī (Albatenius)

        ·        Al-Farabi (Abunaser)

        ·        Al-Khalili

        ·        Al-Nayrizi

        ·        Abū Ja'far al-Khāzin

        ·        Brethren of Purity

        ·        Abu'l-Hasan al-Uqlidisi

        ·        Al-Saghani

        ·        Abū Sahl al-Qūhī

        ·        Abu-Mahmud al-Khujandi

        ·        Abū al-Wafā' al-Būzjānī

        ·        Ibn Sahl

        ·        Al-Sijzi

        ·        Ibn Yunus

        ·        Abu Nasr Mansur

        ·        Kushyar ibn Labban

        ·        Al-Karaji

        ·        Ibn al-Haytham (Alhacen/Alhazen)

        ·        Abū Rayhān al-Bīrūnī

        ·        Ibn Tahir al-Baghdadi

        ·        Al-Nasawi

        ·        Al-Jayyani

        ·        Abū Ishāq Ibrāhīm al-Zarqālī (Arzachel)

        ·        Al-Mu'taman ibn Hud

        ·        Omar Khayyám

        ·        Al-Khazini

        ·        Ibn Bajjah (Avempace)

        ·        Al-Ghazali (Algazel)

        ·        Al-Marrakushi

        ·        Al-Samawal

        ·        Ibn Rushd (Averroes)

        ·        Ibn Seena (Avicenna)

        ·        Hunayn ibn Ishaq

        ·        Ibn al-Banna'

        ·        Ibn al-Shatir

        ·        Ja'far ibn Muhammad Abu Ma'shar al-Balkhi (Albumasar)

        ·        Jamshīd al-Kāshī

        ·        Kamāl al-Dīn al-Fārisī

        ·        Muḥyi al-Dīn al-Maghribī

        ·        Mo'ayyeduddin Urdi

        To be continued …

        1. 13.2.1.1
          Rasel

          ·        Muhammad Baqir Yazdi

          ·        Nasir al-Din al-Tusi, 13th century Persian mathematician and philosopher

          ·        ḍī Zāda al-Rūmī

          ·        Qutb al-Din al-Shirazi

          ·        Shams al-Dīn al-Samarqandī

          ·        Sharaf al-Dīn al-Tūsī

          ·        Taqi al-Din Muhammad ibn Ma'ruf

          ·        Ulugh Beg

          ·        Cumrun Vafa

          Physicians and surgeons

          Main article: Muslim doctors

          Physicists and engineers

          Further information: Islamic physics

          ·        Mimar Sinan, (1489/1588 Also known as Koca Mi'mâr Sinân Âğâ)

          ·        Jafar al-Sadiq, 8th century

          ·        Banū Mūsā (Ben Mousa), 9th century

          ·                   Ja'far Muhammad ibn Mūsā ibn Shākir

          ·                   Ahmad ibn Mūsā ibn Shākir

          ·                   Al-Hasan ibn Mūsā ibn Shākir

          ·        Abbas Ibn Firnas (Armen Firman), 9th century

          ·        Al-Saghani, (d. 990)

          ·        Abū Sahl al-Qūhī (Kuhi), 10th century

          ·        Ibn Sahl, 10th century

          ·        Ibn Yunus, 10th century

          ·        Al-Karaji, 10th century

          ·        Ibn al-Haytham (Alhacen), 11th century Iraqi scientist, father of optics,[37] and experimental physics,[38] considered the "firstscientist"[39]

          ·        Abū Rayhān al-Bīrūnī, 11th century, pioneer of experimental mechanics[40]

          ·        Ibn Sīnā/Seena (Avicenna), 11th century

          ·        Al-Khazini, 12th century

          ·        Ibn Bajjah (Avempace), 12th century

          ·        Hibat Allah Abu'l-Barakat al-Baghdaadi (Nathanel), 12th century

          ·        Ibn Rushd/Rooshd (Averroes), 12th century Andalusian mathematician, philosopher and medical expert

          ·        Al-Jazari, 13th century civil engineer, father of robotics,[18]

          ·        Nasir al-Din Tusi, 13th century

          ·        Qutb al-Din al-Shirazi, 13th century

          ·        Kamāl al-Dīn al-Fārisī, 13th century

          ·        Ibn al-Shatir, 14th century

          ·        Taqi al-Din Muhammad ibn Ma'ruf, 16th century

          ·        Hezarfen Ahmet Celebi, 17th century

          ·        Lagari Hasan Çelebi, 17th century

          ·        Sake Dean Mahomet, 18th century

          ·        Abdus Salam, 20th century Pakistani physicist, winner of Nobel Prize in 1979

          ·        Fazlur Khan, 20th century Bangladeshi mechanician

          ·        Mahmoud Hessaby, 20th century Iranian physicist

          ·        Ali Javan, 20th century Iranian physicist

          ·        Bacharuddin Jusuf Habibie, 20th century Indonesian aerospace engineer and president

          ·        Abdul Kalam, Indian aeronautical engineer and nuclear scientist

          ·        Mehran Kardar, Iranian theoretical physicist

          ·        Munir Nayfeh Palestinian-American particle physicist

          ·        Abdul Qadeer Khan, Pakistani metallurgist and nuclear scientist

          ·        Riazuddin, Pakistani theoretical physicist

          ·        Samar Mubarakmand, Pakistani nuclear scientist known for his research in gamma spectroscopy and experimental development of the linear accelerator

          ·        Shahid Hussain Bokhari, Pakistani researcher in the field of parallel and distributed computing

          ·        Sultan Bashiruddin Mahmood, Pakistani nuclear engineer and nuclear physicist

          ·        Ali Musharafa, Egyptian nuclear physicist

          ·        Sameera Moussa, Egyptian nuclear physicist

          ·        Munir Ahmad Khan, Father of Pakistan's nuclear program

          ·        Kerim Kerimov, a founder of Soviet space program, a lead architect behind first human spaceflight (Vostok 1), and the lead architect of the first space stations (Salyut and Mir)[41][42]

          ·        Farouk El-Baz, a NASA scientist involved in the first Moon landings with the Apollo program[43]

          Political scientists

          ·        Taqiuddin_al-Nabhani

          ·        Syed Qutb

          ·        Mohammad Baqir al-Sadr

          ·        Abul Ala Maududi

          ·        Hasan al-Turabi

          ·        Hassan al-Banna

          ·        Mohamed Hassanein Heikal

          ·        M. A. Muqtedar Khan

          ·        Rashid al-Ghannushi

          ·        alāḥ ad-Dīn Yūsuf ibn Ayyūb

          ·        Maulana Abul Kalam Azad

          Other scientists and inventors

          ·        Azizul Haque

          To be continued …

           

        2. Rasel

          Reference:

          1.     Amber Haque (2004), "Psychology from Islamic Perspective: Contributions of Early Muslim Scholars and Challenges to Contemporary Muslim Psychologists", Journal of Religion and Health 43 (4): 357-377 [375].

          2.    Saoud, R. "The Arab Contribution to the Music of the Western World" (PDF). Retrieved 2007-01-12.

          3.    Amber Haque (2004), "Psychology from Islamic Perspective: Contributions of Early Muslim Scholars and Challenges to Contemporary Muslim Psychologists", Journal of Religion and Health 43 (4): 357-377 [361]

          4.    Nurdeen Deuraseh and Mansor Abu Talib (2005), "Mental health in Islamic medical tradition", The International Medical Journal 4 (2), p. 76-79.

          5.    Amber Haque (2004), "Psychology from Islamic Perspective: Contributions of Early Muslim Scholars and Challenges to Contemporary Muslim Psychologists", Journal of Religion and Health 43 (4): 357-377 [362]

          6.    Amber Haque (2004), "Psychology from Islamic Perspective: Contributions of Early Muslim Scholars and Challenges to Contemporary Muslim Psychologists", Journal of Religion and Health 43 (4): 357-377 [363].

          7.    Martin-Araguz, A.; Bustamante-Martinez, C.; Fernandez-Armayor, Ajo V.; Moreno-Martinez, J. M. (2002). "Neuroscience in al-Andalus and its influence on medieval scholastic medicine",Revista de neurología 34 (9), p. 877-892.

          8.    Omar Khaleefa (Summer 1999). "Who Is the Founder of Psychophysics and Experimental Psychology?", American Journal of Islamic Social Sciences 16 (2).

          9.    The Reconstruction of Religious Thought in Islam, “The Spirit of Muslim Culture”, Muhammad Iqbal

          10. S Safavi-Abbasi, LBC Brasiliense, RK Workman (2007), "The fate of medical knowledge and the neurosciences during the time of Genghis Khan and the Mongolian Empire", Neurosurgical Focus23 (1), E13, p. 3.

          11.                       History of Islamic Philosophy. Routledge. pp. 315 & 1022–1023. ISBN 0-415-13159-6.

          12.                       G. A. Russell (1994), The 'Arabick' Interest of the Natural Philosophers in Seventeenth-Century England, pp. 224-262

          13.                       Theories on Death and Dying, Lines-2,3, in Additional Lifespan Development Topics, page-4, McGraw-Hill Companies, Inc.

          14.                       Md Zakaria Siddique, Reviewing the Phenomenon of Death—A Scientific Effort from the Islamic World, page-1, Death Studies, 2009.

          15.                       Karen Meyers, Robert N. Golden, Fred Peterson. Infobase Publishing, 2009, 106 page. Retrieved from

          16.                       John Warren (2005). "War and the Cultural Heritage of Iraq: a sadly mismanaged affair", Third World Quarterly, Volume 26, Issue 4 & 5, p. 815-830.

          17.                       Dr. A. Zahoor (1997). JABIR IBN HAIYAN (Geber)University of Indonesia.

          18.                       Paul Vallely. How Islamic inventors changed the world,The Independent

          19.                       All Nobel Laureates in Chemistry,

          20.                       "Al-Asturlabi and as-Samaw'al on Scientific Progress", Osiris 9, p. 555-564 [559].

          21.                       Akbar S. Ahmed (1984). "Al-Beruni: The First Anthropologist", RAIN 60, p. 9-10.

          22.                       Zafarul-Islam Khan, At The Threshold Of A New Millennium – IIThe Milli Gazette.

          23.                       Akbar Ahmed (2002). "Ibn Khaldun’s Understanding of Civilizations and the Dilemmas of Islam and the West Today",Middle East Journal 56 (1), p. 25.

          24.                       H. Mowlana (2001). "Information in the Arab World",Cooperation South Journal 1.

          25.                       Mohamad Abdalla (Summer 2007). "Ibn Khaldun on the Fate of Islamic Science after the 11th Century", Islam & Science 5 (1), p. 61-70.

          26.                       Salahuddin Ahmed (1999). A Dictionary of Muslim Names. C. Hurst & Co. Publishers.

          27.                       Dr. S. W. Akhtar (1997). "The Islamic Concept of Knowledge", Al-Tawhid: A Quarterly Journal of Islamic Thought & Culture 12 (3).

          28.                       I. M. Oweiss (1988), "Ibn Khaldun, the Father of Economics",Arab Civilization: Challenges and Responses, New York University

          29.                       Jean David C. Boulakia (1971), "Ibn Khaldun: A Fourteenth-Century Economist", The Journal of Political Economy 79 (5): 1105-1118.

          30.                       Mahbub ul Haq (1995), Reflections on Human Development,

          31.                       "A Decade of Human Development",Journal of Human Development 1 (1): 17-23, Amartya Sen

          32.                       Mas'udi, al-.", Encyclopedia Britannica

          33.                       L. Gari (2002), "Arabic Treatises on Environmental Pollution up to the End of the Thirteenth Century", Environment and History 8(4), pp. 475-488.

          34.                       Solomon Gandz (1936), "The sources of al-Khwarizmi's algebra", Osiris I, p. 263–277."

          35.                       Serish Nanisetti, Father of algorithms and algebraThe Hindu, June 23, 2006.

          36.                       MacTutor  MacTutor History of Mathematics archive,University of St Andrews.

          37.                       Dr. Mahmoud Al Deek. "Ibn Al-Haitham: Master of Optics, Mathematics, Physics and Medicine", Al Shindagah, November–December 2004.

          38.                       Rüdiger Thiele (2005). "In Memoriam: Matthias Schramm",Arabic Sciences and Philosophy 15, p. 329–331

          39.                       Al-Khalili, Jim (2009-01-04). "BBC News". BBC News. Retrieved 2014-04-11.

          40.                       Mariam Rozhanskaya and I. S. Levinova (1996), "Statics", in Roshdi Rashed, ed.  Encyclopedia of the History of Arabic Science, Vol. 2, p. 614-642 [642], Routledge, London and New York.

          41.                       Peter Bond, Obituary: Lt-Gen Kerim KerimovThe Independent, 7 April 2003.

          42.                       Betty Blair (1995), "Behind Soviet Aeronauts", Azerbaijan International 3 (3).

          43.                       Farouk El-Baz: With Apollo to the MoonIslamOnlineinterview

  22. 12

    ২০০৫ সালে সুইডেনে একটি বই পড়েছিলাম এখন হাতে নেই থাকলে ওখান থেকে রেফারেন্স দিতে পারতাম। ঐ বইতে এত সুন্দরকরে রেফারেন্স দিয়ে লেখা হয়েছে মুসলমানদের অবদানের কথা তা সত্যি অবাক করার মতো। চেষ্টা করব ম্যানেজ করতে ইনশাল্লাহ।ঐ বইতে আরো উল্লেখ করেছিল যে, পরবর্তী যুগের উপকৃত ইউরোপিয় সমাজ মুসলমানদের নামগুলো একটু পরিবর্তন করে দেয় যাতে করে মুসলিম হিসেবে পরবর্তী যুগের মানুষরা বুঝতে না পারে!!!

    ইউরোপে্র রেনেঁশা যুগের জন্য মুসলমানদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদানের কথা কম বেশী আমরা জানি। এ বিষয়ে লিখতে গেলে আরেকটি পোষ্টের প্রয়োজন হবে। 

    কমেন্ট করা দাদা- বাবুদের ব্যাপারে আমাদের বেশী মাথা ব্যাথা করার দরকার নেই বলে মনে করি।

    অসংখ্য ধন্যবাদ এ বিষয়ে অবতারনার জন্য।

  23. 11
    মুখতার

    মুনিম সাহেব, মুসলিমদের এই সমস্হ আবিস্কার কি কোরআন হাদিস বেইস করে করা? না কি গ্রীক রোমান সভ্যতা বেইস করে করা।

    1. 11.1
      Raihan Rahman

      @ মুখতার ভাই : এই প্রশ্ন করছেন কেন?  আমাদের মুনিম ভাই ওনার আর্কাইভ করে রেখা পোষ্টে আলরেডি মরিস বুকুলির কথা বলেই ফেলেছেন।

    2. 11.2
      মুনিম সিদ্দিকী

      মায়ের ফাটে না মাসীর ফাটে আর দাইমার পিণ্ডী জ্বলে!!! আমাকে প্রশ্ন করেছেন আর দাদা বাবু জবাব দিয়েছেন!!

      যাক আমি তো বিজ্ঞানী নয় যে কোথা বিজ্ঞান আছে বা না আছে তার জাজমেন্ট করে যেতে পারি! চিনলে জড়ি- না চিনলে ভাত রান্নার পাটখড়ি!!!

      আমি আল কোরাআনকে মানব জীবন পরিচালনা করার পথ নির্দেশনার গ্রন্থ বলে বিশ্বাস করি। ধন্যবাদ।

  24. 10
    Kazi Azizul Huq

    খুবই প্র্যোজনীয় একটি উদ্যোগ।  ইন্টারনেট ও উইকিপডিয়ার ইংরাজীতে প্রচুর তথ্য সহজেই সংগ্রহ করা যায় -- কিন্তু তা অনুবাদ ও আবশ্যকীয় এডিটিং করে বাংলাভাষীদের কাছে উপস্থাপন করার কাজটা সঠিকভাবে করার জন্য উচু মেধা ও ধৈর্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মুনিম সাহেব খুবই মেধাবী বলে আমার মনে হয়। তিনি সততা ও ধৈর্যের সাথে এই কাজটা করলে আমরা বাংলাভাষীরা উপকৃত হব বলে আমার আশা।

    -কাজী আজীজুল হক

  25. 9
    তামীম

    লেখা ভাল হয়েছে। চালিয়ে যান।

  26. 8
    Storm Boltz

    লেখা ভালো হয়েছে, অনেক তথ্য জানা গেল। কমেন্টে বেশ কাঁদা ছোড়াছুড়ি করা হচ্ছে।
    যাই হোক আশা করি ভবিষ্যতেও এমন লেখা পড়ার সুযোগ পাব।

    1. 8.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      পড়ার জন্য ধন্যবাদ। কাদা তো আমরা ছুড়তেছিনা ভাই।

  27. 7
    ফুয়াদ দীনহীন

    জ্ঞান বিজ্ঞানে মুসলিমদের অবদান নিয়ে মুসলিমরা চিন্তিত নয়, চিন্তিত হবার কারণও নাই। নাস্তিক বা অন্য ধর্মের হলে খুশি হতেম এমন ইসলাম বিষয়ে অশিক্ষিত মুসলিমরাই এ নিয়ে চিন্তিত বা আপনার ভাষায় "হীনমন্যতায় ভোগে"

    1. 7.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আপনার বক্তব্যটি আমার কাছে কেমন অসমাপ্ত বলে মনে হচ্ছে! আপনি বোধহয় স্মার্টফোন দিয়ে কমেন্ট করতে গিয়ে কোন অসুবিধায় অসমাপ্ত ভাবেই কমেন্ট করেছেন! যাক অস্ট্রালিয়া গিয়ে আবার নেটে ঝাপিয়ে পড়বেন এই আশা রাখছি। ভালো থাকুন।

  28. 6
    আবদুল্লাহ সাঈদ খান

    অসাধারণ কাজ। মুনিম ভাই, এই সাইটটিতে গিয়েছিলেন কিনা- http://muslimheritage.com/

    আশা করি সাইটটি আপনার কাজে ভাল সহায়তা করবে।

    পাভেল ভাইয়ের সাথে আরেকটু যোগ করছি, আল জাযারী 'এলিফেন্ট ক্লক' নামক পানি ভিত্তিক একটি ঘড়িও বানিয়েছিলেন।  তাকি আল দ্বীন বানিয়েছিলেন 'সিক্স সিলিণ্ডার পাম্প' । লাগারী হাসান সেলেবী নিজের আবিস্কৃত 'সেভেন উইংড রকেট' উড়ার চেষ্টা করে সফল হন। সেলযুক পিরিয়ডে ১১৫০ সালে ক্রুসেডারদের আক্রমনের বিপরীতে ব্যবহৃত 'সাবমেরিন' টি নির্মাণ করেছিলেন, ইব্রাহিম। 

    বিস্তারিত:
    ১. http://muslimheritage.com/topics/default.cfm?ArticleID=466#_Toc240280844

    ২. http://muslimheritage.com/topics/default.cfm?ArticleID=851

    ৩. http://muslimheritage.com/topics/default.cfm?ArticleID=803

    ৪. http://muslimheritage.com/topics/default.cfm?ArticleID=634

    ৫. http://www.muslimheritage.com/uploads/Rocket_Technology_in_Turkish_history1.pdf

     

     

     

    1. 6.1
      পাভেল আহমেদ

      আল জাজারির এলিফেন্ট ক্লক ছিল খুব সম্ভবত তাঁর সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ কাজ। এই ঘড়িটি তখনকার সময়ের সবচেয়ে জটিলতম যন্ত্র ছিল। আমি নিজে এর কমপ্লেক্সিটি এবং মেকানিজম দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। এরকম কিছু একটা এমনকি ডিজাইন দেখে দেখেও রিক্রিয়েট করাটা চাট্টিখানি কথা না। অথচ তখনকার লিমিটেড টেকনোলোজি দিয়ে আল জাজারি এরকম একটি কর্মক্ষম যন্ত্রের ডিজাইন দিয়ে গিয়েছিলেন! আল জাজারির এই ঘড়িটির ডিজাইনে তৎকালীন সময়ের সকল উল্লেখযোগ্য সভ্যতা অর্থাৎ ভারতীও, আরবিও, চৈনিক এবং গ্রীক ইত্যাদি সভ্যতার চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। ঘড়িটি দেখে মনে হয় যে এটি তৎকালীন সময়ের সকল উন্নত সভ্যতার প্রতিনিধিত্ব করে যার নির্মাতা হলেন একজন মুসলিম ইঞ্জিনিয়ার!!! খুব সম্ভব আল জাজারি তাঁর কর্মের মাধ্যমে বিশ্ব ভ্রাতৃত্বকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন।

  29. 5
    Raihan Rahman

    আবারো মুনিম ভাইয়ের সাথে বিতর্ক। আসলে সদালাপ ব্লগে অন্যদের তুলনায় আপনাকে রিজোনেবল মনে হয়, এজন্য এখানে আসা,  ধন্যবাদ আপনাকে।
    দেখুন- বিজ্ঞানে কার কি অবদান তা জ্ঞানি লোকেরা এমনিতেই বুঝতে পারে। বুদ্ধিমানের বিদ্যার দৌড় এতটা অল্প-ভয়ংকর-তাছ্ছিল্ল না যে বিজ্ঞানের কথা উঠলেই মরিশ বুকলি আর ইনবে সিনা কবিরাজের পিছে দৌড়াবে? যে কারনে পুরো ইসলামী বিজ্ঞান বিষয়ে মুসলিমদের একমাত্র নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী ডঃ আব্দুস সালাম লিখেছেন : "কেবলমাত্র একটি সার্বজনীন বিজ্ঞান রয়েছে- বৈজ্ঞানিক সমস্যা এবং পন্থাগুলো সবই আন্তর্জাতিক ও সার্বজনীন। যেহেতু হিন্দু বিজ্ঞান, ইহুদী বিজ্ঞান, কনফুসিয়াস বিজ্ঞান ও খ্রীষ্টান বিজ্ঞান বলে কিছু নেই সেহেতু ইসলামিক বিজ্ঞান বলেও কিছু নেই।"

    তারপরও আপনি যে ভাবে চায়ের ছাকনি দিয়ে ছেকে বিখ্যাত-অগ্যাত-অক্ষাত সব মুসলিম বিজ্ঞানীদের তুলে এনে বিজ্ঞানের ঢোল মারছেন তাতে দুই কথা বলতেই হয়। জ্ঞান অর্জন বিষয়ে যারা মোহাম্মদী তরিকার নামগন্ধও শুনেনি তারাও যে মাহা বিজ্ঞানী হতে পারে সে বিষয়টি আপনাকে প্রথমেই স্মরন করে দিতে চাই। দ্বীনের নবী মোহাম্মদ সম্ভবত নিজেও সে সময়ে চীনের জ্ঞান বিজ্ঞানের কথা জানতেন, যে কারনে তিনি তার উম্মতকে সুদুর চীনদেশে যেয়ে জ্ঞান অর্জনের উপদেশ দিয়েছেন। সুতরাং বিজ্ঞানে কে কার জনক এ সরল সত্যটি আপনার নবী স্বয়ং বুঝতে পারলেও দুঃখজনক ভাবে আপনি তা বুঝতে পারেন্নি, আক্ষেপ। যদি বুঝতেন তা হলে আল জাবিরকে তাবত রসায়ন শাস্ত্রের জনক দাবি করতেন্না।

    ১। যেনে রাখা ভাল-  প্রাক মধ্য-আধুনিক যুগের রসায়ন শাস্ত্রের কর্ণধার হছ্ছেন Antoine Lavoisier,  Jan Baptist  এবং Robert Boyle……………… এ নাম গুলো মনে রাখবেন আশা করি। এরপরে আসবে John Dalton, Jacob Berzelius, Gay-Lussac,  Avogadro, Dmitri Mendeleev …… এদের নাম,  সুত্র : [url href="http://en.wikipedia.org/wiki/History_of_chemistry" target="_blank"]Click this link[/url]। তবে হাঁ, মেডিভেল রসায়নে অন্যদের সাথে আল জাবিরের নামও এসেছে। তারও আগে Chemistry বিষয়ে জানতে হলে আপনাকে পুরো লৌহ-যুগ খতিয়ে দেখতে হবে। প্রাচিন গ্রিক, চীনদেশ, মেডিভেল ইন্ডিয়া এবং জাপান….. এরাই মুলত রসায়ন শাস্ত্রের উদ্ভাবক। mineral ore,  glass,   soap, alloys, preservative, chemicals,  blast furnace, cast iron, gun power,  hydraulics, এবং double acting piston fluid সে সময় আবিস্কার হয়। ৩৪০ বিসিতে সর্বপ্রথম গ্রিক বিজ্ঞানি Leucippus বস্তুর সুক্ষ অনুর(এটম) ধারনা প্রদান করেন। এবং একই বিষয়ে একই ধারনা দিয়েছেন সমসাময়িক ভারতীয় বিজ্ঞানী কানাদা  তার বিশেষ শিক্ষা সূত্রে(Vaisheshika sutras)।  আর সে যুগে চীনের Confucian বিজ্ঞান যুগের ধারাবাহিকতায় রসায়ন শাস্ত্রের কথা বলে আপনাকে লজ্জা দিতে চাই না।

    ২। দেখুন- চিকিৎসা, গনিত, ভূগল, হাড্রলিকস, কম্পাস,ম্যাপ, অনু, পরামাণু, নিউক্লিয়ার, স্পেস…………….. এসব নিয়ে গ্রিক-ইউরোপিয়ানদের (আপনাদের ভাষায় ইহুদী-নাসারা) বিজ্ঞান-আবিস্কারের বিষয় নিয়ে একটি কথাও বলতে চাই না। কারন ১৯-২০ এ বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু মুসলমানদের শুন্য(o)'র সাথে ইউরোপিয়ানদের ২০ এর  তর্ক কারা মানে বিজ্ঞানকে লজ্জা দেয়া। আমি বরং সমসাময়িক চীন-ভারতের কথাই বলি। চীনের হাং ডাইনিষ্টি, সং ডাইনিষ্টি…… যুগ এবং পরবর্তি  China's scientific revolution ব্লগের স্বল্প পরিসরে লেখে শেষ করা যাবে না। আপনি গুগল থেকে তা যাচাই করে নিয়েন, সূত্র : ( http://en.wikipedia.org/wiki/History_of_science_and_technology_in_China)

    একই অসস্থা সমসাময়িক ভারতে, সূত্র :  ( http://en.wikipedia.org/wiki/History_of_science_and_technology_in_the_Indian_subcontinent )

    আপনি যে ভাবে অখ্যাত-বিখ্যাত মুসলিম পর্যটক, দরবেশ, কবিরাজ, বিজ্ঞানীদের ছেকে তুলেছেন, সৎসাহস থাকলে আমার দেয়া লিংক থেকেও অন্ততঃ কিছু  তুলে এনে অপকটে  তা প্রকাশ করবেন আশা করি। লজ্জা পাবেন্না,  এটি মুসলিম-অমুসলিম বিতর্ক না, এটি আসলে বিজ্ঞান বিষয়ক।  

    সবশেষে মরিশ বুকুলি নিয়ে কিছু বলতেই হয়। আসলে নিঃবুদ্ধ মুসলমানরা সৌদি আরবের টাকায় আল কোরানের তথাকথিত বিজ্ঞান(!) কে এমন হাস্যকর এবং নেক্কার জনক উন্মচন করেছে তাতে কোরানের প্রতি বিশ্ব ফোরামের যে সামান্য শ্রদ্ধা ছিল, এখন তার আর অবশিষ্ট কিছু নেই।

    একটি মাত্র উদাহরন দিছ্ছি ;
    Sahih International
    And after that He spread the earth.
    Muhsin Khan
    And after that He spread the earth;
    Pickthall
    And after that He spread the earth,
    Yusuf Ali
    And the earth, moreover, hath He extended (to a wide expanse);
    Shakir
    And the earth, He expanded it after that.
    Dr. Ghali
    And the earth, after that He flattened it (for life).

    যার শুদ্ধ বাংলা : পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন।

    এখানে অস্টৃচ পাখির ডিম্ব আকৃতির কথা ঠিক কোথায় বলা হচ্ছে? নাকি এই ৭/৮ জন পন্ডিত সবাই ভুল বুঝেছেন??  আমি তো জানতাম কিন্ডারগার্টেনের শিশুদের পৃথিবীর আকৃতি কমলা সদৃশ বলে প্রথম পাঠ দেয়া হয় -- "অস্টৃচ ডিম্ব"(??)  আসলেই জীবনে প্রথম শুনলাম।  

    বুকাইলিবাদ অনুযায়ী, আল্লাহ্‌ কোনকিছু অতি পরিষ্কার বলতে ব্যর্থ, তর্কাতীত স্পষ্ট হতে অক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, যদি আল্লাহ সত্যই কোরআনে বোঝাতে চাইতেন যে পৃথিবী গোলাকার, তাহলে তিনি কেন একটা আয়াতে স্পষ্ট করে এইভাবে লেখেন না: “তুমি কী বিবেচনা করনি, আমি কীভাবে পৃথিবীকে সমতল নয় বরং গোলাকার বানিয়েছি, এবং সূর্যের চারপাশে ঘুর্ণায়মান করে পৃথিবীকে তৈরি করেছি?”  অন্য প্রসঙ্গে তো আল্লাহ কিন্তু অতি পরিষ্কার করে কথা বলেছেন! যেমন তিনি বলেছেন  ;

    সুরা ৩১ : ২৯ ; "তুমি কি দেখ না যে, আল্লাহ রাত্রিকে দিবসে প্রবিষ্ট করেন এবং দিবসকে রাত্রিতে প্রবিষ্ট করেন? তিনি চন্দ্র ও সূর্যকে কাজে নিয়োজিত করেছেন। প্রত্যেকেই নির্দিষ্টকাল পর্যন্ত পরিভ্রমণ করে। তুমি কি আরও দেখ না যে, তোমরা যা কর, আল্লাহ তার খবর রাখেন?"

    পরিস্কার ঝকঝকে কথা, যে ভাষাতেই বলেন্না কেন, কারো বুঝতে অসুবিধা আছে বলে হয় না।  আসলে সুভংকের ফাকি হছ্ছে : রাতের পর দিন, দিনের পর রাত, চাঁদ-সুরুজ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য যায় আবার আসে………………… এসব মামুলি বিষয় ৩ হাজার বছর আগে একজন নাবালক মানুষেরও জানা ছিল এবং সেটাই কোরানে এসেছে। কিন্তু সে সময়ের বিজ্ঞানহীন মানুষের পক্ষে কোন ভাবেই জানা সম্ভব ছিল না পৃথিবী গোলাকার, চাদ-সুরুজের মত পৃথিবীও হেলেদুলে নিজ কক্ষপথে অবিরাম ঘুড়ছে, সুর্য নয়, বরং পৃথিবীর ঘূর্ননের ফলেই দিবা-রাত্রি হয়। কিন্তু মহা বিজ্ঞান(!) আল কোরানে এসব কথা ঘুনাক্ষরেও বলা নেই। যে কারনে আল কোরানের অতি পরিস্কার ভাষায় বর্নিত সমতল পৃথিবীকে ঘোড়ার ডিম প্রমান করার জন্য বুকুলি/জাকির সাহেবরা আরবী অবিধান বদলে দিয়ে কোরানে বিম্ব বোজ্ঞান প্রমান করতে উঠেপরে লেগেছে।

    আর সুর্য বিষয়ে ইসলামী বিজ্ঞান কি বলে তার নমুনা নিচের দুটি সহিহ হাদীস কি বলে দেখুন;
    Sahih Bukhari 4:54:421
    Narrated Abu Dhar: The Prophet asked me at sunset, "Do you know where the sun goes (at the time of sunset)?" I replied, "Allah and His Apostle know better." He said, "It goes (i.e. travels) till it prostrates Itself underneath the Throne and takes the permission to rise again, and it is permitted and then (a time will come when) it will be about to prostrate itself but its prostration will not be accepted, and it will ask permission to go on its course but it will not be permitted, but it will be ordered to return whence it has come and so it will rise in the west.

    Sahih Muslim 1:297
    It is narrated on the authority of Abu Dharr that the Messenger of Allah (may peace be upon him) one day said: Do you know where the sun goes? They replied: Allah and His Apostle know best. He (the Holy Prophet) observed: Verily it the Sun glides till it reaches its resting place under the Throne. Then it falls prostrate and remains there until it is asked: Rise up and go to the place whence you came, and it goes back and continues emerging out from its rising place and then glides till it reaches its place of rest under the Throne and falls prostrate and remains in that state until it is asked: Rise up and return to the place whence you came, and it returns and emerges out from it rising place and the it glides (in such a normal way) that the people do not discern anything ( unusual in it) till it reaches its resting place under the Throne. Then it would be said to it: Rise up and emerge out from the place of your setting, and it will rise from the place of its setting. The Messenger of Allah (may peace be upon him) said. Do you know when it would happen? It would happen at the time when faith will not benefit one who has not previously believed or has derived no good from the faith.

    1. 5.1
      এম_আহমদ

      @Raihan Rahman:

      (১) আপনি একজন অতি হীনমন্য লোক; কেবল আপনার মত ধৃষ্ট হীনমন্যরা বিজ্ঞানে মুসলমানদের অবদানকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে দেখতে পারে। কেবল ইতরদের কাছেই এই বিজ্ঞানীরা ‘চায়ের ছাকনি দিয়ে ছাকা’, ‘অগ্যাত’, ‘অক্ষাত’ (ইচ্ছে করেই শব্দগুলো এভাবে বানান করেছেন!)

      (১,ক) আপনি উইকিপিডিয়া থেকে যে তিনটি লিঙ্ক দিয়েছেন সেগুলোর কোথাও মুসলিম বিজ্ঞানীদের অবদানকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা হয়নি। ওদের নামগুলো ‘চায়ের ছাকনী দিয়ে মাপা’ বলে প্রকাশ হয়নি বরং আপনি যে একজন অসৎ, বেঈমান তাই প্রতিপন্ন হয়েছে কেননা সেগুলো ইউরোপীয় অবদান ‘২০’ করে মুসলমানদেরকে ‘০’ করে না। অপরের উৎসের আড়ালে থেকে নিজের ইতরামি প্রকাশ কোনো শিক্ষিত লোকের কাজ হতে পারে না। চিন, ভারত, আরব এবং অন্যরা যার যার স্থানে যতটুকু সম্ভব অবদান রেখেছেন। মুসলিম অবদান কেবল আপনার মত ইতরের মূর্খের কাছে ‘অখ্যাত’, এই বিজ্ঞানীরা ‘দরবেশ’, ‘কবিরাজ’ –এদের নাম ছাকনীতে ছেকে আসা!এত ইতর আপনার মানসিকতা! ইউরোপ এবং সভ্য জগতের লোক মুসলমানদের অবদানকে অস্বীকার করছে না, তুচ্ছ তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখছে না, কেবল ইসলাম বিদ্বেষী মূর্খ হিন্দু, মূর্খ মুক্তমনাগণ ছাড়া। দ্বিতীয় শ্রেণীর বেশির ভাগই নাস্তিকতার আড়ালে গোবিষ্ঠা মাথায়-ধারিত হিন্দু নাস্তিক। গোমূত্র দিয়ে চোখ-মুখ ধোয়ে নিচের লিঙ্ক দেখুন। এমন লিস্ট অসংখ্য।আবদুল্লাহ সাঈদ ভায়ের ৬ নং কমেন্টের লিস্টও দেখুন আর ইতরামি বর্জন করুন। আর প্রথমে মানুষ হোন, তারপর হয়ত অন্যের মানবতা চোখে পড়বে।

      List of Muslim scientists http://en.wikipedia.org/wiki/List_of_Muslim_scientists
      Science in the medieval Islamic world http://en.wikipedia.org/wiki/Science_in_the_medieval_Islamic_world
      rel="nofollow">Reality of islam ,contribution of muslim scientists in civilization
      rel="nofollow">
      Islamic Inventions [Part One]  rel="nofollow">

      বলছেন, “দেখুন- বিজ্ঞানে কার কি অবদান তা জ্ঞানি লোকেরা এমনিতেই বুঝতে পারে” আপনি কি বুঝতে পেরেছেন?  

      (২) অনেক ফালতু কথার পর বলছেন, “সবশেষে মরিশ বুকুলি নিয়ে কিছু বলতেই হয়” যেন পণ্ডিতের অণ্ডকোষ এখন ব্যিউখের উপর ও তার কোরান অধ্যয়নের উপর একজন বিশেষজ্ঞ! তারপর, “আসলে নিঃবুদ্ধ  মুসলমানরা [বা-রে বুদ্ধি! আত্মগোপন করা ভীরু মূর্খ কি ধৃষ্টতাপূর্ণ কথা!] সৌদি আরবের টাকায় আল কোরানের তথাকথিত বিজ্ঞান (!) কে এমন হাস্যকর এবং নেক্কার জনক উন্মচন করেছে তাতে কোরানের প্রতি বিশ্ব ফোরামের যে সামান্য শ্রদ্ধা ছিল, এখন তার আর অবশিষ্ট কিছু নেই। [আহা, কোরান দরদী বিদ্যার ঢেঁকী! আপনার মত মহাজ্ঞান যদি মুসলমানদের থাকত! তো সেই ‘বিশ্ব ফোরামটা’ কি? আর কোন কোন দিক দিয়ে সেই ফোরাম, অতীতে, কোন কোন পদ্ধতিতে কোরানের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করত? তারপর কোন শ্রদ্ধার অংশটি অবশিষ্ট ছিল যেটি সৌদির টাকায় ধ্বংস হয়ে গেল? এই প্রশ্নগুলোর একটু “আলোকপাত” করুন। পারবেন, মূর্খমতি? মোটেই না।]

      (৪ক) হাদিস/কোরান। উদ্ধৃত হাদিসের আল্লাহর ‘আসনের’ অর্থ কী? এমন আসনের ব্যাপার কি কোরানে আছে? এসব কথার অর্থ কি? সূর্য, পৃথিবী, ও অপরাপর সৃষ্টবস্তুর সিজদার অর্থ কি? কতবার আপনাকে বলা হয়েছে এখানে মুর্খামি না করতে কিন্তু আপনার লজ্জা হয় না।

      (৪খ) কোরানের ৭৯:৩০     دحا(দাহা) শব্দ কেন এই দুই অর্থে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে তার কি ছাই আপনি জানেন? যারা শত শত বৎসর পূর্বের অভিধানিক উদ্ধৃতি দিচ্ছেন সেই অভিধানগুলো কি মরিস ব্যিউখে ও জাকির নায়িক বদলে দিয়েছেন? মূর্খ কোথাকার! আপনার কাছে যে বিষয়গুলো সমস্যা তা এখানে কি কারো সমস্যার কিছু? আপনি মূর্খ হলে এখানকার কেউ কী কিছু করার আছে? আর এখানকার সবাই যদি মূর্খ হন, আর আপনি যদি যৌথভাবে আরবি ও বিজ্ঞানের পাহাড় হন, তবে এই সমস্যার কী কোনো সমাধান এখানে হবে? আপনার লজ্জা শরম নেই কেন? উল্লেখিত দুই ব্যক্তি যদি আরবি অভিধান বদলি করে থাকেন তবে আগের অভিধানটা কই? দুইজন অনারব বিদেশি, এই যুগে, এই কাজটি করে ফেলল আর আরবের কেউ বুঝতে পারল না, পারল শুধু গোমূত্রপায়ী হিন্দু এক কাপুরুষ যে তার কথার পিছনে প্রমাণ দেখাতে পারবে না। একবিংশ শতাব্দীতে যদি ধরাতলে ‘সমতল’ দেখায় আবার অপর উপায়ে ধারিত-দৃষ্টিতে ‘ডিম্বাকার’ দেখায় এবং এই দুই দৃষ্টিতে যদি কোনো সমস্যা না হয়ে থাকে, এবং কোরানের উল্লেখিত আয়াতের ‘দাহা’ শব্দ যদি উভয় অর্থ গ্রহণের অবকাশ দেয় তবে সেই অর্থ গ্রহণে বাধা আসবে কেন? আপনার কোন বিশেষজ্ঞ জ্ঞান আছে যার প্রেক্ষিতে আপনি এখানে প্যান-প্যান করছেন? এত নির্লজ্জ!       

      (৫) এই সদালাপ ব্লগে অন্যদের তুলনায় মুনিম ভাই “রিজোনেবল” তাই তাকে বুঝি বলতে হবে:

      (ক) ‘বুদ্ধিমানের বিদ্যার দৌড় এতটা অল্প-ভয়ংকর-তাচ্ছিল্য না যে বিজ্ঞানের কথা উঠলেই মরিশ বুকলি আর ইনবে সিনা কবিরাজের পিছে দৌড়াবে?  যে কারনে পুরো ইসলামী বিজ্ঞান বিষয়ে মুসলিমদের একমাত্র নোবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী ডঃ আব্দুস সালাম লিখেছেন: …” অল্প-বিদ্যা ভয়ংকরের ব্যাপার তো আপনার সাথেই জড়িত। মুর্খামি আপনি প্রকাশ করে যাচ্ছেন। মরিস ব্যিউখে কার কবিরাজি করতেন? মূর্খ কোথাকার!

      (খ) ‘যারা মোহাম্মদী তরিকার নামগন্ধও শুনেনি তারাও যে মাহা বিজ্ঞানী হতে পারে সে বিষয়টি আপনাকে প্রথমেই স্মরন করে দিতে চাই। (আপনি জানেনটা কি, আর স্মরণ করাবেনটা কি? পণ্ডিতি কায়দায় কথা বলতে লজ্জা করে না?) দ্বীনের নবী মোহাম্মদ সম্ভবত নিজেও সে সময়ে চীনের জ্ঞান বিজ্ঞানের কথা জানতেন, (ওরে খাইছেরে, নবী জানতেন “বিজ্ঞানটা” চীনে!সেটা কোন বিজ্ঞান?) যে কারনে তিনি তার উম্মতকে সুদুর চীনদেশে যেয়ে জ্ঞান অর্জনের (“জ্ঞান” আর “বিজ্ঞান”?) উপদেশ দিয়েছেন। সুতরাং বিজ্ঞানে (now gain the alteration: “জ্ঞান” and “বিজ্ঞান”, ওরে পণ্ডিত রে!) কে কার জনক এ সরল সত্যটি আপনার নবী স্বয়ং বুঝতে পারলেও দুঃখজনক ভাবে আপনি তা বুঝতে পারেন্নি, আক্ষেপ। [আহহারে আক্ষেপ তো হবেই, “রিজোনেবল” মুনিম ভায়ের মত কাউকে পেলে গোটা গো-জাতের গোবর সম্ভার নিয়ে হাজির হওয়া যায়!]

      (খ) “লজ্জা পাবেন্না, [আরে, “রিজোনেবল” লোক লজ্জা পাবে কেমনে?] এটি মুসলিম-অমুসলিম বিতর্ক না, এটি আসলে বিজ্ঞান বিষয়ক।” [কীরে পণ্ডিত! মুনিম ভাই এতগুলো বিজ্ঞানীর উল্লেখ করার পরে, যাদের অবদান বিশ্বজোড়া, তিনি লজ্জিত হবেন? কেন? কিছু হিন্দু মূর্খ বলে? আপনি কোন মহাবিদ্যালয়ের মহাজ্ঞানী? লজ্জা না ভীতির কারণে আত্মগোপন করে আছেন?]

      (গ) তারপর “রিজোনেবল” মুনিম ভাইকে সম্বোধন করে চলছেই পাণ্ডিত্য। ‘আপনাকে স্মরণ করে দিতে চাই’, ‘জেনে রাখা ভাল’, অমুক যুগের কর্ণধার হচ্ছেন অমুক, আর অমুক যুগের কর্ণধার হচ্ছেন তমুক।
      আপনি কি মনে করিয়ে দিতে চান? যাদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের অবদান যদি বিজ্ঞানে না থাকে তবে আপনি তা প্রমাণ করেন। এটিই হবে ‘সাহসিকতার’ স্থান। এই বিশ্বে যত বিজ্ঞানীর আবির্ভাব হয়েছে সবাইকে অস্বীকার কি মুনিম ভাই এই লেখাটি দিয়েছেন? আপনার গায়ে জ্বালা পুড়া হচ্ছে কেন? কিসের মাস্টারি করতে চান? একটু নেমে করুন। মুখোশ খুলে আসুন।  “মুসলমানদের শূন্য (o)'র সাথে ইউরোপিয়ানদের ২০ এর তর্ক কারা মানে বিজ্ঞানকে লজ্জা দেয়া” –মুনিম ভায়ের লিস্ট সম্বলিত প্রবন্ধ দেয়ার পর, এবং মন্তব্যে অনেক সূত্র আসার পরও, “মুসলমানদের ০ এর সাথে” –বলার কী যৌক্তিকতা আছে? এমন ধরণের অস্বীকৃতি প্রকাশ করতে হলে প্রথমে যেসব বিজ্ঞানের নাম ও অবদানের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, এই বাস্তবতাকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে হবে, তারপর বলা যেতে পারে “শুন্যতা”, এর আগে নয়।

      1. 5.1.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        এম_আহমদ ভাই সালাম, ঝাকা-নাকা জবাব দিয়েছেন। আমার সম্পর্কে যে বিশেষণ আমার দাদাবাবু উল্লেখ করে সে বিশেষণ সহি নয়। হয়তো আমি ভিন্নমত প্রকাশে কিছুটা সহনশীল থাকার কারণে তিনি তার ইসলাম এবং মুসলিদের প্রতি জাত বিদ্বেষ সুলভ কথা গুলো প্রকাশ করতে সক্ষম হতে পেরেছেন।

        যাক প্রতিটি মন্দের কিছু না কিছু তো ভাল থাকে। এই দাদাবাবুর জাত বিদ্বেষী মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই আমি এই ব্লগ তৈরি করেছি। তা নিশ্চয় মন্দের ভালো হয়েছে, আগামীতে এই ধরণের যে কেউ কোন নেটে বিজ্ঞানে মুসলিম বৈজ্ঞানিকদের অবদান নিয়ে প্রশ্ন করলে বাঁ তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করলে যে কেউ এই ব্লগের সাহায্য নিতে পারবে।

        আল্লাহ আপনার কলব এবং কলমের ধার ভার দুনোটির বদলা দান করবেন ইনশাল্লাহ!

        1. 5.1.1.1
          Raihan Rahman

          @ মুনিম সাব ;

          মোল্লা সাহেবের ক্ষেপার কারন বুঝা গেল না।  আমার মনে হইতাছে আমি উনার আসল দুর্বল জাগায় জাকুনি দিসি, তাই ক্ষেপসে। ক্ষেপুগ্গা।

          তো, মুনিম ভাই এখানে "বিদ্বেষ" এর গন্ধ কোথায় পেলেন!  আসলে ইসলামের তথাকথিত হাতি/ঘোড়া বদ করার কাহিনী মওলানারা ওয়াজ মহফিলে কেপটিভ অডিয়েন্সে মুর্খদের সভায় বয়ান করে পার পেয়ে গেছে। কিন্তু মুসলমানদের জন্য এখন জামানাটা বড় বেকায়দার। ইহুদী-নাসারা-নাস্তিক দের কম্পউটার এসে মুসলিমদের লুকানো ঝুলিতে টান মেরে তা সরাব সামনে ওপেন করে দিয়েছে। যে কারনে মোমিন মুসলামনের চাপাবাজি এখন হালে পানি পায় না। একটু "আঁ" করলেই ওদের হাটে হাড়ি ভেংগে যায়। এই যা।

          আপনার জ্ঞাতার্থে বলছি ; আইনস্টাইকে আমি একজন বিজ্ঞানী মনে করি, তবে ইহুদী বিজ্ঞানী কক্ষনো মনে করি না। তদ্রুপ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে একজন কবিই মনে করি, তবে হিন্দু কবি মনে করিনা। কবি নজরুলের বেলায় একই কথা। আর এখানেই আপনার এবং আপনার পর্থক্য। ধন্যবাদ।

           

        2. মুনিম সিদ্দিকী

          বাবু, আপনার ইতিহাস জ্ঞান কম তাই এই ভাবে হাটে হাঁড়ির ভাংগার মিথ্যা অভিযোগ করতে পেরেছেন নতুবা ন্যুনতম লাজ লজ্জা থাকলে এই ভাবে অভিযোগ করতেন না। মুসলিম জাতি ইতিহাসের কোন উপাদানকে তুচ্ছ মনে করেনা এমন কি তা যদি মুসলিমদের আল্লাহ এবং রাসুল সাঃ আপতঃ বিপক্ষে থাকে।

          আর মুসলিমরা এমন কোন উপাদান ইতিহাসে অন্তর্ভুক্তি করে না যদি না সেই উপদান তাদের নির্দিষ্ট শর্ত পুর্ণ করে।

          ২য় তো আমরা বলিনা হিন্দু বৈজ্ঞানিক, মুসলিম বৈজ্ঞানিক, ইহুদি বৈজ্ঞানিক, খৃষ্ঠান বৈজ্ঞানিক, নাস্তিক বৈজ্ঞানিক। বৈজ্ঞানিক তো বৈজ্ঞানিক তার ফসল ধর্ম বর্ণ সকলেই উপভোগ করে। যখন আপনারা অভিযোগ করেন ইসলাম মুসলিমদেরকে আনপড় গোয়ার বানিয়েছে? অথবা মুসলিমদের বিজ্ঞানে কোন অবদান নেই বলে জগণ্য অপপ্রচার করে বসেন তখনই আমরা বাধ্য হই মুসলিম বৈজ্ঞানিকরা কি অবদান রেখে গেছেন তা পুনঃ বর্ণনা করতে।

          ধন্যবাদ।

        3. Yusuf Mamun

          Expressing sincere gratitude for your effort. We enjoyed reading it.

        4. Raihan Rahman

          @ মুনিম ভাই,  

          আল কোরান এবং হাদীস গ্রন্থে উজ্জিবিত মুসলিমরা মধ্যযুগে কি করেছে তার কিঞ্চিত নমুনা বর্তমান তালেবানদের দিকে তাকালেই বুঝা যায়। তালেবানদের কথা বিশেষ ভাবে একারনেই বলছি যে এই সময়ে একমাত্র তালেবানরাই প্রকৃত ইসলামের ঈমান-আকিদা-বিধান-শরিয়া টুদি পয়েন্টে মেনে চলে। মুসলমানরা স্পেন দখলকে ইসলামের ইতিহাসে সবচেয়ে গৌরব(!) জনক অধ্যায় দাবি করে। বলা হয় সে সময় মুসলমানরা স্পেনে নাকি শিক্ষা, সংস্কৃতি, সভ্যতা, জ্ঞান, বিজ্ঞানের পাহাড় বানিয়েছে। ভাল কথা,  জ্ঞান-বিজ্ঞানের গায়ে ধর্মের নাম লেখা থাকে না। তা হলে তো মুসলিমদের রেখে যাওয়া ৫০০ বছরের জ্ঞান-বিজ্ঞান স্পেনিশদের গ্রহন করার কথা। যেমনটি নিজেদের স্বার্থেই ভারতীয়রা গ্রহন করেছে- ২০০ বছরের ইংরেজ শাসনের  ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সভ্যতা, জ্ঞান, বিজ্ঞান, বিচার, ব্যাবস্থাপনা। ইংরেজ বিদায় নেয়ার ৬৬ পরও তামাম ভারতবর্ষে ইংরেজদের রেখে যাওয়া প্রায় সবকিছুই অটুট আছে। এখন আমার জানতে ইছ্ছে করে মুসলমানরা স্পেনে এমন কি তালেবানী অপকান্ড ঘটিয়েছিল যে কারনে স্পেনিসরা মুসলিমদের বিদায় করার পরদিনই তাদের রেখে যাওয়া ৫০০ বছরের রসোগোল্লা ধুয়েমুছে সাফ করে দেয়!!!!!!!!!!!

          সুতরাং আপনাকে বুঝতে হবে- এখানেই আল কোরানের আলোয়(!) আলোকিত  তালেবানী তত্বের ধারক বাহক মুসলমানদের সাথে সভ্য, ভব্য, স্বীকৃত, গ্রহনযোগ্য ইংরেজদের পার্থক্য।

          তাই বলছি @ জনাব মুনিম ভাই-  ধর্মের সংকৃন আবেগে আপ্লুত না হয়ে নিরপেক্ষ  উদার মন নিয়ে ইতিহাসের জ্ঞান, বিজ্ঞান, সভ্যতা, অবদান এবং সত্য জানার চেষ্টা করুন। লজ্জার কিছু নেই, আমিও আপমার মতই একজন লজ্জিত মুসলমানের সন্তান।

    2. 5.2
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      @ রায়হান রহমান,

      আপনার পুরো মন্তব্যটির উত্তর দেয়ার আমি কোন প্রয়োজন মনে করছি না। কেননা এম আহমেদ ভাই খুব সুন্দরভাবেই জবাব দিয়ে দিয়েছেন। মুসলিমরা বিজ্ঞানে কি এমন অবদান রেখেছে, এই ধরনের ফালতু মিথ্যাচারপূর্ণ অভিযোগ, আপনাদের হীনমন্যতা ও হিংসার পরিচয় বহন করে সন্দেহ নেই।

      মুসলমানরা বিজ্ঞানে কি অবদান রেখেছে? 
      মুসলমানরা তৎকালীন পৃথিবীর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা 'বৈজ্ঞানিক জ্ঞান'কে একত্রিত করেছে এবং মুসলমানরাই 'আধুনিক বিজ্ঞান'-এর সূচনা করেছে। আধুনিক বিজ্ঞান কি? আধুনিক বিজ্ঞান হলো পরীক্ষানিরীক্ষা লব্ধ জ্ঞান, যাকে বলে 'Empirical Science' । হ্যা, মুসলমানদের আগে পৃথিবীব্যাপী চর্চিত জ্ঞান ছিল 'থিওরিটিক্যাল'; মুসলিমরাই প্রথম এক্সপেরিমেন্টাল নলেজকে থিওরিটক্যাল নলেজ-এর উপর প্রাধান্য দিয়ে 'আধুনিক বিজ্ঞানের' সূচনা করেছে। বস্তুত, ইউরোপে 'এক্সপেরিমেন্টাল সাইন্স' বা 'সাইন্টিফিক ম্যাথোডোলিজি'-র ধারনা প্রথম Introduce করেন: Robert Grosseteste দ্বাদশ শতাব্দীতে এবং এক্ষেত্রে তিনি সাহায্য নিয়েছিলেন Arabic এবং Greek text গুলোর। উইকিপিডিয়াতে এভাবে বলছে,

       

      During the European Renaissance of the 12th century, ideas on scientific methodology, including Aristotle's empiricism and the experimental approaches of Alhazen and Avicenna, were introduced to medieval Europe via Latin translations of Arabic and Greek texts and commentaries.

      (http://en.wikipedia.org/wiki/History_of_scientific_method#Emergence_of_inductive_experimental_method)

      ত্রয়োদশ শতাব্দীতে, রজার বেকন, তার বই 'Opus Majus' এ সর্বপ্রথম 'Scientiae experimentalis' শব্দটি ব্যবহার করেন এবং এটি তিনি অনুবাদ করেছেন আরবী 'al-ulum at-tajribiyah' শব্দ দ্বয় থেকে যার অর্থ Experimental Science. (Muin-ud-Din Ahmad Khan, Origin and Development of Experimental Science, page: 15)

      এবার আপনি এক্সপেরিমেন্টাল সাইন্স বিহীন একটি পৃথিবী চিন্তা করে 'ঘাস' থেকে থাকুন।  

       

      1. 5.2.1
        Raihan Rahman

        @ আবদুল্লাহ সাঈদ খান ;

        আপনারা দাবি করেন- পৃথিবীর তাবত বিজ্ঞানের একখানা কিতাব আপনাদের ধর্মে নাজিল হয়েছে এবং এই কিতাবেই আজন্ম মাথাগুজে আছেন। কিন্তু সেখানে বিজ্ঞানের কিকি মাথা-মুন্ডু লুকিয়ে আছে তার বিন্দু বিসর্গ আপনারা জানেন না। তবে মুক্তচিন্তার অনুসন্ধানী বিজ্ঞানীরা কোন কিছু আবিস্কার করার পর খুব সহজেই মালুম করতে পারেন " উহা আপনাদের কোরানে লুকায়িত বিজ্ঞানের অংশ বিশেষ"। যে কারনে আল কোরানে এত সহজ, সরল, সাবলিল আরবী ভাষায় বর্নিত গোলাকার(??) পৃথিবীর কথা বারবার বলার পরও উহা যে আসলেই গোল তা আপনারা বুঝতে পারেন্নি। শুধু আপনারা কেন, নবী সাহাবী আলেম ওলেমা থেকে শুরু করে সে আমলের গজিয়ে উঠা পোনা মাছের মত ঝাকবাধা মুসলিম বিজ্ঞানী(?) কুলও আল কোরানের ভিতর রসোগোল্লা আকৃতির কোন গোল্লা খুঁজে পায় নি। এর জন্য অপেক্ষা করতে হয় টানা ১২০০ বছর। যখন কোর্পানিকাস, গ্যালালিও প্রমান করলেন পৃথিবী আসলে সমতল নয়(পৃথিবীকে এর পরে বিস্তৃত করেছেন, সুরা- ৭৯:৩০) বরং গোলাকার। আর তখনই সুচতুর বুকুলি/জাকির…………..  গং আল কোরানের ভিতর গোলাকার পৃথিবীর ন্যায় বিশাল এক ডিম্বের অস্তিত্ব অনুভব করলেন!!!!!!!!!!!!  ধিক, মানুষ কতটা হিনমন, অসার, দেউলিয়া, নিলজ্জ হলেই কেবল তা করতে পারে।

        আপনি বলেছেন- "মুসলমানরা তৎকালীন পৃথিবীর ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা 'বৈজ্ঞানিক জ্ঞান'কে একত্রিত করেছে এবং মুসলমানরাই 'আধুনিক বিজ্ঞান'-এর সূচনা করেছে।"  আমার জানতে ইছ্ছে করে তা হলে সমসাময়িক চীন, ভারত, জাপান, ইউরোপরের মানুষ তখন কি করেছে? ঘাস খেয়েছে??  তাই বলছি- এসব বাজে কথা না বলে এখানে দেখুন(100 Scientists Who Shaped World History), জেনে রাখা ভাল এই ১০০ জনের তালিকায় হাকিম ইবনে সিনার নামটিই এসেছে মাত্র। লিংক : http://www.adherents.com/people/100_scientists.html#shaped  

        সত্যি কথা বলতে কি জানেন- মুসলমানদের আবিস্কারের জাহাজ এখন শুধুই ইহুদী-নাসারা-নাস্তিক আবিস্কৃত কম্পিউটার ওয়েব সাইটে www/dot আকারে ডুমুরের ফুলের সমারহ ছাড়া আর কিছু না। ধন্যবাদ।

        1. 5.2.1.1
          আবদুল্লাহ সাঈদ খান

          ভাই, আপনার লিংকটিতে আপনার দাবীকৃত ভারতবর্ষের কোন বিজ্ঞানী এবং চৈনিক বিজ্ঞানীদের নাম পেলাম না। এছাড়া আপনার লিংকটিতে যে সকল গ্রীক ও ল্যাটিন বিজ্ঞানীদের নাম এসেছে তারা কেউ 'এক্সপেরিমেন্টাল সাইন্স শুরু করেননি।' আপনি উইকির সাইন্টিফিক মেথোডলজীর লিংকটা আরেকবার দেখতে পারেন। ভারতবর্ষে এবং চিনে কোন বিজ্ঞানী ছিল না, এরকম দাবী এ পোস্টের কোথাও করা হয়নি এবং কোন মন্তব্যেও তা দেখলাম না। বরং মুসলিমরা যখন জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার শিখরে ছিল, তখন তাদের কি অবদান ছিল তা আমি মন্তব্যে স্পষ্ট করেছি। মুসলিমরা গ্রীক, চৈনিক ও ভারতীয় বিজ্ঞানীদের কাজগুলোকে একত্র করে প্রথমে শিখেছে, সুতরাং ঐ সকল বিজ্ঞানীদের অবদান অস্বীকার করার কোন কারণ নেই। কিন্তু অত:পর মুসলিমরাই থিওরিটিক্যাল নলেজের পরিবর্তে প্র্যাকটিকেল নলেজকে গুরুত্ব দিয়ে এক্সপেরিমেন্টাল সাইন্স প্রতিষ্ঠা করেছে। 

          এছাড়া জন হাডসন টাইনার যে ইচ্ছেকৃত ভাবেই অধিকাংশ মুসলিম বিজ্ঞানীদের নামকে তার বইয়ে স্থান দেননি, আপনি তা কিভাবে প্রমান করবেন? 

        2. Raihan Rahman

          Tsung-Dao Lee    1926- Shanghai, China

          Har Gobind Khorana    1922-     Raipur, Chhattisgarh, India  
          তালিকা থেকে এই নাম দুটো একটু খুঁজে নিয়েন।

          দেখুন- চীন বা ভারতের কেউ দাবি করে না যে তাদের দেশ-ধর্মই সব বিজ্ঞানের ভান্ডার, যেটা হাস্যকর ভাবে আপনারা করেন। মুসলিমরাই Experimental Science জনক- এ আবদার কোথ্থেকে শিখেছেন? আমার দেয়া লিংকটিতে কোথাও লেখা নেই মুসলিমরাই সব  Experimental Science জনক, দয়া করে লিংটি আবার পড়ুন।  তাছাড়া- আমার জানতে ইছ্ছে করে- কোন জনমে মুসলিমরা জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চার শিখরে ছিল যে আপনি সমসাময়িক অন্যদের অবদান নিয়ে flatly প্রশ্ন তুলছেন?  

          "অত:পর (মুসলিমরাই) থিওরিটিক্যাল নলেজের পরিবর্তে প্র্যাকটিকেল নলেজকে গুরুত্ব দিয়ে এক্সপেরিমেন্টাল সাইন্স প্রতিষ্ঠা করেছে"(!!), যদি তাই হবে তো অন্য সবাই নিশ্চয় সে সময় ঘাষ চিবিয়েছে??  যে কারনে Empirical Science এর প্রয়গিক বিজ্ঞান বিপ্লবে মুসলমানদের অবদান শুন্য।  কথা একটু হুশ করে বইলেন। ধন্যবাদ।

           

    3. 5.3
      মোঃ তাজুল ইসলাম

      @Raihan Rahman,

      ছদ্ম নাম ব্যবহার কেন?  আপনি মনার প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ। ইসলাম ও কোরআন নিয়ে মন্তব্য করা আপনাকে মানায় না। বাংলাদেশের রাজনীতিবিদদের মতই আপনি প্রবৃত্তিপূজারী উম্মাদ। এক হালি পি এইচ ডি আর নোবেল অর্জন করাকে জ্ঞ্যানী বলে না। যে নিজের 'আমি'-কে জানে, সেই জ্ঞ্যনী। এখন এই লিখা পড়ার সময় যেমন 'আমি'-কে দাবী করতেছেন, ঠিক তেমনি ধুমের মধ্যে নিজের 'আমি'-কে বের করার চেষ্টা করেন। দেখা যাক শক্তি ও ক্ষমতা কতটুকু? আপনারা মনায় 'আমি'-র সংজ্ঞা দেন "দেহ, মন আর ইনফর্মেটিভ"। কোথা থেকে এইসব ফালতু কথার জোগাড়? বেটা 'জাফরউল্লাহ'-কে বলেন, এখন আপনাদের সাহায্য করতে, যেই বেটা  কত কিছুই না মনাদের দিয়ে গেল।

      1. 5.3.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        আমার মনে হয়না অভিজিত বাবু আমার মনে হয় এই ব্যক্তি "চারবাক" না হয় "গালু ভাই"। ধন্যবাদ।

        1. 5.3.1.1
          মোঃ তাজুল ইসলাম

          ধন্যবাদ মুনিম ভাই। ঠিক, উনি অভিজিৎ বাবু নন। তবে বাবুর স্টাইল নকল করা। পৃথিবী গোলাকার, সমতল, সূর্যের চারিদিকে ঘুরে/ঘুরে না  এই বিষয় নিয়ে বাবু অনেক আগে লিখা দিয়েছিলেন। ঐ লিখার স্টাইল ও এখানকার উপস্থাপন একই। কথার ধরন আর অন্যদের সম্বোধন বাবুর মতই। এইসব নাস্তিকদের প্রতি কখনও খুব রাগ লাগে, আবার কখনও মায়াও হয়। প্রবৃত্তির তাড়নায় বাহিরে দৃষ্টি না দিয়া যদি নিজের ভিতরে দিত, তবে তাদের জ্ঞ্যন ও চিন্তাশক্তির প্লাটফর্ম পরিবর্তন হয়ে যেত।  

          ভাল থাকুন, মুনিম ভাই।

        2. মুনিম সিদ্দিকী

          অভিজিত বাবূর স্টাইল নয়, এই অভিজিতবাবুরা নতুন কিছু আবিষ্কার করেন না, তার ফেইথ ফ্রিডম, আনসারিং ইসলাম নামক এবং এই জাতীয় অসংখ্য ইহুদী-খৃষ্টানদের ইসলাম বিদ্বেষী সাইট আছে সেখান থেকে মারিং করে বাংলা ভার্চুয়াল জগতে প্রচার করছেন। এক নাপিতের ক্ষুরে মাথা কামানো লোকতো তাই তাদের সব লেখায় সিমিলারিটি দেখতে পাওয়া যায়।

          তবে এদের সকল অপপ্রচারের জবাব আরবী মুসলিম ভার্চুয়াল সৈনিকরা দিয়ে রেখেছে, যা আমরা আরবী না জানার জন্য সেখান থেকে তা আহরণ করতে পারছিনা। ধন্যবাদ।

        3. Raihan Rahman

          "ফেইথ ফ্রিডম, আনসারিং ইসলাম নামক এবং এই জাতীয় অসংখ্য ইহুদী-খৃষ্টানদের ইসলাম বিদ্বেষী সাইট আছে সেখান থেকে মারিং করে বাংলা ভার্চুয়াল জগতে প্রচার করছেন।"

          আপনার কথা শুনে মোটেও অবাক হইনি। বিজ্ঞানী গ্যালিলিয়র জন্মের ৬০০ বছর পর-  জাকাত ব্যাপারী জাকির নায়েকের মত চালাক আরবী মুসলিম ভার্চুয়াল সৈনিকরা আল কোরানের হাস্যকর ডিম্বতত্ব প্রসব করবে আর এই গ্লোবের সবাই তা গিলবে তাতো হতে পারে না। আপনাদের এসব বাচলামির দাঁতভাংগা জবাব দেয়ার জন্যই ফেইথ ফ্রিডম, আনসারিং ইসলাম সদা প্রস্তুত।

        4. এস. এম. রায়হান

          এইসব নাস্তিকদের প্রতি কখনও খুব রাগ লাগে, আবার কখনও মায়াও হয়।

          এখানে 'নাস্তিক' কোথায় পেলেন। লেঞ্জা লুকানো ধূর্ত বর্ণবাদীদেরকে 'নাস্তিক' ট্যাগ করলে তারা যে খুশী হয় এবং এই সুযোগে তারা যে মুসলিমদেরকে 'নাস্তিক-বিরোধী' ট্যাগ করে ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে তা এতদিনে আপনার অজানা থাকার কথা না। মুসলিমরা দেখা যায় ঠেকেও শিখে না।

  30. 4
    Engl

    কঠিন হলেও সত্য ভোগবাদী পৃথিবীতে ইদুর বেড়াল রেসের গতি যেভাবে বেড়েছে তার সাথে বেড়েছে অবিশ্বাসীদের সংখ্যা। যাদের কাজই হলো সব জায়গায় 'তেনা প্যাচানো' আর নিজেদের স্বার্থের বেলায় 'স্পিকটি নট'। এদের কাছে ১৫০০ বছর অনেক আগের কথা কিন্তু নেংটা হয়ে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মত ঘোরাঘুরি করাটা আধুনিক। অপেক্ষায় আছি কোনদিন যেন মানবিকতার মানদন্ড নিয়ে এরা নিজেরাই মারামারি শুরু করে দেয়।

    1. 4.1
      মুনিম সিদ্দিকী

       আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগতপম! সঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ।

  31. 3
    পাভেল আহমেদ

    প্রাচীন মুসলিম বিজ্ঞানীদের মধ্যে একজন ছিলেন আল জাজারি। ইস্তাম্বুলের একটি মিউজিয়ামে তাঁর একটি বই সংরক্ষিত আছে। তিনি মূলত একজন ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তাঁর বেশীরভাগ কাজ ছিল অটোমেটেড মেসিন নিয়ে। এদের মধ্যে থেকে তাঁর অটোমেটেড ওয়াটার লিফটিং মেশিনগুলো সবচেয়ে বিখ্যাত। হিস্টোরি চ্যানেলের একটি সিস্টার চ্যানেল হিস্টোরি রিপিটিং চ্যানেলে এই নিয়ে একটি অনুষ্ঠান দিয়েছিল। সেখানে সিরিয়ার দামাস্কাসে থাকা তাঁর একটি অটোম্যাটিক ওয়াটার লিফটিং মেসিন দেখিয়েছিল যা ভুমি থেকে ১০ মিটার উঁচুতে পানি উঠাতে সক্ষম ছিল!!! চিন্তা করেন! সেই যুগে  বিদ্যুৎ শক্তি ছাড়া  প্রাচীন টেকনোলোজি দ্বারা অটোম্যাটিক মেসিন ব্যাবহার করে ১০ মিটার উঁচুতে পানি উঠানো!!!! লোকটা আসলেই জিনিয়াস ছিল! এই মেশিনটি ছিল তাঁর ওই বইয়ে পাওয়া ৩ নম্বর ওয়াটার রেইজিং মেসিন। তবে তাঁর ৪ নম্বর ওয়াটার রেইজিং মেসিনের ডিজাইনটি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারন সেখানে তিনি ক্র্যাংক সিস্টেম ব্যাবহার করেন যা তখনকার যুগের জন্য ছিল অভূতপূর্ব। এর আগে পর্যন্ত ক্র্যাংক ব্যাবহার করা হলেও তা হাতে চালানো হতো। কিন্তু আল জাজারির ৪ নম্বর পানি উত্তোলন মেসিন ছিল একটি অটোমেটেড এবং সেই সাথে একটি রোটেটিং মেসিনে ক্র্যাংক কানেক্টিং রড সিস্টেম। আল জাজারির কাজ সম্পর্কে জানার আগে বিশেষজ্ঞরা মনে করতেন যে ১৫'শ শতকের ইউরোপিয়ানরা এই টেকনোলোজি প্রথম আবিষ্কার করেন। আল জাজারি এখানে যে মেকানিজম ব্যাবহার করেন ঠিক হুবহু একই রকম একটি মেকানিজম পরবর্তীতে স্টিম ইঞ্জিনেও ব্যাবহার করা হয়। আসলে মুসলিম বিশ্বের আবিষ্কার সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা এখানে সম্ভব না। জ্ঞান বিজ্ঞানে যে পরিমান অবদান মুসলিমরা রেখেছে গেছেন তা সম্পূর্ণ রূপে বর্ণনা করার জন্য মুসলিম সাইন্সপিডিয়া বা এই জাতীয় কিছু একটার প্রয়োজন পড়বে এবং ওই সাইন্স পিডিয়ার আবার বেশ কয়েকটি খণ্ডও থাকতে হবে স্থান সংকুলানের জন্য!!!!!

    1. 3.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      ধন্যবাদ পাভেল ভাই আপনার মুল্যবান সংযোজনের জন্য। আশাকরি অন্যরা এই বিষয়ে এগিয়ে আসবেন, সম্বৃদ্ধ করবেন আমাদের এই ব্লগকে।

  32. 2
    সাদিয়া

    ইসলাম মুসলিমদের শিক্ষা দেয় জ্ঞান অর্জনের জন্য, এর জন্য বলা হয়- ‘যে জ্ঞান অর্জন করে তার মৃত্যু নাই’, ‘চীন দেশে যেতে হলেও সেখানে গিয়ে জ্ঞান অর্জন করবে’, ‘প্রত্যেক নর নারীর জন্য জ্ঞান অর্জন অবশ্য কর্তব্য’, ‘সমস্ত রাত্রির প্রার্থনার চেয়ে এক ঘণ্টা জ্ঞান চর্চা করা উত্তম’, ‘যে জ্ঞানীকে সম্মান করে সে রাসুল সাঃকে সম্মান করে’।

    ভাই কোরানে কোথায় এই উক্তিগুলো আছে ? জানালে উপকৃত হতাম। যেহেতু, অনেক ঈমানদার বান্দার কাছে হাদিস গ্রহনযোগগ্য না ।

    হাদিস অনুযায়ী মুহম্মদ বিবৃতি করেছেন যে, একজন প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে কোন মহিলার সাথে এক ঘরে থাকতে হলে ঐ পুরুষটিকে মহিলার বুকের দুধ পান করতে হবে !!! এটা কি কোন ভালো পরামর্শ হতে পারে বলে আপনি মনে করেন ?

    The Ulema'A'isha  reported that Salim, the freed slave of Abu Hadhaifa, lived with him and his family in their house. She (i. e. the daughter of Suhail came to Allah's Apostle (may peace be upon him) and said: Salim has attained (puberty) as men attain, and he understands what they understand, and he enters our house freely, I, however, perceive that something (rankles) in the heart of Abu Hudhaifa, whereupon Allah's Apostle said to her: Suckle him and you would become unlawful for him, and (the rankling) which Abu Hudhaifa feels in his heart will disappear. She returned and said: So I suckled him, and what (was there) in the heart of Abu Hudhaifa disappeared. Sahih Muslim 8:3425

     

    1. 2.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      আপনার তো জানার কথা সুন্নাহ আল কোরানের পরিপূরক সোর্স। কে মানে আর কে মানে না সেটি অন্য কথা তবে বৃহত্তম অংশের সুন্নাহ মানাতে কোন অনীহা প্রকাশ করেন নি, তাই রায় গ্রহণের নর্ম হিসাবে আমাদের কাছে সুন্নাহর নির্দেশ গুরুত্ব পূর্ণ এবং পালনীয়। আল্লাহ আল কোরানে বহুবার নির্দেশ দিয়েছেন -- আমাদের যাবতীয় সমস্যার জন্য আল্লাহ এবং তার রাসুল সাঃ এর নির্দেশকে অনুসরন করতে। কাজেই সুন্নাহতে যা এসেছে তা কোন ভাবে আল কোরানের শিক্ষার কোন বিপরীত কিছু নয় বরং পরিপুরক ভাবে বাস্তবায়নের উদাহরণ। যা দেখে আমারা সে মত গ্রহণ বর্জন করতে পারি।

      তারপর যখন আল কোরান থেকে বিদ্যা শিক্ষা জ্ঞান বিজ্ঞান অর্জন করার পক্ষে আয়াত জানতে চেয়েছেন  তা আমি নিম্নে দিচ্ছি- মন যদি সত্য বুঝার মত প্রস্তুত থাকে তাহলে এই আয়াত থেকে আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়েছে যাবেন, আর উদ্দেশ্য যদি থাকে লাপড়া করার জন্য তাহলে এই আয়াত থেলে লাপড়া করার উপাদান পেয়ে যাবেন। http://www.al-islam.org/education-Islam-rizvi/1.htm

       

        দুধ বিষয়ে এই ব্লগ নয় বিধায় অপ্রাসঙ্গিক প্রশ্নের জবাব ইগ্নোর করা গেল। ধন্যবাদ।

    2. 2.2
      Tayeb

      @সাদিয়া

      কেউ যদি হাদীস মানতে না চাই, শুধু কোরানকেই মানতে চায়, এটা এমনই যে কেউ দাবী করল সে সরাসরি তার বাবার কাছ থেকেই এসেছে। আমি দুঃখিত অনেক শক্ত কথা হয়ে গেছে। কেউ হাদীস অস্বীকার করলে সাথে সাথেই সে ইমানদার হতে নিপতিত হয় বেইমানদের কাতারে, যতক্ষন না তওবা করবে।

      নিজেকে একটা প্রশ্ন করুন, কোরআন কি আল্লাহ্ পাক সরাসরি একটা প্যাকেট করে পঠিয়ে দিয়েছেন? নাকি ২৩ বছর সময় নিয়ে একটু একটু করে সময় ও ঘটনার প্রেক্ষিতে নাজিল হয়েছে। যার মাধ্যমে কোরআন পেয়েছি তাঁর কথা মানেনা আবার কোরআন মানে। এর চেয়ে বড় মোনাফিক আর কে আছে? ব্যাখ্যা অনেক কিন্তু আমি সংক্ষিপ্ত করে বললাম।

    3. 2.3
      mahfuz

      এখানে দেখুন -- https://sites.google.com/site/everlastingheavenlylight/

  33. 1
    অজয় রাউত

    আজকের বিশ্বে বিজ্ঞানের যে বিশেষ শাখা নিয়ে তুমুল বিতর্ক সেই বিবর্তনবাদ এবং বিবর্তনবাদের জনক বলে যে চার্লস ডারউইনের কথা উল্লেখ করা হয়ে থাকে, সেই পশু-পাখি, লতা-পাতা নিয়ে ডারউইনের আগেও যিনি কাজ করে গেছেন তিনিও মুসলিম বৈজ্ঞানিক যার নাম আল আসমাঈ, বর্তমান কোন মানুষ তার লেখা সে সময়ের গবেষণামূলক বইকে অস্বীকার করতে পারবেন না। তার জন্ম ৭৪০ খৃঃ, মৃত্যু ৮২৮ খৃঃ।

    এসব কি লিখছেন! রায়হান সাহেবরা তো হয়রান হয়ে উঠবেন। দারুন হচ্ছে, আশাকরি বর্তমান অবস্থার কারণটা সম্পর্কে কিছু বলবেন।

    1. 1.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      অজয় রাউত বাবু আদাব। আমার ব্লগে আপনাকে স্বাগমত। তবে দয়া করে কাউকে কোন ব্যক্তি আক্রমণ করে কমেন্ট করবেন না। আমরা এখানে এসেছি জানতে এবং জানাতে তাই আমাদের ভাষা হবে ভালোবাসার ভাষা।

      ২য়তঃ আমি আপনাদের জ্ঞানি গুনী কেউ নই এক সাধারণ মানুষ এবং জন্ম যেহেতু মুসলিম পিতা মাতার ঘরে হয়েছে সেই  উত্তরাধিকা সূত্রে আমিও মুসলিম। আমি যে ভাবে আমার মা বাবাকে ভালোবাসি সে ভাবে আমার ধারণ করা ধর্মেকেও ভালোবাসী, এই ধর্মকে কেউ বিরূপ সমালোচনা করলে আহত হই, তাই বিরূপ সমালোচনার উৎস জানতেই পড়া-শুনা করি, যেখানে এর পক্ষে ভালো যুক্তি পাই তাই তোলে ধরি আমার ব্লগগুলোতে

      হাল সময়ে বিজ্ঞানে মুসলিমরা কি ভাবছে না ভাবছে তা তো ঐ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মুসলিম ভাইয়েরা দিতে পারবেন আমি আদার ব্যাপারী সে জবাব দিতে পারবোনা দাদা। ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।

      1. 1.1.1
        অজয় রাউত

        “হাল সময়ে বিজ্ঞানে মুসলিমরা কি ভাবছে না ভাবছে তা তো ঐ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মুসলিম ভাইয়েরা দিতে পারবেন আমি আদার ব্যাপারী সে জবাব দিতে পারবোনা দাদা। ভালো থাকুন। ধন্যবাদ।”

        কি ভাবছে সেটাতো সদালাপ পড়েই জানতে পারছি, কিন্তু কেন ভাবছে সেটাই প্রশ্ন। আপনিও ভালো থাকবেন, মন্তব্যের জবাব দেওয়ায় ধন্যবাদ।

    2. 1.2
      এস. এম. রায়হান

      এসব কি লিখছেন! রায়হান সাহেবরা তো হয়রান হয়ে উঠবেন।

      মুক্তমনা ব্লগ থেকে যে ভাইরাস ছড়িয়েছে, সেই ভাইরাসে ভারতীয় হিন্দুরাও আক্রান্ত হয়েছে দেখে বেশ মজা পেলাম। ভাইরাসটা পুরো ভারতবর্ষে ছড়িয়ে দিতে পারেন কি-না দেখুন।

      এবার আসল কথায় আসি। রায়হান সাহেবরা হয়রান হয়ে উঠবে কি-না সেই ভবিষ্যদ্বাণী করার আগে আপনি নিচের উদ্ধৃত অংশে বিশ্বাস করেন কি-না সেটা আগে বলেন-

      আজকের বিশ্বে বিজ্ঞানের যে বিশেষ শাখা নিয়ে তুমুল বিতর্ক সেই বিবর্তনবাদ এবং বিবর্তনবাদের জনক বলে যে চার্লস ডারউইনের কথা উল্লেখ করা হয়ে থাকে, সেই পশু-পাখি, লতা-পাতা নিয়ে ডারউইনের আগেও যিনি কাজ করে গেছেন তিনিও মুসলিম বৈজ্ঞানিক যার নাম আল আসমাঈ, বর্তমান কোন মানুষ তার লেখা সে সময়ের গবেষণামূলক বইকে অস্বীকার করতে পারবেন না। তার জন্ম ৭৪০ খৃঃ, মৃত্যু ৮২৮ খৃঃ।

      যদি বিশ্বাস করেন তাহলে এটাও স্বীকার করতে হবে যে ডারউইন কোনো রেফারেন্স না দিয়ে মুসলিম বিজ্ঞানীদের লেখা থেকে ধারণা নিয়ে বিবর্তন তত্ত্ব প্রস্তাব করেছেন, অ্যাকাডেমিক পরিভাষায় যাকে প্লেজিয়্যারিজম বলা হয়।

      1. 1.2.1
        অজয় রাউত

        “যদি বিশ্বাস করেন তাহলে এটাও স্বীকার করতে হবে যে ডারউইন কোনো রেফারেন্স না দিয়ে মুসলিম বিজ্ঞানীদের লেখা থেকে ধারণা নিয়ে বিবর্তন তত্ত্ব প্রস্তাব করেছেন, অ্যাকাডেমিক পরিভাষায় যাকে প্লেজিয়্যারিজম বলা হয়।”

        আপনি যদি বিবর্তন তত্ত্ব মেনে নেন তবে আমি সম্পূর্ণ বিশ্বাস সহকারে স্বীকার করছি যে, ডারউইন, নিউটন, আইনস্টাইন মায় হকিং থেকে ডকিংস, সব্বাই কুম্ভিলক।

        মজা পেয়েছেন দেখে ভালো লাগল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.