«

»

Jun ২৭

কোন রাষ্ট্রে ইসলাম স্বাধীন না হলে সে রাষ্ট্রের মুসলিম পূর্ণ মুসলিম হতেপারেনা

ইসলাম এমন এক ধর্ম, মুসলিম এমন এক উম্মাহ তারা পরাধীন দেশে কিংবা অমুসলিম শাসিত দেশে সম্পূর্ণ মুসলিম হয়ে থাকতে পারেনা। মুসলিমদেরকে সম্পূর্ণ মুসলিম হয়ে থাকলেও স্বাধীন থেকে বাস করতে হবে। আর এই জন্য ই মুসলিমদের রাজনীতি করা আবশ্যক। রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা ফরজ।
ইতিহাস পড়ে জেনে নিন, রাসুল সা; যখন জন্ম ভূমি মক্কা ছেড়ে মদিনায় আসেন তখন মুসলিমরা সংখ্যায় কম ছিলো। মদিনার স্থায়ী বাসিন্দা ইহুদীদের মধ্যে জ্ঞানী গুণী পণ্ডিত ব্যক্তি কম ছিলেন না। রাসুল সা: তো ঐ সব পণ্ডিত ব্যক্তিদের উপর মদিনা পরিচালনার দায়িত্ব দিয়ে তিনি ইসলামের তবলীগী কাজে নিয়োজিত থাকেননি। তিনি তাকে শাসক হিসাবে মেনে নেবে এই শর্তে মদিনায় গমন করেছিলেন। মদিনায় গিয়েও সংখ্যাগরিষ্ঠ ইহুদী সমাজকে তাকে শাসক হিসাবে মানে নিবে কিনা জিজ্ঞাসা করে তাদের অনুমোদন নিয়েই তিনি সেখানে ইসলামী শাসনের শুভ সূচনা করেছিলেন। নিজ হাতে মদিনার সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা শুরু করেন। আল্লাহর কাছ থেকে যে আদেশ এসেছে তা সাথে সাথে বাস্তবায়ন করেছিলেন।
রাসুল সা: জীবিত অবস্থায় সারা আরব উপদ্বীপের মানুষ (মুনাফিক) ভিতরে ভিতরে ইসলামকে দ্বীন হিসাবে মেনে না নিলেও রাষ্ট্র নেতা হিসাবে রাসুল সা: এর প্রতি আনুগত্য ঘোষণা করেছিল।
রাসুল সা: এর রাজনৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আবু বকর রা: উমরা রা: উসমান রা: আলী রা: ইসলামী খেলাফতকে বিস্তার ঘটিয়েছিলেন । মাত্র একশত বছরের মধ্যে এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা মহাদেশের দেশে দেশে খেলাফতের বিস্তার ঘটেছিলো। উন্নত জীবন দর্শনের আলোকে লক্ষ কোটি মানুষ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলো এবং যারা ইসলাম গ্রহণ করেনি তারাও ইসলামি খেলাফতের অধীনে বিশ্বস্ত নাগরিক হয়ে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা সহকারে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সুখ শান্তিতে বাস করে আসছিলো।
ঐ সময় মুসলিমরা শুধু পর দেশ শাসন বা নামাজ রোজা হজ জাকাতের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিলোনা তারা জ্ঞান বিজ্ঞানেও নিয়োজিত ছিলো। বৈজ্ঞানিক গবেষণা করেছে, নিত্য নতুন আবিষ্কারও করেছে। কারণ আল কোরানে আল্লাহতালা নামাজ কালামের সাথে সাথে বিশ্ব সৃষ্টি সম্পর্কে , দিবারাত্রি আবর্তন সম্পর্কে দুই সাগরের মিলন স্থল সম্পর্কে ,প্রকৃতি সম্পর্কে চিন্তা গবেষণা করতে বার বার মুসলিমদেরকে উদ্বুদ্ধ করেছেন। ঠিক সেই সময়ে খৃষ্টান বিশ্বে বিজ্ঞান সাধনার কারণে বৈজ্ঞানিকদেরকে খৃষ্টান পাদ্রীরা পুড়িয়ে হত্যা করতো।
কালক্রমে যখনই মুসলিম শাসকরা ইসলামী শাসন থেকে ধর্ম সমন্বয় সাধনের পথে পা বাড়ালেন তখন তারা আর খলিফা হিসাবে থাকতে চাইলেন না, তারা বিধর্মীদের শাসকদের মত নিজেরা রাজা বাদশাহর বনে গেলেন, বিলাস বেসনে মত্ত হয়ে পড়লেন। তখন থেকেই ইসলামের পতনের যুগের সূচনা শুরু হয়ে থাকে।
মুসলিম শাসকরা যতক্ষণ খলিফা হিসাবে ছিলেন তখন রাষ্ট্রের জনগণ প্রবল প্রতাপান্বিত খলিফা উমর রা: কে তার রাষ্ট্রীয় ভাষণে মধ্যে ভাষণ থামিয়ে জিজ্ঞাস করতে দ্বিধা বোধ করতোনা, খলিফা কোথায় থেকে অতিরিক্ত কাপড় পেয়েছেন যার দ্বারা তিন এত লম্বা পোশাক বানাতে পারলেন?
কিন্তু যখন মুসলিম শাসকরা রাজা বাদশাহ বনে গেলেন তখন থেকে প্রজারা রাজা বাদশাহের কাছে ঘেঁষা দুরের কথা রাজকর্মচারীদের কাছে আসতে অক্ষম হয়ে গেলেন। যে রাষ্ট্রের নাগরিক নিজদেরকে রাষ্ট্রের অংশীদার বলে জানতেন তখন থেকে তারা রাজা বাদশাহের অনুগত প্রজাতে রূপান্তরিত হওয়ার কারণে তাদের আত্মসম্মান বোধ হ্রাস পেতে থাকে, তার সাথে সাথে রাষ্ট্রে প্রতি দায় দায়িত্বের অনুগতেও ভাটা পড়ে।
কালে কালে একদিকে মুসলিমদের মধ্যে বিজাতীয় আচার প্রথার পালক লাগতে শুরু করে, অন্যদিকে মুসলিমদের মনের মধ্য থেকে নিজকে মুসলিম বলে গৌরব বোধ, আত্মসম্মান বোধ হ্রাস পেলো। জ্ঞান বিজ্ঞান গবেষণা আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষায় স্থবিরতা নেমে আসে।
এরপর কয়েক শতাব্দীর মধ্যে মুসলিম দেশগুলোর পতনের সূচনা শুরু হলো রাসুল সা: এর সময়ের মাত্র এক হাজার বছরের মধ্যে প্রায় সকল মুসলিমদেশ ইউরোপের দ্বারা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়লো।
একটি কথা এখন প্রায় শুনা যায় ইউরোপ হচ্ছে ইউরোপ সভ্য মানুষদের আবাসভূমি বর্বর মুসলিমরা কেন আসছে আমাদের এখানে? এখানে আসলে আমাদের কোর ভ্যালুকে মান্য করে চলতে হবে। অথচ ইসলামের উত্থান থেকে ১২/১৩ শত বছর কোন মুসলিম কি না এসেছিলো ইউরোপে না আমেরিকা কানাডায়? কেন আসবে? কিসের জন্য আসবে? তখনকার অন্ধকার জগতে? হত দরিদ্রদের দেশে?
কিন্তু যখন থেকে ইউরোপ একের পর এক মুসলিম দেশ গুলো জবর দখল করে নিতে শুরু করে। মুসলিম দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করে তাদের দেশে শিল্পে বিকাশ জ্ঞান বিজ্ঞানের বিকাশ ঘটিয়ে উন্নত দেশে উন্নীত হয়। অন্য দিকে মুসলিম দেশের লোকেরা চরম দরিদ্রতার মধ্যে নিপতিত হয়। সেই সময় থেকেই মুসলিমরা ইউরোপ আমেরিকার দেশে দেশে আসা শুরু করে। যদি তারা লুণ্ঠন করে আমাদেরকে ফকির না বানাতো তাহলে এই সব দেশে যাওয়ার কথা মুসলিমরা কখনো মনে আনতোনা। কারণ একটিই ইসলামের নিয়ম অনুযায়ী অমুসলিম দেশে বাস করতে হলে তাকে অসম্পূর্ণ মুসলিম হিসাবে বাস করতে হবে।
আমাদের বাংলাদেশ ১৭৫৭ সালে ব্রিটিশের পায়ে স্বাধীনতা বিসর্জন দেয়। এর একশত বছরের মধ্যে গোটা ভারত গ্রাস করে নিয়ে যায় ব্রিটিশ।
মাত্র ৫০ বছরের মাথায় এসে ব্রিটিশরা এই দেশে ৫শত বছরের প্রচলিত সব ব্যবস্থা বাতিল করে তাদের স্বার্থ এবং হিন্দুদের স্বার্থ রক্ষা করে এই সব ব্যবস্থা প্রচলন শুরু করে। বিশেষ করে ৩শত বছরের মুসলিম নবাবদের প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থা ভূমি ব্যবস্থা সরকারী ভাষা খাজনা আদায়ের ধরন পরিমাণ বাতিল করে তাদের স্বার্থ হাসিল হয় সে ব্যবস্থা প্রচলন করে। শুধু ব্রিটিশরা দয়া পরবশ হয়ে মুসলিমদের বিবাহ, তালাক আর উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পদ বণ্টনের আইন কানুন চালু রাখে। বাকি সব ক্ষেত্রে তাদের আইন চালু করে।
যার ফলে হিন্দুরা মুসলিমদের হটিয়ে সকল যায়গা জমি সরকারী চাকুরী ব্যবসা বাণিজ্য দখল করে নিয়ে যায়। অচিরে সব হারিয়ে রাজার জাতি ভিখারির জাতিতে পরিণত হয়। হিন্দুরা যখনই অর্থ বিত্ত এবং রাজনৈতিক শক্তির অধিকারী হয়ে উঠার সাথে সাথেই তারা শুরু করে কেমন করে ইসলাম ধর্মের বিকাশ বন্ধ করা যায় সেই প্রচেষ্টা। সেই যে ব্রিটিশ অনুকূল্যের হিন্দু মধ্যবিত্তের উত্থান হলো সেই সময় থেকে এই দেশ থেকে মুসলিম বিতাড়ন আর ইসলামী ভাবধারা বিকাশের রাস্তা রোধ করার চেষ্টা শুরু করেছিলো আজো সমান তালে তারা সে প্রচেষ্টা বজায় রেখে যাচ্ছে।
রাজত্ব হারিয়ে ফেলার পর থেকে মুসলিমরা ধর্ম কর্মকে সংকুচিত করে আনতে বাধ্য হয়। অধিকাংশ মসজিদ বন্ধ হয়ে যায়। মুসলিমরা এই দেশকে দারুল হারব মনে করে জুম্মার নামাজ বাদ দিতে বাধ্য হয়। তখন থেকে মুসলিমরা রাষ্ট্র পরিচালনা, সমাজ পরিচালনার অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়ে শুধুমাত্র নামাজ রোজার মধ্যে তাদের মুসলিমত্বকে সীমাবদ্ধ করতে বাধ্যহয়।
মুসলিমরা সুদ ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে মেনে নিতে বাধ্যহয়। এইটি সম্ভব হয়েছিলো পরাধীনতার জন্য।
১৯৪৭ সালে মুসলিমরা ভৌগলিক স্বাধীনতা লাভ করতে পারলেও ইসলামকে স্বাধীন করতে পারেনি। নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের যারা শাসক হয়েছিলেন তারা কেউই ইসলামিক রাষ্ট্র পরিচালনা করার মত যোগ্যতা সম্পন্ন ছিলেন না। যাদের নেতৃত্ব পাকিস্তান রাষ্ট্রের উপর পতিত হয়েছিলো তারা ছিলেন ব্রিটিশদের শিক্ষায় শিক্ষিত তাদের মানসপুত্র। ফলে ব্রিটিশরা বিতাড়িত হলেও তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, তাদের সুদ ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা , তাদের বিচার ব্যবস্থা, তাদের বস্তুবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থা বহাল থেকে গেল। তার মানে আম গাছে আমই ফলবে আমড়া ফলবেনা।
সেই সময় যদি মুসলিমলীগের মত দল না হয়ে মিশরের ইখওয়ানের মত কোন দল থাকতো তাহলে ব্রিটিশরা কখনো ভারত ভাগ করতে রাজী হতোনা।
সময়ের সাথে সাথে আম গাছে সারা দেশ ভরে গেল। আর ইসলাম যে ১৭৫৭ সালে ক্ষমতা হারিয়ে ছিলো এখন স্বাধীন বাংলাদেশের এই পর্যন্ত ক্ষমতা ফিরে পায়নি। ক্ষমতা ফিরে না পাওয়াতে আমরা এই দেশের মুসলিমরা কোনদিন পূর্ণ মুসলিম হতে পারছিনা বরং এতদিন পোকা খাওয়া যে মুসলিমত্ব ছিলো তাও এখন যাওয়ার পথে।
১৭৫৭ সালের পর থেকে হিন্দুরা যে মিশন শুরু করেছিল, আর ১৪ শত বছর আগে খ্রিষ্টান আর ইহুদিরা যে মিশন শুরু করেছিল এখন তারা সম্মিলিত ভাবে সে মিশন চালিয়ে যাচ্ছে। সাথে যোগ দিয়েছে সমাজতন্ত্রী নাস্তিকরা। তারা মুসলিমদের খাসি বানানোর প্রক্রিয়ায় প্রথমে ধর্মনিরপেক্ষতা বাদী বানাচ্ছে তবে তাদের পরবর্তী টার্গেট মুসলিমদেরকে নাস্তিককে পর্যবেশিত করা। এই কাজ সম্মিলিত ভাবে জোরের সাথে চলছে।
এখন পূর্ণ মুসলিম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হলে দেশে দেশে ইসলামকে পরাধীনতার নাগপাশ থেকে মুক্ত করে আনতে হবে। বুঝতে হবে ইসলাম টিকে থাকলে মুসলিমরাও টিকে থাকবে না হলে অন্যান্য জাতির মধ্যে বিলীন হয়ে যেতে হবে।

১২ comments

Skip to comment form

  1. 6
    রিজভী আহমেদ খান

    প্রকৃত মুসলিমের সংগা কি? আল্লাহ তো বলছেন তোমরা মুসলিম না হয়ে মরো না। আহা! লেখক আমাকে আখিরাত নিয়ে সন্দিহান করে দিলেন। আমি চাই খিলাফত আসুক। কিন্তু করতে তো পারি নি কিছুই!

  2. 5
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    কোন রাষ্ট্রে ইসলাম স্বাধীন না হলে সে রাষ্ট্রের মুসলিম পূর্ণ মুসলিম হতেপারেনা

     

    তবে এই বিষয়ে আপনার সিদ্ধান্তের বিষয়ে সন্দেহ আছে। কে মুসলিম আর কে মুসলিম না তা নির্ধারন করবেন আল্লাহ -- এখানে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার সাথে মুসলিমদের পরিপূর্ণতার কোন সম্পর্ক আছে বলে জানা নেই। আপনি যদি এই বিষয়ে কোন দলিল প্রমান দিতে পারতেন তা হলো ভাল হতো।

     

    কোরানে মুমিন এবং মুসলিম হওয়ার যে শর্তাবলী আছে তাতে রাষ্ট্র ক্ষমতার কোন বিষয় বলা নেই। আপনার এই সিদ্ধান্তে কিন্তু একটা বিপজ্জনক বিষয় চলে আসছে -- সারা পৃথিবীতে যে সকল মুসলমান ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে -- তাদের মুসলিম হিসাবে অপূর্নতা দিচ্ছেন আপনি -- যা ভয়াবহ -- একটা শর্ত দিয়ে মুসলিমদের দুই শ্রেনীতে ভাগ করছেন -- যা আল্লাহ এবং রসুল(সঃ) করেননি।

    বিষয়টা ভেবে দেখবনে। ধন্যবাদ।

    1. 5.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      জিয়াভাই এর জন্য দলিল ঘাটতে যেতে হবে কেন সোজা হিসাব। আপনি নামাজ রোজা করতে হলে শরীর পাক রাখতে কাপড় পাক রাখতে হবে। সাবান বা পাউডার গোসল , ধোয়া, অজু করে বাহ্যিক পাক করতে পারলে হারাম খেয়ে উদর ভর্তি করলে সেই সে হারাম খাদ্যের কারণে আপনার সারা শরীর হারাম অপবিত্র হয়ে পরিণত হয়ে যাবে নয় কি? আপনি মজবুর অক্ষম সে অপরাধ আল্লাহ মাফ করে দিবেন। কিন্তু আপনার উচিত এই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসার চেষ্টা করা। এই চেষ্টায় আপনি যে সফল হতে হবে এমন শর্ত ইসলাম দেয়না। ইসলাম বলে সাধ্যমত চেস্টা চালিয়ে যাবার জন্য।

      এখানে বলা হয়েছে মুসলিমদের জন্য স্বাধীন রাষ্ট্র না হলে কোন মুসলিম পূর্ণাঙ্গ মুসলিম হয়ে উঠতে পারবেনা। তার মানে নয় যে ঐ মানুষটি পাপের বোজা মাথায় করে পরপারে যাচ্ছে। ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পথে সংগ্রাম করা হচ্ছে একমাত্র মুসলিমদের কর্তব্য। কারণ মানুষরাই আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠার দায়ীত্ব কাধে নিয়ে এই পৃথিবীতে এসেছে। আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা তো তাকে আঞ্জাম দিয়ে যেতে হবে, যে এর অন্যতা করবে সে আল্লাহর সাথে গাদ্দারী করবে।

      আমি এই কথা গুলো বললাম তা যদি আপনার মত জ্ঞানী মানুষ নতুন শুনে থাকেন তাহলে আমি না হয় দলিল নিয়ে দেখিয়ে আরেকটি ব্লগ লিখবো। কিন্তু আমার বিশ্বাস মানুষ যে আল্লাহর খলিফা আর খলিফা হলেই মানুষকে এই পৃথিবীতে আল্লাহর খেলাফত প্রতিষ্ঠার পথে তার সাধ্যমত থাকতে হবে এর পক্ষে দলিল দেখাতে হবেনা। এখন প্রশ্ন আল্লাহর খেলাফতে কি মদ, জুয়া, সুদ জিনা ইত্যাদি কি থাকতে পারে? রাষ্ট্রকি এই সব প্রথা চালু রাখতে পারবে? এই সব ব্যবসা থেকে ট্যাক্স নিয়ে জনগণের কল্যাণের জন্য রাস্তাঘাট ব্রিজ জন সেবা মূলক কাজে লাগাতে পারে? তাহলে সে রাষ্ট্রের বাসরত মুসলিমরা কেমন করে পূর্ণ মুসলিম হতে পারে?

      জিয়া ভাই এবার আপনাকে কিছু প্রশ্ন করছি আশা করি প্রতিটি প্রশ্নের পয়েন্ট বাই পয়েন্ট উত্তর দিবেন।

      ১- রাষ্ট্র কি?

        ২- রাষ্ট্র কি সমাজ ও সমাজের নিয়ম বহির্ভূত কোনো বিষয়?

      ৩- রাষ্ট্রের যে প্রচলিত সংজ্ঞা তাতে কি মদিনার রাষ্ট্র ‘রাষ্ট্র’ ছিল?

      ৪- আল্লাহ মানুষকে যেসব আইন মানার নির্দেশ দিয়েছেন সেগুলোর সাথে কি রাষ্ট্রের সম্পর্ক আছে?

      ৫- আদালতের সম্পর্ক আছে?

      ৬- সামাজিক নৈতিকতার সাথে কি কোরান হাদিসের সম্পর্ক আছে?

      যদি থাকে তবে মুসলমানের সাথে রাষ্ট্রের সম্পর্ক রয়েছে। আর অগুলো যদি অস্বীকার করা হয়, তবে নাই।

      তাছাড়া, মুমিনদের জন্য ইসলামে পরিপূর্ণভাবে দাখিল হওয়ার শর্ত রয়েছে। আল্লাহর গোটা আইন-কানুন মানার শর্ত রয়েছে। এসব কথাই কোরান হাদিসের কথা, ইসলামের কথা।

      আপনি সেক্যুলারবাদী লোক। আপনার কাছে এসব ইসলামের আইন, ইসলামের সমাজ ব্যবস্থা ইত্যাদি ‘ভয়াবহ’ তো দেখাবেই।

      এই বিশ্বে আপনার মত ‘সেক্যুলার’ মুসলিম আপনি একা নন আরো কোটি কোটি লোক আছে, যেমন মিশরে সিসি আছে য়াগে জামাল নাসির, আনোয়ার সাদাত, হুসনে মোবারক ছিলো, আওয়ামী লীগ আছে, আপনারা যা বলেন প্রচার করেন আপনাদের ভার্সন ইসলাম ছাড়া কি সত্যিকার ভার্সন ইসলাম সম্পর্কে  বলা যেতে পারে না?

      সেক্যুলার সম্প্রদায়েও মদখোর থেকে সুদখোর পর্যন্ত নানান শ্রেণীর লোক মিলে ‘বিশ্ব-মুসলিম’ হয়ে আছে। এই শ্রেণীর লোকগুলো আছে বলে কি আল্লাহ নির্দেশিত সমাজ ব্যবস্থার কথা বলা হবে না?

      আপনার সাথে আলোচনার কিছু আছে বলে জানি না। ইসলামী রাষ্ট্রের ধারণায় দ্বীন পরিভাষার অন্তর্ভুক্ত ছিল।

      এখন আপনাকে কে বুঝাবে?

      কোরানে কি আছে আর কি নাই –আপনি সেসবের একজন বড় প্রাজ্ঞ লোক । ‘কে মুসলমান আর কে নয় –এটা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না’ –এমন সেক্যুলার টাইপের ইসলামী বুদ্ধি আমার মাথায় নেই।

      আমরা জানি কোরান হাদিস বলে দিয়েছে কে মুসলিম আর কে নয়। আপনার কথা মত কোন কাফিরও তাহলে অমুসলমান নয়। এই বিশ্বে মুসলিম সমাজে ফাসেক ফাজের মুনাফিক ইত্যাদির সমন্বয়ে যে বাস্তবতা রয়েছে সেই ক্ষেত্রে ইসলামের সমাজ ও রাষ্ট্রের কথা বলাতে কোনো ‘মুসলমানদের’ মধ্যে কোনো বিরোধ সৃষ্টি করে না। যদি করত তবে বিশ্বের বড় বড় ওলামারা ইসলামের সমাজ ও রাষ্ট্রের কথা বলতেন না। আপনি প্রাজ্ঞ মানুষ । আপনার সাথে এসব নিয়ে আমি বিতর্কে না যাওয়া ভাল নয় কি?

      আপনি যা ভালো মনে করেন সেই ভাবে প্রচার করুন। আমি যে ভাবে ভালো মনে করি সেই ভাবে আমাকে প্রচার করতে দিন। হাশরের ময়দানে জানা যাবে আপনি সঠিক পথে ছিলেন না আমি সঠিক পথের উপর ছিলাম।  ভাল থাকুন।

  3. 4
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    ১৯৪৭ সালে মুসলিমরা ভৌগলিক স্বাধীনতা লাভ করতে পারলেও ইসলামকে স্বাধীন করতে পারেনি। নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের যারা শাসক হয়েছিলেন তারা কেউই ইসলামিক রাষ্ট্র পরিচালনা করার মত যোগ্যতা সম্পন্ন ছিলেন না। যাদের নেতৃত্ব পাকিস্তান রাষ্ট্রের উপর পতিত হয়েছিলো তারা ছিলেন ব্রিটিশদের শিক্ষায় শিক্ষিত তাদের মানসপুত্র। ফলে ব্রিটিশরা বিতাড়িত হলেও তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, তাদের সুদ ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা , তাদের বিচার ব্যবস্থা, তাদের বস্তুবাদী রাষ্ট্র ব্যবস্থা বহাল থেকে গেল। তার মানে আম গাছে আমই ফলবে আমড়া ফলবেনা।

     

    একশত ভাগ একমত। আমি বিশ্বাস করি -- পরিবর্তনটা আসতে হবে নিজেদের ভিতর থেকেই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো আল্লাহ একত্ববাদের উপর পরিপূর্ন বিশ্বাস এবং তার জীবনে প্রতিফলন করা। এখান থেকেই শুরু করলে এক সময় আল্লাহ রাষ্ট্র ক্ষমতায় মুসলিমদের বিজয়ী করবেন, ইনশাল্লাহ।

     

    তার আগে নানান ধরনের রাজনৈতিক কূট কৌশল করে ক্ষমতায় যায় চেষ্টা করা শুধু ক্ষতিই বাড়াবে। যা এথন দেখছি পাকিস্তানে।

    ধন্যবাদ।

    1. 4.1
      Rasel

      //এখান থেকেই শুরু করলে এক সময় আল্লাহ রাষ্ট্র ক্ষমতায় মুসলিমদের বিজয়ী করবেন, ইনশাল্লাহ।//

      — তাহলে প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতায় এখন যারা বসে আছেন, তারা কি মুসলিম নন? শেখ হাসিনা কি মুসলিম নন? আবুল মাল আব্দুল মুহিত কি মুসলিম নন? কামরুল ইসলাম কি নন? মুসলিম নামধারী মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যরা কি মুসলিম নন?

      দয়া করে আপনার বক্তব্যটি ক্লিয়ার করুন। @আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন ভাই

  4. 3
    জাবেদ হাসান

    লেখক একটা ছাগু। 

    1. 3.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      এই ধরনের ছাগু হতে পারার জন্য নিজকে গর্বিত মনে করি। অন্ততঃ ভাগু যে হইনি তার জন্য আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া। আপনাকে ধন্যবাদ।

       

  5. 2
    মহিউদ্দিন

    তিনি তাঁকে শাসক হিসাবে মেনে নেবে এই শর্তে মদিনায় গমন করেছিলেন। মদিনায় গিয়েও সংখ্যাগরিষ্ঠ ইহুদী সমাজকে তাকে শাসক হিসাবে মানে নিবে কিনা জিজ্ঞাসা করে তাদের অনুমোদন নিয়েই তিনি সেখানে ইসলামী শাসনের শুভ সূচনা করেছিলেন। নিজ হাতে মদিনার সামাজিক এবং রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা শুরু করেন।

    প্রশ্ন হচ্ছে এই রাসুল (স:) এর এ দাবী মেনে নিতে কি তাকে যুদ্ধ করে মদিনায় প্রবেশ করতে হয়েছিল?  বরং তাঁর এ অবস্থান অর্জনে প্রয়োজনীয় ক্রেডিভিলিটি বা বিশ্বাস যোগ্যতা তো মদিনা আসার আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়ে গিয়েছিল। মানুষের মন জয় করা ও তাদের আস্থা  অর্জন করার সুনাম মদীনা বাসীর মনে কিভাবে গ্রহণ যোগ্যতা পেয়েছিল? নেতৃত্বের সেই অপরিহার্য উপাদান, অপরিহার্য অংশ (Element) বুঝার বা সে অনুসারে সুকৌশলী পরিকল্পনা (strategical planning) করার যোগ্যতা কি আছে মুসলিমদের? এ বিষয়টাই চিন্তা করার জন্য আমি "লিডারশীপ বা নেতৃত্বের দৈন্যতা" লিখাটায় পাঠকদের  দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছি। রাসুল (স:) সময় যত যুদ্ধ হয়েছে তা ছিল কেবল আত্মরক্ষার প্রয়োজনে এবং কাফিরদের চুক্তি লঙ্ঘনের কারণে।

    আপনি যে বিষয়টার ইঙ্গিত দিয়েছেন তা অনেকেই উপলব্ধি করেছেন অনেক আগে থেকেই কিন্তু মুসলিমদের মাঝে অনৈক্য ও অফলপ্রসূ কার্য্যকলাপ সেই jঅনঅগ্রসর চিন্তা চেতনা এসব নানা কারণে এবং নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনে সদিচ্ছার অভাবে সেটা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আমি আশাবাদী এ অবস্থার পরিবর্তন হবে হয়তবা সময় লাগবে।

    রাসুল (স:) একটি হাদিস আছে যেখানে বলা হয়েছে যে মুসলিম সমাজে রাজতন্ত্র, ডিক্টেটর বা স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটবে এবং খিলাফতে নববীর শাসন ফিরে আসবে। হয়তবা আপনার আমার জীবনে তা দেখার সৌভাগ্য হবে না। এখানে আছে।

    ইসলামী নেতৃত্ব সমাজে প্রতিষ্ঠিত হতে এখনও অনেক সময় লাগবে। কেননা মুসলিম সমাজে নেতৃত্বের দৈন্যতা অতিক্রম করা সম্ভব হচ্ছে না। আর এ সংগ্রামে বাধা তো আসবেই তাগুতের পক্ষ থেকে তবে সফলতা তখনই আসবে মনে করি যখন আল্লাহ মুসলমানকে সে দায়িত্ব নেয়ার যোগ্য পাবেন। প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এম আহমেদ ভাই ঠিকই বলেছেন এ সব কথায় তেমন সাড়া পাবেননা।

    কিন্তু মনে রাখতে হবে যে যে কেউই এমন বিষয় নিয়ে লিখবেন তাদেরকে হয়ত কেউ উৎসাহ দেখাতে আসবে না, সমর্থন দিতেও যাবে না, কিন্তু তবুও তাদেরকে লিখে যেতে হবে। নিজেরা নিজেদের পথে হাঁটতে থাকার নামই সাফল্য।

     

     

    1. 2.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      হ্যা ভাই লিখে যাচ্ছি, লিখে যাবো যতদিন আল্লাহ আমাকে দিয়ে লেখিয়ে নেন। আশাবাদী একদিন আসবে যখন জগতের সকল মতবাদ মানব সমাজের কাছে অসার রূপে প্রমাণিত হবে, মানুষের সার্বিক সমস্যার সমাধান দিতে অক্ষম হবে, তখন মানুষ বুঝতে পারবে খোদায়ী বিধান ছাড়া দুনিয়াতে শান্তি আসবেনা। তখন মানুষ ফিরে আসবে স্রষ্টার নির্দেশিত পথে। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

  6. 1
    এম_আহমদ

    ইসলাম এমন এক ধর্ম, মুসলিম এমন এক উম্মাহ তারা পরাধীন দেশে কিংবা অমুসলিম শাসিত দেশে সম্পূর্ণ মুসলিম হয়ে থাকতে পারেনা।

    এই একটি বাক্যই অনেক অর্থ বহন করছে। স্মরণ করুন যখন রাসূলের (সা.) ওফাতের পর পরই কিছু গোত্র যাকাত সরকারী পর্যায়ে প্রদান করতে অস্বীকার করে বসল,  তখন এটি তাদের নিজেদের প্রাচীন গোত্রীয় ব্যবস্থায় প্রত্যাবর্তনের প্রথম পদক্ষেপ এবং এটি ছিল ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে আনুগত্য উঠিয়ে নেয়ার নামান্তর। যদিও তারা ইসলাম ত্যাগ করেছে এমনটি বলেনি, তথাপি আবুবকর এমন প্রায় ২৭টি গোত্রের বিপক্ষে ইসলামী রাষ্ট্রের প্রতি হুমকি ও বাস্তবতায় ইসলাম বিসর্জন গণ্য করে তাদের মোকাবেলায় রিদ্দার যুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। তিনি যদি সেটা না করতেন তাহলে ইসলাম তখনই শেষ হয়ে যেত এবং কয়েক বছরের মধ্যেই পুরাতন পৌত্তলিকতা আবার বিরাজমান হয়ে যেত। লক্ষ্য করুন আজকের মুসলমান ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা ও রাষ্ট্র ব্যবস্থাকে অস্বীকার করে নিজেদের গোত্রীয়/ভৌগলিক জাতীয়তা গ্রহণ করেছেন এবং ইসলামের পরিবর্তে বিদেশি মূল্যবোধ, রাষ্ট্র ব্যবস্থা, সমাজ ব্যবস্থা ও আদর্শকে ইসলামের চেয়ে উত্তম ও ভাল হিসেবে গ্রহণ করেছেন। অধিকন্তু এই বিদেশি ব্যবস্থার ও আদর্শ ঠিকিয়ে রাখতে মুসলমানদেরকে বেধড়ক পেটাচ্ছেন! ক্লাইভদের হাতে ক্ষমতা রেখে তাদের শিক্ষা সংস্কৃতিকে ধারণ করেছেন এবং চুরি, ডাকাতি, হত্যা, জাতীয় সম্পদের হরিলুট করে ক্লাইভদের দেশে ক্লাইভদের ব্যাঙ্কে নিয়োগ করছেন। সব ধরণের উলঙ্গপনা, বেহায়ামী, মদ্যপান, মুক্ত-যৌনাচার সবকিছুই করে যাচ্ছেন বটে আর ইসলামের কথা শুনলেই বলছেন, ‘চারি বিবাহের ধর্ম’!  মধ্যযুগীয় ব্যাপার! আজ আমরা কোথা হতে কোথায় এসেছি? অনৈসলামি শিক্ষা ও সমাজ ব্যবস্থার পরিণতি যে কত সুদূর প্রসারী ও সার্বিক বাস্তবতা হতে পারে –তা যদি মুসলমান বুঝতে ব্যর্থ হয়, তবে কেউ তবে কেউ তাকে বুঝাতে পারবে না। কেননা তার বুঝ সে কলেজ ইউনিভার্সিটি এবং রাজনৈতিক দল থেকে অনেক বৎসরে গ্রহণ করেছে। বাঁশ তার আপন আকৃতিতে বড় হয়ে গিয়েছে।

    সময়ের সাথে সাথে আম গাছে সারা দেশ ভরে গেল। আর ইসলাম যে ১৭৫৭ সালে ক্ষমতা হারিয়ে ছিল এখন স্বাধীন বাংলাদেশের এই পর্যন্ত ক্ষমতা ফিরে পায়নি। ক্ষমতা ফিরে না পাওয়াতে আমরা এই দেশের মুসলিমরা কোনদিন পূর্ণ মুসলিম হতে পারছিনা বরং এতদিন পোকা খাওয়া যে মুসলিমত্ব ছিলো তাও এখন যাওয়ার পথে।

    ইতিহাসের যে ধারায় মুসলমানগণ আজকের পরিস্থিতিতে উপনীত হয়েছেন এই পরিস্থিতি ও পরিণতি থেকে পরিত্রাণের পথে হাঁটতে গেলেই মুসলমানদেরই এক/একাধিক দল প্রথম বাধা হয়ে দাঁড়াবে, এবং দাঁড়াচ্ছেও। কিন্তু তবুও লিখে যান। মানুষের মধ্যে যুক্তির স্বভাবজাত তারতম্য  রয়েছে, চিন্তার প্রকৃতিতে পার্থক্য রয়েছে। যারা এই যুক্তির অনুকূলে সায় পাবেন, তারা এই কাজের জন্য প্রস্তুত হবেন; এই মানসিকতা অর্জন করবেন; এই ধারায় পড়াশুনা করবেন; সর্বোপরি এই স্বপ্নই মাথায় ধারণ করবেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে যে যে কেউই এমন বিষয় নিয়ে লিখবেন তাদেরকে হয়ত কেউ উৎসাহ দেখাতে আসবে না, সমর্থন দিতেও যাবে না, কিন্তু তবুও তাদেরকে লিখে যেতে হবে। নিজেরা নিজেদের পথে হাঁটতে থাকার নামই সাফল্য।

    1. 1.1
      মুনিম সিদ্দিকী

      লেখে তো যাচ্ছি, কিন্তু বর্তমান পাঠকদেরকে বড় অচেনা লাগছে, মানে নিউ জেনারেশন। এরা যারা ইসলামকে  ভালোবাসে  আবার বাংগালী  জাতয়তাবাদকে সমর্থন করে। এরা ইসলামকে ভালোবাসে  আবার ড।ইউনুসকেও সমর্থন করে তারা জাতীয়তাবাদের সাথে ইসলামকে সুদের সাথে ইসলামকে সমন্বয় করতে চায়।

      বিশুদ্ধ ইসলাম কোথায় তা দেখাতে চ্যলেঞ্জ করে। ভাবখানা ইসলাম যতটুকু টিকে আছে যে ভাবে টিকে আছে, সে ভাবেই রাখুন। এর বেশী চান তার মানে আপনি মৌলবাদী বা রাজাকার বা ইসলামী জঙ্গী। এদের বোঝাতে গেলেই ঝগড়া লড়াইতে জড়িয়ে পড়তে হয়। কাজেই আমি এখন বাচ্চা পোলাপান যারা বেয়াদব তাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

      1. 1.1.1
        রিজভী আহমেদ খান

        শিরোনামটি আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে। একটু বিস্তারিত দলিল চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.