«

»

Mar ১৫

প্রিয় সদালাপ তুমি কেমন আছো?

প্রিয় সদালাপ,

তুমি কেমন আছো?  বুঝা যাচ্ছে তুমি ভালো নও। তুমি এখন বোবা হয়ে কেন আছো?  তুমি কি কানে তুলো দিয়েছো? তুমি কি চোখ ফ্রস্টেড চশমা পরেছো? দেশের মধ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যাংক ডাকাতি হলো তা নিয়ে তোমার কোন প্রতিক্রিয়া পড়তে পারলামনা?

আসলে আমজন্তার মত কি ঘটনায় হত বিহ্বল হয়ে গেছো? না পাছে পীঠে ডাণ্ডা পড়ে ঠাণ্ডা হয়ে যাবার ভয়ে কথা বলতে ভয় পাচ্ছো?  না তোমার মধ্যে এখন দলপ্রীতি ভাইরাস সঙ্ক্রামক হচ্ছে?

না এখানে কারেন্ট ইভেন্ট নিয়ে কথা বলা নাজায়েজ হয়ে আছে?

প্রিয় সদালাপ তোমার কাছে আমার এই প্রশ্নের উত্তর জানতে খুব ইচ্ছে করছে!!

১৫ comments

Skip to comment form

  1. 9
    এম_আহমদ

    ইদানীং যে বিরাট লোপাট হল সে ব্যাপারে ডাকু-দলের ইমেজ সমর্থনের যুক্তি এভাবে ছিল, এমন ব্যাঙ্ক ডাকাতি হয়ে থাকে, এগুলো কেউ বলে না, বলতে নেই। তবে এটা তাদের দলের সবার কথা নয়। ওখানে মরে গিয়েও যাদের ক্ষীণকায় বিবেক ও নৈতিকতা রয়েছে তারা এমন কাণ্ড মেনে নিতে পারে নি, কথা বলেছে। স্কাইপ-কেলেঙ্কারির তথা টেলিফোনের মাধ্যমে যে আদালত অবমাননা, আইন লঙন ও কাঠগড়ায় দাঁড়ানো লোকদের জীবন নিয়ে রায় ও প্রমোশনের খেলা চলছিল, তখন চামচাদের উলুধ্বনি ছিল, ‘আড়ি-পেতে অনৈতিক কাজ করা হয়েছে’। তখন হয়ত কেলেঙ্কারি প্রকাশরা বলেছিল, ‘চোর ধরিয়ে দেয়া কি অনৈতিকতা? এভাবে না করে ধরিয়ে দেয়ার আর কি কোন পথ ছিল?’ তো এখন যেন চলছে ডাকাতদের যুক্তি, 'টাকা গায়েব হইছে তো কী হইছে, এটা কী বলতে হয়? চুপ থাকতে পার না?' তাহলে বুঝা যাচ্ছে, এমন ব্যাঙ্ক-ডাকাতি আরও হয়ত হয়ে থাকতে পারে, যেখানে তথ্য ‘গুম’ মারা হয়েছিল। যুক্তির যুক্তিতে যেন অকৃত্রিম মিল পাওয়া যাচ্ছে।  আজকে ‘আমাদের সময়ের’ একটি একটি শিরোনাম এভাবে দেখলাম: আরও দুই বিলিয়ন রিজার্ভ চুরির গুঞ্জন। খাইছেরে!

    1. 9.1
      জামশেদ আহমেদ তানিম

      দারুন।

      তবে দলাকানারা কিন্তু সাইলেন্ট হয় নাই। তীব্র ভাষায় ষড়যন্ত্র বাণিজ্য করে যাচ্ছে। যেমনটা পেরেছিল পিলখানা হত্যাকাণ্ডে, শেয়ারবাজার কেলেংকারিতে, রানা প্লাজা ধ্বসে, নারায়নগঞ্জের ৭ খুনে আরো আছে।

  2. 8
    মুনিম সিদ্দিকী

    আমি কাক আর ময়ুরের উপমা টানছিনা। তবে একটি কথা মনে রাখবেন, আপনারা যারা এখানে আলোচনায় শরিক হয়েছেন তারা সবাই উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেছেন। তাই বলে ভুলে যাবেন না যে দেশে আপনার নাড়ি মাটির সাথে মিশে আছে। যে দেশের আলো বাতাসে আপনি বেড়ে উঠেছিলেন। যে দেশের মাটিতে আপনার পূর্ব পুরুষরা শুয়ে আছেন এবং কিয়ামত পর্যন্ত থাকবেন।

    ভুলে যাবেন না ঐ সব দেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করলেও আপনি ঐ সব দেশের ভুমিপুত্র নন। ২য় মহাযুদ্ধের সময় রুজভেল্ট যে ভাবে জাপানিদেরকে জোর করে জাহাজে তুলে জাপানে পাঠিয়ে দিয়েছিলো সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে পারে।

    কাজেই এই দেশের কথা , এই দেশের কল্যাণের কথা মাথায় রেখে এই দেশ যাতে এগিয়ে যেতে পারে সে লক্ষ্যে যার যার অবস্থানে থেকে যার যার ক্ষমতা মত কাজ করে যাবেন।

    সদালাপ সদস্যদের মধ্যে সবার চেয়ে দীনহীন, অজ্ঞ মূর্খ যে মানুষটি সে যে আমি তা আমার নিজের জানা আছে। কাজেই আপনাদের জ্ঞানের সাথে বাহাস করা আমার জন্য দৃষ্টতা নামান্তর।

    তবে একটি জিনিস আমি বুকে ধারণ করি, সেখানে কোন কপটতা রাখিনা, সে হচ্ছে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা, দেশের মানুষের কল্যাণ করা আর আমার ধর্ম বিশ্বাসকে বুলন্দ রাখা। এই তিনটি বিষয়ের জন্য আমি বার বার আপনাদের দ্বারস্থ হই, কথা বলি রাগ অনুরাগ প্রতিবাদ প্রকাশ করি।

    আমার স্বল্প জ্ঞানে মনে হচ্ছে এরশাদের আমল থেকে শুরু হয়েছে বাংলাদেশের স্বার্থ  বিদেশীদের কাছে বিকিয়ে দিয়ে ক্ষমতা আকড়ে থাকার রাজনীতি, অন্যদিকে দেশের স্বার্থবাজ মানুষদেরকে বশিভুত করে রাখার জন্য দুর্নীতির মাধ্যমে সম্পদ লুট করার সংস্কৃতি। এবং এইরীতি ৯০ পরবর্তি সকল ক্ষমতাসীন দল উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করে চলছে। আমি আশাহত ভবিষ্যতে যে সরকার আসবে তারাও এর লাগাম ধরে রাখতে সক্কখম হবেনা। সাম্রাজ্যবাদ আর আধিপত্যবাদি শক্তি আমাদেরকে দুর্নীতিমুক্ত হতে দিবেনা।

    শুধু মাত্র একটি মাত্র পথ যদি আমরা আবার ঐক্যবদ্ধ হতে পারি। আমি জানি এ আমার স্বপ্ন। তারপরও আমাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে তো হবে। আসুন ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থ পরিহার করে আমাদের উত্তর সুরীদের জন্য দেশটিতে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে নিয়ে যাই। আর স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে চেষ্টা করি।

    আমার এই পোস্টটি ছিলো ব্যাংক ডাকাতির উপর কিন্তু আলোচনা ব্যাংক ডাকাতি থেকে দলীয় দৃষ্টি কোন দিয়ে বিবাদ কোন্দলের দিকে এগিয়ে গেছে। কাজেই আমার এই বক্তব্যে দলীয় রাজনৈতিক চেতনার উর্ধে উঠে দেশ নিয়ে চিন্তা করার অনুরোধই আমি রেখেছি।

    যারা আলোচনা করেছেন , পড়েছেন সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

    1. 8.1
      মহিউদ্দিন

      আসুন ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থ পরিহার করে আমাদের উত্তর সুরীদের জন্য দেশটিতে সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে নিয়ে যাই। আর স্বাধীনতাকে সমুন্নত রাখতে চেষ্টা করি।

      সহমত ১০০% +

  3. 7
    মহিউদ্দিন

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ লুট এখন সারা বিশ্বের মাথাব্যাথা। আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং লেনদেন প্রকৃয়ায় সুইফট হচ্ছে নিরাপদ পদ্ধতি। এখন পর্যন্ত এটা হ্যাক বা জালিয়াতির কোনো রেকর্ড নাই। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের চোরারা বলছে- হ্যাক হয়েছে! তাই সুইফটের লোকজন ছুটে এসেছে ঢাকায়। বিশ্বব্যাংক থেকে শুরু করে বিভিন্ন ব্যাংক খেয়াল রাখছে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপর। এফবিআই-র বিশেষজ্ঞরা আসেতেছে। 
    ………….অনেক জল ঘোলা করে শেষ পর্যন্ত চোরারা ধরা পড়বে বটে, কিন্তু দেশটাকে চোর হিসাবে বিশ্বের কাছে দুর্নাম করে ছাড়বে। বিশ্বে রেকর্ড হয়ে থাকবে ঢাকা জালিয়াতি। দুর্ভাগ্য দেশটার, যখন দেশ শাসন করে চোর আর জালিয়াতরা, তখন চুরির রেকর্ড ছাড়া কি আর দিবে?

    সংগৃহীত,

    1. 7.1
      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

       যখন দেশ শাসন করে চোর আর জালিয়াতরা, তখন চুরির রেকর্ড ছাড়া কি আর দিবে?

      -- সব কথার শেষ কথা হলো এইটা। 

      1. 7.1.1
        মহিউদ্দিন

        যখন দেশ শাসন করে চোর আর জালিয়াতরা, তখন চুরির রেকর্ড ছাড়া কি আর দিবে? – সব কথার শেষ কথা হলো এইটা। 

         না এটা নয় আরো আছে। "শুধু আধিপত্যবাদীর গোলামী এবং জাতীয়তাবাদী শক্তি নিধনের দায়িত্ব ছাড়া এদেরকে কেউ তাদেরকে দোকানের কর্মচারী পর্যন্ত নিয়োগ দিতে রাজী হবে না। এদের প্রতি জাতির আস্থা হারিয়েছে, তারা জানে না যে তাদের স্বৈরাচারী আচরণ একদিন তাদেরই গলার বেড়ী হবে।

        1. 7.1.1.1
          আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

          এই দীর্ঘ বত্তৃতার পর এক গ্লাস পানি খান আর আমরা তালি দেই। 

          পুরোটাই কপি করে রাখার মতো -- ১৯৭১ সাল থেকে যত সরকার ক্ষমতায় এসেছে সবার জন্যেই এ্ই ব্ত্তৃতা প্রযোজ্য হবে -- শুধুমাত্র কয়েকটা শব্দের হেরফের করতে হবে। বত্তৃতার জন্যে ধন্যবাদ। 

        2. মহিউদ্দিন

          “পুরোটাই কপি করে রাখার মতো – ১৯৭১ সাল থেকে যত সরকার ক্ষমতায় এসেছে সবার জন্যেই এই বক্তৃতা  প্রযোজ্য হবে – শুধুমাত্র কয়েকটা শব্দের হেরফের করতে হবে।”

          আপনাদের সন্ত্রাস, স্বৈরাচার, রক্ষী বাহিনী দিয়ে সে শাসনামলে মুক্তিযোদ্ধাসহ জাসদের ৩০ হাজার নেতাকর্মীকে হত্যা, এনালগ ব্যংক ডাকাতি  ও হরিলুটের স্বর্ণযুগ তথা ১৯৭২-১৯৭৫ সাল পর্যন্ত যদি প্রযোজ্য হয়, তবে মাশাল্লাহ, আপনি এটা কপি করে রাখুন, আমার তো স্মৃতিতেই আছে।

  4. 6
    শামস

    সংঘবদ্ধ একটা অপরাধচক্র এখানে জড়িত কিনা সেটা ভাববার বিষয়, তবে তাদের হাত অনেক উপরে সেটা অনুমান করা যায়!

    আমার স্বামী কোথায় জানতে চাই: জোহার স্ত্রী    

     

    জিয়া হাসানের স্ট্যাটাস থেকে --

    —————————————————-- 

    বন্ধুর ওয়াল থেকে ইউটিউবের লিঙ্কটা পেয়ে, বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের রিজার্ভ ডাকাতি নিয়ে ফিলিপাইনের সিনেট কমিটির হিয়ারিং দেখলাম। লাইভ সম্প্রচার হচ্ছে- সিনেটর এবং তদন্ত কর্মকর্তারা লাইভ প্রশ্ন করছে দায়ী কর্মকর্তাদের- যা দেখছে, ৩০০০ নাগরিক। এই লাইভ হিয়ারিং ইউটিউবে রয়ে যাবে যে কারো দেখার জন্যে ।

    মানি লন্ডারিং ইস্যুটা যখন আন্তরজাতিক পরিমন্ডলে আসলো তখন থেকেই দেখছি, ফিলিপাইন কত দ্রুত মুভ করেছে। ইতোমধ্যেই অভিযুক্ত ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ যাত্রার উপরে নিষেধাজ্ঞা হয়েছে, একজনকে প্লেন থেকে নামানো হয়েছে। এবং সিনেট কমিটি ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তা থেকে ম্যানেজার সহ সকলকে হিয়ারিং এ ডেকেছেন, যা লাইভ টেলিকাস্ট হচ্ছে।

    বলা হচ্ছে, ফিলিপাইন রাষ্ট্রের উপরে এবং সরকার প্রধানের উপরে এই মানি লন্ডারিং ঠেকাতে ব্যর্থতা এবং দুর্নীতিতে সহযোগিতার দায় আসবে।

    আর বাংলাদেশে ?
    ৫ ফেব্রুয়ারিতে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমরা জানতে পেরেছি, এক মাস পর আন্তরজাতিক মিডিয়ার মাধ্যমে। প্রথম কিছু দিন দেশি মিডিয়া পাব্লিশ করেনাই। ফেসবুকারদের লেখালেখির কারনে এবং ব্যাপক আন্তর্জাতিক প্রচারের পর প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে।

    প্রকাশের পর, অর্থমন্ত্রী বলেছে, টাকা চুরির দায়, আমেরিকান ব্যাঙ্কের। ওদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। ওরা যখন পরিষ্কার প্রমান দেখালো, বৈধ টাকা যেভাবে সুইফটের মাধ্যমে ট্রান্সফার হয় সেই ভাবে ট্রান্সফার হয়েছে ।

    তখন বলা হলো, হ্যাক হয়েছে। যখন বের হলো, ডিলিং রুমে সিসিটিভি বন্ধ ছিল তখন সেই সব প্রশ্নের উত্তর না খুজে হ্যাকের উপরে দায় চাপিয়ে, গভর্নরকে ব্যর্থতার দায় নিতে বলা হলো। আমরা সবাই লেগে গেলাম গভারনরের পেছনে।

    বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধান, নৈতিকতা দেখিয়ে নিজের সন্তানকে মায়া দেখানোর জন্যে পদত্যাগ করলো। এবং রাখাল বালককে নিয়ে কান্নার রোল পড়ে গেলো। 
    আইটি বিভাগের শীর্ষসহ আরো কিছু কর্মকর্তাকে পদ থেকে সরানো হয়েছে। এখন আরো কান্নার গুম পরেছে, এই কর্মকর্তাদের মধ্যে কে কত বড় মুক্তিযোদ্ধা ছিল, কত ভাল মানুষ ছিল।

    একটা ভারতীয় কন্সাল্টিং ফারমকে নিযুক্ত করা হয়েছে ফরেন্সিকের জন্যে। যত দূর জানা গ্যাছে, এই ফার্মটিই নাকি বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের সিকিউরিটি কন্সাল্টিং করছিল। কি অসাধারন কনফ্লিক্ট অফ ইন্টেরেস্ট।

    এত বড় একটা ঘটনা, দায় এড়ানো বাদে কোন সিন্সিয়ারিটি নাই। কোন ট্রান্সপারেন্সি নাই। কোন প্রসেস নাই। সব সিক্রেট।সব গুজব। কিন্ত, ফিলিপাইনে দেখেন, কি অসাধারন ট্রান্সপারেন্ট প্রসেসে তারা দায় নিয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত করছে এবং ইতোমধ্যেই তারা কত টুকু এগিয়েছে।

    কিন্ত, আমাদের দেশে ?

    বাংলাদেশের আইটি বিশেষজ্ঞ, বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের সাথে যুক্ত জোহা যে শুরু থেকে, রিজার্ভের এই টাকা পাচারকে ইন্সাইড জব হিসেবে দাবী করেছে-তাকে এখন গুম করা হয়েছে। তাদের পরিবার বিভিন্ন থানায় ঘুরে ঘুরে পুলিশের কাছে মামলা নেয়াতে পারে নাই।

    অপরাধ বিশ্বের সব দেশে হয়। অপরাধ ঘটতে পারে।

    ফিলিপাইনের ট্রান্সপারেন্সি এবং প্রক্রিয়া দেখলে বুঝতে পারবেন,দোষীদের খুজে পেতে এবং পুনরাবৃত্তি রোধে তাদের প্রতিষ্ঠান গুলো কত ট্রান্সপারেন্টলি কাজ করছে।

    এবং আমাদের এই খানের প্রক্রিয়া দেখলে বুঝবেন, সব কিছুই গোপন এবং অপরাধিকে রক্ষার করার জন্যে পুরো সিস্টেম এখন কাজ করছে। এবং যাদের কাছে প্রকৃত তথ্য আছে তাদেরকে গুম করা হচ্ছে। রাষ্ট্র সেই গুমের মামলাও নিচ্ছেনা।

    এইটাই ডেভেলপিং রাষ্ট্র এবং মাফিয়া রাষ্ট্রের পার্থক্য।

    আইটি কন্সাল্টেন্ট জোহাকে ফিরিয়ে দাও।

    ———————————————————

    মূল লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/zia.hassan.rupu

     

  5. 5
    শামস

    প্রতিটা উন্নত দেশ তাদের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে রক্ষার জন্য সবচেয়ে কঠোর এবং প্রটেক্টিভ নীতি অবলম্বন করে. কারণ এগুলো লাইফলাইন! গ্রীসের অথনীতির কি করুণ দশা, ভিক্ষা করে দিন চলে. যখন ইউরোপের অন্যান্য দেশের কাছে তারা ভিক্ষা করতে গেল, তখন অস্ট্রিয়ার প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রতি যে ভাষায় কথা বলতে শুনলাম তা ছিল রীতিমত লজ্জা জনক! দেশ দেউলিয়া হয়ে যায়, শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস হয়ে যায়, অথচ কার্যকরী কোন কৃচ্ছতাসাধনের নাম নেই, অপরদিকে একশ্রেনীর লোক তারপরও সেখানে লুটে যাচ্ছে, আর এই লুটপাটে সবচেয়ে আগে রাজনীতিবিদরা!

    লুটপাট করলে এমনভাবেই করা হয়. কয়টা ব্যাংক জালিয়াতি হল? কোনটার কি হয়েছে? অর্থমন্ত্রী আগের জায়গায়, জননেত্রীও বিকারহীন। 'কালো বিড়াল' পদত্যাগ করেই মাফ, এতদিনে সাদা হয়ে গেছে! দুদক নাকি বিষয়টি মনিটর করছে। একটা জিনিষ তারা ভাল করছে, সেটা হল দায়মুক্তি। ইন্টারনেটে এখন গল্পের ছড়াছড়ি -- যখন এধরনের ঘটনা একটার পর একটা ঘটতে থাকে তখন গল্প ডালপালাতো মেলবেই. এগুলো কাকতলিয় বা বিচ্ছিন্ন কোন ঘটনা সেটাই বিশ্বাস করা কষ্টকর!

    রিজার্ভ ব্যাংক থেকে এত বর টাকা চুরির ঘটনা নাকি প্রথম ঘটলো।বিষয়টাকে ব্যক্তিগত ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতির সাথে মিশানোটা হবে বিষয়টি সস্তা করার একটি প্রয়াস। ব্যাংক এর মত প্রতিষ্ঠানে সিকিউরিটির স্তর থাকে অনেকগুলো! রিজার্ভ ব্যাংকের মত সংবেদনশীল জায়গায় হুটহাট কেউ হ্যাক করে টাকা নিয়ে যাবে এটা অবিশ্বাস্য! 

    রাজকোষের অর্থ আসলে রাজার, তিনি যেভাবে ইচ্ছে সেভাবেই খেলবেন, কার কি! 
     

  6. 4
    এম_আহমদ

    ।|আমাদের ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা ধসে যাচ্ছে –মাহবুবুর রাহমান||

    আমার মনে হয় নাট্যশালায় প্লোট মোটামুটি সেট হয়ে গিয়েছে। একটি তদন্ত কমিটি মনে হয় হয়ে গিয়েছে। আর টাকা চুরির একটা কুল-কিনারাও পাওয়া গিয়েছে। শিরোনাম: চোরাই টাকার অংশ তারেক পেয়েছেন: হাছান মাহমুদ! টাকা যে আর পাওয়া যাবে না তা একথা থেকেই অনেকটা নিশ্চিত হওয়া যায় এবং তদন্ত কমিটি কোন দিকে ঘোরাঘুরি করতে পারে তারও হয়ত কিছু ইঙ্গিত রয়েছে। ইতিমধ্যে এই লাইনে ভুদাই-ব্যাখ্যাও শুরু হয়ে গিয়েছে। এদিকে দ্রুত একটি ফাঁসী সংঘটিত হয়ে যাবে এবং জামাতের লোক চিল্লাচিল্লি করবে। তারপর আরেকটি ফাঁসীর রশি টাঙানো হবে। তেলের অংশে মিডিয়া মিশিনারি ধ্রিম ধ্রিম ডাকাবে। আর সবকিছুর সুনিপুণ ইন্তিজাম দেখে কেউ কেউ দারুণ ‘পরিকল্পিত’ বলবে, আর কেউ কেউ বলবে কাঁকতলিও। অতঃপর সব ডাকাতির মত, এই ডাকাতিই ইতিহাস হবে। যেখানে যার যে হিস্যা, সে তারটা যেভাবেই হোক গ্রহণ করবে। আর ৬ লাখ ৮২ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা  এগুলো ফুতুর হলে কি হবে? এর সাথেও বীরত্বের ব্যাপার থাকায় (!), বীরের বেশে মাথা উঁচু করে, নিজ বীরত্ব খেতাব নিজ মুখে গ্রহণ করে, ব্যাঙ্কের অনেক উন্নতি সাধনের ফিরিস্তি দিয়ে, গভর্নর সাহেব পদত্যাগ করেছেন। টিভিতে দেখলাম পরিবেশ বেশ উৎফুল্ল। তবে হাসিনার চোখে জল ছিল বলে তিনি উল্লেখ করেছেন। মূল প্রবন্ধ, না না তদন্ত-রিপোর্ট, সেটির ভূমিকা ও সারাংশ সম্পন্ন দেখা যাচ্ছে, শুধু মধ্য অংশ আগামী বছর দুই/একে শেষ হবে। এই যা। 

    এ পর্যন্ত যতটি রিপোর্ট দেখেছি তাতে সততই প্রতীয়মান হয় যে এটা সাধারণ লোকের ক্রেডিট কার্ড থেকে চুরি অথবা সাধারণ লোকের কম্পিউটার হ্যাকিং এর মত কিছু নয়। বাংলাদেশ ব্যাঙ্কের তিনটি প্রধান স্তরের, একটি একটি করে প্রোগ্রেসিভ অনুমোদনের ধাপ পেরিয়ে, যেখানে প্রত্যেক স্তরেই ছিল নিজেদের প্রটেকটিভ সিকিউরিটি কোড, কিন্তু এতসব পেরিয়ে কীভাবে তা হল সেটাই হচ্ছে অসংখ্য প্রশ্নের বড় প্রশ্ন, আবার তখন নাকি সিসি টিভি কাজ করছিল না। এসব বিষয়ের মূল সত্য কে উদ্ঘাটন করবে? আর করেই বা কি হবে?   মরার গায়ে খাড়ার ঘা!

  7. 3
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    মুনিম ভাই, আস সালামু আলাইকুম। 

    সদালাপতো কথা বলে না -কথা বলে তার লেখক পাঠকগন -- আপনিও বুলন না এই বিষয়ে। তবে যথাযথ জ্ঞান ছাড়া কথা না বলাই শ্রেয় -- এতে বড়জোর চর্বিত চর্বন বা ফরমাট মতো একটা দলের বা গোষ্ঠির বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করার মধ্যেই ঘুরপাক খাবে। আমার ধারন সদালাপের লেখকের মাঝে অনেক আইটি এবং ব্যাংকিং বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আছেন -- যারা এই বিষয়ে লিখতে পারে। বিষয়টা যে সাদামাঠা ভাষায় "ব্যাংক ডাকাতি" বা "লুট পাট" তা নয় -- এইটা একটা টেরোরিষ্ট টাইপের ডিজাষ্টার। এই ধরনের আক্রমনের শিকার বিশ্বের প্রায় সব ব্যাংকই। ব্যক্তি পর্যায়ের এ্‌ই ধরনের ঘটনার জন্যে ইন্সিউরেন্স করা থাকে বলে ব্যাংক বা গ্রাহক ক্ষতিগ্রস্ত হয় না -- রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে বিষয়টা কিভাবে করা হয় জানা নেই। দেখা যাক -- সরকার আর ফিলিপাইন কতটা সক্রিয় এবং কার্যকর ভাবে এই বিষয়টি মোকাবেলা করে। 

     

  8. 2
    মহিউদ্দিন

    এডমিনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। সদালাপ খুবই slow মন্তর গতি ক্লিক করলে আধঘণ্টার মত লাগে লোড হতে প্রায়ই বলে Database Problems!  অপ্রয়োজনিয় Plugin ও স্ক্রিপ্ট  বাদ দিন, এডমিন প্যানেলে পাখি উড়ানোর দরকার আছে কি?  

    মুনিম ভাই,
    আপনার পোষ্টের জন্য অশেষ ধন্যবাদ। আসলেই এই লুঠপাট বন্দ না করলে এদেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। সবাইকে সোচ্চার হতে হবে। বাংলাদেশই একমাত্র দেশ পৃথিবীতে যেখানে অপরাধ করে ৯৯% চান্স থাকে পার পাওয়ার। শুধু আর্থিক সেক্টরে কেন সকাল কিছুতে চলছে লুঠপাট ও অনিয়ম। বিশ্বজিতের সম্পাদনায় একটি নিবন্ধে পড়লাম লুটের টাকায় কি হতে পারত?

  9. 1
    এম_আহমদ

    ভাই আপনাদের দেশের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করি। যা দেখা যাচ্ছে তা হল একটি দালাল মাফিয়াতন্ত্রের কব্জায় আধিপত্যবাদ ষোল কলায় পরিণত হয়েছে। আর এই তন্ত্রসংশ্লিষ্ট চোরগুলো যারা একবার হরিলুটের অংশী হয়েছে তারা আজীবনের জন্য এই তন্ত্র ও তান্ত্রিক আদর্শে বন্দী। তারা এর যাবতীয় ভয়াবহ নোংরামিকে জনসমক্ষে পুতপবিত্র (sanitise) করিয়ে দেখাতে হবে, তা না করলে, কাব-বোর্ড থেকে নিজেদের স্কেলিটন বেরিয়ে আসবে। আমার এই মন্তব্যটি পড়ুন। আজ নেংটি-পরা উদ্ভট জাতীয়তাবাদের লেন্দুপগণ দেশে শান্তির বন্যা বহে যাওয়ার গান গাইতে হচ্ছে। হত্যা, গুম, ধর্ষণ, ক্যালেঙ্কারি, চাঁদাবাজি, অরাজকতা, বিচারহীনতা,  গণনিরাপত্তাহীনতা কিছুই তাদের দৃশ্যগত হবে না কেননা এগুলো তাদের জন্য এবং তাদের দলের জন্য কোন সমস্যার বিষয় নয়, কেননা তারাই এসবের perpetrators. সবকিছুতে ওরা জামাত-বিএনপি টানবে। দেশজুড়ে হত্যা ও জ্বালাও করে প্রতিপক্ষের গণতান্ত্রিক আন্দোলন বিফল করতে কুণ্ঠিত হবে না। ডাকাতির বিষয়ে একটু পিছন থেকে দেখুন, কাদের হাতে স্টোক-এক্সচ্যাঞ্জ থেকে ব্যাঙ্ক লুণ্ঠন হচ্ছে? জনগণের হাজার কোটি টাকা তাদের কাছে কিছুই নয়। গত ক’বছর আগে যখন কয়েক হাজার কোটি ব্যাঙ্ক থেকে লুণ্ঠিত হল তখন “মালে-চাণ্ডা-হাম্বায়ে-বাম্বা” বলেছিল, এগুলো টাকা হল নাকি? বা এই মর্মে কিছু। তখন সে গণরোষে পড়েছিল। এবারে নাকি লুট হয়েছে ৬ লাখ ৮২ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা!  লেন্দুপ চোরগুলো একটু সময় নিয়ে হয়ত জামাত বিএনপিকে সামনে এনে চাপাবাজির বক্তব্য মনে মনে আটছে। নাট্যশালা থেকে প্লোট(plots) বিভাজিত হলেই সংগীতের সুর দেখতে পাবেন। তবে এই টাকাও যে টাকা নয়, এমন কথাও কেউ না কেউ বলতে পেরেছে। এই কয়দিন থেকে ‘তথ্য-বাবা’ও নীরব। তবে ব্লগজগতের নাদানে-আযম, আহমকে-বীরত্তোম, মনে-মনে-মুক্তিযোদ্ধা, লেন্দুপে-চাটাই এগুলো এখনো ভাবছে জিয়াপুত্র, তার স্ত্রী আর জামাত নিয়ে মিন মিন করাতেই মানুষের চোখ অন্যত্র থাকবে।

    আজকে দূরে বসে আমাদেরও দুঃখ হয়। এই চুরি হওয়া টাকা দিয়ে নাকি ২৫টি পদ্মাসেতু পারত। ২৫টি কেন ১৫টি কী কম কথা? এত টাকা? গরীব দেশ! কিন্তু নানান আবেগ উত্তেজনায় মত্ত রেখে একটি জাতিকে নিয়ে চলছে কত খেলা, কত লুটপাট। আর এরই মধ্যে যখন দেশপ্রেমি নন্দলালগণ নেংটি পরে সার্কাসের নৃত্য করে আর সিরাদ্দোউলা নাটকের ডায়ালগ মারে তখন এই কুৎসিত দৃশ্য দেখতে কার ভাল লাগবে?

    যাক, ছোট আকারে হলেও আপনার বিবেকের তাগিদে নিজের concern উল্লেখ করছেন দেখে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই। ব্লগে আর কে কী করবে। একটি পরাশক্তি নিয়ন্ত্রিত ইন্দ্রজাল থেকে কেউ কিছু করার মত নয়, তবে আক্ষেপ অনুশোচনা প্রকাশ করতে পারে –এই যা।

    ভাল থাকুন। সালাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.