«

»

Mar ৩০

রাষ্ট্রের ধর্ম

বন্ধুরা,

আসুন আমরা রাষ্ট্রের প্রবাহমান ঘটনা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাতিল করার রীট হাইকোর্ট কর্তৃক আপাতঃ খারিজ করার ফলে,  কি লাভ হলো কিংবা কি ক্ষতি হলো এই আলোচনা করি।

আশাকরি আপনাদের মূল্যবান আলোচনা জাতিকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে সক্ষম হবে। ধন্যবাদ।

৭ comments

Skip to comment form

  1. 6
    সাদাত

    তবে একটা কথা বলতে হয়, সদালাপের একটা পোস্ট হিসেবে এখানে অন্তঃত কিছু ভূমিকা থাকা দরকার ছিল। আপনার অনেক কমেন্টও তো কয়েকশ শব্দের হয়। একবারে কয়েক লাইনের পোস্ট বেমানান দেখায়। মূল পোস্ট অতি সংক্ষিপ্ত হবার কারণেই অনেকেই হয়তো আলোচনায়ও আগ্রহ পান নাই।

    1. 6.1
      এম_আহমদ

      কোন কিছুর লাভ-ক্ষতি যদি বুঝতে না পারেন, তবে চিহ্নিত শত্রুর উচ্ছ্বাস ও উদ্বেগের প্রতি লক্ষ্য রাখুন। বাংলাদেশে ইসলামের চিহ্নিত শত্রুরা যা থাকলে বেজার, না থাকলে খুশি সেটা থাকায় লাভ বৈ ক্ষতির সম্ভাবনা নাই।

      নানান ব্যাখ্যা সম্বলিত ১০ পৃষ্ঠার প্রবন্ধের চাইতে দুই বাক্যের এই বক্তব্যটি অধিক তাৎপর্যপূর্ণ মনে হচ্ছে।

      গণতন্ত্র ও নাগরিক অধিকার: একটি সমাজ বিভিন্ন “সম্প্রদায়ের” সমন্বয়েই গঠিত হয়, হোক তা ফর্মেল ধর্মীয় অথবা অন্য অন্য আদর্শিক ও বিশ্বাসের সমন্বয়ে গঠিত, এবং যদি তাদের সামাজিক ব্যবস্থাকে “গণতান্ত্রিক” মূল্যবোধের ভিত্তিতে পরিচালিত হতে হয় তবে সংখ্যাগরিষ্ঠতাই হবে তার ভিত্তি এবং সেই ভিত্তিতে সংখ্যা লঘিষ্ঠের অধিকার নিশ্চিত হবে। কিন্তু ধাপ্পাবাজির মাধ্যমে সংখ্যালঘিষ্ঠ এক বা একাধিক সম্প্রদায়ের সমন্বয়ে গঠিত লোকের মূল্যবোধের ভিত্তিএ শাসন ব্যবস্থার প্রণয়ন করে তা কোন কৌশলে সংখ্যাগরিষ্ঠের উপর চাপিয়েই দিলে অবশ্যই এক স্ময় সমস্যার সৃষ্টি হবে। যদি গণতান্ত্রিক ভিত্তি হয় তবে একটি দেশের গঠনতন্ত্রের মৌলিক রেফাণ্ডামের মাধ্যমে গৃহীত ও প্রণীত হতে হয়, এটা বাংলাদেশে হয় নি। আজ আমাদের দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের প্রচলিত “অসাম্প্রদায়িক”কথাটি হচ্ছে একটি চরম ধাপ্পাবাজির কথা। বলুন তো কে বা কারা “সম্প্রদায়ের” বাইরে? সম্প্রদায় কীসের ভিত্তিতে গঠিত হয়? সম্প্রদায়ের উপাদানসমূহ কী? আদর্শ, বিশ্বাস, মূল্যবোধ -এসবের বাইরে কী কেউ থাকতে পারে? হয়াঁ পারে, তবে শিশু, পাগল এবং মূর্খ লক এত্থেকে    আলাডা।  “ক” মুসলমান, “খ” হিন্দু, “গ” বৌদ্ধ এমতাবস্থায় “ঘ” এসে বলল আপনারা সবাই বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোক, দেশ “অসাম্প্রদায়িক” হতে হবে, “আমরা” “অসাম্প্রদায়িক” দেশ গড়ব –বানরের পিটা ভাগ, তাই না? এই “ঘ” কারা? এদের সংখ্যা কত? সম্প্রদায় কী? বাংলাদেশের যে শ্রেণীটি নিজেদেরকে অসাম্প্রদায়িক ভাবে এদের একটি অংশ জেনে শুনে জাতিকে ধোঁকা দেয়, তারা কৌশলে বিদেশি শক্তির মাধ্যমে তাদের “আদর্শ”ও বিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত করে এবং সমাজকে তাদের ধারায় পরিবর্তিত করতে চায়। আর তাদের আরেকটি অংশ নিজেরাই ধোঁকাপ্রাপ্ত। আল্লাহ মানুষকে বিভিন্ন জাতি, গোত্র ও সম্প্রদায়েই স্থাপন করেছেন। আজ ৪৫ বছর পার হলেও গোটা জাতি তাদের শাসন তন্ত্রের ব্যাপারে নাগরিক অধিকার হাতে নিয়ে নিজেদের শাসনতন্ত্র নিজেরাই প্রণয়ন করতে হবে, এর উপর রেফারেণ্ডামের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক ভিত্তিতে সেই শাসনতন্ত্র গৃহীত হতে হবে। তখন ঘটনা যাই হোক, এর পর আর কারো কথা বলার কিছু থাকবে না। আংশিকভাবে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকবে কি থাকবে না –তা কী জজ সাহেব নির্ধারণ করেন তা দেশের জনগণ?

  2. 5
    মহিউদ্দিন

     কি লাভ হলো কিংবা কি ক্ষতি হলো এই আলোচনা করি।

     

    ঘরের ভিতরে সিন্ধুকের চাবি, বেড রুম  ও রান্না ঘর কার দখলে সেটা না বুঝে জানালার পর্দার রং ঠিক রাখতে পারলে মন্দ কি?

    আপনার প্রশ্নের সঠিক উত্তর কি হবে জানিনা তবে হয়তবা কিছুটা আবাস মিলবে এখানে। 

  3. 4
    সাদাত

    কোন কিছুর লাভ-ক্ষতি যদি বুঝতে না পারেন, তবে চিহ্নিত শত্রুর উচ্ছ্বাস ও উদ্বেগের প্রতি লক্ষ্য রাখুন। বাংলাদেশে ইসলামের চিহ্নিত শত্রুরা যা থাকলে বেজার, না থাকলে খুশি সেটা থাকায় লাভ বৈ ক্ষতির সম্ভাবনা নাই।

  4. 3
    কিংশুক

    সংবিধানে রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম থাকায় দেশে মসজিদ, মাদ্রাসা,  ইসলামি রাজনীতি করা গেছে। বাহাত্তুরে সংবিধানে ফিরে গিয়ে পুরো  সেকুলারিজম চালু করতে পারলে পরের প্রজন্ম নাস্তিক মুনাফিক দলের সদস্য হবে, দেশ ইসলাম শুন্য হবে। দেশের সকল তৌহিদি জনতাকে যেভাবেই হোক সংবিধান থেকে সেকুলারিজমের নাম গন্ধ মুছে ফেলার সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। হেফাজতে ইসলামের তের দফা বাস্তবায়নের জন্য দরকার হলে একশো বছর সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। 

  5. 2
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    ২৮ বছর ধরেইতো রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম সংবিধানে লেখা আছে -- তাতে যেমন কোন ক্ষতিবৃদ্ধি হয়নি -- তেমনি ভবিষ্যতেও এর কোন লাভ হবে না। তবে সর্বশেষ কোর্টের সিদ্ধান্তে ইসলাম ধর্মের কোন লাভ না হলেও সম্প্রদায় হিসাবে বাংলাদেশের মুসলিমরা একটু আত্নতুষ্ঠি লাভ করতে পারবে -- যা প্রকৃতপক্ষে সাম্প্রদায়িকতার চর্চাকে একটু প্রাতিষ্ঠানিক করা হলো আর কি। লক্ষ্য রাখা দরকার সাম্প্রদায়িকতা ইসলামের দৃষ্টিতে একটা মন্দ কাজ -- কিন্তু বাংলাদেশের মুসলিমরা সেই চর্চাটাই করে যাচ্ছে। খুবই ভয়াবহ বিষয় বটে। 

  6. 1
    মাহফুজ

    তথৈবচ

Leave a Reply

Your email address will not be published.