«

»

Jul ২০

ইসলামের নামে রাজনীতি কতটুকু ইসলামসম্মত

বাংলাদেশ ও এই উপমহাদেশসহ সারা পৃথিবীতে ইসলামের নামে যে আন্দোলনগুলো প্রচলিত রাজনীতিক প্রক্রিয়ায় কাজ করছে সেগুলোকে বলা হয়ে থাকে ইসলামিক মুভমেন্ট বা ইসলামী আন্দোলন। এগুলো কি আসলে ইসলাম সম্মত?

প্রথমত তারা যেটাকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য চেষ্টা করছে সেটা আল্লাহ রসুলের ইসলামই নয়। ১৩০০ বছরে ধীরে ধীরে মোফাস্সে, ফকিহ, পণ্ডিত, ইমামদের বিশ্লেষণ, অতি বিশ্লেষণ এবং বিকৃত সুফীবাদের ফলে দীনের বহির্মুখী চরিত্র পাল্টে গিয়ে অন্তর্মুখী হয়ে গেছে, ফলে সহজ সরল ইসলাম জটিল, দুর্বোধ্য হয়ে সঠিক রূপটি হারিয়ে বিকৃত হয়ে গেছে। এই বিকৃতির ফসল হিসাবে যে ইসলামটা এ জাতির হাতে এসেছে সেই ইসলামই তারা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে যাচ্ছে। উপরন্তু ব্রিটিশরা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে তাদের নিজেদের তৈরি সিলেবাস ও কারিকুলামের মাধ্যমে তাদেরই তৈরি বিকৃত ও বিপরীতমুখী ইসলাম এ জাতিকে শিক্ষা দিয়েছে শতাধিক বছর ধরে। ব্রিটিশরা ধর্মনিরপেক্ষ হওয়ার আশায় ধর্মকে ব্যক্তিজীবনে নির্বাসিত করে জাতীয় জীবনের কাঠামোগুলোতে নিজেদের রচিত ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুদভিত্তিক পুঁজিবাদ অনুসরণ করছে। তাদের অনুকরণে মুসলিম জনগোষ্ঠীটিও ইসলামের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে বাদ দিয়ে নামায, রোযা, হজ্ব ইত্যাদি পালনের মাধ্যমে ইসলামকে অন্যান্য ধর্মের মতোই আরেকটি উপাসনা সর্বস্ব ধর্মে পরিণত করে ফেলেছে। ইসলাম যে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা তা মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে এ জাতিকে প্রায় ভুলিয়েই দেওয়া হয়েছিল। হাসান আল বান্না, সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদুদী, আল্লামা কারযাভী প্রমুখ আলেমগণ তাদের লিখনির মাধ্যমে আবার এ কথাটি তুলে ধরলেন এবং ধারণাটিকে পূর্ণতা দেওয়ার চেষ্টা করলেন। এই জন্য বিরাট একটা এলাকায় তাঁরা প্রশংসিত হয়েছিলেন। কিন্তু তাদের অন্তর্ধানের পর তাঁদের ধারণার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা দলগুলি পশ্চিমা প্রভুদের তৈরি প্রতারণামূলক রাজনীতিকেই গ্রহণ করল। কিন্তু পশ্চিমা প্রভুদের শেখানো রাজনীতিক সিস্টেম মিথ্যাপূর্ণ, সেই সিস্টেম ধারণ করলে সত্যের সঙ্গে মিথ্যার মিশ্রণ না ঘটিয়ে উপায় থাকে না। এজন্য পূর্ণাঙ্গ জীবনে আল্লাহর সত্যদীন পশ্চিমা কায়দায় প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে সৃষ্টি হলো ইসলামের নামে এক নতুন জগাখিচুড়ি মতবাদ যা কার্যক্ষেত্রে হাজারো ফেতনার সূত্রপাত করল, ইসলামের নামে শুরু হলো এক কালো অধ্যায়ের। শুরু হলো ইসলামের নামে নতুন ধাপ্পাবাজি, তারা জনগণের ঈমানকে পুঁজি করে, মিথ্যা দ্বারা প্রভাবিত করে ক্ষমতালাভের পাঁয়তারা শুরু করল। অর্থাৎ তাদের পরিকল্পনা হলো যে কোনো প্রকারেই হোক একবার ক্ষমতায় যেয়ে তারপর ইসলামের বিধানগুলো চালু করে দেবেন। এজন্য যখন যার লেজুড়বৃত্তি করা দরকার সবই জায়েজ। কিন্তু ‘জেহাদ মানে হেকমত’ এই কথাকে ব্যবহার করে যে প্রতারণামূলক রাজনীতি করা হয় তা কি আল্লাহর রসুলের অনুসরণ? এ জাতির ইসলামী চেতনা ব্রিটিশদের যাঁতাকলে ২০০ বছর পিষ্ট হয়েও একেবারে মরে যায় নি। ইসলামের স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনার স্বপ্ন একটি শ্রেণীর মধ্যে সবসময় ছিল, সেটি এখনো আছে। সেই শ্রেণিটির স্বপ্নকে হাইজ্যাক করে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করছে এই দলগুলোর নেতৃত্ব। তাদের ওয়াজে, আহ্বানে লক্ষ লক্ষ তরুণ নিজেদের প্রাণ উৎসর্গ করে দিয়েছে আল্লাহর দীনের জন্য। তারা বুঝতে পারে নি যে, দলগুলোর গন্তব্য বা উদ্দেশ্য (সম্ভবত) সঠিক থাকলেও পথ ভুল; ভুল পথে কখনো গন্তব্যে পৌঁছা যায় না। পথ যে ভুল তা দলের নেতৃত্ব অবশ্যই বুঝতেন কিন্তু ক্ষমতা, খ্যাতি আর অর্থের মোহে মানুষের ঈমানী চেতনাকে তারা যথেচ্ছ ব্যবহার করেছেন।

সবচেয়ে জঘন্য মিথ্যা হলো, যে মিথ্যা আল্লাহর নামে, ধর্মের নামে প্রচার করা হয়। এমন মিথ্যারই প্রসার ঘটে ধর্মভিত্তিক এই রাজনীতিক দলগুলোর মাধ্যমে। কোন রাজনীতি? যে ধাপ্পাবাজির রাজনীতি পশ্চিমা প্রভুরা তৈরি করেছে। তাদের রাজনীতির সঙ্গে যে বিষয়গুলো ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক তার প্রথমটি হচ্ছে প্রার্থী হওয়া।
কোনো পদের জন্য প্রার্থী হওয়া ইসলামের অযোগ্যতার প্রথম শর্ত। এ বিষয়ে অনেক হাদীস আছে যা রাজনীতিক দলের নেতৃবৃন্দ অবশ্যই জানেন কিন্তু সেগুলোর অপব্যাখ্যা দাঁড় করিয়ে পাশ কাটিয়ে প্রচলিত রাজনীতির নিয়ম মেনেই তারা প্রার্থী হন। অথচ আল্লাহ বলেছেন, সত্যের সঙ্গে মিথ্যা মিশ্রিত করবে না এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করবে না (সুরা বাকারা ৪২)। তারা বলেন, ইসলাম সর্বযুগে সর্বাধুনিক, তাই আধুনিক দুনিয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে ইসলামকেও যুগোপযোগী করে নিতে হবে। খুবই যুক্তিযুক্ত কথা, কিন্তু সত্যের সঙ্গে মিথ্যা মেশানোকে ধর্মের যুগোপযোগীকরণ বলে না। ওমর (রা.) এর মনোনয়নের পূর্বে গঠিত মজলিশে শুরার দ্বারা খলিফা মনোনয়নের পদ্ধতিকে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সঙ্গে ইচ্ছা করে তালগোল পাকিয়ে ফেলা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষকে ভুল বোঝানো হয়েছে। আজ ইসলামি দলের প্রার্থীরাও বলছে, ‘আমি যোগ্য, আমাকে ভোট দাও’। এইভাবে নিজের যোগ্যতা বলা, নিজে নেতা হওয়ার প্রয়াস করাই ইসলামে প্রথম অযোগ্যতা।

দ্বিতীয় বিষয়টি হলো, প্রতিপক্ষের ধর্মীয় পরিচয় নিয়ে অস্পষ্টতা। ইসলামিক দলগুলো যে গণতান্ত্রিক দলগুলোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে সেই দলগুলো কি মো’মেন না কাফের তা সুস্পষ্ট করা হয় না। যেহেতু আল্লাহর রসুল কোনোদিন মার্কা নিয়ে ভোটাভুটি করেন নি, মিছিল করেন নি, তিনি জেহাদ করেছেন। তাই সাধারণ মানুষকে বুঝ দেওয়ার জন্য বলা হয়ে থাকে নির্বাচনই বর্তমানের পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জেহাদ, ব্যালটই এখন বুলেট। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আল্লাহর রসুল জেহাদ করেছেন কাফেরের বিরুদ্ধে, হোদায়বিয়ার সন্ধিও করেছেন কাফেরের সঙ্গে সুতরাং ভোটযুদ্ধও কি কাফেরের বিরুদ্ধেই হবে না? লড়াই বা যুদ্ধের ক্ষেত্রে ইসলামের নীতি হলো প্রতিপক্ষ হতে হবে কাফের বা ইসলামের শত্র“, তখনই সেখানে ইসলামের লাড়াই বা যুদ্ধনীতির অনুসরণ করা যাবে। কারণ সংঘাতরত উভয়েই যদি মো’মেন হয়, তাহলে একে অন্যের বিরুদ্ধাচারণ করা কুফর, উভয়েই ইসলাম থেকে বহি®কৃত। কিন্তু প্রতিপক্ষকে কাফের বলার মতো সৎ সাহস আজ পর্যন্ত কোনো ইসলামী রাজনীতিক দল দেখিয়েছে কি? না। মঞ্চে উঠে তারা অন্য গণতান্ত্রিক দলগুলোর মতোই প্রতিদ্বন্দ্বীর যাবতীয় দোষ-ত্র“টি বর্ণনা করেন। প্রতিপক্ষ যদি কাফের হয়ে থাকে, তাহলে তার দোষ-ত্র“টি বর্ণনা করা নিষিদ্ধ নয়, কিন্তু যদি তাদেরকেও মুসলিম বলে স্বীকার করা হয় তাহলে তার দোষ-ত্র“টি প্রচার করা নিষিদ্ধ। তারা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করেন আবার একই সঙ্গে জামাতে নামাজ পড়েন, আত্মীয়তার সম্পর্ক গড়েন যাতে ক্ষমতার পালাবদলে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঠিক থাকে। লড়াইতে হেরে গেলে আবার প্রতিপক্ষের দলে যোগদান করতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন। এই ধাপ্পাবাজির রাজনীতিকে ইসলাম বলা আল্লাহ ও রসুলের উপর অপবাদ আরোপ ছাড়া আর কিছুই নয়। এখানে আরেকটি কথা বলতেই হয়, ইসলামকে যুগোপযোগী করতে গিয়ে রসুলাল্লাহর ১০ বছরের যুদ্ধজীবনকে একেবারে বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ নতুন পথে চেষ্টা করা হচ্ছে যে পথ রচনা করেছে ইহুদি-খ্রিষ্টানরা। কিন্তু নামাজ, রোজা, হজ্ব বা ইসলামের আর কোনো কিছুর প্রক্রিয়াকেই যুগোপযোগী করার কোনো প্রয়োজন তারা বোধ করছেন না।   
তৃতীয় প্রতারণা হল ভোট পাওয়ার জন্য জনগণকে মিথ্যা ওয়াদা প্রদান। বাঁকা পথে শত চাইলেও সোজা চলা যায় না। বর্তমানে প্রচলিত পুঁজিবাদী গণতন্ত্রে রাজনীতিক সাফল্যের প্রধান হাতিয়ারই হচ্ছে বাকচাতুর্য, মিথ্যা আর টাকা। এই বাজারে টিকে থাকার জন্য ইসলামিক দলগুলোও একই পথে হাঁটতে বাধ্য হয়। আল্লাহ তা’আলা ঘোষণা করেন, নিশ্চয়ই যারা আল্লাহর নামে অঙ্গীকার করে ও কসম খেয়ে (ওয়াদা) তার বিনিময়ে তুচ্ছ পার্থিব স্বার্থ হাসিল করে, পরকালে তাদের কিছুই থাকবে না, আল্লাহ তাদের সাথে কথা বলবেন না, তাদের দিকে দৃষ্টি দেবেন না, এবং তাদেরকে পবিত্রও করবেন না। তাছাড়া তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি (সুরা আল ইমরান-৭৮)। তুচ্ছ পার্থিব স্বার্থ মানে যে আরাম-আয়েশ, প্রচার, গাড়ি, বাড়ি, নারী, ব্যবসা বাণিজ্য ইত্যাদি তা নিশ্চয়ই বলার অপেক্ষা রাখে না।

রসুল (স.) বলেন, যে ব্যক্তি নিজের কসম (ওয়াদা) দ্বারা কোন মুসলমানদের সম্পদ কুক্ষিগত করতে চায়, সে নিজের জন্য জাহান্নাম অবধারিত ও জান্নাত হারাম করে ফেলে। এক ব্যক্তি বললো, হে আল্লাহর রসুল (স.) যদি তা খুব নগণ্য জিনিস হয় তবুও? তিনি বললেন, যদি একটা গাছের ডালও হয় তবুও (মুসলিম, নাসায়ী, ইবনে মাযাহ)।

ইসলামের নামে চলমান রাজনীতিতে ইসতেহারের মধ্যে প্রদত্ত শত শত অঙ্গীকার ক্ষমতায় গেলে ভুলে যাওয়া হয়। আবার দলগুলোর নেতৃত্ব কর্মীদেরকে জেহাদের আহ্বান করে ওয়াজ করেন আর নিজেরা রাজার হালে আরাম-আয়েশের মধ্যে জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করতে ভালোবাসেন। তারা নিজেদের ছেলে মেয়েদেরকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিদেশে পড়ান। আন্দোলনের চেয়ে আর্থিক সমৃদ্ধি, চাকুরি, ব্যবসা ইত্যাদিই তাদের মূল ব্যস্ততার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই কার্যক্ষেত্রে পলিটিক্যাল ইসলাম একপ্রকার ধর্মব্যবসা ছাড়া কিছুই নয়।

চতুর্থ প্রতারণা হল টাকা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা, এটা ঘুষ ও হারাম। তাছাড়া ইসলামে অন্ধ বিশ্বাসের কোনো স্থান নেই। কোনো বিষয়ের ভালোমন্দ সম্পর্কে না জেনে তা অনুসরণ করাকে ইসলাম সমর্থন করে না। আল্লাহ মানুষের চোখ, কান ও বিবেককে প্রশ্ন করবেন (বনি ইসরাইল ৩৬)। যোগ্য-অযোগ্য, ভালো-মন্দ যাচাই না করে শুধুমাত্র টাকার বিনিময়ে ভোট দেওয়ার চেয়ে বড় অন্ধত্ব আর হতে পারে না। মানুষকে আল্লাহ দৃষ্টি দিয়েছেন সে পরীক্ষা করে দেখবে, কান দিয়েছে শুনবে, হৃদয় দিয়ে উপলব্ধি করবে। তারপর যেটা সত্য, ন্যায় সেটা গ্রহণ করবে বা সমর্থন করবে। তার বুদ্ধির বেশি পুরস্কার কখনোই তাকে দেওয়া হবে না। সেখানে ভালোমন্দ যাচাই না করে শুধু টাকার কাছে মাথা বিক্রি করতে প্ররোচিত করার প্রক্রিয়া ধাপ্পাবাজের রাজনীতির অন্যতম কৌশল। সে রাজনীতিটা ইসলামিক দলগুলো নিয়েছে।

পঞ্চম প্রতারণা হলো, গণতন্ত্রের নামে যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি চলছে অর্থাৎ মিছিল, মিটিং, ঘেরাও, ভাঙচুর, জ্বালাও পোড়াও, সাধারণ মানুষের জীবন-সম্পদকে জিম্মি করে আন্দোলন ইত্যাদি সিস্টেমগুলো আজ ইসলামী আন্দোলনের নামে চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু ইসলামে এর অনুমতি দেয় না। বাসের মধ্যে বোমা ছুড়ে অন্ধকারে পালিয়ে যাওয়া কখনও ইসলামী আন্দোলন না, এটা সন্ত্রাস। আল্লাহর রসুল মক্কায় থাকতে অর্থাৎ রাষ্ট্র গঠনের আগে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কোন যুদ্ধ ঘোষণা করেন নি। অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে কষ্ট দিয়ে একবারও কোনো ভাঙচুর, জ্বালাও পোড়াওয়ের কর্মসূচি নিয়েছেন এমন প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবেন না। রসুল তা করেন নি, কারণ এটা হচ্ছে সন্ত্রাস। ইসলামের নীতি হল সত্য ও মিথ্যা মানুষের সামনে উপস্থাপন করা এবং সত্যের পথে যারা আসবে তাদেরকে দৃঢ়তার সাথে সংগঠিত করা। একটা পর্যায় অবশ্যই আসবে যখন সত্য বিজয়ী হবে। সত্য বিজয়ী হতে গেলে মিথ্যার সঙ্গে চূড়ান্ত সংঘাত হবে, সেটা হল যুদ্ধ, জেহাদ, কেতাল। সেটার জন্য একটা রাষ্ট্রীয় কাঠামো লাগবে, একটা সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ লাগবে, জনগোষ্ঠীর স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন লাগবে অর্থাৎ এক কথায় কতগুলো পূর্বশর্ত আছে। কিন্তু এই যে সহিংসতা সৃষ্টি, গাড়ি, ট্রেনে আগুন দিয়ে পালিয়ে যাওয়া এটা কি ইসলামের যুদ্ধনীতিতেও বৈধ। যারা রসুলের উম্মত দাবিদার, মো’মেন দাবিদার তারা পালাতে পারবে না। তাদের দাবি মোতাবেক এই প্রচেষ্টা যদি ইসলাম প্রতিষ্ঠার জেহাদ হয়ে থাকে তাহলে জেহাদের মাঠ থেকে পালালে আল্লাহর গজব আপতিত হবে বলে আল্লাহ জানিয়ে দিয়েছেন (সুরা আনফাল ১৬)। এই ইসলামিক দলগুলো যে কোনো ইস্যুতে রাস্তায় নেমে নিজেদের ঈমানী জোশ, শক্তিমত্তা, জনবল ইত্যাদি প্রদর্শন করে আর পুলিশ তাড়া করলেই পালিয়ে যায়। এভাবে পৃষ্ঠপ্রদর্শনের দরুন আল্লাহর ঘোষিত গজবের শিকার হয়ে তারা একে একে মানুষের হৃদয় থেকে হারিয়ে নির্মূলের পথে চলে যাচ্ছে। মানুষ তাদের সঙ্গে অপরাপর রাজনীতিক দলের কোনো পার্থক্য খুঁজে পায় না বলেই তাদের আহ্বানে আর সাড়া দেয় না।  

ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য যে রাজনীতিক পদ্ধতি গ্রহণ করা হয়েছে সেটা দিয়ে কোনো দিন কাক্সিক্ষত সাফল্য আসবে না। প্রমাণ ইখওয়ানুল মুসলিমিন, ইসলামিক সালভেশন ফ্রন্ট ইত্যাদি। মেয়াদ শেষে ভোটে হেরে, নতুবা সামরিক ক্যু-এর মাধ্যমে, নতুবা পশ্চিমা প্রভুদের চাপে স্বপ্নের খেলাফত ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। পলিটিক্যাল ইসলামের প্রসার ঘটতে দেওয়া আসলে পশ্চিমাদের ছেলে ভুলানোর জন্য হাতে ললিপপ ধরিয়ে দেওয়ার মতো একটি কৌশলমাত্র।

ইসলাম এসেছে গোটা বিশ্বের জন্য, তাই যারা ইসলামী রাজনীতি করেন তাদেরও সমগ্র বিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উপযোগী প্রক্রিয়াই গ্রহণ করতে হবে, অন্যথায় তাকে যুগোপযোগী বলা যাবে না। বাস্তবতা হলো, সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সরকার গঠন করার স্বপ্ন হঠাৎ সেখানেই পূরণ হতে পারে যে দেশে মুসলমান বেশি। যেমন বাংলাদেশে ৯০% মুসলমান। কিন্তু যে দেশে ৯০ ভাগ মানুষ বৌদ্ধ বা সনাতন ধর্মাবলম্বী সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে তারা কীভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবেন? সুতরাং এ পথ ভুল। যেন তেন উপায়ে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ রসুলাল্লাহ মক্কী জীবনেই পেয়েছিলেন। তাঁকে কাফের নেতারা প্রস্তাব করেছিল মক্কার শাসক হওয়ার জন্য। সেই প্রস্তাব তিনি গ্রহণ করেন নি। তিনি মানুষের কাছে নিরলসভাবে সত্য প্রচার করে গেছেন এবং যতদিন না মানুষ তাঁর কথার সত্যতা অনুধাবন না করে ততদিন ক্ষমতায় যাওয়ার ভিন্ন পন্থা গ্রহণ করেন নি।

রাজনীতিক ইসলামের নামে এই ধাপ্পাবাজি ইসলামের সবচেয়ে বড় যে ক্ষতিটি করেছে তা হচ্ছে, ইন্দোনেশিয়া থেকে আটলান্টিকের তীর পর্যন্ত বি¯তৃত ভূখণ্ডে ১৬০ কোটির যে মুসলিম নামক জাতিটি নিঃসাড় মরা লাশের মতো পড়ে আছে আর মার খাচ্ছে, তাদের মধ্যেও লক্ষ লক্ষ যুবক ছিল যাদের হৃদয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন ও চেতনা ছিল, সেই স্বপ্নকে ভুল পথে পরিচালিত করেছে এই পলিটিক্যাল ইসলামিক দলগুলো। তারা দেদারসে রাষ্ট্রের আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাচ্ছে। এই সুযোগে সরকারগুলোর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলো তাদেরকে নির্মমভাবে দমন করছে। আন্দোলনগুলোর অনিবার্য ব্যর্থতার পরিণামে সেই যুবকদের ইসলাম প্রতিষ্ঠার স্বপ্নটাই ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। হতাশাগ্রস্ত হয়ে তারা গুপ্ত সংগঠন অর্থাৎ জঙ্গিবাদের দিকে পা বাড়াচ্ছে। তাদের জন্য এই চোরাগলি আগেই তৈরি করেছে পশ্চিমা বিশ্ব। সন্ত্রাসদমনের নামে এই যুবকদেরকেই হত্যা করছে সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলো। ইসলামের চেতনা লালনকারী এই লক্ষ লক্ষ যুবকের অসীম কোরবানী অর্থহীন হয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি চলছে ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার। মুসলিম যুবসমাজের মধ্যে ইসলামের প্রতি ভালোবাসার জায়গা করে নিচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী চেতনা। এমতাবস্থায় যদি প্রকৃত সত্যের আহ্বানও তাদের কাছে পৌঁছানো হয়, সেই ডাকে সাড়া দেওয়ার মতো লোক পাওয়া খুবই কঠিন হবে। কারণ দই বলে চুন খাইয়ে এ জাতির মুখ পুড়িয়ে দিয়েছে পলিটিক্যাল ইসলাম আর চরমপন্থী ইসলাম নামক ভয়াবহ প্রতারণা।

এদেশে বেশ কিছু রাজনীতিক দল আছে যেগুলো ভোটের জন্য মানুষের ইসলামপ্রীতিকে আশ্রয় করে রাজনীতি করে থাকে, এদেশের ৯০% মুসলমানকে ভোটব্যাংকে পরিণত করার কল্পনা করে। এই দলগুলোর অনেক সমর্থক প্রশ্ন করে থাকেন যে, তাহলে কি ইসলামে রাজনীতি নেই? তাদেরকে বলি, আপনারা রাজনীতির নামে যা করছেন সেই রাজনীতি রসুল্লাহ করেন নি। সুতরাং এই রাজনীতি ইসলামে নেই।  ইসলাম প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো অবস্থাতেই সত্য থেকে বিচ্যুত হওয়া যাবে না, সেই সত্য বক্তৃতা বা ওয়াজে নয়, আত্মায় প্রতিষ্ঠিত থাকতে হবে। ইসলামে আছে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি। একটি কল্যাণ রাষ্ট্র কিভাবে পরিচালিত হবে, জনগণ কীভাবে সুখে থাকবে, সেই রাষ্ট্রে কার কী অধিকার, স্বাধীনতা, কর্তব্য থাকবে, অর্থনীতি কী হবে, সম্পদ কীভাবে বণ্টন করা হবে অর্থাৎ এক কথায় রাষ্ট্র পরিচালনা নীতি  (ঝঃধঃব সধহধমবসবহঃ ঢ়ড়ষরপু)। ইসলাম কখনোই রাষ্ট্র থেকে আলাদা নয়। রাষ্ট্রব্যবস্থায় যদি অন্যায় প্রভুত্ব বিস্তার করে, সেই সমাজে অবিচার, অশান্তি অনিবার্য। ধর্ম ও রাষ্ট্রকে আলাদা করেছে পশ্চিমা বিশ্ব। রাষ্ট্রশক্তিহীন ইসলাম ইসলামই নয়। কিন্তু আজ ইসলামিক রাজনীতির নামে যেটা করা হচ্ছে সেটা ইসলামে নেই। এটা নিজে লাভবান হওয়ার জন্য জনগণকে প্রতারিত করার নিুমানের কৌশল (Trick) ও নিকৃষ্টতম মোনাফেকী (Hypocrisy) মাত্র। এই বিষয়ে খোলা মন নিয়ে যুবসমাজের ভাবনার সময় এসেছে।

৫২ comments

Skip to comment form

  1. 19
    Shahriar

    What kind of salat is this by বায়াজীদ খান পন্নী??!!!!

    rel="nofollow">

  2. 18
  3. 17
    Shahriar

    Please read very carefully about this site “http://hezbuttawheed.org/” and it’s related articles. Another fitna group of Islam.

  4. 16
    রাকীব আল হাসান

    আমার সাথে ব্যক্তিগত যোগযোগ করতে চাইলে-

    কল করতে পারেন- ০১১৯২০৯৫৭৫৯

    ভিজিট করতে পারেন-

    https://www.facebook.com/rblee77

    https://www.facebook.com/asun.system.takei.paltai?ref=aymt_homepage_panel

    http://hezbuttawheed.org/

    1. 16.1
      Shahriar

      Allah, please help us from these kind of people(fitna). For all people please read carefully about hezbuttawheed.org site and there related articles.

  5. 15
    Momtaz Begum

    মমতাজ

    1. 15.1
      Sky

      @Momtaz Begum:

      আপনি বললেন,

      “তিনি হাজার বছর ধরে প্রচলিত সমাতন ধর্ম বিশ্বাসের মুর্ত্তিপূজা নিষিদ্ধ করেন। এবং সেখানে চাপিয়ে দেন আল্লা নামক এক কাল্পনিক বস্তুর পুজা।”

      আমার ঠিক বুঝে আসছে না, মুসলিম নামধারী হয়েও আপনি মূর্তিপূজার পক্ষে সাফাই গাইছেন কেন!!

  6. 14
    আব্দুল আওয়াল সুমন

    রাকীবঃ সুন্দরভাবে কারো প্রশ্নের উত্তর দেয়া সদকা। (বুখারী)। অথচ তা আপনার পছন্দ নয়। অবাক না হয়ে পারলাম না। ইসলাম বিদ্বেষীদের সংখ্যা এত বাড়ছে কেন? আপনার কি ধারনা তা জানিনা তবে আমার অভিজ্ঞতায় দেখলাম, ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞতা বা ভুল ধারনাই এর প্রধান কারণ। আপনি জরিপ করে দেখুন শতকরা কতজন মুসলিম শব্দের অর্থ জানে? আমি এক জন্মগত মুসলিম নাস্তিককে তার নাস্তিকতার কারণ জিজ্ঞেস করলে সে বলল, কোরানে আছে চাঁদের নিজস্ব আলো আছে, বিজ্ঞান তা ভুল প্রমাণ করেছে সুতরাং কোরান ভুল। একবার আমাদের স্কুলের প্রধান শিক্ষক ক্লাসে বলেছিলেন, “ধর্ম বলছে মানুষ আল্লাহর সৃষ্টি আর বিজ্ঞান বলছে মানুষ বানর থেকে সৃষ্টি। মুসলিম হিসেবে ধর্মও মানতে হয় আর বিজ্ঞাত যেহেতু প্রমাণিত তাও মানতে হয়।” দুটো একসাথে কিভাবে মানা সম্ভব?
    তাদের এ অজ্ঞতা দূর করবে কে?

    আমার একটা বানী হলেও অন্যের নিকট পৌঁছে দাও। (বুখারী)
    জ্ঞান অর্জন কর ও জ্ঞান বিতরণ কর, এটাই সর্বোত্তম কাজ। (মিশকাত)

    ওলামাগন আম্বিয়াদের ওয়ারিশ। অথচ তারা দায়িত্ব পালন করছে না। সমাজে দাওয়াতি কাজ নেই বললেই চলে। শীতকালে কিছু ওয়াজ-মাহফিল হয় যার প্রধান উদ্দেশ্য হল টাকা। এসব ওয়াজ শুনে একজনকেও আমি নামাযী হতে দেখিনি। নবী-রাসূলগন বলতেন, “আমি এর জন্য তোমাদের নিকট কোন বিনিময় চাই না, আমার বিনিময়তো আল্লাহ দেবেন।” অথচ তাঁদের ওয়ারিশগন বাকিতে বিশ্বাসী নয়, তাদের নগদ বিনিময় প্রয়োজন।

    প্রতিটি মুসলিম, প্রতিটি দলের প্রধান আদর্শ বা কেন্দ্রীয় চরিত্র হওয়া উচিত ছিল একমাত্র “মুহাম্মদ (সাঃ)”। কিন্তু তা না হয়ে প্রতিটি দলের নেতাই হয়ে গেছে কেন্দ্রীয় চরিত্র। নেতা যা বলছে তাই ঠিক, কোরান-হাদীসে যাই থাকনা কেন। আমাদের মসজিদের ইমামকে একটি হাদীস শোনালাম, শুনে বললেন এটা মানা যাবে না, কারণ এটা আমাদের মাযহাবে নেই। অথচ হাদীসটা মাযহাবের অনুকূলেই ছিল। সমাজে এমন অনেক কিছু প্রচলিত হয়ে আছে যা কোরান-হাদীস বা প্রচলিত মাযহাবেও নেই।
    জাহের-বাতেন, শরীয়ত-মারিফাত, তাসাউফের যে বিষ সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে আছে তা দূর করার সাধ্য কার!

    আরও কিছু লেখার ইচ্ছা ছিল, কিন্তু লিখে কি লাভ? সমাজের অবস্থা দেখে খুবই হতাশার মধ্যে আছি। তাই আপাতত আগে ঘর তারপরে পর, এই নীতির উপর আছি।

    1. 14.1
      রাকীব আল হাসান

      সুমন ভাই,

      আমি অত্যন্ত দুঃখিত যে, আমার বক্তব্য আপনাকে আমি বোঝাতে পারিনি। আমি অপছন্দ করি যুক্তিহীন, সারবস্তুহীন, বিদ্বেষপূর্ণ বিতর্ক বা ঝগড়া যা থেকে ফেৎনার সৃষ্টি হয়। আমি সংক্ষেপে একেই বলেছি বিতর্ক। কিন্তু যুক্তিপূর্ণ আলোচনা, তথ্য ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলাপচারিতা, মতবিনিময় ইত্যাদি আমি অপছন্দ করি না। এটা অপছন্দ করলে তো ব্লগে লেখালেখিই বাদ দিতাম।
      ধন্যবাদ।

  7. 13
    রাকীব আল হাসান

    যারা ইসলামের পক্ষ নিয়ে বিতর্ক করছেন তাদের উদ্দেশ্যে আমার কথা:
    বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মনোভঙ্গির দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে, এক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট বিষয়ে এক ধরণের মতামত প্রদান করলে অন্য প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ তা ভিন্ন দলিলের মাধ্যমে রহিত করে দেয়। দেখা যায় আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটা ফতোয়া জারি করা হচ্ছে, সেটা মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাতিল করে দেয়া হচ্ছে। কওমি মাদ্রাসা থেকে একটা ফতোয়া জারি করা হচ্ছে, সরকারি আলিয়া থেকে তা বাতিল করে দেয়া হচ্ছে। ইসলামিক ফাউণ্ডেশন থেকে একটা ফতোয়া জারি করা হচ্ছে, শত শত ভিন্ন মতাবলম্বী আলেম বিবৃতি দিয়ে সেটা বাতিল করে দিচ্ছেন। সৌদি আরবের গ্র্যাণ্ড মুফতি কোন ফতোয়া দিচ্ছেন, ইরানের মুফতি-আয়াতুল্লাহরা সেটা বাতিল করে দিচ্ছেন। বাগদাদী অর্থাৎ আই.এস. জঙ্গিনেতারা যে ফতোয়া দিচ্ছেন, আল কায়েদা বা তালেবান সেটা সঠিক নয় বলে বাতিল করে দিচ্ছেন। এই যে ফতোয়া-পাল্টা ফতোয়া, মাসলা মাসায়েলের জটিল জটাজাল, দুনিয়াময় দল-মতের ছড়াছড়ি এসবের ফলশ্র“তিতে মুসলমান জাতির দশা এখন হালবিহীন নৌকা অথবা সেনাপতিহীন সেনাবাহিনীর মতো। তারা সংখ্যায় বিরাট হয়েও ঐক্যহীন, সর্বত্র লাঞ্ছিত, নিগৃহীত। তারা যেন বিভ্রান্ত ও পথভ্রষ্ট হয়ে মরুভূমির মাঝে মরীচিকার পেছনে দিগি¦দিক জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটে বেড়াচ্ছে। এ পরিস্থিতি আমাদের সামনে একটি মহাসত্য প্রকাশ করে দিচ্ছে, সেটা হলো: বর্তমানে ১৬০ কোটির এই মুসলিম জনগোষ্ঠীর সর্বজনমান্য কোনো কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নেই, কোনো ধর্মীয় সিদ্ধান্ত প্রদানের মতো অবিসংবাদিত কোনো কর্তৃপক্ষ পৃথিবীতে নেই। কেননা একজন আলেমের সিদ্ধান্ত অন্য যে কোনো আলেম বা প্রতিষ্ঠানের দ্বারা ‘ভুল’ বলে ঘোষিত হচ্ছে। কারো সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গৃহীত হচ্ছে না।
    নবী করিম (দ.) অক্লান্ত পরিশ্রম করে সমস্ত পৃথিবীর মানুষকে শান্তি দেয়ার জন্য একটা উম্মাহ তৈরি করলেন। সেই উম্মাহ্র নাম হলো উম্মতে মোহাম্মদী যা ছিল এক অখণ্ড জাতিসত্তা। যেখানে না ছিল শিয়া, না ছিল সুন্নী, না ছিল খারেজী, না ছিল হানাফী, না ছিল আহলে হাদিস, না ছিল কওমী, সব ছিল এক উম্মতে মোহাম্মদী। তারা সকলেই ছিল ন্যায়ের পক্ষে, সত্যের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আল্লাহর সার্বভৌমত্বের পক্ষে ইস্পাতকঠিন ঐক্যবদ্ধ। এই সত্যকে সারা দুনিয়ার মানবজাতির মধ্যে প্রতিষ্ঠা করার জন্য জীবনসম্পদ দিয়ে তারা সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন এক লক্ষ্যে, একাগ্রচিত্তে। তাঁদের মধ্যে কোনো ফেরকা-মাজহাব ছিল না। হুজুর পাক (দ.) এর এন্তেকাল পর্যন্ত তিনিই ছিলেন একচ্ছত্র কর্তৃত্বের অধিকারী, পৃথিবীতে আল্লাহর প্রতিভূ বা প্রতিনিধি, আল্লাহর পক্ষে সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ (ঝড়াবৎবরমহ ধঁঃযড়ৎরঃু)। রসুলাল্লাহর নির্দেশ সকলের জন্য আল্লাহর নির্দেশের অনুরূপ শিরোধার্য ছিল। তাঁর এন্তেকালের পরে আবু বকর (রা.) সমগ্র জাতিসত্তার একচ্ছত্র কর্তৃত্ত্বের অধিকারী ছিলেন। আবু বকরের পরে হলেন ওমর (রা.), তারপরে ওসমান (রা.), তারপরে আলী (রা.)। ওসমান (রা.) এর হত্যার দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাকে ধর্মীয় দাঙ্গার রূপ দিয়ে আলীর (রা.) সময়ে শুরু হয় জাতির মধ্যে বিরাট ঐক্যহীনতা। জাতির ভাগ্যাকাশে নেমে আসলো এক ভয়াবহ দুর্যোগ। আলীকে (রা.) মুসলিমদেরই একটা অংশ মেনে না নেয়ার ফলে শুরু হয় ভ্রাতৃঘাতী সংঘাত। সেই যে শুরু হলো আজ পর্যন্ত আর উম্মতে মোহাম্মদী আর একক জাতিসত্তা হতে পারল না।
    কোর’আনে দীনের মৌলিক নীতিমালা দেয়া আছে এবং রসুল (দ.) তৎকালীন আরবের সমসাময়িক সামাজিক পরিস্থিতিতে উদ্ভূত সমস্যাগুলো সমাধান করেছেন সেই নীতিমালা ঠিক রেখে। যেমন সংবিধানের নীতিমালা ঠিক রেখে সরকার বিভিন্ন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন, কিন্তু নীতিমালা ঠিক থাকতে হয়। কোর’আন হলো তেমনি একটা মূলনীতি, প্রিন্সিপাল। কোর’আন অবিকৃত আছে ও থাকবে। কিন্তু রসুলাল্লাহর নামে দুনিয়াময় অসংখ্য জাল হাদিস চলছে। আর বিগত তেরশো বছরে সুফিরা, পণ্ডিতরা, বিভিন্ন মাযহাবের ইমাম ও প্রচারকরা এসব জাল ও দুর্বল হাদিস থেকে দলিল দিয়ে হাজার হাজার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ, দুর্বোধ্য মাসলা-মাসায়েল আবিষ্কার করে একটা সহজ সরল দীনের চর্চাকে মহা-কঠিন করে ফেলছে। সবচাইতে প্রয়োজনীয় জিনিসটাকে গায়েব করে দেয়া হয়েছে আবার একান্ত গৌণ বিষয়টিকে মহা প্রয়োজনীয় করে ফেলা হয়েছে। এভাবে আলেম শ্রেণি ও পীর-আউলিয়ারা জাতির মূল স্রোতধারাকে উল্টে দিয়েছেন। জাতির গতি ছিল সমগ্র পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার দিকে, সেই গতি ঘুরে হয়ে গেল অন্তর্মুখী, ব্যক্তিগত সওয়াব অর্জন করে পরকালে জান্নাত লাভের দিকে। বিশ্ব-সমাজে শান্তি থাকলো না অশান্তিতে ভরে গেল সেটা আর জাতির পরহেজগারদের ভাবনার বিষয় রইল না।  এরই মধ্যে আল্লাহর অভিশাপ স্বরূপ আমরা দুশো বছর ধরে, কোথাও আরো বেশি ব্রিটিশ খ্রিষ্টানদের দাসত্বের শৃংখলে আবদ্ধ থাকলাম। তারা এসে এ জাতির উপর নতুন দুটি শিক্ষাব্যবস্থার প্রচলন করলো। মাদ্রাসা শিক্ষার মাধ্যমে সহজ সরল ইসলামের অবশিষ্ট আংশিক অবিকৃত কাঠামোকেও তারা শেষ করে দিয়েছে, বিকৃত করে দিয়েছে। এখন ক্রমান্বয়ে গত এক শতাব্দী থেকে বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় উদ্দেশ্য সিদ্ধির জন্য জঙ্গিবাদের উৎপত্তি ঘটানো হয়েছে। জঙ্গিদের অবস্থান মানে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড; আবার যারা ইসলাম নিয়ে রাজনীতি করছেন তাদের আন্দোলন প্রায়শই সহিংসরূপ নেয়। এছাড়া আছে আধ্যাত্মিক সুফিদের ঘরমুখী টান ও মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত আলেম-ওলামায় কেরামদের চুলচেরা বিশ্লেষণ- এতে শুরু হয়ে যায় বিভিন্নমূখী ফতোয়া। টেলিভিশন চ্যানেল, পত্রিকা ও রেডিওগুলোতে চলতে থাকে ক্রমাগত ফতোয়া। একটা বিষয়ের উপর নানামুখী ফতোয়া, নানামুখী রায়, নানামুখী সিদ্ধান্ত। মানুষ কোনদিকে যাবে তার দিশা পাচ্ছে না। কোন পথে গেলে আল্লাহকে পাওয়া যাবে, কোনটা সঠিক, কোনটা বেঠিক, কোনটা এখন করতে হবে, কোনটা পরে করতে হবে, এসব নিয়ে তারা পুরোপুরি বিভ্রান্তিতে বিপর্যস্ত, অনেকে ধর্মের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে হাল ছেড়ে দিয়েছেন।
    যে কোনো বিষয়ে সমাধানে পৌঁছতে হলে একটি শেষ স্থান অবশ্যই থাকতে হবে যার সিদ্ধান্তকে অলঙ্ঘনীয় মনে করে মান্য করবে। প্রত্যেকটা মুসলিম নর-নারী বিনা বাক্যে তাকে মানবে। সেই কর্তৃপক্ষটা কে? এই প্রশ্ন উত্থাপন এখন জরুরী। আল্লাহর রসুল বলেছেন, আল্লাহ আমার ওপর পাঁচটি কাজের দায়িত্ব অর্পণ করেছেন, আমি সেই পাঁচটি কাজের দায়িত্ব তোমাদের ওপর অর্পণ করছি। সেগুলো হলো, (১) ঐক্যবদ্ধ হও। (২) (নেতার আদেশ) শোন। (৩) (নেতার ঐ আদেশ) পালন করো। (৪) হেজরত করো। (৫) (এই দীনুল হক কে পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠার জন্য) আল্লাহর রাস্তায় জেহাদ করো। যে ব্যক্তি এই ঐক্যবন্ধনী থেকে এক বিঘত পরিমাণও বহির্গত হলো, সে নিশ্চয় তার গলা থেকে ইসলামের রজ্জু (বন্ধন) খুলে ফেলল- যদি না সে আবার ফিরে আসে (তওবা করে) এবং যে ব্যক্তি অজ্ঞানতার যুগের (কোনও কিছুর) দিকে আহ্বান করল, সে নিজেকে মুসলিম বলে বিশ্বাস করলেও, নামায পোড়লেও এবং রোযা রাখলেও নিশ্চয়ই সে জাহান্নামের জ্বালানী পাথর হবে [আল হারিস আল আশয়ারী (রাঃ) থেকে আহমদ, তিরমিযি, বাব উল এমারাত, মেশকাত]।
    দয়া করে নিজেদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করা যায় কীভাবে, কীভাবে একটি কর্তৃপক্ষ দাঁড় করানো যায় সেই চেষ্টা করুন। কীভাবে দীনুল হক, সত্য দীন প্রতিষ্ঠা করা যায় সেই চেষ্ট করুন। অহেতুক নাস্তিকদের সাথে বিতর্ক করে আপনাদের মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত থাকলে তখন আর সমালোচনাকারীদের খুঁজেও পাওয়া যাবে না।

  8. 12
    রাকীব আল হাসান

    অধিকাংশ ব্লগ ইসলাম দিদ্বেষী লোকে ভরে গেছে। ইসলাম বিষয়ক কোনো একটি লেখা প্রকাশ করলেই তারা এসে বিদ্বেষপূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করতে শুরু করেন যার মধ্যে না থাকে কোনো যৌক্তিকতা, না থাকে কোনো সারবস্তু। এদের কারণে শুরু করলাম সদালাপে লেখালেখি, ওমা- এখানেও দেখি কিছু টিকটিকি লেগে গেছে। আমি একটা বিষয় খুব অপছন্দ করি। অকারণে বিতর্ক করে সময় নষ্ট করা। আমি মনে করি আমার সময়ের মূল্য আছে। এই বিতর্কে লিপ্ত উভয় পক্ষকেই আমি অপছন্দ করি।
    ইসলামের সমালোচনাকারীদের নিকট আমার প্রশ্ন- আপনি ইসলামের যে যে বিষয়ে সমালোচনা করছেন তা যদি বাদ দেওয়া যায় (যেমন: রজম বাদ দেওয়া হলো, বাল্য বিবাহ, দাস প্রথা ইত্যাদি বাদ দেওয়া হলো) তবে কি আপনি সেই সংশোধিত ইসলাম গ্রহণ করে নিবেন? অথবা এটাকে যদি যৌক্তিক প্রমাণ করা যায় তবে কি আপনি পূর্ণ ইসলামটিকে গ্রহণ করে নিবেন? নিশ্চয় নিবেন না। অর্থাৎ এই বিতর্কই মূল্যহীন।
    পৃথিবীর এক ইঞ্চি জায়গাতেও ইসলাম প্রতিষ্ঠিত নেই (যদিও কিছু মানুষ দাবি করতে পারেন যে অমুক অমুক জায়গাতে ইসলাম প্রতিষ্ঠিত আছে- নিশ্চয় সেটাও বিতর্কিত)। তাহলে যে সংবিধান প্রতিষ্ঠতই নেই তা নিয়ে এত বিতর্ক কেন? যেগুলি প্রতিষ্ঠিত আছে (নানা তন্ত্র-মন্ত্র, ইজম, বাদ, ক্রেসি) তার সমালোচনা করে সংশোধন করার পেছনে আপনার মূল্যবান সময় দেন না, যেন সমাজ থেকে সুদ (আমার দৃষ্টিতে অর্থনীতিক অবিচার), ঘুষ, দুর্নীতি, রক্তপাত, ব্যাভীচার, চুরি, ডাকাতি ইত্যাদি বন্ধ হয়ে যায়।
    আপনি আসলে কী চান? শান্তিপূর্ণ সমাজ, নাকি মানুষের ব্যক্তিজীবনের ক্ষুদ্র পরিসরে (নামেমাত্র) যে ইসলাম টুকু আছে তাও নির্মূল করে এমন এক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে যেখানে পশুর মতো যৌনাচারে লিপ্ত হওয়া যায়, আপনার মায়ের সাথে ব্যাভীচারে লিপ্ত হবে অন্য কেউ (স্বেচ্ছায়) আর আপনি রাত কাটাবেন অন্য কারো স্ত্রীর সাথে, কেউ কোনো বাধা দেবে না। বিপরীত লিঙ্গের সাথে যৌনাচার যখন পানসে হয়ে যাবে তখন সমলিঙ্গে মিলিত হবেন, পশুর সাথে মিলিত হবেন তবুও কেউ কিছু বলবে না। তো এগুলি খোলাসা করে বললেই হয়। কেন শুধু শুধু মিন মিন করে ইসলামের সমালোচনা করেন।

    1. 12.1
      Momtaz Begum

      আপনি আসলে কী চান? শান্তিপূর্ণ সমাজ, নাকি মানুষের ব্যক্তিজীবনের ক্ষুদ্র পরিসরে (নামেমাত্র) যে ইসলাম টুকু আছে তাও নির্মূল করে এমন এক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে যেখানে পশুর মতো যৌনাচারে লিপ্ত হওয়া যায়, আপনার মায়ের সাথে ব্যাভীচারে লিপ্ত হবে অন্য কেউ (স্বেচ্ছায়) আর আপনি রাত কাটাবেন অন্য কারো স্ত্রীর সাথে, কেউ কোনো বাধা দেবে না। বিপরীত লিঙ্গের সাথে যৌনাচার যখন পানসে হয়ে যাবে তখন সমলিঙ্গে মিলিত হবেন, পশুর সাথে মিলিত হবেন তবুও কেউ কিছু বলবে না। তো এগুলি খোলাসা করে বললেই হয়। কেন শুধু শুধু মিন মিন করে ইসলামের সমালোচনা করেন।

      @ জনাব রাকীব ভাই, 
      রেগে/মেগে অনেক কথাই বলে ফেল্লেন। কিন্তু কিছু সহিহ ইসলামী কথা বাদ পরে গেল যে!! নিচের বয়ান একটু দেখুন্না, প্লিজ। 

      [মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২.২৩.৯০]
      ইয়াহিয়া—মালিক—নাফি থেকে । মালিককে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘এমন এক ব্যাক্তি যার কয়েকজন স্ত্রী এবং কিছু সংখ্যক দাসি রয়েছে, সে কি গোছলের পুর্বে একসঙ্গে সবার সাথে যৌন সম্পর্ক করতে পারবে ?’ তিনি উত্তর দিলেন, ‘গোছলের পুর্বে কোন ব্যাক্তি তার অধিকৃত দুই দাসির সঙ্গে যৌনকৃয়ায় অংশ নিলে তাতে দোষের কিছু নেই । কিন্তু যেদিন এক স্ত্রীর সাথে যৌন মিলনের দিন থাকবে সেদিন অন্য স্ত্রীর সাথে সহবাস করা যাবে না । তবে এক ক্রীতদাসির সাথে যৌন মিলন সম্পন্ন করে অন্য এক দাসির সাথে সহবাস আপত্তিকর নয়, যদিও সে ব্যাক্তি যুনুব (সঙ্গমের পর দেহে বীর্য লেগে থাকার অবস্থা)

  9. 11
    shahriar

    let's see what happend.
     

  10. 10
    আব্দুল আওয়াল সুমন

    Mr. M.Begum : আল্লাহতায়ালা মুহাম্মদ (সাঃ) এর উপর কোরান নাযিল করেছেন এবং ব্যাখ্যা-বিশ্লেষন করে তা মানুষকে বুঝিয়ে দেয়ার দায়িত্ব দিয়েছেন। মুহাম্মদ (সাঃ) নিজে কোরানের উপর আমল করেছন এবং তাঁর উম্মতকে আমল করার পদ্ধতি শিখিয়েছেন। এবং তিনি বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোরানের মনগড়া তফসীর করল, সে জাহান্নামে নিজের স্থান বানিয়ে নিল।” (তিরমিযী)। সাহাবীগনও কোরানের অনেক আয়াতের অর্থ বুঝতে পারতেন না, তাঁরা তখন রাসূল (সাঃ) এর কাছ থেকে এর ব্যাখ্যা জেনে নিতেন।

    কোরানের আয়াতের ব্যাখ্যা করার সুযোগ যদি প্রতিটি মানুষের থাকত তাহলে বর্তমানে পৃথিবীতে মুসলিমদের দল কয়েক’শ না হয়ে দেড় বিলিয়ন হতো!

    সুরা তাওবার যে আয়াত উল্লেখ করেছেন, তার শাব্দিক অর্থ না দেখে এর উপর মুহাম্মদ (সাঃ) এর আমল বা তাঁর ব্যাখ্যা কি ছিল তা দেখুন। মক্কায় কাফেররা তাঁর উপর দীর্ঘ ১৩ বছর অনেক নির্যাতন করেছিল, হত্যা করতে চেয়েছিল যার কারনে তিনি প্রিয় জন্মভূমি ছেড়ে মদীনায় হিযরত করেন। মক্কা বিজয়ের পর সেসব কাফেরদেরকে হত্যা করার সুযোগ পেয়েও তাদেরকে তিনি ক্ষমা করেছিলেন।

    “আল্লাহ যদি ইচ্ছা করতেন, তবে পৃথিবীর বুকে যারা রয়েছে, তাদের সবাই ঈমান নিয়ে আসত সমবেতভাবে। তুমি কি মানুষের উপর জবরদস্তি করবে ঈমান আনার জন্য? ” (ইউনুসঃ ৯৯)
    “বলুন, সত্য তোমাদের পালনকর্তার পক্ষ থেকে আগত। অতএব, যার ইচ্ছা বিশ্বাস স্থাপন করুক এবং যার ইচ্ছা অমান্য করুক। (কাহফঃ ২৯)

    আপনাকে মুসলিম হওয়ার জন্য কেউ জোর-জবরদস্তি করে না। ইসলাম সহজ-সরল এবং শান্তির ধর্ম। বুঝতে না পারাটা আপনার দূর্ভাগ্য। তাই কোন বিরূপ মন্তব্য নয়, কোন প্রশ্ন থাকলে করুন, সুন্দরভাবে জবাব দেয়া হবে।

    ইংরেজরা দুইশত বছর সারা পৃথিবী শাসন করেছিল। তাদের শাসন পদ্ধতি, জুলুম-অত্যাচারের সাথে মুসলিমদের স্বর্নযুগের তুলনা করুন, তাহলেই ইসলামের সাথে অন্য ধর্মের পার্থক্য বুঝতে পারবেন। খ্রীস্টান যাযকরা অসংখ্য বিজ্ঞানীকে হত্যা করেছিল। আর ইউরোপে জ্ঞান-বিজ্ঞানের সূচনা মুসলিমরাই করেছিল। ইসলাম মানুষকে জ্ঞান অর্জন করতে, চিন্তা-গবেষণা করতে, পরিশ্রমি হতে উৎসাহিত করে। বর্তমান মুসলিমদের অধঃপতনের জন্য মুসলিমরাই দায়ী, ইসলাম নয়।

  11. 9
    মাহফুজ

    @Momtaz Begum
    এবার আপনার কাছে প্রশ্ন-
    (৯:২৯) নং আয়াতের এই অংশটুকু //নিষিদ্ধ করে না- যা নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন আল্লাহ ও তাঁর রসূল// সম্পর্কে আপনার ধারনা ও দৃষ্টিভঙ্গি কিরূপ?
    এখানে কি কোন ভাল কথা ও কাজকে নিষিদ্ধ করার কথা বলা হয়েছে? নাকি যেগুলো মানুষের জন্য ক্ষতিকর শুধুমাত্র সেগুলোই নিষিদ্ধ হিসেবে মেনে নেয়ার কথা বলা হয়েছে?
    অযথা গাল-মন্দের পথ পরিহার করে আশাকরি উত্তর দেবেন-

    1. 9.1
      Momtaz Begum

      সূরা ৯:২৯ এর অবিকল বাংলা অনুবাদ -- "তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে।" 

      ধন্যবাদ মাহফুজ ভাই। একটি সুন্দর প্রশ্নের অবতারনা করেছেন। 

      এখন প্রশ্ন হচ্ছে- মানুষকে নিষিদ্ধের জালে আটকে দেয়ার এখতিয়ার নবী মোহাম্মদ'কে কে দিয়েছে? সভ্য মানুষের বিবেক বিদ্ধি মরে গেছে নাকি!!  কোনটি নিষিদ্ধ হবে আর কোনটি নিষিদ্ধ হবে না তা মানুষ তার সুস্থ মানবিক গুনাবলি দিয়েই বিবেচনা করবে।  আসলে যে জিনিসগুলো নিষিদ্ধ করা দরকার ছিল তার একটিও নবী মোহাম্মদ নিষিদ্ধ করেন্নি।

      তিনি অমানবিক ক্রীতদাস প্রথা নিষিদ্ধ করেন্নি।
      তিনি অবলা অসহায় দাসী'দের সাথে বিয়ে বহিঃভুত যৌনতা নিষিদ্ধ করেন্নি।
      তিনি দাস কেনা/বেচা বানিজ্য নিষিদ্ধ করেন্নি।
      তিনি যুদ্ধবন্ধি নারী গনিমত ধর্ষণ এবং যোদ্ধাদের মাঝে বিলি বন্টন নিষিদ্ধ করেন্নি।
      তিনি পুরুষের বহু বিয়ে নিষিদ্ধ করেন্নি।
      তিনি পুরুষের মৌখিক তিন তালাক নিষিদ্ধ করেন্নি।
      তিনি তালাক প্রাপ্তা নারীর হিল্লা সহবত নিষিদ্ধ করেন্নি।
      তিনি সমাজে ৬ বছরের নাবালিকা বিয়ে নিষিদ্ধ করেন্নি।
      তিনি মুতাবিয়ে(পতিতা বৃত্তি) নিষিদ্ধ করেন্নি।
      তিনি পালক পুত্রের স্ত্রীর সাথে পালক বাবার অনৈতিক বিয়ে নিষিদ্ধ করেন্নি। 
      তিনি পাথর ছুড়ে পৈচাশিক নারী হত্যা নিষিদ্ধ করেন্নি। 

      পক্ষান্তরে : 

      তিনি হাজার বছর ধরে প্রচলিত সমাতন ধর্ম বিশ্বাসের মুর্ত্তিপূজা নিষিদ্ধ করেন। এবং সেখানে চাপিয়ে দেন আল্লা নামক এক কাল্পনিক বস্তুর পুজা।
      তিনি আদালতে নারী পুরুষের সমান স্বাক্ষ্য নিষিদ্ধ করেন। 
      তিনি মুসলিমের সাথে অমুসলিমের বন্ধুত্বের বন্ধন নিষিদ্ধ করেন।
      তিনি মানুষের মাঝে প্রচলিত আবহমান কালের শ্বাসত গান, বাজনা, সংগীত, ছবি আঁকা, ছবি তোলা, ভাস্কর্য নিষিদ্ধ করেন।
      তিনি সুশিক্ষিত, সভ্য, স্বাবলম্বি নারী্র মুক্ত চলাফেরা নিষিদ্ধ করে উদ্ভট মাহরাম প্রথা চালু করেন। 
      এবং সর্বপরি তিনি দোজগ, বেহেস্ত, মেরাজ, হুর, গেলমান এবং খুরমা/খেজুরের এর কাল্পনিক গল্প গাথার বিপরিতে বিজ্ঞান মনস্ক মুক্ত চিন্তা নিষিদ্ধ করেন।

      তা হলে এবার আপনিই বলেন- আমার কথা ভুল কোথায়?? 

      ধন্যবাদ আবারো  : @ জনাব মাহফুজ আপনাকে। 

      1. 9.1.1
        মাহফুজ

        @Momtaz Begum

            আপনার প্রশ্ন-- //মানুষকে নিষিদ্ধের জালে আটকে দেয়ার এখতিয়ার নবী মোহাম্মদ'কে কে দিয়েছে?//

            সমগ্র বিশ্বজাহানের মালিক স্রষ্টা এবং মানুষেরও স্রষ্টা মহান আল্লাহতায়ালা রাসূলুল্লাহ মোহাম্মদ (সাঃ) এর মাধ্যমে মানুষের জন্য অকল্যাণকর ক্ষতিকর সকল বিষয় নিষিদ্ধ করেছেন।

            আপনি বলেছেন-- //সভ্য মানুষের বিবেক বিদ্ধি মরে গেছে নাকি!!  কোনটি নিষিদ্ধ হবে আর কোনটি নিষিদ্ধ হবে না তা মানুষ তার সুস্থ মানবিক গুনাবলি দিয়েই বিবেচনা করবে। আসলে যে জিনিসগুলো নিষিদ্ধ করা দরকার ছিল তার একটিও নবী মোহাম্মদ নিষিদ্ধ করেন্নি।//

            না, সভ্য মানুষের বিবেক বুদ্ধি যেন মরে না যায় এবং সুস্থ মানবিক গুনাবলি যেন অটুট থাকে তার মানদণ্ড নির্ধারণের জন্য মহান স্রষ্টা প্রদত্ত ঐশীগ্রন্থ আল--কোরআন অনুসারেই তিনি তাঁর অনুসরীদের শিক্ষা--দীক্ষা দিয়েছেন। আর যখন যেভাবে যতটা নিষিদ্ধ করার বহাল রাখার দরকার ছিল ঠিক ঠিক সেভাবেই করা হয়েছে।

            আপনি বলেছেন- //তিনি অমানবিক ক্রীতদাস প্রথা নিষিদ্ধ করেন্নি।

        তিনি অবলা অসহায় দাসী'দের সাথে বিয়ে বহিঃভুত যৌনতা নিষিদ্ধ করেন্নি।

        তিনি দাস কেনা/বেচা বানিজ্য নিষিদ্ধ করেন্নি।

        তিনি যুদ্ধবন্ধি নারী গনিমত ধর্ষণ এবং যোদ্ধাদের মাঝে বিলি বন্টন নিষিদ্ধ করেন্নি।//

        এখানে দেখুন--

        *Slavery system & Islam/ ইসলাম কি দাসপ্রথাকে আদৌ সমর্থন করে?

        *Past evidence of rapist’s punishment / ধর্ষকের শাস্তির ঐতিহাসিক প্রমাণ

        *Punishment of rapists in Al-Quran / আল-কোরআন অনুসারে ধর্ষকের শাস্তি

            আপনি বলেছেন- //তিনি পুরুষের বহু বিয়ে নিষিদ্ধ করেন্নি।//

        এখানে দেখুন--

        Wedding upto four / চারটি পর্যন্ত বিয়ে

            আপনি বলেছেন- //তিনি পুরুষের মৌখিক তিন তালাক নিষিদ্ধ করেন্নি।

        তিনি তালাক প্রাপ্তা নারীর হিল্লা সহবত নিষিদ্ধ করেন্নি।//

        এখানে দেখুন--

        Divorce thrice & Hilla / তিন তালাক ও হিল্লা

            আপনি বলেছেন- //তিনি সমাজে বছরের নাবালিকা বিয়ে নিষিদ্ধ করেন্নি।//

        এখানে দেখুন--

        No more child marriage / বাল্যবিয়ে আর নয়; উপযুক্ত সময়েই বিয়ে হোক

           আপনি বলেছেন- //তিনি পালক পুত্রের স্ত্রীর সাথে পালক বাবার অনৈতিক বিয়ে নিষিদ্ধ করেন্নি।//

        এখানে দেখুন--

        Terms of marital relation / বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের শর্তসমূহ

            সুতরাং আল-কোরআনের এই বিধান নাযিলের পর থেকে মুতাবিবাহ নামক ছলনা ও পতিতাবৃত্তি সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে। পালক পুত্রের সাথে রক্ত সম্পর্ক না থাকায় অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে পালক পুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে করায় কোন বাধা নেই অর্থাৎ তা অনৈতিক বা অবৈধ নয়।

            আপনি বলেছেন- //তিনি মুতাবিয়ে (পতিতা বৃত্তি) নিষিদ্ধ করেন্নি।

        এখানে দেখুন--

        Give normal life to the women of forbidden quarter)/ নিষিদ্ধ পল্লীর নারীদের সুস্থ জীবন দিন-

            আপনি বলেছেন- //তিনি পাথর ছুড়ে পৈচাশিক নারী হত্যা নিষিদ্ধ করেন্নি।//

        এখানে দেখুন--

        *Stoning to death & Al-Quran/ ব্যভিচারের শাস্তি 'রজম' এবং আল-কোরআন-

            আপনি তো (:২৯) নং আয়াতের বেশ কয়েকটি ইংরেজি অনুবাদ দিয়েছেন। তাতে করজোড়ে অর্থাৎWith folded hands ; with hands joined ; importunately ; in all humility কথাওলো পেয়েছেন কি? কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে আপনি জোর করেই তা প্রয়োগ করতে চাইছেন। অথচ স্বার্থবাদী ধর্ম ব্যবসায়ী মোল্লারা কিংবা ইসলামের কুৎসা রটনাকারীরা সাধারণত এমনটি করে থাকে। তাহলে কি আপনিও তাদেরই দলের কেউ? যেদি তাই হন তহালে তো আপনাদের জন্য মহান আল্লাহতায়ালার এই বাণীই প্রযোজ্য-

            ২ নং সূরা- আল বাক্বারাহ

            ৬) নিশ্চিতভাবে যারা অস্বীকারকারী/ অবিশ্বাসী হয়ে গেছে, তাদেরকে তুমি সতর্ক করো বা না করো, তাদের জন্য সবই সমান- তারা বিশ্বাস করবে না।

            ৭) আল্লাহ মোহর অর্থাৎ সিল মেরে দেন তাদের অন্তঃকরণের উপরে, তাদের শ্রবণশক্তির উপরে এবং তাদের দৃষ্টিশক্তির উপরে- (যেন) এক গোপন আবরণ বা অন্তরাল; আর তাদের জন্য রয়েছে কঠোর শাস্তি।

            ৮) আর মানুষের মধ্যে এমনও রয়েছে যারা বলে,"আমরা আল্লাহ ও শেষ দিবসে (পরকালে) বিশ্বাস করি" অথচ তারা কিন্তু (আসলে) বিশ্বাসী নয়।    

            ৯) তারা আল্লাহ এবং বিশ্বাসীদেরকে ধোঁকা দেয়ার পাঁয়তারা করে, কিন্তু তারা তো নিজেদেরকে ছাড়া কাউকে ধোঁকা দেয় না এবং তারা তা অনুভব করেনা।     

            ১০) তাদের অন্তরে আছে (মোনাফেকির) ব্যাধি, সুতরাং এই ব্যাধির মাঝেই আল্লাহ তাদের বাড়তে দেন। বস্তুতঃ তাদের জন্য নির্ধারিত রয়েছে ভয়াবহ শাস্তি, কারণ তারা মিথ্যাচার করে।

         

         

        1. 9.1.1.1
          Momtaz Begum

          আবার সেই একই জায়গায় ঘুড়পাক @ মাহফুজ ভাই! 
          আচ্ছা,  আল্লাহ আর মোহাম্মদ ছাড়া কি পৃথিবীতে আর কিছু নেই? সারাক্ষন সেটা নিয়েই ঘ্যানর ঘ্যানর!  রিতিমত বিরক্তিকর। দেখুন- আজকের এই গ্লোবাল সভ্যতার যুগে রিতি, নীতি, আদর্শ, ধর্ম, সংবিধান, চার্টার, শিক্ষা, বিজ্ঞান, আবিস্কার, সমাজতত্ব, রাষ্ট্রতন্ত্র,  ফিলোসফির আকাল পরেনি যে মানুষ এখনো ৭ শতকের ইসলামী  আবর্জনা বয়ে বেড়াবে। দুঃখিত @ মাহফুজ ভাই একটু কঠিন কথাই বলতে বাধ্য হলাম। আশা করি বুঝতে পেরেছেন। 

          আর ইসলাম ধর্মের দাস প্রথা বিষয়ে আপনি যেসব লিংক দিয়েছেন তা নিরেট হাস্যকর। ধানাইপানাই ছাড়া আর কিছু না।  বটলতা উকিলের প্যাচমারা কথা বলে ইসলামের কালো অধ্যায় ধামাচাাপা দেয়া যাবে না মাহফুজ ভাই। কোরাণ-হাদীসের পাতায়/পাতায়, পরতে/পরতে অমানবিক দাসপ্রথাকে ইসলাম বৈধতা দিয়েছে এবং ইসলামের নবী, সাহাবীদের জীবনে তার প্রতিফলন আছে।  ইসলামের নবী মোহাম্মদ স্বয়ং অসহায় অবলা ক্রীতদাসীদের সাথে বিয়ে বহিঃভুত যৌনতা করেছেন। দাস বানিজ্য করেছেন। যুদ্ধবন্ধী নারী গনিমতকে যৌনদাসী বানিয়েছেন।  উপঢৌকন হিসেবে পাওয়া যুবতী দাসী ভোগ করেছে। এবং তার সাথী, সঙ্গী, সাহাবীদের মাঝে বিতরন করেছেন।  এমন ভুড়ি ভুড়ি উদাহরণ কোরাণ হাদীসে আছে। আপনি চাইলে রেফারেন্স দেয়া যাবে।  পালিয়ে যাবেন কই।   

          আপনার লিংক থেকে নেয়া হাত সাফাইয়ের একটি ডেসপারেট নমুনা দেখুন-  

          জনৈক পাঠকের মন্তব্য ও প্রশ্ন: হযরত মায়মুনা বিন্‌তে আল হারিসা (Hazrat Maymuna Bint Al-Haritha.) মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর অনুমতি ছাড়াই একজন দাসী মুক্ত করলে তিনি বলেন…..দাসী মুক্ত না করে বরং তোমার চাচা/মামা কে দিয়ে দিলেই
          অধিক সওয়াব পেতে। Volume 3, Book 47, Number 765: হাদীস এর সূত্র
          উপরের হাদিস থেকে আপনার কি মনে হয়? রসূল সোঃ) ঐ দাসীকে মুক্ত করতে আদৌ আগ্রহি ছিলেন কিনা?
          এই হাদীস এর গ্রহনযোগ্যতা সম্পর্কে দ্বিমত থাকলে জানাবেন।  

          লেখকের জবাব: ভাই, অনুগ্রহ করে পূর্বে উল্লেখিত আল-কোরআনের (৯০:১০ -- ১৩), (৫:৮৯), (৪:৯২) ও (২:১৭৭) নং আয়াতের
          অর্থ এবং এর সাথে 1) ও 2) নং হাদিছ দুটি পড়ে দেখুন। 

          আমাদের পর্যবেক্ষন : মুলত আল কোরাণের একটিতেও দাস প্রথা রহিত, বিলুপ্ত বা  নিষিদ্ধ করার দুরতম কোন সম্মর্ক নেই।  এই আয়াত গুলোতে দাস মালিক'দের জরিপানা বা পেনাল্টি/ফাইন করার কথা বলা হয়েছে মা্ত্র।  কোন লোক অপরাধ করলে যেমন আদালত ১ লক্ষ টাকা জরিপানা করে, বিষয়টি ঠিক তদ্রুপ।  অথচ কোরাণ-হাদীসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাস প্রথাকে বৈধতা দেয়া হয়েছে, দাসী ধর্ষন কে  উৎসাহিত  করা হয়েছে।

          দেখুন্না, মুমিনদের জন্য আল কোরাণের নির্দ্দেশনা। এখানে কোন রাখঢাক না করেই ক্রীতদাসীদের সাথে বিয়ে বহিঃভুত যৌনতাকে আজন্ম বৈধতা দেয়া হয়েছে। অতি ক্লিয়ার কাট কথা।  যা মুসলিমরা প্রতিদিন সুর করে পাঠ করে। ৫ ওয়াক্ত নামেজেও পাঠ করা হয়। সুতরাং এর পর ইসলামের দাসপ্রথা নিয়ে ধানাইপানাই করার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই।

          সূরা মূনিনূন ১-৬ :
          মুমিনগণ সফলকাম হয়ে গেছে,
          যারা নিজেদের নামাযে বিনয়-নম্র;
          যারা অনর্থক কথা-বার্তায় নির্লিপ্ত,
          যারা যাকাত দান করে থাকে
          এবং যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে।
           তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না।

          আরো দেখুন- আল কোরাণের অলংঘনীয় ফরমাান : যা আপনিও প্রতিদিন শুর করে পাঠ করেন।
          have made lawful to thee thy wives to whom thou hast paid their dowers; and those (slaves) whom thy right hand possesses out of the prisoners of war whom Allah has assigned to thee"
          Qur'an 33:50

          And those who are fearful of the punishment of their Lord, indeed, the punishment of their Lord is not that from which one is safe -- And those who guard their private parts, Save with their wives and those whom their right hands possess, for thus they are not blameworthy.”
          Qur'an 70:27-30

          এবার দেখুনা দাস বানিজ্য এবং দাসী ধর্ষনের বৈধতা : 

          [মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২.২৩.৯০]
          ইয়াহিয়া—মালিক—নাফি থেকে । মালিককে জিজ্ঞাসা করা হল, ‘এমন এক ব্যাক্তি যার কয়েকজন স্ত্রী এবং কিছু সংখ্যক দাসি রয়েছে, সে কি গোছলের পুর্বে একসঙ্গে সবার সাথে যৌন সম্পর্ক করতে পারবে ?’ তিনি উত্তর দিলেন, ‘গোছলের পুর্বে কোন ব্যাক্তি তার অধিকৃত দুই দাসির সঙ্গে যৌনকৃয়ায় অংশ নিলে তাতে দোষের কিছু নেই । কিন্তু যেদিন এক স্ত্রীর সাথে যৌন মিলনের দিন থাকবে সেদিন অন্য স্ত্রীর সাথে সহবাস করা যাবে না । তবে এক ক্রীতদাসির সাথে যৌন মিলন সম্পন্ন করে অন্য এক দাসির সাথে সহবাস আপত্তিকর নয়, যদিও সে ব্যাক্তি যুনুব (সঙ্গমের পর দেহে বীর্য লেগে থাকার অবস্থা) ।’

          সহিহ মুসলিম বই ১৯ হাদিস ৪৩৪৫]
          সালামা কতৃক বর্ণীত : আমরা ফযরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিলাম, আর আবু বকর আমাদের সেনাপতি ছিলেন যাকে আল্লাহর নবী নিযুক্ত করেছিলেন । রাতের শেষ ভাবে আমরা তাদের ওপর চারিদিক থেকে অতর্কিত আক্রমণ করি, এবং তাদের পানিপূর্ণ স্থানে পৌছাই যেখানে তাদের সাথে যুদ্ধ সংগঠিত হয় । শত্রুদের কিছু হত্যা করা হয় আর কিছু বন্দী হিসেবে নেওয়া হয় । আমি কিছু মানুষের জটলা দেখতে পাই যাদের সবাই হয় নারী নয় ছোট বাচ্চা ছিল । আমি আশংকা করছিলাম তাদের ধরার আগেই তারা পাহাড়ের ওপাশে চলে যাবে, তাই তাদের আর পাহাড়ে মাঝে আমি তীর নিক্ষেপ করলাম । এটা দেখে তারা পালানো থেকে বিরত থাকল । তারপর আমি তাদের ধরে নিয়ে আসলাম । তাদের ভেতর বনি ফযরদের এক নারী ছিল, আর সাথে ছিল তার কন্যা, বলা যায় আরবের সুন্দরী রমনীদের মাঝে সে একজন । আমি তাদের তাড়িয়ে নিয়ে আসলাম আবু বকরের কাছে, আর তিনি ঐ মেয়েটিকে আমাকে দিলেন যুদ্ধে-লব্ধ মালের ভাগ হিসেবে ।

          [মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২৯.১৭.৫১]
          ইয়াহিয়া—মালিক—নাফি থেকে । আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর বললেন, ‘কোন ব্যাক্তি যদি তার ক্রীতদাসকে বিয়ে করার অনুমতি দেয়, তবে তালাকের ক্ষমতা থাকে ক্রীতদাসের হাতে । এ ব্যাপারে কেউ কিছু বলতে পারবে না । কোন ব্যাক্তি যদি তার ক্রীতদাসের কন্যা অথবা তার ক্রীতদাসির কন্যা নিজের জন্যে নিয়ে নেয় তবে সে ব্যাপারে কারো কিছু বলার নেই।’

          [মালিকের মুয়াত্তা হাদিস ২৯.৩২.৯৯]
          ইয়াহিয়া—মালিক—দামরা ইবনে সাইদ আল মাজনি—আল হাজ্জাজ ইবনে আমর ইবনে গাজিয়া থেকে: উনি (আল হাজ্জাজ) জায়েদ ইবনে তাবিতের সঙ্গে বসে ছিলেন, যখন ইয়েমেন থেকে ইবনে ফাহদ তার কাছে আসলেন । তিনি (ইবনে ফাহদ) বললেন, ‘আবু সাইদ, আমার কাছে এক দাসি আছে, আর আমার কোন স্ত্রীই এই দাসির মত উপভোগ্য নয় । আমার কোন স্ত্রীই আমাকে এরূপ তৃপ্তি দানে সক্ষম নয় যে আমি তার থেকে কোন সন্তান চাই । তাহলে কি আমি তাদের সাথে আজল করতে পারি ?’ জায়েদ ইবনে তাবিত বললেন, ‘হে হাজ্জাজ, আপনি আপনার অভিমত দিন ।’ আমি বললাম, ‘আল্লাহ আপনাকে ক্ষমা করুন । আমরা আপনার সাথে বসি যাতে আপনার থেকে কিছু শিখতে পারি ।’ তিনি বললেন, ‘আপনার মতামত জানান ।’ আমি বললাম, ‘ওই দাসি তোমার ময়দান, তুমি চাইলে সেখানে পানি ঢাল অথবা ইচ্ছে হলে তৃষ্ণার্ত রাখো । আমি জায়েদের থেকে এই শুনেছি ।’ জায়েদ বললেন, ‘উনি সত্য বলেছেন ।’

          [সহিহ বুখারি বই ৮৯ হাদিস ৩২১]

          আয়েশা কতৃক বর্ণীত, আল্লাহর নবী নারীদের থেকে আনুগত্যের শপথ গ্রহন করতেন আয়াত ৬০:১২ ‘…তারা আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না’ -নাজিল হওয়ার পর । এবং আল্লাহর নবীর হাত তাঁর দক্ষিণ হস্ত যাদের অধিকার করেছে (যুদ্ধবন্দিনী এবং ক্রীতদাসিগণ) তাদের ব্যাতিত অন্য কোন নারীকে স্পর্শ করেননি ।

          [সহিহ বুখারি বই ৮ হাদিস ৩৬৭]
          আব্দুল আজিজ বর্ণীত, আনাস বলল: ‘‘যখন আল্লাহর নবী খাইবার আক্রমণ করলেন …. আমাদের কিছু সহযোদ্ধা যোগ করলো, ‘আমরা খাইবার দখল করে নিয়েছি, বন্দীদের পেয়েছি, আর কিছু মালামাল লুট করেছি’ । দিহিয়া আসল, এবং বলল, ‘ও আল্লাহর নবী, আমাকে একজন বন্দিনী দাসি হিসেবে দিন’ । নবী বললেন, ‘যাও, আর যেকোন একজন কে দাসি হিসেবে নিয়ে নাও’ । সে সাফিয়া বিন্তে হুয়াই কে বেছে নিল । একজন নবীর কাছে এগিয়ে আসল, বলল, ‘ও আল্লাহর রসুল, আপনি দিহিয়া কে সাফিয়া বিন্তে হুয়াই দিয়ে দিলেন, কিন্তু সে কুরাইজা এবং আন-নাদিরের গোত্র প্রধানের স্ত্রী । আপনি ব্যাতিত কারো সে নারী প্রাপ্য হতে পারে না’ । নবী নির্দেশ দিলেন, ‘তাকে এখানে নিয়ে এসো’ । সাফিয়া কে নিয়ে দিহিয়া সেখানে আসলে, নবী তাকে (সাফিয়া) দেখলেন, আর দিহিয়াকে বললেন যেন সে অন্য কোন বন্দিনী নিয়ে নেয় ।’’ আনাস যোগ করল, ‘‘নবী তখন তাকে দাসি থেকে মুক্তি দিলেন এবং বিয়ে করলেন । ফেরার পথে উম সুলাইম মেয়েটিকে বিয়ের জন্যে পোশাক পড়িয়ে দিল এবং রাতের বেলা তাকে নবীর কাছে কনে রূপে পাঠিয়ে দিল’’ ।

          [সহিহ বুখারি বই ৪৬ হাদিস ৭১৭]
          ইবনে আন বর্ণীত, আমি নাফিকে এক পত্র লিখলাম, জবাবে নাফি আমাকে জানাল যে, ‘কোনরূপ সতর্ক করা ছাড়াই নবী হঠাৎ বনি মুস্তালিক আক্রমণ করেছেন, যখন তারা ছিল নিজেদের কাজে ব্যাস্ত, আর গবাদি পশুগুলো চড়ে বেড়াচ্ছিল । তাদের ভেতর যারা যুদ্ধ করছিল তারা মরল এবং তাদের নারী ও বাচ্চা যারা ছিল বন্দী করে নেওয়া হল । সেদিনই আল্লাহর নবী জুয়াইরিয়া কে বন্দী হিসেবে পেলেন ।’ নাফি জানাল যে এটা ইবনে উমর কতৃক বর্ণীত, আর তিনি সৈন্যদের ভেতর ছিলেন ।

        2. 9.1.1.2
          Momtaz Begum

          আরো দেখুন মাহফুজ ভাই, 

          Narrated Abu Said Al-Khudri: We got female captives in the war booty and we used to do coitus interruptus with them. So we asked Allah's Apostle about it and he said, "Do you really do that?" repeating the question thrice, "There is no soul that is destined to exist but will come into existence, till the Day of Resurrection."
          Sahih Bukhari 7:62:137

          Narrated Buraida: The prophet sent Ali to Khalid to bring the Khumus ([one fifth] of the booty) and I hated Ali, and Ali had taken a bath (after a sexual act with a slave girl from the Khumus). I said to Khalid, "Don't you see this (i.e. Ali)?" When we reached the prophet I mentioned that to him. He said, "O Buraida! Do you hate Ali?" I said, "Yes" He said, "Do you hate him, for he deserves more than that from the Khumus."(Sahih Bukhari Vol. 5 No. 637) 

          Narrated Anas: "…..The prophet had their warriors killed, their offspring and woman taken as captives…." 
          Sahih Bukhari 5:59:512 

          Two categories of women have been excluded from the general command of guarding the private parts: (a) wives, (b) women who are legally in one’s possession, i.e. slave-girls. Thus the verse clearly lays down the law that one is allowed to have sexual relation with one’s slave-girl as with one’s wife, the basis being possession and not marriage. If marriage had been the condition, the slave-girl also would have been included among the wives, and there was no need to mention them separately.
          23. Al-Muminun
          Sayyid Abul Ala Maududi, Tafhim al-Qur'an 

          Narrated Ibn 'Umar: Allah's Apostle made it incumbent on all the slave or free Muslims, male or female, to pay one Sa' of dates or barley as Zakat-ul-Fitr.
          Sahih Bukhari 2:25:580

          Narrated Abu Huraira: The Prophet prohibited the earnings of slave girls (through prostitution).
          Sahih Bukhari 3:36:483

          Narrated Nafi: Ibn 'Umar said, "Allah's Apostle said, 'If one manumits his share of a jointly possessed slave, and can afford the price of the other shares according to the adequate price of the slave, the slave will be completely manumitted; otherwise he will be partially manumitted.' " (Aiyub, a sub-narrator is not sure whether the saying " … otherwise he will be partially manumitted" was said by Nafi' or the Prophet.)

          Narrated Abu Musa Al-Ashari: The Prophet said, "He who has a slave-girl and teaches her good manners and improves her education and then manumits and marries her, will get a double reward; and any slave who observes Allah's right and his master's right will get a double reward."
          Sahih Bukhari 3:46:723
          Narrated Abu Huraira: Allah's Apostle said, "A pious slave gets a double reward." Abu Huraira added: By Him in Whose Hands my soul is but for Jihad (i.e. holy battles), Hajj, and my duty to serve my mother, I would have loved to die as a slave.
          Sahih Bukhari 3:46:724
          Narrated 'Abdullah: Allah's Apostle said, "Everyone of you is a guardian and is responsible for his charges. The ruler who has authority over people, is a guardian and is responsible for them, a man is a guardian of his family and is responsible for them; a woman is a guardian of her husband's house and children and is responsible for them; a slave ('Abu) is a guardian of his master's property and is responsible for it; so all of you are guardians and are responsible for your charges."
          Sahih Bukhari 3:46:730
          Narrated Abdullah bin Zama: That he heard the Prophet delivering a sermon, and he mentioned the shecamel and the one who hamstrung it. Allah's Apostle recited:-- 'When, the most wicked man among them went forth (to hamstrung the she-camel).' (91.12.) Then he said, "A tough man whose equal was rare and who enjoyed the protection of his people, like Abi Zama went forth to (hamstrung) it." The Prophet then mentioned about the women (in his sermon). "It is not wise for anyone of you to lash his wife like a slave, for he might sleep with her the same evening." Then he advised them not to laugh when somebody breaks wind and said, "Why should anybody laugh at what he himself does?"
          Sahih Bukhari 6:60:466
          Narrated 'Abdullah bin Zam'a: The Prophet said, "None of you should flog his wife as he flogs a slave and then have sexual intercourse with her in the last part of the day."
          Sahih Bukhari 7:62:132
          A man from the Ansar called Basrah said: I married a virgin woman in her veil. When I entered upon her, I found her pregnant. (I mentioned this to the Prophet). The Prophet (peace be upon him) said: She will get the dower, for you made her vagina lawful for you. The child will be your slave. When she has begotten (a child), flog her (according to the version of al-Hasan). The version of Ibn AbusSari has: You people, flog her, or said: inflict hard punishment on him.
          Abu Dawud 11:2126
          It is rare nowadays to find slaves in the shar’i sense in which it is permissible to be intimate with them etc. That is because most of the Muslims have long since given up the obligation of jihad for the sake of Allaah, in addition to their position of weakness and humiliation before their kaafir enemies, so that many of the majority-Muslim nations have signed the protocol that expressly forbids slavery and strives to put an end to it, which was agreed upon in the United Nations in 1953.
          Islam Q&A -- Fatwa #26067
          Islam Permits Raping Captives and Slaves[edit]
          Main Article: Qur'an, Hadith and Scholars:Rape
          Abu Sa'id al-Khudri reported that at the Battle of Hunain Allah's Messenger sent an army to Autas and encountered the enemy and fought with them. Having overcome them and taken them captives, the Companions of Allah's Messenger seemed to refrain from having intercourse with captive women because of their husbands being polytheists. Then Allah, Most High, sent down regarding that:" And women already married, except those whom your right hands possess (Quran 4:. 24)" (i. e. they were lawful for them when their 'Idda period came to an end).
          Sahih Muslim 8:3432
          Jabir (Allah be pleased with him) reported that a man came to Allah's Messenger (may peace be upon him) and said: I have a slave-girl who is our servant and she carries water for us and I have intercourse with her, but I do not want her to conceive. He said: Practise 'azl, if you so like, but what is decreed for her will come to her. The person stayed back (for some time) and then came and said: The girl has become pregnant, whereupon he said: I told you what was decreed for her would come to her.
          Sahih Muslim 8:3383
          Muhammad Had No Animosity With Slavery[edit]
          Mohammed regularly met with and commanded slaves without asking the slave's master to free the slave even though it was within his power to do so.

          Narrated Sahl: Allah's Apostle sent someone to a woman telling her to "Order her slave, carpenter, to prepare a wooden pulpit for him to sit on."
          Sahih Bukhari 1:8:439
          Narrated Jabir: A woman said, "O Allah's Apostle! Shall I get something constructed for you to sit on as I have a slave who is a carpenter?" He replied, "Yes, if you like." So she had that pulpit constructed.
          Sahih Bukhari 1:8:440
          Narrated Abu Hazim: Some men came to Sahl bin Sad to ask him about the pulpit. He replied, "Allah's Apostle sent for a woman (Sahl named her) (this message): 'Order your slave carpenter to make pieces of wood (i.e. a pulpit) for me so that I may sit on it while addressing the people.' So, she ordered him to make it from the tamarisk of the forest. He brought it to her and she sent it to Allah's Apostle . Allah's Apostle ordered it to be placed in the mosque: so, it was put and he sat on it.
          Sahih Bukhari 3:34:307
          Narrated Anas bin Malik: Abu Taiba cupped Allah's Apostle and so Allah's Apostle ordered that a Sa of dates be paid to him and ordered his masters (for he was a slave) to reduce his tax.
          Sahih Bukhari 3:34:412
          Narrated Anas bin Malik: The Prophet sent for a slave who had the profession of cupping, and he cupped him. The Prophet ordered that he be paid one or two Sas, or one or two Mudds of foodstuff, and appealed to his masters to reduce his taxes:
          Sahih Bukhari 3:36:481
          Narrated Abu Mas'ud: There was an Ansari man called Abu Shu'aib who had a slave butcher. Abu Shu'aib said to him, "Prepare a meal sufficient for five persons so that I might invite the Prophet besides other four persons." Abu Shu'aib had seen the signs of hunger on the face of the Prophet and so he invited him. Another man who was not invited, followed the Prophet. The Prophet said to Abu Shu'aib, "This man has followed us. Do you allow him to share the meal?" Abu Shu'aib said, "Yes."
          Sahih Bukhari 3:43:636
          A rock was put on a slave’s chest. When Abu Bakr complained, they said, ‘You are the one who corrupted him, so save him from his plight.’ I will do so,’ said Bakr. ‘I have a black slave, tougher and stronger than Bilal, who is a heathen. I will exchange him. The transaction was carried out.
          Ishaq:144

      2. 9.1.2
        Ivan

        শয়তানের সাথে কোন তর্ক নয় শুধু "দূর হ শয়তান"।
         

      3. 9.1.3
        Fazle hassan siddiqui

        এখন প্রশ্ন হচ্ছে- মানুষকে নিষিদ্ধের জালে আটকে দেয়ার এখতিয়ার নবী মোহাম্মদ'কে কে দিয়েছে? সভ্য মানুষের বিবেক বিদ্ধি মরে গেছে নাকি!!  কোনটি নিষিদ্ধ হবে আর কোনটি নিষিদ্ধ হবে না তা মানুষ তার সুস্থ মানবিক গুনাবলি দিয়েই বিবেচনা করবে।

        ​উনাকে কে দিয়েছে? তাইলে আপনাকে কে এখতিয়ার দিয়েছে  এতগুলা উদাহরনের কোনো টা ভাল/খারাপ ঘোশনা দেয়ার?  এখনও যদি  মানুষ মানুষ এর সংবিধান রচনা করতে পারে, তবে উনার ভাল/ মন্দ ঘোষনার এখতিয়ার নিয়ে আপনার এত আপত্তি কেন?

        আসলে যে জিনিসগুলো নিষিদ্ধ করা দরকার ছিল তার একটিও নবী মোহাম্মদ নিষিদ্ধ করেন্নি।

        ​এত এত উদাহরন দেয়ার দরকার নেই। মেয়েশিশু হত্যা কে নিশেধ করেছেন? আপনার মতে কি তাহলে মেয়েশিশু হত্যা করা দরকার, যেহেতু এটা উনি নিষেধ করে গেছেন। এখানে আপনি কার এখতিয়ার নিয়ে বলতেছেন যে এই এই জিনিসগুলি নিষিদ্ব করা দরকার ছিল, জানাবেন কি?

        ​আপনার এত এত প্রশ্নের সবকিছু নিয়ে আলোচনা করার দরকার দেখছিনা। ইতিমধ্যে হয়েছে।তবে একটা উদাহরন ই টানি, পালিত পুত্রবধুর বিয়ে নিয়ে আপনি দাবি করছেন এটা অনইতিক। আপনি কোনটি নইতিক বিয়ে র কোনটি অনইতিক বিয়ে তার সুনির্দিষ্ট সংগ্যা দিবেন কি? বা আসলে আপনি দিতে পারেন কি? আমি একটা জিনিস বুঝতেই পারি না, এরা নিজেরা অবলিলাক্রমে এটা ভাল, এটা খারাপ বলে যায়,  অথচ তারা কিসের ভিত্তিতে ভাল/ খারাপ বলে তাই জানে না। তারা জবাব দেবে, বিবেকের ভিত্তিতে। অথচ এই বিবেকের ভিত্তি দেশ, কাল, পাত্র ভেদে হাজার রকম। আপনি হয়ত বলবেন,  ধরমই পার্থক্য এনেছে, না, শুধুমাত্র একচোখের অধিকারি হলেই কেবল এই জবাব আসবে।

        আপনি যদি আপনার বিবেকের ভিত্তিতে চলতে পারেন, তবে আর হাজার মানুষ তাদের বিবেকের ভিত্তিতে ভাল খারাপ ঠিক করে নিলে আপনার এত গাত্রদাহ হয় কেন? আপনার মতে বিবেকের ভিত্তি ব্যাক্তি মুহাম্মাদ (স) ঠিক করে করে দিয়েছেন, তাই মেনে নিব না (যদি ও আমরা বলি, এটা ইসলাম ঠিক করেছে, কোন ব্যাক্তি নয়)। কিন্তু ব্যাক্তি মমতাযের ভিত্তি কেন মানতে হবে, তা জানাবেন কি? হ্যা, আপনি প্রশ্ন করতে পারেন, তবে আপনি/ আপনারা নিজ নিজ মতে চললে আমাদের এত গাত্রদাহ কেন? উত্তর নং এক,আমরা মানি, ইসলাম ব্যাক্তিমত নয়, এটি স্রষ্টা করত্রিক প্রদত্ত বিধান। উত্তর নং দুই, আমাদের এত গাত্রদাহ নেই, আমরা অজউক্তিক প্রশ্ন এর জবাব দেই, কিন্তু ব্যাক্তিচরিত্র কটাক্ষ করি না। 

        পুরব প্রসংগে আসি, আপনার মতের বেশিরভাগ লোক রংগিন রং্ধনু হয়েছে/ সমরথন দিয়েছে। জানাবেন কি, এই ক্ষেত্রে কোনটা নইতিক আর কোনটা অনইতিক?

      4. 9.1.4
        Rasel

        //তিনি হাজার বছর ধরে প্রচলিত সমাতন ধর্ম বিশ্বাসের মুর্ত্তিপূজা নিষিদ্ধ করেন।//

        -- হে: হে:,

        এইতো শ্রী শ্রী Momtaz Begom- এর ল্যাঞ্জা বেরিয়ে পড়েছে!

        এই ব্যাটা হিন্দু, সাহস থাকলে আসলে নিকে আস তর্ক করতে।

  12. 8
    মাহফুজ

    @Momtaz Begum

    আপনি বলেছেন- //একটি রাষ্ট্রে যদি অমুসলিমদের আলাদা ট্যাক্স দিতেই হয় তো ঐ দেশের রাজস্ব বিভাগ থেকে একটি নিরীহ আইন পাশ করে দিলেই হয়। দেশের নাগরিক স্ব-সম্মানে যার যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্রকে প্রাপ্য ট্যাক্স প্রদান করবে।  কেউ না দিলে দেশের প্রচলিত কর-আইনের আওতায় বিচার হবে। এর জন্য  যুদ্ধ/টুদ্ধ করার দরকার কি?  করজোড়ে ট্যাক্স দিতে হবে কেন।//

    ইসলামি রাষ্ট্রের জন্য আল-কোরআনে মহান আল্লাহ প্রদত্ত আইনই সংবিধান। অমুসলিমদের জন্য কর হিসেবে 'জিজিয়া' প্রদানের যে বিধান আছে তার পরে অন্য কোন সরল কিংবা গরল আইন পাশ করার কোন প্রয়োজন নেই।

    রাষ্ট্রের আনুগত্য মেনে নিলে সেখানকার সরকারকে ট্যাক্স প্রদান করলে সেই রাষ্ট্রে বসবাসরত নাগরিকদের জন্য তাতে অসম্মানের কি আছে? অনুগত নাগরিকরা রাষ্ট্রের আইন মেনে চললে তো কোন সমস্যা নেই। তবে নাগরিকরা অনুগত না হলে ভিন্ন কথা। আর বিদ্রোহীদের জন্য তো ব্যবস্থাটাও তেমনি হবে। তাইনা? হয় তাদেরকে গ্রেফতার হয়ে বিচারের সম্মুখীন হতে হবে, নয়ত যুদ্ধ/টুদ্ধ করে জেতার পরিকল্পনা করতে হবে। আর যুদ্ধটা তো একা একা করা যাবেনা। দুই পক্ষই যুদ্ধ করবে। তবে দুর্বল হলে খামখা যুদ্ধ/টুদ্ধ না করে আইন মেনে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। তারপর কখনো সুযোগ ও সামর্থ হলে তখন না হয় চেষ্টা করতে পারে।

    আপনি বলেছেন- //আইসিস, আলকায়দা, আল শাহাব, বোকোহারাম এরা তো অবিকল আল কোরাণের ভাষাতেই কথা বলে।//

    না বোন! নেতিবাচক মনোভাব ত্যাগ করে পবিত্র কোরআনের ভাষাকে বোঝার চেষ্টা করলে আপনি এমন কথা বলতে পারতেন না। মহান আল্লাহতায়ালা যেন আপনাকে তাঁর ভাষা বোঝার মত ধৈর্য ও সুযোগ দান করেন।

     

  13. 7
    মজলুম

    আল্লাহ নির্ভর না হয়ে পাকিস্তান নির্ভর হবার ফলাফল হলো যখন পাকিস্তান নামক পশ্চিমা গোলাম রাষ্ট্রটি ডাউন হয় তখন উনারাও ডাউন হয়ে যান।

    1. 7.1
      আব্দুল আওয়াল সুমন

      @মজলুম: welcome back! ভাল বলেছেন। ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়। এরা কবে শিখবে আল্লাহ মালুম!

  14. 6
    মজলুম

    ইসলামি দলগুলোর লিটমাস টেস্ট।

    ইসলামের নামে চলমান রাজনীতিতে ইসতেহারের মধ্যে প্রদত্ত শত শত অঙ্গীকার ক্ষমতায় গেলে ভুলে যাওয়া হয়। আবার দলগুলোর নেতৃত্ব কর্মীদেরকে জেহাদের আহ্বান করে ওয়াজ করেন আর নিজেরা রাজার হালে আরাম-আয়েশের মধ্যে জৌলুসপূর্ণ জীবনযাপন করতে ভালোবাসেন। তারা নিজেদের ছেলে মেয়েদেরকে কোটি কোটি টাকা খরচ করে বিদেশে পড়ান। আন্দোলনের চেয়ে আর্থিক সমৃদ্ধি, চাকুরি, ব্যবসা ইত্যাদিই তাদের মূল ব্যস্ততার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই কার্যক্ষেত্রে পলিটিক্যাল ইসলাম একপ্রকার ধর্মব্যবসা ছাড়া কিছুই নয়।

     

    মজার ব্যাপার হলো এদের কানা সমর্থকগুলোকে মুরগী বানিয়ে নেতারা আরাম আয়েশে দিন গুজার করার খায়েশ। এই পোষ্টের বেশীরভাগই আছে ইসলামি দলগুলোর জন্যে লিটমাস টেস্ট। ফলাফল হলো সব টেষ্টেই ফেল!!!  " তোমরাই বিজয়ী হবে, যদি তোমরা মুমিন হও।" (৩:১৩৯)  কিন্তু আমরা দেখি এরা তেলাপোকার মত বেঁচে থাকে আগাছা পরগাছা হয়ে সারা জীবন কখনো সাদা বিবির সাথে কখনো কালো বিবির সাথে।  মুমিন না হয়ে আগাছা পরগাছা, পরজীবি হয়ে জয়ী হওয়া যায়না।

  15. 5
    Rasel

    একটি কথা আছে, “Come with the Solution, Not the Problem"

    অর্থাত, সমস্যার সমাধান কি সেটাই বলুন, কারণ সমস্যার কথা অনেক শোনা হযে গেছে!

    আপনি এই প্রবন্ধে প্রচুর সমস্যার কথা বিধৃত করেছেন, যার অনেকগুলো অস্বীকার করারও উপায় নেই।।

    তাই, এখন আমি আপনাকে জিজ্ঞেস করছি- 

    কোন পদ্ধতি অনুসরণ করলে  গোটা বিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করা যাবে  বলে আপনি মনে করেন? বা গোটা বিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠার জন্য “যুগোপযোগী” পদ্ধতি কোনটি বলে আপনি মনে করেন?? 

    (যেহেতু আলোচ্য প্রবন্ধে আপনি বলেছেন, “ইসলাম এসেছে গোটা বিশ্বের জন্য, তাই যারা ইসলামী রাজনীতি করেন তাদেরও সমগ্র বিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উপযোগী প্রক্রিয়াই গ্রহণ করতে হবে, অন্যথায় তাকে যুগোপযোগী বলা যাবে না।”)

    তাই এ ব্যাপারে আপনার কোন সাজেশন থাকলে দয়া করে বলুন।।

     

     

     

     

  16. 4
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    সম্পূর্ণ একমত। বিশেষ করে বাংলাদেশের ইসলামের নামে রাজনীতি করা দলগুলো বর্তমান কর্মকান্ডের দিকে তাকালে আপনার বিশ্লেষনকে সমর্থন না করে পারা যায় না। প্রথমও এরা ক্ষমতার  স্বাদ চায় এবং তার জন্যে বড় দুই দলের লেজুরৃত্তিতে জড়িত হয়েছে -- তা ছাড়া এরা নিজেদের স্বার্থে ইসলামের নামে শত ভাগে বিভক্ত হয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। বাংলাদেশের ইসলাম প্রচার এবং চর্চার পথে অনেকগুলো বাঁধা মাঝে একটা উল্লেখযোগ্য প্রতিবন্ধক হলো ইসলামের নামে রাজনীতি করা দলগুলো। আর তাদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো জামায়াতের ইসলাম -- যারা নিজের ভুল আর অন্যায়কে ইসলাম ব্যবহার করে জায়েজ করতে চাইছে এবং ইসলামকে ঢাল বানিয়ে নিজেদের অপকর্ম এবং ভয়াবহ অন্যায়কে আড়াল করতে গিয়ে ইসলামের প্রচার এবং চর্চাকে ব্যবহত করেছে।

    শুধু বাংলাদেশ নয় -- বিশ্বের যে কোন জায়গায় যখনই ইসলামিক দল গনতন্ত্রের নামে ক্ষমতায় যাওয়া কৌশল করেছে -- তারাই ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। যেখানে আল্লাহ পরিষ্কার বলেছেন --

     

    (24:55)

    তোমাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে, আল্লাহ তাদেরকে ওয়াদা দিয়েছেন যে, তাদেরকে অবশ্যই পৃথিবীতে শাসনকর্তৃত্ব দান করবেন। যেমন তিনি শাসনকতৃত্ব দান করেছেন তাদের পূর্ববতীদেরকে এবং তিনি অবশ্যই সুদৃঢ় করবেন তাদের ধর্মকে, যা তিনি তাদের জন্যে পছন্দ করেছেন এবং তাদের ভয়-ভীতির পরিবর্তে অবশ্যই তাদেরকে শান্তি দান করবেন। তারা আমার এবাদত করবে এবং আমার সাথে কাউকে শরীক করবে না। এরপর যারা অকৃতজ্ঞ হবে, তারাই অবাধ্য।

     

    সুতরাং ক্ষমতায় যাওয়ার ভিত্তি কৌশল নয় -- ঈমান ও আমল -- যা আল্লাহর কাছে গ্রহনযোগ্য হবে।

    আপনাকে ধণ্যবাদ -- কঠিন সত্য উচ্চারনের জন্যে।

    1. 4.1
      মহিউদ্দিন

      আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

      আর তাদের মধ্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো জামায়াতের ইসলাম – যারা নিজের ভুল আর অন্যায়কে ইসলাম ব্যবহার করে জায়েজ করতে চাইছে এবং ইসলামকে ঢাল বানিয়ে নিজেদের অপকর্ম এবং ভয়াবহ অন্যায়কে আড়াল করতে গিয়ে ইসলামের প্রচার এবং চর্চাকে ব্যাহত করেছে।

      জামায়াতের "ইসলাম" তো খারাপ এটা আওয়ামী সরকার ও  বাংলাদেশের সেকু্লার গুষ্টি সহ আওয়ামী উলেমা লীগেরাও বলেন আর জনগণও সেটা বিশ্বাস করে মনে হচ্ছে কি বলেন? অতএব  জামাত তো এখন কোন ফ্যাক্টর নয় । কিন্তু আমার প্রশ্ন হল এদেশে  যারা নিজেদেরকে মুসলিম বলে দাবী করে তারা কেন এগিয়ে আসেনা ইসলামের আদর্শকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে?  দেশে যে অরাজকতা খুনখারাবী চলছে তা বন্ধ করতে সরকারকে চাপ দিতে অসুবিধা কোথায়? ছাত্রলীগের এক গ্রুপের নেতা অন্য গ্রুপের নেতাকে হত্যা করতে গিয়ে কারো  বাড়ীতে ঢুকে দিনে দুপুরে গুলি করে গর্ভবতী মায়ের পেটের সন্তানকেও গুলি বিদ্ধ করে কিন্তু এদের দৃষ্টান্ত মূলক কোন শাস্তি হয়না! জামাত ব্যশিং করে নিজেদের অপরাধকে কি ভাবে ঢাকা যাবে?  আল্লাহ আমাদের সবাইকে সে হেদায়েত দান করুন। আমিন।

  17. 3
    Momtaz Begum

    জনাব আহমদ,
    পোষ্টের লেখক এবং আপনি দুজনেই  colossal ভুল পথে আছেন।  ১৪০০ বছর আগের মেডোভেল চিন্তার কার্বন কপি দিয়ে এ যুগে ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করা যাবে না।  শুধু তাই না, রিয়েল ইসলামের খেলাফত রাষ্ট্রও সম্ভব না।  তবে ইসলামকে ব্যাক্তি পর্যায়ে রেখে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানের আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব। হজরত ওমরের খলিফা রাষ্ট্র নয়, বরং এ ক্ষেত্রে সিঙ্গাপুর, সুইডেন অথবা জাপানকে follow যেতে পারে। ধন্যবাদ।

    1. 3.1
      এম_আহমদ

      @Momtaz Begum:

      ওরে মা গো –এই কোন পণ্ডিত? এসেই একদম ‘colossal ভুল’ বলে দেয়া! এই যে অনেক দিন থেকে pretentious, self-deluded  মূর্খদের  সাথে কথা কথা হয় নি। তো যখন ভিড়েছেন, তখন দেখা যাক আপনি কি দিয়ে তৈরি। (Here, I treat all the ‘nicks’ equally: male, female or neuter).

      প্রথমত, কোন শয়তান বা গণ্ডমূর্খ আপনাকে বলল যে ইসলামী রাষ্ট্র ‘মেডীভল (medieval) চিন্তার “কার্বন” কপি’? আপনি যে মেডীভল যুগ , তার বাস্তবতা, চিন্তা চেতনার সামাজিক সঠিক রূপ ইত্যাদি সম্পর্কে কিছুই জানেন না তা আপনার বাক্যের ব্যবহার ও মন্তব্য থেকে স্পষ্ট। আপনি ইসলাম সম্পর্কে কি জানেন? কি পড়েছেন? কোথায় পড়েছেন? অথবা এপর্যন্ত ইসলাম সম্পর্কে কি কিছু লিখেছেন যা আপনার ধারণার পক্ষে উল্লেখ করতে পারেন? আমার তো মনে হয় মেডীভল যুগে যারা জ্ঞানহীনতায় ভুগেছে আপনার অবস্থা সেই মেডিভেলিজমের মত। খিলাফত সম্পর্কে আপনি নাদানদের প্রোপাগান্ডা গিলে কথা বলেছেন অথচ ইসলামী রাষ্ট্রের সম্ভাবনা-অসম্ভাবনা, কোনটিই সম্পর্কে জ্ঞান রাখেন না। আপনি ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা সম্পর্কে পড়াশুনা করেন নি তাই সুইডেনের বস্তুতান্ত্রিক উন্নতির স্বপ্নে বিভোর, অথচ সেভাবে ইমিগ্রন্টদের সাথে যে বৈষম্যমূলক আচরণ হয় সেটা দেখবেন না, নারী-চারিত্রিক দৈন্যতা দেখবেন না, ধর্ষণ দেখবেন না, সমকামীতা দেখবেন না, আইন ও শক্তি মানবতাকে কীভাবে পার্থক্যে ধারণ করে তা দেখতে পাবেন না, কেননা আত্মা, ধর্ম, সমাজ ও মানবতা এখনো পাঠ হয় নি। যারা নবীর (সা) জীবন ব্যবস্থার বিপক্ষে, আবু বকর, ওমর ওসমান, আলী এবং তাদের সমাজ দর্শনের বিপক্ষে prejudice, বিদ্বেষ, আর অজ্ঞতা গিলিয়ে দিয়েছে আপনি তাদের কথাই তোতা পাখীর মত আওড়িয়ে যাবেন –ইসলাম আলোচনাই করতে পারবেন না। যদি পারেন, তবে আসেন, একটু ট্রাই করে দেখেন। তবে সব কথা কিন্তু টপিকসের (topic) ভিতরে থেকেই করতে হবে, বানরের মত এক ডাল থেকে অন্য ডালে বিচরণ করা যাবে না। 

      1. 3.1.1
        Momtaz Begum

        জনাব আহমদ,

        আপনার কথার তুছ্ছ স্টাইল দেখে মনে হচ্ছে আমি আপনার ঘরের লোক? কিন্তু আমি তা নই। এরপর বিষয়টি মাথায় রাখবেন আশা করি। ধন্যবাদ।  

        নাহ,  কোন শয়তান গন্ডমূর্খ বলে নি। আজকের বাস্তবতাই বলে দেয় ইসলাম পুরোপুরি মেডিভেল চিন্তা প্রসুত ধর্ম। প্রাপ্ত বয়স্ক নারী-পুরুষের ইছ্ছা প্রনদিত যৌনতার সাজা প্রকাশ্যে পাথর ছুড়ে হত্যা,  পাওরুটি চোরের হাত কেটে দেয়া,  সমকামী কতল, মুর্তাদ কতল, স্ত্রী প্রহার,  আদালতে নারী স্বাক্ষ্য অর্ধেক,  সামাজিক বহুবিবাহ, তালাক, হিল্লা, জিজিয়া করের ধিমি(সেকেন্ড ক্লাস) সিটিজেন, দাসীর সাথে যৌনতা, যুদ্ধবন্ধি নন-কমবেটেন্ড নারী ধর্ষন, যোদ্ধাদের মাঝে বিলি বন্টন এবং সর্বপরি গনতন্ত্রহীনতা  এসব কি মেডিভেল চিন্তা প্রসূত নয়? অথচ এগুলোই সর্বযূগ স্বিকৃত ইসলামী বিধি বিধান। এ সরল সত্যটি  জিনি স্বিকার করেন্না  তিনিই গন্ডমূর্খ, সন্দেহ নেই। ধন্যবাদ, আবারো।

        আপনি জানতে চেয়েছেন ইসলাম  বিষয়ে আমি কি জানি, কতটুকু কি?  নাহ ভাই, আমি ইসলামের আল আজহার পন্ডিত!! নই। তবে ইসলাম বিষয়ে ব্লগে লেখালেখি করার সামান্য চর্চা মেধা আমার আছে বৈকি। 

        হজরত ওমরের পারশ্য দখল, মুসলিমদের স্পেন উপনিবেশ, গ্রীস উপনিবেশ,, আর্মেনিয়া উপনিবেশ, বখতিয়ারের বাংলা দখল ইত্যাদি ইতিহাসের স্বর্ণযুগ!!  পক্ষান্তরে ইংরেজদের সারা বিশ্ব শাসন- তাদের জ্ঞান, বিজ্ঞান, ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিচার, প্রশাসন, স্কুল-কলেজ,  দাসপ্রথা বিলোপ, মানবাধিকার চার্টার, জেনেভা কনভেনশন, নারী অধিকার সুরক্ষা,  সুশান এবং গনতন্ত্র  সবই ইতিহাসের অন্ধকার যুগ??????   আমি এ ধরনের ইসলামী জোশ বিশ্বাস করি না। পাশাপাশি  রোমান সম্রাজ্য,  চন্দ্র গুপ্ত মৌর্য বংশ, সম্রাট অশোখার ভারত শাসন, চৈনিক হাং ডাইনিস্টি, মিং ডাইনিষ্টি  এদের কথা নাই বল্লাল।   

        সবশেষে আপনি- সুইডেন প্রসংগে কিছু চর্বিত চর্বন মোল্লা ফাতোয়া ঝেড়ে দিলেন। দেখুন আজকের ইউরোপে প্রতিটি সামাজিক অবিচার, অবক্ষয় দুর করার অবিরাম প্রচেষ্টা চলছে। প্রতিটি সমস্যা তারা ডিল করছে।  কিন্তু বিষয়টি এমন নয় যে সমকামিদের হত্যা করতেই হবে,  নারীকে পাথর ছুড়ে মারতেই হবে, স্ত্রীকে প্রহার করতেই হবে, অমানবিক জিজিয়া কর আদায় করতেই হবে, পুরুষের বহু বিবাহ, দাসীর সাথে অতিরস্কার যোগ্য যৌনতা, যুদ্ধবন্ধি নারী গনিমত বিলি বন্টন, গনতন্ত্রহীনতা এবং সর্বপরি আই এস তথা ইসলামী খলিফা রাষ্ট্রের জেহাদ, দখল, কিসাস, কতল, রজম যগদ্দল পাথরের মত সমাজের উপর চাপিয়ে দিতে হবে এমন মেডিভেল ফরমান সুইডেনে নেই।  ধন্যবাদ আপনাকে।

        বিঃদ্র- আসা করি আমার এই লেখাটি প্রকাশ করার সৎ সাহস সদালাপ কতৃপক্ষের আছে। ধন্যবাদ।

        1. 3.1.1.1
          এম_আহমদ

          এই মিয়া, অসভ্য কোথাকার! অপরের স্ত্রীর সাথে ইচ্ছা প্রণোদিত যৌনতা বুঝি ‘সভ্য’ আর সাজা অসভ্য? খবিস কোথার! অমানুষ! পাওরুটি জন্য চোরের হাত কেঁটে দেয়ার কথা খবিসদের মিথ্যাচার। ||যৌন-অপরাধ|| যারা পরের স্ত্রীর সাথের যৌনাচার করে, বিবাহ বহির্ভূত অনৈতিক ও অসামাজিক কাজে লিপ্ত হয় –এমন ‘অপরাধের’ বিচার হওয়াই সভ্যতার প্রতিচ্ছবি। আদালত স্থান-কাল বিবেচনায় যা উত্তম তাই করবে, অপরাধপ্রবণ খবিসরা যা’ই ভাবুক না কেন। ||মধ্যযুগ|| সভ্যতা ক্লাসিক্যাল যুগে হোক, অথবা তার পূর্ব যুগে, অথবা মধ্যযুগে –ভাল বস্তু, ভাল নিয়ম, সব দিনই ভাল। কেবল মূর্খরাই ভাল বস্তুকে অতীত বলে উড়িয়ে দিয়ে পারে। এরা আধুনিকতার নামে নোংরামি পছন্দ করে।

          ‘পাশবিক-যৌনতা’ সভ্য সমাজে গ্রহনীয় হতে পারে না। বিবাহ বহির্ভূত যৌন-বিচরণ এবং দায়ীত্বহীনতা কেবল আপনার মত খবিস মানসিকতার লোকই সমর্থন দিতে পারে। এটাই মূলত মধ্যযুগীয় বিকৃত পাশবিক অবস্থান। এই অসভ্য ও মূর্খ স্থানটি হচ্ছে আপনার। ইসলামে নারী সাক্ষীর অবস্থান একদম যথার্থ এবং ন্যায়পরায়ণ। সে আলোচনা বুঝার যোগ্যতা আপনার নেই। আপনি এবং আপনার “মতোরা” সেটাকে অপছন্দ করাতে কোন অসুবিধে নেই।

          ‘যোদ্ধাদের মধ্যে বিলিবন্টদের’ প্রোপাগান্ডা আপনার মত অসভ্য-মূর্খের। যে একটি যুদ্ধে এর নজির রয়েছে তা ছিল ‘যুদ্ধক্ষেত্রেই’, নারীসহযুদ্ধ, পরিণতি জেনেই সকল পক্ষ সেই যুদ্ধ করেছিল –আপনি মধ্যযুগীয় মূর্খ, তাই কালের ইতিহাসে এই ধরণের যুদ্ধের রূপ কি ছিল তা জানেন না। এই বণ্টন ছিল আইনানুগ, মূর্খতা গভীর হলে জানা হবে কীভাবে? ইসলাম প্রতিপক্ষের সাথে তাদের পূর্ব প্রথাতেই engage হয়েছিল এবং gradually আইন ও যুদ্ধরীতিতে পরিবর্তন এনেছে। এ ক্ষেত্রে যে পরিবর্তন এনেছে, আপনি ‘মূর্খ’, তা জানেন না। পড়াশুনা করলেই জানতে পারতেন। ইসলামের নিয়ম-নীতি যে আপনার প্রভুদের ইরাকী মহিলা ধর্ষণ, আফগানে ধর্ষণ, আবু আবুগুরাইবের নির্যাতন, প্যালেস্টাইনের ধর্ষণ ও নির্যাতন ইত্যাদির মোকাবেলায় আজও অম্লান, সুমহান, উন্নততর, আপনি অন্ধ-মূর্খ, মুসলিম বিদ্বেষী ফ্যাসিস্ট বিধায় তা দেখতে পাচ্ছেন না। আপনার প্রভুরা আপনাকে যা শিখিয়ে দিয়েছে সেটাই বেহায়ার মত এখানে এসে বমি করে যাচ্ছেন।

          ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা নারী-পুরুষের সুস্থ এবং নৈতিক জীবন প্রত্যাশা করে। আপনার মত অসভ্যরা সেটাকে মন্দ হিসেবে দেখবে।

          ||মুরতাদ|| ফ্যাসিস্ট মুরতাদ খবিসগণ যখন তাদের কান্ডজ্ঞানহীনতা এবং মূর্খতাবশত ব্যক্তি স্বাধীনতার নামে গুলিয়ে  সমাজের শান্তি সৌহার্দতা নস্যাৎ করে এবং সামাজিক বিঘ্নতা ঘটায়, বিপর্যয় আনে, তখন এমন জঘন্য “অপরাধীদের” বিচার আইনানুগ ব্যবস্থায় করা হবে –এটাই সভ্য সমাজের নিয়ম। পাগলা কুত্তাকে নিয়োন্ত্রণে রাখাই নিয়ম। কুশিক্ষিত ফ্যাসিস্ট জানোয়ারদেরকে সমাজে মুসলিম-বিদ্বেষ চালিয়ে নিতে দেয়া যেতে পারে না, সভ্য সমাজ এভাবে চলতে পারে না। আইন থাকতে হয়। যাতে করে এরা সমাজে হিংসা, বিদ্বেষ, তথ্য-সন্ত্রাস, মিথ্যাচার এবং সামাজিক উষ্কানিমূলক কর্মকাণ্ড ছড়িয়ে বিপর্যয় ঘটাতে না পারে।

          আপনি অসভ্য ফ্যাসিস্ট সম্প্রদায়ের লোক। আপনি মুসলিম সমাজে যা নেই, অথবা যা কিছু তুলনামূলক ভাবে মুসলিম সমাজে কম, সেটাও আপনার বিদ্বেষী লিষ্টে। প্রোপাগাণ্ডায় লিপ্ত। স্ত্রীর পেটানোর নজির ইউরোপের চেয়ে মুসলিম সমাজে কম। ইউরোপীয় মুসলিম সমাজে অত্যন্ত বিরল। আপনি মুসলিম বিদ্বেষী ফ্যাসিস্ট জানোয়ার না হলে এগুলো নিয়ে প্রথমে চিন্তা করতেন, সামাজিক বাস্তবতা দেখতেন তারপর ইতরামি করতেন। মুসলিম সমাজে ৪ বিবাহে কোন সমস্যা নেই। এটা আপনার সমস্যা। অনৈতিক ইতরদের সমস্যা। এই প্রথা যদিও মুসলিম সমাজে বহুল প্রচলিত নয়, কিন্তু মুসলিম বিদ্বেষী-গোয়ারের কাছে তা বড় একটা কিছু। কিন্তু এই প্রথাও বিবাহ বহির্ভূত অনৈতিক কুকর্ম থেকে উত্তম, এখানে নারীকে যৌনভোগ করা হয় না। স্ত্রীর সামাজিক স্বীকৃতি দেয়া হয়। সমাজ-সংসারে আইনানুগ মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়। আপনি কুকর্মের সমর্থক। মধ্যযুগের অসভ্য কর্ম সমর্থক। বিদ্বেষের কারণের মূর্খ থেকে থেকে গিয়েছেন। বিবাহিত নারীর সাথে ব্যভিচারে সামাজিক যে বিপর্যয় আসে সেই বিজ্ঞান আপনার মূর্খ জগতে নেই। বিদ্বেষ আপনাকে অন্ধ করে দিয়েছে। তবে সকল কুকর্মের সমর্থন আপনার নিজ পরিবারে এবং সমাজে রাখাতে আমাদের কোন অভিযোগ নেই। আপনি বিবাহ বহির্ভূত যৌনাচারে ডুবে থাকুন, তবে নিজেদের মধ্যে। এসব কুকর্ম আপনার সভ্যতা হোক,  এতে মুসলমানদের কোন আপত্তি নেই। But remember, ইতর-মূর্খের মত “colossal ভুল” আওড়াতে আমাদের সামনে আসবেন না। Have some decency to stay within your ignorant limit.  And of course, you can GET LOST into your immoral wilderness, who care, but  bringing your disgusting immorality as a justification. Your moral outlook is far below than that of the medieval standard. You may have been born into it, but who cares? Stay away.

          আপনার সমকামিতার জাস্টিফিকেশন নিয়ে আমার সাথে আলোচনা হবে কেন? কোন মুসলিম দেশ সমকামীদের উপর জেনোসাইড করল? আপনি কি কর্মহীনভ্যাগাবন্ড? ইস্যু খোঁজে খোঁজে বেড়াচ্ছেন? না আপনি ইসলাম বিদ্বেষী ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠীর বেতন খেয়ে মুসলমানদের বিপক্ষে বিদ্বেষ ছড়ানোর কাজ করে যাচ্ছেন এবং কাজের evidence যোগাতে এভাবে বেহায়ার মত কথা বলে যাচ্ছেন?

          এখানে মুসলিম সমাজের কিছু লোক তাদের ধ্যান ধারণা আলোচনা করছে, আপনি হয় সভ্যতার আঙ্গিকে evidencesসহ কিছু বলে অংশ নেবেন, আর না হয় ল্যাজ গুটিয়ে সরে থাকবেন। অমুক মধ্যযুগীয় আর তমুক মধ্যযুগীয় এসব কি কথা? মুসলমানরা কি কালের “কার্বন-কপির” কথা আলোচনা করছে, তা প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে? এই যে আপনি এত মূর্খ, মুসলমানদের আলোচনা না বুঝে, তাদের সমাজ-ব্যবস্থা, শিক্ষা-সংস্কৃতি না জেনে, আলোচনায় অংশ গ্রহণের যোগ্যতা না রেখে, এবং  আলোচনার ভাষা আত্মস্থ না করে বেহায়ার মত নিজের prejudice and hatred ঢালাওভাবে উজাড় করে দেন –এটা কেন?

          এ পর্যন্ত প্রোপাগান্ডা আর মুর্খামি ছাড়া কি বলেছেন? আপনি ইসলামী শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে কি জানেন? জিজিয়া/জিম্মি আওড়াচ্ছেন অথচ এই বিশেষ ক্ষেত্রের যে বিভিন্ন রূপ, প্রয়োগ এবং শর্ত রয়েছে সম্পর্কে কিছুই জানেন না। সৌদি আরবে যেসব অমুসলমান আছেন তারা কি জিজিয়া দিয়ে আছেন? আপনি কিসের তর্ক জুড়েছেন? আপনি কেডা, আপনার মত মূর্খের সাথে কেন কেউ বিতর্ক করবে? আপনি নিজেকে মনে মনে পণ্ডিত ভাবলে কি চলবে? আপনার লেখা কই? পাঠ কই? আপনি বুঝতেই পারছেন না যে you are simply a nut.

          সদালাপ কর্তৃপক্ষ ভাল লেখা ছাপায়। কোনো মূর্খের নোংরামি বা তার উত্তেজনাপূর্ণ আহবানের কারণে ছাপিয়ে দেয় না। এখানে মূর্খের ইমোশন entertain করা হয় না। তবে হ্যাঁ, আপনার মুর্খামি অন্যত্র ছাপিয়ে এখানে এসে বলে যেতে পারেন কোথায় তা ছাপিয়েছেন। কারও ইচ্ছে হলে দেখে নিতে পারে। And remember, I asked you if you had any writing published, you failed to refer on it. Whatever you said so far hadn’t proven your standing in anyway; you are simply a ‘nobody’ –throwing garbage with a lot of assumptions. So get lost!

          আর “ইউরোপে প্রতিটি সামাজিক অবিচার, অবক্ষয় [যখন] দুর” হয়ে যাবে এবং আপনিও নিজের জ্ঞানের যোগ্যতা দেখাতে পারবেন, তখন ফিরে আসতে পারেন, তখন দেখা যেতে কথা বলা হবে কি না। And until that put your racist fascist tail behind your legs and get lost!

           

        2. Momtaz Begum

          মানুষের যুক্তি মেধা যখন তলানিতে এসে ঠেকে যায়, তখন তারা  আবল তাবল বকে যায়। হয়ে যায় হিংস্র বর্বর। সহিহ ইসলামের প্রকৃত যোদ্ধা আইএস, আলকায়দা, আলশাহাব, বোকোহারাম এরা ভিষন ভাবে পরাজিত একটি হিংস্র শক্তি। ২১ শতকের সভ্য শক্তির বিপরিতে এরা প্রায় ছিন্ন ভিন্ন। শেষ মুহুত্বের ময়রণ কামর দেয়ার অপেক্ষা আছে এরা। তারপর দপ করে নিবে যাবে।  

          জনাব আহমদ, 
          আপনি যত খুশি বকবক করেন্না কেন, লাভ নেই।  আপনার   ইসলামকে আর কেউই সমাজ ও রাস্ট্রে গ্রহন করবে না। ইসলাম এতোটাই মধ্যযূগীয়, বর্বর তা মানুষ যেনে গেছে। অবস্থা এমন হয়েছে- যেখানেই পঁচে যাওয়া ইসলাম সেখানেই খুন, ধর্ষন, বোমাবাজি। অশিক্ষা, কুশিক্ষা, বিজ্ঞানহীনতা। নারী নির্যাতন এবং মনবাধিকার লংঘন। অস্বীকার করার উপায় আছে??

          @ জনাব আহম্মদ- আপনার জন্য করুণা। আপনার হাস্যকর দাপাদাপি মসজিদ, মাদ্রাসা এবং হালাল মুদিখানা পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।

        3. এম_আহমদ

          হ্যাঁ, মুর্খামির কারণে পাছায় লাথি খেলে, মূর্খরা এমন কথা বলে। এই ব্লগে কেউ আল-কায়েদা, বোকো হারাম আলশাবাব আইএস এমন কোন সংগঠনের পক্ষে কথা বলে নি। কিন্তু আপনি যারা এসের বিপক্ষে তাদেরকে “মূর্খতাবশত” পক্ষের ভেবে থাপ্পড় খেয়েছেন। এখানে জিজিয়া/জিম্মি বানানোর পক্ষে আলোচনা করেনি কেননা যে গোত্রীয় সামাজিক ব্যবস্থায় এক পক্ষ অপর পক্ষের সাথে যুদ্ধ করত এবং যেখানে কোন গোত্র অন্যের জিম্মায়/সিকিউরিটিতে বা প্রটেকশনে গিয়ে জিজিয়া দিতে হত, সেই সমাজ সামাজিক অবস্থা এখন নেই, দেশের ভিতরেই সেই গোত্রীয় বাস্তবতা নেই কিন্তু আপনার মত অশিক্ষিত মূর্খ সে খবর রাখে না বরং ফ্যাসিস্ট শয়তানদের মুখে থেকে জিজিয়া/জিম্মি শুনে এসে অপ্রাসঙ্গিকভাবে বেহায়ার মত আলোচনায় ঢুকে পাছায় লাথি খেয়ে তা বুঝতে হয়েছে। ৪ বিবাহ যে ধর্মীয় অনুজ্ঞা নয়, বরং ক্ষেত্র বিশেষে অনুমোদন, এবং ব্যক্তিক ও সামাজিক নৈতিকতার দিক দিয়ে ভাল প্রথা -তা না বুঝে থাপ্পড় খেয়ে বুঝতে হয়েছে। ইসলামী সমাজ ও এখানকার নারী-পুরুষের নৈতিক অবস্থান না জেনে যৌন-প্রবণতার পক্ষে কথা বলে, সামাজিক অপরাধ প্রবণ ফ্যাসিস্ট মুরতাদের সমর্থনে কথা বলে, বহু বিবাহের ভাল দিক না বুঝে, যা বলেছেন তা জন্য লাথি খেয়েছেন। আজ ইউরোপের অনেক মহিলা ইসলামের চার বিবাহের প্রথার পক্ষে কথা বলছেন। অনেকে তা প্রাকটিস করছেন, কেননা তারা আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষিতে ‘ফুল-টাইম-স্ত্রীর’ পরিবর্তে ইসলামী প্রথায় সুস্থ ও নৈতিক জীবন দেখতে পাচ্ছেন। আপনার মত ইতরজন ‘বয়স্ক নারী-পুরুষের ইচ্ছা প্রণোদিত যৌনতার’ খবাসতি ও শয়তানী কর্মকাণ্ডের পক্ষে নয়। ইসলামের উপর চরম মূর্খতা নিয়ে ফ্যাসিস্ট প্রোপাগান্ডায় ধরা খেয়ে এবং গর্হিতভাবে মুসলিম বিদ্বেষ প্রচার করায় লাঞ্ছিত হয়েছেন। ব্লগ বিষয়ে লেখালেখির কোন উদাহরণ দিতে পারেন নি। তবে আপনি যে ইসলাম বিদ্বেষী মূর্খতা নিয়ে বিডিমনিটর, আমু ও মুক্তমনায় লিখে থাকবেন তার লেখার নমুনা থেকে বুঝতে পারছি। কিন্তু এখানে যেহেতু ভিন্ন নামে ধূর্তামি করছেন তাই সেইসব ব্লগের লিঙ্ক দিতে পারছেন না। দরকার নেই আপনি যে কোন লেভেলের মূর্খ তা তো জানাই আছে। আপনি যে কে তা অন্তত অনুমান করতে পারছি। ইসলাম ও মুসলিম বিদ্বেষী ফ্যাসিস্টদের যে একখানা নোংরামির লিস্ট গর্দভের মত যেখানে সেখানে বহন করে কানমলা খাচ্ছেন, সেটা এখন আপনাদের নিজেদের মহল ব্যতীত অচল।  মনে রাখবেন সব জাগা এক নয়। ‘মধ্যযুগ’ না বুঝে মুখ খুললে ঘটনা কি হয় –তা টের পেয়েছেন। আলোচনা বা বুঝে, সহসা আলোচনায় ঢুকে গেলে কি হয় –তাও বুঝেছেন। আলোচকদের অবস্থানের তারতম্য না বুঝে, ফ্যাসিস্ট-মেনিফেস্ট নিয়ে হাজির হলে লাথি আর থাপ্পড় কোথায় কোথায় পড়ে তাও বুঝতে পেরেছেন। এই লিস্টকে এখন বাকিদের সাথে বসে রিভাইজ করেন। কারণ এক কথা আর কত বলবেন, থাপ্পড় না বাদ দেয়া যাক।

          ইসলাম যদি মধ্যযুগীয় বর্বরতা হয়ে গিয়ে থাকে, এই ধর্ম যদি কেউ গ্রহণ করবে বলে এত নিশ্চিত হয়ে গিয়ে থাকেন, তবে কেন এখানে সেখানে সময় নষ্ট করে লাথি থাপ্পড় খাচ্ছেন? মাথায় এই যুক্তি ও বুদ্ধি কেন ঢুকে না?

          ও আরেকটি কথা। আমার জন্য বুঝি আপনার বড় "করুণা" হয়। ইস, আপনার মুখ এমন কথা শুনতে আমার কিন্তু বড়ই ঘৃণা হচ্ছে। সরেন, অসভ্য কোথাকার!

        4. 3.1.1.2
          এম_আহমদ

          One more thing. আপনার মত “তুচ্ছ” কাউকে কি আমি ঘরের লোক মনে করতে পারি? What a stupid assuption!

        5. আব্দুল আওয়াল সুমন

          @এম_আহমদ: ধর্মহীন মানুষ পশুর সমান। এরা পৃথিবীতে পশুর সমাজ প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। এসব নোংরা দুপেয়ে জানোয়ারগুলো ইসলাম সম্পর্কে বাজে মন্তব্য করে সদালাপের পরিবেশকে কলুষিত করছে। এদের ignure করার জন্য কতৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানাচ্ছি।

        6. 3.1.1.3
          Rasel

          হে: হে:

          আহমদ ভাই তো Mr. Momtaz Begom এর নেংটি খুলে দিয়েছেন! 

      2. 3.1.2
        Momtaz Begum

        আজকের পৃথিবীতে মুসলিম কিন্তু কম না!  এক এক করে মাথা গুনলে দেড় বিলিয়নের এক বোঝা পাওয়া যাবে, নিশ্চিত।  কিন্তু মর্যাদার দিক দিয়ে এদের অবস্থান একেবারে তলানিতে।  বিদ্যা শিক্ষা, বিজ্ঞান প্রযুক্তি,  শক্তি, সাহস কিছু নেই। এক কথায় যাকে বলে অপদার্থ। আগাছা। 

        @ জনাব আহমদ- দুঃখিত, আপনি তাদেরই একজন।  স্বর্গের মেওয়া খাওয়ার লোভে আপনার মানবিক গুনাবলি বিনষ্ট হয়ে গেছে।  দুঃভাগ্য আপনার। দয়া করে এবার একটু সেন্সএবল হওয়ার চেষ্টা করেন, প্লিজ।   ব্লগে আপনার উল্টোপাল্টা দাপাদাপি কিন্তু সবাই দেখছে।   

        # আপনি একবার বললেন- 'ইসলামের বহুবিয়ে' খুব ভাল জিনিস। পরক্ষনেই বলেন কোন মুসলমান বহুবিয়ে করে না।  

        # আপনি একবার বলেন- 'ইসলামের জিজিয়া কর' খুব ভাল জিনিস। পরক্ষনেই বলেন সৌদি আরব জিজিয়া কর আদায় করে না। 
        # আপনি একবার বলেন- 'ক্রীতদাসীর সাথে বিয়ে বহিঃভুত যৌনতা' খুব ভাল জিনিস। পরক্ষনেই বলেন এটা ইসলামে নেই। 

        # আপনি একবার বলেন- 'যুদ্ধ বন্ধি নারী গনিমত ধর্ষন/বিলিবন্টন' খুব ভাল জিনিস। পরক্ষনেই সেটি জায়েজ করার জন্য আবুগ্রেইব কারাগারের উদাহরন টেনে আনেন। 

        # আপনি একবার বল্লেন- ইসলামে বউ পিটানো নেই। পরক্ষনেই সেটি জায়েজ করার জন্য বল্লেন ইউরোপেও বউ পিটায়।  

        আসলে, 'আউট ডেটেড ইসলামের' নাড়ি-ভুঁড়ি টানাটানি করতে যেয়ে আপনি মাইনকা চিপায় পরে গেছেন। এখন গিলতেও পারেন্না, ফেলতেও পারেন্না।  কপাল মন্দ হলে যা হয় আরকি। 

        সবশেষে আপনার চড়/থাপর বিষয়ে কিছু বলতেই হয়-   ইসলাম ধর্মের প্রথম কেবলা আল্লার ঘর আল আকাসা মসজিদ। কথিত আছে, সেখানে নামাজ শেষ করে আপনার নবী আকাশ ভ্রমন করেন। সেই আল আকাসা মসজিদের কথাই বলছি, যে সে মসজিদ না।  গেল সপ্তাহে, কিছু ইহুদী সৈন্য জুতা পায়ে আল আকাসায় প্রবেশ করে। অতপর আপনার মুসলিম ভাইদের থাপ্পর দিয়ে মসজিদ থেকে বেড় করে  দরজায় তালা ঝুলিয়ে দেয়।  তারপর সব ঠান্ডা।

        ধন্যবাদ।

        1. 3.1.2.1
          মহিউদ্দিন

          “Come with the Solution, Not the Problem"

          @ Rasel:

          আগে সমস্যা বুঝতে হবে তারপর সমাধান আসবে। who will listen to solution? Here are people who thinks there are no problem মুসলিম নামধারী  hypocrat দের মন্তব্য দেখেননা?

        2. 3.1.2.2
          Rasel

          Mr. Momtaz Begom:

          এত গালি খাওয়ার পরও বেহায়ার মতন মন্তব্য করছেন? লজ্জা করে না?

        3. 3.1.2.3
          এম_আহমদ

          @ Momtaz Begum
          আপনাকে থাপ্পড় বেশি জোরে কষে দিয়েছি, তাই বেহুশ পাগলের মত কথা বলছেন। আমি বলেছি জিজিয়ার গোত্রীয় সামাজিক বাস্তবতা এই যুগে নেই। সৌদিতে তাই হচ্ছে না। আপনার জিজিয়া না বুঝার মুর্খামি দেখাতে। ইসলামী রাষ্ট্রে জিজিয়া introduction এর জন্য কোন কথা এখানে আলোচনাই করিনি। চরম মূর্খ না হলে বুঝতে পারতেন। আমি বলেছি, ৪ বিয়ে ইসলামে কোন অনুজ্ঞা নয়, বরং অনুমোদন। আপনি ফাতরা idiot, এই দুইয়ের পার্থক্য বুঝতে পারেন নি। 'ক্রীতদাসীর’ ব্যাপারে আমি কোন কথাই বলি –আপনি মিথ্যুক এবং অপদার্থ ইতর। আমি কোন যুদ্ধ বন্দিনীর সাথে ধর্ষণ জায়েজ করতে আবুগুরাইবের কথা বলি এবং ইউরোপে বউ পিটালে তা ইসলামে জায়েজ হয়ে যায় এমন কোন কথাও বলি নি। আপনি চরম মূর্খ লোক, থাপ্পড় খেয়ে হুস-বুদ্ধি চলে গিয়েছে। এক-গ্লাস পানি খেয়ে শান্ত হয়ে আবার পড়ুন।
          শূন্য মস্তিষ্ক নিয়ে ইসলামের সুমহান আদর্শ ও প্রথাকে 'আউট ডেটেড’ দেখাতে গিয়ে যেভাবে চড়-থাপ্পড় খাচ্ছেন, সেটাই হচ্ছে মূর্খের ‘মাইনকা-চিপা’, ফাতরা-মুখে জুতা-পেটা।

          আমাদের সভ্যতা ও প্রথা নিয়ে আমরা গর্বিত, মূর্খদের গালে থাপ্পড় দিয়ে নিজের অবস্থান দেখাতে পারছি। আপনার গালের থাপ্পড় স্পর্শ করে সেটা বুঝে নিতে পারেন অথবা পড়াশুনা করে আবার দাঁড়াতে পারেন কিনা সেটা বিবেচনা করতে পারেন। But for now drink some water.     

          @  রাকীব আল হাসান
          রাকীব ভাই, এটা অত্যন্ত জরুরি যে এই ‘Momtaz Begum’ নামধারী ফাতরা নিকটিকে লাথি দিয়ে সরিয়ে দেয়া, কেননা সে আলোচনার যোগ্য লোক নয়। আমি যা দেখতে পাচ্ছি তা হল এর অসংখ্য নিক রয়েছে এবং তাকে বিডি-মনিটরে ব্লগাররা ব্লক করে রাখতে হয়। এই ফাতরাদের উপস্থিতিতে ব্লগের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়। মূর্খ ইতরদের গালে থাপ্পড় দেয়াতে আমাদের মর্যাদাও ক্ষুণ্ণ হয়। তাই এই জাহিলদেরকে সরিয়ে রাখা ভাল।  মন্তব্য ডিলিট করার ফেসিলিটি রয়েছে।

        4. 3.1.2.4
          আব্দুল আওয়াল সুমন

          @
          রাসূল (সা) বলেছেন, “আল্লাহর উপর যেরূপ তাওয়াক্কুল করা উচিত তোমরা যদি তদ্রূপ তাওয়াক্কুল কর আল্লাহ তোমাদেরকে পাখির মত জীবিকা দান করবেন। পাখিরা সকালে ক্ষুধার্ত অবস্থায় গৃহ ত্যাগ করে, সন্ধ্যাবেলায় উদর পূর্ণ করে নিজ গৃহে প্রত্যাবর্তন করে।”

          পাখিদের কোন কাজকর্ম করতে হয় না। মানুষ পরিশ্রম করে ফসল ফলায়, পাখিরা তা ভোগ করে।

          অমুসলিমরা পরিশ্রম করে মাথা খাটিয়ে আবিস্কার করছে আর মুসলিমরা তার সুফল ভোগ করছে। এটাইতো মুসলিমদের প্রতি আল্লাহর ওয়াদার বাস্তবায়ন।

          আল্লাহ বলেন, “তাদের জন্য একটি নিদর্শন মৃত পৃথিবী। আমি একে সঞ্জীবিত করি এবং তা থেকে উৎপন্ন করি শস্য, তারা তা থেকে ভক্ষণ করে। আমি তা থেকে সৃষ্টি করি খেজুর ও আঙ্গুরের বাগান এবং প্রবাহিত করি তাতে নির্ঝরিণী। যাতে তারা তার ফল খায়। তাদের হাত এগুলো সৃষ্টি করেনা। অতঃপর তারা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেনা কেন? ” (ইয়াসীনঃ ৩৩-৩৫)

          আল্লাহর তৈরী করা খাবার খেয়ে আল্লাহকে অস্বীকার! তোমরা পশুরও অধম। বিজ্ঞানীদের বলে দাও তারা তোমাদেরকে খাদ্য সামগ্রী তৈরী করে দিক যাতে নির্লজ্জের মত আল্লাহর তৈরী করা খাবার খেতে না হয়।

        5. 3.1.2.5
          মাহফুজ

          @ Momtaz Begum
          আশাকরি সকল মুসলিমকে এ কাতারে ফেলে বিচার করবেন না। আর মুসলিম নামধারী হলেই সবক্ষেত্রে তার কথা ও কর্ম দিয়ে ইসলামকে চেনার চেষ্টা করবেন না।

          মনে রাখবেন! ইসলামের নামে যা কিছু হয়েছে ও হচ্ছে তা যদি মৌল গ্রন্থ আল-কোরআনের দিকনির্দেশনার সাথে সাংঘর্ষিক হয়, তাহলে তা কিন্তু প্রকৃত ইসলাম নয়। পবিত্র কোরআন সম্পর্কে সঠিক ধারণা নেয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণে মুসলিমদের মধ্যে অনেকেই বিভ্রান্তির মধ্যে আছেন। অনেকে কোনটা সঠিক তা জানার চেষ্টা না করেই অযথা বিতর্কে লিপ্ত হচ্ছেন, আবার অনেকে ভুল বুঝে ও ইসলামকে আউট ডেটেড ভেবে দূরে সরে যাচ্ছেন।

          আপাতত আপনার উল্লেখিত-  'ইসলামের বহুবিয়ে', 'ইসলামের জিজিয়া কর', 'ক্রীতদাসীর সাথে বিয়ে বহিঃভুত যৌনতা', 'যুদ্ধ বন্ধি নারী গনিমত ধর্ষন/বিলিবন্টন', 'ইসলামে বউ পিটানো' বিষয় সম্পর্কে কিছু তুলে ধরার জন্য আপনাকে নিচের লিংকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আশাকরি ধৈর্য না হারিয়ে মনোযোগী হবেন। নিশ্চয় আল্লাহতায়ালা আমাদের সবাইকে সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করবেন- 

          1) Islami dowah & Al-Quran / ইসলামের দাওয়াত এবং আল-কোরআন

          2) War, Treaty & Zizia / 'কিতাল বা যুদ্ধ', 'সন্ধি' এবং 'জিজিয়া'

          3) Wedding upto four / চারটি পর্যন্ত বিয়ে

          4) Divorce thrice & Hilla / তিন তালাক ও হিল্লা

           

           

        6. Momtaz Begum

          @ জনাব মাহফুজ, 

          ধন্যবাদ আপনাকে। 

          নাহ ভাই, সহমত আপনার সাথে।  সব মুসলিমকে এ কাতারে ফেলে বিচার করা ঠিক না। আমি তা করি না।  কেননা মুসলিমের ঘরে জন্ম নেয়া অনেকেই নিজের বিবেক, বুদ্ধি এবং বিজ্ঞানমনস্কতা ধর্মের কাছে বিকিয়ে দেয় না।  

          কিন্তু পরস্পর খুন খারাপিতে লিপ্ত দাঙ্গা বিক্ষুব্ধ মুসলিমদের মাঝে কে আসল? কে নকল? সে সার্টিফিকেট কে দিবে?  কোনটি আল কোরাণের সাথে সাংঘর্ষিক, আর কোনটি নয় সেই ইন্টারপ্রিটেশনই বা কে বাতলে দিবে?  আল কায়দা, আল শাহাব, আইএস(ইসলামী খলিফা রাষ্ট্র), তালেবান, তেহেরকি তালেবান(টিটিপি), বোকোহারাম,  ইসলামী ব্রাদারহুড,  জামায়াতী, নেজামী, হেফাজতী, চর মোনাই, হুজি, হিজবুত, আনসারউল্লা এবং সর্বপরি আপনার দেয়া লিংক 'Everlasting heavenly light' এরা সবাই কোরণ-হাদীসের পাতা উচিয়ে ইসলামের কথা বলে।  উদাহরণ সরুপ- বাংলাদেশে ইসলামী আলেম-ওলেমা দের সবচেয়ে বড় সংগঠন হেফাজতে ইসলাম কোরাণ, হাদীসের পাতা উল্টিয়েই ঘোষণা দিয়েছে ইসলামে গনতন্ত্র হারাম, নারী নেতৃত্ব  হারাম।  এখন আপনি যদি সামনে এসে বলেন-  'না ভাই, ইসলামে গনতন্ত্র, নারী নেতৃত্ব হারান নয়' তাহলে ওরা  কিন্তু আপনাকেও নাস্তিক/কাদিয়ানীদের মত কতল করতে চাইবে।  তো!!!!!  ইসলামের কবল থেকে বাঁচার উপায় কি?   আসল ঘাপলা কোথায়, খোদ ইসলাম ধর্মে নাকি অন্য কোথাও, তা খুঁজে বের করতেই হবে।   

          @ জনাব মাহফুজ-  সরষের ভিতর ভুত লুকিয়ে ইসলামী ঘাপলা দুর করা যাবে না। তাই তো,  আপনার দেয়া লিংকে(War, Treaty & Zizia / 'কিতাল বা যুদ্ধ', 'সন্ধি' এবং 'জিজিয়া)  বিশাল ইসলামী লুকুচুরি//ভেল্কিবাজি খুজে পেতে আমার একটুকুও সমস্যা হয় নি।  আপনার হয়েছে??

          লিংকের নিচের ব্রাকেট বন্ধি অংশটুকু দেখা যেতে পারে : 

          (০৯:২৯- অর্থ- তোমরা যুদ্ধ কর ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে না এবং নিষিদ্ধ করে না- যা নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন আল্লাহ ও তাঁর রসূল এবং তাদের সত্যধর্ম স্বীকার করে না যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা স্বেচ্ছায় ‘জিযিয়া’ প্রদান করে এবং তারা দমিত হয়।
           'জিজিয়ার' কথা শুনলে অনেকে না বুঝেই নেতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করতে শুরু করেন। অনেকে প্রশ্ন করেন- যুদ্ধ না থাকলে অর্থাৎ শান্তি প্রতিষ্ঠা হবার পরও অন্য ধর্মালম্বীদেরকে কেন 'জিজিয়া' দিতে হবে? প্রথমত তাদের বোঝা উচিত যে, জিজিয়ার বিষয়টি শুধুমাত্র যুদ্ধের সাথেই সম্পর্কীত নয়। প্রতিটি শান্তিপূর্ণ স্বাধীন দেশে বসবাসরত জনগণকে কর দিতে হয়। কারণ কর না দিলে যে কোন সরকারের পক্ষেই দেশ চালান কঠিন হয়ে পড়বে। এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাসরত সামর্থবান মুসলিমদের জন্য ধর্মীয় বিধান অনুসারে যাকাত ও ফিতরা দেয়া ফরজ অর্থাৎ অবশ্য পালনীয়। এ ছাড়াও সাদকা ও দান করতে হয় এবং জিহাদের ডাক এলে প্রতিটি মুসলমানের জন্যে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। প্রয়োজন হলে রাষ্ট্রের নেতা অর্থাৎ খলিফা মুসলমানদের উপর আলাদাভাবে করও আরোপ করতে পারেন। অপরদিকে ইসলামী রাষ্ট্রে বসবাসরত ইসলাম ধর্মে অবিশ্বাসী অর্থাৎ অন্য কোন ধর্মের মানুষদের জন্য  কিন্তু 'জিজিয়া' ব্যতীত যাকাত, ফিতরা আদায় করা বা জিহাদে অংশ নেয়া বাধ্যতামূলক নয়। বরং এই ’জিজিয়া’ বা করের বিনিময়ে একদিকে যেমন তারা ইসলামী রাষ্ট্রের কাছে নিরাপত্তা পাবেন এবং তাদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনে যুদ্ধ করারও নির্দেশ আছে। অপরদিকে তেমনি তারা জিহাদে অংশগ্রহণ করা থেকে রেহাই পাবেন। তবে পরাজিত হয়ে বন্দি হবার পরও যদি অবিশ্বাসীরা কোন প্রস্তাবে রাজি না হয়ে ঔদ্ধত্য প্রদর্শন ও বিরোধিতায় লিপ্ত হলে, একে অপরের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারণ করাই তো একমাত্র পথ। আর স্বাভাবিকভাবেই এরূপ চরম পরিস্থিতিতে পুনরায় বন্দি হওয়া বা বন্দি করার জন্য নয়, বরং একদল আরেক দলকে হত্যা করার জন্যই তো যুদ্ধ করবে। ফলশ্রুতিতে যে দল জয়ী হবে তাদের শাসনই প্রতিষ্ঠিত হবে।)
           

          এখন আমাদের বিশ্লেষন- 
          অতি হাস্যকর হাত সাফাই।  ইসলাম ধর্মের চালাক গরু পন্ডিতদের মাথা যে এতটা মোটা তা আগে জানা ছিল না।  শাক দিয়ে মাছ ঢাকার প্রানপন চেষ্টা!!   

          মূলত সূরা তাইবাহ'র ২৯ আয়াতটি আল কোরাণের অতি অমানবিক আয়াত, যা একটি দেশের সংখ্যালঘু অমুসলিমদের জন্য অত্যন্ত ভিতিকর, সন্ত্রাসী এবং ডিসক্রিমিনেটরি।  অথচ আল কোরাণের এই হিংস্র আয়াতটির  অনুবাদে প্রথমেই ছল/চাতুরির আশ্রয় নেয়া হয়েছে- (অর্থ- তোমরা যুদ্ধ কর ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস রাখে না এবং নিষিদ্ধ করে না- যা নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন আল্লাহ ও তাঁর রসূল এবং তাদের সত্যধর্ম স্বীকার করে না যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত না তারা স্বেচ্ছায় ‘জিযিয়া’ প্রদান করে এবং তারা দমিত হয়।)  

          এখানে 'স্বেচ্ছায়' কথাটি যুক্ত করে একটি হিংস্র নেকড়েকে নিরীহ ভেঁড়ার চামড়ার ছদ্দ আবরণে ঢেকে দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।  এই আয়াতটির মুল অনুবাদ আসলে নিম্নরুপ, দেখুন- 

          Muhsin Khan
          Fight against those who (1) believe not in Allah, (2) nor in the Last Day, (3) nor forbid that which has been forbidden by Allah and His Messenger (4) and those who acknowledge not the religion of truth (i.e. Islam) among the people of the Scripture (Jews and Christians), until they pay the Jizyah with willing submission, and feel themselves subdued.
          Pickthall
          Fight against such of those who have been given the Scripture as believe not in Allah nor the Last Day, and forbid not that which Allah hath forbidden by His messenger, and follow not the Religion of Truth, until they pay the tribute readily, being brought low.
          Yusuf Ali
          Fight those who believe not in Allah nor the Last Day, nor hold that forbidden which hath been forbidden by Allah and His Messenger, nor acknowledge the religion of Truth, (even if they are) of the People of the Book, until they pay the Jizya with willing submission, and feel themselves subdued.
          Shakir
          Fight those who do not believe in Allah, nor in the latter day, nor do they prohibit what Allah and His Messenger have prohibited, nor follow the religion of truth, out of those who have been given the Book, until they pay the tax in acknowledgment of superiority and they are in a state of subdued..
          Dr. Ghali
          Fight the ones who do not believe in Allah nor in the Last Day, and do not prohibit whatever Allah and His Messenger have prohibited, and do not practice (Literally: to have as a religion) the religion of Truth-from among the ones to whom the Book was brought-until they give the tax out of hand (i.e., by a ready money payment, or in token of submission) and have been belittled..  

          সূপ্রিয় পাঠক, খেয়াল করুন অমুসলিমদের প্রতি আল-কোরাণের ভাষা-  submission, acknowledgement of superiority, being brought low,  feel themselves subdued।  যার শুদ্ধবাংলা- " করজোড়ে"।  

          তাহলে, @ মাহফুজ ভাই, আপনিই বলুন- আজকের আইসিস, আলকায়দা, আল শাহাব, বোকোহারাম এরা তো অবিকল আল কোরাণের ভাষাতেই কথা বলে। ওরা বল্লে দোষ!! অথচ আল কোরাণ বল্লে সহিহ??  এটা কেমন কথা। 

          একটি রাষ্ট্রে যদি অমুসলিমদের আলাদা ট্যাক্স দিতেই হয় তো ঐ দেশের রাজস্ব বিভাগ থেকে একটি নিরীহ আইন পাশ করে দিলেই হয়। দেশের নাগরিকা স-সম্মনে যারযার অবস্থান থেকে রাষ্ট্রকে প্রাপ্য ট্যাক্স প্রদান করবে।  কেউ না দিলে দেশের প্রচলিত কর-আইনের আয়তায় বিচার হবে। এর জন্য  যুদ্ধ/টুদ্ধ করার দরকার কি?   করজোড়ে ট্যাক্স দিতে হবে কেন।  

          ধরে নিলাম আপনাদের কথাই ঠিক!  এখন হাইপোথোটিক্যালি আমরা যদি আগামি কাল দেখি,  ভারত সরকার একটি নতুন আই জারি করে দিল। আইনের ভাষা অবিকল নিম্নরুপ- " তোমরা যুদ্ধ কর ইসলাম ধর্মের ঐ লোকদের সাথে, যারা ভগবান ও মুর্ত্তিপূজায় বিশ্বাস রাখে না, ভগবান ও শ্রীকৃষ্ণ যা নিষিদ্ধ করে দিয়েছেন তা করে না এবং গ্রহণ করে না হিন্দু ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা শিবসেনা কর  প্রদান করে।" 
           

          তাহলে নিঃশ্চয় আপনি এবং ভারতের মুসলিমরা ভারতের  ট্যাক্স বিষয়ক এই নতুন  ফরমানকে স্বাগত জানাবেন, নয় কি??

           

          @ জনাব মাহফুজ, উত্তর দিন, প্লিজ। 

          ধন্যবাদ। 

        7. 3.1.2.6
        8. মাহফুজ

          Momtaz Begum

          বোন! ভারত সরকার ’শিবসেনা ট্যাক্স’ চালু করলে তাতে আমার কোন আপত্তি নেই। আমি মনে করি এর ফলে মুসলিমদের সিম্বিত ফিরে পাবার পথটি সুগম হবে।

        9. মাহফুজ

           

          @ Momtaz Begum
          বোন! ভারত সরকার ’শিবসেনা ট্যাক্স’ চালু করলে তাতে আমার কোন আপত্তি নেই। আমি মনে করি এর ফলে মুসলিমদের সম্বিত ফিরে পাবার পথটি সুগম হবে।

          বর্তমানে ভারতের মুসলিমরা হয় দমিত নয়ত সেখানকার কৃষ্টি ও রীতিকে আত্মস্থ করেই সুখে-দুখে বসবাস করছেন- এই সত্যটি কি আপনি বিশ্বাস করেন না?  কর দেয়ার মাধ্যমে কোন দেশের জনগণ সেই দেশের বর্তমান সরকারের কাছে অনুগত থাকারই প্রমাণ দেন। এতে এত ব্যথিত ও চিন্তিত হওয়ার কি আছে? সুতরাং কর বলেন বা জিজিয়া, যে দেশের যে আইন সেই অনুসারেই তো আনুগত্য প্রদর্শন করতে হবে। আর না মানলে সংশ্লিষ্ট আইন মতেই শাস্তি পেতে হবে। তাইনা?

  18. 2
    মু,জুবায়ের আহসান

    আপনার প্রথম দু, তিনটা লাইন বোধয়, মওদুদী সাহেবের লেখা কোরানের চারটি মৌলিক পরিভাষা থেকে নেওয়া। প্রথমেই আপনি বললেন ইসলামের সঠিক ব্যাখ্যা নানা ধরনের মতবাদ চর্চার কারণে বিকৃত হয়েগিয়েছিল। পরে মওদুদী সাহেব, বান্না সাহেব, কারজাভী সাহেব বা কুতুব শহীদ সাহেব এর সঠিক ব্যাখা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। আপনার এই টাইপ ব্যাখ্যার কারণে আমাকে “নাউজুবিল্লাহ ” বলতে হচ্ছে। এবং এটা ও ভালকরে বুঝতে পারছি, মুসলমানের ১৪০০বছরের সংগ্রামী ইতিহাস, ইসলামের সঠিক অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরার জন্য যুগে যুগে অব্যাহত সংগ্রাম সম্পর্কে আপনি একেবারেই অজ্ঞ। আচ্ছা যাইহোক ব্যাক্তি আক্রমণে যেতে চাইনা। একটা বই সাজেস্ট করব। সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলি নদভী (র) এর লেখা, “ইসলামের রাজনৈতিক ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ “। বইটা পড়লে কিছু মারাত্মক ভুল সংশোধন হবে বলে আশা করি।

    এছাড়াও বললেন রাসূল (স) সন্ধি যুদ্ধ উভয়টাই কাফেরদের সাথে করেছেন। এখানে রাজনৈতিক দলগুলো কাফেরদের স্পষ্ট না করেই হেকমতি জিহাদ করছেন। এটা ধাপ্পাবাজি
    ভাই কোরানটা একটু জানুন, সমস্যা তো আর নেই, “জাহিদুল কুফফারা ওয়াল মুনাফিকিন ” আয়াতটা ভুলে গেলেন নাকি”। এখান স্বয়ং আল্লাহ শুধু কাফেরদের সাথে নয় মুনাফিকদের সাথেও জিহাদ করতে বলেছেন।

    এছাড়াও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলো সম্বন্ধে যে ধাপ্পাবাজির কথা উল্লেখ করলেন, সেগুলোর সাথে মোটামুটি একমত। তবে এমন রাজনৈতিক দল ও আছে যারা এইসব ধাপ্পাবাজির উর্ধ্বে উঠে রাজনীতি করছেন।আপনি যদি না জেনে থাকেন তবে আপনার অজ্ঞতার দায় হিসাবে আপনি একটা বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে দায়ী করার অধিকার রাখেন না।

  19. 1
    এম_আহমদ

    ভাই, পড়লাম। কিন্তু সব কথা ভালভাবে বুঝতে পারলাম বলে মনে হয় না। দেখা যাচ্ছে আপনি যেন ভোটের রাজনীতির বিপক্ষে, কেননা যেদেশে ৯০ ভাগ মানুষ বৌদ্ধ বা সনাতন ধর্মাবলম্বী সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে তারা কীভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠা কর আহবে? এ পথ ভুল। হো। আপনি 'সারা বিশ্বে' ইসলাম প্রতিষ্ঠা করতেও চান। সুন্দর কথা। তারপর আপনি ‘পলিটিক্যাল ইসলাম’ বলে কিছু লোক/দলের কড়া সমালোচনা করেছেন।  ‘পলিটিক্যাল ইসলাম’ পরিভাষাটি মুসলমানরা সৃষ্টি করেনি, এটা পশ্চিমাদের তৈরি। এটি আরেকটি ‘ক্যাটাগরি’ যাতে করে সাম্প্রদায়িক বিভক্তি ও সংঘর্ঘ আনা যায়। কেউ কীভাবে একদিকে ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থার পক্ষে থাকবেন আর অন্যদিকে ‘নন-পলিটিক্যাল’ ইসলাম নিয়ে তা করবেন –একথা বোধগম্য নয়।

    এবারে নিচের দু/চারটি ধারণা দেখা যাক

    উপরন্তু ব্রিটিশরা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে তাদের নিজেদের তৈরি সিলেবাস ও কারিকুলামের মাধ্যমে তাদেরই তৈরি বিকৃত ও বিপরীতমুখী ইসলাম এ জাতিকে শিক্ষা দিয়েছে শতাধিক বছর ধরে।

    এই কথাটি বুঝতে পারি নি। আপনি কি ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠিত সেক্যুলার শিক্ষা ব্যবস্থার কথা বলছেন?  যদি তা'ই হয়, তাহলে তা ঠিকে আছে এবং জাতির মনমগজ দেদারসে 'ধর্মনিরপেক্ষ' এবং 'ধর্মীহীন' করে যাচ্ছে।

    [ব্রিটিশের] অনুকরণে মুসলিম জনগোষ্ঠীটিও ইসলামের রাষ্ট্রব্যবস্থাকে বাদ দিয়ে নামায, রোযা, হজ্ব ইত্যাদি পালনের মাধ্যমে ইসলামকে অন্যান্য ধর্মের মতোই আরেকটি উপাসনা সর্বস্ব ধর্মে পরিণত করে ফেলেছে। ইসলাম যে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা তা মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে এ জাতিকে প্রায় ভুলিয়েই দেওয়া হয়েছিল। হাসান আল বান্না, সাইয়্যেদ আবুল আলা মওদুদী, আল্লামা কারযাভী প্রমুখ আলেমগণ তাদের লিখনির মাধ্যমে আবার এ কথাটি তুলে ধরলেন এবং ধারণাটিকে পূর্ণতা দেওয়ার চেষ্টা করলেন। এই জন্য বিরাট একটা এলাকায় তাঁরা প্রশংসিত হয়েছিলেন। কিন্তু তাদের অন্তর্ধানের পর তাঁদের ধারণার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা দলগুলি পশ্চিমা প্রভুদের তৈরি প্রতারণামূলক রাজনীতিকেই গ্রহণ করল।

    উল্লেখিত কাযাভী যদি আল্লাহ ইউসূফ কারযাভী হন, তাহলে তিনি তো সম্ভত এখনো জীবিত। মাওদূদী (র) ও হাসানুল বান্না তো ভোটের রাজনীতি করেছেন। কারযাভীও এই ভোটের রাজনিতিতে। তবে মাওদূদী (র) ও হাসানুল বান্না (র) বেঁচে থাকলে দেখতে পেতেন যে রক্তারক্তি বর্জন করতে যে ভোট পদ্ধতি নিরাপদ মনে করেছিলেন, সেই পদ্ধতিতেও অনৈসলামী পক্ষ কখনো ইসলামের পক্ষে গণরায় মেনে নেয় না। মুসলিম নামধারীরাই তা প্রতিহত করে। তবে, এটা ভিন্ন আলোচনা। তবে উল্লেখিত চিন্তাবিদ ও তাদের দলের কর্মপদ্ধতি স্পষ্টভাবে আলোচিত হয়ে আসেনি যেখানে তাদের চিন্তা-দর্শন, তাদের দলীয় কর্মপদ্ধতি এবং বর্তমান বাস্তবতা উপস্থাপনের আলোকে ভুল-শুদ্ধ সূচিত হত। এইসব বিষয় উপযুক্তভাবে আলোচনার দাবী রাখে। এটা সত্য যে সবাইকে বিষোদগার করা যায় বটে কিন্তু বাস্তবতার ময়দান ব্যাখ্যা করা এবং সঠিক কর্ম পদ্ধিত ধাপে ধাপে ব্যাখ্যায় নিয়ে এবং বাস্তবে রূপ দেয়া সহজ বিষয় হয় না।   

    মনে করুন বাঙলাদেশ। আপনি কীভাবে নেতা নির্বাচন করবেন? ইজমালি কথা না বলে দেশে যে বিচ্ছিন্ন দল ও মতপার্থক্যতার বাস্তবতা বিরাজ করছে –সেই প্রেক্ষিতে, কীভাবে, কোন কর্মকৌশলে সবাইকে নিয়ে সেই কাজ করবেন? কোন একক বুজুর্গ বা তার দলে সবাই ঢুকে পড়ার নামই কি হবে কর্ম-কৌশল? তিনি এবং তার দলকে ‘সঠিক’ হিসেবে গ্রহণ করাতেই কি সকল সমস্যার সমাধান? বর্তমান বাস্তবতা কি এমন যে সারা দেশের লোক কিছু লোকের হাতে ‘ক্ষমতা’ দিয়ে দিলেই কি তা ইসলামী দেশ হয়ে যাবে? ব্যাপারটা কী এতই মামুলী?  

    তারপর বাংলাদেশে কি সত্যিই ৯০% মুসলমান? যারা ‘ব্রিটিশের মাদ্রাসার’ ফলে বিকৃত হয়েছে, যারা ‘দীনের বহির্মুখী চরিত্র পাল্টে গিয়ে অন্তর্মুখী হয়ে গেছে’, যারা ‘ধর্মকে ব্যক্তিজীবনে নির্বাসিত করে জাতীয় জীবনের কাঠামোগুলোতে নিজেদের রচিত ব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুদভিত্তিক পুঁজিবাদ অনুসরণ করছে’, যারা ‘জগাখিচুড়ি মতবাদ যা কার্যক্ষেত্রে হাজারো ফেতনার সূত্রপাত করল’, তারপর যারা মদ্যপ, যারা নারী ব্যবসায়ী, যারা ‘ইউরোপীয় ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী’, তারপর যারা মুসলিম নামধারী নাস্তিক, সাংস্কৃতিক মুসলিম, -এই নানান শ্রেণী নিয়ে গঠিত বিরাট গণগোষ্ঠীর মধ্যে “আপনার” মুসলমান সংখ্যা কত? তারা কী সত্যি ৯০%? যদি না হয় তবে হিসেবে গণ্ডগোল রেখে কি সঠিক এনালিসিস হতে পারে?

    আপনি বলেছেন ‘ভোট যুদ্ধও কি কাফেরের বিরুদ্ধে হবে না?’ এক্ষেত্রে আমার প্রশ্ন হবে এই যে আপনার ৯০% শতাংশ যদি মুসলিম হয় তবে কাফের কারা? আর সেই যুদ্ধ করবেন কীভাবে? কোন নীতি অবলম্বন করবেন? কোন প্রতিপক্ষকে ইসলামী দল কীভাবে কাফের বলবে? পারস্পারিক কুফুরি ঘোষণা দেয়াতে কি সত্যিই ইসলামী খিলাফত প্রতিষ্ঠা ‘ইঞ্চি-খানেক’ অগ্রসর হতে পারবে?  আমার মনে হয় কেউই রক্তারক্তি চায় না তবে কীভাবে রক্তহীন খিলাফত প্রতিষ্ঠিত হবে সেই পন্থাটি কী? যারা আজকে ক্ষমতা দখল করে আছে, তারা, মুসলমান হোক অথবা অমুসলমান,  তারা কি হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবে আর আপনারা খিলাফত প্রতিষ্ঠা করে ফেলবেন? ঘটনাটা আরেকটু স্পষ্ট করুন।

    ইসলাম এসেছে গোটা বিশ্বের জন্য, তাই যারা ইসলামী রাজনীতি করেন তাদেরও সমগ্র বিশ্বে ইসলাম প্রতিষ্ঠার উপযোগী প্রক্রিয়াই গ্রহণ করতে হবে, অন্যথায় তাকে যুগোপযোগী বলা যাবে না।

    এই কাজটি কীভাবে করবেন? নিজ “৯০%” মুসলমানদের দেশে যখন ব্যর্থ হচ্ছেন, তখন সারা বিশ্বে কীভাবে? রাসূল কী প্রথমে সারা বিশ্বকে টার্গেট করেছিলেন?

    বাস্তবতা হলো, সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সরকার গঠন করার স্বপ্ন হঠাৎ সেখানেই পূরণ হতে পারে যে দেশে মুসলমান বেশি। যেমন বাংলাদেশে ৯০% মুসলমান। কিন্তু যে দেশে ৯০ ভাগ মানুষ বৌদ্ধ বা সনাতন ধর্মাবলম্বী সেখানে নির্বাচনের মাধ্যমে তারা কীভাবে ইসলাম প্রতিষ্ঠা করবেন? সুতরাং এ পথ ভুল। …

    ইন্দোনেশিয়া থেকে আটলান্টিকের তীর পর্যন্ত বি¯তৃত ভূখণ্ডে ১৬০ কোটির যে মুসলিম নামক জাতিটি নিঃসাড় মরা লাশের মতো পড়ে আছে আর মার খাচ্ছে, তাদের মধ্যেও লক্ষ লক্ষ যুবক ছিল যাদের হৃদয়ে ইসলাম প্রতিষ্ঠার যে স্বপ্ন ও চেতনা ছিল, সেই স্বপ্নকে ভুল পথে পরিচালিত করেছে এই পলিটিক্যাল ইসলামিক দলগুলো।

    সেখানে কীভাবে কী করবেন? আপনার সেক্যুলার শিক্ষা-ব্যবস্থা, সেক্যুলার সরকার, সেক্যুলার মিডিয়া, ইসলাম বিদ্বেষ, নাস্তিক্যবাদ ইত্যাদি মধ্যস্থলে তা কী 'নন-পলিটিক্যাল' পদ্ধতিতে হয়ে যাবে? হলে তো ভাল, আমাদেরকে সেটা বলুন।

    তবে নিচের কথাটির সাথে সহমত।

    ইসলাম কখনোই রাষ্ট্র থেকে আলাদা নয়। রাষ্ট্রব্যবস্থায় যদি অন্যায় প্রভুত্ব বিস্তার করে, সেই সমাজে অবিচার, অশান্তি অনিবার্য। ধর্ম ও রাষ্ট্রকে আলাদা করেছে পশ্চিমা বিশ্ব। রাষ্ট্রশক্তিহীন ইসলাম ইসলামই নয়। কিন্তু আজ ইসলামিক রাজনীতির নামে যেটা করা হচ্ছে সেটা ইসলামে নেই। এটা নিজে লাভবান হওয়ার জন্য জনগণকে প্রতারিত করার নিুমানের কৌশল (Trick) ও নিকৃষ্টতম মোনাফেকী (Hypocrisy) মাত্র। এই বিষয়ে খোলা মন নিয়ে যুবসমাজের ভাবনার সময় এসেছে।

    আপনি কি বর্তমানে কোন শুদ্ধ ইসলাম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কারও সাথে কাজ করে যাচ্ছেন? যদি করে থাকেন, তবে তারা কারা এবং তারা কীভাবে কাজ করে যায়? আমার কথাগুলো একজন আগ্রহী লোকের কথা। আপনি এমন বিষয়ে লিখেছেন যে বিষয় নিয়ে আমি বিগত দুই যুগের বেশি কাল ধরে চিন্তা ভাবনা করছি। এসব বিষয়ে যদি কেউ সঠিক সমাধান পেয়ে যায় এবং তা 'ইসলামী'ও হয়ে যায়, তবে কতনা খুশি হব। ধন্যবাদ।

    1. 1.1
      রাকীব আল হাসান

      জনাব এম_আহমদ ভাই,
      আপনাকে অনেক ধন্যবাদ আপনার গঠনমূলক সমালোচনার জন্য। আপনার লেখা আমার অত্যন্ত ভালো লাগে (যেগুলি পড়তে পেরেছি) এবং আপনার গঠনমূলক সমালোচনার ব্যাপারেও আমি সন্তুষ্ট। প্রতিটা লেখার মধ্যেই সমালোচনার অনেকগুলি জায়গা থাকে যেমন- লেখার প্রাঞ্জলতা, অর্থব্যক্তি, শব্দ চয়ন, বানান, ভাষার মাধুর্য, ছোট ছোট তথ্যগত ভুল, মূল বিষয়ের সাথে প্রাসঙ্গিকতা, যোক্তিকতা, তথ্যসূত্র ইত্যাদি। প্রতিটা লেখারই সমালোচনা করা সম্ভব। এমনও মানুষ দেখেছি যারা কাজী নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো মহান লেখকদেরও সমালোচনা করেন। আমি অবশ্য ব্যক্তিগতভাবে লেখার সমালোচনা করার চেয়ে লেখা থেকে সত্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করি।

      আমি আমার এই লেখাটি দ্বারা চেষ্টা করেছি একটি সত্য উপস্থাপনের আর সেটা হলো- প্রচলিত রাজনীতি তথা ভোটা-ভুটির এই সিস্টেম (যার স্রষ্টা হলো পশ্চিমারা) ইসলাম প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়া হতে পারে না। আশা করি আমার এই লেখাটি পড়ে সত্য অনুসন্ধানকারী অনেকেই সে সত্য উপলব্ধি করতে পারবেন।

      আমার এই লেখাটি পড়ে অনেকের মনেই একটি প্রশ্ন আসা স্বাভাবিক যে, তাহলে ইসলাম প্রতিষ্ঠার যুগোপযোগী ও সঠিক পদ্ধতি কী। এবিষয়ে আমার বক্তব্য হচ্ছে- ইসলাম কীভাবে প্রতিষ্ঠা করা হবে সেটা জানার পূর্বে এটা জানা দরকার যে, আপনি যে ইসলামটি প্রতিষ্ঠা করতে চান সেটি কি আসলে আল্লাহ ও তাঁর রসুলের দেওয়া প্রকৃত ইসলাম নাকি বিকৃত ইসলামের খোলস মাত্র।

      এটা প্রাকৃতিক সত্য যে, নবী-রসুলগণের অন্তর্ধানের কিছুদিন পর থেকেই সেই দীনের বিকৃতি শুরু হয়ে যায় এবং এক সময় সেটা পূর্ণ বিকৃত হয়ে যায়। ফলে আল্লাহ পাক পুনরায় নবী-রসুল পাঠিয়ে ঐ সমাজের মানুষকে মুক্তির পথ দেখান, শান্তির পথ দেখান। একইভাবে আমাদের প্রিয় নবী মোহাম্মাদুর রসুলাল্লাহ (সা.) এর ইন্তেকালের কিছুকাল পর থেকে যে রাজতান্ত্রিক ইসলাম দেখতে পায় তা দিয়ে তো ইসলামের বিকৃতি শুরু। আর গত ১৩ শ' বছরে ইসলাম বিকৃত হতে হতে একেবারে বিপরীতমুখী হয়ে গেছে। এখন পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ইসলামের যে বিভিন্ন ফরমেট দেখতে পাচ্ছেন তা কেবল ইসলামের খোলস, প্রকৃত ইসলাম না। ইসলাম যতদিন থাকবে ততদিন তার ফল হিসাবে সমাজে শান্তিও থাকবে। প্রকৃত ইসলাম প্রতিষ্ঠিত থাকলে এই ১৪০০ বছরের ব্যবধানে সমগ্র মানবজাতি হতো এক জাতি, আর তাদের দীন তথা জীবনব্যবস্থা হতো ইসলাম।

      যাইহোক, ইসলামের এই বিকৃতি ও সত্য ইসলাম কী তা মানবজাতির সামনে তুলে ধরেছেন মাননীয় এমামুযযামান জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী। তিনি একটি আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেছেন যার নাম হেযবুত তওহীদ। আমি হেযবুত তওহীদ আন্দোলনের একজন সদস্য। হেযবুত তওহীদ আল্লাহর মনোনীত আন্দোলন এবং মাননীয় এমামুযযামান আল্লাহর মনোনীত এমাম। হেযবুত তওহীদ দিয়েই সমগ্র পৃথিবীতে আল্লাহর সত্যদীন প্রতিষ্ঠিত হবে। এটা আল্লাহ পবিত্র মোজেজার মাধ্যমে জানিয়ে দিয়েছেন। এখন মুক্তির একমাত্র পথ আল্লাহর মনোনীত, আল্লাহ-পরিচালিত একমাত্র আন্দোলন হেযবুত তওহীদ। আপনার বিশ্বাসের উপর আমার কোনো জোর নেই। কেবল সত্য জানাতে পারি। যদি বিস্তারিত জানতে চান তবে আমার ফেসবুক প্রোফাইলের ও ফেসবুক পেজের লিংক দিয়েছি, এ্যাড করতে পারেন। আর আমাদের ওয়েবসাইটের লিংক দিয়েছি ভিজিট করতে পারেন। ধন্যবাদ।

      https://www.facebook.com/rblee77

      https://www.facebook.com/asun.system.takei.paltai?ref=aymt_homepage_panel

      http://hezbuttawheed.org/

      1. 1.1.1
        Ivan

        লেখাটা পড়ে ভালোই লেগেছিল কিছু প্রশ্নও জেগেছিল, কিন্তু আহমদ ভাই করে ফেলায় আর করলাম না।

        আশা করেছিলাম চমৎকার পোস্টের পরে ভালো একটা কিছু আসবে। যা বের হলো তা ঘোর দুঃস্বপ্নেও চিন্তা করি নাই।

        আপনি যে ত্বরিকার লোক সে ত্বরিকার লোকজন হচ্ছে ব্যক্তি পূজার অনুসারী। আপনাদের ঈমাম সাহেব তো রাসূল (সাঃ)-এর সুন্নাত ঠিক মত পালন করে না তাহলে সে ঈমাম হয় কি করে? (ফ্রেঞ্চকাট দাড়ি)

        আর আপনাদের প্রত্যেকটা কনফারেন্সে দেখলাম ব্যানারে আপনাদের কথিত ঈমামের ছবি।

         

Leave a Reply

Your email address will not be published.