«

»

May ২৫

ফরায়েজ নিয়ে বিভ্রান্তির নিরসন

ফরায়েজ বিদ্যাঃ ইসলামী শাস্ত্র অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি উত্তরাধীকারীদের মাঝে নির্ধারিত অংশ অনুযায়ী ভাগ দেওয়াকে ফরায়েজ বলে।
১৪০০ বছর ধরে ইসলামী শাস্ত্র অনুযায়ী এভাবে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সম্পত্তির বন্টন করা হচ্ছে। এত বছর ধরে মুসলমানরা সম্পত্তির বন্টন করে আসছে, তারা কোনো গাণিতিক ভুল পেল না?

তারা দুইটি আয়াত দিয়ে যুক্তি প্রদান করেছে।তাদের দাবি করা আয়াতসমূহ নিচে উল্লেখ করছিঃ

সূরা আন নিসা:11 – আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ একজন পুরুষের অংশ দুজন নারীর অংশের সমান। অতঃপর যদি শুধু নারীই হয় দু` এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে। যদি পুত্র না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর, যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।

An-Nisaa :11:Allah instructs you concerning your children: for the male, what is equal to the share of two females. But if there are [only] daughters, two or more, for them is two thirds of one’s estate. And if there is only one, for her is half. And for one’s parents, to each one of them is a sixth of his estate if he left children. But if he had no children and the parents [alone] inherit from him, then for his mother is one third. And if he had brothers [or sisters], for his mother is a sixth, after any bequest he [may have] made or debt. Your parents or your children – you know not which of them are nearest to you in benefit. [These shares are] an obligation [imposed] by Allah. Indeed, Allah is ever Knowing and Wise.

উক্ত আয়াতের বন্টনগুলো নিম্নরুপঃ
১.একজন পুরুষ পাবে দুইজন নারীর সমান।
২.শুধু মেয়ে সন্তান দুই এর অধিক হলে তারা পাবে সম্পত্তির ২/৩ অংশ।
৩.মেয়ে একজন হলে সে পাবে সম্পত্তির অর্ধেক।
৪.মৃতের পুত্র থাকলে মা-বাবা প্রত্যেকে পাবে ১/৬ অংশ।
৫.পুত্র না থাকলে মাতা পাবে ১/৩ অংশ।
৬.মৃতের কয়েকজন ভাই থাকলে মা পাবে ১/৬ অংশ।

এবার দ্বিতীয় আয়াতটি দেখিঃ

সূরা আন নিসা:12 – আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়; ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর। স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ, যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর। যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে। আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর, যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে। এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।

An-Nisaa :12: And for you is half of what your wives leave if they have no child. But if they have a child, for you is one fourth of what they leave, after any bequest they [may have] made or debt. And for the wives is one fourth if you leave no child. But if you leave a child, then for them is an eighth of what you leave, after any bequest you [may have] made or debt. And if a man or woman leaves neither ascendants nor descendants but has a brother or a sister, then for each one of them is a sixth. But if they are more than two, they share a third, after any bequest which was made or debt, as long as there is no detriment [caused]. [This is] an ordinance from Allah, and Allah is Knowing and Forbearing.

১.সন্তান না থাকলে স্বামী তার স্ত্রীর সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে।
২.সন্তান থাকলে পাবে ১/৪ অংশ।
৩.সন্তান না স্ত্রী তার স্বামীর সম্পত্তির পাবে ১/৪ অংশ।
৪. সন্তান থাকলে পাবে ১/৮ অংশ।
৫.পিতা,পুত্র,স্ত্রী না থাকলে যদি এক ভাই-এক বোন থাকে,তারা পাবে ১/৬ অংশ।
৬.তারা ততোধিক হলে পাবে ১/৩ অংশ।

উপরের সকল শর্ত থেকে আমরা দেখলাম যে, সম্পত্তির এ বন্টনগুলো একেক শর্তের ক্ষেত্রে একেক রকম। সবগুলো একে অপরটির সাথে সম্পর্কিত নয়। যেমনঃ মেয়ে সন্তান দুয়ের অধিক হলে এবং পিতা-মাতা থাকলে, মেয়ে সন্তানেরা পাবে ২/৩ অংশ এবং মা-বাবা প্রত্যেকে ১/৬ অংশ করে অর্থ্যাৎ (১/৬+১/৬)=১/৩। তাহলে মোট দাড়ায় (২/৩+১/৩)=১ অংশ। এখানেই কিন্তু প্রসঙ্গ শেষ। সম্পত্তির বন্টনের এই নির্দেশ কুরআন যা বলছে সেই অনুসারে দুয়ের অধিক মেয়ে সন্তান ও মা-বাবার ক্ষেত্রেই কেবল এই শর্ত কার্যকর হবে।

কিন্তু সূরা নিসা ১১ আয়াতের ২ ও ৪ শর্ত এবং সূরা নিসার ১২ আয়াতের ৪ নং শর্ত কে এক জায়গায় করলে একটি গাণিতিক গোলযোগ বের হবে বলে মনে হবে। হিসাবটি এরুপ (২/৩+১/৩+১/৮)=২৭/২৪>১ অংশ। এটি গাণিতিক ভুল নয়। কারণ হিসাবটি (২/৩+১/৩)=১ অংশ এখানেই শেষ হয়ে গিয়েছে।

সূরা নিসা ১১ আয়াতের ২ নং শর্তে দুইয়ের অধিক মেয়ে সন্তানের থাকার কথা বলা হচ্ছে। অথচ নিসা ১২ আয়াতে দুইটি শর্তে এক জায়গায় সন্তান থাকার শর্ত আছে, আরেক জায়গায় না থাকার শর্ত দেওয়া হয়েছে। অথচ নিসা ১১ আয়াতে কোথাও সন্তান না থাকার প্রসঙ্গ আসে নি কেবলমাত্র ৫ নং পয়েন্ট ছাড়া, যেখানে বলা হচ্ছে মৃত ব্যক্তির সন্তান না থাকলে মৃত ব্যক্তির মা পাবে ১/৩ অংশ।এখানে স্ত্রীর প্রসঙ্গ নেই। অথচ সূরা নিসার ১২ আয়াত আর ১১ আয়াত এক জায়গা করে গাণিতিক ভুল বের করা হলো।

সুতরাং আমাদের কাছে স্পষ্টত হলো এখানে কোন গাণিতিক ভুল নেই। ১৪০০ বছর ধরে এই পদ্ধিতে সম্পত্তির বন্টন চলে আসছে, কোথায় কেউ তো বলল না, কুরআন অনুযায়ী সম্পত্তির হিসাব করা যাচ্ছে না! এতে গাণিতিক ভুল আছে?
নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।

৫২ comments

Skip to comment form

  1. 30
    Ziaur Rahman.

    আসসালামু আলাইকুম!

    আমার বড় মামা নিঃসন্তান। তাহার তোন সন্তান নেই।তিনি গত কিছুদিন আগে মারা গেছেন। আমার মামা-খালারা মোট ২ ভাই এবং ৪ বোন। তিনি অনেক সম্পদ রেখে মারা গেছেন। ৬ ভাই বোনের মধ্যে আমার আম্মা আমার মামার ১ বছর আগে মারা গেছেন। তাহলে আমরা কি আমার মৃত মামার রেখে যাওয়া সম্পদ এর অংশিদার হব।

    অনুগ্রহ করে জানাবেন।

  2. 29
    Anonymous

    আমার আব্বার এক চাচার কোন পুত্র সন্তান নাই চার কন্যা সন্তান আছে। এক্ষেত্রে চাচার সম্পত্তির ভাগ ভাইয়ের ছেলে কতটুকু পাবে। এছাড়া ভাতিজা যদি চাচার আগে পরে মারা যায় সেক্ষেত্রে বিধান কি বর্তমান দেশীয় আইনে।

  3. 28
    shafayet hossain shohag

    ২০০৫ সালে পিতার আগে কণ‍্যা মারা যায় । কিন্তূ মৃত কণ‍্যা এক ছেলেও এক মেয়ে সন্তান রেখে যায় । 2005 সালে পিতা সাব রেজিষ্টিকৃত অছিয়ত বা উইল ক‍রেন। তার নিট সম্পদ ৩:৬৪ শতক এবং সেখানে তিনি তার ছেলেকে দিয়েছেন ২:৯১ শতক স্তীকে দিয়েছেন ৩০ শতক এবং মৃত মেয়ের ছেলে মেয়েকে দিয়েছেন অথ‍্যাৎ নাতী নাতনীকে দিয়েছেন ৪৩ শতক ।

    এই অছিয়তটা কি আইন সম্মত হয়েছে। এবং করণীয় কি?
    এবং কোন আইনে কে কতটুকু পায় । সে আইনের একটি অনুলিপি আমাকে email করবেন ahmedshohag333@gmail.com

  4. 27
    ডেসটিনি আরা

    আমাদের কোন সন্তান নেই ।আমার স্বামীর কোন আপন ভাই বোন নেই ।আমার স্বামীর মা দ্বিতীয়বার বিয়ে করে এবং সেই ঘরে তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে আছে ।আমার স্বামীর আপন এক চাচা আছে ।সেই চাচার চার ছেলে ও এক মেয়ে আছে ।এখন তার মৃত্যুর পর তার সম্পত্তি কি ভাবে বন্টন হবে ।যদি তার সম্পদ আমার নামে না রেজিস্ট্রি করে ওয়াসিয়ত করে তবে আমি কি তার সম্পত্তি সমস্ত সম্পত্তি পাব।

  5. 26
    খোকন সিকদার

    ফরায়েজ অনুযায়ী একজন মৃত ব্যক্তির 3 ছেলে 6 মেয়ে ও 2 স্ত্রী আছে৤ তবে প্রথম স্ত্রী মৃত ব্যক্তির জীবদ্দশায় মারা যায় এবং প্রথম স্ত্রীর জীবদ্দশায় ঐ ব্যক্তি 2য় স্ত্রীকে বিবাহ করেন৤ 2 স্ত্রীর ঘরেই ছেলেমেয়ে আছে৤ এখন আমার প্রশ্নটি হল স্ত্রীদের সম্পদের অংশ কিভাবে বন্টন করলে সঠিক হবে৤ 

    1. 26.1
      ABUSAIF

      আসসালামু আলাইকুম……..

      ((আমি যতটুকু বুঝি তার ভিত্তিতে একটা সমাধান দিচ্ছি, কোথাও ভুল হলে বলবেন প্লীজ-))

       

      ২য় স্ত্রীর সম্পদ বণ্টনের প্রশ্ন এখনো আসেনি, যেহেতু তিনি জীবিত আছেন!

      (মৃত)প্রথম স্ত্রীর সন্তান ও বাবা-মা-ভাই-বোনদের বিবরণ দেননি! ধরে নিচ্ছি ছেলে ও মেয়ে উভয়ই আছে!

      (মৃত)প্রথম স্ত্রীর সম্পদে স্বামী পাবেন ১/৪ অংশ এবং যদি ঐ মহিলার বাবা-মা উভয়ে বা একজন থাকেন তবে তিনি বা তাঁরা প্রত্যেকে ১/৬ অংশ করে পাবেন, বাকিটা (১/৪+১/৬(+১/৬) বাদে) তাঁর নিজ গর্ভজাত ছেলে-মেয়েদের মাঝে ২ঃ১ অনুপাতে বণ্টিত হবে!  তাঁর সতীনের সন্তানেরা এখান থেকে কিছু পাবেনা!

      যদি ছেলে না থাকে এবং বাবা-মা কেউ না থাকেন তবে স্বামী ও ২কন্যার অংশ বাদে বাকিটা (অবশিষ্টভোগীদের মাঝে) অন্যান্য শর্তের আলোকে বণ্টন করতে হবে!

       

  6. 25
    মুসলিম

    সমস্যা কই???

  7. 24
    মাহফুজ

    নিচের এই অনুবাদ সম্পর্কে আপনার অভিমত কি?
    (৪:১১) আল্লাহ তোমাদেরকে তোমাদের সন্তানদের সম্পর্কে আদেশ করেনঃ একজন পুরুষের অংশ দু'জন নারীর অংশের সমান। অতঃপর যদি শুধু নারীই হয় দু' এর অধিক, তবে তাদের জন্যে ঐ মালের তিন ভাগের দুই ভাগ যা ত্যাগ করে মরে এবং যদি একজনই হয়, তবে তার জন্যে অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার মধ্য থেকে প্রত্যেকের জন্যে ত্যাজ্য সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ, যদি মৃতের পুত্র থাকে। যদি পুত্র? না থাকে এবং পিতা-মাতাই ওয়ারিস হয়, তবে মাতা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। অতঃপর যদি মৃতের কয়েকজন ভাই থাকে, তবে তার মাতা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ ওছিয়্যতের পর, যা করে মরেছে কিংবা ঋণ পরিশোধের পর। তোমাদের পিতা ও পুত্রের মধ্যে কে তোমাদের জন্যে অধিক উপকারী তোমরা জান না। এটা আল্লাহ কতৃক নির্ধারিত অংশ নিশ্চয় আল্লাহ সর্বজ্ঞ, রহস্যবিদ।    

    (৪:১২) আর, তোমাদের হবে অর্ধেক সম্পত্তি, যা ছেড়ে যায় তোমাদের স্ত্রীরা যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি তাদের সন্তান থাকে, তবে তোমাদের হবে এক-চতুর্থাংশ ঐ সম্পত্তির, যা তারা ছেড়ে যায়; ওছিয়্যতের পর, যা তারা করে এবং ঋণ পরিশোধের পর। স্ত্রীদের জন্যে এক-চতুর্থাংশ হবে ঐ সম্পত্তির, যা তোমরা ছেড়ে যাও যদি তোমাদের কোন সন্তান না থাকে। আর যদি তোমাদের সন্তান থাকে, তবে তাদের জন্যে হবে ঐ সম্পত্তির আট ভাগের এক ভাগ, যা তোমরা ছেড়ে যাও ওছিয়্যতের পর, যা তোমরা কর এবং ঋণ পরিশোধের পর। যে পুরুষের, ত্যাজ্য সম্পত্তি, তার যদি পিতা-পুত্র কিংবা স্ত্রী না থাকে এবং এই মৃতের এক ভাই কিংবা এক বোন থাকে, তবে উভয়ের প্রত্যেকে ছয়-ভাগের এক পাবে। আর যদি ততোধিক থাকে, তবে তারা এক তৃতীয়াংশ অংশীদার হবে ওছিয়্যতের পর, যা করা হয় অথবা ঋণের পর এমতাবস্থায় যে, অপরের ক্ষতি না করে। এ বিধান আল্লাহর। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, সহনশীল।     

  8. 23
    মোঃ লিয়াকত আলী খান (খালেদ)

    মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে সম্পদ বন্টন

     মৃতের সম্পত্তির বন্টন কিরূপ হইবে?

    ১) মৃতের পিতা ও মাতা জীবিত
    ২) মৃতের ভাই নাই,  তিন বোন আছে
    ৩) মৃতের 1 ছেলে (নাবাল্লক) ২ মেয়ে (1মেয়ে সাবাল্লক 1মেয়ে নাবাল্লক) আছে
    ৪) মৃতের 1স্ত্রী আছে

     

    1. 23.1
      মাহফুজ

      @মোঃ লিয়াকত আলী খান (খালেদ):
      এক্ষেত্রে আউল পদ্ধতিতে সম্পদ বন্টন করতে হবে-
      যেমন মৃত ব্যক্তি যদি ৫,৯০,০০০০০ টাকা মূল্যের সম্পদ রেখে যান এবং তার যদি কোন ধার দেনা বা ওয়াসিয়াত না থাকে তাহলে-
      পুত্র+ ১ম কন্যা+ ২য় কন্যা+ মাতা+ পিতা+ স্ত্রী = (১+ ১/২+ ১/২+ ১/৬+ ১/৬+ ১/৮) = (২৪+ ১২+ ১২+ ৪+৪ +৩ ÷ ২৪)
      আউল পদ্ধতি অনুসারে লবগুলোর যোগফল বের করতে হবে = ২৪+ ১২+ ১২+ ৪+৪ +৩ = ৫৯
      এবার মোট সম্পদকে ৫৯ দিয়ে ভাগ করতে হবে (৫,৯০,০০০০০ ÷ ৫৯) = ১০,০০০০০ টাকা
      সুতরাং স্ত্রী পাবেন = ১০,০০০০০ x ৩ = ৩০,০০০০০ টাকা
      মাতা পাবেন = ১০,০০০০০ x ৪ = ৪০,০০০০০ টাকা
      পিতা পাবেন = ১০,০০০০০ x ৪ = ৪০,০০০০০ টাকা
      ১ম কন্যা পাবেন = ১০,০০০০০ x ১২ = ১,২০,০০০০০ টাকা
      ২য় কন্যা পাবেন = ১০,০০০০০ x ১২ = ১,২০,০০০০০ টাকা
      ১ পুত্র পাবেন = ১০,০০০০০ x ২৪ = ২,৪০,০০০০০ টাকা
      আপাতত তিন বোন কোন সম্পদ পাবেন না। তবে তাদের পিতা ও মাতার মৃত্যুর পর তারা সেই সাম্পদের অংশ পেতে পারেন।
      নাবালক পুত্র এবং কন্যার অংশ তারা সাবালক না হওয়া সময়টুকু দাদার তত্তাবধানে থাকবে। প্রয়োজনে দাদা তাদের অংশ থেকে তাদের মৌলিক চাহিদা পুরনের জন্য বুঝে শুনে খরচ করতে পারবেন। সাবালক ও উপযুক্ত হলে তাদের সম্পদ তাদের কাছে বুঝিয়ে দিতে হবে।
      আমি আমার জ্ঞান অনুসারে চেষ্টা করালাম। ভুল হলে মহান আল্লাহতায়ালা যেন আমায় ক্ষমা করেন।

    2. 23.2
      মাহফুজ

      এক্ষেত্রে আউল পদ্ধতিতে সম্পদ বন্টন করতে হবে-
      যেমন মৃত ব্যক্তি যদি ৫,৯০,০০০০০ টাকা মূল্যের সম্পদ রেখে যান এবং তার যদি কোন ধার দেনা বা ওয়াসিয়াত না থাকে তাহলে-
      পুত্র+ ১ম কন্যা+ ২য় কন্যা+ মাতা+ পিতা+ স্ত্রী = ১+ ১/২+ ১/২+ ১/৬+ ১/৬+ ১/৮ (হরগুলোর ল.সা.গু = ২৪)
      = ২৪/২৪+ ১২/২৪+ ১২/২৪+ ৪/২৪+ ৪/২৪+ ৩/২৪
      এখানে লবগুলোর সমষ্টি (২৪+ ১২+ ১২+ ৪+৪ +৩ = ৫৯) হর (২৪) অপেক্ষা বড়।
      সুতরাং এক্ষেত্রে হযরত আলী (রাঃ) উদ্ভাবিত আউল পদ্ধতি অনুসারে মোট সম্পদকে লবগুলোর সমষ্টি (৫৯) দিয়ে ভাগ করতে হবে (৫,৯০,০০০০০ ÷ ৫৯) = ১০,০০০০০ টাকা
      সুতরাং স্ত্রী পাবেন = ১০,০০০০০ x ৩ = ৩০,০০০০০ টাকা
      মাতা পাবেন = ১০,০০০০০ x ৪ = ৪০,০০০০০ টাকা
      পিতা পাবেন = ১০,০০০০০ x ৪ = ৪০,০০০০০ টাকা
      ১ম কন্যা পাবেন = ১০,০০০০০ x ১২ = ১,২০,০০০০০ টাকা
      ২য় কন্যা পাবেন = ১০,০০০০০ x ১২ = ১,২০,০০০০০ টাকা
      ১ পুত্র পাবেন = ১০,০০০০০ x ২৪ = ২,৪০,০০০০০ টাকা
      আপাতত তিন বোন কোন সম্পদ পাবেন না। তবে তাদের পিতা ও মাতার মৃত্যুর পর তারা সেই সাম্পদের অংশ পেতে পারেন।
      নাবালক পুত্র এবং কন্যার অংশ তারা সাবালক না হওয়া সময়টুকু দাদার তত্তাবধানে থাকবে। প্রয়োজনে দাদা তাদের এই অংশ থেকে তাদের মৌলিক চাহিদা পুরনের জন্য বুঝে শুনে খরচ করতে পারবেন। সাবালক ও উপযুক্ত হলে তাদের সম্পদ তাদের কাছে বুঝিয়ে দিতে হবে।
      আমি আমার জ্ঞান অনুসারে চেষ্টা করালাম। ভুল হলে মহান আল্লাহতায়ালা যেন আমায় ক্ষমা করেন।

  9. 22
    Monowar Bin Zahid

    @রিজভী

    ভাই বিষয় টা নিয়ে আরো ভাবলাম । আপনার কথা মতে এখানে আয়াত গুলি আলাদা । আমি (ফেবু তে) বলেছিলাম আমি আপাতত একমত । তাই আরো ভাবতে হলো । এখানে যদি ১১ নং আয়াতটার শর্ত গুলি দেখি যে, এখানে মৃতের মা, বাবা, ছেলে ও মেয়ের অংশের কথা বলে হয়েছে ।

    সবাইকে এক সাথে ধরি । যেমন মা, বাবা ও ৩ জন মেয়ে । তাহলে তদের অংশগুলি নিম্মরূপঃ

    মা = ১/৬ বা  ৩/১৮

    বাবা = ১/৬ বা  ৩/১৮

    ৩ মেয়ে একত্রে = ২/৩ বা  ১২/১৮

    তাহলে মোট = (৩/১৮+৩/১৮+১২/১৮) = ১৮/১৮ = ১ অংশ । এখান থেকে দেখা যায় যে আয়াতের শর্তগুলি ১ থেকে বেশি হয় না । তবে কম হয় যেমন মা, বাবা ও ১ জন মেয়ে । তাহলে তাদের অংশ গুলি নিম্নরূপঃ

    মা = ১/৬ বা  ২/১২

    বাবা = ১/৬ বা ২/১২

    ১ জন মেয়ে = ১/২ বা ৬/১২

    তাহলে মোট = (২/১২+২/১২+৬/১২) = ১০/১২ অংশ । এখানে আরো ২/১২ থেকে যায় । মিরাসের নিয়ম হলো যে যদি ভাগের পর কোনো সম্পদ থেকে যায় তাহলে

    (১) 'ফারায়েযে রদ' নীতির দ্বারা এই অংশীদারগণের মাঝে তা আবার ভাগ হবে ।

    (২) যদি অন্য কোনো দূরের অংশীদার থাকে তাহলে সে পাবে ।

    (২) নং থেকে দেখা যায় যে থেকে যাওয়া অংশ অন্য অংশীদার কে দিতে হবে । কিন্তু এখানে আমরা স্ত্রীকে এই অংশীদার ধরতে পাবো না কারণ তাহলে এখানে স্ত্রীকে থেকে যাওয়া সম্পদ দেওয়া হচ্ছে কিন্তু ক্বুরআন বলেছে স্ত্রীকে মোট সম্পদ থেকে দিতে হলে । তাহলে দেখা যায় যে, প্রতিটি আয়াত আলাদা আলাদা শর্তে ব্যবহার হবে । যদি ক্বুরআনে মিরাস নিয়ে সব কথা এক আয়াতে থাকতো তাহলে ১ এর বেশি হওয়াকে ভূল বলা যেতো ।

  10. 21
    fazle hassan siddiqui

    আমি অনেক দিন বিভ্রান্তিতে ছিলাম। আপনার যুক্তিটা ঠিকই আছে। এখানে দুইটি স্বতন্ত্র শর্তযুক্ত আযাত আসছে। দুটিকে একইসাথে সম্পর্কযুক্ত করা হলে তাতে নতুন শর্ত সৃষ্টি হল, যার সমাধান ভিন্ন। এটাই স্বাভাবিক। যে বুঝতে চা্য়, সে বুঝতে পারবে। 

    1. 21.1
      রিজভী আহমেদ খান

      জাযাকাল্লাহ

  11. 20
    Shahriar

    Knowledgeable write..
    Kanaka allay

  12. 19
    Monowar Bin Zahid

    আমার পাসওয়ার্ড হারানোর কারণে এতোক্ষন কমেন্ট করতে পারলাম না । আমরা ইচ্ছা ছিলো আমি সদালাপে 'ফারায়েয' নিয়ে কিছু লিখবো (যদিও আমার যোগ্যতা শূন্য) তাই কয়েক জনের কাছে জানতে চেয়ে ছিলাম যে, ফারায়েয নিয়ে সদালাপে কোনো লেখা রয়েছে কিনা । তারা সুকলে বলেছেন -জানি না । আমি এই ব্যাপারে ভালো কোনো লেখ পাইনি । আসল কথা এটা নিয়ে লিখার মতো সাহস সকলের নেই । তবুও কেউ কেউ লিখেছেন বলে আমি তাদের সাধুবাদ জানাই । তবে তারা লিখতে গিয়ে আরো প্রশ্নের জন্ম দিয়েছেন । 

  13. 18
    সুজন সালেহীন

    ফরায়েয সংক্রান্ত পোস্ট বিধায় আমি ইসলামী ফরায়েযের একটি ব্যাপক তর্কিত বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাচ্ছি। ইসলামী ফরায়েযের মুল বিধান পিতা বা মাতার অবর্তমানে সন্তান-সন্ততি পিতা বা মাতামহের সম্পত্তির উত্তারাধিকারী হবেনা। ততকালীন পাকিস্তান আমলে গৃহীত 1961 সনের একটি অধ্যাদেশ দ্বারা এ বিধানের রদ-বদল করে পিতা বা মাতার (জীবিত থাকলে) প্রাপ্য সম্পত্তির হিস্যা সন্তান-সন্ততি পাবে বলে বিধান করা হয়, যা বর্তমান বাংলাদেশেও বলবত্ আছে। এরূপ পরিবর্তনে এতিম সন্তান-সন্ততির কল্যাণ! এর কথা বলা হয়। ইরাক-সিরিয়া ও অন্যন্য আরব দেশেও এরূপ করা হয়েছে বলা হয়। বর্তমানে এই পরিবর্তিত বিধানের সুযোগের সদ্ব্যবহার করে কিম্বা অজ্ঞতাবশতঃ মরহুম/মরহুমার সন্তান-সন্ততির সাথে তাদের স্ত্রী বা স্বামীও সম্পত্তির হিস্যা নিচ্ছে। যদিও এরূপ অবস্হায় উপরোল্লিখিত কেউই ইসলামী শরীয়তে ঐরূপ মিরাসের হকদার হননা। আবার পরিবর্তিত বিধানেও মরহুম/মরহুমার শুধুমাত্র সন্তান-সন্ততির কথাই উল্লেখ আছে। তাদের স্ত্রী বা স্বামী নয়। কিন্তু দেশে হুজুগ এত প্রবল আসল-নকল পরখ করার ফুরসত কারোই নেই। যাহোক ঐ ইসলামী ফরায়েযের মুল বিধানের অকাট্য ভিত্তি ও যৌক্তিতা কি?

     

  14. 17
    সাদাত

    এই বিশ্লেষণ বা ব্যাখ্যায় আমিই সন্তুষ্ট হতে পারলাম না, নাস্তিকরা কতদূর হবে কে জানে?

    1. 17.1
      Monowar Bin Zahid

      @সাদাত ভাই

      আসলে রিজভী ভাই এতো ব্যাপক আকারে লিখেন নি । পুরো বিষয়টি দু'টি পর্বে লিখে শেষ হবে কিনা সন্দেহ আছে । 

      1. 17.1.1
        রিজভী আহমেদ খান

        ফরায়েজ সম্পর্কে একজন প্রথম শ্রেণীর ছাত্র হিসেবে এর থেকে বেশি তথ্য প্রদান আমার জন্য কষ্টকর। ফরায়েজ কষা খুব একটা সহজ কাজ নয়। তবে আমি বলতে চাচ্ছি যে, কুরআন যে শর্ত গুলো দিয়েছে সেগুলো স্বতন্ত্র। যে শর্তগুলো এক জায়গায় আছে তার প্রতিটি ক্ষেত্রে ১ অংশের হিসাবে শর্ত দেওয়া হয়েছে। যেমন দুইয়ের অধিক মেয়ে ও মা-বাবা থাকলে হিসাবটি ২/৩+১/৩= ১ অংশের হিসাবে হবে। কিন্তু যখন শর্তের হিসাবের বাইরে গিয়ে আপনি ওয়ারিস আনবেন তখন তা ঐ ১+? সাথে যোগ হবে। ফলে তা মোট ১ অংশকে অবশ্যই অতিক্রম করবে। কুরআন কিন্তু ঐ নতুন ওয়ারিসকে দিয়ে হিসাব টানে নিই। অর্থ্যাৎ নতুন ওয়ারিস আনা কুরআনের শর্ত বহির্ভূত

  15. 16
    Rafid hasan

    @Milon

    আপনার কথাগুলো কি প্রসঙ্গের বাইরে চলে যাচ্ছে না?

  16. 15
    milonmela.com

    নির্ভীক আস্তিক@ আমার মন্তব্যকে খুব সুন্দর ভাবে চুল চেঁড়া বিশ্লেষন করে বুৃঝিয়েছেন। অনেক ভালো লাগলো, কিছু শিখতে পারলাম বলে। আপনি আপনার লেখায় আস্তিক আর নাস্তিক শব্দদ্বয় ব্যবহার করেছেন। যদি আস্তিক ও নাস্তিক বলতে কি বুঝায়, এটা জানাতেন তবে উপকৃত হতাম।

  17. 14
    রিজভী আহমেদ খান

    @ফাতমী ভাই

    আমি এডিট করেছে। যদিও আমি আক্রমণাত্বক ভাবে লিখি না। তবে এটা হয়তো কিছু ব্যঙ্গ তামাশা হয়ে গেছে।জ্বি আমি সামনের দিকে খেয়াল রাখব।

  18. 13
    ফাতমী

    উপরের কোরানের আয়াত বুঝোতে হলে এই হাদিসটিও জানা থাকতে হবেঃ

    The Prophet said: "Give the prescribed share of inheritance to those who are due it and the remainder [of it] is for the nearest male relative." [Al-Bukhaari and Muslim] অর্থ্যাত, রাসূল সাঃ বলেছেন, দিয়ে দাও উত্তারাধিকারের অংশ যে যতটুকু পাবে বলা আছে ততটুকু এবং বাকি অংশ নিকটবর্তি পুরুষ আত্মীয়র জন্য।

    এখন, যে যত খুশি যোগ/বিয়োগ/গুন(পুরোন)/ভাগ করে যতই ভুল বের করতে চান, উক্ত হাদিস সেটাকে বেলেন্স করে দিবে। সবাই ভাল থাকুন।

  19. 12
    রিজভী আহমেদ খান

    জাযাকাল্লাহ ফাতমী ভাই, এম_আহমদ ভাই। @নির্ভীক নাস্তিক, শিরোনাম পরিবর্তন করে কি রাখব আপনিই বলুন।

    1. 12.1
      ফাতমী

      রিজভী ভাই,

      আপনার লেখাগুলি কেন জানি আক্রমনাত্বক। আরেকটু সংযত ভাষায় লিখলে বোধ হয় ভাল হত। কারণ আপনি যদি সত্য কথা বলেন, তাহলে প্রতিপক্ষকে নিয়ে হাসি তামাশা করার মত কটু বাক্যের দিকে না যাওয়াই ভাল। সত্য বাক্যের একটা সম্মান ও হক আছে। কেউ যদি আক্রমনাত্বক লিখে, তার জবাবে যদি কোন আক্রমনাত্বক লিখা লিখেন, তখন সেটা ঠিক আছে।

      প্রতিটি মন্তব্যের পাশেই একটা রিপ্লাই বাটন আছে। ঐটাতে ক্লিক করে রিপ্লাই দিলে, সরাসরি মন্তব্যের নিচে প্রকাশিত হবে। তাহলে, পাঠকদের অনুস্বরণ করতে সহজ হবে। ভাল থাকুন।
       

      1. 12.1.1
        রিজভী আহমেদ খান

        জাযাকাল্লাহ

  20. 11
    এম_আহমদ

    উপরের সকল শর্ত থেকে আমরা দেখলাম যে, সম্পত্তির এ বন্টনগুলো একেক শর্তের ক্ষেত্রে একেক রকম। সবগুলো একে অপরটির সাথে সম্পর্কিতত নয়। …

    এখানে একেক অবস্থায় একেকভাবে বণ্টন দেখা যাবে। এখানে এই লিঙ্কে সেই বিস্তৃতি লক্ষ্য করা যাবে। ইসলামী আইনে ফারাইদ (فرائض) হচ্ছে একটি ব্যাপক অঙ্গন। বলা হয় এটি ইসলামী জ্ঞানের অর্ধেক। এটি বিশেষজ্ঞ বিষয়। আলোচ্য প্রসঙ্গে 4:11/4:11 আয়াত ফারায়িদের ব্যাখ্যা সংক্রান্ত বিষয় নয় বরং এতে সম্পদে মেয়েদের এবং স্ত্রীর অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয় এসেছে। এখানে আরবের প্রচলিত আইনে পরিবর্তন আনা হয়েছে। অংক কষার নিয়ম আগেই ছিল এবং সেই নিয়মেই পরিবর্তনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। হিসাবে, মূল অধিকারীদের ক্যাটাগরি বা ক্ষেত্র স্থির করা,  অর্থাৎ অংশের সমষ্টিকে নির্ধারণ করা, এই নীতির ভিত্তিতে যে, সমষ্টি যদি ১ এর ঊর্ধ্বে ওঠে, তবে অংশগুলোকে আনুপাতিকভাবে কমিয়ে ১ করা হবে এবং বিতরণ করা হবে। এই সিস্টেম এখনো কাজ করে। উপরে দেয়া লিঙ্কে সেই নিয়মই কাজ করছে।

    আইন পড়াশুনা না করে, চায়ের দোকানে বসে, আইনের উপর ঝগড়া করা যেমন হাস্যকর তেমনি ফারায়িদ বিষয়ে না জেনে তর্ক-বিতর্ক করাও একই পর্যায়ের। হাজার বছর ধরে ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থায় আমলাগণ এই অঙ্গনে চাকুরী করেছেন, বিশেষজ্ঞ আইনবিদরা কাজ করেছেন, এরা ম্যাথমেটিশানও ছিলেন। এমন ধরণের একটি বিষয়কে কিছু অত্যুৎসাহী নাস্তিক খৃষ্টিয়ানদের কাছ থেকে গিলে যখন রাস্তাঘাটে, ফেসবুকে, ব্লগে ইতাদিতে প্রশ্ন করে বেড়ায়, তখন তাদের মূর্খতাই হাস্যকর দেখায়। এটা যে যেকোনো লোকের বিষয় নয় এবং কোনো নাস্তিকের মাথায় শিং গজিয়ে উঠলে  তাকে যে বিশেষজ্ঞের সাথে গিয়ে আলোচনা করতে হবে –এই সাধারণ জ্ঞানটিও আসে না। ৩ মেয়ে, মা-বাপ, স্ত্রী –এই প্রশ্নটি নাস্তিকদের সাইটে গত কয়েক বছর ধরে তাদের নিজেদের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। তারা এখানে সেখানে গিয়ে এই টেক্সট কোট করে আসছে। এই সদালাপেও কয়েকবার তা করেছে। এক দল উত্তর পেলে ঘটনার শেষ হয় না, কেননা নতুন আরেক দল সেটিকে নতুনভাবে গিলে। সুতরাং এখন আর কেউ অংকের উত্তর চাইলে ফারায়িদ কালকুলেশন সাইটে লিঙ্ক করে দিলেই সবার সময় বাঁচবে।

    1. 11.1
      রিজভী আহমেদ খান

      খুবই ভালো বলেছেন। ওদের বার বার নতুন করে গেলাতে হয়।

  21. 10
    নির্ভীক আস্তিক

    আপনার এই পোষ্টের শিরোনামটি পরিবর্তন করার জন্য অনুরোধ রইল। এভাবে generalized না করে আমরা অনেক ক্ষেত্রে "মৌলবাদী", অথবা "অনেক" এই শব্দগুলো ব্যবহার করে তাদের প্রগতিশীল দুষ্টুচরিত্র আর আমাদের দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে সবসময় একটি দেয়াল দিতে চাই।

  22. 9
    milonmela.com

    রিজভী আহমেদ খান@ এসব জন্মসূত্রে পাওয়া ধার্মিকরা বুঝবে না, যারা যুগে যুগে কোরানের অর্থ পরিবর্তন করে যুগ উপযোগী করে চলেছে।

    1. 9.1
      ফাতমী

      @Milon,

      আপনি নিজে রিজভী আহমেদ খানের লেখায় বুঝেন নাই। এত কম রিডিং স্কিল নিয়ে সদালাপে লিখতে আসিয়েন না। কোরানের অর্থ কোন কালেই পরিবর্তিত হয়নি, কেউ করতেও পারবে না। শুধু আপনার মত কিছু মানুষ ঘেউ ঘেউ করতে পারবে। আইনও বুঝেন না, যুক্তিও বুঝেন না, গনিতও বুঝেন না, এখন প্রাইমারি স্কুলের এডুকেশন দেওয়া শুরু করতে হবে!!!!!

      1. 9.1.1
        Wings of Fire

        এই মিলন নামক মাথা মোটাটাকে সব পোস্টেই ল্যাদাইতে দেখছি !!

        1. 9.1.1.1
          মিলন

          Rafid hasan@ আপনি আমাকে উদ্দেশ্য করে যদি কিছু বলে থাকেন, আর সেটা আমি না বুঝার দরুন যদি ঐ বিষয়েরর মধ্যকার কোন বিষয় জানতে চাই, তাহলে প্রসংগের বাহিরে কি করে যায়, বুঝলাম না। ঠিক আছে ভাই। জানাতে হবে না। ধন্যবাদ।

        2. নির্ভীক আস্তিক

          ভাইয়া, আপনি জানতে চান কে নিষেধ করেছে ? কিন্তু জানার চাওয়ার পর উত্তর নেয়ার আগেই টিপ্পনি কাটলে কানে চিবি খাবেন, কেমন? যাবেননা ভাইয়া, চুপচাপ ভদ্র শান্ত মানুষের বাছার মত এক সাইডে  যেয়ে বসেন।

  23. 8
    রিজভী আহমেদ খান

    তিন মেয়ে সন্তান পাবে-২/৩, মা-বাবা- ১/৩, স্ত্রী -১/৮। এখন হরগুলোর ল.সা.গু. ২৪। মেয়েরা পাবে ২৪ এর ২/৩= ১৬ টি, মাবাবা ২৪ এর ১/৩= ৮ এবং স্ত্রী ১/৮= ৩ টি। কুরআনে মেয়ে আর মাবাবার শর্ত এক সাথে আছে কিন্তু আপনি স্ত্রীকে নতুন করে আনায় ৩ টি বেশি হলো
    স্ত্রী না থাকলে ক্বুরয়ানের শর্ত,
    আর থাকলে মিরাসের শর্ত।

  24. 7
    রিজভী আহমেদ খান

    ভালো করেই যাচাই করেছি ভাইজান। আমার বক্তব্যটি আপনি বোঝেন নি এটা নিশ্চিত। যে মাসয়ালা কথা বলছেন সেটাকে ফতোয়া এ মিম্বারিয়া বলা হয়। তিন সন্তান, মা-বাবা ও স্ত্রী এই ছয়জনের একত্রে কুরআনে কোনো শর্ত নেই। আমি শর্ত গুলো আলাদা করেছি। কুরআনে যে শর্তগুলো এক সাথে আছে সেগুলো বাদে যদি আপনি অন্য শর্ত এনে যোগ করেন তা অবশ্যই ১ অংশকে অতিক্রম করবে। আমি এটারই বিরোধীতা করেছি। কুরআনে বর্ণিত শর্ত গুলো স্বতন্ত্র। ৩,৪ শর্ত এক জায়গা করলে তা আবার মোট সম্পত্তিকে ক্রস করবে। তারপর ফরাজ কষতে আমি অভ্যস্ত না। যারা ভালো পারেন তাদের জিজ্ঞেস করুন। জাযাকাল্লাহ।

    1. 7.1
      ABUSAIF

      আমি যা প্রশ্ন দিয়েছি তার সমাধান পেলেই চলবে

       

      না কি বলবেন, এমনটা কখনো হবেনা?

      1. 7.1.1
        রিজভী আহমেদ খান

        তিন মেয়ে সন্তান পাবে-২/৩, মা-বাবা- ১/৩, স্ত্রী -১/৮। এখন হরগুলোর ল.সা.গু. ২৪। মেয়েরা পাবে ২৪ এর ২/৩= ১৬ টি, মাবাবা ২৪ এর ১/৩= ৮ এবং স্ত্রী ১/৮= ৩ টি। কুরআনে মেয়ে আর মাবাবার শর্ত এক সাথে আছে কিন্তু আপনি স্ত্রীকে নতুন করে আনায় ৩ টি বেশি হলো
        স্ত্রী না থাকলে ক্বুরয়ানের শর্ত,
        আর থাকলে মিরাসের শর্ত।

        1. 7.1.1.1
          ABUSAIF

          আসসালাম…

          এ কথাটি বুঝতে কষ্ট হচ্ছে  --

          স্ত্রী না থাকলে ক্বুরয়ানের শর্ত,
          আর থাকলে মিরাসের শর্ত। 

          মিরাসের শর্ত কি কুরআনের শর্তের বাইরে কিছু? ?

          হয়তো আমি  আসলেই বুঝতে পারছিনা- মূল প্রসংগটি ধরতে পারিনি বলে, যেমনটা আপনি বলেছেন!

           

          বলে রাখি- আমি বিতর্কে জড়াতে চাইনা! আমার বুঝ সঠিক না হলে সেটা ঠিক করে নিতে চাই!

          আমার বোধ হয় আর কিছু না বলাই ভালো হবে, কি বলেন? ? 

  25. 6
    রিজভী আহমেদ খান

    Abusaif@ //মৃত ব্যক্তির পিতা, মাতা, স্ত্রী ও
    তিনটি মেয়ে আছে!//
    এ বন্টন কি কুরআনে আছে? শর্তগুলো রিভাইস দিন। দেখুন তো এই ৬ ওয়ারিসের কোনো শর্ত এক সাথে আছে কিনা?

  26. 5

    এস আহমদ@ আপনার কথার লিমিট গুলো মনে হয় ক্রস হয়ে গেছে। একটা বিষয়ের যে সত্যতা নির্নয় করেছে, তা করেছে তার নিজস্ব জ্ঞান থেকে। তার জ্ঞানের সঠিকতা নির্নয় করবে কে? আপনি যা জানেন, তা হয়তো আপনার নিকট সঠিক, কিন্তু আপনার সঠিকতা যে কতখানি সঠিক, তার প্রমান কি? আগেই বলেছি, মুক্ত মনার পোষ্ট এবং কমেন্ট হওয়া উচিত আলোচনা মূলক, আক্রমনাত্মক নয়। আপনার যদি আস্তিক হবার অধিকার থাকে, অন্য জনের নাস্তিক হবারও সমান অধিকার রয়েছে। আপনি আপনার জ্ঞানে আস্তিক, অন্যজন তার জ্ঞানে নাস্তিক। এটা জ্ঞান বুদ্ধির তারতম্যে ঘটে থাকে। আপনি আপনার মত করে বুঝান, কিন্তু সেই বুঝানোর ধরনটা যদি এমন হয়, তবে আমি আপনার চিন্তা আর জ্ঞানকে গ্রহন করতে পারলাম না বলে দুঃখিত।

    1. 5.1
      এম_আহমদ

      @ Milon, আপনি আপনার ‘নিজস্ব জ্ঞানে’ আমার লিমিট ক্রস হয়েছে মনে করে থাকলে, সেটা ‘আপনার নিকট সঠিক’, আমার কাছে নয়। ‘মুক্তমনা’ শব্দের আড়ালে থাকা বদ্ধবিদ্বেষীদের নিয়ে কীভাবে আলোচনা করতে হবে তা দেখানোর জন্য আপনাকে মোড়লী করার নিয়োগ দেয়া হলে তবেই ঢেকুর দিয়ে মুরব্বিয়ানা করবেন -আপাতত নিজ closet-টে থাকলেই চলে। আমরা কারো নাস্তিক হবার ‘অধিকারের’ বিপক্ষে বলে আপনাকে কে বলল? মোড়লী বন্ধ করে নিজ সীমায় থাকুন। কোন বস্তু কোন তারতম্যে ঘটে সেটা আপনি আত্মস্থ করলেই চলে, আমাকে বলার দরকার নেই। আমার জ্ঞানও আপনার গ্রহণ করার দরকার নেই। তবে মুক্তমুর্খরা আমার সাথে আলোচনা করতে এলে তারা বরং ‘অন্যভাবেই’ দুঃখিত হয়ে যেতে পারে, তাতে আপনার মাথা ঘামাবার দরকার নেই।

  27. 4
    ABUSAIF

    ***** START *****

    THE HEIRS

    3 Daughters;Wife;Father;Mother;

    ESTATE DISTRIBUTION

    Daughters get 16/81 each
    Wife gets 1/9
    Father gets 4/27
    Mother gets 4/27
    ***** END *****
     

  28. 3
    এম_আহমদ

    কিছু মূর্খ নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষী হিন্দুদের হাতে ইউরোপীয় এবং আরব খৃষ্টিয়ান  এবং জায়োনিস্টপক্ষ তাদের শত শত বৎসরের প্রোপাগান্ডা সাহিত্য তুলে দিয়েছে। মূর্খপক্ষ এসবের মধ্যে কী রয়েছে,  সাপ না ব্যাঙ, সত্য না মিথ্যা,  তার বাছরিছ ছাড়াই বাংলায় প্রচার করতে শুরু করে দিয়েছে। এতে তাদের পায়ে তারাই কুড়ল মেরেছে। প্রথমত অনেক তথ্যের প্রকৃতি এমন যে তা “ধর্মীয়” প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারে,  নাস্তিক্যবাদী নয় –এই পার্থক্য (difference)  বুঝার ক্ষমতা অনেক নাস্তিকের নেই। তাই বস্তা-ভর্তি ইসলাম বিদ্বেষী কথা-বার্তা মুক্তমনায় চর্বিত চর্বণ হয়ে সেখান থেকে যখন বাইরে যেতে শুরু করে তখন মুক্তমনা যে একটি ধর্ম-রূপী প্রতিষ্ঠান, এই প্রেক্ষিত প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। কিন্তু ইসলামী সাহিত্য ও পাণ্ডিত্য এতই সুবিশাল যে তা এই অসম্পূর্ণ, অযৌক্তিক ও অতিরঞ্জিত তথ্য দিয়ে মোকাবেলা করা যাবে না, তারা এই সত্য বুঝতে পারেনি। কারণ বুঝার মত যোগ্যতা ছিল না, অর্জিত ছিল না। কারো তথ্য যখন অতিরঞ্জন, মিথ্যা ও অপরিপূর্ণ প্রমাণিত হয়ে পড়ে, তখন মিথ্যাচারীর গোটা আন্দোলন সন্দেহপূর্ণ হয়ে পড়ে। এটাই হয়ে পড়েছে মূর্খমনা আন্দোলনে। তাদের ইসলাম বিদ্বেষী কর্মকাণ্ডে হিন্দু, খৃষ্টিয়ান, বৌদ্ধ সবাই আপন আপন স্থান থেকে ঢিল ছুড়তে থাকে। এখন বদ্ধমনার অবস্থা পূতি-গন্ধময় হয়ে পড়েছে।

    উত্তরাধিকার বণ্টনের বিষয়টি তারা না বুঝে শত্রু পক্ষ থেকে সাপ্লাই পেয়েই ঢেলে দিয়েছিল, এখন বড়া-চুষছে। এই মনামূর্খদের খুব সহজেই মিশনারি এবং জায়োনিস্ট ব্যবহার করল। এদের মধ্যে যারা টাকায় কাজ করেছে –তারা  মোটামুটি একটা কিছু পেয়েছে। কিন্তু যারা হুজুগে ঝাঁপিয়ে পড়েছে, কতনা মূর্খ এই লোকগুলো, তাদের অনেকে বিনা-মূল্যে, শুধু বঙ্গাল-হুজুগি মানসিকতায় সময় ব্যয় করেছে।     

    উত্তরাধিকার বন্টণে কার কতটুকু প্রাপ্র তার জন্য ইসলাম চ্যানেল একটি কালকুলেটর দিয়েছে, ওখান থেকে যে কেউ নিজেদের হিসেব নিজেরা বের করতে পারবেন। লিঙ্ক নিচে:

    http://www.islamchannel.tv/pages/InheritCalculator.aspx

     

    And there are ample information on the subject availble in the internet.

     

     

    1. 3.1
      ABUSAIF

      আসসালাম… বারাকাতুহ

       

      জাযাকাল্লাহ…

      জনাব রিজভী আহমেদ খান   কিছু গোলমাল করে ফেলেছেন

      আসলা তিনি কী বলতে চেয়েছেন এবং কী বলেছেন তা বোধ হয় যাচাই পরে দেখেননি!

  29. 2
    ABUSAIF

    আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ

    আমি আপনাদেরই লোক, মুক্তমনা নই!

    আমার একটি প্রশ্ন আছে- যদিও জবাবটা আমি জানি! আপনার চিন্তার সামান্য বিচ্যূতিকে সঠিক খাতে আনার জন্যই প্রশ্নটি করছিঃ-

     

    মৃত ব্যক্তির পিতা, মাতা, স্ত্রী ও তিনটি মেয়ে আছে! বণ্টনে কে কত অংশ পাবে??

     

    আপনার জবাবের পরে আমার বাকি কথা বলবো ইনশাআল্লাহ, যদি প্রয়োজন হয়!

    মাআসসালাম

     

    1. 2.1
      এম_আহমদ

      @ABUSAIF:

      কমেন্ট ২, আমার একটি প্রশ্ন আছে- যদিও জবাবটা আমি জানি! … আপনার জবাবের পরে আমার বাকি কথা বলবো ইনশাআল্লাহ, যদি প্রয়োজন হয়!

      কমেন্ট ৭.১.১.১: আমার বোধ হয় আর কিছু না বলাই ভালো হবে, কি বলেন? ? 

      আমি বলব বলাই ভাল। যা জানেন তা বলতে অসুবিধা কি? ফারাইদ নিয়ে যারা দৈনন্দিন কাজ করেন বা কোনো বিদ্যাপীঠে পড়ান, বা এমনি যারা এ বিষয় নিয়ে অভিজ্ঞta অর্জন করেছেন, নিশ্চয় তারা বিষয়টি অন্যান্যদের চাইতে ভাল বুঝিয়ে বলতে পারবেন।

      1. 2.1.1
        ABUSAIF

        আসসালাম….

        আপনি বলেছেন --

        "ফরায়েজ সম্পর্কে একজন প্রথম শ্রেণীর ছাত্র হিসেবে এর থেকে বেশি তথ্য প্রদান আমার জন্য কষ্টকর। …."

        জাযাকাল্লাহ, মোবারকবাদ!!  সুতরাং আর কথা চলেনা! তাই-

        ঐ স্বীকৃতির কারণে সরাসরি সিদ্ধান্তমূলক মন্তব্য না করা আপনার জন্য উত্তম হতো- "কুরআন কিন্তু ঐ নতুন ওয়ারিসকে দিয়ে হিসাব টানে নিই। অর্থ্যাৎ নতুন ওয়ারিস আনা কুরআনের শর্ত বহির্ভূত"

         

        দুটি বিষয় সবসময়েই মনে রাখা কর্তব্য যে,

        (১)আল্লাহতায়ালা আলকুরআল ছাড়াও অনেক বিষয় তাঁর রসূল ﷺ কে জানিয়েছেন যার দ্বারা শরীয়াহর অসংখ্য বিধি নির্ধারিত হয়েছে! তাই রাসূলের দেয়া ব্যাখ্যা ছাড়া আলকুরআনের হুকুম বুঝা ও পালন করা অসম্ভব! হাদীস/সুন্নাহ বাদ রেখে তাই আলকুরআনের কোন বিষয় পূর্ণভাবে আলোচনা/ব্যাখ্যা করা অসম্পূর্ণ!

        (২)বান্দাকে নাসীহা ও ইহসানের প্রচাষ্টার সুযোগ দিতে দ্বীনের বিধিবিধানের অসংখ্য বিষয়ে সুযোগ(স্পেস) রাখা হয়েছে- যা কিয়ামত পর্যন্ত রুদ্ধ হবেনা, এগুলো কখনো অকাট্য৯রিজিড) হবেনা- বরং যুগের প্রয়োজন মেটাতে পরিবরতনশীল(ফ্লেক্সিবল)ই থাকবে

        আল্লাহতায়ালাই ভালো জানেন, আমরা তাঁরই মুখাপেক্ষী, তাঁর দিকেই প্রত্যাবর্তনকারী

         

         

         

        1. 2.1.1.1
          এম_আহমদ

          @ ABUSAIF আমার মনে হয় আপনি ‘রিজভী আহমেদ খান’ সাহেবকে উদ্দেশ্য করে, ভুলে, আমার বক্সে প্রিন্ট করেছেন। কিন্তু আলোচ্য প্রসঙ্গে তার আর আপনার অবস্থান গত পার্থক্য কোথায় (আমরা কোন অসতর্ক শব্দ নির্বাচনের কথা ভাবছি না) এবং মৌলিকভাবে তার অশুদ্ধের স্থানটা কি ও ব্যাখ্যা কি? আপনি ঠিক বলেছেন যে ‘হাদীস/সুন্নাহ বাদ রেখে তাই আলকুরআনের কোন বিষয় পূর্ণভাবে আলোচনা/ব্যাখ্যা করা অসম্পূর্ণ!’ তবে হাদিসের আঙ্গিকে সেই অঙ্কের সমাধান দেখালে ভাল হয়। কালকুলাশনের যে নিয়মটি ইসলাম চ্যানেলের লিঙ্কে রয়েছে, সেই নিয়ম কি আপনার দৃষ্টিতে হাদিসের সাথে tally করে হয়েছে? ধন্যবাদ।     

  30. 1

    আমি অজ্ঞ মানুষ। তথাপি আরজ আলী মাতুব্বরের লেখা ঠিক একই বিষয়ের আলোচনা দেখেছিলাম অনেক আগে। যেখানে আরজ আলী মাতুব্বর স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, কোরানের সম্পদ বন্টনে ত্রুটি ছিল। কিন্তু একটা সময় পরে হযরত আলী তা সংশোধন করে দেয়। আমি জানি না সত্য মিথ্যা কি। এটাও জানি না যে, আদৌ কোরান হযরত আলীর দ্বারা সংশোধিত হয়েছিল কি না। যদি হয়েই থাকে, তাহলে আপনার এই আয়াতের অর্থ কি সেই সংশোধনের পূর্বের বাংলা অনুবাদ, নাকি পরের? যদি আরজ আলীর বক্তব্য মিথ্যা হয়, তবুও কথাথা রয়েই যায়। যা ঘটে, তার পুরোটা না হোক, কিছুটা হলেও তো ঘটে। এখন বিজ্ঞ জনেরাই ঠিক বেঠিক বুঝতে পারবেন।

    আর হ্যাঁ, আপনার কিছু কথা আক্রমনাত্মক মনে হয়েছে আমার নিকট, যা মোটেও উচিত নয়। বরং তা হওয়া উচিত ছিল আলোচনামূলক।

    1. 1.1
      নির্ভীক আস্তিক

      আমি অজ্ঞ মানুষ।  তথাপি আরজ আলী মাতুব্বরের লেখা ঠিক একই বিষয়ের আলোচনা দেখেছিলাম অনেক আগে।

      আপনি অজ্ঞ নন, ভাল বাংলায় আতেল মূর্খআতেল মূর্খতা আর অজ্ঞতা এক রকম বিষয় নয়। অজ্ঞ ব্যক্তি আগে জানতে চাইবে তারপর মন্তব্য করবে। কোন ব্যক্তির অনেক বিষয় পান্ডিত্য যেমন থাকতে পারে, ছোট খাট বিষয়ে অজ্ঞতাও তেমনি থাকতে পারে। জ্ঞানের এই ফাকা অংশ পূর্ণ করতেই প্রশ্ন করে, জানতে চায়। অধিকন্তু সে যদি তার অজ্ঞতাকে সামনে রেখে সেটা স্বীকার করেই আবার যখন জানার আগেই টিপ্পনি কাটবে তখনি মানুষ তাকে "মূর্খ" বলে গালি দিবে। "অজ্ঞ" শব্দটি যেকেউ নিজের উপর আরোপন করে, "মূর্খ" শব্দটি অই অজ্ঞের আচরণের সাথে তার মুখের দাবির কথার মিল না পেলে অপরাপর তার উপর সেটে দেয়।   

       যেখানে আরজ আলী মাতুব্বর স্পষ্ট উল্লেখ করেছেন যে, কোরানের সম্পদ বন্টনে ত্রুটি ছিল। কিন্তু একটা সময় পরে হযরত আলী তা সংশোধন করে দেয়। আমি জানি না সত্য মিথ্যা কি।

      উনি নাস্তিক হলেও আর ৮-১০ টা মানুষের মত উনার হাত পা চোখ বেবাক ছিল। যা লিখেছেন তাতো স্পষ্টই হবে। এই যেমন এই লেখাটি আপনি স্পষ্টই পড়তে পেরেছেন। কিন্তু উনি স্পষ্ট করে বললেই যা কিছু সঠিক তা বেঠিক হয়ে যাবেনা। বিশেষ করে আজকাল প্রসিদ্ধ(পাঠাতায়নে ও বিডি-৪২০ তে সিদ্ধ) নাস্তিকসম্প্রদায়ের মৌলবাদী চরিত্র সম্পর্কে যা জানি আরকিঃ ইরাম সিরাম প্যাটেন্টদ্বারী, সইত্য সুন্দর  বিজ্ঞান মনষ্কতার প্রচার ও প্রসার এরকম আর কত কি! এখানেও দেখুন  আমি কিন্তু আপনাকে স্পষ্ট ভাবে সবার সামনে মূর্খ ডেকেছি। এতে অস্পষ্টের কিছু নেই। কিন্তু আমার দেয়া সংজ্ঞা অনুযায়ী আপনার উপর এই বিশেষণ প্রয়োগ সঠিক কিনা তা যাচাই করি আসুনঃ

      এটাও জানি না যে, আদৌ কোরান হযরত আলীর দ্বারা সংশোধিত হয়েছিল কি না। যদি হয়েই থাকে, তাহলে আপনার এই আয়াতের অর্থ কি সেই সংশোধনের পূর্বের বাংলা অনুবাদ, নাকি পরের? যদি আরজ আলীর বক্তব্য মিথ্যা হয়, তবুও কথাথা রয়েই যায়। যা ঘটে, তার পুরোটা না হোক, কিছুটা হলেও তো ঘটে। এখন বিজ্ঞ জনেরাই ঠিক বেঠিক বুঝতে পারবেন।

      "এটাও জানি না যে, আলীর দ্বারা সংশোধিত হয়েছিল কিনা" এই প্রশ্নটিতে আপনার অজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে কিন্তু আপনার অজ্ঞতাকে সামনে রেখে উত্তর জানার আগেই "যদি হয়েই থাকে" এই প্রসঙ্গে যাওয়ার চেষ্টা করাতেই আপনার মূর্খতা প্রকাশ পেয়েছে। আপনার এই আতল মূর্খ চরিত্র দেখানোর আগে অপেক্ষা করা উচিৎ ছিল। আপনার প্রথম বক্তব্যে আপনি প্রশ্নবোধক চিহ্ন রাখেননি, কিন্তু যদি হয়েই থাকে অংশে আপনার একটি প্রশ্ন আছে। অজ্ঞ হয়েও আপনার এই ভন্ডামি করার চরিত্রটিই আপনাকে মুসলমান-নাস্তিক(আপাতত অধিকাংশরাই মিথ্যুক ও মৌলবাদী)-হিন্দু নির্বিশেষে সকল সাধারন বিজ্ঞ মানুষের সামনে মূর্খ বানিয়ে দিচ্ছে।  "যদি আরজ আলীর বক্তব্য মিথ্যা হয়, তবুও কথাথা রয়েই যায়।" একজণের বক্তব্য মিথ্যা হলে I mean সে মিথ্যাবাদী হলে সেক্ষেত্রে  "যা ঘটে, তার পুরোটা না হোক, কিছুটা হলেও তো ঘটে।"- এই সম্ভবনা অবান্তর। কিন্তু এক্ষেত্রে আপনার মূর্খতা কে সামনে রেখে যা আমি বলছি বাঁ রটাচ্ছি, তার কিছু নয় বরং পুরোটাই আপনি ঘটিয়েছেন।

      আর হ্যাঁ, আপনার কিছু কথা আক্রমনাত্মক মনে হয়েছে আমার নিকট, যা মোটেও উচিত নয়। বরং তা হওয়া উচিত ছিল আলোচনামূলক।

      নাস্তিকরা জালীয়াতি করেছে সেটিই আলোচনায় এসেছে। এতে আক্রমনাত্নক হওয়ার কি আছে? লেখক তো আর "নাস্তিকরা যেরকম মুসলমানদের লুঙ্গি আর মুসলিম নারীদের চরিত্রে কি আছে তা সুঙতে যায়" নাস্তিকদের তো আর ডেকে এনে সুঙতে বলেননি। নাস্তিকরা যেরকম মুসলমানদের মা, স্ত্রী, কন্যাদের সেই প্রাচীন অসভ্য ধর্মহীন যুগের সংস্কৃতি চর্চা করে লেখকতো সেটি করেননি। জালীয়াতী চরিত্রদের প্রাপ্য সাধারন বিজ্ঞ মানুষের জুতাপেটা, তা কেউ চাইলে জামাই আদর করে আলতো ভাবে গালে ডলতে পারেন আবার সজোরে টাডাস টাডাস করে মেরে শিক্ষা দিতে চাইতে পারেন।

      বিজ্ঞদের তো খুব বয়ে গেছে জামাই আদর দিয়ে নিজের খেয়ে পেয়ে বন্য মূর্খদের তারিয়ে বেরানো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.