«

»

Apr ২৪

কোষ সৃষ্টির ‘মুক্তমনা’ পদ্ধতি

গাছ থেকে একা একা কাঠ হয়ে নৌকা হয়ে যাওয়ার উদাহরণ অথবা লোহার স্তুপের মধ্যে দিয়ে টর্ণেডো যাওয়ার ফলে বোয়িং বিমান হয়ে যাওয়ার উদাহরণ দেয়া হলেই মুক্ত(!)মনারা বলতে শুরু করেন যে এই উদাহরণ জীবিত কোষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

লক্ষ্যণীয়, এখানে তারা ভাষার খেলা খেলছে। জীবিত কোষ বলতে তারা তাহলে কী বুঝায়? তাহলে কি তারা কোষের মধ্যে কোন আত্মার অস্তিত্ব স্বীকার করছে? অথচ এ ব্যাপারটি তারা কখনই স্বীকার করবে না। তারা বলবে কোষ একটি মলিকিউলার ফ্যাক্টরি আর প্রাণ হল কেমিকাল প্রসেস। এটাই হল ভাষার খেলা কিংবা পিছলানো স্বভাব, যা-ই বলেন। অর্থাৎ একদিকে বলছে বোয়িং ফ্যালাসি অন্যদিকে জীবিত কোষ বলতে তারা কী বুঝায় সে সম্পর্কে একটা ধাঁধার মধ্যে রাখার চেষ্টা করছে।

অথচ, যদি কোষকে একটি মলিকিওলার ফ্যাক্টরি বিবেচনা করা হয় সেক্ষেত্রেতো সমস্যাটি আরও প্রকট হয়ে পড়ছে। কারণ, একটি ব্যাকটেরিয়া কোষকেও যদি উদাহরণ হিসেবে নিই, কোষের মধ্যে আছে DNA যা কোষের এনজাইম সমুহের Blue Print ধারণ করে। আছে RNA, যা DNA থেকে তথ্য উদ্ধার করে তাকে নিয়ে রাইবোজমের মাধ্যমে এনজাইম সংশ্লেষ করে। আছে অক্সিডেটিভ ফসফরাইলেশন(সাইটোক্রোম সিস্টেম) যা কেমিকেল প্রসেস বজায় রাখার শক্তি সরবরাহ করে ATP তৈরীর মাধ্যমে। এখানে আমি এই যে বললাম DNA করে, RNA করে, সাইটোক্রোম করে, তাহলে কি এদের বুদ্ধিমত্তা আছে? না, বরং এই পুরো প্রসেসটাই অটোমেটেড। আর DNA হল এমন একটা জায়গা যেখানে এনজাইম এর তথ্য প্রোগ্রামিং করে রাখা হয়েছে তথা পরোক্ষভাবে কেমিকেল প্রসেসগুলোকে প্রোগ্রাম করে রাখা হয়েছে। তথাপি তাদের মতে এই কোষ তথা হাইলি প্রোগ্রামড মলিকিউলার মেশিন নাকি প্রিবায়োটিক স্যুপ-এ বাই চান্স তৈরী হয়ে গেছে। আজব ব্যাপার?

তাদের যুক্তিটা অনেকটা এরকম যে, গাছ থেকে বাই চান্স নৌকা তৈরী হওয়া সম্ভব না কারণ এটা জড়; তবে সিলিকন গুড়া থেকে বাই চান্স মোবাইল তৈরী হওয়া সম্ভব কারণ এটা জীবিত। যদিও মোবাইলের analogy দিয়ে কোষকে একটু বেশী সরলিকৃত করে ফেললাম। তবুও উদাহরণটা দিলাম এই জন্য যে মোবাইলে একটা হার্ডওয়ার আছে এবং এটার মধ্যে কিছু প্রোগ্রামিংও করা আছে। মোবাইলে কমান্ড দিলে যেমন সে ফলো করে (অর্থাৎ এক অর্থে জীবিত ধরে নিলাম!) ঠিক তেমনি ব্যাকটেরিয়া খাদ্য পেলে তাকে সুনির্দিষ্ট কেমিকেল প্রসেসে মেটাবলাইজ করে শক্তি সংগ্রহ করে।

অর্থাৎ নৌকা বানানোর জন্য বুদ্ধিমান নির্মাতা লাগলেও, কোষের মত একটি অটোমেটেড সফটওয়্যার-বেজড মলিকিওলার মেশিন তৈরী হওয়ার জন্য দরকার ‘মেশিনের মৌলিক উপাদান, সময় এবং চান্স’!!

এবার, আপনিই বলুন এদের লজিক(?) দেখে হাসব না কাঁদব?

২০ comments

Skip to comment form

  1. 11
    Quazi Sumon

    বিবর্তনবাদ অনুয়াযী এককোষী প্রানী থেকে বহুকোষী উৎকৃষ্ট প্রানী হওয়া একটা আজগুবী গল্প ছাড়া আর কিছুই না ।

  2. 10
    Storm Boltz

    প্রথম কোষ সৃষ্টি কিন্তু একটা মিসিং লিঙ্ক। আর প্রথম কোষ থেকে কিভাবে বহুকোষী প্রানি হল সেটাও একটা মিসিং লিঙ্ক।
    রিচার্ড ডকিন্সের একটা ইন্টারভিউ দেখলাম যেখানে তিনি বললেন যে কোষ এ ডিজাইন দেখা যায়। কিন্তু সেটা কোন এলিয়েন দ্বারা হতে পারে। কিন্তু সেই এলিয়েন নিজে থেকে বিবর্তিত হয়ে গেছে।
    কোষ সৃষ্টির ৭ টি হাইপোথিসিস আছে। কিন্তু একটাও তেমন Convincing না। প্রত্যেকটাই চান্স এর ওপর নির্ভর করে(এলিয়েন বাদে)।

  3. 9
    পাভেল আহমেদ

    বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানীরা বর্তমানে এটা স্বীকার করেন যে কোষে এক ধরনের সুশৃঙ্খল ডিজাইন দেখতে পাওয়া যায়। আর নৌকা যে ডিজাইন করা হয় সেটা তো আমরা সকলেই জানি। তবে আজব ব্যাপার হল যে তারা বলে প্রথম ডিজাইনটি কারো ইচ্ছা ছাড়াই শুধুমাত্র সম্ভাবনা ও সময় দ্বারা তৈরি হয়ে গেছে কিন্তু ২য় ডিজাইনটি তৈরি হয়েছে কারো না কারো ইচ্ছায় যা সম্ভাবনা ও সময় দ্বারা তৈরি হওয়ার ক্ষীণতম কোন সম্ভাবনাও নেই। অথচ এই ২ টি ডিজাইনের মধ্যে প্রথম ডিজাইনটি ২য় টির তুলনায় ট্রিলিওন ট্রিলিওন গুণ বেশি সূক্ষ্ম ও জটিল !!!!!

    1. 9.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      আসলেই এদের বুদ্ধিসু্দ্ধি দেখলে মাথা ওলটপালট হয়ে যায়। মানুষ এত নির্বোধ হয় কি করে?

  4. 8
    মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

    ভালো লিখেছেন খান সাহেব।

  5. 7
    এস. এম. রায়হান

    মোবাইল তৈরীর সকল উপাদান প্রকৃতিতে আছে ধরে নিয়েও যেখানে কারো সাহায্য ছাড়া এমনি এমনি মোবাইল তৈরী হওয়া হাস্যকর শুনায় সেখানে মোবাইল তৈরীর কোন উপাদান-ই যদি না থাকে সেক্ষেত্রে মোবাইল তৈরি হবে কোথা থেকে! নাস্তিকদেরকে বিশ্বাস করতে হবে যে শুন্য থেকে বাই চান্স মোবাইল তৈরী হয়েছে!

  6. 6
    শামস

    অর্থাৎ নৌকা বানানোর জন্য বুদ্ধিমান নির্মাতা লাগলেও, কোষের মত একটি অটোমেটেড সফটওয়্যার-বেজড মলিকিওলার মেশিন তৈরী হওয়ার জন্য দরকার ‘মেশিনের মৌলিক উপাদান, সময় এবং চান্স’!!

    দারুন!!!
    এখানে 'চান্সটাতেই' সব ভেল্কির খেলা! গাছ থেকে নৌকা হবার মৌলিক উপাদান আছে, সময়টা পার্থক্য তৈরী করে, কিন্তু এখানে যে প্রসেসটা দরকার সেটাকে আবিস্কার করা হয় চান্স ঢুকিয়ে!!! 

    1. 6.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      এখানে যে প্রসেসটা দরকার সেটাকে আবিস্কার করা হয় চান্স ঢুকিয়ে!!!

      তাহলে বুদ্ধিমান ও অগাধ জ্ঞানের অধিকারী 'চান্স'-ই কি মুক্তমনাদের স্রষ্টা? যদি তাই হয় এটা খোলাসা করে বললেই হয় যে মহান 'চান্স' তাদের প্রভু, এ প্রভুর তাদের কাছে কোন দাবী দাওয়া নাই, তাই তারা অন্যকোন প্রভুকে মানে না। এটাকে এতো ঘুরিয়ে পেচিয়ে বিজ্ঞানের মোড়ক দিয়ে উপস্থাপন করার  কি প্রয়োজন?

  7. 5
    রাজেশ

    আচ্ছা এই আত্মাটা কোথায় থাকে? ….বিজ্ঞানীদের মতে গাছের প্রান আছে তাহলে কি গাছের আত্মা আছে? যদি থাকে তাহলে গাছের ভাঙা ডাল থেকে যখন আরেকটি গাছ সৃষ্টি হয় তখন আত্মাটা কি নতুন তৈরি হলো নাকি দুইভাগ হয়ে গেল? একজনের সামনে একজন এ্যাকসিডেন্ট করলো….সে মরল না তার পাশে একজন সেটা দেখে মারা গেল তাহলে কি মৃত্যুবরনকারী লোকটির আত্মা এ্যাকসিডেন্টকারী এর মধ্যে ছিল? একজনের হাত-পা, চোখ, কান প্রভৃতি কেটে দেয়ার পরও সে বেচে থাকতে পারে আবার হার্ট সামান্য ছিদ্র তাকে মেরে ফেলতে পারে তাহলে কি আত্মা হার্টে থাকে? কারও নাক এবং মুখ অনেক সময় যাবৎ বন্ধ করে রাখলে সে মারা যেতে পারে তাহলে কি তার আত্মা ফুসফুসে থাকে?
    আমি নতুন প্রশ্ন নয় আমার প্রশ্নের উত্তর চাচ্ছি।

    1. 5.1
      এস. এম. রায়হান

      গাছের প্রাণ থাকলেও আত্মা বলে কিছু নাই। গাছপালা, কীটপতঙ্গ, ও পশুপাখির আত্মার ধারণা এসেছে সনাতন ও বৌদ্ধ ধর্ম থেকে। কিন্তু ইসলাম অনুযায়ী গাছপালা, কীটপতঙ্গ, ও পশুপাখির আত্মা নাই এবং তাদের কোন বিচার হবে না। কুরআন অনুযায়ী আত্মা হচ্ছে আল্লাহর আদেশ। আদেশকে কখনো কাটাছেঁড়া বা দু-ভাগ করা যায় না, আর মারা যাওয়ারও প্রশ্ন আসে না।

    2. 5.2
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      রায়হান ভাই বলেছেন,

      গাছের প্রাণ থাকলেও আত্মা বলে কিছু নাই। গাছপালা, কীটপতঙ্গ, ও পশুপাখির আত্মার ধারণা এসেছে সনাতন ও বৌদ্ধ ধর্ম থেকে। কিন্তু ইসলাম অনুযায়ী গাছপালা, কীটপতঙ্গ, ও পশুপাখির আত্মা নাই এবং তাদের কোন বিচার হবে না। কুরআন অনুযায়ী আত্মা হচ্ছে আল্লাহর আদেশ। আদেশকে কখনো কাটাছেঁড়া বা দু-ভাগ করা যায় না, আর মারা যাওয়ারও প্রশ্ন আসে না।

      আশা করি আপনি এখানে উত্তরটা পেয়ে গেছেন। অর্থাৎ মানুষের দেহের মরা বা বাঁচার সাথে আত্মার সম্পর্ক নেই। আত্মা অমর। সেক্ষেত্রে প্রশ্ন আসে রুহ বা আত্মা কি? উপরের উক্তিটিতে এর উত্তরও দেয়া আছে। এ বিষয়টির সাথে সুন্দর একটি প্রশ্ন জড়িত। আর তা হল, কে উপলব্ধি (Perceive) করে? অর্থাৎ আমরা যে Sensory input গুলো শরীরের Sensory System থেকে পাই, কে সেটা উপলব্ধি করে? কে এই ইনপুটগুলোর Meaning বুঝে? কে এই তথ্যগুলো নিয়ে চিন্তা করে, ক্যালকুলেশন করে নতুন ধারণা দাড় করায়? Neuroscience এর Perspective থেকে প্রশ্নটিকে যেমন এভাবে করা যায় ঠিক তেমনি Quantum Physics এর Perspective থেকে প্রশ্নটিকে আরেক ভাবে করা যায়। আর তা হল, কার সামনে Quantum Decoherence এর  Subjective Reduction অথবা Orchestrated Objective Reduction হয়? কে এই Conscious Observer?

  8. 4
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    ভাল লাগলো। ধন্যবাদ। 

    1. 4.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      ধন্যবাদ। সকল প্রশংসা আল্লাহর।

  9. 3
    এস. এম. রায়হান

    ওরা জায়গামতো ইসলামে বিশ্বাসীদের সামনে পাঁচ মিনিটও টিকতে পারবে না।

    এবার, আপনিই বলুন এদের লজিক(?) দেখে হাসব না কাঁদব?

    বিখ্যাত-মনা বিপ্লব পালের দরকার এখানে। তার পিচ্চি পোলা নাকি ইতোমধ্যে বুঝে গেছে যে তার পূর্বপুরুষ লেজওয়ালা প্রজাতি ছিল!

    1. 3.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      তার পিচ্চি পোলা এত সকালেই তার আব্বাকে চিনে ফেলল?

  10. 2
    তামীম

    নৌকা বানানোর জন্য বুদ্ধিমান নির্মাতা লাগলেও, কোষের মত একটি অটোমেটেড সফটওয়্যার বেজড মলিকিওলার মেশিন তৈরী হওয়ার জন্য দরকার ‘মেশিনের মৌলিক উপাদান, সময় এবং চান্স’!!

    ভাল বলেছেন। 
    @করতোয়া, ভাল বিপদে ফেলেছিলেন দেখছি বেচারা ডাক্তর সাবরে! বেচারা কপি পেষ্ট জ্ঞান বিতরণ করতে আসছিল, আর কি ঝামেলাতেই না পরছিল!  হা হা হা….

    1. 2.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      ধন্যবাদ, তামীম ভাই। সকল প্রশংসা আল্লাহর।

  11. 1
    করতোয়া

    এক বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচার দিতে গিয়েছিলাম। সেখানে এক মুক্তমনা ডাক্তার সাব অনেক কিছু কইলেন প্রান (Life) সম্পর্কে। বল্লেন ল্যাবে নাকি বিজ্ঞানীরা "প্রাণ" সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। আমি তাকে প্রশ্ন করলাম "প্রাণ" কাকে বলে বা শরীরের কোথায় সেটা থাকে একটু বুঝিয়ে বলবেন কি? বেচারা ঘেমে লাল হয়ে প্রায় ১৫ মিনিট চেষ্টা করলেন কিন্তু শ্রোতাদের বুঝাতে পারলো না "প্রাণ" কাকে বলে। কেউ-ই তার উত্তরে ইতিবাচক সাড়া দিল না। অবশেষে সভাপতি বিষয়টা মূলতবী রাখতে বাধ্য হলেন। সেই বেচারা আমার ইমেল এড্রেস নিয়েছে কিন্তু আজ বহুদিন মাস পার হয়ে গেছে কোন উত্তর নাই।

    1. 1.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      আসলেই প্রশ্নটা জটিল। অর্থাৎ প্রাণ বলতে কি বুঝায়? প্রাণ বলতে কি বুঝায় এমন কোন জিনিস যেটা সচল। এ হিসেবে তো কম্পিউটারকেও প্রাণ আছে বলা যায়।    তাহলে প্রাণ কি এমন জিনিসে যা খাদ্য গ্রহন করে বেচে থাকার চেষ্টা করে এবং রিপ্রোডাকশন করে। এ অর্থে একটি কোষকে যদি আমরা প্রাণ ধরি তাহলে এ ধরনের প্রাণ তৈরী করা হয়ত অসম্ভব নয। কারণ কোষতো একধরনের অটোমেটেড ফ্যাকটরী। হয়ত এটাই প্রাণ। তবে ব্যাকটেরিয়া , প্রোটোজোয়া এসব প্রাণীতে কি রুহ বা আত্মা আছে? মানুষের আত্মা সম্পর্কে কোরআনে বলা আছে জানি কিন্তু মানুষ ভিন্ন অন্য প্রাণীতে কি রুহ আছে? ভাই, এ বিষয়ে আপনার কিছু জানা আছে কি?

      1. 1.1.1
        করতোয়া

        এই প্রশ্ন আমার বহুদিনের। স্কুলে থাকতে আমার এক বন্ধু সে স্কুলের মৌলভী স্যারকে প্রশ্ন করেছিল "আত্না কি এবং শরীরের কোথায় থাকে?" সেই থেকে আজো এর উত্তর আমি জানি না। তবে অনেক পড়াশুনা করছি এ বিষয়ে কিন্তু নিজেই তৃপ্ত হতে পারিনি তাই বলছি না। দেখা যাক ফারুক ভাই কি বলে?
         
        একটা বিষয় বার্নাট রাসেলের বই এ পেয়েছি যেটা আরো জটিল। তিনি পার্থক্য করার চেষ্টা করেছেন "স্পিরিট" ও "আত্না" দুটি ২ বিষয়। আত্না সম্পর্কে ধারনা কোরআনে থাকলেও স্পিরিট সম্পর্কে কিছুই নাই অথচ আমরা সবসময় বলি স্পিরিচুয়াল শব্দ। 
         
        যদি কিছু জানতে পারি লিখবো ইনশাল্লাহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.