«

»

Mar ২৪

চিন্তার খোরাক (এক)

পাখির শ্বাস প্রশ্বাসের পদ্ধতি

(ছবি: Harun Yahya, Darwinism Refuted, p94)

 

ব্যস্ত নগরে আমরা যে পাখিটির সাথে সবচেয়ে পরিচিত তা হল কাক। সকাল থেকে দুপুর অবদি কাকের কর্কষ কা কা যেন আমাদের যান্ত্রিক মননেরই পরিচয় তুলে ধরে। যাই হোক, কোকিল, চড়ুই, বউ কথা কও, চিল, কাঠঠোকরা ইত্যাদি প্রজাতির পাখিদের কলকাকলী কবিদের জন্য যেমন কবিতার উপকরণ তেমনি ফটোগ্রাফারদের ফটোগ্রাফীর বস্তু।

 

কিন্তু পাখির গঠনে যে আমাদের চিন্তার খোরাকও আছে। কখনও কি ভেবে দেখেছি পাখিরা কিভাবে শ্বাস নেয়। পাখি যখন উড়তে থাকে তখন প্রচণ্ড বেগে তার মুখের দিকে বাতাস ধেয়ে আসতে থাকে। এমতাবস্থায় পাখির ফুসফুসের গঠন যদি মানুষের মত হত তাহলে কি পাখি শ্বাস নিতে পারতো?

 

আমরা (মানুষরা) প্রতি মিনিটে ১৪ থেকে ১৮ টি শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ে থাকি। শ্বাস নেয়ার সময় আমাদের নাক দিয়ে বাতাস প্রবেশ করে ট্রাকিয়া, ব্রঙ্কাস, ব্রঙ্কিওল (তথা শ্বাসনালী) পার হয়ে ফুসফুসের গ্যাস বিনিময়ের স্থান এলভিওলিতে পৌছে। শ্বাস ছাড়ার সময় আবার ঠিক উল্টো দিকে এলভিওলি হয়ে একই পথ ব্রঙ্কিওল, ব্রঙ্কাস ও ট্রাকিয়া হয় নাক দিয়ে বাতাস বের হয়ে যায়।

 

কিন্তু পাখিদের ক্ষেত্রে যদি শ্বাসনালীর গঠন এরকম হয় তাহলে পাখির পক্ষে ওড়া সম্ভব হবে? উত্তর না। কেননা উড্ডয়মান অবস্থায় শ্বাস টানার পর শ্বাস ছাড়ার সময় ফুসফুসে অক্সিজেন সরবরাহ না থাকার কারণে ওড়ার সময় পাখির ডানার অনবরত পরিশ্রমের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে পাখি উড়তে ব্যর্থ হবে।

 

করুণাময় আল্লাহ, তাই পাখিকে দিয়েছেন এক সুপরিকল্পিত শ্বাসযন্ত্র। হ্যাঁ, পাখির শ্বাস নালীতে গলার ঠিক নিচে থাকে ‘এয়ার স্যাক’ এবং ফুসফুসের ঠিক পেছনে থাকে আরেকটি ‘এয়ার স্যাক’। পাখি শ্বাস নেয়ার সময় এর বাতাসের একটি অংশ ফুসফুসে প্রবেশ করে অক্সিজেন দিতে এবং একটি অংশ প্রবেশ করে পেছনের ‘স্যাক বা থলেতে’, তবে সামনের থলেতে এই সময় বাতাস প্রবেশ করে না। কারণ সামনের থলেতে থাকে ফুসফুস থেকে অপসারিত কার্বন ডাই অক্সাইড যুক্ত বাতাস। এবার পাখি যখন শ্বাস ত্যাগ করে তখন পেছনের থলে থেকে অক্সিজেন যুক্ত সতেজ বাতাস প্রবেশ করে ফুসফুসে, ফলে শ্বাস ছাড়ার সময়ও ফুসফুসে অক্সিজেন প্রবাহ অব্যাহত থাকে যেন পাখির উড়ার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি পেয়ে যায়। একই সাথে সামনের থলে থেকে দূষিত বাতাস শ্বাসনালী দিয়ে বেড়িয়ে যায়। সুবহানআল্লাহ, কি চমৎকার প্রকৌশল।

 

অন্যদিকে এই অতিরিক্ত এয়ার স্যাকগুলো, পাখিকে ‘হাল্কা’ করে উড়ার উপযোগী করার কাজটিও করে যাচ্ছে সুচাড়ুরূপে।

নিশ্চয়ই সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর।

২৫ comments

Skip to comment form

  1. 7
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    চমৎকার একটা লেখার জন্যে ধন্যবাদ। 
     
    মন্তব্যগুলো কেন যে ভিন্ন দিকে চলে গেলো, সেইটা কি ইচ্ছাকৃত?

    1. 7.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      ধন্যবাদ। জিয়া ভাই, দোয়া করবেন।

  2. 6
    কবরের ডাক

    @ আবদুল্লাহ সাঈদ খান ভাই! আপনি বলেছেন,

    আপনি পারলে দেখিয়ে দিন কিভাবে সরিসৃপ থেকে পাখির বিবর্তন হয়েছে। তবে নিচের বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা অবশ্যই করবেন:
    ১) কিভাবে সরিসৃপের আকৃতি থেকে পাখির আকৃতি এল (অল্প অল্প পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে)। কিভাব সরিসৃপের ফুসফুস পাখির ফুসফুসে পরিণত হল?
    ২) কিভাবে পাখির উড্ডয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্লাইট মাসল এবং এর সাথে সংলিষ্ট ব্রেইনের কর্টিক্যাল আর্কিটেকচার ও তার  প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামিং এল? 
    ৩) কিভাবে সরিসৃপের 'Scale' পাখির পশমে পরিণত হল?
    ৪) কিভাবে সরিসৃপের ভারি হাড় পাখির হালকা হাড়ে পরিণত হল?

    ভাই! আমার কাছে যেটা মনে হয়, এভাবে প্রশ্ন করে বিবর্তনবাদ খণ্ডন করতে চাওয়াটা বেশী ফলদায়ক হবেনা। কারণ বিবর্তনবাদীরা এত উচ্চমানের কাল্পিক যে, তারা আজ না হয় কাল আপনার এসব প্রশ্নের কাল্পনিক জবাব দিয়ে দিবে যে, অমুকভাবে হয়েছে, তমুকভাবে হয়েছে। এসব প্রশ্নের উত্তর না দিতে পারা মানে এই নয় যে, বিবর্তনবাদ সত্য নয়; আবার এইসব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারা মানে এই নয় যে, বিবর্তনবাদ সত্য। একটা ভুল হাইপো দিয়েও কোন  পর্যবেক্ষণকৃত ঘটনার বিভিন্ন দিক চাপার জোরে ব্যাখ্যা করে দেয়া যায়। 
    এটা কিভাবে হলো, ঐটা কিভাবে হলো এসব প্রশ্ন করলে মনে হয় যেন, আপনি ধরে নিয়েছেন বিবর্তন হয়েছে; এখন জানতে চাচ্ছেন কিভাবে হয়েছে সেটা।

    তাই আমার কাছে যেটা মনে হয়, বিবর্তনবাদ (বা যেকোন বাদ) খণ্ডন করার ফলপ্রসূ পদ্ধতি হলো, বিবর্তন বাস্তবে হয়েছে কিনা সেটার প্রমাণ তাদের কাছে চাওয়া; এরপর তাদের সেই প্রমাণগুলোকে অনুপযুক্ত হিসাবে সাব্যস্ত করা। এর আগে উভয়পক্ষকে একমত হয়ে নিতে হবে যে, কোন কিছু প্রমাণিত হওয়ার বৈজ্ঞানিক ধাপগুলো কি কি? বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সীমাবদ্ধতাগুলোই বা কি কি?  বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি সম্পর্কে একটি সুন্দর আলোচনা আছে এই লিংকের পোষ্টে

    1. 6.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      অবজারভেশন হল পৃথিবীতে অসংখ্য জীবীত স্বত্ত্বা বিরাজমান। প্রশ্ন হল এগুলো কোথা হতে কিভাবে এল? হাইপোথিসিস পর্যায়ে এসেই অবজারভারদের দুটো ভাগ। এক ভাগের মতে প্রথম কোষ বা 'ইউনিভার্সাল কমন এনসেস্টর' এসেছে অজৈবজনন (Abiogenesis) প্রক্রিয়ায় এবং অন্যান্য প্রানী এসেছে ডারউইনবাদী প্রক্রিয়ায়। আরেকভাগের মতে প্রত্যেকটি প্রানীই পৃথক ভাবে সৃজিত হয়েছে একজন সর্বজ্ঞ স্রষ্টা দ্বারা। 
       
      এবার হাইপোথিসিস গুলো পরীক্ষা করে প্রমাণ করার পালা। এই পর্যায়ে এসেই বিপত্তি। বিবর্তনবাদীরা দেখাতে সক্ষম নন কিভাবে বিবর্তনের মধ্য দিয়ে এক প্রজাতি থেকে আরেক প্রজাতি এসেছে। তারা সর্বচ্চো যেটা দেখাতে পারেন একটি প্রজাতি কিভাবে আর্টিফিসিয়াল সিলেকশনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ ঘটাতে পারে। মাইক্রোইভোলিউশনের যে উদাহরণ দেন সেখানেও কোন প্রজাতি পরিবর্তন হয়ে যাওয়ার বা করে ফেলার উদাহরণ নেই। এ পর্যায়ে এসে তারা তাই বিভিন্ন কল্পনার আশ্রয় নেয়া শুরু করেন। একটি হাইপোথিসিসকে ডিফেন্ড করেন আরেকটি হাইপোথিসিস দিয়ে। এভাবে কল্পনা সমাহার নিয়ে খুলে ফেলেন আলাদা ডিসিপ্লিন।

       
      অন্য দিকে যারা বলছেন স্রষ্টা সৃষ্টি করেছেন তাদের পক্ষেও এটা এক্সপেরিমেন্টালী দেখানো সম্ভব নয়। তবে সম্ভব হল 'ইনডাইরেক্ট ইনফারেন্স' টানা। ঠিক যেমনি একটি ডিজাইন দেখলে একজন ডিজাইনারের হাত আমরা সাথে সাথেই বুঝে নেই, তেমনি স্রষ্টাতে কে চিনতে সৃষ্টি জগতের ডিজাইনগুলো  দেখে নেয়া এবং দেখিয়ে দেয়াই এদের জন্য যথেষ্ঠ। 

      এখন এ পর্যায়ে বিবর্তনবাদীদের তাদের তত্ত্ব প্রমাণ করতে হলে অবশ্যই দেখাতে হবে যে কোন ডিজাইন দূর্ঘটনা ক্রমে তৈরী হয় এবং ডারউইনবাদী প্রক্রিয়ায় একটি ডিজাইন থেকে আরেকটি ডিজাইন একা একা দূর্ঘটনার মধ্য দিয়ে আনগাইডেড প্রক্রিয়ায় (Randomly) আবির্ভূত হয়।  যেহেতু জীবের ফিজিওলজি থেকে শুরু করে মলিকিউলার বায়োলজি পর্যন্ত অনেক কিছুই এখন জানার সুযোগ হয়েছে, সেহেতু কিভাবে একা একাই পরিবর্তন হতে পারে সেগুলো প্রয়োজনীয় ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, গণিত দিয়ে ব্যাখ্যা করার দায়িত্ব তাদের। 

      আর এ প্রেক্ষিতেই আমার উপরের প্রশ্নগুলো করা। তবে যেখানে ১৫০ অ্যামাইনো এসিডের একটি মাঝারি সাইজের প্রোটিন আসার বিষয়টি তাদের পক্ষে ব্যাখ্যা করা অসম্ভব, সেখানে হাজার হাজার প্রোটিন, লিপিড, কার্বহাইড্রেট, নিউক্লিউটাইড এবং সর্বপোরি নার্ভাস সিস্টেমে ইনস্টলকৃত প্রোগ্রামকে ব্যাখ্যা করার কথা বললে যে তাদের 'ডেলিরিয়াম' শুরু হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক তা তাদের মন্তব্যেই বুঝা যায়।  
       

    2. 6.2
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      কমেন্টটির সাথে আরও কিছু কথা যোগ করে একটি পোস্ট-ই দিয়ে দিয়েছি। 

  3. 5
    এস. এম. রায়হান

    @সম্পাদক,
     
    ধূর্ত বর্ণবাদীরা মুসলিম নাম নিয়ে এই সদালাপে এসে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে ইচ্ছেমতো গালি দিয়ে যাবে, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবে, তা সহ্য করা যায় না। এর পর থেকে কোনো মুসলিম নামে ইসলাম ও মুসলিমদেরকে গালি দেওয়া মন্তব্য যেনো সদালাপে প্রকাশ করা না হয়।

  4. 4
    এস. এম. রায়হান

    মগাজিৎ রায়ের বর্ণমনা শিষ্য 'আবুল কালাম' লিখেছে-
     

    কোরানের বিশুদ্ধতা এবং এ সম্পর্কিত তাফসির ও কয়েকটি হাদিস

    ব্লগারের প্রোফাইল ছবি
    লিখেছেনঃ আবুল কালাম (তারিখঃ বুধবার, ২৭/০৩/২০১৩ -- ১৪:২৯)

    আমরা যখন কোরানের বিশুদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করি এমন ভাব করি যেন আল্লাহ আস্ত একটা ছাপা কোরানের বই নবির কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। আর তাই আমরা দাবী করি কোরান হলো বিশুদ্ধ ভাবে সংরক্ষিত আর যাতে কোন ভুল নেই। কিন্তু আমরা কোন খোজ খবর নেই না আসলে কোরান কিভাবে নবির কাছে নাজিল হয়েছিল, কিভাবেই তা সংরক্ষিত হয়েছিল। কিভাবে কোরানের বানী নবির কাছে নাজিল হতো সে সম্পর্কে একটা হাদিস দেখা যাক --

    আল বারা বর্ণিত- এ আয়াত নাজিল হলো- “যারা অলস ভাবে বসে থাকে তাদের মর্যাদা যারা আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করে তাদের সমান নয় (৪:৯৫)” নবী বললেন, “ যায়েদকে ডাক আর তাকে কালি ও হাড় আনতে বল”। অত:পর তিনি বললেন-“ লেখ ‘যারা অলসভাবে বসে থাকে—–” এবং তখন আমর বিন মাখতুম নামের এক অন্ধ লোক নবীর পিছনে বসে ছিল, সে বলল- “ হে আল্লাহর রসুল! আমার জন্য আপনার হুকুম কি রকম , আমি তো অন্ধ?” সুতরাং উক্ত আয়াতের পরিবর্তে নিচের আয়াত নাজিল হলো: ‘ যারা অক্ষম তারা বাদে যারা ঘরে বসে থাকে তাদের মর্যাদা যারা আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধ করে তাদের সমান নয়(কোরান, ৪:৯৫)’ সহি বোখারি, বই-৬১, হাদিস-৫১২

    তাহলে প্রশ্ন জাগে -- আল্লাহ যখন প্রথমে কোরানের বানী নবির কাছে পাঠিয়েছিল তা কি অসম্পূর্ণ বা ভুল ছিল ? নাকি জিব্রাইল ভুলভাবে নবির কাছে উপস্থাপন করেছিল? আমর বিন মাখতুম যদি বিষয়টা স্মরন না করিয়ে দিত তাহলে তো বিষয়টা ধরাই পড়ত না। মুহুর্তের মধ্যে কোরানের আয়াত পাল্টে যায় কেমনে ?

    ইবনে কাথিরের তাফসিরে খুবই আশ্চর্য একটা বর্ণনা আছে, যেমন-

    মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত আছে যে , হযরত উবাই ইবনে কা'ব হযরত জিরকে জিজ্ঞেস করলেন ," সূরা এ আহযাবে কতটি আয়াত গননা করা হয় ?" উত্তরে তিনি বলেন ," তিহাত্তরটি। " তখন হযরত উবাই ইবনে কা'ব বলেন, " না না , আমি তো দেখেছি সুরা আহযাবে সুরা বাকারার সমান সংখ্যক আয়াত গননা করা হতো। "

    সূত্র: তাফসির ইবনে কাথির , পৃষ্ঠা-৭৩৩, ১৫শ খন্ড, অনুবাদ : ড: মুজিবুর রহমান, প্রাক্তন অধ্যাপক ও সভাপতি, আরবী ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

    কিন্তু আমরা জানি সূরা বাকারতে আছে মোট ২৮৬ টি আয়াত , আর বর্তমানে সুরা আহযাবে আছে মাত্র ৭৩ টি আয়াত। তাহলে বাকী ২১৩ টি আয়াত সূরা আহযাব থেকে কোথায় গেল ? সেগুলো বর্তমান কোরানে নেই কেন ? ইবনে কাথির কি বানিয়ে বানিয়ে নিজের মন গড়া তথ্য দিয়ে কোরানের তাফসির করেছেন ?

    কোরানের আয়াতগুলো কতটা ঠিক ঠাক ভাবে সংকলিত হয়েছে তার আরও কিছু প্রমান , যেমন --

    আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বলেছেন যে ওমর ইবনে খাত্তাব বললেন- আল্লাহ সত্য সহকারে নবীর কাছে কোরান প্রেরন করেছিলেন যার মধ্যে পাথর ছুড়ে মারার শাস্তির কথা লেখা ছিল। আমরা সে কোরান তেলাওয়াত করতাম। আল্লাহর নবী নিজেই ব্যভিচারের শাস্তি স্বরূপ পাথর ছুড়ে মারার শাস্তি কার্যকর করেছিলেন আর তার মৃত্যুর পর আমরাও সেটা কার্যকর করেছি। আমার আশংকা হয় সময়ের সাথে সাথে লোকজন বলা বলি করবে- আমরা তো কোরানে ব্যভিচারের জন্য পাথর ছুড়ে মারার শাস্তির আয়াত দেখছি না। সহি মুসলিম, বই-১৭, হাদিস- ৪১৯৪

    বলা বাহুল্য বর্তমান কোরানে কিন্তু ব্যভিচারের শাস্তি পাথর ছুড়ে মারার আয়াত নেই। কিন্তু বেশ কিছু মুসলিম দেশে পাথর ছুড়ে হত্যার বিধান বর্তমান , যেমন -- আফগানিস্তান, সুদান ইত্যাদি।
    http://www.amarblog.com/abulkalam990/posts/163596

    1. 4.1
      নির্ভীক আস্তিক

      হা হা হা ! মজা তো। 🙂 তারা তাহলে এই জানে !!!!

  5. 3
    শাহবাজ নজরুল

    এমন সুন্দর বিষয় তুলে আনার জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ। বিষয়টা আগে জানা ছিলোনা। যতই জ্ঞান উন্মোচিত হচ্ছে ততই আল্লাহ্‌ সুবহানা তায়ালার নিখুঁত সৃষ্টিশীলতা সম্পর্কে জানা যাচ্ছে। এমন আরও চিন্তার খোরাক যুক্ত লেখা চাই।
    --শাহবাজ

    1. 3.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      ইনশাআল্লাহ। দোয়ার আহবান রইল।

  6. 2
    আবুল কালাম

    হারুন ইয়াহিয়া নামের এ লোক বিবর্তনবাদ সম্পর্কে কোন ধারনা রাখে যে দিব্বি ফালতু মন্তব্য করেছে । আর বিজ্ঞান শিখতে আমাদের কি হারুন ইয়াহিয়ার কাছে নাকি বিজ্ঞান বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়া উচিত ?
    এস এম রায়হান,
    আপনি কি সব জান্তা ? আপনি এই ছাগলের খুপির মধ্যে কিছু ছাগলের সাথে বসে বাত চিত করেন , কেউ কেউ বাহবা দেয়, তাতেই নিজেকে বিশাল কিছু একটা ভেবে বসে আছেন ? নাম আবার মুসলিম সাউন্ডিং ? হা হা হা পাগলে কি না কয় ছাগলে কি না খায়? নাম আবার কবে থেকে মুসলিম সাউন্ডিং হয়? আবু তালিব , মোহাম্মদের চাচা কাফির ছিল, মুহাম্মদের মা আমেনা বা তার পিতা আব্দুল্লাহ কাফির ছিল। মিশর ও অন্য অনেক আরব দেশে ইউসুফ, কালাম, হারুন  এসব নামের বহু খৃষ্টান ও ইহুদি আছে।  আর আপনাদের কিভাবে ধারনা হয় যে প্রতিটি মুসলমানা  একটা মুসলিম  ঘরে জন্ম গ্রহন করে অত:পর বড় হয়ে ইসলাম ভাল মতো জানতে পারে সে তখনও ইসলামকে আকড়ে থাকে ? কেন আপনারাই তো এখন শাহবাগের আন্দোলনকারীদেরকে নাস্তিক বলছেন। তো তাদের নাম কি মুসলিম সাউন্ডিং না ? আর আপনিই যে যথার্থ মুসলমান তারই বা প্রমান কি ? রায়হান নাম দেখে বড়জোর একথা বলা যেতে পারে যে হয়তবা আপনার জন্ম একটা মুসলিম পরিবারে , কিন্তু আপনি বড় হয়ে যে এখনও ইসলাম ধর্ম মেনে চলছেন এটা তো সত্য নাও হতে পারে , তা্ই না ? একটা মানুষ ধর্মকে জানার পর , তার মধ্যে শত রকমের আজগুবি কিচ্ছা কাহিনী ও বর্বর কর্মকান্ড দেখার পর সে সজ্ঞানে ধর্ম পরিত্যাগ করতে পারে, এই কমন সেন্স যার মাথায় নাই সে আসে ব্লগে পন্ডিতি করতে। হায় সেলুকাস, কি বিচিত্র এ প্রজাতি।

    1. 2.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      আবুল কালাম,
       
      আপনি পারলে দেখিয়ে দিন কিভাবে সরিসৃপ থেকে পাখির বিবর্তন হয়েছে। তবে নিচের বিষয়গুলোর ব্যাখ্যা অবশ্যই করবেন:

      ১) কিভাবে সরিসৃপের আকৃতি থেকে পাখির আকৃতি এল (অল্প অল্প পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে)। কিভাব সরিসৃপের ফুসফুস পাখির ফুসফুসে পরিণত হল?

      ২) কিভাবে পাখির উড্ডয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্লাইট মাসল এবং এর সাথে সংলিষ্ট ব্রেইনের কর্টিক্যাল আর্কিটেকচার ও তার  প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামিং এল? 

      ৩) কিভাবে সরিসৃপের 'Scale' পাখির পশমে পরিণত হল?

      ৪) কিভাবে সরিসৃপের ভারি হাড় পাখির হালকা হাড়ে পরিণত হল?

      ৫) কিভাবে এমব্রায়োলজিক্যাল পর্যায়ে এই পরিবর্তন গুলো সংঘটিত হল, অর্থাৎ যখন একটি জাইগোট থেকে বিভিন্ন কোষে বিভাজনের মধ্য দিয়ে পূর্ণ আকৃতির প্রানী আসছে সে পর্যায়ে পরিবর্তন আনার জন্য ডিএনএ লেভেলে কি কি পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে এবং ডিএনএ এক্সপ্রেশন নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রয়োজনীয় হিস্টোন মডিফিকেশনের পরিবর্তনগুলো কি কি?

      ৬) ডিএনএ এর মধ্যে কি কি তথ্য পরিবর্তন হল এবং তা কিভাবে হল? (কেননা মলিকিউলার লেভেলে পরিবর্তন চিন্তার করা ছাড়া এনাটমিক লেভেলের কিছু সাদৃশ্যপূর্ণ ছবি দেখা বোকামী) এক্ষেত্রে আপনি যদি বিভিন্ন মরফোজেনির এলিলি ডিস্ট্রিবিউশন নিয়ে বলতে চান, কিংবা Gene flow, Genetic drift ইত্যাদি দিয়ে ব্যাখ্যা করতে চান, কিংবা DNA transposon mediated Gene duplication and mutation দিয়ে ব্যাখ্যা করতে চান সেক্ষেত্রে primary gene এর Allele গুলো কিভাবে আসল সেটা অবশ্যই ব্যাখ্যা করবেন।  অথবা, পয়েন্ট, সাইলেন্ট বা মিসসেন্স মিউটেশন অথবা ইনসার্শণ ডিলেশন ইভেন্টের মধ্য দিয়ে কিভাবে তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল সেটাও ব্যাখ্যা করবেন
       
      প্রশ্নের উত্তরের অপেক্ষায় থাকলাম। এসব বিষয় ব্যাখ্যা না করে যদি শুধু লেখকের নামে গালমন্দ করাকেই যথেষ্ট মনে করেন তাহলে আপনার বিবর্তনের জ্ঞান কতটুকু তা আমাদের বুঝতে বাকি থাকবে না।

      1. 2.1.1
        এস. এম. রায়হান

        যেখানে 'আবুল কালাম'র দেবতুল্য গুরু আমাদের প্রশ্নের জবাব দিতে না পেরে আমাদেরকে সন্ত্রাসী বলে সেখানে আপনি তারই এক নির্বোধ মুরিদের কাছে থেকে কী জবাব আশা করতে পারেন! অধিকন্তু, তার ধর্ম অনুযায়ী সে নিজেই বিবর্তনবাদে বিশ্বাস করার কথা না। কিন্তু মুসলিম বিদ্বেষী বর্ণমনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে মুসলিম নাম নিয়ে বিবর্তনবাদকে ডিফেন্ড করার নামে মুসলিমদেরকে আক্রমণ করতে এসেছে। এই ধরণের অদ্ভুত ও প্রতিহিংসাপরায়ণ প্রজাতিকে অনেকদিন ধরেই দেখে আসছি।

        1. 2.1.1.1
          আহমেদ শরীফ

          বর্ণমনাদের প্রকৃত অবস্থা খুবই করুণ। একদিকে নিজেদের ধর্মের বিধানগুলো এতই উদ্ভট ও বিকট যে সেগুলো কিছুতেই মন থেকে মেনে নেয়া সম্ভব হয়ে ওঠে না, সেগুলোর বড় গলায় প্রকাশ-প্রচার করারও কোন উপায় শাস্ত্রবিদরা রাখেন নি। বিশেষতঃ এই যুগে সেগুলো সবার কাছে এতই বিদঘুটে শোনাবে যে উল্লেখকরণও তাদের জন্য পরম লজ্জাকর। হাজার হাজার বছর ধরে একই বৃত্তে ঘুরপাক খেতে থাকা সনাতনধর্মের আঞ্চলিক সংকীর্ণতাও একটা কারণ। আরো নানা কারণেই এই একবিংশ শতাব্দীর প্রেক্ষাপটে ভীষণ বিপাকে পড়ে শিক্ষিত হিন্দুসমাজ উভয় সংকটে _ সংকীর্ণ সামাজিক কূপমন্ডুকতার অপসাংষ্কৃতিক অভিশাপের শিকার হয়ে জাত্যাভিমানের কারণে ইসলাম গ্রহণ করতেও পারে না, আবার আধুনিক শিক্ষাদীক্ষা এমনকি স্বাভাবিক বোধবুদ্ধির সাথেও প্রচন্ড রকমের সাংঘর্ষিক হওয়ায় নিজ ধর্মে ঠিকমত থাকতেও পারে না। এই সবকিছুর ফসল হল উপর্যুপরি হতাশায় অধীর হয়ে কখনো 'বামপন্থা' কখনো 'বিজ্ঞান সমিতি' কখনো 'মানবতাবাদ' কখনো 'শিল্পসাহিত্য' 'সঙ্গীত' এসবকে আঁকড়ে ধরে আজকের আধুনিক বিশ্বসমাজে স্বজাতির 'অদ্ভূতুড়ে' ধর্মের উত্তরসূরী হওয়ার লজ্জা ভুলতে চায়, সেইসাথে নিজের মনকে মিথ্যা প্রবোধ দিয়ে শান্ত করতে চায়।

          সনাতনধর্মের শাস্ত্রবিদদের রচিত বিধানসমূহের খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নিয়ে সাধারণ পাবলিকের কোন মাথাব্যাথাই নেই। এসব নিয়ে খুব একটা আলোচনাও আজকাল শোনা যায় না। সেগুলো আলোচনা হলে এ যুগের মানুষ স্তব্ধ বিস্ময়ে শিহরিত, স্তম্ভিত হত।   

          *** হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ধারণামতে ‘মনু’ থেকে মানব আর মনুবাদ হচ্ছে ‘মানবতাবাদ’ বা মনুর বিধান। মনুর অনুশাসন বস্তুত হিন্দুর সংবিধান। মনুর বিধান বলতে ‘মনুসংহিতা’ বা ‘মনুস্মৃতি’। মনুস্মৃতিতে মোট ২৬৮৪ টি শ্লোক আছে। সময় পরিবর্তনের সাথে সমাজ পরিবর্তন হচ্ছে এর সাথে দেশের আইনের পরিবর্তন হচ্ছে, কিন্তু মনুর বিধানের আইন পরিবর্তন হচ্ছে না। কারণ মনুর বিধানকে বলা হয় ব্রহ্মার মুখনিঃসৃত বিধান।

          তো দেখা যাক 'মানবতাবাদ' এর কিছু নমুনা

          * শূদ্র সম্পর্কে মনু কি বলেনঃ

          ক) শূদ্র বা দাসদের নিজস্ব কোন সম্পত্তি রাখার অধিকার নেই।

          খ) দাস ও শূদ্রের ধন ব্রাহ্মণ অবাধে নিজের কাজে প্রয়োগ করবেন।

          গ) শূদ্র অর্থ সঞ্চয় করতে পারবে না। কারণ তাঁর সম্পদ থাকলে সে গর্বভরে ব্রাহ্মণের উপর অত্যাচার করতে পারে।

          ঘ) প্রভু কর্তৃক পরিত্যক্ত বস্ত্র, ছত্র, পাদুকা ও তোষক প্রভৃতি শূদ্র ব্যবহার করবে।

          ঙ) প্রভুর উচ্ছিষ্ট তাঁর ভক্ষ্য।

          চ) দাস বৃত্তি থেকে শূদ্রের কোন মুক্তি নেই।

          ছ) যজ্ঞের কোন দ্রব্য শূদ্র পাবে না।

          জ) ব্রাহ্মণের পরিবাদ বা নিন্দা করলে শূদ্রের জিহব্বাছেদন বিধেয়।

          ঝ) ব্রাহ্মণ শূদ্রের নিন্দা করলে যৎসামান্য জরিমানা দেয়।

          ঞ) ব্রাহ্মণ কর্তৃক শূদ্র হত্যা সামান্য পাপ। এই রুপে হত্যা পেঁচা, নকুল ও বিড়াল ইত্যাদি হত্যার সমান।

          ট) শূদ্র কর্তৃক ব্রাহ্মণ হত্যার বিচার মৃত্যুদণ্ড।

          ঠ) শূদ্র সত্য কথা বলছে কিনা তাঁর প্রমাণ হিসেবে তাকে দিব্যের আশ্রয় নিতে হবে। এতে তাকে জলন্ত অঙ্গারের ওপর দিয়ে হাটতে হয় অথবা জলে ডুবিয়ে রাখা হয়। অদগ্ধ অবস্থায় অথবা জলমগ্ন না হয়ে ফিরলে তাঁর কথা সত্য বলে বিবেচিত হবে।

          ড) দ্বিজকে (ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্য) প্রহার করলে শূদ্রের হাত কেটে ফেলা বিধেয়।

          ঢ) ব্রাহ্মণের সঙ্গে একাসনে বসলে তাঁর কটিদেশে তপ্তলৌহদ্বারা চিহ্ন একে তাকে নির্বাসিত করা হবে অথবা তাঁর নিতম্ব এমনভাবে ছেদন করা হবে যাতে তাঁর মৃত্যু হয়।

          ণ) দ্বিজের ন্যায় উপবীত বা অন্যান্য চিহ্ন ধারণ করলে শূদ্রের মৃত্যুদণ্ড বিধেয়।

          ত) যে পথ দিয়ে উচ্চ বর্ণের লোকেরা যাতায়াত করেন, সেই পথ শূদ্রের মৃতদেহও বহন করা যাবে না।

          এ ধরণের উক্তি যে ধর্মের শাস্ত্রবিদরা বলেন তারা কোন জায়গায় দাঁড়িয়ে বলেন তা দেখার বিষয়। কারন বিস্তৃত ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রত্যন্ত অঞ্চলে গেলেই স্পষ্ট বোঝা যায় যে তার রেশ এখনো কাটেনি। হয়তো মৃত্যুদন্ডের মত শাস্তি নেই। কিন্তু সেই মানসিকতা এখনো উঠে যায় নি।

        2. 2.1.1.2
          আবদুল্লাহ সাঈদ খান

          আসলেই রায়হান ভাই,  এই সকল ভণ্ড মুরিদদের বিজ্ঞানের দৌড় দেখা হয়ে গেছে।

      2. 2.1.2
        পাভেল আহমেদ

        সাইদ ভাইতো ফাটাইয়া ফালাইসেন। আপনার এই কয়েকটা প্রশ্নের পরেই কালাম সাহেব হয়ে যান গায়েব! আমার বিষয়টা একটু বিরক্তিকর লাগে যখন কেউ একজন বিজ্ঞানের সম্পর্কে ঠিকমতো কিছু না জেনে আজাইরা সব মন্তব্য করা শুরু করে।

    2. 2.2
      এস. এম. রায়হান

      আপনি একজন মুসলিম বিদ্বেষী বর্ণমনা। আপনার মানসিকতার কারো থেকে এর চেয়ে বেশী কিছু আশা করা যায় না।

      1. 2.2.1
        আহমেদ শরীফ

         
        মুসলিমবিদ্বেষী বর্ণমনাদের বিচিত্র, চমকপ্রদ কিছু কমন বৈশিষ্ট্য,
         
        # সর্বপ্রথম ওনাদের সম্পর্কে যা বলা যায় তা হলো, ওনারা হলেন সবজান্তা শমশের, বিজ্ঞান শুধু ওনারাই পড়েন এবং বুঝেন। পৃথিবীর সব 'বিজ্ঞান' ওনাদের দখলে। বাকী সব ধার্মিক লোকেরা হচ্ছেন গাধা। ওনারা যা বলবেন তাই ঠিক, বাকী সব ভুল।

        # যদি ওনাদের জিজ্ঞেস করা হয়, "আপনাদের নৈতিকতার ভিত্তি কি?? কোন জিনিসের ভাল মন্দ কিভাবে বিচার করেন??" ওনারা জবাব দেন "ভাল মন্দ এম্নিতেই বুঝা যায়।" (!)

        # বাক স্বাধীনতার নামে ইচ্ছা মত যখন যা খুশি বলবেন। বিভিন্ন্ ভাবে অন্য ধর্মের মানুষদের গালি দিবেন, উপহাস করবেন, কটুক্তি করবেন। কিন্তু কেউ যদি তাদের পারিবারিক ধর্মের বিরুদ্ধে কথা বলে তবে সে হয়ে যায় মৌলবাদী, ঊগ্রবাদী, যদিও মৌ্লবাদীর সংজ্ঞা ওনাদের কতটুকু জানা তা ওনারাই ভাল বলতে পারবেন।

        # মুক্তচিন্তার নামে নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ন গান, কবিতা, সাহিত্য রচনা করবেন। ফ্যাশন শো তে ছোট কাপড় পরিয়ে মেয়েদের হাটাবেন আর মজা লুটবেন, এটাই তাদের নারী অধিকার। আর অন্য কেউ যদি তার স্ত্রী বা মেয়ে কে শালীন কাপড় পরার কথা বলেন সে হয়ে যাবে মধ্য যুগীয় বর্বর, সেকেলে মানুষ, পুরুষতান্ত্রিক।

        # ইসলামে নারীর অধিকার নিয়ে পোষ্ট বা কিছু দেখলে তারা ঝাঁপিয়ে পরেন কুরুচি পূর্ন মন্তব্য করার জন্য। কিন্তু অন্য ধর্মে নারীর অবস্থান নিয়ে তাদের তেমন উৎসাহ দেখা যায় না। কারন তাদের টার্গেট পৃথিবীর সবচেয়ে দ্রুত প্রসারমান ধর্ম ইসলাম। সামনে পেলেই হল, একটু না একটু কালি লাগাতেই হবে।

        # হিজাব রক্ষা করা যাবে না। নারী অধিকারের নামে তাদের কে বিকিনি পরতে দেয়া হবে, ছোট ছোট কাপড় পড়ে মেয়েদের সাথে পার্টিতে যাওয়া যাবে, কিন্তু তারা নিজেরা ছোট কাপড় পরবেন না। টাই স্যুট পড়ে ফিট ফাট থাকবেন। কারন হিজাব করলে তো মেয়েদের আড় চোখে দেখা যাবে না ।

        # একাধিক বিয়ে করা যাবে না। বিয়ে করবেন একটি, কিন্তু বিবাহ বহির্ভূত ভাবে ১০ জনের সাথে অবৈধ ভাবে মেলামেশা করা যাবে। সেক্ষেত্রে তাদের কোন প্রতিবাদ নেই।

        1. 2.2.1.1
          নির্ভীক আস্তিক

          বক্তব্য এই  পোষ্টের সাথে অপ্রাসাঙ্গিক হয়ে যাচ্ছে ভাই। মন্তব্যের প্রতি সমর্থন আছে কিন্তু সেগুলো ভিন্ন পোষ্টে দিলে আমরা সেখানে আলোচনা করতে পারতাম।

        2. আহমেদ শরীফ

          সর্বপ্রথম ওনাদের সম্পর্কে যা বলা যায় তা হলো, ওনারা হলেন সবজান্তা শমশের, বিজ্ঞান শুধু ওনারাই পড়েন এবং বুঝেন। পৃথিবীর সব 'বিজ্ঞান' ওনাদের দখলে। বাকী সব ধার্মিক লোকেরা হচ্ছেন গাধা। ওনারা যা বলবেন তাই ঠিক, বাকী সব ভুল।

           
          মূল প্রসঙ্গ অতঃপর ঘটনাপ্রবাহের সাথে খুব একটা অপ্রাসঙ্গিক হয় নি।

        3. নির্ভীক আস্তিক

          @আহমেদ শরিফ ভাই, আমি আসলে এভাবে অভিযোগ করতে চাইনি। হিন্দুদের বর্ণবাদ নিয়ে যে সকল মন্তব্য এসেছে দেখা যাবে কিছুক্ষন পরে একজন উগ্র হিন্দু বা নাস্তিক এসে সেগুলো নিয়েই আলোচনা চালিয়ে যাবে। তাই কালামের মত ইঁচড়ে পাকা আর মোটাচামড়ার  লোকদের বেলায় উচিৎ অপ্রাসাঙ্গিক মন্তব্য করলে সেটাতে কাটা ছেড়া করে "অপ্রাসাঙ্গিক" ট্যাগ লাগিয়ে Bullying বন্ধ করে দেয়া। দু একদিন আগে জিয়াভাইয়ের এক পোষ্টে শামিমা আর বিদ্রোহী এসে যাচ্ছেতাই মন্তব্য করে সেপোষ্টে প্রাসাঙ্গিক আলোচনার কোন পরিবেশই রাখেনি।

          আশাকরি আমি যা বলতে চাচ্ছি বুঝতে পেরেছে। তবে আপনার এই মন্তব্যগুলো গুছিয়ে একটা পোষ্ট দিন। তাতেকরে উগ্র-বিদ্বেষী হিন্দু আর নাস্তিকদের মুখে ছুরে মারার জন্য একটি রেফারেন্স থাকবে।

  7. 1
    আবুল কালাম

    বিবর্তনবাদ সম্পর্কে বিন্দু মাত্র ধারনা না থাকার পরেও যদি কেউ বিবর্তনবাদের পন্ডিতি করতে চায় তারা এসব অর্থহীন কথা বার্তা বলবে আর কিছু বলদ আছে যারা এসব পড়ে বা শুনে বাহবা দিতে থাকবে। হায় সেলুকাস, কি বিচিত্র এ জাতি !

    1. 1.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      আপনার মন্তব্যটি পরিস্কার নয়। 'বিবর্তনবাদ সম্পর্কে ধারণা' বলতে কি বুঝাতে চাচ্ছেন? 'এসব অর্থহীন কথাবার্তা' বলতে কোন কথার কথা বলছেন?

    2. 1.2
      শাহবাজ নজরুল

      কমেন্ট পড়ে কিছুই বোঝা গেল না। পরিষ্কার করে বলুন কার বিবর্তনবাদ সম্পর্কে ধারণা নেই? আর কেন নেই?

    3. 1.3
      এস. এম. রায়হান

      বিবর্তনবাদ সম্পর্কে বিন্দু মাত্র ধারনা না থাকার পরেও যদি কেউ বিবর্তনবাদের পন্ডিতি করতে চায় তারা এসব অর্থহীন কথা বার্তা বলবে আর কিছু বলদ আছে যারা এসব পড়ে বা শুনে বাহবা দিতে থাকবে। হায় সেলুকাস, কি বিচিত্র এ জাতি !

      বর্ণবাদী হয়ে মুসলিম সাউণ্ডিং নাম [আপনাদের ভাষায় সন্ত্রাসী বা ছাগু] নিয়ে মুসলিমদেরকে আক্রমণ করতে লজ্জা করে না? বাবা-মা'র দেওয়া নামকে আপনারা এত ঘৃণা করেন কেনো? আর মুসলিম সাউণ্ডিং নামই বা আপনাদের এত পছন্দ কেনো? দুনিয়াতে আর নাম নাই? আপনি কি মগাচিৎ রায়ের মুরিদ? আপনাদের চেয়ে নীচু মানসিকতার প্রজাতি এই পৃথিবীতে দ্বিতীয়টি আছে কি?

Leave a Reply

Your email address will not be published.