«

»

Apr ১৮

‘নাস্তিকতা’ একটি অন্ধবিশ্বাস

ফিলোসফার অব সায়েন্স কার্ল পপারের সুন্দর একটি কথা আছে-

If a proposal or hypothesis cannot be tested in a way that could potentially falsify the proposal, then the proposer can offer any view without the possibility of its being contradicted. In that case, a proposal can offer any view without being disproved. [১]

এ হিসেবে নাস্তিকদের 'ডেটারমিনিস্ট ম্যাটেরিয়ালিস্ট' মতবাদটি একটি 'বিশ্বাস ব্যবস্থা' তথা একটি 'ধর্ম', নাস্তিকরা এই ডেটারমিনিস্ট ম্যাটেরিয়ালিস্ট ব্যবস্থার উপর 'বিশ্বাস' স্থাপন করে আল্লাহকে অস্বীকার করছে। লক্ষ্য করবেন, এদের সঙ্গে কথায় মাঝে মাঝে বিষয়টি পরিস্কার হয়ে উঠে। যেমন: এদেরকে ফাণ্ডামেন্টাল ফোর্সেস অব ইউনিভার্সের উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন করলে বলবে তা এমনি এমনি উদ্ভব হয়েছে। তাদের এই উত্তরটি যেমন তারা পরীক্ষা-নিরীক্ষা দ্বারা প্রমাণ করতে পারবে না, তেমনি তাদের এই উত্তরটিকে ভুল প্রমাণও করা যাবে না। কারণ এটি একটি 'বিশ্বাস'।

প্রশ্ন হল 'বিশ্বাস' হলে অসুবিধে কী? অসুবিধে আছে। মুসলিমরা বিশ্বাস করে এই ফোর্সগুলো আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন এবং মুসলিমরা কখনও দাবী করেনি যে এটা পরীক্ষা করে প্রমাণ করা যাবে। বরং মুসলিমরা এটাই বলছে যে 'এই ফোর্সগুলো আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন' এই কথাটায় 'বিশ্বাস' করাটাই ইসলামের দাবী।

"এটি আল্লাহর কিতাব, এর মধ্যে কোন সন্দেহ নেই ৷ এটি হিদায়াত সেই ‘মুত্তাকী’দের জন্য যারা অদৃশ্যে বিশ্বাস করে,  নামায কায়েম করে।" (সুরা বাকারা, আয়াত: ২-৩)

কিন্তু তথাকথিত নাস্তিকরা তাদের 'বিশ্বাস'কে একটি সায়েন্টিফিক ডিসগাইজ দিতে চাচ্ছে। তারা তাদের 'বিশ্বাস'কে বৈধতা দিতে বিজ্ঞানকে অপব্যবহার করছে। তারা এমন ভাবে বিজ্ঞানের কথা বলছে যেন তাদের এই ‘বিশ্বাস’ প্রকৃতপক্ষে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত সত্য। অথচ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাদের এই 'বিশ্বাস'গুলোও প্রমাণযোগ্য নয়।

ঈশ্বরকে মেনে নেয়ার দাবীটি বিশ্বাসের। সুতরাং যাদের মেনে নেয়া প্রমাণের উপর নির্ভরশীল, যেমন সৈকত চৌধুরী নামক একজন নাস্তিক রাহাত খানকে প্রতিমন্তব্য করতে গিয়ে বলেছিলেন:

কিন্তু কেউ যদি ঈশ্বরকে এখানে নিয়ে আসেন তবে তিনি তা প্রমাণ করুক…

তাদেরই বরং 'ঈশ্বর নেই' এটা প্রমাণ করা জরুরী। কেননা বিজ্ঞানের দাবী তারাই তুলছে।

এই তথাকথিত নাস্তিকরা যে চরম পর্যায়ের অন্ধ বিশ্বাসী তার প্রমাণ বিভিন্ন ভাবে পাবেন। যেমন বিবর্তনের ব্যাপারে বলতে গিয়ে যদি বলেন যে 'অসংখ্য' মধ্যবর্তী প্রজাতির ফসিল কোথায়। তারা বলবে প্যালিওন্টোলজী এখনও শুরুর পর্যায়ে, ভবিষ্যতে আবিস্কার হবে। অথচ গত দেড়শ বছরে ১০০ মিলিয়নের উপর ফসিল আবিস্কৃত হয়েছে, যাতে একটিও মধ্যবর্তী প্রজাতি নেই। [২]

সুপরিচিত ব্রিটিশ বিবর্তনবাদী ও জীবাশ্রমবিজ্ঞানী (প্যালেওন্টোলোজিস্ট) কলিন প্যাটারসন এই বিষয়ে স্বীকারোক্তি দেন-

No one has ever produced a species by mechanisms of natural selection. No one has ever got near it and most of the current argument in neo-Darwinism is about this question.

Natural selection is not a mechanism that produces anything new and thus causes species to change, nor does it work miracles such as causing a reptile to gradually turn into a bird. In the words of the well-known biologist D'Arcy Wentworth Thompson, "… we are entitled … to see in natural selection an inexorable force, whose function is not to create but to destroy—to weed, to prune, to cut down and to cast into the fire." [৩]

কেন ফসিল রেকর্ডে বিবর্তনের প্রমাণ নেই তা বিখ্যাত নিওডারউইনবাদী প্যালেওন্টোলজিস্ট স্টিভেন জে. গোল্ড এভাবে ব্যাখ্যা করেন-

The history of most fossil species includes two features particularly inconsistent with gradualism: 1. Stasis. Most species exhibit no directional change during their tenure on earth. They appear in the fossil record looking much the same as when they disappear; morphological change is usually limited and directionless. 2. Sudden appearance. In any local area, a species does not arise gradually by the steady transformation of its ancestors; it appears all at once and 'fully formed. [৪]

অন্যদিকে প্যালিওন্টোলজিস্ট নাইল্স এলড্রেজ জীবাশ্ম রেকর্ড দেখে বিবর্তনবাদীদের হতাশা ব্যক্ত করেন এভাবে:

No wonder paleontologists shied away from evolution for so long. It seems never to happen. Assiduous collecting up cliff faces yields zigzags, minor oscillations, and the very occasional slight accumulation of change over millions of years, at a rate too slow to really account for all the prodigious change that has occurred in evolutionary history. [৫]

সুতরাং তাদের দাবীটির ভিত্তি হল ‘অন্ধবিশ্বাস’।

তারা বলবে মিউটেশনের মধ্য দিয়ে বিবর্তন হচ্ছে। অথচ অসংখ্য পরীক্ষাগারে কোটি কোটি মিউটেশনের ঘটনা ঘটানো হয়েছে, এখন পর্যন্ত একটি উদাহরণও নেই যে মিউটেশনের মাধ্যমে একটি ব্যাকটেরিয়া প্রজাতি আরেকটি ব্যাকটেরিয়া প্রজাতিতে পরিণত হয়েছে। অপেক্ষাকৃত বড় প্রাণীদের ব্যাপারে তারা বলবে যেহেতু বিবর্তন হতে মিলিয়ন মিলিয়ন বছর পার হতে হয়, ফলে আমাদের পক্ষে এই বিবর্তন পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব নয়। (যে কথাটা লুকিয়ে আছে: ‘বিবর্তন’ বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব হলে কি হবে? আমরা ‘বিশ্বাস’ করে ধরেই নিয়েছি যে বিবর্তন হয়েছে) কিন্তু ব্যাকটেরিয়ার ব্যাপারটাতে তাদের গল্পটি কী? ব্যাকটেরিয়ার ‘জেনারেশন টাইম’ তো খুব দ্রুত। (ব্যাকটেরিয়ার একটি নির্দিষ্ট কলোনী যে সময়ে সংখ্যায় ঠিক দ্বিগুন হয়ে যায় তাকে বলে জেনারেশন টাইম) পরীক্ষাগারে বিজ্ঞান জগতে খুব পরিচিত ব্যাকটেরিয়া E. coli এর জেনারেশন টাইম মাত্র বিশ মিনিট। অর্থাৎ যদি E. coli এর একটি ১০০ ব্যাকটেরিয়ার কলোনী নেয়া হয় তবে বিশ মিনিটের মধ্যে সেটি ২০০ ব্যাকটেরিয়ার কলোনীতে পরিণত হবে। [৬]

এখন পর্যন্ত ব্যাকটেরিয়া নিয়ে ডারউইনবাদী বিবর্তনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষাটি করেছেন বিবর্তনবাদী বিজ্ঞানী রিচার্ড লেনস্কি। সেই ১৯৮৮ সাল থেকে পরীক্ষা শুরু হয়েছে, এখনও চলছে। ২০১২ সাল নাগাদ E. coli-র ৫০০০০ জেনারেশন পার হয়েছে। এগুলো নিয়ে পরীক্ষা করা হয়েছে, প্রতি ৫০০ জেনারেশন পর E. coli-র স্ট্রেইনগুলো নিয়ে সেগুলোর জেনেটিক স্টাডি করা হয়েছে। অথচ, এখনও পর্যন্ত E. coli, E. coli-ই রয়ে গেছে! [৭]

তারপরও এই পরীক্ষা অব্যাহত রাখা হয়েছে, এই ‘বিশ্বাস’-এ যে ডারউইনবাদ প্রমাণিত হবেই। অথচ মিউটেশনের মধ্য দিয়ে আদৌ কি কোন ডারউইনবাদী বিবর্তন সম্ভব? বিজ্ঞানীরা খুব ভালমতই জানেন যে প্রাণীকোষে কোন ‘জেনেটিক ইরর’ হয়ে গেলে সেটা সংশোধনের জন্য প্রাণীকোষেই অত্যন্ত পরিকল্পিত সিস্টেম তৈরী করা আছে। ফলে কোন মিউটেশন হয়ে তা পরবর্তী জেনারেশনে সঞ্চালিত হওয়ার সম্ভবনা নগন্য। প্রকৃতপক্ষে, অধিকাংশ জ্বিনের মিউটেশনের হার হল প্রতি ১,০০,০০০-এ একটা এবং যে মিউটেশনগুলো হয় তার অধিকাংশই ক্ষতিকারক। [৮]

এরপরও যদি ধরে নেয়া হয় যে মিউটেশন উপকারী হতে পারে, তারপরও মিউটেশনের মাধ্যমে জ্বিন পরিবর্তন হয়ে একটি নতুন বৈশিষ্ট্য অভিযোজন হতে যে পরিমাণ সময় দরকার তা বিবর্তনবাদীদের কল্পনার জন্যও বেশী। অন্তত এম.আই.টি-র প্রফেসর মুরে এডেন এবং বিবর্তনবাদী জর্জ গেইলর্ড সিম্পসনের হিসেব থেকে সেটাই বোঝা যায়:

In a paper titled "The Inadequacy of Neo-Darwinian Evolution As a Scientific Theory," Professor Murray Eden from the MIT (Massachusetts Institute of Technology) Faculty of Electrical Engineering showed that if it required a mere six mutations to bring about an adaptive change, this would occur by chance only once in a billion years – while, if two dozen genes were involved, it would require 10,000,000,000 years, which is much longer than the age of the Earth. [৯]

The evolutionist George G. Simpson has performed a calculation regarding the mutation claim in question. He admitted that in a community of 100 million individuals, which could hypothetically produce a new generation every day, a positive outcome from mutations would only take place once every 274 billion years. That number is many times greater than the age of the Earth, estimated to be at 4.5 billion years old. These, of course, are all calculations assuming that mutations have a positive effect on the generations which gave rise to them, and on subsequent generations; but no such assumption applies in the real world. [১০]

তথাপি নাস্তিকরা কেন মিউটশনকে বিবর্তন সংঘটনের ‘প্রভু’ মনে করে? উত্তর ‘অন্ধবিশ্বাস’; এছাড়া, বিলিয়ন বছরের ব্যবধানে কোন জীব মিউটেশনের মধ্য দিয়ে অন্য একটি জীবে পরিবর্তিত হয়নি তার প্রমাণ হল ৩.৫ বিলিয়ন বছর পুরোনো আর্কিয়া (বা আর্কিব্যাকটেরিয়া); বিলিয়ন বছর আগেও যেমন তাদের উত্তপ্ত ঝরণায় পাওয়া যেত, আজও তাদের গ্র্যাণ্ড প্রিজমেটিক লেকের মত উত্তপ্ত জলাশয়ে পাওয়া যায়। [১১]

বিবর্তনবাদীদের তথাকথিত প্রথম কোষটি কিভাবে উদ্ভব হল সে বিষয়ে তো এখনও প্রশ্ন করাই হয়নি। 'কোষ' বললে বিষয়টি অনেক জটিল হয়ে যায়, ১৫০ অ্যামাইনো এসিড সম্বলিত একটি মাঝারি আকৃতির প্রোটিন কিভাবে দৈবাৎ দূর্ঘটনার মধ্য দিয়ে এলো সেটাই না হয় ব্যাখ্যা করুক। অথচ,

ডগলাস এক্স যে বিষয়গুলো সম্ভাব্যতা কমাতে পারে সেগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে (অর্থাৎ বাদ দিয়ে) ১৫০টি অ্যামাইনো এসিডের একটি প্রোটিন তৈরী দূর্ঘটনাক্রমে হওয়ার সম্ভাব্যতা হিসেব করেছেন ১০ এর পরে ১৬৪টি শূন্য বসালে যে সংখ্যাটি হয় (তথা ১০১৬৪) এর মধ্যে ১ বার। বিল ডেম্ব্সকি হিসেব করে দেখিয়েছেন আমাদের দর্শনযোগ্য মহাবিশ্বে ১০৮০টি এলিমেন্টারি পার্টিকল আছে, বিগব্যাং থেকে এখন পর্যন্ত ১০১৬ সেকেণ্ড পার হয়েছে এবং দুটো বস্তুর মধ্যে যে কোন বিক্রিয়া প্ল্যাঙ্কটাইম ১০-৪৩ সেকেণ্ড এর চেয়ে কম সময়ে হতে পারে না। এ সবগুলো সংখ্যাকে একত্রিত করলে দাড়ায় ১০১৩৯; অর্থাৎ মহাবিশ্বের বয়স, মহাবিশ্বের গাঠনিক এলিমেন্টারি পার্টিকেলের সংখ্যা এবং পার্টিকেলের মধ্যে বিক্রিয়া হতে ন্যূনতম প্রয়োজনীয় সময়কে একত্রে বিবেচনার পরও উপর্যুক্ত প্রোটিনটি তৈরী হওয়ার সম্ভাব্যতা ট্রিলিয়ন ভাগ পিছিয়ে পড়ে। সহজ কথায় উক্ত প্রোটিনটি তৈরী হতে এখন বিলিয়ন ট্রিলিয়ন সেকেণ্ড (১০২৫ বা ১০০০০০০০০০০০০০০০০০০০০ বা দশ লক্ষ কোটি কোটি সেকেণ্ড বা একত্রিশ কোটি বিলিয়ন বছর) অতিবাহিত হতে হবে। [১২, ১৩]

কিন্তু নাস্তিকরা বলে উঠবে 'সম্ভাব্যতার বিষয়টা আপনি বুঝেননি'; কারণ, নাস্তিকদের অন্ধবিশ্বাস অনুযায়ী যে কোন অসম্ভব ঘটনা যা ঘটানোর জন্য সুপরিকল্পিত কাঠামো, ডিজাইন এবং জ্ঞান দরকার তা দূর্ঘটনাক্রমে (by chance) সম্ভব হয় (!)

রেজওয়ান আহমেদের সাথে ফেসবুকে আমার একটি তর্ক হয়েছিল বিবর্তনবাদ নিয়ে, শেষ পর্যায়ে এসে তার মন্তব্যটি এরকম:

Abdullah Saeed Khan: আপনি যতগুলো প্রানির নাম নিলেন, তাদের টিকে থাকার ইতিহাস খুজতে গেলে তো খবর আছে। আপনিয়েই বরং নিয়েন, তবে আমার কাছে মনে হচ্ছে "survival the fittest" নিয়ামকটাই হয়ত এদের টিকে থাকার কারণ। আর আমি যা দেখছি আপনি বিবর্তনের সমালোচনা করতেছেন কিন্তু refuse করতেছেন না। বিজ্ঞানের মুল মজা তো যোগ্য সমালচনায়। যাই হোক আজকে আলোচনা করে ভাল লাগল। ভাল থাকিয়েন। [১৪]

সুতরাং কাদের বিশ্বাসটি যে 'অন্ধবিশ্বাস' সেটি স্পষ্ট বুঝা যায়। পরিশেষে নাস্তিকতা নামক অন্ধ বিশ্বাসের আরেকটি উদাহরণ দিয়ে পোস্টটি শেষ করছি:

In this philosophy (Determinist Materialist), observable matter is the only reality and everything, including thought, will, and feeling, can be explained only in terms of matter and the natural laws that govern matter. The eminent scientist Francis Crick (codiscoverer of the genetic molecular code) states this view elegantly (Crick and Koch, 1998): “You, your joys and your sorrows, your memories and your ambitions, your sense of personal identity and free will, are in fact no more than the behavior of a vast assembly of nerve cells and their associated molecules. As Lewis Carroll’s Alice might have phrased it: ‘You’re nothing but a pack of neurons (nerve cells).’” According to this determinist view, your awareness of yourself and the world around you is simply the by-product or epiphenomenon of neuronal activities, with no independent ability to affect or control neuronal activities.

Is this position a “proven” scientific theory? I shall state, straight out, that this determinist materialist view is a “belief system”; it is not a scientific theory that has been verified by direct tests. It is true that scientific discoveries have increasingly produced powerful evidence for the ways in which mental abilities, and even the nature of one’s personality, are dependent on, and can be controlled by, specific structures and functions of the brain. However, the nonphysical nature of subjective awareness including the feelings of spirituality, creativity, conscious will, and imagination, is not describable or explainable directly by the physical evidence alone. [১৫]

তথ্যসূত্র:

[১] Benjamin Libet, Mind Time: The Temporal Factors in Consciousness; page: 3
[২] http://www.harunyahya.com/en/Brief-Explanations/4793/FOSSILS-HAVE-DISCREDITED-EVOLUTION

[৩] Colin Patterson, "Cladistics", Brian Leek ile Röportaj, Peter Franz, 4 Mart 1982, BBC;

Lee M. Spetner, Not By Chance, Shattering the Modern Theory of Evolution, The Judaica Press Inc., 1997, s. 175
Retrieved from:
http://www.harunyahya.com/en/books/152365/Atlas-Of-Creation—Volume-4-/chapter/14297/Part-3—Darwinists-have-Deceived-the-Whole-World-with-Frauds—2

 

[৪] Stephen J. Gould, "Evolution's Erratic Pace," Natural History, Vol. 86, No. 5, May 1977, p. 14 [Emphasis added]

[৫] Niles Eldredge, Reinventing Darwin: The Great Evolutionary Debate, [1995], phoenix: London, 1996, p. 9; Retrieved from: http://www.living-fossils.com/2_1.php

[৬] http://textbookofbacteriology.net/growth_3.html

[৭] http://myxo.css.msu.edu/ecoli/overview.html

[৮] William A. Dembski, Jonathan Wells, The Design in Life, Page: 44 

[৯] Gordon Rattray Taylor, The Great Evolution Mystery, Sphere Books Ltd., 1984, s. 4; Retrieved from: http://www.harunyahya.com/en/books/152365/Atlas-Of-Creation—Volume-4-/chapter/14297/Part-3—Darwinists-have-Deceived-the-Whole-World-with-Frauds—2

[১০] Nicholas Comninellis, Creative Defense, Evidence Against Evolution, Master Books, 2001, s. 81
Retrieved from: http://www.harunyahya.com/en/books/152365/Atlas-Of-Creation—Volume-4-/chapter/14297/Part-3—Darwinists-have-Deceived-the-Whole-World-with-Frauds—2 [Emphasis added]

[১১] আর্কিব্যাকটেরিয়া থেকে আর্কিঁয়া: বিবর্তনবাদীদের অস্বস্থি

[১২] Stephen C. Meyer, Signature in The Cell;

[১৩] পাভেল আহমেদ, বিবর্তনবাদ ও তার সমস্যা – ৭: সম্ভাবনার অসম্ভাব্যতা ২ বিবর্তনবাদ ও তার সমস্যা – ৮: সম্ভাবনার অসম্ভাব্যতা ৩ (ছক্কা বনাম প্রোটিন)

[১৪] প্রোটিনের গঠনে আল্লাহর নিদর্শণ

[১৫] Benjamin Libet, Mind Time: The Temporal Factors in Consciousness; page: 4,5 [Emphasis added]

২৪ comments

Skip to comment form

  1. 11
    ইমরান হাসান

    সাঈদ ভাই আর্কিব্যাকটেরিয়া নিয়ে আপনা র যে বক্তব্য ছিল সেতার জবাবে রেজয়ান আহমেদ এর বক্তব্য পড়ে আমার হাসি পেয়ে গেছিল। 
    যে সে এটাকেও সারভাইভাল অব দ্যা ফিটেসট থিওরি এর মধ্যে ফেলে দিতে চেয়েছিল তার জবাব টা ছিল এই রকম " ওই আর্কিব্যাকটেরিয়া ওটা তো মহাচিজ সারভাইভাল অব দ্যা ফিটেসট" 
    এখানে রিচারড ডকিন্স এর একটা যে প্রমান করার প্রচেষ্টা ছিল এটাতে তিনি আবার সিম্পল অ্যালগরিদম ইউজ করেছিলেন(!) 
    অথচ আমরা জানি যে যে কোন প্রকারের গানিতিক সমীকরণ কোন বুদ্ধিমান উৎস ছাড়া ১০০% অসম্ভব। আর পাভেল ভাই এর জন্যও কিছু কথা আছে সেটা তার কমেন্ট এর নিচে বলছি। 

  2. 10
    শাহবাজ নজরুল

    এটাকে বলে বিজ্ঞানভিত্তিক লেখা -- কোনো মুক্তমনার (?) অখাদ্য ছদ্মবিজ্ঞান নয়। আপনি যেভাবে  লজিক্যাল ডিডাকশন করলেন -- অসাধারণ!! অভিজিৎ রায় পারে তো এই লেখায় ওঠা যুক্তিগুলো ভাঙ্গুক। আছে ভেন্টরের স্টান্টবাজি আর হকিংয়ের 'অগাধ বিশ্বাস'কে বিজ্ঞান বলে চলিয়ে দেয়ার তালে। কোরানে বিজ্ঞান খোঁজার প্রবণতাকে সমালোচনা করে নিজে আছেন 'বিজ্ঞানের' মধ্যে নাস্তিকতার সন্ধানে। ভণ্ড আর করে কয়!!! ভাবে যাই বলবে তাই লোকে খাবে -- কেউ চ্যালেঞ্জ করবেনা। যদি মনার বিজ্ঞানের আলোকে আলোকিত লোকজন আসলেই বিজ্ঞানের পুজারী হন তবে আব্দুল্লাহ সাইদের এই লেখাতে যে প্রমাণ করলেন -- 'নাস্তিকতা একটা অন্ধ বিশ্বাস' তা যৌক্তিক ভাবে খণ্ডন করুক।
     
    আব্দুল্লাহ ভাই এটা একটা অসাধারণ লেখা। আমি তো মনে করছি এটা 'এডিটরস চয়েসে' রাখার মত লেখা। সম্পাদক সাহেবকে ভেবে দেখার অনুরোধ রইল। সামনে আলোচনা নিয়ে আসছি।

    1. 10.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      শাহবাজ ভাই, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার উৎসাহের জন্য। আপনার অনুপ্রেরণায় লেখাটি সম্ভব হয়েছে বলব।  আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন। 

      তবে, আমি কিছুটা হতাশ। আমি ভেবেছিলাম এই পোস্টের পর মুক্তমনারা আর্কিওপটেরিক্স, লিউজিওরনিস, কনফুসিওসরনিস, মাইক্রোর‍্যাপটর গুই; ইকথায়োস্টেগা, টিকতালিক রোজি; কোয়েলাকান্থ; এম্বুলোসিটাস, রোডোসিটাস; মাইয়োহিপ্পাস, ইউহিপ্পাস; আর্দিপিথেকাস র‍্যামিদাস, স্যাহেলেনথ্রোপাস, জাভা ম্যান, পিকিং ম্যান, নিয়েণ্ডারথ্যাল; কিংবা সাইট্রেট ইউটিলাইজিং ই. কোলাই, নাইলোনেজ প্রডিউসিং ব্যাকটেরিয়া; অথবা, চোখবিহীন কেভফিশ; বা,  ইভ্যুলিউশনারী আলগরিদম উইজেল, ইভ, টিয়েরা, এভিদা; সর্বোপরি, 'জাঙ্ক ডিএনএ'  ইত্যাদি 'গল্প' নিয়ে ঝাপিয়ে পড়বে।  
       
      হয়ত এর চেয়ে ভাল গল্পও থাকতে পারে। যেমন, মিউটেশন কিভাবে কিভাবে এমব্রায়োলজিক্যাল পর্যায়ে বিভিন্ন পরিবর্তনগুলো সংঘটিত করে, অর্থাৎ যখন একটি জাইগোট থেকে বিভিন্ন কোষে বিভাজনের মধ্য দিয়ে পূর্ণ আকৃতির প্রানী আসছে সে পর্যায়ের ডিএনএ এক্সপ্রেসন প্রোগ্রামিং-এ  পরিবর্তন আনার জন্য ডিএনএ লেভেলে কি কি পরিবর্তন সংঘটিত হয়েছে এবং ডিএনএ এক্সপ্রেশন নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রয়োজনীয় হিস্টোন মডিফিকেশনের পরিবর্তনগুলো কি কি? এবং বিবর্তনের বিভিন্ন ধাপে ডিএনএ এর মধ্যে কি কি তথ্য পরিবর্তন হল এবং তা কিভাবে হল? (কেননা মলিকিউলার লেভেলে পরিবর্তন চিন্তার করা ছাড়া এনাটমিক লেভেলের কিছু সাদৃশ্যপূর্ণ ছবি দেখা বোকামী) এক্ষেত্রে বিভিন্ন মরফোজেনির এলিলি ডিস্ট্রিবিউশন কিংবা Gene flow, Genetic drift ইত্যাদি দিয়ে ব্যাখ্যা করতে চাইলে, কিংবা DNA transposon mediated Gene duplication and mutation দিয়ে ব্যাখ্যা করতে চাইলে, primary gene এর Allele গুলো কিভাবে দূর্ঘটনার মধ্য দিয়ে আসল সে ধরণের গল্প নিয়ে আসবে।  অথবা, পয়েন্ট, সাইলেন্ট বা মিসসেন্স মিউটেশন অথবা ইনসার্শণ ডিলেশন ইভেন্টের মধ্য দিয়ে কিভাবে তথ্যের গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হল সেটার ব্যাখ্যা সম্বলিত 'গল্প' থাকবে বলেও আশা করেছিলাম।  

  3. 9
    এস. এম. রায়হান

    বিজ্ঞানীরা কেনো বিবর্তনবাদের কল্পকাহিনীতে বিশ্বাস করে -- কিংবা নিদেনপক্ষে বিবর্তনবাদীদের সাথে বাহাসে যেতে চায় না -- এ নিয়ে আমার একটি লেখা আছে। এই লেখাটি পড়লে পুরো ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে।

  4. 8
    কিংশুক

    দূর্দান্ত জবাব দিয়েছেন ভাই। নব্য নাস্তিকদের ধারনা বিজ্ঞান মানেই নাস্তিকতা, বৈজ্ঞানিক মানেই নাস্তিক, যুক্তি-বিজ্ঞান মানলে নাস্তিক হওয়া ছাড়া উপায় নেই, আস্তিক মানেই প্রাগৈতিহাসিক, নির্বোধ মধ্যযুগীয় কিংবা প্রাক সভ্যতা যুগের রুপকথার জগতে ডুবে থেকে বিজ্ঞান, যুক্তির অস্বীকার করে বেঁচে থাকা অসম্পূর্ণ নিম্ন মানব। চমৎকার পরিশ্রমী লেখা। স্যালুট আপনাকে।

    1. 8.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      পশ্চিমা বিশ্বের বিজ্ঞানীদের বিশাল একটি অংশ বিবর্তনবাদ নামক ধোঁকার শিকার। কারণ, তাদেরকে ছোট বেলা থেকে কিছু বিবর্তনবাদের 'আইকন' শিখিয়ে দেয়া হয় যখন এর বিরুদ্ধে বলার মত যোগ্যতা তাদের হয়নি। পরবর্তীতে এরা যখন বিভিন্ন বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় চলে যায় তারা বিবর্তনবাদ নিয়ে অত বিস্তারিত পড়ে না। কিন্ত তারা যখন দেখে বিবর্তনবাদ নিয়ে আলাদা বিভাগ খোলা হয়েছে, পিয়ার রিভিউড জার্নালে তাদের আর্টিকল প্রকাশিত হচ্ছে, বিভিন্ন পপুলার সাইন্স নিউজগুলোতে এই তথ্য প্রকাশ হচ্ছে, তারা ধরেই নেয় যে বিবর্তনবাদ প্রমাণিত তত্ত্ব। আর যারা বিবর্তনবাদ সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোতে যায় তারা চরম অন্ধবিশ্বাস থেকেই তাদের কাজ পরিচালনা করতে থাকে। কেউ কেউ অবশ্য ইচ্ছাকৃত ভাবেই বিবর্তন প্রচারে আত্মনিয়োগ করে।

      প্রকৃতপক্ষে এর পিছনে কাজ করছে ফাইনেন্সিং এজেন্সিদের বিশাল একটি চক্র। আর এই চক্রের ভিতরে আছে কর্পোরেট মোগল তথা এথিস্ট ফ্রিম্যাসনরি তথা স্যাটানিস্ট। রসচাইল্ড, রকেফেলার, মর্গ্যান, ওয়ারবুর্গ এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি নাম।

  5. 7
    সুজন সালেহীন

    নাস্তিক হওয়ার পক্ষে দুটো কারণ দেখছি-

    ক) সৃষ্টির রহস্য বুঝে কুলিয়ে উঠতে পারেনা বলে। এইভাগে পড়তে পারে বিশিষ্ট বিজ্ঞানীরা।

    খ) কোন জবাবদিহিতাবোধ না রেখে বাঁধনছাড়া হওয়া। যাতে নানান অসমাজিক কাজে লিপ্ত হলেও একধরণের রোমাঞ্চ অনুভব করে। যাকে বলে উচ্ছন্নে যাওয়া। এইভাগে পড়তে পারে আমাদের দেশের কতিপয় আঁতেলরা।

    কিন্তু আমার একটা প্রশ্ন- নাস্তিকরা কোন মাইলফলককে সামনে রেখে তাদের নৈতিকতাকে কিভাবে টিকিয়ে রাখবে?

    1. 7.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      একজন বিজ্ঞানী সে যত বড়ই জ্ঞানী হোক না কেন তার সীমাবদ্ধতা হল সে মানুষ। একজন মানুষের পক্ষে পৃথিবীর সকল ডিসিপ্লিনের এক্সপার্ট হওয়া সম্ভব নয়। মানুষের এই দূর্বলতা স্বীকার করে নেয়া হচ্ছে বিনয় আর স্বীকার না করা হল অহংকার। তথাকথিত বিবর্তনবাদীরা এই অহংকারের রোগে আক্রান্ত। তবে অধিকাংশ বিজ্ঞানীরা নাস্তিক হওয়ার কারণ দুটো, হয় তারা বিবর্তনবাদ নামক ডগমায় অন্ধ বিশ্বাসী নয়ত তারা বিবর্তনবাদ নামক ধোঁকার শিকার।

  6. 6
    আবদুল্লাহ সাঈদ খান

    ফেসবুকে মো. আল ফাত্তাহ প্রিতম ভাইয়ের এ সম্পর্কিত একটি চমৎকার নোট আছে। এই নোটটি পড়বার অনুরোধ থাকবে।

     

    ল্যাঞ্জা ইজ ভেরি ডিফিকাল্ট থিং টু হাইড !!!!!!!!

    1. 6.1
      পাভেল আহমেদ

      এইটা আমি পড়ছিলাম! মজাও পাইছিলাম! laugh

  7. 5
    পাভেল আহমেদ

    সাঈদ ভাই, আপনার আর রেজওয়ানের ওই আলোচনাটা আমি পুরাপুরি পড়েছিলাম। আপনি তো জানেনই যে আমি নিজেও তার সাথে আলোচনা করেছি কয়েকবার। কিন্তু এক পর্যায়ে তার সাথে আলোচনা করাটা পেইন হয়ে যায়। কারন যা কিছুই বলা হোক না কেন সেই ঘুরি ফিরি বটের তল। সালিসও মানি না আর তালগাছ তো আমারই!!!!! আমার সবেচেয়ে আশ্চর্য লেগেছিল যখন লোকটা ১২ টা ছক্কায় ১২ টা ৬ একসাথে উঠার ব্যাপারে যে ব্যাখ্যাটি দেয়। ব্যাখ্যাটি হল-

    ১২ টি ছক্কা নিয়ে কথা বলছি। আপনি উল্লেখ করেছেন ১২ টি একসাথে ফেল্লে সবকটি ৬ হবার সম্ভাবনা ২,১৭৬,৭৮২,৩৩৬ এর মধ্যে ১ টি। কিছু randomness trial দিতে চাচ্ছি। ধরুন ১২ জন লোক ১ টি করে ছক্কা হাতে নিয়ে আছে। সবাই মিলে ১ টি trial দিলে খুব বড়জোর ৫ থেকে ১০ sec লাগবে। প্রতি মিনিটে ৬ টি trial দেয়া সম্ভব। সেই হিসাবে প্রতি বছরে 6*60*24*365=31,53,600 বার trial সম্ভব।সেই হিসাবে ৬৯০ বছর লাগবে ১২ টি ছক্কা ফেললে সবকয়টি ৬ হবার। প্রসঙ্গে বলে রাখি এমনও হতে পারে আপনি ১,০০০,০০০,০০০ টি trial দিলে আগেই সবকয়টি ৬ একসাথে পাবেন…কিম্বা আরও আগেই সম্ভব। তখন কিন্তু আপনি অর্ধেক সময়ের আগেই [আরও আগেই] সব কটি ৬ একসাথে পাবেন। এখন কি সংখ্যাটাকে অবাস্তব বলে মনে হচ্ছে?

    পরে আমি জানতে পারি যে এই লোক নাকি একজন ইঞ্জিনিয়ার! আমার কথা হল যে এই লোক ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করল কিভাবে?!?!?!?!?! সাধারন একটা সম্ভাব্যতার অংককে সে যেভাবে ব্যাখ্যা করল তাতে তো আমি বলতে বাধ্য হচ্ছি যে এই লোক এমনকি এইচ.এস.সি পাস করারও যোগ্য না। আমি ব্যাখ্যা পর্যন্ত করে দিয়েছিলাম যে কেন তার ব্যাখ্যাটি ইনভেলিড হবে এবং অংক পর্যন্ত তুলে দিয়েছিলাম বোর্ডের বই থেকে কিন্তু তারপরও যাহা লাউ তাহাই কদু এই মর্মে বিশ্বাসী ছিল রেজওয়ান নামধারী এই বিবর্তনবাদী ইঞ্জিনিয়ার!!!!!

    তবে একটা ব্যাপার হল যে আমার রিসেন্ট পোস্টটি করা লেখাটি অর্থাৎ
    বিবর্তনবাদ ও তার সমস্যা ৮ – সম্ভাবনার অসম্ভাব্যতা ৩ (ছক্কা বনাম প্রোটিন)
    এই পর্বটি লেখার পিছনে প্রভাবক হিসেবে কিন্তু এই রেজওয়ান আহমেদেরই অবদান ছিল। তার সাথে করা আলোচনার কারনেই আমার মাথায় এই লেখাটি লেখার আইডিয়া আসে। পেইন হলেও বলতে হবে যে তার সাথে আলোচনার কিছু ভালো দিকও ছিল।

    1. 5.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      রেজওয়ান আহমেদ তার যুক্তিতে 'Gambler's Fallacy' তে পড়ে গেছেন। বিষয়টি একটু বিস্তারিত বুঝিয়ে বলার দাবী রাখে। আপনি কিভাবে উত্তর দিয়েছিলেন সেটাও শেয়ার করতে পারেন আমাদের সাথে। 

      1. 5.1.1
        পাভেল আহমেদ

        উত্তর তো বিশাল ছিল। ওই উত্তর দিয়াও আলাদা একটা পোস্ট করা যাবে। যাই হোক তারপরেও সেয়ার করতেছি। আমি প্রথমে চুয়েটের কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ পড়া এক সিনিয়র ভাইয়ের কাছে রেজওয়ান আহমদের এই প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিব সেটা জিজ্ঞাসা করি। এরপরে উনি আমাকে চ্যাটে ব্যাপারটি ব্যাখ্যা করেন। আমি সেটাই ওনার রেফারেন্স দিয়ে কপি পেস্ট করে দিই। কিন্তু সেটা আসলে বোঝাটা একটু কঠিন ছিল। বিশেষ করে যাদের লজিক একটু কম কাজ করে তাদের জন্য তো আরও কঠিন। পরে আমি নিজের মতো করে আরও সহজ ভাষায় উদাহরণসহ উত্তর দিই সম্ভাব্যতার বিভিন্ন অংক করে দেখানর পরে। আমি এখানে শুধু আমার উত্তরের ওই অংশটুকু সেয়ার করছি যেটা দ্বারা রেজওয়ান আহমেদের অপব্যাখ্যাকে আমি খণ্ডন করেছিলাম যদিও তিনি সেটা মেনে নেন নি!

        আপনার নিয়মে ৬৯০ বছরের মধ্যে যে কোন সময় সবগুলো ছক্কাতে একবার ছয় হবেই । মানে আপনার নিয়মে এটা অবশ্যম্ভাবী । কিন্তু এটা করতে হলে ছক্কা গুলোর নিজস্ব MEMORY থাকা লাগবে। অর্থাৎ ছক্কাগুলো মনে রাখবে যে পূর্বে কি ঘটেছিল বা কি কি TRIAL পাওয়া গিয়েছিলো । আপনাকে একটা উদাহরণের মাধ্যমে ব্যাপারটি বুঝাই –

        ধরুন যে আপনার COMPUTERকে আপনি নির্দেশ দিলেন ১২ টি ছক্কার মধ্যে ১ বার সবগুলোর একত্রে ৬ উঠার সম্ভাব্যতা বের করতে । তখন COMPUTER আমার নিয়মেই সম্ভাব্যতা বের করবে । কিন্তু যদি আপনি COMPUTERকে জিজ্ঞাসা করেন যে – ১২ টি ছক্কার সবগুলোতে একত্রে ৬ উঠতে সর্বচ্চ কত সময় লাগতে পারে এবং CONDITION দিয়ে দিলেন যে প্রতি মিনিটে ছক্কা মারা যায় ৬ বার । আপনি এটাও CONDITION দিয়ে দিলেন যে কোন TRIAL একবারের বেশি আসবে না বা REPEAT হবে না , তখন কম্পিউটার আপনার নিয়মে হিসাব করবে ।  কিন্তু এটা আসলে সম্ভাব্যতা নয় । মুলত এটা আসলে ১২ টি ছক্কার COMBINITION সংখ্যার হিসাব । মানে আপনার হিসাবে ১২ টি ছক্কা মেরে সংখ্যার সকল COMBINITION করতে সর্বচ্চ কত সময় লাগতে পারে সেটা হিসাব করা যায় । কিন্তু সম্ভাব্যতার ব্যাপারটি হল সম্পূর্ণ ভিন্ন । এখানে ২ টি ব্যাপার হয় । হয় কোন ঘটনা ঘটবে । অথবা ঘটনাটি ঘটবে না । সম্ভাব্যতার সূত্রগুলো এই জন্যই তৈরি করা হয়েছে যেন এক্ষেত্রে অনিশ্চয়তার মধ্যে না থেকে গানিতিক ভাবে সম্ভাবনাকে পরিমাপ করা যায় । মানে যে ঘটনার সম্ভাব্যতা যত কম হবে , সে ঘটনা ঘটার সম্ভাবনাও তত কম হবে । আমি এর আগে বলেছিলাম যে --

        “১২ টি ছক্কায় এক সাথে ১২ টি ৬ উঠার সম্ভাবনা হল --
        ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ * ১/৬ = ৪.৫৯৩৯৩৬৫৮ * ১০ ^ -- ১০ [ 4.59393658 * 10 ^ -10] এর মানে হল  যে ১২ টি ছক্কায় একত্রে ৬ উঠার সম্ভাবনা হল ২,১৭৬,৭৮২,৩৩৬ এর মধ্যে মাত্র ১ টি !”

        এর মানে এই নয় যে ২,১৭৬,৭৮২,৩৩৬ বার ছক্কা মারলে ১ বার সবগুলোতে একত্রে ৬ উঠবেই । এর মানে এই যে এখানকার সম্ভাবনা এতই কম যে হয়ত সারা জীবনে বা কখনই এই ঘটনাটি  ঘটবে না । 
        আমি এই সম্ভাবনাটি একটু  PERCENTAGE এ হিসাব করে দেখাই --
        100/2176782336 = 4.59393658 * 10^-8 = 0.00000046%
        মানে সম্ভাবনা শুন্নের প্রায় কাছাকাছি ।

        সদালাপে দেওয়া আমার বিবর্তনবাদের উপরে ৮ নম্বর লেখাটা হল আসলে এইসকল লেখারই আরও উন্নত ভার্সন!

        1. 5.1.1.1
          আবদুল্লাহ সাঈদ খান

          জানি না আপনি গ্যাম্বলারস ফ্যালাসী সম্পর্কে পড়েছেন কি না? তবে আপনার জবাবটি গ্যাম্বলার্স ফ্যালাসীর মূল বক্তব্যটা ব্যক্ত করেছে। সম্ভাব্যতা ও গ্যাম্বলার্স ফ্যালাসী নিয়ে একটি বিস্তারিত পোস্ট দেয়ার প্রয়োজন অনুভব করছি। ইনশাআল্লাহ বিষয়টি নিয়ে লেখার চেষ্টা করব।

        2. পাভেল আহমেদ

          গ্যাম্বলারস ফ্যালাসী এই টার্মটা সম্পর্কে আমার জানা ছিল না তবে দেখা যাচ্ছে যে এটার মূল ধারনাটা আমার মধ্যে ছিল!!!!! surprise যাই হোক একটু ভালো কইরা লেইখেন কারন অনেক মানুষই গ্যাম্বলারস ফ্যালাসীর মতই এক ধরনের ধারনা রাখে। অর্থাৎ তারা প্রোবাবিলিটি বুঝে না!!!!! blush

        3. 5.1.1.2
          ইমরান হাসান

          এক্স্যাক্টলি! আপনি একেবারে মূল জায়গাতে আঘাত করেছেন। এমনিতে বিবর্তন বাদি কাঠমোল্লারা যতই বলুক না কেন বিবর্তন একটা র‍্যানডম প্রসেস, এর পরেও যখনই বিবর্তন নিয়ে কোন কথা বা অ্যাবিওজেনেসিস নিয়ে কোন কথা তে এই সম্ভাব্যতার অসাম্ভব্যতা আসে তখনই তারা এক ইনটেলিজেন্ট এলগরিদমিক সিলেকশন এর কথা বলেন।
          যেমন eat I mose cire 
                    I ate mose cire 
                    I eat   soem riec 
                    I  eat some rice 
          এখানে তাদের যুক্তি হচ্ছে "নেচার কখনই এক ভুল দুইবার রিপিট করেনা" কিন্ত সেটা কিভাবে করেনা সেটা তাদের জ্ঞান এর বাইরে। 
          কোন অ্যাল্গরিদমিক ইকুয়েশান কে কাজ করাতে হলে পারে অফকোর্স সেটা কোন বুদ্ধিমান উৎস থেকে আসতে হবে। বুদ্ধিমান সত্ত্বা ছাড়া গানিতিক সমীকরণ অসম্ভব। কেননা এটাকে অনুভব করার মত কিছু না থাকলে এর  কার্যপ্রণালী ব্যাখা করা অসম্ভব। 

  8. 4
    মুনিম সিদ্দিকী

    ভাল লেখেছেন!
     নাস্তিকতায় আছে ভোগবাদী চেতনা। আসলেই নাস্তকতায় কোন বিজ্ঞান নেই। বাহ্যিক ইন্দ্রিয় দিয়ে যেমন তাঁরা প্রমাণ করতে পারেনা,  ভোগবাদী মোহের আকর্যণ তাঁদের মনে প্রবল হওয়ার কারণে তাঁরা অতীন্দ্রিয় জগতের ব্যবপার স্যাপার হৃদয়ে ধারণ করতে অক্ষম। নাস্তিকতা বিশ্বাস তবে তা নেতিবাচক বিশ্বাস।

    1. 4.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      নাস্তিকতা বিশ্বাস তবে তা নেতিবাচক বিশ্বাস।

      নাস্তিকতাকে কি এক ধরণের শিরক হিসেবে চিন্তা করা যায়? যেহেতু তারা প্রবৃত্তির দাসত্ব করছে এবং প্রকৃতিকে প্রভু হিসেবে বিবেচনা করছে?

  9. 3
    এস. এম. রায়হান

    লেখাটি দারুণ হয়েছে yes
     
    নাস্তিকতা শুধু একটি অন্ধবিশ্বাস-ই নয়, সেই সাথে সবচেয়ে অমানবিক একটি ডগমা।
     
    এ প্রসঙ্গে আমার কিছু পোস্ট:

    আস্তিকতা বনাম নাস্তিকতা: একটি বিশ্লেষণ
    নাস্তিকতার স্বপক্ষের বহুল প্রচলিত যুক্তি খণ্ডন
    নাস্তিকদের আত্মঘাতী যুক্তি
    নাস্তিকতা একটি অমানবিক বিশ্বাস
    প্রকৃত মানবতাবাদী ও প্রগতিশীল হতে হলে…
    আস্তিক-নাস্তিক হালকা কথোপকথন
    স্টিফেন হকিং-এর সাম্প্রতিক একটি বক্তব্য নিয়ে ক্ষণিকের আস্ফালন
    নাস্তিকতার পক্ষে লিখিত দলিল-প্রমাণ: একটি মুক্ত আলোচনামূলক পোস্ট
    যৌক্তিক, মানবিক, ও বাস্তবিক দৃষ্টিকোণ থেকে নাস্তিকতার ব্যবচ্ছেদ
    এ-যুগের প্রেক্ষাপটে মগাচিৎ-মার্কা কিছু ইডিয়টিক প্রশ্ন
    সার্চিং এথিয়িজম ইন গ্যাপ্স: নাস্তিকতাকে গুঁজে দেয়ার মতো অনেক গ্যাপ পাওয়া গেছে!

    1. 3.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      ধন্যবাদ, রায়হান ভাই। গত এক দশকেরও বেশী সময় ধরে আপনাদের প্রচেষ্টাতেই তো বাংলা ভাষায় ব্লগ জগতে সত্যের সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে। আপনাদের লেখাগুলো আমাদের অনুপ্রেরণা।  আপনাদের জন্য রইল শ্রদ্ধা। আল্লাহ আপনাদের প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। 

  10. 2
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    সালাম আব্দুল্লাহ ভাই,
    সদালাপে আমার পড়া সকল সুন্দর আর্টিকেলগুলোর মধ্যে আপনার এই লিখাটি অন্যতম। আপনাকে ধন্যবাদ।
    নাস্তিকেরা যা বলে এবং দাবী করে, তা নিজেরা ভাল করে জানে তাদের কোন ভিত্তি নেই, স্রেফ মন-গড়া কথা-বার্তা আর ধার করা ধারনা ছাড়া আর কিছুই নয়। কু-প্রবৃত্তির ধারা এদের অন্তর ও বিবেক সর্বদা আবৃত।  এদের বুঝানো খুব কঠিন, কারন নিজেদের জিদ আর অহংকারের দ্বারা এদের অন্তরকে ব্ল্যাকহোলের অভিকর্ষ বল বানিয়ে রেখেছে।

    1. 2.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

       কু-প্রবৃত্তির ধারা এদের অন্তর ও বিবেক সর্বদা আবৃত।  এদের বুঝানো খুব কঠিন, কারন নিজেদের জিদ আর অহংকারের দ্বারা এদের অন্তরকে ব্ল্যাকহোলের অভিকর্ষ বল বানিয়ে রেখেছে।

      Exactly! নাস্তিকদের হৃদয় অত্যাধিক 'Pessimism' রোগে আক্রান্ত। নেগেটিভিটি এদের প্রবৃত্তিকে অন্ধকার করে রেখেছে। 

  11. 1
    করতোয়া

    খুব-ই চমৎকার একটা লেখা। অনেক তথ্য সম্বিলিত। আমি তো মনে করি নাস্তিকতা এক ধরনের Illusionary Superstitious Religion বৈ কিছু নয় যেখানে ন্যাচারাল ফেনোমেনাকে সৃষ্টির স্রষ্টা হিসেবে কল্পনা করা হয়। বিজ্ঞানের হাইপোথেসিস সৃষ্টি-ই হয় Illusionary বা Imaginary superstition এর মাধ্যমে।
     
    ধন্যবাদ আপনার লেখার জন্য। আরো একবার পড়ার ইচ্ছা আছে আত্নস্থ করার জন্য।

    1. 1.1
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      নাস্তিকতা এক ধরনের Illusionary Superstitious Religion বৈ কিছু নয় যেখানে ন্যাচারাল ফেনোমেনাকে সৃষ্টির স্রষ্টা হিসেবে কল্পনা করা হয়।

      নি:সন্দেহ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.