«

»

Nov ০২

ডারউইনবাদী প্যারাডাইমের সমাপ্তি

মলিকুলার বায়োলজির নতুন নতুন গবেষণা ও আবিস্কারের মধ্য দিয়ে পরিস্কার হয়ে গেছে যে ডিএনএ হচ্ছে তথ্য ধারণ করার একটি মাধ্যম যা জীবজগতের গঠনের তথ্য ধারণ করে। কোন ধরনের ‘র‍্যানডম’ প্রক্রিয়ায় যে ডিএনএ-তে ‘নতুন কার্যকরী’ তথ্য যোগ হয় না সেটিও পানির মত পরিস্কার। কিন্তু, তারপরও বিবর্তনবাদীরা কেন এই আবিস্কারগুলোকে সহজ ভাবে মেনে নিয়ে তাদের চিন্তাচেতনার আড়ষ্টতা থেকে বের হয়ে আসতে পারছে না?

প্রশ্নটির উত্তর পাওয়া যাবে ‘সেমেলওয়াইস রিফ্লেক্স’-এ। সেমেলওয়াইস রিফ্লেক্স হল বিজ্ঞানের জগতে প্রচলিত বিশ্বাস বা প্যারাডাইম-কে প্রশ্নবিদ্ধকারী নতুন জ্ঞানকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি।

১৮৪৬ সালের কথা। তখনও জীবাণু সংক্রমনের মাধ্যমে ইনফেকশন ছড়ানোর বিষয়টি অজ্ঞাত ছিলো। ভিয়েনা হাসপাতালের প্রসূতি মহিলাদের দুটো ক্লিনিক ছিলো। একটি ক্লিনিকে ‘চাইল্ডবেড ফিভার’-এর কারণে মাতৃমৃত্যু বেশী হচ্ছিল। অন্য ক্লিনিকে মাতৃমৃত্যু হার কম ছিলো।

ডা: ইগনাজ সেমেলওয়াইস উক্ত ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে বের হয়ে পড়লেন। তিনি গবেষণা করতে গিয়ে আবিস্কার করলেন যে, যে ক্লিনিকে মা’দের মৃত্যু বেশী হচ্ছিল ঐ ক্লিনিকের পাশেই মৃত লাশের ডিসেকশন করা হত এবং ঐ মৃত লাশ থেকেই ‘কিছু একটা’ চিকিৎসাসেবা প্রদানকারীদের হাতকে অপরিস্কার করে দিচ্ছে যা থেকে মায়ের শরীরে ‘চাইল্ডবেড ফিভার’ ছড়িয়ে পড়ছে।

তিনি তার ছাত্র ও নার্সদের বলে দিলেন যেন তারা কাজ করার আগে তার আবিস্কৃত এন্টিসেপ্টিকদিয়ে হাত পরিস্কার করে ধুয়ে যায়। ফলে ১৮৪৮ সালে উক্ত ক্লিনিকে মাতৃমৃত্যুর হার ১১.৪ শতাংশ থেকে নেমে ১.২৭ শতাংশে চলে আসে। এরপরও তার কলিগ, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং বৈজ্ঞানিক কমিউনিটি এই তত্ত্বটিকে মেনে নেয়নি। তাকে হাসপাতাল থেকে বহিস্কার করা হয়েছিলো। কিন্তু, ২০ বছর পর বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর যখন ‘জীবাণু তত্ত্ব’ আবিস্কার করেন তখন বিজ্ঞানজগত বুঝতে পারে যে ডা: সেমেলওয়াইসি-এর আবিস্কার ঠিক ছিলো। (১)

ঠিক একই ঘটনা ঘটেছিলো যখন আলফ্রেড ভেগনার ১৯১২ সালে প্রথম ‘কন্টিনেন্টাল ড্রিফট’ থিওরীর অবতারণা করেন। কন্টিডেন্টাল ড্রিফটতত্ত্ব মতে পৃথিবীর মহাদেশগুলো কতগুলো প্লেটের মত চলমান আছে। মহাদেশগুলোর ম্যাপ পাশাপাশি রাখলে সীমানাগুলো খাপে খাপে মিলে যায়। ভেগনার এটি লক্ষ্য করে তত্ত্বটি দেন, তবে এর বিস্তারিত প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি প্রথম কোন ধারণা দিতে পারেননি। ফলে, প্রথমদিকের ভুগোলবিদরা তার এই তত্ত্বকে রিজেক্ট করেন। কিন্ত, পরবর্তীতে আরও তথ্য উপাত্ত পাওয়া গেলে তার এই তত্ত্ব সর্বসাধারনের (বিজ্ঞানী) মাঝে গৃহীত হয় এবং ‘প্লেট টেকটনিক’ নামক বিভাগের জন্ম হয়। (২) উইকিপিডিয়া বলছে:

“[W]ithout detailed evidence and a force sufficient to drive the movement, [Wegener’s] theory was not generally accepted: the Earth might have a solid crust and mantle and a liquid core, but there seemed to be no way that portions of the crust could move around. Distinguished scientists, such as Harold Jeffreys and Charles Schuchert, were outspoken critics of continental drift.” (৩)

বারবারা ম্যাকক্লিনটক ছিলেন একজন অত্যন্ত মেধাবী, প্ররিশ্রমী এবং ঠান্ডা মাথার বিজ্ঞানী। ভূট্টার বিভিন্ন প্রকরণ এবং ক্রোমোজোমের গঠন সম্পর্কে তার এত বেশী জ্ঞান ছিল যে ভূট্টার বিভিন্ন দানার রঙ্গের প্যাটার্ণের ভিত্তি করে তিনি বলে দিতে পারতেন যে ক্রোমোজমের ভিতর কি ধরনের জেনেটিক পুনর্গঠন হয়েছে। লক্ষ্যণীয় যে, তিনি ভূট্টার ক্রোমোজমের উপর গবেষণা করছিলেন ১৯৪০ সালে এবং ডিএনএ আবিস্কার হয় আরও পরে ১৯৫৩ সালে।

ম্যাকক্লিনটক ট্রান্সপজিশন নামক একটি কোষীয় প্রক্রিয়া আবিস্কার করেন এবং এর জন্য নোবেল পুরস্কার পান। ট্রান্সপজিশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোষ নিজে তার ডিএনএ-এর ক্ষতিগ্রস্থ অংশ পুনঃপ্রকৌশলের মাধ্যমে মেরামত করে। ম্যাকক্লিনটক ১৯৫১ সালে যখন কোল্ড স্প্রিং হারবর-এর একটি সিম্পোজিয়ামে এই অসাধারণ আবিস্কারটি বর্ণনা করছিলেন তখন বিজ্ঞানীদের প্রতিক্রিয়া ছিলো সেমেলওয়াইস রিফ্লেক্স-এর ন্যায়। অর্থাৎ, তারা তাদের সময়ের চেয়ে অনেক বেশী এগিয়ে থাকা এই তত্ত্বটিকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করেনি। পরবর্তীতে ম্যাকক্লিনটকের কলিগ জেমস স্যাপিরো যখন ব্যাকটেরিয়াতেও একই প্রক্রিয়া আবিস্কার করেন তখন ‘ট্রান্সপজিশন’ তত্ত্বটি জনপ্রিয়তা পায়। (১)

খুবই সম্প্রতি একই ধরনের ঘটনা ঘটছে ‘বুদ্ধিদীপ্ত প্রকল্প তথা ইন্টেলিজেন্ট ডিজাইন’ তত্ত্ব ও ‘তৃতীয় পথ তথা দ্য থার্ড ওয়ে’-এর প্রবক্তাদের বেলায়। ডারউইনবাদী বিজ্ঞানী এবং তার সাগরেদরা মাটি কামড়ে পড়ে আছে তাদের পুরোনো হয়ে যাওয়া ‘ডারউইনতত্ত্বে’ যার মূল বক্তব্য হল এলোপাতাড়ি (র‍্যানডম) মিউটিশনের মাধ্যমে ডিএনএ-তে নতুন তথ্য যোগ হচ্ছে এবং এর ফলে সৃষ্টি বৈচিত্রের কারণে বিবর্তন হচ্ছে। অথচ, অনিয়ন্ত্রিত এলোপাতাড়ি মিউটেশন সংক্রান্ত অসংখ্য পরিক্ষনিরীক্ষা এখন পর্যন্ত ডিএনএ-র ক্ষতি বৈ উপকার করতে পারেনি।

আমরা দেখলাম যে ডারউইনবাদী কর্তৃক তাদের তত্ত্বকে প্রশ্নবৃদ্ধকারী নতুন সত্যকে গ্রহণ করতে অনিচ্ছা অভিনব কিছু নয়। একটি নতুন সত্য কখনও আগের তত্ত্বকে আকড়ে ধরে থাকা বিজ্ঞানীদের চিন্তাচেতনার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় না, প্রতিষ্ঠিত হয় তরুণ বিজ্ঞানীদের উক্ত তত্ত্ব গ্রহণ করা এবং পুরোনো বিজ্ঞানীদের প্রয়াণের মধ্য দিয়ে। এটিকে বলে প্ল্যাঙ্ক’স প্রিন্সিপাল। আধুনিক কোয়ান্টাম তত্ত্বের জনক ম্যাক্স প্ল্যাংক বলছেন:

“A new scientific truth does not triumph by convincing its opponents and making them see the light, but rather because its opponents eventually die and a new generation grows up that is familiar with it” — Max Planck, Scientific autobiography, 1950, p. 33 (৪)

যখন পুরোনোকে ঝেড়ে ফেলে জ্ঞানের জগতে একটি নতুন বৈজ্ঞানিক দৃষ্টান্ত স্থানান্তর (প্যারাডাইম শিফট) হয় তখন তাকে বিজ্ঞানের ইতিহাসবিদ থমাস কুন-এর ভাষায় বলা হয় ‘বৈজ্ঞানিক বিপ্লব (Scientific revolution)’ । (৫)

মলিকুলার বায়োলজি, জেনেটিক্স, ইনফরমেশন থিওরী প্রভৃতি বৈজ্ঞানিক শাখাগুলোর নতুন নতুন আবিস্কারের মধ্যদিয়ে এটি স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে জীবজগত ডারউইনের সময়ে ধারণাকৃত কতগুলো ‘সরল’ কোষের সমন্বয়ে গঠিত নয়। এক একটি কোষ এক একটি বিস্ময় এবং তার ভিতরের জগৎটা আরো ‘প্রকৌশলী’ বিস্ময়ে ভরপুর। পৃথিবীর ইতিহাসে কখনও কোন এলোপাতাড়ি প্রক্রিয়ায় কোন ‘কোড’ তৈরী হয়ে যায়নি।

সেদিন খুব দূরে নয় যেদিন, মানুষের ডিএনএ-এর ‘৯৮%’-কে আবর্জনা (জাংক) আখ্যাদানকারী (৬) বিবর্তনবাদীরা তাদের জরজীর্ণ চিন্তাচেতনা নিয়ে উটপাখির ন্যায় মাটির নিচে মাথা গুঁজে পড়ে থাকবে এবং তরুণ সতেজ মস্তিস্কের বিজ্ঞানীরা ‘ডিএনএ’-এর কোডের পিছনের কোডারকে সচেতনভাবে মেনে নিয়ে এগিয়ে যাবে, যেদিন ডারউইনের বস্তবাদী প্যারডাইমকে শিফট করে ডিজাইনভিত্তিক ‘তৃতীয়’ প্যারাডাইম বৈজ্ঞানিক বিপ্লব ঘটিয়ে দিবে। ইনশা আল্লাহ।

সেদিনের অপেক্ষায়…

রেফারেন্স:

১. Perry Marshall, Blade#1: Transposition-The 70-Year-Old Nobel prize-winning discovery, in ‘Evolution 2.0’
২. David Klinghoffer, ‘How to Think About Minority Science Views — The Case of Plate Tectonics’. [Accessed: 01.11.2017] Available from:https://evolutionnews.org/…/how-to-think-about-minority-sc…/ 
৩. ‘Development of the theory’ in ‘Plate tectonics’. [Accessed: 01.11.2017] Available from https://en.wikipedia.org/wiki/Plate_tectonics…
৪. ‘Planck’s principle’. [Accessed: 01.11.2017] Available from:https://en.wikipedia.org/wiki/Planck%27s_principle
৫. Thomas S. Kuhn, (1962) "The structure of scientific revolutions"
৬. Ohno S (1972) 'So much “junk” DNA in our genome.' In: Smith HH, editor. Evolution of Genetic Systems. New York: Gordon and Breach. pp. 366–370. 

৪ comments

Skip to comment form

  1. 2
    Anonymous

    খুবই তথ্যবহুল পোষ্ট। অনেক কিছু জানতে পারলাম। আল্লাহ আপনার জ্ঞানকে আরো বৃদ্ধি করে দিন, সুস্থতা দান করুন। জাজাকাল্লাহ্‌।

  2. 1
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    আব্দুল্লাহ ভাই,

    আসসালামু আলাইকুম। অনেক দিন পর আপনার লিখা পেলাম, ধন্যবাদ। আপনার লিখায় অনেক গুরুত্বপূর্ন তত্ত্ব থাকে বিধায় আকর্ষিত হই। সদালপের আরো কয়েকজন ভাই বায়োলজি নিয়ে লিখেন, আপনাদের লিখার দ্বারা অনেক কিছুই জানতে পেরেছি।

    আমার কয়েকটি বিষয় জানতে চাওয়া। আশাকরি, সাহায্য করবেন।

    ১। কিসের ভিত্তিতে নাস্তিক কুল বিবর্তন-কে ফেক্ট(সত্য/মহাসত্য) বলে প্রচার করে?

    ২। আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানের ধারনা, প্রাণ সৃষ্টি প্রাকৃতিক উপায়ে অসম্ভব। তারা(নাস্তিকেরা) এই "বাই চান্স" বলে প্রান সৃষ্টির যে যুক্তি দেখায়, আদের এই গোজামিল দেওয়ার কারন কি?

    ৩। বংশবৃদ্ধি ঠিক রাখতে গেলে প্রত্যেক শ্রেনীর পুরুষ-মহিলা একই সাথে তৈরি থাকবে হবে, বিবর্তনের মাধ্যমে এই একই সাথে পুরুষ-মহিলা তৈরির ব্যপারটি কিভাবে ব্যাখ্যা করে?

    আরো বেশ কিছু প্রশ্ন আছে, ইনশা-আল্লাহ পরে আপনারে জ্বালাতন করব। 🙂

    আপনার সুস্থতা কামনা করি।

     

    1. 1.1
      মোঃ তাজুল ইসলাম

      ৩ নাম্বার প্রশ্নটি আমাকে খুব ভাবায়। আমি বিস্মিত হই। প্রান সৃষ্টি, DNA/RNA-র গঠন, কোষের গঠন… এবং তাদের কার্যকারিতা নিয়ে যতটুকু জটিলতা অনুভব করি, তার চেয়ে অনেক বেশি জটিলতা দেখি একই সময় পুরুষ-মহিলা তৈরি হওয়া বা বিদ্যমান থাকার ব্যপারটি।

      আরো বিস্মিত হই, বংশবৃদ্ধি হয় শুধুমাত্র যৌনতার কারনে। দুনিয়ার সবচেয়ে নোংরা এবং অপছন্দনীয় কাজ হল যৌণতা। কিন্তু এই যৌনতার মধ্যে মজা এবং আকর্ষণ তৈরি করে দেওয়ায় দুনিয়ার সকল প্রানী যৌন কর্মে লিপ্ত। এই মজা এবং আকর্ষন তৈরি না হলে দুনিয়ার কোন প্রানীই যৌণ কর্মে লিপ্ত হত না এবং কোন প্রানীরই কোণ অস্তিত্ব থাকত না। বিজ্ঞান কিভাবে এই মজা এবং আকর্ষনের ব্যাখ্যা করে? মেডিকেল সাইন্স কি বলে?

    2. 1.2
      আবদুল্লাহ সাঈদ খান

      তাজুল ভাই,

      ওয়ালাইকুমুসসালাম। আলহামদুলিল্লাহ, জেনে ভালো লাগল যে আমার পোস্টগুলো কিছুটা হলেও নতুন কিছু জানার সুযোগ করে দিচ্ছে। আপনার প্রথম দুটো প্রশ্ন দুটো বই লেখার দাবী রাখে। এবং শেষ প্রশ্নের উত্তর অন্তত একটি পোস্ট। আমার ব্যক্তিগত পড়াশোনার আলোকে সংক্ষেপে বললে, প্রথম ও দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে 'বস্তুবাদ' ও 'বিজ্ঞানবাদীতার' আড়ালে আল্লাহকে অস্বীকার করারই হলো 'ডারউইনবাদ' এবং 'অজীবজনন (Abiogenesis)' কে মহাসত্য বলে 'প্রচার' করার মূল উদ্দেশ্য। বৈজ্ঞানিক মহলে, বিজ্ঞানীদের নিজেদের মধ্যে ডারউইনবাদ ও অজীবজননের ব্যাখ্যা নিয়ে যথেষ্ট বাক-বিতণ্ডা হয় এবং হচ্ছে, যা সাধারণ মহলে জানতে দেয়া হয় না। কিন্তু, পপুলার বইগুলোতে নাস্তিকতা প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে এগুলোকে ব্যবহার করা হয়। ফলে, ডারউইনবাদ ও অজীবজননকে সত্য বলে প্রচারকারী বইগুলোতে কখনও ডিএনএ-র ইন্ট্রিকেট গঠন, ডিএনএ-তে এলোপাতাড়ী মিউটেশনের মাধ্যমে কিভাবে নতুন কার্যকরী তথ্য সংযোজন হচ্ছে তার বিস্তারিত বর্ণনা নিয়ে কোন আলোচনা দেখবেন না। 

      আপনি তৃতীয় যে প্রশ্নটি নিয়ে তাদের বক্তব্য ও ব্যাখ্যা নিয়ে আমি এখনও পড়ছি। কিভাবে তারা এলোপতাড়ি মিউটেশনের মাধ্যমে সৃষ্ট ভ্যারিয়েশন থেকে পুরুষ ও নারী আসার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে?  কিভাবে এলোপাতাড়ি মিউটেশন সৃষ্ট ভ্যারিয়েশন থেকে 'পুরুষ ও নারী'-স্থ বিপরীত লিঙ্গের প্রতি আকর্ষণ কোষের তথ্যভাণ্ডারে (ডিএনএ) যুক্ত হল? ইনশাল্লাহ এ সম্পর্কে ভালো জানা হলে উত্তর নিয়ে আসব।      

Leave a Reply

Your email address will not be published.