«

»

Nov ১২

ঠাকুরপারা এবং একটি সাম্প্রদায়িকতার উত্থান

(ছবিঃ বিডিনিউজ২৪ডটকম)

গত ১০ ই নভেম্বর ২০১৭ শুক্রবার জুমুআর নামাজের পরে ধর্ম নিয়ে কটুক্তির দায়ে রংপুর গঙ্গচড়া থানার ঠাকুর বাড়িতে হামলা করে এবং সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায় এর ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয় একদল মুসল্লি। বিডিনিউজ, বিবিসি, যুগান্তর ও কালেরকন্ঠের বরাতে এ পর্যন্ত যতদূর জেনেছি ঘটনাটি ঘটেছে কোন একক ব্যক্তির কারণে। ঘটনার সাথে পুরো ঠাকুরবাড়ি জড়িত তো নয়ই উপরন্তু পুলিশের গুলিতে হাবিবুর রহমান নামে একজন মুসল্লি নিহত ও ১১ জন মুসল্লি হয়েছেন।

"শুক্রবার জুমার নামাজের পর হঠাৎ স্থানীয় কিছু মানুষ বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে এসে রাস্তা অবরোধ করেছে। একটি মিছিলের বড় অংশ গিয়ে হিন্দু পাড়ায় আক্রমণ করে। হিন্দু পাড়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ তখন বাধা দেয়। বাধা না মেনে যখন তারা দুএকটি বাড়ি-ঘরে আগুন দেয়ার চেষ্টা করে, তখন পুলিশ শটগানের গুলি চালায়।" [ বিবিসি :১১ ই নভেম্বর ]

ধর্মাবমননাকারী মানে মূল দায়ী ব্যক্তিও এই লেখাটি লেখা পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি যাতে ঘটনাটি আরো ঘোলাটে হয় এবং ওই গ্রামে ধর্মাবমাননাকারী বর্তমানে থাকছেন ও না তিনি ঠাকুর পারার বাসিন্দা মাত্র। তিনি থাকেন অন্যত্র:

"পুলিশ জানায়, নারায়ণগঞ্জে ফতুল্লার একটি গার্মেন্ট কারখানায় কাজ করেন টিটু রায়। থাকেন সেখানেই। তিনি পাগলাপীর ঠাকুরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। '' [কালেরকন্ঠঃ http://www.kalerkantho.com/online/national/2017/11/10/563904 ]

 

প্রাপ্ত খবর সমূহ থেকে ঘটনাটি কোনন কারণে ঘটে তা জানা যাক। মূল ঘটনাটি জানার জন্য আমি ৪টি পত্রিকার অনলাইন ভার্সনের সহায়তা নিয়েছি। খবর ২ টির প্রামাণ্য লিংক সহ নিচে উদ্বৃত করা হোলো। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম লিখেছে,

 

"গঙ্গাচড়া থানার ওসি জিন্নাত আলী বলেন, ঠাকুরপাড়ার এক যুবক গত সপ্তাহে তার ফেইসবুক পেইজ ধর্ম অবমাননামূলক ছবি পোস্ট করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়। '' [বিডিনিউজঃ http://www.bdnews24.com/samagrabangladesh/detail/home/1419556]

 

বিবিসি লিখেছে,

 

"পুলিশ বলছে, ঐ হিন্দু গ্রামের একজন ফেসবুকে ধর্মীয় অবমাননামূলক পোস্ট দিয়েছেন বলে অভিযোগ করে সেখানে হামলা করা হয়। পুলিশের রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বিবিসি বাংলাকে জানান, যার বিরুদ্ধে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তোলা হচ্ছে সেই টিটু রায়ের বাড়ি গঙ্গাচড়ার ঠাকুরবাড়ি গ্রামে হলেও তিনি সেখানে থাকেনা। নারায়ণগঞ্জে বসবাস করেন। টিটু রায়ের কথিত এক ফেসবুক পোস্ট নিয়ে সেখানে কদিন ধরে উত্তেজনা চলছিল। কয়েকদিন আগে তথ্য প্রযুক্তি আইনে এ নিয়ে একটি মামলাও করা হয়। স্থানীয় প্রশাসন এবং পুলিশ আসামীকে ধরা হবে বলে কথা দেন। ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, "শুক্রবার জুমার নামাজের পর হঠাৎ স্থানীয় কিছু মানুষ বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে এসে রাস্তা অবরোধ করেছে। একটি মিছিলের বড় অংশ গিয়ে হিন্দু পাড়ায় আক্রমণ করে। হিন্দু পাড়ার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ তখন বাধা দেয়। বাধা না মেনে যখন তারা দুএকটি বাড়ি-ঘরে আগুন দেয়ার চেষ্টা করে, তখন পুলিশ শটগানের গুলি চালায়। খন্দকার গোলাম ফারুক জানান, পুলিশের গুলিতে একজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হন বলে তারা খবর পাচ্ছেন। তবে এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক। তিনি জানান হামলাকারীদের সংখ্যা ছিল কয়েকশো।'' [বিবিসিঃ http://www.bbc.com/bengali/news-41945538 ]

আমরা প্রাপ্ত খবর সমূহতে স্পষ্টতই দেখতে পাচ্ছি, ফেসবুকে ব্লাসফেমী করেছে টিটু রায় নামক কোন একক ব্যক্তি। এর সাথে না জড়িত গঙ্গাচড়ার আক্রান্ত ঐ হিন্দু সম্প্রদায়, না জড়িত টিটু নামক ঐ ব্যক্তির পরিবার। তাহলে দেখা যায় যারা জড়িত নয় তাঁদের আক্রমণ করা শুধুমাত্র রাষ্ট্রীয় আইন লঙ্ঘন নয় মানবাধিকার লঙ্ঘন এর চরম পর্যায়! হিন্দু বাড়িতে হামলা করা হয় হযরত মুহম্মদ (সাঃ) কে অবমাননা করার দায়। উল্লেখযোগ্য হলো,

[ক] যারা আক্রান্ত হয়েছে তারা হযরত মুহম্মদ (সাঃ) এর কোন অবমাননা করেননি। এমনকি আক্রমণের আগে টিটু রায়ের ঐ অবমাননাকর স্ট্যাটাসের সমার্থক ও তাঁরা ছিলেন না।

[খ] পুলিশ শুধুমাত্র টিটুকে ধরার আশা দিয়েছিলো, কিন্তু ঘটনা ঘটার আগে তাঁরা ঘটনাটি আমলে নেয়নি বা নিতে নিষেধ করা হয়েছে। এবং ঘটনার আগেই তাঁরা আচ করতে পেরেছিলেন কেননা সাম্প্রদায়িকতার আগুনে ৫ দিন ধরে দাহ্য কাঠখড় দেয়া হচ্ছিলো। ৫ দিন ঘটনাটি গোল পাকানো সত্ত্বেও মুসল্লিদের এরা কন্ট্রোলে রাখতে ব্যর্থ হন এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা দানেও তাঁরা সম্পূর্ণ রূপে নিজেদের ব্যর্থতার পরিচয় দেন। উল্লেখ্য, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক ২০১৭ নভেম্বর ১০ শুক্রবার দুপুরেও চাঁদপুর পুলিশ লাইন্সে নবনির্মিত গেইট ও মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, "দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নিরাপত্তা নিয়ে বিদেশিরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে।'' [কালেরকন্ঠ] বিদেশিদের আর কি দোষ? তাঁরা তো আর দেশের অভ্যান্তরিন খোঁজখবর রাখেন না, বড়জোড় জঙ্গী দমনের খবর শোনেন বা দেখেন। আর বিদেশিদের খুশি রাখার মূল ফর্মূলাই হলো "ইসলামি জঙ্গী'' দমন। পুলিশ দেশের আইন শৃঙ্খলা, পরিস্থিতি দমনে এতটাই পারফেক্ট যে পরিস্থিতি যাইহোক ওনারা রাইফেল তাক করে গুলি ছুড়তে কিঞ্চিৎ অপেক্ষা করেন না! রংপুরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়ার প্রাণপণ চেষ্টা না করেই ওনারা সরাসরি বুলেট ব্যবহার করেছেন এবং ওনাদের বুলেটের আঘাতে একজনের মৃত্যু হয়েছে ও বেশ কিছু লোক আহত ও হয়েছেন! আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে এই যে, এই মৃত্যু জবাবদিহিতাও করতে হবে না তাদের! শ্রেফ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা বলে পাশ কাটিয়ে যাবেন বা গেছেন। এবং তাদের টিটুকে ধরতে ব্যর্থ হওয়ার ফলাফল ১০ ই নভেম্বরের ঘটনা।

[গ] যে মুসল্লিরা হামলা করেছে তাঁরা ধর্ম (কোরান, হাদীস, ইজমা, কিয়াস) বা ইসালামী ব্লাসফেমি সম্বন্ধে সামান্যতম ধারণাও রাখে না। বাঙালী মোসলমানের সমস্যা হলো তাঁরা প্রচণ্ড সাম্প্রদায়িক মনোভাবের সাম্প্রদায়িকতা এদের চরিত্রগত। এবং ধর্মের নামে তাঁরা অধিকাংশ সময়ই সাম্প্রদায়িকতা চর্চা করে এবং তাদের চিন্তা শক্তি একেবারে নিম্ন লেভেল এর দার্শনিক অবস্থান একই। যার দরুন আগপাছ না ভেবে বা ধর্মে কী বল্ল না বল্ল তার দিকে দৃষ্টিপাত না করেই তাদের সাম্প্রদায়িক, কমজ্ঞান চরিত্রের উন্মেষ ঘটায়। ঘটনাপ্রবাহের চিন্তা নেই। পাশাপাশি ইসলাম বিষয়ে অতটা না জানায় তাঁরা সাম্প্রদায়িকতাকে পাশ কাটিয়ে এখনো ভালো মুসলমান হতে পারেনি। এরা না করেছে ইসলামি শিক্ষা গ্রহণ, না পেরেছে চরিত্রগত সাম্প্রদায়িকতা ঝাড়তে। তাঁরা মুখে মুখে ইসলামের শ্রেষ্ঠত্বের গান গায়, কিন্তু তাদের চরিত্র সম্পূর্ণ রূপে ইসলাম ধর্ম কে কলুষিত করে। ইসলাম কখনোই বলে না "অন্য সম্প্রদায়ের কোন একক ব্যক্তি যদি অাল্লাহ্, পয়গম্বরদের অবমাননা করে তবে ঐ সম্প্রদায়ের সকল ব্যক্তি এর দায় বহন করবে।'' খৃষ্ট ধর্মের মতো ইসলামে "পিতা পুত্রের পাপের দায়ভার নিবে '' এমন কোন সিস্টেম নাই। উপরন্তু ইসলাম বলে একমাত্র অপরাধীর শাস্তি হোক। এবং সে শাস্তির ভার বহন করবে রাষ্ট্র, কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নও। ব্লাসফেমির ক্ষেত্রে ইসলাম আপেডেটেড না হলেও "ব্যক্তির দায় গোষ্ঠীর ওপর'' এমন ব্যাকডেটেড ও নয়। কোরানে ব্লাসফেমি নিয়ে দুটো আয়াত উল্লেখযোগ্যঃ

 

"যারা আল্লাহ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে এবং দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলে চড়ানো হবে অথবা তাদের হাত-পা-সমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি। কিন্তু যারা তোমাদের গ্রেফতারের পূর্বে তওবা করে; জেনে রাখ, আল্লাহ ক্ষমাকারী, দয়ালু। ” (৫.৩৩-৩৪)

 

আয়াতটির যেখানে

 

"যারা'' ব্যবহার করেছে ওখানে বিভ্রান্তিতে পরলে জেনে রাখা ভালো, ওখানে একক ব্যক্তি হলে একক ব্যক্তি। ২জন হলে ২ জন। ২ জনার বেশি হলে দুজনার বেশি। তবে আল্লাহ্ শুধুমাত্র এদের (ব্লাসফেমিকারীদের) শাস্তির কথায়ই উল্লেখ করেনি। আল্লাহ্ এদের ভুল স্বীকার করার ও সুযোগ দিয়েছেন উপরের উদ্বৃত আয়াতে এটা খোলাখুলি বলা হয়েছে "কিন্তু যারা তোমাদের গ্রেফতারের পূর্বে তওবা করে; জেনে রাখ, আল্লাহ ক্ষমাকারী, দয়ালু। '' যদি এরা ভুল স্বীকার করে তাহলে এদের শাস্তি রদ করে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আরেকটি আয়াতে এটা স্পষ্টঃ “ নিঃসন্দেহে যারা আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে কষ্ট দেয় – আল্লাহ তাদেরকে পার্থিব জীবনে এবং পরকালে অভিশাপ দেন, এবং তাদের জন্য অবমাননাকর শাস্তি প্রস্তুত করে রেখেছেন। যদি এই প্রতারকেরা , আর ঐ সব লোকেরা যাদের অন্তরে কলুষতা আছে, এবং ঐ সকল লোকেরা যারা শহরে মিথ্যা সংবাদ রটিয়ে থাকে তারা, (তাদের এসব কাজ থেকে) বিরত না হয়, তাহলে আমি অবশ্যই আপনাকে তাদের উপর শক্তিশালী করে দেবো: এরপর তারা শহরে আপনার কাছে অতি অল্পকালই অবস্থান করতে পারবে: তারা তাদের নিজেদেরকে অভিশপ্ত অবস্থায় পাবে: যেখানে তাদের পাওয়া যাবে, তাদেরকে আটক করা হবে এবং মারধর করা হবে (নির্দয়ভাবে)। '' (৩৩.৫১-৬১)

 

লক্ষ্য করুন, "এবং ঐ সকল লোকেরা যারা শহরে মিথ্যা সংবাদ রটিয়ে থাকে তারা, (তাদের এসব কাজ থেকে) বিরত না হয়, তাহলে আমি অবশ্যই আপনাকে তাদের উপর শক্তিশালী করে দেবো'' এখানে ঐ সকল লোকদের বিরত থাকার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তাহলে টিটু রায় নামক লোকটিকেও প্রথমবার আক্রমণ করলে সেটা বৈধ হতো কিনা প্রশ্ন থেকে যায়। উপরন্তু তাকে এ কাজ থেকে বিরত থাকার সুযোগ দেয়া যাবে। সে যাইহোক আলোচ্য বিষয়ে আসি। টিটুর ফেসবুক আইডি থেকে যে পোস্টটি দেয়া হয়েছে পোস্টটির দায়ভার কোনভাবেই ঠাকুরপারা নিবে না। এর একমাত্র দায়ভার টিটুর। জবাবদিহিতাও টিটু করবে। কিন্তু টিটুকে ধরতে পুলিশ দেরী করায় ঠাকুর পারা পোড়ানোর ঘটনাটি ঘটেছে। টিটুকে যদি পুলিশ তখনই গ্রেপ্তার করে চলমান আইনের আওতায় আনতো তবে মুসল্লিদের সাম্প্রদায়িক হামলার ইন্ধন যোগানোর পেছনের প্লেয়াররা এই পিছু হটতো।

[ঘ] স্থানীয় গণমান্য ব্যক্তি ও সংসদ সদস্য বিষয়টি ঘটার আগে জানতেন না। বিষয়টি পাঁচদিন গোল পাকালেও।

[ঙ] টিটু অশিক্ষিত। টিটু পড়ালেখা জানে না।

 

ভাবতে পারেন, আক্রান্ত মানুষগুলো ঠিক কতটা অসহায় হয়? বাংলাদেশের বা বিশ্বের সংখ্যালঘুরা এখন রাজনৈতিক কারণে অসহায়। আর রংপুরের ঘটনাটা তার আরো একটা বড় উদাহরণ। নিছক ধর্মাবমাননার জন্য একটা সম্প্রদায়ের উপর হামলা হয়না এর পেছনে অবশ্যই পলিটিকস জড়িত থাকে। রংপুরের ঘটনায় সন্দেহের তালিকাতে রাজনীতিই থাকে। বর্তমানে ভাত আনতে পান্তা ফুড়ানোর বাজারে উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক দলের ইন্ধন ছাড়া নীরিহ মুসল্লি কর্তৃক নিরীহ হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে আক্রমণ একটি অবিশ্বাস্য ও আষাঢ়ে গল্প ছাড়া আর কিছু নয়। সবচেয়ে বেশি ২টি বিষয়ের ওপর আমাদের সন্দেহের দৃষ্টি নিক্ষেপ করা যাক:

 

[১] বিষয়টি নিয়ে ৫ দিন ধরে এলাকায় বোঝাপড়া চলেছে। এমনকি থানায় এটি নিয়ে একটি মামলাও হয়েছে টিটুর বিরূদ্ধে। অথচ এই বিষয়টি নাকি স্থানীয় মোড়ল শ্রেণী অর্থাৎ স্থানীয় নেতাদের কাছে গেছেন । স্থানীয় গণ্য নেতারা এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য জানেন না!

[২] টিটু পড়ালেখাই জানে না [যুগান্তর]

 

প্রথমত, যদি ৫ দিন এই বিষয়টিকে নিয়ে তালগোল পাকানো হয় তাহলে স্থানীয় গণমান্য নেতা ও সংসদ সদস্য জানেন না এটি নিছক কৌতুক বৈ আর কী হতে পারে? দ্বিতীয়ত, টিটু যদি পড়ালেখাই না জানে তবে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে কে বা কারা এই কাজটি করেছে, তাদের ফায়দা কী? এসব এখন কোটি ডলারের প্রশ্ন! এই সংঘবদ্ধ মুসল্লিদের কে বা কারা পিছনে সংঘবদ্ধ ইন্ধনদাতা হিসাবে ছিলো সেটা জানা এখন মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে, এবং এ হামলার দরুন সবচে উপকার পেয়েছে ঐ সংঘবদ্ধ ইন্ধনদাতা গোষ্ঠী। ভারত এবং বাংলাদেশে এ পর্যন্ত যতগুলো সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটেছে তার পিছনে একটা না একটা রাজনৈতিক দলের হাত ছিলোই! হয় তারা সরাসরি হামলায় ইন্ধন যোগায় নতুবা মুখবুজে হামলার সমর্থন দেয়। সাম্প্রদায়িক হামলা শুধুমাত্র ধর্মের কারণেই সৃষ্টি হয় না এর পিছনে জড়িত থাকে বিভিন্ন ইস্যু। এর শুরু হয় ধর্মকে পুঁজি করে এবং অবশ্যই সংখ্যাগুরু যাতে অধিকাংশের সমার্থন পাওয়ায় কোন অসুবিধারই সৃষ্টি না হয়। আমরা যদি বাবরি মসজিদ নিয়ে দাঙ্গার দিকে তাকাই তাহলে দেখতে পাবো, ওপারে দাঙ্গার সংখ্যাগরিষ্টদের হোতা ছিলো বিজেপি এবং এপারে সংখ্যাগরিষ্টদের সমার্থন হারনোর ভয়ে দুটো প্রধান রাজনৈতিক দলই মুখে কুলুপ সেটে ছিলেন! ব্লাসফেমি সৃষ্টির ইতিহাসে রাজনীতির ছড়াছড়ি। ব্লাসফেমির ইতিহাসে দেখা যায় এর উদ্ভব হয়, অত্যাচারী সামন্ত রাজাদের এবং চার্চের যাজকদের বিরুদ্ধে যারা কথা বলেছেন বা আঙুল তুলেছেন তাদের রাষ্ট্রীয় আইনের মাধ্যমে একেবারে খুন করার মাধ্যমে। যাজকরা এবং রাজারা তাদের প্রভাবের বিপক্ষে আঙুল তোলাদের আইন কর্তৃক খুন করিয়ে জনগণের কাছে ভালো হয়ে থেকেছেন এবং জনগণকে ধর্মের নামে মূলো খাওয়ানোর মেডিসিন হিসাবে ব্লাসফেমির প্রয়োগ করেছেন। ব্লাসফেমির উদ্ভব হয়েছিল প্রাচীন ও মধ্যযুগে। ১ হাজার ৪৫০ বছর আগে ৫৬০ সালের পর রোমের সামন্ত রাজারা প্রতিক্রিয়াশীল মৌলবাদী খ্রিষ্টান ক্যাথলিক চার্চের যাজকদের সহায়তায় এর উদ্ভব ঘটায়। এইভাবে ধর্মের গণ্ডির বাইরে গিয়ে ধর্মীয় আইন তৈয়ার হয়। বাইবেলের এমন অনেক আয়াত আছে যা পরিবর্তিত হয়েছে শুধুমাত্র চার্চ/রাজাদের সুবিধা অসুবিধার উপর ভিত্তি করে। ধর্মের নামে যে সাম্প্রদায়িকতার সৃষ্টি হয় সেটা হয় ধর্মের বাইরে গিয়ে। সাম্প্রদায়িকতার পিছনে একটা সংঘবদ্ধ ইন্ধন দাতা থাকে যাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। আমরা বিভিন্ন সময় দেখি মূর্তি ভাঙচূড়, হিন্দু জমি ভোগ দখল, মসজিদে শূয়োরের মাথা ইত্যাদি। এগুলো হলো সাম্প্রদায়িক কলহ বাঁধাবার চক্রের কাজ। নিশ্চই মুসল্লিরা এই ধরনের চক্রের দ্বারা প্রতারিত হয়েছে। টিটুও ঠিক একই রকম বলি হতে পারে। কাজেই এটির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার একান্ত কাম্য। আর অবশ্যই আক্রান্ত হিন্দুদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং ভারতীয় হাই কমিশন যেন এ বিষয়ে কোনমতে নাক গলাতে না পারে, যেন কোন দল এ নিয়ে ঘোলাটে পরিস্থিতি সৃষ্টি না করতে পারে সে দিকে নজর রাখতে হবে।

৬৭ comments

Skip to comment form

  1. 16
    সত্য সন্ধানী

     @সদালাপ কর্তৃপক্ষ, সদালাপের নীতি কি বদলে গেল কিনা জানি না। Ahmed নামক ভন্ড শয়তান বদমাশ টার মন্তব্য একের পর এক ছাড়া দেয়া হচ্ছে কেন? অনেক ছুপাকেই দেখেছি এখানে বিষোদগার করতে, কিন্তু রসুল সাঃ সম্পর্কে  এমন বাজে ভাষা,  এমন অশালীন উক্তি কি আগেও ছাপা হয়েছে? আমার চোখে অন্তত পড়েনি।

    এসব বাজে ভাষার মন্তব্য তো মুক্ত মনা টাইপ ব্লগের সম্পদ, সদালাপে কেন এসব ছাড় দেয়া হবে? ভাল মন্দ কোন কথা বলেই তাকে থামানো যাচ্ছে না।

    মুক্ত মনা জাতীয় ব্লগ গুলিকে মুসলিম রা ঘৃনা করে এসব শয়তান দের জন্য, সদালাপে মানুষ 

    আসে মুক্ত মনার কাউন্টার খুজতে। কিন্তু এখন দেখি সদালাপ কেই এই ছুপা বেছে নিয়েছে রসুলুল্লাহ নামে বিষাক্ত কথা বার্তা ছড়াবার জন্য! পুরাতন সদালাপ কি বদলে যাচ্ছে? 

    আমরা অনেকেই বার বার রিকোয়েস্ট করছি এই লোকের মন্তব্য ছাড় না দিতে, কোন ভাবেই কর্তৃপক্ষ সেটা আমলে নিচ্ছেন না আর সমানে তার মন্তব্য ছাড় দিয়েই চলেছেন।

    নাকি আমাদের আবেদন গুলো মডারেশন প্যানেলের চোখ এড়িয়ে যাচ্ছে। সেটা হলে আবার অনুরোধ করছি Ahmed নিকের মন্তব্য মডারেশন করার জন্য।

    আর যদি দেখেও আমাদের আবেদন অগ্রাহ্য করা হয়ে থাকে সেটা অবশ্য ভিন্ন কথা।

    সেক্ষেত্রে বোঝা যাবে যে আমরা হয়ত ভুল দরজায় কড়া নাড়ছি। ধন্যবাদ।

  2. 15
    Ahmed

    নবী মোহাম্মদ ছিলেন পার বদমাশ, এক নাম্বার জাউরা। 

    "t was narrated that 'Aishah said: “Sahlah bint Suhail came to the Prophet and said: 'O Messenger of Allah, I see signs of displeasure on the face of Abu Hudhaifah when Salim enters upon me.” The Prophet said: “Breastfed him.” She said: “How can I breastfeed him when he is a grown man? The Messenger of Allah smiled and said: “I know that he is a grown man.” So she did that, then she came to the Prophet and said: “I have never seen any signs of displeasure on the face of Abu Hudhayfah after that.” And he was present at (the battle of) Badr. (Sahih)
    Sunan Ibn Majah 3:9:1943"

  3. 14
    Ahmed

    নিজ দায়িত্বে পড়ুন, মুমিনের লিঙ্গানুভুতিতে আঘাত পেলে লেখক দায়ি নন।

    সহিহ মুসলিম : ৮ নং পুস্তক, হাদীস নং- ৩২৪০

    "নবী(সঃ) একদিন তার পালকপুত্র যায়িদের বাড়িতে গেলেন। যায়িদ তখন বাইরে ছিলেন। তিনি যখন যায়িদকে নাম ধরে ডাকলেন তখন তার নব বিবাহিত স্ত্রী যয়নব ভিতর থেকে জানালেন যে যায়িদ বাড়ীতে নেই। কিন্তু নবী(সঃ) তার কৌতূহল দমন করতে পারলেন না। তিনি যায়িদের শয়ন কক্ষে উঁকি দিলেন। সেখানে তিনি পুত্রবধূ যয়নবকে দেখলেন। যয়নব তখন পতলা  ফিনফিনে পোশাক পরা অবস্থায় ছিলেন। সুন্দরী যয়নবের আকর্ষণীয় শরীর দেখে তিনি পুলকিত হলেন।"

    1. 14.1
      চমকপ্রদ

      চমৎকার উপন্যাস বটে! আপনাদের সৃজনশীলতা দেখে মুগ্ধ হলাম!

  4. 13
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    @ সম্পাদক সাহেব,

    আসসালামু আলাইকুম। সকল বাজে মন্তব্যগুলো মুছে দিয়ে Ahmed নামক নির্বোধ-কে এই সাইটে বন্ধ করার অনুরোধ করি। নবী(সা) সম্পর্কে বাজে কটুক্তি এবং অবাজ্ঞা সহ মন্তব্য করেই যাচ্ছে।

    ধন্যবাদ।

  5. 12
    Ahmed

    "আপনি অন্তরে এমন বিষয় গোপন করছিলেন, যা আল্লাহ পাক প্রকাশ করে দেবেন আপনি লোকনিন্দার ভয় করেছিলেন অথচ আল্লাহকেই অধিক ভয় করা উচিত। অতঃপর জায়েদ যখন জয়নবের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করল, তখন আমি তাকে আপনার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ করলাম যাতে মুমিনদের পুষ্যপুত্ররা তাদের স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সেসব স্ত্রীকে বিবাহ করার ব্যাপারে মুমিনদের কোন অসুবিধা না থাকে। আল্লাহর নির্দেশ কার্যে পরিণত হয়েই থাকে”। (সূরা আহযাব, ৩৩:৩৭)

    এ আয়াত থেকে জানতে পারলাম, লোক লজ্জার করণে মুমিন-মুসলমানরা তদের পালক পুত্রের স্ত্রী বিয়ে করতে পারছে না তাতে আল্লার ঘুম হারাম হয়ে গেল। এটি যেন মুমিনদের জন্য বিশাল সমস্যা, অসুবিধা!! তো, ফটাফট মহান! আয়াত প্রশব করলেন আল্লা স্বয়ং।

    হাহা, জয়নব নিজেই মুহাম্মদকে বিয়ে করার জন্য উতাল হয়ে উঠলে জায়েদ তাকে তালাক দিয়ে দেন। জয়নব যদি ঠিকই মুহাম্মদকে বিয়ে করার জন্য উতাল হয়ে উঠলেন তবে মুহাম্মদ কেন জয়নবকে স্বামীর প্রতি সৎ থাকার নির্দেশ দিলেন না বা দোজখের ভয় দেখালেন না বা এরকম অনাচার বন্ধ করার জন্য আয়াত নাজিল করালেন না বা জয়নবের অন্য কারো সাথে বিয়ের ব্যবস্থা করলেন না বরং জয়নবকে বিয়ে করে নিজেকে বাচানোর জন্য মহান একটা আয়াত নাজিল করালেন?? ভণ্ডামির একটা সীমা থাকা কি দরকার ছিল না? বলাবাহুল্য, এই সময় মুহাম্মদের একাধিক স্ত্রী থাকলেও জায়েদের আর কোনো স্ত্রী ছিল না। বেচারা জায়েদ।

    এবার নিচের আয়াতটি পড়ে তাজ্জব বনে যান --
    "হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ্ আপনার করায়ত্ব করে দেন এবং বিবাহের জন্য বৈধ করেছি আপনার চাচাতো ভগ্নি, ফুফাতো ভগ্নি, মামাতো ভগ্নি, খালাতো ভগ্নিকে যারা আপনার সাথে হিজরত করেছে। কোন মুমিন নারী যদি নিজেকে নবীর কাছে সমর্পন করে,নবী তাকে বিবাহ করতে চাইলে সেও হালাল। এটা বিশেষ করে আপনারই জন্য-অন্য মুমিনদের জন্য নয়। আপনার অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে। মুমিনগণের স্ত্রী ও দাসীদের ব্যাপারে যা নির্ধারিত করেছি আমার জানা আছে। আল্লাহ্ ক্ষমাশীল,দয়ালু”।(৩৩:৫০) 

     থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে মুহাম্মদ ছিলেন আপাদমস্তক ভণ্ড, বদমাশ এবং তার আদর্শ সর্বকালের জন্য অনুসরণীয় হতে পারে না। তিনি নবি বা রসুল ছিলেন না এবং কোরানে যেহেতু তাকে সর্বোত্তম আদর্শ বলে ঘোষণা করেছে তাই কোরানও আল্লাহর বাণী নয় বরং তা মুহাম্মদ ও তার নিজের লোকদের রচনা।

    1. 12.1
      মোঃ তাজুল ইসলাম

      সোনাগাছিতে বেলুন ফাইট্টা তোর জন্ম হইছিল শুয়রের বাচ্চা। সদালাপে আইসা নবী(সা)-কে সম্পর্কে আজেবাজে কথা বলে যাচ্ছিস। সব উত্তর দেওয়া হয়েছে অনেক আগেই এই সদালাপে। তারপরও কাঠমোল্লার মত এখানে আইসা কা কা করতেছিস।

       

       

      1. 12.1.1
        Ahmed

        চালাক মোল্লারা নবী মোহাম্মদের সব আকাম-কুকামের ধানাইপানি হাতসাফাই উত্তর দিয়ে দিসেন। সুতরাং চ্যাপ্টার ক্লোজ।

        1. 12.1.1.1
          Ivan

          @Ahmed: মূত্রচনা এদিকে কি? এদিক তো হালুয়া রুটি নাই। সাহস থাকলে ভুয়া নাম না নিয়ে, আসল নাম নিয়ে আসো সোনামণি। ভণ্ড আসছে আরেকজনকে ভণ্ড প্রমাণ করতে। নাস্তিকদের নীতি নৈতিকতা আর মূত্রচনা একই কথা; যে নিজের মায়ের সাথেও যৌনক্রিয়া করতে পারে। সেটাই করো গিয়ে, ব্যাক্কল।

          @সদালাপ: এর নিয়মিত লেখকদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী অশ্লীল মন্তব্য করার জন্য।

          @সদালাপ এডমিন: এসমস্ত লোকদের বানোয়টা অশ্লীল কমেন্ট প্রকাশ না করাটাই ভালো। এসমস্ত মূত্রমনাদের পূতগন্ধময় মন্তব্যের কারণ ব্লগের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। এরা গিয়ে চটি বই লিখুক আর তার খদ্দের খুজুক। সদালাপ নাস্তিকদের "মূত্রালাপ" করার জায়গা না।

    2. 12.2
      সত্য সন্ধানী

      [এই ছুপা/খাসী কে আরো কিছু বলব। যথাসাধ্য শালীনতা বজায় রেখে

      ( মানে চ বর্গীয় 

      ভাষা ব্যবহার না করে)। 

       সদালাপের সব ভাই/বোন লেখক /পাঠকের কাছে অগ্রীম মাফ চেয়ে নিচ্ছি। এছাড়া আর অপশন নাই। একে থামাবার দায়ীত্ব আমাদেরকেই নেয়া লাগবে, রসুল কে গাল দিবে অতি অশালিন ভাষায়, আর সেটা দেখে সহনশীল আর থাকা যাচ্ছে না।]

       

       

      @Ahmad ছুপা খাসী, আমাদের নবী সাঃ তো বিয়া করছিলেন। তোর বাপ কি তোর মায়েরে বিয়া করছিল? যার খাইয়া বড় হইলি সেইডা কি তোর আসল বাপ?

      তোর মায়েরে জিগায়া দেখিস তো। আসল বাপ হইতেও পারে, তবে না হবার চান্সই বেশি।

      তোর নারী বাদী মায়ে তরে সত্য কইব না তো। যা বাপের সাথে ডি এন এ টেস্ট করায়ে দেখ।

      আর তোরা তো আবার স্বাধীন, বাক স্বাধীনতা, নারীর যৌন স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।

      এক কম কর, নিজের মা, বোন আর বউরে (যদি থাকে), কাপড় (বস্ত্র হইতে স্বাধীনতা) খুইলা রাস্তায় ইয়ে উচু কইরা 

      রাস্তায় দাড় করায়ে রাখ, আর জনতা কে অনুরোধ কর স্বাধীন ভাবে তাদের ( তোর মা বইন বউ) যৌন চাহিদা মিটাতে। মানুষের অভাব হইব না। সমস্যা কি আমার কথা মাইনা কাজ কর। এইসব আবার ব্যাপার নাকি, মুক্ত চিন্তাবার ব্যক্তি স্বাধীনতা আর যৌন স্বাধীনতা আছে না।

      আগে মা বোন বউ রে জিজ্ঞেস করে নিস, না হলে আবার তারা ধর্ষন মামলা দিতে পারে, বা পিম্পিং এর মামলা।

      এর পর গরু ছাগল কুত্তা কিচ্ছু বাদ দিস না, সব তো স্বাধীনতা, আর ন্যাচারাল।

      এবার তুইও একই ভাবে খারায়া যা পাছার কাপর তুইলা। আর পুরুষ দের ক কাম সারতে;সমকাম তো ন্যাচারাল, সমস্যা কি।

      সাথে আবার মা বইন বউ রে লাইনে দিয়া দে, বাড়তি আয় করুক। সমস্যা কি কোন কাজই অসম্মানের না।

      সাথে স্ট্রিপারের কাজও দিতে পারিস। তোরা দালাল হিসাবে কমিশন নিস।

      অ্যাসাইলাম ব্যবসার পাশাপাশি বাড়তি আয়।

      সাথে  নিজেরাও সম্মতিতে কাম সারিস, সবাইকে দেখায়া। প্রাপ্ত বয়স্ক দের অজাচার তো তোদের সমস্যা হবে না। এইসব তো তোদের জন্য ভাল, যেহেতু এইগুলা ইসলামিক না।

      যাহা ইসলামিক তাহাই খারাপ এই আপ্ত বাক্য অনুসরন কর। যেগুলার উদাহরন দিলাম, বিশেষ করে অজাচারের এইটা আরো ভাল তোদের জন্য।

      কেউ একজন আমারে বলছিল যে আসিফ মহিউদ্দিনের নাকি তার আপন বোনের সাথে 

      অজাচারের সম্পর্ক আছে, তা তোরাই বা বাদ যাবি কেন? শুরু কইরা দে।

      1. 12.2.1
        সত্য সন্ধানী

         @ছুপা/খাসী, পেট ভরছে? না ভরলে কইস আরো কিছু খাওয়ামুনে!

    3. 12.3
      চমকপ্রদ

      যায়েদ (রা.)-এর স্ত্রীকে বিয়ের চিন্তা রসূল (সা.) করেছিলেন তালাক সংঘটিত হবার পর, অথবা তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নাজুক ও ভঙ্গুর অবস্থায় উপনীত হবার পর। যেহেতু রাসূলুল্লাহ (সা.) তাদের মাঝে বিয়ে দিয়েছিলেন, তাই তাদের দাম্পত্য ব্যর্থতা ও বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি নবীজীর (সা.) জন্য পীড়াদায়ক ছিল। আর স্বভাবতই এ অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির দায়টা নবীর (সা.) উপর এসে বর্তিয়েছিল এবং এ অবস্থা থেকে উত্তরণের দায়িত্বটাও তাঁকেই বহন করতে হয়েছে। তবে কোন চাপ বা বাধ্যবাধকতা নয়, বরং মানুষকে সমস্যামুক্ত করবার নৈতিক তাগিদ থেকেই তিনি এটা করেছেন। কারণ, যেহেতু আমার কারণে (অর্থাৎ আমার কথামতো পাত্রকে বিয়ে করে সেই বিবাহিত জীবন রক্ষা না পাবার কারণে) একটা মেয়ে কষ্ট পাচ্ছে, সেহেতু তাকে তুলনামূলক অধিক সম্মানজনক স্থানে পাত্রস্থ করবার দ্বারা তার এই কষ্ট ও ক্ষতিটা পুষিয়ে দেয়াটা আমারই দায়িত্ব। বলাবাহুল্য, রসূলুল্লাহ (সা.) জীবিত থাকা অবস্থায় একজন মুমিন নারীর জন্য সর্বাপেক্ষা অধিক সম্মানজনক ফয়সালা হতে পারে রসূলের (সা.) সহধর্মিণী হওয়া। এটাই ছিল যায়েদপত্নীর জন্য সর্বাধিক উত্তম সান্ত্বনা।

      @ Ahmed, আপনার কথায় মনে হচ্ছে, জয়নাব বুঝি মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রেমে পড়ে পাগল হয়ে যায়েদের ঘর ছাড়তে চেয়েছে এবং সেই সূত্র ধরে আপনি এমন প্রশ্নও করেছেন যে, মুহাম্মদ (সা.) কেন জয়নবকে আল্লাহর ভয় দেখিয়ে ফিরানোর চেষ্টা করলেন না? এ প্রসঙ্গে বলি, যায়েদ ও জয়নাবের দাম্পত্য কোন্দলের সাথে এসব কোন বিষয় সংশ্লিষ্ট ছিল না, বরং তা ছিল একান্ত তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। আর নবী (সা.) তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা কম করেননি এবং এ লক্ষ্যে আল্লাহর ভয় দেখিয়ে সদুপদেশ প্রদান বাদ দেননি, যেটি আপনার উদ্ধৃত আয়াতের প্রথম বাক্যে উল্লেখ করা হয়েছে, যেই ছোট্ট বাক্যটি আপনি ইচ্ছে করেই সেন্সর করেছেন।  "আপনি (মুহাম্মদ সা.) যখন আল্লাহর ও আপনার দ্বারা অনুগ্রহপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে (যায়েদকে) বলেছিলেন, তোমার স্ত্রীকে তোমার কাছেই থাকতে দাও এবং আল্লাহকে ভয় কর।" (সূরা আহযাব: আয়াত ৩৭) প্রসঙ্গত বলতে হয়, আপনি এক অপর এক স্থানে আপনাদের অপপ্রচারের বিপরীতে মুমিনদের জবাব প্রদান প্রসঙ্গে 'আগের আয়াত পরের আয়াত' বলে বিদ্রূপ করেছেন, আর এখন চোখে আঙ্গুল দিয়ে হাতে কলমে দেখিয়ে দিলাম যে, আপনারা বাস্তবেই কাটছাট ও জালিয়াতি করে থাকেন।

      বিয়ে মাত্রই জৈবিক চাহিদা পূরণার্থে হয়ে থাকবে- এ ধারণা ঠিক নয়। মহৎপ্রাণ ব্যক্তিরা জৈবিক চাহিদার বাইরেও মানবিক তাগিদ থেকে বিয়ে নামক কর্মটা করতে পারেন। তবে সাধারণভাবে মানুষের প্রচলিত ধারণামতে বিবাহ একটি জৈবিক কাজ হওয়ায় যেকোন বিবাহকেই মানুষ জৈবিক ভেবে বসতে পারে বিধায় অনেক সময় মানবিক প্রেরণা ও পরোপকারের লক্ষ্যে কেউ বিয়েশাদী করতে চাইলেও লোকলজ্জার খাতিরে তা প্রকাশ করতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়। আমাদের সমাজে নি:স্বার্থ ছোট ভাই কর্তৃক এতিম ভাতিজা বা ভাতিজীর মুখের দিকে তাকিয়ে ভাইয়ের বউকে বিয়ে করার ঘটনাও দেখেছি। এসব ক্ষেত্রেও পরোপকারী ছোট ভাইকে প্রথম দিকে কাজটি গোপনই রাখতে হয়েছিল। এমনকি বিষয়টা প্রকাশ হবার পর সবাই না বুঝে ছি-ছিও করেছে। কিন্তু যখন ছোট ভাই তার আদরের ভাতিজা বা ভাতিজীকে লেখাপড়া শিখিয়ে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্বটি পালন করে দেখিয়ে দিল, তখন সবার ভুল ভাঙল।

  6. 11
    Ahmed

    নবী মোহাম্মদ সর্ব! যুগের! শ্রেষ্ঠ মানব। তার সব কর্ম মুসলিমদের জন্য সুন্নত। তিনি কোথায় হাত বেঁধে নামাজ পড়তেন, নাভির নিচে, নাকি নুনুর নিচে তা মুমুনরা ১০০% ফলো করে। কিন্তু তিনি যে কাজের বুয়াদের সাথে মৌজ-ফূত্তি করতেন সেই সুন্নতের কথা বল্লে মুমিনরা একে অপরের মুখ চাওয়া চাই করে। 

    1. 11.1
      সত্য সন্ধানী

      @ছুপা Ahmad,এই হারামজাদা বাপের পরিচয় হীন জারজ সন্তান, তোর বাড় খুব বেশি বেড়েছে। যা হারামজাদা মুত্র চোনা তে গিয়ে ল্যাদা।

      এত বড় সাহস তোর যে সমানে রসুলুল্লাহর বিরুদ্ধে অপমান সুচক মন্তব্য করে যাচ্ছিস এখানে? খোয়াড়ের শুয়োর খোয়াড়ে ফিরে যা। তোর মুক্ত চিন্তা আর বাক স্বাধীনতার মুখে জুতা মারি আমি।

      তোর সাথে ভদ্র ভাবে কথা বলাটা একটা পাপের কাজ আমার মতে। চোরকে জুতা পেটা করা উচিত, সেখানে তোর মন্তব্য ছাড় দিয়ে তোকে জামাই আদর করা হচ্ছে।

       হাতের কাছে তোকে পেলে কানের নিচে দিতাম জুতা দিয়া বাড়ি।

  7. 10
    Ahmed

    অক্ষম, মূর্খ, বর্বরের হাতিয়ার গালিগালাজ। প্রমানিত। Case proven.

    1. 10.1
      সত্য সন্ধানী

       @Ahmed, জনাবের আসল নাম বলেন দেখি। ঝেড়ে কাশেন। ছদ্ম নামে অনেক বেশি বেড়ে গেছেন।

      নাকি আপনার বাপ আপনার জন্মের সময় নাম ও পরিচয় দেয়ার সুযোগ পান নাই? সেটা হলে ভিন্ন কথা! 

    2. 10.2
      চমকপ্রদ

      অক্ষম, মূর্খ, বর্বরের হাতিয়ার গালিগালাজ। প্রমানিত। Case proven.

      ঠিক বলেছেন। এর প্রমাণ আপনি শুরু থেকেই দিয়ে আসছেন। আপনার প্রতিটি পোস্টই ১৪০০ বছর আগের মানুষটির উপর অর্ধ ডজন করে গালিগালাজে পূর্ণ। আপনার প্রতিটা গালি, মিথ্যা অপবাদ ও কুযুক্তির যথাযথ বিস্তারিত জবাব দানের ক্ষেত্রে আমরা কোনরূপ অক্ষমতার পরিচয় দেইনি। কিন্তু আপনি আমাদের জবাবগুলোকে আমলে না নিয়ে খণ্ডনকৃত বাতিল বচনগুলোই চর্বিত চর্বন করে যাচ্ছেন। কেন জানি গালিগালাজ ছাড়া আপনি কিছুতেই সন্তুষ্ট হচ্ছিলেন না। আপনার বেশ্যা মা যেমন আপনার ধর্ষক পিতার গুতা না খেয়ে সন্তুষ্ট হচ্ছিল না, আপনিও তেমনি গালিগালাজ ছাড়া থামতে চাইছিলেন না। আপনার ক্রমাগত গালিগালাজের মুখে এবং গালিগালাজের মিথ্যা অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা ঘোষণা দিয়েই দু'চারটি গালির বচন শুনিয়েছি মাত্র। আমাদের পাল্টা গালির সাথে আপনার পার্থক্য হলো, আপনার পুরো লেখাই গালিভিত্তিক, গালি, মিথ্যা অপবাদ ও উগ্র বিদ্বেষের খিস্তিখেউড় ছাড়া আপনার ভাণ্ডারে আর কিছুই নেই। কিন্তু আমাদের লেখালেখি গালিনির্ভর নয়, গালিকে কেবল শেষ ঔষধ হিসেবেই ব্যবহার করেছি মাত্র। তদুপরি গালিগুলোও খামখেয়ালীভাবে নির্বাচন করিনি, বরং আপনার স্বভাবের সাথে মিল রেখেই করেছি। তারপরও আমি নিশ্চিত, আমাদের প্রদত্ত গালিগুলোতে আপনার চরিত্রের হাজার ভাগের এক ভাগও ফুটে ওঠেনি, আপনি বাস্তবে তার চেয়েও বহুগুণ খারাপ।

      একজন গালিবাজ ব্যক্তি নিজের ব্যবহৃত গালিগুলোকে গালি মনে করে না, বরং 'সত্য' ও 'উচিত' কথা বলেই মনে করে। সে দাবি করে, আমি কোন গালি দিচ্ছি না, বরং যা সত্য হুবহু তাই বলছি। আর বলাবাহুল্য, সত্য বলতে তার কাছে গায়ের জোরে জেদ ধরে বলা প্রলাপকেই বোঝায়। তার ভাবখানা হলো, "আমি যাকে যা বলব, যাকে যে নামে ডাকব, তার বেলায় সেটাই সত্য।" তার ব্যবহৃত প্রলাপগুলো বাস্তবতার ধারেকাছে না হলেও সে জোর করে তাই চিরসত্য বলে গিলাতে চায়।

    3. 10.3
      সত্য সন্ধানী

      @Ahmad খাসী/ছুপা, এখানে গাল দিচ্ছিস একমাত্র তুই। অন্য কেউ না। এখন আমি পালটা শুরু করলাম আর থামব না যতক্ষন না তোকে সাইজ করা হবে।

      তুই রসুলুল্লাহর বিরুদ্ধে যে সব অশালীন মন্তব্য করে চলেছিস সেগুলো  সেকুলাংগার ব্লগে ছাড়

       

      দেয়ার আগেও মনে হয় চিন্তা ভাবনা করবে তারা। রসুল সাঃ আমাদের কাছে

      পিতা মাতার চেয়ে সম্মানিত, আর তাকে তুই সমানে সবচেয়ে বাজে ভাষায় গালাগালি দিচ্ছিস। তুই নেড়ি কুত্তা, তোর জন্যে জুতার বাড়িই দরকার।

    4. 10.4
      চমকপ্রদ

      @ Ahmed

      কথায় বলে, "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলে পরিচয়"। "ব্যবহারে বংশের পরিচয়।" আপনাকে আমরা যে গালিগুলো দিয়েছি, সেগুলো আদতে গালি নয়, বরং আপনার বায়োডাটা বা জীবন বৃত্তান্ত মাত্র। আপনার ব্যবহৃত শব্দগুলো ল্যাবে নিয়ে ডিএনএ টেস্ট করে যে রিপোর্ট পেয়েছি, তার ভিত্তিতেই আপনার জীবনচক্র ও বংশপরিচয় সম্পর্কে মন্তব্য করেছি। একজন সাধারণ সৎ লোক বা সতী নারীর নামে দুর্নাম রচনাকারীকেই আমরা খবিস ও বজ্জাত হিসেবে ধরে নেই। সেখানে জগতের শ্রেষ্ঠতম মহামানবকে আবোল তাবোল নামে অভিহিতকারী ব্যক্তিকে আমরা কী জানতে পারি!

  8. 9
    মহিউদ্দিন

    "আহমেদ" নামের এই লোকের মন্তব্য পড়লে এটি স্পষ্ট বুঝা যায় সে এখানে এসেছে তার   মনগড়া "যুক্তি" ও ইচ্ছামত গালি দিয়ে  মুসলমানদের প্রিয় নবী মোহাম্মাদকে (সা:) অপমান করতে। এম আহমেদ ভাই যথার্থ বলেছেন এ ব্যক্তি "একজন পুরানো শয়তান" -- এরা হচ্ছে সামাজিক ক্রিমিনাল ফিতনা-বাজ।

    তাছাড়া এ লোকটি রাসুল (স:) কে  চরিত্রহীন, নারী লোভী, মূর্খ, ধান্ধাবাজ, খুনি ইত্যাদি  অপবাদ দিতে গিয়ে  সে আসলেই যে জুতোর ফিতে সে  প্রমাণ দিল তাতে কোন সন্দেহ নাই। এ ধরনের লোকদের কোন জবাব দিয়ে সময় নষ্ট করা ছাড়া কোন লাভ নাই।

    তার মতে "গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বসবাস করি" তাই বলে ১.২ বিলিয়ন মানুষের ধর্মীয় নেতাকে "চরিত্রহীন, নারী লোভী, মূর্খ, ধান্ধাবাজ, খুনি ইত্যাদি" বলার অধিকার তাকে কে দিল?  

    যে মোহাম্মদ (স:) মুসলিমদের কাছে বিশ্বের বিস্ময়, নবী ও রাসুলগণের সর্বশেষ ও সর্বশ্রেষ্ঠ, । যাঁর গুণকীর্তনে ভিন্ন ধর্মের মানুষেরা পর্যন্ত পঞ্চমুখ; কাফির–মুশরিক, তাঁর আদর্শের  দুশমন ও প্রাণের শত্রুরাও যাঁকে ‘আল আমিন’ তথা মহাসত্যবাদী বা পরম বিশ্বাসী আখ্যায় আখ্যায়িত করতে কুণ্ঠাবোধ করেনি; যাঁর আবির্ভাবে কিসরা ও কাইজারের গগনচুম্বী রাজপ্রাসাদ ভূমিতে লুটিয়ে পড়ে; পারস্যের অনির্বাণ অগ্নিকুল চিরনির্বাপিত হয় সেই মহান ব্যক্তিকে মুসলিমরা না হয় তাদের প্রিয় নবী হিসাবে পদ্মাসনে বসিয়ে রেখে অপরাধ করেছে কিন্তু আধুনিক বিশ্বের মনীষীদের অনেকেই তো মোহম্মদ (স:) কে শ্রদ্ধার সাথে তার সম্পর্কে যে সব সুন্দর কথা বলেছেন তার জন্য কি "আহমেদ" নামের এই শয়তানের কাছে মাফ চাইতে হবে? পাঠকদের খেদমতে এ রকম কথার  একটি ভিডিওটির লিংক এখানে দিলাম।

    1. 9.1
      Ahmed

      "তার মতে "গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বসবাস করি" তাই বলে ১.২ বিলিয়ন মানুষের ধর্মীয় নেতাকে "চরিত্রহীন, নারী লোভী, মূর্খ, ধান্ধাবাজ, খুনি ইত্যাদি" বলার অধিকার তাকে কে দিল?"

      না ভাই আপনার চরিত্রহীন, নারী লোভী, লম্পট এবং চরম অমুসলিম বিদ্বেষী নবী মোহম্মদ কে উলঙ্গ করার অধিকার কোন ইসলামিষ্টের কাছে করুণা ভিক্ষা করে চেয়ে নিতে হবে না। এ সভ্য যুগে নির্ভয়ে স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার সবার আছে। আপনারা মসজিদের ভিতরে আরবী সূরা-খুদবায় অমুসলিম, ইহুদী-নাসারা, নাস্তিকের ধ্বংস কামনা করে দোয়া মোনাজাত করবেন, ইউরোপ, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া….. কে দারুল ইসলাম ঘোষণা করার জেহাদী জোশ দেখাবেন, অমুসলিম জনতার উপর ট্রাক চালিয়ে দিয়ে আল্যার হুরপরী ভোগের সাহিহ হাদীস বর্ণনা করে শুনাবেন। আবর মসজিদ থেকে বেড় হয়ে ইহুদী-নাসারা-নাস্তিকের গুতা খাওয়ার ভয়ে মাথা নিচু করে দাড়ির নিচে মুখ লুকিয়ে বলবেন ইসলাম শান্তির ধর্ম, গলায় প্লাকার্ড/ঘন্টা ঝুলিয়ে বলবেন- Not in the name of my religion…… এসব দ্বিচাারিতা চলবে না। 

      সুতরাং একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলার প্রত্যয়ে সব অনিষ্টের নাটের গরু মোহাম্মদের চরিত্র উন্মচোন করা হবে, তাকে অপমান করা হবে, উলঙ্গ করা হবে। আমাদের হাতে-পায়ে ধরে লাভ হবে না। দুঃখিত।

      আর ভিন্ন ধর্মের মানুষেরা আপনার বদমাস নবীর গুণকীর্তনে পঞ্চমুখ!!! এই আজগুবি তথ্য আপনি কোথায় পেয়েছে?? 

      1. 9.1.1
        চমকপ্রদ

        ….. করার অধিকার কোন ইসলামিষ্টের কাছে করুণা ভিক্ষা করে চেয়ে নিতে হবে না। এ সভ্য যুগে নির্ভয়ে স্বাধীন মত প্রকাশের অধিকার সবার আছে।

        স্বয়ং স্রষ্টা, ফেরেশতাকূল, জিনকূল, মানবকূল ও সৃষ্টিজগতের দ্বারা প্রশংসিত ও সম্মানিত সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষটিকে শ্রদ্ধা করা ও ভালোবাসার অধিকারটুকুও কোন কমুনিষ্টের কাছে করুণা ভিক্ষা করে চেয়ে নিতে হবে না। আর এ সভ্য যুগে কোন অসভ্য পায়ুকামী ইবলীসকে মত প্রকাশের অধিকারের নামে নোংরামি ও বিদ্বেষ ছড়াতে দেয়া যায় না।

        একদিকে আল্লাহ ও নবীর নামে বিদ্বেষ উদগীরন করবেন, অপরদিকে মরার পরে আশেকে রসূল নামধারী মোল্লা এনে জানাযার নামাজ পড়াবেন, কুলখানি করবেন, মিলাদ দেবেন- … এসব দ্বিচাারিতা চলবে না। 

        জনতার উপর ট্রাক চালানোর ঘটনা কোন ধর্মীয় যোশের কারণে ঘটে না, এটা ঘটে রাজনৈতিক ও জাতিগত প্রতিহিংসা থেকে, স্বজন হারানোর প্রতিশোধ গ্রহণের প্রবণতা থেকে। যাদের ঘরবাড়ি ও জনপদগুলো নাপাম বোমায় শতফুট মাটির নিচে মিশে গেছে, তেজস্ক্রিয়তায় যাদের দেশে পঙ্গু ছাড়া কোন শিশু জন্ম দিতে পারছে না, তারা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে দু'একটা অপ্রীতিকর কর্ম করে বসতে পারে। আমি তাদের এ কর্মকে সমর্থন করছিনা, কিন্তু এ কর্মের পিছনে অনাহূতভাবে মোহাম্মদকে জড়ানোর মতলবি প্রয়াসকে নিন্দা না জানিয়েও পারছি না। আর মসজিদে মসজিদে কাফেরদের নামে কেন অভিসম্পাত দেয়া হয়, তার যৌক্তিকতা বোঝার জন্য আপনার মতন একটা কুলাঙ্গারকে দেখাই যথেষ্ট।

        আর নিরপরাধ সুস্থ রুচির সাধারণ মানুষের জন্য নিরপরাধ পৃথিবী গড়তে চাইলে তা কেবল মোহাম্মদের (সা.) অনুসরণেই সম্ভব। মোহাম্মদ (সা.) যখন ক্ষমতায় ছিলেন, তখনই পৃথিবীটা সর্বাধিক নিরাপদ ছিল- ইতিহাস সাক্ষী। তবে বিকৃত রুচির পায়ুকামী ও ধর্ষকদের জন্য মুহাম্মদ (সা.) নামটা আতংক। কারণ, নরপিশাচদের জন্য কোন নিরাপত্তার গ্যারান্টি স্রষ্টা ও তাঁর পয়গম্বর দেননি। সৃষ্টিজগতের জন্য ক্যান্সারতুল্য এ জাতীয় পিশাচগুলোকে ডিলেট করেই মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর সাহাবাগণ নিরাপদ বিশ্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

        প্যাঁচা যদি সূর্যের সাথে শত্রুতা করে, তাতে সূর্যের মর্যাদা কমে না। নবীর সাথে আপনাদের বেয়াদবির দ্বারা নবীর সম্মানের কোন ক্ষতি হচ্ছে না, বরং আপনাদের কুরুচিভাব ও কুৎসিত মানসিকতাই প্রকাশ পাচ্ছে। আপনারা ভাবছেন, নবীর মুখোশ উন্মোচন করছেন! কিন্তু মিথ্যা অপবাদ প্রতিষ্ঠিত করার ব্যর্থ প্রয়াসকে মুখোশ উন্মোচন ভাবাটা আহাম্মকের কাজ। নবীর মুখোশ উন্মোচনের নামে মূলত আপনাদের নিজেদের মুখোশটাই নগ্নভাবে উন্মোচিত হচ্ছে মানব জাতির কাছে। আল্লাহ ও নবীর দুশমনরাই যে অসভ্যতা ও কুরুচির অধিকারী- এ সত্যটাই প্রকাশ পাচ্ছে। আল্লাহ যে কোরআনে বলেছেন, "কাফেররাই জালেম"- এ সত্যই প্রমাণিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় আপনারা কিভাবে ভাবলেন, আপনাদেরকে এসব প্রলাপ বচন থেকে থামানোর জন্য আমরা হাত-পা ধরতে যাব? আমাদের চ্যাটের এত ঠ্যাকা পড়েনি যে, আপনার মত নর্দমার কীটদের হাত-পা ধরতে যাব। আমাদের নবীর সম্মান আপনাদের দয়ার উপর নির্ভরশীল নয়।

      2. 9.1.2
        চমকপ্রদ

        … এসব দ্বিচাারিতা চলবে না। 

        সারাজীবন আল্লাহ ও নবীর নামে বিষোদগার ও গালাগালি করবেন— ধর্মকে পশ্চাদপদতা, অন্ধবিশ্বাস ও মূর্খতা আখ্যা দিয়ে কথিত বিজ্ঞানভিত্তিক মার্কসবাদের বড়াই দেখিয়ে বেড়াবেন, আবার নেত্রীর হাতে ধাবড়ানি খেয়ে মন্ত্রীত্ব রক্ষার গরজে গোঁফের নিচে মুখ লুকিয়ে সুবোধ বালকের মত গায়ে সাদা কাপড় জড়িয়ে হজ্জ্ব করে আসবেন; একদিকে ইসলাম ও নবীর নামে কুৎসা গাইতে থাকবেন, অপরদিকে মুসলিমদের হাতে গুতা ও চোদন খাওয়ার ভয়ে মুসলিমদের মধ্যে থেকে কিছু ভাড়াটিয়া লোককে দিয়ে "ইসলাম শান্তির ধর্ম— ক্ষমা ও উদারতা মহানবীর আদর্শ" ইত্যাদি ছেলেভুলানো নসীহত শুনিয়ে মুসলিমদের শান্ত রাখার চেষ্টা করবেন …… এসব দ্বিচারিতা চলবে না।

  9. 8
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    কাঠমোল্লা ওরফে ভবঘুরে, সে তার প্রতিটি প্রশ্নের জবাব ইষ্টিশন ব্লগে পেয়েছে। অনেক ভাই তার উত্তর দিয়েছেন কিন্তু সে ইচ্ছা করেই একই ভাঙ্গা ক্যাসেট সব জায়গায় বাজিয়ে চলে। উত্তর পাওয়ার পরেও সে থামে না। সে ইচ্ছাকরে জেনেশুনে এই কাজটি করে। ৯:২৯ নিয়ে সে সবচেয়ে বেশি লাফালাফি করে। উত্তর পাওয়ার পরও সে আবার ৯:২৯ নিয়ে গানাবাজানা চালিয়ে যায় অন্যত্র। গুলিস্থানের লোমবিহীন নেরি কুকুরের সাথে বেধে রাখা উচিত এই বেকুবকে। এই বেকুবের লজ্জ্বা নাই।

    1. 8.1
      সত্য সন্ধানী

       সালাম তাজুল ভাই। এই ahmad বজ্জাত টাও কি ভবঘুরে বলে সন্দেহ করেন?

      মুক্ত মনা তে ভবঘুরের কিছু লেখা আছে যেমন মোহাম্মদ ও ইসলাম নামের সিরিজ।

      এইখানে যে আক্রোশে সে খিস্তি দিচ্ছে রসুল সাঃ কে,

      সেটার সাথে ভবঘুরে & গং এর আক্রোশের মিল পাচ্ছি!

      1. 8.1.1
        মোঃ তাজুল ইসলাম

        ভাই, ওয়ালাইকুমুস সালাম।

        নবী(সা) সম্পর্কে বাজে কথা বললে ধৈর্য ধারন করা কঠিন। আমরা মুসলমান; আমরা আমাদের নিজেদের জানের চেয়েও নবী(সা)-কে বেশি ভালবাসি। পুর্বেও অনেক নির্বোধ এই সাইটে আগমন করেছিল। সদালাপের শ্রদ্ধেয় সিনিয়র ভাইগন জবাব দিয়েছেন। এবারও এই নির্বোধকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে তারপরও সে তার ক্যাসেট বাজিয়ে চলছে। এরা জেনেশুনে ভেজাল করে মজা নেওয়ার চেষ্টা করে। আর আমিও ভুল করেছি এই বেকুব-রে গালি দিয়ে। আল্লাহ্‌ আমাদের ধৈর্য শক্তি আরো বাড়িয়ে দিন এবং ওদের হেদায়েত দান করুণ।

        ভবঘুরে আর কাঠমোল্লা একই ব্যক্তি। সুষপ্ত, কাঠমোল্লা… টাকার বিনিময়ে ইসলামের বিরুদ্ধে লিখে নয়ত এত স্ট্রেন্থ পাওয়ার কথা না। আপনাকে ধন্যবাদ।

  10. 7
    চমকপ্রদ

    একটি উদ্বেগের বিষয় -- সদালাপ কর্তৃপক্ষের জরুরী দৃষ্টি আকর্ষণ

    আমার ব্রাউজারে আরেকজন মন্তব্যকারীর আইডি ও ই-মেইল প্রদর্শিত হয়েছে বেশ কয়েকবার। অথচ এমনটি সম্ভব কেবল তখনই, যখন আমার কম্পিউটারে আমার ব্রাউজার ব্যবহার করে সদালাপে মন্তব্য পোস্ট বা লগ-ইন করা হবে। তাও আবার এমন একজনের (Ahmed নিকধারী), যে উগ্র ধর্মবিদ্বেষী মন্তব্য করে থাকে এবং এ নিয়ে আমার ও তার মধ্যে তর্ক-বিতর্ক চলছে। এমতাবস্থায় আমি ঠিক বুঝতে পারছি না, আমি কি হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছি, নাকি সদালাপ বা ওয়ার্ডপ্রেসের টেকনিকাল সমস্যাবশত Reply বাটনে ক্লিক করলে আপনাআপনি যার মন্তব্যের রিপ্লাই দিতে যাচ্ছি সেই মন্তব্যকারীর আইডি ও ই-মেইল এসে যায়? যদি হ্যাকিংয়ের ব্যাপার হয়ে থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নোংরা পোস্টগুলোর আইনগত দায় আমার উপর এসে বর্তাবে না তো?

    সদালাপ কর্তৃপক্ষের সহায়তা ও পরামর্শের প্রত্যাশায় রইলাম।

  11. 6
    মোঃ তাজুল ইসলাম

    সদালাপ কর্তৃপক্ষঃ

    আসসালামু আলাইকুম।

    বিস্মিত হচ্ছি, Ahmed নামক এক মিথ্যুক, অসুস্থ লোক সদালাপে এসে ইসলাম এবং নবী(সাঃ) সম্পর্কে অপবাদ দিচ্ছেন। পূর্বেও এই সকল মিথ্যুকেরা নাম পরিবর্তন করে ইসলামকে আক্রমন করার জন্য সদালাপে আগমন করেছেন। এদের লক্ষ্য শুধুই বিভ্রান্তি ছাড়ানো। এরা যা করে তা জেনেশুনেই করে। এই সকল বিদ্বেষীরা সুস্থ্য আলোচনায় আসে না এবং বোঝেও না। এদের দ্বারা সদালাপ কুলষিত হোক, তা কাম্য নয়। অনুরোধ জানাই, দয়া করে সদালাপে এদের বন্ধ করুণ এবং স্বতন্ত্র একাউন্ট না খোলে দেওয়া হোক।

    ধন্যবাদ।

    1. 6.1
      মোঃ তাজুল ইসলাম

      এবং আরেকটি অনুরোধ, মন্তব্যগুলো আসেন্ডিং অর্ডার অর্থাৎ পূর্বের ফরম্যাটে নিয়ে আসলে সুন্দর হয়। পড়তে সুবিধা হয়। বিবেচনার জন্য দরখাস্ত। ধন্যবাদ।

  12. 5
    চমকপ্রদ

    মন্তব্য পোস্ট করায় সমস্যা হচ্ছে, এরর দেখাচ্ছে।

  13. 4
    চমকপ্রদ

    আমার একটি মন্তব্য নিয়ে সম্ভাব্য ভুল বুঝাবুঝির বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করছি। আহমেদ নামক একজন মন্তব্যকারীর মন্তব্যের জবাব দিতে গিয়ে আমার প্রতি-মন্তব্যটি ভুলক্রমে একটি স্বতন্ত্র মন্তব্য হিসেবে সব মন্তব্যের উপরে চলে আসে (যেহেতু সদালাপের পরিবর্তিত পদ্ধতি অনুযায়ী সর্বশেষ মন্তব্য সর্বপ্রথম প্রদর্শিত হয়), যা দেখে মনে হতে পারে আমি লেখকের মূল পোস্টের জবাবে উক্ত মন্তব্য করেছি। তদুপরি মূল পোস্টের লেখকের নামের দিকে তাকিয়েও দেখলাম, নামের শেষে 'আহমেদ' রয়েছে। এ অসতর্কতামূলক ভুলের জন্য দু:খিত।

    তবে আমি আমার মন্তব্যটি যথাস্থানে কপি পেস্ট করে দিয়েছি। ভুল স্থানে (অর্থাৎ সকল মন্তব্যের উপরে মূল প্রবন্ধের সন্নিহিত স্থানে) পোস্টকৃত মন্তব্যটি দৃশ্যত অপ্রাসঙ্গিক হওয়ায় সদালাপের মডারেটর কিংবা মূল প্রবন্ধের লেখক ইচ্ছে করলে এটি মুছে দিতে পারেন।

  14. 3
    চমকপ্রদ

    আহমেদ ভাই,

    একচোখ দিয়ে দেখা ও অন্ধ সমর্থনের প্রবণতাটা জান্নাতের হুরপরী ভোগের লোভ থেকে তৈরি হয়, এই কথাটা আপনি কোথায় পেলেন? কারো প্রতি অন্ধ সমর্থন বা অন্ধ বিদ্বেষের প্রবণতাটা কিন্তু বেহেশত-দোযখ তথা ধর্মবিশ্বাসীদের চাইতে ধর্মবিরোধীদের মাঝেই বেশি বিদ্যমান। আপনি হয়তো তর্কের খাতিরে নিজেকে ঐ একচোখা মনোভাব থেকে বাহ্যিকভাবে হলেও মুক্ত ঘোষণা করলেন, কিন্তু আপনার সতীর্থদের এই সংকীর্ণ মানসিকতাকে কি অস্বীকার করতে পারবেন? ব্লগ ও ফেসবুকে রোহিঙ্গাদের প্রতি hate speech কি আপনার চোখে পড়ে না? এগুলো যারা করছে, তারা কোন্‌ হুরপরীর লোভে করছে? হুরপরী বিশ্বাসী ছাড়া আর সবাই একচোখা মনোভাব থেকে মুক্ত- এই কি আপনার ধারণা! আর আপনার 1.1.1.2  নং মন্তব্যের ১ম অনুচ্ছেদটি আমার কাছে হাতি-ঘোড়া বিসর্জন দিয়ে মন্ত্রী খাওয়ার চাল বলেই মনে হয়েছে। যেহেতু আপনি ভালো করেই জানেন, আপনার গুরু কার্ল মার্কস, মাওসেতুং, বর্মী সামরিক জান্তা সবাইকে যোগ করলেও এক মোহাম্মদের (সা.) একটা জুতার ফিতার ধারেকাছেও হবে না। আল্লাহর কাছে মর্যাদা ও সততার বিষয়টি যেহেতু আপনাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না তাই তা না হয় নাই বললাম। কিন্তু পার্থিব জনপ্রিয়তার দিক থেকেও আপনার গুরুরা আমার নবীর সাথে তুলনা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না। তবে নিরপেক্ষ সাজতে গিয়ে যেই মোহাম্মদকে দোষী প্রমাণের জন্য নিজের গুরুদেরকেও বলির পাঠা বানালেন, সেই মোহাম্মদের (সা.) বিরুদ্ধে আপনার এক শ্বাসে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর কিঞ্চিত জবাব প্রদান আবশ্যক মনে করছি।

    বানু কুরাইজ গনহত্যা ও বানু নাদির নিধনের বিষয়ে সঠিক তথ্য হলো, উক্ত ইহুদী গোত্রগুলো চুক্তি ভঙ্গ ও বিশ্বাসঘাতকতা করে বহি:শত্রুর সাথে হাত মিলিয়ে রসূল (সা.) ও মদীনাবাসী মুসলমানদেরকে উৎখাত করার পদক্ষেপ নিয়েছিল। ইহুদী গোত্রের নিহত ব্যক্তিরা কেউই অবুঝ শিশুটি ছিল না। তদুপরি তারা তাদের অপরাধের লঘুদণ্ড প্রাপ্তির সম্ভাবনাটুকুও নিজেদের হাতেই বন্ধ করেছিল তদবির-লবিংয়ের মাধ্যমে রসূলুল্লাহ (সা.)-এর পরিবর্তে অপর এক ব্যক্তিকে বিচারক মানার মধ্য দিয়ে।

    আপনাদের ভাষায় যুদ্ধবন্ধি নারী ধর্ষন ও অসহায় দাসী ধর্ষন বিষয়ে বলতে চাই, ধর্ষণ বলতে বুঝায় বিবাহ বহির্ভূতভাবে জোরপূর্বক ভোগ করা। কিন্তু যুদ্ধবন্দী নারীদেরকে দাসী হিসেবে একেকজনকে কেবল একেকজনের মালিকানাতেই ন্যস্ত করা হতো। তাদেরকে টয়লেট টিস্যুর মত ব্যবহার করে ফেলে দেয়া হতো না। একাধিক পুরুষ মিলে একজন নারীকে ভোগ করার কোন ঘটনাই তখন ঘটেনি। আজকে দেখুন, একজন রোহিঙ্গা নারী একদিনে ৭০ জন বর্মী সৈন্যের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। সেই তুলনায় পরাজিত পক্ষের মহিলাদের জন্য শুধু একজনের অধীনে দাসীর মর্যাদা পাওয়াটাও কি তুলনামূলক অধিক সহনীয় নয়? 

    আর কথিত শিশুকামিতার অভিযোগটি বাস্তবসম্মত নয়, বরং একটি জাল হাদীসের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। সঠিক ইতিহাস হলো, মা আয়েশা (রা.) ছিলেন নবীর নবুওয়াতের প্রথম তিন বছরে ইসলাম গ্রহণকারীদের একজন। আর তাঁর বিয়ে হয়েছে মদীনায় হিজরতের পর। তাহলে তাঁর বিবাহের বয়স ৬ বা ৯ বছর হয় কি করে?

    আপনার আলোচ্য মন্তব্যের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে আক্রমণাত্মকভাবে কেবল ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে সত্যকে প্রত্যাখ্যানের চিরাচরিত প্রবণতাই প্রদর্শিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বলে রাখি, অলৌকিক কিছু হলেই যে সেটা অবাস্তব ভণ্ডামি হবে, এমন ধারণা সত্য নয়। আর আমি পৌরাণিক চরিত্র বলতে বুঝিয়েছিলাম যুগ ও কাল বোঝাতে। কারণ, পৌরানিক ঘটনাগুলো ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় সংরক্ষিত হয়নি, কেবল পুঁথি-পুস্তক হতে পাওয়া যায়। আর আমাদের নবীর আগমনের সময়কাল মাত্র ১৪০০ বছর আগে, যে সময়কাল প্রচলিত ইতিহাসের আওতার মধ্যে, তাই অবাস্তব বা কাল্পনিক কিছু প্রচারিত হওয়া সম্ভব নয়।

    তৃতীয় অনুচ্ছেদ বিষয়ে বলি, আমি ভেবেছিলাম, আপনি খচ্চর বলেছেন বোরাককে আর মহাশূন্য ভ্রমণ বলতে মেরাজকে বুঝিয়েছেন। কিন্তু 'উম্মে হানীর সাথে লুকিয়ে হানিমুন' জাতীয় কোন কথা এই আপনার কাছেই প্রথম জানলাম! আর "এসব বচাল কথাবার্তা তেঁতুল হুজুরের মাদ্রাসায় চলবে। এই ফোরামে নয়"- একথা বলাটাও অনধিকার চর্চা। কারণ, লেখার সময় আপনার খেয়াল ছিল না যে, এই ফোরাম বা ব্লগটা আপনাদের নয়, বরং আমাদের।

    চতুর্থ অনুচ্ছেদে নিজেদের সাধুগিরি ফলাতে গিয়ে বলেছেন, আপনারা কারো কল্লা কাটতে চান না, ও কাজ নাকি শুধু আমাদের নবীই করেন। কিন্তু কৈ, রাজপথে 'কল্লা চাই' বা 'ফাঁসি চাই' জাতীয় শ্লোগান কারা দেয়? আর নাস্তিকরা যেসব দেশে (যেমন- রাশিয়া, চীন, বার্মা, আফগানিস্তান) ক্ষমতায় গেছে, সেসব দেশে তারা কি ভালোবাসার গোলাপ জল ছিটিয়েছে? আপনার অবগতির জন্য আরেকটি তথ্য জানাতে চাই, কার্ল মার্কস এক তার বন্ধু ম্যাক্সিম গোর্কির কাছে এক চিঠিতে লিখেছিলেন, "পৃথিবীর ৫ ভাগের ৪ ভাগ মানুষকে মেরেও যদি বাকি ১ ভাগকে কমুনিষ্ট বানানো যায়, তাও করতে হবে।" আমি একথা দাবি করি না যে, আমাদের নবী কারো কল্লা নেননি। কিন্তু আপনাদের কমুনিষ্ট নেতাদের (মার্কস, লেনিন, মাওসেতুং প্রমুখ) সাথে আমাদের নবীর পার্থক্য হলো, নবী শুধুমাত্র অপরাধীদের কল্লা নিয়েছেন, কোন নিরপরাধ বনী আদমের কল্লা নেননি।

  15. 2
    Mijan

    তথা কথিত মুসল্লী, পোড়ানো হিন্দু বাড়ি সবই কোন তুখোড় খেলোয়াড়ের পাতানো কি-না তাই বা কে বলবে? আইসেসের পোষ্ট মর্টেম হয়ে গেছে; যখন মানুষ আইসিসের স্রষ্টাকে চিনে গেছে তখন আইসিস চ্যাপ্টারও শেষ হয়ে গেছে। বাংলাদেশের জঙ্গী জঙ্গী খেলাও সে রকমই মনে হচ্ছে। অবস্থা দেখে কেন জানি মনে হয়  এক একটা নাটক মঞ্চস্থ করা হচ্ছে। আল্লাহ্‌ই ভালো জানেন।

  16. 1
    Ahmed

    সূরা মায়দাহ'র ৩৩-৩৪ আয়াত থেকে একটি বিষয় সুস্পষ্ট হয়ে গেল পৃথিবীর আর সব ধর্মমত, তত্ত্ব, তথ্য, রীতিনীতি, আদর্শ, দর্শন, শাস্ত্র, সংবিধান, চ্যাটার…… সব কিছুর বিলকুল সমালোচনা করা যাবে। কিন্তু ব্যাতিক্রম শুধু ইসলাম। ইসলামের সমালোচনা সহ্য করা হবে না, কেউ যদি ভুলেভালে একটু/আধটু করেই ফেলে তার কল্লাফতে নিশ্চিৎ। তবে তাওবা করলে মাফ পেতেও পারে। তাহলে এই ২১ শতকে নির্দিধায় বলা যায় ইসলাম আসলে একটি ভয়ংকর ধর্ম। শুধু শুধু আইসিস, বোকোহারাম, তালেবান এদের দোষ দিয়ে কি লাভ যতক্ষন না ইসলামের চেহাড়া পাল্টানো না যায়।

    1. 1.1
      চমকপ্রদ

      ফরাসীদের একটি রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক নীতিমালা আছে:- "আমাকে ভালো না বাসার অধিকার তোমার আছে, কিন্তু আমাকে Respect না করার অধিকার তোমার নেই।" তবে শুধু একটা জায়গাতে এ নীতির ব্যতিক্রম করা চলে। কোন মানুষকে Respect না করার অনুমতি না থাকলেও শুধু একটা মানুষকে অসম্মান করার অনুমতি সেখানে আছে— সেই ১৪০০ বছর আগের মানুষটিকে।

      একমাত্র ইসলাম ছাড়া আর সবখানে সবার বাক স্বাধীনতা আছে, সবকিছু নিয়ে সবার সমালোচনার অধিকার স্বীকৃত- এ দাবি সত্য নয়। ইউরোপে গিয়ে হোলোকাস্টের ঘটনা নিয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেই দেখুন না, হাজতের বাইরে থাকতে পারেন কিনা। ইউরোপ-আমেরিকায় বাচ্চাকে টিকা না দিয়ে থাকতে পারবেন? না, পারবেন না। তবে সমকামিতা করতে কোন বাধা নেই।

      এ তো গেল ইউরোপ-আমেরিকায় মানবাধিকার ও মতপ্রকাশের অধিকারের অবস্থা। আর আপনাদের সবচাইতে প্রিয় নাস্তিক শাসিত দেশগুলোর দিকে তাকান। চীনের লী পেং বা উত্তর কোরিয়ায় বসে কিময়ের নামে সমালোচনা দূরে থাকুক, তার কোন সিদ্ধান্তের সাথে ভিন্নমত পোষণ করে দেখুন তো, কল্লাটা ধড়ের উপর থাকে কিনা!

      এবার আসি সূরা মায়দাহ'র ৩৩-৩৪ আয়াতের প্রসঙ্গে। এখানে যুদ্ধের কথা বলা আছে। সাধারণ মাত্রার গঠনমূলক সমালোচনা যুদ্ধের আওতায় পড়ে না। যুদ্ধ বলতে বোঝায় জীবন ও সম্ভ্রমের উপর শারীরিক আক্রমণ, অথবা মুখের কথা বা লেখনীর দ্বারা চরম অশ্লীল অবমাননাকর আক্রমণ। এছাড়া ধর্ম গ্রহণ ও ধর্ম পালনে জোরপূর্বক বাধা প্রদানও যুদ্ধের অন্তর্ভুক্ত।

      আরেকটা কথা বলি, পৃথিবীর আর সব ধর্মমত, তত্ত্ব, তথ্য, রীতিনীতি, আদর্শ, দর্শন, শাস্ত্র, সংবিধান, চ্যাটার এসবের সাথে আল্লাহ ও রসূলের মর্যাদার তুলনা চলে না। নীলক্ষেতের জাল সার্টিফিকেট আর বোর্ডের অথোরাইজড সার্টিফিকেট এক জিনিস নয়। আপনি নীলক্ষেতে বসে সার্টিফিকেট বানালে বা ওখান থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করলে আপনাকে পুলিশ বা র‍্যাবে ধরে নিয়ে যাবে। কিন্তু আপনার আইনসিদ্ধ অরিজিনাল সার্টিফিকেট কেউ কেড়ে নিয়ে গেল আপনি তার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন। রাস্তার কোন মহিলা এসে ঘরের বউয়ের সমান মর্যাদা দাবি করলে সেটা হবে অনধিকার আবদার ও হাস্যকর আবেদন।

      1. 1.1.1
        Ahmed

        দেখুন, ইউরোপের হলকাস্ট একটি পৈচাশিক, নিষ্ঠুর, নির্মম মানবিক বিপর্যয়ের বাস্তব ইতিহাস। সুতরাং এটিকে কটাক্ষ করা মানে বিশ্ব মানবতাকে অবজ্ঞা করা। যে কারনে হলকাস্ট ডিনাই করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। রোগ প্রতিরোধক টিকা যৌক্তিক কারণেই বাধ্যতামুলক।  কিন্তু এগুলোর সাথে ইসলাম অবমাননা এক পাল্লায় মাপা যাবে না। আপনার রাসুল চাঁদ মামাকে দ্বিখন্ডিত করেছেন, পাংখ্যাওয়ালা খচ্চরের পিঠে মহাশুন্য ভ্রমন করেছেন…… এমন সব আবলতাবল রম্য রচনার বিরুদ্ধে হাসি, তামাসা, টিটকারী, টিপ্পনি হ্তেই পারে। হওয়াটাই স্বাভাবিক এবং হবেই। আপনি চাইলেই জোর করে মুখ বন্ধ করতে পারবেন্না।  এ নিয়ে আর কোন কথা চলে না, ফুলস্টপ।

        নীলক্ষেতের জাল সার্টিফিকেট প্রসঙ্গ : 

        দেখুন, আজকের পৃথিবীর সবচেয়ে পশ্চাদপদ, সবচেয়ে অজ্ঞমূর্খ, সবচেয়ে অশিক্ষিত, সবচেয়ে অথর্ব, সবচেয়ে অপদার্থ, সবচেয়ে , পরনির্ভরশীল, সবচেয়ে বিজ্ঞান বিমুখ, সবচেয়ে দাঙ্গাবাজ……….. জনগোষ্টির কাছেই কেবল আপনার আল্লা-রাসুলের মর্যাদা সবার উপরে থকবে সেটাই স্বাভাবিক। সে তুলনায় পৃথিবীর সবচেয়ে অগ্রগামী সভ্যভব্য, সুশিক্ষিত মানুষের ধর্মমত, তত্ত্ব, তথ্য, রীতিনীতি, আদর্শ, দর্শন, শাস্ত্র, সংবিধান, চ্যাটার……. যদি নীলক্ষেতের জাল সার্টিফিকেট হয়ে থাকে তাহলে সেটিই ভাল। ধন্যবাদ।

        1. 1.1.1.1
          চমকপ্রদ

          হলোকাস্টকে অস্বীকার করলে বিশ্ব মানবতার অবমাননা হয়। কিন্তু ইহুদী মায়ের সন্তান কার্ল মার্কসের উদ্ভাবিত নাস্তিকতা ও কমুনিজমের অনুসারীরা যখন কোটি কোটি মানুষকে হত্যা করে গোটা দুনিয়ার মানুষকে নাস্তিক কমুনিষ্ট বানাতে  চায়, তখন তাতে মানবতার কোন ক্ষতি হয় না! বার্মার নাস্তিক্যবাদী কমুনিষ্ট শাসকদের হাতে হাজার হাজার নিরীহ মানুষ জাতিগত নির্মূল অভিযানের শিকার হলে সেই ভিকটিমরা যখন মানবতাবাদের ধ্বজাধারী নাস্তিকদের কাছে সহানুভূতির পরিবর্তে বিদ্রূপ পায়, তখন তাতে মানবতার অবমাননা হয় না! আর আপনি ইউরোপের বাক স্বাধীনতার বিষয়ে একটা ব্যাখ্যা দিলেও আপনাদের সবচেয়ে প্রিয় নাস্তিক তথা কমুনিষ্ট রাষ্ট্রগুলোর বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন।

          আপনার রাসুল চাঁদ মামাকে দ্বিখন্ডিত করেছেন, পাংখ্যাওয়ালা খচ্চরের পিঠে মহাশুন্য ভ্রমন করেছেন…

          আমাদের রসূল কোন প্রাগৈতিহাসিক পৌরাণিক চরিত্র নন। তাঁর জীবনের ঘটনাবলী শুধু ধর্মগ্রন্থ বা পুঁথি আকারে নয়, বরং ঐতিহাসিক ঘটনা হিসেবেই নথিবদ্ধ। চাঁদ দ্বিখণ্ডিত হবার ঘটনা মুসলিম-কাফের নির্বিশেষে প্রত্যক্ষদর্শীদের সামনেই ঘটেছিল এবং কাফেররা এটাকে যাদু আখ্যায়িত করেছিল- এটা ঐতিহাসিকভাবেই প্রমাণিত। আফ্রিকার জঙ্গলের যে মূর্খ মানুষটি রকেট, মহাশূন্যযান বা কম্পিউটার সম্পর্কে জানে না, তার কাছে বর্তমানের চন্দ্র ভ্রমণ বা মহাকাশ গবেষণার গল্প শোনালে কিংবা কম্পিউটারের কার্যক্ষমতার বিবরণ দিলে সে আপনাকে বেকুব পাগল ঠাওরাবে এটা নিশ্চিত। অনুরূপভাবে, রসূলুল্লাহ (সা.)-এর ঊর্ধ্বালোক ভ্রমণের বিষয়টিও আপনাদের কাছে হাস্যকর পাগলামি মনে হতেই পারে। কারণ, আপনারা এ সম্পর্কে হয় অজ্ঞ, অথবা উদ্দেশ্যমূলক মতলবের তাড়িত হয়ে জেনেশুনে উড়িয়ে দিয়ে থাকেন। মহাবিশ্ব বলে একটা কিছু সৃষ্ট হয়েছে- একথা যদি সত্য হয়, তাহলে এর স্রষ্টা এই সৃষ্ট এরিয়ার মধ্যে যাকে ইচ্ছা যখন খুশি ঘুরিয়ে দেখাতে পারেন, এটা অবিশ্বাস করার কিছু নেই। রসূল (সা.) যখন ঊর্ধ্বলোক ভ্রমণের বিষয় বর্ণনা করেছিলেন, তখন অবিশ্বাসীরা মহাকাশ ভ্রমণ তো দূরের কথা, জেরুজালেম ভ্রমণের ঘটনাই বিশ্বাস করতে চায়নি। অথচ আজ মক্কা থেকে জেরুজালেম ভ্রমণ তিন ঘন্টার ব্যাপারও নয়। তখনকার মানুষের কাছে না হয় বিষয়টা বোধগম্য ছিল না। কিন্তু এখনকার দিনের বিজ্ঞান জানা জ্ঞানপাপী মানুষগুলো মহাকাশ ভ্রমণের ঘটনা জানার পরও কিভাবে তা অস্বীকার করে? আর আপনি কোন্‌ বিষয়টা বিশ্বাস করবেন বা না করবেন, সেটা আপনার ব্যাপার। কিন্তু যারা বিশ্বাস করে, তাদের কাছে এ নিয়ে হাসি, তামাসা, টিটকারী, টিপ্পনি চালাতেই থাকবেন, এমন স্বেচ্ছাচারিতা ও হঠকারিতাপূর্ণ জেদ ধরা যুক্তিসঙ্গত নয়।

          যাদেরকে আপনি পশ্চাদপদ, সবচেয়ে অজ্ঞমূর্খ, সবচেয়ে অশিক্ষিত, সবচেয়ে অথর্ব, সবচেয়ে অপদার্থ, সবচেয়ে  পরনির্ভরশীল বলছেন, তারা কিন্তু এমন ছিল না। তাদেরকে এরূপ করা হয়েছে শত বছরের জুলুম ও শোষণের মাধ্যমে। আর এটা করেছে আপনার বর্ণিত  সভ্যভব্য, সুশিক্ষিত, উন্নতরা। এ থেকে রবী ঠাকুরের সেই পংক্তিটিই মনে হয়, "তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে।" আর বিজ্ঞানে উন্নতির একতরফা ক্রেডিটটা আজকের সভ্য জগতের উপর দিয়ে দেয়াটা হচ্ছে সেই শাশুড়ীর মত আচরণ, যে কিনা বউকে দিয়ে খাবার তৈরি করিয়ে পরিবেশনের কাজটি নিজে করে বাহবা নিয়ে নেয়, আর বউকে অকম্মা অথর্ব প্রমাণ করে ছাড়ে।

        2. 1.1.1.2
          Ahmed

          ফুলস্টপ বলে আমি আপনার সাথে আলোচনা শেষ করে ছিলাম। তারপরও লিখতে বাধ্য হলাম।

          ১। দেখুন, আমি কোন জান্নাতের হুরপরী ভোগের লোভে সবকিছু একচোখ দিয়ে দেখি না। আমার দুটি চোখই খোলা। ইহুদী সন্তান কার্ল মাক্স, চীনের মাও সেতুং, মায়ানমারে নির্যাতন, ইয়েমেনে সৌদি বর্বরতা, রামু, নাসির নগর, এবং সবশেষে রংপুর এ ইসলামী বহ্নিশিখা, নবী মোহাম্মদের বানু কুরাইজ  গনহত্যা, বানু নাদির নিধন, কিনানা, যুদ্ধবন্ধি নারী ধর্ষন, অসহায় দাসী ধর্ষন, শিশুকামিতা…….. এগুলো সবই অপরাধ। মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ মাত্র। আপনার মত একচোখ দিয়ে দেখে মোহা্ম্মদকে তাল গাছে উঠিয়ে আর সবার সমালোচনা করব আমি সেই লোক নই।

          ২। আপনি বলেছেন। "আমাদের রসূল কোন প্রাগৈতিহাসিক পৌরাণিক চরিত্র নন।" তাহলে উনি কি? যে লোকের কাছে নাকি ৬০০ ডানার জিবরাইল ফেরেস্তা হেরা পর্বতের শিয়ালের গর্তে চুপিচুপি আল্লা নামক জজুর ওহি নাজিল করেন তার কাছে তো পৌরাণিক চরিত্র চরম ভাবে হার মানে। ভন্ডামির একটা সীমা থাকা দরকার। 

          ৩। উনি হাতের ইশারায় চাঁদ দ্বিখন্তিত করেছে, খচ্চরের পিঠে মহাশুন্য ভ্রমন(উম্মে হানির সাথে লুকিয়ে হানিমুন) এসব বচাল কথাবার্তা তেঁতুল হুজুরের মাদ্রাসায় চলবে। এই ফোরামে নয়, দুঃখিত। 

          ৪। আপনি আরো বলেছেন। " টিটকারী, টিপ্পনি চালাতেই থাকবেন, এমন স্বেচ্ছাচারিতা ও হঠকারিতাপূর্ণ জেদ ধরা যুক্তিসঙ্গত নয়।" বিলকুল ঠিক বলেছেন, বেশ বেশ, বটেই!!? কিন্তু আপনার রাসুলের অবমাননাকারীর কল্লা কেটে দেয়ার বিধান পেয়ারা রাসুল দিয়ে গেছেন। আমরা কারোর কল্লা কাটতে চাই না, আর এখানেই আরনার বর্বর রাসুলের সাথে আমাদের ফারাক।

          ধন্যবাদ।

        3. 1.1.1.3
          চমকপ্রদ

          আহমেদ ভাই,

          একচোখ দিয়ে দেখা ও অন্ধ সমর্থনের প্রবণতাটা জান্নাতের হুরপরী ভোগের লোভ থেকে তৈরি হয়, এই কথাটা আপনি কোথায় পেলেন? কারো প্রতি অন্ধ সমর্থন বা অন্ধ বিদ্বেষের প্রবণতাটা কিন্তু বেহেশত-দোযখ তথা ধর্মবিশ্বাসীদের চাইতে ধর্মবিরোধীদের মাঝেই বেশি বিদ্যমান। আপনি হয়তো তর্কের খাতিরে নিজেকে ঐ একচোখা মনোভাব থেকে বাহ্যিকভাবে হলেও মুক্ত ঘোষণা করলেন, কিন্তু আপনার সতীর্থদের এই সংকীর্ণ মানসিকতাকে কি অস্বীকার করতে পারবেন? ব্লগ ও ফেসবুকে রোহিঙ্গাদের প্রতি hate speech কি আপনার চোখে পড়ে না? এগুলো যারা করছে, তারা কোন্‌ হুরপরীর লোভে করছে? হুরপরী বিশ্বাসী ছাড়া আর সবাই একচোখা মনোভাব থেকে মুক্ত- এই কি আপনার ধারণা! আর আপনার 1.1.1.2  নং মন্তব্যের ১ম অনুচ্ছেদটি আমার কাছে হাতি-ঘোড়া বিসর্জন দিয়ে মন্ত্রী খাওয়ার চাল বলেই মনে হয়েছে। যেহেতু আপনি ভালো করেই জানেন, আপনার গুরু কার্ল মার্কস, মাওসেতুং, বর্মী সামরিক জান্তা সবাইকে যোগ করলেও এক মোহাম্মদের (সা.) একটা জুতার ফিতার ধারেকাছেও হবে না। আল্লাহর কাছে মর্যাদা ও সততার বিষয়টি যেহেতু আপনাদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না তাই তা না হয় নাই বললাম। কিন্তু পার্থিব জনপ্রিয়তার দিক থেকেও আপনার গুরুরা আমার নবীর সাথে তুলনা পাওয়ার যোগ্যতা রাখে না। তবে নিরপেক্ষ সাজতে গিয়ে যেই মোহাম্মদকে দোষী প্রমাণের জন্য নিজের গুরুদেরকেও বলির পাঠা বানালেন, সেই মোহাম্মদের (সা.) বিরুদ্ধে আপনার এক শ্বাসে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর কিঞ্চিত জবাব প্রদান আবশ্যক মনে করছি।

          বানু কুরাইজ গনহত্যা ও বানু নাদির নিধনের বিষয়ে সঠিক তথ্য হলো, উক্ত ইহুদী গোত্রগুলো চুক্তি ভঙ্গ ও বিশ্বাসঘাতকতা করে বহি:শত্রুর সাথে হাত মিলিয়ে রসূল (সা.) ও মদীনাবাসী মুসলমানদেরকে উৎখাত করার পদক্ষেপ নিয়েছিল। ইহুদী গোত্রের নিহত ব্যক্তিরা কেউই অবুঝ শিশুটি ছিল না। তদুপরি তারা তাদের অপরাধের লঘুদণ্ড প্রাপ্তির সম্ভাবনাটুকুও নিজেদের হাতেই বন্ধ করেছিল তদবির-লবিংয়ের মাধ্যমে রসূলুল্লাহ (সা.)-এর পরিবর্তে অপর এক ব্যক্তিকে বিচারক মানার মধ্য দিয়ে।

          আপনাদের ভাষায় যুদ্ধবন্ধি নারী ধর্ষন ও অসহায় দাসী ধর্ষন বিষয়ে বলতে চাই, ধর্ষণ বলতে বুঝায় বিবাহ বহির্ভূতভাবে জোরপূর্বক ভোগ করা। কিন্তু যুদ্ধবন্দী নারীদেরকে দাসী হিসেবে একেকজনকে কেবল একেকজনের মালিকানাতেই ন্যস্ত করা হতো। তাদেরকে টয়লেট টিস্যুর মত ব্যবহার করে ফেলে দেয়া হতো না। একাধিক পুরুষ মিলে একজন নারীকে ভোগ করার কোন ঘটনাই তখন ঘটেনি। আজকে দেখুন, একজন রোহিঙ্গা নারী একদিনে ৭০ জন বর্মী সৈন্যের দ্বারা আক্রান্ত হচ্ছে। সেই তুলনায় পরাজিত পক্ষের মহিলাদের জন্য শুধু একজনের অধীনে দাসীর মর্যাদা পাওয়াটাও কি তুলনামূলক অধিক সহনীয় নয়? 

          আর কথিত শিশুকামিতার অভিযোগটি বাস্তবসম্মত নয়, বরং একটি জাল হাদীসের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত। সঠিক ইতিহাস হলো, মা আয়েশা (রা.) ছিলেন নবীর নবুওয়াতের প্রথম তিন বছরে ইসলাম গ্রহণকারীদের একজন। আর তাঁর বিয়ে হয়েছে মদীনায় হিজরতের পর। তাহলে তাঁর বিবাহের বয়স ৬ বা ৯ বছর হয় কি করে?

          আপনার আলোচ্য মন্তব্যের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদে আক্রমণাত্মকভাবে কেবল ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করে সত্যকে প্রত্যাখ্যানের চিরাচরিত প্রবণতাই প্রদর্শিত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে বলে রাখি, অলৌকিক কিছু হলেই যে সেটা অবাস্তব ভণ্ডামি হবে, এমন ধারণা সত্য নয়। আর আমি পৌরাণিক চরিত্র বলতে বুঝিয়েছিলাম যুগ ও কাল বোঝাতে। কারণ, পৌরানিক ঘটনাগুলো ঐতিহাসিক ধারাবাহিকতায় সংরক্ষিত হয়নি, কেবল পুঁথি-পুস্তক হতে পাওয়া যায়। আর আমাদের নবীর আগমনের সময়কাল মাত্র ১৪০০ বছর আগে, যে সময়কাল প্রচলিত ইতিহাসের আওতার মধ্যে, তাই অবাস্তব বা কাল্পনিক কিছু প্রচারিত হওয়া সম্ভব নয়।

          তৃতীয় অনুচ্ছেদ বিষয়ে বলি, আমি ভেবেছিলাম, আপনি খচ্চর বলেছেন বোরাককে আর মহাশূন্য ভ্রমণ বলতে মেরাজকে বুঝিয়েছেন। কিন্তু 'উম্মে হানীর সাথে লুকিয়ে হানিমুন' জাতীয় কোন কথা এই আপনার কাছেই প্রথম জানলাম! আর "এসব বচাল কথাবার্তা তেঁতুল হুজুরের মাদ্রাসায় চলবে। এই ফোরামে নয়"- একথা বলাটাও অনধিকার চর্চা। কারণ, লেখার সময় আপনার খেয়াল ছিল না যে, এই ফোরাম বা ব্লগটা আপনাদের নয়, বরং আমাদের।

          চতুর্থ অনুচ্ছেদে নিজেদের সাধুগিরি ফলাতে গিয়ে বলেছেন, আপনারা কারো কল্লা কাটতে চান না, ও কাজ নাকি শুধু আমাদের নবীই করেন। কিন্তু কৈ, রাজপথে 'কল্লা চাই' বা 'ফাঁসি চাই' জাতীয় শ্লোগান কারা দেয়? কথিত বিপ্লব ও সংগ্রামের নামে শ্রেণিশত্রু খতমের কাজটি কারা করেছে? ধর্মবিশ্বাসী আস্তিকরা, নাকি অন্য কেউ? আর নাস্তিকরা যেসব দেশে (যেমন- রাশিয়া, চীন, বার্মা, আফগানিস্তান) ক্ষমতায় গেছে, সেসব দেশে তারা কি ভালোবাসার গোলাপ জল ছিটিয়েছে? আপনার অবগতির জন্য আরেকটি তথ্য জানাতে চাই, কার্ল মার্কস এক তার বন্ধু ম্যাক্সিম গোর্কির কাছে এক চিঠিতে লিখেছিলেন, "পৃথিবীর ৫ ভাগের ৪ ভাগ মানুষকে মেরেও যদি বাকি ১ ভাগকে কমুনিষ্ট বানানো যায়, তাও করতে হবে।" আমি একথা দাবি করি না যে, আমাদের নবী কারো কল্লা নেননি। কিন্তু আপনাদের কমুনিষ্ট নেতাদের (মার্কস, লেনিন, মাওসেতুং প্রমুখ) সাথে আমাদের নবীর পার্থক্য হলো, নবী শুধুমাত্র অপরাধীদের কল্লা নিয়েছেন, কোন নিরপরাধ বনী আদমের কল্লা নেননি।

        4. 1.1.1.4
          Ahmed

          দুঃখিত, আপনাকে নিয়ে আর পরা গেল না। পরস্পর বিরোধী কথা বলেই যাচ্ছেন! আসলে আপনি যে কি অন্ধ প্রলাপ বকছেন তা কিন্তু সবাই দেখছছে। এখানে সবাই কিন্তু ৭ শতক মূর্খ আরব বেদুইন নয়। এটি একটি আন্তর্জাতিক মেধা ভিত্তিক ফোরাম। তাই বলি, একটু রয়ে সয়ে প্রজ্ঞা মেধা দিয়ে কথা বলুন, প্লিজ। যাক।

          এবার মূল প্রসঙ্গে আসি : 

          ১। এক চোখে কে আসলে দেখছে!? আমি কারো ওকালতি করি না। সাদা কে সাদা আর কালো কে কালোই বলি। আমি কিন্তু আমার সমুদয় আলোচনায় কোথাও বলিনি কার্ল মার্কস, মাওসেতুং পৃথিবীর সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব সন্তান, মায়ানমার রাষ্ট্র সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ । পক্ষান্তরে আপনি এক চরিত্রহীন, নারী লোভি, মুর্খ, ধান্ধাবাজ, খুনি মোহাম্মদকে পদ্মাসনে বসিয়ে দিয়ে অন্য সবাইকে জুতোর ফিতে ভাবতে শুরু করেছেন। বুকের ভিতর কতটা একচোখা অন্ধ আক্রশ, জিঘাংসা থাকলে কেউ তা করতে পারে। ভুলে যাবেন্না আমরা এখন গ্লোবালাইজেশনের এই যূগে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বসবাস কবি। মধ্যযূগীয় আরব মরুভূমিতে নয়। 

          ২। আপনি বলেছেন, " ব্লগ ও ফেসবুকে রোহিঙ্গাদের প্রতি hate speech কি আপনার চোখে পড়ে না? "  হাঁ পরে। একই সাথে আপনার আল কোরাণের কথাও মনে পরে, যা আপনার সকাল-সন্ধা ঘেউঘেউ করে পাঠ করেন। যেখানে কোন রাখঢাক না করেই বলা হয়েছে, "অমুসলিমরা পৃথিবীর নিকৃষ্ট জীব, বানর, শুকর, কুকুরের মত হাঁপায়, অন্ধ, বধির। তাদের যেখানে পাও হত্যা কর। বিষয়গুলো এতোটাই খোলামেলা, সুষ্পষ্ট এবং WELL–DOCUMENTED যা মুসলিমরা যতই ধানাইপানাই করুক না কেন তা থেকে নিস্তার পাবে না এই সভ্য যুগে।
          "আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব।"
          সূরা বাইয়িনাহ- ৯৮:০৬ (মক্কায় অবতীর্ণ) 

          এটি hate speech নয়, নাকি অনবরত ত্যনা প্যাঁচাবেন??
          কোরাণ-হাদীসের পরতে/পরতে এমন hate speech কালো কালির অক্ষরে লিপবন্ধ আছে। আপনি চাইলে রেফারেন্স সহ হাজির করিতে বাধ্য থাকিব। একটা বল্লাম মাত্র। 

          ৩। হাস্যকর, আপনি এক মুখে কার্ল মার্কসের গুষ্টি উদ্ধার করবেন আবার দাড়ির নিচে মুখ লুকিয়ে গনহত্যার নায়ক মোহাম্মদ কে আঁচল দিয়ে ঢেকে রাখবেন এ কেমন দ্বিচারিতা? এই মুক্ত তথ্য প্রবাহের যুগে ইসলামি ত্যানা প্যাচিয়ে মোহাম্মদের বনি কুরাইজা গনহত্যা কে ধামাচাপা যারপরনেই অক্ষম প্রচেষ্টা বিফলে যাবে, নিশ্চিত । বনি কুরাইজা গোত্রের লোকদের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের পর স্বঘোষিত আখেরি নবী হযরত মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা কীভাবে মদিনার বাজারে গিয়ে গর্ত খুঁড়ে সেই গর্ত-পাশে তাঁদের ৬০০-৯০০ জন নিরস্ত্র মানুষকে দলে দলে ধরে এনে এক এক করে জবাই করে তাঁদের কাটা মুণ্ডু ও লাশ সেই গর্তে নিক্ষেপ করেছিলেন,  কি ভাবে সুন্দরী রাইহানার স্বামী পরিবার কে হত্যা করে সেই রাতেই পাপিষ্ঠ মোহাম্মদ তাকে বিছানায় শয্যা সঙ্গিনী করেছেন। এগুলো আমার কথা না, বরংচ কোরাণ হাদীস দিয়ে প্রমানিত। 

          সুন্নাহ আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ৪৩৯০
          আতিয়া আল-কুরাজি হইতে বর্ণিত:
          "আমি ছিলাম বনি কুরাইজার বন্দীদের একজন। তারা (সাহাবীরা) আমাদেরকে পরীক্ষা করে। যাদের তলপেটের নীচে লোম গজানো শুরু হয়েছিল তাদেরকেই হত্যা করা হয়েছিল, যাদের তা হয়নি, তাদেরকে হত্যা করা হয়নি। আমি ছিলাম তাদের একজন যাদের চুল গজায়নি।" 
          একটি উদাহরন দিলাম মাত্র। 

          ৪। আপনি বলেছেন, " আমাদের নবীর পার্থক্য হলো, নবী শুধুমাত্র অপরাধীদের কল্লা নিয়েছেন, কোন নিরপরাধ বনী আদমের কল্লা নেননি।" 

          এ বিষয়ে আমার মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন :  
          বুখারি, বই-৮৪, হাদিস-৫৭
          ইকরিমা বর্ণিত:কতিপয় মুর্তাদকে আলীর নিকট আনা হলো এবং আলী তাদেরকে পুড়িয়ে মেরে ফেললেন।এ ঘটনা ইবনে আব্বাসের কাছে পৌছলে তিনি বললেন, “ যদি আমি উক্ত যায়গায় থাকতাম তাহলে আমি তাদেরকে পোড়াতাম না কারন আল্লাহর নবী এটা নিষেধ করেছেন ও বলেছেন,  আল্লাহর শাস্তির দ্বারা কাউকে শাস্তি দিও না। আমি হলে আল্লাহর নবীর বিধান অনুযায়ী তাদে শাস্তি দিতাম আর তা হছ্ছে যে কেউ ইসলাম ত্যাগ করবে তাকে হত্যা কর"। 

          ৫। মোহাম্মদের শিশুকামিতা : আসলে ইসলাম এতটাই অনৈতিক ভয়াভহ বর্বর ধর্ম যা নিয়ে মুসলিমরা নিজেরাই এখন আঁতকে উঠে,  বিব্রত হয়।  তাদের কোরাণ-হাদীস দিয়ে বয়ান করলেও মুসলমানরা তেরে মারতে আসে। তখন জাল হাদীস, দুর্বল হাদীস, আগের আয়াত, পরের আয়াত,  শানে নজুল, আরবী অনুবদে চাল/চাতুরি, চালাকি….. কিছু বাকি থাকে না।  সাত ঘাটের পানি খাওয়া শিশুকামী বুড়ো মোহাম্মদ ৬ বছরের শিশু বালিকা মর্দন করেছে এ সত্যটিও তারা এখন হজম করতে পারে না। 

          Bukhari, volume 5, #234
          "Narrated Aisha: The prophet engaged me when I was a girl of six. We went to Medina and stayed at the home of Harith Kharzraj. Then I got ill and my hair fell down. Later on my hair grew (again) and my mother, Um Ruman, came to me while I was playing in a swing with some of my girl friends. She called me, and I went to her, not knowing what she wanted to do to me. She caught me by the hand and made me stand at the door of the house. I was breathless then, and when my breathing became all right, she took some water and rubbed my face and head with it. Then she took me into the house. There in the house I saw some Ansari women who said, "Best wishes and Allah's blessing and a good luck." Then she entrusted me to them and they prepared me (for the marriage). Unexpectedly Allah's messenger came to me in the forenoon and my mother handed me over to him, and at that time I was a girl of nine years of age."

          Bukhari vol. 7, #65:
          "Narrated Aisha that the prophet wrote the marriage contract with her when she was six years old and he consummated his marriage when she was nine years old. Hisham said: "I have been informed that Aisha remained with the prophet for nine years (i.e. till his death).""

          Muslim, volume 2, #3309
          Aisha reported: Allah’s Messenger married me when I was six years old, and I was admitted to his house at the age of nine….

          Sunan of Abu Dawud, volume 2, #2116
          "Aisha said, "The Apostle of Allah married me when I was seven years old." (The narrator Sulaiman said: "Or six years."). "He had intercourse with me when I was 9 years old."

          Tabari, volume 9, page 131
          "Then the men and women got up and left. The Messenger of God consummated his marriage with me in my house when I was nine years old. Neither a camel nor a sheep was slaughtered on behalf of me"…(The Prophet) married her three years before the Emigration, when she was seven years old and consummated the marriage when she was nine years old, after he had emigrated to Medina in Shawwal. She was eighteen years old when he died.

          ধন্যবাদ। 

        5. 1.1.1.5
          এম_আহমদ

          @Ahmed

          এক চরিত্রহীন, নারী লোভি, মুর্খ, ধান্ধাবাজ, খুনি মোহাম্মদকে পদ্মাসনে বসিয়ে দিয়ে অন্য সবাইকে জুতোর ফিতে ভাবতে শুরু করেছেন। বুকের ভিতর কতটা একচোখা অন্ধ আক্রশ, জিঘাংসা থাকলে কেউ তা করতে পারে। ভুলে যাবেন্না আমরা এখন গ্লোবালাইজেশনের এই যূগে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বসবাস কবি। মধ্যযূগীয় আরব মরুভূমিতে নয়। 

          আপনি এখানে এসেছেন মোহাম্মাদকে (সা) গালি দিতে। আপনার আচরণ থেকে বুঝা যাচ্ছে আপনি একজন পুরানো শয়তান -একজন সামাজিক ফিতবাজ, নতুন নিক নিয়েছেন মাত্র। এই মানবজাতি মধ্যযুগ পাড়ি দিয়েই এই যুগে এসেছে। আমরা ক্যাসিকেল যুগ, ক্লাসিক্যাল-পূর্বযুগ এবং মধ্যযুগ থেকে ধাপে ধাপে ক্রমবর্তিতায় জ্ঞান অর্জন করে এই আধুনিক গ্লোবেলাইজ যুগে এসেছি। আজও ভাল-মন্দ এই জগতে অতীতের মত রয়ে গিয়েছে। এখনো জাতি-গোত্র বিনা দোষে, বিনা বিচারে হত্যা হচ্ছে, দেশান্তর হচ্ছে।  রাষ্ট্রের পর রাষ্ট্র মিথ্যাচারীতার মাধ্যমে ধ্বংসপ্রাপ্ত হচ্ছে। কিন্তু, আপনার মত কিছু মূর্খ লোক টিভি, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট দেখে বিহব্বল হয়ে অতীত নিয়ে মূর্খামি করছে, জাতি বিদ্বেষ ছড়াচ্ছে, মুসলমানদের নিয়ে ঘৃণা ছড়াচ্ছে, তাদের নবীকে গালিগালাজ করছে।

          একটি বিদেশি চক্রের প্রস্তুতকৃত কিছু টেক্সট এনে এখানে উদ্ধৃত করছেন, কিন্তু আপনার মূর্খ ঘিলু বুঝতে পারছে না যে উদ্ধৃতিগুলো না অভিযোগ সমর্থন করছে, আর না গালিকে। আয়েশাকে বিয়ে করার কারণে মোহাম্মাদ (সা) শিশুকামী (paedophile) হন না: এটা শিশুকামীতার (paedophilia) আইনি সংজ্ঞাভুক্ত নয়, আপনার সেই জ্ঞান নেই, অধ্যয়নও নেই, তাই পরধর্ম বিদ্বেষ ও ধর্মপ্রচারককে গালাগালি করাতেই নিজের স্বাধীনতা ভাবছেন। এসব হচ্ছে আধুনিক জানোয়ারদের কাজ। বানু কুরাইজার বিচারেও মুহাম্মদের (সা) কোন আইনি ব্যত্যয় প্রতিষ্ঠা হয় না। কোরাইজা সম্প্রদায় তাদের বিচারের ভার তাদেরই পূর্ব ক্লায়েন্ট সা’দ বিন মোয়াজের উপর অর্পণ করেছিল: তাদের কাজি নির্বাচিত করেছিল। সাদ তাদেরকে ছেড়ে দিলে ন্যায় বিচার হত, কিন্তু শাস্তি দেয়ার কারণে মুহাম্মদের (সা) দোষ হয়ে গিয়েছে! মূর্খ কোথাকার!

        6. 1.1.1.6
          চমকপ্রদ

          মন্তব্য পোস্ট হচ্ছে না, সমস্যা হচ্ছে।

        7. 1.1.1.7
          Ahmed

          এম_আহমদ

        8. 1.1.1.8
          Ahmed

          @ এম_আহমদ,
          মারহাবা, আপনার স্বভাব চরিত্র ঠিক মোহাম্মদের মতই। ঠোটের আগায় গালিগালাজ, হুংকার, অহমিকা। ধন্যবাদ যোগ্য নবীর যোগ্য ছানা।

          আকাশ থেকে নেমে আসা কোন গায়েবি ইঙ্গিতে আজকের এই মুক্ত মানবিক পরিবেশ অর্জন করিনি। অনেক ঘাত প্রতিঘাত অতিক্রম করে আমরা গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে এসেছি। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না সৌদি আরবে আজও বর্বর ইসলামি গিলোটিন থেকে নারী মুক্তি পায়নি। সে দেশে নারীর ভোটাধিকার নেই,  একক মুক্ত পরিবেশে নারীর চলা ফেরা নিষিদ্ধ, গাড়ি চালনার অধিকার নেই। গ্লোবালাইজেশনের এই যুগে মধ্যযূগীয় অমানবিক দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়েছে যদিও দানবিয় কোরাণে এখনো তা বহাল তবিয়তে আছে। মুমিনরা এখনো সেই অকথ্যা কোরাণ সুর করে পাঠ করেন। দাসীর সাথে অবাধ যৌনতা, যুদ্ধবন্ধি নারী ধর্ষন, পাথর মেরে নরী হত্যা, বহু বিবাহ, বিয়ের নামে নাবালিকা ধর্ষন…….. ইসলামের এসব সু-মহান! ঐশী বাণী এবং পাপিষ্ট নবী মোহাম্মদের পংকিল জীবন মুমিন মুসলিম দের পাথেও আজও। তারা সভ্যতার চাকা পিছনে ঘুড়িয়ে আজকের গ্লবালাজেশনের ধ্বংস করতে চায়। ইসলাম নিবেদিত বোকোহারাম, আইসিস, আলকায়দা, আলশাহাব…..অগ্রগামি জেহাদী মুমিনরা সেই ব্রত নিয়েই মাঠে আছে। 

          অফ টপিকস : "একটি বিদেশি চক্রের প্রস্তুতকৃত কিছু টেক্সট এনে এখানে উদ্ধৃত করছেন।"
          ঠিক তাই, শুনে যারপরনেই খুশি হলাম। উন্মাদ মোহাম্মদ এবং তার পায়দা আল্যাজুজুর  অসভ্য, বর্বর কোরআণ-হাদীস-সীরাত সমগ্র আসলে বিদেশি চক্রের প্রস্তুতকৃত এই যুক্তি দেখিয়ে যদি মুমিনরা তা টয়লেট বোলে ফ্রাশ করে দেয় তাহলে তা মানবতা কিছুটা হলেও উপকৃত হবে। 

        9. 1.1.1.9
          চমকপ্রদ

          Ref: 1.1.1.8 by Ahmed

          বাহ! মুহাম্মদ (সা.) ও তাঁর উম্মতরা গালিগালাজকারী, আর নাস্তিকেরা অতিশয় ভদ্র সজ্জন! আপনার এবং আপনার মন্তব্যের জবাবদাতার দুজনের মন্তব্য সফটওয়্যারের ফিল্টারে দিলেও অনায়াসে বের হয়ে আসবে, গালির ওজন ও সংখ্যায় কে ভারী। আমাদের নবীর উদ্দেশ্যে আপনি একাধারে এক শ্বাসে আবোল তাবোল গালিগালাজ করেই যাচ্ছেন, আর সে তুলনায় তার জবাবে এখন পর্যন্ত আপনাকে তো কিছুই বলা হয়নি, আপনার নামে কোন উপযুক্ত সম্বোধনও বের করা হয়নি। শুধু একজন শয়তান আর সামাজিক ফেতনাবাজ বলা হয়েছে, তাও গালির প্রয়োজনে নয়, বরং আপনার স্বভাবের আক্ষরিক পরিচিতি হিসেবেই। দয়া করে উপরের দিকে থুথু ছিটাবেন না। আপনার অবস্থা হয়েছে সেই ঝগড়াটে মুখরা মহিলার মত, যে কিনা একাধারে মুখ ফুটে গালিগালাজ করতেই থাকে, অথচ তার কোন প্রতিবাদ বা প্রত্যুত্তর না দিতেই নিজেই সমানে বকবক করে বলতে থাকে, "কইলেই দোষ হয়"।

          আর আপনি যে মুক্ত মানবিক পরিবেশের জন্য গর্ব ফলাচ্ছেন, সেই কথিত মুক্ত মানবিক পরিবেশের সুফল মানবতা হাড়ে হাড়েই পাচ্ছে। বসনিয়া, গুজরাট, বাগদাদ ও আরাকানে এই উন্মুক্ত মানবিকতার হাতে-কলমে প্রাকটিস বিশ্ববাসী দেখতে পেয়েছে। তবে হ্যাঁ, শুধু দুটি শ্রেণির জীব এই মুক্ত পরিবেশের সত্যিকার সুফল পেয়েছে, আর বলাবাহুল্য আধুনিক যুগের মানবাধিকার মূূলত ঐ দুটি শ্রেণির জন্যই বরাদ্দ। এদের একটি প্রজাতি হলো উগ্র সাম্প্রদায়িক ফ্যানাটিক নাস্তিক গোষ্ঠী, যাদের কাজই হলো আল্লাহ ও তার পয়গম্বরের শানে প্রলাপতুল্য গালিগালাজ করা। আরেকটি শ্রেণি হলো, যারা পুরুষে পুরুষে পুটকি মারামারি করে।

          বর্তমানে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হলো কোথায়? দাসপ্রথা আরো বিকশিত ও প্রলম্বিত হয়েছে। আজ শক্তিমান রাষ্ট্রগুলো দুর্বল জাতি-রাষ্ট্রগুলোকেই দাস বানিয়ে নাকে দড়ি দিয়ে ঘোরাচ্ছে। পুঁজিপতি শোষণ, কর্মশক্তি শোষণ থেকে শুরু করে সম্পদ লুন্ঠন কোন্‌টা বাদ আছে আজকের বিশ্বে? এ যুগের তুলনায় মোহাম্মদের (সা.) যুগের আরব বিশ্বের দিকে একবার তাকান, তাহলেই পাগলামি ছুটে যাবে।

          আর যুদ্ধবন্দী নারী ধর্ষণ? আজকাল আর একজন নারীকে একজন সৈনিক বাঁদী বানায় না। সংঘবদ্ধ ও দলবদ্ধভাবে ৭০/৮০ জন মিলে একেকজন নারীকে ধর্ষণ করে। তারপর বাচ্চা না হওয়া পর্যন্ত আটকে রাখে।

        10. 1.1.1.10
          চমকপ্রদ

          কোরআণ-হাদীস-সীরাত সমগ্র ফেলে দেয় (অশ্লীল শব্দ বলে হুবহু quote করতে রুচি হলো না) তাহলে তা মানবতা কিছুটা হলেও উপকৃত হবে। 

          আসলে তাতে মানবতা উপকৃত হবে না, বরং উপকৃত হবে নাস্তিকতা, অসভ্যতা আর সমকামিতা। আর বলাবাহুল্য, আপনাদের কাছে মানবতার সংজ্ঞা সম্ভবত ওটাই।

          আর আপনি এমনই জ্ঞানপাপী যে, আপনার আবোল-তাবোল প্রলাপকে বিদেশীদের থেকে ধার করা টেক্সট বলা হলেও আপনি কৌশলে কথা ঘুরিয়ে কোরআন-হাদীসকে এর আওতাভুক্ত করছেন। অথচ আপনার বক্তব্য শুধু কোরআন-হাদীসের উদ্ধৃতিতে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এর সাথে আপনার নিজস্ব প্রলাপবাক্যও যুক্ত ছিল।

        11. 1.1.1.11
          এম_আহমদ

          @Ahmed

          শিশুকামীতা ও কোরাইজার ইস্যু শেষ! এবারে অন্য লিস্ট! আপনার মত মূর্খদের মুখে যখনই থাপ্পড় পড়েছে, তখনই এক ডাল থেকে অন্য ডালে চলে গিয়েছে: মূর্খ বানর! এখন সৌদি আরব, পরিচিত লিস্ট আর আইসিস। সৌদি আধুনিক উন্নত দেশসমূহের একটি। অপরাপর দেশসমূহের মত সেখানেও কিছু ভাল/মন্দ আছে, এবং সেখানেও আইনের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তন হচ্ছে –গাড়ী চালানোর অধিকারও একটি। ‘মুক্ত পরিবেশে নারীর চলা ফেরা নিষিদ্ধ’ -এটা মূর্খামি। আইসিস নামক ফিতনাটি এই বৃহত্তর মুসলিম বিশ্ব সমর্থন করে নি, ‘ইসলামি’ বলেনি। যারা মুসলমানদের ভূখণ্ড দখল ও তাদের ধর্মকে টয়লেটে ফ্ল্যাশ করার যুদ্ধ করছে ‘আইসিস’, ‘বোকো হারাম’ তাদের ব্যাখ্যায় ‘ইসলামি’। আপনি তাদেরই এক মূর্খ-চামচা। এই গ্লোবেলাইজেশনের যুগেও ইতর, মূর্খ, নাদানরা অপকর্মের শাস্তি পায়। রাস্তাঘাটে জুতাপেটা খায়। আপনার মুখে থাপ্পড় আর পাছায় লাথি পড়েছে, তাই বিহ্বল হচ্ছেন –তাই না? নাস্তিকতার মুখোশ-পরা আচরণটা কেমন ছিল, ভাষা কেমন ছিল, যুক্তি কেমন ছিল –আদর্শিক? গালি, মিথ্যাচার আর ইতরামির এজেন্সি হাতে নিয়ে দুধ-কলা খাওয়ার আশা? বেকুব কোথাকার! আর হ্যাঁ, আপনার কাকা-বাবাদের সাথে মিলে মুসলিম হত্যা, নির্যাতন, তাদের দেশ ধ্বংস, দখল এবং তাদের ধর্মকে টয়লেটে ফ্ল্যাশ করে দেয়ার যে আন্দোলনে শরিক হয়েছেন, সেটা যদি সফল হয়, তবে হবে: এই বিশ্ব-জগত অনেক পরিবর্তন দেখেছে। এটাও না হয় আরেকটি হবে।

          মূর্খ ছানু, আরেকটি কথা। গ্লোবেলাইজেশনকে কে ধ্বংস করতে পারে? কিভাবে? মুসলিম বিশ্বের সকল দেশই তো টেকনোলজির গ্লোবেলাইজড পরিবেশে, তারা এত্থেকে লাভবান হচ্ছে। মূর্খ, আইসিস কি আধুনিক গ্লোবেলাইজড পরিসর থেকে লাভবান হয় নি? তারা কি অর্থসহ যাবতীয় রিসোর্স এই বিদ্যমান পরিস্থিতিকে ব্যবহার করে করেনি? তারা কি সারা দুনিয়া ইসলামাইজ করতে বলেনি? তাদের রিক্রোটম্যান্ট কি গ্লোবেলাইজেশনের বাইরে ছিল?  তারা যে অস্ত্র ব্যবহার করেছিল, তা কি লোকালি তৈরি করেছিল? এর গ্লোবাল সাপ্লাইরা কারা? এদের সংযোগ ও লজিস্টিক রূপ কি গ্লোবেলাইজড পরিস্থিতি ফায়দা উঠায়নি? মূর্খ নাদান, প্রথমে নিজেকে মানুষ করুন, গ্লোবেলাইজেশন বুঝুন, তারপর এই শব্দ মুখে আওড়াবেন। (অন্ধকারের গোয়ার ছানা বিদ্বেষের এজেন্সি নিয়ে গ্লোবেলাইজেশন মারাচ্ছে!)

        12. 1.1.1.12
          Ahmed

          @ চমকপ্রদ।

          "জবাবদাতার দুজনের মন্তব্য সফটওয়্যারের ফিল্টারে দিলেও অনায়াসে বের হয়ে আসবে, গালির ওজন ও সংখ্যায় কে ভারী।"

          প্রথমেই "গালিগালাজকারী" বিষয়টি  পরিস্কার হওয়া দরকার। কে গালিগালাজ করে? আমি কিন্তু মোহাম্মদকে কুকুরের ছানা, বিড়ালের ছানা, মুখে থাপ্পর দিব, লাথ্থি দিব, কিল দিব, পুটু মারামারি, শুকর, বানর, সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব, আবু জাহেল………. এমন সব নোংরা কথা ঘুনাক্ষরেও বলিনি, যেটা অনবরত আপনারা বলছেন, আপনার নবী বলেছে। পক্ষান্তরে মোহাম্মদ যা, তাকে ঠিক তাই বলেছি আমি। মোহাম্মদ গনহত্যা করেছেন, তাকে গনহত্যাকারী বলেছি। মোহাম্মদ বুড়ো বয়সে বিয়ের নামে নাবালিকা মর্দন করেছেন, তাকে যৌনবিকৃত শিশুকামী বলেছি। মোহাম্মদ বর্বরতাকে আশ্রয় দিয়েছেন, তাকে বর্বর বলেছি। মোহাম্মদ যুদ্ধবন্ধি নারী ধর্ষন করেছেন, তাকে ধর্ষক বলেছি। যা সত্য তাই বলেছি, একটুকুও বাড়িয়ে বলি নি। আর এই তথ্য গুলো আমি হুবুহু আপনাদের কোরাণ-হাদীস কোট করে বলেছি। এখন আপনারা নিজেদের কোরাণ-হাদীসের অকথ্য কথা হজম করতে পারেন্না। ধান্ধাবাজি করে আয়শা বিবির বয়স বাড়িয়ে শিশুকামী মোহাম্মদকে সাধু সাজাতে চান!!?? এটা কি আমার দোষ??  আপনার প্রতি করুণা। 
          অভ টপিক :  আপনাদের মত আল্লাজুজু পূজারী মুমিমদের অবস্থা এখন এতোটাই শোচনীয় যে সুন্নতি চুল/দাড়ি Shave করে পঙ্গপালের মত ইহুদী-নাসারা-নাস্তিকের দেশে ঝাপ দিয়ে আশ্রয় খুঁজেন। আল্লাজুজুর বালাখানা এখন আর ভাল লাগে না??

        13. 1.1.1.13
          এম_আহমদ

          @Ahmed

          পূর্ব-মন্তব্য

          এবারের রেফ্রেন্স পয়েন্ট || মোহাম্মদ গণহত্যা করেননি, তাই তিনি গণহত্যাকারী নন –আপনি মিথ্যুক। শিশুকামীতার আইনি যে সংজ্ঞা ও ব্যাখ্যা রয়েছে তা আয়েশার বিয়েতে প্রযোজ্য নয় –আপনি মূর্খ। শিশুকামীতা বিয়ের মাধ্যমে হয় না, এটা মূর্খামি। মোহাম্মদ বর্বরতাকে আশ্রয় কখনো দেননি –এটা আপনার বাবাদের থেকে উদ্ধৃত অভিযোগ: আপনি চামচা। মোহাম্মদ কোন যুদ্ধবন্দি নারীকে ধর্ষণ করেন নি, বরং সেদিনের যে যুদ্ধে পরাজিত পক্ষ দাস-দাসীতে পরিণত হত, সেই যুদ্ধে একটি পক্ষ দাসদাসী হয়েছিল, এবং দাসীর সাথে যৌনসম্পর্ক বৈধ ছিল। আপনি যে মিথ্যাচার করেছেন তা ‘হুবহু’ কোরান-হাদিসে নেই, বরং আপনার মূর্খ ব্যাখ্যা। আয়েশার (রা) বয়স কেউ বাড়াতে পারে না, এটাও আপনার ঘিলুতে নেই। আয়েশার বয়স বিভিন্ন সূত্রে ৯, ১২, ১৪, ১৭ রয়েছে। কিন্তু আমরা তর্কের খাতিরে ৯-কেই মানছি। মোহাম্মদ একজন মহান ব্যক্তিত্ব, আমরা তাকে যেমন সাধু বানানোর প্রয়োজন পড়ে না, তেমনি আপনার মত মূর্খের কারণে তিনি অসাধু হন না। আপনার দোষ হচ্ছে আপনি একজন বিদেশি-এজেন্ট, মূর্খ-চামচা। আপনার আরও দোষ হচ্ছে আপনি ইতর। আর এজন্যই থাপ্পড় খাচ্ছেন।

        14. 1.1.1.14
          চমকপ্রদ

          @ Ahmed

          ওরে জ্ঞানপাপী মূর্খ! তুই আসলে গালির সংজ্ঞাও জানিস না, ধর্ষণের সংজ্ঞাও জানিস না। গালি কি শুধু জীবজন্তুর নাম দিয়েই হয়? মানব সমাজে প্রচলিত সবচাইতে মারাত্মক গালি হলো নারীদের ক্ষেত্রে 'বেশ্যা' বা 'খানকি', আর পুরুষের ক্ষেত্রে 'ধর্ষক' বা 'লুচ্চা'। আর আপনি সেই ধর্ষক শব্দটাই মোয়া-মুড়ির মতন অবলীলায় বলে যাচ্ছেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মহামানবের নামে, এমনকি শিশুধর্ষণের অপবাদ দিতেও দ্বিধা করছেন না। কথায় কথায় এক শ্বাসে শিশুধর্ষণকারী শব্দটা বিনা দ্বিধায় উচ্চারণ করে যাচ্ছেন এমন এক ব্যক্তির নামে, যার মনে কোনদিন মুহূর্তের জন্য কোনরূপ পাপচিন্তা উদিত হয়নি। কাউকে ধর্ষক বলার চাইতে বিড়াল-কুকুর বলাটা বেশি মারাত্মক গালি- এ আপনার মুখে প্রথম শুনলাম।

          যেহেতু আপনি একতরফাভাবে নবীর নামে কেবল গালিই দিয়ে যাচ্ছেন, আবার উল্টো নবী ও তাঁর উম্মতদের নামেই গালি প্রদানের অভিযোগ করছেন, মানে মাইরাই জিততেছেন কাইন্দাও জিততেছেন, এমতাবস্থায় আমরা এ সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে, গালি অপেক্ষা হালকা কিছু আপনার প্রাপ্য নয়। তাই এখন ঘোষণা দিয়েই সত্যিকারভাবে গালি শুরু করতে যাচ্ছি।

          আপনার মত যাদের জন্মই হয়েছে ধর্ষণের মধ্য দিয়ে, তারা কোনদিন ধর্ষণ ও বিবাহের পার্থক্য বুঝবে না। ধর্ষণ বলতে বুঝায় আইনী সম্পর্কের বাইরে যেকোন যৌন সম্পর্ককে জোরপূর্বক স্থাপন করা। কিন্তু আপনার মতন ধর্ষণজাত জারজ খচ্চররা এটা বুঝেও বুঝতে চাইবে না। আপনার মতন লম্পট যারা ধর্ষণপূর্বক মেয়েদের পেট বাজিয়ে দিয়ে কেটে পড়েন, তাদের কাছে মোহাম্মদকে সহ্য হবার কথা নয়। কারণ, এই মোহাম্মদ (সা.) কোন নারীকে টিস্যু পেপারের মতন ব্যবহার করে ফেলে দেননি, বরং যেকোন দৈহিক সম্ভোগের জন্য বিবাহ ও দায়িত্ব গ্রহণের বাধ্যবাধকতা আরোপ করে গেছেন। আপনার মতন পায়ুকামীদের কাছেও মোহাম্মদ নামটা অতি তিতা লাগবে। কারণ, মোহাম্মদ নামের মানুষটা এই কাজটাকে অনুমোদন দিয়ে যায়নি। আল্লাহর নামকেও জুজু মনে হয়, কোরআনকেও প্রলাপ মনে হয় আপনার কাছে। কারণ একটাই- আপনি লিঙ্গ ও স্থান/দিক নির্বিশেষে যেখানে সেখানে স্বাদ গ্রহণ করবেন, এই অনুমতি আল্লাহ তার কোরআনে দেননি। যদি এই স্বাধীনতাটা কোরআনে দেয়া হতো, তাহলে আপনার কাছে আল্লাহ, রসূল ও কোরআন সবই মধুর লাগত। বেটা শুয়োরের বাচ্চা, খানকির পো, হারামজাদা, গে, লেসবিয়ান কোথাকার? তোর নিজের কুকুরী মা কোথাকার কোন্‌ বুনো শুয়োরের দ্বারা তোকে পেটে ধারণ করেছে, তার জন্য কি নবী মোহাম্মদ দায়ী? নিজের জন্মকলংক ঘোচাবার জন্য কি জগতের শ্রেষ্ঠ পবিত্র মানুষটিকে কলুষিত করতে হবে?

          সদালাপের ব্লগার ভাইদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, যুক্তি ও তথ্যভিত্তিক গঠনমূলক বিতর্ক আর বাস্তবভিত্তিক প্রত্যুত্তরের মাঝে যে ব্যক্তি শুধু গালিই খুঁজে পায়, সে সুস্থ বিতর্কের জন্য উপযোগী নয়। তাকে এখন থেকে গালির মাধ্যমেই ধোলাই দিতে হবে। প্রয়োজনে বাংলা একাডেমি থেকে গালির অভিধান কিনে এই বুনো শুকরছানার জন্য উপঢৌকন পেশ করা যেতে পারে।

        15. 1.1.1.15
          Ahmed

          @ এম_আহমদ, 

           

          "সৌদি আধুনিক উন্নত দেশসমূহের একটি। অপরাপর দেশসমূহের মত সেখানেও কিছু ভাল/মন্দ আছে, এবং সেখানেও আইনের মাধ্যমে সামাজিক পরিবর্তন হচ্ছে –গাড়ী চালানোর অধিকারও একটি। ‘মুক্ত পরিবেশে নারীর চলা ফেরা নিষিদ্ধ’ -এটা মূর্খামি।"

           

          ঠিক তাই। আমরা ২১ শতকের গ্লোবালাইজেশনের সভ্য যুগে বসবাস করি। আমিও চাই সৌদি আরব উন্নত বিশ্বের কাতারে চলে আসুক। সভ্য হোক, আধুনিক হোক। মোহাম্মদ এবং আল্যাজুজুর ইসলামি গিলোটিন ছিন্ন ভিন্ন করে আধুনিক বিজ্ঞান ভিত্তিক মুক্ত চিন্তার উন্মেষ ঘটুক সে দেশে। সিন্দাবাদ দৈত্যের মত ঘাড়ের উপর চেপে বসা মধ্যযূগীয় ইসলামকে টয়লেট বোলে ফ্লাশ করে মুসলিমরা পরিশুদ্ধ হোক। 

           

          তাহলে কী কী বস্তুকে টুয়লেে ফ্লাস করতে হবে তার কয়েকটি মাত্র পর্যালোচনা করা যাক : 

           

          ১। সূরা ৩৩:৩৩- তোমরা(নবীস্ত্রীগন) গৃহাভ্যন্তরে অবস্থান করবে-মূর্খতা যুগের অনুরূপ নিজেদেরকে প্রদর্শন করবে না। নামায কায়েম করবে, যাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রসূলের আনুগত্য করবে। হে নবী পরিবারের সদস্যবর্গ। আল্লাহ কেবল চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখতে।  

           

          ২। আল-বুখারি (১৭৯২) এবং মুসলিম (২৩৯১) বর্ণনা করেছেন ইবন ‘আব্বাস(রা) থেকে। তিনি বলেছেন নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ“কোন মহিলা মাহরাম ছাড়া ভ্রমণ করবেনা এবং কোন পুরুষ কোন মহিলার কাছে যাবে না যদি না তার(মহিলার) সাথে মাহরাম থাকে।’

           

          ৩। রাসুল(সঃ) বলেন নারী হল গোপনীয় সত্ত্বা। যখন সে ঘর থেকে বের হয় তখন শয়তান তার দিকে দৃষ্টি উচু করে তাকাতে থাকে। (তিরমিযি১/২২২)

           

          ৪। রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন, “নারীরা হচ্ছে চাদর এবং যদি সে গৃহের বাইরে যায় তবে শয়তান খুশি হয় (তাকে বিভ্রান্ত করতে পারবে বলে)। সে (নারী) আল্লাহর নৈকট্য লাভ করতে পারে না যতটা সে গৃহে থেকে করতে পারতো।” (ইবনে হিব্বান ও ইবনে আবী খুযাইমাহ, আলবানী এটিকে সহীহ বলেছেন, সিলসিলা আস সহীহাহ ২৬৮৮)

           

          ৫। তিনি নবী(সাঃ) নারীদের মসজিদে সালাত আদায়ের ব্যাপারে উদ্বিগ্ন হয়ে বলেছিলেন, “তাদের গৃহই তাদের জন্য উত্তম।” (আবু দাউদ ৫৬৭)

           

          ৬। আবু হুরায়ররা (রাদিআল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, "মহান আল্লাহ ও শেষ দিবসের প্রতি যে নারী ঈমান রাখে, তার মাহরামের সঙ্গ ছাড়া একাকিনী এক দিন এক রাতের দূরত্ব সফর করা বৈধ নয়।’’

          (সহীহ বুখারীঃ হাদীস ১০৮৮, সহীহ মুসলিমঃ ১৩৩৯, জামে তিরমিযীঃ হাদীস ১০৭০, সুনানে আবু দাউদঃ হাদীস ১৭২৩, ইবনে মাজাহঃ হাদীস ২৮৯৯, মুসনাদে আহমদঃ হাদীস ৭১৮১, ৭৩৬৬, ৮২৮৪, ৮৩৫৯, ৯১৮৫, ৯৩৭৪, ৯৮৪৮, ১০০২৯, ১০১৯৭, মুওয়াত্তা মালিকঃ হাদীস ১৮৩৩)

           

          উল্লেখযোগ্য : আল্যা এবং নবী মোহাম্মদের উপরের কোটেশেনগুলোর গায়ে ইহুদী-নাসারা-নাস্তিকের প্রস্তিতকৃত লেবেল এটে দিয়ে ইতিমধ্যেই DISCARD করে পরিশুদ্ধ হয়ে থাকেন তা হলে আমার পক্ষথেকে আপনাকে ধন্যবাদ। 

        16. 1.1.1.16
          চমকপ্রদ

          Ref: 1.1.1.4 by Ahmed

          ১।

          এখানে সবাই কিন্তু ৭ শতক মূর্খ আরব বেদুইন নয়।  এটি একটি আন্তর্জাতিক মেধা ভিত্তিক ফোরাম। তাই বলি, একটু রয়ে সয়ে প্রজ্ঞা মেধা দিয়ে কথা বলুন, প্লিজ।

          যাদেরকে আপনি মূর্খ আরব বেদুইন বলছেন, তারাই কিন্তু এমন এক সমাজ উপহার দিয়েছিল, যেখানে সাম্রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত একজন সুন্দরী নারী গা ভর্তি গয়না পরে নির্ভয়ে নির্বিঘ্নে পার হতে পারত। এখন ২০ বা ২১ শতকে জন্ম নিয়েই জ্ঞানের বড়াই দেখাচ্ছেন? ওদেরকে মূর্খ ঠাওরানোর আগে ওরা যা করেছে তার শত ভাগের এক ভাগ ভালো কিছু করে দেখান। তবে একথা ঠিক, তখনকার তুলনায় এখনকার তথ্যপ্রবাহ অবাধ ও সহজ হবার কারণে মানুষকে বোকা বানিয়ে রাখা বা ধোঁকা দেয়া তথা সত্যকে লুকিয়ে রাখা কঠিন। কিন্তু আমরা যেহেতু সত্যের উপরে আছি, তাই এ বিষয়টা আমাদের জন্য আতংকের বিষয় নয়, বরং আনন্দের বিষয়। তথ্যপ্রযুক্তি ও তথ্যপ্রবাহ অবাধ ও সহজলভ্য হওয়াটা বরং আপনাদের জন্যই অসুবিধার কারণ। কারণ, কোরআন থেকে হোক বা বিজ্ঞান থেকে হোক বা ইতিহাস থেকে হোক, আমরাই যেকোন সময় সত্যকে বের করে আপনাদের মতলবি ও অপব্যাখ্যাপূর্ণ অপপ্রচারকে খণ্ডন করে দিতে পারি এই তথ্যপ্রযুক্তির গুণেই। তাই যেকোন আন্তর্জাতিক মেধাভিত্তিক ফোরামে নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়ে ধরা খাওয়ার সম্ভাবনাটা আপনাদেরই বেশি।

          আপনারা কি মনে করেন, তখনকার মানুষ মূর্খ গবেট ছিল বলেই তাদের মূর্খতার সুযোগ নিয়ে নবী তাদের উপর কর্তৃত্ব লাভ করতে পেরেছিলেন? তারা কি মূর্খতার বশেই আল্লাহ ও রসূলের উপর এবং আল্লাহর প্রেরিত ও রসূলের আনীত কোরআনের প্রতি ঈমান এনেছিল? তাই যদি হয়ে থাকে, তাহলে আরবে কি মুহাম্মদ (সা.)-এর চাইতে চালাক-চতুর মানুষ ছিল না, যে আপন বুদ্ধিমত্তার দ্বারা কথিত মূর্খ লোকগুলোকে বশ করে নিজের পালে নিতে পারে? রোমান ও পারস্যের মত জ্ঞানী ও উন্নত শক্তিশালী রাজত্বগুলো কিভাবে কথিত মূর্খদের কাছে হেরে গেল?

          আমি কিন্তু আমার সমুদয় আলোচনায় কোথাও বলিনি কার্ল মার্কস, মাওসেতুং পৃথিবীর সর্ব কালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানব সন্তান, মায়ানমার রাষ্ট্র সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ।

          এছাড়া ইতিপূর্বে  1.1.1.2 নং মন্তব্যে আপনি লিখেছেন-

          আপনার মত একচোখ দিয়ে দেখে মোহা্ম্মদকে তাল গাছে উঠিয়ে আর সবার সমালোচনা করব আমি সেই লোক নই।

          নিরপেক্ষ সাজার কী চাতুর্যপূর্ণ কসরত! মনে করুন, একটি ছেলের মা বেশ্যা, আরেকটি ছেলের মা সতী নারী। বেশ্যা মায়ের ছেলেটি অবলীলায় সতী নারীর ছেলেটিকে বলতে পারে, "দেখো, আমি কিন্তু তোমার মত narrow minded বা পক্ষপাতদুষ্ট নই যে, শুধু নিজের মাকে সতী-সাধ্বী বলব, আর পরের মাকে অসতী বলব। আমি কিন্তু তোমার-আমার উভয়ের মাকেই বেশ্যা বলতে পারি। কারণ, আমি তোমার তুলনায় অধিক নীতিবান ও সুবিবেচক।" একথা শুনে সতী নারীর ছেলেটি ভাবে, "আমার মা সতী হওয়াটাই দেখছি আমার জন্য মুশকিল হয়ে গেল! নিরপেক্ষ সাজতে বা উদারতা দেখাতে পারছি না।" আহমেদ সাহেব, আমাদের সমাজে যাদের মান-সম্মান হারানোর কিছু নেই, তারা সবসময় নিজেদের দুর্নামের সাথে মানী লোকদেরকেও জড়াতে ও ভাগিদার বানাতে চেষ্টা করে। বিশেষ করে নিজেরটা যখন লুকানোর কোন উপায় থাকে না, তখন নিজেরটা লুকানোর আশা বাদ দিয়ে নিজের সাথে অন্য নির্দোষ মানুষকেও বদনামের ভাগি করতে চায় এবং নিজের গায়ের ময়লা পরের গায়ে দেয়ার পাশাপাশি নিজেরটাও কিঞ্চিত স্বীকার করার মাধ্যমে সততা, স্বচ্ছতা ও সৎসাহসের ভং দেখায়। তখন বোঝাতে চায়, দেখুন, আমরা কোন কিছু লুকানোর চেষ্টা করিনি, বরং সৎভাবে সব প্রকাশ করে দিয়েছি। কিন্তু লুকানোর যে আসলে উপায় ছিল না, সেটা বলে না।

          ২। কোরআনে কুকুরের মত হাঁপানোর বিষয়টি আমভাবে অমুসলিমদের ব্যাপারে কিংবা কোন বিশেষ জাতি বা সম্প্রদায়কে উদ্দেশ্য করে বলা হয়নি, বরং এক বিশেষ ব্যক্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে। জঘন্য এক অপরাধ ও বিশ্বাসঘাতকতার কারণে উক্ত ব্যক্তিকে বাস্তবেই খোদায়ী গজবে এমন অবস্থায় নিপতিত করা হয়েছিল যে, আক্ষরিকভাবেই তার জিহবা কুকুরের মত বের হয়ে আসত আর হাঁপাতো। আর যেখানে পাও হত্যা করার বিষয়টি যুদ্ধরত কাফেরদের ক্ষেত্রে কিংবা যারা কোন চুক্তিভঙ্গ বা বড় রকমের occurance ঘটিয়ে পালিয়ে গেছে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- "শিবির দেখামাত্র গুলির নির্দেশ" বলতে মারমুখী বা দাঙ্গারত শিবির ক্যাডারদেরই বোঝানো হয়ে থাকে, শিবিরের প্রত্যেক সদস্য ও সমর্থক বোঝানো হয় না।

          "আহলে-কিতাব ও মুশরেকদের মধ্যে যারা কাফের, তারা জাহান্নামের আগুনে স্থায়ীভাবে থাকবে। তারাই সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব।" সূরা বাইয়িনাহ- ৯৮:০৬ (মক্কায় অবতীর্ণ)

          নিকৃষ্ট জীব এমনি এমনি বলা হয়নি। বলকানের রাদোভান কারাজদিক, তাকে ইনিয়ে বিনিয়ে টালবাহানা ও ছলচাতুরীর মাধ্যমে সহযোগিতাকারী জন মেজর ও বুট্রোস ঘালি, ইরাক আগ্রাসনকারী বুশ, গুজরাটের নরেন্দ্র মোদী ও শিবসেনার বল ঠ্যাকারে- এরা কিন্তু সবাই বর্ণিত সম্প্রদায়ভুক্ত। এদেরকে নিকৃষ্ট জীব বলাটা কি অতিরঞ্জিত হবে? এদের কর্মকাণ্ডের দ্বারা তো কোরআনের সত্যতাই প্রমাণিত হয়। কোরআন নাযিলকারী ঠিকই জানতেন যে, কিয়ামত পর্যন্ত এদের স্বভাব বদলাবে না। সুতরাং এসব আয়াত দেখে আমাদের লজ্জায় মুখ লুকানোর কিছু নেই, বরং কোরআনের প্রত্যেকটি আয়াতই আমাদের জন্য সত্য জানতে ও সঠিক তথ্য উদঘাটনে সহায়ক। কোরআনে কোদালকে কোদালই বলা হয়েছে।

          ৩। বনু কুরাইজার লোকেরা সংঘবদ্ধভাবেই অপরাধে জড়িত হয়েছিল। উক্ত গোত্রের কমবেশি সকলেই বিদ্রোহ ও বিশ্বাসঘাতকতায় সংশ্লিষ্ট ছিল। এরা সার্বক্ষণিকভাবেই ফেতনা ও অশান্তি সৃষ্টিতে তৎপর ছিল এবং বারবার ক্ষমা করার পরও তারা শোধরায়নি, যার ফলে সর্বশেষ চরম পদক্ষেপ গ্রহণ ছাড়া আর কোন রাস্তা খোলা ছিল না। মদীনা রাষ্ট্র ও এর অধিবাসীদের নিরাপত্তা রক্ষার্থে এর কোন বিকল্প ছিল না। মদীনায় নবী আগমনের পূর্বেও ইহুদীরা আওস ও খাযরাজ গোত্রের মধ্যে বহু বছর ধরে যুদ্ধ বাধিয়ে রেখেছিল। এমনকি নবীর আগমন ও ইসলাম প্রতিষ্ঠার পরেও একবার বোয়াস যুদ্ধের গান গেয়ে দুই গোত্রের পুরাতন শত্রুতা চাঙ্গা করার উপক্রম করেছিল, যা মহানবীর (সা.) তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে শান্ত হয়। আর বহি:শত্রুর সাথে যোগাযোগ করে স্বদেশের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলা এবং মদীনা আক্রমণে প্ররোচিত করার কাজটি তো সর্বজনবিদিত। অথচ তারা নবীর সাথে চুক্তিবদ্ধ ছিল যে, তারা একজোট হয়ে থাকবে এবং বহি:শত্রুর মোকাবেলায় একে অপরকে সহায়তা করবে। তখনকার যুগের ইহুদীদের কাছে থেকে দেখার সৌভাগ্য না হলেও আজকের যুগের ইহুদীদের দেখেও খানিকটা আন্দাজ পেতে পারি। ইহুদীরা শুধু প্রত্যক্ষভাবেই মানুষের সাথে বিবাদে লিপ্ত হয় না, বরং কৌশলে মানুষে মানুষে মারামারি হানাহানি লাগিয়ে দিয়ে নিজেরা নিরাপদ দূরত্বে থেকে মজা উপভোগ করে। শুনতে অপ্রীতিকর ও খারাপ লাগলেও একটা কথা বলি, হিটলারও কিন্তু ইহুদীদের এমনি এমনি মারেনি। এ প্রসঙ্গ হিটলারের একটি প্রসিদ্ধ উক্তি হলো, "আমি ইচ্ছে করলে সবগুলো ইহুদীকে মারতে পারতাম; কিন্তু কিছু ইহুদী রেখে দিয়েছি, যাতে দুনিয়ার মানুষ জানতে পারে পারি, আমি কেন এদের মেরেছিলাম।" হিটলার আসলেই কিছু ইহুদীকে বাঁচিয়ে রেখে প্রমাণ করে ছেড়েছেন, ওরা আসলেই দুনিয়ার বুকে ক্যান্সারস্বরূপ। আজ ৭০০ কোটি মানুষের এই গ্রহটি অশান্তিময় হয়ে আছে শুধু এক কোটি ইহুদীর কারণে। ইসরাইল শুধু মধ্যপ্রাচ্যের জন্যই বিষফোঁড়া নয়, বরং গোটা বিশ্বের জন্যই বিষফোঁড়া। আমেরিকার এক মাতাল ড্রাইভার পর্যন্ত বলেছে, "ইহুদীরাই জগতের সকল যুদ্ধ-বিগ্রহের মূল।" আর সত্যি বলতে কি, ইহুদী জাতি না থাকলে শয়তানের অস্তিত্বও প্রমাণ করা কঠিন হতো। অশরীরী শয়তানের বাস্তব শরীরী অবতার হলো এই ইহুদীরা।

        17. 1.1.1.17
          চমকপ্রদ

          ৪। কেবল সেই সব মুরতাদদেরকেই চরম শাস্তি প্রদান করা হয়েছে, যারা নিছক চিন্তা বা বিশ্বাসের কারণে ধর্মত্যাগ করেনি, বরং পরিকল্পিতভাবে জেনেশুনে ইসলামকে মিথ্যা প্রমাণের উদ্দেশ্যে ইসলাম গ্রহণ করে তারপর আবার তা থেকে বেরিয়ে যায় এবং এর দ্বারা মুসলিম জনগণের মাঝে ভ্রান্তি ও ফেতনা সৃষ্টির প্রয়াস চালায়। বর্ণিত দণ্ডিত ব্যক্তিরা আসলে নিরপরাধ ছিল না। এখানে মুরতাদ বলতে নিছক ধর্মত্যাগকারী বোঝানো হয়নি, নিশ্চয়ই আরো কোন গুরুতর অপরাধের সাথে তাদের সংশ্লিষ্টতা ছিল। আর যদি শুধু ধর্মত্যাগের বিষয়ও হয়ে থাকে, জেনেবুঝে সত্যধর্ম ত্যাগ করা এবং নিজের মালিক ও প্রভুকে অবজ্ঞা করাটা কি কম অপরাধ? বলুন তো দেখি, নিজের পরিবারের কর্তা, কোম্পানীর মালিক বা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে গালি দিয়ে কি কেউ সেই পরিবার, কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানে বহাল তবিয়তে থাকতে পারে? তাহলে বিশ্বজগতের স্রষ্টাকে গালি দিয়ে দুনিয়াতে থাকার অধিকার বহাল থাকে কিভাবে? আলী (রা.) বা ইবনে আব্বাস (রা.) কর্তৃক দণ্ডিত মুরতাদেরা হয়তো আপনার মতই অসভ্য বেয়াদব ছিল। অবশ্য রাষ্ট্রীয় বিচারের বাইরে বর্তমান যুগের বেআইনী গুপ্তহত্যাগুলো সমর্থনযোগ্য নয়।

          ৫।

          তখন জাল হাদীস, দুর্বল হাদীস, আগের আয়াত, পরের আয়াত,  শানে নজুল, আরবী অনুবদে চাল/চাতুরি, চালাকি….. কিছু বাকি থাকে না।

          ঠিকই তো। আপনারা তো বাস্তবেই ইসলাম, আল্লাহ, কোরআন ও নবীর খুঁত বের করার জন্য কখনো honestly কোরআনের আয়াত ও সহীহ হাদীস থেকে অবিকল রেফারেন্স দেবার সৎসাহস রাখেন না, বরং জালিয়াতি আর টেম্পারিংয়ের মাধ্যমেই সর্বদা বাজিমাত করে থাকেন। আমি বহু জায়গাতে দেখেছি, কোরআনের আয়াত উদ্ধৃত করবার বেলায় আপনারা মাঝখান থেকে এমনভাবে উদ্ধৃতি মারেন, যাতে পূর্বাপর আয়াত না দেখলে উল্টো অর্থ হয়ে যায়। আবার অনুবাদের ক্ষেত্রেও ইচ্ছাকৃত চালাকি ও বিকৃতি আরোপ করে থাকেন। আর সেই জালিয়াতির বিষয়টাতে নিশ্চয়ই বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন জনের কাছে ধরা খেয়ে নিজেই বিদ্রূপের পাত্র হয়েছেন, আর সেটাকেই এখন উল্টো ব্যাঙ্গার্থে প্রকাশ করছেন! আর হাদীসের বেলায় সহীহ হাদীসের পরিবর্তে জাল ও বানোয়াট হাদীসই হয়ে থাকে আপনাদের প্রধান অবলম্বন। কারণ, সত্যের দ্বারা বাজিমাত করবার সৎসাহস আপনাদের নেই, যেহেতু আপনারা সত্যের অনুগামী নন। মিথ্যাই আপনাদের একমাত্র ভরসা।

          আল্লাহতাআলা কেবল কোরআনকেই অবিকৃত অবস্থায় সংরক্ষণের ওয়াদা দিয়েছেন, হাদীসের ব্যাপারে অনুরূপ গ্যারান্টি নেই। যদিও কোরআনের পরেই হাদীস আমাদের ধর্মীয় বিধান জানার দ্বিতীয় উৎস, কিন্তু হাদীস বিষয়টা যাচাই সাপেক্ষ। যে হাদীস কোরআনের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হবে, সে হাদীসই গ্রহণযোগ্য। আর যে হাদীস কোরআনের নীতিমালার সাথে মিলবে না, সে হাদীস ভুল। কোরআন যেভাবে শুরু থেকেই লাখো কণ্ঠে মুখস্থ ও কোটি কণ্ঠে পঠিত হয়ে আসছে, হাদীস ওভাবে সকলের আত্মস্থ নেই। তাই নবীর প্রস্থানের পরবর্তীকালে বিভিন্ন সময় রাজা-বাদশাগণ নিজেদের সুবিধার্থে হাদীসের মধ্যে কিছু প্লাস-মাইনাস করেছেন। এছাড়া সংখ্যা গণনায় ভুলের কারণেও একক বা দশকের ঘর থেকে একটা অংক বাদ পড়ে থাকতে পারে। আর মা আয়েশা (রা.) যদি নাবালক হয়ে থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে অপবাদের ঘটনাই বা ঘটে কিভাবে, আর কিছু মানুষ সেই অপবাদের সাথে তাল দিয়েছিলই বা কোন্‌ আক্কেলে?

          সবশেষে বলতে চাই, মানুষ নিজের আয়নায় জগত দেখে। যে নিজে চোর, সে দরবেশকেও চোর মনে করাটাই স্বাভাবিক। একবার এক ফরাসী মহিলা বাংলাদেশের রাস্তায় ছেলেদের পরস্পর হাত ধরে হাঁটতে দেখে অবাক হয়ে বলেছিলেন, "বাংলাদেশে এত গে! এদেশে তো জনসংখ্যা এত বেশি হবার কথা নয়।" যেহেতু তিনি তার নিজের দেশের অবস্থা দিয়ে এদেশকে বিচার করেছিলেন, তাই তিনি এরূপ বুঝেছেন। একইভাবে, যে বখাটে ছেলেগুলো যৌনতা আর নারীলিপ্সা ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারে না, তাদের কাছে কোন মহাপুরুষের লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে থেকে মানবমুক্তি ও মানবকল্যাণে কোন মহৎ কাজ করার বিষয়টা বোধগম্য হবে না।

          আপনার ভাব দেখে মনে হচ্ছে, আপনারা সাত ঘাটের জল খান না। আসলে আপনাদের সাথে আমাদের নবীর পার্থক্য হলো, আপনারা যে ঘাটে যান সে ঘাটের পানিই ঘোলা করে রেখে আসেন, ঘাট ময়লা করে ও ভেঙ্গে দিয়ে আসেন; আর আমাদের নবী যে কয়টা ঘাটে গিয়েছেন প্রত্যেকটা ঘাট স্থায়ীভাবে পরিচর্যার দায়িত্ব নিয়েছেন। আমাদের সাথে আপনাদের আরো একটা পার্থক্য হলো, আপনার ঘাটেরও বাছবিছার করেন না- সামনের ঘাট, পিছনের ঘাট সবটাই মাড়ান।

        18. 1.1.1.18
          চমকপ্রদ

          Ref: 1.1.1.15 by Ahmed

          ধূর্ত শিয়াল লম্পট কোথাকার! বর্ণিত আয়াত ও হাদীসগুলো ফেলে দিলে তোর মত ওঁৎ পেতে থাকা শকুনদেরই ষোলকলা পূর্ণ হয়। বর্তমান দিনকালের প্রেক্ষিতে উক্ত বিধানগুলোর প্রয়োজনীয়তা আরো বেশি প্রমাণিত হয়। কিন্তু তোর মতন সুযোগসন্ধানী গণধর্ষণকারী লুচ্চাদের কাছে এ নিয়মগুলো তিতাই লাগবে- এটা নিশ্চিত।

          সবাই সাবধান থাকেন, এই ছদ্মবেশী দুর্বৃত্তটি চলন্ত বাসে গণধর্ষণ করার ধান্ধায় আছে।

        19. 1.1.1.19
          Ahmed

          @ এম_আহমদ

          ১। নবী মোহাম্মদ বিকৃত যৌনরুচির শিশুকমি : 
          আয়েশা হতে বর্নিত- আল্লাহর নবী বললেন, তোমাকে বিয়ে করার আগে আমি স্বপ্নে তোমাকে দুই বার দেখেছি।এক ফিরিস্তা সিল্কে মোড়ানো একটা বস্তু এনে আমাকে বলল- এটা খুলুন ও গ্রহন করুন , এটা আপনার জন্য। আমি মনে মনে বললাম- যদি এটা আল্লাহর ইচ্ছা হয় এটা অবশ্যই ঘটবে। তখন আমি সিল্কের আবরন উন্মোচন করলাম ও তোমাকে তার ভিতর দেখলাম। আমি আবার বললাম যদি এটা আল্লাহর ইচ্ছা হয় তাহলে এটা অবশ্যই ঘটবে।সহী বুখারী, ভলুম-০৯, বই- ৮৭, হাদিস-১৪০

          ২। মোহাম্মদ দাসী ধর্ষন করতেন :
          যারা নিজেদের যৌনাঙ্গকে সংযত রাখে। তবে তাদের স্ত্রী ও মালিকানাভুক্ত দাসীদের ক্ষেত্রে সংযত না রাখলে তারা তিরস্কৃত হবে না। কোরান, ২৩:৫-৬ 
          হে নবী! আপনার জন্য আপনার স্ত্রীগণকে হালাল করেছি, যাদেরকে আপনি মোহরানা প্রদান করেন। আর দাসীদেরকে হালাল করেছি, যাদেরকে আল্লাহ আপনার করায়ত্ব করে দেন…..। কোরান, ৩৩: ৫০

          আল কোরাণ ৩৩:৫২- "এরপর আপনার জন্যে কোন নারী হালাল নয় এবং তাদের পরিবর্তে অন্য স্ত্রী গ্রহণ করাও হালাল নয় যদিও তাদের রূপলাবণ্য আপনাকে মুগ্ধ করে, তবে দাসীর ব্যাপার ভিন্ন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ের উপর সজাগ নজর রাখেন।" 

          ৩। নবী মোহাম্মদ তার সাঙ্গপাঙ্গদের যুদ্ধবন্ধী নারী ধর্ষন উস্কে দিয়েছেন :  

          আবু সাদ খুদরি বর্ণিত- আল্লাহর নবী হুনায়নের যুদ্ধে একদল সৈন্য পাঠালেন। তারা সেখানে যুদ্ধ করল ও জয়ী হলো, আর বহু সংখ্যক নারী তাদের হাতে বন্দিনী হলো। আল্লার নবীর কিছু লোক তাদের স্বামী ,যারা ছিল পৌত্তলিক ,বর্তমান থাকাতে তাদের সাথে যৌন সংসর্গ করতে দ্বিধা করছিল। আর সাথে সাথেই কোরানের ৪:২৪ নং আয়াত নাজিল হলো- বন্দীনি নারীরা ছাড়া বাকী সব বিবাহিতা নারী তোমাদের জন্য হারাম করা হলো। সুনান আবু দাউদ, হাদিস-২১৫০ 

          সহিহ্‌ বোখারি ভলুম ৭ বই ৬২ হাদিস ১৩৭: আবু সাইদ আল খুদরি বর্ণনা করলেন: এক জিহাদে আমরা শত্রুপক্ষের নারী বন্দি পেলাম। তারা আমাদের হাতে আসলে আমরা তাদের সাথে আজল করে সহবাস করলাম। এরপর আমরা রসুলুল্লাহকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেন: তাই নাকি! তোমরা কি এরূপ করে থাক?” রসুলুল্লাহ তিনবার এই প্রশ্ন করলেন এবং বললেন: আখেরাত পর্যন্ত যত লোক সৃষ্টি হবে তাদের প্রত্যেকটি অবশ্য জন্মলাভ করবে। 

          ৪। নবী মোহাম্মদ গনহত্যাকারী : 

          সুন্নাহ আবু দাউদ, হাদিস নম্বর ৪৩৯০
          আতিয়া আল-কুরাজি হইতে বর্ণিত:
          "আমি ছিলাম বনি কুরাইজার বন্দীদের একজন। তারা (সাহাবীরা) আমাদেরকে পরীক্ষা করে। যাদের তলপেটের নীচে লোম গজানো শুরু হয়েছিল তাদেরকেই হত্যা করা হয়েছিল, যাদের তা হয়নি, তাদেরকে হত্যা করা হয়নি। আমি ছিলাম তাদের একজন যাদের চুল গজায়নি।" 

          ৫। নবী মোহাম্মদ নিষ্ঠুর খুনি : 

          বুখারি, বই-৮৪, হাদিস-৫৭
          ইকরিমা বর্ণিত:কতিপয় মুর্তাদকে আলীর নিকট আনা হলো এবং আলী তাদেরকে পুড়িয়ে মেরে ফেললেন।এ ঘটনা ইবনে আব্বাসের কাছে পৌছলে তিনি বললেন, “ যদি আমি উক্ত যায়গায় থাকতাম তাহলে আমি তাদেরকে পোড়াতাম না কারন আল্লাহর নবী এটা নিষেধ করেছেন ও বলেছেন,  আল্লাহর শাস্তির দ্বারা কাউকে শাস্তি দিও না। আমি হলে আল্লাহর নবীর বিধান অনুযায়ী তাদে শাস্তি দিতাম আর তা হছ্ছে যে কেউ ইসলাম ত্যাগ করবে তাকে হত্যা কর"। 

          এবার আপনি যতপারেন ত্যানা পাঁচান। শত হলেও আপনাদের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মহাউন্মদ।

        20. 1.1.1.20
          এম_আহমদ

          ১-৩। মূর্খপুত্র, এবারেও টেক্সট না বুঝে টেক্সট উদ্ধৃত মারছেন। আয়েশাকে (রা) স্বপ্নে দেখা শিশুকামীতার কোন উদাহরণ নয়, আর দাসীদের সাথে যৌনসম্পর্ক সেদিন বৈধ ছিল, তাই এতে “ধর্ষণের” প্রশ্নই ছিল না। এসব বিষয় বুঝার ঘিলু ও পাঠ আপনার নেই। কোরানের উদ্ধৃত আয়াতেও ধর্ষণের কিছু নেই। হুনায়েনের যুদ্ধে যুবক নেতা মালিক বিন আওফ বৃদ্ধ দুরাইদ বিন সিম্মাহর উপদেশ উপেক্ষা করে নারী-শিশু ও সকল সম্পদ নিয়ে ময়দানে হাজির হয়েছিলেন যাতে যোদ্ধারা বাড়ী ফেরার ইচ্ছায় যুদ্ধ থেকে পলায়ন না করে –এটা ছিল সেদিনের এক যুদ্ধ-রীতি। আপনার মূর্খ ঘিলুতে এসব ঢুকবে না, পরাজিত হওয়ার পর, তারা দাসদাসীতে পরিণত হয়, আর দাসীদের সাথে যৌনসম্পর্ক বৈধ ছিল। সুতরাং, আইন ও সংজ্ঞার ভিত্তিতে, না শিশুকামীতা প্রমাণিত হয়েছে, আর না ধর্ষণ। এই বিষয়গুলো কোন্ প্রেক্ষিত থেকে আলোচিত হচ্ছে, আর আপনার ল্যাঞ্জায় গিট দিয়ে থাপ্পড় পড়ছে, সেই প্রেক্ষিত আপনার মাথায় নেই: আপনি একজন উদ্ধৃতির ফেরিওয়ালা!

          ৪। বানু কোরাইজা। বানু কুরাইজার ব্যাপারে মুহাম্মদের (সা) কোন আইনি ব্যত্যয় হয় নি, এটা আমার প্রথম মন্তব্যে (এখানে 1.1.1.5) বলেছি। আপনি ঘিলুহীন বিধায়, না বুঝে আবার উদ্ধৃতি মারছেন। এই উদ্ধৃতিতে কোন ‘কারণ’ বর্ণনা নেই,  এখানে ‘কাজি’র কথা নেই, মোহাম্মদের (সা) দোষও নেই।

          ৫। ইকরিমা বর্ণিত মুরতাদের হাদিস হচ্ছে মুহাম্মদের মৃত্যুর অনেক পরের ঘটনা এবং তা নানান দ্বিমতপূর্ণ মুরতাদের শাস্তি সংক্রান্ত। মুরতাদ বিষয়ে আমার একটি লেখা এখানে দেখুন। ওখানে কোরান ও হাদিসের উদ্ধৃতি রয়েছে। কোন আইনি বিষয়ের জটিলতা না বুঝে, ঘটনার বিভিন্ন প্রেক্ষিত অধ্যয়ন না করে, নিষ্ঠুরতা প্রমাণে যাওয়া মূর্খামি। উল্লেখিত লেখাটি পড়া হলে, সেখানে আপনার পাঠ ও মন্তব্য দিতে পারেন। তবে মুরতাদ্দ সংক্রান্ত বিষয় আদ্য-পাদ্য পাঠ করে তারপরই মন্তব্য করবেন, আগে নয়। আলী যাদেরকে শাস্তি দিয়েছিলেন তারা তাকে খোদা বলে ঘোষণা দিয়েছিল এবং এটা ছিল এক চরম সামাজিক ফিতনা-উত্থানের বিষয়। কোনো বিষয়ে কেবল নিজেদের বগল-দাবা উদ্ধৃতি চোখ বোজে মেনে নেয়া ঠিক নয়। এটা আমার ব্যাপারে যেমন সত্য, তেমন আপনার ব্যাপারেও।

          অবশেষে, মুহাম্মদ (সা) নন, বরং আপনার যেসব বাবা এই উদ্ধৃতিগুলো দিয়ে মাথা ঘোলাই করেছে তারা এবং আপনিই মহাউন্মাদ। আপনি এখন তাদের কাছে গিয়ে এই উদ্ধৃতিগুলোর ব্যাখ্যা চান, এবং কেন তারা আপনাকে এভাবে চড়-থাপ্পড় ও লাথি খাওয়াচ্ছে তারও ব্যাখ্যা চান।

          ও আরেকটি কথা। এই যে ‘অভ টপিক’, ‘অভ টপিক’ করছেন, এটা “অভ” (of) নয়, “অফ” (off), (off-topic). আমরা ডে অফ নেই, (day off), দে অভ (day of) বলি না। আপনার মধ্যে অনেক প্রাথমিক পর্যায়ের দুর্বলতা রয়েছে, কিন্তু ঝগড়ায় নেমে পড়েছেন।

        21. 1.1.1.21
          চমকপ্রদ

          @ Ahmed,

          বিবাহ প্রথা কোথা থেকে এসেছে, জানেন? উত্তর হলো স্রষ্টা থেকে, ধর্ম থেকে। একই কাজ বিবাহ করে করলে পাপ হয় না, কিন্তু বিবাহ না করে করলে পাপ হয়, এটা কার বিধান, কিসের বিধান? উত্তর হলো, আল্লাহর বিধান, ধর্মের বিধান। যেখান থেকে আসা বিধান বলে নারী-পুরুষ দৈহিক সম্পর্কের সবগুলো অপশন নিষিদ্ধ হয়ে শুধু বিবাহপ্রথাটা সিদ্ধ হলো, সেই একই সত্ত্বার তরফ থেকে এ সংক্রান্ত দ্বিতীয় অপশন অনুমোদন দেয়া হলে তাতে সমস্যা কোথায়? নারীসম্ভোগের দ্বিতীয় প্রথা তথা যুদ্ধবন্দী দাসী ভোগ করার বিষয়টিকে নিন্দা জানাতে গিয়ে যদি ধর্মকেই মন্দ বানাতে চান, তাহলে ধর্ম কর্তৃক আরোপিত বিবাহ প্রথারও আর প্রয়োজন থাকে না। কারণ, ধর্মের বন্ধন না থাকলে বিবাহ করা আর বিবাহ বহির্ভূত যৌনাচার করা সবই সমান। বিবাহ মানুষ করে মূলত ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারণেই। ধর্মীয় বিধানের কারণেই এটা সামাজিক বাধ্যবাধকতায় পরিণত হয়েছে। তবে আপনাদের মতন মতলববাজ যারা যুদ্ধবন্দী বাঁদীপ্রথাকে নিন্দা জানাবার ছলে ধর্মকেই মাইনাস করে দিতে চান, তাদের উদ্দেশ্য আসলে ধর্ম কর্তৃক নাযিলকৃত ও প্রবর্তিত বিবাহপ্রথাকেও উঠিয়ে দিয়ে অবাধ যৌনাচার ও সমকামিতা কায়েম করা।

        22. 1.1.1.22
          চমকপ্রদ

          Ref: 1.1.1.15 by Ahmed

          বর্ণিত আয়াত ও হাদীসগুলো উদ্ধৃত করার জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহ যে কোন কিছু বৃথা সৃষ্টি করেননি, নাস্তিকের দ্বারাও যে উপকার হতে পারে- এ তারই প্রমাণ। সংশ্লিষ্ট আয়াত ও হাদীসসমূহে বর্ণিত মাহরাম নিয়ে সফরের বাধ্যবাধকতা যদি আজ সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, তাহলে আগামীকাল থেকে ধর্ষণ শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে। তখন আর আপনারা রাতের বেলায় ধর্ষণ করে পরের দিন "আমার বোন ধর্ষিতা কেন" বলে মিছিল বের করতে পারবেন না।

        23. 1.1.1.23
          চমকপ্রদ

          ধর্ষণ বন্ধ হলে পতিত নাস্তিক কমুনিষ্টদের ধর্ষণাশ্রিত রাজনীতি ও ধর্ষণভিত্তিক আন্দোলন মাঠে মারা যাবে। তাদের ঘাটে ঘাটে জল খাবার সুযোগটাও রহিত হয়ে যাবে। এজন্যই তো নারীর নিরাপত্তামূলক ইসলামী বিধানগুলো নিয়ে তাদের এত উদ্বেগ ও এলার্জি।

        24. 1.1.1.24
          চমকপ্রদ

          ব্লগার ভাইয়েরা দেখলেন তো, সত্যিকার গালির দু'একটা হালকা ডোজ প্রদানের পর "গালি গালি" মাতমটা বন্ধ হয়েছে। হোমিওপ্যাথিক ফর্মুলা কাজে এসেছে। আমাদের বাস্তব জীবনেও কেউ কোন মিথ্যা অপবাদের শিকার হলে সে যদি বৈধতার সীমা বজায় রাখা সাপেক্ষে তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগটা বাস্তবে খানিকটা করে দেখাতে পারে, তাহলে অপবাদদানকারীদের মুখ বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে এ এক কার্যকরী দাওয়াই হতে পারে।

        25. 1.1.1.25
          Ahmed

          @ এম_আহমদ

          "আয়েশাকে (রা) স্বপ্নে দেখা শিশুকামীতার কোন উদাহরণ নয়"

          রঙ্গিন মখমল, জড়ির আঁচল, চুন্দ্রী কাতান, ঝুমকা, সিল্কে মোড়ানো ……ছোট্ট একটি মেয়ে, ফুটফুটে, গায়েগতরে, উরুর মাঝখানে। ৫০ উদ্ধ নষ্ট, পঁচে যাওয়া বদমাস বৃদ্ধের এমন সব রঙ্গিন স্বপ্নে যারা শিশুকামীতা খুঁজে পায় না তারা হয় পিচাশ নতুবা মুমিন মুসলমান।  জাষ্ট এটুকুই বল্লাম। ফুল ষ্টপ। 

        26. 1.1.1.26
          এম_আহমদ

          @Ahmed

          স্বপ্নে আয়েশাকে (রা) স্বপ্নে দেখায় তা কিভাবে শিশুকামীতা হয় তা কি আপনি ব্যাখ্যা করতে হবে না? আপনি মনস্তাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞ হলে আপনার analytical basis দেখাবেন, আইনবিদ হলে আইনের বিষয় সামনে রাখবেন, কিন্তু আপনি গালিগালাজ ছাড়া কি করতে পেরেছেন? কোন সাইকোলজিক্যাল থিওরিতে যদি সিল্কের সাথে শিশুকামীতা সমন্বিত হয় এবং কোন রিসার্চ যদি তা প্রমাণ করে থাকে, তবে আপনি সেগুলোর মাধ্যমে আপনার যুক্তি উপস্থাপন করবেন। আপনি কি এমন কিছু করতে পেরেছেন? আমি মূল থেকেই এ ধরণের আলোচনা আহবান করছি। কিন্তু কিছুই তো দেখতে পাই নি। পক্ষান্তরে, আপনার অভিযোগ না মানলে অন্যরা হয় ‘পিচাশ’ আর না হয় ‘মুমিন-মুসলমান’ –এই হচ্ছে আপনার অবস্থান! এটা ফ্যাসিবাদী আচরণ। মুসলিমদের নিয়ে আপনার এত জাতি বিদ্বেষ কেন? ইসলাম ও মোহাম্মাদ (সা) নিয়ে আপনার এত রাগ, এত বিস্বাদ, এত প্রচন্ডভাবে অগ্নিশর্মা হওয়া –এগুলো কেন? আপনার নিজ বক্তব্য যদি ব্যাখ্যা করতে না পারেন, তবে আমরা আপনার মনের ক্লেশ ও বিদ্বেষের কারণ কিভাবে বুঝব? আপনার বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করার পরও কোন লাভ হচ্ছে না। আপনি এই যে পাগলামি, উষ্মা প্রকাশ, অভিযোগ আরোপণ, গালাগালি ইত্যাদির সমাহার ঘটাচ্ছেন এতে কি বস্তুনিষ্ঠ কোন যুক্তি প্রকাশ পাচ্ছে? আপনার এই যে ‘ফুটুং-ফাটুং’ –এটা কি বর্জন করা যায় না?  একটি শান্ত মাথায় বলুন তো আপনি কে, আপনার পড়াশুনা কি, কিভাবে আপনি এই অবস্থানে এসেছেন?

        27. 1.1.1.27
          Ahmed

          @ এম_আহমদ, 

          আমি ভাই গাঁও গ্রামের লোক, যৎকঞ্চিৎ পড়াশুনা।  এই ২১ শে এসেও যদি ৭ শতকের বলিতে মাথাগুজে রাখেন তো চলবে ক্যামনে??  যাক সেই কথা।

          মুসলিমদের নিয়ে ফ্যাসিবাদী আচরণ,  জাতি বিদ্বেষ পেলেন কই? কলম দিয়ে একটি নিরীহ বই লিখলেও কল্লার দাম নির্ধারণ করে দেন আপনারা, দেশ থেকে তাড়িয়ে দেন।  
          ১। আমরা কখনো বলি না- "মুসলিমরা সৃষ্টির নিকৃষ্ট জীব"। 
          ২। আমর কখনো বলি না- নাস্তিক ইসলাম কবুল করলে মৃত্যুদন্ড"। 
          ৩। আমরা কখনো বলি না- "মুসলিমদের জন্য ওৎ পেতে থাকো, যেখানে পাও কতল কর"। 
          ৪। আমরা কখনো কোন মুসলিমকে- "আবু জাহেল বলে গালি দেই না"। 
          ৫। আমরা কখনো বলি না- "মুসলিমরা অন্ধ বধির"। 
          ৬। আমরা কখনো বলি না- "মুসলিমদের অম্তর সীলগালা করে দেয়া হয়েছে"।
          ৭। আমরা কখনো বলি না- "মুসলিমরা বানর, শুকর, কুকুরের মত হাঁপায়"। 
          ৮। আমরা কখনো বলি না- "মুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করো না"। 
          ৯। আমরা কখনো বলি না,- "মুসলিমদের হাত জোড় করে নিকৃষ্ট জিজিয়া কর দিতে বাধ্য করা হবে হবে"।  
          ১০। আমরা কখনো বলি না- গাছের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শেষ মুসলিমটিকে হত্যা কর"। 
          ১১। আমরা কখনো- শাপলা চত্তরে মুসলিম কতলের জন্য কুদাকুতি করিনা"। 
          ১২। আমরা কখনো তাগবির দিয়ে বলি না- "White House এ কলেমার পতাকা উড়বে(দুঃখিত, কাবাঘরে নাস্তিকের পতাকা উড়বে)"। 

          এরপরও বলবেন!! ফ্যাসিবাদী আচরণ, বিদ্বেষ আমাদের মাঝে??? আশ্চর্য!!??

        28. 1.1.1.28
          চমকপ্রদ

          এম আহমদ ভাই, আপনি এখনো মেজাজ ঠিক রাখতে পেরেছেন! এতসব বিশ্রী আবর্জনাতুল্য প্রলাপবচন শোনার পরও ঐ লোকের কথার শান্তভাবে জবাব দিচ্ছেন! এই কুলাঙ্গারগুলোর ক্ষোভের কারণ বুঝতে না পারার কি আছে? Ahmed নিকধারী লোকটার আক্রোশের কারণটা তো আমি ইতিপূর্বে 1.1.1.14 নং মন্তব্যেই ব্যাখ্যা করে দিয়েছি। সে নেহায়েৎ একটা পুটুকামী জীব মাত্র। বিবর্তনের ধারায় জন্ম নেয়া এ প্রজাতির বৈজ্ঞানিক নাম হলো হোমো চুদিয়েন্স। তার পায়ুচোদনের বিষয়টির অবাধ permission না পাওয়ার কারণেই ধর্ম, ধর্মের স্রষ্টা ও পয়গম্বরের উপর তার এত জিঘাংসা।

          প্রচণ্ড মানসিক বিকৃতির কারণে হিতাহিত জ্ঞান ও বিচারবুদ্ধি লোপ পাওয়ার কারণেই এই লোকটির কাছে কাফেরদের নিকৃষ্ট জীব বলাটা গালি ও ফ্যাসিবাদ হলেও মুমিন-মুসলমান ও পিশাচ কে সমার্থক শব্দ বলাটা কোন গালি বা ফ্যাসিবাদ বলে গণ্য হয় না।

        29. 1.1.1.29
          চমকপ্রদ

          @ Ahmed

          আপনারা নাস্তিকেরা বড়ই মানবিক ও মহান-উদার।  কারণ-

          ১। আপনারা কাউকে 'নিকৃষ্ট জীব' বলেন না, তবে মাঝেমধ্যে 'পিচাশ' বলে থাকেন।
          ২। আপনারা কখনো মুখে বলেন না "ইসলাম কবুল করলে মৃত্যুদন্ড", তবে পাইকারীভাবে লাখে লাখে মৃত্যুদণ্ড বাস্তবে কার্যকর করে থাকেন। রাশিয়া, চীন ও বার্মা এর জ্বলন্ত উদাহরণ।
          ৩। আপনারা কারো জন্য কোথাও ওঁৎ পেতে থাকেন না। তবে এর প্রয়োজনও আপনাদের নেই। আপনারা নাপাম বোমা, পরমাণু বোমা, রাসায়নিক বোমা এসব দিয়ে নিমিষে জনপদগুলোকে বিরান করে দেন। গ্রামের পর গ্রাম আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেন।
          ৪। আপনারা কোন মুসলিমকে 'আবু জাহেল' বলে গালি দেন না; তবে মূর্খ, অন্ধবিশ্বাসী, প্রতিক্রিয়াশীল, মৌলবাদী, ধর্মান্ধ, কুপমণ্ডুক ইত্যাদি বলে সম্মানিত করে থাকেন। আর ইতিহাসে আবু জেহেল হিসেবে পরিচিত লোকটার সম্পর্কে আপনার মন্তব্য কি? সে খুব মানবতাবাদী সজ্জন ব্যক্তি ছিল!
          ৫। আমরা কখনো মুসলিমদেরকে অন্ধ বধির বলেন না, তবে ধর্মান্ধ ও কুপমণ্ডুক বলে থাকেন।

          ৭। আপনারা কখনো বলেন না- "মুসলিমরা বানর, শুকর, কুকুরের মত হাঁপায়"। তবে একথা বলেন যে, "কুকুরের স্বভাব হলো মানুষের হাতে গুঁতো খাওয়া (৯০ এর দশকের এক বামপন্থী ছাত্রনেতার উক্তি)।"
          ৮। আমরা কখনো মুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেন না, তবে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়িয়ে শত্রুতা করার কিছু বাকি রাখেন না। আর আপনাদের মধ্যে তো কেউই মুসলিমদের সাথে বন্ধুত্ব ভুলেও কখনো করেও না, যেজন্য আনুষ্ঠানিকভাবে বারণ করার দরকার হয় না। কিন্তু মুসলিমরা বিভিন্ন সময় আপনাদের সাথে বন্ধুত্ব করে ধরা খায়। এজন্যই এত সতর্কতা।
          ৯। আমরা কখনো বলেন না,- "মুসলিমদের হাত জোড় করে নিকৃষ্ট জিজিয়া কর দিতে বাধ্য করা হবে হবে"। তবে আপনাদের কমরেডরা গ্রামে গ্রামে মানুষের কাছ থেকে কর আদায় করে। আর আপনারা যেসব দেশে ক্ষমতায় যান, সেখানে মুসলিমদের কর দেবার ক্ষমতাই থাকে না।
          ১০। আপনা কখনো গাছের আড়ালে লুকিয়ে থাকা শেষ মুসলিমটিকে হত্যা করার কথা বলেন না, তবে সামরিক অভিযানকালে হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগকেও রেহাই দেন না। কোন গোষ্ঠীকে নির্মূল করার জন্য ঘোষণা দিয়ে কমিটি গঠন করেন, কোটি মানুষকে একদিনে পিষে ফেলার খায়েশ ঘোষণা করেন।
          ১১। "আমরা কখনো- শাপলা চত্তরে মুসলিম কতলের জন্য কুদাকুতি করিনা"। আপনার কুদাকুদি শব্দের অর্থ বুঝলাম না। কুদাকুদি অর্থ যদি আনন্দ প্রকাশ হয়, তাহলে বলব, আপনারা এতে আনন্দ প্রকাশ করেছেন এবং মুসলিমরা নাকি 'সুবহানাল্লাহ' বলতে বলতে পালিয়ে গেছে এ মর্মে বিকৃত উল্লাস প্রকাশ করেছেন। আর যদি কুদাকুদি অর্থে রোদন ও মাতম বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে বলব, আপনারা চৌদ্দশ বছর আগের বনু কোরাইজা নিয়ে আজও মাতম করে যাচ্ছেন।
          ১২। আপনারা কখনো তাগবির দিয়ে কাবাঘরে নাস্তিকের পতাকা উড়াতে চান না- এ দাবিটাও সত্য নয়। আপনাদের প্রভু সোভিয়েতরা কাবাঘরের উপর দাড়িয়ে মদ্যপানের ঘোষণা দিয়েছিল। আফগানে হোঁচট খাওয়াতে তাদের সেই প্রকল্প ভেস্তে যায়।

        30. 1.1.1.30
          চমকপ্রদ

          আমর কখনো বলি না- নাস্তিক ইসলাম কবুল করলে মৃত্যুদন্ড"। 

          বাহ! তাই যদি হতো, ইসলাম কবুল করেও যদি মৃত্যুপরোয়ানা থেকে মুক্ত থাকা যেত, শান্তিতে নিরাপদে নির্বিঘ্নে ধর্মগ্রহণ, ধর্মপালন ও ধর্মপ্রচারের সুযোগ যদি থাকত, তাহলে তো নবী (সা.) ও সাহাবীগণকে এত যুদ্ধ-লড়াই-সংগ্রাম কিছুই করতে হতো না, মাতৃভূমি ছেড়ে বিদেশে পাড়ি জমাতে হতো না। যাকে 'আবু জেহেল' বলায় আপনাদের মানবিক অনুভূতিতে কাঁটা বিধে, আপনাদের সেই ধর্মগুরু যদি ইসলাম প্রচারের দায়ে মুহাম্মদের (সা.) গর্দানের দাম ঘোষণা না করতো, তাহলে তো ইসলামের ইতিহাসে আপনারা কোন যুদ্ধই খুঁজে পেতেন না। সুমাইয়া হত্যার ঘটনা আপনারা জানেন না? এই মেয়েটার কী অপরাধ ছিল কেবল ইসলাম গ্রহণ ছাড়া!

          কোরআনে আপনাদেরকে নিকৃষ্ট জীব বলায় আপনাদের খুব আঁতে ঘা লাগে, তাই না? কিন্তু ভেবে দেখুন, অন্যান্য জীব-জন্তু কেউই আল্লাহর খেয়ে আল্লাহকে অস্বীকার করে না, আল্লাহর নামে বদনাম ও নবীর নামে গালিগালাজ করা তো পরের কথা! সেখানে মানুষ হয়ে যদি কেউ আল্লাহর নাফরমানি করে, সে কি আর জীবজন্তুর চেয়ে মর্যাদাবান হতে পারে?

        31. 1.1.1.31
          চমকপ্রদ

          @ Ahmed,

          কোরআনে আপনাদেরকে অন্ধ ও বধির বলায় এবং আপনাদের অন্তর সীলগালাযুক্ত বলায় আপনাদের পাছায় খুব পিছা পড়ে, তাই না? কিন্তু বলুন তো দেখি, সুনির্দিষ্টভাবে আমাদের দ্বারা আপনার প্রতিটা বিদ্বেষমূলক অপপ্রচার ও কুযুক্তিসমূহ খণ্ডন হতে দেখেও আপনি আমাদের সেই পাল্টা যুক্তিপূর্ণ জবাবসমূহ একদম আমলে না নিয়ে খণ্ডনকৃত বাতিল উক্তিগুলোই একাধারে চর্বিত চর্বন করে যাচ্ছেন এবং জিনে ধরা রোগীর মতন প্রলাপ বকে যাচ্ছেন— এতে কি আপনি নিজের আচরণের দ্বারা আপনাদের প্রতি প্রদত্ত ১৪০০ বছর আগের কোরআনী উপাধিগুলোই সত্য প্রমাণ করে দিচ্ছেন না?

Leave a Reply

Your email address will not be published.