«

»

Nov ২৭

জিযিয়া কর কি অত্যাচারপূর্ণ?

জিযিয়া কর সম্পর্কে অমুসলিমদের কিছু ভুল ধারণা আছে।ইসলামবিদ্বেষীরা অনেক সময় ইসলামের জিযিয়া কর আইন নিয়ে সমালোচনা করে।তাদের ধারণা অনুসারে জিযিয়া কর অমুসলিমদের উপর অত্যাচার স্বরূপ।জিযিয়া কর মোটেই অমুসলিমদের উপর অত্যাচার করার জন্য না।জিযিয়া কর হচ্ছে ইসলামিক রাষ্ট্রে অমুসলিমদের সুরক্ষার জন্য ধার্য করা কর বা Tax।অবশ্য জিযিয়া কর সব অমুসলিমদের জন্য বাধ্যতামূলক না।এটা শুধু তাদের জন্য বাধ্যতামূলক যারা বয়ঃসন্ধি(Puberty) লাভ করেছে।এক কথায় জিযিয়া কর শুধুমাত্র প্রাপ্তবয়স্ক অমুসলিম পুরুষদের জন্য।তাই জিযিয়া কর নারী কিংবা কোন শিশুর উপর ধার্য করা হয় না।তাই জিযিয়া কর কোনভাবেই অমুসলিমদের অত্যাচারস্বরূপ হতে পারে না।

জিযিয়া কর ইসলামিক রাষ্ট্রে অমুসলিমদের সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখে।যদি কোন বিদেশী শক্তি ইসলামিক দেশে আক্রমণ করে তবে রাষ্ট্রের কিছু দায়িত্ব আছে অমুসলিমদের সুরক্ষার জন্য এবং অমুসলিমরা যুদ্ধ করতে বাধ্য না।মুসলিমদেরকেও প্রতিবছর একটি কর পরিশোধ করতে হয়,যাকে "যাকাত" বলে।যাকাত সম্পদ,জমি,গয়না ইত্যাদি অনুসারে ধার্য করা হয়।কিন্তু জিযিয়া সম্পদ অনুসারে ধার্য করে না।ইসলামবিদ্বেষীরা কুরআনের Sura Al Tawba 9:29 সূত্র দিয়ে দাবী করে যে

 

 "মুসলিমরা যেহেতু জিযিয়া আদায় না করলে অমসুলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবে তাই জিযিয়া বৈষম্য সৃষ্টি করে যা অত্যাচারমূলক"

 

কিন্তু একই আইন মুসলিমদের জন্য যারা যাকাত আদায় করে না।আবু বকর (র) সেসব মুসলিমদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন যারা যাকাত আদায় করত না।তাহলে এটা কীভাবে বৈষম্য সৃষ্টি করে? এটা ত সম্পূর্ণ আইনসম্মত।যদি কেউ আইন ভঙ্গ করে তবে শাস্তি ত প্রাপ্ত হবেই।

 

 

 

জিযিয়া কোনভাবে অমুসলিমদের ছোট করে না বরং বৈষম্যতা দূর করে।জিযিয়ার পরিমাণ যাকাতের থেকে অত্যন্ত কম।যেসব অমুসলিম জিযিয়া কর আদায় করে তাদের সশস্ত্র দায়িত্ব থেকে মুক্ত করা হয় এবং তাদেরকে সুরক্ষা প্রদান করা হয়।

নিচের হাদিসগুলো দেখুন সূত্র হিসেবে(বিষয়ের বাহিরে বাক্যগুলো মুছে দেয়া হয়েছে) –

 

" I recommend him to abide by the rules and regulations concerning the Dhimmis (protectees) of Allah and His Apostle, to fulfill their contracts completely and fight for them and not to tax (overburden) them beyond their capabilities." (Sahih Bukhari: Volume 2, Book 23, Number 475) আরও দেখুন Sahih Bukhari:Volume 5,Book 57,Number 50

" No doubt, there came upon me a time when I did not mind dealing (bargaining) with anyone of you, for if he was a Muslim Islam would compel him to pay me what is due to me, and if he was a Christian, the Muslim official would compel him to pay me what is due to me, but today I do not deal except with such-and- such person." (Sahih Bukhari: Volumn 009, Book 088,Hadith Number 208)

"Upon this Abu Bakr said: By Allah, I would definitely fight against him who severed prayer from Zakat, for it is the obligation upon the rich. By Allah, I would fight against them even to secure the cord (used for hobbling the feet of a camel) which they used to give to the Messenger of Allah (as Zakat) but now they have withheld it." (Sahih Muslim: Book 001, Hadith Number 0029)

-"The sunna is that there is no jizya due from women or children of people of the Book, and that jizya is only taken from men who have reached puberty. The people of dhimma and the magians do not have to pay any zakat on their palms or their vines or their crops or their livestock. This is because zakat is imposed on the muslims to purify them and to be given back to their poor, whereas jizya is imposed on the people of the Book to humble them" (Malik Muwatta: 17:24:46)

-"And that war will be waged for them on any enemy of theirs" (Malik Muwatta: 17:24:46)

-"People of the Book and magians do not have to pay any zakat on any of their property, livestock, produce or crops. The sunna still continues like that. They remain in the deen they were in, and they continue to do what they used to do" (Malik Muwatta: 17:24:46)

 

 

২৪ comments

Skip to comment form

  1. 11
    সাগর

    খুব ভালো লিখেছেন ভাইয়া !

  2. 10
    মিনহাজ

    জিজিয়া ব্যবস্থা আধুনিক সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য নয়। একই কারণে ইসলামি আইনগুলো অগ্রহণযোগ্য। চুরের হাতকাটা, ডাকাতের পা কাটা, কল্লাকাটা এসব কোন সভ্য সমাজে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।

    যে ধর্ম এগুলোকে চিরদিনের জন্য সমাজে প্রতিষ্টিত করতে চায় সেটা আগাগোড়া অসত্য ধর্ম।
     

  3. 9
    mdmohosin

     

     

     

    জিযিয়া কোনভাবে অমুসলিমদের ছোট করে না বরং বৈষম্যতা দূর করে।জিযিয়ার পরিমাণ যাকাতের থেকে অত্যন্ত কম।

     

    ( অ) যাকাতের পরিমাণ কম করেও বৈষম্য দূর? আসলে এটা হলো চোখ বাঁধা কু-যুক্তি।

    ( আ) ভারতে ইসলামী আইন অনুযায়ী মেয়েরা বাবার সম্পত্তিতে ছেলের অর্ধেক পায়। হিন্দুরা কিন্তু ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সমান পায়। তাহলে কি বৈষম্য দূর করার জন্য ইসলামী নিয়মের পরিত্যাগ করা হবে?

    (ই) জিজিয়া একটি ঘৃণ্য আইন। এটি ইতিহাসে মুসলমানদের হীন থেকে হীনতার পরিচায়ক। একে সাপোর্ট করে সেই হীনতার উত্তরসুরিনতার প্রবাহ বজায় রাখার অপচেষ্টাকে আর সারা পৃথিবী ক্ষমা করবে না।

     

    1. 9.1
      সরকার সানজিদ আদভান

      ( অ) যাকাতের পরিমাণ কম করেও বৈষম্য দূর? আসলে এটা হলো চোখ বাঁধা কু-যুক্তি।

      যাকাতের পরিমাণ কম না,জিযিয়ার পরিমাণ কম

       

      ( আ) ভারতে ইসলামী আইন অনুযায়ী মেয়েরা বাবার সম্পত্তিতে ছেলের অর্ধেক পায়। হিন্দুরা কিন্তু ছেলে-মেয়ে নির্বিশেষে সমান পায়। তাহলে কি বৈষম্য দূর করার জন্য ইসলামী নিয়মের পরিত্যাগ করা হবে?

       

      প্রথমত, কোরআনের আগে-পরে কোন ধর্মগ্রন্থে নারী-পুরুষকে সমান-সমান সম্পত্তি তো দূরে থাক নারীকে আদৌ কোন সম্পত্তি দেয়া হয়েছে কি-না সন্দেহ। এই যখন বাস্তবতা তখন ‘অর্ধাংশ’ ও ‘এক-তৃতীয়াংশ’ নিয়ে হৈ-চৈ করার তো কোন মানে হয় না!

      দ্বিতীয়ত, সার্বিকভাবে সবকিছু বিচার-বিবেচনা করে কোরআনে নারীকে কিছুটা কম সম্পত্তি দেয়ার পেছনে যথেষ্ট যুক্তি আছে (৪:৭, ৪:১১-১২, ৪:৭৬)। যেমন:

      (১) কোরআনে নারী-পুরুষ উভয়কেই রোজগারের অনুমতি দেয়া হয়েছে (৪:৩২)

      অথচ পরিবারের সকল প্রকার ভরণপোষণের দায়-দায়িত্ব শুধু পুরুষের ঘাড়েই চাপিয়ে দেয়া হয়েছে (৪:৩৪)। অর্থাৎ একজন নারী যা রোজগার করবে সেটা তার নিজস্ব কিন্তু পুরুষের রোজগার থেকে সংসারের সকল প্রকার খরচ বহন করতে হবে। নারীকে কি এখানে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হলো না?

      (২) বিবাহ বিচ্ছেদের পরও নারীর ভরণপোষণের ভার পুরুষের উপর ন্যাস্ত করা হয়েছে (২:২৪১)।

      এমনকি বিধবাদের ভরণপোষণের কথাও বলা হয়েছে (২:২৪১)।

      (৩) কোরআন অনুযায়ী একজন নারী তার স্বামীর সম্পত্তিরও অংশ পাবে।

      (৪) নারী-পুরুষকে সমান-সমান সম্পত্তি দেয়া হলে পুরুষদের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যার সৃষ্টি হতো। কারণ নারীরা বিয়ের পর স্বামীর বাড়ি যেয়ে স্বামী-সন্তান সহ সেখানেই সেটল হয়ে যায়। ফলে ভাইয়ের পরিবারের এতগুলো সম্পত্তি কীভাবে স্বামীর বাড়িতে নিয়ে যাবে–এ নিয়ে সমস্যা হতো। প্রকৃতপক্ষে স্বামীর অর্থনৈতিক অবস্থা খুব খারাপ না হলে অনেক নারীই তাদের পিতার পরিবার থেকে কোন সম্পত্তি নেয় না। এবার দিন শেষে সবকিছু যোগ-বিয়োগ করার পর নারীদের ‘এক-তৃতীয়াংশ’ কি প্রকৃতপক্ষে ‘এক-তৃতীয়াংশ’-ই থাকবে নাকি বেশী হওয়ার কথা?

       

      দয়া করে বিষয় বহির্ভূত প্রশ্ন/অভিযোগ এখানে করুন http://www.shodalap.org/islam-database/

       

       

       

      (ই) জিজিয়া একটি ঘৃণ্য আইন। এটি ইতিহাসে মুসলমানদের হীন থেকে হীনতার পরিচায়ক। একে সাপোর্ট করে সেই হীনতার উত্তরসুরিনতার প্রবাহ বজায় রাখার অপচেষ্টাকে আর সারা পৃথিবী ক্ষমা করবে না।

      এটি আপনার ব্যক্তিগত মত/বিশ্বাস বাস্তবতা নয়।হিন্দে একটি প্রবাদ আছে

      বিশ্বাস করা বা না করায় সত্য বদলায় না

  4. 8
    মাহফুজ

    এখানে আমন্ত্রণ- War, Treaty & Zizia / 'কিতাল বা যুদ্ধ', 'সন্ধি' এবং 'জিজিয়া'

  5. 7
    Monowar Bin Zahid

    যারা ‘জিজিয়া কর’ এর সমালোচনা করেন, তাদের মূল কথা হলো যে, এই কর নেওয়া হয় অমুসলিমের জীবনের বিনিময়ে। এটাই সমালোচনার মূল কথা। যদি বিষয় টাকে এভাবে দেখেন যে, মুসলিম কর (জাকাত) দিচ্ছে, অপর দিকে অমুসলিম ও কর (জিজিয়া) দিচ্ছে। তাহলে এখানে কোনো কথাই আর থাকে না। কিন্তু মুসলিম জাকাত দিচ্ছে এটা তার উপর ফরজ বলে, কিন্তু অমুসলিম কেনো জিজিয়া কর দিচ্ছে? এটা একটা মৌলিক প্রশ্ন। যদি বলা হয় তারা রাষ্ট্রে আছে তাই নাগরিক হিসাবে দিচ্ছে, তাহলেও আর কথা থাকে না। কিন্তু যদি বলা হয় তারা এটা তাদের জীবন রক্ষার্থে দিচ্ছে তাহলে এটা সমালোচনার বিষয় হয়। (ব্যক্তিগত ভাবে আমি এই অভিযোগ/সমালোচনার কোনো সূত্র/রেফারেনস জানি না, তবে সমালোচনাটা ঠিক কোথায় হয় সেটা জানালাম আর কি)

  6. 6
    Husneara

    ধরে নিলাম আপনার কথাই ঠিক। জিজিয়া নেহাত একটি কর মাত্র, এখানে অত্যাচার অসম্মানের কিছু নেই। 

    এখন হাইপোথোটিক্যালি ভেবে দেখুন তো, আগামিকাল ভারত সরকার যদি একটি ডিক্রিজারি করে এইমর্মে ঘোষণা দেয়- "তোমরা যুদ্ধ কর ইসলাম ধর্মের ঐ লোকদের সাথে, যারা মূর্ত্তিপূজা ও দূর্গাদেবীকে বিশ্বাস রাখে না, ভগবান ও দূর্গাদেবী যা নিষেধ করে দিয়েছেন তা নিষেধ করে না এবং গ্রহণ করে না হিন্দু ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিজিয়া কর প্রদান করে।" 

    কর বিষয়ক ভারতের এই নতুন আইন এবং আইনের ভাষাকে নিশ্চয় ভারতের মুসলিমরা  সাধুবাদ জানাবে? উত্তর দিন। 

    1. 6.1
      এম_আহমদ

      @Husneara:

      আপনি হচ্ছেন সেই মূর্খ ইসলাম বিদ্বেষী যার মাথায় গো-বিষ্ঠা ব্যতীত আর কিছুই নেই। আপনি যতবারই যত নামে আসবেন, ততবার আপনাকে চেনা যাবে। মানুষ তার জিহ্বার আড়ালে লুকানো থাকে (হাদিস), যখন মুখ খুলবে তখনই অন্তরের অবস্থা স্পষ্ট হয়ে ধরা দেবে। ভাষিক আচরণ লুকাবার মত কিছু নয়। ভারত সরকার যদি আপনার মত কোরান মূর্খ হয়ে কোরানের একটি আয়াতকে বাকী কোরান থেকে বিচ্ছিন্ন করে, এবং পটভূমি ও সমন্বয় ব্যতীত তা করে, তবে করতে পারে।

      আপনার মত মূর্খরা জানে না সেদিন জিযইয়ার নিরাপত্তা বিষয়ের সামাজিক প্রেক্ষিত কী ছিল এবং সেই নিরাপত্তা উঠিয়ে নিলে সেই সমাজে তাদের অবস্থা কী হত। আপনার মত মূর্খরাই আজকের সন্ত্রাস, বিদ্বেষ ও হিংসার জন্য একান্ত দায়ী।

      আর হ্যাঁ, ভারত যদি জিযইয়া নিয়ে খিলাফত কালের জিম্মি সম্প্রদায়ের পূর্ণ স্বাধীনতা ও অধিকার স্বীকার করে নেয়, তাহলে এটা শুভসংবাদ। আমরা এই ইংল্যান্ডেও যদি জিযইয়া দিয়ে জিম্মির অধিকার পেয়ে যেতাম তবে কতই না ভাল হত। আমরা আমাদের কোর্ট-কাসারি নিজেরা প্রতিষ্ঠা করতাম, নিজেদের শিক্ষাব্যবস্থা নিজেরা প্রণয়ন করতাম, নিজেদের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, এবং গোটা জীবন ব্যবস্থার অন্য দিগন্তে প্রবেশ করতাম। আপনার মত মূর্খরা জানে না যে আধুনিককালের কোন রাষ্ট্রই (মুসলিম হোক অথবা অমুসলিম) সেই অধিকার দেবার সামর্থ্য রাখে না (cannot afford to vouchsafe a protectorate self-regulated community)। ইসলাম সেদিন সেই dog-eat-dog-world এ কীভাবে volatile সম্প্রদায়কে প্রতিরক্ষার বেষ্টনে তাদের নিজেদের দীন-ধর্মসহ ও আইনি অবয়বসহ বেঁচে থাকার উপায় করে দিয়েছিল। এতে সার্বিকভাবে রাষ্ট্রের ক্ষতিই ছিল।

      আজকের বৈশ্বিক সমস্যা আপনার মত বিদ্বেষীদের মূর্খদের নিয়ে, চরম-পন্থিদের নিয়ে –যারা চিরদিন মূর্খ থাকে। এই যে ৯:২৯ আয়াত নিয়ে মুর্খামি করছেন, এর অর্থ আপনার জানার উপায় নেই, কারণ কোরানের অনেক আয়াতের গভীর আলোচনা এখনো আরবি থেকে ইংরেজিতে অনুদিত হয় নি। কানমলা খেয়ে আরবি জানা কোন লোকের কাছে গিয়ে এই লিঙ্কের বিষয়গুলো অনুবাদ করে দিতে বললে, হয়ত জেনে যেতে পারেন। تفسير التحرير والتنوير/ ابن عاشور (ت 1393 هـ)

      1. 6.1.1
        Husneara

        আপনার কথাই ঠিক।  আসলে  আল কোরাণের A টু  Z  ৭ শতকী আরব মরুভূমির সামাজিক প্রেক্ষিত ছাড়া কিছু না।  

        এ জন্য আল কোরাণে বারবার উটের কথা এসেছে। খুরমা, খেজুরের কথা এসেছে। মক্কা, মদিনা, সিরিয়ার কথা এসেছে। পানি হাহাকার মরুবাসীর ইট/পাথরের শৌচ কর্মের কথা এসেছে। আর এসেছে- মরুভুমিতে দাড়িয়ে খালি চোখে দেখা নীল অখন্ড আসমান ছাউনি এবং  তার নিচে চাঁদ, সূর্য, তারা। এই তো? খুব ছোট্ট  সংকৃণ এবং সময়ের ফ্রেমে আবদ্ধ। তারপরও আমাদের মাঝে এমন অনেক পন্ডিত! আছেন যারা দাবি করেন কোরাণ সর্ব কালের আর্থ সামাজিক, রাজনৈতিক সমাধান।  

        তাদের প্রতি আমার আমার প্রশ্ন ; কোরাণের এমন একটি সার্বজনিন সূরা/কালাম/আয়াত আছে কি যা ২১ শতকের সভ্যতার সাথে যায়? আমি জানি এর রেডিমেড উত্তর  কাছে আছে দুটি মাত্র :

        ১। if any one killed a person……………।

        ২। there is no compulsion in religion……। 

        উল্লেখযোগ্য এ দুটি আয়াতের প্রেক্ষাপট জানতে চাইলে ওদের কাছ থেকে ইহুদী, নাসারা, নাস্তিক, মুর্খ গালি শুনতে হয়। 

        ধন্যবাদ।  

        1. 6.1.1.1
          সরকার সানজিদ আদভান

          আশা রাখি এই ভিডিওটি আপনার প্রশ্নের উত্তর খুব সুন্দরভাবে গুছিয়ে দেবে rel="nofollow">

           

          দয়া করে বিষয় বহির্ভূত প্রশ্ন/অভিযোগ এখানে করুন http://www.shodalap.org/islam-database/

        2. Husneara

          @ জনাব সানজিদ সরকার,

          দেখুন, আপনার দেয়া ভিডিও লিংকটি একটি ধর্মের অমানবিক অধ্যায়ের পক্ষে ধানাইপানাই ছাড়া আর কিছু না। জাকির নায়েকের "বটতলা উকিলের প্যাচমারা কথায়" মুষ্টিমেয় কিছু সামাজিক বুদ্ধি প্রতিবন্ধি ছাড়া  আর কারো আস্থা আছে বলে আমার মনে হয় না। মুলত এসব কথা বলে তিনি মুসলিম সম্প্রদায়কে বিশ্ব ফোরামে আরো বেশি হাসির খোরাকে পরিনত করেছেন।   

          আজকের সমতা, সম্মান, গনতন্ত্র, বিজ্ঞান এবং মানবাধিকারের এই গ্লোবে "জিজিয়া কর"  তো দুরের কথা  বরংচ সভ্য রাষ্ট্রে কে হিন্দু, কে মুসলিম, কে বৌদ্ধ………… এমন প্রশ্ন করাই একটি অপরাধ।  তবে কারো রাষ্ট্রি কাঠামো যদি ৭ শতকী আরব মরুভুমির প্রেতাত্মা/কংকাল আজকের আইসিস, বোকোহারাম, পাকিস্তান অথবা সৌদি আরব……… হয়ে থাকে সেটি ভিন্ন কথা।

          ধন্যবাদ। 

        3. 6.1.1.2
          এম_আহমদ

          [মন্তব্য স্কয়ার বন্ধনীতে]

          আপনার কথাই ঠিক [ঠিক ত হতেই হবে, ইনশাল্লাহ]। আসলে  আল কোরাণের A টু  Z  ৭ শতকী আরব মরুভূমির সামাজিক প্রেক্ষিত ছাড়া কিছু না [হ্যাঁ, যেকোন কালের টেক্সে সামাজিক প্রেক্ষিত থাকে এবং প্রেক্ষিতের  আওতায় আসে টেক্সটের জ্ঞান। আপনার মত মূর্খ বিদ্বেষী কী জানে?]  

          এ জন্য আল কোরাণে বারবার উটের কথা এসেছে। খুরমা, খেজুরের কথা এসেছে। মক্কা, মদিনা, সিরিয়ার কথা এসেছে। পানি হাহাকার মরুবাসীর ইট/পাথরের শৌচ কর্মের কথা এসেছে। আর এসেছে- মরুভুমিতে দাড়িয়ে খালি চোখে দেখা নীল অখন্ড আসমান ছাউনি এবং  তার নিচে চাঁদ, সূর্য, তারা। এই তো? খুব ছোট্ট  সংকৃণ এবং সময়ের ফ্রেমে আবদ্ধ। [মূর্খ, এসব “সংকীর্ণ” হয় কীভাবে?, মূর্খামিতে? চাঁদ/সুরজের চলার ধারা কী কালের ফ্রেমে আবদ্ধ? মূর্খ “বিজ্ঞানিক” হয়েছে তাই না?] তারপরও আমাদের মাঝে এমন অনেক পন্ডিত! আছেন যারা দাবি করেন কোরাণ সর্ব কালের আর্থ সামাজিক, রাজনৈতিক সমাধান। [কেন সেই দাবী হতে পারে না? মানুষের ভাল-মন্দ, তাদের সুখ-দুখের প্রত্যয়-প্রণালী, এই জগত ও পর জগতের ধারণা, খোদা ‘এক’, না লিঙ্গসহ তেত্রিশ কোটি, কালভেদি তাদের চিন্তা ও কর্মের চিরন্ততা –তাদের সমস্যা ও সমাধান  তাহলে “কোন কালে” আবদ্ধ হতে হবে? মূর্খ কোথাকার -নির্লজ্জ।]।     

          তাদের প্রতি আমার আমার প্রশ্ন ; কোরাণের এমন একটি সার্বজনিন সূরা/কালাম/আয়াত আছে কি যা ২১ শতকের সভ্যতার সাথে যায়? আমি জানি এর রেডিমেড উত্তর  কাছে আছে দুটি মাত্র: ১। if any one killed a person……………। ২। there is no compulsion in religion……। উল্লেখযোগ্য এ দুটি আয়াতের প্রেক্ষাপট জানতে চাইলে ওদের কাছ থেকে ইহুদী, নাসারা, নাস্তিক, মুর্খ গালি শুনতে হয়।  [ইতরের মত শ্লেষাত্মক কথা, ‘জ্ঞানের ঢেকুর’ তোলা, dismissive attitude প্রদর্শন, বাঁদরামি আচরণ –এসবের পরে কেউ কি চুমা দিয়ে উত্তর দিতে আসবে? থাপ্পড়ের আক্কেল হলে থাপ্পড়ই দেবে। ইহুদী, নাসারা, নাস্তিক -এগুলোও কী গালি? মূর্খ]।  

    2. 6.2
      সরকার সানজিদ আদভান

      @Husneara আপনি সম্ভবত আমার লেখা পুরোটা পড়েন নি।পড়লেও সম্পূর্ণ বোঝেন নি।যদি বুঝতেন তবে Sura Tawba,9:29 নিয়ে অভিযোগ করতেন না।মুসলিমদের যাকাতের পরিমাণ জিযিয়া করের চেয়ে অনেক বেশি।এর পরেও মুসলিমদের জন্য যুদ্ধ করা ফরয।অন্যদিকে অমুসলিমরা যুদ্ধ করতে বাধ্য না।আবার জিযিয়া কিন্তু শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের জন্য।অন্যদিকে যাকাত প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ-নারী উভয়ের জন্য।এরপরেও যাকাত বা জিযিয়া অস্বীকার করলে মুসলিম অমুসলিম উভয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা হবে Sahih Muslim: Book 001, Hadith Number 0029

      সুতরাং ভারত সরকার ইসলামের সম্পূর্ণ নীতি অনুসারে মুসলিমদের উপর  জিযিয়া আরোপ করলে এতে কোনো বৈষম্য বা অত্যাচার হবে না।

      এ কথাগুলো ত আমার লেখাতেই আছে।

  7. 5
    এম_আহমদ

    জিযিয়া কর হচ্ছে ইসলামিক রাষ্ট্রে অমুসলিমদের সুরক্ষার জন্য ধার্য করা কর বা Tax।

    [১] মুসলিম রাষ্ট্রে অমুসলিমরা কেন “অরক্ষিত” হবে যার কারণে তারা জিয্‌ইয়া (جزية) দিয়ে “সুরক্ষিত” হতে হবে?

    [২] খিলাফতের যুগে অমুসলিমদের এমন কোন “অরক্ষিত” সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় প্রেক্ষিত ছিল যার কারণে জিয্‌ইয়ার প্রয়োজন ছিল?

    [৩] খিলাফতের যুগ থেকে প্রি-মডার্ন কাল (১৫/১৬শো শতাব্দী) পর্যন্ত জিয্‌ইয়ার ধারণা এবং এবং প্রয়োগের ঐতিহাসিকতার প্রেক্ষিতে abductive reasoning টি হয় যা আধুনিক রাষ্ট্রে জিয্‌ইয়া প্রয়োগ অর্থবহ করে দেখায়?

    আমার মনে হয় এই প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর পাওয়া সকলের জন্যই জরুরি।

    1. 5.1
      সরকার সানজিদ আদভান

      জাযাকাল্লাহ খায়ির,ভালো কয়েকটি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন।এরকম প্রশ্ন কোনো অমুসলিম বা ইসলামবিদ্বেষী এমনকি একজন মুসলিমের সংশয় মনও করতে পারে।প্রশ্নগুলোর উত্তর দেয়ার চেষ্টা করছি-

      ১) এটা আমি লেখাতেই উল্লেখ করেছি

      জিযিয়া কর ইসলামিক রাষ্ট্রে অমুসলিমদের সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখে।যদি কোন বিদেশী শক্তি ইসলামিক দেশে আক্রমণ করে তবে রাষ্ট্রের কিছু দায়িত্ব আছে অমুসলিমদের সুরক্ষার জন্য এবং অমুসলিমরা যুদ্ধ করতে বাধ্য না।

      ২) ১ নং পয়েণ্টের মতোই,অমুসলিমরা যুদ্ধ করতে বাধ্য না।বলাবাহুল্য যে কোনো বিদেশী শক্তি ইসলামিক রাষ্ট্রে আক্রমণ করতে হলে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষকে যুদ্ধ করা বাধ্যতামূলক ছিল।কিন্তু অমুসলিমদের জন্য সেটা ছিল না।আর জিযিয়া ত শুধু প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষদের জন্যই।খিলাফতের যুগে এমনি অনেক যুদ্ধ হয়েছিল যেখানে মুসলিম যোদ্ধা পুরুষের সংখ্যা অনেক কমে গিয়েছিল,এতিমদের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছিল ইত্যাদি, এমতাবস্থায় যাদের উপর যুদ্ধ বাধ্যতামূলক নয় তাদের জিযিয়া দেয়াটা কি খুব অপ্রয়োজনীয়?

      ৩) এখানে বেশ কয়েকটি বিষয় এসে যায়-

      (ক)মুসলিমরা যাকাত দিচ্ছে

      (খ)জিযিয়া যাকাতের পরিমাণ থেকে খুবই কম

      (গ)মুসলিমরা প্রাণ দিচ্ছে

      So,দেখা যাচ্ছে জিযিয়ার যে মাধ্যম এটা মুসলিমদের কষ্টের তুলনায় অমুসলিমদের জন্য বালুকণা পরিমাণও না।

      (ঘ)মূল কথাঃ আপাত দৃষ্টিতে দেখলে দুটোই কর বা Tax যা একটি রাষ্ট্র যতই উন্নতি করুক না কেন তা দিতেই হবে।বিষয়টি প্রয়োজন/অপ্রয়োজন নিয়ে না।বিষয়টি হচ্ছে কেউ যদি চাকরি করে আপনার অফিসে সে যতোই বড়লোক হোক না কেন আপনাকে তাকে বেতন দিতেই হবে।তেমনি কেউ রাষ্ট্রে থাকবে আর কর দিবে না তা কি হয়? যেখানে উক্ত শ্রেণির মানুষদের এতোটা কম পরিমাণে এতো ছাড় দেয়া হচ্ছে এবং অন্যদের তার থেকে বেশি কর দেয়া সত্ত্বেও বিন্দু পরিমাণ সুবিধা পাচ্ছে না।

      যেকোনো যুক্তিবাদী মানুষ প্রতিবাদ করতে চাইলে মুসলিমদের পক্ষে প্রতিবাদ করা উচিৎ।যদি সত্যিই কেউ অত্যাচারিত হয় তবে ত বিষয়টি বুমেরাং হয়ে মুসলিদের কাছেই চলে যায়।

      আশা করি উত্তরগুলো পেয়েছেন।

      1. 5.1.1
        এম_আহমদ

        আপনি কি আমার প্রশ্ন বুঝেছেন?  একটু চিন্তা করুন। ভাল করে চিন্তা করুন। এ প্রসঙ্গে ইসলাম বিদ্বেষীরা কী বলে, অমুসলিমরা কী বলে, কার মনে কী সংশয় আছে –এইসব বিষয়ে বিচরণের দরকার নেই,  শুধু নিজেদের সমঝ কী –তা’ই বলা জরুরি।  

        আপনার দ্বিতীয় পয়েন্ট আমার প্রথম পয়েন্টের মত নয়। হলে, দ্বিতীয় প্রশ্ন দ্বিতীয়ভাবে করার প্রয়োজন হত না। এটাও বুঝতে চেষ্টা করুন। আপনি বিষয়টি বুঝতে পেরেছেন বলে দেখা যাচ্ছে না।

        ‘মুসলিম রাষ্ট্রে অমুসলিমরা যুদ্ধ করতে কেন বাধ্য হবে না?’ –তাহলে তাদেরকে কি প্রথম থেকেই এই রাষ্ট্রের নাগরিক দায়িত্ব ও অধিকার বহির্ভূত ভাবা হবে? জিয্‌ইয়া কে কোন বয়সে দেবে, সেটা অনেক অনেক পরের প্রশ্ন, যখন জিয্‌ইয়া সংক্রান্ত প্রশ্ন নিরসিত হবে, এবং এর application এর পর্যায়ে যাওয়া হবে। আপনি আমার দেয়া তিনটি প্রশ্ন নিয়ে কিছু পড়াশুনা করতে অনুরুধ করব।  

        মুসলিমদের যাকাত তাদের ধর্মীয় ইবাদতের অংশ, ইসলামি রাষ্ট্রের উপস্থিতি থাকুক অথবা না'ই থাকুক। যাকাতের সাথে সমন্বিত ও সমান্তরাল করে ‘জিয্‌ইয়া দেয়াটা কি খুব অপ্রয়োজনীয়’ –এমন আলোচনার ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় ভিত্তি কোথায়? ‘মুসলিম যাকাত দেয়, এজন্য অমুসলিম জিয্‌ইয়া দিতে হবে’ –এমনটি কি এখন যুক্তি হয়ে পড়বে? ‘যাকাতের চেয়ে জিয্‌ইয়ার পরিমাণ কম’ -একটি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কি এভাবে এলোপাথাড়ি যুক্তির আওতাভুক্ত হয়ে পড়বে? তারপর, ঘ-তে যা বলেছেন সেগুলোর কিছুই আমার প্রশ্নের উত্তর দেয় না, বরং তা অনেক দূরের বিষয়।

        We are talking about the principles of the matter, the relation of a community to the state, we want to see the justification for it in terms of statehood, the nature of the state. And in relation to these, how will it organise its notion of statehood to accommodate Jizyah. The dignity of such an issue cannot be reduced to a conversation without substance. I am not trying to get at you, rather to engage you to see it from a broader framework, to explore the intricacy and the complexity that relate to it. If you are not in a position to answer, then it is only wise to take time and read more in order to come up with formidable responses. Other wise, it could be good idea to leave it as it is. We all have our limits.

  8. 4
    মুনিম সিদ্দিকী

    আপনার লিংক এখানে উল্লেখ করার আগে এডমিনের অনুমতি নেয়া দরকার ছিলো বলেই আমি মনে করছি। ধন্যবাদ।

    1. 4.1
      সরকার সানজিদ আদভান

      আমার জানা মতে সদালাপে মন্তব্য/লেখার জন্য Moderation System আছে।কিন্তু এরকম মন্তব্য কীভাবে Approve করা হয়? এমন কিছু ব্লগ আছে সদালাপে যেখানে এরকম Advertisement মন্তব্য লক্ষ্য করা যায়।সদালাপ কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়টা দৃষ্টি আকর্ষণের অনুরোধ করছি।

  9. 3
    মুনিম সিদ্দিকী

    আরো বিশদ ভাবে এই বিষয়ে আলোচনার দরকার ছিলো। আমি আশঙ্কা করছি যে আপনার এই ব্লগ আপনার উদ্দেশ্য সফল করতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না ।   ধন্যবাদ।

    1. 3.1
      সরকার সানজিদ আদভান

      জাযাকাল্লাহ খায়ির,ভাই।।এরপর থেকে বিষয়টি খেয়াল রাখব ।”এই ব্লগটি আমার উদ্দেশ্য করতে পারবে” বুঝলাম না।

      1. 3.1.1
        মুনিম সিদ্দিকী

        আমি আশঙ্কা করছি যে আপনার এই ব্লগ আপনার উদ্দেশ্য সফল করতে পারবে  বলে মনে হচ্ছে না ।  

        ঠিক করে দিয়েছি। ধন্যবাদ

  10. 2
    misu

    শিয়াদের উপর হামলা, অন্য মতাবল্মীদের উপর এভাবে হামলা চালানোটা  জায়েজ কিনা জানতে চাই ?? 

    1. 2.1
      সরকার সানজিদ আদভান

      দয়া করে এসব বিষয়বহির্ভূত মন্তব্য এখানে করুন http://www.shodalap.org/islam-database/ এখানে কোনো প্রশ্ন/অভিযোগ করা হলে সেটার উত্তর/জবাব দেয়ার চেষ্টা করে থাকি।

      আর ইসলামে এগুলো বিষয় হারাম।আল্লাহ সুবহানাওয়াতায়ালা কুরআনে স্পষ্ট বলা আছে,

      “যে কেউ প্রাণের বিনিময়ে প্রাণ অথবাপৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করা ছাড়া কাউকে হত্যা করে সে যেন সব মানুষকেই হত্যা করে। এবং যে কারও জীবন রক্ষা করে, সে যেন সবার জীবন রক্ষা করে। তাদের কাছে আমার পয়গম্বরগণ প্রকাশ্য নিদর্শনাবলী নিয়ে এসেছেন। বস্তুতঃ এরপরও তাদের অনেক লোক পৃথিবীতে সীমাতিক্রম করে।৫:৩২”

  11. 1
    কিংশুক

    অনেক গুলি হাদিস থেকে অনেক কিছু জানতে পারলাম। জাজাকাল্লাহ খায়ের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.