Feb ১৩

History of Valentine’s Day

The 14th February is termed as 'Saint Valentines' Day' in western countries.This day is not called 'Love Day' or 'Lovers Day'.But usually in Indian sub-continent such as in Bangladesh this day is termed as 'Love Day' or in Bangla  'ভালোবাসা দিবস'(pronounced: válöbâshå dîbôsh) which is creating a lot of misconception regarding its original history.

The First word of 'Saint Valentines' Day' expresses half of the history of this day.In Advanced Oxford Learners' Dictionary,the word 'Saint' means,"A person declared to be holy by the Christian Church because of her/his qualities or good works".Valentine is actually a name of a person.Who gave his whole life and served for the Christianity faith.So it is clear that the main motive of celebrating 'Saint Valentines' Day' is to show respect towards Saint Valentine.If the Encyclopedias are observed then more history about this day can be found.

There are various commentary in Christian history regarding the celebration of Valentines' Day.Some of them have been mentioned below.

First,during the time of 270 AD.The Emperor of Rome was Claudius II.He prohibited the marriage of religious men and women.He believed that marriage would deviate men from war.But Saint Valentine went against this prohibition and secretly he accomplished several marriages of other people.When the Emperor came to know about this he called Saint Valentine before him.Valentine then argued that he cannot believe in such prohibition.Thus the Emperor imprisoned Valentine for such disobedience.The Emperor put forward a condition before Valentine to accept the ancient Paganism for his freedom.On 14th February,270 AD; Valentine was sentenced to death for not taking the proposal of the Emperor.

Second,during the time of Valentine's imprisonment,many loving couples came to meet Valentine.A daughter of one of the guards of the prison used to meet Valentine who was blind.Valentine fell in love with her.Then Valentine cured her through his spiritual powers.On the day of Valentine's death,he wrote a letter to her and his final words were,"Your Valentine".Valentine's so called love story is not known any further.

Third, according to history,when Christianity spread across Europe still then a Romanian culture was practiced.The Romans used to celebrate a festival called 'Lupercalia' in the mid February 250 years before the birth of Jesus Christ(pbuh).They used to believe in Polytheism and one of the name of their god was Lupercas.During this festival they used to seek the blessings of a god named Cupid.Regarding Cupid the Advanced Oxford Learners' writes,"The Roman God of Love,,,a picture or statue of a beautiful boy with wings,a bow & arrows represents love".They used to believe that Cupid uses magical arrows which creates love.Holding onto such belief,still now cards are sold with Cupid symbol on Valentines' Day in different European countries.

The mentionable program during this festival was that women were given to men by lottery for sex so that they may get the blessings of a goddess named Junu Februata who was popularly known as the goddess of love.The names of women were written in a box and the men choosed the names through lottery.In such a way the woman chosed by the man would live together for one year which is nowadays callled 'Live Together'.They believed that they would get the satisfaction of the goddess through this.In 1776,the government of France prohibited this absurd and bogus festival.Slowly it was also prohibited in Italy,Austria,Hungary,Germany and England.

Later on, when Roman Empire started to give importance to the Christianity Faith,Valentine was given the title 'Saint'.A church was made in 350 AD in the same place where Valentine died.Finally in 496 AD Pope Glacius declared 14th February as 'Saint Valentine's Day'.On this day a holy soul was selected through lottery in Churches by various religious activities according to the Christianity faith.

Question may arise,"How the ancient Roman festival of Lupercalia for the worship of Roman gods and goddesses turned to  'Saint Valentines Day' or so called 'Love Day' in the modern era?" Well by further investigation of such information we came to know that a card selling company named 'Holand' commercially started selling American Valentines Day card in the name of ''what else valentine'' and in the first year,card worth of 5000$ was sold.Point to be noted that 5000$ during that period was more valuable than that of today and it was a very mentionable event.Finally the popularity of this day became more due to the influence of media.A certain class of media turned the absurd festival of distribution of men and women through lottery to the festival of loving couples.

My personal opinion regarding 'Saint Valentines' Day' is,"If people really celebrate this day for the cause of love then they are knowingly or unknowingly spreading hate speech against love.Because love is not confined in only one day.Love is eternal.There is no logic for true lovers to celebrate Valentines' Day and set an example of one day love or more specifically a one night thing."


Skip to comment form

  1. 5

    দেখেনতো ভালোবাসা দিবস না বলে ভালোবাসা প্রকাশ দিবস বললে বিষয়টা সহজ হয়ে যায় কি না! 

    ব্যাবসায়িক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, সাথে প্রকাশটা যুতসই, এখন হচ্ছেও সেটাই!


  2. 4

    যায়যায়দিনে ‘দিনের পর দিন’ কলামে মইন ও মিলার পরকীয়া প্রেম নিয়ে লিখেছেন। এখানে আপনি ‘পরকীয়া’ বেছে নিলেন কেন?

    শফিক রেহমান: আসলে পরকীয়ায় নির্দিষ্ট কোনো লক্ষ্য থাকে না। অর্থাৎ এটার কোনো পরিণতি নেই। কিন্তু প্রেমে কিন্তু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য থাকে। প্রেম, অতঃপর বিয়ে- এরপর আর এগুনো মুশকিল। কিন্তু পরকীয়ায় একটা আগ্রহ থেকে যায়। এটাকে লেখার একটা ‘ফরম্যাট’ বলা যেতে পারে।



  3. 3

    বাংলাদেশে বিশ্ব ভালবাসা দিবসের নেপথ্য নায়ক ছিলেন সাপ্তাহিক যায় যায় দিন পত্রিকার সম্পাদক শফিক রেহমান। তিনি পড়াশোনা করেছেন লন্ডনে। পাশ্চাত্যের ছোঁয়া নিয়ে দেশে এসে লন্ডনী সংস্কৃতির প্র্যাকটিস শুরু করেন। তিনি প্রথম যায় যায় দিন পত্রিকার মাধ্যমে বিশ্ব ভালবাসা দিবস বাংলাদেশীদের কাছে তুলে ধরেন। এজন্য শফিক রেহমানকে বাংলাদেশে ভালবাসা দিবসের জনক বলা হয়। 

    ভালবাসা দিবস উপলক্ষে শফিক রেহমানের সাক্ষাতকার তুলে ধরা হলো আপনাদের জন্য

  4. 2
    এস. এম. রায়হান

    শিরি-ফরহাদ, লাইলী-মজনু, আনারকলি-সেলিমের প্রেমকাহিনীর ব্যাপারটা না হয় আলাদা। কেননা এগুলো সম্ভবত আরব বা মুসলমানদের সাথে সম্পর্কযুক্ত! কিন্তু ভারতীয় উপমহাদেশেই রাধা-কৃষ্ণের বিখ্যাত প্রেমকাহিনী থাকতে বঙ্গাল নাস্তিকরা ভ্যালেন্টাইন নামে একজন ইউরোপীয়ান খ্রীষ্টান ধর্মযাজকের একটি ঘটনাকে "ভালোবাসা দিবস" বানিয়ে দিয়ে বাংলাদেশে আমদানি করছে কোন্‌ যুক্তিতে? খ্রীষ্টান ধর্মযাজক হলেও ইউরোপীয়ান সাদা চামড়া বলে কথা নাকি!

    Saint Valentine's Day নিয়ে বাংলা উইকির লেখা-


    ২৬৯ সালে ইতালির রোম নগরীতে সেন্ট ভ্যালেইটাইন'স নামে একজন খৃষ্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ছিলেন। ধর্ম প্রচার-অভিযোগে তৎকালীন রোমান সম্রাট দ্বিতীয় ক্রাডিয়াস তাঁকে বন্দী করেন। কারণ তখন রোমান সাম্রাজ্যে খৃষ্টান ধর্ম প্রচার নিষিদ্ধ ছিল। বন্দী অবস্থায় তিনি জনৈক কারারক্ষীর দৃষ্টহীন মেয়েকে চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ করে তোলেন। এতে সেন্ট ভ্যালেইটাইনের জনপ্রিয়তার প্রতি ঈর্ষান্বিত হয়ে রাজা তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন। সেই দিন ১৪ই ফেব্রুয়ারি ছিল। অতঃপর ৪৯৬ সালে পোপ সেন্ট জেলাসিউও ১ম জুলিয়াস ভ্যালেইটাইন'স স্মরণে ১৪ই ফেব্রুয়ারিকে ভ্যালেন্টাইন' দিবস ঘোষণা করেন। খৃষ্টানজগতে পাদ্রী-সাধু সন্তানদের স্মরণ ও কর্মের জন্য এ ধরনের অনেক দিবস রয়েছে। যেমন: ২৩ এপ্রিল – সেন্ট জজ ডে, ১১ নভেম্বর – সেন্ট মার্টিন ডে, ২৪ আগস্ট – সেন্ট বার্থোলোমিজম ডে, ১ নভেম্বর – আল সেইন্টম ডে, ৩০ নভেম্বর – সেন্ট এন্ড্রু ডে, ১৭ মার্চ – সেন্ট প‌যাট্রিক ডে।

    পাশ্চাত্যের ক্ষেত্রে জন্মদিনের উৎসব, ধর্মোৎসব সবক্ষেত্রেই ভোগের বিষয়টি মুখ্য। তাই গির্জা অভ্যন্তরেও মদ্যপানে তারা কসুর করে না। খৃস্টীয় এই ভ্যালেন্টাইন দিবসের চেতনা বিনষ্ট হওয়ায় ১৭৭৬ সালে ফ্রান্স সরকার কর্তৃক ভ্যালেইটাইন উৎসব নিষিদ্ধ হয়। ইংল্যান্ডে ক্ষমতাসীন উৎসব পিউরিটানরাও একসময় প্রশাসনিকভাবে এ দিবস উদযাপন করা থেকে বিরত থাকার জন্যে নিষিদ্ধ ঘোষনা করে। এছাড়া অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরিজার্মানিতে বিভিন্ন সময়ে এ দিবস প্রত্যাখ্যাত হয়।

    বর্তমানকালে, পাশ্চাত্যে এ উৎসব মহাসমারোহে উদযাপন করা হয়। যুক্তরাজ্যে মোট জনসংখ্যার অর্ধেক প্রায় ১০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় করে এই ভালোবাসা দিবসের জন্য কার্ড, ফুল, চকোলেট, অন্যান্য উপহারসামগ্রী ও শুভেচ্ছা কার্ড ক্রয় করতে, এবং আনুমানিক প্রায় ২.৫ কোটি শুভেচ্ছা কার্ড আদান-প্রদান করা হয়।

    "ভ্যালেন্টাইন'স ডে" আসলে খ্রিষ্টান ধর্মযাজক ভ্যালেন্টাইনের ধর্ম প্রচারের উপর ভিত্তি করে খ্রিষ্টানদের একটি ধর্মীয় শোক দিবস। এখানে প্রেম-পিরিতির কোনো ঘটনাই নাই! অথচ বঙ্গাল নাস্তিক ও সেক্যুলার দাবিদারেরা খ্রিষ্টানদের একটি ধর্মীয় শোক দিবসকে "ভালোবাসা দিবস" আখ্যা দিয়ে ঘটা করে পালন করছে!!!

  5. 1
    এস. এম. রায়হান

    কোন্‌ বঙ্গাল "Saint Valentine's Day"-কে "ভালোবাসা দিবস" বানিয়ে বাংলাদেশে আমদানি করেছে?

    Saint Valentine's Day-

    1. 1.1
      সরকার সানজিদ আদভান

      Shafiq Rehman 🙁

      1. 1.1.1

        শফিক রেহমানের লাল গোলাপ অনুষ্ঠানটি চলচ্চিত্র বিষয়ক অনুষ্ঠান ছিল। ভেলেনটাইন দিবস বাংলাদেশে আসার সময় আমি কলেজে পড়তাম বোধ হয়। স্কুল জীবন হতে কয়েক বছর আগ পর্যন্তও হিন্দি গান, সিনেমা, টিভি চ্যানেল দিনরাত দেখতাম। হিন্দি চ্যানেলগুলিই প্রধানত ভ্যালেনটাইন দিবস কে প্রতিষ্ঠিত করেছে। সাথে প্রিন্ট মিডিয়াও ছিল। এমনিতেই হিন্দি বাংলা সিনেমা, গানের মূল উপজীব্য হল প্রেম ভালবাসা। এরপর এই কর্পোরেট বিশ্বায়নের যুগে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তথাকথিত বিশ্ব ভালবাসা দিবসের প্রচারনা। শফিক রেহমানের  যায় যায় দিন প্রত্রিকায় বিভিন্ন দেশী বিদেশী প্রেম কাহিনি প্রকাশিত হত  সত্য তবে বাংলাদেশে ভ্যালেনটাইন দিবস তিনি আমদানি করেছেন এ ধরনের কথা বলা অজ্ঞতার ইংগিত দেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.