«

»

Apr ২২

গ্লোবাল ওয়ার্মিং- বাংলাদেশ পরিপ্রেক্ষিত

আগের প্রবগুলো এখানেঃ  গ্লোবাল ওয়ার্মিং – ঘটছে কিভাবে?  গ্লোবাল ওয়ার্মিং- ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের মুখে মানবতা! গ্লোবাল ওয়ার্মিং- সভ্যতার খোলসে অমানবিকতা! বাংলাদেশ এই জলবায়ূ পরিবর্তনের অন্যতম ভুক্তভোগী! ১৯৯১ থেকে ২০০০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ৯৩ টি প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয় ও এতে সর্বমোট ক্ষতির পরিমাণ ৫৯০ কোটি ইউ এস ডলার। ষঢ়ঋতুর দেশ হিসেবে পরিচিত এই দেশটির ঋতুচক্রকে এখন চেনাটাই দূষ্কর। প্রাকৃটিক বিপর্যয়ের স্থায়ীত্বকাল ও রুক্ষতাও যেন বৃদ্ধি পেয়েছে। [১] ইউরোপিয়ান এনজিও জার্মানওয়াচের মতে গত ২০ বছরে বাংলাদেশ প্রকৃতির সবচেয়ে বেশী কোপানলে পড়ে। [২] এই অবস্থা চলতে থাকলে, ২০৫০ সাল নাগাদ ১০ থেকে ১৫ শতাংশ লোক ক্ষুধার করাল গ্রাসে নিক্ষিপ্ত হবে। শিশুদের অপুষ্টির পরিমাণ বাড়বে ২১ ভাগ, যা বর্তমানে শতকরা ৪৬ ভাগ। জলবায়ুর পরিবর্তনের কারণে যে দশটি দেশ খাদ্য-স্বল্পতার হুমকির মুখে আছে বাংলাদেশ তাদের মধ্যে একটি। [৩]

সমুদ্রের উচ্চতা মাত্র ১ মিটার বাড়লে দেশের মোট আয়তনের শতকরা ১৮ ভাগ ক্ষতিগ্রস্থ হবে ও দেশের শতকরা প্রায় ১১ ভাগ লোক সরাসরি ক্ষতির মধ্যে পড়বে। সমুদ্রের এই উচ্চতা বৃদ্ধির বিপরীতে ৪৮০০ কিমি এলাকাতে উপকূল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নির্মাণ করতে হলে খরচ পড়বে আনুমানিক ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার। আর এতে জিডিপি’র পরিমাণ শতকরা ২৮ থেকে ৫৭ ভাগ পর্যন্ত কমে যেতে পারে । [৪]

ইতিমধ্যেই কোথাও কোথাও সাগরের উচ্চতা বেড়ে গেছে। কক্সবাজার থেকে মাত্র ১৫ কিমি দূরে কুতুবদিয়ার গত একশো বছরে এর ২৫০ কিমি সংকোচন হয়ে হয়েছে ৩৭ কিমি। দক্ষিণ এশিয়ান মিটিওরলজিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের হিসেব অনুযায়ী দেশের হিরণ পয়েন্টে সাগরের উচ্চতা বেড়েছে ৪ মিমি, এবং কক্সবাজারে বেড়েছে ৭.৮ মিমি। ইউএনডিপির হিসেব মতে এই হারে উচ্চতা বাড়তে থাকলে দেশের ১৫ – ১৮ শতাংশ আয়াতন পানির নীচে তলিয়ে যাবে ও প্রায় ৩০ লাখ লোক ‘পরিবেশ উদ্বাস্তু’ হয়ে যেতে পারে। [৫] সমুদ্রের উচ্চতা বাড়ায় সমুদ্রতীরবর্তী জেলাগুলোর পানিতে লবণাক্ততা বেড়ে গেছে। চিংড়ি চাষ দ্বারা কিছু লোক হয়ত উপকৃত হচ্ছে, কিন্তু বেশীরভাগের জন্যই এই লবণাক্ততা অভিশাপ বয়ে এনেছে। [৬]

গ্রীনহাউজ গ্যাস কমানোর জন্য বিশ্বব্যাপী একধরণের সচেতনতা তৈরী হলেও শেষপর্যন্ত কোন সিদ্ধান্তে আসতে পারছে না। এতে প্রধান দায় ঐ উন্নত দেশগুলোরই। গ্রীন হাউস গ্যাস কমানোর জন্য ১৯৯০ সালে বিশ্বনেতৃবৃন্দ কিয়োটো প্রটৌকলকে গ্রহণ করতে সন্মত হলেও শেষপর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তাতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকার করে।  পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালে জাপানের কিয়োটোতে সরকারপ্রধানরা কার্বন-ডাই-অক্সাইড এর নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যে আবার আলোচনায় বসে ও সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে কার্বন-ডাই-অক্সাইড এর নিঃসরণ ৪৫০ পিপিএম এর মধ্যে নিয়ন্ত্রণ করবে, যা এখন ৩৮৮ পিপিএম (সঠিকভাবে বললে ৩৮৮ পিপিএম), কিন্তু তা আর বেশীদূর অগ্রগতি লাভ করেনি। তারপর ২০০৯ সালেও কোপেনহেগেন সন্মেলনে গ্রীনহাউস গ্যাস কমানোর ব্যাপারে একটি সমাধানে আসতে নেতৃবৃন্দ ব্যর্থ হয়। [৮] কানাডার স্টিফেন হারপারের সরকারও কোপেনহেগেনের কিয়োটো প্রটোকল থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। কানাডার সরিয়ে নেবার কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী কার্বন নিঃসরণকারী যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এই প্রটোকলে না থাকা। [৯]

উন্নত দেশগুলোতে জলবায়ুর পরিবর্তনকে অস্বীকার করার একটা মানসিকতা বিরাজ করে। নিজেদের লাগামহীন সম্পদের ব্যবহারকেতো স্বীকারই করতে চায় না উলটো দরিদ্র দেশগুলোকেই এই কার্বন নিঃসরণের জন্য দায়ী করে। তাদের যুক্তি অন্যযায়ী দরিদ্র দেশগুলোর বর্ধমান জনসংখ্যা এই জলবায়ুর বিপর্যয়ের জন্য দায়ী। দরিদ্র দেশগুলোতে উন্নত দেশগুলোর চেয়ে জনসংখ্যার বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে বেশীই এবং তা যে জলবায়ুর পরিবর্তনে ভুমিকা রাখছে না তা বলার উপায় নেই। কিন্তু তারপরও এই জনসংখ্যার বৃদ্ধির প্রভাব উন্নত দেশগুলোর করা প্রভাবের চেয়ে কমই হবার কথা। কারণ, উন্নত দেশগুলোতে জনপ্রতি এনার্জি গ্রহণের হার অনেক বেশী। যেমন, একজন কানাডিয়ান যে পরিমাণ এনার্জি ব্যবহার করে তা একজন তাঞ্জিনিয়ানের চেয়ে ২০ গুণ বেশী, আর ২০ ভাগ উন্নত দেশগুলোর শতকরা ৭০ ভাগ এনার্জি ব্যবহার করে! অপরদিকে জলবায়ূ পরিবর্তনের ক্ষতি সবচেয়ে বেশী বহন করছে দরিদ্র দেশগুলোই। [১০] প্রাকৃতিক দূর্যোগের শতকরা ৯৫ ভাগ ঘটে দরিদ্র দেশগুলোতে যাতে জলবায়ূর পরিবর্তন প্রত্যক্ষ্য ও পরোক্ষভাবে দায়ী। কিন্তু দরিদ্র দেশগুলোর এই ক্ষতিকে পুষিয়ে দেবার বিপরীতে তাদের তল্পিবাহক সংগঠকগুলোকে দিয়েও পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে করছে।

বিশ্বব্যাঙ্ক এমনই একটি সংগঠন! বিশ্বব্যাঙ্কের ইতিহাসে এর নিজেরই জীবাশ্ম জ্বালানীর উপর বিনিয়োগের বিশাল রেকর্ড আছে, আর ইতোমধ্যেই বিদ্যুৎ, পানি ও পড়ালেখাকে বাণিজ্যিকিকরণের উপদেশ দিয়ে দরিদ্র দেশগুলোর বিরাগভাজন হয়ে আছে, এখন তারাই আবার পাশ্চ্যাত্যের দেশগুলোর ফর্মুলার উপর ভিত্তি করে দরিদ্র দেশগুলোতে জলবায়ূ ঋণ দেয়ার পায়তারা করছে। [১১] যুক্তরাজ্যের নেতৃত্বে বাংলাদেশসহ ১৮টি দরিদ্র দেশকে তারা জলবায়ূ ঋণ তাদের ইচ্ছের বিরুদ্ধেই দিতে চায়, যার পরিমাণ ১.১ বিলিয়ন ইউএস ডলার।  বাংলাদেশসহ দরিদ্র দেশগুলো ইতিমধ্যেই এর বিরোধীতা করছে। বিশ্বব্যাঙ্কের সিদ্ধান্ত দরিদ্র দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষার পরিবর্তে তাদের ক্ষতিই করছে। [১২] তাছাড়া উন্নত বিশ্ব তাদের কৃতকর্মের জন্য ভুক্তভোগী দরিদ্র দেশগুলোকে যে সাহায্য দেবার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে তাও সময়মত দিতে গড়িমসি করেই চলছে, গার্ডিয়ানের হিসেব মতে গত সাত বছরে দরিদ্র দেশগুলো তাদের কাছে প্রতিশ্রুত অর্থের মাত্র দশভাগ পেয়েছে। [১৩]

তবে আশার কথা পরিবেশের এই বিপর্যয়কে রুখতে বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। ১৫০,০০০ ইউ এস ডলার দিয়ে সাইক্লোন শেল্টার তৈরী করেছে ও সাথে যোগ করেছে সতর্কতামূলক পূর্বাভাস। লবণাক্ততা সহ্য করার ক্ষমতাসম্পন্ন ধান উৎপাদন করেছে বাংলাদেশের ধান গবেষণাকারী বিজ্ঞানীরা। [১৩] জলবায়ুর এই পরিবর্তনের কারণে সহ্যশক্তি বাড়ানোর জন্য গত তিন দশকে বাংলাদেশ প্রায় ১০ বিলিয়ন ইউএস ডলার খরচ হয়েছে। তাছাড়া ২০০৮ সালে পাচ বছরের (২০১৪ সাল পর্যন্ত) জন্য ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ সাপেক্ষে একটা প্ল্যান হাতে নেয়া হয়েছে। তাছার ইতোমধ্যে নিজস্ব উদ্যোগে ৪৫ মিলিয়ন ইউএস ডলারের একটি পরিবেশ রক্ষা ফান্ড গঠন করা হয়েছে। [১৪]

এত কিছুর পরও মানুষের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা খুব কম। কারণ নিত্যদিনের অগণিত সমস্যার মধ্যে জর্জরিত থেকে তাদের প্রতি তাৎক্ষণিক দৃষ্টি দিতে হয় বিধায় পরিবেশ বিপর্যয় দৃশ্যপটের বাইরেই থেকে যায়। আর দেশের বেশীর ভাগ মানুষই এই বিপর্যয়ের পরোক্ষ ভুক্তভোগী! প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগীদের কষ্টকে সাধারণেরা এখনো নিজেদের করে নিতে পারেনি। প্রতিবছর পানির কারণে বাস্তুচ্যুত লোকগুলির অসহায় চাহনি গণমাধ্যমেও সেভাবে না আসায় তারা আরো অন্ধকারে। আর যদি আসেই, তাও হাজারো সমস্যার ভিড়ে হয়তো সামান্য একটু সহানুভূতির সীমা অতিক্রম করতে পারে না। তবে এখনই যদি সচেতনতা গড়ে তোলা না যায় তাহলে করুণ একটি ভবিষ্যতকেই আমাদের মেনে নেয়া ছাড়া আর কোন গত্যন্তর নেই!

ভিডিও লিঙ্কঃ

http://www.msnbc.msn.com/id/3032619/vp/34319033#34319033

 

সূত্রঃ

১. http://www.climatefrontlines.org/en-GB/node/426

২. http://www.montrealgazette.com/technology/Last+years+among+warmest+record/5783013/story.html

৩. http://globalvoicesonline.org/2011/11/28/bangladesh-climate-change-to-increase-hunger-and-malnutrition/

৪. http://www.oecd.org/dataoecd/46/55/21055658.pdf

৫. http://technorati.com/lifestyle/green/article/bangladesh-is-sinking-due-to-global/

৬. http://www.spiegel.de/international/world/0,1518,480847,00.html

৭. http://motherjones.com/environment/2011/04/climategate-timeline

৮. http://www.independent.co.uk/environment/climate-change/canada-abandons-kyoto-protocol-6276239.html

৯. Timmons Roberts and Bradley C Parks, A Climate of Injustice, MIT Press, 2007.3ibid

১০. http://www.guardian.co.uk/global-development/poverty-matters/2011/jun/30/bangladesh-climate-change-loans

১১. http://www.wdm.org.uk/our-campaign-climate-justice/climate-loan-sharks-report

১২. http://arwafreelance.wordpress.com/2009/07/11/western-worlds-climate-debt-to-the-poor/

১৩.  http://www.scientificamerican.com/article.cfm?id=bangladesh-prepares-for-climate

১৪. http://climatechange.worldbank.org/content/bangladesh-economics-adaptation-climate-change-study

 

 

৬ comments

Skip to comment form

  1. 3
    সরোয়ার

    অসাধারণ সিরিজ। গ্লোবাল ওয়ার্মির এর সমস্যা  আদৌ সমাধান করা সম্ভব হবে না বলে মনে হয়, কেননা আমরা আমাদের আয়েসী জীবন যাপনে একটুও ছাড় দিতে রাজী নই।  

    1. 3.1
      শামস

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
       

  2. 2
    এস. এম. রায়হান

    ঝড়ঝড়ে লেখা। এক নিঃশ্বাসে পড়ে ফেললাম, সেই সাথে কিছু অজানা তথ্যও জানা হলো।

    1. 2.1
      শামস

      @এস.এম. রায়হান,
      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
       

  3. 1
    শাহবাজ নজরুল

    বরাবরের মতোই অসাধারণ লেখা। সবার পড়া উচিত।
     
    কিছু মন্তব্য,
     
    জীবাষ্ম -> জীবাশ্ম (বানান)
    জলবায়ূ -> জলবায়ু (বানান)
    মেট্রোলজিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের ->  মিটিওরলজিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের (উচ্চারণ)

    কক্সবাজার থেকে মাত্র ১৫ কিমি দূরে কুতুবদিয়ার গত একশো বছরে এর ২৫০ কিমি সংকোচন হয়ে হয়েছে ৩৭ কিমি।

    এখানে কি কুতুবদিয়ার পরিসীমা/সমুদ্রসীমা'র কথা বলছেন?

    কানাডার স্টিফেন হারপারের সরকারও কোপেনহেগেনের কিয়োটো প্রটোকল থেকে নিজেদের সরিয়ে নেয়। কানাডার সরিয়ে নেবার কারণ পৃথিবীর সবচেয়ে বেশী কার্বন নিঃসরণকারী যুক্তরাষ্ট্র ও চীন এই প্রটোকলে না থাকা।

    খবরটা কিছুদিন আগে শুনেছি, এতে কানাডা অন্তত স্পষ্ট বলে দিল যে কিয়োটো'র মতো ক্লাব রেখে লাভ নেই, যেখানে মূল গ্রীণ হাউস গ্যাস উৎপাদকদের বিরুদ্ধে কোনো শক্ত অবস্থান নেয়া হচ্ছেনা। তবে আবার হতাশার কথা এই যে, কানাডার মতো সবাই যদি প্রটোকল থেকে বেরিয়ে যায় তবে বৈশ্বিক দৃষ্টিকোণ থেকে কীভাবে সমস্যার সমাধান করা যাবে?

    1. 1.1
      শামস

      @শাহবাজ নজরুল,
      বানান ঠিক করে দিয়েছি।
      এটা কুতুবদিয়ার আয়াতন বলে বলেই মনে হল। সুত্রে সেরকমভাবেই আছে। তবে অন্য সুত্র থেকে যাচাই করা হয়নি! এ নিয়ে পড়ালেখা করতে গিয়ে দেখলাম তারা যে তথ্য ব্যবহার করছে সেখানে এক সুত্র থেকে আরেক সুত্রে প্রায়ই কিছু না কিছু তারতম্য থাকে। সম্ভবত এস্টিমেশনের জন্য এরকম হয়। কখনো কখনো তারতম্যটা অনেক। তবে মূল থিমটা সবারই এক, আর সেটা হল পরিবেশ বিপর্যের দিকে মানুষের দৃষ্টি ফেরানো। পরিবেশ বিপর্যয় ব্যাপকভাবেই ঘটছে কিন্তু পার্থক্যটা ভয়াবহতার মাত্রা নিয়ে।
      জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে যে এই পরিবেশ বিপর্যয় তাকে সাইলেন্ট কিলার হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। শক্তিশালী অনেক লবি এর বিপক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। আর কেউ দায় নিতে চাচ্ছে না। সম্পদের সবচেয়ে বড় ভোক্তা পাশ্চাত্য বিশ্বের বিশাল দায় আছে এই পরিবেশ বিপর্যয়ে, এর জন্য নৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেই  তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়াও উচিত। সেটা দেয়ার নাম নেই, উল্টো জলবায়ু ঋণের নামে তাদেরকে ঋণের দায়ে বাধতে চায়। ভেবে দেখুন অবস্থা। তারা একদিকে যখন আমাদের শিশুশ্রম নির্মূল করতে বলে, তখন তাদের মানবতাবাদে গদগদ হই-  অথচ আমাদের লাখ লাখ লোকের বাস্তুচ্যুত হওয়ায় তাদের যেন কোন বিকার নেই! কেমন যেন হিসেবে মিলে না!
       

Leave a Reply

Your email address will not be published.