«

»

Oct ০৮

ইংরেজী ভাষা- এর চমকপ্রদ উত্তোরণ!

সাম্রাজ্যবাদী শক্তি হিসেবে ইংরেজদের যে পরিচিতি সে তুলনায় তাদের ঘটনাবহুল অতীত ইতিহাস অনেকেরই হয়ত অজানা হয়ে থাকবে। এই ইংরেজরাই খ্রিস্টীয় প্রথম শতকের  দিকেও নরবলি দিত। ধর্মীয় রীতির অংশ হিসেবেই এই নরবলি দেয়া হতো। জার্মান গোত্রগুলোর মতই তখনকার ইংরেজ প্যাগানদের নরবলি ছিল খুব নির্মম। জার্মানদের বংশধর  নর্সরা তাদের প্রধান দেবতা ওডিনের জন্য গাছের সাথে ঝুলিয়ে বর্শা দ্বারা কেটে নরবলি করত। কিছু আদিবাসী ব্যতীত ইংরেজরাও প্রধানত সেই জার্মানিক প্রাচীন গোত্রগুলোরই  উত্তরসূরী। ইউরোপে জার্মানিক গোত্রগুলো ছিল খুবই প্রভাব বিস্তারকারী, এদের বিভিন্ন শাখা-উপশাখাগুলোই ইউরোপের সর্বত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে চালকের আসনে বসেছিল। প্রচন্ড পরাক্রমশালী রোমান সাম্রাজ্যের গলার কাটা ছিল এই জার্মানিক গোত্রগুলো। এরা ইংল্যান্ডের একটি অংশ, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন, স্পেনের কিছু অংশ, ফ্রান্স, রাশিয়া, আইসল্যান্ড ও গ্রীনল্যান্ড পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। স্ক্যান্ডিনেভিয়া, ইংল্যান্ডে ও জার্মানিতে প্রচলিত মিথগুলোর (যেমনঃ Bewulf) দিকে তাকালেও সেই সাদৃশ্য দেখা যায়। দুর্ধর্ষ ভাইকিং জলদস্যুরাও জার্মানিক গোত্রগুলোর বংশধর। ইংরেজদের এই পরিচিতির মত ইংরেজী ভাষার প্রচলন ও এর পর্যায়ক্রমিক উন্নতি সত্যিই বেশ চমকপ্রদ। মূল ইংরেজী যাকে Old English বা প্রাচীন ইংরেজী বলা হয়  উচ্চারণ, ব্যকরণ ও শব্দের দিক থেকে আধুনিক বা স্ট্যান্ডার্ড ইংলিশ থেকে একেবারেই ভিন্ন। প্রাচীন ইংলিশ মূলত জার্মানিক বৈশিষ্ঠ্যের।   

এংলো-সাক্সান সাধু বেডে (Bede) ৮০০ খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডের জনবসতি স্থাপনকারী যে কয়েকটি গোত্রের উল্লেখ করেন সেগুলো হলঃ সাক্সন (Saxons), এঞ্জেলস (Angles) এবং জুট’স (Jute’s)। এঞ্জেলস গোত্র থেকেই ইংল্যান্ড শব্দটির উৎপত্তি। এদের আগমন ঘটে আধুনিক জার্মানির Angeln নামক স্থান থেকে। সাক্সন’রা জার্মানির lower Saxony থেকে আগত। জুটরা ডেনমার্কের Jylland বা Juteland Peninsula থেকে আগত। এই ডেনিসরাও জার্মান বংশদ্ভূত। রোমান শাসনামলে উপনিবেশ স্থাপনকারী রোমানরাও ইংল্যান্ডের নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর অংশ হয়ে যায়। প্রায় ৫০০ খৃস্টাব্দ পর্যন্ত ব্রিটেন ছিল রোমের শাসনাধীন। লন্ডন শব্দটিও এসেছে রোমান ‘লন্ডিনিয়াম’ শব্দ থেকে। বৈশিষ্ঠ্যের দিক থেকে জার্মান হলেও প্রাচীন ইংরেজী লেখা হতো রোমান হরফে। এই প্রাচীন ইংরেজী কয়েকটি ধাপে পরিবর্তিত হতে হতে আধুনিক ইংরেজীর (Standard English) গোড়াপত্তন হয় যা এখন সর্বত্র ব্যবহৃত হয়।

প্রাচীন ইংরেজীর (Old English) পরবর্তী রূপটা মধ্যবর্তী ইংরেজী যার বিকাশ ঘটে ১১০০ থেকে ১৩০০ সালের মধ্যে। এই সময়ের মধ্যে ইংরেজী ভাষায় প্রভাব বিস্তার করে ইংল্যান্ড দখলকারী ফরাসীরা। এই ফরাসীরা আধুনিক  ফ্রান্সের নরমান্ডি থেকে আগত নরম্যানরা। ফরাসীরাই দুর্বোধ্য প্রাচীন ইংরেজীকে চেছেছুলে সহজপাঠ্য করতে বিশেষ ভুমিকা রাখে। কিন্তু ১৪০০ শতকের দিকে ইংরেজী ফরাসী ভাষার সাথে প্রবল প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়। শেষপর্যন্ত জয় হয় ইংরেজীর। ভাষাটি নিজের স্বকীয়তা ধরে রাখতে ও ইংল্যান্ডে তাকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রমাণ করতে সমর্থ হয়। তখন থেকেই ইংরেজী সরকারী কাজে ইংল্যান্ডে ব্যবহৃত হতে থাকে। ১৪০০ খ্রিষ্টাব্দে রাজা হেনরি তার রাষ্ট্রীয় আদেশ নিষেধ ইংরেজীতে চালু করেন, আগে যা ছিল মূলত রোমান ও ফরাসীতে। ১৬০০ শতকের দিকে ইংরেজীতে লিখিত প্রসিদ্ধ কয়েকটি বাইবেল ভাষাটির মর্যাদা ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হল ১৬১১ সালে লিখিত কিং জেমস বাইবেল। আধুনিক ইংরেজীর প্রায় ৬০টি অভিব্যক্তি সেইন্ট ম্যাথিউ’র গসপেল এর কাছে ঋণী। যেমনঃ an eye for an eye (5.38), a pearl of great price (13.36), the blind lead the blind (15.14) ইত্যাদি।

কিন্তু সংবাদপত্র সহ অনেক কাজে যে ইংরেজীর চালু ছিল তা ছিল মূলত নিয়ন্ত্রণহীন। অবস্থা এমন  ছিল যে সেক্সপিয়ার ১৬০৯ সালে যে সনেট এর বই প্রকাশ করেন সেই বই এর কভার পেজে তার নাম লেখা হয় Shake-Speares (হাইপেন দিয়ে). ইংল্যান্ডের সাম্রাজ্য প্রসারের সময়েও ভাষার এই বিশৃঙ্খল অবস্থা বিরাজ করছিল। প্রখ্যাত ইংরেজ কবি জোনাথন সুইফট (১৬৬৭-১৭৪৬ খৃস্টাব্দ) ইংরেজিতে বিশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ফ্রেঞ্চ ও রোমানদের মত একাডেমি চালুর প্রস্তাবও করেছিলেন। সেই একাডেমি আলোর মুখ দেখেনি। তবে ব্যক্তিউদ্যোগে অনেক অভিধান ও সুশৃঙ্খল ব্যকরণের ইংরেজী বই প্রকাশিত হয়েছিল এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তাও পেয়েছিল। তবে ১৯২৮ সালে প্রকাশিত অক্সফোর্ড ইংরেজী অভিধান ছিল স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজীর অন্যতম সফল পাঠ্যবই। এর আগেও অভিধান প্রকাশিত হয়েছে, যেমন জন ওয়াকার’ এর Pronouncing Dictionary (১৭৯১), তবে তা অক্সফোর্ড ইংরেজী অধিধান এর মত ব্যাপক বর্ণনাময় ছিল না।

১৪০০ শতকের পর ফরাসী ভাষাকে পেছনে ফেলে ইংরেজীর পরিপক্কতা অর্জন করে  স্ট্যান্ডার্ড ইংরেজীরূপে আত্নপ্রকাশ করতে ১৮০০ শতক পর্যন্ত লেগে যায় । প্রথম ইংরেজী গ্রামার লেখা হয় উইলিয়াম বুলোকার (১৫৩০-১৬০৯ খ্রিষ্টাব্দ) দ্বারা। উইলিয়াম সেক্সপিয়ার (১৫৬৪-১৬১৬ খৃস্টাব্দ) এর সৃষ্টিশীল সাহিত্যকর্মের কাছে ইংরেজী ঋণী। সেক্সপিয়ার নিজে প্রায় ১৮০০ শব্দ ইংরেজীতে ঢুকিয়েছেন (২০১০ সালের অক্সফোর্ড ডিকশনারীর হিসেবে) যার মধ্যে ৮০০ এখনো বেঁচে আছে। কয়েকটি হলঃ Accommodation (Othelo), Assassination (Macbeth), Green-eyed (The Merchant of Venice), Successful (Titus Andronicus) ইত্যাদি। সেক্সপিয়ার বেশকিছু প্রবাদ ও উক্তি ঢুকিয়েছেন যা এখনো সমানভাবে জনপ্রিয়। যেমনঃ Give the devil his due (Henry V), I must be cruel only to be kind (Hamlet), It was Greek to me (Julius Caeser), Let us not be laughing stocks (The Merry Wives of Windsor), Love is blind (The Merchant of Venice), The game is up (Cymbeline). ১৪০০ থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে ইংরেজীর ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার ছিল বিপ্লবাত্নক। (ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানী ১৬২৬ সালে ইংরেজীতে Minutes of Meeting  প্রকাশ করে). এছাড়া ছিল বৈজ্ঞনিক লেখালেখিতে ইংরেজীর অংশগ্রহণ। রবার্ট হুক (১৬৩৫-১৭০৩ খৃস্টাব্দ) এর Micrographia (১৬৬৫) ছিল বৈজ্ঞনিক ইংরেজীর সবচেয়ে প্রথম দিকের বিশদ বর্ণনাকারী বই। এই বইতে ছিল কিভাবে মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করা যাবে তার বিবরণ, এছাড়া ছিল জীবাষ্ম, পোকামাকড়, রেশম ইত্যাদি নিয়ে অঙ্কিত বর্ণনা।

১৮০০ শতকের পরে ইংরেজী পুরোপুরি নিজস্ব স্বকীয়তায় আবির্ভূত হয়। ইংরেজী হাস্যরস ও স্যাটায়ার লিখতেও ব্যহৃত হতে থাকে। স্যাটায়ার পত্রিকা Punch ছাপা হয় আঠারো শতকের দিকে যা ১৮৪১ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত একনাগাড়ে প্রকাশিত হয়, তারপর বিরতি দিয়ে ১৯৯৬ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত চলে। Punch থেকে যেসব শব্দ প্রচলিত ইংরেজীতে ঢুকে যায় তার কয়েকটি হলঃ hanky-panky (1841), pretty-pretty (1877). এছাড়া নাটকের জন্য প্রথম দিকের বই হলঃ A Hundred Mery Talys (1526) (এখন এই Talys কে লেখা হয় Tales)

ইংল্যান্ড ও ইংরেজীর বিকাশ বেশ বৈচিত্রপূর্ণ। যেই ইংল্যান্ডে প্রায় শত বছর আগে কখনো সূর্য ডুবতো না, সেই ইংল্যান্ড দূর অতীতের এক বিরাট সময় জুড়ে পদানত ছিল বিদেশী শক্তি দ্বারা। এছাড়া আশেপাশের অনেক গোত্র দ্বারা প্রায়ই হামলার স্বীকার হতো। এর চড়াই-উতরাই এর মধ্যেই ইংরেজী ভাষা নিজেকে প্রায় অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে। ইংরেজী ভাষার প্রচলন ও এর পর্যায়ক্রমিক উন্নতি হয়েছিল বিদেশীদের দ্বারাই। ইংরেজী বিদেশী ভাষার বর্ণ, শব্দ, বাগধারা, প্রবাদ-প্রবচন ইত্যাদি গ্রহণে প্রথম থেকেই যে উদারতা দেখিয়েছিল সেই ঐতিহ্য আজো বহন করে চলছে।

 

সূত্র:

১. Evolving English, One Language Many Voices, David Crystal

২. Mythology for Dummies, Dr. Christopher W. Blackwell, Amy Hackney Blackwell

৩. http://www.wmich.edu/medieval/resources/IOE/mss.html

৪. উইকিপেডিয়া

২৬ comments

Skip to comment form

  1. 13
    স্রষ্টার সন্ধানে

    ভালো লাগলো, ‌ধন্যবাদ।

    1. 13.1
      শামস

      @স্রষ্টার সন্ধানে, আপনাকেও ধন্যবাদ।
       

  2. 12
    আবদুল্লাহ সাঈদ খান

    পড়লাম এবং নতুন কিছু জানা হল। জাযাকআল্লাহ। 

    1. 12.1
      শামস

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
       

  3. 11
    সরোয়ার

    পড়লাম। বরাবরের মতই অসাধারণ বিষয়বস্তু। 

    1. 11.1
      শামস

      ধন্যবাদ।
       

  4. 10
    ফুয়াদ দীনহীন

    -আগের মতই অসধারণ 
    -ইংরেজি ভাষা এবং ইংরেজদের উত্তানের পিছনে কিং জেমস বাইবেলের অবদান অনেক। এটি তাদের একতাবদ্ধ ভাবে কাজ করার কারণ সৃষ্টি করেছে এবং পার্শবর্তী ইউরোপিয়ানদের সাথে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে দিয়েছে। তাদের উত্থানের পিছনে চার্চ অব ইংল্যান্ডের অবদানও আছে। 
    -ইংরেজি ভাষা জার্মানিক এবং ইন্দো-ইউরোপিয়। ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষাটা কি অরিজিনালি আরিয়ানদের ভাষা কিনা আমি এ নিয়ে ভাবছি। 
    -লেখা ভাল হয়েছে।
    -চলুক yes

    1. 10.1
      শামস

      হ্যা, ধর্মীয় গ্রন্থ নিয়মিত ব্যবহার হওয়ার জিনিষ, আর এর ব্যবহারকারীর সংখ্যাও অনেক। ফলে ইংরেজীতে বাইবেল রচনা ভাষাটির জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।
      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
       

  5. 9
    শাহবাজ নজরুল

    যথারীতি চমকপ্রদ ও তরতাজা লেখা। আপনার লেখার বিষয় বৈচিত্রের অসম্ভব অনুরক্ত আমি। প্রতিটি লেখাতে আছে নতুন কিছু। প্রাচীন গডের প্রতি নরবলী দেয়া থেকে শুরু করে বিস্বাদ জর্মন থেকে ফরাসীদের সাথে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ইংরেজী'র আজকের অবস্থানের সুন্দর ইতিহাস উপহার দেবার জন্যে আন্তরিক অভিনন্দন।
     
    কিছু উচ্চারণ আরেকবার দেখে নিয়েন (কেননা আমি পুরোপুরি শিওর নই)।
    সাক্সন -> স্যাক্সন
    এঞ্জেলস -> এঙ্গেলস [যেমনটা ব্যবহৃত হয় মার্ক্স/এঙ্গেলস এর ক্ষেত্রে, কিংবা বর্তমান চ্যান্সেলর এঙ্গেলা মার্কেলের ক্ষেত্রে। ব্রিটিশ চার্চকেও এংলিকান চার্চ বলে।]
    নরমান্ডি -> নরম্যান্ডি
     
     

    1. 9.1
      শামস

      আপনার দেয়া শব্দগুলোর উচ্চারণই সঠিক মনে হচ্ছে।
      ধন্যবাদ।

  6. 8
    শাহবাজ নজরুল

    এংলো-সাক্সান সাধু বেডে (Bede) ৮০০ খ্রিষ্টাব্দে ইংল্যান্ডের জনবসতি স্থাপনকারী যে কয়েকটি গোত্রের উল্লেখ করেন সেগুলো হলঃ সাক্সন (Saxons), এঞ্জেলস (Angles) এবং জুট’স (Jute’s)। এঞ্জেলস গোত্র থেকেই ইংল্যান্ড শব্দটির উৎপত্তি। এদের আগমন ঘটে আধুনিক জার্মানির Angeln নামক স্থান থেকে। সাক্সন’রা জার্মানির lower Saxony থেকে আগত। জুটরা ডেনমার্কের Jylland বা Juteland Peninsula থেকে আগত। এই ডেনিসরাও জার্মান বংশদ্ভূত।

    ভাষা, স্থান ও কালিক ইতিহাসের বাইরে কিছু নয়। ভাষার অভিব্যক্তি কিংবা বিবর্তন স্থান ও কালে ঘটা নৃতাত্ত্বিক স্থানান্তরের সাথে জড়িত। আপনার উপরের অংশের আরেকটা চিত্রায়ন নীচে দিলাম। জর্মন ভাষা সবারই আসলেই সবার দাদা। এর জর্মন ভাষাটি branch off করেছে indo-european ভাষা থেকে।
     

    1. 8.1
      শামস

      এই জার্মানদের আরিয়ান রক্ত নিয়ে হিটলারের গর্ব ছিল। তার বিশ্বাস করা  জার্মান শ্রেষ্ঠত্যের সাথে আরিয়ান পরিচয় জড়িত। আপনার মূল্যবান সংযোজনের জন্য ধন্যবাদ।
       
       

  7. 7
    মুনিম সিদ্দিকী

    নতুন কিছু জানলাম। কষ্ট সাধ্য কাজ উপহার দেবার জন্য আপনাকে জানাচ্ছি ধন্যবাদ।

    1. 7.1
      শামস

      আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
       

  8. 6
    মহিউদ্দিন

    ইংরেজি ভাষা উত্তরণের বিষয়ে একটি তথ্যবহুল লিখা পড়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। লেখককে অশেষ ধন্যবাদ।

    1. 6.1
      শামস

      পড়া ও মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
       

  9. 5
    এস. এম. রায়হান

    আপনার লেখা মানেই নতুন কিছু জানা। এই লেখাও ব্যতিক্রম নয়। দারুণ একটি লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    বর্তমান ইংরেজী বর্ণমালার (A to Z) প্রচলন শুরু হলো কবে থেকে এবং বর্ণমালাগুলো কে তৈরি বা আবিষ্কার করেছেন।

    1. 5.1
      শামস

      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
      ইংরেজী বর্ণমালা মূলত রোমান হরফ থেকে আসা। রোমানরা খৃষ্টীয় ৪০ দশক থেকে প্রায় ৫০০ বছর যাবৎ ইংল্যান্ড শাসন করেছে। সেই সময়েই রোমান হরফের প্রচলন হয়। তবে অনেক কাটছাট ও পরিবর্তন হয়ে শেষপর্যন্ত ২৬টি বর্ণমালাকে পাওয়া যায়। বিস্তারিত পাবেন উইকিতে।
      ভালো থাকুন।
       

  10. 4
    ইমরান হাসান

    মন জিতে নিলেন শামস ভাই। 

    1. 4.1
      শামস

  11. 3
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    পড়লাম। ভাল লাগলো। ধন্যবাদ। 

    1. 3.1
      শামস

      আপনাকেও ধন্যবাদ।
       

  12. 2
    সাদাত

    অনেক কিছুই জানা হলো। সুন্দর একটি প্রবন্ধ উপহার দেবার জন্য লেখককে অনেক ধন্যবাদ।

    1. 2.1
      শামস

      পড়া ও মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ।
       
       

  13. 1
    এম_আহমদ

    সুন্দর একটি লেখার সংযোজন হল। এটা সদালাপের একটা ট্রেজার হবে।
     
    ১৭৫৫ সালে প্রকাশিত জনসনের লেখা ইংরেজি ডিকশনারি অক্সফোর্ড ডিকশনারি প্রণয়নের আগ পর্যন্ত বিশ্বস্তরূপে প্রচলিত ছিল। আর তার আগেও হেননি কোকারম্যান ১৬২৩ সালে কেবল কঠিন শব্দের একখানা ডিকশনারি প্রণয়ন করেছিলেন। এগুলো আসলেও ভাল হত। 

    1. 1.1
      শামস

      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।
      আসলে বেশ কিছু জিনিষই বাদ গেছে। এই বইটি পড়ে দেখতে পারেন। আপনার আশেপাশের পাবলিক লাইব্রেরীতেও থাকতে পারেঃ Evolving EnglishOne Language Many Voices, David Crystal 

Leave a Reply

Your email address will not be published.