«

»

Oct ২১

সমকামিতা, বিবর্তনবাদ ও একটি বাস্তবধর্মী বিশ্লেষণ!

বিবর্তনবাদের প্রচারকরা এর প্রচারে উগ্রতার আশ্রয় নিলেও তত্ত্ব হিসেবে বিবর্তনবাদ বেশ উদার, কারণ এর মধ্যে সবকিছুকেই জায়গা দেয়া যায়। ধর্ষণের অসাধারণ ব্যাখ্যা দেয়া হয় বিবর্তনবাদের আলোকে! ধর্ষণ পুনঃউৎপাদনের জন্য খুব কার্যকরী মাধ্যম! অপরদিকে পুনঃউৎপাদনের সহায়ক নয় বরং ক্ষতিকর হয়েও সমকামিতা বিবর্তনবাদে জায়গা করে নেয় অন্যান্য প্রাণী বিশেষ করে প্রাইমেট বা বানরদের আচরণের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে। ইম্পেরিয়াল কলেজের বায়োলজির অধ্যাপক ভিনসেন্ট সাভোলাইনেন বংশবৃদ্ধির অন্তরায় সমকামিতা তাই অভিহিত করেছেন ডারউইনের প্যারাডক্স হিসেবে।

ভোগবাদে সমকামিতা একটি পণ্য, অপরদিকে পশুপাখির আচরণের ধারাবাহিকতায় বিরাজমান একটি শখ! ১৩০ টার মত পাখির মধ্যে (এর মধ্যে লেইসান আলবাট্রসের ৩১% এর মধ্যে মেয়ে-মেয়ে ও গ্রেলাগ গিজ এর ২০% এর মধ্যে ছেলে-ছেলে) সমকামিতার প্রধান কারণ প্যারেন্টিং এর চাহিদা কম থাকা। পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাহীনতা বা এককথায় অসামাজিকতা সমকামিতাকে শখে পরিণত করে। যুক্তরাজ্যের এক্সটার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভলুশনারী জেনেটিসিস্ট এল্যান মুর মানুষের সমকামীতাকেও সেভাবেই দেখেছেন। 

যে তামাকের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করার জন্য এখন ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালানো হয় সেই তামাককেই ইউরোপিয়ান ডাক্তাররা (১৫’শো শতকে) মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে ও ক্যান্সারের নিরাময়কল্পে সেবন করার পরামর্শ দিতো। তাছাড়া আমেরিকান গৃহযুদ্ধের সময় তামাক চাষে উৎসাহ দান করা হতো, কারণ এই তামাক চাষের দ্বারা তারা ফরাসীদের কাছ থেকে করা ঋণ পরিশোধ করতে পারত। তামাক ব্যবসায়ীরাও তাদের ব্যবসাকে নির্ঝঞ্ঝাট রাখতে পেরেছিল শক্তিশালী লবিস্ট গ্রুপদের দ্বারা। আপাত যে তামাককে একসময় উপকারী বলে ধরা হয়েছিল সেটা ক্ষতিকর বলে প্রমাণিত হয়েছে। আবার স্বার্থ হাসিলের জন্য কিংবা ব্যবসায়িক লাভের জন্যও ক্ষতিটাকে ঢাকতে বিভিন্ন ধরণের ব্যাখ্যা দাড় করানো হয়, লবিস্ট গ্রুপকে তাদের পক্ষে প্রচারণা চালানো হয়। এর সাথে যুক্ত হয় ভোগবাদী প্রপাগান্ডা মেশিনগুলো। নগ্নতার মধ্যে যেরকম আধুনিকতা থাকে সমকামিতার পক্ষাবলম্বনের মধ্যেও থাকে সভ্যতার অহমিকা! ফলে এর কিছু প্রচারক ও সমর্থকও আনাচে-কানাচে পাওয়া যায়। গ্লোবাল ওয়ারমিং নিশ্চিত ক্ষতিকর জেনেও শুধুমাত্র ব্যবসায়িক স্বার্থ হাসিলের জন্য এর বিপক্ষে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয় (গ্লোবাল ওয়ার্মিং- সভ্যতার খোলসে অমানবিকতা!) সমকামিতার বিরুদ্ধাচারণকেও এখন পাশ্চাত্য মিডিয়া, একাডেমিক পরিসরে একেবারেই সহ্য করা হয় না! অথচ ১৯৭৩ সালের আগে একে মানসিক অসুস্থতা হিসেবেই দেখা হতো। ১৯৭৩ সালে আমেরিকান সাইকোলজিক্যাল এসোসিয়েশন (APA) সমকামীতাকে মানসিক অসুস্থতা থেকে অব্যহতি দেয়।

তাহলে দেখা যাক  সমকামীতার সাথে স্বাভাবিক যৌন জীবণের তুলনামূলক চিত্রটি কেমন:

১. সমকামিতার সমর্থনে যে পশুপাখির সমকামিতার দোহাই দেয়া হয় তাতে ঘাপলা আছে। দেখা গেছে পিতামাতার সান্নিধ্য কম থাকা পশুপাখিদের সমকামিতার অন্যতম একটি কারণ।  একজন সমকামি পুরুষ মানুষের সন্তানের গে হবার সম্ভবনা যেখানে ২০ ভাগ যেখানে স্বাভাবিক হার  মাত্র ২-৪%।  

২.  ইন্টারনেশনাল জার্নাল ও এপিডিওলজিতে প্রকাশিত ১৯৮৭ এর শেষ দিকে এবং ১৯৯২ এর প্রথম দিকে এক জরিপ চালিয়ে দেখা গেছে সমকামী ও উভকামীরা অস্বাস্থ্যকর জীবণযাপন করে এবং তাদের গড় আয়ু স্বাভাবিকের চেয়ে কম।

৩. ইস্টার্ণ সাইকোলজিক্যাল এসোসিয়েশনে প্রকাশিত "Federal distortion of the homosexual footprint" এ ড: পল ক্যামেরুন দেখিয়েছেন পুরুষ ও মেয়ের বিবাহসম্পর্ক আয়ুষ্কাল বাড়িয়ে দেয় যেখানে সমকামিদের ক্ষেত্রে আয়ুষ্কাল ২৪ বছর কম। পল ক্যামেরুন ব্রিটিশ মেডিক্যাল জার্নাল, কানাডিয়ান মেডিক্যাল এসোসিয়েশন জার্নাল, পোস্টগ্রাজুয়েট মেডিক্যাল জার্নাল এর সম্পাদনা করে থাকেন। তার নিজের ৪০ টার মত আর্টিকেল আছে সমকামিতার উপর। ১৯৯০ থেকে ২০০২ সালের মধ্যে ডেনমাকর্কে স্বাভাবিক যৌনাচারীর গড় আয়ু যেখানে পাওয়া গেছে ৭৪, সেখানে ৫৬১ গে পার্টনার এর গড় আয়ু পাওয়া যায় ৫১! সমকামী মহিলাদের ক্ষেত্রেও এই গড় আয়ুর হার কম, আনুমানিক ২০ বছর কম! অপরদিকে ধুমপায়ীদের ক্ষেত্রে এই আয়ুষ্কাল কমে যাবার হার মাত্র ১ থেকে ৭ বছর!

৪. স্বাভাবিক যৌনাচারের চেয়ে সমকামিদের অবসাদ ও ড্রাগে আসক্তির সম্ভবনা প্রায় ৫০গুন বেশী। তাছাড়া গবেষণায় দেখা গেছে সমকামিদের মধ্যে আত্নহত্যার প্রবণতা ২০০গুণ বেশী। সমকামি পুরুষদের মধ্যে এই প্রবণতা আরো বেশী। সমকামি লেসবিয়ান, গে ও উভকামিদের মধ্যে নিজেদের ক্ষতি করার প্রবণতাও থাকে বেশী।

৫. সেন্টার ফর ডিজিস কন্ট্রোল ও প্রিভেনশন এর মতে সমকামিদের মধ্যে এইডস নামক রোগে আক্রান্ত হবার সম্ভবনা সবচেয়ে বেশী। ২০০৬ সালে এক জরিপে দেখা গেছে ৫৬০০০ নতুন এইচ আই ভি আক্রান্তের মধ্যে ৫৩% গে অথবা সমকামি। তাছাড়া গে'দের মধ্যে যারা এইডসে আক্রান্ত তাদের মৃত্যুঝুঁকি অন্যন্য এইডস আক্রান্তদের থেকে ১৩গুন বেশী

৬. সমকামিতা সিফিলিস এর মত রোগ ছড়াতেও ব্যাপকভাবে দায়ী। যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটাতে ২০০৮ সালে সিফিলিস ৪০ভাগ বেড়ে যাবার কারণ উদঘাটনে সমকামিতার সম্পর্ককে পাওয়া যায়। ২০০৮ সালে মিনেসোটার ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ এ ১৫৯ টি সিফিলিস এর ঘটনা পাওয়া যায়, এর মধ্যে ১৫৪টিই ঘটে পুরুষের মধ্যে আর এর মধ্যে ১৩৪ জনই আরেকজন পুরুষের সাথে যৌনক্রিয়া করেছে বলে স্বীকার করে।

৭. কিছু কিছু রোগ আবার ‘গে রোগ’ নামের খ্যাতি ইতিমধ্যেই পেয়ে গেছে, এরকই একটি হল 'স্টাপ স্টেইন'. একসময় ধারণা করা হয়েছিল এটা সাধারণ জনগণের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

৮. সমকামিতা যৌনবাহিত আরো অনেক রোগের প্রসার ঘটানোর জন্য দায়ী। কারণটা উদ্ঘাটনে দেখা গেছে, ২৪ ভাগ গে’র গড়ে পার্টনারের সখ্যা ১০০, ৪৩ ভাগ গে’এর পার্টনার ৫০০’রও বেশী, ২৮ ভাগ গে’এর পার্টনার ১০০০ এরও বেশী। 

সমকামিতা বিবর্তনবাদের দোহাই দিয়ে একাডেমিক লেভেলে এক ধরণের প্রশ্রয় পায়। কিন্তু সেসব গবেষণায় যে জরিপের ডাটা ব্যবহার করা হয় সেগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ থাকে।  সমকামিদের সমানাধিকারের পক্ষে প্রচার চালানো যুক্তরাজ্যের গ্রিফিথ ভন উইলিয়াম থেকে জানা যায় সমকামিদের নিয়ে গবেষণায় সমকামীরা স্বেচ্ছায় সাহায্য করতে প্রস্তুত থাকে। তাছাড়া ১৯৯৩ সালে চালানো গবেষণায় সমকামিতার জন্য জিনের সাথে যে সংযোগ দেখানো হয়, নতুন গবেষণায় তা মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়। অথচ সমকামিতার ব্যাপারে জিনের ভুমিকাকে সবচেয়ে শক্তিশালী প্রমাণ বলে ধরা হত।

অনেক বিজ্ঞানী গে জিন পাবার ব্যাপারে দাবীও করেছিলেন। কিন্তু দেখা যায় তাদের সেসব দাবী শেষপর্যন্ত অসার বলেই প্রতীয়মান হয়েছে। সমকামিতা যদি জিনগতই হবে তাহলে সমকামি পুরুষ ও মহিলার যমজ সন্তানদের ১০০ ভাগ সমকামি হবার কথা। অথচ যমজ সন্তানদের উপর গবেষণার চিত্র থেকে এটা ভুল বলেই প্রতীয়মান হয়। অনেক গবেষণায় আবার এভাবে দেখানো হয় যে সমকামি সন্তান জন্মদানকারী মা সন্তান জন্ম দেয়ার ক্ষেত্রে অনেক বেশী উর্বর হয়। কিন্ত গবেষকরা এও স্বীকার করেছেন যে এটা বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য নয়। আর তাছাড়া সমকামিতার কারণ উদঘাটনে এই প্রচেষ্টা যদি পুনঃগবেষণা দ্বারা প্রমাণিত হয়ও তার হার খুব কম। পরে ২০০২ সালে নাফিল্ড কাউন্সিল অব বায়োএথিক্স  জিন ও আচরণ নিয়ে তাদের রিপোর্টে, লিঙ্গ নির্ধারণে জিন ও জীববিজ্ঞানের গবেষণা নিয়ে সমস্যার কথা স্বীকার করে এবং গবেষণাকে সতর্কতার সাথে দেখা উচিত বলে মতামত দেন।

দূ:খজনকভাবে পাশ্চাত্য মিডিয়ায় সমকামিতা পক্ষে যে অতিরিক্ত মাতামাতি  তার প্রতি পাল্লা দিতে গিয়ে অনেক বিজ্ঞানীই নিজেদের তথ্যকে অনাবশ্যকভাবে হাইলাইট করতে গিয়ে পুরো বিষয়টিকে ভুলভাবে উপস্হাপন করে ফেলছেন। শুধু গে’জীনই নয় সমকামিতাকে মস্তিস্কের কোন অংশের নিউরণের কিছু ভিন্নতা হিসাবে দেখানোর প্রয়াস চালানো হয় যা শেষ পর্যন্ত তা সেরকম সাফল্য পায়নি। এছাড়া সমকামিতার সাথে মাতৃগর্ভকালীন হরমোন নি:সরণের যে যোগসুত্রের প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা হয়েছিল তাও ঠিক নয় বলে প্রমাণিত হয়।

সমকামীতা একটি  অত্যাধিক ভোগবাদিতার উপকরণ। তাছাড়া পরিস্থিতিও এর বিকাশ ও পরিপুষ্ট হবার জন্য দায়ী। স্বাভাবিক যৌনসম্ভোগের উপায় না থাকলে সমকামীতা হয়ে উঠে অপরিহার্য  যৌনাচার। সেজন্যই সৈনিকদের মধ্যে এর প্রাদুর্ভাব লক্ষ্য করার মত! ইউএলসিএ এর আইন স্কুলের উইলিয়াম ইনস্টিটিউটের গবেষণালব্দ ফলাফলে জানা যায় যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে আনুমানিক ৬৬,০০০ সমকামি ও উভকামি আছে! ২০০৯ এর গ্যালপ জরিপেও জানা যায় যুক্তরাষ্ট্রের ৬৯% লোক সমাকামিদের সেনাবাহিনীতে কাজ করাকে সমর্থন করেইংল্যান্ডের লিভারপুল বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবর্তনীয় মনোবিজ্ঞানী রবিন ডানবার মনে করেন যুদ্ধ ও শিকারে সমকামিতা পুরুষ গোত্রকে সংগঠিত রাখতে সাহায্য করে। প্রাচীন গ্রীসে স্পার্টানদের এলিট সৈন্যদের মধ্যে সমকামিতাকে উৎসাহিত করা হত। গ্রীক স্পার্টান ছাড়াও অন্য গ্রীক শহর থেবেস, এথেন্সেও সমকামিতার উদাহরণ পাওয়া যায়। থিবেনদের এলিট ফোর্স ৪০ বছর যাবত বিরাজমান ছিল। এছাড়া জাপানিজ সামুরাইদের মধ্যেও সমকামিতার অস্তিত্ব ছিল বলে জানা যায়। কির্কপ্যাট্রিকও ম্যালানেশিয়ার সাম্বিয়া উপজাতিদের মধ্যেও এই সমকামিদের প্রমাণ পাওয়া যায়। সাম্বিয়ারা প্রতিবেশী গোত্রগুলোর সাথে প্রায়ই যুদ্ধবিবাদে জড়িয়ে পড়ত আর তা করত শত্রুপক্ষের মাথার খুলি সংগ্রহের জন্য। সৈন্যদের মধ্যে সমকামিতা তাদের বন্ধনকে মজবুত করত যা তাদের প্রতিরক্ষার জন্য ছিল খুব গুরুত্বপুর্ণ। তবে প্রফেসর ডানবার সত্য কথাটি বলতে ভুলেননি যে সমকামিতা রাজনীতির প্যাচে আটকে আছে যাকে যাকে আরো গবেষণার মাধ্যমে অবমুক্ত করা প্রয়োজন।

৪৬ comments

Skip to comment form

  1. 18
    মাহফুজ

    এতদিন আমার চোখে না পড়ায় অনেক দেরিতে হলেও তথ্য নির্ভর লখাটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ-

     

    আপনি বলেছেন-

    //সমকামিতা একটি সুস্থ মানসিক অবস্থার অস্বাভাবিকতা হতে পারে । অনেক ক্ষেত্রে, সমকামিতা জন্মের পর তাঁর পরিবারের অবহেলা, নিঃসঙ্গতা এমনকি Mental Disposition এত জন্যও হতে পারে, যদিও ২০০৬ ও এরপর বেশ কিছু Sceintific Research এটাকে Psychogically সঠিক reasoning দিতে ব্যর্থ হওয়ায় একে স্বাভাবিক Sexual Act হিসেবে ধরে নিয়েছে  ।

     

    আর সেজন্য তাদেরকে ঘৃণা নয়, তাদের সাহায্য করার জন্য, অনুষঙ্গ দেয়ার জন্য আমরা এগিয়ে আসতে পারি । তাদের বুঝাতে পারি, এ কাজটি অন্যায় এবং ক্ষতিকর ।//

    ……………………………

    কিন্তু ভাই! ধুমাত্র অনুমানের উপর ভর কোরে সমকামিতাকে স্বাভাবিক Sexual Act হিসেবে ধরে নেয়া কি ঠিক?

     

    এ কাজটি অন্যায় এবং ক্ষতিকর- তা কে না জানে? কিন্তু তারপরও সমকামিতায় আসক্তরা এ কাজটি করে।

     

    মুসলিম হিসেবে সমকামিদের অনুষঙ্গ (Association; connection; attachment; adherence; Context; relation; Love; amour) দেয়ার কোন স্কোপ আছে কি?

     

    মানবধর্ম বিরুদ্ধ অস্বাভাবিক ঘৃণ্য কর্ম হিসেবে সমকামিতাকে অবশ্যই বর্জন করতে হবে। আর এই দুষ্কর্মে আসক্ত বলে প্রমানীত হলে সমকামিদের উপযুক্ত সাজা দিতে হবে। যারা জেনেবুঝে এই দুষ্কর্ম করে এবং এটিকে ইনিয়ে বিনিয়ে জায়েজ বানাবার পায়তারা করে- তাদেরকে স্ট্রেট সাজা দিতে হবে। তারপর অন্য আলাপ।

     

    এখানে আমন্ত্রণ- 22) Punish the homosexuals/ সমকামীদের কঠিন সাজা চাই-

    1. 18.1
      শামস

      পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

      আপনার কোট করা উপরের অংশটা নির্ভীক আস্তিক ভাইয়ের, তিনি হয়তো ভালো ব্যাখ্যা করতে পারবেন।

      উনি যে দৃষ্টিকোণ থেকে বলেছেন সেটা ফেলনা নয়। কারণ সমকামিতার ব্যাপারটা এখনো পুরোপুরি মানুষের জন্য বোঝা সম্ভব হয়নি। আর যে কিছু কারণ এর জন্য দায়ী সেগুলোও উল্লেখ করা হয়েছে উনার মন্তব্যে। সমকামিতার বিস্তৃতি রোধে কিভাবে কার্যকর কিছু করা যায় সেটাই মূখ্য। সমকামিতা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য না বলেই একে রোধ করার কথা আসছে।

      ভালো থাকুন।

       

      1. 18.1.1
        মাহফুজ

        ওহ, সরি! কোট করা অংশটার সাথে @ নির্ভীক আস্তিক- লেখা উচিত ছিল।ভুলটা ধরে দেবার জন্য ধন্যবাদ-

        //উনি যে দৃষ্টিকোণ থেকে বলেছেন সেটা ফেলনা নয়।//উনি ওনার দৃষ্টিকোন থেকে বলেছেন- আর আমি ইসলামের দৃষ্টিকোন থেকে বলেছি। এতে ফেলনা বা খেলনা ভাবাভাবির কি হলো?

        //কারণ সমকামিতার ব্যাপারটা এখনো পুরোপুরি মানুষের জন্য বোঝা সম্ভব হয়নি। আর যে কিছু কারণ এর জন্য দায়ী সেগুলোও উল্লেখ করা হয়েছে উনার মন্তব্যে।//

        যে ব্যাপারটা এখনো পুরোপুরি মানুষের জন্য বোঝা সম্ভব হয়নি- তার কারন খোজা এবং সেই অনুসারে রোধের চেষ্টা করার বিষয়টি পরস্পর বিরোধি নয় কি?

        যারা জেনেবুঝে এই দুষ্কর্ম করে এবং এটিকে ইনিয়ে বিনিয়ে জায়েজ বানাবার পায়তারা করে- তাদেরকে স্ট্রেট সাজা দেবার কথাই তো আল-কোরআন বলে।

        //সমকামিতার বিস্তৃতি রোধে কিভাবে কার্যকর কিছু করা যায় সেটাই মূখ্য। সমকামিতা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য না বলেই একে রোধ করার কথা আসছে।//
        সমকামিতা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য না- একদম ঠিক বলেছেন।

        একজন মুসলিম হিসেবে সমকামিতা রোধের ব্যপারে আল-কোরআনের দৃষ্টাভঙ্গি ও নির্দেশনা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র।  আর তাই কোন বক্তব্য কারো খারাপ লাগলে বা কেউ ফেলনা মনে করলে আমার কিছু করার নেই।

  2. 17
    শাফিউর রহমান ফারাবী

    খুব ভাল একটা লেখা। আমি নিজেও সমকামিতার বিপক্ষে একটা লেখা লিখব। তখন এই ডাটাগুলি আমার কাজে লাগবে।  

    1. 17.1
      শামস

      লিখুন, আরো বিশ্লেষণধর্মী লেখা আসা উচিত।

  3. 16
    আহমেদ শরীফ

    সমকামিতা একটি সুস্থ মানসিক অবস্থার অস্বাভাবিকতা হতে পারে । অনেক ক্ষেত্রে, সমকামিতা জন্মের পর তাঁর পরিবারের অবহেলা, নিঃসঙ্গতা এমনকি Mental Disposition এত জন্যও হতে পারে, যদিও ২০০৬ ও এরপর বেশ কিছু Sceintific Research এটাকে Psychogically সঠিক reasoning দিতে ব্যর্থ হওয়ায় একে স্বাভাবিক Sexual Act হিসেবে ধরে নিয়েছে  ।
    আর সেজন্য তাদেরকে ঘৃণা নয়, তাদের সাহায্য করার জন্য, অনুষঙ্গ দেয়ার জন্য আমরা এগিয়ে আসতে পারি । তাদের বুঝাতে পারি, এ কাজটি অন্যায় এবং ক্ষতিকর ।

     
    চমৎকার পোস্টের সেরা মন্তব্য এবং দিক নির্দেশনা!

    1. 16.1
      শামস

      ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

       

  4. 15
    শাহবাজ নজরুল

    শামস,
     
    পড়েছি অনেক আগেই, সময়ের অভাবে মন্তব্য করতে পারিনি। বরাবরের মতোই অসাধারণ। সমকামিতা আর ধর্ষণের মতো বিষয়গুলো ডারুইনবাদীদের গলার কাঁটা। ডারউইনবাদ যে বিজ্ঞানের আদলের জিনিস না বরং মত প্রকাশের বাহক মাত্র তা এই দুই বিষয়ে সামান্য গবেষণা করলেই জানা যায়। সাধুবাদ ভালো লেখা দেবার জন্যে।
     

    1. 15.1
      শামস

      সমকামিতা আর ধর্ষণের মতো বিষয়গুলো ডারুইনবাদীদের গলার কাঁটা।

       
      ফুলের জন্য যেমন কাটার আঘাত সহ্য করতে হয়, ডারউইনিয়ান বিবর্তনবাদীরাও তেমনি সমকামিতা, ধর্ষণ ও অজাচারের মত গলার কাটাকে সহ্য করে!!! 
      পড়া ও মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
       

  5. 14
    নামহীন

    ১। আমি গেলাজ গ্রিল পাখির নামই জীবনে শুনি নি। ওদের সমকাম দেখে আমি সমকামী হই নি এইটুকু নিশ্চিত।
    ২। আমার বাপ গে না। তাই এক জন গে এর সন্তান হিসাবে আমি গে হই নি।
    ৩। আমি অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করি না। সিগারেট খাই। এইটা যতদূর মনে পরে স্ট্রেইট বড় ভাইদের কাছ থেকেই দেখে শিখেছি। সেক্সের সময়ে সচেতনতা আমার বরং স্ট্রেইটদের থেকে বেশি। আর লাগামহীন যৌনতার মাধ্যমে যদি সেক্সের ফ্রিকোয়েন্সির কথা বলা হয় তাতেও আমি আমার বিষমকামী বন্ধুদের কাছে শিশু।
    ৪। আমার আয়ু আসলেই ৫১ বছরে আটকে যাবে কিনা বলতে পারছি না। তবে আমার আয়ু কম হবে কি জন্যে বুঝতে পারছি না। পিছনের রাস্তায় মাল ফেললে কি মালের সাথে আয়ুও বের হয়া যায় কিনা কে জানে। লেখক এই ব্যাপারটা ক্লিয়ার করে দিলে আরেকটু ভাল হত লেখাটা।
    ৫। আমি আমার সম্পূর্ণ জীবনে একবারও আত্মহত্যা করতে চাই নি। তবে অনেক সমকামীই করতে চায়। স্বীকৃতি নেই, পরিষ্কার কোন গাইড লাইন নেই, সুস্থ্য কোন উদাহরন নেই, গ্রহনযোগ্যতা নেই, ধর্মের অনুমোদন নেই, পাশে দাঁড়ানোর লোক নেই, এই ধরনের আরটিকেল লেখার মত লোকের অভাব নেই-সমকামীদের আত্মহত্যা করতে চাইবার প্রবণতা বেশি হওয়ার জন্য আরও কারনের দরকার আছে কি?
    ৬। সমকামীদের এইডস হয় বেশি? হবেই বা না কেন? একগামী সমকামী সম্পর্কের স্বীকৃতি নেই, বিকাশ নেই, পরিণয় নেই- একাকীত্ব, হতাশা, অনিশ্চয়তা এবং অবশ্যই কাঠামোগত সামাজিক ইন্সটিটিউশনের অভাব সমকামীদের বহুগামী করে। একটু খারাপ ভাষায় বলি, লুকিয়ে চুরি করে পথে ঘাটে আদারে বাদারে যারে পায় তারেই লাগায় কারণ বাসায় তার জন্য স্বীকৃত আদরণীয় কোন পার্টনার অপেক্ষা করে না। সমকামিতা বৈধ যে সবদেশে সেখানে একগামী সম্পর্কের উদাহরন তৈরি হচ্ছে প্রচুর।
    ৭। সিফিলিস সবারই হয়। আর উপরের ৬ নাম্বার কারণ এইখানেও প্রযোজ্য।
    ৮। অনেক স্ট্রেইট রোগ আছে। গে রোগ থাকলে আলাদা করে দোষারোপ করা কেন?
    ৯। গে দের কয়েক প্লাটুন পার্টনার থাকে কারণ আবারও ঐ ৬ নাম্বার পয়েন্ট।
    ১০। গে জিন খুঁজে পাওয়া যায় নাই। খুব খারাপ হয়েছে। তাইলে মনে হয় আমাদের গে জ্বিনে ধরছে। খুব খারাপ জ্বিন। হুজুরের পড়া পানি আর ঝাড়ুর বাড়ি খেলে হয়ত নিরাময় হবে। যদিও কয় দিন পর আবার বিজ্ঞানীরা গে জিন খুঁজে পেলে আমার শ্যাওড়া গাছের জ্বিন তত্ব ভুল প্রমান হয়ে যাবে। :'(
    ১১। আমি ভোগবাদী না। এখনো আমার বাপের টাকায় চলি। ভোগবাদী হলে সমকামী হওয়ার আগে চোর হতাম আর ভোগবিলাস করতাম। আমাদের সেক্সের ভোগের আগেও আরও অনেক চাহিদা অপূর্ণ থাকে। সেগুলি আগে মিটাতাম। পাশ্চাত্যের ভোগবাদী সমাজের সাথে ইন্টারনেট, সিনেমা বই পুস্তকের মাধ্যমে পরিচয়ের আগে থেকেই আমি গে।  
    ১২। আমার জীবনের একটা দীর্ঘ সময় আমি আর্মিতে ছিলাম। কিন্তু আমি সমকামী আর্মিতে জয়েন করার আগে থেকে। বহু আগে থেকে। আর আমার দেখা অধিকাংশ গেরাই সম্মানিত সিভিল নাগরিক। অতএব আর্মি তত্বেও ভেজাল।
    ১৩। সমকামীতা আগেও ছিল তাই এখন মেনে নেওয়া যাবে না? তাহলে কি আগে না থেকে এই যুগে নতুন আবিষ্কার হলে সমকামিতাকে মেনে নিতেন লেখক? উনার পয়েন্টটা কি?
    আমি কেবল মাত্র লেখকের লেখার আলোকে কিছু মতামত দিলাম। সপক্ষে যুক্তি স্থাপন করি নি। চাইলে এর থেকে বেশি তথ্য সমৃদ্ধ লিঙ্ক যুক্ত পয়েন্ট নির্ভর হাজার শব্দ লিখতে পারতাম যা কিনা আমার পক্ষ সমর্থন করবে। করি নি। কারণ এভাবে করে তর্ক বাড়ে, কেউ কারও যুক্তি শুনে মত পালটায় না। একটা প্রশ্ন করি। আপনাদের কেউ কি কখনো কোন সমকামীর সাথে ব্যাক্তিগত ভাবে কথা বলেছেন? আপনারা কি জানেন, ঠিক কেন আশেপাশের সকল ক্ষেত্র থেকে ধিক্কার অস্বীকৃতি নিন্দা নিরুৎসাহ পাওয়ার পরেও কেন একটি ছেলে বা মেয়ে এমন অমসৃণ ও বন্ধুর জীবন বেছে নেয়? সত্যিই যদি বিষয়টা কেবল "বেছে নেওয়া"র মত সরল ও ঐচ্ছিক হয় তবে কেন এত ঝামেলা করে এরা?
    এত দীর্ঘ কমেন্ট করার উদ্দেশ্য আপনাদের কনভারট করা না। আমি ৯৯ ভাগ নিশ্চিত আপনারা আমার কথা বার্তা পথভ্রষ্ট জ্ঞানহীন বখাটে পাগলের প্রলাপ মনে করে আতঙ্কে শিহরিত হবেন। দেশের অধঃপতনে চিন্তিত হবেন। পাপবাক্য শোনার কারনে ওযু করে পবিত্র হবেন। আমি তবুও বলে গেলাম কারণ না বললে মুদ্রার ওপিঠের অস্তিত্ব অনুল্লেখ থেকে যেত। আপনারা আগেও দেখতে পেতেন না, হয়ত এখনো পাবেন না।

    1. 14.1
      শামস

      আপনার নিজের টেস্টিমোনিয়াল পড়লাম। যেহেতু এই ব্লগটি ব্যক্তির যৌনজীবণ উদঘাটন এর জন্য নয়, তাই পয়েন্ট বাই পয়েন্ট মন্তটা অপ্রয়োজনীয়ই হবে। তারপরও কিছু পয়েন্টকে এড্রেস করা দরকারঃ
       

      আমি গেলাজ গ্রিল পাখির নামই জীবনে শুনি নি। ওদের সমকাম দেখে আমি সমকামী হই নি এইটুকু নিশ্চিত।

      এই পাখিটিকে কেন উদাহরণ হিসেবে আনা হয়েছে তা আপনি ধরতে পারেননি। আরেকবার পড়ে দেখুন বুঝা যায় কিনা। হিন্টসঃ বিবর্তনবাদ।
       

      আমার বাপ গে না। তাই এক জন গে এর সন্তান হিসাবে আমি গে হই নি।

      বাপ গে হলে সন্তান গে হবার সম্ভবনা যে ১০০ ভাগ তাতো কোথাও বলা হয়নি। আমি যেটা উল্লেখ করেছি সেটা হলঃ "একজন সমকামি পুরুষ মানুষের সন্তানের গে হবার সম্ভবনা যেখানে ২০ ভাগ যেখানে স্বাভাবিক হার  মাত্র ২-৪%" এখানে সিঙ্গেল পেরেন্ট কে বুঝানো হয়েছে।
       

      আর লাগামহীন যৌনতার মাধ্যমে যদি সেক্সের ফ্রিকোয়েন্সির কথা বলা হয় তাতেও আমি আমার বিষমকামী বন্ধুদের কাছে শিশু।

      লাগামহীন যৌনতা তা স্ট্রেইট বা সমকামি যেই করুক, এখানে একটা আরেকটাকে কোনভাবেই বৈধতা দেয় না।
       

      সমকামিতা বৈধ যে সবদেশে সেখানে একগামী সম্পর্কের উদাহরন তৈরি হচ্ছে প্রচুর।

      ব্লগে উল্লেখিত ডাটা কিন্তু সেসব দেশের উপর ভিত্তি করেই। 
       

      সিফিলিস সবারই হয়। আর উপরের ৬ নাম্বার কারণ এইখানেও প্রযোজ্য।
      অনেক স্ট্রেইট রোগ আছে। গে রোগ থাকলে আলাদা করে দোষারোপ করা কেন?

      স্বাভাবিক জীবণে যৌনবাহিত রোগ ছাড়াও অনেক ধরণের রোগবালাই হয়, সমকামিতা নতুন করে যৌনবাহিত রোগ সৃষ্টি করছে, সেটাও ঠিক। আর সমকামিদের ক্ষেত্রে যৌনরোগের ব্যাপকতাও খুব বেশী। এইডস এর মত রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণ তাদের সেক্সুয়াল এক্টিভিটি!
       

       পাশ্চাত্যের ভোগবাদী সমাজের সাথে ইন্টারনেট, সিনেমা বই পুস্তকের মাধ্যমে পরিচয়ের আগে থেকেই আমি গে।  

      এটা কেমন যুক্তি হল! এ উপমহাদেশের 'ধার করে হলেও ঘি খাওয়ার কথা বলা' চারবাকদের কথা শুনেন নাই!
       

      আমার জীবনের একটা দীর্ঘ সময় আমি আর্মিতে ছিলাম। কিন্তু আমি সমকামী আর্মিতে জয়েন করার আগে থেকে। বহু আগে থেকে। আর আমার দেখা অধিকাংশ গেরাই সম্মানিত সিভিল নাগরিক। অতএব আর্মি তত্বেও ভেজাল।

      আমার ব্লগে আর্মিতে গে'দের আধিক্য বলতে কি বুঝানো হয়েছে তা আপনি সম্ভবত ধরতে পারেন নাই। আপনার নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে আর্মিতত্বে ভেজাল পেতেই পারেন!
       

      সমকামীতা আগেও ছিল তাই এখন মেনে নেওয়া যাবে না? তাহলে কি আগে না থেকে এই যুগে নতুন আবিষ্কার হলে সমকামিতাকে মেনে নিতেন লেখক? উনার পয়েন্টটা কি?

      সমকামিতার পক্ষে সাফাই গাইবার জন্য অতীতের সমকামিদের উদাহরণটা টানার মধ্যেও যৌক্তিকতার কিছু নেই। অতীতে কালোবাজারীর উদাহরণ দিয়ে এসময়ে কালোবাজারীকে বৈধতাদানের কিছু নেই।
       
       
       
       

  6. 13
    mosharaf hossain

    I have read avijit's writings in this regard. This is a good reply. Thanks brother for your essay. I am fond of your writings. ja ja ……kallah

    1. 13.1
      শামস

      সদালাপে নিয়মিত আসুন ও মন্তব্যে অংশগ্রহণ করুণ।
      আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
       

  7. 12
    আবু সাঈদ জিয়াউদ্দিন

    লেখাটা পড়ছি -- সময় নিয়ে পড়ার মতো লেখা -- কারন লেখাটার প্রতিটি লাইনেই রেফারেন্সগুলো অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ন। এই ধরনের লেখা আসলেই সদালাপের জন্যে সম্পদ। 
     
    আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ -- ভবিষ্যতে আরো অনেক লেখা চাই। জাযাকাল্লাহ!
     
    এ্ডিটরস চয়েজ এ নির্বাচিত হওয়ার সুপারিশ রইল। 

    1. 12.1
      শামস

      পড়া ও মন্তব্যের জন্য আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
      এ ধরণের লেখার জন্য প্রচুর সময় প্রয়োজন, তারপরও এ ব্লগেই অনেকে লেখছে। বাংলায় এ ধরণের লেখা কম, যেগুলো এখন পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোতে সমকামিতা, বিবর্তনবাদের নামে নাস্তিকতা ইত্যাদির সমর্থনেই পাওয়া যাবে। তাই উদ্দেশ্য থাকে মানুষকে প্রকৃত তথ্যের সাথে পরিচিত করে দেয়া, তাদের মধ্যে কেহ যদি চায় যদি কেহ চায় এখান থেকে প্রাথমিক কিছু সুত্র নিয়ে কাজ শুরু করে একে আরো পরিবর্ধিত ও নতুন তথ্যের সমাহার করতে পারবে।
       
      ভালো থাকুন।
       

  8. 11
    সাদাত

    লেখাটিকে স্টিকি করা হোক।
    এডিটরস চয়েজেও আসতে পারে, সম্পাদক সাহেব বিবেচনা করলে।

  9. 10
    শামস

    @এম_আহমদ,

    তবে সব যুক্তির মধ্যে যদি এটাও একটি যুক্তি হয় যে কোনো কোনো জন্তু-জানোয়ারকে এই কাজটি করতে দেখায়, এবং সেই কারণে যদি এটা বৈধতায় অনুকরণীয় হয়, তবে জন্তু-জানোয়ারদের মধ্যে সন্তান-সন্তিনী নির্বিশেষেও তো অনেক কাজ দেখতে পাওয়া যায়, তখন …, যাক, আমরা সভ্য হচ্ছি না অসভ্য, এটাই হয়ে পড়ে বড় প্রশ্ন।

    হ্যা, গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টটা ধরতে পারছেন. বিবর্তনবাদ অনুযায়ী মানুষ রক্ত মাংসের উন্নত একটি পশু ছাড়া বেশি কিছু না. তাদের যৌক্তিক (!) পয়েন্টটা হলো, পশু পাখি যা করছে তাদের উত্তরপুরুষ মানুষও ত়া করতে পারে!
     

  10. 9
    নির্ভীক আস্তিক

    শামস ভাই এর আগে আবছা আবছা কিছু পড়েছিলাম । তবে আপনি এখানে যতগুলো রেফারেন্স দিলেন এগুলোর অনেক কিছুই আমি জানতাম না। দেখি এখন পড়ে দেখব। এরকম ভাল লেখা  উপহার দেয়ার জন্য ধন্যবাদ ।

    1. 9.1
      শামস

      সমকামিতার বিপক্ষে লেখা পাওব্য়া সহজ না, ধর্মীয় সাইট ছাড়া. ডাটার দিকে ভালোভাবে চোখ বুলালে অসঙ্গতিগুলো ঠিকই দেখা যায়. কিন্তু সেসব অসঙ্গতিগুলো কেন যেন হাইলাইট হয় না. 
      পড়ুন আর আমাদের কিছু লেখা দিন.
      ধন্যবাদ. 
       

  11. 8
    এম_আহমদ

     
    ভাই, যে বিষয় নিয়ে কিছু দেখি না, পড়ি না, ভিডিও ক্লিপ হলেও এড়িয়ে যাই, এটি সেই টপিক।  তবে আপনারটা কোনো রকমে পড়ে ফেলেছি। দেখতে পাচ্ছি অনেক তথ্য স্থান পেয়েছে। নিঃসন্দেহে সদালাপের আর্কাইভ সমৃদ্ধ করবে। 
     
    তবে সব যুক্তির মধ্যে যদি এটাও একটি যুক্তি হয় যে কোনো কোনো জন্তু-জানোয়ারকে এই কাজটি করতে দেখায়, এবং সেই কারণে যদি এটা বৈধতায় অনুকরণীয় হয়, তবে জন্তু-জানোয়ারদের মধ্যে সন্তান-সন্তিনী নির্বিশেষেও তো অনেক কাজ দেখতে পাওয়া যায়, তখন …, যাক, আমরা সভ্য হচ্ছি না অসভ্য, এটাই হয়ে পড়ে বড় প্রশ্ন। অভিশপ্তরা দুনিয়ায় এত পরিমাণ বিপর্যয় সৃষ্টি করছে যে ধারণা করতেও মন আহত হয়। 

  12. 7
    মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

    পোস্ট সুপার্ব।আমার তো এসব কথা চিন্তা করলেই মাথা ঘুরিয়ে বমি আসে…কীভাবে এটা সম্ভব বলেন তো ভাই।

    1. 7.1
      শামস

      ধন্যবাদ

  13. 6
    সাদাত

    চমৎকার একটি গবেষণাধর্মী লেখা।  আপনার লেখাগুলোকে ই-বুক হিসেবে দেখতে পেলে খুবই ভালো লাগতো। আপনার লেখার বিশেষত্ব হচ্ছে এতে বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটে, রং-রস-আবেগ মিশিয়ে নিজের বক্তব্যকে পাঠককে গিলিয়ে খাওয়াবার কোন প্রবণতা থাকে না।

    1. 6.1
      শামস

      ধন্যবাদ 

  14. 5
    আবদুল্লাহ সাঈদ খান

    এ রকম একটি লেখার খুব প্রয়োজন ছিল । বেশ কিছু জানা হল। ধন্যবাদ। 

    1. 5.1
      শামস

      ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য.

  15. 4
    মুনিম সিদ্দিকী

    অনেক তথ্য কথা জানতে পারলাম যা আমার জানা ছিলনা। গবেষণা ধর্মী ব্লগ লেখার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

    1. 4.1
      শামস

      আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ।
       

  16. 3
    অভিষেক

    ৭ বিলিয়নেরও বেশি মানুষের জনসংখ্যার নিরিখে কয়েক লক্ষ সমকামী হলে তাতে মানব সমাজের কি-ই বা এসে যায় ?

    1. 3.1
      মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

      না কিছুই হয় না।শুধু ওই অস্বাভাবিক জানোয়ারগুলোকে পৃথিবীর বাইরে অন্য কোনো গ্রহে পাঠিয়ে দিলেই হয়।

      1. 3.1.1
        অভিষেক

        সে অধিকার অাপনার নেই। কারো নেই।

        1. 3.1.1.1
          শামস

          এ ব্যাপারে আপনার সাথে সহমত!

      2. 3.1.2
        নির্ভীক আস্তিক

        সমকামিতা একটি সুস্থ মানসিক অবস্থার অস্বাভাবিকতা হতে পারে । কিন্তু তাদেরকে মানুষের শ্রেনী থেকে নামিয়ে জানোয়ারের শ্রেনীতে নামিয়ে দেয়ার হেতু কি ? অনেকক্ষেত্রে, সমকামিতা জন্মের পর তাঁর পরিবারের অবহেলা, নিঃসঙ্গতা এমনকি Mental Disposition এত জন্যও হতে পারে, যদিও ২০০৬ ও এরপর বেশ কিছু Sceintific Research এটাকে Psychogically সঠিক reasoning দিতে ব্যর্থ হওয়ায় একে স্বাভাবিক Sexual Act হিসেবে ধরে নিয়েছে  ।

        আর সেজন্য তাদেরকে ঘৃণা নয়, তাদের সাহায্য করার জন্য, অনুষঙ্গ দেয়ার জন্য আমরা এগিয়ে আসতে পারি । তাদের বুঝাতে পারি, এ কাজটি অন্যায় এবং ক্ষতিকর । আপনার শব্দের যত্র তত্র ব্যবহারের বদভ্যাস এখনো গেল না। এভাবে মন্তব্য করলে তা সর্বজনের কাছে গ্রহণযোগ্যতা তো হারায়ই, বরং উল্টো সমালোচনার ভাগিদার হতে হয় গোটা মুসলিম সম্প্রদায়কে ।

        এরপর থেকে এসকল ব্যাপারে সাবধান হওয়ার জন্য আপনার কাছে অনুরোধ রইল ।      

        1. 3.1.2.1
          মহাবিদ্রোহী রণক্লান্ত

          সাহায্য করতে চান,ভালো কথা।খেয়াল রাখবেন যাতে সাহায্য করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার না হন।

        2. 3.1.2.2
          শামস

          অনেকক্ষেত্রে, সমকামিতা জন্মের পর তাঁর পরিবারের অবহেলা, নিঃসঙ্গতা এমনকি Mental Disposition এত জন্যও হতে পারে,

          প্রথমেই আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
          এজন্যই দরকার একটি সুস্থ পরিবার, যেটা ধর্ম দিতে পারে। লাগামহীন ভোগবাদী জীবণব্যবস্থা নয়। কিন্তু যারা এই ভোগবাদী জীবণে অভ্যস্থ তাদের জন্য সমকামিতা, অজাচার কোন ব্যাপার না। আর যারা ভোগবাদীদের লেজুড়বৃত্তি করেও একটি পরিবার প্রথার মধ্যে থাকে তারা মন থেকে সমকামিতাকে মেনে নিতে পারে না, যা অনেকসময় তাদের আচরণে প্রকাশ হয়ে পড়ে।
           
           

    2. 3.2
      শামস

      @অভিষেক, আমার লেখা থেকে একটা ব্যাপার বুঝতে পারার কথা যে সমকামিতাটা কেবল একটি শরীরবৃত্তীয় সমস্যা নয় সামাজিক সমস্যা. শরীরবৃত্তীয় সমস্যাটা খুব কম. আপনার এই কথা কি 'অজাচার' এর জন্যও প্রযোজ্য?

      1. 3.2.1
        অভিষেক

        জেনেটিক্স অনুসারে অজাচার সব প্রানীদের, এমনকি উদ্ভিদের জন্যও বিনাশমুলক। এটাকে বলা হয় ইনব্রিডিং। সমকাম অার অজাচার কখনোই এক নয়। অজাচার ঘটে অজ্ঞানতার কারণে বা কামোত্তজনার বশে। সমকাম মানসিক বা জৈবিক সমস্যা, অতিরিক্ত কৌতূহল বশতঃও  ঘটতে পারে।

      2. 3.2.2
        শামস

        অজাচার ও সমকাম দুটোকে এক করি নাই, দুটোই বিধবংসী, ভোগের চরম বহিঃপ্রকাশ। মন থেকে যখন নৈতিকতার দেয়াল খসে পড়ে তখন এসব প্রশ্রয় পায়। নাস্তিকতা, মুক্তমনা (!) নামে অশুভ শক্তি মনের সেই দেয়ালকে ভেঙ্গে ফেলতে বলে।

    3. 3.3
      নির্ভীক আস্তিক

      ৭ বিলিয়নেরও বেশি মানুষের জনসংখ্যার নিরিখে কয়েক লক্ষ সমকামী হলে তাতে মানব সমাজের কি-ই বা এসে যায় ?

      ৭ বলিয়নের মানুষের পৃথিবীতে সমাকামীদের স্থান না দেয়ার ব্যাপারেতো বলা হয়নি । সমকামিতাকে নিবৃত করে সমাজ ব্যবস্থার স্বাভাবিকতা ও সভ্যতা যদি আমরা রক্ষা করতে পারি তাহলে সে  চেষ্টা অপচেষ্টা নয় । আমার বন্ধু ভাইরাও এরকম হতে পারত, তাই বলে তাদের নির্মূল আমরা করবনা, কিন্তু তাদের মাধ্যমে সমকামিতার Practice যেন না হয় সেজন্য তো আমরা এগিয়ে আসতেই পারি । 
       

      1. 3.3.1
        অভিষেক

          অধিকাংশ মানুষই সমকামী নয়, সমকামিতা একটি মানসিক সেটঅাপ, যেটির শিকার অধিকাংশ সমকামী। কেউ কেউ কৌতুহলবশতঃ সমকামে অাগ্রহী হতে পারে!  তাই সমকামিতা কোন অপরাধ নয়, এটি একটি মানসিক সমস্যা। একজন বিশেষজ্ঞ-ই এর নিদান দিতে পারে, দমনমূলক অাইন নয়।

        1. 3.3.1.1
          শামস

          অধিকাংশ মানুষই সমকামী নয়, সমকামিতা একটি মানসিক সেটঅাপ, যেটির শিকার অধিকাংশ সমকামী।

          আপনার কাছে কোন সাপোর্টিং সুত্র আছে? এখন পর্যন্ত গে জীন এর অস্তিত্ব পাওয়া যায় নাই যা কিনা সে সেটআপকে প্রভাবিত করতে পারে।

          শিশুকালে যৌন অত্যাচারের ফলে কেউ কেউ সমকামি হতে পারে সেটা কিছু ভোগী লোকের বিকৃত ভোগের বহিঃপ্রকাশ।

        2. 3.3.1.2
          আবদুল্লাহ সাঈদ খান

           
          সমাজবিজ্ঞানের বিচারে সমকামিতা অবশ্যই একটি অপরাধ। ড্রাগ এডিকশনের রোগীদের তাদের 'এডিকশনের' রাইট দেয়ার সুযোগ নেই। বরং, যেহেতু ড্রাগ নেয়ার জন্য অনিয়ন্ত্রণযোগ্য আকর্ষণ তৈরী হওয়ায় তারা বিভিন্ন অপরাধ সংঘটনের মাধ্যমে সমাজের ক্ষতি সাধনের কাজে লিপ্ত হয়, সেহেতু তাদেরকে আবদ্ধ রেখেই সংশোধনের কাজ করতে হয় তথা সাইকোথেরাপি দিতে হয়। ঠিক একই ভাবে, সমকামীরা তাদের বিকৃত যৌন আচরণের মাধ্যমে অসভ্য ও অস্বাভাবিক আচরণের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ প্রচারের মাধ্যমে  সামাজিক অগ্রগতির পথে অন্তরায় সৃষ্টি করে বিধায় তাদেরকে কারাগারে অথবা সংশোধন কেন্দ্রে আবদ্ধ রেখেই মানসিক চিকিৎসা দিতে হবে। এক্ষেত্রে একই সাথে দুটি উপকার হবে। এক সমকামীরাও তাদের বিকৃত, বংশবৃদ্ধি স্তব্ধকারী রুচি থেকে বের হয়ে আসতে পারবে। এবং দুই, জনসাধারণের মধ্যে সচেতনা তৈরী হবে যে ড্রাগ এডিকশনের মত সমকামিতাও ক্ষতিকর, যেটা থেকে বিরত থাকা অত্যন্ত জরুরী।  
           
           
          আর ‘বিবর্তন’ নামক ভন্ডামিকে সমকামিতার কিংবা ধর্ষনের ভিত্তি দেয়ার চেষ্টার পেছনে কোন ধরনের মানসিকতা কাজ করছে তা বুঝাই যায়। যে থিওরিটিই সর্বৈব মিথ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত। সেটা কোন কিছুকে বৈধতা দান করলেই কি না করলেই কি? অন্যদিকে, একদল জীববিজ্ঞানী যদি বস্তুবাদী আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে ‘সাবজেক্টিভ’ ভাবে ‘বিবর্তন’কে সত্য বলে মনে করে ও প্রচার করে তাতেই বিবর্তনবাদ সত্য হয়ে যাবে না।  

        3. শামস

          সমকামিতার মূল কারণ নিয়ে একধরণের ধোয়াশে ভাব দেখি। একে স্বাভাবিক হিসেবে প্রমাণের জন্য অনেক কিছুই করা হচ্ছে। এর বিরুদ্ধে কিছু বলা, এমনকি তাদের নিরাময়ের জন্য কিছু বললেও বিপদে পড়তে হয়। পরে এর জন্য ক্ষমাও চাইতে হয়। (দেখুন)। এভাবে ক্ষমা চাওয়াটাকে আমার স্বাভাবিক বলে মনে হয়নি। তবে হিজরাদের ব্যাপারটা সম্ভবত শারিরিক। তাই তাদের প্রতি কঠোর হবার আগে ভাববার অবকাশ আছে। কিন্তু এটাই সমকামিতার প্রধান কারণ নয়। নয়তো যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে এতো সমকামি থাকতো না। পড়ে যা পেলাম তাতে দেখা যায়, সমকামি হবার অনেক কারণ গুলোর মধ্যে আছে বিকৃত শখ যা ভোগবাদের নামান্তর, বিপরীত সেক্স এর সান্নিধ্য কম থাকায় সমসেক্স এর প্রতি আকৃষ্ট হওয়া, শিশুকালে সমসেক্স দ্বারা যৌন নির্যাতন, বাবা মার সান্নিধ্য কম থাকা, ভাঙ্গা পরিবারে বড় হওয়া ইত্যাদি। সবকিছুকেই এখন প্রাকৃতিক ও স্বাভাবিক বলে চালানোর চেষ্টা করতে হচ্ছে। আর অসাধারণ (!) সব যুক্তি হলঃ সমকামিতা মানব সমাজে অনেক আগে থেকেই বিরাজমান, এটা সভ্যতার অহঙ্কার (গ্রীক রোমান সভ্যতায় এর সরব উপস্থিতি!), ধর্মগ্রন্থে বিশেষত হিন্দু পুরাণে সমকামিতা, অজাচার এর ছড়াছড়ি ইত্যাদি। 
           

  17. 2
    সরোয়ার

    ১৩০ টার মত পাখির মধ্যে (এর মধ্যে লেইসান আলবাট্রসের ৩১% এর মধ্যে মেয়ে-মেয়ে ও গ্রেলাগ গিজ এর ২০% এর মধ্যে ছেলে-ছেলে) সমকামিতার প্রধান কারণ প্যারেন্টিং এর চাহিদা কম থাকা।পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতাহীনতা বা এককথায় অসামাজিকতা সমকামিতাকে শখে পরিণত করে। যুক্তরাজ্যের এক্সটার বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভলুশনারী জেনেটিসিস্ট এল্যান মুর মানুষের সমকামীতাকেও সেভাবেই দেখেছেন

    অনেক বিজ্ঞানী গে জিন পাবার ব্যাপারে দাবীও করেছিলেন। কিন্তু দেখা যায় তাদের সেসব দাবী শেষপর্যন্ত অসার বলেই প্রতীয়মান হয়েছে।

    বিবর্তনবাদ তত্ত্বকে 'আলু'র (যা সব তরকারীতেই দেয়া যায়!) মত  প্রয়োগ করতে গিয়ে সমকামিতার ক্ষেত্রে গলার কাটা হিসেবে দাঁড়িয়েছে! বিবর্তনবাদীয় বাই-প্রডাক্ট ব্যাখ্যা দিয়ে গে জিন নিয়ে কিছুদিন মাতামাতি  হলো।  সেটাও গুড়েবালি। এখন হচ্ছে ব্রেইন স্কেন নিয়ে হৈচৈ। কেন জোর করে বিবর্তন মৌলবাদীরা বিবর্তনবাদের ঘাড়ে সমকামিতাকে চাপাতে চাচ্ছেন তা বুঝে আসে না।  
    আপনার লেখাটি বিবর্তন মৌলবাদীদের জন্য বেশ কষ্টদায়ক হবে। 

    1. 2.1
      শামস

      কায়দা করে হয়ত জায়গা দেবে, কিন্তু এতে প্রশ্নবিদ্ধও হচ্ছে।

  18. 1
    এস. এম. রায়হান

    বিবর্তনবাদের প্রচারকরা এর প্রচারে উগ্রতার আশ্রয় নিলেও তত্ত্ব হিসেবে বিবর্তনবাদ বেশ উদার, কারণ এর মধ্যে সবকিছুকেই জায়গা দেয়া যায়।

    একেবারে আধুনিক হিন্দুত্ববাদী ধর্ম'র মতো যেখানে আস্তিক-নাস্তিক নির্বিশেষে সবাইকেই জায়গা দেয়া হয়েছে! এজন্যই মনে হয় উচ্চ শিক্ষিত হিন্দুরা বিবর্তনবাদ ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে যেহেতু এখানে (অপ)বিজ্ঞানের প্রলেপ আছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.